http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - কাম ডাউন, কাম ডাউন, এরপর গুলি... http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96854 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597289351_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597289351_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">‘কাম ডাউন, কাম ডাউন। এরপর আমি গুলির শব্দ শুনি। তারপর আমি দেখলাম সিনহা স্যার মাটিতে পড়া। তখন আমি ভেবেছিলাম শরীরে লাগেনি, হয়তো ফাঁকা আওয়াজ করেছেন, উনি হয়তো মাটিতে শুয়ে পড়েছেন। তারপর দেখলাম উনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে’<br>কক্সবাজারের শাপলাপুর চেকপোস্টে কী ঘটেছিল অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের সাথে? জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেন সিনহার সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাত। সিনহার মৃত্যু খুব কাছ থেকে দেখেছেন, তার সফরসঙ্গী সিফাত। হত্যার সময় কি ঘটেছিলো সে বর্ণনা এবার উঠে এলো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সিফাতের মুখে।<br><br>সিফাত জানান, তথ্যচিত্রের জন্য ছবি ধারণ করতে বিকেলে পাহাড়ে ওঠেন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা। তার সঙ্গী ছিলেন সিফাত। আটক হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদেও বলেছিলেন, পাহাড়ে সিনহার সঙ্গে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ছিল না।<br><br>সিফাত বলেন, না কোনো অস্ত্র ছিল না। আমাদের হাতে ট্রাইপড ছিল, ওটাকে উনারা ভুল বুঝতে পারেন। কিন্তু পাহাড় থেকে নামার সময় কোনো অস্ত্র ছিল না। আমি হাত তোলা দেখে পেছনে চলে এসেছি। আমাদের আগেই গাড়ি থেকে নামতে বলেছিল।<br><br>সাহেদুল ইসলাম সিফাত জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে চিৎকার করা হয়। বলা হয় বের হ। গাড়ি থেকে বের হ। আমি যখন গাড়ি থেকে নেমে পেছনে হাঁটা শুরু করি। সিনহা স্যারও গাড়ি থেকে নামেন।<br><br>সিফাত আরো বলেন, শামলাপুর চেকপোস্টে পরিচয় জানার পর গাড়ির সামনে ড্রাম ফেলে আটকে দেওয়া হয়। আমরা প্রথম যখন পৌঁছেছি আমাদের বলা হলো আপনাদের সম্পর্কে জানান। আমরা গাড়ির গ্লাস ওঠানোর সময় উনি (পরিদর্শক লিয়াকত আলী) আসলেন। এসে উনি বললেন, দাঁড়ান আবার বলেন। এরপর তিনি দৌড়ে গিয়ে ড্রামটা সামনে দিয়ে দিলেন। তাদের গায়ে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিল না। তারা ৪-৫ জন ছিল।<br><br>প্রত্যক্ষদর্শী সিফাত বলেন, সিনহা স্যার যখন গাড়ি থেকে নামেন আমি দেখেছি উনি পিস্তলটা গাড়িতে রেখে নেমেছেন।<br><br>সিফাত বলেন, উনি (সিনহা) নামার সময়ে দুই হাত উঁচু করে নামেন। এরপর আমি পিছনে চলে যাই। কিন্তু গাড়ির কারণে আমি আর কিছু দেখতে পারি নাই। যখন নামেন তখন বলেন, কাম ডাউন, কাম ডাউন আওয়াজ শুনতে পাই। যে অফিসার বন্দুক তাক করেছিলেন (তিনি বলছিলেন)। এর ভিতরে গুলির শব্দ শুনি। পরে দেখি সিনহা সাহেব শুয়ে পড়েন; আমি ভাবছি; হয়-তো উনার শরীরে গুলি লাগেনি। ফাঁকা আওয়াজ হয়েছে। তারপর দেখি উনার শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে।<br><br>সিফাত জানান, গুলি করার সময় আশপাশে তেমন লোকজন ছিল না। দূরে হয়তো ছিল। তবে প্রথম দিকে কোনো ভিড় হয়নি। প্রথমে পেছনে একটা বা দুইটা গাড়ি ছিল। পরে ভিড় হয়েছিল।<br><br>সেদিনের পুরো ঘটনার সাক্ষী সিফাত গত ১০ আগস্ট কক্সবাজার কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। যদিও পুরো ঘটনা সবার সামনে তুলে ধরতে খানিকটা সময়ও চেয়েছেন সিনহার সঙ্গী সিফাত ও শিপ্রা।<br><br>প্রসঙ্গত, দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া সিনহা মো. রাশেদ খান ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় একমাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। আরো তিন সঙ্গীকে নিয়ে তিনি উঠেছিলেন নীলিমা রিসোর্টে। গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।<br><br>ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারের কথা জানিয়ে সে সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, সিনহা তার পরিচয় দিয়ে ‘তল্লাশিতে বাধা দেন’। পরে ‘পিস্তল বের করলে’ চেক পোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। এই ঘটনায় পুলিশ মামলাও করে। তবে পুলিশের এই ভাষ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতিনিধি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।<br><br>এদিকে সিনহাকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে বুধবার কক্সবাজারের আদালতে মোট ৯ পুলিশকে আসামি করে মামলা করেন তার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালতের নির্দেশে বুধবার রাতেই মামলাটি টেকনাফ থানায় নথিভুক্ত হয়। এই হত্যা মামলায় বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে ১ নম্বর এবং টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।<br><br>মামলার পর ওইদিন বিকালে টেকনাফ থানা থেকে ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে প্রত্যাহার করা হয়। পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ২০ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয় দুদিন আগেই। এ মামলায় বৃহস্পতিবার টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, শামলাপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিতসহ ৭ আসামির প্রত্যেককে র‌্যাব হেফাজতে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক ২ আসামি এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মো. মোস্তফাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।<br><br>পুলিশের দায়ের করা মামলার তিনজন সাক্ষীর জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নুরুল আমিন, আয়াছ উদ্দিন ও নিজাম নামে তিনজন সাক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে উপস্থাপন করলে প্রত্যেকের সাত করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।<br><br>এজাহারে সিনহার বোন অভিযোগ করেন, ওসি প্রদীপের ফোনে পাওয়া নির্দেশে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই লিয়াকত আলী গুলি করেছিলেন সিনহাকে। এ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় ‘ইচ্ছাকৃত নরহত্যা’, ২০১ ধারায় আলামত নষ্ট ও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি এবং ৩৪ ধারায় পরস্পর ‘সাধারণ অভিপ্রায়ে’ অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০২ ধারার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। ঘটনার সময় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে (২১) মামলার প্রধান সাক্ষী করা হয়েছে। ঘটনার দিনই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, মাদক ও অস্ত্র আইনের মামলায় তাকেও আসামি করা হয়।<br><br>সিনহা নিহতের ঘটনায় জড়িত সব পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তাদের সমিতি রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)। একই দিন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে গিয়ে সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, এই ঘটনায় যে এই ঘটনায় দায়ী হিসেবে যে বা যারা চিহ্নিত হবে, তারাই শাস্তি পাবে। এর দায় বাহিনীর উপর পড়বে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মঙ্গলবার সিনহার মা নাসিমা আখতারকে ফোন করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেন। </body></HTML> 2020-08-13 09:28:48 1970-01-01 00:00:00 মাটির নিচে তার নিতে আসছে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96853 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597289165_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597289165_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানী ও নারায়ণগঞ্জের সব বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন মাটির নিচে স্থাপন করতে ২০ হাজার ৫০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। and nbsp; তবে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার।<br>পাইলট প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ১৫ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেবে ডিপিডিসি। এছাড়া হাতিরঝিল ও ধানমন্ডি এলাকার সব বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন মাটির নিচে স্থাপন করা হবে। and nbsp;<br><br>‘ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণ ও পুর্নবাসন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপন এবং স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার প্রবর্তন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কিছু এলাকায় মাটির নিচে চলে যাবে বিদ্যুতের তার। এতে সুফল পাওয়া গেলে ব্যাপক আকারে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ১ হাজার ৪৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নতুন সাবস্টেশন স্থাপন ও পুরনো সাবস্টেশনের সংস্কারসহ স্মার্ট গ্রিড স্থাপন করা হবে।<br> and nbsp;<br>পরবর্তী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন পেলে চলতি আগস্ট থেকেই ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ডিপিডিসি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছয়টি নতুন সাবস্টেশন নির্মাণসহ তিনটির সংস্কার ও ক্ষমতা বাড়ানো হবে। স্মার্ট গ্রিড বসানোর ফলে বিদ্যুতের টেকনিক্যাল লসও কমবে।<br>প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশেনর শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী and nbsp; বলেন, “প্রকল্পটি পরবর্তী একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের কিছু কাজ সংযোজন করা হবে। এর আওতায় ঢাকার কিছু এলাকায় পরিক্ষামূলক বা পাইলট হিসেবে তার বিদ্যুতের তার মাটির নিচে নেওয়া হবে। এতে সুফল পাওয়া গেলে বড় প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার। কিছু এলাকায় স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার চালু করা হবে। এর ফলে গ্রাহক ঘরে বসেই মিটারের সব তথ্য পাবেন। ”<br> and nbsp;<br>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুদের চাহিদা বাড়ছে। ফলে সিস্টেমের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে and nbsp; বিদ্যুতের সম্ভাব্যতা চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার ২৮৫ মেগাওয়াট। এ প্রেক্ষাপটে ডিপিডিসি এলাকায় নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নতুন ১৩২/৩৩ কেভি ও ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন নির্মাণসহ বিদ্যমান ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনগুলোর সংস্কার প্রয়োজন।<br><br>প্রকল্পটির আওতায় ডিপিডিসির অধীন রাজধানীর ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদগেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডের মোট পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে পাইলটিং বেসিসে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন ও ফিডার লেভেলের ত্রুটি চিহ্নিত করা, আইসোলেশন অ্যান্ড সার্ভিস রেস্টোরেশন এবং অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক রিকনফিগাশেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি গ্রিড ব্যবস্থায় অটোমেটিক সার্কিট রিক্লোজার, রিং মেইন ইউনিট, অপটিক্যাল ফাইবার, লোড সুইচ, ডিজিটাল ইত্যাদি স্থাপনের মাধ্যমে ফিডার অটোমেশনের ব্যবস্থা করা হবে। ফলে মিটার রিডিংসহ অনলাাইনে ট্রান্সফরমারের কার্যক্রম মনিটর করা সম্ভব হবে। এ সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও টেকনিক্যাল লস উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।<br> and nbsp;<br>প্রকল্পর আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে শিমরাইলের মোহাম্মদী স্টিল ও শ্যামপুরে দু’টি ১৩২/৩৩ কোভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কামরাঙ্গীরচর, কল্যাণপুর, লালবাগ ও মাদারটেকে চারটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান উপকেন্দ্রগুলোতে ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপনের মাধ্যমে ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে পাওয়ার ফ্যাক্টরের উন্নয়ন করা হবে। ডেমরা, তালতলা ও কুমারটুলিতে তিনটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনের সংস্কার করা হবে। কামরাঙ্গীরচর, লালমাটিয়া, গ্রিন রোড, খানপুর ও খিলগাঁও— এই পাঁচটি সাবস্টেশনে এআইএস ব্রেকারের পরিবর্তে জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম) ব্রেকার স্থাপন করা হবে। এছাড়া ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদ গেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডে পাইলটিং ভিত্তিতে পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। ছয়টি সাবস্টেশনে ভবনও নির্মাণ করা হবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-08-13 09:25:31 1970-01-01 00:00:00 আইএসের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই বোমা হামলার পরিকল্পনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96852 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288906_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288906_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের নজর কাড়তে দেশের জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি ঈদের আগে বড় ধরনের জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করেছিল। ঈদের আগে গেলো ২৪ জুলাই ঢাকার পল্টনে পুলিশ চেকপোস্টের পাশে এবং ৩১ জুলাই নওগাঁর সাপাহারে একটি মন্দিরে বোমা হামলা করেছিল। <br>তবে পুলিশের কড়া নজরদারিতে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরিফে হামলার পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।<br><br>জঙ্গিদের ধরতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগ (সিটিটিসি) অভিযান চালায়। ‘অপারেশন এলিগ্যান্ট বাইট’ চালিয়ে সিটিটিসি সিলেট নগরীর মিরাবাজার, টুকের বাজার, দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন স্থান থেকে পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। বুধবার ঢাকায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সিলেটে সিটিটিসির অভিযান ও জঙ্গিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়।<br><br>দুপুর ১২টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা পল্টন ও সাপাহারে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। কিন্তু পুলিশের কড়া নজরদারির কারণে তারা ব্যর্থ হয়। সিলেটে সিটিটিসির অভিযানে শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান (২৬), সানাউল ইসলাম সাদি (২৮), রুবেল আহমেদ (২৮), আবদুর রহিম জুয়েল (৩০) ও সায়েম মির্জাকে (২৪) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়।<br><br>মনিরুল ইসলাম জানান, নব্য জেএমবির শূরা সদস্য শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামানের নেতৃত্বে জঙ্গিরা সিলেটের শাপলাবাগের একটি বাসায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আড়ালে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। কফি শপে (বারিস্তা) নাইমুজ্জামান কপি মেকার হিসেবে কাজ করে। সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে শাপলাবাগের বাসাটি তারা ভাড়া নেয়। মনিরুল বলেন, নব্য জেএমবির এই দলের আরও কয়েকজন সদস্য পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জঙ্গিদের এখন বড় হামলা করার সামর্থ্য নেই। </body></HTML> 2020-08-13 09:21:18 1970-01-01 00:00:00 দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমলো http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96851 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288799_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288799_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরপতন হওয়ায় দেশের বাজারে ভরি প্রতি স্বর্ণের দাম কমানো হলো ৩ হাজার টাকা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্বর্ণের এ নতুন দাম কার্যকর হবে। বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈশ্বিক স্থবিরতা, ডলার ও তেলের দরপতন, আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজারে নজিরবিহীন উত্থান-পতন সত্ত্বেও দেশীয় স্বর্ণ বাজারের মন্দাভাব ও ভোক্তা সাধারণের কথা চিন্তা করে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাজুস সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৩ আগস্ট থেকে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণ ও রৌপ্যের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে।<br><br>নতুন দাম অনুযায়ী- ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকা। যা আজ বুধবার পর্যন্ত এই ছিল ৭৭ হাজার ২০০ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ৫৬৭ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণে দাম রয়েছে ৭৪ হাজার ৬৬ টাকা।<br>এছাড়া ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৬৫ হাজার ৩১৮ টাকায়।<br>সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫১ হাজার ৪৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম পূর্বের নির্ধারিত ৯৩৩ টাকাই বহাল রয়েছে। </body></HTML> 2020-08-13 09:19:24 1970-01-01 00:00:00 সিনহা হত্যার তদন্তে গণশুনানি রবিবার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96850 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288680_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288680_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুতে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ‘গণশুনানি’ করতে যাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ১৬ আগস্ট রবিবার সকাল ১০টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কক্সবাজারের টেকনাফ শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে এই শুনানিতে প্রত্যক্ষদর্শীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। বুধবার কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুজনিত ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য মোহা. শাজাহান আলি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।<br><br>গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর অব. সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বোনের করা মামলায় বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং ২ নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তারা ছাড়া আরও সাতজনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।<br>আলোচিত এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা।<br><br>এদিকে ঘটনার দিন মেজর সিনহাকে যে চেকপোস্টে থামানো হয়েছে সেটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তল্লাশি চৌকি ছিল। সেখানে অভিযান চালানোর জন্য পুলিশ সুপারের অনুমতি আগেই নিয়েছিলেন অভিযানকারী বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইন্সপেক্টর (আইসি) লিয়াকত আলী। তাই সিনহার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেই স্থানীয়দের দাবি। তারা বলছে, মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর মোড়ে এপিবিএন-এর চেকপোস্ট। এই চেকপোস্ট থেকে ঢাল দিয়ে নেমে দেড় কিলোমিটার ভেতরে গেলে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র। সেখানেও একটি চেকপোস্ট রয়েছে। তবে তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর লিয়াকতকে নিজেদের চেকপোস্টে দাঁড়াতে কখনো দেখেনি কেউ। ওই তদন্তকেন্দ্রের মূল কর্মকর্তা হওয়ায় চেকপোস্টে তার দাঁড়ানোর কথাও নয়।<br><br>তবে সেই ইন্সপেক্টর লিয়াকত যখন নিজেদের চেকপোস্ট ছেড়ে শামলাপুরে মেরিন ড্রাইভের মূল সড়কে এপিবিএন-এর চেকপোস্টে তার ফোর্স নিয়ে এসে দাঁড়ান তখন স্থানীয় সবাই বুঝতে পারেন এখানে বড় কোনো অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। সেদিন সিনহার মুখোমুখি হওয়ার সাত ঘণ্টা আগেই এপিবিএন-এর চেকপোস্টে নজরদারি শুরু করে ইন্সপেক্টর লিয়াকতের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি। </body></HTML> 2020-08-13 09:17:29 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আক্রান্ত পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96849 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288580_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288580_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড-১৯ এর উপসর্গ থাকায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) পরিবেশ মন্ত্রীর নমুনা নিয়ে টেস্ট করলে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ফলাফল পজিটিভ আসে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হচ্ছেন।<br>দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। </body></HTML> 2020-08-13 09:15:55 1970-01-01 00:00:00 কাজে ভুল হলেই গরম খুন্তির ছ্যাঁকা, পালিয়ে বাঁচলো আশা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96848 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288465_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597288465_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরিশাল নগরীর দক্ষিণ আলেকান্দা রিফিউজি কলোনি সড়কের একটি ফ্ল্যাট বাসায় খুন্তির ছ্যাঁকা ও লোহার রড দিয়ে আশা (১৩) নামে এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে অভিযুক্ত বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাস দম্পতির বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। পাশাপাশি শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দুপুরে পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের শিকার আশা নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন সড়কের ডেভিড বিশ্বাসের মেয়ে।<br><br>আশা জানায়, প্রায় দুই বছর আগে তাকে রিফিউজি কলোনি সড়কের বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাসের বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজে দেন তার বাবা। প্রথম প্রথম তারা ভালো ব্যবহার করতেন। কয়েক দিন পর তার ওপর কারণে-অকারণে নির্যাতন চালাতে শুরু করেন বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাস। সব সময় বাসায় আটকে রাখা হতো তাকে। কাজে একটু ভুল হলেই গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিতেন। পাশাপাশি লোহার রড দিয়ে মারধর করা হতো। ক্ষুধার কথা বললে পচা ও বাসি খাবার দেয়া হতো। আশা বলে, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে কৌশলে দরজা খুলে পালিয়ে পাশের একটি বাসায় আশ্রয় নিই। আশপাশের লোকজন থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে।<br><br>নির্যাতনের শিকার আশার বাবা ডেভিড বিশ্বাস বলেন, প্রায় দুই বছর আগে বুলবুল বিশ্বাসের বাসায় মেয়েকে গৃহকর্মী হিসেবে কাজে দিয়েছিলাম। তখন বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাস বলেছিলেন নিজ সন্তানের মতো আশাকে দেখে রাখবেন। ভালো খাবার দেবেন। পরে মারধরের কথা শুনে একাধিকবার মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে গিয়েছিলাম। বুলবুল বিশ্বাসের পরিবার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়নি। উল্টো মেয়ে ও আমার বিরুদ্ধে চুরির মামলা দেয়ার হুমকি দিত। অসহায়ের মতো ফিরে আসতাম।<br>তিনি জানান, গরম খুন্তির ছ্যাঁকা ও নির্যাতনের পর হত্যার হুমকি দিয়ে তার মেয়েকে বাসায় আটকে রাখা হয়। তার চিকিৎসাও করাননি তারা। এমনকি কোনো ওষুধও খেতে দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে তার মেয়ে বুলবুল বিশ্বাসের বাসা থেকে পালিয়ে আসে।<br><br>নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে গেলে অভিযুক্ত বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাসকে বাসায় পাওয়া যায়নি। তারা পুলিশের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে আগেই বাসা থেকে পালিয়ে যান। এ সময় বকুল বিশ্বাসের পরিবারের এক সদস্য সায়মন কুন্ডল বিশ্বাস নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পুলিশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তার বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।<br><br>ওসি আরও জানান, কাজে সামান্য ভুল বা দেরি করলে আশার ওপর চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন। গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেয়া হতো। লোহার রড দিয়ে পেটানো হতো। ঠিকমতো খাবার দেয়া হতো না। বুলবুল বিশ্বাস ও বকুল বিশ্বাস দম্পতির নির্যাতনে গালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে শিশুটির। পালাতে যেন না পারে সেজন্য শিশুটিকে আটকে রাখা হতো বাসায়।<br><br>তিনি বলেন, আশার বাবা ভয়ে মামলা করতে রাজি না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন বাদী হয়ে অভিযুক্ত দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। </body></HTML> 2020-08-13 09:12:28 2020-08-13 09:14:44 সিনহা হত্যা: ৪ পুলিশসহ ৭ জন রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96847 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243489_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243489_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় পুলিশের তিন সাক্ষী ও চার পুলিশ সদস্যের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ এ আদেশ দেন।<br>যাদের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দীন ও মোহাম্মদ আইয়াস।<br>এর আগে চার পুলিশ সদস্যকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ দ্বিতীয় দফায় তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে র‌্যাব। আদালত এই চার পুলিশ সদস্যকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।<br>দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া সিনহা রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় এক মাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের দুই শিক্ষার্থী শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথ।<br>গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ। ওই সময় তার গাড়িতে সিফাত ছিলেন।<br>সিনহা নিহতের ঘটনায় এবং গাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের অভিযোগে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ, যাতে সিনহা এবং তার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আসামি করা হয়। আর তারা যেখানে থেকে কাজ করছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে গ্রেপ্তার করার সময় মাদক পাওয়ার অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে রামু থানায় আরেকটি মামলা করা হয়।<br>পুলিশের করা এই তিন মামলার পর গত ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকতসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় আত্মসমর্পণ করে এখন কারাগারে আছেন ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য।<br>এদিকে আদালতের নির্দেশে চারটি মামলায়ই এখন তদন্ত করছে র‌্যাব। এরই মধ্যে পুলিশের তিন মামলায় গ্রেপ্তার সিফাত ও শিপ্রাকে জামিন দিয়েছে আদালত।<br>সিনহা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে গত সোমবার রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া থেকে তিন বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব, যাদের এই ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় সাক্ষী করা হয়েছিল।<br>মঙ্গলবার বিকালে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে হাজির করে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাব। আদালত র‌্যাবের আবেদন আমলে নিয়ে তিনজনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদেশে রিমান্ডের আবেদন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। বুধবার তাদের সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 টিকার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ রাখা হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96846 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243458_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243458_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: যে সোর্সের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দ্রুত পাওয়া যাবে তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।<br>বুধবার (১২ আগস্ট) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।<br>অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের টিকা আমরা কীভাবে সংগ্রহ করবো এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তবে কীভাবে টিকা সংগ্রহ করা হবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমরা পাইনি। আমার পক্ষে এ বিষয়ে চূড়ান্তভাবে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি টিকা সংগ্রহের জন্য একটি সোর্সের ওপর নির্ভর করলে এটা পাওয়া কঠিন হবে। আমি এরই মধ্যে দেখেছি যেসব দেশ ভ্যাকসিন তৈরি করবে তাদের সাথে অনেক দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, অগ্রিম টাকাও দিয়েছে। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললাম আমাদেরও এ ধরনের ব্যবস্থায় যেতে হবে।’<br>অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘টিকার সরবরাহের জন্য অক্সফোর্ড ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে যোগাযোগ করেছে। আমরা যদি সরাসরি অক্সফোর্ডের সাথে সম্পৃক্ত হতে নাও পারি, তাহলে অন্তত ভারত সরকারের সাথে আমরা সম্পৃক্ত হতে পারি। আসল কথা হচ্ছে, আমাদের পিছিয়ে থাকলে হবে না। সব সোর্সের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। যেখান থেকে আমরা টিকা পাবো সেখান থেকে নিতে হবে।’<br>তিনি বলেন, ‘রাশিয়া ইতোমধ্যে তাদের টিকা প্রয়োগ করেছে। আমার মনে হয় রাশিয়ার টিকা দ্রুত বাজারে আসবে। রাশিয়া থেকে টিকা পাওয়ার জন্য তাদের সোর্সের সাথেও আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। যারাই টিকা তৈরি করে তাদের সাথেই আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। টিকা কেনার জন্য বাজেটে কিছু অর্থও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যাতে ভ্যাকসিন কেনা বা আগে পাওয়ার জন্য আমরা জরুরি প্রয়োজনে অর্থায়ন করতে পারি।’<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 লেবানন থেকে দেশে ফিরলেন ৭১ বাংলাদেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96845 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243422_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243422_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>সম্প্রতি লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জোড়া বিস্ফোরণের পর দেশটিতে আটকা পড়া ৭১ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।<br>দেশটিতে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যে সরকারের ত্রাণ সহায়তা পাঠানো বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিমানে আজ বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান এসব বাংলাদেশি।<br>আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ফ্লাইটে ৭৩ জন বাংলাদেশি ফেরার কথা ছিল, ফিরেছেন ৭১ জন।<br>বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ নিয়ে লেবানন যায় বিমানবাহিনীর সি-১৩০ জে একটি বিমান। গত ১০ আগস্ট বিমানটি লেবাননের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।<br>লেবাননে ওই বিস্ফোরণে পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়। আর আহত হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২১ সদস্যসহ প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি। এছাড়া ওই ঘটনায় সেদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ 'বিজয়' ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে জনতার হাতে ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96844 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243392_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243392_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>সোনাগাজী উপজেলার ৮ নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের রহমত নগর হালিম হুজুর বাড়ি এলাকা থেকে ৪ জন পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে ধরে পেলে এলাকার সচেতন মানুষ। মঙ্গলবার (১১ই আগস্ট ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের একজন ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী স্বপন প্রকাশ জগত থেকে ইয়াবা কিনে নেয় একই ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ড দাগণপাড়ার নুর করিমের ছেলে রসুল আহমেদ প্রকাশ মামুনসহ তার সহযোগী আরো তিনজন। and nbsp; এলাকার মানুষ দাবী করে বলেন,ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় রসুল আহমেদ প্রকাশ (মামুন) নামের ওই পাইকারি ও তার সাথে থাকা আরো তিনজন কে আটক করে এলাকাবাসী। এলাকার and nbsp; প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানায়, মামুন ও তার সাথে থাকা তিনজন কে ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরারপর একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।তার মধ্যে মামুনের কাছে থাকা ইয়াবাগুলো রাস্তার বাহিরে পেলে দেয় মামুন এবং তার সহযোগী তিনজনকে ইয়াবা ও গাজাসহ আটক করে। এলাকায় লোকজন আরো জানায়, তারা ইয়াবা ব্যবসায়ী মামুন কে হাতে নাতে ধরে পেলে। তখন তার গায়ে সাদা রঙ্গের একটি সাদা গেঞ্জিও পরা ছিলো। তবে ইয়াবা ব্যবসায়ী মামুনের দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎরে এলাকাবাসীর সামনে আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া শামীমের কথা বলতে শুনাগেছে।<br>তথ্য সুত্রে জানা যায়,২০১৮ সালে গোলাম কিবরিয়া শামীমের এক সহযোগী কে ইয়াবাসহ হাতে নাতে ধরে পুলিশ। তখন ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়া আসামীর মুখেও তার জড়িত থাকার কথা উঠে আসে। উল্লেখ যে এই ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া শামীমের বিরুদ্ধে তখনই সোনাগাজী মডেল থানায় ২০১৮ সালের ২৭ শে জুলাই একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। যার এফআইআর নং ২৩/১৪৩।<br>গত মঙ্গলবার রাতে রসুল আহমদ মামুন ইয়াবাসহ রহমত নগর এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছে এমন খবর শুনে ঘটনাস্থলে তাড়াতাড়ি ছুটে যান আমিরাবাদের দুই ইউপি সদস্য, গোলাম কিবরিয়া শামীম এবং আব্দুল বারেক প্রকাশ আরু মিয়া। তারা ঘটনাস্থলে পৌছে এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া মামুন কে রক্ষা করতে এলাকার লোকজনকে হুমকি ধমকি দিয়ে নানারকম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের জিম্মায় মামুনকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। রসুল আহম্মদ মামুন এলাকাবাসীর হাতে ইয়াবা নিয়ে আটক হওয়ার সাথে সাথে তারা সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ কে জানায়। এলাকার লোকজন পুলিশ কে জানালেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই দুই ইউপি সদস্য এলাকার লোকজনকে ভয় দেখিয়ে তাকে নিয়ে যায়।মামুনের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ ও মামলাও রয়েছে সোনাগাজী মডেল থানায়। আর তিন জনকে ইয়াবা ও গাজাসহ সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় and nbsp; নিয়ে যায়।<br>স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের and nbsp; ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের চরলামছি এলাকার সচিব মিলনের আপন ভাই স্বপন প্রকাশ জগত নামে এক মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও টমটম- অটোরিকশা নিয়ে ইয়াবা কিনতে যেতো বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি স্থানীয়রা জানতেন, কিন্তু কিছু বলার সাহস পেতেন না। বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে জনগণ প্রতিবাদ করার সাহস পায়।<br>মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় স্থানীয় হালিম হুজুরের বাড়ীর পাশে দাঁড়ানো এলাকাবাসী অটোরিকশা নিয়ে দ্রুতবেগে রসুল আহমদ মামুন ও তার সাথে থাকা আরো তিনজনসহ স্বপন প্রকাশ জগত নামের ওই মাদক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলতে দেখেন। তারা তাৎক্ষণিক এলাকাবাসীর লোকজন চ্যালেঞ্জ করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মামুন ও তার সাথে থাকা তিনজন সহযোগীদের কাছে ইয়াবা এবং গাজা ইয়াবাসহ ধরা পড়ে সবাই। এলাকাবাসী তাদের ৪ জনকে আটকে রেখে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আসার আগেই এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া চারজনের মধ্য হতে একজন রসুল আহমদ মামুন কে শামীম মেম্বার ও আরু মিয়া নিয়ে যান। বাকি তিনজনকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই থানায় নিয়ে যান।<br>এ ব্যাপারে চরলামছি গ্রামের নাম না প্রকাশ করা শর্তে এক ব্যক্তি জানান, স্থানীয় বখাটে and nbsp; স্বপন প্রকাশ জগত দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। এলাকাবাসী তার সাথে বিভিন্ন সময় মাদক কেনাবেচার জন্য লোকজনের আনাগোনা দেখেও ভয়ে কিছু বলেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযানের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী সাহস পায়।<br>সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো: সাজেদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসী ইয়াবাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক রেখেছে মোবাইলে এ ধরনের খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। আটক মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে ইয়াবা পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন ওসি।<br>চারজনের মধ্যে তিনজন কে পুলিশ ধরলো আর একজনকে কেন ছেড়ে দিলেন?এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, পুলিশের কাছে তিনজন আটকের তথ্য দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে ইয়াবাসহ যাদের পেয়েছে তাদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করেছি।<br>এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া চারজনই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেলেও একজন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাহিরেই থেকে গেলো!<br>ইতিমধ্যে আরেক জন পলাতক রসুল আহম্মদ মামুনকে ধরার একটি ভিডিও ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।<br>তবে ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের সচেতনতার ঘটনায় এলাকাবাসী অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। <br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি আজাদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96843 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243358_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243358_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক, <br>তলবি নোটিশের ‘জবাব’ দিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদত্যাগী মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ। করোনাকালে মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী কেনায় দুর্নীতির অনুসন্ধানের জন্য তাকে তলব করেছিল দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। নোটিশের জবাব দিতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে দুদকে হাজির হন আবুল কালাম আজাদ।