http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ফেনী জেনারেল হাসপাতালের ৫টি চাপকল নষ্ট, পানি সংকটে ভোগান্তি চরমে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81244 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566653314_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566653314_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনী জেনারেল হাসপাতালের ৫টি চাপকল দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় পানি সংকটে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেচে। হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, ডায়রিয়া ওয়ার্ডের সামনে, ডায়রিয়া ওয়ার্ডের পাশে, মর্গের সামনে, নতুন ভবনের প্রবেশপথে ডান পাশে, নতুন ভবনের পেছনে ৫টি টিউবওয়েল থাকলেও সবগুলো অকেজো পড়ে আছে। এতে খাবার পানির তীব্র সংকটে রোগীর স্বজনরা হাসপাতালের বাইরের দোকান থেকে কিনে থেকে বাধ্য হচ্ছেন। এতে হয়রানির পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থও গুনছেন তারা। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আবু তাহের পাটোয়ারী জানান, হাসপাতালের টিউবওয়েলের সমস্যা দীর্ঘদিনের। দূর্ভোগ কমাতে পৌরসভার পক্ষ থেকে একটি টিউবওয়েল বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দ্রুত এটি স্থাপন করা হবে বলে তিনি আশা করছেন। প্রসঙ্গত, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে শুক্রবার রোগী ভর্তি ছিলো ৫শ ৫৩ জন। রোগীর পরিমাণ শয্যার দ্বিগুন হওয়ায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ওয়ার্ডের মেঝে ও করিডোরে। </body></HTML> 2019-08-24 19:27:50 1970-01-01 00:00:00 শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হলেন মোজাফফর আহমদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81243 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642564_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642564_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় সিক্ত হলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) একাংশের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। জাতীয় শহীদ মিনারে তাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠন। এসময় অধ্যাপক মোজাফফর আহমদকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), আওয়ামী লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, কেন্দ্রীয় খেলাঘর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাম গণতান্ত্রিক জোট, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র (টিইউসি), জাতীয় জাদুঘর, বাংলাদেশ কবিতা পরিষদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান, গণতান্ত্রিক আইন ছাত্র সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্য এবং সাধারণ মানুষ। এসময় অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মরদেহ ফুলে ফুলে ভরে যায়। and nbsp;<br><br>কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোজাফফর আহমদের মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তার মেয়ে আইভী আহমদ বলেন, আমার বাবা সারাজীবন খেটে খাওয়া মানুষের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি স্তম্ভ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সব মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হলেই বাবার স্বপ্নপূরণ হবে। অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়। এর আগে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের প্রথম নামাজে জানাজা বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ অনেকেই অংশগ্রহণ করেন। এরপর ন্যাপ কার্যালয়ে অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের মরদেহ তার সহযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মোজাফফর আহমদের মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বায়তুল মোকাররম মসজিদে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে বাদ আসর তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।<br><br>রোববার (২৫ আগস্ট) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা নিজ গ্রামে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।<br><br>শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯৭ বছর। <br></body></HTML> 2019-08-24 16:28:58 1970-01-01 00:00:00 গুলশানে কমিউনিটি সেন্টারে ছাত্রলীগের হামলা-ভাঙচুর, আহত ৭ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81242 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642289_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642289_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর গুলশান-১ এর ইমানুয়েল ব্যানকুয়েট কমিউনিটি সেন্টারে ছাত্রলীগের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমিউনিটি সেন্টারটির সাতজন কর্মচারী আহত হয়েছেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরকার রেজওয়ান আহমেদ রিফাত ও সাবেক গুলশান থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ব্রাইন রোজারিওর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এ হামলা হয় । হামলাকারীরা হেলমেট পরে ৩৫-৪০টি চাপাতি, ছোরা, রড, লাঠি নিয়ে ইমানুয়েল ব্যানকুয়েট কমিউনিটি সেন্টারে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কমিউনিটি সেন্টারের হলে প্রবেশে বাধা দিলে সাত কর্মচারীকে পিটিয়ে আহত করে তারা।<br><br>কয়েক দফায় চালানো হামলায় প্রায় তিন লাখ টাকার গ্লাস ও লাইট ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইমানুয়েল ব্যানকুয়েট কমিউনিটি সেন্টার কর্তৃপক্ষ। এছাড়া হামলার সময় হামলাকারীরা মুরগী সরবরাহকারী রতনের কাছ থেকে এক লাখ ২০ হাজার ও বাবুর্চি নুর ইসলামের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা নিয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনার দিন রাতেই গুলশান থানায় মামলা করেছেন ইমানুয়েল ব্যানকুয়েট কমিউনিটি সেন্টারের মালিক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন। মামলায় ছাত্রলীগের রিফাত আহমেদ, ব্রাইন রোজারিও এবং জহিরুল ইসলাম খানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। হামলার কারণ জানতে চাইলে মামলার বাদী কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার ব্যবসায়িক পার্টনারের সঙ্গে একটু ঝামেলা চলছে। সেজন্য হয়তো তারা ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে আমাকে মেরে বের করে দিতে চেয়েছিলেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াদুল হক বলেন, মামলা হওয়ার পরই আমরা অভিযান পরিচালনা শুরু করেছি। আমরা সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই বাছাই করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি বলে জানান তিনি। </body></HTML> 2019-08-24 16:24:21 1970-01-01 00:00:00 যেভাবে ফাঁস হলো জামালপুরের ডিসির গোপন ভিডিও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81241 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642093_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566642093_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের সঙ্গে অফিসের এক নারী সহকর্মীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ছড়িয়ে পড়া এ আপত্তিকর ভিডিওটির তদন্ত করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেলো ভিন্ন কথা। আসলে ওই রুমে কোনো সিসি ক্যামেরা ছিলোই না। ভিডিওটি ধারণ করা হয় গোপন ক্যামেরায়। বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছিল, ভিডিওটি অফিসের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় (সিসি) ধারণ করা। কিন্তু নিজের অফিসে বসানো সিসি ক্যামেরার সামনে এমন কাজ কেনো করতে যাবেন? বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট কর হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর সেই ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু তার আগেই ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারের বিভিন্ন গ্রুপে তা ছড়িয়ে পড়ে।<br><br>জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অফিস কক্ষের পাশের ওই রুমটিতে আগে বিশেষ মিটিং করতেন ডিসি। পরে টেবিল চেয়ার সরিয়ে সেখানে খাট বসানো হয়। বলা হয়, রুমে তিনি বিশ্রাম নিবেন। এদিকে ওই নারী সঙ্গে ডিসির সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠে যে, অফিস সহায়ক হলেও তার খবরদারি চালাতো সবার সঙ্গে। তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে অফিসের কর্মীদের মধ্যে কেউ ওই রুমে গোপন ক্যামেরা সেট করেন। আর তাতেই ধরা পড়ে বিশ্রাম রুমে ডিসির আপত্তিকর ভিডিও। ৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩ আগস্ট জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার কার্যালয়ের এক নারী কর্মীর সঙ্গে অফিস কক্ষের পাশের রুমে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়।<br><br>শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদেরকে বলেন, তিনি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন। সাংবাদিকদের কাছে একটু সময় চান। প্রকৃত ঘটনা জানতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এসময় তিনি ঘটনাটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহবানও জানান। ভিডিওটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি একটি সাজানো ভিডিও। একটি হ্যাকার গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করলেও আমি বিষয়টি গুরুত্ব দেইনি। বানোয়াট ভিডিওটি একটি ফেক আইডি থেকে পোস্ট দেওয়া হয়। তবে ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ এবং ভিডিওর ওই নারী তার কার্যালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ হিসেবে কর্মরত বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এসময় জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্যও অনুরোধ করেন।<br><br>এসময় জেলা প্রশাসনের লোকজন জোর করে উপস্থিত সাংবাদিকদের অনেকের ফোন থেকে আলোচিত ভিডিওটিও মুছে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। জামালপুরের নারী নেত্রী এডভোকেট শামীম আরা বলেন, জেলার সরকারি শীর্ষ একজন কর্মকর্তার কাছে নানা সমস্যা নিয়ে নারীরা তার কার্যালয়ে যান। নিরাপত্তাও চান তার কাছে। কিন্তু রক্ষক যদি ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেন তাহলে নারীরা কোথায় নিরাপদ। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত লজ্জাজনক। এ ঘটনায় জামালপুরের নারীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।<br><br>ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান এনডিসি সাংবাদিকদের বলেন, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের একটি ভিডিও ভাইরালের খবর তিনি শুনেছেন। যদি ঘটনা সঠিক হয়, তবে সেটা ন্যাক্কারজনক। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ঘটনাটি জানানো হয়েছে। এদিকে, অফিস খুললে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করবে মাঠ প্রশাসনের দেখভালের দায়িত্ব থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন অনুবিভাগ) আ. গাফফার খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। </body></HTML> 2019-08-24 16:20:50 1970-01-01 00:00:00 নরেন্দ্র মোদি এ যুগের হিটলার: আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81240 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641793_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641793_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এ ‍যুগের হিটলার হিসেবে বর্ণনা করেছেন আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী রাজা মোহাম্মদ ফারুক হায়দার খান। ২৩ আগস্ট রাতে নিউ ইয়র্কে পাকিস্তানে একটি রেস্টুরেন্টে দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে কাশ্মীর সঙ্কট নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি কাশ্মীরে ভারতের নানা নির্যাতনের চিত্রও তুলে ধরেন। মোহাম্মদ ফারুক হায়দার খান বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশ্মীর নিয়ে যে নগ্ন রাজনীতি করছেন এবং যেভাবে মানুষের ওপর নির্যাতন জুলুম করছেন তা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এসময় তিনি মোদিকে হিটলার হিসেবেও বর্ণনা করেন।<br><br>কাশ্মীরের স্বাধীনতা ঘোষণার সামর্থ্য আছে নাকি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সুযোগ আছে পাকিস্তান বা ভারতের সঙ্গে যুক্ত হবার। and nbsp; স্বাধীনতা ঘোষণার দিকে আমরা যাচ্ছি না। ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে কাশ্মীর বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ ফারুক হায়দার খান বলেন, আলোচনা হয়েছে এবং আরও আলোচনা হবে। চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য কথাবার্তা চলছে।<br>উল্লেখ্য, রাজা মোহাম্মদ ফারুক হায়দার খান আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের ১২তম প্রধানমন্ত্রী। তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগের একজন স্বনামধন্য নেতাও। </body></HTML> 2019-08-24 16:16:04 1970-01-01 00:00:00 আমাজন পোড়ার নেপথ্যে সোনা? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81239 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641694_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641694_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">খোলা আকাশের নিচে কাঠের তৈরি একটি খুপরিতে প্ল্যাস্টিকের চেয়ারে বসে আছেন জোসে অ্যান্তনিও। অবৈধ উপায়ে সোনার খনিতে কাজ পরিচালনার জন্য এটিই তার প্রধান কার্যালয়। জোসে অ্যান্তনিওর এই খুপরির অবস্থান ব্রাজিলের আমাজন অঞ্চলের প্যারা স্টেটের ট্যাপাজোস নদীর কিনারে। সেখানে আরও শত শত খুপরি রয়েছে। বাইরে বিশাল আকারের কয়লার স্তূপের পাশে পার্ক করে রাখা হয়েছে একটি হাইড্রলিক খনন মেশিন। আমাজনের গভীর জঙ্গলে শত শত বাদামি রঙের মেশিন রয়েছে। এই মেশিনটির কিছু যন্ত্রাংশ প্রয়োজন। এ যন্ত্রাংশ আনা হবে কুঁড়েঘর থেকে নদী পেরিয়ে একটি আদিবাসী গ্রামের ভেতর দিয়ে মোটরসাইকেলে ১০ মিনিটের দূরত্ব অবস্থিত গোপন একটি আস্তানা থেকে। সেগুলো আনার পর অল্প কিছু সময়ের মধ্যে খননকাজের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে এ মেশিন। ব্রাজিল সরকারের নিষ্ক্রিয় আইন ও দুর্বল প্রয়োগ, আন্তর্জাতিক বাজারে চড়া মূল্যের গুঞ্জনে পৃথিবীর ফুসফুস খ্যাত আমাজনে এখন অবৈধ উপায়ে নজিরবিহীনভাবে সোনার খনির খোঁজ করছে স্থানীয় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ।<br><br>হাজার হাজার অবৈধ খনির সন্ধানকারীরা সোনার খোঁজে খননকাজ পরিচালনা করছেন। এ জন্য তারা আমাজনের গাছ কাটছেন ও নদী দূষণ এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছেন। ব্রাজিলের ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো সরকারের সঙ্গে শিল্প কারখানা ও সোনার খনির সন্ধানকারীদের মিত্র সম্পর্ক রয়েছে। তিনি খনি খনন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ আদিবাসীদের ভূমি আইনের মাধ্যমে উন্মুক্ত করে দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন। প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো প্রত্যেক সপ্তাহে ফেসবুক লাইভে এসে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন। সম্প্রতি এক লাইভে তিনি বলেন, ‘আমি যতদূর উদ্বিগ্ন, তাতে যদি একজন আদিবাসী (ব্যক্তি) তার নিজের ভূমি থেকে খনিজ পদার্থ উত্তোলন করতে চান, তাহলে তিনি তা পারবেন।’<br>আমাজনের ভূতত্ত্ব ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করে দেশটির সংস্থা আমাজন জিও রেফারেন্সড সোসিও-এনভায়রনমেন্টাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক। সংস্থাটি বলছে, ব্রাজিল ভূখণ্ডে থাকা চিরহরিৎ এই বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সাড়ে চারশ’র বেশি অবৈধ খনি খনন স্থাপনা রয়েছে। এর মধ্যে শুধু আদিবাসীদের ভূমিতেই রয়েছে কয়েক ডজন।<br><span style="font-weight: bold;"><br>সংকটের প্রাণকেন্দ্র</span><br><br>আজ, ট্যাপাজোস নদীর অববাহিকাই খনি খনন সংকটের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। হালকা একটি বিমানে করে আমাজনের ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা দেখা সম্ভব হয়েছে। বন সাবাড় হচ্ছে এবং নদীর তীর উপচে বাদামি রঙয়ের কাদার স্তূপ জমছে। এ ধরনের কিছু কাজ এই অঞ্চলে আবার বৈধও। প্রত্যেক বছর, এখানে অন্তত ৩০ টন স্বর্ণ অবৈধভাবে কেনাবেচা হয়। গত এপ্রিলে ব্রাজিলের জাতীয় খনি সংস্থা দেশটির কংগ্রেসের কাছে একটি প্রতিবেদন হস্তান্তর করে। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈধ উপায়ে আমাজনের জঙ্গলে প্রত্যেক বছর যে পরিমাণ সোনা বেচাকেনা হয়, তার চেয়ে ছয়গুণ (এক দশমিক এক বিলিয়ন ডলার) বেশি হয় অবৈধভাবে। অবৈধ এই খনি শ্রমিকদের অধিকাংশ দরিদ্র শ্রেণির, যাদের কোনো শিক্ষা নেই। তবে তারা স্বপ্ন দেখেন হঠাৎ ধনবান হয়ে যাবেন। তাদের মধ্যে নিরক্ষতার হার সর্বোচ্চ। আমাজনের ছোট্ট শহর ক্রিপুরিজাও। এখান থেকে প্রত্যেক দিন কয়েক ডজন ছোট বিমানে করে খনন মেশিনের যন্ত্রাংশ, জ্বালানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে যাওয়া হয় গভীর জঙ্গলে। বিমানের আসনের জন্য অপেক্ষমান বেশ কয়েকজন খনি শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।<br><br>তারা বলেছেন তাদের সহজ-সরল ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের কথা। যেখানে প্রচুর পরিমাণে উপার্জন করা যায়। পরে তারা এই অর্থ মদ্যপান এবং পতিতালয়ে গিয়ে শেষ করেন। ৩৭ বছর বয়সী খনি শ্রমিক নেরিভ্যান দা সিলভা বলেন, ‘এটা যখন ভালো, তখন ভালোই। কিন্তু সচরাচর ভালো অপেক্ষা কঠিন সময় পার করতে হয়।’ একটি খনির নিয়ন্ত্রণ করেন স্বর্ণ খনি সম্রাট হিসেবে পরিচিত জোসে অ্যান্তনিও। তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে স্থানীয় আদিবাসী গোষ্ঠী মুন্ডুরুকুদের ২.৪ মিলিয়ন হেক্টর জমি; যেখানে ১৪ হাজার উপজাতির বসবাস। সম্প্রতি ব্রাজিলে আদিবাসীদের ভূখণ্ডে খনিজ সম্পদ আহরণ পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত বছর কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে জোসে অ্যান্তনিওর খনন মেশিন ধ্বংস করে দেয়। আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমাদের এসব কার্যক্রমই তাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। আমাদের কারণেই তারা খেতে পারে, মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টেলিভিশন কিনতে ও ভালো পোশাক পরতে পারে।’<br><br><span style="font-weight: bold;">আদিবাসীদের ওপর প্রভাব</span><br><br>মুন্ডুরুকু আদিবাসীদের নেতা আলেসসান্দ্রা কোরাপ। তিনি একটি গ্রামের প্রধান। কোরাপ বলেন, বোলসোনারোর কথাবার্তার কারণে খনিজ আহরণকারীরা আদিবাসীদের ভূখণ্ডে খননকাজ চালাতে উৎসাহ পেয়েছিল। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট বলেছেন, খনির খনন কাজ বৈধ করা করা হবে। যাতে মানুষ বলতে পারে, আমি আমার জমিতে খনন করবো। বিবিসি ব্রাজিলের হাতে আসা স্যাটেলাইটের সাম্প্রতিক ছবিতে দেখা যায়, আদিবাসী অধ্যুষিত তিনটি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে অবৈধ খনন কাজ চলছে। এর মধ্যে মুন্ডুরুকু সম্প্রদায়ের ভূখণ্ডও রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে এসব অঞ্চলে খননকাজ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।<br>খনির খনন কাজের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে সেখানকার জনজীবনের ওপর। অবৈধ খনন কাজের জন্য সেখানে ম্যালেরিয়া, পতিতাবৃত্তি, মানবপাচার, মাদকাসক্তি ও সহিংসতা বাড়ছে। যখন একটি খনির কাজ শেষ হয়ে যায়, তখন জঙ্গলের অন্য অংশ ধ্বংস করে নতুন করে খনিজ পদার্থের সন্ধান চলে। চক্রাকারভাবে চলে এই কাজ।<br><br>প্যারা স্টেটে অবৈধ খনিজ সম্পদ আহরণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিয়ে কাজ করেছেন মার্কিন নৃতাত্ত্বিক গ্লেন শেপার্ড। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে আদিবাসী নেতারা খনি খনন কাজে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু একবার যখন দরজা উন্মুক্ত করে দেন, তখন সেটি দ্রুতই তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।<br>সম্প্রতি ব্রাজিলের ফেডারেল প্রসিকিউশনের কার্যালয়, ফেডারেল পুলিশের সঙ্গে একটি অনুসন্ধান চারিয়েছে। এতে দেখা গেছে, স্যান্তারেম শহরের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী কেনার সময় অন্তত ৬১০ কেজি সোনা জালিয়াতির মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন; যার বাজারমূল্য ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব সোনা ২০১৫ এবং ২০১৮ সালের মাঝে আদিবাসীদের ভূমি থেকে উত্তোলন করা হয়েছিল।<br><br>প্রসিকিউটর বোয়াভেন্তুরা বলেন, এই অনুসন্ধান দেখিয়েছে যে, ব্রাজিলে সোনা বেচাকেনার নিয়ন্ত্রণ নেই। চলতি বছরের শুরু থেকে ব্রাজিলের পরিবেশবিষয়ক সংস্থাগুলো তাদের অভিযান বন্ধ রেখেছে। গত এক দশকের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ক অপরাধের কারণে পরিবেশ সংস্থার জরিমানার পরিমাণ সর্বনিম্নে নেমে এসেছে বলে দেশটির দৈনিক এস্তাদো দে এস পাওলো জানিয়েছে। গত কয়েকদিনের টানা অগ্নিকাণ্ডে ব্রাজিলে আমাজনের জঙ্গলে হাজার হাজার জায়গায় এখনো আগুন জ্বলছে। গত এক দশকে এত ব্যাপক মাত্রায় সেখানে দাবানল কখনো সৃষ্টি হতে দেখা যায়নি। ব্রাজিল কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ড দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি অনুমোদন না করার হুমকি দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাজনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো। </body></HTML> 2019-08-24 16:13:04 1970-01-01 00:00:00 ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে বাস, নিহত ৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81238 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641373_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566641373_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার ধুলদী রেলগেট এলাকায় ব্রিজের রেলিং ভেঙে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে ছয়জন নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। ঢাকা থেকে বরিশালগামী কমফোর্ট লাইন পরিবহনের বাসটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়লে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।<br>ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার নুরুল আলম দুলাল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে। অপরদিকে একই সময় ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের কালনা নামক স্থানে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুজন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। </body></HTML> 2019-08-24 16:08:57 1970-01-01 00:00:00 ইলিশের সুসময়ে দাপট বড়দের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81237 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629781_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629781_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বর্ষা শেষে বাজারে এখন ইলিশের ছড়াছড়ি। বাঙালির রসনাবিলাসে বাড়তি খরচ করে হলেও এই মাছটি কিনতে আপত্তি থাকেনি কখনো। আর মাছবাজারে এখন ইলিশের দোকানিগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যস্ত। বছর কয়েক আগেও এক কেজি বা কাছাকাছি ওজনের ইলিশ ছিল তুলনামূলক কম। তবে এখন বাজারে এখন দাপট বেশি বড়দেরই। আর কদরও বেশি এই ৯০০ থেকে এক হাজার বা তার চেয়ে কিছু বেশি ওজনের ইলিশের।<br>আর এর চেয়ে কম আকারের হলে দাম আরও কম। যাদের সামর্থ্য কম তারা তুলনামূলক কম, তাদের কিনতে হচ্ছে ছোট আকারেরগুলো। যদিও মনে বাসনা নিয়ে যাবেন বড়গুলো।<br><br>করে মৎস্য অধিদপ্তর ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশের ইকো ফিশ প্রকল্পের জরিপ অনুযায়ী, গত তিন বছরে দেশের ইলিশের গড় আকৃতি ও ওজন বেড়েছে। ২০১৪ সালে ধরা পড়া ইলিশের গড় ওজন ছিল ৫১০ গ্রাম। ২০১৮ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৮৮০ গ্রাম। অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে ধরা পড়া মাছের গড় ওজন বেড়েছে ৩৭০ গ্রাম। একই সময়ে ধরা পড়া আধা কেজি থেকে এক কেজি ইলিশের সংখ্যা ৪০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৭ শতাংশ হয়েছে। আর জাটকা ধরার পরিমাণ ৬০ শতাংশ থেকে কমে ১৩ শতাংশ হয়েছে। আকার বাড়ার পাশাপাশি উৎপাদনও বাড়ছে। যদিও দেড় যুগ আগের চিত্রটা ছিল ঠিক উল্টো। ২০০২-০৩ অর্থবছরে দেশে দুই লাখ টনের কম ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল। পরের বছর উৎপাদন কমে এক লাখ ৩৩ হাজার ৩২ টনে নেমে আসে। এর পর থেকে জাটকা রা কর্মসূচিতে জোর দেয় সরকার। এতে উৎপাদন কিছুটা বাড়তে থাকে।<br><br>২০০৮-০৯ অর্থবছরে দুই লাখ ৯৮ হাজার ৯২১ টন ইলিশ উৎপাদিত হয়। এর পর মা-মাছ রক্ষার কর্মসূচি আরও জোরদার করলে ইলিশের উৎপাদন তিন লাখ টন ছাড়িয়ে যায়। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে তিন লাখ ৮৫ হাজার টন ইলিশ উৎপাদিত হয়। পরের বছর তা হয় চার লাখ টনের বেশি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে হয় সাড়ে চার লাখ টন। গত বছর উৎপাদন আরো বেড়ে হয় ৫ লাখ ১৭ হাজার টন হয়েছে। গত বছর বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮৬ শতাংশ ছিল বাংলাদেশের। চলতি বছরের প্রাথমিক হিসাব না এলেও মৎস্য বিভাগ আশা করছে উৎপাদন এবার সাড়ে পাঁচ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।<br><br>চাঁদপুরের ইলিশ গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আখেরী নাইমা বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই ইলিশ ধরার পরিমাণ বাড়ছে। পৃথিবীর যেসব দেশে এই মাছটি পাওয়া যায়, সেখানকার তুলনায় বাংলাদেশের চিত্র পুরো উল্টো। কেবল পরিমাণেই বেশি হচ্ছে না, ইলিশের আকারও আগের চেয়ে বড় হচ্ছে।’ এই পরিবর্তন কীভাবে হলো- এমন প্রশ্নে এই ইলিশ গবেষক বলেন, ‘জাটকা (বাচ্চা ইলিশ) নিধন বন্ধে তৎপরতা আর কিছুদিন পরে যখন মাছ ডিম দেবে, সে সময় মা ইলিশ শিকার বন্ধের যে নির্দেশ আসে, সেগুলো এখন কড়াকড়িভাবে পালিত হয়। যে কারণে ইলিশ এখন আগের চেয়ে বেশি ডিম দিচ্ছে।’ ‘জাটকা শিকার ৬৫ দিন বন্ধ থাকায় মাছগুলো বড় হতে পারে। ২২ দিন মা ইলিশ শিকার বন্ধ থাকবে বলে বাচ্চার সংখ্যাও বাড়ে।’<br><br>ওয়ার্ল্ড ফিশের ইকো-ফিশ প্রকল্পের প্রধান ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল ওয়াহাব বলেন, ‘সরকারের সুব্যবস্থাপনার ফলে জাটকা নিধন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ইলিশগুলো সাগরে যেতে পারছে। ফলে তারা বড় হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এটাই হচ্ছে প্রধান কারণ।’ ‘আবার ২২ দিন যে মা মাছ মরা বন্ধ থাকছে তাতে অনেকগুলো মাছ জীবনের প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষে পোনা ছেড়ে সাগরে ফিরে যেতে পারছে। আবার সে ফিরে আসছে। অর্থাৎ মা মাছ রক্ষার যে সময়, সেটা সঠিকভাবে বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে বিধায় অসংখ্য মাছ দ্বিতীয় বছর, তৃতীয় বছরে আসছে বিধায় মাছের আকার বড় হয়ে যাচ্ছে।’<br>যারা ইলিশ পছন্দ করেন, তাদের জন্য আরো একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ; তথ্য দিয়েছেন এই মৎস্যবিদ। জানান, ৯০০ থেকে এক হাজার একশ গ্রাম ওজনের ইলিশের স্বাদ সবচেয়ে বেশি। কারণ, এটি পুরো যৌবনপ্রাপ্ত মাছ। <br><br><span style="font-weight: bold;">দাম ‘গতবারের চেয়ে কম’</span><br><br>কারওয়ানবাজারে বিষ্ণু হালদার নামে এক ব্যবসায়ী জানান, গতকাল বাজারে দেড় কেজি ওজনের ইলিশের পাইকারি মূল্য ছিল এক হাজার সাতশ থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত বছর এই ইলিশ বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকা। গতকাল এক কেজি ওজনের ইলিশের দাম নয়শ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। বিষ্ণুর তথ্যমতে গত বছর এই আকারের ইলিশের দাম ছিল এক হাজার ৭০০ থেকে দুই হাজার হাজার টাকা। সাত থেকে আটশ গ্রাম সাইজের ইলিশের দাম দেখা গেছে সাত থেকে আটশ টাকা। গত বছর এগুলো বিক্রি হয়েছে এক হাজর ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ গ্রামের ইলিশগুলো কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। যা গত বছর ছিল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় ।<br>কারওয়ান বাজারের এক আড়তদার জানান, বড় আকারের যেসব মাছ ধরা পড়ে, তার বেশির ভাগই বিদেশে চলে যায়। নইলে দাম আরও কমত।<br><br><span style="font-weight: bold;">গতকালের বাজারচিত্র</span><br><br>গতকাল কারওয়ানবাজারের খুচরা দোকানিরা এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি করছিলেন নয়শ থেকে এক হাজার টাকায়। এক হাজার দুই বা তিনশ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১২০০ টাকায়। বেসরকারি চাকরিজীবী তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি। কিন্তু এক কেজি হলেই এক হাজার টাকা চাইছে। হাজার বারশ টাকা দিয়ে একটা মাছ কেনার সাধ্য কি সবার আছে? বাজারে মাছ আছে, তারপরও মাছের কাছে ভিড়তে পারছি না। নামেই ভরা মৌসুম।’ আশরাফ হোসেন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘ইলিশ এখন বড়লোকের খাবারে পরিণত হয়েছে। গরিব মানুষতো কিনতে পারে না, এখন এটা আর তাদের খাবার না।’ ‘এ বছর ইলিশের দাম তুলনামূলক কম। তবে প্রচুর সরবরাহ, দাম আরও একটু কমলে ভাল হতো। আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ কিনে খেতে পারত।’<br><br>রফিক নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘যে দামে বিক্রি করছে তা আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষ কিনতে পারছি না।’ যাত্রাবাড়ীর মৎস্য আড়তদার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, ‘ভরা মৌসুম চললেও জেলেদের জালে ইলিশ তেমন ধরা পড়ছে না। তবে চাহিদার তুলনায় বাজারে এখনও সরবরাহ বড়েনি। সে কারণেই দাম বেশি।’ এই আড়ৎদার অবশ্য মনে করেন, সামনে ইলিশের সরবরাহ বাড়বে আর দাম আরো কমে আসবে।<br>কারওয়ানবাজারের বিক্রেতা ভিশনু হালদার বলেন, ‘গত দুই মাস ইলিশ ধরা বন্ধ আছিল। এহন মাছ ধরা পড়লেও দাম ছাড়তে চায় না আড়তদাররা। আমাদেরও বেশি দামে মাছ কিনতে হয়। বাজারে ইলিশের অভাব নাই। তবে চাহিদা প্রচুর। এই জন্য দাম কেউ ছাড়তে চায় না। যদিও গত কয়েক বছরের চেয়ে এই বছর দাম একটু কম।’ </body></HTML> 2019-08-24 12:55:09 1970-01-01 00:00:00 ফতুল্লায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81236 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629396_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629396_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সোলেমান হোসেন অপু (২৮) নামের এক যুবক দূর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছে। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) রাতে সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার বাবুরাইল তাঁতীপাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত অপু ওই এলাকার আজিজ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটে রমজান মিয়ার ছেলে। সে দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় কাশেম ডেকোরেটরে বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করে আসছে। তবে কি কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা এখন পর্যন্ত পুলিশ জানাতে পারেনি। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে অপু বাসা থেকে বের হয়ে তাতীপাড়া এলাকায় যায়। এ সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে আশংকাজনক অবস্থায় সদরের ১শ’ শয্যা বিশিষ্ট নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে ফতুল্লা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।<br><br>ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, কারা কি কারণে অপুকে হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। </body></HTML> 2019-08-24 12:49:33 1970-01-01 00:00:00 আমাজনে আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনা পাঠাচ্ছে ব্রাজিল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81235 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629283_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629283_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">একের পর এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে আমাজনে। চলতি বছরে এই হার অতীতের সব রেকর্ডতে ছাড়িয়ে গেছে। ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের বৃহত্তম অরণ্য আমাজনের জঙ্গল। পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেন সরবরাহ করে এটি। তাই দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা এই গভীর রেইন ফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুসও বলা হয়। গত কয়েকদিন ধরে নিঃশব্দে পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে এই ফুসফুস। এ নিয়ে ইউরোপীয় নেতাদের নিন্দা ও সমালোচনার মুখে আমাজনের উষ্ণমন্ডলীয় বনাঞ্চলের আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনা সদস্যদের পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনারো এ সংক্রান্ত একটি ডিক্রি জারি করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।<br><br>গত এক দশকের মধ্যে আমাজনের বনাঞ্চলের সবচেয়ে বেশি জায়গা আগুনে পুড়েছে। দ্য ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট ফর স্পেস রিসার্চ (আইএনপিই) বলছে তারা চলতি বছর ৭২ হাজার ৮৪৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা রেকর্ড করেছে, যা ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ। গত এক সপ্তাহেই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৯ হাজার ৫০০ স্থান চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ অক্সিজেন সরবরাহকারী বনাঞ্চলে এই ব্যাপক অগ্নিকান্ড নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য ইউরোপীয় নেতারা সমালোচনা শুরু করলে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। তিনি একে তার দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলেও মন্তব্য করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ফ্রান্স ও আয়ারল্যান্ড ঘোষণা করে আমাজনের আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্রাজিল পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নিলে তারা দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন করবে না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ব্রাজিলের মাংস আমদানি বন্ধের আহ্বান জানায় ফিনল্যান্ড।<br><br>শুক্রবার বোলসোনারো টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে জানিয়েছেন, তিনি আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন।<br><br>তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর লোক হিসেবে আমি আমাজনকে ভালোবাসতে শিখেছি এবং আমি এর সুরক্ষায় সহযোগিতা করতে চাই।<br><br>ভাষাগত দিক থেকে ডিক্রিটি অস্পষ্ট হলেও এতে সেনাবাহিনীকে প্রকৃতি সংরক্ষণ, আদিবাসীদের ভূমি ও আমাজনের সীমানা এলাকা সুরক্ষার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। </body></HTML> 2019-08-24 12:47:24 1970-01-01 00:00:00 ধর্ষণ করতে গিয়ে গণপিটুনিতে যুবক নিহত, ছুরিকাঘাতে একজন খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81234 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629104_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566629104_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চুয়াডাঙ্গার আমিরপুরে মধ্যরাতে এক কিশোরীকে অপহরণ চেষ্টাকালে ওই কিশোরীর চিৎকারে তার পঙ্গু নানা ও গৃহকর্তা মামা অপহরণকারীকে বাধা দিলে তাদের নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই গৃহকর্তা মামার মৃত্যু হয়। পঙ্গু নানা চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এদিকে, ওই অপহরণকারীকে গ্রামবাসী গণধোলাই দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।<br><br>এ ঘটনার পর চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কানাই লাল সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কলিমুল্লাহ, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ খানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কৃষক হাসানুজ্জামানের বাড়িতে তাঁর ১৩ বছরের কিশোরী ভাগনি সুমাইয়াকে অপহরণচেষ্টাকালে সুমাইয়া চিৎকার করে। চিৎকার করে উঠলে অপহরণকারী সুমাইয়ার বাঁ হাতে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর সুমাইয়া চিৎকারে তার পঙ্গু নানা জেগে উঠে বাধা দিতে এলে অপহরণকারী তার নানা হামিদুল ইসলামকে (৫০) ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন।<br><br>এ সময় হামিদুলের ছেলে সুমাইয়ার মামা হাসানুজ্জামান (৩০) জেগে উঠে এগিয়ে এলে অপহরণকারী তাঁকেও ছুরিকাঘাত করেন। এ ঘটনায় কৃষক হাসানুজ্জামান ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় পরিবারের লোকজনের চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে এসে অপহরণচেষ্টাকারীকে আটক করে গণধোলাই দেন এবং হামিদুল ইসলামকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠান। এ সময় প্রতিবেশীদের হাতে গণপিটুনিতে নিহত হামলাকারী বখাটে আকবর আলী তিনি দামুড়হুদা উপজেলার মদনা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। এ প্রসঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবু এহসান মো. ওয়াহেদ রাজু বলেন, রাত পৌনে চারটার দিকে হাসানুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তবে হাসপাতালে আনার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়। গণধোলাইয়ে অপহরণকারী আকবর নিহত হয়েছেন। উপর্যুপরি কোপের ফলে হাসানুজ্জামানের শরীরে অসংখ্যা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং পেটের ভুড়ি বেরিয়ে যাওয়ায় তাঁর মৃত্যু ঘটেছে। হাসানুজ্জামানের বাবা হামিদুল ইসলামের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। হাসানুজ্জামনের ভাগনি সুমাইয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।