http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - বাবার লাশ রেখে পালিয়ে যাওয়া থেকে টিকা যুগে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104631 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615172346_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615172346_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সারা দেশের মানুষ সেদিন গণমাধ্যমে চোখ রেখেছিল। ঘটনা ২০২০ সালের ৮ মার্চ। ওই দিন প্রথম বাংলাদেশে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়। এক শব্দের করোনাভাইরাস সেদিন দেশে নতুন উদ্বেগ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তত দিনে সারা পৃথিবী কাঁপছিল করোনা আতঙ্কে। করোনা নামক এই সংক্রামক ভাইরাসটি এক ভয়ংকর রূপে আবির্ভূত হয়েছিল বিশ্বজুড়ে। সেই আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে উঠেছিল পুরো বাংলাদেশ। এরপর একে একে দেশে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বাড়তে থাকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। তারপর থেকে জনসাধারণের চোখ আর প্রচারমাধ্যম থেকে সরেনি।<br><br>প্রতিদিন দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন করে করোনার হালনাগাদ তথ্য জানাতেন। এসব হালনাগাদ তথ্য জানার জন্য আতঙ্কগ্রস্ত মানুষ ভিড় জমাতেন টেলিভিশনের সামনে। এই আতঙ্ক আরো বাড়িয়ে দেয় গত বছরের ১৮ মার্চ। সেদিন প্রথম দেশে ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।<br><br>একই দিনে অর্থাৎ ১৮ মার্চ নতুন করে চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। তত দিনে দেশে মোট আক্রান্ত ১৪ জন। তারপর থেকে করোনা আতঙ্ক যেন আরো জেঁকে বসে মানুষের মনে। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, কোনো ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হলে তাকেসহ পুরো পরিবারকেও ভিন্ন চোখে দেখা হতো। সামাজিকভাবে হেয় করা হতো। যেন করোনায় আক্রান্ত হওয়া মানেই বিশাল অপরাধ করে বসা! এই যখন অবস্থা, তখন সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার হওয়া থেকে বাঁচতে করোনায় আক্রান্ত হলেও মানুষ তা গোপন করা শুরু করেন। শুধু তাই নয়, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের কাছেও তথ্য লুকাতেন, যা করোনা পরিস্থিতিকে আরো ভয়ংকর রূপ দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট নানা মহল থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল সে সময়।<br><br>করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া প্রথম ব্যক্তিকে দাফন করা হয়েছিল রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে। দাফনের সময় মৃত ব্যক্তির কোনো স্বজন ছিলেন না সেখানে। এরপর করোনায় মৃত ব্যক্তিদের খিলগাঁওয়ের তালতলা কবরস্থানে দাফন করা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই আতঙ্কের ছিল যে, করোনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন ঠেকাতে বিক্ষোভ করেছিল স্থানীয়রা। লাশ থেকেও করোনা সংক্রমণ ছড়াতে পারে সেই ভয়ে ওই বিক্ষোভ হয়েছিল। সময় গড়াতে থাকে আর করোনা আতঙ্ক যেন আরো জেঁকে বসে। ওই সময় কোনো বাসায় করোনার রোগী পাওয়া গেলে বাসাটিই পুরোপুরি লকডাউন করে দেওয়া হতো। সামান্য জ্বর আসার খবর জেনে বৃদ্ধা মাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার মতো ঘটনারও সাক্ষী এই করোনাকাল। পরিস্থিতির প্রভাব ও মনোভাব এমন ছিল যে, করোনা আক্রান্ত বাবার লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যেত সন্তানই। দাফন-কাফনে উপস্থিত থাকা তো অনেক দূরের কথা।<br><br>করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির লাশ গত বছরের ১ এপ্রিলে তালতলা কবরস্থানে নেওয়া হয়। লাশটি নিয়ে যান স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আল মারকাজুল ইসলামীর চার ব্যক্তি। লাশটি দাফন করেন ওই কবরস্থানের চার গোরখোদকসহ মোট আটজন। করোনায় মারা যাওয়া রোগীর লাশ দাফন করা শুরু হলে চারজন গোরখোদক গ্রামে পালিয়ে যান। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে তারা পুনরায় ফিরে আসেন।<br><br>৬৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির দাফন শেষে আল মারকাজুল ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হামজা ইসলাম ঘটনাস্থলেই এই প্রতিবেদককে বলেছিলেন, ‘আমরা দুপুরের দিকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে যাই লাশটি আনতে। গিয়ে শুনতে পেলাম, লাশের সঙ্গে বৃদ্ধের ছেলে ছিলেন। কিন্তু লাশ কবরস্থানে আনা হবে—এমন খবর শুনে ওই বৃদ্ধের ছেলে হাসপাতাল থেকে পালিয়েছিলেন। আমরা তাঁকে আর খুঁজে পাইনি। ফোন করলেও তিনি আসেননি। অথচ মৃতের ছেলের জন্য আমরা এক ঘণ্টা হাসপাতালে অপেক্ষা করেছিলাম। পরে আমরা লাশ নিয়ে কবরস্থানে চলে এসেছি।’<br><br>এমনই এক প্রেক্ষাপটে করোনা পরিস্থিতি, বাস্তবতা ও করোনায় মনোভাব নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে করোনাভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভাইরোলজিস্ট) অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলছিলেন, ‘রোগে আক্রান্ত হয়ে বাবা মারা গেছেন হাসপাতালে। সেই খবর শোনার পর সন্তান হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন—এমন কথা করোনাকালের আগে কেউ শুনেছিল? যেন পৃথিবীর এক নতুন রূপ দেখেছি আমরা। একইসঙ্গে মানুষকে খুব মানবিকও হয়ে উঠতে দেখা গেছে। অন্যদিকে কেউ কেউ আবার করোনার নমুনা পরীক্ষা করে জাল রিপোর্ট দেওয়াসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছিলেন। এক উদ্ভট প্রেক্ষাপট দেখেছি আমরা।’<br><br>তবে করোনাভাইরাস নিয়ে এখন মানুষের আতঙ্ক আগের মতো নেই, পাল্টেছে পরিস্থিতিও। করোনা আর কাজের সঙ্গে মানুষ মানিয়ে নিয়েছে। করোনায় আক্রান্ত মানুষ এখন বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ আবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখন করোনায় কেউ মারা গেলে তার পরিবার চাইলে লাশ নিজ এলাকাতেই দাফন করতে পারে। মানুষ জানাজাতেও অংশ নিচ্ছে। সব পরিবেশই স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। স্বাভাবিক হয়নি শুধু প্রাণঘাতী করোনা। মানুষের প্রাণ কেড়েই চলেছে এই মরণ ভাইরাস।<br><br>কিন্তু এই মরণ ভাইরাস যাতে আর বেশি দিন প্রাণ কাড়তে না পারে, সেজন্য সমগ্র পৃথিবী একযোগে উঠেপড়ে লেগেছিল। যার ফল এক বছরের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাস প্রতিরোধী উপযোগী টিকা তৈরি করেছে। সেই টিকা এখন বিশ্বব্যাপী মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত যা দেখা গেছে, তাতে মনে হচ্ছে টিকাগুলো কার্যকরী। যদিও বাংলাদেশে টিকা আসার শুরুতে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও কার্যকারিতা নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হয়েছিল। সব কিছুর পর বাংলাদেশ করোনা টিকার যুগে প্রবেশ করে গত ২৭ জানুয়ারি। ওইদিন রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ২৬ জনকে টিকা দেওয়া হয়। যে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর থেকে মানুষের টিকাভীতিও দূর হতে থাকে। সেই ২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে গতকাল ৭ মার্চ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে মোট পাঁচ লাখ ৫০ হাজার ৩৩০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরো ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে আট হাজার ৪৬২ জন। আর করোনা থেকে রক্ষা পেতে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রেজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা গ্রহণ করেছেন ৩৭ লাখ ৮৯ হাজার ৩৫২ জন।<br><br></body></HTML> 2021-03-08 08:56:45 1970-01-01 00:00:00 বিদেশি মদ আটক করে বিক্রি, পুলিশের দুই এসআই ক্লোজড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104630 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615172038_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615172038_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিদেশি মদ বিক্রির অভিযোগে সুনামগঞ্জে পুলিশের দুই এসআইকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদেরকে পুলিশ লাইনসে নেয়া হয়েছে।রোববার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, শুধু প্রত্যাহারই শেষ কথা নয়; এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হবে। প্রত্যাহারকৃত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানার এসআই নোবেল সরকার ও এসআই অপূর্ব সাহা।<br><br>সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাবাজার ইউনিয়নের দুই মাদক কারবারিকে চার কার্টুন বিদেশি মদসহ আটক করেন এসআই নোবেল ও অপূর্বসহ তাদের সঙ্গীয় ফোর্স। এক কার্টুন মদ জব্দ দেখিয়ে মামলা দায়েরের পর কৌশলে অবশিষ্ট তিন কার্টুন মদ বাংলাবাজার এলাকার পূর্ব পরিচিত তানিয়েল নামের অপর এক মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেন থানার ওই দুই এসআই। পরবর্তীতে সুনামগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অপর একটি টিম দোয়ারাবাজারের বাংলাবাজারে ফের ২ মার্চ মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে বাজারে থাকা তানিয়েলের সহোদর তানভিরের দোকান থেকে ৩ কার্টুন বিদেশি মদ জব্দ করে।জিজ্ঞাসাবাদে তানভির জানান, থানার দুই এসআই নোবেল সরকার ও অপূর্ব কুমার সাহা এসব মদ তার ভাইয়ের কাছে বিক্রি করে গেছেন। <br><br>গোয়েন্দা পুলিশের টিম তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে অবহিত করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান প্রাথমিকভাবে দুই এসআইয়ের মদ বিক্রির সত্যতা নিশ্চিত হন। রোববার রাতে দোয়ারাবাজার থানার ওসি মো. নাজিম উদ্দিন জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশে বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত থানার দুই এসআইকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। <br><div><br></div><div>"সূত্র যুগান্তর"<br></div></body></HTML> 2021-03-08 08:52:02 1970-01-01 00:00:00 দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104629 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615171841_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615171841_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চট্টগ্রামের বায়েজীদ বোস্তামি থানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পিস্তল সোহেল ও মামুন-রিপন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। তার নাম ইমন (২৭)। রোববার সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর বায়েজীদ বোস্তামি থানাধীন মুক্তিযোদ্ধা কলোনি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত ইমন বায়েজীদ বোস্তামি থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধা কলোনির নুর কাশেমের ছেলে। এছাড়া ইমন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী বলে জানা গেছে।<br><br>সূত্র জানায়, ইমনসহ তার কয়েকজন বন্ধু বায়েজিদ থানার আরেফিন নগর এলাকায় একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। ৩০-৪০ জনের একটি দল এসে অতর্কিত তাদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ইমনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে ইমন হোসেন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিহত ইমনের খালাতো ভাই ইয়াসিন বলেন, সম্প্রতি ছাত্রলীগের একটি কমিটি নিয়ে এই কোন্দলের সূত্রপাত।</body></HTML> 2021-03-08 08:49:43 1970-01-01 00:00:00 দেশের ইমেজ সবার আগে: প্রধান বিচারপতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104628 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615171023_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615171023_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সিলেটের শাহপরান থানায় করা এক মামলায় গোলাম সরোয়ার নামে এক ব্যক্তির জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।<br>ওই ব্যক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন খারিজ করে রোববার (০৭ মার্চ) আদেশ দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান।<br><br>শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, আমেরিকাতেও স্যাটায়ার (ব্যঙ্গাত্মক রচনা) লেখা হয়। কিন্তু আমাদের দেশের মতো এত নগ্নভাবে করা হয় না। আমাদের এখানে যেসব ভাষা ব্যবহার করা হয়, তা কীভাবে একজন শিক্ষিত লোক লিখে থাকেন? তাহলে শিক্ষার মর্যাদা কোথায় রইল! বেশ কয়েকটি মামলায় এ ধরনের ভাষা আমরা ব্যবহার করতে দেখেছি। মনে রাখতে হবে, দেশের ইমেজ সবার আগে।<br>ভবিষ্যতে আর যাতে এ ধরনের মন্তব্য না করেন সেজন্য আইনজীবীর মাধ্যমে তাকে (সারোয়ার) সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।<br><br>তিনি বলেন, মেডিক্যাল গ্রাউন্ডে ওই আসামিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। and nbsp; আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে বলেন, আসামি এক বছর ধরে কারাগারে আছেন। এখনো অভিযোগপত্র হয়নি। হার্টে চারটি স্ট্রেন্টিং রয়েছে। অসুস্থ মানুষ বিনাবিচারে কারাগারে রয়েছে। এ কারণে জামিন বহাল রাখা প্রয়োজন। এ সময় আদালত বলেন, হার্টে চারটি স্ট্রেন্টিং নিয়ে এসব কুরুচিপূর্ণ লেখা লিখে বেড়ান? তখন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে দেওয়া পোস্টে যেসব ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো আমি প্রকাশ্য আদালতে পাঠ করে শোনাতে চাচ্ছি না। আপনারা দয়া করে একটু এজাহারটা দেখুন।<br><br>এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, স্যাটায়ার করুন, কিন্তু সেটার ভাষা পরিশীলিত হতে হবে। যেসব ভাষা ব্যবহার করেছে তাতে শিক্ষিত লোকের সঙ্গে যায় না। তিনি আসামির আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, আপনার আসামিকে সতর্ক করে দিচ্ছি। ভবিষ্যতে আর এরকম করলে জামিন হবে না।<br>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে কটূক্তি করে বিভিন্ন নেতিবাচক পোস্ট, ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করার অভিযোগে গত বছর ১৪ মার্চ গোলাম সারোয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়।<br><br>পরদিন ১৫ মার্চ সিলেটের শহাপরান থানায় গোলাম সারোয়ারের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। এ মামলায় গতবছর ১১ অক্টোবর হাইকোর্ট তাকে জামিন দেন। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করলে গতবছর ১৮ অক্টোবর হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করে দেওয়া হয়। <br></body></HTML> 2021-03-08 08:36:26 1970-01-01 00:00:00 এনআইডি জালিয়াতি: পাঁচ নির্বাচনী কর্মকর্তার নামে মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104627 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615170859_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615170859_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুষ্টিয়ায় এনআইডির জালিয়াতির ঘটনায় এক উপসচিবসহ পাঁচজন নির্বাচনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত বছর জালিয়াতির মাধ্যমে ছয়জনের এনআইডি পরিবর্তন করে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট এলাকার কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ১৭ কাঠা জমি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ওই সময় জমির মালিক ওয়াদুদ কুষ্টিয়া মডেল থানায় ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জনের নামে মামলা করেন।<br>এদিকে এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় নির্বাচন অফিসের পক্ষ থেকে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের সত্যতা মেলায় বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) কুষ্টিয়া মডেল থানায় এই মামলা করেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। রবিবার সন্ধ্যায় জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।<br><br>মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাবিদ হাসান বলেন, এতে আসামি করা হয়েছে, ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস, কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিস সহকারী জিএম সাদিক সত্যবাদী।<br><br>একই দিনে আরেকটি মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়। এতে আসামি করা হয়েছে কুষ্টিয়া সদরের নির্বাচন কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম। ঘটনার সময় তিনি কুমারখালী উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা ছিলেন। এসব মামলায় দন্ড বিধির ৪২০, ৪৬৮/১০৯ ধারা ছাড়াও ২০১০ সালের ভোটার তালিকা আইন এবং ডিজিটাল নির্বাচন আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কুষ্টিয়া শহরের এন এস রোডে ওয়াদুদ ও তার পরিবারের এনআইডি কার্ড জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রি করে দেয় একটি জালিয়াতি চক্র। এ ঘটনায় কুষ্টিয়াসহ সারাদেশে তোলপাড় শুরু হয়। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসতে থাকে জালিয়াতি চক্রের মূল হোতাদের নাম।<br><br>এনআইডি জালিয়াতি করে শতকোটি টাকার জমি দখলের মূলহোতা বড় বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল এবং যুবলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান সুজনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার চলছে। বাকিরা এখনও পলাতক। শতকোটি টাকার জমি দখল ও এনআইডি জালিয়াতি চক্রের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করেন এসব নির্বাচনী কর্মকর্তা। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ায় এখন তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো বলে জানান মামলার বাদী আনিসুর রহমান।</body></HTML> 2021-03-08 08:33:41 1970-01-01 00:00:00 ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা, ছেলে গুলিবিদ্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104626 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615170651_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615170651_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যশোরের অভয়নগরে নূর আলী ওরফে নূর আলী মেম্বার (৫০) নামে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তার ছেলে ইব্রাহিমও (১৬) গুলিবিদ্ধ হয়েছে। রোববার (৭ মার্চ) রাত ৮টার দিকে শুভরাড়া ইউনিয়নের শুভরাড়া গ্রামের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নূর আলী উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।<br><br>অভয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি-তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল জানান, রোববার অভয়নগর থানা পুলিশের ৭ মার্চের আনন্দ উদযাপন অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যার পর মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন নূর আলী ও তার ছেলে। শুভরাড়া ইউনিয়নের বাববুরহাট এলাকায় পৌঁছলে সন্ত্রাসীরা কাছ থেকে তাদের গুলি করেন। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা নূর আলী। তার ছেলে ইব্রাহিমের পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়।<br>ইব্রাহিমকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান ওসি।