<br>দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। দলের অন্য সদস্যরা হলেন- দুদকের উপ-পরিচালক নুরুল হুদা এবং সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান। সরকারি মেডিকেল ও কলেজ হাসপাতালের জন্য পিপিই, মাস্ক ও মেডিকেল সামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতির অনিয়ম তদন্তের অংশ হিসেবে বুধবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রিজেন্ট হাসপাতালের অনিয়ম অনুসন্ধানে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে।<br>গত বৃহস্পতিবার দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী ও শেখ মো. ফানাফিল্লাহর স্বাক্ষরে আজাদকে দুদকে হাজির হতে নোটিশ পাঠানো হয়।<br>স্বাস্থ্য খাতে কেনাকাটাসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে আবুল কালাম আজাদসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনেকের নামই আলোচিত হচ্ছে। দুদক থেকে একাধিক টিম এদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে।<br>মীর মো, জয়নুল আবেদীন শিবলী স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সিএমএসডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তারা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার সামগ্রী, নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে একে অন্যের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে আবুল কালাম আজাদের বক্তব্য গ্রহণের জন্য তলব করা হয়।<br>অতীব জরুরি এই পত্রে আজাদকে ১২ আগস্ট দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানের অনুরোধ করা হয়। পত্রে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ে হাজির হয়ে বক্তব্য প্রদানে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য নেই মর্মে গণ্য করা হবে।<br>অপরদিকে দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা স্বাক্ষরিত পত্রে আগামী ১৩ আগস্ট অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে তলব করা হয়েছে। এই পত্রে বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করে করোনা সনদ দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করার অভিযোগ রয়েছে। সাহেদসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকে চলমান অনুসন্ধানের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাকে (জনাব আবুল কালাম আজাদ) তলব করা হয়েছে।<br>করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একের পর এক কেলেঙ্কারিতে সমালোচনার মুখে ২১ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন আবুল কালাম আজাদ।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৩ হাজার ছাড়াল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96842 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243314_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243314_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন ও নারী ৯ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার অতিক্রম করেছে। দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৫১৩ জনের। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২ হাজার ৯৯৫ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৯৮ জনে। করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৭৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৭৩৯ জনে।<br>বুধবার (১২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাভাইরাস বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।<br>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক হাজার ১১৭ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৪৪ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩২ শতাংশ।<br>করোনায় মোট মৃতের ৩ হাজার ৫১৩ জনের মধ্যে দুই হাজার ৭৮২ জন পুরুষ (৭৯ দশমিক ১৯ শতাংশ) এবং নারী ৭৩১ জন (২০ দশমিক ৮১ শতাংশ)।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৪২ জনের মধ্যে বিশোর্ধ্ব একজন, ত্রিশোর্ধ্ব দুজন, চল্লিশোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১১ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ২৪ জন রয়েছেন।<br>বিভাগীয় পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মৃত ৪২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৭ জন, চট্টগ্রামে ৩, খুলনায় ৩, বরিশালে একজন, সিলেটে ৪, রংপুরে ২ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ২ জন রয়েছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ৯০ শতাংশ ভাড়া বেশি গুনেও উল্টো নাজেহাল যাত্রীরা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96841 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243278_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243278_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>১২০ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ১৫০ টাকা। করোনার আগে ছিল মাত্র ৮০ টাকা। ৬০ শতাংশ বাড়ালেও হয় ১২০ টাকা। সেখানে বাড়তি নিচ্ছে ৩০ টাকা। খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের পরিবহনে রীতিমতো চলছে ভাড়া ডাকাতির মহোৎসব। প্রতিবাদ করে উল্টো পরিবহন শ্রমিকরা নাজেহাল করছেন যাত্রীদের। কথাগুলো বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ক্ষোভ আর আক্ষেপের সঙ্গে বলছিলেন এ সড়কের নিয়মিত যাত্রী খুলনার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা জোবায়ের মাহফুজ। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই পরিবহনে। পাশের সিটও খালি রাখা হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের অভিযান চলার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে এই অরাজকতা চলছে। যে কারণে বাড়ি থেকে অফিসে আসা-যাওয়া করতেই বেতনের সিংহভাগ ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। আমরা তরুণ উদ্যোক্তা গ্রুপের অ্যাডমিন ও খাসা-অর্গ্যানিক পণ্যের মালিক হেলাল হোসেন বলেন, করোনায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সরকার গণপরিবহণে যাত্রী কমিয়ে ভাড়া বাড়ায়। কিন্তু যাত্রীরা এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। পাইকগাছা, সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী সব বাসে গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করলেও বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বাস কর্তৃপক্ষ। যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে নাজেহাল করছে বাসশ্রমিকরা। and nbsp;<br>‘এখন স্বল্প দূরত্বে লোকাল কোনো যাত্রীকে বাসে উঠতে দেওয়া হয় না। এজন্য বৃষ্টি মৌসুমে যাত্রীরা বিপাকে পড়ছেন। বাসে এমন জঘন্য ব্যবহারের কারণে মহাসড়কে ছোট যানবহনের চাহিদা বেড়েছে। ফলে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে প্রতিদিন বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা। যাত্রীরা সম্মান নিয়ে নিরাপদে আগের ভাড়ায় যাতায়াত করতে চাই। ’<br>...সামসুল আরেফিন রাসেল নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, পরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্যের শেষ নেই। যানবাহন মালিকরা নিজেদের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। বিশেষ করে মাহেন্দ্র চালক সিন্ডিকেটের কাছে খুলনা শহরের মানুষ জিম্মি। মাহেন্দ্রওয়ালারা ভাড়া ২/২.৫ গুণ করেছে কিন্তু যাত্রী ঠিকই ৬ জন নিচ্ছে। তারা সিন্ডিকেট করে এটা করছে। রিজার্ভ যেতে চাইলেও দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকছে। এ বিষয়ে প্রশসনকে অবহিত করার পর মহানগরীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গণপরিবহণে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। কিন্তু তারপরও ভাড়া নৈরজ্য কমেনি।<br>যাত্রীরা অভিযোগ করেন- ব্যক্তি মালিকানাধীন পরিবহন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বিআরটিসি পর্যন্ত নেমেছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিযোগিতায়। দুই আসনেই যাত্রী পরিবহনসহ ৬০ থেকে প্রায় শতভাগ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে আন্তঃজেলার বিভিন্ন পরিবহন। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে এই অরাজকতা চলছে ঈদুল আজহার পর থেকেই। মাঝে মধ্যে যাত্রার মাঝপথে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। খুলনা- বাগেরহাট সড়কেও চলছে ব্যাপক অনিয়ম। খুলনা থেকে কয়রা রুটে প্রতি সিটে লোক নেয়। আবার টাকাও বেশি নিচ্ছে। খুলনা-চালনা রুটে বাসে একজনের কাছ থেকে দুই সিটে ভাড়া নেওয়া হয়, কিন্তু বসানো হয় সেই দু’জন।<br>রূপসা বিআরটিসি বাসে কোনো নিয়মই মানা হয় না। প্রতি দুই সিটে এক যাত্রী থাকার কথা থাকলেও সব সিটে যাত্রী, না আছে মাস্ক, না মানছে কোনো স্বাস্থ্যবিধি। শর্ত ছিল প্রতিটি বাসে যাত্রী সুরক্ষায় বারবার স্যানিটাইজ করে দূষণমুক্ত করা, চালকসহ হেলপারের মাস্ক বাধ্যতামূলক, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালানো, যাত্রীর গায়ের তাপমাত্রা মাপা, নতুন ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন প্রভৃতি। এগুলোর সবকিছু শিথিল হয়ে গেছে। নিয়ম বা নির্দেশনা যা আছে সবই কাগজে কলমে। অভিযোগ রয়েছে, পরিবহনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে নামমাত্র। মোবাইল কোর্ট বা সরকারি নজরদারি বাড়ানো হলে পরিবহন সেক্টরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।<br>..খুলনা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সোনা বলেন, ভাড়া নৈরজ্যে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে গরিব মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই বাড়তি ভাড়া আদায় মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। শ্রমিকরা এ বাড়তি ভাড়া আদায় করে নিজেরই নিয়ে যাচ্ছে। এটা মালিক কিংবা মালিক সমিতি জানে না। শ্রমিকরা নিয়মিত নির্ধারিত ক্যাশও জমা দেয় না। পরিবহণে যাত্রী হয় না বলে।<br>খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুল ইসলাম তমাল বলেন, ভাড়া নৈরজ্য বন্ধ ও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য পরিবহনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এটা আরও জোরদার করা হবে। বিভিন্ন গণপরিবহণে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না এবং সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে মেসেঞ্জারে জেলা প্রশাসকের কাছে যাত্রী সাধারণের পক্ষে এমন অভিযোগ এলে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ১০ আগস্ট মহাগরীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গণপরিবহণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এসময় এ ধরনের অপরাধ করার দায়ে কিছু পরিবহন মালিককেও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। and nbsp;<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 বিদেশফেরত ৭০ শতাংশই কর্মহীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96840 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243247_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243247_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: বিদেশফেরত বাংলাদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশই বর্তমানে কর্মহীন। আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।<br>বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জরিপের তথ্য প্রকাশ করেছে আইওএম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ১২ জেলায় বিদেশফেরত ব্যক্তিদের ওপর এ জরিপ পরিচালিত হয়।<br>'র‌্যাপিড অ্যাসেসমেন্ট অব নিডস অ্যান্ড ভালনারেবিলিটিস অব ইন্টার্নাল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিটার্ন মাইগ্র্যান্টস ইন বাংলাদেশ' শিরোনামের এ জরিপের তথ্যে দেখা যায়, ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে যারা বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন তাদের মধ্যেই ৭০ শতাংশই কর্মহীন। কর্মহীন হওয়ার কারণে তারা আর্থিক ও স্বাস্থ্য সংকটে পড়েছেন। তারা মানসিক অবসাদেও ভুগছেন।<br>জরিপ পরিচালনা সম্পর্কে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে এক হাজার ৪৮৬ জন বিদেশফেরত ব্যক্তির ওপর চালানো জরিপের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২০ সালের মে এবং জুলাই মাসে জরিপর পরিচালনার জন্য সেই ১২টি জেলা বেছে নেওয়া হয়, যে সব জেলায় বিদেশে অভিবাসনের প্রবণতা বেশি। যে ব্যক্তিদের মধ্যে জরিপ চালানো হয়, তারা ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে দেশে ফিরেছেন। জরিপের জন্য নির্দিষ্ট জেলাগুলোর মধ্যে সাতটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। জরিপটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে 'রিজিওনাল এভিডেন্স ফর মাইগ্রেশন এনালাইসিস অ্যান্ড পলিসি (রিমেপ)'- প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হয়েছে। জরিপের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, কোভিড-১৯ এর মহামারির সময় তারা দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হন। মোট ৬৪ শতাংশ আন্তর্জাতিক অভিবাসী উল্লেখ করেন, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব শুরু হলে তারা যেসব দেশে কাজ করতেন, সেখানে তাদের স্বাস্থ্যসেবা এবং এ সম্পর্কিত তথ্য পেতে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে।<br>জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৯ শতাংশ বলেছেন, তাদের কর্মস্থল দেশের কর্তৃপক্ষ তাদের দেশ ত্যাগ করতে বলায় তারা স্বদেশে ফিরতে বাধ্য হন। ২৩ শতাংশ জানান, তারা কোভিড-১৯ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন এবং পরিবারের কাছে ফেরত আসতে আগ্রহী ছিলেন। ২৬ শতাংশ জানান, তাদের পরিবার তাদের বার বার ফিরে আসতে অনুরোধ করায় তারা ফিরে এসেছেন। ৯ শতাংশ জানান, মহামারির সময় আর্ন্তজাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার কারণে আটকে পড়ার ভয়ে তারা দ্রুত দেশে ফিরে আসেন।<br>জরিপের তথ্যে বলা হয়, জরিপে অংশ নেওয়াদের ৭০ শতাংশই দেশে ফিরে নতুন কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেননি। ফলে তাদের কর্মহীন থাকতে হয়। ৫৫ শতাংশ জানান, তাদের ওপর শোধ না করা ঋণের বোঝা রয়েছে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ পরিবার ও বন্ধুর কাছে ঋণগ্রস্ত, ৪৪ শতাংশ ক্ষুদ্র ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণের দায়ে আবদ্ধ এবং অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পাওনাদারের কাছে ঋণগ্রস্ত ১৫ শতাংশ। পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে যারা ঋণ নিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৮৬ শতাংশ বিনা সুদে ঋণ নিয়েছেন। অন্যদিকে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী সংস্থা, এনজিও এবং বেসরকারি ব্যাংক থেকে যারা ঋণ নিয়েছেন তাদের ঋণের জন্য সুদ বহন করতে হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। মহাজন বা সুদে টাকা ধার দেন এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণগ্রহীতাকে ৫০ থেকে ১৫০ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে।<br>জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান, তারা আবার অভিবাসনে আগ্রহী। তারা কোভিড-১৯ মহামারির আগে যে দেশে কাজ করতেন সেই দেশেই আবার যেতে চান। ৬০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী আরও ভালো বেতনের চাকরি নিশ্চিতে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহের কথা জানান।<br>বিজ্ঞপ্তিতে আইওএম বাংলাদেশ-এর মিশন প্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত অংশের মধ্যে রয়েছেন অভিবাসী কর্মীরা। এবং কোভিড-১৯ মহামারি সৃস্ট অর্থনৈতিক মন্দা এবং বৈশ্বিক চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিরূপ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মী এবং রেমিট্যান্স নির্ভর জনগোষ্ঠীর ওপর। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক নেটওয়ার্কের সমন্বয়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন বিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখতে সবসময়ই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 স্কুল খুলতে তিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96839 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243214_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243214_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে তিনটি পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাকির হোসেন।<br>বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আগামী সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষা হবে। আর যদি অক্টোবর-নভেম্বরে খুলে তবে নিজ নিজ স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা এমসিকিউ ৫০ নম্বরের ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। আর যদি ডিসেম্বরে স্কুল খুল তবে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় অটোপাসের পরিকল্পনা করেছে।<br>এসব বিষয়ে প্রস্তাব আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।<br>করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। এ অবস্থায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৩৯ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।<br>মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শিক্ষাবর্ষ প্রায় শেষের দিকে। এ অবস্থায় খুব দ্রুত নিতে হবে সিদ্ধান্ত। সুপারিশগুলোকে শেষ মুহূর্তের যাচাই বাছাই করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত জানাবে সরকার। জেএসসি এবং জেডিসি পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও নিয়ম প্রযোজ্য হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কমপক্ষে ১ মাস সময় নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 রাশিয়ার কাছে করোনার ভ্যাকসিন চায় ২০ দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96838 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243191_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243191_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, <br>করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। ভ্যাকসিনের নাম রাখা হয়েছে ‘স্পুটনিক-৫’। ‘স্পুটনিক-৫’ ১৯৫৭ সালে মহাকাশে উৎক্ষেপিত বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ। এদিকে মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগের খবরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে রাশিয়ার দিকে। ইতিমধ্যে ২০টি দেশ রাশিয়ার কাছে ভ্যাকসিন চেয়ে আবেদন জানিয়েছে। মঙ্গলবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মেয়ের শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়।<br>রাশিয়ার আরডিআইএফ প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ গতকাল মঙ্গলবার বলেন, ‘আমরা বহির্বিশ্বে রাশিয়ার গামালেয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি ভ্যাকসিনের প্রতি উল্লেখযোগ্য আগ্রহ দেখতে পাচ্ছি। ২০টি দেশ থেকে প্রাথমিকভাবে ১০০ কোটি ডোজের অর্ডার এসেছে।’<br>তিনি বলেন, ‘বিদেশি অংশীদারদের সঙ্গে আমরা ইতোমধ্যে পাঁচটি দেশে বছরে ৫০ কোটি ডোজ তৈরির ব্যবস্থা নিয়েছি। উৎপাদন আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের।’<br>এ রুশ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখন পর্যন্ত লাতিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার দেশগুলোই ভ্যাকসিনের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা ভ্যাকসিন বিক্রির চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছি।’<br>রাশিয়া সবার আগে করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন দিলেও সমালোচকদের দাবি, রাজনৈতিক চাপের কারণে রুশ ভ্যাকসিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঝুঁকির বিষয় বাদ দেয়া হয়েছে। রাশিয়াকে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে উপস্থাপনে গবেষকদের ওপর দ্রুত ভ্যাকসিন তৈরিতে চাপ ছিল বলে দাবি অনেকের।<br>রুশ ভ্যাকসিনটির এখনও তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পাস করা বাকি। দিমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, ‘এ ট্রায়াল বিদেশেই হবে। আমরা ইতোমধ্যে গামালেয়া ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি।’<br>এর আগে মঙ্গলবার এক সরকারি বৈঠকে করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদনের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেন, ‘মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি এ ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেয়েছে। শিগগিরই ব্যাপকহারে এর উৎপাদন শুরু হবে।’<br>এসময় রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, তার নিজের মেয়ের শরীরেই এর পরীক্ষা চালানো হয়েছে এবং এতে ভ্যাকসিনটি কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ১৬ আগস্ট থেকে ইউএস বাংলার ঢাকা-কুয়ালালামপুর ফ্লাইট চালু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96837 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243161_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243161_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>দীর্ঘ পাঁচ মাস পর আগামী ১৬ আগস্ট থেকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুর রুটে পুনরায় ফ্লাইট শুরু করতে যাচ্ছে।<br>বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি ও ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশনা পালন করে ইউএস-বাংলা প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুই দিন ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।<br>বুধবার বিমান সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযাগ) মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।<br>সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার ও রবিবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। এবং কুয়ালালামপুর থেকে একই দিন স্থানীয় সময় বিকাল ৩টা ৫০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।<br>১৬৪ আসনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।<br>বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে গুয়াংজু রুটে সপ্তাহে একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারিকালীন বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে আটকে পড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে ও কার্গো পরিবহনে স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনা করছে।<br>কোভিড-১৯ সময়কালীন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস আটকেপড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে চেন্নাই, কলকাতা, দিল্লি, লাহোর, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, আবুধাবি, দুবাই, দোহা, মাস্কাট ও ইউরোপের অন্যতম গন্তব্য ফ্রান্সের প্যারিসে স্পেশাল ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।<br>ঢাকা-কুয়ালালামপুর-ঢাকা ফ্লাইট সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য নিকটস্থ ট্রাভেল এজেন্ট অথবা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের সেলস্ কাউন্টারে যোগাযোগের জন্য যাত্রীদের অনুরোধ করেছে বিমান সংস্থাটি।<br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে করোনায় নতুন করে ২২ জন আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96836 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243119_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243119_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীতে নতুন করে ২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নতুন ২২ জন সহ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন সিভিল সার্জনসহ ৩২ জন। বুধবার পর্যন্ত জেলায় ১০৩২ জন সুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন দিগন্ত। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বুধবার নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেরর পরীক্ষাগার থেকে ৮০ জনের প্রতিবেদন এসেছে। এতে নতুন করে শনাক্ত হন ২২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ফেনী সদরে ৫ জন, সোনাগাজীতে ৬ জন, ছাগলনাইয়ায় ২ জন, পরশুরামে ৮ জন ও ফুলগাজীতে ১ জন রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ১৬ এপ্রিল ফেনীতে প্রথম এক যুবকের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রামন শনাক্ত হয়। শনাক্তের ১১৯ তম দিনে এসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৮০ জন। এদের মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ৫২৫ জন, দাগনভূঞায় ৩১৫ জন, সোনাগাজীতে ২২৩ জন, ছাগলনাইয়ায় ১৭৭ জন, পরশুরামে ১২৬ জন, ফুলগাজীতে ৯৫ জন ও ফেনীর বাইরের জেলার ২২ জন রোগী রয়েছে। and nbsp; সোমবার পর্যন্ত ৭ হাজার ৪৫৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। and nbsp;<br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 এসপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96835 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243083_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243083_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>চাঁদাবাজির অভিযোগে রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) বেলায়েত হোসেনের (৪৮) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী। বেলায়েতসহ মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫-১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।<br>বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম দিদার হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন গোলাম মোস্তফা আদর (২৯) নামে ঢাকার এক ব্যবসায়ী। আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩৮৫/৩০৭/৩২৬/৩২৫/৪২০/৪০৬/৩৮৫/৩৮৩/৫০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।<br>মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাদীর নিকটাত্মীয় ড. জাবেদ পাটোয়ারীর অফিসে দুই বছর আগে বেলায়েতের সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই সুবাদে তার সঙ্গে বাদীর সম্পর্ক ভালো হয়। বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অর্থের প্রতি আসামির কুনজর পড়ে। ২০১৯ সালের ১১ আগস্ট বাদীর বাবার কাছ থেকে নিয়ে বেলায়েতকে ৫ লাখ টাকা ঋণ দেন। পরে ঋণের টাকা বেলায়েত চেকের মাধ্যমে ফেরত দেন।<br>২০২০ সালের ৪ এপ্রিল বেলায়েত বাদীর বাবাকে ফোন করে বলেন, ৫ লাখ টাকা না দিলে তার ছেলের (বাদী) অসুবিধা হবে। পরে বাদীর বাবা ৫ লাখ টাকার একটি চেক আসামিকে দেন। ১০ এপ্রিল বাদীর বাবা ও সাক্ষী কথা বলে জানতে পারেন, ব্ল্যাকমেইল করে চেকটি আসামি নিয়ে যায়।<br>৮ আগস্ট বেলায়েতসহ অজ্ঞাতনামা ১৫-১৬ জন ডিবি নামধারী পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাদীর বাসায় প্রবেশ করে ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানো হবে এবং নারায়ণগঞ্জের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রামমাণ আদালত নিয়ে জরিমানাসহ জেলে দেয়া হবে বলে হুমকি দেন।<br>অভিযোগে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় বাদী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন এবং বার বার আসামি বেলায়েতকে বলেন, ‘আপনি আমাদের কাছের লোক, কী বলছেন?’ তখন আসামি বেলায়েত অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং টাকা দিতে না পারায় মারপিট করে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করে অন্যায় ও বেআইনিভাবে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে বাদীকে ২৫ লাখ টাকা দিতে বলেন। নতুবা ক্রসফায়ার অথবা ফেনসিডিলসহ অস্ত্র দিয়ে মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দেন। তখন বাদী সাড়ে তিন লাখ টাকা আসামি বেলায়েতের হাতে তুলে দেন এবং ১০ আগস্ট আরও ৫০ হাজার টাকা দেন। আসামির সঙ্গে ১৫ লাখ টাকায় রফা-দফা করে বাদীর বাবা ৫ লাখ টাকার চেক দিয়ে সমন্বয় করেন। আরও ৬ লাখ টাকা সাত দিনের মধ্যে দিতে বলেন। তা না হলে বাদীর ব্যবসা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন বেলায়েত।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 জন্মদিনে কোকোর কবর জিয়ারত বিএনপি নেতাদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96834 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243051_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597243051_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর জন্মদিন উপলক্ষে তার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। পরে হাতেগোনা কয়েকজনকে নিয়ে কবর জিয়ারত করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।<br>পুলিশের বাধায় দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ একাধিক নেতাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি কবরস্থানে। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কবরস্থানের বাইরে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেন। বুধবার আরাফাত রহমান কোকোর ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে বনানীর কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত করতে যান বিএনপি, এর অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের শত শত নেতাকর্মী। এ সময় বনানী কবরস্থানের সামনে অবস্থান নিয়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের ভেতরে যেতে বাধা দেন।<br>পরে বিশেষ অনুরোধে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সরফত আলী সপু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা উত্তর সিটির গত নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইন ও ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন ফুল নিয়ে কবরস্থানে প্রবেশ করার অনুমতি পান।<br>তারা কবরস্থানে গিয়ে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। একই সময়ে কবরস্থানের বাইরে থাকা অসংখ্য নেতাকর্মী দোয়া ও মোনাজাত করেন।<br>কবরস্থানের গেটের বাইরে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সহজলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবির খান, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন প্রমুখ।<br><br> </body></HTML> 2020-08-13 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর দাউদপুরে দূর্ঘটনায় নিহত ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96833 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242183_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242183_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>ফেনীতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও মালবাহী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে খুরশিদ আলম (৪৫) নামে এক সবজি ব্যবসায়ী ও অটোরিক্সা চালক মাহবুবুল হক (৩৩) নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অটোরিক্সার আরো চারজন যাত্রী। বুধবার দুপুরে শহরের দাউদপুর পোল এলাকার সবজি আঁড়ৎ এর সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত খুরশিদ আলম শহরের পশ্চিম রামপুর এলাকার হাজি সিদ্দিক মৌলভী বাড়ির বাসিন্দা ও ফেনী শহরের বড় বাজারে সবজির ব্যবসায়ী। পুরিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ফেনী শহরমুখী যাত্রীবাহি একটি সিএনজি অটোরিক্সার সাথে বিপরীতদিক থেকে আসা মালবাহী দ্রুতগতির একটি ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে অটোরিক্সার যাত্রী খুরশিদ আলম নিহত হয়। আহত হয় অটোরিক্সার চালকসহ আরো পাঁচজন। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারলে হাসপতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় অটোরিক্সা চালক মাহবুবুল হককে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। দূর্ঘটনায় আহত অমিত (২৬), সুমিতা রানী দাস (২৭), কালাচান দাস (৪০) ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।<br> and nbsp;নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গ রাখা হয়েছে। ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ক্ষতিগ্রস্থ অটোরিক্সা ও ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। এঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। </body></HTML> 2020-08-12 20:22:43 1970-01-01 00:00:00 টাকা ফেরত চাওয়ায় হত্যা, লাশ পুকুরে ফেলে দেন আ.লীগ নেতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96832 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242106_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242106_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার কৃষ্ণচন্দ্র দাস হত্যাকা-ের সাড়ে ছয় বছর পর তদন্ত শেষ করে সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।<br>গত ৮ জুলাই আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুজ্জামান। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে চার্জশিট এখনও আমলে নেননি আদালত। এর আগে ১০ পুলিশ কর্মকর্তা এ মামলাটি তদন্ত করেছেন। আহসানুজ্জামান এ মামলার ১১তম তদন্ত কর্মকর্তা।<br>গত ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কালীগঞ্জ পৌর এলাকার মুনসুরপুরের একটি পুকুর থেকে কৃষ্ণ চন্দ্রের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগের দিন ৩১ জানুয়ারি রাতে তিনি খুন হন।<br>জানা গেছে, কৃষ্ণচন্দ্র দাসকে হিন্দু নিবন্ধক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর পরিমল ঘোষ। তাকে নিয়োগ না দিয়ে গড়িমসি করতে থাকেন তিনি। এ নিয়ে পরিমলকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছিলেন কৃষ্ণ চন্দ্র। কিন্তু পরিমল টাকা ফেরত না দিয়ে কৃষ্ণ চন্দ্রকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। একই এলাকার বাসিন্দা হওয়ার কারণে বিভিন্ন সময় পরিমল ও তার সহযোগীদের সঙ্গে মদ্যপান করতেন কৃষ্ণচন্দ্র। মদ্যপানের সুযোগ নিয়ে পরিমল ঘোষ ও তার চার সহযোগী কৃষ্ণকে মাথায় আঘাত করে পুকুরে ফেলে হত্যা করেন। মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- পরিমল ঘোষ, ধ্রুবজিৎ ঘোষ, দিলিপ চন্দ্র দাস, আশরাফুজ্জামান ওরফে খসরু, রঞ্জিত চন্দ্র দাস, উত্তম চন্দ্র দাস ও দিলিপ চন্দ্র দাস।<br>মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুজ্জামান বলেন, তদন্ত শেষ করে কালীগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর পরিমল ঘোষ ও তার চার সহযোগীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন তিনি। তদন্তে পাওয়া তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই চার্জশিট তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রধান আসামি পরিমল ঘোষ এখন জামিনে আছেন।<br>এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। ষড়যন্ত্র করে তাকে চার্জশিটভুক্ত আসামি করা হয়েছে।<br>এদিকে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে কৃষ্ণ চন্দ্র মুনসুরপুরের অশ্বিনীকুমারের পুকুর ঘাটে একসঙ্গে মদ্যপান করতেন এবং আড্ডা দিতেন। ঘটনার দিন রাতে তারা একসঙ্গে মদ্যপান করেন। মদ্যপানের পর তারা সেখানে আনন্দ-উল্লাসও করেন। একপর্যায়ে আসামিদের সঙ্গে কৃষ্ণের ঝগড়া হয়। এ সময় আসামিরা কৃষ্ণকে মারধর করেন। পরে কৃষ্ণের মাথায় আঘাত করে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করে আসামিরা। পরে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। নিবন্ধক নিয়োগের নাম করে কৃষ্ণের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর পরিমল ঘোষ। এ টাকার জন্য পরিমলকে চাপ দেওয়ার কারণে কৃষ্ণকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে মদ্যপানের সুযোগ নিয়ে সহযোগীদের নিয়ে কৃষ্ণকে হত্যা করেন তিনি।<br>চার্জশিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিদের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে তাদের উপস্থিতি পাওয়া গেছে এবং আসামিরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছেন। আসামি ধ্রুবজিৎ ঘোষ এবং উত্তম চন্দ্র দাস দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা অন্য আসামিদের ওপর কৌশলে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন জবানবন্দিতে।<br>মামলার সার্বিক তদন্তে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দেখা গেছে, পরিমল ঘোষ এবং তার সহযোগীরা কৃষ্ণকে হত্যা করেছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-08-12 20:21:08 1970-01-01 00:00:00 র‌্যাবকে ঘুষ দিতে গিয়ে যুবলীগ নেতাসহ আটক ৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96831 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242053_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242053_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>কুমিল্লায় ঘুষের বিনিময়ে মাদকসহ গ্রেফতার চার আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে গিয়ে এক যুবলীগ নেতাসহ ছয়জন র?্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে তাদেরকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।<br>মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে নগরীর শাকতলা এলাকার র?্যাব কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান র?্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুস সাকিব। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ এর একটি দল সোমবার রাতে নগরীর ডিগাম্বরীতলা এলাকায় এলআর অ্যাপেক্স টাওয়ার নামে একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান পরিচালনা করে ৩০৫ পিস ইয়াবা, ১২ ক্যান বিয়ার ও মাদক বিক্রির নগদ ৩৭ হাজার টাকাসহ চার মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। আটকরা হচ্ছে- নগরীর মৌলভীপাড়া এলাকার মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে মো. শহীদুজ্জামান সজীব (২৮), কাপ্তান বাজার এলাকার জহিরুল ইসলামের ছেলে জুবায়েরুল হক ওরফে নিপু (৩১), বজ্রপুর এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে শাকিল বিন জলিল (৩০) ও বুড়িচং উপজেলার জিয়াপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল ভূঁইয়ার ছেলে আবুল হোসেন ভূঁইয়া (৩৮)। মেজর তালুকদার নাজমুস সাকিব জানান, আটক চার আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে সোমবার রাতেই মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বোরহান মাহমুদ কামরুলসহ ছয়জন র‌্যাব কার্যালয়ে আসেন। তারা র‌্যাবকে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে মাদকসহ আটক হওয়া ওই চার আসামিকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন। এ সময় তাদেরকেও আটক করা হয়। আটকরা হচ্ছে- সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে বোরহান মাহমুদ কামরুল (৪৭), নগরীর কাপ্তানবাজার এলাকার মৃত ইউনুছ মুন্সীর ছেলে মো. জহিরুল হক (৬৪), মৌলভীপাড়া এলাকার আহমেদুল কবিরের ছেলে ইফতেখারুল কবির (১৮), মৃত ফরিদ আহমেদের ছেলে ফয়েজ আহমেদ ওরফে অপু (৪০), ছোটরা এলাকার মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে মো. নিয়ামুল হক (৩০) ও সদর উপজেলার ইলাশপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে আমজাদ হোসেন (৩৬)। র‌্যাব-১১ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর তালুকদার নাজমুস সাকিব জানান, মাদকসহ গ্রেফতার চার আসামি পরস্পর যোগসাজশে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। তাদেরকে ছাড়িয়ে নিতে ঘুষ দেয়ার চেষ্টাকালে আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করার অপরাধে দুর্নীতি দমন কমিশনে মামলা করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-08-12 20:20:33 1970-01-01 00:00:00 থানায় নিয়ে যুবলীগ নেতাকে মারধর, ওসি প্রত্যাহার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96830 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242014_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597242014_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>থানায় নিয়ে এক যুবলীগ নেতাকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তাকে দুর্গাপুর থানা থেকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আহত যুবলীগ নেতার নাম আলম তালুকদার। তিনি দুর্গাপুরের বাকলজোড়া গ্রামের মৃত আলাল তালুকদারের ছেলে এবং সাবেক এমপি জালাল উদ্দিন তালুকদারের ভাতিজা। আলম তালুকদার বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, দুর্গাপুর থানা পুলিশ সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি মারামারির ঘটনায় আলম তালুকদারসহ কয়েকজনকে আটক করে। থানায় নেয়ার পর ওসির নির্দেশে আলমকে মারধর করা হয়। এতে আলম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পুলিশ ও স্বজনরা দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে খবর পেয়ে মঙ্গলবার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সীসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তারা ওসি মিজানুর রহমানকে দুর্গাপুর থানা থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। তার জায়গায় জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ নুর এ আলমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী বলেন, ওসি মিজানুর রহমানকে থানা থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য অতিরিক্ত ডিআইজিকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-08-12 20:19:57 1970-01-01 00:00:00 ঝাঁড়-ফুঁকের নামে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ভন্ড ফকির আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96829 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241974_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241974_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>ঝাঁড়-ফুঁকের নামে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শঙ্কর দেবনাথ নামের এক ভ- ফকিরের বিরুদ্ধে। বুধবার (১২ আগস্ট) ভিকটমের মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।<br>ভিকটিমের মা জানান, বরিশাল নগরের বাজার রোড সাগর গলি এলাকার বাসিন্দা ও ভ- ফকির শঙ্কর দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে শিশু-কিশোরীদের বিভিন্ন রোগের ঝাঁড়-ফুঁক দিয়ে আসছিলেন। যিনি সম্পর্কে তার মামা শ্বশুরও হন।<br>তিনি জানান, তার মেয়ের জন্ডিসে আক্রান্ত। তাই তিনি শঙ্কর দেবনাথের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন। শঙ্কর দেবনাথ তাদের বরিশালে আসতে বললে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে বরিশালে এসে তার বাসাতেই ওঠেন।<br>ভিকটিমের মা বলেন, শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১০টার পরে শঙ্কর দেবনাথ জানান মেয়ের শরীরে জটিল রোগ বাসা বেঁধেছে, স্বামী সংসারে সুখে থাকবে না। শরীরের রোগ এবং বিয়ের পরে সংসারে সুখি হতে হলে তাকে নাওন (গোসল) দিতে হবে এই মর্মে ফকিরের ফিকির দেওয়ার কক্ষে রাখেন।<br>তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় আমি পাশের কক্ষেই ছিলাম। যেহেতু তিনি আমার মামা শ্বশুর, আর আগেও তার বাসায় আমরা আসা-যাওয়া করতাম। তাই সন্দেহের কিছু করিনি। কিন্তু আমার মেয়ে নাওন শেষে বের হয়ে জানায় তাকে কক্ষে আটকে ঝাঁড়-ফুকের নামে ধর্ষণ করা হয়েছে।<br>কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, ভয় দেখিয়ে ফিকির ঘরে আটকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছে ভিকটিমের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার রাত ১টার দিকে অভিযানে নামে পুলিশ সদস্যরা। পরে নগরের বাজার রোড সাগর গলির ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ফকির শঙ্কর দেবনাথকে (৭০) আটক করা হয়। আর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ধর্ষক। </body></HTML> 2020-08-12 20:19:15 1970-01-01 00:00:00 নাঙ্গলকোটে পল্লী চিকিৎসক হত্যাকারীদের উপযুক্ত বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96828 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241931_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241931_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা প্রতিনিধি ॥</span><br>নাঙ্গলকোটের বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বাকিহাটি গ্রামে মসজিদ কমিটি গঠনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে প্রতিপক্ষের নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পল্লী চিকিৎসক জামশেদ আলম ভুঁইয়ার (৭০) হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। গতকাল বুধবার সকালে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বাকিহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবুল হাসেম ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আবুল হোসেন ভূইয়া, মাস্টার জালাল আহমেদ ভূইয়া, জাহাঙ্গীর আলম, নিহতের মেয়ে ফারজানা আলম ভূঁইয়া, কাজি হুমায়ুন কবিরের মেয়ে লুৎফুন নাহার প্রমুখ। বক্তারা, পল্লী চিকিৎসক জামশেদ আলম ভূঁইয়াকে নির্মমভাবে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান। মানববন্ধনে হত্যাকারীদের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসির দাবিতে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার নিয়ে এলাকার কয়েক‘শ নারী, পুরুষ ও শিশুরা অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাকিহাটি গ্রাম থেকে শুরু হয়ে আজিয়ারা বাজারে এসে শেষ হয় । মানববন্ধনে উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য আবুল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য জাকার উল্লাহ, ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীনের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে জামশেদ আলম ভুঁইয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমরা হত্যাকারীদের উপযুক্ত বিচার দাবি করছি। একটি পক্ষ মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। আমরা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি, প্রশাসন যেন কারো দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত বিচার করে। উপজেলা আওয়ামীলীগ উপদেষ্টা কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আবুল হাশেম ভুঁইয়া বলেন, পল্লী চিকিৎসক জামশেদ আলম ভুঁইয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোস্তফা জাবেদ কায়সারের ইন্ধনে তার ভাই ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীনের নেৃতত্বে ঘটনাটি ঘটেছে। জামশেদ আলম ভুঁইয়ার মেয়ে ফারজানা আলম ভূঁইয়া কান্নাজড়িত কন্ঠে তার বাবার হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার পিতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৫ আগষ্ট স্বপরিবারে নিহত হয়েছে। ৭ আগষ্ট আমার পিতাকে হত্যা করা হয়েছে। and nbsp; সাবেক ইউপি সদস্য জাকার উল্লাহ, ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীন, আজগর, মানিকসহ ১০/১২জনের একটি গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করে নির্মমভাবে আমার পিতাকে and nbsp; হত্যা করে। আমি আপনার নিকট আমার পিতার হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই-ফাঁসি চাই। হত্যাকারীদের উপযুক্ত বিচার না হলে হত্যাকারীরা প্রশ্রয় পাবে। ঘরে-ঘরে হত্যাকারী সৃষ্টি হবে। ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীনের ভাই কক্সবাজার সদরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোস্তফা জাবেদ কায়সার ওরফে রায়হান আসামীদের গ্রেফতারে বাধা সৃষ্টি করছে এবং মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনে হস্তক্ষেপ করছে বলেও তিনি জানান।<br>হামলায় আহত কাজী মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন. গত ১০ আগষ্ট সোমবার দিবাগত রাত ১২টায় ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীন আমাকে মুঠো ফোনে ফোন দিয়ে বলেন, ফেস বুকে তোর ছবি দেখি। কাজি বাড়ির হুমায়ুন কবির, কাজি মোস্তাক ও তোর গলায় চুরি না চালানো পর্যন্ত আমার রক্ত ঠান্ডা হবে না। এছাড়া ফয়সল আমার ছেলেকে গুলি করার হুমকি প্রদান করে। হামলায় কাজি মিজানের বাম চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দু‘ পায়ে হকিস্টিক দিয়ে পিঠানো হয়।<br>স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ আগষ্ট শুক্রবার জুম্মার নামাজের পরে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বাকিহাটি গ্রামের কাজি বাড়ির মসজিদের পূর্বের কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে কাজী নজির আহম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডাঃ কাজী ইয়াছিনের নাম ঘোষণা করা হয়। কিন্তু বাকিহাটি গ্রামের পূর্ব ও দক্ষিণপাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য জাকার উল্লাহ এর লোকজন এ কমিটি মানতে রাজি হয়নি। পরে ওইদিন বিকেলে আছর নামাজের সময় বাকিহাটি গ্রামের পূর্ব ও দক্ষিণ পাড়ার সাবেক ইউপি সদস্য জাকার উল্লাহ, অগ্রণী ব্যাংক ম্যানেজার নাছিম হায়দার শাহীন, কালামিয়া, মনির, মোতালেব, সাদ্দাম, বেলাল, মানিক, ফয়সল, আজগর ও আবু ইউছুফের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি গ্রুপ কাজি বাড়ির মসজিদের ভিতরে কাজী বাড়ির কাজি হুমায়ুন কবির, কাজি মোস্তাক আহমেদ ও কাজী কবিরের সাথে হাতাহাতিতে থেকে মারামারিতে লিপ্ত হয়। এসময় তারা প্রথমে ওই গ্রামের ওমর ফারুক ভুঁইয়ার উপর হামলা করে। পরে কাজি হুমায়ুন কবিরের লোকজন কাজি বাড়ির সামনে অবস্থান করলে সাবেক ইউপি সদস্য জাকার উল্লাহ ও ব্যাংক ম্যানেজার নাছির হায়দার শাহীন এর নেতৃত্বাধীন গ্রুপটি পুনরায় পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র লাঠিসোটা, রড, ইট নিয়ে আবার কাজি হুমায়ুন কবিরের লোকজনের উপর হামলা করে। এসময় তাদের হামলায় পল্লী চিকিৎসক জামশেদ আলম ভুঁইয়াসহ ১২জন আহত হয়। মাথায় গুরুতর আহত জামশেদ আলম ভুঁইয়াকে ওইদিন সন্ধ্যা ৭টায় নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। <br>এ ঘটনায় জামসেদ আলম ভুঁইয়ার ছেলে তাসাদ্দেক হোসেন ভুঁইয়া এজহারনামীয় ১৩জনসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। </body></HTML> 2020-08-12 20:18:33 1970-01-01 00:00:00 ভারতে হিন্দু পরিবারের সম্পত্তিতে ছেলে-মেয়ে সমান অধিকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96827 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241874_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241874_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> <br>বহুল আলোচিত অবিভক্ত হিন্দু পরিবারের সম্পত্তিতে মেয়েদের পক্ষে রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার দেশটির শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, হিন্দু পরিবারে বাবার সম্পত্তিতে ছেলে ও মেয়ের সমান অধিকার থাকবে। এদিন বিচারপতি অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই ঐতিহাসিক রায় দেন। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ২০০৫ সালের হিন্দু উত্তরাধিকার (সংশোধিত) আইন অনুসারে অভিভাবকের সম্পত্তিতে মেয়েদের স্বীকৃত অধিকার থাকবে। অর্থাৎ, সম্পত্তিতে ছেলেরা যতটুকু অংশীদার, মেয়েরাও ততটুকুই পাবে।<br><br>রায় অনুসারে, সংশোধনী আইন প্রণয়নের আগে যদি বাবা মারা যান, তাহলেও ছেলে-মেয়ের সমানাধিকার প্রযোজ্য হবে। আর যদি মেয়ে মারা যান, তাহলে তার সন্তান সেই সম্পত্তির অধিকার ভোগ করবে। ভারতে সুপ্রিম কোর্টের এ রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগে একাধিক মামলায় ২০০৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর দেশটির শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছিলেন, যদি বাবা ও মেয়ে দু’জনেই জীবিত থাকেন, তাহলেই বাবার সম্পত্তিতে মেয়ের স্বীকৃত অধিকার থাকবে। ওই দিনই সংশোধিত হিন্দু উত্তরাধিকারী আইনের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল।<br><br>সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস </body></HTML> 2020-08-12 20:16:50 1970-01-01 00:00:00 সাত ফুটবলার করোনা পজিটিভ অনুশীলন ক্যাম্প স্থগিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96826 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241652_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241652_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥ </span><br>বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ মোট ৩৬ জনের (৩০ জন ফুটবলার, ৬ জন কর্মকর্তা) মধ্যে ২৬ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ৭ জন খেলোয়াড়ের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ৩ জনকে বিশেষ পর্যবেক্ষণে থাকার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।<br>করোনায় আক্রান্ত ফুটবলাররা হলেন আনিসুর রহমান, মোঃ রবিউল হাসান, মোঃ টুটুল হোসেন বাদশা, বিশ্বনাথ ঘোষ, এম এস বাবলু, মোঃ ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, মোঃ শহীদুল আলম। বিশেষ পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে রিয়াদুল হাসান, রাকিব হোসেন ও রায়হান হাসানকে।<br>আইসিডিডিআর,বি ও প্রভা হেলথ সোমবার দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষার জন্য জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের স্যাম্পল গ্রহণ করে।<br>এদিকে বুধবারই স্থগিত হয়েছে ফিফা বিশ্বকাপ ও এএফসি এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারের সব ম্যাচ। আগামী বছর পর্যন্ত এটি পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। যার কারণে বাফুফেও ফুটবল দলের অনুশীলন ক্যাম্প স্থগিত করেছে। আগামী অক্টোবর নভেম্বরে বাছাইপর্বে ৪টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের।<br>করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া সকল খেলোয়াড়কেই বাফুফে নিজেদের তত্ত্বাবধানে রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু নাঈম সোহাগ এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন। </body></HTML> 2020-08-12 20:13:54 1970-01-01 00:00:00 লাল কার্ড দেখানোয় রেফারিকে বেদম মার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96825 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241617_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241617_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>লাল কার্ড দেখানোয় রেফারিকে মারধর করে খবরের শিরোনামে রাশিয়ার সাবেক অধিনায়ক এবং জেনিথ সেন্ট পিটার্সবার্গের আইকনিক ফুটবলার রোমান শিরোকোভ।<br>সোমবার (১০ আগস্ট) রাশিয়ার অ্যামেচার লিগ মস্কো সেলিব্রিটি কাপ টুর্নামেন্টে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে।<br>আক্রমণ এতোটাই গুরুতর ছিল যে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারি নিকিতা দানচেঙ্কোকে হাসপাতালের এমার্জেন্সি বিভাগে কাটাতে হয়। এ ঘটনায় ক্রিমিনাল প্রোসিকিউশনের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা শিরোকোভের।<br>যদিও ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন রাশিয়ার সাবেক অধিনায়ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, নিকিতার সঙ্গে যে অসঙ্গত কাজটা আমি করেছি তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি। পেনাল্টি না দেওয়া কিংবা লাল কার্ড দেখানো কখনোই রেফারির গায়ে হাত তোলার কারণ হতে পারে না। আশা করি নিকিতা খুব শীঘ্রই ফের নিজের কাজে ফিরবেন। কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা চলাকালীন বিপক্ষ বক্সে তাকে ফাউল করায় পেনাল্টির দাবিতে রেফারির সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন শিরিকোভ। যদিও রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। এরপর ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকায় শিরিকোভকে লাল কার্ড দেখাতে কার্পণ্য করেননি রেফারি। আর এতেই মেজাজ হারিয়ে তার উপর চড়াও হন শিরিকোভ। আক্রমণের শুরুতে মুখে ঘুষি মেরে দানচেঙ্কোকে মাটিতে ফেলে দেন দেশের জার্সি গায়ে ৫৭ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা শিরিকোভ। মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় রেফারির পেটে-বুকে চলতে থাকে দেদার লাথি। এরপর বাকি ফুটবলাররা এগিয়ে এসে শিরিকোভকে সরিয়ে নিয়ে যান। তবে আক্রমণে গুরুতর আহত রেফারি মাঠে পড়ে থেকে কাতরাতে থাকেন। চিকিৎসার কাজে নিযুক্ত হন মেডিকেল স্টাফেরা প্রাথমিক চিকিৎসা চালালেও বাম চোখে গুরুতর আঘাত নিয়ে দানচেঙ্কোকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় ম্যাচটি সেখানেই পরিত্যক্ত হয়ে যায়। <br>পরে ঘটনার ভয়াবহতা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রেফারি দানচেঙ্কো জানিয়েছেন, তাকে সাড়ে ১২ ঘন্টা হাসপাতালে কাটাতে হয়েছে। যার মধ্যে কিছু সময় জরুরি বিভাগেও থাকতে হয়। প্রচুর পরীক্ষার পাশাপাশি শরীরে সেলাই পড়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। </body></HTML> 2020-08-12 20:13:09 1970-01-01 00:00:00 আইপিএলে সুযোগ না পেয়ে ভারতীয় ক্রিকেটারের আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96824 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241572_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241572_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>শারীরিক গঠন আর বোলিং স্টাইল ছিল অনেকটাই দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা পেসার ডেল স্টেইনের মতো। করণ তিওয়ারিকে তাই সতীর্থরা ‘জুনিয়র স্টেইন’ নামেই ডাকতেন। স্বপ্নটাও বেশ বড় ছিল। বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করবেন, হয়তো আর দশজন ক্রিকেটারের মতো দেশের জার্সি গায়ে দেয়ার স্বপ্নও ছিল।<br>কিন্তু সবাই তো একরকম হয় না। স্বপ্নের আগে আবেগকে প্রাধান্য দিয়ে বসলেন করণ। হতাশায় এমনই ডুবে গেলেন, আত্মহত্যার মতো সিদ্ধান্ত নিতেও দ্বিধা করলেন না।<br>সোমবার রাতে বাড়ি থেকে ভারতীয় এই পেসারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মুম্বাই পুলিশ। এখনও তার আত্মহত্যার কারণ পরিষ্কার নয়। তবে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, আইপিএলের কোনো দলে সুযোগ না পেয়েই সম্ভবত আত্মহত্যা করেছেন করণ। কেননা ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর কাছে কষ্টের কথা শেয়ার করেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, আত্মহত্যা করতে পারেন।