<br><br>এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ খান জানান, চুয়াডাঙ্গা সদরের মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে মধ্যরাতে এক কিশোরীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টাকালে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে আকবর আলী নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আকবর আলীর ছুরিকাঘাতে ওই কিশোরীর নানা হামিদুল ইসলাম গুরতর আহত ও মামা হাসানুজ্জামান নিহত হয়েছেন। </body></HTML> 2019-08-24 12:44:08 1970-01-01 00:00:00 তিন শতাধিক ডাক্তার-নার্স ডেঙ্গুতে আক্রান্ত! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81233 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566628850_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566628850_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের তালিকায় চিকিৎসক নার্সসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরাও পিছিয়ে নেই। ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল ২৩ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্টাফসহ সর্বমোট ৩৩০ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৪ জন চিকিৎসক, ১৩৬ জন নার্স ও ৯০ জন অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালের ১৮৮ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য স্টাফ আক্রান্ত হন ১৪২ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কোনো চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য স্টাফের মৃত্যু হয়নি বলা হলেও বেসরকারি হিসাবে একাধিক চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য স্টাফের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘সম্প্রতি ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় হাজার হাজার রোগী বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে জেনেও কর্তব্যরত চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা ডেঙ্গু রোগীদের পাশে থেকে নিবিড় পরিচর্যা দিয়েছেন। চিকিৎসা দিতে গিয়ে অনেকেই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। তবে আক্রান্তদের অনেকেই ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ১৮৮ জনের মধ্যে ঢাকা মেডিকেলের ২৫ জন চিকিৎসক, ২২ জন নার্স ও ১৫ জন স্টাফ। মিটফোর্ড হাসপাতালের পাঁচজন নার্স, শিশু হাসপাতালের দু’জন চিকিৎসক ও চারজন নার্স, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ১১ জন চিকিৎসক, ১৩ জন নার্স ও ৬ জন স্টাফ আক্রান্ত হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চার জন চিকিৎসক আক্রান্ত হন। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের দু’জন চিকিৎসক ও তিনজন নার্স আক্রান্ত হন। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৪ জন চিকিৎসক ও ২২ জন নার্স আক্রান্ত হন। বিজিবি সদর হাসপাতালে চার জন চিকিৎসক ও ১৪ জন নার্স আক্রান্ত হন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় চার জন চিকিৎসক, তিন জন নার্স ও সাত জন স্টাফ আক্রান্ত হন। এ ছাড়া পঙ্গু হাসপাতালের দু’জন চিকিৎসক ও পাঁচজন স্টাফ আক্রান্ত হন।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৩৩০ জন চিকিৎসক নার্স ও অন্যান্য সহযোগী স্টাফের মধ্যে ইতোমধ্যে ১০২ জন চিকিৎসক, ১২৭ জন নার্স ও ৮৬ জন স্টাফ সুস্থ হয়ে গেছেন।<br><br>গতকাল ২৩ আগস্ট ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে দুই জন চিকিৎসক, ৯ জন নার্স ও চার জন স্টাফসহ মোট ১৫ জন স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। </body></HTML> 2019-08-24 12:40:18 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতা হত্যা : অভিযুক্ত দু’রোহিঙ্গা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81232 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566628688_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566628688_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। নিহতরা যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত বলে জানা গেছে। শুক্রবার রাতে ফারুক হত্যা মামলার আসামি ধরতে টেকনাফের হ্নীলা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে গেলে পুলিশের সঙ্গে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৯টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ১২ রাউন্ড কার্তুজের খোসা পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। নিহতরা হলেন, মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডুর সব্বির আহমেদের ছেলে মুহাম্মদ শাহ ও একই জেলার রাসিদং থানা এলাকার সিলখালির আবদুল আজিজের ছেলে আবদু শুক্কুর। তারা দু’জনই টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।<br><br>টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফারুককে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা (৫৯/২০১৯) রুজু করা হয়। মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামিরা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাসেল আহমদ শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে অভিযানে যান।<br>ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে গুলি করতে থাকে। এতে এসআই মনসুর, এএস আই জামাল ও কনস্টেবল (৯৩২১) লিটন গুলিবিদ্ধ হন। পরে পুলিশও পাল্টা ৪০ রাউন্ড গুলি করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফারুক হত্যা মামলার আসামি মুহাম্মদ শাহ ও আব্দুর শুক্কুরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এ সময় দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৯টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ১২ রাউন্ড কার্তুজের খোসাও উদ্ধার হয়।<br><br>ওসি আরও জানান, গুলিবিদ্ধ মুহাম্মদ শাহ ও শুক্কুরকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। শনিবার ভোরে তাদের নিয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পৌঁছালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পৃথক আইনে মামলা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। </body></HTML> 2019-08-24 12:37:27 1970-01-01 00:00:00 সেনাবাহিনীর গুলিতে সন্ত্রাসী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81231 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573486_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573486_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দোপাতা এলাকায় সেনা অভিযানে ইউপিডিএফ (মূল) দলের এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নিহত হয়েছে। তার নাম সুমন চাকমা। তিনি নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার প্রধান আসামি। and nbsp; শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বাঘাইহাট সেনা জোন ওই অভিযান চালায় বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়। and nbsp; ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের দুটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানায় সাজেক থানার পুলিশ। আইএসপিআর জানায়, বাঘাইহাট সেনা জোন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দোপাতা এলাকায় সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায়। সেনাসদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। সেনা টহল দলও পাল্টা গুলি বর্ষণ করে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে চার-পাঁচ মিনিট গোলাগুলি হয়। একপর্যায়ে সেনাসদস্যদের চাপের মুখে সন্ত্রাসী দল পিছু হটে এবং ইউপিডিএফ (মূল) দলের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন চাকমা নিহত হয়। অভিযান চলাকালে একাধিক সন্ত্রাসী আহত হয়েছে বলে অনুমান করছে সেনাবাহিনী। বর্তমানে ওই স্থানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন রয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।<br>এদিকে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিহত সুমন চাকমা নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান আসামি। ২০১৮ সালের ৩ মে বেলা ১১টার দিকে উপজেলা<br>পরিষদ কার্যালয় থেকে ২০০ গজ দূরে দুই অস্ত্রধারী নানিয়ারচর উপজেলার চেয়ারম্যান ও এমএন লারমা গ্রুপের অন্যতম নেতা শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা তার সংগঠনের অন্য নেতা রূপম চাকমা গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার পর প্রতিপক্ষের ৪৬ জনকে আসামি করে নানিয়ারচর থানায় মামলা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করে।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:17:53 1970-01-01 00:00:00 মেট্রোরেলে ধুকছে ওভারব্রিজ, ঝুঁকিতে পথচারীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81230 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573460_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573460_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>জাতীয় প্রেস ক্লাবের মূল ফটকের পাশে একটি লোহার দণ্ডে সাইনবোর্ডে লেখা ‘ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করার জন্য ধন্যবাদ’। যদিও বর্তমানে সেখানে ফুটওভার ব্রিজের কোনো অস্তিত্ব নেই। তবে কয়েক মাস আগে সেখানে একটি ফুটওভার ব্রিজ ছিল। এ অংশে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় ফুটওভার ব্রিজটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে এ অংশে মানুষজন ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন। ‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এমআরটি লাইন- ৬)’ নামে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ ২০১২ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়। এর আওতায় রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল সিটি সেন্টার পর্যন্ত ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে তা শেষ করার কথা রয়েছে। এ মেট্রোরেল প্রকল্পটি মূল সড়কের উপর নির্মাণ করা হচ্ছে বিধায় প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজের মতো সড়কের উপর থাকা বেশকিছু ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। মিরপুরের কাজীপাড়া থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মোট ১১টা ফুটওভার ব্রিজ ও একটি আন্ডারপাস ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাসটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ছয়টির বিপরীতে তিনটি ওভারব্রিজ করে দেয়া হয়েছে। বাকি তিনটি অংশে বিকল্প কোনো ফুটওভার ব্রিজ করে না দেয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে পথচারীদের।<br>ভেঙে ফেলা ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাসের মধ্যে রয়েছে মিরপুরের শেওড়াপাড়া মসজিদের কাছের ফুটওভার ব্রিজ, ফার্মগেট মোড়ে দুটি, কারওয়ান বাজার মোড়ের আন্ডারপাস (প্রজাপতি গুহা), শাহবাগ মোড় একটি এবং প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজ।<br>এর মধ্যে ফার্মগেটের দুটোর বিকল্প ফুটওভার বিজ্র এবং কারওয়ান বাজারের আন্ডারপাসের বিকল্প একটি ফুটওভার ব্রিজ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু শেওড়াপাড়া, শাহবাগ ও প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না রাখায় সেখানকার পথচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে।<br>শুক্রবার মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজীপাড়া থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ঘুরে দেখা হয়, ব্যস্ততম এ মূল রাস্তার ভেতরে দিয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের কাজ চলা জায়গা ঘিরে রাখা হয়েছে। যেসব জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়েছে ও নেই, সে সব জায়গায় পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য প্রকল্পের ঘিরে রাখা জায়গার বিভিন্ন অংশে ছেদ রাখা হয়েছে। সে সব ছেদ দিয়ে মানুষ রাস্তা পারাপার হচ্ছেন। অধিকাংশ ছেদগুলোয় প্রকল্পের পক্ষ থেকে কিছু ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।<br>এ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারীরা জানান, রাস্তায় গাড়ির শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ এ সব ছেদ দিয়ে যাত্রীরা যাতে নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারেন- সে চেষ্টা করেন তারা।<br>শেওড়াপাড়ায় একটি ছেদে শিপন নামে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী বলেন, ‘মানুষ যেন নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারে, গাড়িও যেন ঠিকমতো যাতায়াত করতে পারে সে কাজ করছি। এখানে ২৪ ঘণ্টাই আমাদের ট্রাফিক থাকে। এ রকম অন্যান্য জায়গাতেও আমাদের লোক রয়েছে।’<br>শিপনের পাশেই মাথায় ফুচকার বস্তা ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে রাস্তা পার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন দুলাল মিয়া। একটার পর একটা গাড়ি যাচ্ছিল। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর রাস্তা পার হন তিনি।<br>দুলাল মিয়া and nbsp; জানান, এভাবে রাস্তা পারাপার হতে ভয় লাগে। তারপরও এভাবেই পারাপার হতে হয়। আগের ফুটওভার ব্রিজটা থাকলে কিংবা সেটার পরিবর্তে কাছাকাছি আরেকটি করে দিলে ভয় নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হতো না। বলা তো যায় না, কখন দুর্ঘটনা ঘটে যায়।<br>এ বিষয়ে জানতে মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদারের মোবাইল ফোনে কয়েকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মেট্রোরেল প্রকল্পের কার্যালয়ে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সেখানকার অন্য কর্মকর্তারাও কথা বলতে রাজি হননি।<br>প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। প্রকল্পের মূল ও সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী, ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি সাত লাখ ২১ হাজার টাকা খরচ হবে এ প্রকল্পে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে পাঁচ হাজার ৩৯০ কোটি ৪৮ লাখ এবং জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ ২১ হাজার টাকা।<br>চলতি বছরের মে মাসে এ প্রকল্পের ওপর একটি নিবিড় পরীবিক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। তাতে বলা হয়, ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক আর্থিক অগ্রগতি ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি প্রায় ৩২ শতাংশ। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিডিপি) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ পিছিয়ে আছে।<br>এ সময়ে মোট অগ্রগতি ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ছয় হাজার ৩৫২ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।<br>২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ছিল পাঁচ হাজার ৬৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা মোট প্রকল্পের ২৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।<br>২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা দুই হাজার ৪৮৮ কোটি ৮৩ লাখ নির্ধারিত ছিল, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ। তবে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৯ মাসে বাস্তবায়ন হার টাকার অঙ্কে এক হাজার ২৮৭ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার। শতকরা এ হার ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।<br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:17:21 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতাকে গুলি করে মারল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81229 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573425_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573425_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>টেকনাফের হ্নীলায় বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে ওমর ফারুক (৩০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রোহিঙ্গা ডাকাতসর্দার সেলিমের নেতৃত্বে অস্ত্রধারীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। নিহত ওমর ফারুক টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরা এলাকার মোনাফ কোম্পানির ছেলে ও হ্নীলা ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ ও জাদিমোরা এমআর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় রোহিঙ্গা ডাকাতসর্দার সেলিমের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ওমর ফারুককে নিজ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে পাহাড়ে পাশে গুলি করে হত্যা করে। খবর পেয়ে নিহতের ভাই আমির হামজা ও উসমানসহ স্বজনরা মরদেহ আনতে গেলে ডাকাতদল মরদেহ আনতে বাধা দেয়।<br>স্থানীয়রা আরও জানান, ডাকাতসর্দার সেলিম গংসহ অপরাপর প্রায় ৫/৬ জন রোহিঙ্গা ডাকাত একসঙ্গে বসে পাহাড়ের পাদদেশে মদপান করে। সেখানে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে জোর করে নিয়ে যায়। রোহিঙ্গারা অতিরিক্ত মদ খেয়ে একপর্যায়ে ফারুকের সঙ্গে তর্কাতর্কিকে জড়িয়ে পড়ে। এরপর কোনো কিছুই বুঝার আগেই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা চলছে। এ রিপোর্ট লেখাকালীন মরদেহ ঘটনাস্থলে রয়েছে।<br>টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, এ রকম একটি ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:16:49 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে ইয়াবাসহ শহিদ ও মাদক ব্যবসায়ী আলফাজ গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81228 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573397_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573397_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীতে ইয়াবা সহ ১৬ মামলার পলাতক আসামী মোঃ শহিদুল্লা মজুমদার শহিদ (৪৫) ও ৫ মামলার পলাতক আসামী মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ফেণী শহরের সুলতানপুরস্থ সাইমুম গার্ডন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০৪ পিস ইয়াবা সহ পলাতক আসামী মোঃ শহিদুল্লা মজুমদার শহিদকে গ্রেপ্তার করে। শহিদ জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার বাঁশপাড়া এলাকার নূর আহম্মদ চেয়ারম্যান বাড়ীর অহিদুর রহমান মজুমদারের ছেলে। গ্রেপ্তার শহিদ ১৬ মামলার পলাতক আসামী। তাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলো পুলিশ। এদিকে একই রাতে একাধিক মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পলাতক আসামী মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে and nbsp; ২০ পিস ইয়াবা মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে ওই এলাকার ঈদ গা বড় বাড়ীর করিমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতি ৫টি মামলা রয়েছে। সে দীর্দিন ধরে পলাতক ছিলো। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায়া আসামীর বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। and nbsp;<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:16:23 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গারা কেন আসেনি জানি না: মিয়ানমার মন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81227 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573371_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573371_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে বৃহস্পতিবার প্রস্তুত ছিল বলে দাবি করছে মিয়ানমার। কিন্তু শরণার্থী প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কেন হয়নি এই বিষয়ে তারা অবগত নন বলে দাবি করেন দেশটির সমাজকল্যাণ, ত্রাণ এবং পুনবার্সন মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াট আয়ে।<br>বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় বারের মতো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ব্যর্থ হয়েছে। মিয়ানমারে নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন অধিকার নিশ্চিত না হওয়ায় এ মুহূর্তে বাংলাদেশের ক্যাম্প থেকে ফিরতে চাচ্ছেন না রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারে নিজেদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা।<br>সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ইউ উইন মিয়াট আয়ে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার শরণার্থীদের গ্রহণের জন্য অনেক কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কেউ ফেরত আসেনি। আমরা এর কারণ জানি না। রোহিঙ্গাদের গ্রহণের জন্য প্রস্তুত ক্যাম্প সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা ছিল।’<br>প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্তদের মধ্য থেকে গত তিন দিনে প্রায় ৩০০ রোহিঙ্গার মতামত নিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এবং বাংলাদেশ। তবে তাদের কেউ মিয়ানমারে ফিরতে রাজি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।<br>মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, হালা ফো কং গ্রাম এবং রাখাইনের তাং পাইও এবং লাট ওয়াল গ্রামে শরণার্থীদের গ্রহণের উদ্দেশ্যে বাড়ি তৈরি করা হয়েছিল।<br>মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গারা চারটি শর্তের দাবি করেছেন। রোহিঙ্গাদের দাবি, প্রত্যাবাসনের জন্য আগে তাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে। জমি-জমা ও ভিটেমাটির দখল ফেরত দিতে হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রাখাইনে তাদের সঙ্গে যা হয়েছে, সেজন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।<br>বার্মিজ রোহিঙ্গা সংগঠনের চেয়ারম্যান ইউ তুন খিন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতিনিধি শরণার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। কিন্তু শরণার্থীরা রাখাইনে নিশ্চয়তা চাই। এ কারণে প্রত্যাবার্সন কার্যকর হয়নি।’<br>বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে মোমেন রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের অনাগ্রহকে ‘দুঃখজনক’ বলেছেন। আর জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলেছে, রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় ফেরা নিশ্চিত করতে হলে তাদের মধ্যে আস্থা তৈরির বিকল্প নেই।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:15:52 1970-01-01 00:00:00 গাড়ি ভাড়া করে অপহরণের চক্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81226 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573340_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573340_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>অপহরণ, ছিনতাই, গাড়ি চুরিসহ যাত্রীবেশী সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের মূল হোতাসহ ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র?্যাব। নতুন গাড়ি-প্রাইভেটকার দেখলেই মালিক কিংবা চালককে টার্গেট করা ছিল অপহরণের প্রথম ধাপ। এরপর সুকৌশলে ভাড়া নিয়ে যাত্রীবেশে উঠে গাড়ি অপহরণ করতেন তারা। গাড়ি ও ভুক্তভোগীকে রাখতেন জিম্মি করে। পরিবারের সদস্যদের কাছে ফোন দিয়ে ভুক্তভোগীর কান্না শুনিয়ে মুক্তিপণ আদায় করতেন তারা। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।<br>সোমবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া নেয় দু’জন। সন্ধ্যায় যাত্রীবেশে গাড়িতে চড়ে বসেন অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্য। এরপর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিনগত রাত ২টার দিকে কাঠালবাড়ি এলাকা থেকে আরও কয়েকজন গাড়িটি থামিয়ে গাড়িসহ চালককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা চালকের পরিবারকে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ আদায় করলে র‌্যাব-৪ এ একটি অভিযোগ করা হয়। এর ভিত্তিতে টানা অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) দিনগত রাতে মাদারীপুরের দুর্গম চর থেকে চালক এনায়েত উল্লাহকে (৩২) উদ্ধার করা হয়। এসময় অপহরণকারী চক্রের চার সদস্যকে আটকসহ গাড়িটি উদ্ধার করে র‌্যাব।<br>আটকরা হলেন- শাহ জালাল (৩২), ফয়সাল (২২), জয়নাল হাজারী (৩০) ও রাকিব (২২)। র‌্যাব জানায়, ভিকটিম এনায়েত উল্লাহ সম্প্রতি ১২ লাখ টাকা দামে অগ্রিম ৬ লাখ টাকা দিয়ে একটি নতুন প্রাইভেটকার কেনেন। বাকি টাকা প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা কিস্তিতে শোধ করার কথা ছিল। সেদিন তার কাছে দুই মাসের কিস্তির ৭০ হাজার টাকা ছিল। চক্রটি সবসময় রেন্ট এ কারের নতুন গাড়ি এবং চালকের আর্থিক অবস্থা দেখে টার্গেট করতো। ঘটনার দিন মাদারীপুরে যাওয়ার জন্য ভিকটিম এনায়েতের গাড়িতে যাত্রীবেশে দু’জন চড়ে বসেন। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাড়িটি কাঠালবাড়ি এলাকায় গেলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তিনজন গাড়িটিকে থামার সিগনাল দেয়। গাড়ি তল্লাশির নামে গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তারা। মোজাম্মেল হক বলেন, চক্রের সদস্যরা ভিকটিম এনায়েতকে মাদারীপুরের দত্তপাড়া চর এলাকায় কাশবনে ছোট একটি ঘরে বেঁধে রেখে নির্যাতন চালাতে থাকেন। গাড়িটি তারা ফরিদপুরের সদরপুরে নিয়ে যায়। ভিকটিম এনায়েতকে মারধর করে তার মোবাইল থেকে পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে ভিকটিমের পরিবার থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযানে নামে র‌্যাব-৪। প্রায় তিন দিন টানা অভিযানের পর দুর্গম চর থেকে এনায়েতকে উদ্ধারসহ চারজনকে আটক করা হয়।<br>তিনি আরও বলেন, চক্রের সমস্যরা যাত্রীবেশে গাড়িতে উঠে বিভিন্ন পন্থায় অপহরণ ও ছিনতাই করে আসছিল। কখনো গাড়িতে উঠেই চালকের হাত-পা বেঁধে নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায়, কখনো তারা অস্ত্রের মুখে চালককে নির্ধারিত স্থানে যেতে বাধ্য করে। কখনো মাঝপথে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তল্লাশির নামে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। মোজাম্মেল হক বলেন, ভিকটিম এনায়েতকে অপহরণের সঙ্গে দশজনের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছি। চারজনকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের নাম-ঠিকানা পাওয়া গেছে। আশা করছি, শিগগিরই তাদের আটক করা সম্ভব হবে। ভিকটিম এনায়েত বলেন, চক্রের কেউ আমার পূর্ব পরিচিত না। তারা আমাকে ফোন করে গাড়ি ভাড়ার জন্য ঠিক করে। কাঠালবাড়ি এলাকায় গেলে টর্চলাইট দিয়ে আমাকে থামার নির্দেশ দেয়। এরপর গাড়িসহ আমাকে নিয়ে বেঁধে নির্যাতন করতে থাকে। র‌্যাব-৪ সিও বলেন, আটকরা গত তিন বছর যাবত বিভিন্ন কৌশলে গাড়িচালক, মালিক, ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে। ফোনের নম্বর সংগ্রহ করে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও কৌশলে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:15:25 1970-01-01 00:00:00 নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে ডিসির আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81225 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573305_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573305_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়।<br>তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে সাজানো দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক। ওই ঘটনায় জামালপুরের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। জেলা প্রশাসকের এমন কর্মকাণ্ডে শুক্রবার ভোর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর ওই ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু এর মধ্যেই ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে ওই ঘটনায় জামালপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা গেছে। ৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটিতে একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৩ আগস্ট জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার কার্যালয়ের এক নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়। এসব বিষয়ে শুক্রবার সকালে সাংবাদিকরা তার বক্তব্য জানতে জেলা প্রশাসকের বাসায় যান। তিনি ফোনে দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তার বক্তব্য জানাবেন বলে জানান।<br>শুক্রবার দুপুরে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর সার্কিট হাউসে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘আমি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় আছি। আপনারা আমাকে একটু সময় দেবেন। প্রকৃত ঘটনা জানতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপনারা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’<br>ভিডিওটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি সাজানো ভিডিও। একটি হ্যাকার গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছিল। আমি বিষয়টি গুরুত্ব দেইনি। বানোয়াট ভিডিওটি একটি ফেক আইডি থেকে পোস্ট দেয়া হয়।’<br>তবে ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেয়ার কক্ষ এবং ভিডিওর ওই নারী তার কার্যালয়ে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত বলে জেলা প্রশাসক নিশ্চিত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ করেন।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:14:34 1970-01-01 00:00:00 মেট্রোরেলে ধুকছে ওভারব্রিজ, ঝুঁকিতে পথচারীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81224 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573125_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573125_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>জাতীয় প্রেস ক্লাবের মূল ফটকের পাশে একটি লোহার দণ্ডে সাইনবোর্ডে লেখা ‘ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করার জন্য ধন্যবাদ’। যদিও বর্তমানে সেখানে ফুটওভার ব্রিজের কোনো অস্তিত্ব নেই। তবে কয়েক মাস আগে সেখানে একটি ফুটওভার ব্রিজ ছিল। এ অংশে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় ফুটওভার ব্রিজটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে এ অংশে মানুষজন ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাস্তা পারাপার হচ্ছেন। ‘ঢাকা ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (এমআরটি লাইন- ৬)’ নামে মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ ২০১২ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়। এর আওতায় রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিল সিটি সেন্টার পর্যন্ত ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে তা শেষ করার কথা রয়েছে। এ মেট্রোরেল প্রকল্পটি মূল সড়কের উপর নির্মাণ করা হচ্ছে বিধায় প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজের মতো সড়কের উপর থাকা বেশকিছু ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। মিরপুরের কাজীপাড়া থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মোট ১১টা ফুটওভার ব্রিজ ও একটি আন্ডারপাস ছিল। এর মধ্যে পাঁচটি ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাসটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ ছয়টির বিপরীতে তিনটি ওভারব্রিজ করে দেয়া হয়েছে। বাকি তিনটি অংশে বিকল্প কোনো ফুটওভার ব্রিজ করে না দেয়ায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে পথচারীদের।<br>ভেঙে ফেলা ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাসের মধ্যে রয়েছে মিরপুরের শেওড়াপাড়া মসজিদের কাছের ফুটওভার ব্রিজ, ফার্মগেট মোড়ে দুটি, কারওয়ান বাজার মোড়ের আন্ডারপাস (প্রজাপতি গুহা), শাহবাগ মোড় একটি এবং প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজ।<br>এর মধ্যে ফার্মগেটের দুটোর বিকল্প ফুটওভার বিজ্র এবং কারওয়ান বাজারের আন্ডারপাসের বিকল্প একটি ফুটওভার ব্রিজ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু শেওড়াপাড়া, শাহবাগ ও প্রেস ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজের বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না রাখায় সেখানকার পথচারীদের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাস্তা পারাপার হতে হচ্ছে।<br>শুক্রবার মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজীপাড়া থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ঘুরে দেখা হয়, ব্যস্ততম এ মূল রাস্তার ভেতরে দিয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে। প্রকল্পের কাজ চলা জায়গা ঘিরে রাখা হয়েছে। যেসব জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়েছে ও নেই, সে সব জায়গায় পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য প্রকল্পের ঘিরে রাখা জায়গার বিভিন্ন অংশে ছেদ রাখা হয়েছে। সে সব ছেদ দিয়ে মানুষ রাস্তা পারাপার হচ্ছেন। অধিকাংশ ছেদগুলোয় প্রকল্পের পক্ষ থেকে কিছু ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে।<br>এ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারীরা জানান, রাস্তায় গাড়ির শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ এ সব ছেদ দিয়ে যাত্রীরা যাতে নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারেন- সে চেষ্টা করেন তারা।<br>শেওড়াপাড়ায় একটি ছেদে শিপন নামে দায়িত্বরত এক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণকারী বলেন, ‘মানুষ যেন নিরাপদে রাস্তা পারাপার হতে পারে, গাড়িও যেন ঠিকমতো যাতায়াত করতে পারে সে কাজ করছি। এখানে ২৪ ঘণ্টাই আমাদের ট্রাফিক থাকে। এ রকম অন্যান্য জায়গাতেও আমাদের লোক রয়েছে।’<br>শিপনের পাশেই মাথায় ফুচকার বস্তা ও অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে রাস্তা পার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন দুলাল মিয়া। একটার পর একটা গাড়ি যাচ্ছিল। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর রাস্তা পার হন তিনি।<br>দুলাল মিয়া and nbsp; জানান, এভাবে রাস্তা পারাপার হতে ভয় লাগে। তারপরও এভাবেই পারাপার হতে হয়। আগের ফুটওভার ব্রিজটা থাকলে কিংবা সেটার পরিবর্তে কাছাকাছি আরেকটি করে দিলে ভয় নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হতো না। বলা তো যায় না, কখন দুর্ঘটনা ঘটে যায়।<br>এ বিষয়ে জানতে মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদারের মোবাইল ফোনে কয়েকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মেট্রোরেল প্রকল্পের কার্যালয়ে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সেখানকার অন্য কর্মকর্তারাও কথা বলতে রাজি হননি।<br>প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। প্রকল্পের মূল ও সংশোধিত ডিপিপি অনুযায়ী, ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি সাত লাখ ২১ হাজার টাকা খরচ হবে এ প্রকল্পে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে পাঁচ হাজার ৩৯০ কোটি ৪৮ লাখ এবং জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থা জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি ৫৯ লাখ ২১ হাজার টাকা।<br>চলতি বছরের মে মাসে এ প্রকল্পের ওপর একটি নিবিড় পরীবিক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। তাতে বলা হয়, ২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক আর্থিক অগ্রগতি ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি প্রায় ৩২ শতাংশ। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিডিপি) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১৪ দশমিক ৪২ শতাংশ পিছিয়ে আছে।<br>এ সময়ে মোট অগ্রগতি ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ছয় হাজার ৩৫২ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।<br>২০১২ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ছিল পাঁচ হাজার ৬৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা মোট প্রকল্পের ২৩ দশমিক ০৪ শতাংশ।<br>২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা দুই হাজার ৪৮৮ কোটি ৮৩ লাখ নির্ধারিত ছিল, যার শতকরা হার ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ। তবে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ৯ মাসে বাস্তবায়ন হার টাকার অঙ্কে এক হাজার ২৮৭ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার। শতকরা এ হার ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:11:47 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রলীগ-শিবির তুমুল সংঘর্ষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81223 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573093_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573093_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নে ফেসবুকে পোস্ট নিয়ে দফায় দফায় দুই গ্রুপের মধ্যে সং’ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের পাঁচজন আ’হত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সানিয়াজান বাজার এলাকায় এ সং’ঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট নিয়ে বুধবার মধ্যরাতে সানিয়াজান ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সম্রাট শাহ আলমের ওপর হামলা চালায় কতিপয় লোকজন। স্থানীয় ছাত্রলীগের দাবি জামাত-শিবিরের লোকজনের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা সম্রাট শাহ আলম আ’হত হয়েছে।<br>এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সানিয়াজান বাজারে আনিছুর রহমান নামে এক দোকানদারকে জামাত-শিবির সমর্থক দাবি করে তার দোকান বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আনিছুর রহমানের লোকজন বাঁধা দিলে সং’ঘর্ষ বাঁধে। সং’ঘর্ষে সানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আনিচুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক চাঁদ মিয়া, সদস্য আতাউর রহমান আ’হত হয়েছেন। অপর পক্ষে দোকানদার আনিছুর রহমানও আ’হত হয়েছেন। আ’হতরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতীবান্ধা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। সানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আনিচুর রহমান জানান, শিবির নেতা আনিছুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ হামলায় তাদের ৪ নেতা-কর্মী আ’হত হয়েছেন।<br>সানিয়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর জানান, জামাত-শিবির নয়, বরং ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ফেসবুকে পোস্ট নিয়ে সং’ঘর্ষ হয়েছে। সং’ঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আ’হতও হয়েছেন। হাতীবান্ধা থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, বিষয়টি অবগত হয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। <br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:11:17 1970-01-01 00:00:00 রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পাশেই থাকছে চীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81222 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573064_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566573064_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের (ডানে) সঙ্গে চীনা দূত চেন হাই (বামে) রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাজধানী নেইপিদোতে মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে এক সাক্ষাতে এই প্রতিশ্রুতির কথা জানান দেশটি সফররত চীনা দূত চেন হাই। চীনা দূত ও মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের মধ্যে বৈঠকের পর এ বিষয়ে এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের কার্যালয়। এমন এক সময় চীনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করা হলো যখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্যাপক চাপের মধ্যে রয়েছে নেইপিদো। বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। বিষয়গুলো হলো— রোহিঙ্গা ও মানবাধিকার বিষয়ে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের বিরুদ্ধে চীনের অবস্থান; মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্য ও মান্দালায় অঞ্চলের গ্যারিসন শহরে সহিংস হামলা এবং জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা ও মিয়ানমার সরকারের গৃহীত শান্তি প্রক্রিয়ায় চীনের সহায়তা অব্যাহত রাখা।<br>মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর বর্বর অভিযান থেকে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছেন। তাদের বেশির ভাগই ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।<br>এদিকে রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনের আগে যাচাইয়ের জন্য ২৯ জুলাই ছয় হাজার পরিবারের ২৫ হাজার রোহিঙ্গার নতুন একটি তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৫ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা পেয়েছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।<br>অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতির পরও রোহিঙ্গাদের অনিচ্ছার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার আবারও আটকে যায় প্রত্যাবাসন শুরুর কার্যক্রম। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গারা রাজি না হওয়ায় প্রত্যাবাসন সম্ভব হচ্ছে না।<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br><br></body></HTML> 2019-08-23 21:10:13 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের হস্তক্ষেপে সন্তানের বাড়িতে শতবর্ষী বাবার ঠাঁই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81221 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572987_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572987_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">হাজারিকা ডেস্ক ॥ <br>একশ পেরিয়েছে বহু আগে। নানা দুঃখ কষ্ট, সংগ্রাম শেষে বহু দিন আগে থেকেই আর বাঁচতে ইচ্ছে করে না নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বন্দর আলীর। কারণ, শেষ জীবনে এসে তিনি নিজের সন্তানদের কাছ থেকে যে অবহেলা, অবজ্ঞা পেয়েছেন, সেটি তার কাছে মৃত্যুর চেয়ে কঠিন মনে হয়েছে। মাথার উপর ঠাঁই, তিন বেলা খাবার আর এই বয়সে চলাফেরায় একটু খুঁটি হবে না নিজের সন্তানরা- এটা ছিল বন্দর আলীর সবচেয়ে কষ্টের। নিজের আয় করার উপায় নেই, কিন্তু ক্ষুধাও মেটে না- এই অবস্থায় ছুটে গেলেন থানায়। সন্তানদের বিরুদ্ধে দিলেন অভিযোগ। বন্দর আলীর অসহায়ত্ব শুনে পুলিশের কঠিন মনও কেঁপে ওঠে। তার সন্তানদের তলব করা হয়। বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান করতে কাজে লাগানো হয় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকেও। আর বন্দর আলীকে ঠিক মতো খাওয়া, পরা দেওয়া হবে বলে মুচলেকা দিয়ে তাকে নিয়ে যান সন্তানরা। পুলিশ জানিয়ে দেয়, এই বৃদ্ধের বিষয়টি নিয়ে তারা নিয়মিত খোঁজখবর রাখবে। অযতœ হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর তার জন্য মাসোহারার ব্যবস্থাও করা হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে লাঠিতে ভর করে সোনারগাঁও থানায় যান বন্দর আলী। উপজেলার চরভবনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। থানায় গিয়ে খুঁজতে থাকেন দারোগা আবুল কালাম আজাদকে।<br>এত প্রবীণ একজন মানুষ থানায় কেন এসেছেন, জানতে চায় পুলিশ। বন্দর আলী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবা তুমি আমারে বাঁচাও। আমার পোলা, পোলার বউ খাওয়ন দেয় না এবং খোঁজখবর রাখে না, মারে।’ দারোগা আজাদ অভিযোগ শুনে বন্দর আলীকে নিয়ে যান চরভবনাথপুর গ্রামে। গিয়ে দেখেন প্রবীণ মানুষটির জীবনের করুণ চিত্র। গোয়াল ঘরের মতো একটি ছাপড়ায় থাকতেন বন্দর আলী। সেটি পলিথিন দিয়ে ঘেরা। পরে আজাদ ঘটনাটি জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে। তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন স্থানীয় পিরোজপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে। পরে তার বাসাতেই বন্দর আলীকে নিয়ে বসে সালিশ। উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বন্দর আলীর ছেলেরা তার বাবাকে আর জুলুম করবে না- এমন মুচলেকা দিয়েছে। তারপরও যদি তারা ভরণ পোষণের দায়িত্ব না নেয় তাহলে এই বৃদ্ধ বাবার দায়িত্ব আমি নিলাম। আমিও আজ থেকে হয়ে গেলাম তার একজন সন্তান এবং তাকে দেখাশোনার দায়িত্বটা আমার কাঁধেও নিয়ে নিলাম।’<br>‘তবে আশা করি, এখন বৃদ্ধ বাবার থাকা, খাওয়ার সমস্যা হবে না। কারণ, তার ছেলেরা এবং ছেলের বউরা ভুল বুঝতে পেরেছে।’ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি মোশাররফ হোসেন জানান, ‘এস আই আবুল কালাম আজাদ আমাকে ফোন করে সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের কথা বলেন। তাকে নিয়ে আমার বাসায় বসে বন্দর আলীর ছেলেদের ডেকে আনি। এরপর একটা ফয়সালা করে দিয়েছি।’ ‘সালিশে মধ্যে বন্দর আলীর ছেলেরা মুচলেকা দিয়েছে, তারা বাবাকে আর অবহেলা করবে না, ঠিকমত খেতে দেবে। তিনি ছয় মাস থাকবেন ছেলে আব্দুর রহিমের কাছে এবং বাকি ছয় মাস থাকবেন মোতালেব ও আব্দুল জব্বারের কাছে। পুলিশ কর্মকর্তা আজাদ এবং আমি প্রতি সপ্তাহে বন্দর আলীর জন্য পাঁচশ টাকা করে দেব।’ মোশাররফ হোসেন জানান, বন্দর আলীর গায়ে শক্তি থাকার সময় এলাকায় মুড়ির ব্যবসা করতে। তার বাড়িতে হাতে ভাজা মুড়ি তৈরি হতো এবং তা স্থানীয় বাজারে বিক্রি হতো। বন্দর আলী ১২৮ বললেও মূলত বয়স ১০৮ বছর। তার তিন জন স্ত্রী ছিলেন, সন্তান আট জন। এক মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী ফুলবাহারও মারা যান। এরপর থেকেই দুর্দশার শুরু। প্রথম স্ত্রী আলবাহারের ঘরে তিন সন্তান; আবদুল মোতালেব, আবদুল মান্নান এবং মোমেনা খাতুন। দ্বিতীয় স্ত্রী সাজেমুনের সংসারেও তিন সন্তান; আব্দুল জব্বার, আব্দুর রহিম ও নুরতাজ বেগম। আর তৃতীয় স্ত্রী ফুলবাহারের ঘরে সন্তান আরজুদা এবং ফাতেমা। <br></body></HTML> 2019-08-23 21:07:44 1970-01-01 00:00:00 নোবেলের কড়া সমালোচনা পরিকল্পনামন্ত্রীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81220 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572765_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572765_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>ভারতের জি বাংলার গানবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে জনপ্রিয়তা অর্জন করা বাংলাদেশের সঙ্গীতশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের ইতিহাস নিয়ে, পরিচয় নিয়ে নাড়াচাড়া করার জ্ঞান, বুদ্ধি-বিদ্যা তোমার মোটেও নেই।’<br>শুক্রবার (২৩ আগস্ট) পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ মিলনায়তনে শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।<br>ইউটিউবে নোংড়া, মিথ্যা, অর্ধসত্য কথা ছড়ানো হচ্ছে। এমন কি দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা, আমাদের দেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো মন্তব্য করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এম এ মান্নান।<br>তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা, আমাদের দেশ সম্পর্কে মূর্খের মতো মন্তব্য করেছে এক ছোকড়া। তার নাম নোবেল। আমার খুব স্নেহ ছিল তার প্রতি। বাচ্চা ছেলে, ভালো গান গাইছে, সুন্দর লাগে। সে কী বলল, যে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত সঠিক নয়! আরও ভালো জাতীয় সঙ্গীত তার কাছে লাগে!’<br>তিনি বলেন, ‘এভাবে জাতি সম্পর্কে মন্তব্য করা তোমার মতো বাচ্চা ছোকড়া ছেলের উচিত নয়। তুমি মোটামুটি পরিচয় অর্জন করেছ। এটাকে আরও বাড়িয়ে নিয়ে যাও। আমরা তোমাকে আশীর্বাদ করি, দোয়া করি। কিন্তু আমাদের ইতিহাস নিয়ে, পরিচয় নিয়ে নাড়াচাড়া করার জ্ঞান, বুদ্ধি-বিদ্যা তোমার মোটেও নেই।’<br>বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরে এম এ মান্নান বলেন, ‘এক জীবনে বঙ্গবন্ধুর অবদান বলে শেষ করা যাবে না। তার ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারব না। বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন দেশ দিয়েছেন। তার সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে।’<br>সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যাপক আবুল হোসেন, সঙ্গীতশিল্পী রফিকুল আলমসহ অনেকে এতে অংশ নেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:05:50 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে দুটি মন্দিরের দানবাক্সর তালা ভেঙে টাকা চুরি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81219 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572737_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572737_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের সেনের খিল গ্রামের শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রম ও নতুন বাজার কালি মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাত চোরেরা দানের টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই মন্দিরে চুরি হওয়া টাকার পরিমাণ আনুমানিক এক হাজার টাকা। শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রমের সভাপতি সমীর চন্দ্র দে and nbsp; বাদী হয়ে অজ্ঞাত চোর বা চোরদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলা দায়ের করেছেন। সোনাগাজী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সময় দাস ও মামলার বাদী সমীর চন্দ্র দে জানান, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রম মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে মানুষের দানের ৩০০-৪০০ এবং একই কায়দায় নতুন বাজার কালি মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে ৫০০-৬০০ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। <br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:05:23 1970-01-01 00:00:00 প্রেমের টানে বাংলাদেশে ঘর বাঁধলেন ইন্দোনেশিয়ান তরুণী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81218 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572711_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572711_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>এবার প্রেমের টানে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন মারদিয়ানা নামে এক ইন্দোনেশিয়ান তরুণী। মারদিয়ানা ইন্দোনেশিয়ার পালু বোরাদ এলাকার কাহারুদ্দিন ও মোলি দম্পতির মেয়ে। তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। জানা যায়, মারদিয়ানার সঙ্গে ২০১৩ সালে ফেসবুকে পরিচয় হয় শরীয়তপুরের নড়িয়া পৌরসভার লোনসিং গ্রামের মো. সেলিম খালাসীর সঙ্গে। পরে মারদিয়ানা ও সেলিমের মধ্যে ভাই-বোনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের চন্ডিবদ্দি গ্রামের কাজী এটিএম দাউদের ছেলে কাজী আহমাদুল হোসেন রাজনের সঙ্গে প্রথমে ফেসবুকে পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব হয় মারদিয়ানার। পরে বন্ধুত্ব থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর সেই টানেই বাঙালি তরুণের কাছে ছুটে আসেন ইন্দোনেশিয়ান তরুণী মারদিয়ানা। মারদিয়ানার পাতানো ভাই সেলিম খালাসী বলেন, মারদিয়ানা আমাকে ধর্মের ভাই ডেকেছে। আমারা ভাই-বোন। সম্পর্কটা আমার পরিবারও মেনে নিয়েছে। তিনি বলেন, ফেসবুকের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ান মুসলিম পরিবারের সন্তান মারদিয়ানার সঙ্গে মাদারীপুরের রাজনের পরিচয় হয়। তিনি আমাদের দেশ ও কৃষ্টি কালচার সম্পর্কে আমার কাছ থেকে জানেন। তাছাড়া রাজনের পরিবার সম্পর্কে সব কিছু জেনে গত ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন মারদিয়ানা। ৩০ এপ্রিল ঢাকা কোতোয়ালি কোর্ট হাউস স্ট্রিট বার ভবনে মারদিয়ানা-রাজনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর এক সপ্তাহ থেকে ইন্দোনেশিয়া চলে যান মারদিয়ানা। আবার ২১ আগস্ট রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামেন মারদিয়ানা। পরে বিকেলে তাকে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর নড়িয়া পৌরসভার লোনসিং নিয়ে আসি। ২৩ আগস্ট (শুক্রবার) জাকজমকপূর্ণ সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমার বাড়ি নড়িয়া লোনসিং থেকে মারদিয়ানাকে রাজনের হাতে তুলে দেই।<br>অনুষ্ঠানে নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী, নড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মঞ্জুরুল হক আকন্দ, ওসি (তদন্ত) আবু বকর মিয়া, নড়িয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র শহিদুল ইসলাম সরদারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।<br>নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ি বলেন, প্রেমের টানে ইন্দোনেশিয়ান তরুণী বাংলাদেশে চলে এসেছেন। নড়িয়াতে তাদের অনুষ্ঠানে এসে বেশ ভালো লাগলো। নড়িয়াতে এই প্রথম এমন অনুষ্ঠানে যোগ দিলাম। দোয়া করি তাদের বিবাহিত জীবন সুখের হোক।<br>মারদিয়ানা জানান, রাজনের প্রতি গভীর ভালোবাসার টানে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। রাজনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। বিষয়টি তার মা-বাবাকে জানিয়ে এসেছেন। এ দেশের মানুষের আতিথেয়তায় ও ভালোবাসায় মুগ্ধ বলেও জানান মারদিয়ানা। </body></HTML> 2019-08-23 21:04:51 1970-01-01 00:00:00 মসজিদের ইমামকে গলা কেটে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81217 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572513_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566572513_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মসজিদের ইমাম দিদারুল ইসলামকে (২৬) গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।<br>বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের বড় ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছে। নিহত দিদারুল ইসলাম খুলনার তেরখাদা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন ফরাজীর ছেলে।<br>এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, খুনিরা ইমামের কক্ষের পুরাতন তালা খুলে নতুন তালা লাগিয়ে গেছে। এতে মনে হচ্ছে কোনো একটি চক্র উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ইমামকে খুন করেছে। তবে খুনিরা যেই হোক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। সোনারগাঁ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মামলা দায়েরের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। কিছুদিন হয়তো সময় লাগবে। তবে খুব শিগগিরই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উৎঘাটিত হবে। আর মসজিদের ইমাম বেশিদিন হয়নি সোনারগাঁয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ৭ দিন আবার ঈদের ছুটিতে বাড়িতে ছিলেন। আমরা সব কিছুই খতিয়ে দেখছি।<br>প্রসঙ্গত, সোনারগাঁয়ে মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মল্লিকেরপাড়া এলাকার বায়তুল জালাল জামে মসজিদের ইমাম দিদারুল ইসলামকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার ভোরে মুসল্লিরা ফজরের নামাজ পড়তে এসে মসজিদের ইমামের ঘরে গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 21:01:37 1970-01-01 00:00:00 বৃদ্ধাকে কবরে ফেলে গেলেন স্বজনরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলো পুলিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81216 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561959_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561959_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>কুমিল্লার পাঠানপাড়ার একটি কবরস্থানে চারদিন আগে এক বৃদ্ধা মহিলাকে (৬৮) রেখে যায় তার স্বজনরা। সড়ক থেকে মহিলাকে স্পস্টভাবে দেখা না যাওয়ায় ঘটনা জানাজানি হয়নি। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ধোড়করা-চাঁনকার দীঘি সড়কের পাশে কবরস্থানে তারা বৃদ্ধাকে রেখে যান।<br>বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) চৌদ্দগ্রাম থানার পুলিশ মহিলাকে উদ্ধার শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।<br>এলাকাবাসী জানায়, কে বা কারা গত চারদিন আগে খুরশিদা বেগম নামের বৃদ্ধ মহিলাটিকে কবরস্থানে রেখে যায়। এসময় তার পাশে চার প্যাকেট খাবার, চারটি পানির বোতল, একটি মশার কয়েল ছিল। মহিলাটি কথা বলতে পারে। কিন্তু নিজের নাম, গ্রাম বা অন্য পরিচয় কারো কাছে বলে না। বিশেষ করে ছেলেদের নাম জিজ্ঞেস করলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং বলে- ‘ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মেহেরাজের জামাই রায়হান ও বিজয়পুরের সবুজের বাপে জানে।’ আর কিছুই বলতে চান না তিনি।<br>কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই কামাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে বৃদ্ধ মহিলাকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।<br>চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে শুনে ওই বৃদ্ধাকে কবরস্থান থেকে উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছি। তার পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। </body></HTML> 2019-08-23 18:05:43 1970-01-01 00:00:00 মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা, সৎ বাবা আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81215 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561924_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561924_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>রাজশাহীতে সৎ মেয়েকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আজিম উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর তালাইমারী বাদুড়তলা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত আজিম উদ্দিন ওই এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে। নগরীর মতিহার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৯ আগস্ট গভীর রাতে নিজ বাড়িতেই ২৫ বছর বয়সী সৎ মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান আজিম উদ্দিন। ঘটনা জানাজানি হলে তিনি আত্মগোপন করেন। অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার তাকে আটক করে পুলিশ। ভুক্তভোগী মেয়েটি এনিয়ে মামলা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। </body></HTML> 2019-08-23 18:04:43 1970-01-01 00:00:00 ৩ বন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে সাতদিন পর লাশ হয়ে ফিরলেন নয়ন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81214 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561861_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561861_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>আশুলিয়ার বংশাই নদীতে নিখোঁজের সাত দিন পর আইটি কর্মকর্তা নাফিউল ইসলাম নয়নের (২৪) লাশ উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৬টায় আশুলিয়ার নলাম এলাকার কচুরিপানার মধ্য থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন এলাকাবাসী।<br>গত ১৭ আগস্ট আশুলিয়ার বংশাই নদীর (ধলাই বিল) কন্ডা ব্রিজ এলাকায় গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হন নাফিউল ইসলাম নয়ন। তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডের সারদাগঞ্জ এলাকার কাবিল উদ্দিনের ছেলে। তিনি মিতালী গ্রুপের একটি কারখানায় এইচআর, অ্যাডমিন অ্যান্ড সিএসআর বিভাগের ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইটি) সেকশনে অফিসার পদে চাকরি করতেন।<br>নিখোঁজ নয়নের বড় ভাই নাজমুল ইসলাম জানান, ঈদের ছুটিতে বন্ধুদের নিয়ে আশুলিয়ার কন্ডা এলাকায় ঘুরতে যান নয়ন। তারা বংশাই নদীতে গোসল করতে নামেন। বন্ধুদের সবাই সাঁতার জানলেও নয়ন জানত না।<br>তিনি বলেন, তিন বন্ধু নদীর গ্রোতে ভেসে যাচ্ছে দেখে নয়ন তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে ডুবে যায়। এ সময় তীরে থাকা নৌকা নিয়ে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও নয়নকে উদ্ধার করা যায়নি।<br>পরে ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে ওই দিন রাত থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও টঙ্গীর ডুবুরিরা উদ্ধার অভিযান চালান। কোথাও নয়নের লাশ না পেয়ে সাত দিন পর এলাকাবাসীর সহযোগিতায় নলাম এলাকার কচুরিপানা পরিষ্কার করে শুক্রবার সকালে নয়নের লাশ উদ্ধার করা হয়।<br>ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ওমর ফারুক জানান, নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ পেয়ে শনিবার থেকে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করছি। কিন্তু গ্রোতের কারণে লাশটি কচুরিপানার নিচে পড়েছিল। তাই ডুবুরিরা কচুরিপানার নিচে যেতে পারেননি। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কচুরিপানা পরিষ্কার করে শুক্রবার সকালে নয়নের লাশ উদ্ধার করা হয়। </body></HTML> 2019-08-23 18:04:02 1970-01-01 00:00:00 রেলের তেল চুরির সময় হাতেনাতে আটক ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81213 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561822_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561822_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নওগাঁর শাহাগোলা রেলষ্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৫ নাটোর ক্যাম্পের সদস্যরা ৬৫০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ তেল চুরি সিন্ডিকেটের তিন সদস্যকে আটক করেছে। শুক্রবার (২৩ আগস্ট) ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে তেল চুরি করার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয। এসময় তাদের নিকট থেকে তিনটি ড্রামে ৬৫০ লিটার ডিজেল, তেল বিক্রির নগদ ৭২০০/ টাকা ও দুটি মোবাইল জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন- নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা মন্ডলপাড়া গ্রামের মৃত মছের আলি মন্ডলের ছেলে দুলাল মন্ডল(৫২), একই গ্রামের উত্তরপাড়ার মৃত মোবারক হোসেনের ছেলে মোথলেছুর রহমান (৫০) ও ওই গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মজিবর রহমানের ছেলে রহিদুল মিয়া(৪০)। র‌্যাব-৫, রাজশাহীর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের এএসপি মোঃ রাজিবুল আহসান জানান গ্রেফতারকৃতরাসহ এশটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে ওই রেলরুটে চলাচলকৃত বিভিন্ন ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে ডিজেল তেল চুরি করে বিক্রি করে আসছিল। <br>ঘটনা জানার পর সেখানে অভিযান চালিয়ে চোরাই ডিজেল তেলসহ তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের শুক্রবার বিকেলে আত্রাই থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 18:03:27 1970-01-01 00:00:00 ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করলো চাচাতো ভাই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81212 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561777_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561777_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নওগাঁর মান্দায় চাচাতো ভাইয়ের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে ছয় বছরের এক শিশু। ঘটনার পর বিভিন্ন মহল ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করলেও পুলিশ বিষয়টি জানার পর ধর্ষক আবু বক্কর সিদ্দিককে (১৯) আটক করেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধর্ষককে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধর্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক ওই গ্রামের মমতাজ হোসেনের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটি ধর্ষকের চাচাতো বোন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার বাবার দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে চাচাতো ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক তাকে ফুসলিয়ে আম বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে পরিবারকে জানায়। রাতেই তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তখন থেকেই স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছিল।<br>মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) তারেকুর রহমান বলেন, সংবাদ পেয়ে পুলিশ সকালে ধর্ষককে বাড়ি থেকে আটক করে। শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। শিশুটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2019-08-23 18:02:38 1970-01-01 00:00:00 বিয়ের গেটে টাকা নিয়ে বরের মাথা ফাটিয়ে দিলো কনেপক্ষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81211 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561631_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561631_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ে বাড়িতে বরের মাথা ফাটিয়ে দিলো কনেপক্ষের লোকজন। এ সময় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার ও অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে বরের বাবা মহুবুল ইসলামকে উদ্ধার করে। আহত বরের নাম সাহান বাদশাহ।<br>বুধবার রাতে উপজেলার মধুপুর ইউপির বাওচন্ডি সাকোয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বরপক্ষ।<br>স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার মধুপুর ইউপির কাজিপাড়া গ্রামের মহুবুল ইসলামের ছেলে সাহান বাদশাহর সঙ্গে সাকোয়াপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলির মেয়ে আয়েশা খাতুনের বিয়ে হয়। গত বুধবার ছিল কনে বিদায়ের অনুষ্ঠান। ছেলেপক্ষ মেয়ের বাড়িতে কনে আনতে গেলে গেটে টাকা দেয়াকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মেয়েপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ছেলেপক্ষের ওপর হামলা করে। এতে করে বর সাহান বাদশাহর মাথা ফেটে যায়। আরও কয়েকজন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার ও ছেলের বাবা মহুবুল ইসলামকে অবরুদ্ধ অবস্থা হতে মুক্ত করে। আহত অবস্থায় তাদের বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাহান বাদশাহকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বদরগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি আরিফ আলি বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-08-23 18:00:09 1970-01-01 00:00:00 পরিবারটির সঙ্গে কথা বললেই ১ হাজার টাকা জরিমানা ঘোষণা মসজিদ কমিটির! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81210 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561590_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561590_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ and nbsp;<br>৯০ বছরের বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীন। লাঠি ছাড়া চলতে পারেন না। বাড়ি থেকে ৫০ গজ দূরের মসজিদে তিনিসহ তার পরিবারের নামাজ পড়া নিষেধ। ঐ পরিবারের সঙ্গে কেউ কথা বললে এক হাজার টাকা জরিমানার ঘোষণা দিয়ে মসজিদ কমিটি সামাজিকভাবে তাকে একঘরে করে রেখেছে। একঘরে করে রাখার বিষয়টি শুধু মুখে নয় মসজিদ কমিটির প্রভাবশালীরা রেগুলেশন করে সকলের সই স্বাক্ষরও নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীনের ৫ ওয়াক্ত নামাজ বাড়িতেই আদায় করতে হচ্ছে এখন। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে। উপজেলার ভবানীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার গিয়ে দেখা গেছে সমাজের সকলেই মসজিদে নামাজ আদায় করছেন। আর বাড়ি থেকে মসজিদ দেখা বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীন তার বাড়িতে জোহরের নামাজ আদায় করছেন।<br>নামাজ শেষে কথা হয় জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে। তিনি বলেন, 'মসজিদটি আমার বাড়ি থেকে ৫০ গজ দূরে। মসজিদের প্রগ্রাবখানা ও ল্যাট্রিন আমার জমিতে। আমার কাছে থাকা মসজিদের প্রগ্রাব ও ল্যাট্রিনের চাবি ১০/১২ দিন আগে নিয়ে নেন মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার হোসেন আলী। এ নিয়ে হোসেন আলীর সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটি হয়। গত ১৬ আগস্ট শুক্রবার আমি মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুছ ছালামসহ কমিটির লোকজন আমাকে গালমন্দ করে মসজিদ থেকে বের করে দেন। আমি সেদিন জুম্মার নামাজ মসজিদে আদায় করতে পারিনি। সেদিন জুম্মার নামাজ শেষে আমার পুরো পরিবারকে সামাজিকভাবে একঘরে করাসহ সমাজের কেউ কথা বললে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানার কথা উল্লেখ করে সকলের সই স্বাক্ষর নিয়ে রেগুলেশন করা হয়। আমাকে সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার পর থেকে আমাকে মসজিদে নামাজ পড়তে দেওয়া হচ্ছে না। ভয়ে সমাজের লোকজন কথা পর্যন্ত বলছেন না।' বৃদ্ধ জয়নাল আবেদীনের পুত্র শফিক বলেন, 'আমরা ৫ ভাই। আমার আব্বা প্রবীণ মানুষ। তাকে এভাবে প্রকাশ্যে সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখা কি ঠিক হয়েছে? আমার বৃদ্ধ বাবা ভুলত্রুটি করে থাকলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ আছে সেখানে বিচার দিতে পারতো। এতে করে আমাদের পরিবারের সকল শিশুদের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।'<br>মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান কাঞ্চন একঘরে করে রাখার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, 'আসলে ভয় দেখানোর জন্য একঘরে করা হয়েছে।' মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুস ছালাম বলেন, 'বৃদ্ধ লোকটি আসলে ভালো না। তাকে সঠিক পথে আনার জন্য একঘরে করে রাখা হয়েছে। ভয় দেখানোর জন্য রেগুলেশন ও সকলের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।' স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার জাকির হোসেন (শহীদ) জানান, তিনি লোকমুখে সামাজিকভাবে এক ঘরে করে রাখার বিষয়টি শুনেছেন। তবে যারাই এ কাজটি করুক কাজটি ভালো হয়নি।<br>ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুর মল্লিক জীবন বলেন, 'সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নেবো।'<br>ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফিরোজ তালুকদার বলেন, 'সামাজিকভাবে একঘরে করে রাখার বিষয়ে থানায় কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি।'<br><br><br> </body></HTML> 2019-08-23 17:59:30 1970-01-01 00:00:00 সীমান্তে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়েছে ভারত-পাকিস্তান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81209 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561229_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561229_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সীমান্তে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরিতে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে পাক সেনারা গুলি চালিয়েছে। ভারতের তরফ থেকে এমন অভিযোগ করে বলা হয়েছে যে, বিনা উস্কানিতে নিয়ন্ত্রণ রেখায় গোলাগুলি শুরু করে পাক সেনাবাহিনী। কিছুক্ষণ পরই পাল্টা জবাব দেয় ভারতও। গোলাগুলিতে দু’পক্ষের তরফ থেকে এখনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তবে দু'পক্ষ নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুন্দরবনির রাজৌরি সেক্টরে সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে হঠাৎ করেই হামলা চালায় পাক সেনারা। ভারতের সেনা ছাউনি লক্ষ্য করে গোলাবর্ষণ শুরু হয়। পাল্টা জবাব দিতে ভারতীয় জওয়ানরাও হামলা শুরু করে। পাকিস্তানের চেয়ে দ্বিগুণ শক্তিতে আক্রমণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারত। দু'পক্ষের মধ্যে এখনও গোলাগুলি চলছে। ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান এমন সব অস্ত্র ব্যবহার করছে যা সাধারণত যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। সীমান্তের কাছাকাছি বসতি এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে। ফলে নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। তবে চুপ করে নেই ভারতও। </body></HTML> 2019-08-23 17:53:33 1970-01-01 00:00:00 যেসব কারণে কাশ্মীরে গণহত্যার আশঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81208 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561187_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561187_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর ও দেশটির আসাম প্রদেশে গণহত্যা হতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন জেনোসাইড ওয়াচ। সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে এ নিয়ে বিস্তারিত জানিয়ে বলছে, কাশ্মীরে গণহত্যা সংক্রান্ত দশটি লক্ষণ এখন স্পষ্ট।<br>জেনোসাইড ওয়াচ মূলত গণহত্যা রোধে কাজ করে থাকে। তারা সামগ্রিক অনুঘটন বিশ্লেষণ করে গণহত্যা হতে পারে কি না তার অনুমান ও তা রোধ, বন্ধসহ দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনতে তৎপরতা চালায়। গণহত্যা প্রতিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক ওই সংস্থাটি আশঙ্কা করছে, কাশ্মীর ও আসামে গণহত্যা হতে পারে।<br><br>সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই সতর্কবার্তায় গণহত্যার লক্ষণ হিসেবে দশটি বিষয়ের উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলছে, কাশ্মীরের বর্তমান যে পরিস্থিতি তাতে করে নিকট ভবিষ্যতে যেকোনো সময় ওই দুই অঞ্চলে গণহত্যা চলানো হবে।<br><span style="font-weight: bold;"><br>কাশ্মীরে গণহত্যা সংক্রান্ত জেনোসাইড ওয়াচের দশ লক্ষণ</span><br><br>শ্রেণীকরণ : প্রথম লক্ষণটি হলো অপরায়নের রাজনীতি। হিন্দু ও শিখ নিয়ে গঠিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘আমরা’ বনাম কাশ্মীরের সাধারণ মুসলিমকে ‘তারা’ বলে চিহ্নিত করা। এই দুই ভাগের কারণে বিভেদ তৈরি করা হয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">ভিন্ন পরিচয় নির্মাণ :</span> গণহত্যা হওয়ার জন্য দ্বিতীয় যে পর্যায়টি সেটি হলো ভিন্ন পরিচয় নির্মাণ। কাশ্মীরের মুসলিমদের নামগুলো মুসলিম (পরিচয়পত্রে), তাদের আলাদা ভাষা এবং পোশাক রয়েছে। এ ছাড়া তাদের ধর্ম পালনের স্থান হলো মসজিদ।<br><br><span style="font-weight: bold;">বৈষম্য :</span> ১৯৯০ সাল পর্যন্ত কাশ্মীরে অর্থনৈতিকভাবে আধিপত্য ছিল হিন্দু পন্ডিতদের। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি হিন্দুদেরকে সেই ক্ষমতা পুনুরুদ্ধার করে দিয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">অমানবিকতা : </span>কাশ্মীরের মুসলিম জনগোষ্ঠীকে দেশটির সরকার থেকে শুরু করে গণমাধ্যম ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করে। তাদেও আরও কিছু পরিচয় হলো বিচ্ছিন্নতাবাদী, অপরাধী এবং সবচেয়ে বড় নেতিবাচক যে পরিচয় তা হলো ‘জঙ্গি’।<br><br><span style="font-weight: bold;">সংগঠন (সামরিক) :</span> ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ভারী অস্ত্রশস্ত্রসহ দেশটির প্রায় ৬ লাখ সেনাসদস্য সেখানে মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া তাদের মধ্যে সশস্ত্র পুলিশ রয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">মেরুকরণ : </span>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপি দেশটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের মধ্যে মুসলিম বিদ্বেষী ঘৃণা তৈরির কাজটি সুকৌশলে করে যাচ্ছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">প্রস্তুতি : </span>গোটা কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। যেকোনো মূল্যে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নেয়াকে ‘চূড়ান্ত সমাধান’ হিসেবে দেখছে বিজেপি নেতারা।<br><br><span style="font-weight: bold;">নিপীড়ন : </span>কাশ্মীরের মুসলিমদের খাঁচাবন্দী তথা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাদেরকে কোনো কারণ ছাড়াই মেরে ফেলা হচ্ছে। এ ছাড়া গ্রেফতার, ধর্ষণ এবং নির্যাতন তো অহরহই ঘটছে সেখানে।<br><br><span style="font-weight: bold;">বিধ্বংস :</span> ১৯৯০ সাল থেকে সেখানে ২৫টি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেসব হত্যাকাণ্ডে ২৫ জনেরও বেশি মুসলিম যোদ্ধা নিহত হয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">অস্বীকার : </span>কাশ্মীরের ‘ অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবাদ নির্মূ ‘ করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য বলে দাবি করছে নরেন্দ্র মোদি ও তার কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি। তারা কোনো হত্যার কথা স্বীকার করে না। তাদের দাবি, সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশ কেউই নির্যাতন, ধর্ষণ অথবা হত্যার চেষ্টাও করেনি।<br>গত ৫ আগস্ট কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে মোদি সরকার। ফলে কাশ্মীর এখন কেন্দ্র সরকারের সম্পূর্ণ ও সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। কিন্তু বেশ কিছু স্বায়ত্বশাসনের শর্তে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল কাশ্মীর। </body></HTML> 2019-08-23 17:51:23 1970-01-01 00:00:00 আবারও অস্ত্র প্রতিযোগিতার দ্বারপ্রান্তে বিশ্ব : রাশিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81207 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561036_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp; <img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566561036_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি পোলিয়নস্কি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার পর বিশ্ব নতুন করে আবারও অস্ত্র প্রতিযোগিতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। খবর পার্স ট্যুডে। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাশিয়া এবং চীনের অনুরোধে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। পোলিয়নস্কি বলেন, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র যে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে তার মধ্য দিয়ে এ কথা পরিষ্কার হয়েছে যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরুর বিষয়ে প্রস্তুত রয়েছে।<br><br>তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভূ-রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকে এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু করতে চায়। রাশিয়ার উপ-রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, এসব পদক্ষেপ আমাদের সবার জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ, তবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তা নয়। গত সোমবার মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তারা একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। এর আগে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র আইএনএফ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর এই প্রথম তারা এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো। </body></HTML> 2019-08-23 17:50:10 1970-01-01 00:00:00 চিদাম্বরমের গ্রেফতারের নেপথ্যে এক নারী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81206 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560968_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560968_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>আইএনএক্স মিডিয়া দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরাম পাঁচ দিনের সিবিআই রিমান্ডে আছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় চিদাম্বরামকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পি চিদাম্বররের এই সংকটের নেপথ্যে রয়েছে শ্রীঘরে বন্দি অন্যতম প্রভাবশালী নারী ব্যক্তিত্ব ইন্দ্রাণী মুখার্জি। আইএনএক্স মিডিয়া দুর্নীতি কাণ্ড ও ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় আইএনএক্স মিডিয়ার অন্যতম দুই প্রোমোটার ছিলেন ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় ও তার স্বামী পিটার। আর্থিক তছরুপের দায়ে তাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক অভিযোগ। আর আইএনএক্স মিডিয়ার অর্থ জালিয়াতি মামলায় এই ইন্দ্রাণী মুখার্জির বয়ানেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা বিপাকে ফেলে দেয় প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী চিদাম্বরমের মতো কংগ্রেস নেতাকে।<br><br>ইন্দ্রাণীর দেয়া তথ্য আদালতে পেশ করেছে ইডি। সেই তথ্য অনুযায়ী, আইএনএক্স মিডিয়ার দুজন প্রোমোটার ও একজন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ তৎকালীন অর্থমন্ত্রী চিদাম্বরমের দ্বারস্থ হন। সেই সময় বিদেশি অর্থ বিনিয়োগের বিষয়ে তারা দেখা করেন চিদাম্বরমের সঙ্গে। প্রসঙ্গত, যে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে চিদাম্বরমের সঙ্গে তাদের কথা হয়, সেই আর্থিক লেনদেন এফআইপিবি খারিজ করেছিল আগেই। ইন্দ্রাণী জানিয়েছেন, সেই লেনদেনের বিষয়টিতে সেই সময় ছাড়পত্র দিয়ে দেন চিদাম্বরম। তবে শর্ত আরোপিত হয় যে, চিদাম্বরমের ছেলে কার্তীকে তাদের ব্যবসায় জায়গা করে দিতে হবে। তবে আর্থিক লেনদেনের মূল অঙ্ক জানাননি ইন্দ্রাণী। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য চিদাম্বরামকে বৃহস্পতিবার সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরপর পি তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চায় সিবিআই। পরে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন চিদাম্বরমের স্ত্রী নলিনী ও পুত্র কার্তি।<br><br>চিদাম্বরামকে গ্রেফতারের পর সিবিআই ভবনের লক-আপ স্যুট-৩তে রাখা হয়েছে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি সে সময় সিবিআই ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনোমোহন সিংকে সঙ্গে নিয়ে এই ভবনের লক-আপের সুবিধাগুলো পরিদর্শন করেছিলেন। চিদাম্বরমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী থাকাকালীন ২০০৭ সালে বিদেশ থেকে ৩০৫ কোটি টাকার তহবিল পাওয়ার জন্য আইএনএক্স মিডিয়াকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন। এর বিনিময়ে ছেলে কার্তি চিদাম্বরমের সংস্থাকে বিরাট অঙ্কের ঘুষ দেয় আইএনএক্স মিডিয়া। তিনি অতীতে বিভিন্ন সময় অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পেনশনবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচিত হয়েছিলেন নিম্নকক্ষ লোকসভার সদস্য হিসেবেও। </body></HTML> 2019-08-23 17:48:54 1970-01-01 00:00:00 স্বর্ণখনিতে আটকে গেল হাতির পাল… http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81205 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560887_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560887_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মালয়েশিয়ায় পরিত্যক্ত একটি স্বর্ণখনিতে আটকে পড়েছিল পাঁচটি হাতি। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও পারছিল না। তারপর দেশটির ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষের প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করা হয় আটকে পড়া হাতিদের। গত মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে মালয়েশিয়ার পাহাং প্রদেশে। পাহাংয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়াইন্ড লাইফ অ্যান্ড ন্যাশনাল পার্কের পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন এই ঘটনার সতত্য নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে দেশটির গণমাধ্যমে। পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘গত মঙ্গলবার সকালে স্বর্ণখনির ভেতর হাতিদের আটকে পড়ার খবর আসে আমাদের কাছে। তারপর আমাদের কর্মকর্তারা সেখানে পৌঁছায়। প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করা হয় হাতিগুলোকে।’<br><br>সরকারি ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, আটকে পড়া হাতিদের মধ্যে চারটি ছিল পূর্ণবয়স্ক এবং অপরটি বাচ্চা হাতি। আহত ওই হাতিগুলোকে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। হাতিগুলো সব রকমের আশঙ্কামুক্ত। মালয়েশিয়ার বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা হয়। এরপরই তা ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি শেয়ার করেছেন দশ হাজারেরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী। </body></HTML> 2019-08-23 17:47:42 1970-01-01 00:00:00 এখনই জাকির নায়েককে ভারতে পাঠাবে না মালয়েশিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81204 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560536_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560536_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>এখনই জাকির নায়েককে ভারতে পাঠাবে না মালয়েশিয়া। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ জাকির নায়েকে ফেরত না পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। খবর স্ট্রেইট টাইমস।<br>বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে মাহাথির মোহাম্মদ বলেন, এখনও পর্যন্ত আমি আমার অবস্থান বদলাইনি। জাকির নায়েককে তার দেশে ফেরত পাঠানো হবে কীনা সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে এমন মন্তব্য করেন মাহাথির মোহাম্মদ।<br>সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ায় বেশ বিপাকে রয়েছেন ভারতীয় ধর্ম প্রচারক ও বক্তা জাকির নায়েক। ইতোমধ্যেই দেশটির সব প্রদেশে তার ধর্মীয় বক্তব্য প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।<br>প্রায় তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন জাকির নায়েক। সেখানে তাকে স্থায়ী নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নিজের বক্তব্যের কারণে তাকে মালয়েশিয়া থেকে ভারতের ফেরত পাঠানোর দাবি উঠেছে।<br>অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত এবং জাতিগত বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন বলে জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে ১১৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।<br>জাকির নায়েক সম্প্রতি এক ধর্মীয় বক্তৃতায় বলেন, ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিমদের চেয়ে মালয়েশিয়ার সংখ্যালঘু হিন্দুরা ১০০ গুণ বেশি অধিকার ভোগ করে। প্রসঙ্গত, মালয়েশিয়ার ৬০ শতাংশ মুসলিম বাদে বাকি ৪০ শতাংশ মানুষের অধিকাংশই চীনা ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এছাড়াও তিনি বলেন, সেখানকার চীনা বংশোদ্ভূত নাগরিকদের দেশে ফিরে যাওয়া উচিত।<br>সংখ্যালঘুদের নিয়ে এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জাকির নায়েক। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, তার বক্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। জাকির নায়েক বলেন, প্রকৃতপক্ষে তিনি মোটেও বর্ণবাদী নন। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন যে, তার সমালোচকরা তার বক্তব্যকে ভুলভাবে নিয়েছেন এবং তার বক্তব্যে মনগড়া কথা যোগ করা হয়েছে।<br>তিনি বলেন, যদিও আমি আমার বক্তব্য পরিষ্কার করেছি। কিন্তু তবুও আমার কথায় যদি কেউ কষ্ট পেয়ে থাকেন তবে তার জন্য আমি ক্ষমা চাচ্ছি। এখানে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমি কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না।<br>এ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মালয়েশিয়ার ফেডারেল পুলিশ। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার পর কুয়ালামপুরে ফেডারেল পুলিশ সদর দফতরে তাকে তৃতীয়বারের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। </body></HTML> 2019-08-23 17:41:57 1970-01-01 00:00:00 যৌবনে বিখ্যাত পর্ন তারকা এখন থাকার ঘরও নেই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81203 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560496_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560496_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিশ্বের নামিদামি পর্ন তারকাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। এখন অবশ্য অভিনয় ছেড়েছেন। তারপরও এ বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে পর্ন তারকাদের মধ্যে বিশ্বে ১১৯তম তিনি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী এখন গৃহহীন, বাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে আন্ডারগ্রাউন্ডে। সেখানে বাসাবাড়ির ব্যবহৃত পানি কিংবা বর্ষার মৌসুমে পানি সরে যাওয়ার জন্য নির্মিত টানেলের একটিতে তার ঠাঁই হয়েছে। তার নাম জেনি লি। আসল নাম স্টেফানি সাদোরা। তিনি এখন লাস ভেগাসের ওই টানেলেই বাস করছেন। বৃষ্টি এলে টানেলের ভেতর পানি জমে যায়। তারপরও সেখানেই মাথা গুঁজে পড়ে আছেন এক সময়ের জনপ্রিয় এই পর্ন তারকা। টানেলে একাই থাকেন না জেনি লি। সেকানে আরও প্রায় ৩০০ গৃহহীন মানুষ বসবাস করেন। তাদের অনেকেই মাদকাসক্ত। তবে জেনি লিও মাদকাসক্ত কিনা তা জানা যায়নি। এরই মধ্যে সেখানে বেশকিছু মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন তিনি। নেদারল্যান্ডসের একটি সংবাদভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের কাজে গত জুলাইয়ে ওই টানেলে যান একজন সাংবাদিক। তারা টানেল নেটওয়ার্ক নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করছিলেন। এ সময় ওই সাংবাদিকের চোখে পড়েন জেনি লি। এরপর তার সাক্ষাৎকার নেন। এ সময় নিজের পরিচয় দেন জেনি লি। ওই সাংবাদিক বলেন, পর্ন ছবির জগতে যে দাপুটে জেনি লিকে দেখা গেছে, এখন তাকে দেখে চেনা মুশকিল। তার শরীর ভেঙে গেছে। আগের মতো কোনো চাকচিক্য নেই। তবে তিনি নিজেই এক সময়ের জনপ্রিয় পর্ন তারকা জেনি লি বলে পরিচয় দিয়েছেন। বলেছেন, পর্ন জগতে আমি বেশ খ্যাতি পেয়েছিলাম। সেটা হয়তো অনেকটা বিখ্যাতদের চেয়ে বেশি কিছু ছিল। আরটিএল-৫ নামের একটি চ্যানেলে ওই প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়েছে। এতে জেনি লি’কে বলতে শোনা গেছে, এক সময়ে এতটাই উত্তেজনা সৃষ্টিকারী ছিলাম যে, এখনও কোনো কোনো তালিকায় শীর্ষ ১০০ পর্ণ তারকার মধ্যে আমার নাম থাকা উচিত। জেনি লির আসল বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের টিনেসির ক্লার্কসভিলে। তিনি কতদিন এভাবে গৃহহীন হয়ে টানেলে পড়ে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কীভাবে তিনি ওই টানেলে আশ্রয় নিলেন তাও পরিষ্কার নয়। <br>সেখানে পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। তা সত্ত্বেও সেখানে বসবাস করে খুব খুশি তিনি।<br>জেনি লি বলেন, এখানকার মানুষ একে অন্যকে খুব আপন করে নিয়েছে। তবে এখানে বসবাস করা যতটা কঠিন বলে মনে হচ্ছে ততটা কঠিন নয়। এখানে সবাই একে অপরকে সম্মান করে। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের সম্পর্ক বেশ ভালো। আমি খুব সুখী। কারণ, আমার যা প্রয়োজন তার সবটাই আছে এখানে। অন্ধকার এই টানেলে আসার কারণে তিনি কিছু খাঁটি বন্ধু খুঁজে পেয়েছেন বলে জিনি লির বিশ্বাস।<br>এখনও পর্ন বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে তার সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার। ১৯ বছর বয়সে মডেলিং শুরু করেছিলেন তিনি। তারপর কিছু টিভি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। ২১ বছর বয়সে প্রথম পর্ন ছবিতে অভিনয় করেন জেনি লি।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 17:41:18 1970-01-01 00:00:00 কোহলি-রোহিতদের খুন করবে ১৯ বছরের তরুণ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81202 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560345_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560345_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাঠের সময়টা দারুণ কাটছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের। স্বাগতিকদের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে তারা পেয়েছে সহজ জয়। কিন্তু মাঠের বাইরে যেন স্বস্তি নেই বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের। কেননা একের পর হত্যার হুমকি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে তাদের।<br>গত কয়েকদিন আগেই কোহলি-রোহিতদের ওপর সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার গোপন তথ্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সে তথ্যের ভিত্তিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ভারতের ভারতের নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেয়া হয় কয়েকগুণে। এবার সে ঘটনার রেশ কাটার আগেই নতুন করে হুমকি পেলেন কোহলি-রোহিতরা। শুধু কোহলি-রোহিতদের কথা বললে ভুল হবে, পুরো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সবাইকেই খুন করার হুমকি দিয়েছে ১৯ বছরের এক তরুণ। বিসিসিআইকে করা এক মেইলের মাধ্যমে পুরো বোর্ডের সবাইকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে আসাম রাজ্যের ১৯ বছর বয়সী ব্রিজ মোহন দাস। তার এ হুমকিটিকে মোটেও হালকাভাবে নেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তারা সঙ্গে খবরটি জানায় মহারাষ্ট্র এন্টি টেরোরিজম স্কোয়াডকে (এটিএস)। হুমকিটি বেনামে দেয়া হলেও, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মোহন দাসের বৃত্তান্ত বের করে আনে এটিএস। পরে ভারতীয় ক্রিকেটারদের হত্যার হুমকি দেয়ার অপরাধে তাকে গ্রেফতার করেছে আসাম রাজ্য পুলিশ। আরও তদন্তের পর জানা যায়, শুধু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেই নয়, এমন বেনামে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডেও উড়ো হুমকি বার্তা পাঠিয়েছেন মোহন দাস। যে কারণে এ কেসটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েই দেখছে মহারাষ্ট্র এটিএস। মোহন দাসের বৃত্তান্ত খুঁজতে গিয়ে জানা গিয়েছে, ১৯ বছর বয়সী এ তরুণ আসাম রাজ্যের মরিগাওতে শান্তিপুরের বাসিন্দা। মোহন দাসের বিরুদ্ধে ভারতীয় পেনাল কোডের ৫০৬ এর ২ এবং ৫০৯ এর ধারায় মামলা করা হয়েছে।<br> and nbsp;এছাড়া ১৯৩২ সালের ক্রিমিনাল ল এর ৭ এর ধারায়ও অভিযুক্ত রয়েছেন তিনি। আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখা হবে মোহন দাসকে। এরপর নেয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। </body></HTML> 2019-08-23 17:38:50 1970-01-01 00:00:00 হকির দ্বিতীয় ম্যাচেও ৬ গোলে হেরেছে বাংলাদেশের মেয়েরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81201 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560305_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560305_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ ও ভারতের জাতীয় হকি একাডেমির মেয়েদের মধ্যে অভিজ্ঞতার পার্থক্য অনেক। ভারতের মেয়েরা তিন বছর ধরে অনুশীলন করছে একাডেমিতে, বাংলাদেশের মেয়েদের প্রস্তুতি মাত্র তিন মাসের। দুই দেশের মেয়েদের মাঠের লড়াইয়েও পরিস্কার ফুটে উঠেছে পার্থক্যটা। বাংলাদেশের মেয়েরা ৬ ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি হেরেছিল ৬-০ গোলে, আজ (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় ম্যাচের ফলও তাই। অতিথি মেয়েরা সিরিজে এগিয়ে গেলো ২-০ ব্যবধানে।<br>প্রথম ম্যাচের পর মেয়েদের প্রধান কোচ তারিক-উজ্জামান নান্নু বলেছিলেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের মেয়েরা ভালো ফলাফল করতে পারবে ঠিক তা নয়। তবে আমাদের লক্ষ্য থাকবে পারফম্যান্সের উন্নতি।’