http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - এবার হাজি সেলিম পরিবারের অবৈধ সম্পদের খোঁজে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99872 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896554_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896554_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেপ্তারের পর এবার প্রভাবশালী এই পরিবারের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>বুধবার দুদক প্রধান কার্যালয়ে কমিশনার (অনুসন্ধান) মো. মোজাম্মেল হক খান সাংবাদিকদের বলেন, সংসদ সদস্য হাজি সেলিম ও তার ছেলে ইরফান সেলিমের অবৈধ সম্পদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এসব দুদক আইনে তফসিলভুক্ত হলে সংস্থাটি তা অনুসন্ধান করবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।<br>এই অনুসন্ধান কীভাবে করা হবে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘অবৈধ সম্পদের বিষয়গুলো যদি দুদকের শিডিউলের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় এবং শিডিউলভুক্ত অপরাধের শামিল হয় তাহলে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। পরবর্তী সময়ে দুদক আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ গত রবিবার রাতে হাজি সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এই ঘটনা ঘটে।<br>ওই ঘটনায় রবিবার রাতে জিডি হলেও সোমবার ভোরে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।<br>এই মামলায় সোমবার দুপুরে ইরফানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এছাড়া পুরান ঢাকায় তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস সেট, অস্ত্রসহ একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ড্রোন এবং সাত বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।<br>বাসায় বিদেশি মদ ও অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি রাখায় কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদকে এক বছর করে জেল দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাতেই তাদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।<br>নৌবাহিনীর কর্মকর্তার দায়ের করা মামলায় বুধবার ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।<br>ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। মঙ্গলবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 সাবেক ও বর্তমান ২১ এমপি’র অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99871 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896523_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896523_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২১ জন সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার ও সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এদের কারো কারো নাম ক্যাসিনোকাণ্ডেও আলোচিত। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর দুর্নীতি দমন কমিশন প্রায় দুই শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা করে অবৈধ সম্পদের খোঁজে নামে। এই তালিকায় ছিল বর্তমান সংসদের ৫জন সদস্যের নাম। যাদের কারও কারও বিরুদ্ধে ক্যাসিনোকাণ্ডে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দেশত্যাগেও কয়েকজনকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।<br>এছাড়া বর্তমান জাতীয় সংসদের আরও ৬ জন সদস্যের অবৈধ সম্পদের খোঁজ করছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে- সরকারি সম্পদ লোপাট, খাস পুকুর ইজারায় দুর্নীতি, সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্কুল কলেজে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, ঘুষ নিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।<br>প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। এসব যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংকেসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।<br>দুদকের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছে টিআইবি। তবে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পদক্ষেপ নিতে দুদকের আন্তরিকতার ঘাটতি দেখছে দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক এই সংস্থা। <br>আওয়ামী লীগ- ও বিএনপি দলীয় ১০ জন সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খাতিয়ে দেখছে দুদক। সূত্র বৈশাখী টিভি<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 ফুডপান্ডার সাড়ে ৩ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99870 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896489_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896489_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>অনলাইন খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের (মূল্য সংযোজন কর) মহাপরিচালক ড. মইনুল খান বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন।<br>তিনি জানান, ভ্যাট গোয়েন্দা ফুডপান্ডার গুলশান-২ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ভ্যাট ফাঁকির এ তথ্য পেয়েছে। আজ ফুডপান্ডার বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকির মামলা করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা। মইনুল খান বলেন, ভ্যাট ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিতে ভ্যাট গোয়েন্দার একটি দল গত ১৫ অক্টোবর আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনা করে। এতে তারা ব্যাপক ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পায়।<br>ফুডপান্ডার বিআইএন ০০২১৫৬০৬৬-০১০১। এটি প্রায় ৫ হাজার ফুডস্টোর থেকে খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করে ভোক্তার কাছে বাইকারদের মাধ্যমে সরবরাহ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে ফুডপান্ডার চুক্তি রয়েছে, যার আওতায় ফুডপান্ডা কমিশন পায়।<br>ভ্যাট গোয়েন্দার উপপরিচালক নাজমুন্নাহার কায়সার ও সহকারী পরিচালক মো. মহিউদ্দীন অভিযান পরিচালনা করেন। ভ্যাট গোয়েন্দার পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট সংক্রান্ত নথিপত্র দেখাতে অনুরোধ করা হলে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা ভ্যাট সংক্রান্ত নথিপত্র প্রদর্শন করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত কম্পিউটার তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ল্যাপটপে মাসিক বিক্রয়ের কিছু গোপন তথ্য পাওয়া যায়। গোয়েন্দারা ওই তথ্যসহ আরও কিছু বাণিজ্যিক দলিলাদি জব্দ করে।<br>প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাট সংক্রান্ত দলিলাদি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তারা তথ্যপ্রযুক্তি সেবা অর্থাৎ সেবার কোড এস-০৯৯.১০ এর আওতায় নিবন্ধন নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে। এই কোডে নিবন্ধন গ্রহণ করে বাড়ি ভাড়ার ওপর প্রযোজ্য মূসক পরিহার করে আসছে। এই কোডটি কোনোভাবেই তাদের ব্যবসার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও, বাড়ি ভাড়ার ওপর অবৈধভাবে শূন্যহারে ভ্যাট সুবিধা নেয়ার উদ্দেশ্যে তা ব্যবহার করে আসছে।<br>ফুডপান্ডা মূলত ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক (অনলাইন প্ল্যাটফর্ম) ব্যবহার করে পণ্য বিক্রয় করে, যার প্রকৃত সেবার কোড এস-০৯৯.৬০। এই কোডের আওতায় ভ্যাট ৫ শতাংশ এবং বাড়ি ভাড়ার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য।<br>প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার থেকে জব্দ করা তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২৭ কোটি ৫৮ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৭ টাকার বিক্রয় তথ্য পাওয়া যায়। এ একই সময়ে প্রতিষ্ঠান স্থানীয় গুলশান ভ্যাট সার্কেলে দাখিলপত্রে ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ৯৭২ টাকা বিক্রয়মূল্য প্রদর্শন করেছে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি গত আট মাসে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫৪৫ টাকা বিক্রয় তথ্য গোপন করেছে, যার ওপর পরিহার করা মূসক ৫৩ লাখ ১০ হাজার ৭৪ টাকা। এই ভ্যাট যথাসময়ে পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৬২০ টাকা প্রযোজ্য।<br>প্রতিষ্ঠানটি সেবার কোড এস-০৯৯.১০ এর আওতায় অসঙ্গতিপূর্ণ নিবন্ধন নেয়ায় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা এ পর্যন্ত বাড়ি ভাড়ার ওপর কোনো ভ্যাট পরিশোধ করেনি। প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা সিএ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সময়ে বাড়ি ভাড়া বাবদ ২ কোটি ৫০ লাখ ৩৫ হাজার ৪৯৯ টাকা প্রদর্শন করা হয়েছে, যার ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট ২৯ লাখ ৬ হাজার ২৬ টাকা।<br>এছাড়া ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত জব্দ করা ভাড়ার চুক্তি মোতাবেক বাড়ি ভাড়া বাবদ ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা প্রদর্শন করা হয়েছে, যার ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। অর্থাৎ বাড়ি ভাড়া বাবদ মোট ৫৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৬ টাকা ভ্যাট পরিহার করা হয়েছে। এই বাড়ি ভাড়ার ভ্যাট যথাসময়ে পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ ২৩ লাখ ৬১ হাজার ৯২০ টাকা প্রযোজ্য।<br>এছাড়া দাখিলপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি লিমিটেড কোম্পানি হওয়া সত্ত্বেও পণ্য ক্রয়ের ওপর কোনো উৎসে মূসক পরিশোধ করেনি। জব্দ করা সিএ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত উৎসে মূসক বাবদ ১ কোটি ২৪ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৩ টাকা পরিহার করেছে। এই উৎসে ভ্যাট যথাসময়ে পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ ৭২ লাখ ১২ হাজার ৭১৯ টাকা প্রযোজ্য।<br>ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেড পণ্য বিক্রয় বাবদ ৫৩ লাখ ১০ হাজার ৭৪ টাকা, বাড়ি ভাড়া বাবদ ৫৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৬ এবং উৎসে কর্তন বাবদ ১ কোটি ২৪ লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৩ টাকাসহ মোট ২ কোটি ৩৪ লাখ ১১ হাজার ৬৫৩ টাকা ভ্যাট পরিহার করেছে এবং এই পরিহার করা ভ্যাটের ওপর সুদ বাবদ ১ কোটি ৫ লাখ ৪০ হাজার ২৬০ টাকা প্রযোজ্য হবে। প্রতিষ্ঠানটি মোট ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির সাথে জড়িত।<br>ভুল সেবা কোড ব্যবহার, প্রকৃত বিক্রয় তথ্য গোপন এবং উৎসে ভ্যাট না দেয়ায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আজ ভ্যাট গোয়েন্দা মামলা করে। মামলা নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা উত্তর ভ্যাট কমিশনারেটে প্রেরণ করা হবে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99869 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896445_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896445_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকা-৫ সংদীয় আসনের কাজী মনিরুল ইসলাম ও নওগাঁ-৬ আসনের মো. আনোয়ার হোসেন (হেলাল) শপথ নিয়েছেন।<br>বুধবার (২৮ অক্টোবর) সংসদ ভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।<br>এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন।<br>শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য (এমপি) সংসদের শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।<br>উল্লেখ্য, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা ও নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে ওই আসন দুটি শূন্য হয়। গত ১৭ অক্টোবর আসন দু’টিতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 ৭০ সদস্যের শক্তিশালী অস্ত্রধারী গ্যাং আছে ইরফানের! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99868 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896421_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896421_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নৌবাহিনী কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার এমপি হাজী সেলিমের ছেলে কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের ৭০ জনের বেশি সদস্যের এক শক্তিশালী গ্যাং আছে। ওয়াকিটকি মাধ্যমে তাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান যোগাযোগ রক্ষা করতেন ইরফান। নিজের চলাফেরার জন্য সব সময় পাশে রাখতেন ১২ জন দেহরক্ষী। র‌্যাব বলছে, অধিকাংশ দেহরক্ষীরই অবৈধ অস্ত্র আছে। ব্যবহারের চেয়ে ভয়ভীতি দেখানোর কাজে ব্যবহার করা হত এসব অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলো অবৈধ পথে বিদেশ থেকে নিয়ে আসা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তার দেহরক্ষী জাহিদুলের কাছ থেকে এমনই একটি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব।<br><br>র‌্যাব সূত্র বলছে, দেহরক্ষীদের সঙ্গে নিয়মিত মদ পান করেন ইরফান। ঘটনার দিন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহম্মেদ খানকে যখন মারধর করা হয় তখনো তিনি মাদক সেবন করেছিলেন। মদ খেয়ে মাতাল অবস্থাতেই মারধর করেন তিনি। ঘটনার পর বাসায় ফিরে নিজের ভুল বুঝতে পারেন ইরফান। <br>এই মারধরের পরিণাম ভাল হবে না ভেবে আবার দাদা বাড়ির চারতালায় নিজের বারে ঢুকে সারারাত মদ পান করেন। অভিযান শুরু হলে র‌্যাবকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। নিজের মদ পানের কথাও স্বীকার করেন। অভিযান চলাকালীন সময়েই তার ডোপ টেস্ট করে র‌্যাব। সেটার রেজাল্টও পজিটিভ আসে।</body></HTML> 2020-10-28 20:45:43 1970-01-01 00:00:00 পৌনে ৪ কোটি টাকা আত্মসাত চারজনের কারাদন্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99867 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896399_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896399_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>পৌনে চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এবি ব্যাংক লি. এর তিন কর্মকর্তাসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।<br>বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।<br>দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মেসার্স ওয়ান থ্রেড অ্যান্ড একসেসরিজ ও বুশরা এসোসিয়েটস’র মালিক খন্দকার মেহমুদ আলম (নাদিম), মতিঝিল এবি ব্যাংক লি. কর্পোরেট শাখার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও শাখা ব্যবস্থাপক আবু সালেহ মো. আব্দুল মাজেদ, মহাখালী এবি ব্যাংক লি. কর্পোরেট শাখার সিনিয়র সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপক এএলএম বদিউজ্জামান এবং একই শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ফারুক আহাম্মেদ ভূঁইয়া।<br>খন্দকার মেহমুদ আলমকে দুদক আইনের ৪০৯ ধারায় ৮ বছরের কারাদন্ড, দুই কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। ৪৬৮ ধারায় চার বছরের কারাদন্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। ৪৭১ ধারায় এক বছরের কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন ধারার সাজা একসাথে চলবে বলে জানিয়েছেন আদালত।<br>আবু সালেহ মো. আব্দুল মাজেদকে ৫ (২) ধারায় সাত বছরের কারাদন্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।<br>এ এল এম বদিউজ্জামান এবং ফারুক আহাম্মেদ ভূঁইয়াকে ৫ (২) ধারায় পাঁচ বছরের কারাদন্ড, ৪০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।<br>আসামিরা পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাসহ সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন।<br>৩ কোটি ৭৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী। একই ব্যক্তি মামলাটি তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলাটির চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ জনের প্রাণহানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99866 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896363_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896363_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২৩ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১৯ জন ও নারী চারজন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৮৬১ জনে।<br>বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।<br>এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১১টি পরীক্ষাগারে ১২ হাজার ৫০৬টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৩ হাজার ৩৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও এক হাজার ৪৯৩ জন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল চার লাখ তিন হাজার ৭৯ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৩২১টি।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬১০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ১৯ হাজার ৭৩৩ জনে।<br>২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১২দশমিক ৮ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৯ দশমিক ৩২ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৫ শতাংশ।<br>এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৫১৩ জন (৭৭ দশমিক শূন্য এক শতাংশ) এবং নারী এক হাজার ৩৪৮ জন (২২ দশমিক ৯৯ শতাংশ)।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২৩ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুজন এবং ষাটোর্ধ্ব ১৬ জন।<br>বিভাগ অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে মৃত ২৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৬ জন, চট্টগ্রামে পাঁচজন, খুলনা একজন এবং রংপুর বিভাগের একজন রয়েছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে উপাচার্যরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99865 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896317_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896317_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>গুচ্ছ পদ্ধতিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ঘোষণা দেয়ায় পর এ পদ্ধতি নিয়ে ফের দোলাচলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়। গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিলেও ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে অনলাইন মাধ্যমে পরীক্ষা নিতে চান উপাচার্যরা। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামী সপ্তাহে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।<br>বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানান, অন্যরা নিজেদের মতো করে ভর্তি পরীক্ষা নিলে আমাদেরও বাধা নেই। আমরা সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় যুক্ত হতে সম্মতি দিয়েছি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ইতোমধ্যে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে বৈঠকের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। সেটি ইউজিসি সমন্বয় করে সময় নির্ধারণ করবে। তবে সরাসরি না অনলাইন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া যায়নি।<br>তিনি বলেন, গুচ্ছ পরীক্ষা নেয়ার জন্য যারা একমত হয়েছিলেন তারা বলছেন, ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় যদি সরাসরি ও এককভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিতে পারে তাহলে আমরাও নেব। একইসঙ্গে গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিলে অনেক শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটবে, যে কারণে সশরীরে পরীক্ষা নেয়া অনেকটাই অনিশ্চিত। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রত্যেকটি কোন পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে, সে বিষয়ে ত্রিপাক্ষিক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।<br>রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো যদি স্বাস্থ্যবিধির নিশ্চয়তা দিয়ে সশরীরে পরীক্ষা নিতে পারে, তাহলে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এককভাবে সেটার চেষ্টা করবে। তবে এর জন্য অবশ্যই একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত জরুরি। এক্ষেত্রে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সামনে এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু তারা সেটি করছে না।<br>এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান জানান, বিভাগীয় পর্যায়ে ইউনিট ভাগ করে পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এক্ষেত্রে রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও যদি এভাবে পরীক্ষা নেয় তাহলে অনেক সময় লেগে যাবে। সবাই যদি গুচ্ছ পদ্ধতিতে আসে তাহলে সাধারণ, ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি, আলাদা করে তিনটি গুচ্ছ পরীক্ষা নিলেই সমাধান হয়ে যায়।<br>তিনি বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতিতে সশরীরে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয়। কারণ এতে কমপক্ষে ২০ লাখ শিক্ষার্থীর সমাগম ঘটবে। আর হবে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এক্ষেত্রে অনলাইন ছাড়া বিকল্প নেই। তবে বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো না আসায় এখনো গুচ্ছ পদ্ধতির নিশ্চয়তা দেয়া যাচ্ছে না। আগামী সপ্তাহে বৈঠক হতে পারে। বৈঠকে একটা সিদ্ধান্ত আসবে।<br>দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এবার ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে নেয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ইউজিসির সদস্যরা সভা করে গুচ্ছ পদ্ধিতিতে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজনের পূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করবেন। সেটি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পরিষদের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে।<br>এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনলাইনে হবে নাকি সরাসরি হবে, তা নিয়ে উপাচার্যরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সব সদস্য বৈঠকে বসবেন। সেখানে এ বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা হবে।<br>অনলাইনে পরীক্ষা নেয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক আলমগীর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আলোচনার জন্য একটি চিঠি দিয়েছে। যাতে এ ব্যাপারে ইউজিসি উদ্যোগে নেয়। তবে সেই সভার দিন এখনও ঠিক হয়নি। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে।<br>কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ওই বৈঠকে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহসহ কমিশনের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।<br>অধ্যাপক আলমগীর বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলেও কোন পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। সভা আয়োজনে গত ২৫ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সে প্রস্তাবের ভিত্তিতে সভার আয়োজন করা হবে।<br>তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে পরীক্ষার বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য পরিষদ সিদ্ধান্ত নিলেও সেটি সশরীরে নাকি অনলাইনে নেয়া হবে সে বিষয়ে উপাচার্যরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তবে সে বিষয়ে তারা কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে এ সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশ-ভারত বাবল ফ্লাইট শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99864 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896269_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896269_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনা মহামারীর কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল শুরু হয়েছে। and nbsp; বুধবার দুই দেশের মধ্যে ‘এয়ার বাবল ফ্লাইট’ উদ্বোধন হয়। and nbsp; এদিন সকাল সাড়ে ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। <br>হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশে একটি ফ্লাইট ঢাকা ত্যাগ করে। and nbsp; ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। and nbsp; এখন থেকে সপ্তাহে ৫৬টি বাবল ফ্লাইট চলাচল করবে।<br>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস এম মার্শাল মফিদুর রহমান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল আহসান ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। মফিদুর রহমান বলেন, বিশেষ ব্যবস্থায় আপাতত তিন মাসের জন্য ‘এয়ার বাবল’ ব্যবস্থায় দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল করবে। and nbsp; বাংলাদেশ থেকে ভারতের কলকাতা, দিল্লি ও চেন্নাইয়ে ফ্লাইট চলাচল করবে। and nbsp; প্রতি সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে যাবে। and nbsp; কলকাতা ও দিল্লি­তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, চেন্নাই ও কলকাতায় ইউএস-বাংলা এবং নভোএয়ার শুধু কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে।<br>অন্যদিকে ভারত থেকেও ২৮টি ফ্লাইট ঢাকায় আসবে। and nbsp; ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া, ইনডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার- এই পাঁচটি বিমান সংস্থার ফ্লাইট চলাচল করবে।<br>বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ভারতের সঙ্গে ফ্লাইট চালু হলে যাত্রীসংখ্যা অনেক বাড়বে। and nbsp; তবে ভারতে করোনা পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি না হওয়ায় সেখান থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে ভালোভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরকে জানানো হয়েছে। and nbsp; বাংলাদেশ থেকেও যারা ভারতে যাবেন, তাদের মধ্যে করোনার উপসর্গ থাকলে ফ্লাইটে না নেয়ার কথা জানানো হয়েছে।<br>এদিকে খুব শিগগিরই ভারত টুরিস্ট ভিসা চালু করবে বলে জানান ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। করোনার কারণে টুরিস্টসহ সব ক্যাটাগরির ভিসা বন্ধ করে দিয়েছিল ভারত। and nbsp; তবে সম্প্রতি টুরিস্ট ছাড়া বাকি সব ক্যাটাগরির ভিসা চালু করে দেশটি।<br>এ প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, প্রতিদিন হাজার খানেক ভিসার আবেদন পড়ছে। and nbsp; প্রতিদিন এর সংখ্যা বাড়ছে। and nbsp; এরই মধ্যে ভারত থেকে সব স্টাফদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। and nbsp; এয়ার বাবল ফ্লাইটের মাধ্যমে পাঁচ থেকে সাত হাজার মানুষ প্রতিদিন ভারতে যাতায়াত করতে পারেন। and nbsp; পর্যটক ছাড়া সব ভিসা খোলা রয়েছে। বাবল ফ্লাইটের কঠোর স্বাস্থ্য বিধিসহ বেশ কিছু নিয়মকানুন ও বিধিনিষেধ অনুসরণ করা হবে। and nbsp; এসব বিধি-বিধান মেনেই যাত্রীদের উঠতে হবে। এর মধ্যে প্রথমেই যাত্রীদের করোনা বা কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। কোভিড নেগেটিভ সনদ ছাড়া কোনো যাত্রী দুই দেশে আসা-যাওয়া করতে পারবেন না। and nbsp; বাংলাদেশি যাত্রীদের সরকার-নির্ধারিত করোনা শনাক্ত কেন্দ্র থেকে এই পরীক্ষা করাতে হবে। and nbsp; ভারত থেকে আসা যাত্রীদের ঢাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে। and nbsp; ফ্লাইট ছাড়ার আগে প্রতিটি উড়োজাহাজ জীবাণুমুক্ত করাতে হবে।<br>করোনা মহামারী ঠেকাতে গত ১২ মার্চ থেকে বিদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। and nbsp; তবে সম্প্রতি পর্যটন ভিসা ছাড়া ৯টি ক্যাটাগরিতে ভিসা ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটি।<br>এদিকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংস্থাটি বুধবার থেকেই ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা, চট্টগ্রাম-চেন্নাই-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 বিষাক্ত স্পিরিট পানে ৩ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99863 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896241_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896241_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: কুষ্টিয়ায় স্পিরিট পান করে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত স্পিরিট পানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে হাসপাতালে নেয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার বড়আইলচারা গ্রামের অনিক বিশ্বাস (২১), খোকসা উপজেলার কালিবাড়ি বাজারের রিপন কুমার ঘোষ (৩২) ও মিরপুর উপজেলার কান্তদাহ গ্রামের নিতাই বিশ্বাস (৩৫)।<br>স্থানীয়রা বলছেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় নিতাই বিশ্বাসকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বুধবার ভোর ৪টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় অনিক বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভোর পৌনে ৫টার দিকে খোকসা উপজেলা থেকে রিপন কুমার ঘোষকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনই সকাল ৬টার মধ্যে মারা যান।<br>হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত স্পিরিট পানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে তাদের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, তিন উপজেলার ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 দিপঙ্কর সাহা হত্যা মামলায় ১৩ আসামির সবাই খালাস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99862 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896203_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896203_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজশাহী বাগমারা উপজেলার দিপঙ্কর সাহা হত্যা মামলার রায় ১৬ বছর পর ঘোষণা করা হয়েছে। এ মামলায় ১৩ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। মামলায় মোট ১৮ জন আসামি ছিলেন। অন্য পাঁচজন আসামি আগেই মারা গেছেন। এদের মধ্যে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাইয়ের ফাঁসি কার্যকর হয়েছিল অন্য মামলায়।<br>বুধবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত-১ এর বিচারক মোসা. ইসমত আরা এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি জানান, মোট ১৮ আসামির মধ্যে একজনের ফাঁসি হয়েছিল। আর চারজনের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। মৃত এই পাঁচজন এমনিতেই অব্যাহতি পেয়েছেন। আর জীবিত ১৩ জনকে আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এই ১৩ জনের মধ্যে ১২ জন আদালতে হাজির ছিলেন। তারা মামলাটিতে জামিনেই ছিলেন। আর একজন দীর্ঘদিন ধরেই পলাতক ছিলেন। তিনিও খালাস পেয়েছেন।<br>মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে ২৯ এপ্রিল তৎকালীন জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে তাদের হামিরকুৎসা ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গিয়ে দিপঙ্কর সাহাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দিপঙ্করের বাবা দিজেন্দ্রনাথ সাহা বাদী হয়ে বাগমারা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।<br>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, দীর্ঘদিন পরিচালিত এ মামলার সাক্ষীরা আসামি শনাক্ত করতে না পারার কারণে তাদের খালাস দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় ৩৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 গৃহকর্মী হিসেবে নেয়ার ২ মাস পর লাশ দিয়ে গেল দম্পতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99861 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896160_th.JPG <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896160_th.JPG" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>অভাবের তাড়নায় মাত্র দুই মাস আগে সুস্থ-সবল ৭ বছর বয়সী শিশুকন্যা মরিয়মকে গৃহকর্মীর কাজের জন্য তুলে দেয়া হয় এক দম্পতির হাতে।<br>এর দুই মাস পর মঙ্গলবার গভীর রাতে শিশুটির লাশ ফেরত দিতে আসে তারা। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাদের আটক করে থানায় নেয়া হয়। জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বীর পাইকশা গ্রামের ভ্যানগাড়িচালক নূর ইসলাম তার মেয়েকে তুলে দিয়েছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের ভাদুগড় এলাকার এনাম এলাহী শুভ-নাদরাতুল নাঈমা দম্পতির হাতে। শুভ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুবাদে পরিবার নিয়ে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার কুল্লিরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।<br>মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রাইভেটযোগে ওই দম্পতি মরিয়মের প্রাণহীন দেহ নিয়ে হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের বীর পাইকশা গ্রামে মরিয়মদের বাড়িতে হাজির হন।<br>তাদের ভাষ্য, বাথরুম থেকে পড়ে গিয়ে মরিয়ম মারা গেছে। তবে আবৃত কাপড় সরিয়ে মরিয়মের মা-বাবা ও স্বজনরা তার শরীরের স্থানে স্থানে অসংখ্য নিষ্ঠুর নির্যাতনের ক্ষত দেখে এলাকাবাসী ও পুলিশে খবর দেন।<br>পুলিশ এসে ওই দম্পতিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এছাড়া ময়নাতদন্তের জন্য মরিয়মের মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।<br>হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোনাহর আলী জানান, ঘটনাস্থল কুমিল্লার দাউদকান্দি থানায় হওয়ায় সেখানে এ ঘটনায় মামলা হবে। দাউদকান্দি পুলিশকে খবর দেয়া হয়েছে, তারা আসছে। আটক দম্পতিকে তাদের হাতে তুলে দেয়া হবে।<br>হোসেনপুর থানা পুলিশ শুধু ময়নাতদন্তের কাজটি করে দিচ্ছে। সুরতহাল রিপোর্ট অনুযায়ী মনে হচ্ছে, শিশুটি নির্যাতনের শিকার হয়ে মারা গেছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 রায়হান হত্যা: রিমান্ড শেষে কারাগারে কনস্টেবল টিটু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99860 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896131_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896131_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাসকে রিমান্ড শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।<br>বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর দেড়টায় তাকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এরপর সিলেট অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (ভারপ্রাপ্ত) বিচারক জিয়াদুর রহমানের তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে পিবিআই দু’দফায় ৩ দিন ও ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল কনস্টেবল টিটুকে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পরিদর্শক মহিদুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এই মামলায় রিমান্ডে থাকা আরেক আসামি বরখাস্তকৃত কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হবে।<br>তদন্ত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টিটুর ৩ দিনের রিমান্ড শেষ হয়। এর আগে গত ২০ অক্টোবর পুলিশ কনস্টেবল টিটুকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এই মামলায় আরেক কনস্টেবল হারুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এদিকে নিহত রায়হানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগকারী শেখ সাইদুর রহমানকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পিবিআই। রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে শেখ সাইদুর রহমান পিবিআই অফিসে গেলে এদিন বিকেলে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।<br>গত ১১ অক্টোবর সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে গুরুতর আহত হন রায়হান। তাকে ওইদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আশেকে এলাহীসহ পুলিশ সদস্যরা। সকাল ৭টা ৫০মিনিটে হাসপাতালে মৃত্যু হয় রায়হানের।<br>পুলিশ পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, নগরের কাস্টঘরে গণপিটুনিতে মারা গেছেন রায়হান। তবে পরিবার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সিলেট কোতোয়ালি থানাধীন বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে প্রাণ হারান রায়হান।<br>নিহত রায়হান নগরের আখালিয়া নেহারিপাড়ান মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকায় এক চিকিৎসকের চেম্বারে সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।<br>এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ এনে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিতে থাকে। মহানগর পুলিশের তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়ে বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করেন।<br>মামলাটি পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে পিবিআই তদন্ত কার্যক্রম চালায়। নিহতের মরদেহ কবর থেকে তুলে পুনঃময়না তদন্ত করা হয়। তাতে রায়হানের দেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন মিলে ফরেনসিক রিপোর্টে। এরইমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবর পলাতক থাকলেও পুলিশ হেফাজতে থাকা কনস্টেবল টিটুকে ২০ অক্টোবর ও হারুনুর রশিদকে ২৪ অক্টোবর গ্রেফতার দেখিয়ে ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।<br>২২ অক্টোবর এসএমপি কমিশনার গোলাম কিবরিয়াকে বদলি করা। এছাড়া রোববার নিহত রায়হানকে ছিনতাইকারী হিসেবে অভিযোগকারী শেখ সাইদুর রহমানকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ইডিএফ থেকে ১.৭৫% সুদে ঋণ পাবেন রফতানিকারকরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99859 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896087_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896087_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সপোর্ট ডেভলপমেন্ট ফান্ডের (রফতানি উন্নয়ন তহবিল বা ইডিএফ) সুদহার দশমিক ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। ফলে এখন থেকে এ তহবিল থেকে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে ঋণ পাবেন রফতানিকারকরা। বুধবার (২৮ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিকারকদের বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বাড়াতে এ সুবিধা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।<br>নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে রফতানি উন্নয়ন তহবিল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে মাত্র ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন রফতানিকারকরা। ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ সুবিধা দেয়া হবে।<br>রফতানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে বৈদেশিক মুদ্রায় স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ১৯৮৯ সালে রফতানি উন্নয়ন তহবিল গঠিত হয়। মাত্র ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ডলার নিয়ে এ তহবিলের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৫ সালে এটি ১০ কোটিতে উন্নীত করা হয়। এরপর ধাপে-ধাপে আকার বাড়িয়ে সবশেষ চলতি বছরের এপ্রিলে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।<br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 বগুড়ায় ‘এক ঘণ্টার ডিসি’ হলেন পুষ্পা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99858 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896055_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603896055_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বগুড়ায় এক ঘণ্টার জন্য জেলা প্রশাসকের (ডিসি) দায়িত্ব পেলেন ন্যাশনাল চিলড্রেনস্ টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) বগুড়ার সভাপতি কলেজছাত্রী পুষ্পা খাতুন।<br>বুধবার জেলা প্রশাসকের অফিস কক্ষে উন্নয়ন সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় ‘গার্লস টেকওভার’ কর্মসূচির আওতায় ন্যাশনাল চিলড্রেন টাস্কফোর্সের (এনসিটিএফ) এর আয়োজনে তাকে জেলা প্রশাসকের এ দায়িত্ব দেয়া হয়। বগুড়া সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের চতুর্থ বর্ষে ছাত্রী ও এনসিটিএফের জেলা সভাপতি পুষ্পা খাতুন এক ঘণ্টার জন্য বগুড়া জেলার জেলা প্রশাসকের ‘প্রতীকী দায়িত্ব’ পালন করেন। জেলা প্রশাসক জিয়াউল হকের কাছ থেকে এসময় প্রতীকীভাবে দায়িত্ব বুঝে নেন পুষ্পা খাতুন। এসময় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। প্রতীকি ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পুষ্পা খাতুন বগুড়াকে শিশুবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলা, বাল্যবিবাহের হার শূন্যের হার নামিয়ে আনা, শিশুর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করে তাদের নেতৃত্ব বিকাশে জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে সুপারিশমালা প্রদান করেন।<br>এ প্রসঙ্গে বগুড়ার জেলা প্রশাসক জিয়াউল হক সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তিনি শিশুদের প্রতিনিধি পুষ্পার মাধ্যমেই সকল শিশুকে মুক্তমনা হিসেবে বেড়ে উঠে দেশের সর্বোচ্চ পদগুলো অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়ার লক্ষে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান।<br>তিনি বলেন, গার্লস টেকওভার কর্মসূচির মাধ্যমে কন্যা শিশুরা উৎসাহিত হবে এবং নিজেদের স্বপ্নপূরণেও অঙ্গিকারবদ্ধ হবে। শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বগুড়াকে শিশুবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষেও তিনি সর্বদা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দেন। তবে করোনাকালীন মাস্কের যথাযথ ব্যবহারসহ সকলকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান ডিসি জিয়াউল হক।<br>এনসিটিএফ বগুড়ার জেলা ভলেন্টিয়ার গণমাধ্যমকর্মী সঞ্জু রায় এবং পারমিতা ভট্টাচার্য স্বর্ণার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গার্লস টেকওভার কার্যক্রমে এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মাসুম আলী বেগ, সহকারী কমিশনার (গোপনীয়) আশরাফুর রহমান এবং এনসিটিএফ বগুড়ার উপদেষ্টা দৈনিক করতোয়ার বার্তা সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য শংকরসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। </body></HTML> 2020-10-29 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 ২১ এমপি’র অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99857 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894607_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894607_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২১ জন সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচার ও সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এদের কারো কারো নাম ক্যাসিনোকাণ্ডেও আলোচিত। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর দুর্নীতি দমন কমিশন প্রায় দুই শতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা করে অবৈধ সম্পদের খোঁজে নামে। এই তালিকায় ছিল বর্তমান সংসদের ৫জন সদস্যের নাম। যাদের কারও কারও বিরুদ্ধে ক্যাসিনোকাণ্ডে পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। দেশত্যাগেও কয়েকজনকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।<br><br>এছাড়া বর্তমান জাতীয় সংসদের আরও ৬ জন সদস্যের অবৈধ সম্পদের খোঁজ করছে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে- সরকারি সম্পদ লোপাট, খাস পুকুর ইজারায় দুর্নীতি, সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্কুল কলেজে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, ঘুষ নিয়ে ঠিকাদার নিয়োগ, স্বজনপ্রীতিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক। এসব যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংকেসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।<br><br>দুদকের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলছে টিআইবি। তবে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পদক্ষেপ নিতে দুদকের আন্তরিকতার ঘাটতি দেখছে দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক এই সংস্থা। and nbsp; আওয়ামী লীগ- ও বিএনপি দলীয় ১০ জন সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খাতিয়ে দেখছে দুদক। </body></HTML> 2020-10-28 20:15:47 1970-01-01 00:00:00 মুসলিমদের ক্ষোভের মধ্যেও ফ্রান্সের পাশে ভারতীয়রা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99856 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894360_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894360_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>মহানবী (স)-কে অপমান এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁর কটূক্তির জেরে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে মুসলিম বিশ্বে। ফরাসি পণ্য বয়কটের দাবি উঠেছে তুরস্ক, বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ আরবের বেশিরভাগ দেশে। প্রায় প্রতিদিনই এ নিয়ে চলছে বিক্ষোভ-সমাবেশ। তবে এতকিছুর মধ্যেও ফ্রান্সের পাশে দাঁড়াচ্ছেন ভারতীয়রা। তাদের মতে, ঠিক কাজটাই করেছেন ম্যাক্রোঁ। অনেকের দৃষ্টিতেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট এখন ‘হিরো’।<br>মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, গত সোম ও মঙ্গলবার ভারতের টুইটারে শীর্ষ ট্রেন্ডিং হ্যাশট্যাগ ছিল ‘আই স্ট্যান্ড উইথ ফ্রান্স’ ও ‘উই স্ট্যান্ড উইথ ফ্রান্স’। এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে গত দু’দিনে হাজার হাজার ভারতীয় ফ্রান্সের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন।<br>চলতি মাসের শুরুর দিকে মুসলিমদের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ এবং ‘ইসলাম বিশ্বব্যাপী সংকটাপন্ন এক ধর্ম’ মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। এর কিছুদিন পর ক্লাসরুমে মহানবী (স)-এর বিতর্কিত ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের পর এক শিক্ষকের শিরশ্ছেদ করেন এক মুসলিম যুবক।<br>এ ঘটনার জেরে ম্যাক্রোঁ দৃঢ় ঘোষণা দেন, তার দেশ মহানবী (স)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন বন্ধ করবে না। পরে দেশটির দু’টি সরকারি ভবনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় করে সেই বিতর্কিত ছবি দেখানো হয়।<br>এরপরই ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা মুসলিম বিশ্বে। প্রিয়নবীকে অপমানের জবাবে শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ। দেশে দেশ ছড়িয়ে পড়ে ফ্রান্স বয়কটের ডাক। এমনকি, ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কারের দাবিও উঠেছে অনেক জায়গায়।<br>শুধু মুসলিম বিশ্বেই নয়, ধর্মীয় সহিংসতা উসকে দেয়ায় ম্যাক্রোঁর সমালোচনা করছেন অনেক পশ্চিমা দেশের মানুষেরাও।<br>তবে এসবের ভিড়ে ব্যতিক্রম এশিয়ার হিন্দুপ্রধান দেশ ভারত। তারা এখনও ফরাসি নেতাকেই সমর্থন করছে।<br>পরবেশ সাহিব সিং নামে বিজেপির এক সংসদ সদস্য টুইটারে বলেছেন, সহনশীলতাও ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া উচিত। আমি ফ্রান্সের পাশে রয়েছি। খুব ভালো করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।<br>এছাড়া ভারতীয় টুইটারে ট্রেন্ডিং হয়ে ওঠা বাকি হ্যাশট্যাগের মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলডান ম্যাক্রোঁ’ এবং ‘ম্যাক্রোঁ দ্যা হিরো’।<br>অবশ্য ভারতীয়দের সঙ্গে ফ্রান্সের সুসম্পর্ক নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালে সই হওয়া ৯৪০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিতর্কিত চুক্তির প্রথম ধাপে চলতি বছরের শুরুর দিকে ফ্রান্সের কাছ থেকে পাঁচটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান পেয়েছে ভারত।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:12:00 1970-01-01 00:00:00 মার্কিন নির্বাচন: ইলেকটোরাল আর জনপ্রিয় ভোটের পার্থক্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99855 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894333_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894333_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রার্থী সর্বাধিক ভোটারের ভোট পেয়েও প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না আবার কেউ ইলেকটোরাল ভোটে জয় পেয়ে হয়ে যান দেশটির প্রেসিডেন্ট। কারণ কি? প্রকৃতপক্ষে, এর সবচেয়ে সহজ উত্তর, দেশটির সংবিধান প্রণেতারা এমন পদ্ধতিতে রেখেই সংবিধান তৈরি করেছেন। এর সঙ্গে কোনো দেশের মিল নেই।<br>প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের স্বতন্ত্র এই পদ্ধতির কারণেই ২০১৬ সালের নির্বাচনে কম ভোট পেয়েও প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতির ফলে দেশটির ইতিহাসে এ পর্যন্ত চার জন প্রার্থী জনপ্রিয় ভোটে জয়ী হয়েও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। এর মধ্যে একজন ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটন।<br>১৭৮৭ সালের সংবিধান অনুযায়ী ইলেকটোরাল কলেজ প্রবর্তিত হয়। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পরিচয় তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি এবং রাজ্যগুলোর মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা ছিল। শঙ্কা ছিল যে, মানুষ তাদের আঞ্চলিক প্রতিনিধিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করবেন এবং ভোটে আধিপত্য থাকবে জনবহুল রাজ্যগুলোর।<br>গোটা যুক্তরাষ্ট্রে সব রাজ্য মিলে মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ রয়েছে। কোন রাজ্যে কত ইলেকটোরাল কলেজ; তা নির্ধারণ হয় প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য সংখ্যা এবং রাজ্যের দুজন সিনেটরের ওপর। আর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে অর্ধেকের চেয়ে একটি বেশি অর্থাৎ ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজে জয়ী হতে হয়।<br>এতে করে কোনো বড় রাজ্যের একটি ভোটের চেয়েও ছোট রাজ্যের একটি ভোট গুরত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এটা হয় ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতির কারণেই। উদাহরণস্বরূপ ক্যালিফোর্নিয়ায় রয়েছে সর্বোচ্চ ৫৫টি ইলেকটোরাল ভোট। আবার আলাস্কা, সাউথ ডাকোটা, ভারমন্টের প্রতিটিতে রয়েছে ৩টি করে ইলেকটোরাল ভোট।<br>মূলত একটি রাজ্যের প্রতিটি কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের জন্য একটি করে ভোট এবং দুজন সিনেটরের জন্য দুটি করে ভোট বরাদ্দ থাকে। ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫৩টি কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট রয়েছে। অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর মতোই সেখানে রয়েছে ২টি সিনেট আসন। ফলে অঙ্গরাজ্যটির মোট ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা ৫৫টি।<br>দুটি ছাড়া দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যের নিয়ম হলো— যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি পপুলার ভোট পাবেন, তিনি ওই রাজ্যের সবগুলো ইলেকটোরাল ভোট পেয়ে যাবেন। এভাবে সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ হয়ে যে প্রার্থী মোট ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট পাবেন— তিনিই নির্বাচিত হবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।<br>মার্কিন নির্বাচন পদ্ধতি তাই অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় স্বতন্ত্র এবং কিছুটা জটিল। কোনো একজন প্রার্থী নাগরিকদের সরাসরি ভোট পেলেই যে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন তা হয় না। বরং ইলেকটোরাল কলেজ নামে যুক্তরাষ্ট্রের যে বিশেষ নির্বাচনী ব্যবস্থা আছে— তার মাধ্যমেই ঠিক হয় কে হবেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট।<br>উদাহরণস্বরুপ, ২০১৬ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে প্রায় ২৯ লাখ ভোট বেশি পেয়েও এই ইলেকটোরাল পদ্ধতির কারণে প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে মাত্র ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে হেরেছিলেন বলেই হিলারির এই পরিণতি।<br>সবচেয়ে বেশি ইলেকটোরাল ভোট থাকা ছয়টি অঙ্গরাজ্য হলো ক্যালিফোর্নিয়া (৫৫), টেক্সাস (৩৮), নিউইয়র্ক (২৯), ফ্লোরিডা (২৯), ইলিনয় (২০) ও পেনসিলভেনিয়া (২০)। প্রতিটি নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজে ভোট বেশি থাকা রাজ্যগুলোতে প্রচারণাও চলে বেশি। কারণ এসব রাজ্যই হয়ে ওঠে জয়-পরাজয়ের বড় নিয়ামক।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:12:00 1970-01-01 00:00:00 ছন্দে ফিরতে সাকিবের সময় লাগবে না: রিয়াদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99854 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894308_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894308_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>সাকিব আল হাসানের এক বছরের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ (বুধবার)। বৃহস্পতিবার থেকে ক্রিকেট খেলতে তার আর কোনো বাধা নেই। সাকিব ফিরছেন, তাই খুশি সতীর্থ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি বলেছেন, ড্রেসিংরুমে সাকিবকে পেতে দলের সবাই অপেক্ষা করছে। সে চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়। তার ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না।<br>সংবাদমাধ্যমকে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, ‘আমাদের ছেলে ঘরে ফিরছে। আমার খুবই ভালো লাগছে। সাকিব বাংলাদেশ দলের সেরা খেলোয়াড়। আমরা সবাই তাকে ড্রেসিংরুমে ফিরে পেতে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। এটা ভেবে ভালো লাগছে যে, তার সাথে দেখা হবে, কথা হবে, সময় কাটাতে পারব।’ গত সেপ্টেম্বরে বিকেএসপিতে চার সপ্তাহের ট্রেনিং ক্যাম্প করেছেন সাকিব। মূলত শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে সাকিব এই অনুশীলন শুরু করেছিলেন। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সফর স্থগিত হওয়ায় সাকিব তার অনুশীলনও স্থগিত করেন। পাঁচটি দল নিয়ে নভেম্বরে বাংলাদেশে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ অনুষ্ঠিত হবে। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে সাকিব ক্রিকেটে ফিরবেন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মনে করছেন, সাকিবের ছন্দে ফিরতে সময় লাগবে না। রিয়াদ বলেছেন, ‘সাকিব একজন চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়। তার ছন্দে ফিরতে বেশি সময় লাগবে না। সে ক্রিকেট মাঠে ফেরার পর দ্রুতই ছন্দ ফিরে পাবে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, সাকিব না থাকায় আমাদের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল তা পূর্ণ হবে। ব্যাট ও বল হাতে সে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।’<br>জুয়াড়ির কাছ থেকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে তা ফিরিয়ে দিলেও সাকিবের অপরাধ ছিল যে, বিষয়টি তিনি আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগকে জানাননি। এই অপরাধে গত বছরের ২৯ অক্টোবর আইসিসি তাকে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকা- থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে। এর মধ্যে দ্বিতীয় বছরটি ছিল স্থগিত নিষেধাজ্ঞা।<br><br><br></body></HTML> 2020-10-28 20:11:33 1970-01-01 00:00:00 দ. আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট কোয়ারেন্টাইনে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99853 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894303_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894303_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>কিছুদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যুমুখ থেকে কোনওমতে ফিরে এসেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আক্রান্ত হয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারোসহ বিভিন্ন দেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা। সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় কোয়ারেন্টাইনে গিয়েছেন আরও অনেকে।<br>এবার এ তালিকায় যোগ হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সাইরিল রামাফোসা। শরীরে এখনও করোনা ধরা না পড়লেও ঝুঁকি বিবেচনায় সেলফ-কোয়ারেন্টাইনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।<br>এক বিবৃতিতে দক্ষিণ আফ্রিকান প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, রামাফোসার শরীরে কোনও উপসর্গ নেই। তিনি কোয়ারেন্টাইনে থেকেই প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে যাবেন।<br>জানা গেছে, গত শনিবার অ্যাডপ্ট-এ-স্কুল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে জোহানেসবার্গের একটি হোটেল তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান প্রেসিডেন্ট।<br>সেখানে রাতের খাবারের আয়োজনে অংশ নেন মোট ৩৫ জন অতিথি। এর মধ্যে একজন অনুষ্ঠানের পরেরদিনই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরে টেস্টে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন।<br>প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে স্ক্রিনিং, সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরার মতো করোনা সতর্কতাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিজেও শুধু খাদ্যগ্রহণ ও বক্তব্য দেয়ার সময় মাস্ক খুলেছিলেন।<br>বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শিগগিরই রামাফোসার শারীরিক নমুনা পরীক্ষা করা হবে। তিনি আপাতত কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।<br>আফ্রিকা মহাদেশে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটিতে এ পর্যন্ত সাত লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং ১৯ হাজারের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন।<br>করোনা নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বের অন্যতম কঠোর লকডাউন জারি করেছিলেন প্রেসিডেন্ট রামাফোসা। তবে কিছুদিন পরে সেগুলো তুলে নিয়েছেন তিনি।<br>সূত্র: বিবিসি, ওয়ার্ল্ডোমিটার<br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:11:00 1970-01-01 00:00:00 দোহায় ১০ ফ্লাইটের নারীদের নগ্ন করে তল্লাশি, ক্ষুব্ধ অস্ট্রেলিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99852 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894281_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894281_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>কাতারের রাজধানী দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০টি ফ্লাইটের নারী যাত্রীদের আক্রমণাত্মক শারীরিক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দেশটি।<br>বুধবার অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরাইজ পেইন সিনেটের এক শুনানিতে জানিয়েছেন, দোহা বিমানবন্দরে মোট ১০টি প্লেনের নারী যাত্রীরা তল্লাশির মুখে পড়েছেন। এ ঘটনাকে তিনি ‘জঘন্য বিরক্তিকর’ ও ‘আপত্তিজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন।<br>তিনি বলেছেন, আমরা গতকালই দোহায় এ ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরেছি।<br>মূলত, ২ অক্টোবর সিডনিগামী কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটের নারী যাত্রীদের সরিয়ে নেয়ার ঘটনা আলোচনায় আসে গত রোববার।<br>ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, তাদের প্লেন থেকে নাামিয়ে টারম্যাকে দাঁড় করানো একটি অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে নগ্ন করে দেহ তল্লাশি করা হয়।<br>অস্ট্রেলিয়ার বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, মোট ১৮ নারীকে এ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ জন অস্ট্রেলীয়, বাকি পাঁচজন অন্য দেশের নাগরিক।<br>এদিকে, কাতারের সরকারি সংযোগ কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার দিন বিমানবন্দরের টয়লেটে ময়লার ঝুঁড়িতে প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে একটি নবজাতক শিশুকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।<br>কাতার সরকারের দৃষ্টিতে এটি খুবই মর্মান্তিক ঘটনা ও প্রাণঘাতী আইনভঙ্গের মতো অপরাধ। এমন ঘৃণ্য অপরাধীকে দ্রুত খুঁজে বের করতেই তাৎক্ষণিক তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে কাতার বলেছে, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ওই তল্লাশির প্রধান লক্ষ্য ছিল, ঘৃণ্য অপরাধী যেন পালিয়ে যেতে না পারে। তবে এর জন্য কোনও ভ্রমণকারীর ব্যক্তিস্বাধীনতা লঙ্ঘন হলে তার জন্য কাতার আন্তরিকভাবে দুঃখিত। নিউ সাউথ ওয়েলসের ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন জানিয়েছে, তারা দোহা বিমানবন্দরের এ ঘটনাকে অস্ট্রেলীয় বিমানযাত্রীদের মানবাধিকারের ওপর নির্দয় আক্রমণ হিসেবে দেখছে। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়েছেন, তারা নারী যাত্রীদের সঙ্গে এমন আচরণে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এদিকে, দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ টয়লেটে পাওয়া শিশুটির বাবা-মাকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছে। তারা বলেছে, কন্যা শিশুটির পরিচয় এখনও অজ্ঞাত। তবে পেশাদার মেডিক্যাল ও সমাজকর্মীদের তত্ত্বাবধানে সে এখন নিরাপদেই রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা<br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:11:00 1970-01-01 00:00:00 ফিলিপাইনে মোরগের আঘাতে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99851 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894255_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894255_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ফিলিপাইনের নর্দার্ন সামার প্রদেশে অবৈধ মোরগ লড়াই বন্ধে অভিযান পরিচালনার সময় মোরগের পায়ে বাঁধা ধারাল অস্ত্রের আঘাতে পুলিশের এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।<br>এতে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ফিলিপাইনে ব্যাপক জনপ্রিয় মোরগ লড়াই বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় দেশটির সরকার। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নর্দার্ন সামারে মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন করা হলে পুলিশের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ক্রিস্টিন বোলোক সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন।<br>ফিলিপাইনে জনপ্রিয় এই লড়াইয়ে মোরগের পায়ে স্টিলের ধারাল এবং তীক্ষ্ণ ব্লেড বেঁধে দেয়া হয়। দুর্ঘটনাবশত লড়াইরত একটি মোরগ ক্রিস্টিনের বাম উরু ও ধমনীতে আঘাত করে। পরে সেখান থেকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।<br>দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা দ্য ফিলিপাইন নিউজ অ্যাজেন্সি (পিএনএ) বলছে, মহামারির আগে ফিলিপাইনে শুধুমাত্র প্রতি রোববার এবং সরকারি ছুটির দিনের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেগুলো তিনদিন ধরে চলে; সেখানে এই মোরগ লড়াইয়ের অনুমতি ছিল।<br>নর্দার্ন সামার প্রদেশের পুলিশের প্রধান কর্নেল আর্নেল অপুদ ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, দুর্ঘটনাটি দুর্ভাগ্যবশত ঘটেছে। এটি দুর্ভাগ্যজনক। আমি এর ব্যাখ্যা করতে পারি না।<br>তিনি বলেন, এটি প্রথমে যখন আমি জানতে পারি; তখন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। আমার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ২৫ বছরের চাকরিকালীন মোরগ লড়াইয়ের কারণে প্রথমবারের মতো একজনকে হারালাম।<br>পিএনএ বলছে, পুলিশের প্রাদেশিক এই প্রধান নিহত পুলিশ সদস্যের পরিবারের প্রতি ‘গভীর সহানুভূতি’ জানিয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দু’টি দলের অন্তত তিনজন সদস্য ও সাতটি মোরগ ও ৫৫০ ফিলিপিনো পেসো জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা। এছাড়া আরও তিনজনকে খুঁজছে পুলিশ।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:11:00 1970-01-01 00:00:00 শার্লি এবদোতে এরদোয়ানের কার্টুন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে তুরস্ক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99850 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894222_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894222_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ফ্রান্সের সাপ্তাহিক শার্লি এবদোতে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদেয়ানকে নিয়ে আপত্তিকর কার্টুন প্রকাশিত হওয়ার পর এর বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেয়ার স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। কার্টুনটিতে দেখা যাচ্ছে, বোরকা পরিহিত এক নারীর পোশাক তুলে তাকে উলঙ্গ করছেন তুর্কি নেতা ‘এরদোয়ান’।<br>বিবিসির বুধবারের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে যে, তুর্কি প্রসিকিউটররা ফ্রান্সের এই ব্যঙ্গাত্মক ম্যাগাজিনটিকে নিয়ে সরকারিভাবে তদন্ত শুরু করেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সাম্প্রতিক ইসলামবিরোধী কঠোর অবস্থানের পর থেকেই তুরস্ক ও ফ্রান্সের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।<br>বুধবার সাপ্তাহিক ম্যাগাজিনটির সবশেষ সংখ্যার প্রচ্ছদে এরদোয়ানের ওই কার্টুনটি ছাপা হয়। তুরস্কের কর্মকর্তারা এ ব্যাঙ্গচিত্রকে শার্লি এবদোর ‘সাংস্কৃতিক বর্ণবাদ ও বিদ্বেষ ছড়ানোর জঘন্য প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রকাশিত ব্যাঙ্গচিত্রে এরদোয়ানকে সাদা টি-শার্ট ও অন্তর্বাস পরে বসে থাকতে দেখা গেছে।<br>নবী মোহাম্মদ (সাঃ) ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করার পর থেকে এমানুয়েল ম্যক্রোঁর মুসলিমবিরোধী অবস্থান নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এরদোয়ানের এই ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করা হয়। বাক স্বাধীনতা নিয়ে শ্রেণিকক্ষে মোহাম্মদ (সাঃ) ব্যাঙ্গচিত্র দেখানোয় চলতি মাসেই ফ্রান্সে এক শিক্ষককে গলা কেটে হত্যার পর থেকে এই উত্তেজনা।<br>শিক্ষককে গলা কেটে হত্যার পর ধর্মনিরপেক্ষ ফ্রান্স গড়ার কথা জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মুসলিবিরোধী অবস্থান নিয়ে নানা মন্তব্য করতে শুরু করলে এর এরদোয়ান এর প্রতিবাদ করে ফ্রান্সের পণ্য বর্জনের জন্য দেশের নাগরিকদের আহ্বান জানান। তিনি ম্যাক্রোঁকে মানসিক চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শও দেন।<br>বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী তুর্কি প্রেসিডেন্টের যোগাযোগ পরিচালক ফাহেরেটিন আলটুন বলেছেন, ‘শার্লি এবদো সবেমাত্র আমাদের প্রেসিডেন্টকে নিয়ে বেশ কিছু ঘৃণ্য চিত্রপূর্ণ তথাকথিত কার্টুন প্রকাশ করেছে। আমরা এই প্রকাশনাটির সাংস্কৃতিক বর্ণবাদ ও বিদ্বেষ ছড়ানোর এই ঘৃণ্য অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’<br>তুর্কি ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকটে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ‘এই অপমানের’ বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘আপনি চিন্তার স্বাধীনতার কথা বলে আপনি কাউকে বোকা বানাতে পারবেন না।’ দেশটির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্তাব্যক্তিরাও এর নিন্দা জানিয়েছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:10:00 1970-01-01 00:00:00 ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে করোনার হট জোন করেছেন: ওবামা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99849 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894192_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/28/1603894192_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে করোনাভাইরাসের হট জোনে পরিণত করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। করোনা মোকাবিলায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলের সমালোচনা করতে গিয়ে ওবামা বলেন, মহামারি মোকাবিলার চেয়ে গণমাধ্যমের কাভারেজ নিয়ে বেশি ঈর্ষান্বিত ডোনাল্ড ট্রাম্প।<br>আগামী ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দেশটির অন্যতম ব্যাটলগ্রাউন্ডখ্যাত ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অরল্যান্ডো শহরে ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী জো বাইডেনের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় মঙ্গলবার বারাক ওবামা এসব কথা বলেন। সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি (ট্রাম্প) কোভিডের গণমাধ্যম কাভারেজ নিয়ে ঈর্ষান্বিত।<br>গত কয়েকদিন ধরে ফ্লোরিডায় বেশ কয়েকটি নির্বাচনী সমাবেশ করেছেন ডেমোক্র্যাট শিবিরে অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত বারাক ওবামা।<br>তিনি বলেছেন, শুরু থেকেই তিনি যদি করোনাভাইরাস মহামারির দিকে নজর দিতেন তাহলে, সংক্রমণের রেকর্ড নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতো না। ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে করোনাভাইরাসের হট জোনে পরিণত করেছেন।<br>ওবামা বলেন, সপ্তাহের শেষে তার (ট্রাম্পের) চিফ অব স্টাফ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আমরা মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছি না। হ্যাঁ, তিনি সেটিই করেছেন এবং আমরা তা দেখেছি।<br>করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলার কৌশল পাল্টাবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশি কিছু করবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যেরও সমালোচনা করেছেন ওবামা। তিনি বলেন, বেশি কিছু নয়? আসলেই বেশি কিছু নয়?<br>করোনাভাইরাস মহামারির মাঝের দিকে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প আক্রান্তদের ফুসফুসে ইনজেকশনের মাধ্যমে জীবাণুনাশক পুশ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন ওবামা।<br>সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাটদলীয় প্রার্থী জো বাইডেনের জন্য ভোট চেয়ে বলেন, তিনি পরীক্ষা কমিয়ে ফেলবেন না, তিনি বিজ্ঞানীদের নির্বোধ বলবেন না, তিনি হোয়াইট হাউসে সুপার স্প্রেডার অনুষ্ঠানের আয়োজন করবেন না।<br>সূত্র : পিটিআই, সিএনএন।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-10-29 20:10:00 1970-01-01 00:00:00 পরের আসরেও ধোনির অধিনায়কত্ব চায় চেন্নাই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99848 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893896_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893896_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>চলতি আইপিএল থেকে ছিটকে পড়েছে চেন্নাই সুপার কিং। এটাও দলটির জন্য একটা রেকর্ড। কেন না এর আগে প্লে-অফের আগে ছিটকে পড়েনি দলটি। এই আসরেই প্রথমবারের মতো ১০ উইকেটের হার দেখেছে মহেন্দ্র সিং ধোনিরা।<br>সব মিলে বিধ্বস্ত একটা দলে পরিণত হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। বিশেষ করে ধোনির দুর্দান্ত অধিনায়কত্বকে কাজে লাগিয়ে চেন্নাই পৌঁছে যায় ফাইনালে কিংবা প্লে-অফে। এবার তার কিছুই হয়নি। রান নেই বিশ্বকাপ জয়ী এই অধিনায়কের ব্যাটে। মাত্র ১১৮.৪৫ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ১৯৯ and nbsp; রান। দলের বাকিরাও ধারাবাহিক নন।<br>সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ হয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচে চেন্নাই হেরেছে ৮ ম্যাচে। তাতে জায়গা হয়েছে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে।<br>এ নিয়ে সমালোচনা উঠেছে তাকে নিয়ে। অনেক ধরেও নিয়েছেন এটাই ধোনির শেষ আসর। তাই তো প্রশ্ন উঠছে চেন্নাইতে ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান নির্বাহী কাসি বিশ্বনাথের আশা, আগামী ২০২১ সালের আসরেও চেন্নাই সুপার কিংসকে নেতৃত্ব দেবেন ধোনি। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানালেন ধোনিকে নিয়ে তাদের আশার কথা। ‘আমি বিশ্বাসী যে আগামী আসরেও দলকে নেতৃত্ব দেবেন ধোনি। সে আমাদের তিনবার চ্যাম্পিয়ন করেছে। এবারের আসর ছাড়া প্রতিবারই আমরা প্লে-অফে খেলেছি তার নেতৃত্বে। যা অন্য কোনো দল দেখাতে পারেনি। এবারের আসর খারাপ গেল মানে এই নয় যে, সামনের আসরেও এমন হবে। আমরা পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারি।</body></HTML> 2020-10-28 20:04:37 1970-01-01 00:00:00 যে কারণে মারমুখী হয়ে ওঠেন ঋদ্ধিমান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99847 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893858_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893858_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>টি-টোয়েন্টিতে তার তেমন নাম ডাক নেই। ভারতের জাতীয় দলে তো কখনই সুযোগ পাননি এই ফরমেটে। ঋদ্ধিমান সাহার পরিচিতিটা টেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবেই। তবে এই ঋদ্ধিমানও যে দলের প্রয়োজনে মারকাটারি ব্যাটিং করতে পারেন, দেখালেন গতকাল (মঙ্গলবার) দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচে।<br>উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যানের ৪৫ বলে ৮৭ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংসে ভর করেই দুইশোর্ধ্ব সংগ্রহ গড়ে দুবাইয়ে দিল্লি ক্যাপিটালসকে উড়িয়ে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ম্যাচসেরাও হয়েছেন ঋদ্ধি। এবারের আইপিএলে এর আগে মাত্র একটি ম্যাচে সুযোগ পেয়েছিলেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচটিতে টি-টোয়েন্টির ব্যাটিংটা করতে পারেননি ঋদ্ধিমান। ৩১ বলে করেন মাত্র ৩০। তারপরই ছিটকে পড়েন একাদশ থেকে।<br>অবশেষে মঙ্গলবার সুযোগ মেলে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে। আর এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই জ্বলে ওঠেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৯৩.৩৩ স্ট্রাইকরেটে ৮৭ রানের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ১২ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায়। যিনি প্রথম ম্যাচে বলের সমানও রান করতে পারেননি। তিনি কিভাবে এমন মারমুখী হয়ে উঠলেন দিল্লির বিপক্ষে? ঋদ্ধিমান জানালেন, অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের এক কথাতেই উজ্জীবিত হয়ে উঠেছিলেন। ঋদ্ধিমান বলেন, ‘প্রথম ম্যাচে যখন মাঠে নামি, ভাবছিলাম কিভাবে খেলব। কিন্তু এই ম্যাচে খুব বেশি ভাবিনি। শুধু ওয়ার্নারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম-কি করতে হবে? সে বলে-স্বচ্ছন্দে খেলো। আমিও এভাবেই খেলতে পছন্দ করি। তারপর আমরা দুজন প্রথম ছয় ওভারে সুযোগ নিতে থাকলাম আর ছন্দটা পেয়ে গেলাম।’<br>ওয়ার্নার-ঋদ্ধিমান ৫৮ বলে গড়েন ১০৭ রানের ঝড়ো এক উদ্বোধনী জুটি। দশম ওভারে এসে এই জুটিটি ভাঙে ওয়ার্নার ৩৪ বলে ৬৬ করে আউট হলে, তবে ততক্ষণে বড় রানের ভিত গড়া হয়ে গেছে হায়দরাবাদের।<br>ঋদ্ধিমান বলেন, ‘ওয়ার্নার যখন আউট হয়, আমি দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেই। আলগা বলগুলো মারতে শুরু করি এবং তাতে বাউন্ডারিও পেতে থাকি।’<br>দ্রুতই রান তুলছিলেন ঋদ্ধিমান, চলে গিয়েছিলেন সেঞ্চুরির একদম দ্বারপ্রান্তে। শেষ পর্যন্ত ১৫তম ওভারে এসে আউট হন তিনি। দলের রান তখন ২ উইকেটে ১৭০। পরের দিকে মনিশ পান্ডের ৩১ বলে ৪৪ আর কেন উইলিয়ামসনের ১০ বলে ১১ রানের হার না মানা ইনিংসে ২১৯ রানে থামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এত বড় পুঁজি নিয়ে দিল্লিকে ১৩১ রানেই গুটিয়ে দেয় ওয়ার্নারের দল, পায় ৮৮ রানের জয়।<br><br><br><br></body></HTML> 2020-10-28 20:03:55 1970-01-01 00:00:00 বাল্য বিবাহ: পাষণ্ড স্বামী নুর নাহারের লাশও দেখতে আসেনি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99846 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893707_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893707_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>পাষ- স্বামী নুর নাহারের লাশও দেখতে আসেনি and nbsp; বিয়ের ৩৪ দিনের মাথায় মারা যাওয়া টাঙ্গাইলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নুর নাহার (১৪) মৃত্যুর চারদিনেও মামলার বাদী হয়নি কেউ। পারিবারিক সম্মতিতে এই বাল্য বিয়ে সংগঠিত হওয়ার কারণে, নুর নাহারের পরিবার থেকেও মামলা করতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এদিকে প্রশাসন বলেছেন ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে ব্যবস্থা নেবেন তারা।<br>নিহত নুর নাহারের স্বামীর বাড়ির পক্ষ থেকে গ্রাম্য সালিশে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তবে লাশও দেখতে আসেনি নিহতের স্বামী প্রবাসী রাজিব খান (৩৫)। আইনি প্রক্রিয়ায় এর বিচার না হলে বাল্য বিবাহের বলি মেয়েটির পরিবার ন্যায়বিচার পাবে না বলে দাবি এলাকার সচেতন মহলের।<br>নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নুর নাহারের বাবা রিকশাচালক ও মা গার্মেন্টসকর্মী। অভাবের সংসারে তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। এ কারণে দিনমজুর নানা চার বছর বয়সে নুর নাহারকে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। and nbsp; এরপর তাকে স্কুলে ভর্তি করান। এ বছর কলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছিল নুর নাহার। নানা লাল খান ও দরিদ্র হওয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর নুর নাহারকে উপজেলার ফুলকি পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে প্রবাসী রাজিব খানের সঙ্গে বিয়ে দেন। <br>অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে হওয়ায় রক্তক্ষরণ শুরু হয় নুর নাহারের। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নুর নাহার ও রাজিবের পরিবারে আলোচনা হয়। পরে রাজিবের পরিবারের পক্ষ থেকে গ্রাম্য কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। <br>গত ২২ অক্টোবর নুর নাহারকে ভর্তি করা হয় টাঙ্গাইলের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে। ওই ক্লিনিকে নুর নাহারকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে স্বামী রাজিব ও তার পরিবার কৌশলে সেখান থেকে কেটে পড়েন। এরপর অবস্থার অবনতি হলে নুর নাহারের পরিবার তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাকে চিকিৎসা করানোর মতো টাকাও তখন ছিল না পরিবারের হাতে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা প্রায় ৬০ হাজার টাকা তুলে দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নুর নাহারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে তার পরিবার। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২৫ অক্টোবর) নুর নাহারের মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে তাকে তার নানার বাড়ির কবরস্থানে দাফন করা হয়। নুর নাহারের নানা লাল খান বলেন, মৃত্যুর পর নুর নাহারের স্বামী রাজিব তার লাশ পর্যন্ত দেখতে আসেনি। মূলত স্বামীর কারণেই আমার নাতনির মৃত্যু হয়েছে। কলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, আমরা নিয়মিতই শিক্ষার্থীদের খোঁজ-খবর নিয়ে থাকি। কিন্তু হঠাৎ করেই গোপনে নুর নাহারকে তার পরিবার বিয়ে দিয়ে দেয়। নুর নাহার মেধাবী ছাত্রী ছিল। অষ্টম শ্রেণিতে তার রোল নম্বর ছিল দুই। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা একজন মেধাবী ছাত্রীকে হারালাম।<br>উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামছুন নাহার স্বপ্না বলেন, বাল্য বিবাহের শিকার হয়ে অষ্টম শ্রেণির একজন ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। শুধু আইন দিয়ে নয়, সামাজিক সচেতনতাই পারে বাল্য বিবাহ নির্মূল করতে। <br>বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</body></HTML> 2020-10-28 20:01:30 1970-01-01 00:00:00 গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে ধর্ষণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99845 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893593_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893593_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পশ্চিম শোলক গ্রামে দেড় বছরের মেয়ের গলায় ছুরি ধরে এক গৃহবধূকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ওই গৃহবধূকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে উজিরপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় উপজেলার পশ্চিম শোলক গ্রামের রাজ্জাক সরদারের ছেলে লিটন সরদারকে (৪২) আসামি করা হয়েছে। তিনি সম্পর্কে ওই গৃহবধূর মামাতো ভাসুর হন।<br>অন্যদিকে ওই গৃহবধূর স্বামী ঢাকায় অটো চালান। পশ্চিম শোলক গ্রামের বাড়িতে তার স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।<br>উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান মামলার বরাত দিয়ে জানান, ওই গৃহবধূর স্বামী ঢাকায় অটো চালান। বাড়িতে দুই সন্তান নিয়ে থাকেন ওই গৃহবধূ। সেই সুযোগে প্রতিবেশী লিটন সরদার দীর্ঘদিন ধরে তাকে অনৈতিক প্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি কিছু দিন আগে ওই গৃহবধূ তার স্বামীকে জানান। তিনি মুঠোফোনে লিটন সরদারকে তার স্ত্রীকে বিরক্ত করতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন লিটন সরদার। লিটন প্রতিশোধ নিতে সুযোগ খুঁজতে থাকেন।<br>গত ২২ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে দেড় বছরের মেয়েকে নিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যান ওই গৃহবধূ। এ সময় লিটন ঘরে ঢুকে লুকিয়ে থাকেন। ঘরে ফিরে লাইট বন্ধ করে বিছানায় গেলে ওই গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন লিটন। এতে বাধা দিলে লিটন তার দেড় বছরের মেয়ের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কেউকে জানালে মেয়েকে হত্যার হুমকি দিয়ে লিটন সরদার চলে যান। তিনদিন আগে বিষয়টি মুঠোফোনে গৃহবধূ তার স্বামীকে জানান। এরপর তার স্বামী বাড়িতে আসেন এবং মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা করেন।<br>ওসি জিয়াউল আহসান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর লিটন সরদারকে ধরতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে। তবে মামলার খবর পেয়ে তিনি আত্মগোপন করেছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি আদালতে জবানবন্দি ও ধর্ষণ সংক্রান্ত মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ওই গৃহবধূকে বরিশালে পাঠানো হয়েছে।</body></HTML> 2020-10-28 19:59:27 1970-01-01 00:00:00 পুলিশকে পিটিয়ে পালিয়ে গেল আসামি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99844 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893521_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893521_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>হবিগঞ্জে আবারও এক পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে পালিয়ে গেছে আসামি। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে প্রথমে সদর আধুনিক হাসপাতাল ও পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের চৌধুরী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।<br>আহত পুলিশ সদস্যের নাম মতিয়ার রহমান। তিনি স্থানীয় চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে কর্মরত। চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শহরের চৌধুরী বাজার এলাকার খাদ্য গোদাম রোডের হিরণ মিয়ার ছেলে আব্দুল হাসিমের বিরুদ্ধে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আব্দুল হাসিমকে গ্রেফতার করতে তার বাসায় যায় পুলিশ। এ সময় আসামি ও তার স্বজনরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। হামলায় এএসআই মতিয়ার রহমান গুরুতর আহত হয়েছেন।<br>উপস্থিত অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।<br>হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, আসামি গ্রেফতার করতে গেলে তার স্বজনরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় এক এএসআই গুরুতর আহত হয়েছেন। তার কানে গুরুতর জখম হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামি এবং তার ভাইকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।<br>এর আগে গত ১৪ অক্টোবর বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিণ সাঙ্গর গ্রামে আসামি ধরতে গেলে চার পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে আহত করেন আসামির স্বজনরা। এ ঘটনায় এখনও পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।</body></HTML> 2020-10-28 19:58:24 1970-01-01 00:00:00 চেয়ারম্যানের নাক ফাটিয়ে দিলেন চা দোকানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99843 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893479_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893479_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মদাতী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ছয় বারের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে ঘুষি মেরে নাক ফাটিয়ে দিয়েছেন নেছার উদ্দিন (৪০) নামে এক চা দোকানি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে মদাতী ইউনিয়ন পরিষদে জমি নিয়ে সালিশ বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।<br>এ ঘটনায় হামলাকারী চা দোকানি নেছার উদ্দিনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি মদাতী ইউনিয়নের বাবুডাঙ্গা এলাকার ছকমাল হোসেনের ছেলে।<br>স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নেছার উদ্দিনের সঙ্গে তার ভাই ইয়াকুব আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই ঘটনায় ইয়াকুব আলী মদাতী ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের সালিশ করে এক লাখ ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা করেন।<br>বুধবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদে অপর একটি সালিশ চলাকালে নেছার উদ্দিন চেয়ারম্যানকে ডেকে নেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। নেছার উদ্দিন চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরকে কিল-ঘুষি মারেন। এতে চেয়ারম্যান আব্দুল কাদেরের নাক ফেটে রক্ত বের হয়।<br>এ সময় ইউপি সদস্যরা আহত অবস্থায় চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনার পর চেয়ারম্যানের লোকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বিক্ষোভ শুরু করলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।<br>কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল হাসান জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে চেয়ারম্যানের ওপর হামলা মেনে নেয়া যায় না। অবশ্যই তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br>এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরজু মো. সাজাদ জানান, হামলাকারী নেছার উদ্দিনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে।</body></HTML> 2020-10-28 19:57:04 1970-01-01 00:00:00 হাজার হাজার মানুষের পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99842 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893331_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603893331_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কুজাইল-আতাইকুলা নামক স্থানে ছোট যমুনা নদী পারাপারে যুগ যুগ ধরে নৌকাই একমাত্র ভরসা। উপজেলার মিরাট, গোনা ও কাশিমপুর ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের হাজার হাজার মানুষের ছোট যমুনা নদী পারাপার হওয়ার জন্য বর্ষা মৌসুমে ইজারাদারের দঁড়ি টানা নৌকাই একমাত্র ভরসা।<br><br>সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ছোট যমুনা নদীর দুই পাশে কাশিমপুর, গোনা ও মিরাট ইউনিয়নের সর্বরামপুর, কাশিমপুর, ডাঙ্গাপাড়া, এনায়েতপুর, মঙ্গলপাড়া, ভবানীপুর, পীরেরা, বয়না, বেতগাড়ী, দূর্গাপুর, কৃষ্ণপুর, মালঞ্চি, ঘোষগ্রাম, নান্দাইবাড়ি, আতাইকুলা, কনৌজ, হামিদপুর, জালালপুরসহ প্রায় শতাধিক গ্রাম অবস্থিত। এই সব অঞ্চলের মানুষদের রাণীনগর উপজেলা, নওগাঁ জেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের জন্য এই নৌকা করে ছোট যমুনা নদী পার হতে হয়। এতে করে সময় লাগে অনেক। একটি ব্রীজের অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয় শিক্ষার্থীসহ এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে। কুজাইল-আতাইকুলা নামক স্থানে ছোট যমুনা নদীর ওপর একটি ব্রীজ নির্মাণ এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। কিন্তু যুগের পর যুগ চলে গেলেও এখনোও সেই দাবি শুধুমাত্র দাবিই থেকে গেছে।<br><br>মিরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, কুজাইল-আতাইকুলা জনগুরুত্বপূর্ণ এই খেয়া ঘাটে একটি ব্রীজের দাবিতে আমরা একাধিকবার সরকারের উর্দ্ধতন ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হয়েছি কিন্তু কোন লাভ হয়নি। উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো: শহিদুল হক বলেন, কুজাইল-আতাইকুলা নামক স্থানে ছোট যমুনা নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ করে মাপ-জোক ও ডিজাইন করে একটি প্রস্তাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরে প্রেরণ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলেই আমরা কাজ শুরু করতে পারবো। <br></body></HTML> 2020-10-28 19:54:57 1970-01-01 00:00:00 হাজি সেলিম ও ইরফানের সম্পদের খোঁজে দুদক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99841 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883921_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883921_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা-৭ আসনের সাংসদ হাজি মো. সেলিম ও তাঁর ছেলে বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের সম্পদের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের শিডিউলভুক্ত অপরাধ হলে তাঁদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানও করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দুদকের কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান। গত রোববার রাতে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পরদিন সোমবার সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর ইরফান সেলিম, সহযোগী এ বি সিদ্দিক দিপু, মো. জাহিদ ও গাড়িচালক মিজানুর রহমানের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো দু-তিনজনকে আসামি করে ধানমণ্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ওয়াসিফ আহমদ খান। and nbsp; <br><br>মামলার পর গত সোমবার দুপুর থেকে র‍্যাব সদস্যরা রাজধানীর চকবাজারের ২৬ দেবীদাস ঘাট লেনে ‘চাঁন সরদার দাদা বাড়ী’তে অভিযান চালান। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। অভিযান শেষে অবৈধ ওয়াকিটকি ও মাদক রাখার দায়ে ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী মো. জাহিদকে এক বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর রাতে দুজনকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। গত সোমবার সন্ধ্যায় র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, ইরফান সেলিমের কক্ষ থেকে লাইসেন্সবিহীন বিদেশি অস্ত্র, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, মদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া দেহরক্ষী মো. জাহিদের কাছ থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ধরনের ৩৮ থেকে ৪০টি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে। যেগুলো আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করে থাকে।<br><br>আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা তাঁদের কাছ থেকে গুলি, হাতকড়া, and nbsp; একটি ড্রোন এবং কন্ট্রোল রুম থেকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি ভেরি হাই সিকিউরিটি সেট (ভিএইচএস) উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা ওয়াকিটকির একটি আধুনিক সংস্করণ। এ ছাড়া ওই বাসায় টর্চার সেলের সন্ধান পাওয়া গেছে। টর্চার সেলে হাড়, ছুরি, হকিস্টিক ও দড়ি পাওয়া যায়।’<br><br>নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় সোমবার গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে এক দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। একই মামলায় গতকাল মঙ্গলবার ইরফানের সহযোগী আসামি দিপুকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ ইরফান ও জাহিদকে তিন দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।<br><br> </body></HTML> 2020-10-28 17:18:13 2020-10-28 17:19:22 করোনায় আরও ২৩ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৪৯৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99840 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883718_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883718_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে আরও ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে অদৃশ্য ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৮৬১ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ৪৯৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৩ হাজার ৭৯ জনে। বুধবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।<br></div><br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৫০৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব পরীক্ষায় এক হাজার ৪৯৩ জনের দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন করে আক্রান্তদের নিয়ে বাংলাদেশে মোট চার লাখ ৩ হাজার ৭৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হলো। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৩২১টি। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে এক হাজার ৬১০ জন সুস্থ হওয়ায় মোট সুস্থতার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ১৯ হাজার ৭৩৩ জনে।