</body></HTML> 2021-03-08 08:26:47 1970-01-01 00:00:00 দলে দলে দেশ ছাড়ছেন মিয়ানমারের নাগরিকরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104625 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615133035_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615133035_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সাং সু চিকে আটক করে শাসনভার নিয়ে নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। এখন সেনাবাহিনীর গুম-অপহরণ-হত্যা আর গ্রেফতার আতঙ্কে অতিষ্ঠ নাগরিকরা এবার মিয়ানমার ছাড়তে শুরু করেছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, সেনা সরকার বিরোধী আন্দোলনে করেন না এরপরেও তাদের মেনে নিতে পারছেন না, এমন মানুষরা দেশ ছাড়ছেন। মিয়ানমারের ভারত সীমান্তবর্তী কর্মকর্তারা শনিবার (৫ মার্চ) এমনই বার্তা দিয়েছেন। তারা জানান, সেনা অভ্যুত্থানের অশান্তি এড়াতে প্রায় অর্ধশত মিয়ানমার নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছেন। অপেক্ষায় আছেন আরও ৮৫ জনের একটি দল। <br><br>এদিকে ভারতের আসাম রাইফেলস প্যারামিলিটারি ফোর্সের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, ইতোমধ্যে ৮ পুলিশসহ ৪৮ জন মিয়ানমার নাগরিক ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় মিজোরাম রাজ্যে প্রবেশ করেছে। and nbsp; নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, আরো কমপক্ষে ৮৫ মিয়ানমার নাগরিক ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় আছেন। and nbsp; ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু জানায়, পুলিশসহ যারা ইতোমধ্যে ভারতে প্রবেশ করেছে- তারা মিয়ানমারের বর্তমান জান্তা সরকারের অধীনে কাজ করতে চান না। and nbsp; গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবহিনীর ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে মিয়ানমার। and nbsp; এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা অব্যাহত বিক্ষোভ দমনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সেনাবাহিনী। <br></body></HTML> 2021-03-07 22:02:50 1970-01-01 00:00:00 পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বন্ধুর হাতে খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104624 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132696_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132696_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>নেত্রকোনার মদন উপজেলার পল্লীতে বন্ধুর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মো. মাসুদ মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন। রোববার (৭ মার্চ) ভোরে মদন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মাসুদ মিয়া কাইটাইল ইউনিয়নের বাশরী (দুর্গাশ্রম) গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে ও কাইটাইল বাজারের ধান ব্যবসায়ী।<br>স্থানীয়রা জানান, বাশরী গ্রামের মাসুদের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত মালে রুস্তুমের ছেলে তানভীরের মিয়ার (৩২) বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। গত দুই বছর আগে মাসুদের কাছ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা ধার নেন তানভীর। এর পর থেকেই টাকা দিই-দিচ্ছি বলে সময় অতিবাহিত করে।<br>গতকাল শনিবার বিকেলে ছবু মিয়ার বাড়ির সামনে তানভীরকে পেয়ে পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বলেন মাসুদ। এ সময় তানভীর ক্ষিপ্ত হলে দু-জনের তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তানভীর ও একই গ্রামের উছেন আলীর ছেলে রুমনসহ কয়েকজন মাসুদকে মারধর করেন। মাসুদ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে আহত অবস্থায় ওই রাতেই তাকে মদন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।<br>মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনার মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে। নিহতের পরিবারে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</body></HTML> 2021-03-07 21:57:45 1970-01-01 00:00:00 স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারও নেই, চিকিৎসা সরঞ্জামও নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104623 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132639_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132639_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>প্রায় দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল আছে ঠিকই কিন্তু নেই ডাক্তার ও চিকিৎসার সরঞ্জাম। ভোলার মনপুরা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও রয়েছেন মাত্র ৪ জন। ফলে সুচিকিৎসা থেকে দিনের পর দিন বঞ্চিত মনপুরার সাধারণ মানুষ।<br>সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ভোলার মেঘনা নদীর বুকে অবস্থিত বিছিন্ন মনপুরা উপজেলা। বর্তমানে এ উপজেলায় প্রায় দেড় লাখ মানুষ বসবাস করছেন। উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ১৯৮৬ সালের দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি স্থাপিত হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের ২১টি পদ ও নার্সের ২০টি পদ থাকলেও বর্তমানে ৪ জন ডাক্তার ও ১১ জন নার্স কর্মরত রয়েছেন। এমনকি চিকিৎসার জন্য নেই প্রায়োজনীয় সরঞ্জাম। ফলে প্রতিদিনই চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীদের যেতে হচ্ছে ভোলা সদর হাসপাতালে। সরাসরি সড়ক যোগাযোগের পথ না থাকায় নৌ রুটে ৪/৫ হাজার টাকা খরচ করে ট্রলার ও স্পিডবোট রির্জাভ করে যেতে হয় তাদের। অনেক সময় নদীর মাঝেই মারা যান রোগী।<br>মনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা ওই উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ঈমাম হোসেন বলেন, ট্রলারের ইঞ্জিনের কাজ করতে গিয়ে আমার হাতে চোট লাগে। পরে আমি মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ড্রেসিং করার জন্য সকালে এসে প্রায় ২/৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করে কোনো ডাক্তার ও নার্স না পেয়ে বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাজারে ফার্মেসিতে গিয়ে ড্রেসিং করি। একই উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. হারিছ মিয়া জানান, তিনি গত ৩ দিন ধরে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শরীর ও মাথাব্যথা নিয়ে ভর্তি। তিন দিনের মধ্যে একদিনই রাতে একজন ডাক্তার এসে তাকে দেখেন। এরপর হাসপাতালের বেডে থাকলেও আর কোনো ডাক্তার তাকে দেখতে আসেনি। কহিনুর বেগম জানান, তার ১০ মাসের সন্তানের ডায়রিয়া হয়েছে। এজন্য তিনি মনপুরা উপজেলার কলাতলির চর থেকে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ২৪ ঘণ্টা ভর্তি থাকলেও কোনো ডাক্তার এসে তার সন্তানকে দেখেনি। ভর্তি হওয়ার সময় জরুরি বিভাগে একজন চিকিৎসক দেখেছেন। এরপর নার্সই চিকিৎসা দিচ্ছেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, এ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায়োজনীয় ডাক্তার নেই। রোগ পরীক্ষা করার জন্য নেই সরঞ্জামও। যার কারণে এখানকার চিকিৎসকরা জরুরি রোগীদের ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। পরে আমরা বাধ্য হয়ে ৪/৫ হাজার টাকায় ট্রলার বা স্পিডবোট রির্জাভ করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই।<br>তিনি আরও জানান, মনপুরা উপজেলার বেশিরভাগ মানুষই জেলে পেশার সাথে জড়িত। তাই তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও তেমন ভালো না। এ কারণে অনেকের পক্ষে ভোলা সদর বা বরিশাল হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। ভোলা সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলাম ডাক্তার ও নার্স এবং চিকিৎসা সরঞ্জমের সংকটের কথা স্বীকার করে জানান, দ্রুত মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক নিয়োগ ও সমস্যা সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।</body></HTML> 2021-03-07 21:56:21 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীর সেই মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104622 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132553_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132553_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>সোনাগাজীর কুঠিরহাট দারুল উলুম মাদরাসায় আসাদুল্লাহ (১২) নামের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় শিক্ষক মাওলানা মো. ইসমাঈল ওরফে নোয়াখালী হুজুরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ মার্চ) রাতে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকালে পড়া না পারার অজুহাতে মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আসাদুল্লাহকে বেত দিয়ে পিটিয়ে জখম করে মাদরাসার অফিস কক্ষে তিন ঘণ্টা আটকে রাখেন শিক্ষক মো. ইসমাঈল। ওই দিন সন্ধ্যায় অপর এক শিক্ষার্থীর মাধ্যমে ওই ছাত্রের অভিভাবকরা খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওমর ফারুকসহ স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিলে ওই শিক্ষক পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা ফতেমা আক্তার শারমিন বাদী হয়ে শিশু আইনে শনিবার দুপুরে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। এদিকে রোববার (৭ মার্চ) মাদরাসার জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিভাবক জানান, এর আগেও ইসমাঈল হুজুরের আঘাত সহ্য করতে না পেরে অনেক ছাত্র মাদরাসা ছেড়ে পালিয়ে যায়। শ্রেণিপাঠে ভীতি তৈরি হওয়ায় অনেককে পরে আর পড়ালেখায় মনোযোগী করা যায় না।<br>স্থানীয় মজলিশপুরের ইউপি চেয়ারম্যান এম এ হোসেন জানান, ইসমাঈল হুজুরের বেত্রাঘাতের বিষয়ে আগেও বেশ কয়েকবার সালিশ হয়েছে। এ বিষয়ে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা জুবায়ের হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাটি দুঃখজনক। শিক্ষকের অপরাধ প্রতিষ্ঠান বহন করবে না। অপরাধ করলে তাকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।</body></HTML> 2021-03-07 21:55:31 1970-01-01 00:00:00 নবনির্বাচিত মেয়রকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104621 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132424_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615132424_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র রফিকুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৭ মার্চ) বিকালে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে গৌরীপুরের নবনির্বাচিত মেয়র রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে নিজ কার্যালয়ে ফেরার পথে স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিনের ছেলে তানজির আহমেদ রাজিবের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। তখন কোনো মতে আমি প্রাণে বাঁচলেও আমার কর্মী গৌরীপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেনসহ দুজন আহত হন।’ তিনি আরও বলেন, ‘পৌরসভা নির্বাচনে পরাজিত করতে না পেরে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আজ গুলির ঘটনা ঘটে। তবে কেন আমার উপর হামলা চালিয়েছে বিষয়টি জানা নেই।’ গুলির বিষয়টি অস্বীকার করে এমপিপুত্র তানজির আহমেদ রাজিব বলেন, ‘গোলাগুলির কোনো ঘটনা ঘটেনি। পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার বিরুদ্ধে কাজ না করায় আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করছে। আজ আমার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ৭ মার্চের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য গৌরীপুরে যেতে চাইলে তারা পথরোধ করে। এসময় ১০টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে ৮ থেকে ১০ জনকে আহত করে।’<br>গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। এ ঘটনার পর পৌরসভা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশ মোতায়েনকরা হয়েছে। এখন এর চাইতে বেশি কিছু বলা যাবে না বলে তিনি লাইন কেটে দেন।</body></HTML> 2021-03-07 21:52:59 1970-01-01 00:00:00 পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বন্ধুর হাতে খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104620 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615113456_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615113456_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নেত্রকোনার মদন উপজেলার পল্লীতে বন্ধুর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে মো. মাসুদ মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যবসায়ী খুন হয়েছেন।<br>রোববার (৭ মার্চ) ভোরে মদন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত মাসুদ মিয়া কাইটাইল ইউনিয়নের বাশরী (দুর্গাশ্রম) গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে ও কাইটাইল বাজারের ধান ব্যবসায়ী।<br>স্থানীয়রা জানান, বাশরী গ্রামের মাসুদের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত মালে রুস্তুমের ছেলে তানভীরের মিয়ার (৩২) বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। গত দুই বছর আগে মাসুদের কাছ থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা ধার নেন তানভীর। এর পর থেকেই টাকা দিই-দিচ্ছি বলে সময় অতিবাহিত করে।<br><br>গতকাল শনিবার বিকেলে ছবু মিয়ার বাড়ির সামনে তানভীরকে পেয়ে পাওনা টাকা পরিশোধ করতে বলেন মাসুদ। এ সময় তানভীর ক্ষিপ্ত হলে দু-জনের তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে তানভীর ও একই গ্রামের উছেন আলীর ছেলে রুমনসহ কয়েকজন মাসুদকে মারধর করেন।<br>মাসুদ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে আহত অবস্থায় ওই রাতেই তাকে মদন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনার মর্গে পাঠানোর পক্রিয়া চলছে। নিহতের পরিবারে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।</body></HTML> 2021-03-07 16:36:16 1970-01-01 00:00:00 গুলিস্তানে বাসচাপায় মেয়ের সামনেই মা নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104619 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615113142_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615113142_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর গুলিস্তানে রাস্তা পারাপারের সময় মেয়ের সামনেই বাসচাপায় এক নারী নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুরে গোলাপ শাহ্ মাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম পারভীন বেগম (৪০)। তিনি মুন্সীগঞ্জের রাজদিয়া গ্রামের আব্দুল বাসেদের স্ত্রী। মেয়েকে ডাক্তার দেখাতে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি। বাড়ি ফেরার পথে দুপুর ১টার দিকে দুর্ঘটনার শিকার হন। <br><br>পরে মেয়ে সুমাইয়া মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুমাইয়া বলেন, আমার বাতজ্বর। ডাক্তার দেখাতে and nbsp; মায়ের সঙ্গে আজ মুন্সীগঞ্জ থেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে এসেছিলাম। and nbsp; ফেরার পথে গুলিস্থান থেকে মুন্সীগঞ্জের গাড়িতে ওঠার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিলাম। এ সময় মল্লিক পরিবহনের চাপায় মা গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।<br><br>খবর পেয়ে নিহতের স্বামী আব্দুল বাসেদ ঢামেকে এসে তার স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি বলেন, বাতজ্বরের কারণে তার মেয়ে সুমাইয়া তার মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে ইনজেকশন নিতে ঢাকায় এসেছিল। বাসায় ফেরার পথে গুলিস্তানে দুর্ঘটনার শিকার হয় তার স্ত্রী। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। <br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 16:27:44 1970-01-01 00:00:00 ভালো ছেলে পেলে আবারও বিয়ে করবেন মুনমুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104618 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112740_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112740_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥</span><br>আলোচিত চিত্রনায়িকা মুনমুন এর আগে দু’বার বিয়ের পিঁড়িতে বসলেও সংসার টেকেনি। তাই এবার বিয়ের জন্য মনের মতো গোছানো ছেলে খুঁজছেন অভিনেত্রী। ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়েই তো জীবন এগিয়ে যায়। আর জীবনের সমস্ত কঠিন বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই এগিয়ে যেতে চান ঢাকাই সিনেমার আলোচিত এ নায়িকা। and nbsp; ২০০৩ সালে এক লন্ডন প্রবাসীকে বিয়ে করেছিলেন। ২০০৬ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। প্রথম সংসারে মুনমুনের একটি সন্তানও রয়েছে। তারপর ২০১০ সালে ভালোবেসে রোবেন নামে এক মডেলকে বিয়ে করেন মুনমুন। তার সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয় মুনমুনের।<br><br>সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুনমুন জানিয়েছেন, মনের মতো গোছানো কোনো ভালো ছেলে পেলে এ বছর বা আগামী বছরের যেকোনো সময় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারেন তিনি। মুনমুন বলেন, ‘বিয়ের পরিকল্পনা আছে। জীবন কারও জন্য থেমে থাকে না। জীবন চলবে জীবনের মতো। ’ আর সেই জীবনে সুযোগ্য জীবনসঙ্গী খুঁজছেন অভিনেত্রী। <br></body></HTML> 2021-03-07 16:25:11 1970-01-01 00:00:00 ভারতে পালানো পুলিশ কর্তাদের ফেরত চায় মিয়ানমার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104617 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112407_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112407_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>সামরিক জান্তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে পালিয়ে আসা পুলিশ কর্মকর্তাদের ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক সরকার। সম্প্রতি মিয়ানমারের ৮ পুলিশ কর্মকর্তা তাদের পরিবার নিয়ে ভারতে পালিয়ে আসেন। মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ চিঠিতে দুই দেশের মধ্যকার 'বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের' খাতিরে ওই কর্মকর্তাদের ফেরত পাঠাতে বলেছে। খবর বিবিসির। গত মাসে সংঘটিত সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে সহিংস বিক্ষোভ এবং ধর্মঘট চলছে। প্রতিবাদ ঠেকাতে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থানে যাওয়ার পর এ পর্যন্ত ৫৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। শনিবারও সামরিক জান্তার আদেশ অমান্য করে দেশব্যাপী বিক্ষোভ করেছে গণতন্ত্রপন্থীরা।<br><br>মিয়ানমার থেকে পাওয়া খবরে জানা যাচ্ছে, ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করেছে। যদিও নতুন কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ভারতীয় রাজ্য মিজোরামের চাম্পাই জেলা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার মারিয়া সিটি জুয়ালি রয়টার্সকে বলেছেন, মিয়ানমারের ফালাম জেলা পুলিশের কাছ থেকে তাকে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, আটজন পুলিশ কর্মকর্তা পালিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন বলে মিয়ানমারের কাছে তথ্য রয়েছে।<br><br>চিঠিতে বলা হয়, ‘দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সমুন্নত রাখার স্বার্থে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করা আটজন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’ জুয়ালি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে জানানো হয়েছে এবং দিল্লি থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পরই সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন তিনি।<br><br>রয়টার্স বলছে, পুলিশ কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ প্রায় ৩০ জন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। ভারতীয় কর্মকর্তাদের করাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শনিবারও মিয়ানমারের বহু নাগরিক ভারতে ঢোকার জন্য সীমান্তে অপেক্ষা করছিলেন।<br><br>ফেব্রুয়ারির শুরুতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত দেশটির নেতা অং সান সুচিকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে দেশটিতে সামরিক শাসন অবসানের দাবিতে গণবিক্ষোভ শুরু হয়।<br><br>শুরুতে সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের প্রতি কিছুটা নমনীয়ভাব দেখালেও, গত কয়েক সপ্তাহে কঠোর দমনপীড়ন শুরু হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ৫৫ জন বিক্ষোভকারী মারা গেছেন, যাদের বেশিরভাগই তরুণ।<br><br>দেশটির মানুষ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, রাতভর সেনা অভিযান, অবৈধভাবে গ্রেপ্তার, বিক্ষোভকারীদের রাস্তায় ধাওয়া ও মারধর করা, ফাঁকা গুলি ছোড়া বা দূর থেকে মাথা বা বুক লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন।</body></HTML> 2021-03-07 16:18:42 1970-01-01 00:00:00 একদিনে কেজিতে পেঁয়াজের দাম বাড়ল ১০ টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104616 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112114_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112114_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর বাজারগুলোতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। আর পাইকারি বাজারে কেজিতে বেড়েছে ৭-৮ টাকা পর্যন্ত। পেঁয়াজের হঠাৎ এই দাম বাড়ার কারণ নিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেন, বাজারে এখন দেশি যে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে, তা মুড়ি কাটা। এই পেঁয়াজের সরবরাহ আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। ফলে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।