রবিবার, ১৬ মে, 2০২1
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে ৪ জন নিহত
Published : Saturday, 10 April, 2021 at 4:11 PM

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে চতুর্থ দফায় ভোট গ্রহণ চলাকালীন ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। কোচবিহারে দুপক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গুলি চালিয়েছে পুলিশ। এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ জেলার ৪৪টি কেন্দ্রে শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোট শুরু হয়েছে। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিজেপি এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় চারজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ওই চার জনের পরিচয় জানা যায়নি।

এ ঘটনায় বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানান, দুপক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে ১০০ জনের বেশি মানুষ জমায়েত হয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। তারা অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালিয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, আজ কোচবিহারের শীতলকুচিতে ভোটকেন্দ্রের কাছেই গুলিবিদ্ধ হয়ে আনন্দ বর্মন নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। ১৮ বছর বয়সী আনন্দ বর্মন এবারই ভোটার হয়েছেন। তার পরিবার জানিয়েছে, আনন্দ প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার জন্য সকালেই ভোটকেন্দ্রের দিকে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু ভোট দেওয়ার আগেই তাকে গুলি করা হয়।

গুলিতে নিহত আনন্দ বর্মনকে নিজেদের কর্মী দাবি করে পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দিয়েছে বিজেপি ও তৃণমূল। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই তরুণ তাদের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। গত কয়েকদিন ধরেই এলাকায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালাচ্ছিল। ভোটের দিন সকালেও তৃণমূল পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এলাকায় ব্যাপক গুলি ও বোমাবাজি হয়েছে। নাটাবাড়ির তৃণমূল প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ‘ওই তরুণ আমাদের কর্মী। বিজেপির কর্মীরা তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। এই ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। গোটা জেলায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি।’

অন্যদিকে,স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, সিআরপিএফ জওয়ানরা বিজেপির হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। যাদের ওপর সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর দায়িত্ব তারা নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে। স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দলে দলে ভোট দিতে যাচ্ছিলেন মানুষ। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভেতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।

তৃণমূল থেকে বিজেপি-তে যাওয়া নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তার বক্তব্য, ‘কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে যেভাবে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য দিচ্ছেন মমতা, তার জন্য মানুষ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আক্রমণ করেন। তাতেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে সিআইএসএফ।


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি