শনিবার, ২৪ জুলাই, 2০২1
ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রাম এবং বাংলাদেশের ভূমিকা
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
Published : Tuesday, 18 May, 2021 at 9:15 PM

গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলার নিন্দা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে তিনি চিঠিও লিখেছেন এবং তাদের সংগ্রামে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ আরব দেশ নয়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হলেও একটি সেক্যুলার দেশ। তবু মানবতা যেখানেই নিপীড়িত হয়েছে, সেখানেই বাংলাদেশ তার সাধ্যমতো প্রতিবাদ জানিয়েছে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সামরিক জান্তা বর্বর অত্যাচার চালিয়ে তাদের দেশত্যাগে বাধ্য করেছে। বাংলাদেশ একটি বড় এবং ধনী দেশ না হওয়া সত্ত্বেও লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যাটির সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ফিলিস্তিনিদের মতো রোহিঙ্গারাও মুসলমান। অথচ এবার তাদের ওপর বর্বর গণহত্যা চলতে থাকার সময়েও একটি মুসলিম দেশও (আরব দেশ) তার প্রতিবাদ জানাতে এগিয়ে আসেনি। আমেরিকা, রাশিয়া, ভারত ও চীন এই দেশগুলোও রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার নিবারণে টুঁ শব্দটি করেনি। বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা ৩০ লাখ নর-নারী-শিশু হত্যা করে। তাদের মধ্যে একটা বড় অংশই ছিল মুসলমান। কিন্তু ইরাকের সাদ্দাম হোসেন ছাড়া আর কোনো মুসলিম বা আরব দেশ তার প্রতিবাদ জানায়নি। বরং তখনকার সৌদি আরব তো এই গণহত্যায় পাকিস্তানকে সমর্থন ও সাহায্য জুগিয়েছে।

অতীতের এই ইতিহাসটা টানলাম এ জন্য যে আজ যখন ফিলিস্তিনিদের ওপর যে বর্বরতা চলছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো প্রকৃতপক্ষে নীরব। তাদের মধ্যে ইরান ও তুরস্ক এই বর্বরতার প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা মুসলিম দেশ বটে; কিন্তু আরব দেশ নয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর অস্ট্রিয়া সফর বাতিল করেছেন। কারণ অস্ট্রিয়ার সরকারি ভবনে ইসরায়েলি পতাকা তোলা হয়েছে। অন্যদিকে তুরস্ক গাজার সহিংসতার বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিতে আহ্বান জানিয়েছে।

সেক্যুলার দেশ হিসেবে তুরস্ক একসময় ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধে কোনো পক্ষ নিতে চায়নি। বরং ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ও মৈত্রী অক্ষুণ্ন রেখেছে। এখন তুরস্কে ধর্মীয় জাতীয়তা ঘেঁষা সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তাই তারা ফিলিস্তিন প্রশ্নে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ডাক দিয়েছে। কিন্তু ইসরায়েল এই ঐক্যের পরোয়া করবে না। সে জানে বেশির ভাগ মুসলিম দেশের শাসকদের ঐক্য মানে শূন্য যোগ শূন্য, যোগ শূন্য, মোট ফল শূন্য।

কথাটা বলেছিলেন পঞ্চাশের দশকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। তিনি তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। আরব দেশগুলোর শক্তি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি ঠাট্টা করে বলেছিলেন, জিরো প্লাস জিরো, প্লাস জিরো, ইকুয়াল টু জিরো। এ অবস্থার এখন পরিবর্তন হয়েছে। আমেরিকার কাছ থেকে দেদার অস্ত্র কিনে সৌদি আরব এখন মোটামুটি শক্তিশালী। তুরস্কের সামরিক ক্ষমতাও কম নয়। ইরানকে সঙ্গে নিয়ে তুরস্ক ও সৌদি আরব জোট বাঁধলে ইসরায়েলির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনিদের ওপর এই বর্বরতা চালানো সম্ভব হতো না। বরং এত দিনে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত হতো।

কিন্তু তা হবে না। কারণ মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশে প্রতিক্রিয়াশীল শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায়, তারা আমেরিকার কৃপার ওপর নির্ভরশীল। মিসরে নাসের এবং ইরাকে সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতায় থাকাকালে যেভাবে ইসরায়েলের বর্বর আধিপত্য থেকে ফিলিস্তিনিদের মুক্ত করার চেষ্টা চালিয়েছেন, সে চেষ্টা চালাবার কোনো নেতা মধ্যপ্রাচ্যে এখন নেই। মধ্যপ্রাচ্যে সাদ্দাম হোসেন ইসরায়েলের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠাতেই পশ্চিমা শক্তি ছলে-বলে-কৌশলে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করে হত্যা করেছে।