<br>অপরদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, পেঁয়াজের সরবরাহ কমার পাশাপাশি রমজানের সময় এগিয়ে আসাও পেঁয়াজের দাম বাড়ার একটা কারণ। মাসখানেক পরেই রমজান শুরু। এই রমজানকে কেন্দ্র করেই আগে থেকে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হচ্ছে। রোজায় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে যাতে কেউ এমন অভিযোগ করতে না পারে।<br><br>রোববার রাজধানীর মিরপুর-২, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। যা গত শুক্রবারও ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে ছিল। কিন্তু শনিবার হঠাৎ করেই পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে খুচরা ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়িয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। কাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. আলমগীর পেঁয়াজের দাম নিয়ে বলেন, এভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে ভাবতেই পারিনি। আগে যদি জানতাম এভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়বে, তাহলে বেশি করে পেঁয়াজ কিনে রাখতাম।<br><br>কারওয়ান বাজারে ৪০ টাকা কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা স্বপন মিয়া বলেন, আগে পাইকারি বাজার থেকে ২৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কিনেছি। শনিবার সেই পেঁয়াজ ৩৫ টাকা কেজিতে কিনতে হয়েছে। এই দামে পেঁয়াজ কিনে অন্যান্য খরচ দিয়ে ৪o টাকার নিচে বিক্রি করা যায় না।<br>শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও রাজ ট্রেডার্সের মালিক হাজী মোহাম্মদ মাজেদ এ বিষয়ে জানান, আগে আমরা পেঁয়াজের কেজি ২৫-২৮ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৩৬-৩৭ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে। <br></body></HTML> 2021-03-07 16:14:39 1970-01-01 00:00:00 চট্টগ্রামের জেলার প্রত্যাহার, দুই কারারক্ষী বরখাস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104615 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112201_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615112201_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এক হাজতি ‘নিখোঁজের’ ঘটনায় জেলার ও ডেপুটি জেলারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে ঘটনা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (৬ মার্চ) সকালে কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর রাতে কারা কর্তৃপক্ষ ওই মামলা দায়ের করেন।</div><div><br></div><div>কারা মহাপরির্দশক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার ও ডেপুটি জেলারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জেলার রফিকুল ইসলামকে কারা অধিদপ্তরে এবং ডেপুটি জেলার আবু সাদাতকে চট্টগ্রাম বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. ইউনুস নামে দুই কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করার পাশাপাশি কামাল হায়দার নামে এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। তিনি জানান, হাজতি ‘নিখোঁজের’ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে খুলনা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক ছগির মিয়াকে প্রধান করে করা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এক খুনের মামলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন ফরহাদ হোসেন রুবেল নামে ওই হাজতি। রুবেল কারাগারের কর্ণফুলী ভবনের পঞ্চম তলায় ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছিলেন। ভোর সোয়া ৫টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে তিনি ওয়ার্ড থেকে ‘বের হয়ে যান’। সদরঘাট থানার একটি হত্যা মামলায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে ছিলেন রুবেল।</div> </body></HTML> 2021-03-07 16:12:28 2021-03-07 16:16:45 করোনায় শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়টি গুজব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104614 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615111885_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615111885_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মহামারি করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষার্থীদের ১০ হাজার টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়ার বিষয়টি গুজব। যা ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক এবং ইউটিউবে এমন ভুয়া তথ্য প্রচার করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই গুজবে বিশ্বাস করে গত শনিবার (৬ মার্চ) দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ঢল নেমেছিল। ফটোকপি ও অনলাইন সার্ভিসের দোকানগুলোতেও ছিল উপচেপড়া ভিড়। প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের প্রত্যয়নপত্র নিতে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদরাসায় যান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এমনকি সারাদেশ থেকে আবেদনের জন্য রাজধানীসহ নিজেদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে এসেছেন রাজধানীতে অবস্থান না করা শিক্ষার্থীরাও।<br><br>এদিকে, অনুদান নিয়ে প্রতারণা এড়াতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্কবার্তা জারি করেছে। আজ রোববার (৭ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুল খায়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের সংশোধিত নীতিমালা ২০২০ অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রীদের অনলাইনে (www.shed.gov.bd) আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আজকে আবেদনের শেষ দিন। তবে কর্তৃপক্ষ আবেদনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তা করছে। আবেদন যাচাই-বাছাই করে সীমিত সংখ্যক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অনুদানে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।<br><br>এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফজলুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি সর্তকতামূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সরকারের দেওয়া বিশেষ অনুদান প্রদানের নামে অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারক চক্র ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ফোন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, বিকাশ নম্বর ও গোপন পিন ইত্যাদি চাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রণালয়ের পরিচয় দিয়ে ফোনগুলো করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ অনুদান বিষয়ে কাউকে ফোন দেওয়া হয়নি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, বিকাশ নম্বর ও গোপন পিন সংক্রান্ত কোনো তথ্যও চাওয়া হয়নি। এ বিষয়ে প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।<br><br>গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীদের অনুদান প্রদানের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে সেখানে টাকার পরিমাণ উল্লেখ ছিল না। তাছাড়া নীতিমালা ও শর্ত অনুসারে সবাই আবেদনের যোগ্যও না। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়েছে সবাইকে অনুদান দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা করে। সেই গুজবের রেশ ধরে গতকাল শনিবার (৬ মার্চ) গাইবান্ধা সরকারি জাতীয় কলেজে প্রত্যয়নপত্র নিতে ভিড় করে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।</body></HTML> 2021-03-07 16:10:48 1970-01-01 00:00:00 সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকসহ নিহত ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104613 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084774_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084774_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ময়মনসিংহে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন আমাদের সময় পত্রিকার দুর্গাপুর উপজেলা প্রতিনিধি বিজয় কৃষ্ণ (৪৫) ও আবুল কাশেম (৩৫)। শনিবার বিকেল ৪টায় ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা আঞ্চলিক সড়কের তারাকান্দা উপজেলার গাছতলা বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনা জেলার শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার দাস খবরটি নিশ্চিত করেন।<br><br>নয়ন কুমার জানান, আজ শনিবার বিকেল ৪টার দিকে নিহত দুই ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনা যাচ্ছিলেন। এ সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ওই দুই ব্যক্তি নিহত হন। পরে এলাকাবাসী তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকটি আটক করে। তবে চালক পালিয়ে গেছে।<br><br></body></HTML> 2021-03-07 08:38:50 1970-01-01 00:00:00 এসআই সার্জেন্ট ও কনস্টেবল পদে নিয়োগে সংস্কার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104612 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084646_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084646_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পুলিশের এসআই, সার্জেন্ট ও কনস্টেবল পদে নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক সংস্কার আনা হচ্ছে। নিয়োগের সময় অধিকতর যোগ্য প্রার্থীকে বাছাই করতে এ সংক্রান্ত বিদ্যমান (পিআর, ১৯৪৩-এর প্রবিধিধান-৭৪১) নিয়োগবিধিতে গুরুত্বপূর্ণ অনেক সংশোধনী আসছে। ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি শাখার ভেটিংও সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির সভায় পুলিশ নিয়োগবিধি সংশোধন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ সভা থেকে প্রস্তাব অনুমোদন চূড়ান্ত হলে সংশোধনী আনার বিষয়টি দ্রুত কার্যকর করা হবে।<br><br>উল্লেখযোগ্য সংশোধনী : এসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগের জন্য বর্তমান বিধি অনুযায়ী পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর নিয়োগের ব্যবস্থা করবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারী যদি নিজ জেলা অফিসে আবেদন সময়মতো পৌঁছাতে না পারেন, তাহলে উপপুলিশ প্রধান রেঞ্জেস আবেদন গ্রহণ করবেন। সংশোধিত প্রস্তাবনায় প্রবিধানের সি (১) এর বিধিতে বলা হয়েছে, নিয়োগের জন্য বহুল প্রচারিত ২টি বাংলা ও ১টি ইংরেজি দৈনিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। এছাড়া পুলিশের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও এটি থাকতে হবে। এসআই পদের জন্য দরখাস্ত করতে হবে পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েব পোর্টালে অথবা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে। আবেদনকারীর উচ্চতা বিবেচনায় ৪৫%, এসএসসি বা সমমান হতে ১৫%, এইচএসসি বা সমমান হতে ১৫% এবং ডিগ্রি অথবা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতাধারীদের মধ্য থেকে বাকি ২৫% নেওয়া হবে। পুলিশ সদর দপ্তর যোগ্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করবে। তবে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকৃত শূন্যপদের চেয়ে ৫ গুণের বেশি হবে না। এ তালিকা থেকে কেবল সেসব প্রার্থীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।<br><br>সি(২) বিধিতে শারীরিক মাপ এবং শারীরিক বিভিন্ন পরীক্ষার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে কিছু বিষয় বলা আছে। সংশোধন প্রস্তাবে বিস্তারিত আকারে বলা হয়েছে। যেমন, উপপুলিশ মহাপরিদর্শক রেঞ্জেস কর্তৃক শারীরিক মাপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে উচ্চতা, বুক, ওজন ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই, সহনশীলতা পরীক্ষা এবং প্রচলিত দৌড় (৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে পুরুষ ১৬০০ মিটার, মহিলা ৭ মিনিটের মধ্যে ১০০০ মিটার), লম্বা লাফ (পুরুষ-৩.৫ ফুট এবং মহিলা ২.৫ ফুট), উপরে তুলে ধরা (পুরুষ-৪০ সেকেন্ডে ১৫ বার এবং মহিলা ৩০ সেকেন্ডে ১০ বার), সিট অ্যাপস (পুরুষ ৪০ সেকেন্ডে ১৫ বার এবং মহিলা ৩০ সেকেন্ডে ১০ বার), টানা (পুরুষ ৩০ ফুট ১৬০ পাউন্ড, মহিলা ২০ ফুট ১২০ পাউন্ড) এবং দড়ি বেয়ে উপরে ওঠা (পুরুষ ১২ ফুট এবং মহিলা প্রার্থীর ক্ষেত্রে ৮ ফুট। এছাড়া লিখিত ও শারীরিক পরীক্ষা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ অনুসারে নেওয়া হবে।<br><br>রোমান চিহ্নের ৪নং বিধির সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সারাদেশে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য এসপি পদের নিচে নয়-এমন কর্মকর্তাদের দিয়ে পুলিশ সদর প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করবে। যেখানে ১০০ নম্বরের পৃথক দুটি প্রশ্নপত্র থাকবে। পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারণ থকাবে ৩ ঘণ্টা। এতে ইংরেজি ও বাংলা রচনা ছাড়াও সাধারণজ্ঞান ও অঙ্ক থাকবে। এছাড়া ৫০ নম্বরের মানসিক পরীক্ষাও থাকছে। এসপি পদমর্যাদার নিচে নয়-এমন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ এবং ফলাফল শিট প্রস্তুত করে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ৫নং বিধির প্রস্তাবে আছে-নির্বাচিত আবেদনকারীদের মধ্যে যিনি ৫০% পাশ নম্বর সুরক্ষিত করতে সক্ষম হবেন অথবা প্রতি বিষয়ে তদূর্ধ্ব নম্বর পাবেন, তাদের নামের লিস্ট নির্দিষ্ট উপপুলিশ মহাপরিদর্শক রেঞ্জেসের মাধ্যমে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর পুলিশ সদর দপ্তর ওই প্রার্থীদের কম্পিউটারের উপর পরীক্ষা নেবে। এতে এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, এমএস পাওয়ারপয়েন্ট, ওয়েব ব্রাউজিং এবং এর সমস্যা সমাধানের ওপর বিস্তারিত পরীক্ষা নেবে। যিনি এক বা একাধিক বোর্ড পরীক্ষায় কম্পিউটার টেস্টে পাশ করবেন, পরবর্তী সময়ে তাকে পুলিশ মহাপরিদর্শক প্রবণতা পরীক্ষা এবং কণ্ঠস্বরের মৌখিক নেওয়া হবে।<br><br>এতে প্রবণতা পরীক্ষার নম্বর ২৫, কণ্ঠস্বর পরীক্ষার নস্বর ২৫ এবং যার পাশ নম্বর থাকবে ২৫।<br><br>জি(৬) বিধিতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত কোনো ব্যক্তি কোনোক্রমেই ৫ ফুট ৬ ইঞ্চির কম উচ্চতা হতে পারবে না। বুকের মাপ ৩২ ইঞ্চি সাধারণ এবং বর্ধিতকরণ ৩৪ হতে হবে। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে পারে। তাদের ওজন অনুমোদিত মাপ হিসাবে হতে হবে।<br><br>পুলিশ সার্জেন্ট নিয়োগে বিদ্যমান পিআর, ১৯৪৩-এর প্রবিধান ৭৩৯-এর সংশোধন প্রস্তাবেও এসএসআই নিয়োগের মতো একই ধরনের সংশোধনী আনার কথা বলা হয়েছে।<br><br>ট্রেনিং রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগের সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, নিয়োগ পদ্ধতি অনুসারে এবং এসএসসির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। উচ্চতার জন্য ৫০% এবং বাকি ৫০% নেওয়া হবে এসএসসি পাশ সনদের ভিত্তিতে। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শারীরিক ধৈর্য পরীক্ষার জন্য যোগ্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে, যা প্রকৃত শূন্যপদের ৫ গুণের কম হবে না। প্রার্থী তার নিজ নিজ জেলার পুলিশ লাইনে নির্দিষ্ট তারিখে উপস্থিত থাকবেন।<br><br>নিয়োগ টিম উচ্চতা, বুকের মাপ এবং ওজনের মাপকাঠি গ্রহণ করবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবেন। শারীরিক পরীক্ষায় পুরুষ প্রার্থীকে ২৮ সেকেন্ডে ২০০ মিটার এবং ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ডে ১৬০০ মিটার অতিক্রম করতে হবে। মহিলা প্রার্থীকে ৩৪ সেকেন্ডে ২০০ মিটার এবং ৬ মিনিটে ১০০০ মিটার অতিক্রম করতে হবে। উচ্চ লাফে পুরুষ ৩.৫ ফুট এবং মহিলাদের ২.৫ ফুট। লম্বা লাফে পুরুষ ১০ ফুট এবং মহিলা প্রার্থীকে ৬ ফুট যেতে হবে। দড়িতে আরোহণের ক্ষেত্রে পুরুষ ১২ ফুট এবং মহিলা ৮ ফুট। পুশ আপ পুরুষ ৩৫ সেকেন্ড ১৫ বার এবং ৩০ সেকেন্ড ১০ বার প্রভৃতি।<br><br>আবেদনকারীকে ৪৫ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এতে বাংলা, ইংরেজি, অঙ্ক ও সাধারণজ্ঞানের বিষয় থাকবে। প্রার্থীদের মধ্যে যারা ৫০% নম্বর পাবেন বা তদূর্ধ্ব নম্বর অর্জন করবেন, তাদেরকে ১৫ নম্বরের মৌখিক ও কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় ডাকা হবে।<br><br>এছাড়া পুলিশ রেগুলেশন ১৯৪৩-এর রেগুলেশন ৭৪৬ (৪)-এর সংশোধন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, পুরুষ প্রার্থীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা এবং বুকের মাপের ক্ষেত্রে ৩১ ইঞ্চি সাধারণ, বর্ধিকরণ ৩৩ ইঞ্চি থাকতে হবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চির নিচে নয় এবং বুকের মাপসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে মাপের নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।<br><br>নিয়োগবিধি সংশোধনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, এর আগেও সময়ে সময়ে নিয়োগবিধি সংশোধন হয়েছে। তবে এবারের সংশোধন ব্যাপক ও সময়োপযোগী। তিনি বলেন, নিয়োগে তদবিরের প্রভাব কমিয়ে অধিকতর যোগ্যদের নিয়োগ দিতে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনা হচ্ছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কেউ যোগ্য হলেই তাকে পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে না। আবেদনপত্র বাছাইয়ের সময় শিক্ষাগত যোগ্যতায় যারা বেশি এগিয়ে, তাদেরকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এভাবে নিয়োগের প্রতিটি ধাপে অধিকতর যোগ্যদের বাছাই করা হবে।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 08:36:14 1970-01-01 00:00:00 নক্সাবন্দীর গোপন ৮ স্ত্রী, মামলা তুলে নিতে ৪র্থ স্ত্রীকে হুমকি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104611 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084301_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084301_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">হাসানুর রহমান হোসাইন নক্সাবন্দী ওরফে মো. হাসান। তার প্রধান পরিচয় তিনি একজন মাওলানা। দেশের বিভিন্ন স্থানে তিনি ওয়াজ মাহফিল করে বেড়ান। তবে ৪র্থ স্ত্রীর মামলায় এখন তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) রয়েছেন। ৪র্থ স্ত্রীর অভিযোগ, এখন মামলা তুলে নিতে নক্সাবন্দীর পরিবারের লোকজন নানাভাবে চাপ দিচ্ছেন। মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী নারীকে। <br>আজ শনিবার (৬ মার্চ) দুপুরে ১টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নক্সাবন্দীর ৪র্থ স্ত্রী ৩ মাসের কন্যা শিশুকে নিয়ে এসব অভিযোগ করেন। এ সময় তার পাশে বাবা ও মা উপস্থিত ছিলেন।<br><br>ওই নারী বলেন, বিয়ের পর আমি জানতে পারি, গোপনে তার আরও ৭ স্ত্রী রয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় তার এক স্ত্রী ২টি মামলা করেছেন। এমনকি তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়িও হয়েছে। ওই ঘরে ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ৯ বছর। বিয়ের আগে এত বিয়ের তথ্য গোপন করে আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এরপরও সবকিছু সহ্য করে তার সঙ্গে ঘর-সংসার করছিলাম। কিন্তু ২০২০ সালের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে আমার বাবার কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে ৩ লাখ টাকা নেয়। যা ৩ নভেম্বর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।<br><br>সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে আমার স্বামী হাসান নক্সাবন্দী, ভাই আনাস ও মামা সুজন মোল্লা আমাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। তারা জানায় কোনো টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। এরই মধ্যে গত ২৮ নভেম্বর আমার একটি কন্যা শিশু জন্মগ্রহণ করে। ২৯ নভেম্বর আমার কোল থেকে বাচ্চা কেড়ে নিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। আমি চিৎকার করলে আনাস আমার মুখ চেপে ধরে, আবুল কালাম ও সুজন মোল্লা এলোপাথাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকে। এরপর আমি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনায় চলে যাই।<br><br>ওই নারী অভিযোগ করে বলেন, এর আগে ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর পারিবারিকভাবে নক্সাবন্দীর সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। কুমিল্লার হোমনার দুলালপুরে এক পীরের আস্তানায় ওয়াজ মাহফিল করতে গিয়ে তিনি আমাকে পছন্দ করেন। আমার মা ওই পীরের ভক্ত ছিলেন। সেই সুবাদে নক্সাবন্দী পীরের মাধ্যমে আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রাজি না হলেও পীরের জোরাজুরিতে একপর্যায়ে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যাত্রাবাড়ীর ধলপুর এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে তোলেন আমাকে।