http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ধর্ষণকাণ্ডে উত্তাল এমসি কলেজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98654 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131950_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131950_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্বামীকে আটকে রেখে ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবাদী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল সিলেট এমসি কলেজ। ধর্ষণের অভিযোগ ওঠা ছাত্রলীগের কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান শিক্ষার্থীরা। কলেজের সামনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন ছাত্রলীগের দুই শতাধিক নেতাকর্মী। এ সময় আন্দোলনকারীরা কলেজ অধ্যক্ষের অপসারণের দাবি জানান। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনার বাংলায় ধর্ষকের স্থান নেই,’ ‘ঘাতক-ধর্ষকের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল বিক্ষোভস্থল। বেলা দুইটা পর্যন্ত বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে নেতৃত্ব দেন এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা দেলওয়ার হোসেন, হোসাইন আহমদ, রাসেল আহমদ, শামীম আলী, আলতাফ হোসেন মোরাদ।<br><br>যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এমসি কলেজ ও ছাত্রাবাসে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশের পর ইতিমধ্যে খালি হয়ে গেছে ছাত্রাবাস। পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে বৈঠক ডেকেছেন কলেজ অধ্যক্ষ। দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ বন্ধ থাকার পরও ছাত্রাবাস খোলা থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রশ্ন, নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ অবগত থাকার পরও কেন ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেয়া হলো না? তাদের দায়িত্বহীনতার কারণেই আজ ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠে কলঙ্কের দাগ লেগেছে। শিক্ষার্থীরা গণধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।<br><br>গতকাল শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ। রাত ১০টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। এতে ছাত্রলীগের ছয় কর্মী ও অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।<br>মামলার আসামিরা হলেন- এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, রবিউল হাসান, তারেক আহমদ ও অর্জুন। আসামিদের কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।<br><br>এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রুম থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এর মধ্যে রয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি রামদা, দুটি লোহার পাইপ। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা হয়েছে। এদিকে গণধর্ষণের ঘটনার পর সব ছাত্রকে শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। কর্তৃপক্ষের নির্দেশের পর শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়। </body></HTML> 2020-09-26 20:51:32 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের প্রতিবাদে উত্তাল এমসি কলেজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98653 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131369_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131369_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় আন্দোলনে নেমেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে ছাত্রলীগের দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।<br>এ সময় তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনার বাংলায় ধর্ষকের স্থান নেই,’ ‘ঘাতক-ধর্ষকের ফাঁসি চাই’ বলে স্লোগান দেন। দুপুর ২টা পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে নেতৃত্ব দেন এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা দেলওয়ার হোসেন, হোসাইন আহমদ, রাসেল আহমদ, শামীম আলী ও আলতাফ হোসেন মোরাদ। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ বন্ধ থাকার পরও ছাত্রাবাস কীভাবে খোলা রাখে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এসব অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ অবগত থাকার পরও কেন ছাত্রাবাস বন্ধ করে দেয়া হলো না। আজ ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠে কলঙ্কের দাগ লেগেছে। শিক্ষার্থীরা গণধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এমসি কলেজ ও ছাত্রাবাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।<br>গতকাল শুক্রবার সিলেটের এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন ওই গৃহবধূ। রাত ১০টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটির ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূকে ক্যাম্পাস থেকে তুলে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। মামলায় ছাত্রলীগের ছয় কর্মী ও অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন- এমসি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, রবিউল হাসান, তারেক আহমদ ও অর্জুন। এরা সবাই আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রঞ্জিত সরকারের অনুসারী বলে জানা গেছে।<br>এর আগে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়ে গণধর্ণণে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রুম থেকে দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি রামদা, দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করা হয়েছে।<br>গণধর্ষণের ঘটনার পর সব ছাত্রকে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।<br>দুপুর ২টায় এমসি কলেজের হোস্টেল সুপার মো. জামাল উদ্দিন জানান, এমসি কলেজের অধ্যক্ষের আহ্বানে জরুরি বৈঠক চলছে। বৈঠকে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 সৌদি ফেরা নিয়ে শঙ্কা কাটছে না প্রবাসীদের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98652 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131340_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131340_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মহামারি করোনায় দেশে বেড়াতে এসে আটকা পড়েন অনেক সৌদি প্রবাসী। পুনরায় সৌদি আরব ফেরা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে তাদের মধ্যে।<br>রিটার্ন টিকিট কেটে এসেও যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে অনেক প্রবাসীর। কারণ কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু করেছে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফলে খুব বেশি প্রবাসীর ফেরার সুযোগ এখনই হচ্ছে না। and nbsp;<br>সৌদি এয়ারলাইন্স ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ৫০০ জন রিটার্ন টিকিটধারীকে টোকেন দিয়েছে। কিন্তু এখনও বাকি বহু সহস্রাধিক প্রবাসী। কুমিল্লার বাসিন্দা আকুল মিয়া। তার রিটার্ন টিকিটের মেয়াদ ছিল ১১মে। কিন্তু এখন চলছে মাত্র মার্চ মাসের রিটার্ন টিকিটধারীদের টোকেন। আকুল মিয়া সৌদি ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ঘোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে তার মনের মধ্যে। আদৌ কি ফিরতে পারবেন প্রবাসে? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তার মাথায়। and nbsp;<br>আকুল মিয়ার মতো অনেক সৌদি প্রবাসী বিগত কয়েক দিন যাবত হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনেই অবস্থান করছেন। কিন্তু কোনো সুখবর পাচ্ছেন না তারা। প্রবাসীরা বাধ্য হয়ে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে হোটেল সোনারগাঁওয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করেন বলে জানান। আন্দোলনে দাবি আদায় হবে, এমন আশা নিয়েই বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। <br>নরসিংদীর হাসান মিয়াও এমন শঙ্কার কথা জানালেন। তিনি বলেন, আমার রিটার্ন টিকিটের তারিখ ৩ এপ্রিল। ভিসার মেয়াদ ৫ এপ্রিল। এরমধ্যে যদি যেতে না পারি, তাহলে আর যেতে পারবো না। আমার সামনে কী যে অন্ধকার দেখতে পাচ্ছি, মাথায় কোনো কিছু কাজ করছে না'। and nbsp;<br>সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার। সরকারি হিসেবেই দেশটিতে প্রায় ২২ লাখ শ্রমিক কাজ করেন। করোনার আগে দেশে এসে অন্তত অর্ধ লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন। এসব প্রবাসী যদি ফেরত যেতে না পারেন, তাহলে রেমিট্যান্স আয়ে বড় প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে বহু পরিবারের আয় সংকুচিত হবে। and nbsp;<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98651 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131311_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131311_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। এদের মধ্যে পুরুষ ২৫ ও নারী ১১ জন। ৩৬ জনের মধ্যে হাসপাতালে ৩৫ জন ও বা?ড়ি?তে একজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ হাজার ১২৯ জনে।<br>করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৪টি পরীক্ষাগারে ১০ হাজার ৬৮০টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজার ৭৬৫টি। একই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও এক হাজার ১০৬ জন।<br>ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল তিন লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৩ জনে। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৯৮ হাজার ৭৭৫টি। শ?নিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাভাইরাস বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।<br>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৭৫৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৬৮ হাজার ৭৭৭ জনে।<br>২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৭৫ দশমিক ১০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>এ পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের মধ্যে পুরুষ তিন হাজার ৯৭৪ (৭৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ১৫৫ জন (২২ দশমিক ৫২ শতাংশ)।<br>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ৩৬ জনের ম?ধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব সাতজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব আটজন এবং ষাটোর্ধ্ব ২১ জন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 ১ অক্টোবর থেকে সিঙ্গাপুরে ফ্লাইট ওড়াবে বিমান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98650 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131280_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131280_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনা মহামারির কারণে ছয় মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর আগামী ১ অক্টোবর থেকে ঢাকা-সিঙ্গাপুর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।<br>শনিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১ অক্টোবর থেকে প্রতি বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুরে শিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান।<br>করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ২১ মার্চ থেকে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এরপর ১ জুন থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে আকাশপথে চালু হয় চলাচল, আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল শুরু হয় ১৬ জুন থেকে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 যেভাবে দুই লাখ ভোটার অবৈধভাবে দ্বৈত ভোটার হলেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98649 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131203_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131203_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>নির্বাচন কমিশনের সার্ভারে এই মুহূর্তে দুই লাখ আট হাজার দ্বৈত ভোটার রয়েছেন। এদের মধ্যে ৯২৭ জনের অসৎ উদ্দেশ্যে দ্বৈত ভোটার হওয়ার প্রমাণ মিলেছে। তাদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইনের আওতায় মামলা দায়ের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও কার্যক্রম চলছে।<br>এছাড়া অবশিষ্ট দ্বৈত ভোটারদের দ্বিতীয় পরিচয়পত্র ব্লকড করে দিয়ে প্রথমটি চালু রাখা হয়েছে। এদের মধ্যে যেগুলো সন্দেহভাজন তাদের দুটো এনআইডিই ব্লকড করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দ্বৈত ভোটারদের নোটিশ করার পাশাপাশি উদ্দেশ্য যাচাই করা হচ্ছে। এদের মধ্যে কারও অসৎ উদ্দেশ্য পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর অন্যদের প্রথমটি রেখে দ্বিতীয়টি ব্লকড ও কর্তন করা হবে। এক্ষেত্রে না বুঝে বা প্ররোচনায় পড়ে দ্বৈত ভোটার হওয়া কোনও ব্যক্তি যদি নিজের থেকে ইসিতে আবেদন করে ভুল স্বীকার করেন, তাহলে তাদের বিষয়টি সদয় বিবেচনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।<br>নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সাধারণত দ্বৈত ভোটার হওয়ার ঘটনা ঘটে কিছুটা অজ্ঞতা বা অসচেতনতার কারণে। ভোটার হিসেবে নিবন্ধন হওয়ার পর দীর্ঘ সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে না পাওয়া, নিবন্ধনের স্লিপ হারিয়ে ফেলা, প্ররোচনা, শিক্ষা সনদ ও জন্ম নিবন্ধনের বয়সের সঙ্গে ভোটার হিসেবে বয়সের গড়মিল থাকায় সনদ অনুযায়ী দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার চেষ্টা করেন অনেকে। এছাড়া জেনে ও বুঝে উদ্দেশ্যমূল্যকভাবেও কেউ কেউ দ্বৈত ভোটার হয়ে থাকেন। নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।<br>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুরনো প্রযুক্তির ডিভাইস, কারিগরি ত্রুটির ফাঁক গলিয়ে, দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলা এবং কোনও কোনও ক্ষেত্রে তাদের সম্পৃক্ততার কারণেই দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার সুযোগ নেয় এক শ্রেণির নাগরিক।<br>এদিকে দ্বৈত ভোটার হতে সহযোগিতা, রোহিঙ্গাদের ভোটার করাসহ নানা কারণে গত আট বছরে ৩৯ জন কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।<br>ইসির মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথমে ছবিসহ যখন ভোটার তালিকা তৈরির কাজ হয়, সেই সময় যে ডিভাইসের মাধ্যমে ফিঙ্গার প্রিন্ট নেওয়া হতো, তা উন্নত প্রযুক্তির না হওয়া, অতীতের ধারাবাহিকতায় জনপ্রতিনিধি বা সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধিরা একই ব্যক্তিকে একাধিক নির্বাচনি এলাকায় ভোটার করার প্ররোচনা, শিক্ষা সনদ অনুযায়ী ১৮ বছর না হওয়া বা ভিন্ন নামে মিথ্যা তথ্য নিয়ে ভোটার হয়ে পরে সনদ পাওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় ভোটার হওয়া, কোনও ব্যক্তি আগে ভোটার হয়েছেন কিনা, তা মাঠ পর্যায়ে যাচাইয়ের ব্যবস্থা না থাকা, নিবন্ধন করার পর স্লিপ হারিয়ে ফেলে এনআইডি তুলতে না পারা, নিবন্ধন করার পর দীর্ঘ সময় হাতে কার্ড না পাওয়ার কারণে অনেকে দ্বিতীয়বার ভোটার হন।<br>এদিকে ভোটার হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো বাধ্যতামূলক করার কারণেও দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার সুযোগ কমে গেছে। এখন জন্ম নিবন্ধন, ইউপি চেয়ারম্যান ও পৌরসভা/সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরের দেওয়া নাগরিকত্ব সনদ, শিক্ষা সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি, ইউটিলিটি বিলের কপি এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সার্ভিস বই/নিয়োগপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ২০০৮ সালে ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে এর কোনোটিরই প্রয়োজন পড়েনি। ইসি ধাপে ধাপে ডকুমেন্টগুলোর পরিধি বৃদ্ধি করেছে। অবশ্য এখনও কোনও কোনও সময় ভিআইপিদের সুপারিশের কারণে সব ডকুমেন্টের বদলে দুই/তিনটি ডকুমেন্টের ভিত্তিতেই ভোটার নিবন্ধনের বিষয়টিও দেখা গেছে। সম্প্রতি বহুল আলোচিত ডা. সাবরিনার দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে এমনটি হওয়ার কথা জানান ইসির কর্মকর্তারা।<br>এ বিষয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ‘অনেকে অসৎ উদ্দেশ্যে দ্বৈত ভোটার হন। আবার কেউ কেউ বিষয়টিকে না জেনে-বুঝে বা একাধিক এলাকায় ভোটার হওয়ার প্রত্যাশায় হয়ে থাকেন। জনগণকে সচেতন করতে পারলে এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে শাস্তির দৃষ্টান্ত স্থাপন করা গেলে এটা থাকবে বলে মনে হয় না।’<br>বায়োমেট্রিকের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনের ভোটার যাচাইয়ের সুযোগ সম্পর্কে মাঠ প্রশাসনে সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা এই কর্মকর্তা জানান, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের থেকে এই ধরনের সুযোগ দেওয়ার একটা দাবি এসেছে। তবে, স্পর্শকাতর এই বিষয়ের অপব্যবহারের সুযোগ রয়েছে কিনা সেটাও দেখার বিষয়।<br>নির্বাচন কমিশনের এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা দুই লাখ সাত হাজার দ্বৈত ভোটার চিহ্নিত করেছি। এগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। এসএমএস বা অন্য সম্ভাব্য পদ্ধতিতে নোটিফাই করা হয়েছে। দেখছি উদ্দেশ্য কী ছিল? যারা উদ্দেশ্যমূলক করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উদ্দেশ্য অসৎ না হলে মানবিক বিবেচনায় প্রথমটি রেখে দ্বিতীয়টি স্থায়ীভাবে ব্লকড করে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।<br>রোহিঙ্গাদের ভোটার হওয়া ও দ্বৈত ভোটার ঠেকানোসহ জালিয়াতি বন্ধে তারা প্রযুক্তি উন্নতি করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা করার পাশাপাশি নজরদারি বাড়িয়েছেন উল্লেখ করে এনআইডির ডিজি বলেন, ‘আমরা এনআইডির সার্ভার শক্তিশালী ও এর নিরাপত্তা বাড়িয়েছি। আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পুরো কাজ মনিটরিং করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোনও আইডি থেকে কতক্ষণ কী কাজ করা হচ্ছেতা সংক্ষণের ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া কমিটি গঠন করে মাঠ প্রশাসনে ঝটিকা অভিযান শুরু করেছি।’<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 জোরালো হচ্ছে ‘বয়সসীমা’ বাড়ানোর দাবি, সরকার নির্বিকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98648 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131174_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131174_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সর্বশেষ ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হয়। এরপর অবসরের বয়স বাড়ানো হলেও প্রবেশের বয়স আর বাড়েনি। বেকারত্ব বেড়ে যাওয়া, সেশনজট, নিয়োগের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা। তবে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়নি সরকার।<br>এমনই প্রেক্ষাপটে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে জোরদার আন্দোলনে যাচ্ছে সংগঠনগুলো। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর।<br>জানা গেছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর জন্য কয়েক দফা সুপারিশ করা হয়। গত সরকারের শেষ সময়ে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ ফের সরকার গঠন করলেও চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি হারিয়ে যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপাতত চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স বাড়ানোর কোনো চিন্তা সরকারের নেই।<br>আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোর নেতারা বলছেন, করোনা মহামারি পরিস্থিতির কারণে সবকিছুর মতো তাদের আন্দোলনেও স্থবিরতা নেমে ছিল। গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রেস ক্লাবে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে ফের আন্দোলন শুরু করেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ। পরিষদের নেতারা জানান, শিগগিরই তারা দাবি আদায়ে দেশব্যাপী জোরদার আন্দোলনের ডাক দেবেন।<br>একসময় সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ছিল ২৫ বছর আর অবসরের বয়স ছিল ৫৫ বছর। স্বাধীন বাংলাদেশের শুরুর দিক থেকে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ২৭ বছর আর অবসরের বয়স ৫৭ বছর করা হয়। ১৯৯১ সালে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স তিন বছর বাড়িয়ে ৩০-এ উন্নীত করা হয়। ২০১২ সালে দুই বছর বাড়িয়ে অবসরের বয়স ৫৯ বছর করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়স করা হয় ৬০ বছর।<br>গত ডিসেম্বরে সরকারি স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা সংস্থা- বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে এসএসসি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী তরুণদের এক-তৃতীয়াংশ (৩৩ দশমিক ১৯ শতাংশ) পুরোপুরি বেকার?<br>এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী বহু মানুষ কর্মহীন ও চাকরিহীন হয়েছেন। একইসঙ্গে কমেছে চাকরির সার্কুলার ও আবেদনের হার। বাংলাদেশে ২০১৯ সালের এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলে অনলাইনে চাকরির সার্কুলারের হার কমেছে ৮৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি চাকরির সার্কুলার কমেছে পোশাক ও শিক্ষা খাতে। সার্কুলার কমলেও খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে এনজিও।<br>চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর আন্দোলন করছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ। পরিষদের সভাপতি সোনিয়া চৌধুরী <br> and nbsp;বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের বড় একটি সমস্যা হলো সেশনজট। লেখাপড়া শেষ করতে গিয়ে একজন শিক্ষার্থী মোটামুটি চার বছরের সেশনজটে পড়েন। যেখানে ২৪ বছর বয়সে মাস্টার্স শেষ করার কথা, সেখানে ২৮ বছর লেগে যায়। থাকে আর দুই বছর। দুই বছর পরই আমাদের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘১৭ বছর অর্থ, শ্রম ও সময় দিয়ে লেখাপড়ার দুই বছর পর আমার শিক্ষাগত সনদ ইনভ্যালিড হয়ে যায়। ৩০ বছর পার হওয়ার পর লেখাপড়া শিখেও আমি একজন অশিক্ষিত মানুষের মতো হয়ে যাই সরকারের কাছে। শিক্ষাই জতির মেরুদণ্ড কিন্তু শিক্ষিত হয়ে ৩০ বছর পর আমি মেরুদণ্ডহীন হয়ে যাচ্ছি।’<br>‘সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে সেশনজট নেই, এটা ভুল কথা। এখনও সেশনজটের জন্য সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন।’<br>জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন পাশের কোনো দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর নেই— দাবি করে সোনিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ভারতে করোনাকালে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৮ থেকে বাড়িয়ে ৪০ করা হয়েছে। করোনার কারণে বাড়ানো হলেও এটা স্থায়ীভাবেই করা হয়েছে।’<br>তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করা হলে বেকার সমস্যা আরও বাড়বে। যখন ২৭ থেকে ৩০ করা হয়েছিল তখন কি সমস্যা হয়েছিল? বয়সসীমা বাড়ানো হলে, সেক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিলেও ২/১ বছর পর তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’<br>চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়িয়ে কমপক্ষে ৩৫ করার দাবি জানিয়ে পরিষদের সভাপতি বলেন, দেশে ৩০ লাখ বেকার রয়েছে। আমরা দাবি আদায়ে অহিংস আন্দোলন করে আসছি। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, মশাল মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি, রিকশা মিছিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছি। আগামীতে আমরা জোরদার আন্দোলনে যাব।’<br>‘পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা একটা সংবাদ সম্মেলন করে সময় বেধে দেব। দাবি পূরণ না হলে ৬৪ জেলায় আন্দোলনের ডাক দেব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন করেই যাব।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর জন্য দশম জাতীয় সংসদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তিন-তিনবার সুপারিশ করে। আমরা মনে করি, আমলাদের অনাগ্রহের কারণে চাকরিতে বয়স বৃদ্ধির বিষয়টি আটকে আছে।’