 সৌদি আরব এখন অস্ত্রবলে যথেষ্ট শক্তিশালী। কিন্তু সে শক্তি সৌদি রাজারা প্রয়োগ করছেন প্রতিবেশী মুসলিম রাষ্ট্র ইয়েমেনে হুজিদের ওপর। এই হুজিরাও মুসলমান। ব্রিটেনের কাছ থেকে অস্ত্র সাহায্য নিয়ে এই হুজিদের ওপর নির্মম বোমা হামলা চালাচ্ছে সৌদি আরব। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বর্বর গণহত্যা শুরু হতেই হুজি নেতারা সৌদি আরবের কাছে এক আবেদন জানিয়েছেন, এই বোমা আমাদের মাথায় না ফেলে ইসরায়েলের মাথায় মারা হলে ফিলিস্তিনিদের রক্ষা করা যেত।

 সৌদি আরবের বর্তমান ক্রাউনপ্রিন্স সালমান অনেকটা আধুনিকমনা, তিনি ইরানের সঙ্গে বিবাদ মিটিয়ে ফেলার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু ইরানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন, তার সম্ভাবনা নেই। সুতরাং অন্যান্যবারের মতো এবারও ফিলিস্তিনিদের মার খেয়ে মার হজম করতে হবে, তাতে সন্দেহ নেই।

আবার একটু অতীতের কথায় ফিরে যাই। বাংলাদেশ তখন সবে স্বাধীন হয়েছে। ১৯৭৩ সালের কথা, ইসরায়েল সেবারেও ফিলিস্তিনি আরবদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সঙ্গে লিবিয়ার ওপরেও। বঙ্গবন্ধু তীব্র ভাষায় এই হামলার নিন্দা করেন। তিনি বলেন, ‘আক্রান্তরা কোন ধর্মের লোক তা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। আমার মতে আক্রান্ত হয়েছে মানবতা। আমার হাতে অস্ত্র থাকলে আমি ফিলিস্তিনি ভাইদের অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করতাম। আমার হাতে অস্ত্র নেই, তবু আমাদের প্রতীকী সাহায্য পাঠাচ্ছি ফিলিস্তিনে এবং লিবিয়ায়।’ বঙ্গবন্ধুর এই প্রতীকী সাহায্য (ঃড়শবহ যবষঢ়) ছিল বাংলাদেশের চায়ের ব্যাগ। এই সাহায্য নিয়ে একটি প্রতিনিধিদল যায় লিবিয়ায়।

ফিলিস্তিনে বঙ্গবন্ধুর এই টি ব্যাগ পাঠানো অভিহিত হয়েছিল পশ্চিমা কাগজে “মুজিব’স টি ব্যাগ ডিপ্লোমেসি” নামে। ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের বর্বরতা সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর স্পষ্ট ভাষণ সম্ভবত ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীকেও প্রভাবিত করেছিল। তিনি সঙ্গে সঙ্গে কাশ্মীরিদের জাতীয় নেতা এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহকে মুক্তি দেন। তাঁকে আবার মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে দেন। কাশ্মীরে মোতায়েন ভারতীয় সৈন্যের তৎপরতা বন্ধ হয়। অনেকে বলেন, শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে তাঁর মধ্যস্থতায় এত দিনে কাশ্মীর সমস্যার একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়ে যেত। ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আলজেরিয়ায় জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনে যখন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের দেখা হয়, তখন বঙ্গবন্ধু ফিলিস্তিনি নেতাকে বলেছিলেন, ‘পটকা নিয়ে বন্দুকের সঙ্গে লড়াই করা যায় না। আপনাদের আসল মুক্তি জনগণের ঐক্য এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে। জনগণের ঐক্যের সামনে আণবিক বোমাও কিছু নয়। দুর্ভাগ্যবশত আরব দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য নেই। ফিলিস্তিনিদের মুক্তিসংগ্রামীদের মধ্যেও ঐক্য নেই। ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ করার আগে এই ঐক্য গড়ে তুলুন। আর একটি কথা, দুর্বল অবস্থানে থেকে কখনো শত্রুর সঙ্গে আপস করতে যাবেন না।’ বঙ্গবন্ধু ও ইয়াসির আরাফাতের এই ঐতিহাসিক বৈঠকের বিবরণ আলজেরিয়ার আরবি ভাষায় প্রকাশিত সংবাদপত্রে বড় করে ছাপা হয়েছিল।

১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ লর্ড বেলমুরের কৃপায় ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে তাঁর দস্যুবৃত্তি ও আগ্রাসন শুরু। ক্রমাগত সে আরবদের ভূমি দখল করে চলেছে। অন্যদিকে অধিকৃত এলাকায় আরবদের সব নাগরিক অধিকার হরণ করে তাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। এটা নিয়ে সংঘর্ষ, দাঙ্গা, যুদ্ধবিগ্রহ কম হয়নি। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোর, বিশেষ করে আমেরিকার প্রত্যক্ষ সাহায্য ও সহযোগিতায় ইসরায়েল শুধু টিকে থাকেনি। মধ্যপ্রাচ্যে তার দস্যুবৃত্তি ক্রমাগত চালিয়ে যাচ্ছে। মিসরের নাসের এবং ইরাকের সাদ্দাম হোসেন যত দিন ক্ষমতায় ছিলেন, তত দিন তাঁরা সামরিক পন্থায় ইসরায়েলের আগ্রাসনকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তখন সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোও ছিল ফিলিস্তিনের পক্ষে। তাদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবির পক্ষে। এখন নাসের, সাদ্দাম হোসেন কেউ নেই। আমেরিকার চাপে পড়ে সৌদি আরবসহ বেশির ভাগ আরব দেশ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে তার সঙ্গে মৈত্রী পাঠিয়েছে। ফলে ফিলিস্তিনিরা এখন একা। আরব, ইরান ও তুরস্ক সমর্থন জানাচ্ছে বটে। কিন্তু তা তেমন ফলপ্রসূ সমর্থন নয়।

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জোর করে ইসরায়েলিরা আরব বাসিন্দাদের তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে গেলে এবারের সংঘর্ষ শুরু হয়। আরেকটি কারণ এবারের পবিত্র ঈদ উপলক্ষে পবিত্র আল আকসা মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য গমনের ব্যাপারে আরবদের বাধা দেওয়া। আসল কারণ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কা ঠেকা দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকতার নীতি গ্রহণ। সব দেশেই পতনোন্মুখ শক্তি নিজেদের পতন ঠেকানোর জন্য ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িক নীতি গ্রহণ করে জনগণকে বিভক্ত করতে চায়। ইসরায়েলে নেতানিয়াহু এবার তা-ই করেছেন। ইসরায়েলে বসবাসকারী আরব ও ইহুদিরা যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি এত দিন অনুসরণ করে এসেছে, তাতে তিনি ভাঙন ধরিয়েছেন।

ফলে ইসরায়েলের ভেতরেই আরব ও ইসরায়েলিদের মধ্যে যে ব্যাপক দাঙ্গা শুরু হয়েছে, লন্ডনের সানডে টাইমস আজ (রবিবার) তাদের সম্পাদকীয় নিবন্ধে তাকে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলেছে। ইসরায়েলি শহর লডের মেয়র বলেছেন, এটা গৃহযুদ্ধ। এই গৃহযুদ্ধ বাধিয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু নিজেও এখন শঙ্কিত। বলেছেন, ‘বাইরের আরবরা ইসরায়েলের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু ইসরায়েলের ভেতরে আরব-ইহুদি দাঙ্গায় তিনি বেশি চিন্তিত। এই দাঙ্গা ইসরায়েলের অস্তিত্বের সংকট ডেকে আনতে পারে।’

এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর দূত পাঠিয়েছেন ইসরায়েলে দুই পক্ষের বিবাদ মেটানোর নামে। আসলে বিবাদ না মিটিয়ে স্থিতাবস্থা রক্ষার নামে ইসরায়েলের অপরাধের কোনো প্রতিকার করা হবে না। শুধু ইসরায়েলি হামাসদের রকেট নিক্ষেপ বন্ধ করা হবে। আমেরিকার বিদায়ি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইসরায়েলকে অন্ধ সমর্থনদানের নীতি বর্তমান প্রেসিডেন্টও ত্যাগ করেননি, তার প্রমাণ মেলে বর্তমান সংঘর্ষ নিয়ে তাঁর মন্তব্যে। তিনি প্রকারান্তরে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বর্বরতাকে সমর্থন দিয়ে বলেছেন, ‘ইসরায়েলের আত্মরক্ষা করার অধিকার রয়েছে।’ আমেরিকার সাম্প্রতিক কালের বেশির ভাগ প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিন সমস্যায় এই একই কথা বলেছেন, বাইডেন নতুন প্রেসিডেন্ট, কিন্তু নতুন কথা কিছু বলেননি।

হিটলার ইহুদিদের ওপর যে অত্যাচার চালিয়েছিলেন, যেভাবে ইহুদিদের বাস্তুহারা করেছিলেন, সেই বর্বতার চেয়ে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের বর্তমান বর্বরতা কম কিছু নয়। আর তাকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট আখ্যা দিচ্ছেন ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার। গত শতকে হিটলার তাহলে জার্মানির আত্মরক্ষার অধিকার রক্ষার জন্য লাখ লাখ ইহুদি হত্যা করেছিলেন?

ফিলিস্তিনিদের মুক্তি এবং স্বাধীনতা অর্জন মার্কিন মধ্যস্থতা দ্বারা কোনো দিন সম্ভব হবে না। সম্ভব হবে নিজস্ব ঐক্য ও সংহতি দ্বারা। আরব শাসকদের সঙ্গে নয়, আরব জনগণের সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের সুদৃঢ় ঐক্য এবং সম্মিলিত প্রতিরোধই ফিলিস্তিনিদের জয়ের সম্ভাবনা নিশ্চিত করবে। খণ্ড খণ্ড গেরিলা যুদ্ধ নয়, ঐক্যবদ্ধ জনযুদ্ধেই রয়েছে ফিলিস্তিনিদের অধিকার অর্জনের পথনির্দেশ।
"সূত্র কালের কণ্ঠ"


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি