http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ছেলের ইচ্ছে পূরণে ইংল্যান্ডে গিয়ে কৃতিত্ব দেখলেন সাকিবের বাবা-মা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78728 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435755_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435755_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্ব বিখ্যাত অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের বাবা-মা খেলা দেখতে কখনো স্টেডিয়ামে যান না। তবে এবার ছেলের ইচ্ছে পূরণে পাড়ি জমালেন ইংল্যান্ডে। ১৯ জুন দেশটিতে পৌঁছান তারা। এবার গ্যালারিতে বসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচটি উপভোগ করেছেন সাকিবের বাবা-মা। ম্যাচটিতে ব্যাট আর বলে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে অসংখ্য রেকর্ডও গড়েছেন সাকিব। ব্যাট হাতে ৫১ রান করার পাশাপাশি, বল হাতে ৫ উইকেট।<br><br>ম্যাচটিতে বাবা-মা সাকিবের বিশেষ অনুপ্রেরণার কারণ হতেই পারেন। সাকিব আল হাসানের বাবা মসরুর রেজা বলেন, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে আমার ছেলে বাংলাদেশের কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। তার মা বলেন, আমার ছেলে দারুণ খেলছে। আশা করি ও পরবর্তী ম্যাচগুলোতেও বেশ ভালোভাবেই পারফর্ম করবে। </body></HTML> 2019-06-25 10:08:18 1970-01-01 00:00:00 টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন মানব পাচারকারী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78727 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435586_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435586_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতরা মানবপাচার মামলার পলাতক আসামি। মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে টেকনাফ মডেল থানার মহেশখালিয়া পাড়া নৌকাঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৩টি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ১৫ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ ও ২০টি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানা পুলিশের ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। নিহতরা হলেন, কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং নয়াপাড়ার গোলাপাড়ার আবদুর শুক্কুরের ছেলে কোরবান আলী (৩০), টেকনাফ পৌরসভার কে কে পাড়ার আলী হোসেনের ছেলে আব্দুল কাদের (২৫) ও একই এলাকার সোলতান আহমেদের ছেলে আব্দুর রহমান (৩০)।<br><br>ওসি প্রদীপ জানান, মঙ্গলবার ভোরে মানবপাচার মামলার পলাতক আসামি ধরতে পুলিশের একটি দল মহেশখালিয়া পাড়ার নৌকাঘাট এলাকায় পৌঁছায়। সেখানে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় মানব পাচারকারী দলের সদস্যরা। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে কয়েকজন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করা হয়। গোলাগুলিতে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সায়েফ, কনস্টেবল মং (৪৩৭) ও শুককুর (৫১৭) আহত হন।<br><br>গুলিবিদ্ধ ও আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে গুলিবিদ্ধ তিনজন মারা যান। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। ওসি আরো জানান, নিহত তিনজনই ১৫ জন রোহিঙ্গাকে পাচার মামলার পলাতক আসামি। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের কৌশলে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। </body></HTML> 2019-06-25 10:05:23 1970-01-01 00:00:00 বগুড়া-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী সিরাজ নির্বাচিত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78726 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435037_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561435037_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শূন্য হওয়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী টি জামান নিকেতা নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ২৯৭ ভোট। জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রার্থী পেয়েছেন ৭ হাজার ২৭১ ভোট।<br><br>বগুড়া শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে স্থাপিত নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোল রুম থেকে সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এ ফল ঘোষণা করা হয়। এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১৪১টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০, যা মোট ভোটারের ৩৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। </body></HTML> 2019-06-25 09:56:55 1970-01-01 00:00:00 সুপ্রিমকোর্টে মহিষ ধরতে ছুটোছুটি, ইনজেকশন দিয়ে রক্ষা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78725 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561434739_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561434739_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভর দুপুরে হঠাৎ করেই কোত্থেকে যেন একটি মহিষ সুপ্রিম কোর্টের গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে। এরপর শুরু হয় তার পাগলামি, এদিক- ওদিক দৌঁড়াচ্ছে, একে ওকে ধাওয়া দিচ্ছে। মহিষের কাণ্ড দেখতে কোর্টের গেটের বাইরে ভিড় করেছে শত শত মানুষ। কিছুক্ষণ ছুটোছুটি করার পর সুপ্রিম কোর্টের বাগানে ঘাসের মধ্যে কিছুক্ষণ দাঁড়ায় মহিষটি। কেউ সামনে এলেই তাকে ধাওয়া দিচ্ছিল।<br><br>খবর পেয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা। দড়ি নিয়ে মহিষের পেছনে ছুটোছুটি করলেও বশে আনতে ব্যর্থ হন তারা। এরপর প্রাণিসম্পদ বিভাগের এক চিকিৎসক দূর থেকে মহিষটিকে আলতোভাবে ধরে ইনজেকশন পুশ করেন। মুহূর্তেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মহিষটি। অজ্ঞান অবস্থায় দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। তবে ঘণ্টাখানেক হলেও জ্ঞান ফিরছিল না। এবার উদ্বিগ্ন সবাই। মাথার নিচে একটি বস্তা দিয়ে বালিশের মতো ব্যবস্থা করা হয়। চোখে মুখে ঢালা হয় পানি। ঘণ্টাখানেক পর জ্ঞান ফেরে মহিষটির। কিন্তু বেঁধে ফেলার আগেই সুপ্রিম কোর্ট এলাকার গাছ ও নিয়ন বাতি ভেঙে ফেলে মহিষটি। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, মহিষটি নিয়ন্ত্রণে প্রাণিসম্পদ বিভাগসহ সবাইকে খুব বেগ পেতে হয়েছে। মহিষটি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাইকোর্ট এবং প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিকেলে তার মালিকের কাছে হস্তান্তর করে। </body></HTML> 2019-06-25 09:51:55 1970-01-01 00:00:00 স্ত্রীর সঙ্গে যৌন মিলনের ছবি ফেসবুকে দিলেন সেই পুলিশ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78724 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561434416_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561434416_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঝিনাইদহের সেই পুলিশ সদস্য শাহজালাল রহমান শোভন নিজের স্ত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠানোর পর এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ত্রীর সঙ্গে নিজের যৌন মিলনের ছবি পোস্ট করেছেন। শোভন ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনসে কর্মরত রয়েছেন। ফেসবুকে শোভনের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধর করে হাসপাতালে পাঠালেন এমন পোস্ট আসার পর সে পোস্টের রি-কমেন্ট করার সময় আরফিন শোভন নামে তার ফেসবুক আইডি থেকে তিনি এটি করেছেন।<br><br>বিভিন্ন ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে শোভন স্ত্রী শাহানার সঙ্গে নিজের যৌন মিলনের ঘনিষ্ঠ ছবি পরকীয়া বলে চালিয়ে দিয়েছেন। এরপর ফেসবুক কমেন্টে তিনি লিখেছেন আমি তার গায়ে হাত দিই নাই, পরকীয়া হাতেনাতে ধরাতে আমাকে ফাঁসানো, এইগুলো তার প্রমাণ।<br>এ ঘটনা জানাজানি হলে শোভন পরে তার কমেন্টগুলো ডিলিট করে এবং তার ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাকটিভ করে দেয়। এ নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন নববধূ শাহিনা খাতুন। জানা যায়, গত ১২ মে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শেরকান্দি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে পুলিশ সদস্য শাহজালাল রহমান শোভনের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলাম সাচ্চু মিয়ার মেয়ে শাহিনা খাতুনের।<br><br>শাহিনা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, বিয়ের পর থেকেই কারণে-অকারণে তাকে মারধর করতেন পুলিশ স্বামী শোভন। গত ১৭ জুন সকালে শাহিনা খাতুন ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বললে গালিগালাজ ও মারধর করেন স্বামী শোভন। দুপুরে তাকে ঘরের মধ্যে আটকে রড দিয়ে প্রচণ্ড মারপিট করেন। তিনি বলেন, এমনকি তাকে গলায় রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। এ সময় গৃহবধূ চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধারের জন্য দরজা খুলতে বলেন। শোভন দরজা খুলে দিলে মেয়েটি ঘর থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে শোভন তাকে ধারালো বটি দিয়ে তাড়া করেন। তখন প্রতিবেশীরা শাহিনাকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনকে খবর দেন। শৈলকুপা থেকে পরিবারের লোকজন এসে শাহিনাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।<br><br>অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য শাহজালাল রহমান শোভন বলেন, আমি আমার স্ত্রীর মোবাইল প্রায় সময় বিজি পাই। মোবাইল এত বিজি কেন এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে কোনো জবাব দেয়নি। এ ছাড়াও পারিবারিক কিছু সমস্যার কারণে তাকে চড়-থাপ্পড় মারতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান বলেন, ‘আমি শুনেছি শোভন কর্মস্থলে গরহাজির থাকে।’ তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। এদিকে নির্যাতিত গৃহবধূ শাহিনা খাতুন রোববার পুলিশ স্বামী শোভনের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের একটি আদালতে মামলা করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। </body></HTML> 2019-06-25 09:46:08 1970-01-01 00:00:00 বিশ্বকাপে সাকিবের বিশ্ব রেকর্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78723 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561398209_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561398209_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপে ১ হাজার রানের পাশাপাশি ৩২ উইকেট শিকার করেছেন সাকিব।<br>সোমবার ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১ রান করার মধ্য দিয়ে ১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও সফল বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডা। আফগানদের বিপক্ষে সোমবার প্রথম ৭ ওভার বোলিং করে মাত্র ১০ রানে শিকার করেন ৪ উইকেট। রহমত শাহ, গুলবাদিন নাইব, মোহাম্মদ নবী ও আসগর আফগানের উইকেট শিকারের মধ্য দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন সাকিব।<br><br>বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ১ হাজার রান সংগ্রহ করেছেন সাকিব আল হাসান। সোমবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে সাকিবের প্রয়োজন ছিল ৩৫ রান। দৌলত জাদরানের বলে সিঙ্গেল রান নেয়ার মধ্য দিয়ে ৪৫ বলে ৩৫ রান করেন সাকিব। আর এই রান করার মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে এক হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। সোমবার মুজিব-উর-রহমানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ৬৯ বলে একটি চারের সাহায্যে ৫১ রান করে আউট হন সাকিব।<br><br>বিশ্বকাপে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে রান সংগ্রহের দিক থেকে সাকিব আল হাসানের পরেই আছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি সোমবারের আগে ২৭ ম্যাচে ৭৫৪ রান করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচে (৭৫, ৬৪, ১২১, ১২৪*, ৪১ ও ৫১) সবমিলে ৪৭৬ রান সংগ্রহ করে শীর্ষে রয়েছেন সাকিব। সমান ম্যাচ খেলে ৪৪৭ রান করে দ্বিতীয় পজিশনে ওয়ার্নার। ৬ ম্যাচে ৪২৪ রান নিয়ে তৃতীয় পজিশনে আছেন ইংলিশ তারকা ব্যাটসম্যান জো রুট।<br>তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ৪৫ ম্যাচে সর্বোচ্চ ২২৭৮ রান সংগ্রহ করেন শচীন টেন্ডুলকার। এক ম্যাচ বেশি খেলে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিং সংগ্রহ করেন ১৭৪৩ রান। ৩৭ ম্যাচ খেলে ১৫৩২ রান করেন শ্রীলংকার কিংবদন্তি ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারা। </body></HTML> 2019-06-24 23:43:01 1970-01-01 00:00:00 আফগানদের হারিয়ে সেমির আশা উজ্জ্বল বাংলাদেশের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78722 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561397700_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561397700_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে দুর্দান্ত জয় পেল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের ম্যাচে সোমবার আফগানিস্তানকে ৬২ রানে হারিয়েছে টাইগাররা। এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে খেলার আশা উজ্জ্বল হলো মাশরাফি বিন মর্তুজাদের। সাত ম্যাচ খেলে সাত পযেন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ এখন পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। লিগ পর্বে বাংলাদেশের বাকি দুইটি ম্যাচ ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে। ২ জুলাই ভারত ও ৫ জুলাই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। অন্যদিকে, ইতোমধ্যে বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়া আফগানিস্তান সাত ম্যাচ খেলে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে অবস্থান করছে। এদিন সাউদাম্পটনের দ্য রোজ বোলে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে বাংলাদেশের দেয়া ২৬৩ রানর জয়ের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ ওভারে ২০০ রান করে অলআউট হয় আফগানিস্তান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন সামিউল্লাহ শেনওয়ারি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন অধিনায়ক গুলবদিন নাইব। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে পাঁচটি উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান ২টি, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১টি ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১টি করে উইকেট শিকার করেন।<br><br>ইনিংসের ১১তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় আফগানিস্তান। তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ওপেনার রহমত শাহ। ৩৫ বলে ২৪ রান করেন রহমত। এরপর ২১তম ওভারে হাশমতউল্লাহ শহীদিকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৩১ বলে তিনি করেন ১১ রান। ২৯তম ওভারে বোলিংয়ে এসে দুই উইকেট শিকার করেন সাকিব। ওভারের প্রথম বলে শর্ট কাভারে লিটনের হাতে ক্যাচ হন গুলবদিন। তৃতীয় বলে বোল্ড হন নবী। ৩৩তম ওভারে বোলিংয়ে এসে আসগার আফগানকেও ফিরিয়ে দেন সাকিব। ৩৬তম ওভারে রান আউট হন ইকরাম আলী খিল। এরপর সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ছাড়া বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। and nbsp;<br><br>এর আগে মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসানের হাফ সেঞ্চুরির উপর ভর করে আফগানিস্তানকে ২৬৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁড়ে দেয় বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬২ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।<br>সাউদাম্পটনের দ্য রোজ বোলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৩ রান করেন মুশফিকুর রহিম। এর আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন সাকিব আল হাসান। ৩৬ রান করেন তামিম ইকবাল। ২৪ বলে ৩৫ রান করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে স্পিনার মুজিব উর রহমান ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া দৌলৎ জাদরান ১টি, গুলবদিন নাইব ২টি ও মোহাম্মদ নবী ১টি করে উইকেট শিকার করেন।<br><br><span style="font-weight: bold;">সংক্ষিপ্ত স্কোর:</span><br><br>ফল: ৬২ রানে জয়ী বাংলাদেশ।<br><br>বাংলাদেশ ইনিংস: ২৬২/৭ (৫০ ওভার)<br><br>(লিটন দাস ১৬, তামিম ইকবাল ৩৬, সাকিব আল হাসান ৫১, মুশফিকুর রহিম ৮৩, সৌম্য সরকার ৩, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ২৭, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৩৫, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২*; মুজিব উর রহমান ৩/৩৯, দৌলৎ জাদরান ১/৬৪, মোহাম্মদ নবী ১/৪৪, গুলবদিন নাইব ২/৫৬, রশীদ খান ০/৫২, রহমত শাহ ০/৭)।<br><br>আফগানিস্তান ইনিংস: ২০০ (৪৭ ওভার)<br><br>(গুলবদিন নাইব ৪৭, রহমত শাহ ২৪, হাশমতউল্লাহ শহীদি ১১, আসগার আফগান ২০, মোহাম্মদ নবী ০, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি ৪৯*, ইকরাম আলী খিল ১১, নাজিবউল্লাহ জাদরান ২৩, রশীদ খান ২, দৌলৎ জাদরান ০, মুজিব উর রহমান ০; মাশরাফি বিন মর্তুজা ০/৩৭, মোস্তাফিজুর রহমান ২/৩২, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১/৩৩, সাকিব আল হাসান ৫/২৯, মেহেদী হাসান মিরাজ ০/৩৭, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১/২৫)।<br><br>ম্যাচ সেরা: সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)। </body></HTML> 2019-06-24 23:33:04 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের ছিনতাই হওয়া অস্ত্র ৪ ঘণ্টা পরে উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78721 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561388534_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561388534_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পটুয়াখালী বাউফলের বড় ডালিমা গ্রামে দু’পক্ষের জমির বিরোধ থামাতে গিয়ে পুলিশের ছিনতাই হওয়া পিস্তল ৪ ঘণ্টা পরে উদ্ধার করা হয়েছে। এসআই মাইনুদ্দিনের ব্যবহৃত ৭.৬২ নম্বরের ১০ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তলটি একটি নারিকেল গাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।<br>সোমবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। সংঘর্ষে পুলিশ সহ উভয় পক্ষের দু’গ্রপের ১৬ জনকে বাউফল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় ৮ জনকে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ। আহতদের মধ্যে ৪ জনকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর ইউপির বড় ডালিমা গ্রামের হাকিম হাওলাদার গংদের সাথে একই বাড়ির কামাল হোসেন গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সকালে ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে কামাল হোসেন গংরা প্রায় ২৫-৩০ জন লোক নিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করতে যায়। এসময় হাকিম হাওলাদার গংরা জমি চাষে বাধা দিতে গেলে তাদেরকে জমির কাছে না যাওয়ার জন্য হুমকি দেয়া হয়।<br><br>হাকিম হাওলাদার এঘটনা বাউফল থানাকে জানালে ঘটনাস্থলে তিনজন পুলিশ গেলে কামাল হোসেনের পক্ষের ফারুক হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। এসময় মাঈনুদ্দিন নামের এক এএসআইয়ের কোমর থেকে ১০ রাউন্ড গুলি সহ পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে যায় আব্দুল আলী’র ছেলে ফিরোজ হাওলাদার। এঘটনা বাউফল থানার পুলিশ জানতে পেরে ওসি খন্দোকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিশাল এক পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চালায়।<br><br>এসময় পুলিশের সাথে পাশ্ববর্তী কালাইয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহমেদ মনির হোসেন মোল্লা ও নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর একটার দিকে ফিরোজের বাড়ির একটি নারিকেল গাছ থেকে লুণ্ঠিত গুলি ও পিস্তল উদ্ধার করেন। এদিকে জমির বিরোধে পুলিশের সামনেই চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৬ জন আহত হন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন।<br>আহতরা হলেন, সেরাজ হাওলাদার(৬০),আবু বকর(২৫), মাকসুদা বেগম(৩৫) সহিদুল(১৮), বিউটি বেগম(৪৫), হালিম হাওলাদার(২০),অলিল(১৫), মনোয়ারা(৭০), নাজমা(৩৫), ইমরান(২০), কামাল(৪৫), আলম(৫২), মকবুল(৬০), দুলাল(৩৫), নিলুফা(৪০)এবং নূরভানু(৫৫)। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং ৪ জনকে গুরুতর জখম অবস্থায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দোকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. মঈনুল হাসান বাউফলে অবস্থান করছেন। ওই এলাকায় থম থমে পরিস্তিতি বিরাজ করছে। পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-06-24 21:01:36 1970-01-01 00:00:00 শুধু অভিযানে মাদক নির্মূল সম্ভব নয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78720 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387896_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387896_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ মাদকের পথ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের হাতে প্রণোদনামূলক জিনিস তুলে দেন পুলিশপ্রধান মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ফরিদপুর, ২৪ জুন। ছবি: প্রবীর কান্তি বালামাদকের পথ থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের হাতে প্রণোদনামূলক জিনিস তুলে দেন পুলিশপ্রধান মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। ফরিদপুর, ২৪ জুন। ছবি: প্রবীর কান্তি বালাপুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে, মামলা দিয়ে ও গ্রেপ্তার করে দেশ থেকে মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী নির্মূল করা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্মিলিত উদ্যোগ। তাঁর ভাষ্য, জনতার সহযোগিতা ছাড়া উন্নয়নের পথের এ তিনটি বাধা দূর করা সম্ভব নয়।<br>আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফরিদপুরে ‘মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী’ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশপ্রধান। পুলিশ লাইনস মাঠে এই সমাবেশের আয়োজন করে জেলা কমিউনিটি পুলিশ। এই সভায় মাদক ব্যবসা ও সেবন ছেড়ে দেওয়া ৭৫ জন পুরুষ ও ৮ জন নারীর কর্মসংস্থানের জন্য রিকশা-ভ্যান ও সেলাই মেশিন দেওয়া হয়।<br>আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পৃথিবীর এক অবাক বিস্ময়। এ উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, কিছু কিছু অমানুষ এ উন্নয়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা আমাদের মাদক দিয়ে, সন্ত্রাস দিয়ে, জঙ্গি দিয়ে ফাঁসিয়ে দিতে চাইছে। তারা চায় না এ দেশের উন্নয়ন হোক।’ আইজিপি বলেন, ‘জনগণের সহায়তায় পুলিশ ইতিমধ্যে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, বর্তমানে আমাদের টার্গেট মাদক নির্মূল করা। আমরা মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। এ যুদ্ধে আমরা জয়ী হতে চাই। এ জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাহায্য চাই। কেননা জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া পৃথিবীতে কোনো দেশের পুলিশ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব তথ্য পাই তার ৯৯ ভাগ তথ্য দেয় জনগণ। এ জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই।’ আইজিপি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন টেকসই শান্তি। আর টেকসই শান্তি আসে টেকসই নিরাপত্তা থেকে। পুলিশ জনগণকে টেকসই নিরাপত্তা দিতে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি জানান, গত এক বছরে ফরিদপুরে মোট মামলা হয়েছে ৩ হাজার ১৬২টি। অথচ এর মধ্যে শুধু মাদকের মামলাই হয়েছে ১ হাজার ৬৩১টি।<br>এ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশে মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা সাড়ে তিন লাখ। ফরিদপুরে মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তিন হাজার। এদের সুপথে আনা ও নির্মূলের ব্যাপারে আমাদের কাজ করতে হবে।’<br>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ফরিদপুরের নবাগত জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ‘জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া সমাজ থেকে মাদক, জঙ্গি সন্ত্রাস নির্মূল করা সম্ভব নয়। পাশের ঘরে আগুন লাগলে আমাদেরও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। আমরা যদি একজন ব্যক্তিকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে সরিয়ে আনতে পারি, তবে সেটা হবে সত্যিকারের দেশপ্রেমের কাজ।’<br>সভাপতির বক্তব্যে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান বলেন, ‘পুলিশের কোনো সদস্য মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। আমার বিরুদ্ধে যদি এ অভিযোগ থাকে, তাহলে তা আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানান।’<br>সভায় আরও বক্তব্য দেন, ফরিদপুর কমিউনিটি পুলিশের আহ্বায়ক অধ্যাপক শাহজাহান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহা, ফরিদপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. আকরামুল হক ফকির প্রমুখ।<br>এর আগে আইজিপি ফরিদপুর পুলিশ লাইনে নারী পুলিশের ব্যারাক, নগরকান্দা থানা ভবন, চন্দ্রপাড়া তদন্তকেন্দ্রের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি পুলিশ টেলিকম ভবন, পুলিশ লাইনস মাল্টিপারপাস হল, চিকিৎসক ও নার্সদের ডরমিটরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 ডিআইজি মিজানের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78719 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387864_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387864_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও তার পরিবারের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে জন্য ইমিগ্রেশনেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা হয়। তিন কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও তিন কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।<br>কমিশন চেয়ার?ম্যান ইকবাল মাহমুদ সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (২৩ জুন) কমিশনের নির্ধারিত বৈঠকে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার কমিশনের রেজুলেশন পাস হয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (সজেকা) তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।মামলা নম্বর- ০১। ফলে দুদকের সংশোধিত বিধিমালায় প্রথম মামলাটি হলো পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এর আগে দুর্নীতি সংক্রান্ত যে কোনো মামলা থানায় গিয়ে করতে হতো। রোববার সংশোধিত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ হয়। এর ফলে কমিশন যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।<br>দুদক সূত্রে জানা গেছে, ডিআইজি মিজানুর, তার স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে জন্য ইমিগ্রেশনে পুলিশের কাছে চিঠিও দিয়েছে কমিশন। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চপদে থেকে তদবির, নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি। প্রায় দেড় বছর অনুসন্ধান করে দুদক অভিযোগের সত্যতা পায়। স্থাবর-অস্থাবর বিভিন্ন সম্পদ ডিআইজি মিজানের মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ ও ভোগদখলে রয়েছে; যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।<br>সর্বশেষ দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করে। এর আগে, বিষয়টির অনুসন্ধান করেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। তার আগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অনুসন্ধান করেন উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে (সাময়িক বরখাস্ত) অনুসন্ধান করতে গিয়ে ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি এ সংক্রান্ত তিনটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন। এরপরই ডিআইজি দুদক এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। আর মিজান-বাছির ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়টি অনুসন্ধানে পৃথক একটি কমিটি করে দুদক।<br>মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে বিষয়টি তোলপাড় সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:51:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনী পুলিশের ৬ পরিদর্শক বদলী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78718 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387828_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387828_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি॥<br>ফেনী পুলিশের ৬ পরিদর্শক বদলীফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একইদিনে বদলী করা হয়েছে। ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বদলীর আদেশটি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গতকাল রবিবার ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌছে।<br>জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে শিল্প পুলিশে, ডিবির ওসি রাশেদ খান চৌধুরী ও সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো: কামাল হোসেনকে এপিবিএনে বদলী করা হয়। এছাড়া ডিআইওয়ান মো: শাহীনুজ্জামানকে ট্যুরিষ্ট পুলিশ, ফুলগাজী থানার ওসি (তদন্ত) পান্না লাল বড়–য়া, ডিএসবিতে কর্মরত ইন্সপেক্টর মো: শাহজাহান মিয়াকে ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলী করা হয়।<br>মো: কামাল হোসেন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সোনাগাজী থানায় ওসি (তদন্ত) হিসাবে যোগদান করেন। দাগনভূঞা থানা থেকে ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ পিপিএম ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। তিনি মো: রাশেদ খান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হন। রাশেদ খান চৌধুরী ছাগলনাইয়া থানা থেকে ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব বুঝে দিয়ে তিনি গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসাবে যোগ দেন। ইতিপূর্বে তাকে নোয়াখালী বদলী করা হয়।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:50:00 1970-01-01 00:00:00 বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78717 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387787_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387787_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণে ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আল আশরাফ মামুনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শেষে চলে যাবার সময় পর পরই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য বিক্ষুব্ধ নেতারা সিন্ডিকেটকে দায়ি করেছে। এর আগে বেলা ১১টা থেকে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতারা নায়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। শনিবার রাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদল থেকে ১২ জনকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জন সাবেক ছাত্রনেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। <br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:50:00 1970-01-01 00:00:00 জেলকোড অনুযায়ী ওসি মোয়াজ্জেমকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78716 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387755_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387755_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>থানায় নুসরাত জাহান রাফির বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (প্রত্যাহার হওয়া) মোয়াজ্জেম হোসেনকে জেলকোড অনুযায়ী ডিভিশন (বিশেষ সুযোগ-সুবিধা) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।<br>আজ সোমবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামশ জগলুল হোসেন শুনানি শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।<br>এর আগে ২০ জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামশ জগলুল হোসেনের আদালতে এ আবেদন করেন তার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ। ডিভিশনের ওপর শুনানির জন্য আজকের দিন (২৪ জুন) ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম প্রথম শ্রেণির নাগরিক। কারাগারে তার প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেছি।’<br>এর আগে ১৭ জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস শামস জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিন তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করেন।<br>১৬ জুন রাজধানীর শাহবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৭ মে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার বাদী সুমন আসামি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এদিন সকালে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদর দফতরের সিনিয়র এএসপি রিমা সুলতানা। গত ১৫ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রত্যাহার হওয়া) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আদালত তার জবানবন্দি নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় করা অভিযোগটি পিটিশন মামলা হিসেবে গ্রহণ করেন। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।<br>গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা শ্রেণিকক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। এমন অভিযোগ উঠলে দুজনকে থানায় নিয়ে যান ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন। ওসি নিয়ম ভেঙে জেরা করতে নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও করেন। মৌখিক অভিযোগ নেয়ার সময় দুই পুরুষের কণ্ঠ শোনা গেলেও সেখানে নুসরাত ছাড়া অন্য কোনো নারী বা তার আইনজীবী ছিলেন না। ভিডিওটি প্রকাশ হলে অধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে ওসির সখ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।<br>ভিডিওতে দেখা যায়, থানার ওসির সামনে অঝোরে কাঁদছেন নুসরাত। সেই কান্নার ভিডিও করছিলেন সোনাগাজী থানার ওসি। নুসরাত তার মুখ দুই হাতে ঢেকে রেখেছিলেন। তাতেও ওসির আপত্তি। বারবারই ‘মুখ থেকে হাত সরাও, কান্না থামাও’ বলার পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেন, ‘এমন কিছু হয়নি যে এখনো তোমাকে কাঁদতে হবে।’ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওসি মোয়াজ্জেম অনুমতি ছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে নুসরাতকে জেরা এবং তা ভিডিও করেন। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।<br>ভিডিওতে দেখা যায়, ওসি মোয়াজ্জেম অত্যন্ত অপমানজনক ও আপত্তিকর ভাষায় একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছেন নুসরাতকে। নুসরাতের বুকে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নও করতে দেখা যায় ওসি মোয়াজ্জেমকে। অধ্যক্ষের নিপীড়নের ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর গত ৬ এপ্রিল সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। এ সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে-এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চার তলায় যান। সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাতের মৃত্যু হয়।<br>উল্লেখ্য, ডিভিশনপ্রাপ্ত একজন হাজতি কারাগারে আসবাবপত্র হিসেবে একটা টেবিল, একটা খাট, চাদর ও একটা চেয়ার পেয়ে থাকেন। সেলে পড়ার জন্য পত্রিকা, বইয়ের পাশপাশি একটি সাধারণ টেলিভিশন, রেডিও পান হাজতি। ব্যবহার্য উপকরণ হিসেবে তিনি সাবান, টুথপেস্ট, আয়না, বালিশ, কম্বল, তোশক, চিরুনি, তেল, পায়ের স্যান্ডেল, তোয়ালে পাবেন। <br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:49:00 1970-01-01 00:00:00 সৌদি ভিসার ‘ড্রপবক্স’ বাতিলের দাবি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78715 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387693_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387693_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ সৌদি আরবের ভিসা সার্ভিস সেন্টার (ড্রপবক্স) বাতিলের দাবি তুলেছে জনশক্তি রপ্তানিকারদের একটি অংশ। তারা বলছে, ভিসা সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা পেলে মালয়েশিয়ার মতো সৌদি আরবের শ্রমবাজারও চলে যাবে সিন্ডিকেটের হাতে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাধারণ সদস্যদের একটি অংশ ড্রপবক্স পদ্ধতি বাতিলের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে। সোমবার তারা রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বায়রা কার্যালয়ের সামনে এই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। তবে দুপুরে বায়রা কার্যালয়ের সামনে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। and nbsp;<br>বায়রার কার্যনির্বাহী কমিটির শীর্ষপদস্থরা বলছেন, ভিসা সার্ভিস সেন্টার চালু হলে এজেন্সিগুলোর জন্য জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ আরও বাড়বে। তারা যে আশঙ্কা থেকে ভিসা সেন্টার বাতিলের কথা বলছেন, তা ঘটনার সম্ভাবনা নেই।<br>বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী নোমান বলেন, ‘বায়রা নির্বাহী কমিটি কীভাবে কাজ করবে এটা নির্বাহী কমিটির ব্যাপার। বর্তমানে সৌদি দূতাবাসে সরাসরি পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে একটি এজেন্সি সপ্তাহে দুইদিন জমা দিতে পারে। সার্ভিস সেন্টার হওয়ার কারণে আমরা সপ্তাহে পাঁচ দিন পাসপোর্ট জমা দিতে পারব এবং আনলিমিটেড।’ <br>এর আগে রবিবার ‘ড্রপবক্স সিন্ডিকেট নির্মূল কমিটি ও ক্ষতিগ্রস্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকবৃন্দের’ ব্যানারে একই দাবিতে তারা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমেদের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। পরে কিছু সময়ের জন্য মানববন্ধন করেছে মন্ত্রণালয়ের সামনে।<br>আন্দোলনকারী জনশক্তি রপ্তানিকারকরা বলছেন, আগে তারা সরাসরি সৌদি দূতাবাসে ভিসার জন্য পাসপোর্ট জমা দিতে পারতেন। এখন সার্ভিস সেন্টারে ভিসা জমা দিতে গেলে বাড়তি ফি দিতে হবে। এতে অভিবাসন ব্যয় বাড়বে। ড্রপবক্সে ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য ১১০০ টাকা ফি ঠিক করা হয়েছে বলে জানান তারা।<br>বায়রার সাধারণ সদস্য টিপু সুলতান বলেন, ‘আমরা এখন যেই পাসপোর্টগুলো জমা দিচ্ছি সৌদি দূতাবাসে সেটা কোনো খরচ ছাড়া। এখন তারা যেই চার্জ নির্ধারণ করেছে সেক্ষেত্রে আমাদের অভিবাসন ব্যয় বছরে দুইশ কোটি টাকা বাড়বে।’ and nbsp;<br>বায়রার সাধারণ সদস্য মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘বায়রার ১৬ শ এজেন্সি এখানে ব্যবসায়ী অধিকার হারাবে। যেটা অতীতে আমরা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে দেখেছি।’<br>মানববন্ধনে বায়রার সদস্য ও আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল আলিম বলেন, ‘এই ভিসা সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা পেলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক গোপনীয়তা আর থাকবে না। কারণ, সৌদি আরব থেকে ভিসা আসবে আমার প্রতিষ্ঠানের নামে। সেখানে নিয়োগদাতার নাম-ঠিকানা থাকবে। সার্ভিস সেন্টার চাইলেই সেই নিয়োগদাতার সঙ্গে যোগাযোগ করে আমার ব্যবসা নিয়ে নিতে পারবে। এ ছাড়া নিয়োগদাতারা যখন দেখবে সব ভিসা প্রসেস করছে দুটি প্রতিষ্ঠান, তখন আমাদেরকে আর ভিসা দেবে না।’<br>এভাবেই শ্রমবাজারটি নষ্ট হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন বায়রা সদস্য আলিম।<br>মানববন্ধনে আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব কেএম মোবারক উল্লাহ শিমুল, ট্রাভেল কল্যাণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল মতিন তৌহিদ, ফোরাব সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান, ফোরাব সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।<br>১৯৭৬ সাল থেকে এই পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরব গেছেন কাজ নিয়ে। যা দেশের মোট জনশক্তি রপ্তানির ৩০ শতাংশ। and nbsp; and nbsp; and nbsp;<br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:48:00 1970-01-01 00:00:00 মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পেলে ফার্মেসি সিলগালা করা হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78714 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387653_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387653_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেছেন, কোনো ফার্মেসিতে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায় তবে সেই ফার্মেসি সিলগালা করা হবে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এক্ষেত্রে হেলাফেলার সুযোগ নেই।<br>সোমবার পুরান ঢাকার বংশালের ফজলুল করিম কমিউনিটি সেন্টারে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সঙ্গে বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।<br>ওষুধ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, আপনার সন্তানকে কি আপনি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ খাওয়াবেন? আপনার সন্তানকে যদি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ না খাওয়ান তবে দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখেন কেন? ফার্মেসিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে দুই বছরের বেশি সময় আগে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ওষুধ আছে। এরপর থেকে ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখলে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সম্পর্কে প্রতিটি বিভাগে সচেতনামূলক প্রোগ্রাম করা হবে। আগামী ২৬ জুন রাজশাহীতে ফার্মেসি কর্মীদের নিয়ে সচেতনামূলক প্রোগ্রাম করা হবে। তাদের ট্রেনিং করানো হবে। ফার্মেসি সার্টেফিকেট প্রশিক্ষণ কোর্স করানো হবে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।<br>তিনি আরও বলেন, হাইকোর্ট এক মাসের মধ্যে সব ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সরাতে বলছে। বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে সব ওষুধ কোম্পানিকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত দিতে হবে। <br>মাহবুবুর রহমান বলেন, ফার্মেসিতে আনরেজিস্ট্রার্ড ও নকল ওষুধ রাখা যাবে না। ৩৯টি ওষুধের লিস্ট আছে। এসব ওষুধ বাদ দিতে হবে। ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনো ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না। অনেক জায়গায় দেখা যায়, ওষুধের মূল্য পরিবর্তন করা হয়, এটা করা যাবে না। দেশের বাইরে থেকেও নকল ওষুধ সরবরাহ করা হয়। তাই নিজস্ব অথোরাইজড সোর্স থেকে ওষুধ সংগ্রহ করতে হবে। অনেক সময় চোরাপথে আসা সরকারি কেনা হয়। এগুলো ফার্মেসিতে রাখা যাবে না। <br>তিনি আারও বলেন, ওষুধ জিনিসটা অনেক সেনসিটিভ। বেশি তাপমাত্রায় রাখা যায় না। তাই প্রতিটি ফার্মেসিতে এসি ও রেফ্রিরেজটর রাখতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশের ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন আছে। কিন্তু বাংলাদেশের ওষুধের মান নিয়ে কোনো কথা নেই। তাই আমাদের ফার্মেসিগুলোতে নকল, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পরিহার করে দেশের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে।<br>বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির সভাপতি সাদেকুর রহমান বলেন, আমরা কোনো ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করব না। কিন্তু অনেক ওষুধ কোম্পানি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নেয় না। তাই আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে যে সব ওষুধ কোম্পানি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নিবে না তাদের সব ওষুধ আমরা বর্জন করব। <br>অভিযোগ করে তিনি বলেন, অনেক কোম্পানি মোড়ক পরিবর্তন না করেই স্টিকার লাগিয়ে দাম পরিবর্তন করে। আর এ কারণে ওষুধ বিক্রেতাদের জরিমানা দিতে হয়। তাই ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতি অনুরোধ, কোনো কোম্পানি যেন মোড়ক পরিবর্তন না করে দাম না বাড়ায়।<br>মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব এসএস শফিউজ্জামান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর লায়ন মোহাম্মদ বিল্লাহ, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সহ-সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 মহামারী আকার ধারণ করবে ডেঙ্গু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78713 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387623_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387623_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>ঢাকার এক দৈনিকের চনমনে তরুণ সংবাদকর্মী আশিক এখন লাইফ সাপোর্টে। এই লেখা ছাপা হতে হতে তাঁর কী অবস্থা হবে, জানা নেই। মা তাঁর বরগুনায় অপেক্ষায় আছেন ভালো খবরের আশায়। সবার সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি গিয়েছিলেন আশিক। যাওয়ার আগে জ্বর জ্বর ভাব থাকলেও কাজের চাপে সেদিকে নজর দেননি। বরগুনায় যাওয়ার পর জ্বর তাঁকে জাপটে ধরে, ভাবেননি ডেঙ্গু তাঁকে তাড়া করে ফিরছে। স্থানীয় চিকিৎসকেরাও বোধ করি সাধারণ জ্বরই ধরে নিয়েছিলেন। প্যারাসিটামল ব্যর্থ হলে অ্যান্টিবায়োটিকের যাত্রা শুরু হয় এ দেশে, পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে অ্যান্টিবায়োটিকের মাত্রা বাড়তে থাকে। আশিক হয়তো চিকিৎসার এই সনাতন প্রক্রিয়ার ফাঁদে পড়ে এখন জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় অনেকের পাতলা পায়খানা হয়, আশিকের ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় হয়নি। ঢাকায় ফিরে তিনি ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন কলেরা হাসপাতালে। অবস্থা খারাপের দিকে যাওয়ায় সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় গ্রিন রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে, শরীরে ১০ ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পরেও শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি না হওয়ায় এখন সেখানকার নিবিড় পরিচর্যায় তাঁর ঠাঁই হয়েছে। গত তিন দিনে অবস্থার কোনো রকমফের হয়নি। চিকিৎসকেরা বলছেন, তাঁর কিডনি, ফুসফুস আর লিভার এখন আক্রান্ত। ডেঙ্গুর এ এক চরম চেহারা।<br>গত ২৪ এপ্রিল মারাত্মক চেহারায় ডেঙ্গু আবির্ভাবের শঙ্কা প্রকাশ করে দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষগুলোকে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে ‘আগাম বৃষ্টি কি আনবে আগাম ডেঙ্গু?’ শীর্ষক একটি মতামত প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। সে সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলাদেশের লাগোয়া রাজ্যগুলোতে ডেঙ্গুর আলামত স্পষ্ট হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলার নানা প্রস্তুতি চলছিল। আমরা পরিস্থিতির গুরুত্ব আমলে নিইনি। স্বাস্থ্য দপ্তরের সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত এক মাসে হাসপাতালে শনাক্ত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। ঢাকা নগরীর সরকারি হাসপাতালগুলোতে মে মাসে যেখানে ডেঙ্গু রোগী ছিল ২৪৯ (এর মধ্যে ২ জন মারা যায়), সেখানে ১৭ জুনে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৫৮ জনে। প্রকৃতপক্ষে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে জানুয়ারি থেকে জুনের ৮ তারিখ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ২৯৫। পরের ১০ দিনে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৫৮ জনে। গত বছরের এই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে এই সংখ্যা যথেষ্ট আশঙ্কার। উল্লেখ্য, গত বছরের প্রথম পাঁচ–ছয় মাসে সরকারি হাসপাতালে আসা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩৩। চিকিৎসকেরা মনে করেন, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর বাইরেও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও অনেক মানুষ রয়েছে, যারা হাসপাতালে ভর্তি হয় না।<br>সরকারি জরিপে এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ আগের চেয়ে বেশি হওয়ার যথেষ্ট আলামত মিলেছে। বর্ষার আগে সরকারি তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গিয়েছিল, ঢাকায় বাসাবাড়িতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জীবাণুবাহী এডিস মশা জন্মের হার আগের তুলনায় বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত জরিপটি চলে ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনের ৯৭টি ওয়ার্ডের ১০০টি জায়গায়। জরিপ বলছে, এডিস মশার লার্ভার ঘনত্বের সূচক ঢাকায় তখন ছিল ২২ শতাংশ। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ন্যূনতম মান অনুযায়ী ২০ শতাংশ এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সেটাকে মহা বিপৎসংকেত গণ্য করে জরুরি কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বেশি ঝুঁকিতে আছে ঢাকা দক্ষিণ। সেখানকার ১৫টি ওয়ার্ডে এডিস মশার লার্ভা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। তবে ঢাকা উত্তরের প্রধান সাতটি ওয়ার্ডেও এ ঘনত্ব নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।<br>তা ছাড়া যেসব দেশে আমরা হরহামেশা চিকিৎসা, কেনাকাটা বা বেড়াতে যাই, সেসব দেশ থেকে ফেরা যাত্রীদের সঙ্গে নতুন জাতের ডেঙ্গুর আবির্ভাব ঘটা বিচিত্র কিছু নয়। থাইল্যান্ডে গত পাঁচ মাসে ২৬ হাজার ৪৩০ জন ডেঙ্গুর মারাত্মক কবলে পড়েছে বলে সে দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানালে অনেক দেশ তাদের দেশের ভ্রমণকারীদের থাইল্যান্ডের ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়। আমাদের অবশ্য সেসবের বালাই নেই। থাইল্যান্ডে ইতিমধ্যেই ৪১ জন এই রোগে মারা গেছে। গত বছরের চেয়ে এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ সে দেশে প্রায় দ্বিগুণ (১ দশমিক ৮ ভাগ)। অনেক চেষ্টা করেও থাই কর্তৃপক্ষ উত্তরের জনপ্রিয় ট্যুরিস্ট স্পট চিয়াংমাইকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে পারেনি। সেখানে পর্যটকের সংখ্যা কমেছে, কমেছে হোটেলের ভাড়া।<br>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে গাপ্পি মাছের গল্প এখন পুরোনো। একসময় ঢাকঢোল পিটিয়ে দক্ষিণের পগারে ড্রেনে গাপ্পি মাছের পোনা ছাড়ার কথা বলে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সেখানকার নগরপিতা। কারও বাসায় মশার ডিম পেলে তাকে দণ্ড দেওয়ার হম্বিতম্বিও শোনা গিয়েছিল একসময়। সব শেষ চমক ছিল এডিস মশা মারতে পুরুষ এডিস মশা আমদানির গালগল্প। ইন্টারনেটে যা দেখেন, তা–ই করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন আমাদের কল্পজগতে থাকা কর্তারা।<br>সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকর্মীরা ঢাকেশ্বরী মন্দিরের উল্টো পাশে ‘ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তর’ প্রতিষ্ঠানটির অফিসে গিয়ে তেমন কোনো তৎপরতার চিহ্ন খুঁজে পাননি। অফিসের অধিকাংশ কক্ষ ছিল তালা মারা, খোলা ছিল মাত্র দুটি। দোতলা ভবনের আশপাশে অনেক খালি ড্রাম তাঁরা ইতস্তত পড়ে থাকতে দেখেন। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন মশা মারার জন্য যে ওষুধ কেনে, সেগুলো এখানে মজুত রাখা হয়। সংবাদকর্মীরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, মশা নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের তেমন কোনো কর্মসূচি বা গবেষণা কার্যক্রম নেই। দপ্তরের কাঠামো অনুসারে ৩৯৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী থাকার কথা। কিন্তু আছেন ২৭৭ জন। ১১৯টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৯৪৮ সালে যখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মশক নিবারণী দপ্তরটি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এ প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদ ছিল সহকারী পরিচালক। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন চিকিৎসক এ পদে দায়িত্ব পালন করতেন। পরে ১৯৮০ সালে দপ্তরটিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয়। সেই থেকে এক জটিল সমীকরণের মধ্য দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যে উপসচিব এই দপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁর ভাষায়, ‘দপ্তরের প্রশাসনিক কার্যক্রম, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন–ভাতা দেওয়া ছাড়া দপ্তরের কর্মসূচি সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না, জানেন দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।’ দুই শাসনের চাকায় পিষ্ট প্রতিষ্ঠানটিতে আর যা–ই হোক জবাবদিহির পরিবেশ আছে বলে বিশ্বাস করা কঠিন।<br>গত বছর ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব ঠেকানোর জন্য মশা নিধনের পদক্ষেপ নিতে মেয়রদের নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। হয়তো জনস্বার্থে কেউ আবার আবেদন করলে হাইকোর্ট বড়জোর তাঁদের ডেকে পাঠাবেন, জানতে চাইবেন কী তাঁদের কর্মসূচি।<br>গাপ্পি মাছের গপ্প দিয়ে বুঝ দেওয়ার দিন কি এখনো আছে?<br>[চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরের তাপ বা জ্বর এক শ তিন/চার ডিগ্রি (ফারেনহাইট) উঠে গেলে, খুব মাথাব্যথা ও বমি বমি ভাব বা বমি হলে, গ্ল্যান্ড ফুলে গেলে, পেশিতে বা হাড়ের জোড়ায় ব্যথা করলে, গায়ে ঘামাচির মতো দানা দেখা গেলে, চোখের পেছনে ব্যথা করলে নিজে নিজে বা পাড়ার ডাক্তারকে সামান্য জানিয়ে চিকিৎসা শুরু করবেন না এবং উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করবেন না। যাঁরা দ্বিতীয়বার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবেন বা হয়েছেন, তাঁরা অবশ্যই চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন। প্রচুর পানি পান করবেন।]<br>গওহার নঈম ওয়ারা লেখক ও গবেষক <br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:47:00 1970-01-01 00:00:00 টিআইবি ঢালাওভাবে বলেছেন, বাস্তবে ওরকম না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78712 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387588_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387588_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেছেন, জনপ্রশাসন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদনটি আমি দেখিনি এখনও। আমাদের হ্যান্ডওভার করেনি। নিউজে যেটুকু আসছে, আপনারা যেমন জানেন আমিও জানি। তবে তারা যেটা ঢালাওভাবে বলেছেন, বাস্তবে পরিস্থিতি ওরকম না।<br>সোমবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রোববার (২৩ জুন) ‘জনপ্রশাসনে শুদ্ধাচার: নীতি ও চর্চা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি। সেখানে তারা বলেছেন, জনপ্রশাসনে পদায়ন ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিষয় প্রধান্য পাচ্ছে, মেধা উপেক্ষিত হচ্ছে। এমনকি বিধিমালায় না থাকলেও পদোন্নতিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদনকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।<br>এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রতিবেদনে যেসব দাবি করা হয়েছে তা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।<br>সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার জন্য সম্পদের হিসাব দিতে বলার কথা থাকলেও টিআইবির দাবি, প্রতি পাঁচ বছর পর পর এ তথ্য আপডেট করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটা আমরা দিয়েছি, অনেকদিন চাওয়া হয়নি, চাওয়া হলে দিতে হবে, এটা নিয়ম।<br>চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি তুলেছে টিআইবি এ বিষয়ে তিনি বলেন, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ মনে হয় এই সময়ে সবচেয়ে কম। আমরা অল্প কয়েকজন আছি।<br>টিআইবি আরো বলেছে, প্রশাসনে নিচের পদগুলো ফাঁকা থাকে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের রিক্রুটমেন্ট সেই পরিমাণ (শূন্য পদ) ফিলাপ করতে পারছে না। একজন সহকারী কমিশনার ৫ বছরের মাথায় ইউএনও হয়ে যায়। মাঝখানের পদগুলো ফাঁকা থেকে যায়।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই, গ্রেফতার ৮ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78711 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387561_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387561_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ <br>পটুয়াখালীর বাউফলের নাজিরপুর ইউনিয়নের বড় ডালিমা গ্রামে জমির বিরোধ নিয়ে সৃষ্ট সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ১০ রাউন্ড গুলিসহ পুলিশের পিস্তল ছিনিয়ে নিয়েছে এক সন্ত্রাসী।<br>সোমবার (২৪ জুন) সকালে ওই সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ উভয়পক্ষের ১৯ জন আহত হয়েছে।<br>আহতদের মধ্যে ১১ জনকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর জখম অবস্থায় ৪ জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।<br>সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শুরু হওয়ার সংঘর্ষের ৬ ঘণ্টা পর ওই সন্ত্রাসীর বাড়ির একটি নারিকেল গাছ থেকে গুলিসহ পিস্তল উদ্ধার করে এবং সন্দেহভাজন আটজনকে আটক করে পুলিশ।<br>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় ডালিমা গ্রামের হাকিম হাওলাদার গংদের সঙ্গে একই বাড়ির কামাল হোসেন গংদের ১৯ একর ৫৪ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।<br>আজ সকালে ওই জমিতে কামাল হোসেন গংরা প্রায় ২৫-৩০ জন লোক এবং ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ করতে যায়। হাকিম হাওলাদার গংরা জমি চাষে বাঁধা দিতে গেলে তাদেরকে জমির কাছে না যাওয়ার জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।<br>হাকিম হাওলাদার এ ঘটনা বাউফল থানায় জানালে ঘটনাস্থলে তিনজন পুলিশ গেলে কামাল হোসেনের পক্ষের ফারুক হাওলাদারের স্ত্রী খাদিজা বেগম পুলিশের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয় এবং তার সঙ্গে থাকা মৃত আবদুল আলীর ছেলে ফিরোজ হাওলাদার মাঈনুদ্দিন নামে এক এএসআইয়ের কোমর থেকে ১০ রাউন্ড গুলিসহ পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।<br>বাউফল থানার পুলিশ এ ঘটনা জানতে পেরে ওসি খন্দোকার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে বিশাল এক পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চালায়। এসময় দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর ১টার দিকে ফিরোজের বাড়ির একটি নারিকেল গাছ থেকে লুণ্ঠিত গুলি ও পিস্তল উদ্ধার করেন।<br>এদিকে জমির বিরোধে পুলিশের সামনেই চলা সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১৬ জন আহত হন। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন।<br>আহতরা হলেন-সেরাজ হাওলাদার (৬০),আবু বকর (২৫), মাকসুদা বেগম (৩৫) সহিদুল (১৮), বিউটি বেগম (৪৫), হালিম হাওলাদার (২০),অলিল (১৫), মনোয়ারা (৭০), নাজমা (৩৫), ইমরান (২০), কামাল (৪৫), আলম (৫২), মকবুল (৬০), দুলাল (৩৫), নিলুফা (৪০)ও নূরভানু (৫৫)।<br>বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার পর থেকে পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. মঈনুল হাসান বাউফলে অবস্থান করছেন। ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।<br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:46:00 1970-01-01 00:00:00 ভাইয়ের লাশ ফেলে ফেনসিডিলের বস্তা নিয়ে পালালেন যুবক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78710 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387529_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387529_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>চাঁপাইনবাবগঞ্জের<br>সোনামসজিদে ফেনসিডিলের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। <br>নিহতের নাম সাজেদুল ইসলাম বাবু (২৬)। তিনি জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সোনাপুর গ্রামের আজমুল হোসেনের ছেলে। নিহত বাবু ফেনসিডিল ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ।<br>শিবগঞ্জ থানার ওসি শিকদার মোঃ মশিউর রহমান জানান, ফেনসিডিল চোরাচালানকে কেন্দ্র করে দ্বন্দের জেরে রোববার রাতের কোন এক সময় সাজেদুল ইসলাম বাবুকে প্রতিপক্ষের লোকজন সোনাপুর এলাকার একটি আম বাগানে গলা কেটে হত্যা করে। বিষয়টি ভিন্ন খাতে নিতে ভোরের দিকে নিহতের ছোট ভাই শামিম ১ বস্তা ফেনসিডিল নিয়ে পালিয়ে যান। কিন্তু এরই মধ্যে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় লাশ ও পাশে থাকা ২ কার্টন ফেনসিডিল সরাতে ব্যর্থ হন তিনি। খবর পেয়ে সোমবার সকালে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ মাকব কারবারী বাবুর লাশ উদ্ধার করে। এ সময় নিহতের পাশে থাকা ২টি কার্টন থেকে ৪৭ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78709 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387502_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387502_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনা তদন্ত করতে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।<br>সোমবার সকালে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন। কমিটিতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানকে প্রধান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।<br>গতকাল রবিবার রাত ১২টার দিকে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাওয়ার সময় আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে সাতজন নিহত এবং শতাধিক যাত্রীর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।<br>ট্রেনটির দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে খালে পড়ে যায় এবং তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এছাড়া সাতটি বগি নিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। আর সকালে উদ্ধার করে কুলাউড়া স্টেশনে নেওয়া হয় পাঁচটি বগি।<br>খবর পেয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম ও পুলিশ সুপার শাহজালাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।<br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:45:00 1970-01-01 00:00:00 বাড়তি কর সিমেন্টের ‘দাম বাড়াবে ৪২ টাকা’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78708 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387473_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387473_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>অবকাঠামো খাতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বেসরকারি খাতে চলমান নির্মাণযজ্ঞে চাহিদার প্রায় পুরোটাই জোগান দিচ্ছে দেশের সিমেন্ট খাত। তবে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সিমেন্ট খাতে যে করারোপ করা হয়েছে, তাতে প্রতি বস্তা সিমেন্টের দাম ৪২ টাকা বাড়বে।<br>উদ্যোক্তাদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি ও ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতনের কারণে দেশের সিমেন্ট খাত এমনিতেই লোকসানের মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় প্রস্তাবিত বাজেটে বাড়তি করের চাপে সিমেন্ট খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর ফলে খাতটিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা।<br>আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ হারে অগ্রিম করারোপের কথা বলা হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ৮২সি ধারা অনুযায়ী, আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ উৎসে কর্তন করা অগ্রিম আয়কর এবং স্থানীয় পর্যায়ে সরবরাহের ওপর ৩ শতাংশ উৎসে কর্তন করা অগ্রিম আয়কর ন্যূনতম আয়কর হিসেবে গণ্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে দাম বাড়বে ৪২ টাকা। কারণ ভ্যাট ও অগ্রিম কর আরোপ করার কারণে সিমেন্টের এক টন কাঁচামাল আমদানিতে খরচ বাড়বে ৮৫০ টাকা। এক টনে ২০ ব্যাগ সিমেন্ট হয়। সে হিসাবে প্রতি ব্যাগ সিমেন্টে দাম ৪২ টাকা বাড়বে and nbsp; তবে অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হলে খরচ কমে আসবে।<br>উদ্যোক্তাদের মতে ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া ভ্যাট আইনের প্রভাব আবাসন খাতে পড়ার পাশাপাশি সরকারের অবকাঠামো খাতের বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে ব্যয়ও বাড়বে। পাশাপাশি প্রস্তাবিত বাজেটে চাপে থাকা মধ্যবিত্তদের ওপর খড়্গ পড়ার তালিকায় আরেকটি পণ্যের নাম যুক্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যক্তিগত গৃহনির্মাণ খরচ অনেক বেড়ে যাবে।<br>আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবাসন খাত চাঙ্গা করতে প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছে, অগ্রিম কর বা অগ্রিম ট্যাক্স প্রত্যাহার করা না হলে তা অনেকটাই বিফলে যাবে। সিমেন্টের ব্যয় বাড়লে সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ও বাড়বে। দেশে এখন পদ্মা সেতু, ঢাকা উড়াল সেতু, ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের মতো বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। কিন্তু বস্তাপ্রতি সিমেন্টের দাম ৪২ টাকা বাড়লে এসব প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে গতি ব্যাহত হবে।<br>সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রকৌশলীরা জানান, রেট সিডিউলের ওপর ভিত্তি করে অধিদপ্তরের প্রকল্প ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়। নির্মাণসামগ্রীর দরের ওপর ভিত্তি করে রেট সিডিউল তৈরি করা হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে রেট সিডিউল নির্ধারণ করেছে সওজ অধিদপ্তর। এবার সিমেন্টের দাম বাড়লে সিডিউল রেট হার নতুন করে নির্ধারণ করতে হবে।<br>সওজের ঢাকা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সবুজ উদ্দিন খান বলেন, সড়ক উন্নয়নের যে বড় বড় প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে ও হয়েছে, সিমেন্টের দাম বাড়লে সেগুলোর ব্যয় বেড়ে যেতে পারে।<br>বাংলাদেশ সিমেন্ট প্রস্তুতকারক সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান এবং ডায়মন্ড সিমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল খালেক বলেন, ‘বর্তমানে সিমেন্ট সরবরাহ পর্যায়ে ভ্যাট দিতে হয় ১৫ শতাংশ। আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় করলে এর জন্য ব্যাংক ঋণ করতে হবে। ব্যাংক ঋণের জন্য আমাদের সুদের হার বৃদ্ধি পাবে। এই অতিরিক্ত ৫ শতাংশ পরে সমন্বয় করা সম্ভব হবে না। কারণ এই শিল্পে শুধু গ্রান্ডিং ও মিক্সিং করা হয়। এটি শতভাগ কাঁচামাল আমদানিনির্ভর শিল্প। মূল্য সংযোজনের হার খুবই কম। ফলে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আগাম কর সমন্বয়ের সুযোগ নেই। এতে ব্যাগপ্রতি দাম বাড়বে ৪২ টাকা।’<br>আবাসন খাতের মালিকদের সংগঠন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাতের অন্যতম প্রধান উপকরণ সিমেন্ট সেক্টরে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে আবাসন খাতে প্রভাব ফেলবে। ফ্ল্যাটের দাম বাড়বে। ফলে প্রস্তাবিত বাজেটে আবাসন খাত চাঙ্গা করার জন্য যেসব সুবিধা দেওয়া হয়েছে, তা থেকে আমরা বঞ্চিত হব।<br>সিমেন্ট শিল্পে বছর বছর চাহিদা বাড়ছে। দেশের মোট সিমেন্টের ২৫ শতাংশ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাতারা। ৩৫ শতাংশ করে আবাসন ব্যবসায়ীরা। বাকি ৪০ শতাংশ সরকারি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ব্যবহার করা হয়। সিমেন্ট শিল্প মালিকদের হিসাবে, দেশের মোট সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা বছরে তিন কোটি টন।<br>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পদ্মা সেতু, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ আবাসন খাতের সব প্রকল্পে দেশের উৎপাদিত সিমেন্ট সরবরাহ করা হচ্ছে। সিমেন্টের দাম বাড়লে এসব বড় প্রকল্পের ব্যয়ও বাড়বে। অর্থাৎ শুধু ৫ শতাংশ অগ্রিম কর আরোপের কারণে সিমেন্ট শিল্পের পাশাপাশি আবাসন খাত এবং সরকারের বড় প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।<br>সংশ্লিষ্টদের এ দাবির সঙ্গে অনেকটাই একমত পোষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এম এ বাকী খলীলী বলেন, ‘এ খাতে বাড়তি কর ধার্য করার ফলে সরকারের রাজস্ব যে বাড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এর ফলে বিনিয়োগ ব্যয় বেড়ে যাবে। বড় বড় প্রকল্পের ব্যয় আরো এক দফা বাড়বে। পাশাপাশি সিমেন্টের অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাবে।’<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 ঋণখেলাপির তথ্য দিল বাংলাদেশ ব্যাংক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78707 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387428_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387428_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে খেলাপি ও অকার্যকর ঋণের পরিমান ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। বাকি ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে বিভিন্ন আদালতের আদেশে আটকে আছে ৮০ হাজার কোটি টাকা । আর অবলোপনকৃত ঋণের পরিমান ৩০ হাজার কোটি টাকা।<br>আজ সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এমন তথ্য উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি খেলাপি ঋণের তথ্য আদালতে সিলগালা অবস্থায় উপস্থাপন করেন। তবে কোন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি বা অর্থের পরিমাণ কত তা আদালতে প্রকাশ্যে জানানো হয়নি।<br>মোট ঋণের দুই শতাংশ এককালীন জমা দিয়ে একজন ঋণখেলাপি ১০ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ পাবেন—বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন নীতিমালার কার্যক্রমের ওপর ইতিপূর্বে দেওয়া স্থিতাবস্থার মেয়াদ আরও দুই মাসের জন্য বাড়িয়েছেন আদালত। এর আগে ২১ মে হাইকোর্ট ঋণখেলাপিদের তথ্য সংক্রান্ত তথ্যাদি ২৪ জুন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন এক মাসের জন্য। এর ধারাবাহিকতায় আজ ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্যাদি আদালতে দাখিল করা হয়।<br>আদালতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন, আইনজীবী মুনীরুজ্জামান। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন, আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার উপস্থিত ছিলেন।<br>২০০৯ সালের শুরুতে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। ২০১৮ সাল শেষে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। এ ছাড়া অবলোপন ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা। ফলে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বেশি।<br><br> </body></HTML> 2019-06-25 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে হত্যাকান্ডসহ নানা অপরাধে বহিরাগত কিশোররা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78706 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387068_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387068_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥ <br>ফেনী শহর ও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে হত্যাকান্ডসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কিশোররা। এসব অপরাধীদের অধিকাংশই বহিরাগত। ফেনীতে ৪টি হত্যাকান্ডে পুলিশের ক্লু উদঘাটনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। এসব অপরাধীরা ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী। এ বয়সে তারা ভয়ঙ্কর অপরাধে জড়িতে জেল খাটছে।<br>পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শহরের গাজীক্রস রোডের হাসান আলী ভূঁঞা বাড়ি সংলগ্ন হক ম্যানশন থেকে ৩০ মে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিয়ন সফি উল্যা (৬০) এর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহতের ছেলে আবদুল মোতালেব বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো: মাঈন উদ্দিন ভূঁঞা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের একাডেমী এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডে জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত হলো বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ থানার পঞ্চকরণ গ্রামের চাঁন মিয়া হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার (১৯) ও তার ভাই রনি (১৬), একই থানার সুনিজর গ্রামের কাজী বাড়ীর মো: আব্বাস খানের ছেলে মো: ইয়াছিন সাকিব (১৬), লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চর মোহনা গ্রামের আলীমুদ্দিন দেওয়ান বাড়ীর মো: জয়নাল আবেদীনের ছেলে মেহেদী হাসান রাব্বি (১৬)। টাকা চুরি করতে পিয়ন মো: সফি উল্যাহকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে রাব্বি, সাকিব ও রনি। হত্যা করে ১ লাখ টাকা ও স্বর্ণ, ১টি ওয়ালটন মোবাইল সেট নিয়ে যায়। সাকিব ১০ হাজার ও মোবাইল ফোন, রাব্বি ১০ হাজার এবং রনি ৫শ টাকা ভাগে পায় বলে আদালতে জবানবন্দিতে জানায়। সোহেল, রনি, রাব্বি ও সাকিব গাজী ক্রস রোডে ভাড়া থাকে।<br>১৯ মে সদর উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের উত্তর ছনুয়া গ্রামে নিখোঁজের দুইদিন পর বেলায়েত হোসেন (৪৫) নামের এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। জড়িত সন্দেহে ওই দিন ফার্মের কর্মচারী মো: ফুজায়েল আহম্মদকে গ্রেফতার করে। ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম ও বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ওমর হায়দার অভিযান চালিয়ে শনিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে সংলগ্ন সদর উপজেলার উত্তর ছনুয়া গ্রামের একটি খাল থেকে পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। মনোমালিন্যের জের ধরে বেলায়েত হোসেনকে হত্যার কথা স্বীকার করে পরের দিন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় ফুজায়েল। ফুজায়েল নেত্রকোনা জেলার বারহাটি থানার আবদুল ওহাবের ছেলে। নিহতের ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে ফার্মের কর্মচারী মো: ফুজায়েল আহম্মদকে আসামী করে ফেনী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ৭ এপ্রিল ভোরে স্কুল ছাত্র আরাফাত হোসেন শুভ (১৪) এর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আরাফাত পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের তেমুহনী মাদার কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, ৩১ মার্চ রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তেমুহনী এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। ৭ এপ্রিল রবিবার ভোরে পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারায় একটি কলা বাগানের ঝোপ থেকে গলাকাটা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শুভ দক্ষিণ কাশিমপুর কালা মিয়া কণ্ট্রাক্টর বাড়ীর প্রবাসী ইমাম হোসেনের ছেলে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুরেজিৎ বড়–য়া জানান, ৮ এপ্রিল সোমবার বিকালে পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মধ্যম মাথিয়ারা গ্রামের আবদুস সালাম মিস্ত্রী বাড়ী থেকে মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে ও তেমুহনী মাদার কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার করে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে বলে পরেরদিন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে সহপাঠী মো: ইসমাইল হোসেন ইমন (১৪)। ইমনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তার ঘরের আলমিরা থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়। ২৭ জানুয়ারী শহরের পাঠানবাড়ী এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া স্কুল ছাত্র আরাফাত হোসেন (১২) এর লাশ পরের দিন পাঠান বাড়ী এলাকার জেবি টাওয়ারের সামনে থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, ২৮ জানুয়ারী দুপুরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূলহোতা সাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়। হত্যাকারীরা আরাফাতের পা ভেঙ্গে ফেলে নৃশংসভাবে তাকে হত্যা করে। ২৯ জানুয়ারী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শাহজাহান সাব্বিরকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রের জাকির হোসাইনের আদালতে হাজির করলে হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে সাব্বির সেদিন লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেয় ও জড়িত ৪/৫ জনের নাম প্রকাশ করে। জবানবন্দিতে সাব্বির আরো জানায়, মুন্না, তুহিন ও সাব্বিরসহ চারজনে মিলে গলাচিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। সাব্বির বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ থানার অধিবাসী হলেও সে পাঠান বাড়ী এলাকার এমরানের কলোনীতে ভাড়া থাকে। নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে আরাফাতদের নির্মাণাধীন বিল্ডিং এ কাজ করে। আরাফাতের মা বিবি রাবেয়া বাদী হয়ে সাব্বির প্রধান আসামী ও অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। আরফাত প্রবাসী মো: জসিম উদ্দিনের ছেলে। সে পুলিশ লাইন্স স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র ছিল। </body></HTML> 2019-06-24 20:37:32 1970-01-01 00:00:00 মনে হয়েছিল আজ আমার জীবনের শেষ দিন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78705 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387033_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561387033_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>‘যে বগিটি ছিটকে পড়ে গেছে, আমি সেই বগির পেছনে ছিলাম। আমার মনে হয়েছিল আমি আর বাঁচব না। আজ আমার জীবনের শেষ দিন। আমি প্রথমেই বগি থেকে বের হয়েছি। আমার বগিতে দুইজন নিহত হয়েছে। যারা মারা গেছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।’<br>কমলাপুর রেলস্টেশনে নেমে দুর্ঘটনাকবলিত বগি থেকে কাকতালীয়ভাবে বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের একজন and nbsp; সোমবার সকাল পোনে ১১টার দিকে এ কথা বলেন।<br>সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার সাতপাক গ্রামের আহত ওই ব্যক্তি আরও বলেন, ‘ঘটনার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। এলাকার জনগণ যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসছে। মাইকিং করেছে। এরপরই পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, ডাক্তার এসে আমাদের উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছে।’<br>তার আগে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় দুর্ঘটনায় পড়া উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি সাতটি বগি নিয়ে সকাল ১০টার দিকে কমলাপুর এসে পৌঁছায়।<br>বিষয়টি and nbsp; নিশ্চিত করে কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার and nbsp; বলেন, দুর্ঘটনার কারণে সিলেটের দুটি ট্রেনের শিডিউল বাতিল করা হয়েছে। সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। কখন থেকে আবার পুরোপুরি চালু হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। </body></HTML> 2019-06-24 20:36:52 1970-01-01 00:00:00 কোনো কাজের জন্য ঘুষ দেবেন না, ১০৬ নম্বরে ফোন দিন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78704 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386992_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386992_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেছেন, সমাজ থেকে দুর্নীতি বিদায় করতে নিজের ইচ্ছাই যথেষ্ট। সোমবার নেত্রকোনায় দিনব্যাপী দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। দুদক ময়মনসিংহ বিভাগীয় দপ্তরের আয়োজনে ও দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা দুদকের সহযোগিতায় এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। দুর্নীতির বিষয়ে দেশের ১১৫তম গণশুনানি অনুষ্ঠানে জেলার প্রায় ৫৬ জন ভুক্তভোগী সংশ্লিষ্ট অফিসের বিভিন্ন হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগের মধ্যে বেশ কয়েকটি অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হয়। অন্যান্য অভিযোগ নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। গণশুনানিতে দুর্গাপুর উপজেলা ভূমি, সাবরেজিস্ট্রি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পল্লীবিদ্যুৎসহ বিভিন্ন অফিসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এতে উপস্থিত ছিলেন দুদক ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক মো. নাসিম আনোয়ার, উপ-পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মঈনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা খানম, পৌর মেয়র মাওলানা আব্দুল সালাম ও এএসপি সাইদুর রহমান প্রমুখ। ‘জনতার শক্তি, রুখবে দুর্নীতি’ প্রতিপাদ্যে সভায় বক্তারা বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঘুষখোর ও দুর্নীতিবাজদের স্থান না দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরই এগিয়ে আসতে হবে। কোনো কাজের জন্য সরকারি কর্মকর্তারা ঘুষ চাইলে আপনারা ঘুষ না দিয়ে দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করবেন। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয়ে সবাই এগিয়ে আসুন। </body></HTML> 2019-06-24 20:35:43 1970-01-01 00:00:00 বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাচ্ছে শত শত পরিবার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78703 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386915_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386915_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>জোয়ারের পানি আসা শুরু হতে না হতেই যমুনায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। ভাঙনের ফলে বর্ষার শুরুতেই যমুনার পেটে যাচ্ছে নদী তীরবর্তী টাঙ্গাইলের মামুদনগর ইউনিয়নের ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি।<br>পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরিভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা করলেও তা পানির গ্রোতে ভেসে যাচ্ছে। ভাঙন আতঙ্কে ইতোমধ্যে ওসব গ্রামের সহগ্রাধিক পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। ইতোপূর্বে ইউনিয়নটির ৭নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনরোধে একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।<br>টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির ঢলে যমুনার পানি বেড়ে যাওয়ায় মামুদ নগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙনরোধে পাউবোর আপদকালীন তহবিল থেকে ১২টি স্প্যানের জায়গা নির্ধারণ করে প্রতি স্প্যানে তিন হাজার করে জিওব্যাগ ডাম্পিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জরুরি কার্যক্রম হিসেবে ১৭ জুন থেকে ওসব স্প্যানে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।<br>সরেজমিনে দেখা যায়, যমুনার বাম তীরে অবস্থিত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মামুদ নগর ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম ভেঙে গেছে। গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে কুকুরিয়া, কেশব মাইঝাইল, মাইঝাইল, সোনা মাইঝাইল, বারবাড়িয়া, চালা বাকলা ও বানিয়াপাড়া।<br>এসব গ্রামের পাঁচ শতাধিক পরিবার বর্ষার শুরুতেই ভাঙনের শিকার হয়ে অন্যত্র চলে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে পাট, ধান, বাদামসহ বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ইতোমধ্যে যমুনার গর্ভে বিলীন হয়েছে। এর আগে বৃষ্টির কারণে যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অসময়ের ভাঙনের শিকার হয়ে আরও পাঁচ শতাধিক পরিবার অনত্র্য চলে যায়। ভরা বর্ষায় যমুনার গ্রোতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগেই গবাদি পশুসহ ঘর-বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। ভাঙনকবলিত এলাকার আব্দুল হাই, করিম শেখ, জুলহাস, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল, আবু সাইদ, সিরাজুল ইসলাম, মো. কছির উদ্দিন মন্ডল, রাজ্জাক প্রামাণিক, আ. খালেক রোশনাই, সাবেক মেম্বার আজমত আলী, আরমান, মান্নান, জিন্নত সরকার, আ. সামাদ ও রহম আলী সরকারসহ অনেকেই জানান, যমুনা সর্বগ্রাসী। প্রতি বছরই আমাদের ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি কেড়ে নেয়। মামুদ নগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড পুরোটাই যমুনার পেটে। ওয়ার্ডের দুই হাজার ৭০০ ভোটারের প্রত্যেকের পরিবার আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি কিংবা নিজেরা অন্যত্র বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছেন।<br>দুটি হাই স্কুল, চারটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা-মসজিদ, গোরস্থানসহ অনেক প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া পাঁচটি মসজিদ, তিনটি গোরস্থানসহ পাঁচ শতাধিক ঘর-বাড়ি ও বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি ভাঙনের মুখে রয়েছে। কুকুরিয়া গ্রামের করিম শেখ জানান, তার নিজের ১৬ বিঘা ফসলি জমি যমুনা গ্রাস করেছে। তিনি আগেই বাজারের পাশে বাড়ি করেছিলেন। বর্তমানে সেই বাড়িটি তার একমাত্র সম্বল। একই গ্রামের আবু সাইদ জানান, তাদের পরিবারের ১৫০ বিঘা জমি ছিল। সবই যমুনার পেটে চলে গেছে। তিনি করটিয়ায় বাড়ি নির্মাণ করে সেখানে বসবাস করছেন।<br>মামুদ নগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাজেদুর রহমান তালুকদার জানান, যমুনা ও ধলেশ্বরীর ভাঙনে মামুদ নগর ইউনিয়নের মানুষ দিশেহারা। একদিকে যমুনার করাল গ্রাস অন্যদিকে ধলেশ্বরীর বিরামহীন ভাঙনে ইউনিয়নবাসীর নাভিশ্বাস উঠেছে। ইতোমধ্যে ইউনিয়নটির বসতবাড়ি, প্রাইমারি ও হাই স্কুল, মসজিদ, মাদরাসাসহ ফসলি জমির নদীগর্ভে বিলীন হয়ে অনেক কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।<br>এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, কুকুরিয়া থেকে উজানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে স্থায়ী বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু হবে। তবে ভাঙনরোধ ও জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে ওই এলাকায় ১২টি স্প্যানে ৩৬ হাজার জিওব্যাগ ফেলা হয়েছে। স্প্যানে জিওব্যাগ ফেলার কারণে পানির গ্রোতের গতি অনেকটা পরিবর্তিত হয়ে পশ্চিম দিকে সরে গেছে। তবে দুই স্প্যানের মাঝে ভাঙন দেখা দেয়ায় সেখানেও জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আরও পাঁচ হাজার জিওব্যাগ মজুত রাখা হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের সাহায্যে পাউবো সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। </body></HTML> 2019-06-24 20:34:29 1970-01-01 00:00:00 ভোটার নেই, একজন ঘুমে অন্যজন মোবাইলে ব্যস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78702 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386849_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386849_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিট। বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা জিলা স্কুল কেন্দ্রে দায়িত্বরত দুই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার মধ্যে একজন ঘুমিয়ে আছেন, অন্যজন মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত আছেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে এমন চিত্র দেখা গেছে।<br>সকাল ৯টায় ভোট শুরুর পর থেকেই থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করলেও তা হয়নি। সংশিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে- দুপুর ১টা পর্যন্ত ২/৩টি কেন্দ্র বাদে অধিকাংশ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ ১০ ভাগের বেশি হয়নি। বগুড়া জিলা স্কুল কেন্দ্রে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে ৯ ভাগ। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ১ হাজার ৯৭৭ জন। এদিকে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্যান্য প্রার্থীদের এজেন্টরা ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করছেন। ১৪১টি ভোটকেন্দ্রের কোনোটিতেই এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি।<br>বগুড়া সুবিল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে ৬ ভাগ। এই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবুল হোসেন বলেন, বসে থেকে সময় কাটাচ্ছি। ভোটার নেই আমরা কি করবো<br>বগুড়া সেন্ট্রাল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ৩ হাজার ৯৬৬ ভোটারের মধ্যে দুপুর ১টা পর্যন্ত মাত্র ৩২২জন ভোট দিয়েছেন।<br>বগুড়া সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমএম বদিউজ্জামান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। </body></HTML> 2019-06-24 20:33:55 1970-01-01 00:00:00 প্রশাসনকে বলেও কাজ হয়নি নিজেরাই করল সাঁকো সংস্কার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78701 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386751_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386751_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ডুবলদিয়া-হাওলাদারকান্দি-আকনকান্দি সড়কের খালের ওপরের বাঁশের সাঁকোটি ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সাঁকোটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। অবশেষে চলাচলের জন্য গ্রামবাসী ওই সাঁকো সংস্কার করে নিয়েছেন। জাজিরা উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, জাজিরা উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম ডুবুলদিয়া, হাওলাদারকান্দি ও আকনকান্দি। শরীয়তপুর-ঢাকা সড়ক থেকে ওই তিন গ্রামে যাতায়াতের জন্য একটি মাটির কাঁচা সড়ক রয়েছে। গত বছর গ্রামবাসী ওই সড়ক স্বেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করেন। সড়কটির একটি অংশে খাল রয়েছে। খালের ওপর সাঁকো দিয়ে গ্রামবাসী যাতায়াত করতেন। গত বছর সড়ক সংস্কার ও প্রশস্ত হওয়ায় গ্রামবাসী বাঁশের সাঁকোটি প্রশস্ত ও মজবুত করেন। তখন ওই সড়ক দিয়ে রিকশা-ভ্যান চলাচল শুরু করে। সেই সঙ্গে বড়কান্দি ও পালেরচর ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের মানুষ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। এর মধ্যে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। দীর্ঘদিন স্থানীয় প্রশাসনের লোকজনকে বলেও কাজ না হওয়ায় অবশেষে নিজেরাই সাঁকোটি সংস্কার করে নেন। হাওলাদারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান সাঁকোটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন। সাঁকোটি সংস্কার করার জন্য গ্রাম থেকে কিছু টাকা উত্তোলন ও বাঁশ সংগ্রহ করা হয়। আব্দুর রহমান বলেন, পড়ালেখা শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছি। বাড়িতে যখন আসি অনেক কষ্ট লাগে। গ্রামের মানুষের চলাচলের সড়কের খারাপ অবস্থা দেখে বসে থাকতে পারিনি। গ্রামের কিছু মানুষ নিয়ে নিজে সাঁকো সংস্কার কাজে নেমে পড়ি। অনেকে এগিয়ে এসেছেন। কেউ নগদ টাকা, কেউ বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সহায়তা করেছেন।<br>আকনকান্দি গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক শামছুদ্দিন হাওলাদার বলেন, এই সাঁকো দিয়ে ১২টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়ে গ্রামবাসী। গ্রামের যুবকরা এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন। তাদের সঙ্গে আমরাও সামিল হয়েছি। প্রশাসনের আশায় বসে না থেকে নিজেরাই সাঁকোটি সংস্কার করে নিয়েছি। জাজিরার বড়কান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, দুর্যোগ ও ত্রাণ অধিদপ্তর থেকে ওই স্থানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। যেহেতু সরকারি একটি প্রকল্প থেকে সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে সেহেতু নতুন করে ওই স্থানে কোনো টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে না। তাই সাঁকোটি সংস্কার করা হয়নি। এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, ডুবুলদিয়া, হাওলাদারকান্দি ও আকনকান্দি গ্রামের সড়কটির চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য সেতু নির্মাণ করা হবে। এলজিইডি থেকে ওই স্থানে একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আগামী অর্থবছরে সেতুর নির্মাণকাজের উদ্যোগ নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-06-24 20:32:11 1970-01-01 00:00:00 সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ ২ ধর্ষক গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78700 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386632_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386632_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদরাসাছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার দশআনি বকশিয়া গ্রামের সোহরাব আলী তালুকদারের ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত আমীর আলীর ছেলে হামিদ এলাইস আলফিন। গত শুক্রবার উপজেলার দশআনি বকশিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।<br>এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে সোমবার (২৪ জুন) সকালে ওই দুইজনকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত দুই ধর্ষক আলমগীর ও হামিদকে গ্রেফতার করে সোমবার টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করে।<br>জানা গেছে, উপজেলার দশআনী বকশিয়া গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। গত শুক্রবার ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে বের হয়। এসময় ধর্ষক আলমগীর ও হামিদ তাকে বন্ধুর সাথে দেখা করার জন্য সহযোগিতা করবে বলে জানায়। পরে ওই ছাত্রীকে কৌশলে নিয়ে গিয়ে দুইজন মিলে গণধর্ষণ করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। পরে ছাত্রীটি বাড়িতে পৌছে পরিবারকে তাকে ধর্ষণ করার বিষয়টি জানায়। ছাত্রীর তথ্যের ভিত্তিতে পরে তার মা বাদি হয়ে সোমবার সকালে ওই দুইজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) এনামুল হক চৌধুরী জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় ছাত্রীটির মা বাদি হয়ে সোমবার সকালে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত ওই দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করে। পরে আদালত তাদের প্রত্যেককে সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। এছাড়া ওই ধর্ষিত ছাত্রীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নারায়ন চন্দ্র সাহা জানান, ধর্ষণের শিকার মাদরাসাছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। </body></HTML> 2019-06-24 20:30:15 1970-01-01 00:00:00 মহারাষ্ট্রে তিন বছরে ১২ হাজার কৃষকের আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78699 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386515_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386515_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ভারতে দেনার দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা যেন একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সম্প্রতি মহারাষ্ট্র রাজ্যের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী সুভাষ দেশমুখের এক পরিসংখ্যান এই অবস্থাটা যে কতটা প্রকট তা ফুটিয়ে তুলেছে। গত ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই তিন বছরে খরাসহ বিভিন্ন সমস্যার জেরে মহারাষ্ট্র জুড?ে প্রায় ১২ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। বিরোধী বিধায়কের প্রশ্নের জবাবে শনিবার মহারাষ্ট্রের ত্রাণ ও পুর্নবাসন মন্ত্রী সুভাষ দেশমুখ লিখিত উত্তরে এটি জানান। দেশমুখ বলেন, শুধু গত তিন বছরেই রাজ্যে ১২ হাজার ২১ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আর চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৬১০ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন বলেও জানান তিনি। এসব কৃষকের মধ্যে ১৯২ জনের সরকারি সাহায্য পাওয়া উচিত ছিল বলেও জানিয়েছেন দেশমুখ। মহারাষ্ট্রে ত্রাণ ও পুর্নবসান মন্ত্রী বলেন, যে ১২ হাজার ২১ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে; তাদের মধ্যে অন্তত ছয় হাজার ৮৮৮ কৃষক পরিবারের সরকারি সাহায্য পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা যথাসময়ে সাহায্য পাননি। মৃত্যুর পর ছয় হাজার ৮৪৫ পরিবারকে এক লাখ রুপির আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কৃষক মৃত্যু ঠেকাতে ইতোমধ্যে বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। কিন্তু তারপরও গত চার বছরে শুধু ঔরঙ্গাবাদেই চার হাজার ১২৪ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। </body></HTML> 2019-06-24 20:28:20 1970-01-01 00:00:00 ইরানের এমন অবস্থা হবে যা আগে কেউ দেখেনি : ট্রাম্প http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78698 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386483_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386483_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, যুদ্ধ হলে তাদের (ইরানের) এমন অবস্থা হবে যা কেউ এর আগে কখনো দেখেনি। গত সপ্তাহে ইরান মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার পর দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থার প্রেক্ষিতে এমন হুশিয়ারি উচ্চারণ করলেন তিনি।<br>গত সপ্তাহে ইরান তাদের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করে। আর এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ট্রাম্প ইরানে হামলার নির্দেশ দেন। পরে অবশ্য সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি। ওয়াশিংটন বলছে, তাদের ড্রোনটি পারস্য সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার উপরে অবস্থান করছিল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের মিট দ্য প্রেসে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয় তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে সরাসরি কি বার্তা দিতে চান। জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চান না কিন্তু সামরিকভাবে মুখোমুখি হলে ইরান কোনো সুযোগই পাবে না। ট্রাম্প তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেন, ‘আমি কোনো যুদ্ধ চাই না তবে যদি সেটা হয় তাহলে এমন কিছু ঘটবে যা আপনি জীবনে কখনো দেখেননি। কিন্তু আমি সেটা করতে চাই না কিন্তু আপনি কোনো পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবেন না। আপনি যদি আলোচনা চান তাহলে ভালো। অন্যথায় আপনার (ইরানের) আগামী তিন বছরের অর্থনৈতিক অবস্থার শোচনীয় হবে।’ আলোচনা নিয়ে ওয়াশিংটনের কোনো পূর্বশর্ত আছে কি না ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘না আমি ওটা নিয়ে উদ্বিগ্ন না। কোনো পূর্বশর্ত নেই।’ ট্রাম্প আরও জানান যে, তিনি ইরানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত। আর তা নাহলে তাদেরকে আগামীতে অনেক বছর অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা হবে। গত বৃহস্পতিবার ইরান যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচর ড্রোন ভূপাতিত করার পর ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে চলা উত্তেজনা যুদ্ধাবস্থার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে ইরানে হামলার অনুমোদন দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে অবশ্য তিনি তার মত পাল্টান। ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ছয় জাতির পারমাণবিক চুক্তি থেকে গত বছর নিজের দেশকে প্রত্যাহার করে নেন ট্রাম্প।<br> and nbsp;যার কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তেই থাকে। এ ছাড়া গত দুই মাসে দুবার মধ্যপ্রাচ্যে তেলের ট্যাংকারে হামলায় ইরান জড়িত বলে ওয়াশিংটনের দাবি এবং মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার পারদ এখন চরমে।<br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:27:50 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার হামলা ব্যর্থ হয়েছে : ইরান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78697 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386453_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386453_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<div>ইরানের অস্ত্র ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যে সাইবার হামলা চালিয়েছে তা ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। ইরানের টেলিকম-মন্ত্রী সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের ওপর সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পর পরই তেহরানের অস্ত্র ব্যবস্থার ওপর সাইবার হামলা চালানো হয়েছে বলে ওয়াশিংটনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।</div>অপরদিকে, নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটারের ওপর সাইবার হামলা চালিয়ে তা অকার্যকর করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই সাইবার হামলা সফল হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ইরানের অস্ত্র ব্যবস্থা অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।<br>কিন্তু ইরান বলছে ওই হামলা সফল হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বেশ কিছুদিন আগে ওমান উপসাগরে দুটি তেলের ট্যাঙ্কারে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইরানকে দোষারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।<br> and nbsp;তারপর থেকেই দু'দেশের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।<br>অপরদিকে, বৃহস্পতিবার ইরানের আকাশসীমায় একটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার প্রতিশোধ হিসেবেই সাইবার হামলা চালানো হয়েছে।<br>ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ আজারি জাহরোমি বলেছেন, তারা অনেক পরিশ্রম করেছে। কিন্তু তাদের হামলা সফল হয়নি। এই হামলাকে সাইবার সন্ত্রাসবাদ বলে উল্লেখ করেছেন আজারি জাহরোমি। </body></HTML> 2019-06-24 20:27:02 1970-01-01 00:00:00 মানিব্যাগ চুরি করে বরখাস্ত এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78696 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386404_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386404_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিমানবন্দরের করমুক্ত দোকান থেকে ম্যানিব্যাগ চুরির অভিযোগে ভারতের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার একজন পাইলটকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক (পূর্ব) হিসেবে কর্মরত ছিলেন রোহিত ভাসিন নামের ওই পাইলট। শনিবার সিডনি বিমানবন্দরের একটি করমুক্ত দোকান থেকে রোহিত মানিব্যাগ চুরি করেছেন বলে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার আঞ্চলিক ম্যানেজার এই অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এরপরই রোববার রোহিতকে বরখাস্ত করে তদন্ত শুরু করে এয়ার ইন্ডিয়া। এ বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার একজব মুখপাত্র বলেছেন, আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার ওই পাইলট। গত ২২ জুন সিডনি থেকে দিল্লিগামী এআই ৩০১ ফ্লাইটে পাইলট হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন রোহিত। ওই ফ্লাইটটি অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগে সিডনি বিমানবন্দরের করমুক্ত দোকান থেকে না বলে একটি মানিব্যাগ তুলে নেয়া অভিযোগ ওঠে রোহিতের বিরুদ্ধে। এর জেরে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এ জন্য একটি কমিটিও তৈরি হয়েছে বলে জানান ওই মুখপাত্র। এয়ার ইন্ডিয়ার ওই মুখপাত্র আরও বলেন, আমাদের বিমান সংস্থা কর্মীদের সঠিক আচরণের দিকে সবসময় নজর রাখে। এই বিষয়টিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারও দেয়। কেউ যদি কোনও অন্যায় আচরণ করেন, তার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স পলিসি অনুসরণ করা হয়।<br>দিল্লি বিমানবন্দরে ফেরার পরই রোহিতের হাতে সাসপেনশনের চিঠি ধরিয়ে দেয়া হয়। জমা নেয়া হয়েছে তার পরিচয়পত্রও।<br> and nbsp;এছাড়া তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও না যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে পাইলট রোহিতকে। </body></HTML> 2019-06-24 20:26:17 1970-01-01 00:00:00 যে বিয়েতে খরচ হলো ২০০ কোটি টাকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78695 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386335_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386335_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>গত বছর মেয়ের বিয়েতে ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানি খরচ করেছেন ১০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ৮৪০ কোটি টাকা। বিশ্বের সবচেয়ে দামি বিয়ে ছিল এটি। আম্বানিদের পর এবার হাই-প্রোফাইল জোড়া বিয়ের সাক্ষী থাকল প্রতিবেশী দেশ ভারত। প্রবাসী ভারতীয় ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিতর্কিত ব্যবসায়ী পরিবার গুপ্ত ব্রাদার্স-এর দুই উত্তরাধিকারীর বিয়ে হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। বিয়ের অনুষ্ঠানে এমন কিছু যেন না করা হয় যা পরিবেশের ক্ষতি করবে এমন প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে আদালতে ৩ কোটি টাকা আগাম জমা দিতে হয় তাদের। বিয়ের আসর বসে উত্তরাখণ্ডের আউলিতে। বিয়েতে মোটা টাকার বিনিময়ে পারফর্ম করেন অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ থেকে র‌্যাপার বাদশা, টেলিভিশনের ‘নাগিন’ থেকে ইন্ডিয়ান আইডল অভিজিত সাওয়ান্ত, এমনকি যোগগুরু বাবা রামদেবও। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২০০ অতিথি বিয়েতে যোগ দেন। বিয়েতে হাজির হন বাঘা বাঘা রাজনীতিবিদরাও। উত্তর প্রদেশের সাহরানপুরের বাসিন্দা এই গুপ্ত পরিবার। ১৯৯৩ সালে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা চলে যায়। সেখানে সাহারা কম্পিউটার্সের প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দ্য নিউ এজ’ নামে একটি সংবাদপত্রও তাদের মালিকানাধীন। তিন ভাই অজয় গুপ্ত, অতুল গুপ্ত এবং রাজেশ গুপ্ত মিলে ব্যবসা সামলান। অজয় গুপ্তর ছেলে সূর্যকান্ত গুপ্তর বিয়ে ছিল গত বৃহস্পতিবার। আর এক ভাই অতুল গুপ্তর ছেলে শশাঙ্কের বিয়ে ছিল শনিবার। দিল্লির বাসিন্দা হীরা ব্যবসায়ী সুরেশ সিঙ্ঘলের মেয়ে কৃতিকার সঙ্গে বিয়ে হয় সূর্যকান্তের। শশাঙ্কের বিয়ে হয়েছে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী বিশাল জালানের মেয়ে শিবাঙ্গির সঙ্গে। আউলিতে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল রিসোর্ট এই বিয়ের অনুষ্ঠান বসে। এর কয়েক দিন আগে থেকেই ওই এলাকার সমস্ত হোমস্টেট এবং হোটেল বুক করে নেয়া হয়। বিমানে করে উড়ে আসেন অতিথিরা। তাদের দামি উপহারও দেয়া হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানের মধ্যেই গত ২০ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে সেখানে পৌঁছান বাবা রামদেব।<br>মোটা টাকার বিনিময়ে ওই বিয়েতে পারফর্ম করেন বলিউডের ‘টাইগ্রেস’ ক্যাটরিনা কাইফও। ‘শীলা কি জওয়ানি’গানে মাতান পুরো স্টেজ। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, নোরা ফতেহি, ঊর্বশী রাউতেলা, র‌্যাপার বাদশা, কৈলাশ খের, জাভেদ আলী, আস্থা গিল এবং শ্রুতি পাঠকের মতো শিল্পীরাও পারফর্ম করেন। টেলি জগতের একাধিক পরিচিত মুখকেও দেখা যায় ওই বিয়েতে। যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ‘নাগিন’ খ্যাত সুরভি জ্যোতি, রোশনি চোপড়া, সানা খান, নিয়া শর্মা, হুসেন কুয়াজেরওয়ালা, ইন্ডিয়ান আইডল খ্যাত অভিজিত সাওয়ান্ত এবং সংগীত পরিচালক মিঠুন। বিয়েতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে চেয়ে সেখানে একটি হেলিপ্যাড বানাতে চেয়েছিল গুপ্ত পরিবার। কিন্তু পরিবেশের ক্ষতি করে সেখানে তাদের হেলিপ্যাড বানানোর অনুমতি দেয়নি উত্তরাখণ্ড হাইকোর্ট। বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন পরিবেশের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য তিন কোটি টাকা কোর্টে আগাম জমা দিতে হয় গুপ্ত পরিবারকে।<br>ভারতের এই গুপ্ত পরিবারের উত্থান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। and nbsp; জানা যায়, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জেকব জুমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাদের। এমনকি গুপ্ত পরিবারই আড়াল থেকে জুমা সরকারকে পরিচালনা করত বলেও অভিযোগ রয়েছে। </body></HTML> 2019-06-24 20:25:09 1970-01-01 00:00:00 এবার গাঁজা থেকে তৈরি হবে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78694 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386148_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386148_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>গোটা বিশ্বের বিজ্ঞানীরা গাছপালা, পাতা আর ফুল দিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরির বিষয়ে গবেষণা করছেন। সম্প্রতি এ নিয়ে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা। প্রকাশিত ওই নিবন্ধে বিষয়টি নিয়ে কাজ করা বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভবিষ্যতে গাঁজার বিভিন্ন উপাদান দিয়ে শক্তিশালী নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হবে।<br>শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের জন্য অ্যান্টিবায়োটিক অথবা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ব্যবহার করা হয়। মাঝে মাঝে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়া দেখা যায় যেগুলোকে মেরে ফেলা কিংবা একেবারে ধ্বংস করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। এসব ব্যাকটেরিয়া রোগকে আরও বেশে জটিল করে তোলে। অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী গাঁজার মধ্যে যে উপাদান খুঁজে পেয়েছেন তার নাম ক্যানাবাইডিওল, যা গাঁজার একটি নন-সাইকোঅ্যাকটিভ উপাদান। বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে পরীক্ষা করার পর দেখেছেন যে, এর মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করা সম্ভব। যা প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। বিষয়টি নিয়ে গবেষণাকারী ওই বিজ্ঞানী দল গ্রাম পজিটিভ নামের স্ট্যাফিলোকোক্কাস অরিয়াস টাইপের এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার উপর পরীক্ষা চালিয়েছে। হাসপাতাল বাগ হিসেবে পরিচিত এমআরএসএতে আক্রান্ত্র হওয়ার নেপথ্যে কাজ করে এই ব্যাকটেরিয়া। যার কারণে নিউমোনিয়াসহ আরও বেশ কিছু রোগ হয়। যা মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।<br>গবেষকরা এছাড়াও বিশেষ ধরনের এই বস্তু ইঁদুরের মধ্যেও প্রবেশ করিয়ে পরীক্ষা করিয়েছেন। যাতে প্রথামিকভাবে খুঁজে পাওয়া গেছে যে, এটির মাধ্যমে চর্ম রোগের মতো ভয়ানক রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব। গাঁজার উপাদান থেকে তৈরি অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে খুব সহজেই এই রোগ থেকে আরোগ্য পাওয়া যাবে। গবেষতক দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেন্টার ফর সুপারবাগ সল্যুশনের জ্যেষ্ঠ কেমিস্ট মার্ক ব্লাশকোভিচ। তিনি নিউজ উইককে বলেন, ‘আমরা এখনো জানি না এটি কীভাবে কাজ করবে। তবে এটি ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম একটি মেকানিজম হিসেবে কাজ করতে সক্ষম। এটি সেই সব ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করবে যা সাধারণ অ্যান্টিবায়োটিক দেয়ার পরও থেকে যায়। </body></HTML> 2019-06-24 20:22:15 1970-01-01 00:00:00 লটারির ৮ কোটি ডলারের অর্ধেক দিতে হবে সাবেক স্ত্রীকেও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78693 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386113_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561386113_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>২০১৩ সালে লটারির টিকিট কেটেছিলেন রিচার্ড জেলাস্কো নামের মার্কিন এক নাগরিক। গত সপ্তাহে সেই জ্যাকপট জিতে ৮ কোটি ডলার পেয়ে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছেন তিনি। লটারি জিতলেও তার জন্য অপেক্ষা করছিল এক দুঃসংবাদ। স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের মামলা চলাকালীন এই টিকিট কেটেছিলেন রিচার্ড।<br>এ নিয়ে ওই নারী সম্প্রতি আদালতের কাছে নালিশ করেছেন, লটারি কেনার সময় তিনি রিচার্ডের সংসারে ছিলেন। তাই ওই টাকার ভাগ দিতে হবে তাকে। লটারি জেতার খবর জানার পর আদালতের তিন বিচারকের এক বেঞ্চ স্ত্রী মেরি জেলাস্কোকে অর্ধেক টাকা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের একটি আদালত এই রায় দেন। সাত বছর দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর জোলাস্কো দম্পতি বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন ২০১১ সালে। কিন্তু ২০১৮ সালেও সেই মামলার কোনো রায় বের হয়নি। ২০১৩ সালে ওই লটারির টিকিট কাটেন রিচার্ড। গত সপ্তাহে জানা যায়, তিনি লটারি জিতেছেন। তারপরই বিচারকরা এমন নির্দেশ দেন। যদিও রিচার্ডের উকিল জানিয়েছেন, তিনি আদালতের এই নির্দেশ মেনে নিতে পারছেন না। তার দাবি, রিচার্ড ভাগ্যবান বলেই এই টাকা পেয়েছেন। তাই এই টাকার দাবিদার তিনি একাই। ইতোমধ্যে তিনি কোর্টের ওই রায়ের বিপক্ষে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন।<br>আদালতের মতে, বিচ্ছেদের আবেদন করার পর তিন বাচ্চা ও স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য কিছু দেননি রিচার্ড। কিন্তু মামলায় লড়তে গিয়ে দু'পক্ষই সমানভাবে ভূগেছেন। তাই ভালোটাও সমান ভাগ হওয়া উচিত তাদের। বার্তাসংস্থা এপি বলছে, যখন জেলাস্কো দম্পতি একসঙ্গে থাকতেন, তখনও সংসারের খরচের বেশির ভাগ বহন করতেন মেরি। তিনি রিচার্ডের থেকে তিনগুণ বেশি আয় করতেন। টিকিট কাটার পর নিজের ওয়ালেটে টিকিটটি সযতেœ রেখে দেন রিচার্ড। গরমের ছুটিতে ঘুরতে বেরিয়ে সেই ওয়ালেট হারিয়েও ফেলেন তিনি। এর এক মাস পরে মেগা মিলিয়ন ওয়েবসাইটে রিচার্ড জানতে পারেন, লটারি জিতেছেন তিনি। এর আগে বিচারক জন মিলসকে রিচার্ড ও মেরি বলেন, মমলার যাবতীয় ব্যয়ভার তারা সমানভাবে বহন করবেন। ২০১৪ সালে বিচারক জন মারা যাওয়ার পর লটারি জিতেন রিচার্ড। ফলে আগের দেয়া কথা অনুযায়ী, এবার লটারির টাকাও সমানভাগে ভাগ হবে বলে জানিয়ে দেন তিন বিচারক।<br>কিন্তু এই রায় মেনে নিতে পারছেন না রিচার্ড। এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতের কাছে আপিল করেছেন তিনি। আদালত আবেদন মঞ্জুর না করলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাবেন বলে জানিয়েছেন<br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:21:37 1970-01-01 00:00:00 কিংবদন্তিদের ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় সাকিব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78692 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385982_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385982_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>গেল ৩ বিশ্বকাপ আসরে মোট ২৩ ম্যাচে সাকিব আল হাসানের রান ছিল মাত্র ৫৪০। ম্যাচের সংখ্যার সঙ্গে রানের অংকটা ছিল একদমই বেমানান। তবে এবার বিশ্বকাপের শুরু থেকেই জ্বলে উঠেন একদিনের ক্রিকেটে বিশ্বসেরা এই অল রাউন্ডার। সবাইকে ছাড়িয়ে এবারের আসরের এখন পর্যন্ত সেরা রান সংগ্রাহক সাকিবই। <br>প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাকিব করেন ৭৫ রান। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৪, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১২১, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২৪, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করেন ৪১ রান এবং আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে করেন ৫১ রান। and nbsp;<br><br>আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৫১ রানে আউট হওয়ার আগে আবারও উঠে আসেন সবোর্চ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় এক নম্বরে। ৪৭৬ রান করে সাকিব আজ পেছনে ফেলেছেন ৪৪৭ রান করা অস্ট্রেলীয় ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নারকে। এছাড়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে পূর্ণ করলেন এক হাজার রান। and nbsp; হাজার রান পূর্ণ করে সাকিব পেছনে ফেলছেন ভিভ রিচার্ডস, সৌরভ গাঙ্গুলী, মার্ক ওয়াহর মতো কিংবদন্তি সব ক্রিকেটারদের। তবে ইনিংসের বিচারে সাকিব একটু বেশি সময় নিয়েছেন। </body></HTML> 2019-06-24 20:17:56 1970-01-01 00:00:00 জমে উঠেছে সেমির লড়াই, দাবিদার ৮ দল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78691 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385659_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385659_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল, ফাইনালসহ অনুষ্ঠিত হবে মোট ৪৮টি ম্যাচ। এর মধ্যে ৩০টি ম্যাচ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। প্রতিটি দলের খেলার কথা ৯টি করে ম্যাচ। এর মধ্যে ৬টি কিংবা ৭টি পর্যন্ত ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে; কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি কারা খেলছে সেমিফাইনাল। <br>যদিও দুই দলের এখনও পর্যন্ত বিদায় নিশ্চিত হয়েছে, আফগানিস্তান এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দলের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার কারণে সেমির চারটি জায়গার জন্য লড়াই এখন টিকে আছে ৮ দলের মধ্যে। অর্ধেকেরও বেশি পথ পাড়ি দেয়ার পর বিশ্বকাপ এখনও পুরোপুরি উন্মুক্ত। এই আট দলের মধ্যে যে কোনো চারটি দল যেতে পারে সেমিফাইনালে। <br>বোঝাই যাচ্ছে, বিশ্বকাপের শুরুতে বৃষ্টি যতই বাগড়া দিক না কেন, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পয়েন্ট টেবিলের লড়াই তুমুলভাবে জমে উঠেছে। প্রথমত শুক্রবার রাতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়ে পয়েন্ট টেবিল জমিয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। and nbsp; পরেরদিন তো এবারের বিশ্বকাপের বড় অঘটনই ঘটতে যাচ্ছিল। আফগানিস্তানের কাছে হারতে বসেছিল ভারত। যদিও শেষ পর্যন্ত ১১ রানের জয়ে কোনোমতে মান রক্ষা করতে পেরেছিল কোহলির দল। আবার একই দিন দারুণ এক শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫ রানে হারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওই দুই ম্যাচের ফল যদি একটু এদিক-সেদিক হয়ে যেতো, তাহলে নিশ্চিত করে বলা যায়, পয়েন্ট টেবিলের হিসাব-নিকাশ হয়ে উঠতো আরও জটিল। তবুও, রোববার দক্ষিণ আফ্রিকাকে বিদায় করে দিয়ে সেমির রেসে পাকিস্তান ফিরে আসার পর টেবিলের হিসাব-নিকাশ নিয়ে আবারও বসতে হচ্ছে বোদ্ধাদের। পয়েন্ট টেবিলে সবচেয়ে সবুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। কিউইরা তো খুবই সৌভাগ্যবান। তিনটি ম্যাচে হারতে হারতে জিতে গেছে তারা। যে কারণে, এখনও পর্যন্ত অপরাজিত ব্ল্যাক ক্যাপসরা। একটি ম্যাচ হয়েছে পরিত্যক্ত। ৬ ম্যাচের ৫টিতে জিতে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট এখন ১১। আর একটি ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে কিউইদের। তাদের সামনের দুই ম্যাচ পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে।<br>অস্ট্রেলিয়া ৬ ম্যাচের একটিতে হেরেছে, জিতেছে ৫টিতে। পয়েন্ট ১০। দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও সেমি নিশ্চিত করার জন্য তাদের প্রয়োজন মাত্র ২ পয়েন্ট, অর্থাৎ একটি মাত্র জয়। ম্যাচ বাকি এখনও ৩টি। তিন প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। বলা যায় তিন কঠিন প্রতিপক্ষ। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে দুর্বল প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রমাণিত। কিন্তু কোনদিন জ্বলে ওঠে বলা কঠিন। ভারতের সামনেও খুব সহজ পথ। এখনও চার ম্যাচ বাকি। যে ৫ ম্যাচ খেলেছে এর মধ্যে ৪টিতে জয়, ১টি পরিত্যক্ত। যে কারণে তাদের পয়েন্ট মোট ৯। বাকি চার ম্যাচের ২টিতে জিতলেই সেমি নিশ্চিত তাদের। বাকি থাকা চার প্রতিপক্ষ হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। চার ম্যাচের অন্তত দুটিতে তো জিতবেই ভারত, আগাম বলা যায়।<br>নিরাপদে রয়েছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ তিন দলই। চার নম্বরে রয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। তাদেরই থাকার কথা ছিল সবচেয়ে নিরাপদ জায়গায়। কিন্তু অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, যে তাদেরও বিদায় নেয়ার সম্ভাবনা আছে। তাদের আগামী তিন প্রতিপক্ষ খুবই কঠিন, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং নিউজিল্যান্ড।<br>ইংল্যান্ড ৬ ম্যাচ খেলে ৪ জয়ের পয়েন্ট অর্জন করেছে ৮। আর একটি ম্যাচ জিতলে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকবে, তিন ম্যাচে হারলে তো কথাই নেই, বিদায় নিশ্চিত। ইতিহাস বলছে, গত ২৭ বছর বিশ্বকাপে ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারে না ইংলিশরা।<br>শীর্ষে থাকা চার দলে তিনটি নিরাপদ, ইংল্যান্ড অনিরাপদ থাকার কারণে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম, ৬ষ্ঠ, সপ্ত এবং অষ্টম স্থানে থাকা বাকি চার দলের সামনে সেমিতে খেলার সম্ভাবনা এখনও টিকে আছে। কিভাবে? সে হিসেব দেখুন...<br>৫ নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কার অর্জন ৬ পয়েন্ট। বাকি আছে এখনও তিন ম্যাচ। এই তিন প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ভারত। এই তিন ম্যাচের দুটিতেও যদি তারা জিততে পারে, তাহলে পয়েন্ট হবে ১০। তিনটিতে জিতলে তো কথাই নেই..., পয়েন্ট হয়ে যাবে ১২। ১টিতে জিতলে হবে ৮। ৮ কিংবা ১০ পয়েন্ট- যাই হোক শেষ পর্যন্ত রান রেটের ব্যবধানে হয়তো বা টিকেও যেতে পারে তারা। সামনের ম্যাচগুলোতে যে কি করবে লঙ্কানরা, সেটা এখনই বলা মুস্কিল। <br>৬ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশ। ৬ ম্যাচ থেকে অর্জন ৫ পয়েন্ট। সামনের তিন প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ভারত। টাইগারদের লক্ষ্য, এই তিন ম্যাচ থেকে অন্তত দুটি জয়। তখন পয়েন্ট হবে ৯। যদি ইংল্যান্ড কোনো ম্যাচ আর জিততে না পারে, শ্রীলঙ্কা সর্বোচ্চ এক ম্যাচে জয় পায়, তাহলে কপাল খুলতে পারে বাংলাদেশেরও। যদি টাইগাররা বাকি তিন ম্যাচেই জিতে যেতে পারে, তাহলে তো কথাই নেই, সেমির দরজা হয়তো অটোমেটিক খুলে যাবে তাদের সামনে।<br>সাত নম্বরে থাকা পাকিস্তানেরও পয়েন্ট ৫। বাকি এখনও তিন ম্যাচ। তিন প্রতিপক্ষ হচ্ছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ। কিউইদের বিপক্ষে পাকিস্তান সব সময়ই ফেবারিট। এটা শ্বাশত বিধান যেন। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তারা যেভাবে খেলেছে, এভাবে যদি নিউজিল্যান্ডকেও হারিয়ে দেয়, বাকি দুই প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ। তিন ম্যাচেই তাদের জয়ের সম্ভাবনা আছে। and nbsp; পাকিস্তান যদি তিন ম্যাচের দুটিতেও জেতে, বাংলাদেশের কাছে হারে- তখন বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের পয়েন্ট হয়ে যাবে সমান। তখন রান রেট বিবেচনায় আসবে। তবে তার আগে শর্ত হচ্ছে ইংল্যান্ডকে তিন ম্যাচেই হারতে হবে এবং শ্রীলঙ্কাকে অন্তত দুই ম্যাচে হারতে হবে। and nbsp; এর মধ্যে সম্ভাবনা আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও। যদিও ৬ ম্যাচ খেলে তাদের অর্জন কেবল ৩ পয়েন্ট। বাকি আছে ৩ ম্যাচ। এই অবস্থায় খালি চোখে হয়তো ক্যারিবীয়দরে সম্ভাবনা একেবারেই নেই। কিন্তু কাগজে-কলমে তো এখনও তারা টিকে আছে সেমির লড়াইয়ে। সেই হিসেবটা হচ্ছে, শেষ তিন ম্যাচে তারা যদি ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তানকে হারিয়ে দেয়, তাহলে পয়েন্ট হয়ে যাবে ৯। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানেরও পয়েন্ট যদি ৯ হয়, তাহলে রান রেটের হিসাব সামনে চলে আসবে। তবে, তার আগে সেই একই শর্ত, ইংল্যান্ডকে তিন ম্যাচেই হারতে হবে এবং শ্রীলঙ্কাকে অন্তত দুই ম্যাচে হারতে হবে। তবেই এই হিসেবে আসা সম্ভব।<br>নিশ্চিত জটিল হিসাব-নিকাশের সামনে দাঁড়িয়ে পয়েন্ট টেবিলে থাকা শেষ চারটি দলের বিশ্বকাপে সেমির ভাগ্য। আগামী দিনগুলোতে কার কি অবস্থা দাঁড়ায়, এখন সেদিকেই চোখ পুরো ক্রিকেট বিশ্বের। </body></HTML> 2019-06-24 20:13:59 1970-01-01 00:00:00 ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে বিশ্রামে দুই ভারতীয় তারকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78690 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385535_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385535_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্বকাপের পরই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টি-টোয়েন্টি, তিন ওয়ানডে ও দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে ভারত। সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে।<br>যেখানে বিশ্রামে থাকবেন ভারতের দুই তারকা ক্রিকেটার জাসপ্রিত বুমরাহ ও বিরাট কোহলি। টি-টোয়েন্টি ও ওয়াডেতে না খেললেও টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের দুই ম্যাচেই খেলবেন তারা।<br>শুধুমাত্র তারা দুজনই নয়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে বিশ্রাম নিতে চান ভারতের আরও বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। বিশ্বকাপ খেলার ক্লান্তির জন্যই মূলত ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বিশ্রাম চান তারা। চলতি বিশ্বকাপে এরই মধ্যে সেমিফাইনাল খেলা মোটামুটি নিশ্চিত ভারতের। যদি তারা ফাইনাল খেলে তাহলে ভারতের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হবে জুলাইয়ের ১৪ তারিখ।<br>অন্যদিকে আগস্টের তিন তারিখ প্রথম টি-টোয়েন্টির মধ্যে দিয়ে শুরু হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের খেলা। বিশ্বকাপ ক্লান্তি কাটানোর আগেই মাঠে নেমে পড়তে চান না ভারতীয় ক্রিকেটাররা।<br>তবে অন্যদের ব্যাপারে কিছু নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সীমিত ওভারের ম্যাচে কোহলি ও বুমরাহকে যে দেখা যাবে না সেটা অনেকটাই নিশ্চিত।<br>পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিসিসিআইয়ের শীর্ষস্থানীয় এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বিরাট ও বুমরাহ অবশ্যই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে বিশ্রামে থাকবে। গত অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকেই বিরাট নিয়মিত খেলে যাচ্ছে, বুমরাহও অনেক খেলেছে। টেস্ট সিরিজের আগেই তারা দলের সঙ্গে যোগ দেবে।’<br>বিরাট কোহলি ও বুমরাহ ছাড়াও বিশ্বকাপ খেলা আরো কয়েকজনকে বিশ্রাম দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন বিসিসিআইয়ের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘এন্টিগাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট আগস্টের ২২ তারিখ। তার আগে বিশ্বকাপ খেলা সবাই প্রয়োজনীয় রেস্ট নিতে পারবে বলেই মনে হয়।’<br><br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:11:58 1970-01-01 00:00:00 জয় দিয়েই কোয়ার্টার নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78689 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385478_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385478_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>সমীকরণ সহজ ছিলো না। শুধু নিজেদের ম্যাচের জয় পেলেই হতো না, অপেক্ষা করতে হতো প্যারাগুয়ের পরাজয়ের। মিলেছে এই দুই সমীকরণই। যে কারণে 'বি' গ্রুপ থেকে রানার আপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পেয়ে গেছে আর্জেন্টিনা।<br>রোববার রাতে একই সময়ে হয়েছে 'বি' গ্রুপের শেষ দুই ম্যাচ। যেখানে আর্জেন্টিনা হারিয়েছে কাতারকে, প্যারাগুয়েকে হারিয়েছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কলম্বিয়া। কাতারের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয় ২-০ গোলে, কলম্বিয়া জিতেছে ১-০ গোলে। গ্রেমিও এরেনায় কাতারের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই লিড নেয় আর্জেন্টিনা। মাত্র চতুর্থ মিনিটে কাতারের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগান লাউতারো মার্টিনেজ। ডি-বক্সের কাছে তাদের ভুল পাস ধরে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে প্রবেশ করান মার্টিনেজ।<br>লিড নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার বদলে আরও বেশি ক্ষুধার্ত হয়ে পড়ে আর্জেন্টাইনরা। একের পর এক আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে কাতারের রক্ষণভাগকে। ১৫ মিনিটের মাথায় লো সেলসোর দারুণ নৈপুণ্যে দ্বিতীয় গোল পেয়েই যাচ্ছিল আলবিসেলেস্তেরা। তবে তা এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে চলে যায় কর্নারের দিকে। এর মিনিট সাতেক পর আরও সহজ সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। এবার প্রিয় বন্ধু সার্জিও আগুয়েরোর উদ্দেশ্যে বল বাড়ান লিওনেল মেসি। কিন্তু অনেকটা ফাঁকায় থেকেও দূরের পোস্ট দিয়ে বল বাইরে মেরে দেন আগুয়েরো। যে কারণে লিড পাওয়া হয়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের।<br>প্রথমার্ধ শেষের আগ দিয়ে ম্যাচের ৩৯ মিনিটেও কাতারের রক্ষণকে জমাটবদ্ধ করেও গোলের দেখা পায়নি আর্জেন্টিনা। লাউতারো মার্টিনেজ ও সার্জিও আগুয়েরো ভিন্ন ভিন্ন প্রচেষ্টা করেও জালে প্রবেশ করাতে পারেননি বল।<br>উল্টো মিনিটখানেক পর দুর্দান্ত এক আক্রমণ করে কাতার। অল্পের জন্য সমতায় বসতে পারেনি তারা। বিরতিতে যাওয়ার আগে লো সেলসো এবং হুলেন ফয়েথকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। তবু এক গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।<br>দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও কাতারের রক্ষণের পরীক্ষা নেয়া থামাননি মেসি-আগুয়েরোরা। ৬১তম মিনিটে পরপর দুইটি কর্নার থেকে আর্জেন্টিনার জোরালো আক্রমণ প্রতিহত করে দেন কাতারের গোলরক্ষক। আগুয়েরোর একটি শট একদম গোলমুখ থেকেই ফিরিয়ে দেন তিনি।<br>৭৩ মিনিটের মাথায় সহজ সুযোগ আসে মেসির সামনে। গোলমুখের ১০ গজ দূরে ফাঁকা জায়গা পেয়ে যান তিনি। সে সুযোগ লাউতারো মার্টিনেজ তাকে বল বাড়িয়ে দেন। সেটি ধরে গোলমুখে মারেন মেসি। কিন্তু তা উড়ে যায় বারের অনেক ওপর দিয়ে। যা মেসির স্বাভাবিক খেলার সঙ্গে ঠিক মানানসই নয়।<br>মেসি না পারলেও দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন তারই বন্ধু আগুয়েরো। পাওলো দিবালার কাছ থেকে বল পেয়ে প্রায় একক নৈপুণ্যে কাতারের রক্ষণে ঢুকে পড়েন আগুয়েরো। পরে ডানপায়ের নিখুঁত শটে পরাস্ত করেন কাতারের গোলরক্ষককে।<br>দুই গোলের লিড পেয়ে ম্যাচের বাকি সময় খুব একটা তৎপর দেখা যায়নি কোপা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম সফল দলটিকে। উল্টো রেফারির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন পিজেল্লা। তবে সে দফায় কোনো ক্ষতি হয়নি। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তির দেখা মেলে আর্জেন্টিনার ডাগআউটে।<br>আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে পরাজয় এবং পরে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ড্র করায় শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনার কোয়ার্টারের টিকিট। তবে আজ কাতারকে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে, বি গ্রুপ থেকে শেষ আটে পৌঁছে গেলেন মেসি-আগুয়েরোরা।<br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:11:01 1970-01-01 00:00:00 ব্রাজিলকে বিদায় করে দিলো স্বাগতিক ফ্রান্স http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78688 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385442_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385442_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>গ্রুপ পর্বেই বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছিল ব্রাজিলকে। তবে গ্রুপে তৃতীয় হওয়াদের মধ্যে সেরা অবস্থানে থেকেই শেষ ষোলো (দ্বিতীয় রাউন্ড) নিশ্চিত করেছিল ব্রাজিলের নারী ফুটবলাররা। কিন্তু নারী বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর বাধা আর টপকাতে পারেনি পেলে-নেইমারদের দেশের নারী ফুটবলাররা। স্বাগতিক ফ্রান্সের হাতেই বিদায় নিতে হয়েছে মার্তাদের। অতিরিক্ত সময়ে ফ্রান্স অধিনায়ক আমান্দিনে হেনরির গোলেই ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায়ঘণ্টা বেজে যায় ব্রাজিলের। সে সঙ্গে নরওয়ে, ইংল্যান্ড এবং জার্মানির পর কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলো ফ্রান্স। প্রথমার্ধে লড়াই ছিল সমানে-সমান। কেউ কারও চেয়ে এগিয়ে কিংবা পিছিয়েও ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল বের করতে মরিয়া হয়ে ওঠে দুই দলের ফুটবলাররা। যার ফলশ্রুতিতে ম্যাচের ৫২তম মিনিটে গিয়ে ব্রাজিলের জাল কাঁপান ফ্রান্সের ভ্যালেরিয়ে গাউভিন।<br>গোল হজম করে সেটা পরিশোধ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। এবং ১১ মিনিট পর গিয়ে সফলও হয়। এ সময় ফ্রান্সের জাল কাঁপিয়ে দেন ব্রাজিলের থিয়াসা। ১-১ গোলে ড্র দিয়ে শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা। ফলে জয়ী দল নির্ধারণে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। এবার ফ্রান্সকে খেলার ১০৭তম মিনিটে সোনালি মুহূর্তটা উপহার দেন আমান্দিনে হেনরি। কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিজয়ী দল মুখোমুখি হবে ফ্রান্সের।<br>ম্যাচের পর ফ্রান্স কোচ কোরিনে দিয়াক্রে বলেন, ‘সত্যিই স্নায়ুর উত্তেজনার একটি ম্যাচ ছিল। খুবই টেন্সি। বিশেষ করে প্রতিপক্ষ যখন একটি প্রতিষ্ঠিত শক্তি।<br> and nbsp;কিন্তু আমরা কোনোভাবেই খেলা ছেড়ে দিইনি এবং শেষ পর্যন্ত তাদেরকে হারাতে পেরেছি।’<br><br>ভালো খেলে হেরে যাওয়া কারণে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন ব্রাজিলের বিখ্যাত নারী ফুটবলার মার্তা। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে গর্বিত। এটা ঠিক যে, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে গেছি আমরা। কিন্তু দুর্ভাগ্য জিততে পারিনি।’<br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:10:24 1970-01-01 00:00:00 কসমেটিক্স বিক্রেতা থেকে বিখ্যাত অভিনেতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78687 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385399_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561385399_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>স্বপ্ন আর পরিশ্রম একজন মানুষকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে তারই বাস্তব উদাহরণ হয়েছেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা। মাত্র ১৪ বছর বয়সে বাবা-মা দু’জনকেই হারিয়ে ছিলেন। অর্থের অভাবে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর আর এগিয়ে যেতে পারেননি।<br>১৭ বছর বয়সে চূড়ান্ত অর্থাভাবে দরজায় দরজায় গিয়ে কসমেটিক্স প্রোডাক্ট বিক্রি করেছেন যেই মানুষটি তিনি হলেন বলিউডের আরশাদ ওয়ারসি। ‘মুন্নাভাই’ সিনেমার ‘সার্কিট’ চরিত্রটি তাকে ভীষণ জনপ্রিয় করেছিল। ১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল মুম্বইতে আরশাদের জন্ম। স্কুলে পড়ার সময় থেকেই জাতীয় স্তরের জিমন্যাস্ট ছিলেন আরশাদ। আবার স্কুলের ‘বাইকার্স গ্যাং’-এও তার নাম ছিল প্রথম সারিতে। ছোটবেলাতে বাবা মাকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন আরশাদ। কসমেটিক্স প্রোডাক্ট বিক্রি করেছেন, ফটো ল্যাবে কাজ করেছেন। কেমন করে যেন নাচের প্রতি টান তৈরি হয় তার। কাজের পাশাপাশি আকবর শামির নাচের দলে যোগ দেন। নাচ রপ্ত করে বেশ কিছু পুরস্কারও পান। পরে ‘অসম’ নামে নিজের ডান্স স্টুডিও খোলেন। তবে শুধু নাচ তাকে ধরে রাখতে পারেনি। অভিনয়ের পোকা ঢোকে মাথায়। কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ শুরু করে অভিনয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। এই গল্পটাও বেশ মজার । ১৯৯৩ সালে ‘রূপ কি রানি চোরো কা রাজা’ ছবির টাইটেল ট্র্যাক কোরিওগ্রাফি করার দায়িত্ব পান আরশাদ। এরপর কপাল খুলে যায়। সে সময়ই ১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তেরে মেরে স্বপ্নে’ ছবির অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তাকে অফার দেন জয়া বচ্চন। এরপর একে একে ‘বেতাবি’, ‘মেরে দো আনমোল রতন’, ‘হিরো হিন্দুস্তানি’, ‘হোগি প্যায়ার কি জিত’, ‘মুঝে মেরি বিবি সে বাঁচাও’-এর মতো একের পর এক জনপ্রিয় ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। ২০০৩-এ ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’-এর ‘সার্কিট’ চরিত্রটি আরশাদকে ভীষণ জনপ্রিয় করে তোলে। নিজেকে বলিউডের প্রথম সারির কমেডি অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন আরশাদ। শুধু কমেডি নয় ‘চকোলেট’, ‘কাবুল এক্সপ্রেস’ এর মতো ভিন্ন ধারার গল্পের ছবিতে অভিনয় করেও সবার মন জয় করেছেন। ‘জলি এল এল বি’তে আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করেও মন কেড়েছেন দর্শকের। ১৯৯১-এ একটি কলেজের অনুষ্ঠানে গিয়ে মারিয়া গোরেতির সঙ্গে আলাপ হয় আরশাদের। আট বছরের সম্পর্কের পর ১৯৯৯-এ বিয়ে করেন তারা। দম্পতির এক পুত্র এবং এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সংসার জীবন ও অভিনয় জীবন সব নিয়ে বেশ ভালো সময় কাটিয়ে চলেছেন তিনি। ছোট থেকে কীভাবে বড় হতে হয় ? আরশাদের মতো মানুষদের কাছ থেকেই শিখে নিতে হয় প্রতিদিন।<br><br> </body></HTML> 2019-06-24 20:09:27 1970-01-01 00:00:00 ফেনী পুলিশের ৬ পরিদর্শক বদলি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78686 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561380806_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561380806_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একইদিনে বদলি করা হয়েছে। ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বদলির আদেশটি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গতকাল রোববার (২৩ জুন) ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে শিল্প পুলিশে, ডিবির ওসি রাশেদ খান চৌধুরী ও সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. কামাল হোসেনকে এপিবিএনে বদলি করা হয়। এছাড়া ডিআইওয়ান মো. শাহীনুজ্জামানকে ট্যুরিষ্ট পুলিশ, ফুলগাজী থানার ওসি (তদন্ত) পান্না লাল বড়ুয়া, ডিএসবিতে কর্মরত ইন্সপেক্টর মো. শাহজাহান মিয়াকে ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়।<br><br>মো. কামাল হোসেন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সোনাগাজী থানায় ওসি (তদন্ত) হিসাবে যোগদান করেন। দাগনভূঞা থানা থেকে ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ পিপিএম ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। তিনি মো. রাশেদ খান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হন। রাশেদ খান চৌধুরী ছাগলনাইয়া থানা থেকে ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব বুঝে দিয়ে তিনি গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসাবে যোগ দেন। ইতিপূর্বে তাকে নোয়াখালীবদলি করা হয়। ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডমিন) রবিউল ইসলাম ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। </body></HTML> 2019-06-24 18:53:06 1970-01-01 00:00:00 মাস ফুরাবার আগেই ভারত থেকে আনা নতুন বাসের ছাদ ফুটো http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78685 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371398_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371398_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র সরকারি সড়ক পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির বহরে প্রতিনিয়ত নতুন বাস যোগ হয়, নেওয়া হয় নানান উদ্যোগ কিন্তু লাভের মুখ দেখে না । দেশের অরাজক পরিবহন সেক্টরে সম্ভাবনা থাকার পরও লোকসান থেকে বের হতে না পারায় সংস্থাটির অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি বিআরিটিসির বহরে যুক্ত হয়েছে ভারত থেকে আনা হয়েছে বেশ কিছু বাস কিন্তু মাস না পার হতেই আনা নতুন বাসের ছাদ ফুটো হয়ে গেছে। সেই ফুটো দিয়ে বৃষ্টি হলেই অনর্গল পানি পড়ছে। পানিতে বাসের সিটও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদিও বাসগুলোর মান ঠিক আছে কিনা তা দেখতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যানসহ বহু কর্মকর্তা একাধিকবার ভারতে গিয়েছিলেন।<br><br>সম্প্রতি গাবতলী বাস ডিপোতে বিআরটিসির একতলা বাসে ছাদ ফুটো হওয়ার ঘটনা ধরা পড়ে। গত ১০ মে ওই ডিপোতে বরাদ্দ দেওয়া ৮টি বাসের সবকয়টিতেই একই অবস্থা দেখা গেছে। ভারতীয় টাটা কোম্পানির কাছ থেকে এরকম ১০০টি বাস কিনেছে বিআরটিসি। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন গাবতলী বাস ডিপোর ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান। তিনি জানান, বৃষ্টির পানি ছাদের ফুটো দিয়ে সিটে গড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু চেয়ারম্যান তাকে আর কিছু জানাননি।<br><br>বিআরটিসি চেয়ারম্যানকে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়, বাসগুলোতে বৃষ্টির সময় ভেতরে পানি পড়ছিলো। এরপর তারা খুঁজে দেখেন বাসের ছাদ ফুটো হয়ে গেছে। বাসের ছাদে যে এমএস শিট লাগানো হয়েছে তা অতিমাত্রায় পাতলা হওয়ার কারণে শিট ছিঁড়ে গেছে। যে কারণে সিলিং বেয়ে পানি পড়ছে। একতলা বাসের আরও ত্রুটি ধরেছে ডিপোর কারিগরি শাখা। তারা বলছে, বাসে এমএস শিট আর ‘রিভিট’ যথাযথভাবে লাগানো হয়নি। এগুলো আলাদা রয়ে গেছে। যে কারণে বাস চলার সময় বিকট শব্দ করছে। ডিপো ম্যানেজার মনিরুজ্জামান জানান, বিআরটিসি এসব বিষয় নিয়ে টাটা কোম্পানির সঙ্গে বসবে– এমনটাই শুনেছেন তিনি।<br><br>বাসের মান ঠিক হলো কিনা এবং যে স্পেসিফিকেশন বাংলাদেশ যেমন চেয়েছে তেমন হয়েছে কিনা সেসব দেখতে বাস কিনে আনার আগে বিআরটিসির চেয়ারম্যান ভারত গিয়েছিলেন। বিআরটিসি’র বহু কর্মকর্তাও ভারত গিয়েছিলেন স্পেসিফিকেশন এবং প্রি ইন্সপেকশনে। তারপরও বাসের কেন এমন হাল জানতে চাইলে বিআরটিসি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভুঁইয়া বলেন, একতলা গাড়িগুলোর ইঞ্জিন টাটার এবং বডি নির্মাণ করেছে এসিজিএল কোম্পানি। দুই বছরের ভেতরে যা সমস্যা হবে তা তারা দেখবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে। ছাদ ফুটো হয়ে পানির পড়ার ঘটনায় টাটা কোম্পানিকে ডাকা হয়েছে। তারা আসবে। স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী বাস কেন দেওয়া হলো না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বডি শিটের থিকনেস তারা কম দিয়েছে। তবে থিকনেস কম হলেও এটার ওয়ারেন্টি ভালো।’মানের দিক থেকে খারাপ বাস দেয়নি বলেও দাবি করেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান।<br><br>এছাড়া বাসের সিটের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত চাহিদা অনুযায়ী সিট দেয়নি ভারত। এতেও চুক্তি অনুযায়ী স্পেসিফিকেশন মানা হয়নি। এ বিষয়টিও স্বীকার করেছেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান। রাষ্ট্রয়ত্ত্ব পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিআরটিসি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে। মন্ত্রণালয়ে বিআরটিসি দেখভালের দায়িত্বে রয়েছেন যুগ্ম সচিব ড. কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। বিআরটিসির সঙ্গে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তি অনুযায়ীই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাদ ফুটো হয়ে যাওয়া ছাড়াও বিআরটিসি ভারত থেকে নতুন যে বাস ও ট্রাকগুলো নিয়ে এসেছে সেগুলোর চালকদের কাছ থেকে আরও ত্রুটির তথ্য পাওয়া গেছে। চালকরা জানান, ট্রাকে টুলবক্স দেওয়া হয়নি। এসি বাসের সামনের অংশে এসিও চলে না। পাশাপাশি বাসের নিচের বডিতে কাঠ দেওয়া হয়েছে। এ যুগে কাঠের বাস কোথাও নেই, তারপরও ভারত থেকে একের পর এক কাঠের বাস আনছে বিআরটিসি। খোদ বিআরটিসির এক কর্মকর্তা জানান, দক্ষ মেকানিক, অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ, সিদ্ধান্তের অভাব ও কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতির কারণেই বাসের এই বেহাল অবস্থা। </body></HTML> 2019-06-24 16:15:45 1970-01-01 00:00:00 ডিআইজি মিজানের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78684 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371205_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371205_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও তার পরিবারের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে জন্য ইমিগ্রেশনেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলা হয়। তিন কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও তিন কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।<br><br>কমিশন চেয়ার‌ম্যান ইকবাল মাহমুদ সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার (২৩ জুন) কমিশনের নির্ধারিত বৈঠকে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়। সোমবার কমিশনের রেজুলেশন পাস হয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (সজেকা) তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ।মামলা নম্বর- ০১। ফলে দুদকের সংশোধিত বিধিমালায় প্রথম মামলাটি হলো পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এর আগে দুর্নীতি সংক্রান্ত যে কোনো মামলা থানায় গিয়ে করতে হতো। রোববার সংশোধিত বিধিমালার গেজেট প্রকাশ হয়। এর ফলে কমিশন যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।<br><br>দুদক সূত্রে জানা গেছে, ডিআইজি মিজানুর, তার স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে জন্য ইমিগ্রেশনে পুলিশের কাছে চিঠিও দিয়েছে কমিশন। ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চপদে থেকে তদবির, নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয় ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি। প্রায় দেড় বছর অনুসন্ধান করে দুদক অভিযোগের সত্যতা পায়। স্থাবর-অস্থাবর বিভিন্ন সম্পদ ডিআইজি মিজানের মালিকানা, নিয়ন্ত্রণ ও ভোগদখলে রয়েছে; যা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি।<br><br>সর্বশেষ দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করে। এর আগে, বিষয়টির অনুসন্ধান করেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। তার আগে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অনুসন্ধান করেন উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের দায়িত্বে থাকা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে (সাময়িক বরখাস্ত) অনুসন্ধান করতে গিয়ে ডিআইজি মিজানের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে দাবি করেন। তিনি এ সংক্রান্ত তিনটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করেন। এরপরই ডিআইজি দুদক এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। আর মিজান-বাছির ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়টি অনুসন্ধানে পৃথক একটি কমিটি করে দুদক।<br><br>মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে একটি জাতীয় দৈনিকে তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে বিষয়টি তোলপাড় সৃষ্টি করে। ওই ঘটনায় পুলিশ সদর দফতরসহ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। </body></HTML> 2019-06-24 16:12:22 1970-01-01 00:00:00 নারীকে বিমানে রেখেই বেরিয়ে গেলেন কর্মীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78683 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371010_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561371010_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিমানে উঠে আরাম করে ঘুমাচ্ছিলেন এক নারী। কিন্তু যখন তার ঘুম ভাঙল তখন দেখলেন চারদিকে অন্ধকার। ঘুমের ঘোর কাটার পর বুঝতে পারেন তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখেই বিমানের দরজা বন্ধ করে চলে গিয়েছেন বিমানকর্মীরা। টিফানি অ্যাডামস নামের ওই নারী এয়ার কানাডার একটি বিমানে চড়ে কিউবেক থেকে টরোন্টো যাচ্ছিলেন। যাত্রাপথে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। হঠাৎ প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় তার ঘুম ভাঙে। ঘুম থেকে উঠে দেখেন চারদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। আশপাশে কেউ নেই!<br><br>শুরুতে খুব ঘাবড়ে গেলেন। কি ঘটেছে সেটি বুঝতে কিছুক্ষণ সময় লাগল। পরে যা বুঝলেন তা হলো, বিমান অবতরণের পর বিমানের ক্রু ও বিমানবন্দরের কর্মীরা সকল ধরনের কার্যক্রম শেষ করে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে বিমানের ভেতরে আটকে রেখেই সবকিছু বন্ধ করে চলে গেছেন।<br>টিফানি জানান, ঘুম থেকে উঠে দেখেন তখনো তার সিটবেল্ট বাধা রয়েছে। বিমানের যাত্রা শেষ হওয়ার পর বিমান ত্যাগ করার আগে পুরো বিমানের সকল অংশ ভালো করে দেখে তবেই বিমানের কর্মীদের বের হওয়ার কথা। কিন্তু তারা হয়তো সেটি করেননি।<br><br>টিফানি অ্যাডামস বলেন, বিমানটি টরোন্টো পেয়ারসন বিমানবন্দরে অবতরণের পর কয়েক ঘণ্টা ঘুমন্ত অবস্থায় বিমানে ছিলেন তিনি। সেটি রানওয়েতে পার্ক করা ছিল। পুরো বিষয়টা ধাতস্থ হওয়ার পর প্রথমে মোবাইল ফোন হাতড়ে বের করে সেটি দিয়ে এক বান্ধবীকে জানালেন তার অবস্থার কথা। কিন্তু কোনোরকমে কথা শেষ করতেই ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যায়। হাতড়াতে হাতড়াতে পৌঁছালেন ককপিটে। সেখানে একটি টর্চ-লাইট খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি। সেটি জ্বালিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ চেষ্টা করতে লাগলেন। যাত্রীদের সুটকেস আনা নেয়া করা হয় এরকম একটি ছোট গাড়ির একজন চালক হঠাৎ সেই আলো দেখে ভয়াবহ ভড়কে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। ততক্ষণে টিফানি অ্যাডামসের বান্ধবী ডেনা ডেল বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাতে সক্ষম হন। গত ৯ই জুনের এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এয়ার কানাডা জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। টিফানি এই ঘটনার পর থেকে প্রায়ই রাতে ভয়াবহ দু:স্বপ্ন দেখেন বলে জানিয়েছেন। </body></HTML> 2019-06-24 16:09:33 1970-01-01 00:00:00 বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78682 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561370757_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561370757_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণে ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আল আশরাফ মামুনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতারা অবস্থান কর্মসূচি শেষে চলে যাবার সময় পর পরই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জন্য বিক্ষুব্ধ নেতারা সিন্ডিকেটকে দায়ি করেছে।<br><br>এর আগে বেলা ১১টা থেকে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতারা নায়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। শনিবার রাতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদল থেকে ১২ জনকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জন সাবেক ছাত্রনেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। </body></HTML> 2019-06-24 16:05:34 1970-01-01 00:00:00 জেলকোড অনুযায়ী ওসি মোয়াজ্জেমকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার নির্দেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78681 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561370671_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561370671_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">থানায় নুসরাত জাহান রাফির বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (প্রত্যাহার হওয়া) মোয়াজ্জেম হোসেনকে জেলকোড অনুযায়ী ডিভিশন (বিশেষ সুযোগ-সুবিধা) দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।<br>আজ সোমবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামশ জগলুল হোসেন শুনানি শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।<br><br>এর আগে ২০ জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামশ জগলুল হোসেনের আদালতে এ আবেদন করেন তার আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ। ডিভিশনের ওপর শুনানির জন্য আজকের দিন (২৪ জুন) ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, ‘ওসি মোয়াজ্জেম প্রথম শ্রেণির নাগরিক। কারাগারে তার প্রথম শ্রেণির ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেছি।’<br>এর আগে ১৭ জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আস শামস জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেমের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিন তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ তার জামিনের বিরোধিতা করেন।<br><br>১৬ জুন রাজধানীর শাহবাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৭ মে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার বাদী সুমন আসামি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। আদালত বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এদিন সকালে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সদর দফতরের সিনিয়র এএসপি রিমা সুলতানা। গত ১৫ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রত্যাহার হওয়া) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। আদালত তার জবানবন্দি নিয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় করা অভিযোগটি পিটিশন মামলা হিসেবে গ্রহণ করেন। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন আদালত।<br><br>গত ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা শ্রেণিকক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন। এমন অভিযোগ উঠলে দুজনকে থানায় নিয়ে যান ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন। ওসি নিয়ম ভেঙে জেরা করতে নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও করেন। মৌখিক অভিযোগ নেয়ার সময় দুই পুরুষের কণ্ঠ শোনা গেলেও সেখানে নুসরাত ছাড়া অন্য কোনো নারী বা তার আইনজীবী ছিলেন না। ভিডিওটি প্রকাশ হলে অধ্যক্ষ ও তার সহযোগীদের সঙ্গে ওসির সখ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।<br><br>ভিডিওতে দেখা যায়, থানার ওসির সামনে অঝোরে কাঁদছেন নুসরাত। সেই কান্নার ভিডিও করছিলেন সোনাগাজী থানার ওসি। নুসরাত তার মুখ দুই হাতে ঢেকে রেখেছিলেন। তাতেও ওসির আপত্তি। বারবারই ‘মুখ থেকে হাত সরাও, কান্না থামাও’ বলার পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেন, ‘এমন কিছু হয়নি যে এখনো তোমাকে কাঁদতে হবে।’ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ওসি মোয়াজ্জেম অনুমতি ছাড়া নিয়মবহির্ভূতভাবে নুসরাতকে জেরা এবং তা ভিডিও করেন। পরবর্তীতে ওই ভিডিও ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।<br><br>ভিডিওতে দেখা যায়, ওসি মোয়াজ্জেম অত্যন্ত অপমানজনক ও আপত্তিকর ভাষায় একের পর এক প্রশ্ন করে যাচ্ছেন নুসরাতকে। নুসরাতের বুকে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নও করতে দেখা যায় ওসি মোয়াজ্জেমকে। অধ্যক্ষের নিপীড়নের ঘটনায় রাফির মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। এরপর গত ৬ এপ্রিল সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান। এ সময় মাদরাসার এক ছাত্রী তার বান্ধবী নিশাতকে ছাদের ওপর কেউ মারধর করছে-এমন সংবাদ দিলে তিনি ওই বিল্ডিংয়ের চার তলায় যান। সেখানে মুখোশ পরা চার-পাঁচজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। রাফি অস্বীকৃতি জানালে তারা তার গায়ে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। গত ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাতের মৃত্যু হয়।<br><br>উল্লেখ্য, ডিভিশনপ্রাপ্ত একজন হাজতি কারাগারে আসবাবপত্র হিসেবে একটা টেবিল, একটা খাট, চাদর ও একটা চেয়ার পেয়ে থাকেন। সেলে পড়ার জন্য পত্রিকা, বইয়ের পাশপাশি একটি সাধারণ টেলিভিশন, রেডিও পান হাজতি। ব্যবহার্য উপকরণ হিসেবে তিনি সাবান, টুথপেস্ট, আয়না, বালিশ, কম্বল, তোশক, চিরুনি, তেল, পায়ের স্যান্ডেল, তোয়ালে পাবেন। </body></HTML> 2019-06-24 16:03:41 1970-01-01 00:00:00 নয়াপল্টনে একের পর এক বোমা বিস্ফোরণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78680 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561366558_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561366558_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="color: rgb(68, 68, 68); text-align: justify; background-color: rgb(255, 255, 255);">রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশপাশ এলাকায় অন্তত পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। ১২ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও বয়সসীমা নির্ধারণ না করে ধারাবাহিক কমিটি গঠনের দাবিতে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শেষে চলে যাওয়ার সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে।</span> <div><span style="color: rgb(68, 68, 68); text-align: justify; background-color: rgb(255, 255, 255);"><br></span></div><div><span style="color: rgb(68, 68, 68); text-align: justify; background-color: rgb(255, 255, 255);">সোমবার দুপুর সোয়া ১টার পরে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এছাড়া আরও একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় দেখা গেছে। তবে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কে বা কারা জড়িত সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।</span></div><div><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;">এর আগে ছাত্রদলের ১২ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ বয়সসীমা তুলে দিয়ে নিয়মিত কমিটির দাবিতে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সংগঠনটির সহস্রাধিক নেতাকর্মীর একটি মিছিল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়।</p><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;">এসময় বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। তারা কার্যালয়ের কলাপসিবল গেট বন্ধ করে দেন।</p><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;">একইসময়ে আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ও আশপাশে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহানগর বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মী অবস্থান নেন। এরই এক পর্যায়ে উত্তেজিত আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ের গেট বন্ধ করে দিতে চাইলে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও টানাহেঁচড়ার ঘটনাও ঘটে।</p><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;">গতকাল রোববার (২৩ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের কাউন্সিলের জন্য ১৫ জুলাই তারিখ ঘোষণা করেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু।</p><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561366572_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;">দলীয় শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২২ জুন ছাত্রদলের ১২ জনকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।</p><p style="box-sizing: border-box; margin: 0px 0px 10px; color: rgb(68, 68, 68); background-color: rgb(255, 255, 255); text-align: justify;">গত ৪ জুন রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কেন্দ্রীয় সংসদ বাতিল করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী ৪৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কেন্দ্রীয় সংসদ গঠনের কথা জানানো হয়।</p></div><div><span style="color: rgb(68, 68, 68); text-align: justify; background-color: rgb(255, 255, 255);">এর পর থেকেই ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির একটি অংশ লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি ও বিক্ষোভ শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ জুন তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।</span></div></body></HTML> 2019-06-24 14:54:02 1970-01-01 00:00:00 ফেনী পুলিশের ৬ পরিদর্শক বদলী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=78679 http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561366258_th.jpg <HTML><head></head><body style=""><div style=""><span style="font-size: 16px; font-family: SolaimanLipi;"> and nbsp;</span><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/06/23/1561366258_th.jpg" alt="" align="left" border="0px" style="margin-right: 7px;"><span style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px;">ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একইদিনে বদলী করা হয়েছে। ৬ পুলিশ কর্মকর্তার বদলীর আদেশটি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে গতকাল রবিবার ফেনীর পুলিশ সুপার কার্যালয়ে পৌছে।</span></div><div style=""><span style="font-size: 16px; font-family: SolaimanLipi;">জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেনী মডেল থানার ওসি আবুল কালাম আজাদকে শিল্প পুলিশে, ডিবির ওসি রাশেদ খান চৌধুরী ও সোনাগাজী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো: কামাল হোসেনকে এপিবিএনে বদলী করা হয়। এছাড়া ডিআইওয়ান মো: শাহীনুজ্জামানকে ট্যুরিষ্ট পুলিশ, ফুলগাজী থানার ওসি (তদন্ত) পান্না লাল বড়–য়া, ডিএসবিতে কর্মরত ইন্সপেক্টর মো: শাহজাহান মিয়াকে ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলী করা হয়।</span></div><div style=""><span style="font-size: 16px; font-family: SolaimanLipi;">মো: কামাল হোসেন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর সোনাগাজী থানায় ওসি (তদন্ত) হিসাবে যোগদান করেন। দাগনভূঞা থানা থেকে ২০১৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ পিপিএম ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। তিনি মো: রাশেদ খান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হন। রাশেদ খান চৌধুরী ছাগলনাইয়া থানা থেকে ২০১৬ সালের ৫ ডিসেম্বর ফেনী মডেল থানায় যোগদান করেন। আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব বুঝে দিয়ে তিনি গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসাবে যোগ দেন। ইতিপূর্বে তাকে নোয়াখালী বদলী করা হয়।</span></div> </body></HTML> 2019-06-24 14:48:45 1970-01-01 00:00:00