<br>ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খান রাসেল বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির জন্য আমাদের আন্দোলন কর্মসূচি একটু বিঘ্নিত হচ্ছে। শিগগিরই আমরা বড় ধরনের আন্দোলনে যাব।’<br>তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বিবেচনা করলে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছরের দাবিটি খুবই যৌক্তিক। সরকারি চাকরির সার্কুলার দেয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চাকরিতে প্রবেশে প্রায় ৩/৪ বছর লেগে যায়। সবাই কমপক্ষে চার বছরের সেশনজটে পড়েন। আমি এক বছরের মাস্টার্স ২৬ মাসে শেষ করেছি। চার বছরের অনার্স করেছি পৌনে সাত বছরে। পৃথিবীর কোনো দেশেই চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছরের কম নয়। আমাদের তো গড় আয়ু বেড়েছে।’<br>‘কিন্তু সরকার আমাদের দাবি কানেই তুলছে না। আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি বলে মনে হয় যৌক্তিক দাবি আমলে নিচ্ছে না’ বলেন খান রাসেল।<br>এ বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর কোনো চিন্তা সরকারের নেই। প্রধানমন্ত্রী একেবারে ডাটা ধরে বলেছেন, ৩০ বছরের বয়সী যারা বিসিএস দেয়, এক শতাংশেরও নিচে তারা চান্স পায়।’<br>‘তবে কোভিডের কারণে ছাড়পত্র নেয়ার পরও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি কোনো কোনো সরকারি দফতর। এর মধ্যে অনেকের বয়সও ৩০ পেরিয়ে গেছে। তাই আমরা বলেছি, ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ ছিল, নতুন (আগেই ছাড় দেয়া) বিজ্ঞপ্তি যখনই প্রকাশিত হবে তখন তারাও আবেদন করতে পারবেন। বয়সের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়েছে’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।<br>তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেছেন। আমরা ব্যাখ্যা দিয়েছি, ২৩ থেকে ২৪ বছরে মাস্টার্স পাস হয়ে যায়। সে মিনিমান ছয় বছর সময় পায় (চাকরি নেয়ার জন্য)। কোভিডের আগে কোনো জায়গাতেই কোনো সেশনজট ছিল না।’<br>২০১৮ সালের ২০ আগস্ট তখনকার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে নিয়েছে। এন্ট্রিটা (চাকরিতে প্রবেশের বয়স) বাড়তে পারে, আশা করছি। খুব তাড়াতাড়ি জানতে পারবেন।’<br>সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়সসীমা পুনর্বিন্যাসের সময় এসেছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি মনে করেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ কিংবা ৪০ বছর করা যেতে পারে। এছাড়া অবসরের বয়সও ৬৫ করা যেতে পারে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ‘মাদকাসক্ত’ ২৬ পুলিশ চাকরি হারাচ্ছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98647 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মাদকের বিষয়ে আমরা সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করিয়েছি। এর মধ্যে ২৬ সদস্যের পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছি। তাদের চাকরিচ্যুতের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।<br>শনিবার সকালে মিরপুরে ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, এভাবে ব্যবস্থা নিতে পারলে বাকিদের জন্য সুস্পষ্ট মেসেজ যাবে যে, আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। আমাদের এই উদ্যোগের ফলে অনেকে ভালো হয়েছে এবং এ রাস্তা থেকে ফিরে এসেছে। পুলিশের যেসব সদস্য মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বা মাদক ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা নিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো রকম শিথিলতা দেখানো হচ্ছে না।’<br>একজন সাধারণ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যেভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ঠিক একইভাবে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ভেঙে গেল গণফোরাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98646 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131112_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131112_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর পর দুই ভাগে বিভক্ত হলো ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম। সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুসহ তিন কেন্দ্রীয় নেতার নেতৃত্বে দলটি থেকে বেরিয়ে যাওয়া অংশ আগামী ২৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের ঘোষণা দিয়েছে।<br>শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে মন্টুর নেতৃত্বাধীন গণফোরামের বর্ধিত সভায় এ কাউন্সিলের ঘোষণা দেয়া হয়।<br>গত ২২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণফোরামের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বর ডাকা বর্ধিত সভার সঙ্গে গণফোরামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সে মোতাবেক আজকের বর্ধিত সভায় তারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না।<br>এ সভায় গণফোরামের সাবেক নির্বাহী সভাপতি আবু সাইয়িদ বলেন, বর্ধিত সভায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও গণমুখী করার লক্ষ্যে আগামী ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কাউন্সিলকে সফল করার লক্ষ্যে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুকে আহ্বায়ক করে ২০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br>আজকের সভার মধ্য দিয়ে গণফোরাম নামে আরেকটি দল গঠন করতে যাচ্ছেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ২৬ ডিসেম্বরের কাউন্সিলে উপস্থিত ডেলিগেটদের মতামত নিয়ে নতুন দলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।<br>ড. কামাল হোসেনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত, তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে কি-না, জানতে চাইলে মন্টু বলেন, আমরা এখনো বিশ্বাস করি ড. কামাল হোসেন আমাদের সঙ্গে আসবেন। বিতর্কিত লোকদের পরিহার করবেন। মাঠের পোড় খাওয়া লোকদের নিয়ে এগিয়ে যাবেন। তিনি না এলে তার বহিষ্কারের বিষয়ে আমাদের সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেব। সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা আসবেন, তাদের মতামত নিয়ে এ বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।<br>গণফোরাম তো বিএনপির নেতৃত্বধীন ঐক্যফ্রন্টে আছে, আপনারা তাহলে ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন কি-না, জানতে চাইলে মন্টু বলেন, ঐক্যফ্রন্টের বিষয়ে আমরা এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নেব না। সামনে আমাদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সভা আছে, সেখানে সিদ্ধান্ত নেব।<br>ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দল জামায়াত প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্টু বলেন, ঐক্যফ্রন্টে জামায়াত ছিল না। আমি একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব না বলেছিলাম কামাল হোসেনকে। কিন্তু তিনি যেহেতু দলের সভাপতি ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার নির্দেশে আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কারণ আমি তার আদেশ অমান্য করতে পারি না সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। সেই নির্বাচন কীভাবে আগের রাতে হয়ে গেছে আপনারা সবাই জানেন।<br>অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে গণফোরাম জাতীয় ঐক্য চায় বলেও মন্তব্য করেন মন্টু।<br>বর্ধিত সভায় গণফোরামের কতো জেলার প্রতিনিধি আছেন, জানতে চাইলে দলটির সাবেক নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, আমাদের সঙ্গে গণফোরামের ৫২ জেলার ২৮৩ জন প্রতিনিধি উপস্থিত আছেন।<br>বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, সাংগঠনিক সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম প্রমুখ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 ১০ মাসেও ফলাফল পায়নি শিক্ষার্থীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98645 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131074_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131074_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজ। ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাবির অধীনে যায় এই সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অধিভুক্তির পর থেকেই সেশনজট নিরসন, পরীক্ষার দাবি, দ্রুততম সময়ে ফল প্রকাশসহ নানা দাবিতে বেশ কয়েকবার আন্দোলনে যায় শিক্ষার্থীরা।<br>বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে দ্রুততম সময়ে তা সমাধানের আশ্বাস দিলেও এখনও তা চলছে ঢিলেঢালা ভাবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সব ক্ষেত্রে তা এখনও বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।<br>খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩য় বর্ষের (২০১৫-১৬) সেশনের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত বছরের ২৬ নভেম্বর। একই সাথে পরীক্ষা দিয়ে অন্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা ফলাফল পেলেও হিসাববিজ্ঞান এবং ফিন্যান্স এই দুই বিভাগের ফলাফল এখনও প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।<br>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজে মোট ২৫টি বিষয়ে অনার্স করার সুযোগ আছে শিক্ষার্থীদের। চলমান এই ২৫টি বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থীরা তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছে তার মধ্যে ২৩টি বিভাগের ফলাফল ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ ১০ মাসেও কেন এই দুই বিভাগের ফলাফল প্রকাশিত হয়নি তার সঠিক উত্তর জানে না কেউ।<br>এছাড়া ২০১৮ সালের (২০১৪-১৫ সেশন) ৪র্থ বর্ষের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছে ১৫ জানুয়ারি ২০২০। এই সেশনের ১৪টি বিভাগের ফলাফল প্রকাশিত হলেও এখনও বাকি ১১টা বিভাগের ফল প্রকাশ।<br>শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, হিসাববিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের ফলাফল প্রকাশ হলেও তৃতীয় বর্ষের ফল প্রকাশ না হওয়ার কারণে যার পূর্ববর্তী বছরের বিভিন্ন কোর্সে মানোন্নায়ন পরীক্ষা দিয়েছিল তারা ফলাফল সমন্বয়ের আবেদন করতে পারছেন না।<br>এসবের কারণে একই সাথে পরীক্ষা দিয়ে যাদের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তারা চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করতে পারলেও বাকিরা পারছে না। এতে অনেক শিক্ষার্থী বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।<br>১০ মাস আগে অনার্স তৃতীয় বর্ষের এক বিষয়ের ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষা দিয়েছিলেন সরকারি তিতুমীর কলেজের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ত্বোহা। যার ফলাফল এখনো না হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী বলেন, চতুর্থ বর্ষে থাকাকালীন তৃতীয় বর্ষের ইম্প্রুভ দিয়েছিলাম। এরপর চতুর্থ বর্ষ শেষ করে এখন শর্তসাপেক্ষে এমবিএ তে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু এখন ওই তৃতীয় বর্ষের ইম্প্রুভের ফলাফল না পাওয়ায় ফলাফল ঝুলে আছে। আমার সহপাঠীরা স্নাতক পাস করে বিভিন্ন চাকরিতে আবেদন করলেও আমার সমন্বিত রেজাল্ট না থাকায় আমি স্নাতক শেষ করেও কোথাও আবেদন করতে পারছি না। এসব বিষয়ে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।<br>করোনাভাইরাসের কারণে অফিস বন্ধ থাকায় এত দিনেও ফলাফল প্রকাশ সম্ভব হয়নি বলে মনে করছেন ঢাকা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবির। <br> and nbsp;তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে অফিসের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হয়তো ফলাফল প্রকাশ হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। তারা বলেছে দ্রুতই ফলাফল প্রকাশ করা হবে।’<br>সাত কলেজের ফোকাল পয়েন্ট ও কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, পরীক্ষা কমিটির কিছু কিছু শিক্ষক ঢাকায় নেই। দু-একজন শিক্ষকের জন্য হয়তো ফলাফল ঝুলে আছে। বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়ে আমি ভিসি স্যারের সাথে কথা বলবো।<br>এ বিষয়ে জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহালুল হক চৌধুরীকে ফোন করলে তিনি বলেন, ‘সাত কলেজের রেজাল্ট একের পর এক হইছে। করোনার মধ্যে তারা একটু স্যাক্রিফাইস করবে না’- এই বলে ফোন কেটে দেন তিনি।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 ১০ অক্টোবরের মধ্যে শ্রীলঙ্কা সফরের আশা বিসিবির http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98644 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131048_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131048_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ক্রীড়া ডেস্ক,<br>সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল (রবিবার) শ্রীলঙ্কা সফরে যেত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা বোর্ডের দেয়া কোয়ারেন্টাইন নিয়ম নিয়ে বিসিবির আপত্তি থাকায় সিরিজটি নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে, সিরিজ নিয়ে দুই বোর্ডই ইতিবাচক। চলতি সপ্তাহেই সিরিজ সম্পর্কে চূড়ান্ত তথ্য জানাতে পারে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। তেমনটি হলে অক্টোবরের ৭ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারে বাংলাদেশ দল। শনিবার সংবাদমাধ্যমকে এমনটি জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান আকরাম খান।<br>আকরাম খান বলেছেন, ‘ওরা আশা করেছিল যে, গতকাল ওদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাবে। কিন্তু পায়নি। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে ওরা আমাদের সিরিজ সম্পর্কে জানাবে বলে আশা করছি। ওরাও চেষ্টা করছে। এখানে ওদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাপার আছে। শ্রীলঙ্কা বোর্ডও চাচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব আমাদের একটি গাইডলাইন দিতে।’<br>তিনি আরো বলেন, ‘সিরিজ নিয়ে আমরা পজিটিভ। ওরাও পজিটিভ। আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার হয়তো একটা রেজাল্ট চলে আসবে। যদি সবকিছু পজিটিভলি হয় তাহলে আগামী ৭ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে আমরা যেতে পারি।’<br>নির্ধারিত সময়ে সফর শুরু না হওয়ায় সিরিজের ম্যাচ সংখ্যা কমানো হবে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে আকরাম খান বলেন, ‘ওদের যে একটা ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হওয়ার ছিল সেটা হচ্ছে না। ওদের কাছেও সময় আছে। আমাদেরও সময় আছে। ওদের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট যেহেতু হচ্ছে না সেহেতু ম্যাচ তিনটাই হবে। এটা নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই।’<br>তিনি বলেন, ‘ওদের কাছ থেকে অফিসিয়ালি কোনো ইমেইল এখনো আমাদের কাছে আসেনি। অফিশিয়ালি ছাড়া বাইরে কি হচ্ছে না হচ্ছে এসব নিয়ে কিছু বলতে পারব না। আমরা ট্যুরে যেতে মরিয়া না। আমরা যদি ওইরকম মনোভাব থাকতো তাহলে এতদিন চলেই যেতাম। আমাদের খেলোয়াড়রা যেন মানসিকভাবে ক্লান্ত না থাকে, ওরা যেন নিজেদের মধ্যে থেকে সেরা পারফরম্যান্স বের করে আনতে পারে আমরা সেটাই চাই। ওখানে গিয়ে ভালো পারফরম্যান্স করার জন্য যা যা করা দরকার সেগুলোই এখন আমরা করছি।’<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 এখনো ভেন্টিলেটর সাপোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98643 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131021_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601131021_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এখনো ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন। তার সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার। মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তার জামাতা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ মো. রিয়াজুল হক শনিবার জানান, তাকে সিএমএইচে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।