<br><br>ওই নারী অভিযোগ করেন, ধলপুরের বাসায় একা রেখে বাইরে তালা দিয়ে ১০ থেকে ১৫ দিন করে বাইরে থাকতেন এই ভণ্ড। একই ভবনের ৬ তলাতেও একটি বাসা ভাড়া রেখেছিলেন। যেখানে প্রায়ই অন্য নারীদের এনে ঝাড়ফুঁক ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার কথা বলে রাত্রিযাপন করতেন। এ নিয়ে বললে আমাকে সবাই মিলে মারধর করতেন। মারধরের পর অজ্ঞান হয়ে যাই। এরপর হাসপাতালে গিয়ে ২০২০ সালের ১০ মার্চ পরীক্ষা করালে জানতে পারি আমি সন্তান-সম্ভবা। এরপর সন্তান নষ্ট করতে উঠে পড়ে লাগে সবাই এবং নির্যাতন করে।<br><br>গত ১৮ জুন আবারও নির্যাতন করলে আমি যাত্রাবাড়ী থানায় জিডি করি। পুলিশ হাসান নক্সাবন্দীকে থানায় নিয়ে আসে। একপর্যায়ে তার ভাই আনাস ও মামা সুজন মোল্লা মুচলেকা দিয়ে থানা থেকে বের করে নিয়ে যান। এরপর আবার একই রকম অত্যাচার চালাতে থাকেন।<br>চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করেন ওই নারী। আদালত মামলা আমলে নিয়ে মতিঝিল থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। হাসান নক্সাবন্দী কমলাপুর পুরাতন বাজার জামে মসজিদের খতিব হিসেবে কর্মরত থাকায় মতিঝিল থানা তদন্তের দায়িত্ব পায়। নক্সাবন্দীর বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়ায় আদালত গত ১৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি নক্সাবন্দীকে গ্রেপ্তার করে মতিঝিল থানা পুলিশ।<br><br>এই নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির প্রতি অনুরোধ করে বলেন, আমি নিরীহ পরিবারের গরীব বাবা মায়ের সন্তান। নক্সাবন্দী আমাকে বিয়ে করে প্রতারণা করেছেন। আমার কোলে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এখন নানাভাবে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হুমকি ধমকি দিচ্ছেন নক্সাবন্দীর পরিবারের লোকজন। আমি এ থেকে মুক্তি চাই, নক্সাবন্দীর শাস্তি চাই।<br><br>মতিঝিল থানার এসআই হেলাল উদ্দিন বলেন, মাওলানা হাসানুর রহমান নক্সাবন্দীর বিরুদ্ধে শিগগিরই আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে। রিমান্ডে একাধিক বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন নক্সাবন্দী। একাধিক ঘরে ছেলে মেয়ে থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তিনি ওয়াজ মাহফিলের আড়ালে নারীদের টার্গেট করে বিয়ে করতেন। এরপর নানারকম নির্যাতন চালাতেন। এরমধ্যে কেউ কেউ তাকে ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন। চট্টগ্রামে তার একটি বাড়ি রয়েছে এবং সেখানে তার প্রথম স্ত্রী থাকার কথা স্বীকার করেছেন নক্সাবন্দী।</body></HTML> 2021-03-07 08:31:12 1970-01-01 00:00:00 ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্বাভাবিক সাংবাদিকতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104610 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084181_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615084181_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারাকে সংবিধানপ্রদত্ত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে ‘সাংঘর্ষিক’ হিসেবে বর্ণনা করে এ মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক ও মুক্তমনা লেখকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। গতকাল শনিবার (৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে অবিলম্বে আইনটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংবাদপত্র সম্পাদকদের অন্যতম এই সংগঠন।<br><br>বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা দাবি করছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদকর্মীদের নামে যতগুলো মামলা হয়েছে, যতজন সংবাদকর্মী ও মুক্তমনা লেখক গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন, তাদের সবাইকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হোক এবং মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া হোক।”<br>সম্পাদকরা বিবৃতিতে বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করবে তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু, কৌশলে তা যেন গণমাধ্যম ও মুক্তমনের লেখকদের ওপর প্রয়োগ করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে আইনটির সংশোধন করতে হবে।”<br><br>যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আর্টিকেল নাইনটিনের বরাতে বিবৃতিতে বলা হয়, “২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৯৮টি মামলায় ৪৫৭ জনকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ৪৫৭ জনের মধ্যে ৭৫ জন সাংবাদিক। তাদের মধ্যে ৩২ জনকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।”1 আইনটির ‘দুর্বলতা’ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে সম্পাদক পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, “এ আইনের অপরাধ ও শাস্তিসংক্রান্ত প্রায় ২০টি ধারার মধ্যে ১৪টি জামিনঅযোগ্য, ৫টি জামিনযোগ্য এবং ১টি সমঝোতাসাপেক্ষ। এর ফলে অনিবার্যভাবে একটা ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সাংবাদিকতার স্বাভাবিক অনুশীলন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।”<br><br>ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দি লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু এবং একই মামলায় গ্রেপ্তার কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর ও সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের সঙ্গে ’নির্দয় আচরণের’ বিষয়গুলোও তুলে ধরেছেন সম্পাদকরা। বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তদন্তের আগেই যেন গ্রেপ্তার করা না হয়, এমন ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।<br><br>‘প্রাথমিকভাবে’ আইনমন্ত্রীর ওই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে সম্পাদক পরিষদ বলছে, “আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনতিবিলম্বে আইনগতভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই। এ জন্য অবিলম্বে প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ বা আইনি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই।”<br>সম্পাদক পরিষদ বলছে, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগে সংবাদকর্মী ও মুক্তমত প্রকাশকারী ব্যক্তিরা ক্রমাগতভাবে নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এমন আশঙ্কা আমরা আইনটি তৈরির সময়ই করেছিলাম।”<br><br>“এ কথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের আশঙ্কার চেয়েও আরও কঠিনভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। একজন মুক্তমনা লেখক মুশতাক আহমেদকে জীবন দিয়ে তা প্রমাণ করে যেতে হল।” ১০ মাস কারাবন্দি থাকার পর কার্টুনিস্ট কিশোরকে জামিন দেওয়ায় আদালতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, “তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদকর্মী ও লেখকদের গ্রেপ্তার করে তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে নির্দয় আচরণ করছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত।”<br><br>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি লেখা শেয়ার করার কারণে আলোকচিত্র সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলকে কারাগারে যেতে হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সম্পাদকরা বলেন, “পরে জামিন পেলেও তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো চলমান রয়েছে।” “আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কাজলকে মামলা মোকাবিলা করতে হচ্ছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া কিশোর জামিন পেলেও তার মামলাটি চলমান আছে।”<br><br>সম্পাদক পরিষদ বলছে, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া তৈরি, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সংসদে বিল উত্থাপন ও রাষ্ট্রপতির সইয়ের আগে ও পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সম্পাদক পরিষদ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা আপত্তি তুলেছিল।”<br>“সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদীয় কমিটির সদস্যরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করে আপত্তিগুলো শুনেছিলেন। শেষে দেখা যায়, আমাদের দাবিগুলো পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি এই আইন প্রণয়নকালে সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বক্তব্য এবং সংসদীয় কমিটির পেশকৃত প্রতিবেদন সম্পর্কে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আলোচনায় অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।”<br><br>বিবৃতিদাতারা বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আপত্তিকর ধারাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা সেগুলো সংশোধনের সুপারিশ করেছিলেন। সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হলে আজকের এ পরিস্থিতি হয়তো উদ্ভব হতো না।” আইনটির ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারা নিয়ে সম্পাদক পরিষদ তাদের উদ্বেগের কথা বিবৃতিতে জানিয়েছে।<br><br>সেখানে বলা হয়, “এ আইনে অস্পষ্টতা আছে এবং এতে এমন অনেক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যার ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে এবং সহজেই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে।” সম্পাদক পরিষদ বলছে, “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এমন এক আতঙ্ক ও ভীতির পরিবেশ তৈরি করবে, যেখানে সাংবাদিকতা, বিশেষত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই আইন সংবাদমাধ্যমের কর্মী ছাড়াও কম্পিউটার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ব্যবহারকারী সব ব্যক্তির মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করবে।”<br><br>ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৪৩ ধারা পুলিশকে বাসাবাড়িতে প্রবেশ, অফিসে তল্লাশি, লোকজনের দেহ তল্লাশি এবং কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সার্ভার ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-সংক্রান্ত সবকিছু জব্দ করার ক্ষেত্রে ‘সীমাহীন’ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে সম্পাদকরা বলেন, “পুলিশ এ আইনে দেওয়া ক্ষমতাবলে পরোয়ানা ছাড়াই সন্দেহবশত যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের কোনো কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন নেই।”</body></HTML> 2021-03-07 08:27:44 1970-01-01 00:00:00 আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104609 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083992_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083992_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আজ রোববার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে যুগান্তকারী ভাষণে বাঙালিদের স্বাধীনতাযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' আর আজ রোববার প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হবে। এ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় এবং দেশব্যাপী জেলা-উপজেলায় বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ।<br><br>১৯৭১ সালে ৭ মার্চ বিকাল তিনটা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হন। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ময়দান ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ময়দানজুড়ে স্লোগান ছিল— ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা, তোমার আমার ঠিকানা’। উপস্থিত জনতাকে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন— ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে।’ প্রকৃতপক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর ওই ভাষণই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার অনানুষ্ঠানিক ঘোষণা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের আহ্বানেই জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।<br><br>রাষ্ট্রীয়ভাবে আজকের দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ৭ মার্চ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।<br><br>দিনটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— রোববার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ধানমন্ডির ৩২নং সড়কের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন। এ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সন্মেলন কেন্দ্রে বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br><br>শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। ঢাকাসহ সব জেলা ও উপজেলায় জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে নানা আয়োজন হবে। এ আয়োজনের ব্যয় নির্বাহের জন্য ২০২০-২১ অর্থবছরে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে জেলা পার্যায়ে এক লাখ টাকা ও উপজেলা পর্যায়ে ৫০ হাজার টাকা হারে সর্বমোট ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে কর্মসূচি ও অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।<br><br>জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদসমূহে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন। দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন হবে।<br><br>এছাড়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কর্মসূচির বিস্তারিত জানিয়েছে সংস্থাটি।<br><br>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে ঐতিহ্যবাহী আহসান মঞ্জিল প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা ও ৭টায় বর্ণিল আতশবাজির আয়োজন করছে ডিএসসিসি। এতে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির। আলোচনা শেষে অতিথিদের উপস্থিতিতে বুড়িগঙ্গার তীরে আতশবাজির বর্ণিল পরিবেশ উপভোগ করবেন।<br><br>এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ধানমন্ডি-৩২ সহ প্রয়োজনীয় জায়গাগুলোতে পরিচালনা করা হচ্ছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। নগরীর শিক্ষা ভবন থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সড়ক দ্বীপ, মতিঝিলের শাপলা চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি), কার্জন হলের সামনের সড়ক দ্বীপ এবং চারুকলা অনুষদ, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের সামনের সড়ক দ্বীপ, ঢাকা শহরের প্রবেশ মুখে এবং ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকার ফ্লাইওভার ও ফুট ওভার ব্রিজগুলো রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হচ্ছে।<br><br>শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের রাস্তা-ঘাটের ধুলোবালি রোধে পানি ছেটানো, উদ্যান এলাকাসহ আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণ টয়লেট স্থাপন ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে নেয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। ডিএসসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনকে আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। একই সঙ্গে নগর ভবনসহ ডিএসসিসির আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো এবং হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থাপনায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পাশাপাশি সকাল সাড়ে ৯টায় ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।<br><br>এদিকে জন্মশতবার্ষিকীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উদযাপনে গ্রহণ করা হয়েছে নানাবিধ আয়োজন ও কার্যক্রম। এদিন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সকল নবজাতক শিশুকে জন্ম সনদসহ উপহার হিসেবে দেয়া হবে ডিএসসিসি মেয়রের শুভেচ্ছা স্মারক।<br><br>এছাড়া, ডিএসসিসির আওতাধীন ৭৫টি ওয়ার্ডে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে আয়োজন করা হবে বিশেষ র‌্যালি। একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান। যা গত ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। আগামী ৮ মার্চ থেকে ডিএসসিসির প্রতিটি অঞ্চলে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা পক্ষ শুরু হচ্ছে।<br><br>এদিকে ১৭ মার্চ ডিএসসিসি এলাকায় অবস্থিত একটি এতিমখানায় বসবাসরত এতিমদেরকে পরিবেশন করা হবে উন্নতমানের খাবার। আয়োজন করা হবে আলোচনা সভা ও সেমিনার, থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। আয়োজনকে মনোমুগ্ধকর ও বর্ণিল করতে থাকবে আতশবাজির বর্ণচ্ছটা। এ উপলক্ষে প্রকাশ করা হবে বিশেষ প্রকাশনা।<br><br>ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও ১৭ মার্চ উপলক্ষে ডিএসসিসির সার্বিক আয়োজন প্রসঙ্গে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে তার জন্মদিন জাঁকজমকভাবে উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে দিন আমরা বিশদ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আয়োজনের অংশ হিসেবে এদিন সকালে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে আমরা দিবসের কার্যক্রম শুরু করব। নগর ভবনসহ ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে আমরা মাসব্যাপী আলোকসজ্জার আয়োজন করছি। প্রতিটি ওয়ার্ডকে লক্ষ্য রেখে আমরা বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা পক্ষ পরিচালনা করব। এছাড়াও এ উপলক্ষে আমাদের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে।</body></HTML> 2021-03-07 08:25:26 1970-01-01 00:00:00 দুই ডোজ টিকা নেয়া পর্যন্ত আক্রান্তের ঝুঁকি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104608 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083868_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083868_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">টিকা নেয়ার পরও দেশে বেশ কয়েকজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এটা নিয়ে সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির ব্যাখ্যা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, দুই ডোজ নেয়ার পরই টিকা কার্যকরী হয়। এছাড়া দুই ডোজ নেয়ার পরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য দুই সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। সেই সময় পর্যন্ত সতর্ক থাকার কথা বলেছে সংস্থাটি।<br><br>শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, করোনাভাইরাসের টিকা নেয়ার কারণে কারো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়া বা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু করোনাভাইরাসের দুটি ডোজ শেষ হওয়ার পরেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হতে আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগে। সেই পর্যন্ত সতর্ক না থাকলে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলমান কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমে ব্যবহৃত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ গ্রহণের ন্যূনতম দুই সপ্তাহ পর থেকে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ সক্ষমতা তৈরি হয়। তাই এই সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।<br><br>এই কারণে ভ্যাকসিন গ্রহণের আগে ও পরেও মাস্ক ব্যবহারসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত কোভিশিল্ড টিকা দেয়া হচ্ছে, যা উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। এই টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করার পর একজন সচিবসহ বেশ কয়েকজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এটা নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে বিভ্রান্তি। সেই বিভ্রান্তির অবসান ঘটাতেই এর ব্যাখ্যা দিলো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দেশে টিকা নিয়েছেন ৩৬ লাখ ৮২ হাজার ১৫২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ জন আর নারী ১৩ লাখ ২৬ হাজার ৭২৯ জন। এদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ৮২৫ জনের। আর আজ বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৪৯ লাখ দুই হাজার ৯৪৮ জন।</body></HTML> 2021-03-07 08:24:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104607 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083765_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615083765_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ পৃথিবীর কালজয়ী ভাষণগুলোর অন্যতম। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মুক্তিকামী জনগণকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে সেই ভাষণ ছিল এক মহামন্ত্র। একটি ভাষণ কীভাবে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তোলে, স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তার অনন্য উদাহরণ। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার দেয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।<br><br>রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালি-জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকন্ঠে যে কালজয়ী ভাষণ দিয়েছিলেন, তার মধ্যে নিহিত ছিল বাঙালির মুক্তির ডাক। সরকার এ দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। আজকের এ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অনন্য সাধারণ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালে অর্জন করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।’<br><br>তিনি আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন। তবে তা একদিনে অর্জিত হয়নি। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে ১৯৭১ এর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের এই দীর্ঘ বন্ধুর পথে বঙ্গবন্ধুর অপরিসীম সাহস, সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং সঠিক দিক নির্দেশনা জাতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১ মার্চ থেকে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে অসীম সাহসিকতার সাথে রেসকোর্স ময়দানে লাখো-জনতার উদ্দেশে যে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, তা ছিল মূলত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। অনন্য বাগ্মিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় ভাস্বর ওই ভাষণে বাঙালির আবেগ, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে এক সূত্রে গেঁথে বঙ্গবন্ধু বজ্রকন্ঠে ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’, যা ছিল মূলত স্বাধীনতার ডাক। ঐতিহাসিক সেই ভাষণের ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাঙালি-জাতির বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। এরপর দীর্ঘ ন’মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।’<br><br>রাষ্ট্রপতি বলেন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর এই ভাষণকে ‘World’s Documentary Heritage’-এর মর্যাদা দিয়ে ‘Memory of the World International Register’-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাঙালি হিসেবে এটি আমাদের বড় অর্জন। এ ভাষণের কারণে বিশ্বখ্যাত নিউজউইক ম্যাগাজিন ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল সংখ্যায় বঙ্গবন্ধুকে ‘Poet of Politics’ হিসেবে অভিহিত করে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ কেবল আমাদের নয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।<br><br>আবদুল হামিদ বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। মহান এ নেতার সে স্বপ্ন পূরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ ঘোষণা করেছেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সন্ধিক্ষণে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমি দলমত-নির্বিশেষে সকলকে নিজ-নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানাই।</body></HTML> 2021-03-07 08:21:31 1970-01-01 00:00:00 সুন্দরবনে আগুন: তদন্ত হয়, সমাধান হয় না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104606 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042699_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042699_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সুন্দরবনে গত প্রায় দুই দশকে ‘২২ বার’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ‘৭১ একর’ বনভূমির সুন্দরীসহ নানা গাছ, গুল্ম-লতা ভস্মীভূত হয়েছে।<br>এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন সময়ে বন বিভাগের গঠিত তদন্ত দল নাশকতা, অসচেতনতা, অবহেলায় ফেলে দেওয়া বিড়ি বা সিগারেটের আগুনকে এর জন্য দায়ী করেছে।<br>বনকে সুরক্ষা দিতে বন ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি, বন সংলগ্ন মরে যাওয়া নদ নদী খনন এবং সীমান্ত এলাকায় বেড়া ও ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত ‘হয়নি’ উল্লেখ করে বনবিভাগ, স্থানীয়রা এবং পরিবেশবাদীরা বনজ সম্পদকে সুরক্ষিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন। বনবিভাগ থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ২০০২ সালে সুন্দরবনের পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের কটকায় একবার, একই রেঞ্জের নাংলী ও মান্দারবাড়িয়ায় দুই বার, ২০০৫ সালে পঁচাকোড়ালিয়া, ঘুটাবাড়িয়ার সুতার খাল এলাকায় দুই বার, ২০০৬ সালে তেড়াবেকা, আমুরবুনিয়া, খুরাবাড়িয়া, পঁচাকরালিয়া ও ধানসাগর এলাকায় পাঁচ বার, ২০০৭ সালে পঁচাকোড়ালিয়া, নাংলি ও ডুমুরিয়ায় তিন বার, ২০১০ সালে গুলিশাখালীতে একবার, ২০১১ সালে নাংলীতে দুই বার, ২০১৪ সালে গুলিশাখালীতে একবার, ২০১৬ সালে নাংলী, পঁচাকোড়ালিয়া ও তুলাতলায় তিন বার, ২০১৭ সালে মাদ্রাসারছিলায় একবার এবং সবশেষ চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ধানসাগর এলাকায় ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।<br>২২ বারের অগ্নিকান্ডে ৭১ একর ৬৬ শতাংশ বনজ সম্পদের (সুন্দরী গাছসহ বিভিন্ন লতাগুল্ম) পুড়ে যায়; যার আর্থিক মূল্য ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৩৩ টাকা বলে বনবিভাগ জানিয়েছে। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ সংলগ্ন লোকালয় হলো বাগেরহাটের শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলা। এই তিন উপজেলার বনসংলগ্ন গ্রামের মধ্যে রয়েছে ধানসাগর, জিউধরা, বৌদ্ধমারী ও কাটাখালী। এখানে কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। এই এলাকার উপর দিয়ে বয়ে গেছে ভোলা ও খড়মা নদী। নদীর ওপারেই সুন্দরবন। এখন নাব্যতা হারিয়েছে এই নদী দুটি। শীত মৌসুম এলে নদী শুকিয়ে হাঁটু পানি হয়ে যায়। ফলে বন সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করা মানুষ হেঁটে সুন্দরবনে ঢুকে পড়ে।<br>বনসংলগ্ন একটি লোকালয়ের বাসিন্দা জামাল হোসেন, ইসমাইল হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, দীর্ঘদিন খনন না হওয়ায় ভোলা নদী মরে গেছে। শীত মৌসুম এলে এই নদী শুকিয়ে যায়। ফলে স্থানীয় লোকজন অবাধে সুন্দরবনের প্রবেশ করতে পারে। এখানকার কিছু অসাধু মানুষ বনে ঢুকে বুঝে না বুঝে বনজ সম্পদের ক্ষতি করে থাকে।<br>ভোলা নদী খনন না করলে স্থানীয় বাসিন্দারা আরও বেশি বেশি বনে ঢুকবে এবং বনের ক্ষতি করবে বলে তারা মনে করেন।<br>মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে উল্লেখ করে তারা মরে যাওয়া নদীগুলো খনন করে এখানকার মানুষদের বনে ঢোকা ঠেকানোর দাবি জানান।<br>তেল গ্যাস বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির বাগেরহাট জেলা আহ্বায়ক ফররুখ হাসান জুয়েল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “উপকূলীয় এলাকার মানুষকে সুরক্ষা দেয় সুন্দরবন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ সিডর, আইলা, আমপান থেকে সুন্দরবনই আমাদের রক্ষা করেছে। সুন্দরবন না থাকলে আমরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচতে পারব না। শীত মৌসুম এলে সুন্দরবনে আগুন লাগার খবর পাই।<br>“আগুন লাগার পর বনবিভাগ স্থানীয়দের সহযোগিতা নিয়ে আগুন নেভায় আর তদন্ত কমিটি করে। ওই কমিটি তদন্ত করে সরকারের কাছে নানা সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে প্রতিবেদন জমা দেয় বলে শুনি। তা বাস্তবায়ন হয় কি হয় না তা আমরা জানতে পারি না।”<br>স্থানীয়দের নিয়ে চলমান সমস্যার সমাধান করা বনবিভাগের উচিত উল্লেখ করে তিনি সুন্দরবনকে রক্ষা করতে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বনবিভাগের আরও কঠোর হওয়ার দাবি জানান।<br>বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) বাগেরহাট জেলা কমিটির সদস্য সচিব মো. নূর আলম শেখ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত দেড় দশকে অসংখ্যবার সুন্দরবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে পরিবেশ ও বনজ সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। বন রক্ষায় বনবিভাগ বিভিন্ন সময়ে নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কোনোটা বাস্তবায়ন হয়েছে, কোনোটা বাস্তবায়ন হওয়ার অপেক্ষায় আছে।<br>“সম্প্রতি তিনটি নদ-নদী খননে সরকার বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। এই খনন কাজ সঠিকভাবে করলে বন সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াত বন্ধ করতে ভূমিকা রাখবে।”<br>বন সংলগ্ন এলাকায় মানুষকে আরও সচেতন করতে নানা ধরনের প্রচারণামূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়ার আহ্বান জানান এই বাপা নেতা।<br>সুন্দরবন পূর্ব বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাগেরহাটের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জ নিয়ে সুন্দরবন পূর্ব অংশ গঠিত। সুন্দরবনে গত দেড় দশকে ২২ বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাই চাঁদপাই রেঞ্জে ঘটেছে।<br>“এসব অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বনবিভাগ তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই তদন্ত কমিটি বনজ সম্পদ রক্ষায় বিভিন্ন সময়ে নানা সুপারিশ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এই সুপারিশের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় বন সংলগ্ন মরে যাওয়া নদ-নদী খনন, সীমানা রক্ষা বেড়া এবং ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা।”<br>সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।<br>বেলায়েত হোসেন আরও বলেন, গত জানুয়ারিতে মরে যাওয়া ভোলা, খড়মা ও আড়ুয়ার খাল খনন করতে ১৮ কোটি ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে ২৩ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার অংশ খনন করা হবে। খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করে এই তিনটি খালের খনন কাজ শুরু হবে।<br>তদন্ত কমিটির সুপারিশ করা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে বনের অগ্নিকাণ্ড কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:58:00 1970-01-01 00:00:00 স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে খুশি ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104605 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042673_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042673_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের সুপারিশ লাভ করায় ভারত অত্যন্ত খুশি এবং অর্থনৈতিক উন্নতি হলেও প্রতিবেশীদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনের। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব গত শুক্রবার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা এবং গর্বপ্রকাশ করেছেন।<br>শ্রীবাস্তব বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে আমরা খুশি এবং এই প্রবৃদ্ধির পথে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব অব্যাহত রাখব।<br>বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে সাফটার (দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য চুক্তি) অধীনে ভারতে যে শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পেত, এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও সেটি পাবে কি না জানতে চাওয়া হয়েছিল ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের কাছে।<br>জবাবে তিনি বলেন, ভারত এবং বাংলাদেশ উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ কর্মকর্তাদের দ্বিপাক্ষিক বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (সিইপিএ) সম্ভাবনা নিয়ে একটি যৌথ গবেষণা দ্রুত সমাপ্তের নির্দেশ দেন।<br>গত ১৭ ডিসেম্বর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যকার একটি ভার্চুয়াল সম্মেলনে নতুন এই চুক্তির বিষয়টি সামনে আসে।<br>শ্রীবাস্তব বলেন, ভারত-বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ভার্চুয়াল সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেওয়া শুল্কমুক্ত কোটামুক্ত সুবিধার প্রশংসা করেন। সাফটার ভিত্তিতে ২০১১ সাল থেকে ভারত বাংলাদেশকে এই সুবিধা দিচ্ছে।<br>সম্প্রতি জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি সংক্রান্ত কমিটি (সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সুপারিশ করেছে। নিয়ম অনুযায়ী, তিনটি শর্ত পূরণ হলে এবং পরপর দুটি পর্যালোচনায় এ মানদণ্ড ধরে রাখতে পারলে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়া যায়।<br>শর্ত তিনটি হলো- মাথাপিছু আয় হতে হবে কমপক্ষে ১ হাজার ২৩০ মার্কিন ডলার, মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ পয়েন্ট ও অর্থনীতির ভঙ্গুরতা সূচকে ৩২ বা তার নিচে থাকতে হবে। বাংলাদেশ এসব শর্ত ২০১৮ থেকেই পূরণ করে আসছে।<br>সাধারণত প্রতি তিন বছর পরপর এই মানদণ্ড পর্যালোচনা করে সিডিপি। তবে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দুই বছর বাড়িয়ে বাংলাদেশকে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য ২০২৬ সালের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগামী পাঁচ বছর উপরের তিনটি মান ধরে রাখতে পারলেই মিলবে উন্নয়নশীল দেশের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:57:00 1970-01-01 00:00:00 ভিসি কলিমুল্লাহর বক্তব্য ব্যক্তিগত বিষোদগার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104604 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042629_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042629_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার: উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলনে এসে শিক্ষামন্ত্রী ও তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তার বক্তব্যকে ‘ব্যক্তিগত বিষোদগার’ ও ‘অনভিপ্রেত’ বলে মন্তব্য করেছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রক এই সংস্থা। ইউজিসি বলছে, উপাচার্য কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হয়েছে। শনিবার ইউজিসির জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়। গত ৪ মার্চ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও ইউজিসির সমালোচনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, ‘আমি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির ষড়যন্ত্রের, রাজনীতির শিকার।’<br>এর জবাবে ইউজিসির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউজিসি দেশের উচ্চশিক্ষার বিস্তার, গুণগত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর দেখভাল, আর্থিক মঞ্জুরি ও গবেষণা সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউজিসি সব সময় নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রেখে কাজ করছে এবং কখনো এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।<br>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ইউজিসিকে দায়িত্ব দেয়া হয়। অনিয়মের অভিযোগটি পরিকল্পনা সংক্রান্ত হওয়ায় ইউজিসি’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য, পরিচালক ও অতিরিক্ত পরিচালকের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পদমর্যাদা অনুসারে তারা কমিটির আহ্বায়ক, সদস্য ও সদস্য সচিব হয়েছেন।’<br>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তদন্ত কমিটি পেশাদার মনোভাব নিয়ে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ, সরেজমিনে পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। তদন্তটি দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো পর্যায়ে শিক্ষামন্ত্রী বা অন্য কেউ প্রভাব বিস্তার করার কোনো ধরনের সুযোগ নেই। কমিশন দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চায় যে— বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন ও প্রভাবমুক্তভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নিরপেক্ষ এবং বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ শিক্ষামন্ত্রী ও তদন্ত কমিটি নিয়ে ব্যক্তিগত বিষোদগার করেছেন তা অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। উপাচার্যের মতো দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে কোনোভাবেই এটি প্রত্যাশিত নয়।’<br>ইউজিসির দাবি, শিক্ষামন্ত্রী দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে কখনো কোনো বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেননি। কোনো উপাচার্য বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে এমন কোনো ধরনের পরামর্শ বা নির্দেশনা তিনি কখনও দেননি।<br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:57:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার ঘোষণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104603 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042597_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042597_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণই স্বাধীনতার ঘোষণা ও স্বাধীনতা অর্জনের পথ নির্দেশনা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু। তিনি বলেন, এই ভাষণ শুধু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনেরই নয়, ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের মধ্যে অন্যতম।<br>ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে শনিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। ১৪ দলের মুখপাত্র আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু তার এই ভাষণের মধ্য দিয়ে একদিকে পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাসন, শোষণ, নির্যাতন, নীপিড়ন, বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিলেন, অন্যদিকে শোষণের হাত থেকে বাঙালিকে মুক্তির পথ নির্দেশনা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি ও গেরিলা যুদ্ধের রূপরেখা তুলে ধরেন ‘বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই বলেছিলেন আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে’-যোগ করেন আমু। বলেন, তিনি পাড়া, মহল্লা, থানা ও জেলায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছিলেন।<br>বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য ‘রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বোই, ইনশাল্লাহ’ উদ্ধৃত করে আমু বলেন, ‘তার এমন দৃঢ়চেতা মনোবল ও ঘোষণার কারণেই পাকিস্তানি শোষণ ও শাসনের বিরূদ্ধে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র যুদ্ধে যাওয়ার প্রেরণা পায়। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিটি লাইনের প্রতিটি শব্দ আন্দোলিত করে মুক্তিকামী বাঙালিকে, যার মধ্যে বাঙালি খুঁজে পায় স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভ করার সকল কলা-কৌশল।’<br>এই ভাষণ যুগে যুগে শত আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করেন আমির হোসেন আমু।<br>ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চ উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে এ আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ৭ মার্চ আজ শুধু বাংলাদেশের সম্পদ নয়, ইউনেস্কোর বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্যের স্বীকৃতিসহ সারা বিশ্ববাসীর কাছে শ্রেষ্ঠ ভাষণের মর্যাদা পেয়েছে। আর যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে দেয়নি তারা আজ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:56:00 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২০৫ শ্রমিক আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104602 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042565_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042565_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডুর একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে ২০৫ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন পুলিশ। and nbsp;<br>আটকদের মধ্যে বাংলাদেশি, ইন্দোনেশিয়ান, মিয়ানমার ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ মার্চ) দিনগত রাত ১১টার দিকে তাদের আটক করা হয়। and nbsp; কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামিদি আদম এ তথ্য জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য সান ডেইলি এই আটকের খবর প্রকাশ করেছে। and nbsp; রাতে ইকসোরা অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান শেষে ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এর ধারা ১৫ (১) (সি) এবং ৬ (১) (সি) এর আওতায় তাদের আটক করা হয়েছে।<br>হামিদি আদম জানান, কোভিড-১৯ এর বিস্তাররোধে নির্মাণ শ্রমিকরা এসওপি অনুযায়ী কাজ করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চালানো হয়। আটকদের অনেকের কাছে কোভিড-১৯ পরীক্ষার কাগজও ছিল না। অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসরত ৪২৫ বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০৩ জন পুরুষ ও দুই নারীর কাজের কোনও নথি না রাখার জন্যও তাদের আটক করা হয়। <br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:56:00 1970-01-01 00:00:00 ভ্যাকসিন নিয়ে আত্মতুষ্টি নয়: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104601 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042527_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042527_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভ্যাকসিন নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে করোনাভাইরাস মহামারি প্রকোপ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। শুক্রবার হু’র জরুরি বিভাগের পরিচালক মাইকেল রায়ান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন সরবরাহের কারণে মানুষ যদি মনে করে মহামারির সংকট কেটে গেছে তাহলে মহামারি আরও প্রকোপ আকার ধারণ করতে পারে।<br>সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, আগামী সপ্তাহে আরো ৩১টি দেশে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স (জাতিসংঘের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্লোবাল এক্সেস) পদক্ষেপের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোতে চলতি সপ্তাহে টিকাদান নিশ্চিত করতে ২০টি দেশে ২কোটি ভ্যাকসিনের চালান সরবরাহ করা হয়েছে।<br>হু’র মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রিয়েসিস সপ্তাহজুড়ে কোভ্যাক্সের ভ্যাকসিন সরবরাহের প্রশংসা করেন। তবে ভ্যাকসিনেশনে ধনী দেশগুলোর চেয়ে দরিদ্র দেশগুলো এখনো পিছিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।<br>উল্লেখ্য, কোভেক্সের মাধ্যমে আফ্রিকার এঙ্গোলা, কঙ্গো, গাম্বিয়া, ঘানা, আইভরিকোস্ট, কেনিয়া, লেসেথো, মালাউয়ি, মালি, নাইজেরিয়া, রুয়ান্ডা, সেনেগাল, সুদান এবং উগান্ডায় ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে। এছাড়াও কম্বোডিয়া, কলম্বিয়া, ভারত, মালদোভা, ফিলিপাইন ও দক্ষিণ কোরিয়া ভ্যাকসিন সরবরাহ পেয়েছে।<br>টেড্রোস বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে কোভ্যাক্স আরো ৩১টি দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে, এ নিয়ে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ভ্যাকসিন পাওয়া দেশের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৫১টি। <br>এটি উৎসাহজনক অগ্রগতি তবে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে সরবরাহ দেয়া ভ্যাকসিন চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।’ <br>প্রথম দফায় চলমান ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজের সরবরাহ মে মাসের শেষ নাগাদ চলবে বলেও জানান তিনি।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:55:00 1970-01-01 00:00:00 আইপিএলের সূচি আর ভেন্যু চূড়ান্ত! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104600 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042502_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042502_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্পোর্টস ডেস্ক:<br>করোনাকে ভয় আর নয়। গতবার করোনার কারণে ভারতের বদলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। তবে এত বড় একটা টুর্নামেন্ট দেশের বাইরে করলে খরচ আরও বেড়ে যায়।<br>এবার তাই শুরু থেকেই দেশের মাটিতে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর ছিল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সেইমতোই সব পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে।<br>করোনা শঙ্কাকে পাশ কাটিয়ে ভারতেই আইপিএলের চতুর্দশ আসরটি মাঠে গড়াবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে। এবার জানা গেল, টুর্নামেন্ট শুরু-শেষের তারিখ ও ভেন্যুর ব্যাপারেও। বিসিসিআইয়ের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল শুরু হবে আইপিএলের এবারের আসর।<br>টুর্নামেন্টর ফাইনাল হবে ৩০ মে। ভারতে মোট ৬টি ভেন্যুতে আইপিএলের ম্যাচগুলো হলো। সেই ছয় ভেন্যু হলো-কলকাতা, মুম্বাই, নয়াদিল্লি, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং আহমেদাবাদ।<br>জৈব সুরক্ষা বলয়ে ৫২ দিন ধরে মোট ৬০টি ম্যাচ হবে। জৈব সুরক্ষা বলয়ের ঝামেলার কারণে প্রথমে দুই-তিনটি ভেন্যুর কথা ভাবা হলেও পরে ঠিক হয়েছে ছয় ভেন্যুতে খেলা চলবে।<br><br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:55:00 1970-01-01 00:00:00 জিয়ার খেতাব বাতিল করা হয়নি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104599 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042475_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042475_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীরউত্তম’ খেতাব বাতিল করা হয়নি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।<br>শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘১৯ শে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উদযাপন পরিষদ’র উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী।<br>মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিল করা হয়নি। শুধু সুপারিশ করা হয়েছে। যারা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত বা সাজাপ্রাপ্ত খুনি তাদের খেতাব বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা যদি পাওয়া যায়, বিষয়টি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br>মোজাম্মেল হক বলেন, বিষয়টিতে বোঝার ভুল আছে। যেদিন আমরা এ বিষয়ে সভা করি, সেদিন কিছু লোকের খেতাব বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। এরা হচ্ছে আত্মস্বীকৃত খুনি, আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত এমন ব্যক্তি। সেই পর্যায়ে আলোচনা হয়েছিল যে বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। অনেকেই অনেক উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি যে খুনি সেটা প্রমাণ করে অনেকেই অনেক তথ্য দিয়েছেন। এ বিষয়ে কমিটি তদন্ত করছে। তদন্ত করার পর জাতির সামনে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হবে।<br>মুক্তযুদ্ধমন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যায়ে আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছি। দুই মাসের মধ্যে তাদের দালিলিক প্রমাণ দাখিল করতে হবে। জিয়া কবে কোথায় কীভাবে বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সেটা খুঁজে বের করবে তারা। এটা বের করার পর আমরা জাতির সামনে পেশ করব। তারপর রিপোর্ট পাওয়ার পর কমিটিতে আলোচনা হবে।<br>মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, আমি চেষ্টা করেছি মিডিয়ায় বিষয়টা পরিষ্কার করতে। আমরা খেতাব বাতিল করি নাই, বাতিল করার জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে তদন্ত কমিটি করে তার রিপোর্ট পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ করে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর পর গত ৯ ফেব্রুয়ারি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিলের সুপারিশ করা হয়। জিয়াউর রহমানসহ এই পাঁচজন এবং তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না।<br>রাজধানীর স্কাউট ভবনে আয়োজিত দিনব্যাপী জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।<br>ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিএনপি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখায়। রাজপথে বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করে দলটি।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:54:00 1970-01-01 00:00:00 ওড়না ঠিক না থাকায় রাবির দুই ছাত্রীকে হয়রানির অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104598 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042442_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042442_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাবি প্রতিনিধি:<br>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই ছাত্রীকে মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিয়োগ পাওয়া গেছে। তাদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে একজন শিক্ষক, একজন গার্ড ও নারী ওই শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে বিরূপ মন্তব্য ও বাকবিতণ্ডায় জড়ান।<br>বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টায় কাজলা গেটে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীরা ফেসবুকে তাদের মন্তব্যে লিখেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় একজন বান্ধবীর সাথে ক্যাম্পাসে ঢুকি কাজলা গেট দিয়ে। তার ব্যাক পেইনের কারণে সে মসজিদের সামনে দাঁড়ালে হঠাৎ একজন শিক্ষক চিৎকার ও ঝাড়ি দিয়ে বললেন যে, এই মেয়ে এখান থেকে যাও। লজ্জাশরম নেই? মসজিদের সামনে দাঁড়িয়েছ কেন? আমরা সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলাম তখন সিভিল ড্রেসে যে পুলিশ ছিলেন, তিনি গালাগালি শুরু করে দিয়েছেন। আপনাদের ড্রেসআপ এর ঠিক নেই নির্লজ্জ, আপনাদের ওড়না ঠিক নেই, বেয়াদব মেয়ে মানুষ।’<br>তিনি আরো লিখেন, ‘এক মহিলা এসে বলছে, বেয়াদব মেয়ে এখনো ওড়না দিয়ে শরীর ঢাকোনি তর্ক করছ? আর সাথে সেই শিক্ষক নামাজ পড়তে না গিয়ে উনি হুকুম দিলেন, আমাদের আইডি কার্ড রেখে দেওয়ার। আমরা হাঁটছিলাম তখন উনি আমাদেরকে ধরে আনার জন্য বললেন এবং এদের আইডি কার্ড রেখে দাও। সেই পুলিশও সুযোগ পেলেন এবং আরও কিছু কথা শুনিয়ে বললেন, আইডি কার্ড দেন আপনাদের শিক্ষক বলছে। আইডি কার্ড দেন না হলে বের হোন এক্ষনি ক্যাম্পাস থেকে অতঃপর মানসম্মানের ভয়ে নিজেরা ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে আসলাম। ভার্সিটিতে বলে দেওয়া হোক কোন ড্রেস আপ এ গেলে এভাবে শিক্ষার্থীদের হ্যারাজ হতে হবে না কাজলা গেটের এর পুলিশ দ্বারা। তাদের কী নির্ধারিত করা হয়েছে মেয়েদের ড্রেস দেখার জন্যে?’<br>এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী একজন বলেন, ‘ঘটনার পর গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ আমরা দুজন গতকাল কাজলা গেটে গেলে পুলিশ সদস্য বিষয়টি স্বীকার করেন। আমরা জানতে পেরেছি ওই শিক্ষকের নাম ও ওই নারী একজন শিক্ষকের স্ত্রী ছিলেন। আমরা আগামীকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর ও যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে লিখিত অভিযোগ করবো।’<br>বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘কাজলা গেটের ঘটনাটি শুনেছি। শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’<br>প্রসঙ্গত, ভুক্তভোগী দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ফোরামের সদস্য। এ ঘটনায় সংগঠনটি দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:54:00 1970-01-01 00:00:00 মশা নিধন কৌশলে ভুল হয়েছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104597 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042419_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042419_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মশা নিধন কৌশলে কিছুটা ভুল হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।<br>শুক্রবার (৫ মার্চ) বিকেলে নগরীর ডেমরায় ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের করিম জুট মিলস মাঠে আন্তঃওয়ার্ড ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২১ এর তৃতীয় পর্বের ফুটবল খেলা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা জানান তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আমাদেরকে বিশেষজ্ঞ মহল যে পরামর্শ দিয়েছিলেন সেটা হলো, তারা মনে করেছেন- যেহেতু ডেঙ্গুর প্রকোপটা ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে, সেহেতু ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদেরকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা তাই করেছি। সে জায়গাতেই আমার মনে হয়েছে যে কৌশলে আমাদের একটু ভুল আছে। আমাদের নভেম্বর থেকেই কিউলেক্স মশার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া আরম্ভ করা উচিত ছিল। কারণ, নভেম্বরে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে পানির গভীরতা কমতে শুরু করায় পানি কলুষিত হয়ে গেছে এবং ময়লা আবর্জনার কারণে কিউলেক্স মশার জন্য তা প্রজনন উপযোগী স্থান হয়ে গেছে।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যে উদ্যোগগুলো নিয়েছি, যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছি তাতে এরই মাঝে মশার উপদ্রব আগের চাইতে কমতে শুরু করেছে। এ বছর এপ্রিল থেকে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এবং নভেম্বর থেকে কিউলেক্স মশার বিরুদ্ধে কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে।’<br><br></body></HTML> 2021-03-06 20:53:28 1970-01-01 00:00:00 মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে আমিও ব্যথিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104596 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042396_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042396_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে আমি নিজেও ব্যথিত। কিন্তু মুশতাক আহমেদ করোনা মহামারি নিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান ধরনের পোস্ট দিচ্ছিলেন। নানানভাবে গুজব ছড়াচ্ছিলেন। সে কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জামিন কেন পাননি, সেটি কোর্ট বলতে পারবে। এই এখতিয়ার কোর্টের। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।’ শনিবার (৬ মার্চ) দুপুরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।<br>বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির মিছিল সমাবেশকে ব্যঙ্গ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির এখন নানান ধরনের মিছিল আছে। দৌড় মিছিল, চোরাগোপ্তা মিছিল, হঠাৎ মিছিল। গতকাল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ নাকি একটি চোরাগোপ্তা মশাল মিছিল করেছেন। তাদের বলবো, এভাবে চোরাগোপ্তা মিছিল ও মানুষের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা করে লাভ হবে না।’<br>বিএনপির ৭ মার্চ পালনের ঘোষণাকে অভিনন্দন জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এতদিন পরে তাদের বোধোদয় হলো। সত্যিকার অর্থে জনগণের কাছে যদি যেতে চান, তাহলে ইতিহাসকে মেনে নিন, যেভাবে ৭ মার্চকে মেনে নিয়েছেন। এতদিনের অপরাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চান।’<br>উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন-সম্পাদক দেবাশীষ পালিতের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাবন্ধিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক মো. শামসুল হক, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈন উদ্দিন, অ্যাডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মঈন উদ্দিন রাশেদ, জসিম উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন আহমেদ, স্বজন কুমার তালুকদার, আবদুল্লাহ আল বাকের ভুঁইয়া, উত্তর জেলা কৃষকলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-07 20:53:00 1970-01-01 00:00:00 ইথিওপিয়ার চেয়েও পিছিয়ে বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারেনেটের গতি! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104595 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042371_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042371_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মোবাইল ইন্টারনেটের গতির দিক দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় শুধু বাংলাদেশের চেয়ে কম গতির ইন্টারনেট রয়েছে আফগানিস্তানে। এমনকি আফ্রিকার দরিদ্র দেশ বলে পরিচিত ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার চাইতেও খারাপ অবস্থা বাংলাদেশের। অনলাইনে ইন্টারনেটের গতি দেখা যায়, এমন একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট স্পিডটেস্ট-এর গ্লোবাল ইনডেক্সের গত জানুয়ারি মাসে প্রকাশ করা সূচকে এমন তথ্য পাওয়া যায়।<br>অথচ বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরগুলো অনেকদিন ধরেই ফোরজি গতির ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে বলে দাবি করে। এমনকি খুব শিগগিরই তারা ইন্টারনেটের নবতম প্রযুক্তি ফাইভজি সেবা দেবে এমন কথাবার্তাও শোনা গেছে। আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিলেও বড় একটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের একজন দায?িত্বশীল কর্মকর্তা তাদের ইন্টারনেটের গতি কম থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।<br>তবে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলছেন, মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর যে পরিমাণে ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে তার চাইতে স্পেকট্রাম বা তরঙ্গের পরিমাণ কম থাকায় ইন্টারনেটের গতি কম হচ্ছে।<br>এরকম পরিস্থিতিতে আগামী সোমবার (৮ মার্চ) নতুন স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য নিলাম আয়োজন করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এই নিলাম থেকে অপারেটররা প্রয়োজনীয় স্পেকট্রাম কিনে নেয়ার পর আগামী মাস থেকে ইন্টারনেট সেবার অগ্রগতি হবে বলে তারা আশা করছেন।<br>বাংলাদেশের গ্রাহক অভিজ্ঞতা<br>বাংলাদেশের যেসব মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন তাদের একটি বড় অংশই যোগাযোগ, ব্রাউজিং বা বিনোদনের ক্ষেত্রে মোবাইল ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাইমুনা সুলতানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। তার নিজের একটি ফেসবুক পাতা ও ইউটিউব চ্যানেল আছে, যেখানে তিনি লাইভ স্ট্রিম করেন, ছবি/ভিডিও আপলোড করেন।<br>কিন্তু সম্প্রতি প্রয়োজনীয় গতির ইন্টারনেট সেবা না পেয়ে মোবাইলের অপারেটর বদলেছেন। কিন্তু তেমন কোনো লাভ হয়নি তার। দুটি অপারেটর তাদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগের দাবি করলেও মাঝে মাঝে ঢাকার ভেতরেই সংযোগ পেতে ঝামেলায় পেন মিস সুলতানা।<br>বিশেষ করে কোন ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ড কিংবা ১২তলার ওপরে গেলে তিনি তার অপারেটর থেকে আর নেটওয়ার্ক পান না।<br>আবার ঢাকার বাইরে অনেক জেলাতেও একই জটিলতার মুখে পড়তে হয় তাকে। এভাবে যখন তখন সংযোগ চলে যাওয়া বা ইন্টারনেট স্পিড কমে যাওয়ার কারণে তিনি যে প্যাকেজগুলো কেনেন তার বেশিরভাগই অপচয় হয়ে যায়।<br>মিস সুলতানা বলেন, ‘আমরা গত মাসে শ্রীমঙ্গলে ঘুরতে গিয়েছিলাম। জায়গাটা এমন দুর্গম কোথাও না, শহরের কাছেই। কিন্তু আমার দুটা অপারেটরের একটাতেও ইন্টারনেট কানেক্ট করতে পারিনি। অথচ দুটাতেই আমি সাত দিনের প্যাকেজ কিনে রেখেছিলাম। আমার পুরো টাকাটাই অপচয় হলো।’<br>‘আমার অফিস ঢাকাতেই একটা বহুতল ভবনের ১২ তলার ওপরে। সেখানেও নেটওয়ার্ক পেতে এতো ঝামেলা হয়! ওয়াইফাই থাকায় কাজ চালিয়ে নিতে পারি।’<br>মোবাইল অপারেটরগুলো ফোরজি ইন্টারনেট দেয়ার দাবি করলেও সেটার সাথে পারফরমেন্সের কোনো মিল নেই বলে অভিযোগ করেছেন সাদিয়া হক।<br>তিনি অনলাইনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, সেক্ষেত্রে দিন রাত তাকে ইন্টারনেট সংযোগের ওপর নির্ভর করতে হয়।<br>মিসেস হক অভিযোগের স্বরে বলেন, ‘ওরা দাবি করে ফোরজি স্পিড, কিন্তু আমি লাইভ করতে গেলে কিছুক্ষণ পরেই ফুটেজ এতো খারাপ আসে। ফোরজিতে তো এমন হওয়ার কথা না। মাঝে মাঝে ইউটিউবেতে বাফারিং হয়। অথচ টাকা তো কম নিচ্ছে না। অন্য দেশের চাইতে বেশিই নিচ্ছে।’<br>স্পিডটেস্ট-এর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান<br>প্রতিষ্ঠানটি মোট ১৪০টি দেশের মোবাইল ইন্টারনেটের গতি জরিপ করেছে, সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৬তম। যা গত বছরের চাইতে এক ধাপ পিছিয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে আছে মালদ্বীপ। দেশটির অবস্থান ৪৫তম।<br>এরপরেই ৮৮তম অবস্থানে রয়েছে মিয়ানমার। নেপালের অবস্থান ১১৪তম। এর চার ধাপ পিছিয়ে ১১৮তম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ১২০তম অবস্থানে শ্রীলঙ্কা। ভারত ১৩১তম অবস্থানে। এবং সবচেয়ে নিচে ১৪০তম অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান।<br>মোবাইলের ইন্টারনেটের গতিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ১৮৩ এমবিপিএস এর বেশি। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, চীন, সৌদি আরব, নরওয়ে, কুয়েত ও অস্ট্রেলিয়া।<br>এই প্রতিটি দেশের মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ১০০-১৭০ এমবিপিএস এর বেশি। সে হিসেবে ১৩৬তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ১০.৫৭ এমবিপিএস। যেটা কি না ভারতে ১২.৪১ এমবিপিএস এবং পাকিস্তানে প্রায় ১৮ এমবিপিএস।<br>অবশ্য ওই একই সূচকে ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের গতিতে অন্য অনেক দেশের চাইতেই এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। সেখানে ১৭৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৬। যা গত বছরের চাইতে এক ধাপ এগিয়ে এসেছে।<br>বর্তমানে বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ডাউনলোড গতি গড়ে ৩৩.৫৪ এমবিপিএস বলে ওই সূচকে উঠে এসেছে। সে হিসেবে তুরস্ক, গ্রিসের চাইতেও এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।<br>এমনকি মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ার চাইতেও বাংলাদেশ এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট গতিতে কয়েক ধাপ এগিয়ে আছে।<br>বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের স্পিড বেশি থাকার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এই ইন্টারনেট মানুষ কেবলের মাধ্যমে ব্যবহার করে। যেখানে কি না মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করে স্পেকট্রাম বা বেতার তরঙ্গ।<br>ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের এই কেবল দেশের প্রতিটি পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়ার কারণে নেটওয়ার্ক পেতে কোনো সমস্যা হয় না।<br>মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে কী করা হচ্ছে<br>ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলছেন, বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরগুলোর যে পরিমাণ গ্রাহক রয়েছে, সে হিসেবে তাদের স্পেকট্রাম বা বেতার তরঙ্গ ব্যবহারের পরিমাণ কম। তিনি বলেন, ‘ধরুন একটি অপারেটরের গ্রাহকের সংখ্যা আট কোটি। কিন্তু তাদের স্পেকট্রাম বরাদ্দ আছে মাত্র ৩৭ মেগাহার্টজ। যেখানে গ্রাহক হিসেবে তাদের থাকার কথা ছিল ১০০ মেগাহার্টজের মতো। এই বেতার তরঙ্গই হল মোবাইল নেটওয়ার্কের মেরুদণ্ড। এটি ঠিক না থাকলে, কোনোটাই ঠিক থাকবে না।’<br>গত এক বছর বাংলাদেশে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার দুই গুণ বেড়েছে। কিন্তু এর সাথে মানিয়ে নিতে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা অর্থাৎ তাদের বেতার তরঙ্গের ব্যবহার সে অনুপাতে বাড়েনি।<br>এ কারণে গ্রাহকরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ইন্টারনেটের গতি পাচ্ছে না বলে জানান মন্ত্রী জব্বার। তিনি বলেন, ‘আমরা টুজি থেকে থ্রিজিতে আসতে ২৪ বছর সময় নিয়েছি। ২০১৩ সালে থ্রিজি আসার ৫ বছরের মাথায় ২০১৮ সালে আমরা ফোরজিতে আসি। ২০১৯ সালে অপারেটরগুলো প্রস্তুতিমূলক কিছু কাজ করেছে। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের কারণে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ সেভাবে এগোয়নি।’<br>এখন এই মোবাইল ইন্টারনেটের এই গতি বাড়ানো লক্ষ্যে ৮ মার্চ বেতার তরঙ্গ নিলাম করতে যাচ্ছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।<br>বিভিন্ন ব্যান্ডে অব্যবহৃত যে বেতার তরঙ্গ যা আছে তার পুরোটাই নিলামে তোলা হবে বলে জানা গেছে।<br>মোবাইল অপারেটররা তাদের গ্রাহকের সংখ্যা হিসেবে যদি এই নিলাম থেকে বেতার তরঙ্গ কেনার সুযোগ গ্রহণ করেন। তাহলে মার্চের পর থেকেই ইন্টারনেটের গতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা করছেন।<br>মোবাইল অপরেটর প্রতিষ্ঠানগুলো এই বেতার তরঙ্গ কেনার ব্যাপারে আবেদন করেছে বলে জানা গেছে।<br>এছাড়া যেখানে ফাইবার অপটিকস আছে, সেখান থেকে তারা কেবল টেনে নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারতো।<br>বিশেষ করে বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় যেখানে বেতার তরঙ্গে সমস্যা হয় সেখানে বড় ব্যান্ডউইথ নিতে ফাইবার অপটিকস কাজে আসতে পারে।<br>কিন্তু বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর কিংবা নেশনওয়াইড টেলিকমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক-এনটিটিএন সেই কাজটিও করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন মোস্তফা জব্বার।<br>তবে ২৬ মার্চের মধ্যে বাংলাদেশের ৮০% গ্রাহককে ফোরজি ইন্টারনেট সেবার মধ্যে আনতে টেলিকমগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।<br>এরইমধ্যে দেশের প্রধান দুটি প্রধান মোবাইল অপারেটর কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেই তিনি জানান।<br>বাড়তি বেতার তরঙ্গ যোগ হলে গ্রাহক সেবার মানও আগের চাইতে ভালো হবে বলে মনে করা হচ্ছে।<br>বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের কাছে ফোরজি হ্যান্ডসেট না থাকাও এই ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আরেকটি কারণ বলে জানিয়েছেন মোস্তফা জব্বার।<br>মানসম্মত সেবার দাবি এমটবের<br>বাংলাদেশের মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন এমটব-এর মহাসচিব এস এম ফরহাদ দাবি করেছেন যে অনেক সমস্যার মধ্যেও মোবাইল অপারেটরগুলো মানসম্মত সেবা দিয়ে যাচ্ছে। তার মতে, করোনাভাইরাস মহামারী চলাকালীন মোবাইল ইন্টারনেটের ব্যবহার অনেক বেড়ে যাওয়ায় সেবার মানে প্রভাব পড়েছে। তবে প্রায় ১০.৫০ এমবিপিএস গতি ফোরজি সেবার জন্য ভাল গতি হিসাবে মনে করছেন তিনি।<br>তিনি বলেন, ‘অপারেটররা স্পেকট্রামের ঘাটতি, লাইসেন্স বিভাজন ইত্যাদিসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত সমস্যার মধ্যেও মানসম্মত সেবা দিয়ে চলেছে।’<br>মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর আরেকটি উপায় হল মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা বাড়ানো।<br>গত প্রায় আড়াই বছরের বেশি সময়ে মোবাইল টাওয়ার বসানো যায়নি। কিন্তু এ সময়ে গ্রাহকের সংখ্যা অনেক বেড়েছে।<br>গ্রাহক বাড়া সত্ত্বেও নেটওয়ার্কের সম্প্রসারণ স্থবির হয়ে পড়ায় ইন্টারনেটের গতিতে প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে ।<br>তবে ফরহাদ জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি টাওয়ার কোম্পানিগুলো কাজ শুরু করেছে। তাছাড়া ৮ মার্চের নিলামে নতুন করে স্পেকট্রাম বরাদ্দ হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘আসলে সঠিক নীতি, নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ পরিস্থিতি উন্নত করতে পারে।’ সূত্র: বিবিসি বাংলা<br><br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-06 20:52:39 1970-01-01 00:00:00 ময়মনসিংহে সড়কে প্রাণ গেল ৪ জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104594 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042342_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042342_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ময়মনসিংহের ভালুকা ও তারাকান্দায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে ও বিকেলে পৃথক দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।<br>প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা আঞ্চলিক মহাসড়কের তারাকান্দার মোজাহারদি গাছতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। নেত্রকোনা থেকে ময়মনসিংহগামী সিএনজি চালিত অটোরিকশাটিকে নেত্রকোনাগামী ট্রাকটি চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরো একজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- বিজন কৃষ্ণ রায় (৫৮) ও আবুল কাশেম (৩২)। বিজন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বাগিচাপাড়া গ্রামের বিশ্বেশ্বর রায়ের ছেলে। আবুল কাশেম দুর্গাপুরের বংশীপাড়া গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে।’<br>তারাকান্দা থানার ওসি মো. আবুল খায়ের বলেন, ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়।<br>অপরদিকে ভালুকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানায়, মহাসড়কের and nbsp; কাঁঠালী পল্লী বিদ্যুতের সামনে ঢাকা গামী একটি চলন্ত ট্রাকের পেছনে একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দিলে পিকআপের ড্রাইভার ও হেলপার মারা যায়। নিহতরা হলেন- চালক কাউসার শেখ (২৫) ও হেলপার ইমরান (২৬)। কাউসার নেত্রকোনার সনুরা গ্রামের সদর আলীর ছেলে। ইমরানও একই জেলার যুগাটি গ্রামের চান মিয়ার ছেলে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।’<br>ভালুকা হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মশিউর রহমান জানান, পিকআপের ড্রাইভার ঘুমিয়ে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-06 20:52:08 1970-01-01 00:00:00 চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি উধাও, বাজলো পাগলা ঘণ্টা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104593 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042317_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে শনিবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে এক বন্দির হদিস মিলছে না। সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে ওই বন্দির অনুপস্থিতির বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। <br>এদিকে বিকেলে নিখোঁজ বন্দির সন্ধানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বাজানো হয় ‘পাগলা ঘণ্টা’। এছাড়া কারাগারে বাড়তি পুলিশ প্রবেশ করেছে। চলছে তল্লাশি।<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/06/1615042317_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"><br>সূত্র জানায়, নিখোঁজ কারাবন্দির নাম রুবেল। তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে ১৫ নম্বর কর্ণফুলী ভবনের ‘পানিশমেন্ট’ ওয়ার্ডে থাকতেন। এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান ও জেলার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি।<br>নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কারারক্ষী জাগো নিউজকে জানান, শনিবার সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে কর্ণফুলী ভবনের বন্দি রুবেলের অনুপস্থিতির বিষয়টি ধরা পরে। এরপর থেকে দিনভর খোঁজ করেও ওই বন্দির হদিস মিলছে না। বন্দি রুবেল কি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে নাকি কারা অভ্যন্তরে লুকিয়ে রয়েছে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্মকর্তারা।<br>উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৯ মে চট্টগ্রাম কারাগারে এক কয়েদির ইটের আঘাতে মারা যান পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী অমিত মুহুরি। এর আগে ২০০০ সালে ভারতীয় নাগরিক জিবরান তায়েবী হত্যা মামলার আসামি ওসমানকে একই কারাগারে ছুরিকাঘাতে ‘খুন’ করেন অপর এক বন্দি। সম্প্রতি সেই জিবরান তায়েবী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি শিল্পপতির পুত্র ইয়াছিন রহমান টিটুর বিরুদ্ধে কারাগারের ভেতরেই কেডিএস গ্রুপের প্রতিষ্ঠান কেওয়াই স্টিলের ব্যবসায়িক নীতিনির্ধারণী সভা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।<br>সর্বশেষ কারা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় হাজতি নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। মামলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলার, জেলখানায় কর্তব্যরত সহকারী সার্জন ও সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকার রতন ভট্টাচার্য এবং বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-06 20:51:15 1970-01-01 00:00:00 কারাগারে বন্দি উধাও, বাজলো পাগলা ঘণ্টা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104592 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615039690_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615039690_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে শনিবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে এক বন্দির হদিস মিলছে না। সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে ওই বন্দির অনুপস্থিতির বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। and nbsp; এদিকে বিকেলে নিখোঁজ বন্দির সন্ধানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বাজানো হয় ‌‌‘পাগলা ঘণ্টা’। এছাড়া কারাগারে বাড়তি পুলিশ প্রবেশ করেছে। চলছে তল্লাশি। সূত্র জানায়, নিখোঁজ কারাবন্দির নাম রুবেল। তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে ১৫ নম্বর কর্ণফুলী ভবনের ‘পানিশমেন্ট’ ওয়ার্ডে থাকতেন।<br><br>এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান ও জেলার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ স্থাপন করা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কারারক্ষী জানান, শনিবার সকালে নিয়মিত বন্দি গণনাকালে কর্ণফুলী ভবনের বন্দি রুবেলের অনুপস্থিতির বিষয়টি ধরা পরে। এরপর থেকে দিনভর খোঁজ করেও ওই বন্দির হদিস মিলছে না। বন্দি রুবেল কি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছে নাকি কারা অভ্যন্তরে লুকিয়ে রয়েছে সে বিষয়টিও নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কর্মকর্তারা।<br><br>উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৯ মে চট্টগ্রাম কারাগারে এক কয়েদির ইটের আঘাতে মারা যান পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী অমিত মুহুরি। এর আগে ২০০০ সালে ভারতীয় নাগরিক জিবরান তায়েবী হত্যা মামলার আসামি ওসমানকে একই কারাগারে ছুরিকাঘাতে ‘খুন’ করেন অপর এক বন্দি। সম্প্রতি সেই জিবরান তায়েবী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি শিল্পপতির পুত্র ইয়াছিন রহমান টিটুর বিরুদ্ধে কারাগারের ভেতরেই কেডিএস গ্রুপের প্রতিষ্ঠান কেওয়াই স্টিলের ব্যবসায়িক নীতিনির্ধারণী সভা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।<br><br>সর্বশেষ কারা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় হাজতি নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। মামলায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলার, জেলখানায় কর্তব্যরত সহকারী সার্জন ও সাতকানিয়ার মৌলভীর দোকান এলাকার রতন ভট্টাচার্য এবং বেশ কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।</body></HTML> 2021-03-06 20:07:38 1970-01-01 00:00:00 ইংল্যান্ডকে ইনিংস হারের লজ্জা দিয়ে ফাইনালে ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104591 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615038044_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615038044_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ভারতের জন্য সমীকরণটা ছিল বেশ সহজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ও শেষ টেস্টটা ড্র করতে পারলেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নাম লেখাতো বিরাট কোহলির দল।<br>তবে সেই সহজ হিসেবে গেল না ম্যান ইন ব্লু’রা। দাপটেই শেষ করলো সিরিজ, ইংলিশদের দিল ইনিংস হারের লজ্জা। আহমেদাবাদের মোতেরায় ইংল্যান্ডকে ইনিংস এবং ২৫ রানে হারিয়ে চার ম্যাচের সিরিজ ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে ভারত।<br>সেইসঙ্গে কোহলির দল নাম লিখিয়েছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। আগামী জুনে লর্ডসে টুর্নামেন্টের ফাইনালে তাদের লড়তে হবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। সেই লড়াইয়ে জয়ী দল পরবে টেস্ট শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট। মোতেরায় নরেন্দ্র মোদির নামে নতুন স্টেডিয়াম ভারতকে দুই হাত ভরে দিল। এই ভেন্যুতেই আগের টেস্টে দুইদিনে ইংলিশদের ১০ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত, এবার তারা ইনিংস ব্যবধানে জিতল তিনদিনে। সেই স্পিনেই কপাল পুড়লো ইংল্যান্ডের। প্রথম ইনিংসে ২০৫ রানে অলআউট হওয়া দলটি দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন আর অক্ষর প্যাটেলের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি। এবার অলআউট মাত্র ১৩৫ রানে। অশ্বিন আর অক্ষর দুজনই নিয়েছেন ৫ উইকেট করে। অথচ প্রথম ইনিংসে রিশাভ পান্ত আর ওয়াশিংটন সুন্দরকে আউট করার সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারতো। এই দুজনই ঘুরিয়ে দিয়েছেন টেস্টটি। ইংল্যান্ডের ২০৫ রানের জবাব দিতে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৪৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল ভারত। সেখান থেকে পান্ত আর সুন্দরের ১১৩ রানের ম্যাচ ঘুরানো জুটি। পান্ত সেঞ্চুরি তুলে আগের দিন ফিরলেও সুন্দর টেস্টের তৃতীয় দিন ভারতকে আরও অনেকটা পথ এগিয়ে নিয়েছেন। অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়েন সুন্দর। অক্ষর আউট হন ৪৩ করে। যেমন ব্যাটিং করেছেন, সুন্দরের সেঞ্চুরিটা প্রাপ্যই ছিল। কিন্তু সঙ্গীর অভাবে ৯৬ রানে অপরাজিত থেকেই ফিরতে হয় এই ব্যাটসম্যানকে। ভারত পায় ৩৬৫ রানের সংগ্রহ। জবাবে দ্বিতীয়বার নেমে শুরু থেকেই স্বস্তিতে ছিল না ইংল্যান্ড। অশ্বিন-অক্ষরের ঘূর্ণিতে ৩০ রানের মধ্যে শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ধুঁকতে থাকে সফরকারিরা। সেই ধুঁকতে থাকা আর শেষ হয়নি। স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যা একটু প্রতিরোধ গড়েছেন ড্যান লরেন্স। সাত নম্বরে নামা এই ব্যাটসম্যান কাটায় কাটায় ৫০ রান করে দলের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরলে ১৩৫ রানে থামে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংস।<br>সংক্ষিপ্ত স্কোর:<br>ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস : ২০৫/১০ (বেন স্টোকস ৫৫, ড্যান লরেন্স ৪৬, ওলি পোপ ২৯, জনি বেয়ারস্টো ২৮; অক্ষর প্যাটেল ৪/৬৮, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৪/৪৭)<br>ভারত প্রথম ইনিংস : ৩৬৫/১০ (রিশাভ পান্ত ১০১, ওয়াশিংটন সুন্দর ৯৬, রোহিত শর্মা ৪৯, অক্ষর প্যাটেল ৪৩; বেন স্টোকস ৪/৮৯, জেমস অ্যান্ডারসন ৩/৪৪)<br>ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংস : ১৩৫/১০ (ড্যান লরেন্স ৫০, জো রুট ৩০, ওলি পোপ ১৫; অক্ষর প্যাটেল ৫/৪৮, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৫/৪৭)<br>ফল : ভারত ইনিংস এবং ২৫ রানে জয়ী।<br>সিরিজ : চার ম্যাচের সিরিজে ৩-১ ব্যবধানে জয়ী ভারত।<br><br><br></body></HTML> 2021-03-06 19:40:17 1970-01-01 00:00:00 স্মিথকে অধিনায়কত্ব না দেয়ার কারণ নেই: উসমান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104590 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037976_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037976_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>স্টিভেন স্মিথ যদি চান তাহলে তাকে টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব না দেয়ার কোনো কারণে নেই বলে উল্লেখ করেছেন অস্ট্রেলিয়া দলের ক্রিকেটার উসমান খাজা। স্মিথ তিন বছর অস্ট্রেলিয়া দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বল টেম্পারিং কা-ে জড়ানোয় তাকে অধিনায়কত্ব থেকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।<br>স্মিথের উপর অধিনায়কত্ব বিষয়ে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল সেটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত বছরের মার্চে। তারপরও স্মিথকে অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেয়া হয়নি। অজি ক্রিকেটার উসমান খাজা বলেছেন, ‘যদি স্মিথ অস্ট্রেলিয়া দলকে নেতৃত্ব দিতে চায় তাহলে তাকে অধিনায়ক করা উচিত বলে আমি মনে করি। সে আমাদের দলের নাম্বার ওয়ান ব্যাটসম্যান। সে বহুবার নিজেকে প্রমাণ করেছে। সে তার ভুলের মাশুল দিয়েছে। যা অধিনায়কের দায়িত্ব না দেয়ার কোনো কারণ নেই।’