<br><br>গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রাদুর্ভাব ঘটে কোভিড-১৯ মহামারির। এরপর এই ভাইরাসটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চলতি বছরের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ।</body></HTML> 2020-10-28 17:13:32 1970-01-01 00:00:00 যুদ্ধ ময়দানে ট্যাংক-গোলা রেখে পালাল আর্মেনীয় বাহিনী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99839 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883555_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883555_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>তৃতীয় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘাত চলছে।বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলের গুবাদলিতে আজারবাইজানের আক্রমণের মুখে ট্যাংক-গোলা ছেড়ে পালিয়েছে আর্মেনীয় বাহিনী। and nbsp; যুদ্ধক্ষেত্রে আর্মেনীয়দের ফেলে যাওয়া সামরিক সরঞ্জামাদির একটি ভিডিও প্রকাশ করে। বুধবার আজেরি সংবাদমাধ্যম আজভিশন সেই ভিডিওটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে। and nbsp;<br>তিন মিনিট ৩৪ সেকেন্ডে ভিডিওটিতে দেখা যায়, কয়েটি ট্যাংক, গোলাবারুদ, সামরিক জিপ, মেশিনগানসহ বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জামাদি। and nbsp;<br><br>এক মাসের বেশি সময় ধরে নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান। প্রথম থেকেই দুই দেশকে শান্তি বৈঠকে বসানোর চেষ্টা করছে রাশিয়া। দুইবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও হয় রাশিয়ার মধ্যস্থতায়।কিন্তু অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘন করেছে দুইটি দেশ। and nbsp; এরই মধ্যে গত সপ্তাহে ফের দুই দেশকে আলোচনার টেবিলে বসায় মস্কো। গত বৃহস্পতিবার মস্কোয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কিন্তু তাতেও সমাধান হয়নি। <br><br>এর পর প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং পরে মার্কিন কূটনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেন আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের প্রতিনিধিরা। and nbsp; দীর্ঘ বৈঠকের পর রোববার সন্ধ্যায় নতুন করে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হয়। আমেরিকা, আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে। <br>সেখানে বলা হয় মানবিক কারণে সোমবার সকাল ৮টা থেকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু সোমবার সকাল হতেই আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, আজারি শহর টার্টারে আক্রমণ চালিয়েছে আর্মেনিয়া। সেখানে শেলিং করা হয়েছে। পাল্টা অভিযোগ করে আর্মেনিয়াও। তাদের দাবি, আজারি সেনাবাহিনী প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। <br><br>এদিকে রোববার ইরান জানিয়েছে, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের সীমান্তে তারা সেনার সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করেছে। ইরান যাতে দুই দেশের যুদ্ধ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্যই এই ব্যবস্থা। এর আগে ইরান দাবি করেছিল, দুই দেশের গোলায় বিধ্বস্ত হয়েছে ইরানের সীমান্তবর্তী একটি অঞ্চল।</body></HTML> 2020-10-28 17:11:24 1970-01-01 00:00:00 যুদ্ধ চাই না, তবে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99838 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883465_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603883465_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই। তবে আক্রান্ত হলে, তা মোকাবিলা করতে হবে, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই। বুধবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সেনাবাহিনীর আটটি ইউনিট/সংস্থার পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।<br><br>আমাদের পররাষ্ট্র নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। যা জাতির পিতা দিয়ে গেছেন- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়েই আমরা বাংলাদেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নত করতে চাই। কিন্তু যদি কখনো আমরা আক্রান্ত হই, তা মোকাবিলা করার শক্তি যেন আমরা অর্জন করতে পারি, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আবার বলবো, আমরা শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই, বৈরিতা চাই না, যুদ্ধ চাই না। কারণ যুদ্ধের যে ভয়াবহ রূপ, তা আমার নিজের চোখে দেখা আছে। আমরাও ভুক্তভোগী। আর সেই ধরনের সংঘাতে আমরা জড়িত হতে চাই না। শান্তির পথ ধরে আমরা প্রগতির পথে এগিয়ে যেতে চাই। and nbsp;<br><br>সেনা সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দেশের জন্য কাজ করার লক্ষ্যে সর্ব প্রথম দরকার পেশাদারিত্ব। আর এ পেশাদারিত্বের কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনের জন্য আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। সেভাবেই মানুষের আস্থা অর্জন করে আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী।<br><br>তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ভেতরের মূল চালিকা শক্তিগুলো অর্থ্যাৎ ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পারিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্য পরায়ণতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আপনাদের স্বীয় কর্তব্য যথাযথভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন, সেটাই আশা করি।<br>বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সশস্ত্র বাহিনী। সেনাবাহিনী জনগণের বাহিনী। এদেশে উন্নতি হলে আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যদের পরিবারেরই উন্নতি হবে। সে কথা মাথায় রেখে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।<br><br>দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের সশ্রস্ত্র বাহিনী বিশাল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। করোনাসহ বিভিন্ন দুযোর্গে মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বিশেষ করে করোনাকালে তারা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবা করে বিশ্বে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে।<br><br>তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা যেখানেই যান, সামাজিক কাজ করেন, মানুষকে সাহায্য করেন। সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে নিজের আন্তরিকতা ও চেষ্টার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে আমি সব সময় সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নতির জন্য চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি, যেনো প্রত্যেক সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন মান উন্নত হয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জীবন মান যেনো উন্নত হয়। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। দ্রুত ও সমন্বিত আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা সেনাবাহিনীকে বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীতে রূপান্তর করার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।<br><br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশ্বাসী এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করি। ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন, সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা ও তদারকির জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করেছি। এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দু’টি পদাতিক ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ছাড়াও ১০টি ব্যাটালিয়ন, এনডিসি, বিপসট, এএফএমসি, এমআইএসটি, এনসিও’স একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠা করি। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি আজ বিশ্বে প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।<br><br>কুমিল্লা, বগুড়া ও সৈয়দপুর সেনানিবাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সাভার এবং সিলেট সেনানিবাসে একটি করে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইনস্টিটিউট স্থাপন, সিএমএইচগুলোর উন্নয়নের পাশাপাশি পাঁচটি আর্মি মেডিক্যাল কলেজ এবং তিনটি নার্সিং কলেজ স্থাপন, রামু ও সিলেট সেনানিবাসে পর্যাপ্ত সুবিধা সম্বলিত দু’টি সিএমএইচ নির্মাণ কাজ চলছে, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাজোয়া এবং আর্টিলারি কোরের জন্য আধুনিক গান ও মিসাইল কেনা, পদাতিক বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক ইনফ্যান্ট্রি গেজেট কেনা, আধুনিক যানবাহন, হেলিকপ্টার, সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামাদি সংযোজনসহ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।<br><br>আগামী শীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সবাইকে করোনা মোকাবিলায় সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস, শীত কাল আসছে, করোনার আরেকটা ধাক্কা আসতে পারে, সে জন্য সদা প্রস্তুত থেকে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা থেকে মুক্ত থেকে আপনারা আপনাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন সেটাই আশা করি। সবাই সুস্থ থাকুন। and nbsp; অনুষ্ঠানে পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রান্তে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমদসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><br>২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে দেশের দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র সেবানিবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমণ্ডিত এ সেনানিবাসটি প্রায় ১৫শ’ ৩২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত।<br>এ অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড (চট্টগ্রাম), সদর দপ্তর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড (সিলেট), সদর দপ্তর ২৮ পদাতিক ব্রিগেড, ৪৯ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৬৬ ইস্ট বেঙ্গল, ৪৩ বীর, ৪০ এসটি ব্যাটালিয়ন এবং ১২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নের পতাকা উত্তোলন করা হয়। <br></body></HTML> 2020-10-28 17:02:55 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রে আগাম ভোটের নতুন রেকর্ড, এরই মধ্যে ভোট দিয়েছেন সাত কোটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99837 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882866_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882866_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনের প্রায় এক সপ্তাহ বাকী থাকলেও এরই মধ্যে দেশটির সাত কোটিরও বেশি নাগরিক আগাম ভোট দিয়েছেন। আমেরিকার ভোটের ইতিহাসে এটি নতুন রেকর্ড। এবারের আগাম ভোট ২০১৬ সালের নির্বাচনে পড়া মোট ভোটের অর্ধেকেরও বেশি বলে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন প্রজেক্টরের তালিকায় দেখা গেছে। খবর রয়টার্সের। <br><br>প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটের এ গতি বজায় থাকলে এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এবার ভোট পড়ার হার সর্বোচ্চ হতে পারে। রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ডেমোক্র্যাটিক প্রতিপক্ষ জো বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে ভোটারদের তীব্র আগ্রহেরও ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। <br>২০১৬ সালের নির্বাচনে ৪ কোটি ৭০ লাখ আগাম ভোট পড়েছিল, কিন্তু এবার নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালেই চলতি মাসের প্রথম দিকে ওই সংখ্যাটি পার হয়ে গেলো। <br></body></HTML> 2020-10-28 17:00:41 1970-01-01 00:00:00 ইরফান ও দেহরক্ষী ৩ দিনের রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99836 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882708_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882708_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজী সেলিমের ছেলে মোহাম্মদ ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br><br>এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আশফাক রাজীব হায়দার। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুর এ বিষয় শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধর করা হয়। রাজধানীর কলাবাগান সিগন্যালের পাশে এ ঘটনা ঘটে।<br><br>রোববার রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও সোমবার ভোরে এরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদ, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।<br>এ মামলায় সোমবার দুপুরে ইরফানকে গ্রেফতার করে র্যাব। এছাড়া পুরান ঢাকায় তার বাসায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস সেট, অস্ত্রসহ একটি পিস্তল, একটি একনলা বন্দুক, একটি ব্রিফকেস, একটি হ্যান্ডকাফ, একটি ড্রোন এবং সাত বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ার উদ্ধার করা হয়।<br><br>বাসায় বিদেশি মদ ও অনুমোদনহীন ওয়াকিটকি রাখায় কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তার বডিগার্ড মোহাম্মদ জাহিদকে এক বছর করে জেল দেন র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রাতেই তাদের কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে সোমবার হাজী সেলিমের গাড়িচালক মিজানুর রহমানের একদিন ও মঙ্গলবার এরফানের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা এবি সিদ্দিকী দিপুর তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।</body></HTML> 2020-10-28 16:51:12 1970-01-01 00:00:00 বিষাক্ত স্পিরিট পানে তিনজনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99835 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882211_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603882211_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুষ্টিয়ায় স্পিরিট পান করে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষাক্ত স্পিরিট পানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভোরে হাসপাতালে নেয়ার পর তাদের মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, সদর উপজেলার বড়আইলচারা গ্রামের অনিক বিশ্বাস (২১), খোকসা উপজেলার কালিবাড়ি বাজারের রিপন কুমার ঘোষ (৩২) ও মিরপুর উপজেলার কান্তদাহ গ্রামের নিতাই বিশ্বাস (৩৫)।<br><br>স্থানীয়রা বলছেন, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় নিতাই বিশ্বাসকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বুধবার ভোর ৪টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় অনিক বিশ্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভোর পৌনে ৫টার দিকে খোকসা উপজেলা থেকে রিপন কুমার ঘোষকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনই সকাল ৬টার মধ্যে মারা যান।<br><br>হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) তাপস কুমার সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত স্পিরিট পানে তাদের মৃত্যু হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে তাদের ময়নাতদন্ত করা হবে। এরপর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, তিন উপজেলার ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।</body></HTML> 2020-10-28 16:48:14 1970-01-01 00:00:00 আইপিএলে টিকে রইলেন ওয়ার্নার-রশিদরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99834 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603858742_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603858742_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>কঠিন এক সমীকরণ মাথায় নিয়ে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বিপক্ষে খেতে নেমেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। হারলেই বিদায় কিন্তু জিতলে মিলবে না প্লে অফের নিশ্চয়তা- এ বিষয়টি মাথায় রেখেই খেলতে হয়েছে হায়দরাবাদকে। সেই মোতাবেক শুধু জেতেনি তারা, রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা দিল্লিকে। দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় হায়দরাবাদ। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ফিফটি করেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ঋদ্ধিমান সাহা। জবাবে মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে দিল্লি। কিপটে বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন রশিদ খান।<br><br>ঋদ্ধি-ওয়ার্নার ঝড়ের পর রশিদের এমন কিপটেমিতে ৮৮ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে হায়দরাবাদ। আইপিএলে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জয়। এর ফলে এখনও টিকে রয়েছে রশিদ-ওয়ার্নারদের সেরা চারে খেলার সম্ভাবনা। এখন ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট তাদের। পরের দুই ম্যাচ জেতার পাশাপাশি কিছু সমীকরণ মিললেই প্লে-অফে চলে যাবে হায়দরাবাদ। ২২০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কখনও মনে হয়নি ম্যাচটি জিততে পারে দিল্লি। শুরু থেকেই তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে হায়দরাবাদ। প্রথম দুই ওভারেই ফর্মে থাকা শিখর ধাওয়ান (১ বলে ০) ও তিনে নামা মার্কাস স্টয়নিসের (৬ বলে ৫) উইকেট হারায় দিল্লি।<br><br>প্রথম পাওয়ার প্লে'র পরের চার ওভারে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেন শিমরন হেটমায়ার ও আজিঙ্কা রাহানে। দুজন নিলে ছয় ওভারে দলীয় সংগ্রহ পৌঁছে দেন ৫৪ রানে। কিন্তু সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই রশিদের প্রথম শিকারে পরিণত হন ১৩ বলে ১৬ করা হেটমায়ার। একই ওভারে ১৯ বলে ২৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন রাহানেও। মাত্র ৫৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে অকূল পাথারে পড়ে যায় দিল্লি। যেখান থেকে আর উঠতে পারেনি তারা। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান রিশাভ পান্ত ৩৫ বলে ৩৬ রান করে দলীয় সংগ্রহটা কোনোমতে ১০০ পার করান। শেষদিকে তুষার দেশপান্ডের ৯ বলে ২০ রানের ক্যামিও ইনিংসে পরাজয়ের ব্যবধানটাই শুধু কমে।<br><br>নির্ধারিত ২০ ওভারের ছয় বল বাকি থাকতেই মাত্র ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় প্লে-অফের দ্বারপ্রান্তে থাকা দিল্লি। বল হাতে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রানে ৩টি উইকেট নেন রশিদ। এছাড়া সন্দ্বীপ শর্মা ও নটরাজন নেন ২টি করে উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন ব্যাট হাতে ৮৭ রান করা ঋদ্ধিমান।<br>এর আগে হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার আর ঋদ্ধিমান সাহা উপহার দেন শতরানের জুটি। যার ওপর দাঁড়িয়ে দুবাইয়ে ২ উইকেটে ২১৯ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় হায়দরাবাদ।<br><br>টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মারমুখী ছিল হায়দরাবাদ। ওয়ার্নার-ঋদ্ধিমান ৫৮ বলে গড়েন ১০৭ রানের ঝড়ো এক জুটি। দশম ওভারে এসে ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে মারকুটে এই জুটিটি ভাঙেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ২৫ বলে ফিফটি করা ওয়ার্নার তখন ৬৬ রানে। ৩৪ বলের ইনিংসে হায়দরাবাদ দলপতি ৮টি বাউন্ডারির সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ২টি ছক্কা। ওয়ার্নার আউট হওয়ার পরের ওভারেই ২৭ বলে ফিফটি পূরণ করেন ঋদ্ধিমানও।<br><br>দ্রুত রান তুলছিলেন ঋদ্ধিমানও, চলে গিয়েছিলেন সেঞ্চুরির খুব কাছে। শেষ পর্যন্ত ১৫তম ওভারে এসে অ্যানরিচ নর্টজের শিকার হন তিনি। ৪২ বলে ১২ চার আর ২ ছক্কায় উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান করেন ৮৭ রান। দলের রান তখন ২ উইকেটে ১৭০। পরের দিকে মনিশ পান্ডের ৩১ বলে ৪৪ আর কেন উইলিয়ামসনের ১০ বলে ১১ রানের হার না মানা ইনিংসে ২১৯ রানে থামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।</body></HTML> 2020-10-28 10:18:19 1970-01-01 00:00:00 ক্ষমতার দম্ভে বেপরোয়া ছিলেন ইরফান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99833 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603858587_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603858587_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তিনি যখন দেহরক্ষীদের সঙ্গে নিয়ে দামি গাড়িতে করে পুলিশের মতো সাইরেন বাজিয়ে এলাকায় ঢুকতেন, তখন মানুষ তটস্থ থাকত। চলাচলে বাধা পেলে তাঁর সঙ্গে থাকা সেলিম বাবু, জাহিদ, দীপুসহ অন্তত সাতজনের একটি দল যাকে-তাকে মারধর করত। বাবা সংসদ সদস্য আর নিজে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হয়ে মানুষকে মানুষ ভাবারও সময় ছিল না ইরফান সেলিমের। নিজের বাসা ও অফিসকে তৈরি করেছিলেন অনেকটা দুর্গের মতো করে। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করেন এমন ওয়াকিটকি, হাতকড়া, ফ্রিকোয়েন্সি ডিভাইস পাওয়া যায়। মানুষকে ধরে এনে নির্যাতনের জন্য সেখানে গড়েছিলেন টর্চার সেল।<br><br>ঢাকা দক্ষিণ সিটির ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্ত হওয়া এই কাউন্সিলর সম্পর্কে গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে এমন অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধর এবং বাড়ি তল্লাশির পর র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত কারাদণ্ড দেওয়ার পর ইরফানকে গতকাল মঙ্গলবার সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ আদেশ জারি করে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ইরফানের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে চকবাজার থানায় দুটি মামলা করেছে র‌্যাব। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ।<br><br>ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলাটির তদন্ত ‘প্রভাবমুক্তভাবে’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মুহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এই মামলা প্রভাবমুক্তভাবে তদন্ত করা হবে।’ গতকাল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, ‘এখানে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা কেউ করবে না। একজন অপরাধীকে যেভাবে বিচারের আওতায় আনা দরকার, একইভাবে তাকেও আনা হবে।’<br><br>সরেজমিন : গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় ঢুকতেই মানুষের মুখে মুখে একটা কথাই শোনা যাচ্ছিল, ‘পোলাডা বাপের মানসম্মান রাখতে পারল না।’ স্থানীয় ব্যবসায়ী রজব আলী বলেন, ‘এমপি হাজি সেলিমের বিরুদ্ধে এলাকায় দখলবাজির অভিযোগ থাকলেও এলাকার যথেষ্ট উন্নয়ন করছেন তিনি। তাঁর পোলাডার অনেক কর্মকাণ্ড ভালো, তয় সে যহন রাস্তা দিয়া দ্রুতগতিতে গাড়ি নিয়া যায় তহন তার লোকজন রাস্তা ফাঁকা করতে সবাইকে বাধ্য করে। কথা না হুনলে লোকজনকে তারা মারধর করে। টর্চার সেলে ধইরা নিয়া যায়।’ সেখান থেকে দুপুরে চকবাজারের বড় কাটরার ২৬ দেবীদাস ঘাট লেনে ‘চাঁন সরদার দাদা বাড়ী’ যেতেই চোখে পড়ে মানুষের মধ্যে সন্ত্রস্ত ভাব। আশপাশের চায়ের দোকানে একই আলোচনা ছিল। হাজি সেলিমের ওই পৈতৃক বাড়ির গেটে যেতেই নিরাপত্তাকর্মী আনোয়ার হোসেন আনন্দ প্রথমে ভেতরে ঢুকতে বাধা দিয়ে বলেন, ‘স্যার (হাজি সেলিম) বাসায় নেই। ভেতরে ঢুকে কাউকে পাবেন না।’ এরপর সেখানে মিজানুর রহমান নামের একজন এসে ভেতরে ঢোকার অনুমতি দেন। তিনি বলেন, ‘এত বড় বাড়ি এখন ফাঁকা। তবে ইরফান সেলিম ও তাঁর বাবার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার পুরোটা সত্য নয়।’<br><br>সেখান থেকে চকবাজারের মদিনা আশিক টাওয়ারের ১৬ তলায় গিয়ে দেখা যায়, হাজি সেলিমের মদিনা ডেভেলপমেন্টের অফিসকর্মীরা যাঁর যাঁর কাজে ব্যস্ত। তবে তাঁদের চোখে-মুখে ছিল আতঙ্কের ছাপ। এ সময় কথা হয় মদিনা ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট অপারেশন ম্যানেজার মো. নাঈমের সঙ্গে। তিনি বলেন, এই ভবনে কোনো টর্চার সেল নেই। এই প্রতিনিধিকে ভবনটির ছাদে নিয়ে যান তিনি। সেখানে কিছু নির্মাণসামগ্রী চোখে পড়ে। তবে গত সোমবার র‌্যাব এই ভবনে অভিযান চালিয়ে ইরফান সেলিমের একটি গোপন অফিসের সন্ধান পাওয়ার দাবি করে।<br><br>র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, “আমাদের কাছে তথ্য ছিল ১৬ তলায় একটি গোপন কক্ষ আছে। কক্ষটি ‘টর্চার সেল’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ওই কক্ষ থেকে দড়ি, চাকু, গামছা, নেটওয়ার্কিংয়ের কাজে ব্যবহৃত ওয়াকিটকি, হাতকড়াসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। মানুষের হাড়ের মতো একটা কিছু পাওয়া গেছে। ফরেনসিক করার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।”<br><br>লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ গতকাল বলেন, ‘গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইরফান সেলিম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টর্চার সেলে মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে আমরা তদন্তে পেয়েছি, যারা তার অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা দিত তাদের সেখানে নিয়ে নিজের লোকজন দিয়ে মারধর করতেন তিনি।’<br>র‌্যাব জানায়, পুরান ঢাকায় চাঁদাবাজি এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য ওয়াকিটকি ব্যবহার করত ইরফান সেলিমের লোকজন। ওয়াকিটকিগুলো কাউন্সিলর হওয়ার পর বিদেশ থেকে এনেছেন তিনি। তাঁর সব অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করত দেহরক্ষী জাহিদসহ অন্যরা। স্থানীয় সাবেক কাউন্সিলর মানিককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র ব্যবহার করতেন এলাকায় প্রভাব ধরে রাখতে।<br><br>কারাগারে ইরফান : গত সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর মঙ্গলবার প্রথম প্রহরে ইরফানকে র‌্যাব হেফাজত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রকিবুল হাসান জানান, ইরফানকে সোমবার রাত দেড়টার পর কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ঢাকার জেলার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ইরফান কারাগারে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। করোনাভাইরাস মহামারিকালে কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো নতুন বন্দিকে একটি সেলে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়।<br><br>সাময়িক বরখাস্ত ইরফান সেলিম : গতকাল সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাজা হওয়ায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ইরফান সেলিমকে মঙ্গলবারই সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এরপর বিকেলে তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়। তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন। অপরাধীর পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। অপরাধী কোন দলের, কোন পদবিধারী এটা বিবেচনায় আনা হবে না।<br><br>হাজি সেলিমের দখলে থাকা অগ্রণী ব্যাংকের জমি উদ্ধার : পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মো. সেলিমের দখলে থাকা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের জমি উদ্ধার করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত সোমবার ব্যাংকের কর্মকর্তারা ওই জমিতে হাজি সেলিমের দেওয়া সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যাংকের জমি বুঝে নেন। গতকাল দুপুরে ওই জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাংকের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অন্তত ৩০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। সেখানে উপস্থিত ব্যাংকটির সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটোকল কর্মকর্তা মেজর আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এখানে প্রায় ২০ শতাংশ জমি আছে। এই জমির মালিক অগ্রণী ব্যাংক। তবে জায়গাটি অপব্যবহার করে এত দিন দখল করে আত্মসাতের চিন্তা-ভাবনা করছিলেন হাজি সেলিম। এই জমি উদ্ধারে চকবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।’ তিনি বলেন, গত ২০ মে অগ্রণী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (শাখা প্রধান) বৈষ্ণব দাস মণ্ডল জমিটি উদ্ধারে চকবাজার থানায় একটি জিডি করেন।<br><br>তিন দিনের রিমান্ডে ইরফানের ব্যক্তিগত সহকারী দীপু : ইরফান সেলিমের ব্যক্তিগত সহকারী এ বি সিদ্দিক দীপুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইল শহর থেকে দীপুকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গতকাল তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ‘সংসদ সদস্য’ স্টিকার লাগানো গাড়িতে দাপট : কাউন্সিলর হলেও বাবার ‘সংসদ সদস্য’ স্টিকার লাগানো গাড়িতে চলতেন ইরফান। সংসদ সদস্য ছাড়া অন্য কেউ সংসদ সদস্য স্টিকার লাগানো গাড়ি ব্যবহার করতে পারেন না। ঘটনার সময় আটক গাড়িটির কাগজপত্র সঠিক আছে কি না তা যাচাই করছে পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গাড়িটি ইরফানের ব্যক্তিগত, সংসদ সদস্য স্টিকার লাগানো ছিল। তবে ধানমণ্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া বলেন, গাড়িটি সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের। ঘটনার সময় তিনি গাড়িতে ছিলেন না। তাঁর ছেলে ইরফান সেলিম, নিরাপত্তারক্ষীসহ পাঁচ-ছয়জন ছিলেন।<br>"সূত্র কালের কণ্ঠ"<br><br></body></HTML> 2020-10-28 10:10:09 1970-01-01 00:00:00 ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের ছাড় নয়, বিতর্কিতদের কঠোর বার্তা দিতে চায় আ’লীগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99832 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857840_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857840_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত জনপ্রতিনিধি এবং দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের কঠোর বার্তা দিতে চায় আওয়ামী লীগ। দলের হাইকমান্ড থেকে ইতোমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে দলীয় সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতাদের। এ কারণে দল ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের কোনো ছাড় দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনরা। বিতর্কিত কাজে দলের প্রভাবশালী নেতা-এমপিরা জড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেয়া হচ্ছে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা।<br><br>একইসঙ্গে অনুপ্রবেশকারী-সুযোগ-সন্ধানীদের বিষয়েও সচেতন থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ড থেকে। দলটির নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারাও বলছেন, সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও অপরাধে জড়িতদের জন্য একটা সতর্ক বার্তা। জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান বলেন, দেশে যে আইনের শাসন আছে, দেশে যে বিচার ব্যবস্থা শক্তিশালী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেন না সম্প্রতিকালের কয়েকটি ঘটনা এর উৎকৃষ্ট প্রমাণ। সারা দেশে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে ও অপরাধে জড়িত- এটা অবশ্যই তাদের জন্যও একটা সতর্ক বার্তা।<br><br>একই বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর। তাই অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে, সে যে দলেরই হোক না কেন। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় অনেক ঘটনা হয়তো ঘটে যা আমাদের নজরে আসে না। কিন্তু সব সময় অপরাধীদের বিরুদ্ধে নেত্রীর অবস্থান কঠোর। এ বিষয়ে তৃণমূলে কঠোর বার্তাও দেয়া হয়েছে।<br><br>সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক ও প্রশাসনিক দু’ভাবেই তার বার্তা পাঠাচ্ছেন। দলীয়ভাবে কিছু নির্দেশনা দিচ্ছেন চিঠি দিয়ে। কাউকে কাউকে মৌখিক ও বার্তাবাহকের মাধ্যমে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া দলীয় অপরাধীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেখানে দুর্নীতি-অনিয়ম পাচ্ছি, সে আমার দলের যতবড় নেতা হোক, কর্মী হোক, যেই হোক, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি।<br><br>হ্যাঁ, তাতে আমাদের বিরোধী যারা, তাদের লেখার সুযোগ হচ্ছে, বা বলার সুযোগ হচ্ছে যে আওয়ামী লীগ দুর্নীতি করছে। কিন্তু এই কথাটা কেউ চিন্তা করছে না যে আওয়ামী লীগ দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছে না; সে যেই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ের পরে দলকে তৃণমূল পর্যন্ত ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। এর পরে সম্রাট-পাপিয়াসহ দল ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে দেখা যায় দলটিকে। তখন শুদ্ধি অভিযান শুরু হলেও করোনার কারণে তা শেষ করতে পারেনি দলটি। তবে করোনার মধ্যে পাপিয়া-সাহেদ এবং সিলেট-নোয়াখালীর ঘটনাসহ বিভিন্ন জায়গায় দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।<br><br>এছাড়া রোববার রাতে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় দলীয় এমপি হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইরফান ঢাকা দ?ক্ষিণ সি?টি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। এই ঘটনার পরে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার শ্বশুর নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরী।<br><br>এর আগে পাবনার বেড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) লাঞ্ছিত করার অভিযোগে পৌর মেয়র আবদুল বাতেনকে মেয়রের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে সরকার। আবদুল বাতেন বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পাবনা-১ আসনের সাংসদ শামসুল হকের ভাই। টানা ২১ বছর বেড়া পৌরসভার মেয়র পদে রয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কয়েক মাস আগে জেলা আওয়ামী লীগ তাকে দলীয় পদ থেকেও অব্যাহতি দিয়েছে।<br><br>ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে গালি ও হুমকি দেয়ার অভিযোগে মামলা করেছে নির্বাচন কমিশন। এই ঘটনার পর ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার প্রতি সহমর্মিতা ব্যক্ত করেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা। সাক্ষাৎকালে আওয়ামী লীগ নেতারা নিক্সনের মন্তব্যের নিন্দাও করেছেন। পাশাপাশি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।<br><br>হাজী সেলিমের ছেলের ঘটনায় সরকারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, এ ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কোনো গুণ্ডামি-মাস্তানি চলবে না। হাজী সেলিমের ছেলের ঘটনাটি গুণ্ডা-মাস্তানদের জন্য আরেকটি পরিষ্কার বার্তা, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। এই রাষ্ট্রে কোনো গুণ্ডামি-মাস্তানির সুযোগ নেই। সব গুণ্ডামি-মাস্তানির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র সক্রিয়।<br><br>জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, একটানা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে অনেকের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দল বিব্রত হচ্ছে। এ জন্য বিতর্কিতদের ব্যাপারে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা খুবই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার কঠোর নির্দেশনা হচ্ছে অপরাধী বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জড়িতরা যত ক্ষমতাশালীই হোক না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এটা কিন্তু হচ্ছে।<br>ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। এছাড়া আওয়ামী লীগের কোনো পর্যায়ের কমিটিতেও যেন বিতর্কিতরা জায়গা না পায় সে বিষয়েও নেত্রীর (শেখ হাসিনার) নির্দেশনা আছে। এ বিষয়ে একাধিকবার তৃণমূলে চিঠি দিয়েও সতর্ক করা হয়েছে।<br>"সূত্র যুগান্তর"</body></HTML> 2020-10-28 10:02:15 1970-01-01 00:00:00 দৈনিক সকালবেলার সম্পাদক ও প্রকাশক আর নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99831 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857556_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857556_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দৈনিক সকালবেলা’র সম্পাদক ও প্রকাশক সৈয়দ এনামুল হক আর আমাদের মাঝে নেই। ২৭-১০-২০২০ বিকাল and nbsp; রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন – (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন যাবত কিডনি এবং ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর, তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্নীয়স্বজন রেখে গেছেন। উপ-সম্পাদক জোসেফ ডি কষ্টা শোকবার্তা এই তথ্য জানিয়েছেন । তিনি বাংলাদেশ পত্রিকা মালিক/প্রকাশক সংস্থার মহাসচিব এবং বাংলাদেশ বেতারের একজন প্রবীণ পাঠক।</div><br></body></HTML> 2020-10-28 09:56:05 1970-01-01 00:00:00 ছুরিকাঘাতে প্লাস্টিক কারখানার কর্মী খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99830 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857167_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857167_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পুরান ঢাকার চকবাজারে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে ইলিয়াছ হোসেন নামে ২৪ বছর বয়সী এক যুবক খুন হয়েছেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছেন সেলিম রেজা নামে ২৭ বছর বয়সী আরেক যুবক। আহত যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর নিহতের লাশ পাঠানো হয় মর্গে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চকবাজার থনার খাঁজে দেওয়ান লেনে এই ঘটনা ঘটে।<br><br>মারা যাওয়া ইলিয়াস হোসেনের বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার ঘোড়ানাথ গ্রামে। তার বাবার নাম গোলাম নবী। জানা যায়, রাত নয়টার দিকে আলী আহমেদ প্লাস্টিক কারখানার কর্মী ইলিয়াছ কারখানা ছুটি শেষে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন। কারখানার সামনে আসার পর কয়েকজন দুর্বৃত্ত কারখানার সামনে ইলিয়াছকে আটক করে এবং তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে। চিৎকার শুনে সেলিম রেজা নামে এক যুবক এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। দুজনকেই উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইলিয়াছকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সেলিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।<br><br>ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, নিহতের লাশ মর্গে রাখা হয়। আর বিষয়টি চকবাজার থানাকে অবহিত করা হয়েছে।</body></HTML> 2020-10-28 09:52:21 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99829 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857082_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603857082_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার কারণে টানা সাত মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আজ থেকে চালু হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত বিমান চলাচল। এয়ার বাবল ব্যবস্থায় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা থেকে কলকাতার দমদম বিমানবন্দরের উদ্দেশে একটি ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যে দিয়ে বিমান চলাচল শুরু হয়। এছাড়া আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লি ও চেন্নাই থেকে ঢাকাগামী বিমান যাতায়াত শুরু হবে।<br><br>বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ ব্যবস্থায় আপাতত ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের জন্য ‘এয়ার বাবল’ ব্যবস্থায় দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল করবে। বাংলাদেশ থেকে ভারতের কলকাতা, দিল্লি ও চেন্নাইয়ে ফ্লাইট চলাচল করবে। প্রতি সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে যাবে। কলকাতা ও দিল্লিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, চেন্নাই ও কলকাতায় ইউএস বাংলা এবং নভোএয়ার শুধু কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে। অন্যদিকে ভারত থেকেও ২৮টি ফ্লাইট ঢাকায় আসবে। ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া, ইনডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার—পাঁচটি বিমান সংস্থার ফ্লাইট চলাচল করবে। ফ্লাইট চালুর ফলে সপ্তাহে পাঁচ হাজার বাংলাদেশি ভারত যাওয়ার সুযোগ পাবে।<br><br>এয়ার বাবল ব্যবস্থায় ফ্লাইটগুলো কেবল বাংলাদেশ ও ভারতের এক গন্তব্য থেকে অন্য গন্তব্যে যাবে। প্রতি ফ্লাইটে ছোট উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে শেষের দুটি সারি ফাঁকা রাখতে হবে। ৩৫০ বা এর বেশি আসনের বড় উড়োজাহাজ হলে সর্বোচ্চ ২৬০ জন যাত্রী নেওয়া যাবে। করোনা–পূর্ববর্তী সময়ের ভাড়াই নেওয়া হবে। তাই টিকিটের মূল্য বাড়বে না। করোনা মহামারি ঠেকাতে গত ১২ই মার্চ থেকে বিদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত। সম্প্রতি পর্যটন ভিসা ছাড়া নয়টি ক্যাটাগরিতে ভিসা ব্যবস্থা চালু করেছে দেশটি।<br><br></body></HTML> 2020-10-28 09:50:12 1970-01-01 00:00:00 ঘুরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন তিন বন্ধু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99828 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603856420_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603856420_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পূজার পর তিস্তা ব্যারেজ ঘুরতে এসে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন and nbsp; তিন বন্ধু। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের স্লুইচ গেট নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- জেলার সৈয়দপুর উপজেলার মুন্সিপাড়া গ্রামের অপিন চন্দ্র রায়ে ছেলে রিংকু রায় (২২), একই উপজেলার লক্ষনপুর বালাপাড়া গ্রামের নিতাই চন্দ্র রায়ের ছেলে দিপ্ত রায় (২২) ও দিনাজপুরের পারবর্তীপুর উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের প্রসজিৎ রায় (২৫)।<br><br>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৩টি মোটরসাইকেলে মোট ৮ জন যাচ্ছিল তারা। এর মধ্যে দুইটি মোটরসাইকেলে দ্রুতগতিতে স্লুইচ গেট পার হওয়ার সময় ধাক্কা লেগে তিনজন থাকা একটি বাইক স্লুইচ গেটের ক্যানেলের নিচে পড়ে যায়। পরে তাদের উদ্ধারের পর জলঢাকা হাসপাতালে নেয়ার পথে তারা মারা যায়।<br>জলঢাকা থানা পুলিশের ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেলটি যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে ৫০ ফিট নিচে পড়ে যায় তারা। এতে তিনজন নিহত হন।</body></HTML> 2020-10-28 09:39:58 1970-01-01 00:00:00 ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে আরও ৪ মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99827 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603856321_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603856321_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম ও তার সহযোগী জাহিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক ২টি করে মোট ৪টি মামলা দায়ের করেছে র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর চকবাজার থানায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে এসব মামলা দায়ের করা হয়। and nbsp; চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।<br><br>প্রসঙ্গত, গত রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে ধানমন্ডিতে ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে ইরফান ও তার সহযোগীরা নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করেন। এ ঘটনায় হাজী সেলিমের ছেলেসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত দু-তিনজনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় মামলা দায়ের করেন নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা। মামলা হওয়ার পর র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর থেকে পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটের দেবীদাস লেনে হাজী সেলিমের 'চান সরদার দাদা বাড়ি' ঘেরাও করে অভিযান চালায় র‌্যাব। <br><br>অভিযানে ওই বাসা থেকে অস্ত্র, ৩৮টি ওয়াকিটকি, বিদেশি মদসহ অবৈধ জিনিসপত্র জব্দ করা হয়। এরপর ইরফান সেলিমকে দেড় বছর ও তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মাদক সেবনের দায়ে ১ বছর ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার দায়ে ৬ মাসের দণ্ড দেয়া হয় ইরফানকে। দেহরক্ষীকে অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।</body></HTML> 2020-10-28 09:37:49 1970-01-01 00:00:00 ইরফান ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে র‌্যাবের চার মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99826 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810843_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810843_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মাদক, অস্ত্র ও ওয়াকিটকিসহ গ্রেপ্তার ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইরফান সেলিমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে র‌্যাব। এছাড়া ইরফান সেলিমের সহযোগী এমডি জাহিদের বিরুদ্ধেও পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।<br>এই তথ্য নিশ্চিত করেছে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তিনি বলেন, গতরাতে কাউন্সিলর মো. ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী এমডি জাহিদকে গ্রেপ্তারের পর আজ দুজনের নামে পৃথক চারটি মামলা হয়েছে। সব মামলায় অস্ত্র ও মাদক আইনে হয়েছে। র‌্যাব বাদী হয়ে চকবাজার থানায় মামলাগুলো করেছে।<br>রবিবার রাতে ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ‘সংসদ সদস্য’ লেখা সরকারি গাড়ি থেকে নেমে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধর করা হয়। রাতে এ ঘটনায় জিডি হলেও সোমবার ভোরে হাজী সেলিমের ছেলেসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওয়াসিফ। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, ‘তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলব।’ এরপর বের হয়ে ওয়াসিমকে কিলঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।<br>এই ঘটনার পর সোমবার কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াবা, অস্ত্র ও অবৈধ ওয়াকিটকি। পরে র‌্যাবের ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান সেলিমকে মাদক সেবনের দায়ে এক বছর এবং অবৈধভাবে ওয়াকিটকি ব্যবহার করায় ছয় মাস কারাদন্ড দেন। এছাড়া ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। সোমবার রাতে ইরফান সেলিমকে কারাগারে পাঠায় র‌্যাব।<br>এদিকে নৌবাহিনী কর্মকর্তার দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় ইরফানের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ। আগামীকাল বুধবার এ ব্যাপারে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।<br>ইরফানের বাসা থেকে যা উদ্ধার হয়<br>অভিযান চলাকালে ডিএসসিসির ৩০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান মো. সেলিমের বাসায় একটি লাইসেন্সবিহীন বিদেশি পিস্তল, একটি এয়ারগান, ৩৮টি ওয়াকিটকি, পাঁচটি ভিপিএস মেশিন, একটি হ্যান্ডকাফ, পাঁচ লিটার বিদেশি মদ, ৪০০ পিস ইয়াবা ও ১২টি বিয়ারের বোতল পাওয়া যায়। সেখানে একটি টর্চার সেলের সন্ধানও পাওয়া যায়।<br>তার কাছে যে ওয়াকিটকি সেট ও নিয়ন্ত্রণ মেশিনগুলো পাওয়া গেছে সেগুলো দিয়ে পাঁচ থেকে ১০ কিলোমিটার নেটওয়ার্কে কথা বলা যায়।<br>অভিযানের সময় ভিআইপিদের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত একটি ব্রিফকিসও পাওয়া গেছে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99825 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810811_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810811_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় সরকারের যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবারের একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। ৩১৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা খরচে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়নসহ সড়ক নিরাপত্তা’ নামের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এতে খরচ হবে ৩১৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এই প্রকল্পে ৬৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন করার প্রস্তাব ছিল।<br>প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশনের যে প্রকল্প সেখানে পুরো টাকাই সরকারের তহবিল থেকে দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’<br>একনেক সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে সচিব বলেন, ‘দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় লাগে, এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রে সচিব বা কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে এই বদলির কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো গ্যাপ (বিরতি) না হয়। তার জন্য যারা থাকবেন এবং যারা নতুন আসবেন, তাদেরকে একটি ওরিয়েন্টেশন করে তাদেরকে অবহিত করা হয় বা কোনো গ্যাপ যেন তৈরি না হয়।’<br>‘সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধন দিয়েছে একনেক।<br>এ বিষয়ে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা তুলে ধরে পরিকল্পনা বিভাগের সচিব বলেন, ‘এই প্রকল্পটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা ইতিহাস হওয়ার মতো একটি বিষয় যে, তিনটা দেশের প্রথম রাস্তা। প্রধানমন্ত্রী প্রথমবার যখন প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেই সময় এটার ডিজাইন করা এবং সেসময় শুরু করা। এটি বাংলাদেশের একমাত্র রাস্তা যেখানে ধীরগতির যানবাহনের একটা সাইড লেন আছে। আর যে নির্দেশনা উনি দিয়েছেন, সেটা হলো রাস্তা তৈরির সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে পানির চলাচল যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্রিজ, কালভার্ট ও পানি চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে রাস্তা এদিক-ওদিক করতে হবে। বিশেষ করে বিল, হাওর-বাঁওড় এগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে। কারণ এগুলো আমাদের লাইফ লাইন, এগুলো ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষা করে, বিভিন্নভাবে পানি সরবরাহ করে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে তিনি এই নির্দেশনা দিয়েছেন।’<br>‘মামলার কারণে প্রকল্প দেরি হয়ে যায়। মামলা যখনই হবে, তখনই যেন উদ্যোগী মন্ত্রণালয় সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা গ্রহণ করে, যাতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কোনোভাবে ব্যাহত না হয়’, এই নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলেও জানান সচিব।<br><br><br> </body></HTML> -0001-11-30 00:00:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে অবাধে চলছে মাদক ব্যবসা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99824 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810773_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810773_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনী পৌরসভা সংলগ্ন নির্মাণাধীন মার্কেট। এ মার্কেটের পেছনেই দিনরাত চলছে মাদকের কারবার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এমনকি ভ্রাম্যমান আদালতের বারবার অভিযানে কিছুতেই থামানো যাচ্ছেনা। এভাবে প্রকাশ্যে মাদকসেবীদের বিচরণে প্রতিনিয়ত পথচারীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হন। এ চিত্র শুধু এখানেই নয়, শহরের অন্তত ২০টি স্পটে অনেকটা বেপরোয়াভাবে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি হয় মাদক। এসব বিক্রির সাথে পুরুষের সাথে অনেক নারীরাও জড়িয়ে পড়ছেন।<br>দায়িত্বশীল সংস্থার নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, শহরের রেল ষ্টেশন, মহিপাল ফ্লাইওভার সংলগ্ন স্থান, মাষ্টারপাড়ায়, ভাষা শহীদ সালাম স্টেডিয়াম সংলগ্ন বনানী পাড়ার পরিত্যক্ত বাড়ি, কানন সিনেমা হল সংলগ্ন স্থান, শান্তিধারা আবাসিক এলাকা, সার্কিট হাউজ এলাকার কলোনী, বিরিঞ্চি, সহদেবপুর, জিএ একাডেমী স্কুলের পেছন, লালপোল এলাকার শামীমের কলোনী, কদলগাজী রোডের বস্ত্র হর্কাস মার্কেট সংলগ্ন স্থানে প্রতিদিন অপ্রতিরোধ্যভাবে বিক্রি হচ্ছে বাংলা মদ, গাঁজা, ইয়াবা ও ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য। জেলা প্রশাসন মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান, গোয়েন্দা পুলিশ, মডেল থানা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান কোনভাবেই বিক্রেতাদের থামাতে পারছেনা। অভিযান টের পেয়ে উল্লেখিত স্পটে ২/৩ ঘন্টা মাদক বিক্রি বন্ধ থাকে। এরপর আবার পুরোদমেই শুরু হয় কেনাবেচা। প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কখনো কখনো সাময়িক স্থান পরিবর্তন করা হয়। একটি সূত্র জানায়, লালপোল এলাকার একটি বস্তিতে প্রতিদিন দুই শতাধিক ব্যক্তি গাঁজা সংগ্রহ করতে আসে।<br>মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত শহর সহ জেলায় ৯শ ৮৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২টি মামলার মধ্যে ১২২টিতে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দন্ড দিয়ে মাদক কারবার ও সেবনে জড়িতদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন থানায় ৮০টি নিয়মিত মামলা হয়েছে।<br>জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো আবদুল হামিদ জানান, জেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ১শ ৭০ জন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ মাদক ব্যবসায়ী আটক করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।<br>তিনি আরো জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা একবার আটকের পর ব্যবসার ধরন পরিবর্তন করে। এরপরও প্রতিমাসে গড়ে ১২ থেকে ১৫টি নিয়মিত মামলা দায়ের ও ১২ থেকে ১৫ জন মাদক কারবারীকে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড করা হচ্ছে।<br>প্রবীণ সাংবাদিক আবু তাহের জানান, সমাজে মাদক রন্দ্রে রন্দ্রে ছেয়ে গেছে। সামাজিক সচেতনতা ও সামজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে। এজন্য সকলকে মাদক নির্মূলে সরকারের পাশাপাশি পারিবারিকভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে সন্তানদের ব্যাপারে বেশি বেশি নজরদারী রাখতে হবে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি এএনএম নুরুজ্জামান জানান, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক জেলা পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জেলায় মাদক নির্মূলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা সর্বাত্মক কাজ করছেন। মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।<br><br> </body></HTML> 2020-10-28 20:59:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনী মুহুরী নদীতে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=99823 http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810746_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/10/27/1603810746_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীর মুহুরী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক নাজিম উদ্দিনের (২৬) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ফেনী ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারি পরিচালক পুর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরী দল তার লাশ উদ্ধার করে। তাকে উদ্ধারে প্রায় আড়াই ঘন্টা ধরে প্রচেষ্টা চালায় ডুবুরীরা। তিনি জানান, নদীতে পানির স্রোত বেশি থাকায় তাকে খুঁজে পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।<br>এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী সদরের ফরহাদনগর ইউনিয়নের নৈরাজপুর এলাকার মুহুরী নদীতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সময় নদীতে পড়ে যায় নাজিম। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন টিপু জানান, স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তাদের ডুবরি দল এসে তার লাশ উদ্ধার করে। চেয়ারম্যান জানান, সে একজন মৃগী রোগী। নাজিম ওই ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামের ইউছুপ মেম্বার বাড়ির মৃত রুহুল আমিনের ছেল।<br><br><br> </body></HTML> 2020-10-28 20:59:00 1970-01-01 00:00:00