<br>অ্যাটর্নি জেনারেলের সুস্থতায় পরিবারের পক্ষ থেকে জামাতা অ্যাডভোকেট রিয়াজুল দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। করোনামুক্ত হলেও তার শারীরিক অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয়।<br>অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এখনো নিবিড় পরিচর্যায় তার চিকিৎসা চলছে।<br>গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল জ্বর অনুভব করেন। জ্বর ও গলা ব্যাথা নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ওই দিনই করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। ১৯ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। <br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 নীলা হত্যা: প্রধান আসামি মিজান ৭ দিনের রিমান্ডে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98642 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130990_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130990_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সাভারে স্কুলছাত্রী নীলা রায়কে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার অভিযুক্ত কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমানের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।<br>শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তাকে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ড নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার এসআই নির্মল চন্দ্র ঘোষ। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব আহসান সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।<br>আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আনোয়ারুল কবীর বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>এদিকে শুক্রবার মিজানুরের বাবা আব্দুর রহমান ও মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাইরুজ তাসনীম। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর থানার চারিগ্রাম এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।<br>উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে নীলা রায় ও তার ভাই অলক রায়কে পথরোধ করে মিজানুর রহমান। তার ভাইয়ের কাছ থেকে নীলাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে রাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নীলাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নীলার বাবা নারায়ণ রায় পরদিন মিজানুর রহমান, তার বাবা আব্দুর রহমান ও মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকাকে আসামি করে সাভার থানায় হত্যা মামলা করেন।<br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:36:00 1970-01-01 00:00:00 জামানত ছাড়া ঋণ পাবেন ৭ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98641 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130961_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130961_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>যে সব ব্যবসায়ীদের দৈনিক আয় ৩ থেকে ৫শ' টাকা, দেশের এমন অতিক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কোনো ধরণের জামানত ছাড়াই পাবেন সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা ঋণ। প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় মাত্র ৪শতাংশ সুদে এই ঋণ পাওয়া যাবে।<br>দেশে প্রায় সাত লাখ অতি ক্ষুদ্র ব্যবসা উদ্যোগ রয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণে ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে যাদের বেচাবিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছিল। লোকসানের পাশাপাশি অনেককেই হারাতে হয়েছে পুঁজি।<br>বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির হিসেবে এই সময় দৈনিক শত কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে কেবলমাত্র অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। এমন পরিস্থিতিতে এসব ব্যবসা উদ্যোগ টিকিয়ে রাখতে স্বল্পসুদে ঋণ দেবে বেসরকারি খাতের আইএফআইসি ব্যাংক।<br>ব্যাংক ঋণ পাবেন অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ঋণের বিপরীতে সুদ দিতে হবে মাত্র ৪ শতাংশ হারে। ঋণ নেওয়া যাবে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ব্যবসায়ীদের ঋণ সুবিধা দেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের এই ব্যাংক।<br>সম্প্রতি এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সই করেছে ব্যাংকটি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, যারা ডাব বিক্রি করেন, ফল বিক্রি করেন তারাও আছেন। আবার যারা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অন্যান্য সবজি বিক্রি করেন তারাও আছেন।<br>অর্থাৎ যাদের পুঁজির পরিমাণ হচ্ছে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে। যাদের সারাদিনের রোজগারের পরিমাণটাও ৩ থেকে ৫শ টাকার মধ্যে। এই যে দরিদ্র গোষ্ঠীর ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে। আইএফআইসি ব্যাংক বলছে আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ দেবো, তারা ৪ শতাংশ সুদ দেবেন আর প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে সরকার দেবে ৫ শতাংশ।<br>আইএফআইসি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সদস্যদের ঋণ পেতে ১০০ টাকার বিনিময়ে ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে। হিসাব খোলা হয়ে গেলে ব্যবসায়ীদের চেক বই সরবরাহ করা হবে পরবর্তীতে চেক বইয়ের পাতায় জমা রেখে ঋণ দেওয়া হবে।<br>এ বিষয়ে আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাসান বলেন, বড় বড় ঋণগুলো আমরা যেভাবে দিয়ে থাকি এই ঋণগুলো তাদের মতো বিবেচিত হবে না। তাদের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। মাত্র ১০০ টাকা দিয়ে সদস্য হয়ে এই ঋণ নিতে পারবেন। প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহায়তা করা। তাই আমরা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বিনা জামানতে ঋণ দেওয়ার এই কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছি।<br>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে জামালপুর ও শেরপুর জেলার অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়া হবে। এরপর দোকান মালিক সমিতির তালিকা অনুসারে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এ ঋণ পাবেন।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:36:00 1970-01-01 00:00:00 কৃষি প্রদশনী প্লটে নয়-ছয়, বঞ্চিত হচ্ছে কৃষকরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98640 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130928_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601130928_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>শরীয়তপুর সদর উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের ফসলের প্রদর্শনী প্লটে ‘নয়-ছয়’ করার অভিযোগ উঠেছে। প্রদর্শনী প্লটগুলোতে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধা সম্পর্কে কৃষকদের কিছুই জানানো হয় না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। নামমাত্র কিছু বীজ সার দিয়ে দায় শেষ করেন কৃষি কর্মকর্তারা। প্রদর্শনী প্লটের বেশিরভাগ খরচ বহন করতে হচ্ছে কৃষকদের। এতে কৃষকদের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।<br>শরীয়তপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানান ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় ১৫০টি, ন্যাশনাল এগ্রিক্যালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম (এনএটিপি-২) প্রকল্পের আওতায় ১২০টি, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় ১৫টি, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মশলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় ১২০টি এবং সাত জেলা প্রকল্পের আওতায় ১৫০টি প্রদর্শনী প্লট বাস্তবায়ন করা হয়েছে।