<br>বন্ধু বিপদ আঁচ করতে পেরে বিষয়টি জানিয়েছিলেন করণের বোনকে। বোন তার মাকে জানান। কিন্তু ততক্ষণে বেশ দেরি হয়ে গেছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে শোয়ার ঘরের দরজা ভেঙে পরিবারের সদস্যরা দেখেন, সিলিং ফ্যানে ঝুলে আছে করণের মৃতদেহ।<br>করণ গত মৌসুমে ওয়াংখেড়েতে প্রায়ই আইপিএলের দলগুলোর নেটে বোলিং করেছেন। আইপিএলে খেলার স্বপ্ন তো থাকারই কথা। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) নিয়ম হচ্ছে, আইপিএল নিলামে উঠতে হলে রাজ্য দলের যে কোনো ক্যাটাগরিতে খেলতে হবে। সেই সুযোগটাই আর হয়ে উঠছিল না।<br>করণের বন্ধু অভিনেতা জিতু ভার্মা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যারিয়ার নিয়ে হতাশায় ভুগছিলেন ২৭ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। মুম্বাইয়ের সিনিয়র দলের কোচ বিনায়ক সামন্ত তার জন্য ভালো একটি ক্লাব খুঁজে দেয়ারও চেষ্টা করছিলেন। তবে এত এত অনিশ্চয়তা মেনে নিতে পারেননি তরুণ করণ। সম্ভবত সেই হতাশা থেকেই প্রাণঘাতী সিদ্ধান্ত। </body></HTML> 2020-08-12 20:12:34 1970-01-01 00:00:00 ধোনিকে নিশ্চয়তা দিয়ে দিলেন চেন্নাই সুপার কিংস প্রধান নির্বাহী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96823 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241334_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241334_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>মহেন্দ্র সিং ধোনিকে কি আর কখনও প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে দেখা যাবে? করোনার কারণে আইপিএল পিছিয়ে যাওয়ার পর এমন শঙ্কাও পেয়ে বসেছিল ধোনির ভক্তদের।<br>তবে অবশেষে আইপিএলের দরজা খুলে গেছে। সেপ্টেম্বরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে মাঠে গড়াচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটি। আর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস যখন খেলবে, ধোনিকে নিয়ে আর চিন্তা কী? চেন্নাই আর ধোনি তো বলতে গেলে সমার্থক শব্দ।<br>তবে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের বয়সও বাড়ছে। এখন ৩৯। এবারই কি তবে শেষ আইপিএল? যারা এমনটা ভাবছেন, তাদের জন্যই বোধ হয় মুখ খুললেন চেন্নাই সুপার কিংসের প্রধান নির্বাহী কাসি বিশ্বনাথ।<br>চেন্নাই সুপার কিংসের প্রধান নির্বাহী জানিয়ে দিলেন, শুধু এবারের আসর কিংবা সামনের আইপিএল নয়। ধোনি খেলতে পারেন ২০২২ আইপিএলেও। 'ইন্ডিয়া টুডে'র সঙ্গে আলাপে বিশ্বনাথ বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ধোনি দুটোই খেলবেন (২০২০ এবং ২০২১ আসর)। এমনকি তার পরের বছর ২০২২ সালেও।’<br>তিনি যোগ করেন, ‘আমি কেবল মিডিয়ার মাধ্যমেই আপডেট জানতে পারছি। জেনেছি, তিনি (ধোনি) ঝাড়খ-ে ইনডোর নেটে ট্রেনিং করছেন। তবে আমাদের অধিনায়ক নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। আমরা তাকে নিয়ে চিন্তা করছি না। তিনি তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন এবং নিজের এবং দলের কথা ভাবেন। </body></HTML> 2020-08-12 20:08:29 1970-01-01 00:00:00 রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ করোনায় আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96822 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241229_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241229_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইপিএল করার লিখিত অনুমতি পেয়ে গিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আমিরাতে উড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই জানা গেল, রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক করোনা আক্রান্ত। বুধবার রাজস্থান রয়্যালসের তরফ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।<br>আগামী সপ্তাহে মুম্বাই থেকে দুবাই যাওয়ার বিমান ধরবে রাজস্থান রয়্যালসের ক্রিকেটাররা। সেই কারণেই প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষায় দিশান্তের শরীরে পাওয়া গিয়েছে করোনাভাইরাস। রাজস্থান রয়্যালসের পাশাপাশি দিশান্ত নিজেও টুইট করে জানিয়েছেন যে তিনি করোনা আক্রান্ত।<br>গত দশ দিনে তাঁর সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করার অনুরোধ করেছেন দিশান্ত। বোর্ডের স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, দিশান্তকে এখন ১৪ দিনের কোয়রান্টাইনে থাকতে হবে।<br>বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, দুবার করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসতেই হবে। না হলে শিবিরে প্রবেশাধিকারই নেই। সেই কারণেই দুবাইয়ে রাজস্থান রয়্যালস শিবিরে যোগ দেওয়ার আগে দিশান্তের করোনা পরীক্ষার ফল দুবারই নেগেটিভ আসতে হবে।<br>রাজস্থানের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান দিশান্ত। আইপিএলে রাজস্থানের হয়ে খেলেওছেন। এখন তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিল্ডিং কোচ। যদিও দিশান্ত আক্রান্ত হলেও রাজস্থানের কোনও ক্রিকেটারের শরীরেই পাওয়া যায়নি করোনাভাইরাস।<br><br> </body></HTML> 2020-08-12 20:06:42 1970-01-01 00:00:00 এভাবেই আমাকে ভালোবেসো বনি: কৌশানী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96821 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241157_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597241157_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> বিনোদন ডেস্ক ॥</span><br>সোমবার ছিল টলিউডের এ প্রজন্মের তারকা অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের জন্মদিন। করোনার কারণে কলকাতার অবস্থা যেহেতু খুবই খারাপ, তাই বিশেষ এ দিনে কোনো আয়োজন রাখেননি নায়ক। তাই বলে ভক্তরা শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি তাদের পছন্দের অভিনেতাকে। জন্মদিনের সকাল থেকেই বনির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ভরে যায় শুভেচ্ছা বন্যায়।<br>একটু দেরিতে হলেও প্রেমিকের জন্মদিনে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি বনির চর্চিত প্রেমিকা অভিনেত্রী কোশানী মুখার্জীও। জন্মদিন শেষ হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টা আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় মনের মানুষের ছবি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, ‘এরকমই থেকো। এভাবেই আমাকে ভালোবেসো বনি। তুমি আমার দেখা সেরা ব্যক্তিত্বের একজন মানুষ। সবার ভালোবাসাই তোমার প্রাপ্য।’<br>প্রায় ১০ বছর ধরে প্রেম করছেন বনি-কৌশানী জুটি। কখনোই তাদের প্রেম নিয়ে বিশেষ রাখঢাক ছিল না, এখনো নেই। তারা একসঙ্গে জুটি বেঁধে চারটি ছবিও করেছেন। লকডাউনের প্রথম দিকটায় একেবারেই দেখা হয়নি এই দুজনের। যে যার বাড়িতে বন্দি ছিলেন। এখন আবার মাঝেমধ্যে দেখা হচ্ছে। তবে আগের মতো ঘোরাঘুরি বা আড্ডা দিতে পারছেন না।<br>গায়ে প্রেমিক-প্রেমিকা ট্যাগ লাগায় অন্যদের মতো বনি-কৌশানীকেও যে প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি শুনতে হয় তা হল, বিয়ে করছেন কবে? মজা করে তো বনি একবার বলেছিলেন, তিনি পিঠে একটি বোর্ড ঝুলিয়ে রাখবেন। পরে অবশ্য খোলাখুলি জবাব দেন যে, সহসাই তারা বিয়ে করছেন না। আপাতত কেরিয়ারেই মন দিতে চান দুজনে। তবে প্রেমটা চালিয়ে যেতে চান এভাবেই। </body></HTML> 2020-08-12 20:05:24 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে জনতার হাতে ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96820 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240300_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240300_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br><div>সোনাগাজী উপজেলার ৮ নং আমিরাবাদ ইউনিয়নের রহমত নগর হালিম হুজুর বাড়ি এলাকা থেকে ৪ জন পাইকারি ইয়াবা ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে ধরে পেলে এলাকার সচেতন মানুষ। মঙ্গলবার (১১ই আগস্ট ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের একজন ডাকাতি মামলার সাজাপ্রাপ্ত এবং ইয়াবা ব্যবসায়ী স্বপন প্রকাশ জগত থেকে ইয়াবা কিনে নেয় একই ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ড দাগণপাড়ার নুর করিমের ছেলে রসুল আহমেদ প্রকাশ মামুনসহ তার সহযোগী আরো তিনজন। and nbsp; এলাকার মানুষ দাবী করে বলেন,ইয়াবা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ইয়াবা কিনে নিয়ে যাওয়ার সময় রসুল আহমেদ প্রকাশ (মামুন) নামের ওই পাইকারি ও তার সাথে থাকা আরো তিনজন কে আটক করে এলাকাবাসী। এলাকার and nbsp; প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানায়, মামুন ও তার সাথে থাকা তিনজন কে ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরারপর একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।তার মধ্যে মামুনের কাছে থাকা ইয়াবাগুলো রাস্তার বাহিরে পেলে দেয় মামুন এবং তার সহযোগী তিনজনকে ইয়াবা ও গাজাসহ আটক করে। এলাকায় লোকজন আরো জানায়, তারা ইয়াবা ব্যবসায়ী মামুন কে হাতে নাতে ধরে পেলে। তখন তার গায়ে সাদা রঙ্গের একটি সাদা গেঞ্জিও পরা ছিলো। তবে ইয়াবা ব্যবসায়ী মামুনের দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎরে এলাকাবাসীর সামনে আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া শামীমের কথা বলতে শুনাগেছে।</div><div><br></div>তথ্য সুত্রে জানা যায়,২০১৮ সালে গোলাম কিবরিয়া শামীমের এক সহযোগী কে ইয়াবাসহ হাতে নাতে ধরে পুলিশ। তখন ইয়াবা নিয়ে পুলিশের হাতে আটক হওয়া আসামীর মুখেও তার জড়িত থাকার কথা উঠে আসে। উল্লেখ যে এই ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া শামীমের বিরুদ্ধে তখনই সোনাগাজী মডেল থানায় ২০১৮ সালের ২৭ শে জুলাই একটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। যার এফআইআর নং ২৩/১৪৩। <br><br>গত মঙ্গলবার রাতে রসুল আহমদ মামুন ইয়াবাসহ রহমত নগর এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছে এমন খবর শুনে ঘটনাস্থলে তাড়াতাড়ি ছুটে যান আমিরাবাদের দুই ইউপি সদস্য, গোলাম কিবরিয়া শামীম এবং আব্দুল বারেক প্রকাশ আরু মিয়া। তারা ঘটনাস্থলে পৌছে এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া মামুন কে রক্ষা করতে এলাকার লোকজনকে হুমকি ধমকি দিয়ে নানারকম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের জিম্মায় মামুনকে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। রসুল আহম্মদ মামুন এলাকাবাসীর হাতে ইয়াবা নিয়ে আটক হওয়ার সাথে সাথে তারা সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ কে জানায়। এলাকার লোকজন পুলিশ কে জানালেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার আগেই দুই ইউপি সদস্য এলাকার লোকজনকে ভয় দেখিয়ে তাকে নিয়ে যায়।মামুনের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ ও মামলাও রয়েছে সোনাগাজী মডেল থানায়। আর তিন জনকে ইয়াবা ও গাজাসহ সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ গ্রেফতার করে থানায় and nbsp; নিয়ে যায়।<br><br>স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনাগাজী উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের and nbsp; ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের চরলামছি এলাকার সচিব মিলনের আপন ভাই স্বপন প্রকাশ জগত নামে এক মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও টমটম- অটোরিকশা নিয়ে ইয়াবা কিনতে যেতো বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি স্থানীয়রা জানতেন, কিন্তু কিছু বলার সাহস পেতেন না। বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে জনগণ প্রতিবাদ করার সাহস পায়।<br><br>মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় স্থানীয় হালিম হুজুরের বাড়ীর পাশে দাঁড়ানো এলাকাবাসী অটোরিকশা নিয়ে দ্রুতবেগে রসুল আহমদ মামুন ও তার সাথে থাকা আরো তিনজনসহ স্বপন প্রকাশ জগত নামের ওই মাদক ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলতে দেখেন। তারা তাৎক্ষণিক এলাকাবাসীর লোকজন চ্যালেঞ্জ করলে তারা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মামুন ও তার সাথে থাকা তিনজন সহযোগীদের কাছে ইয়াবা এবং গাজা ইয়াবাসহ ধরা পড়ে সবাই। এলাকাবাসী তাদের ৪ জনকে আটকে রেখে সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আসার আগেই এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া চারজনের মধ্য হতে একজন রসুল আহমদ মামুন কে শামীম মেম্বার ও আরু মিয়া নিয়ে যান। বাকি তিনজনকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই থানায় নিয়ে যান।<br><br>এ ব্যাপারে চরলামছি গ্রামের নাম না প্রকাশ করা শর্তে এক ব্যক্তি জানান, স্থানীয় বখাটে and nbsp; স্বপন প্রকাশ জগত দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। এলাকাবাসী তার সাথে বিভিন্ন সময় মাদক কেনাবেচার জন্য লোকজনের আনাগোনা দেখেও ভয়ে কিছু বলেনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর মাদকবিরোধী অভিযানের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী সাহস পায়।<br><br>সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মো: সাজেদুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসী ইয়াবাসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক রেখেছে মোবাইলে এ ধরনের খবর পেয়ে সোনাগাজী মডেল থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে যায়। আটক মাদক ব্যবসায়ীদের থেকে ইয়াবা পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন ওসি।<br>চারজনের মধ্যে তিনজন কে পুলিশ ধরলো আর একজনকে কেন ছেড়ে দিলেন?এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, পুলিশের কাছে তিনজন আটকের তথ্য দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে ইয়াবাসহ যাদের পেয়েছে তাদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করেছি।<br>এলাকাবাসীর হাতে আটক হওয়া চারজনই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেলেও একজন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাহিরেই থেকে গেলো! <br>ইতিমধ্যে আরেক জন পলাতক রসুল আহম্মদ মামুনকে ধরার একটি ভিডিও ফুটেজও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।<br>তবে ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের সচেতনতার ঘটনায় এলাকাবাসী অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। </body></HTML> 2020-08-12 19:51:01 2020-08-12 19:55:34 বাংলাদেশে আটকে ২৩৯৯ ভারতীয়, মমতার দ্বারস্থ কেন্দ্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96819 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240158_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240158_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, and nbsp; মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে লকডাইনের জেরে বাংলাদেশে আটকে থাকা আড়াই হাজারের বেশি ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে নিতে প্রচেষ্টা শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এজন্য মমতা সরকারকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। আটকে পড়াদের দুটি স্থলবন্দর দিয়ে ফিরিয়ে নিতে তোড়জোড় শুরু হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সরকারি বাসভবন নবান্নকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, লকডাউনে গত মার্চ থেকে বাংলাদেশে আটকে রয়েছেন দুই হাজার ৩৯৯ জন ভারতীয়। এদের মধ্যে দুই হাজার ৩৯৯ জনই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি ভারত-বাংলাদেশ স্থলবন্দরের মধ্যে অন্তত দুটি দিয়ে বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের ফেরানোর বন্দোবস্ত করতে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।<br>পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে দেয়া চিঠিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বিক্রম দোরাইস্বামী লিখেছেন, ‘ঢাকা থেকে আমাদের হাইকমিশন জানিয়েছে, দুই হাজার ৩৯৯ জন ভারতীয় পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থলবন্দর ও ২৮১ জন ফুলবাড়ি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরতে আবেদন করেছেন।’<br>পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কেন্দ্রের আর্জি মেনে বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে তার আগে তাদের শারীরিক পরীক্ষার আয়োজন কেন্দ্রীয় সরকারকেই করতে হবে।’<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:49:00 1970-01-01 00:00:00 মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে সঙ্কটে প্রণব মুখোপাধ্যায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96818 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240127_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240127_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক,<br>ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা এখনও সঙ্কটজনক। গত সোমবার সাবেক এই রাষ্ট্রপতির প্রাণ বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।<br><br>দেশটির হাসপাতালের বুলেটিনে বলা হয়েছিল, ‘সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ প্রণববাবুকে সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার মাথায় অনেকখানি রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। অস্ত্রোপচারের পরেও তার শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক রয়েছে।’<br><br>রোববার রাতে বাড়িতে পড়ে যান প্রণববাবু। মাথা না-ফাটলেও বেশ চোট লাগে। কিছু স্নায়ুঘটিত সমস্যাও দেখা দেয়। হাসপাতালে ভর্তি করার পরে সিটি স্ক্যান? করে দেখা যায়, তার মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধে রয়েছে। অস্ত্রোপচার করা ছাড়া উপায় নেই। অস্ত্রোপচারের আগে তার কোভিড পরীক্ষার ফল পজ?িটিভ মেলে।<br><br>হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৮৪ বছর বয়সি প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে ভেন্টিলেশনে রাখা হলেও তার কারণ করোনা নয়। তিনি স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত মূল সমস্যা হল, অস্ত্রোপচারের জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছে না। প্রণববাবু দীর্ঘদিন ধরেই রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ খান। সেই কারণেই রক্ত পুরোপুরি জমাট বাঁধছে না।<br><br>রক্ত জমাট না-বাঁধা পর্যন্ত তাঁর অবস্থার উন্নতি হবে না বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিভিন্ন ক্ষেত্রের চিকিৎসকদের নিয়ে তৈরি একটি দল প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির দেখভাল করছেন। ভারত সরকারের শীর্ষ স্তর থেকে নিয়মিত ভাবে তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:48:00 1970-01-01 00:00:00 মহানবিকে কটূক্তি: রণক্ষেত্র ব্যাঙ্গালুরু, পুলিশের গুলিতে নিহত ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96817 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240099_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240099_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, <br>ফেসবুকে মহানবিকে (সা.) নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্টের জেরে রণক্ষেত্রে হয়ে উঠেছে ভারতের ব্যাঙ্গালুরু। মঙ্গলবার কংগ্রেসের বিধায়ক অখণ্ড শ্রীনিবাস মূর্তির ভাইপো ফেসবুকে ওই পোস্ট দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে অসংখ্য মানুষ। পুলিশ এ বিষয়ে অভিযোগ নিতে চায়নি বলে দাবি অনেকের। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে সহিংস হয়ে ওঠে বিক্ষোভ।