<br>দ্বিতীয় ম্যাচে সেটা দেখা গেছে। প্রথম দিনের তুলনায় এ ম্যাচে স্টিকের কারুকাজ একটু ভালো ছিলো লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের। হার, হারের ব্যবধান- এসব দিয়ে নতুন এই মেয়েদের তুলনা করা যাবে না। বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফের কেউ সেটা করছেনও না। বরং দুই ম্যাচে ১২ গোল খাওয়ার পরও তাদের চোখেমুখে কিছুটা আশার আভা। কারণ, মেয়েদের হকি কেবলতো শুরু আমাদের।<br>প্রথম ম্যাচে ভারতীয় মেয়েদের প্রথম কোয়ার্টারে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশের কিশোরীরা। দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য সফরকারী দলটি এগিয়ে যায় প্রথম কোয়ার্টারেই। ৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন ভারতের সাকশি।<br>তবে ভারতীয় একাডেমি দলটি ম্যাচটি নিজেদের করে ফেলে মধ্য বিরতির আগের ৫ মিনিটে। ২৫, ২৭ ও ২৯ মিনিটে তিনটি গোল করে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় তারা। দ্বিতীয়ার্ধে করে আরো দুই গোল। </body></HTML> 2019-08-23 17:37:54 1970-01-01 00:00:00 আর্চারের গতিতে উড়ে গেল অস্ট্রেলিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81200 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560252_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560252_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ফর্মে থাকা স্টিভেন স্মিথের অবর্তমানে গুরুদায়িত্ব বর্তেছিল ডেভিড ওয়ার্নারের কাঁধে। আগের দুই ম্যাচে হতাশ করা ওয়ার্নার, প্রথম ইনিংসে ৬১ রানের ইনিংস খেলে অন্তত পাসমার্ক পেয়েছেন। কম যাননি স্মিথের বদলে খেলতে নামা মার্নাস লাবুসচাগনে, করেছেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৪ রান। এ দুজন মিলে আবার তৃতীয় উইকেটে যোগ করেছেন শতাধিক রান। তবু স্কোরবোর্ড জানান দিচ্ছে অ্যাশেজের তৃতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭৯ রানেই অলআউট হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া। অবাক হচ্ছেন? এক জুটিতেই শতাধিক রান এলে, দল কীভাবে অলআউট হয় মাত্র ১৭৯ অবাক হওয়ার মতোই কাণ্ড। আর এ ঘটনার মূল হোতা ইংল্যান্ডের ক্যারিবীয় বংশোদ্ভূত পেসার জোফরা আর্চার। লর্ডস টেস্টে তার বাউন্সারে পরাস্ত হয়েই হেডিংলি টেস্ট থেকে ছিটকে গেছেন স্মিথ। ম্যাচ শুরুর আগে অসিদের অর্ধেক শক্তি কমিয়ে দেয়া আর্চার, ম্যাচেও দেখিয়েছেন তাণ্ডব। তার গতির ঝড়েই মূলত ৫২.১ ওভারেই গুটিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।<br>বৃষ্টি আর আলোছায়ার লুকোচুরি খেলায় হেডিংলি টেস্টের প্রথম দিন দুই সেশনও পুরোপুরি খেলা হয়নি। এরই মধ্যে মাত্র ৫২.১ ওভার বোলিং করে সফরকারীদের অলআউট করে দিয়েছে ইংল্যান্ড। লর্ডসে নিজের অভিষেকে দুই ইনিংস মিলে ৫ উইকেট নেয়া আর্চার, এ ম্যাচের প্রথম ইনিংসেই নিয়েছেন ৬টি উইকেট, বিনিময়ে খরচ করেছেন মাত্র ৪৫ রান। আর্চারের সঙ্গে স্টুয়ার্ট ব্রড ২ এবং ক্রিস ওকস ও বেন স্টোকসরা নেন ১টি করে উইকেট। আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের পুরোটা খেলা হয়নি। যে কারণে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামেনি ইংল্যান্ড।<br>মেঘাচ্ছন্ন কন্ডিশনে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২৫ রানেই ওপেনার মার্কাস হ্যারিস (৮) ও টপঅর্ডার উসমান খাজার (৮) উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় উইকেটে ১১১ রানের জুটি গড়েন ওয়ার্নার ও লাবুসচাগনে। দলীয় ১৩৬ রানের মাথায় ৬১ রান করে ফেরেন ওয়ার্নার।<br> and nbsp;এরপরই মোড়ক লাগে ইনিংসে।<br>মাত্র ৪৩ রানে শেষের ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। স্মিথের মতোই নিসঙ্গ অশ্বারোহী হয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন লাবুসচাগনে। এ দুজনের ফিফটি ব্যতীত দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন কেবল অধিনায়ক টিম পেইন, তাও আউট হয়েছেন মাত্র ১১ রান। বাকি ৮ ব্যাটসম্যানই ফিরেছেন সিঙ্গেল ডিজিটে। তিনজন আবার পারেননি রানের খাতাই খুলতে।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 17:37:17 1970-01-01 00:00:00 সেই রাহানের ব্যাটেই ভারতের স্বস্তি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81199 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560230_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560230_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না ভারতের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান আজিঙ্কা রাহানের। টেস্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে দলে জায়গা পেলেও, সাদা পোশাকের এ ক্রিকেটে সবশেষ সেঞ্চুরি করেছেন দুই বছরেরও বেশি সময় আগে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সে সেঞ্চুরির পর আরও ১৭ ম্যাচে ২৮ ইনিংস খেলে মাত্র ২৫ গড়ে করেছিলেন ৬৯৬ রান। হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন মাত্র ৫ বার।<br>তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি সিরিজটা একপ্রকার শেষ সুযোগই ছিলো তার জন্য। ভারতের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও বলাবলি করছিলেন, প্রয়োজনের সময়ে ব্যাটকে ঢাল বানাতে ব্যর্থ হলে আর নেয়া হবে না রাহানেকে। তাদের সবাইকে কী দারুণ জবাবই না দিলেন মহারাষ্ট্রের ৩১ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যান।<br>অ্যান্টিগায় দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ক্যারিবীয় পেসের সামনে রীতিমতো অসহায় বনে গিয়েছিল ভারতের টপঅর্ডার। এমনকি দুই অঙ্কে পেতে পারেননি বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যাটিং জিনিয়াস বিরাট কোহলিও। সেখানে নিজের ব্যাটকে ঢাল বানিয়ে লড়ে গেছেন রাহানে, স্বস্তি এনে দিয়েছেন ড্রেসিংরুমে।<br>বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনে খেলা হয়েছে ৬৮.৫ ওভার। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে এ সময়ের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করতে সক্ষম হয়েছে ভারত। এ রানও হয়তো তারা পেত না, যদি না কেমার রোচ-শ্যানন গ্যাব্রিয়েলদের বিপক্ষে একাই লড়ে যেতেন রাহানে।<br> and nbsp;ক্যারিয়ারের ১৮তম অর্ধশতকে তিনি করেছেন ৮১ রান।<br>রোচ আর গ্যাব্রিয়েলের পেসে কুপোকাত হয়ে মাত্র ২৫ রানেই সাজঘরে ফিরে যান তরুণ ওপেনার মায়াঙ্ক আগারওয়াল (৫), টেস্ট স্পেশালিস্ট চেতেশ্বর পুজারা (২) এবং অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৯)। চতুর্থ উইকেটে আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুলকে নিয়ে ৬৮ রানের জুটি গড়েন রাহানে। রাহুল ফিরে যান ব্যক্তিগত ৪৪ রানের মাথায়।<br>এরপর হানুমা বিহারীর সঙ্গে আরও একটি কার্যকরী জুটি গড়েন রাহানে। যেখানে ভারতের সংগ্রহে যোগ হয় ৮২ রান। এর মধ্যে বিহারীর অবদান ৩২। দলীয় ১৭৫ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে ফিরে যান রোহিত শর্মাকে বাইরে রেখে সুযোগ পাওয়া বিহারী। ততক্ষণে নিজের ফিফটি তুলে নিয়েছেন রাহানে।<br>কিন্তু দিনটি শেষ করে আসতে পারেননি তিনি। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের ভেতরে ঢোকা বলে ইনসাইড এজ হয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি। আউট হওয়ার আগে ১৬৩ বলে খেলেন ৮১ রানের ইনিংস। দিনের শেষ অংশটা কাটিয়ে দেন রিশাভ পান্ত (২০) ও রবিন্দ্র জাদেজা (৩)।<br><br><br></body></HTML> 2019-08-23 17:33:52 1970-01-01 00:00:00 ইতিহাসে মেসির নামটি ‘সর্বকালের সেরা’ হিসেবে থাকবে না! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81198 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560000_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566560000_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ফুটবলের জন্য কি করা আর বাকি আছে লিওনেল মেসির! বলতে গেলে সম্ভাব্য সব শিরোপাই জিতেছেন ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে। তার পায়ের কারুকার্য, রেকর্ড-সব কিছু বিবেচনায় আর্জেন্টাইন খুদেরাজকে অনেকেই ‘সর্বকালের সেরা’ হিসেবে মানেন। অনেকেই মনে করেন-অবসরের পর মেসি থাকবেন পেলে, ম্যারাডোনার কাতারেই।<br>তবে এমনটা মানতে নারাজ রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ম্যানেজার হোসে অ্যান্তোনিও কামাকো। সাবেক লস ব্লাঙ্কোস বস মনে করেন, মেসিকে কেবল তখনই সর্বকালের সেরা মানা যাবে, যদি তিনি ফিফা বিশ্বকাপ জিততে পারেন।<br>স্প্যানিশ গণমাধ্যম ‘এল মুন্দো’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কামাকো মেসিকে নিয়ে বলেন, ‘তিনি খুব ভালো একজন খেলোয়াড়। তবে ইতিহাসে আপনি বিশ্বের সেরা হিসেবে থাকতে পারবেন না, যদি না বিশ্বকাপ জিততে পারেন।’<br>অন্য দেশের হয়ে কিংবদন্তি হওয়া আর আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি হওয়ার মধ্যে কি পার্থক্য, সেটাও আলাদা করে দিলেন কামাকো। সাবেক রিয়াল কোচ বলেন, ‘বিশ্ব ফুটবলে এমন অনেক দেশ আছে যারা ঐতিহ্যগত দিক থেকে পিছিয়ে। অন্য দেশগুলোর জন্য হয়তো বড় অর্জন বলতে শুধু বিশ্বকাপ জেতাকেই বোঝায় না। তবে আর্জেন্টিনা অনেক বড় দল। তাই বিশ্বকাপ না জিততে পারলে মেসি কখনই সেরা হবে না। আপনার চাওয়ার সেরাটা এই বিশ্বকাপই এবং আর্জেন্টাইনরা সবসময় এটাই চায়।’<br>ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে শিরোপার পর শিরোপা জিতেছেন মেসি। কিন্তু আর্জেন্টিনাকে বলার মতো একটি বড় আসরেও সাফল্য এনে দিতে পারেননি। বিশ্বকাপে তার সেরা সাফল্য ২০১৪ সালে ফাইনাল খেলা, যেখানে অতিরিক্ত সময়ে জার্মানির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় আলবিসেলেস্তেদের।<br><br> </body></HTML> 2019-08-23 17:31:26 1970-01-01 00:00:00 অভিনেত্রীদের খোলা বুক ও নগ্ন শরীর যখন পণ্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81197 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566559341_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566559341_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>কয়েক বছর আগে অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের একটি মন্তব্য বিস্ফোরণ হয়েছিল যেন। একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে বলেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি একজন মহিলা। আমার স্তন আছে এবং ক্লিভেজও। আপনাদের কী সমস্যা?’<br>সেই সময় দীপিকার মন্তব্যের সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন অন্য তারকারাও। অনেকেই তার সেই টুইটকে রিটুইট করেছিলেন। বাংলাদেশের অনেক অভিনেত্রীও সেই মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।<br>কিন্তু শরীর নিয়ে সবার বাড়তি মনোযোগ ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দূর হয়নি। দূর হচ্ছে না। এই তথাকথিত ‘গ্লোবাল’ নেট দুনিয়ায় বরং অভিনেত্রীদের হেনস্তার শিকার হতে হয় অনেক সময়। চলে নানা ধারার কুরুচিকর মন্তব্য। এখানে একজন অভিনেত্রীর স্বাধীনতাকে পণ্যের মতোই বিক্রি করা হয়। নানাভাবে।<br>অভিনেত্রীদের শরীর যেন একটা ব্র্যান্ড। যাকে নানাভাবে বিক্রি করে ভোগবাদের দুনিয়া। সেটা যেমন বিনোদনে তেমনি রাজনীতি-ধর্মীয় ব্যবসায়ও। তাদের মাধ্যম হিসেবে এগিয়ে রয়েছে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক।<br>এ নিয়ে সম্প্রতি কলকাতার বেশ ক’জন অভিনেত্রী মুখ খুলেছেন আনন্দবাজার অনলাইনের কাছে। সেখানে আছেন সুচিত্রা সেনের যোগ্য উত্তরসূরি রাইমা সেনও। সম্প্রতি গোল টিপ, শাড়ি, নিদেনপক্ষে লং গাউনের বাইরে এসে খোলামেলা পোশাকে সম্মোহনের ভাষা বদলে দিচ্ছেন তিনি। প্রায়ই ইনস্টাগ্রাম আর ফেসবুকে খোলামেলা ছবি দেখা যায় তার। ছোট পোশাক বা ক্লিভেজের উদাত্ত আবেগকে নানা ছবিতে তুলে ধরছেন রাইমা।<br>কেন? তার জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে নিজেকে একটু বদলাতে চেয়েছি আমি। এই বদল চারপাশের বদলে যাওয়া জীবনের জন্য। সিনেমায় যে ধারার চরিত্র করে আসছি, মনে হচ্ছিল একটু টাইপকাস্ট হয়ে যাচ্ছি। এরকম ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডের পর মুম্বাই থেকে অনেক কাজ পাচ্ছি।<br>আসলে একজন অভিনেত্রীর চেহারাকে বার বার ভাঙতে হয়। আমি এখন ভাঙতে ভাঙতে নিজের শরীরকে নতুন করে আবিষ্কার করছি। আমার শরীর নিয়ে অন্যরকম কথা শুনব কেন? যা করছি ঠিক করছি।’<br>নায়িকার খোলামেলা পোশাক দেখলেই তার ছবিতে ইচ্ছেমতো ঝাঁপিয়ে পড়ে কমেন্ট করতে থাকে সমাজের নানা মুখ। অনেক সময় চলে পরিবার নিয়ে গালাগালিও। পাশাপাশি নায়িকাদের খোলামেলা ছবিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয় গণমাধ্যমেও। এমনটাই মনে করেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।<br>তার মতে, ‘দেখুন, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের হট ছবি বা ক্যাটরিনা কাইফের গাউন সরে গেল...দেখুন’- এমন শিরোনামে নিউজ করা হচ্ছে আজকাল। কী করে আজও কারও ক্লিভেজ, খোলা পিঠ, নগ্ন পা খবর হতে পারে? আমার তো মাথায় ঢুকে না। আসলে এখানে নারীদের শরীরটাকে পণ্য হিসেবেই দেখানো হয়।’<br>এক সময় আনন্দবাজারের জন্য এক্সক্লুসিভ বিকিনি শুট পরে তিনি সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন। তিনি যদিও মনে করেন না, বিকিনি শুট বা খোলামেলা পোশাক কোনো অভিনেতার সাহসের পরিচয় তৈরি করে।<br>অনেকেই মনে করেন স্তন, ক্লিভেজ, নায়িকার পোশাকের চর্চা কাজের চেয়ে বেশি হয় আজও। ‘বিয়েওয়ালা’ আর ‘একা’ নায়িকার মান নির্ণয় হচ্ছে আলাদা করে। এ বিষয় নিয়ে মিডিয়া স্টোরি করলে বলা হচ্ছে, ‘এদের খেয়ে দেয়ে কাজ নেই, নষ্ট মেয়েদের নিয়ে স্টোরি করছে!’<br>কিন্তু দেখছে বা পড়ছে কারা? কোন দেশের মানুষ? যারা জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছেন তারাই কিন্তু এগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন ও পড়ছেন। এরাই সেই লোক যারা বাড়ির বউ জিন্স পরলে কটূক্তির বাণে তাকে আত্মহত্যার পথ দেখান। আর নায়িকার বেলায় পোশাক যতো ছোট হয় ততো উপভোগ্য মনে করেন- এমনটাই মনে করেন আরেক অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা।<br>ইনস্টাগ্রাম থেকে ফেসবুকে তার অসংখ্য ফলোয়ার। তিনি ছবিও দেন বেশ খোলামেলা। তার ভাষ্য, ‘আমি নিজেকে দেখি। এ ধরনের শুট করতে ভালোবাসি। যুগ বদলের সঙ্গে আর্টিস্টকেও বদলাতে হবে। এখন দর্শক তাদের অভিনেত্রীকে শুধু শাড়িতেই দেখবে, এটা ভাবা ভুল। সোশ্যাল মিডিয়া কন্টাক্ট তৈরি করে। আমি এ মাসে কেমন দেখতে হলাম সেটা এই শুটের মধ্যে দিয়ে জানাতে চাই। আমার শরীরকে আমার ভালোলাগা অনুযায়ী তুলে ধরি। এতে ভালো-মন্দের কিছু থাকবে কেন? যাদের পছন্দ হবে না তারা দেখবে না। হয়ে গেল।’<br>তিনি মনে করেন, একেকটা পোশাকে একেরকম দেখতে লাগার যে আনন্দ এটাই উপভোগ করছেন অভিনেত্রীরা যুগে যুগে। জিনাত আমান থেকে শর্মিলা ঠাকুর বা মধুবালা, নিজের সৌন্দর্য বা ক্লিভেজ প্রকাশের মাধুর্য তুলে ধরেছেন। কিন্তু এই মুক্তির স্বাধীনতা পছন্দ নয় পিতৃতন্ত্রের!<br>এ বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন দর্শনা বণিকও। এই তরুণ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কখনও মনে হয় না যে একটা সেক্সি ছবি তোলার জন্য শুট করছি। ছবিকে সেক্সি করে তোলা আমার কাজ নয়। আমার ফিটনেস, সব ধরনের পোশাক ক্যারি করতে পারি, এটাই আমি দেখাতে চাই। and nbsp; এখনও বিকিনি পরিনি। তবে সুইমিংপুলে গেলে তো আর শাড়ি পরব না। আমি সুইমিং কস্টিউম পরেই নামব। আমার আত্মবিশ্বাস আছে যে আমায় দেখতে ভালো লাগবে। তাহলে ছবিও পোস্ট করব। এটা স্বাভাবিক। এখানে এক্সপোজারের গল্প নেই! এভাবে আজও কেন ভাবা হবে?’ </body></HTML> 2019-08-23 17:22:03 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে দুটি মন্দিরের দানবাক্সর তালা ভেঙে টাকা চুরি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81196 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566556066_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566556066_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের সেনের খিল গ্রামের শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রম ও নতুন বাজার কালি মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাত চোরেরা দানের টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই মন্দিরে চুরি হওয়া টাকার পরিমাণ আনুমানিক এক হাজার টাকা। শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রমের সভাপতি সমীর চন্দ্র দে and nbsp; বাদী হয়ে অজ্ঞাত চোর বা চোরদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার বিকেলে মামলা দায়ের করেছেন। সোনাগাজী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সময় দাস ও মামলার বাদী সমীর চন্দ্র দে জানান, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে কে বা কারা শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ সেবা আশ্রম মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে মানুষের দানের ৩০০-৪০০ এবং একই কায়দায় নতুন বাজার কালি মন্দিরের দান বাক্সের তালা ভেঙে ৫০০-৬০০ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ জানান, এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। </body></HTML> 2019-08-23 16:25:24 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে ইয়াবাসহ শহিদ ও মাদক ব্যবসায়ী আলফাজ গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=81195 http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566555870_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/08/22/1566555870_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীতে ইয়াবা সহ ১৬ মামলার পলাতক আসামী মোঃ শহিদুল্লা মজুমদার শহিদ (৪৫) ও ৫ মামলার পলাতক আসামী মাদক ব্যবসায়ী মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রনজিত কুমার বড়ুয়া জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ফেণী শহরের সুলতানপুরস্থ সাইমুম গার্ডন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০৪ পিস ইয়াবা সহ পলাতক আসামী মোঃ শহিদুল্লা মজুমদার শহিদকে গ্রেপ্তার করে। শহিদ জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার বাঁশপাড়া এলাকার নূর আহম্মদ চেয়ারম্যান বাড়ীর অহিদুর রহমান মজুমদারের ছেলে। গ্রেপ্তার শহিদ ১৬ মামলার পলাতক আসামী। তাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলো পুলিশ। এদিকে একই রাতে একাধিক মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পলাতক আসামী মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে ২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে and nbsp; ২০ পিস ইয়াবা মোঃ আলফাজ উদ্দিন রিফাতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে ওই এলাকার ঈদ গা বড় বাড়ীর করিমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতি ৫টি মামলা রয়েছে। সে দীর্দিন ধরে পলাতক ছিলো। ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায়া আসামীর বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা দায়ের করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2019-08-23 16:23:16 1970-01-01 00:00:00