<br>সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতের অর্থায়নে রোপা আমন ব্রিধান-৭২ এর প্রদর্শনী প্লট দেয়া হয় রুদ্রকর গ্রামের কৃষক আ. গনি মিয়াকে। স্থানীয় চররোসুন্দি ব্লকের ৩৩ শতাংশ জমিতে এ প্রদর্শনী প্লটটি বাস্তবায়ন করেন তিনি। প্রথমে তাকে পাঁচ কেজি ব্রি ধান-৭২ জাতের বীজ দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।<br>এরপর সম্প্রতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডেকে পাঁচ কেজি টিএসপি, ১৫ কেজি ইউরিয়া, পাঁচ কেজি পটাস, ৫০০ গ্রাম দস্তা ও দুই কেজি জিপসাম সার ও একটি প্রদর্শনী প্লটের সাইন বোর্ড দেয়া হয়েছে।<br>একই ইউনিয়নের রুদ্রকর ব্লকের কৃষক মোতালেব বেপারীকে একই প্রকল্পের রোপা আমন প্রদর্শনীর বিপরীতে পাঁচ কেজি টিএসপি, ১২ কেজি ইউরিয়া, চার কেজি পটাস, আড়াই গ্রাম দস্তা ও চার কেজি জিপসাম সার ও একটি প্রদর্শনী প্লটের সাইন বোর্ড দেয়া হয়েছে।<br>ন্যাশনাল এগ্রিক্যালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম (এনএটিপি-২) এর রোপা আমন খরিফ-২ ব্রিধান- ৪৯ জাতের একটি ফলন পার্থক্য কমানো প্রযুক্তি প্রদর্শনী দেয়া হয় রুদ্রকর গ্রামের কৃষক আইয়ুব আলী সরদারকে।<br>রুদ্রকর ব্লকের ৪৫ শতাংশ জমিতে এ প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করেন তিনি। প্রদর্শনীর শুরুতে ১০ কেজি ধান দিয়েছে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়। পরে সম্প্রতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয়ের ডেকে ২০ কেজি টিএসপি, ১৮ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি পটাস, চার কেজি জিপসাম সার ও একটি সাইন বোর্ড দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।<br>আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় রোপা আমন বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। রুদ্রকর ব্লকে রুদ্রকর রোপা আমন বীজ উৎপাদনকারী দলের মাধ্যমে পাঁচ একর জমিতে এ প্রদর্শনীটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রদর্শনীতে ৫০ কেজি ধান বীজ আর মাত্র তিন বস্তা ইউরিয়া, ৭০ কেজি টিএসপি, ৭০ কেজি পটাস, ৪০ কেজি জিপসাম সার দেয়া হয়ছে।<br>এসব প্রকল্প বাস্তবায়কারী কৃষকদের অভিযোগ, বন্যার কারণে অফিস থেকে ধানের বীজ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে নগদ টাকা দিয়ে বিভিন্ন বাজার থেকে ধানের চারা কিনে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন তারা। এতে তাদের অনেক টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, প্রদর্শনী প্লটের জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের বাড়িতে গিয়ে নানা সুযোগ সুবিধার কথা বলে প্রদর্শনী প্লট দেয়।<br>কৃষকরা বলেন, কিন্ত এ প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের কী কী সহায়তা আমাদের জন্য বরাদ্দ রয়েছে- তা আমাদেরকে জানানো হয়না। অফিসাররা বলে সার, বীজ, ঔষধ কোন কোন প্রকল্পে নগদ টাকাও দেয়া হবে। কিন্তু যে পরিমান সার তারা দেয়- তাতে কিছুই হয় না। তার চেয়ে দুই/তিন গুন সার আমাদের কিনতে হয়। কোনো প্রদর্শনীর জন্য কি দেয়া হবে তার কোনো তালিকাও আমাদের কাছে দেয়া হয় না। তারা যখন যা দেয়- তাই নিয়ে আমাদের সন্তুষ্ট থাকতে হয়।<br>আমরা বুঝতেও পারিনা, আমার প্রকল্পের জন্য কী বরাদ্দ ছিল- আমি পুরোটাই পেলাম না কম পেলাম। যে সাইন বোর্ড সরবরাহ করা হয়, তাতে কৃষককে সরকারের দেয়া সহায়তার বিবরণ থাকে না। তাই আমাদের দাবি, প্রকল্পের বরাদ্দ অবশ্যই সব প্রদর্শনী প্লট বাস্তবায়নকারী কৃষকদের লিখিত আকারে সরররাহ করত হবে। যাতে আমরা সব কিছু সর্ম্পকে স্পষ্ট জানতে পারি।<br>শরীয়তপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, প্রদর্শনী প্লটে সার, বীজ, ঔষধ-সহ প্রদর্শনী বাস্তবায়নের সকল খরচ আমরা বহন করি। যদি কোন প্রদর্শনী প্লট বাস্তবায়ন শেষে টাকা উদ্বৃত্ত থাকে তাহলে ওই কৃষককে আমরা ফেরত দিয়ে দেই। আমরা শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে কাজ করি। আমরা কোন প্রদর্শনীতে নয়-ছয় করি না।<br>শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুর রহমান শেখ বলেন, প্রদর্শনী বাস্তবায়নকারী কৃষককে অবশ্যই তার বরাদ্দ সর্ম্পকে সুস্পষ্টভাবে জানানো উচিৎ। এটা ওই কৃষকের অধিকারের মধ্যে পরে। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে কথা উঠেছে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে কথা বলে কৃষকের অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা করবো। আর যদি সরকারী বরাদ্দ বিতরণের ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম থেকে থাকে তদন্ত স্বাপেক্ষে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 20:35:00 1970-01-01 00:00:00 মুমূর্ষু স্বামীকে রক্ত দেয়ার আশ্বাসে গৃহবধূকে ধর্ষণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98639 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601127516_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601127516_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গুরুতর অসুস্থ স্বামীকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করেন স্ত্রী শান্তা আক্তার (ছদ্মনাম)। ভর্তির পরই কর্তব্যরত ডাক্তার শান্তাকে জানান তার স্বামীর শরীরে রক্ত প্রয়োজন। জরুরি রক্তের ব্যবস্থা করতে হবে। এরপরই শান্তা ছুটে যান হাসপাতালে দ্বিতীয় তলার ব্লাড ব্যাংকে। এই সময় সেখানে থাকা কয়েকজনের মধ্যে একজন রক্ত জোগাড় করে দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে মিরপুর এলাকার মণিপুর পাড়ার একটি বাসায় নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন আশ্বাস দেয়া ওই ব্যক্তি। আর এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন এক নারী। আটক করা হয়েছে তাদের দুজনকেই।<br><br>শনিবার বিকালে র‌্যাব থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাপারে জানানো হয়। ঘটনার বিষয়ে র‌্যাব-২ এর উপ-অধিনায়ক মেজর এইচ এম পারভেজ আরেফিন বলেন, রক্ত জোগাড় করে দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে চলতি মাসের ১৫ তারিখে। ওই দিন বিকালে শান্তা আক্তারের (ছদ্মনাম) স্বামী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ভর্তি করেন। পরে দায়িত্বরত ডাক্তার তার স্বামীর জন্য রক্ত প্রয়োজন জানিয়ে জরুরিভাবে রক্তের ব্যবস্থা করার পরার্মশ দেন। তখন রক্তের সন্ধানে শান্তা হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ব্লাড ব্যাংকের সামনে গিয়ে ৩ থেকে ৪ জনকে দেখতে পান। তাদেরকে তার স্বামীর জন্য ‘ও’ পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন জানালে তাদের মধ্যে ধর্ষক মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব রক্তের ব্যবস্থা করে দেয়ার আশ্বাস দেন। একদিন পরে তিনি নিজেই যোগাযোগ করেন।<br><br>র‌্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক শাখার কেউ না। তিনি নিজেও একজন চিকিৎসা প্রার্থী। তার মা একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরেরদিন ১৬ সেপ্টেম্বর রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে জানিয়ে মিরপুররে মধ্য মনিপুর পাড়ায় অবস্থিত শিফা ভিলার ভাড়াটিয়া মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পীর বাসায় ওই গৃহবধূকে নিয়ে যান মনোয়ার। পরে শিল্পীর সহযোগিতায় মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীব শান্তাকে ধষর্ণ করেন। এ সময় শান্তা সজিবের হাত থেকে বাঁচতে চিৎকার করেন। তখন তার গলা চেপে ধরে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। পরে শান্তা লোকলজ্জার ভয় ও স্বামীর অসুস্থতার কারণে ধর্ষণের বিষয়টি গোপন রাখেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাটতার দিকে কল দিয়ে রক্তের ব্যবস্থা হয়েছে জানিয়ে তার সঙ্গে আবার দেখা করতে বলেন মনোয়ার। তখন শান্তা ফের ধর্ষিত হওয়ার ভয়ে তার স্বামীকে ধষর্ণের বিষয়টি খুলে বলেন। পরে তারা দু’জনে র‌্যাব-২ এর কার্যালয়ে এসে অভিযোগ করলে অভিযুক্তদের মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।