<br>ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, প্রতিবাদকারীরা বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে এবং আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে কেজি হাল্লি এবং ডিজি হাল্লি থানায় হামলা চালানো হয়। এতে এক এসিপিসহ অন্তত ৬০ পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।<br>এনডিটিভি জানিয়েছে, বিক্ষোভ দমনে পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদিন ব্যাঙ্গালুরুর কাভাল বাইসান্দ্রা এলাকায় কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাস মূর্তির বাড়ির সামনে দফায় দফায় বিক্ষোভ হয়েছে। ছোড়া হয়েছে ইট-পাথরও। এসময় পার্কিংয়ে থাকা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।<br>অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতার ভাইপোর দাবি, তিনি ফেসবুকে আপত্তিকর ওই পোস্ট করেননি। তার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে অন্য কেউ এই কাজ করেছে। যদিও পরে সেই পোস্টটি ডিলিট করে দেয়া হয়েছে।<br>ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের যুগ্ম কমিশানার (ক্রাইম) সন্দীপ পাটেল জানিয়েছেন, সহিংসতার ঘটনায় অন্তত ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কংগ্রেস বিধায়কের ভাইপোকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।<br>মঙ্গলবার রাতে বিক্ষোভকারীরা অন্তত ২৪টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। থানায় রাখা ২০০টি মোটরসাইকেলও পুড়িয়ে দিয়েছে তারা। ব্যাঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার কামাল পান্ত জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া ডিজি হাল্লি ও কেজি হাল্লিতে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। শহরের বাকি অংশে বড় ধরনের গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:48:00 1970-01-01 00:00:00 ইউরোপের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল চীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96816 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240074_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240074_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>করোনাভাইরাস মহামারিতে বিদেশিদের চীনে প্রবেশের যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, তা শিথিল করেছে দেশটি। এর ফলে ইউরোপে ৩৬টি দেশের নাগরিক এখন চীনে যাওয়ার আবেদন করতে পারবেন।<br>গত মার্চে চীন বিশ্বের প্রায় সব দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এমনকি যাদের বৈধ রেসিডেন্ট বা বিজনেস ভিসা আছে, তাদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এর আগে থেকেই চীন আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছিল। এখন কিছু ফ্লাইট আবার চালু করছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।<br>বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালানো করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনের উহানে হলেও দেশটি প্রায় নিয়ন্ত্রণে এনেছে এর প্রকোপ। এই মহামারিতে দেশটিতে মাত্র ৪ হাজার ৬৩৪ জন মারা গেলেও বিশ্বজুড়ে সেই সংখ্যা ৭ লাখ ৪৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।<br>শুধু তাই নয়, চীনে এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪ হাজার ৭৩৭ জন। কিন্তু বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটিরও বেশি মানুষ। চীনে নিয়ন্ত্রণে এলেও এশিয়া, আমেরিকা এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ভাইরাসটির প্রকোপ ব্যাপক আকার ধারণ করছে। প্রতিবেশি ভারতে প্রতিনিয়ত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা।<br>করোনা মহামারির লাগাম টানতে বিশ্বজুড়ে দুই শতাধিক ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চলছে। তবে মঙ্গলবার বিশ্বে প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে এক চিলতে আশার আলো দেখিয়েছে রাশিয়া।<br>দেশটি বলছে, চলতি বছরের শেষের দিকে এই ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসবে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা রাশিয়ার এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এবং সুরক্ষা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:48:00 1970-01-01 00:00:00 ইতিহাসের গভীরতম মন্দায় যুক্তরাজ্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96815 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240046_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240046_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, <br>হিসাব শুরুর পর থেকে ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ মন্দায় পড়েছে যুক্তরাজ্য। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তিগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।<br>বুধবার যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (ওএনএস) জানিয়েছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমে গেছে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। ১৯৫৫ সালে হিসাব শুরুর পর থেকে যুক্তরাজ্যে তিন মাসের ব্যবধানে জিডিপির এত বড় পতন আর কখনোই দেখা যায়নি।<br>চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যে জিডিপি হ্রাসের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ২ শতাংশ। এরপরেই করোনাভাইরাস মহামারির ধাক্কায় দেশব্যাপী লকডাউন জারি করে ব্রিটিশ সরকার। পরপর দু’টি প্রান্তিকে জিডিপি সংকুচিত হলে কোনও দেশে অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে বলে ধরা হয়।<br>ওএনএস জানিয়েছে, এবার জি৭-ভুক্ত যেকোনও দেশের তুলনায় বড় অর্থনৈতিক মন্দায় পড়েছে যুক্তরাজ্য। দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ, অর্থাৎ তাদের চেয়ে যুক্তরাজ্যের সংকোচন প্রায় দ্বিগুণ বেশি। অর্থনৈতিক সংকোচনের দিক থেকে ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালির চেয়েও এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাজ্য। জি৭-এর বাকি দুই সদস্য কানাডা ও জাপান এখনও দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য প্রকাশ করেনি।<br>এবছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্যে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি কমেছে রেকর্ড ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ, নির্মাণ খাতে কমেছে ৩৫ শতাংশ, উৎপাদন খাতে কমেছে অন্তত ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। লকডাউনের কারণে মানুষজন ঘরে থাকতে বাধ্য হওয়ায় গৃহস্থালী ও ব্যবসায়িক খাতে ব্যয় কমেছে প্রায় এক-চতুর্থাংশ। ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী রিশি সুনাক বলেছেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, কঠিন সময় সামনে। আজকের তথ্য নিশ্চিত করেছে, সেই কঠিন সময় এসে গেছে। ইতোমধ্যেই লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং দুঃখজনকভাবে আগামী মাসগুলোতে আরও অনেকেই হারাবেন। তবে সামনে আরও কঠিন অবস্থা আসলেও আমরা এটি পার হয়ে যাবো। আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে পারি যে, কেউই আশা বা সুযোগহারা হবেন না।’<br>সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:47:00 1970-01-01 00:00:00 ভ্যাকসিন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগে যা বলল রাশিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96814 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240022_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597240022_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>কিছুসংখ্যক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর শরীরে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োগের জন্য করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের প্রথম ব্যাচের ডোজগুলো প্রস্তুত করা হবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে বিশ্বে করোনার প্রথম ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দ্রুতগতিতে দেয়া হয়েছে বলে কিছু বিশেষজ্ঞ মস্কোর এই উদ্যোগে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও তা ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি।<br>এর আগে মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, বিশ্বে নভেল করোনাভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিন নিবন্ধন করা হয়েছে। আমার এক মেয়ে ভ্যাকসিনটি নিয়েছেন। এদিক বিবেচনায় তিনি ভ্যাকসিনের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ভ্যাকসিন নেয়ার পর তার শরীরের তাপমাত্রা হালকা বৃদ্ধি পেলেও পরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।<br>মাত্র দুই মাসের কম সময়ের মধ্যে মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার করোনাভাইরাসের প্রথম ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় রাশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত পরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি।<br>অতীত ইতিহাস বলছে, বিশ্বে যত ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা হয়েছিল; তার মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ সফল হয়েছে। কিছু কিছু বিজ্ঞানী বলেছেন, সুরক্ষার পরিবর্তে সবার আগে ভ্যাকসিনের আনার মানসিকতা এবং জাতীয় সম্মানকে গুরুত্ব দিয়েছে রাশিয়া।<br>বুধবার রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকো বলেন, মনে হচ্ছে আমাদের বিদেশি সহকর্মীরা রাশিয়ার ভ্যাকসিনের নির্দিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাগুলোকে স্পর্শকাতর করে তুলছেন এবং তারা আমাদের মতামতকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন হিসেবে অভিহিত করে নিজেদের মত প্রকাশের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, মস্কোর গামালিয়া ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে শিগগিরই চিকিৎসক ও জনসাধারণের মাঝে প্রয়োগ করা হবে। এই ভ্যাকসিনটি প্রয়োগের জন্য দ্রুত প্রস্তুত করা হবে।<br>প্রাথমিকভাবে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসকদের জন্য করোনার ভ্যাকসিনটির প্রথম ব্যাচ প্রস্তুত হবে বলে জানান রাশিয়ার এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী। রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা মূল্যায়নের পর ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি।<br>চলতি বছরের ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই এই ভ্যাকসিনের ৫০ লাখ ডোজ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে রাশিয়া।<br>সূত্র: রয়টার্স।<br><br> </body></HTML> 2020-08-13 19:47:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় একদিনে ৬ হাজার প্রাণহানি, আক্রান্ত আড়াই লাখ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96813 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597239994_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/12/1597239994_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক, <br>করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা থামছেই না। প্রতিনিয়ত অচেনা ভাইরাসটি কেড়ে নিচ্ছে হাজারো প্রাণ। আক্রান্তের তালিকাতেও যোগ হচ্ছে লাখ লাখ মানুষের নাম। চীনের উহান থেকে শুরু হওয়া অদৃশ্য ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে দুই কোটি ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি মানুষের।<br>করোনা নিয়ে আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫ লাখ ৫১ হাজার ১৪৪ জনে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৬৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন এক কোটি ৩৪ লাখ ২৭ হাজার ২৬৬ জন।<br>এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৫৭ হাজার ১০১ জন। মারা গেছেন ৫৯৮৩ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ১৫ হাজার ৩২০ জন।<br>চীনের উহানে করোনা সংক্রমণ সৃষ্টি হলেও এখন অদৃশ্য এই ভাইরাসটির বেশি প্রকোপ আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায়। ইউরোপের কিছু দেশেও ফের ভাইরাসটির সংক্রমণ বেড়েছে। নতুন করে আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছে চীন-জাপানেও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে, অনেক দেশে করোনার সংক্রমণের মাত্রা মারাত্মক ঊর্ধ্বমুখী।<br>করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫৩ লাখ ৫ হাজার ৯৫৭ জন। যুক্তরাষ্ট্রে করোনার আঘাতে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৪৯ জনের। করোনায় মোট মৃতের দিক থেকেও প্রথমে রয়েছে দেশটি। দেশটিতে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২৭ লাখ ৫৫ হাজার ৩৪৮ জন।<br>করোনায় আক্রান্তের থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩১ লাখ ১২ হাজার ৩৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৩ হাজার ৯৯ জনের। আর এ পর্যন্ত ব্রাজিলে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২২ লাখ ৪৩ হাজার ১২৪ জন।<br>করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসা ভারতে মোট ২৩ লাখ ২৮ হাজার ৪০৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৪৬ হাজার ১৮৮ জনের এবং সুস্থ হয়েছেন ১৬ লাখ ৩৮ হাজার ১০১ জন।<br>চতুর্থ অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৯ জন। আর করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ১৩১ জনের।<br>প্রাণঘাতী ভাইরাসটির সংক্রমণ বাড়ছে বাংলাদেশেও। ১৫ নম্বর অবস্থানে থাকা বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৬৩ হাজার ৫০৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৪৭১ জনের। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৯৭২ জন। </body></HTML> 2020-08-13 19:46:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে করোনায় নতুন করে ২২ জন আক্রান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96812 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597236578_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597236578_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br><div>ফেনীতে নতুন করে ২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নতুন ২২ জন সহ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮০ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন সিভিল সার্জনসহ ৩২ জন। বুধবার পর্যন্ত জেলায় ১০৩২ জন সুস্থ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন দিগন্ত। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, বুধবার নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেরর পরীক্ষাগার থেকে ৮০ জনের প্রতিবেদন এসেছে।</div><div><br></div><div> এতে নতুন করে শনাক্ত হন ২২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ফেনী সদরে ৫ জন, সোনাগাজীতে ৬ জন, ছাগলনাইয়ায় ২ জন, পরশুরামে ৮ জন ও ফুলগাজীতে ১ জন রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ১৬ এপ্রিল ফেনীতে প্রথম এক যুবকের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রামন শনাক্ত হয়। শনাক্তের ১১৯ তম দিনে এসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৮০ জন। এদের মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ৫২৫ জন, দাগনভূঞায় ৩১৫ জন, সোনাগাজীতে ২২৩ জন, ছাগলনাইয়ায় ১৭৭ জন, পরশুরামে ১২৬ জন, ফুলগাজীতে ৯৫ জন ও ফেনীর বাইরের জেলার ২২ জন রোগী রয়েছে। and nbsp; সোমবার পর্যন্ত ৭ হাজার ৪৫৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৯৬ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। and nbsp; </div></body></HTML> 2020-08-12 18:46:58 1970-01-01 00:00:00 ৯০ শতাংশ ভাড়া বেশি গুনেও উল্টো নাজেহাল যাত্রীরা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96811 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232356_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232356_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">১২০ টাকার ভাড়া নিচ্ছে ১৫০ টাকা। করোনার আগে ছিল মাত্র ৮০ টাকা। ৬০ শতাংশ বাড়ালেও হয় ১২০ টাকা। সেখানে বাড়তি নিচ্ছে ৩০ টাকা। খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের পরিবহনে রীতিমতো চলছে ভাড়া ডাকাতির মহোৎসব। প্রতিবাদ করে উল্টো পরিবহন শ্রমিকরা নাজেহাল করছেন যাত্রীদের। কথাগুলো বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ক্ষোভ আর আক্ষেপের সঙ্গে বলছিলেন এ সড়কের নিয়মিত যাত্রী খুলনার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা জোবায়ের মাহফুজ।<br><br>তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির কোনো বালাই নেই পরিবহনে। পাশের সিটও খালি রাখা হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের অভিযান চলার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে এই অরাজকতা চলছে। যে কারণে বাড়ি থেকে অফিসে আসা-যাওয়া করতেই বেতনের সিংহভাগ ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। আমরা তরুণ উদ্যোক্তা গ্রুপের অ্যাডমিন ও খাসা-অর্গ্যানিক পণ্যের মালিক হেলাল হোসেন বলেন, করোনায় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সরকার গণপরিবহণে যাত্রী কমিয়ে ভাড়া বাড়ায়। কিন্তু যাত্রীরা এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। পাইকগাছা, সাতক্ষীরা থেকে খুলনাগামী সব বাসে গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করলেও বাড়তি ভাড়া আদায় করছে বাস কর্তৃপক্ষ। যাত্রীরা প্রতিবাদ করলে নাজেহাল করছে বাসশ্রমিকরা। and nbsp;<br><br>‘এখন স্বল্প দূরত্বে লোকাল কোনো যাত্রীকে বাসে উঠতে দেওয়া হয় না। এজন্য বৃষ্টি মৌসুমে যাত্রীরা বিপাকে পড়ছেন। বাসে এমন জঘন্য ব্যবহারের কারণে মহাসড়কে ছোট যানবহনের চাহিদা বেড়েছে। ফলে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কে প্রতিদিন বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা। যাত্রীরা সম্মান নিয়ে নিরাপদে আগের ভাড়ায় যাতায়াত করতে চাই। ’<br><br>...সামসুল আরেফিন রাসেল নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, পরিবহনে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্যের শেষ নেই। যানবাহন মালিকরা নিজেদের স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত। বিশেষ করে মাহেন্দ্র চালক সিন্ডিকেটের কাছে খুলনা শহরের মানুষ জিম্মি। মাহেন্দ্রওয়ালারা ভাড়া ২/২.৫ গুণ করেছে কিন্তু যাত্রী ঠিকই ৬ জন নিচ্ছে। তারা সিন্ডিকেট করে এটা করছে। রিজার্ভ যেতে চাইলেও দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকছে। এ বিষয়ে প্রশসনকে অবহিত করার পর মহানগরীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গণপরিবহণে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। কিন্তু তারপরও ভাড়া নৈরজ্য কমেনি।<br><br>যাত্রীরা অভিযোগ করেন- ব্যক্তি মালিকানাধীন পরিবহন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বিআরটিসি পর্যন্ত নেমেছে বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিযোগিতায়। দুই আসনেই যাত্রী পরিবহনসহ ৬০ থেকে প্রায় শতভাগ বাড়তি ভাড়া আদায় করছে আন্তঃজেলার বিভিন্ন পরিবহন। সাধারণ যাত্রীদের জিম্মি করে এই অরাজকতা চলছে ঈদুল আজহার পর থেকেই। মাঝে মধ্যে যাত্রার মাঝপথে বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। খুলনা- বাগেরহাট সড়কেও চলছে ব্যাপক অনিয়ম। খুলনা থেকে কয়রা রুটে প্রতি সিটে লোক নেয়। আবার টাকাও বেশি নিচ্ছে। খুলনা-চালনা রুটে বাসে একজনের কাছ থেকে দুই সিটে ভাড়া নেওয়া হয়, কিন্তু বসানো হয় সেই দু’জন।