<br>স্মিথ অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর টিম পেইনকে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের অধিনায়ক করা হয়। ২০১৯ সালে পেইনের নেতৃত্ব অ্যাশেজ সিরিজ জয় করে অস্ট্রেলিয়া। কিছু দিনের জন্য টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা সেরা অবস্থানে ছিল। সম্প্রতি ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হারে অস্ট্রেলিয়া। এরপর পেইনের অধিনায়কত্ব নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। তবে, অস্ট্রেলিয়া দলের নির্বাচক ট্রেভর হন্স বলেন, পেইনের অধিনায়কত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। পেসার প্যাট কামিন্স অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের সহ-অধিনায়ক। অনেকের চোখে মার্নাস লাবুশেনকে অস্ট্রেলিয়া দলের ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে দেখেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেট দল নিউ সাউথ ওয়েলসের ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে কামিন্সকে।<br><br><br><br></body></HTML> 2021-03-06 19:39:10 1970-01-01 00:00:00 ক্যারিবীয়দের উড়িয়ে ঘুরে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104589 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037935_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037935_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>ছয় বলে ছয় ছক্কা যে নেহায়েতই দুর্ঘটনা, এর প্রমাণ দিলেন আকিলা ধনঞ্জয়া। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিলেন ভানিন্দু হাসারাঙ্গা, লাকশান সান্দাকানরা। তিন স্পিনারের দাপুটে বোলিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেই প্রতিশোধ নিয়ে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা, দুর্দান্ত জয়ে সমতা ফিরিয়েছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে।<br>শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে অ্যান্টিগার কুলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ১৮.৪ ওভারে সবকয়টি উইকেট হারিয়ে ১১৭ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিক ক্যারিবীয়রা। ফলে শ্রীলঙ্কা পেয়েছে ৪৩ রানের জয় এবং ১-১ সমতা চলে এসেছে সিরিজে।<br>অথচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৩.১ ওভারে ১৩৪ রান করে ফেলায়, দ্বিতীয়টিতেও বাজি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে। কিন্তু এবার আর পারেননি এভিন লুইস, কাইরন পোলার্ড, লেন্ডল সিমনসরা। সবার সম্মিলিত ব্যর্থতার ফলেই ক্যারিবীয়দের ইনিংস থেমেছে মাত্র ১১৭ রানে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন দশ নম্বরে নামা ওবেদ ম্যাকয়।<br>আগের ম্যাচে ঝড় তোলা এভিন লুইস (৬ বলে ৬), লেন্ডল সিমনস (১৯ বলে ২১) ও কাইরন পোলার্ডরা (১৫ বলে ১৩) আজ কিছুই করতে পারেননি। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফেরা ক্রিস গেইল ব্যর্থতার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। আউট হয়েছেন ১৬ বলে ১৬ রান করে। নিকোলাস পুরান (১৫ বলে ৮), জেসন হোল্ডার (৫ বলে ৯) ও ডোয়াইন ব্রাভোরাও (৪ বলে ২) ছিলেন নিজেদের ছায়ায়।<br>ক্যারিবীয়দের আটকে রাখার বড় কৃতিত্ব লঙ্কান স্পিনারদের। আগেরদিন ওভারে ছয় বলে ছয় ছক্কাসহ ৪ ওভারে ৬২ রান খরচ করা আকিলা এদিন ৪ ওভারে খরচ করেছেন মাত্র ১৩ রান, সাজঘরে পাঠিয়েছেন এভিন লুইসকে। আজকের ৪ ওভারে মাত্র ১টি ছক্কা হজম করেছেন তিনি।<br>এছাড়া হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ এবং লাকশান সান্দাকান ৩.৪ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় নিয়েছেন ৩ উইকেট। ডানহাতি পেসার দুশমন্থ চামিরা ৪ ওভারে ২৬ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন ২টি উইকেট।<br>শ্রীলঙ্কাকে ১৬০ রানের সংগ্রহ এনে দেয়ার মূল নায়ক দুই ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকা ও পাথুম নিসাঙ্কা। এ দুজনের উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ১০ ওভারেই ৯৫ রান করে ফেলেছিল শ্রীলঙ্কা। গুনাথিলাকা ৪২ বলে ৫৬ ও নিসাঙ্কা ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হলে পরে আর সে অর্থে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউই।<br>শেষদিকে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ ১৫ বলে ১৩ ও আশেন বান্দারা ১৯ বলে ২১ রান করেন। শেষদিকে ৩ চারের মারে ১১ বলে ১৯ রান করে দলীয় সংগ্রহটা দেড়শ পার করান হাসারাঙ্গা। পরে বল হাতে ৩ উইকেট নেয়ায় ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন হাসারাঙ্গা।</body></HTML> 2021-03-06 19:38:32 1970-01-01 00:00:00 সোনালি আঁশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ অন্ধকারে, বসেই বেতন নিচ্ছেন কর্মকর্তারা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104588 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037854_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037854_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>জাতীয় পাট দিবস ৬ মার্চ। দিনটি উপলক্ষে গত কয়েক বছর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পাটের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন ছেয়ে দিতো। এবার দিবসটি নিয়ে তেমন কোনো আয়োজন নেই। সোনালি আঁশের উজ্জ্বল সম্ভাবনায় ভাটা পড়ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬ পাটকল এখন বন্ধ। গত আট মাস আগে প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক বেকার হলেও কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তেই আছেন। পাটকল বন্ধ হওয়ায় বসে বসে বেতন নিচ্ছেন বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) প্রায় তিন হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী।<br>পাটকল বন্ধ হওয়ার কারণে শ্রমিকেরা বেকার হলেও বিজেএমসির কর্মকর্তারা আগের মতোই আছেন। বর্তমান রাজধানীর দিলকুশার প্রধান কার্যালয় ও পাটকলগুলোতে ১ হাজার ৩৩ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। কর্মচারীর সংখ্যা ১ হাজার ৭৫২ জন। পাটকলগুলো উৎপাদনে না থাকায় অধিকাংশ কর্মকর্তারই হাতে বর্তমানে কোনো কাজ নেই। কিন্তু মাস শেষে বেতন ঠিকই পাচ্ছেন তারা। তবে বিজেএমসির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রউফ এর দাবি, শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করাটা বিরাট কর্মযজ্ঞ। সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতেই কাজ আছে। তবে পাটকলের উৎপাদন বন্ধ থাকায় আগের মতো পূর্ণোদ্যমে কাজ করতে হচ্ছে না। সব শ্রমিকের টাকা দেওয়া হলে কাজ কমে আসবে। জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে পাটশিল্পকে লাভজনক ও বেসরকারীকরণ বন্ধের উদ্যোগ নেয়। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে বন্ধ থাকা ২টি পাটকল চালু করে। কিন্তু ধারাবাহিক লোকসানের মুখে পড়ায় এবার ২৬টি পাটকল বন্ধ করে দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। এসব বন্ধ করা পাটকল বেসরকারি খাতে ইজারা দেওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।<br>সংশ্লিষ্টরা জানায়, ২৫ পাটকলের ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী শ্রমিককে স্বেচ্ছা অবসরে (গোল্ডেন হ্যান্ডশেক) পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে ১ জুলাই পাটকল বন্ধ করে দেয় সরকার। তখন পাটকলগুলোতে বদলি শ্রমিক ছিলেন ২৩ হাজার ৮৪২ জন। স্থায়ী শ্রমিক ১৪ লাখ থেকে ৫৪ লাখ টাকা পাবেন। শ্রমিকদের পাওনার ৫০ শতাংশ অর্থ নগদে ও বাকিটা তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র আকারে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।<br>বন্ধ পাটকলগুলো বেসরকারি খাতে ইজারা দিতে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হতে পারে বলে জানান বিজেএমসির চেয়ারম্যান মো. আবদুর রউফ।</body></HTML> 2021-03-06 19:37:07 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের দগ্ধ ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104587 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037805_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037805_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥ and nbsp;</span><br>ফেনীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মা ও মেয়েসহ একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কের হলিক্রিসেন্ট স্কুলসংলগ্ন বিল্ডিংয়ের পঞ্চম তলায় এ ঘটনা ঘটে।<br>ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুদ্বীপ চন্দ্র রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহত হাফসা একাদশ শ্রেণি ও মরিয়ম দশম শ্রেণির ছাত্রী।<br>পুলিশ পরিদর্শক সুদ্বীপ চন্দ্র রায় জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের হলিক্রিসেন্ট স্কুলসংলগ্ন হাজী দুলা মিয়া সড়কের সফি ম্যানশনের পঞ্চম তলায় বিকট শব্দে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দগ্ধ হন গৃহকর্ত্রী মেহেরুন নেছা ও তার দুই মেয়ে। তাদের উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডাক্তার নয়ন চন্দ্র দেবনাথ জানান, দগ্ধ মা ও দুই মেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দগ্ধদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর। এদের শরীরে ৫০ ভাগের বেশি দগ্ধ হয়েছে। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</body></HTML> 2021-03-06 19:36:22 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের সিল-স্বাক্ষর জাল করে গ্যাস উত্তোলন, গ্রেপ্তার ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104586 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037761_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037761_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের সিলমোহর ও স্বাক্ষর জাল করে গ্যাস উত্তোলনের অভিযোগে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর থানা চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্নিগ্ধ আখতার।<br>আটকরা হলেন- সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের সাদিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ ও সিএনজি চালক স্বপন শেখ । তারা জেলা পুলিশের মটরযান শাখার ওসির সিলমোহর ও স্বাক্ষর জাল করে গত এক মাস যাবত গ্যাস উত্তোলন করে আসছিলেন বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।<br>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সদর উপজেলার শিয়ালকোলস্থ অ্যালবাট্টস সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে ৩০০ টাকার জাল স্লিপে গ্যাস উত্তোলন করে আসছিলেন তারা। এই গ্যাস স্লিপের বিপরীতে সরবরাহকৃত গ্যাসের মূল পরিশোধ করতে হতো সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশের মটরযান শাখাকে। এক পর্যায়ে চলতি মাসে সিএনজি গ্যাসের স্লিপ যাচাই-বাছাইকালে ৫১টি গ্যাসের স্লিপে অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হলে পুলিশের পক্ষ থেকে গ্যাস পাম্প কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। সেখানেও ৫১টি জাল গ্যাস স্লিপের প্রমাণ মেলে। এসময় ওই জাল স্লিপসহ আব্দুল্লাহ নামে এক সিএনজি চালককে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যে মতে অপর সিএনজিচালক স্বপন ও শিয়ালকোল বাজারে অবস্থিত প্রত্যাশা কম্পিউটারে অভিযান পরিচালনা করে স্বত্ত্বাধিকারী সাদিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে তার দোকান থেকে একটি ল্যাপটপ ও স্ক্যানকৃত জাল গ্যাস স্লিপ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলাও হয়েছে।</body></HTML> 2021-03-06 19:24:40 1970-01-01 00:00:00 চুরি হওয়া শিশু উদ্ধার, আটক ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104585 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037050_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037050_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থেকে চার ঘণ্টার ব্যবধানে চুরি হওয়া শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ মার্চ) বিকেলে শহরের বড়গোলার আভিসিনা হাসপাতাল থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় রাণী বেগম (৩৫) ও তার বাবা আনোয়ার হোসেনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।<br>সিরাজগঞ্জ সদর থানার এএসআই হাসিবুল ইসলাম জানান, বিকেল ৪টার দিকে শহরের বড়গোলার আভিসিনা হাসপাতাল থেকে তাদের আটক করা হয়।<br>এর আগে শনিবার বেলা ১২টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বারাকান্দি এলাকা থেকে ২৩ দিনের শিশু চুরি হয়েছে। শিশুটি উপজেলার শহিদুল ইসলাম ও ফরিদা দম্পতির সন্তান। শিশুটির মা ফরিদা খাতুন জানান, শনিবার (৬ মার্চ) সকালে শিশুটি ঘুমালে বাড়ির বাইরে যাই। পরে রুমে ফিরে দেখি শিশুটি নেই। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোন সন্ধান পাইনি। পরে স্থানীয়রা জানান, কালো বোরকা পরিহিত এক মহিলা শিশুটি কোলে নিয়ে কর্ণসূর্তি এলাকার দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করা হয়। প্রসঙ্গত, গত শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জের সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতালে জন্মের ৬ ঘণ্টা ও মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতাল থেকে ২৩ দিন বয়সী শিশু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পাঁচদিনের ব্যবধানে শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সলঙ্গা থানাধীন আলোকদিয়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে জীবিত ও মৃত শিশু দুটিকে উদ্ধার করা হয়। </body></HTML> 2021-03-06 19:23:40 2021-03-06 19:24:24 মায়ের হাত ধরে নিয়ে ধর্ষককে চিনিয়ে দিল বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104584 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037004_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615037004_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তার (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।<br>শনিবার (৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ওই প্রতিবন্ধীর মা বলেন, ‘আমরা গ্রামের যে জায়গাটিতে বসবাস করি, তা অনেকটা নীরব নিরিবিলি। আমার তিন মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। এরমধ্যে বড় মেয়েটিকে বিয়ে দিয়েছি ও দ্বিতীয় মেয়েটি বাক প্রতিবন্ধী। স্বামী মারা যাওয়ার পর বাকী দুই মেয়ে ও ছোট পাঁচ বছরের ছেলেকে নিয়ে মানুষের সহযোগিতায় কোনোভাবে বেঁচে আছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আমার প্রতিবন্ধী মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে ঘর থেকে বের হয়। এর অনেকক্ষণ পর তাকে খোঁজ করে পাচ্ছিলাম না। আমি ঘর থেকে বের হয়ে দেখি আমার মেয়েটি হেঁটে আসছে। কাছে আসার পর শরীরের কাদা লাগানো ছিল। সে মুখে কিছু না বলতে পেরে আমার হাত ধরে স্থানীয় বাজারে নিয়ে যায়। সেখানে একটি সেলুনে ঢুকে আব্দুস সাত্তারকে আমার মেয়ে দেখিয়ে দেয়। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে আমিসহ উপস্থিত অন্যান্যরা সাত্তারকে ধরার চেষ্টা করলে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়।’ ভুক্তভোগীর কিশোরীর মা বলেন, ‘এই সাত্তার আমার বাড়ির পাশের জমিতে পানির সেচ দেয়া মেশিনে রাতে পানি দিচ্ছিল। এ সময় আমার প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় আমি স্থানীয় মেম্বারকে জানালে, তিনি আপস করার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমি থানায় গিয়ে বিষয়টি জানালে রাতেই আব্দুস সাত্তারকে আটক করে পুলিশ।’<br>সরাইল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জানান, বিষয়টি জানার পর পুলিশ রাতেই আব্দুস সাত্তারকে আটক করে। কিশোরীটিকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।</body></HTML> 2021-03-06 19:22:08 1970-01-01 00:00:00 ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রকৌশলীকে সাময়িক বরখাস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104583 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615025672_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615025672_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">২২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কুষ্টিয়ার সঙ্গে ৫টি জেলার রেল যোগাযোগ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এদিকে দুর্ঘটনার জন্য রেলের উদ্ধর্তন উপ-সহকারি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (৬ মার্চ) বিকেল নাগাদ লাইন মেরামত শেষে রেল যোগাযোগ পুনরায় স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় আরও অন্য কারো অবহেলা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিন, বগি সরিয়ে রেল যোগাযোগ স্বাভাাবিক করতে কাজ করছে রেল বিভাগের কর্মীরা। <br><br>গতকাল শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া এলাকার বড় স্টেশনের অদূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ট্রেনের লাইন দুমড়ে মুচড়ে যায়। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রলির সঙ্গে ট্রেনটির সংঘর্ষের ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিকেল ৫টা থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ২২টি বগি সম্বলিত গমবোঝাই ট্রেনটি ঈশ্বরদী থেকে ফরিদপুর যাচ্ছিলো। পথে কুষ্টিয়া বড় স্টেশন ক্রস করে ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় কুষ্টিয়ার সাথে খুলনা, রাজশাহী, গোয়ালন্দ ও ফরিদপুরের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। <br><br><div>রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া রুটে রেললাইন মেরামতের কাজ চলছে। এই কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রলিতে করে রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়া আসছিলেন প্রকৌশল বিভাগের লোকজন। তারা কোন সিগন্যাল ছাড়াই ওই লাইনে ট্রলি ব্যবহার করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে একই লাইনে বিপরীত দিক থেকে মালবাহী ট্রেনটি ঢুকে পড়লে ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। প্রকৌশলী বীরবল জানান, ১২ ঘণ্টা প্রচেষ্টা চালানোর পর ৪টি বগি সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে। আরো একটি বগি সরানোর কাজ চলছে। ১৭০ জন কর্মী একটানা উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিকেল নাগাদ কাজ শেষ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।<br></div>এই লাইনে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসসহ মোট চারটি ট্রেন যাতায়াত করে।</body></HTML> 2021-03-06 16:13:56 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২০৫ শ্রমিক আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=104582 http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615025054_th.jpeg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2021/03/04/1615025054_th.jpeg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পুডুর একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে ২০৫ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন পুলিশ। and nbsp;<br>আটকদের মধ্যে বাংলাদেশি, ইন্দোনেশিয়ান, মিয়ানমার ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ মার্চ) দিনগত রাত ১১টার দিকে তাদের আটক করা হয়। and nbsp; কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামিদি আদম এ তথ্য জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য সান ডেইলি এই আটকের খবর প্রকাশ করেছে। and nbsp; রাতে ইকসোরা অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান শেষে ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ (আইন ১৫৫) এর ধারা ১৫ (১) (সি) এবং ৬ (১) (সি) এর আওতায় তাদের আটক করা হয়েছে।<br><br>হামিদি আদম জানান, কোভিড-১৯ এর বিস্তাররোধে নির্মাণ শ্রমিকরা এসওপি অনুযায়ী কাজ করছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চালানো হয়। আটকদের অনেকের কাছে কোভিড-১৯ পরীক্ষার কাগজও ছিল না। অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসরত ৪২৫ বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২০৩ জন পুরুষ ও দুই নারীর কাজের কোনও নথি না রাখার জন্যও তাদের আটক করা হয়। <br></body></HTML> 2021-03-06 16:03:46 1970-01-01 00:00:00