<br><br>রূপসা বিআরটিসি বাসে কোনো নিয়মই মানা হয় না। প্রতি দুই সিটে এক যাত্রী থাকার কথা থাকলেও সব সিটে যাত্রী, না আছে মাস্ক, না মানছে কোনো স্বাস্থ্যবিধি। শর্ত ছিল প্রতিটি বাসে যাত্রী সুরক্ষায় বারবার স্যানিটাইজ করে দূষণমুক্ত করা, চালকসহ হেলপারের মাস্ক বাধ্যতামূলক, অর্ধেক যাত্রী নিয়ে চালানো, যাত্রীর গায়ের তাপমাত্রা মাপা, নতুন ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন প্রভৃতি। এগুলোর সবকিছু শিথিল হয়ে গেছে। নিয়ম বা নির্দেশনা যা আছে সবই কাগজে কলমে। অভিযোগ রয়েছে, পরিবহনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে নামমাত্র। মোবাইল কোর্ট বা সরকারি নজরদারি বাড়ানো হলে পরিবহন সেক্টরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।<br><br>..খুলনা বাস-মিনিবাস কোচ মালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সোনা বলেন, ভাড়া নৈরজ্যে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। সাধারণ মানুষকে বিশেষ করে গরিব মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই বাড়তি ভাড়া আদায় মেনে নেওয়া যায় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। শ্রমিকরা এ বাড়তি ভাড়া আদায় করে নিজেরই নিয়ে যাচ্ছে। এটা মালিক কিংবা মালিক সমিতি জানে না। শ্রমিকরা নিয়মিত নির্ধারিত ক্যাশও জমা দেয় না। পরিবহণে যাত্রী হয় না বলে।<br><br>খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিদুল ইসলাম তমাল বলেন, ভাড়া নৈরজ্য বন্ধ ও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য পরিবহনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। এটা আরও জোরদার করা হবে। বিভিন্ন গণপরিবহণে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না এবং সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে মেসেঞ্জারে জেলা প্রশাসকের কাছে যাত্রী সাধারণের পক্ষে এমন অভিযোগ এলে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ১০ আগস্ট মহাগরীর বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গণপরিবহণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এসময় এ ধরনের অপরাধ করার দায়ে কিছু পরিবহন মালিককেও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। and nbsp; </body></HTML> 2020-08-12 17:38:46 1970-01-01 00:00:00 এসপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96810 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232136_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232136_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) বেলায়েত হোসেনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম দিদার হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যবসায়ী। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সালাউদ্দিন এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। </body></HTML> 2020-08-12 17:35:15 1970-01-01 00:00:00 পিইসিতে অটো পাসের চিন্তা নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96809 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232039_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597232039_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে নভেম্বরের মধ্যে যদি স্কুল খোলা না যায় তাহলে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) বিষয়ে বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এক্ষেত্রে অটো পাসের কোনও চিন্তা নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।<br>বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। মো. জাকির হোসেন বলেন, আমাদের তো পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা আছে। পিইসি পরীক্ষা নিতে হলে পাঠদানের যে সময় আছে, সেই সময় তো আর পাচ্ছি না। আমরা যদি সেপ্টেম্বরের দিকে স্কুল খুলে দিতে পারতাম তাহলে শর্ট সিলেবাসে একটা পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা ছিল। এখন যেহেতু সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে পারব কিনা আমরা তো বলতে পারছি না।<br><br>অক্টোবর-নভেম্বরের দিকে স্কুল খুললে তখন প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্কুলে স্কুলে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা-ভাবনা করছি। তখন হয়তো ৫০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। যদি সম্ভব হয় এমসিকিউ আমরা করতে পারি।<br>নভেম্বরের মধ্যে যদি স্কুল খোলা না যায় তখন কী হবে- এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তখন বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের অটো পাসের কোনও চিন্তা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মহোদয়ের ওখানে মাধ্যমিকের সচিব ও আমাদের সিনিয়র সচিব কথা বলেছেন। আলোচনা করেছেন যে, এই রকম (অটো পাস) কিছু করা যায় কিনা তিনি বলেন, আমরা আগামী সপ্তাহে আমাদের পরিকল্পনাগুলো, তিনটি পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাব। তিনি যেটা মূল্যায়ন করবেন, আমাদের সিদ্ধান্ত দেবেন- সেটাই আমরা বাস্তবায়ন করব। পরীক্ষা নেয়া হবে না বা হবে, এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেই। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা আমরা রাখব, পরীক্ষার কোনও বিকল্প নেই। অন্যান্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা হবে বলেও জানান তিনি। and nbsp; </body></HTML> 2020-08-12 17:33:30 1970-01-01 00:00:00 নেমে গেছে বন্যার পানি, রেখে গেছে ক্ষত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96808 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231899_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231899_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নেমে গেছে বন্যার পানি, রেখে গেছে ক্ষত। লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হলেও দুর্ভোগ রয়ে গেছে তিস্তা ও ধরলা পারের বানভাসিদের। দিন এনে দিন খাওয়া হতভাগ্য এসব মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে আরও দুর্বিষহ। ছয় সপ্তাহেরও বেশি পানিবন্দি থাকার পর অবশেষে লালমনিরহাট থেকে নেমে গেছে তিস্তার পানি। তবে পানি নেমে গেলেও দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বানভাসিরা। বন্যায় ডুবে থাকা ঘরবাড়ি, আমন বীজতলা, বাদাম, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে সবকিছু মেরামতের চেষ্টা করছে তিস্তা পারের বানভাসিরা। ত্রাণ তৎপরতার কথা বলা হলেও অধিকাংশই কোনও সহায়তা পায়নি। জনপ্রতিনিধিরা খোঁজ-খবর নেয়নি বলেও অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। তারা বলছেন, আমরা কোনও সাহায্য পাই নাই। আমাদের চেয়ারম্যান আমাদের দেখে নাই। এবার ঈদ করতে পারিনি। খুবই কষ্টের মধ্যে আছি আমরা। <br><br>কেউ কেউ বলছেন, দুই বেলা খেতে পারি, আর অন্য বেলা না খেতে থাকি। আমাদের সবকিছু ভেঙে গেছে। খাবারের খুব অসুবিধা হচ্ছে।<br>বন্যাকবলিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষণিক মেডিকেল টিম কাজ করার কথা থাকলেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এলাকায় কোনও স্বাস্থ্যকর্মীর দেখাই মিলছে না। লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর বলেন, ছয় থেকে ১২ ঘণ্টার মতন পানি থাকে। নদী ভাঙনে যারা সব কিছু হারিয়েছেন তাদের আমরা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছি। বন্যাকবলিত এলাকায় চাল ও নগদ অর্থ ছাড়াও শিশু ও গোখাদ্যের জন্যের সহায়তা দেয়া হয়েছে। সীমাহীন দুর্ভোগ কমিয়ে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা চান লালমনিরহাটের বানভাসি অসহায় মানুষেরা। </body></HTML> 2020-08-12 17:31:09 1970-01-01 00:00:00 এবার মহেশখালীতে ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96807 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231716_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231716_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় ২০১৭ সালে আবদুস সাত্তার হত্যার ঘটনায় থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিম আবদুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার (৪০)। বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম।<br><br>মামলাটি শুনানি হয়েছে। তবে এ মামলার শুনানি হলেও আদালত কি আদেশ দিয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি। মামলায় ওসি প্রদীপ ছাড়া পুলিশের আরো ৫ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হারুনুর রশীদ, এসআই ইমাম হোসেন, থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিন। ২৯ আসামির মধ্যে ‘প্রধান আসামি’ হিসেবে রয়েছেন ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌস (৫৬)। ভিকটিম আবদুস সাত্তার হোয়ানক পূর্ব মাঝেরপাড়ার মৃত মৃত নুরুচ্ছফার ছেলে।<br>হত্যা মামলার বাদী হামিদা আক্তার জানান, গত ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় হোয়ানকের লম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী আবদুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়।<br><br>এ ঘটনায় থানায় মামলা নেয়নি। অবশেষে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন। রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ‘ট্রিট ফর এফায়ার’ হিসেবে গণ্য করতে আদেশ দেন বিচারক। সেই আদেশের আলোকে তিনি একই বছরের ১৭ জুলাই কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে লিখিত দরখাস্ত দেন। কিন্তু পুলিশ আবেদন আমলে নেয়নি বলে জানান হামিদা আক্তার। আদালত সূত্র জানায়, হামিদা বেগমের করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ৭ জুন আদেশ দেন। এতে বলা হয়, হামিদা বেগম এজাহার দাখিল করলে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তা তাৎক্ষণিক গ্রহণ করতে হবে। এ আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। অন্যদিকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র সচিবের (জননিরাপত্তা বিভাগ) পক্ষে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ১৩ মে আপিল বিভাগ আদেশ দেন। এতে রুল ইস্যু না করে এজাহার গ্রহণ করতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ওই রিটটি মামলা হিসেবে নতুন করে শুনানি করতে বলা হয়।<br><br>এদিকে ওই সময় হাইকোর্টে রিট পিটিশনকারী অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন জানান, উচ্চ আদালত থানায় মামলাটি করার নির্দেশ দেন। কিন্তু পরে আইজিপির পক্ষ থেকে আদেশ স্থগিতের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা স্থগিত করেন উচ্চ আদালত। </body></HTML> 2020-08-12 17:28:11 1970-01-01 00:00:00 করোনাকালে বিদেশফেরতদের ৭০ শতাংশ জীবিকাহীন: আইওএম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96806 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231576_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231576_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দেশে ফেরত আসা ১২ জেলায় অভিবাসীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, চলতি বছেরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে বিদেশফেরতদের প্রায় ৭০ শতাংশ জীবিকাহীন। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। সংস্থাটি বলছে, এসব বিদেশফেরত অভিবাসী আর্থিক ও স্বাস্থ্য সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।<br><br>আইওএম পরিচালিত ‘র‌্যাপিড অ্যাসেসমেন্ট অব নিডস অ্যান্ড ভালনারেবিলিটিস অব ইন্টার্নাল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল রিটার্ন মাইগ্র্যান্টস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার আইওএম’র বাংলাদেশ অফিসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একেকজন অভিবাসী কর্মী গড়ে তার পরিবারের তিনজন সদস্যকে সহায়তা দিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে অপরিকল্পিত ও বৃহৎসংখ্যক জীবিকাহীন অভিবাসী কর্মীদের ফেরত আসার ফলে সারাদেশে রেমিট্যান্স নির্ভর জনগোষ্ঠীর ওপরও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।<br><br>বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে মোট এক হাজার ৪৮৬ জন বিদেশফেরত ব্যক্তির ওপর চালানো জরিপের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানায় আইওএম। সংস্থাটি জানায়, ২০২০ সালের মে এবং জুলাই মাসে দেশের ১২টি উচ্চ অভিবাসন প্রবণ জেলায় এই জরিপ পরিচালনা করা হয়, যার মধ্যে সাতটি জেলায় ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর প্রভাবে অভিবাসী কর্মীদের সুনির্দিষ্টভাবে বিপদাপন্নতা তৈরি হয়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে উপার্জন ব্যবস্থা, সামাজিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক সহায়তার নেটওয়ার্কের অভাবে হাজারও অভিবাসী কর্মী প্রবাসে যে দেশে কাজ করছিলেন তা ছেড়ে বাংলাদেশে তাদের জেলায় ফিরে আসতে বাধ্য হন।<br><br>মোট ৬৪ শতাংশ আন্তর্জাতিক অভিবাসী উল্লেখ করেন, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবে তাদের কর্মস্থল দেশে তথ্য এবং স্বাস্থ্যসেবা পেতে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আইওএম জানিয়েছে, জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ২৯ শতাংশ বলেছেন, যে দেশে তারা ছিলেন সেই দেশ ত্যাগ করতে বলায় তারা বাংলাদেশে ফেরত এসেছেন। ২৩ শতাংশ জানান, তারা কোভিড-১৯ নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন এবং পরিবারের কাছে ফেরত আসতে চেয়েছেন। ২৬ শতাংশ জানান, তাদের পরিবার তাদের ফেরত আসতে বলায় তারা ফিরে এসেছেন। ৯ শতাংশ জানান, তাদের বলা হয়েছে সীমন্ত বন্ধ করে দেয়া হবে এবং আটকে পড়ার ভয়ে তারা ফেরত এসেছেন।<br><br>আইওএম বলছে, সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় ৫৫ শতাংশ জানান, তাদের ওপর শোধ না করা বর্ধিত ঋণের বোঝা রয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ পরিবার ও বন্ধুর কাছে ঋণগ্রস্ত, ৪৪ শতাংশ ক্ষুদ্র ঋণপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফআই), স্বনির্ভর দল এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ঋণগ্রস্ত। ১৫ শতাংশ পাওনাদারদের কাছে ঋণগ্রস্ত। পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণকারীদের ৮৬ শতাংশ বিনা সুদে ঋণ নিয়েছেন। অন্যদিকে এমএফআই, এনজিও এবং বেসরকারি ব্যাংকসমূহ থেকে গৃহীত ৬৫ শতাংশকে ঋণের জন্য সুদ বহন করতে হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ। মহাজন বা সুদে টাকা ধার দেন এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে নেয়া ঋণের ক্ষেত্রে ৬২ শতাংশ ঋণগ্রহীতাকে সুদ গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ শতাংশ।<br><br>সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণকারীদের তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে প্রায় ৭৫ শতাংশ জানান, তারা আবার অভিবাসনে আগ্রহী। তাদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের আগে যে দেশে কাজ করতেন সেই দেশেই আবার যেতে চান। অপরদিকে, ৬০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী আরও ভালো বেতনের চাকরি নিশ্চিতে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আগ্রহী। বিজ্ঞপ্তিতে আইওএম বাংলাদেশ মিশন প্রধান গিওরগি গিগাওরি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির সময় সবচেয়ে বিপদাপন্ন গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে রয়েছেন অভিবাসী কর্মীরা। বৈশ্বিক চলাচলের ওপর আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং কোভিড-১৯ মহামারি সৃষ্ট মন্দার ফলে বিরূপ প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মী এবং রেমিট্যান্স নির্ভর জনগোষ্ঠীর ওপর। বাংলাদেশে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক নেটওয়ার্কের সমন্বয়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশ থেকে অভিবাসন বিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’<br><br>আইওএম বাংলাদেশ মিশন প্রধান মনে করেন, এই গবেষণা বিদেশফেরত অভিবাসীদের টেকসই পুনঃএকত্রীকরণে প্রমাণ-ভিত্তিক কৌশল তৈরিতে সরকারি প্রচেষ্টাকে সাহায্য করবে। </body></HTML> 2020-08-12 17:25:41 1970-01-01 00:00:00 সিনহা হত্যা: চার পুলিশসহ সাত আসামি রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=96805 http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231482_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/08/11/1597231482_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় পুলিশের তিন সাক্ষী ও চার পুলিশ সদস্যের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ এ আদেশ দেন। যাদের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) লিটন, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়ার নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দীন ও মোহাম্মদ আইয়াস। এর আগে চার পুলিশ সদস্যকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। সেই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ দ্বিতীয় দফায় তাদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে র‌্যাব। আদালত এই চার পুলিশ সদস্যকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।<br><br>দুই বছর আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়া সিনহা রাশেদ ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণ বিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর জন্য গত প্রায় এক মাস ধরে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকায় ছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের দুই শিক্ষার্থী শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা দেবনাথ। গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ। ওই সময় তার গাড়িতে সিফাত ছিলেন।<br><br>সিনহা নিহতের ঘটনায় এবং গাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের অভিযোগে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ, যাতে সিনহা এবং তার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আসামি করা হয়। আর তারা যেখানে থেকে কাজ করছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে গ্রেপ্তার করার সময় মাদক পাওয়ার অভিযোগ করে তার বিরুদ্ধে রামু থানায় আরেকটি মামলা করা হয়।<br><br>পুলিশের করা এই তিন মামলার পর গত ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা করেন। মামলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকতসহ ৯ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় আত্মসমর্পণ করে এখন কারাগারে আছেন ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য। এদিকে আদালতের নির্দেশে চারটি মামলায়ই এখন তদন্ত করছে র‌্যাব। এরই মধ্যে পুলিশের তিন মামলায় গ্রেপ্তার সিফাত ও শিপ্রাকে জামিন দিয়েছে আদালত।<br><br>সিনহা হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে গত সোমবার রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া থেকে তিন বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব, যাদের এই ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় সাক্ষী করা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিকালে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে হাজির করে তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে র‌্যাব। আদালত র‌্যাবের আবেদন আমলে নিয়ে তিনজনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদেশে রিমান্ডের আবেদন শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। বুধবার তাদের সাত দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। </body></HTML> 2020-08-12 17:23:56 1970-01-01 00:00:00