<br><br>প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা র‌্যাবের কাছে মনোয়ার হোসেন সজীব ধর্ষণ ও মাশনু আরা বেগম ওরফে শিল্পী সহযোগিতার কথা স্বীকার করেছেন। তারা আরও জানান, মনোয়ার হোসেন ওরফে সজীবের সঙ্গে শিল্পীর র্দীঘদিন ধরে অবৈধ সর্ম্পক রয়েছে। তারা একে অন্যকে বিভিন্ন সময়ে অবৈধ কাজে সহযোগিতা করেছে। </body></HTML> 2020-09-26 19:36:32 1970-01-01 00:00:00 মুসলিম-বিদ্বেষের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98638 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126999_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126999_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ভারতে ইসলামোফোবিয়া বা মুসলিম-বিদ্বেষকে সরাসরি রাষ্ট্রীয়ভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তব্যের সময় এ অভিযোগ করেন তিনি।<br>করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবছর ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতিসংঘের সম্মেলন। সেখানে রেকর্ড করা বক্তব্যে ইমরান খান বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলছি যে, আজ বিশ্বের একমাত্র দেশ যেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামোফোবিয়ার পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে, সেটি ভারত। এর কারণ হচ্ছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ আরএসএসের (উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন) আদর্শ ভারত শাসন করছে। তারা বিশ্বাস করে, ভারত শুধু হিন্দুদের জন্য, অন্যরা সমান নাগরিক নয়।’ গত আগস্টে ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বিলুপ্ত করায় এর আগেও ভারত সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী। তবে কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে পাকিস্তান সরাসরি সহায়তা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে ভারতের। যদিও বরাবরই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইমরান খান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে জম্মু-কাশ্মীরের বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা আসবে না।’ এ জন্য ভারত সরকারের গত ৫ আগস্টের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br>বিশ্বের অন্যতম সেনা অধ্যুষিত এলাকা কাশ্মীরে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার তরুণকে আটক, বেআইনি অভিযান, অবৈধ নির্যাতনসহ বেশ কিছু গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। গত মার্চ পর্যন্ত টানা সাত মাস পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল অঞ্চলটিকে। বন্ধ ছিল ইন্টারনেটসহ সবধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।<br>পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে নীতি লঙ্ঘনের এসব গুরুতর ঘটনা অবশ্যই তদন্ত করতে হবে। এছাড়া, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ভারতীয় বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার হওয়া উচিত।’<br>ভারতের পাশাপাশি গোটা বিশ্বে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন ও ইসলামবিদ্বেষের প্রচারণা বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br>সূত্র: আল জাজিরা<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:30:00 1970-01-01 00:00:00 ট্রাম্পের কারণে বন্ধু হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98637 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126971_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126971_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) পছন্দ করেন না, সেটা গোপন কিছু নয়। গত চার বছর তিনি সবসময়ই ব্রেক্সিটের পক্ষে কথা বলেছেন; দাবি করেছেন, ইইউ গঠিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফায়দা নেয়ার জন্যই। সুতরাং ইউরোপীয় দেশগুলোতে ট্রাম্পের নিয়োগ দেয়া রাষ্ট্রদূতরা কূটনৈতিক শিষ্টাচারের বাইরে কিছু করলে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।<br>চলতি সপ্তাহেই দেখা গেছে, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিট হোকস্ট্রা দূতাবাসের মধ্যেই ফোরাম ফর ডেমোক্র্যাসি (এফভিডি) নামে স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে উগ্র ডানপন্থী, অভিবাসন ও ইইউ-বিরোধী দলটি নেদারল্যান্ডসে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। একটি ডাচ সাময়িকী দাবি করেছে, এফভিডির জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই মূলত মার্কিন দূতাবাসে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল।<br>মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র অবশ্য বলেছেন, নেদারল্যান্ডসে ওই অনুষ্ঠানটি ছিল টাউন হল আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর সভা। তাদের দাবি, হোকস্ট্রা আগেও আটটি ভিন্ন দলের সঙ্গে এ ধরনের ১৫টি টাউন হল সভার আয়োজন করেছেন। অর্থাৎ, এফভিডির সঙ্গে অনুষ্ঠান তাদের জন্য অস্বাভাবিক কিছু নয়।<br>তবে মার্কিন প্রশাসনের এ দাবির সঙ্গে একমত নন অনেকেই। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাবেক সদস্য এবং স্ট্যানফোর্ড সাইবার পলিসি সেন্টারের আন্তর্জাতিক নীতি বিয়ষক পরিচালক মারিয়েতে শাকে বলেন, ‘তহবিল সংগ্রহ হোক বা না হোক, একটি রাজনৈতিক দলের অনুষ্ঠান আয়োজনকে আপনি বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমর্থন হিসেবে দেখতে পারেন। সাধারণত, কূটনীতি হচ্ছে সরকারের সঙ্গে সরকারের মিথস্ক্রিয়া, নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার এবং রাজনৈতিকভাবে জোটবদ্ধ হওয়ার ধারণা দেয়া নয়।’<br>তিনি বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসন আগেও দেখিয়েছে, আবারও দেখাচ্ছে, তাদের মিত্ররা নাইজেল ফ্যারাগে (ব্রেক্সিটপন্থী ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ) ও এফভিডির মতো ইউরোপীয় শক্তির বিরোধী।’<br>যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত উডি জনসনের নামেও রয়েছে অভিযোগ। তিনি নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে ট্রাম্পের মালিকানাধীন কোনও একটি কোর্টে ব্রিটিশ ওপেন গলফ টুর্নামেন্ট আয়োজনের চেষ্টা করেছেন, এমন অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।<br>তবে তদন্তে দোষ প্রমাণের আগেই এ প্রচেষ্টার কথা গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করে নিয়েছেন জনসন। যদিও, ট্রাম্প বলেছেন, তিনি এ রাষ্ট্রদূতকে কখনোই এমন কিছু করার জন্য বলেননি। তাছাড়া, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত এ মার্কিন রাষ্ট্রদূত সরাসরি ব্রেক্সিটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, ব্রেক্সিটের ফলে যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।<br>প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে জার্মানিতেও। সেখানকার সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত রিচার্ড গ্রেনেল এমন কাজ করেছেন যা সাধারণত কূটনীতিকদের করা মানায় না। যেমন- তিনি টুইট করেছেন, ‘ইরানে ব্যবসা করা জার্মান প্রতিষ্ঠানগুলোর উচিত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া।’<br>ইরানের বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য এমনিতেই গলধঃকরণ কঠিন। ইইউ’র পৃষ্ঠপোষকতায় ইরানের সঙ্গে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করিয়েছেন ট্রাম্প, যেটা মোটেও ভালো চোখে দেখেনি ইউরোপীয় দেশগুলো।<br>আবার, ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম ব্রেইটবার্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে গ্রেনেল খোলামেলাই বলেছেন, তিনি ইউরোপজুড়ে রক্ষণশীলদের ক্ষমতায় দেখতে চান। কোনও দেশে যে ধরনের সরকারই ক্ষমতায় থাক না কেন, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার দায়িত্ব রাষ্ট্রদূতের। সেখানে সরাসরি একটি পক্ষকে সমর্থন জানানো সাধারণত কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত।<br>শুধু রাষ্ট্রদূতদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডই নয়, ট্রাম্পের শাসনামলে ইউরোপীয় ঐক্যের বিরোধিতা করা নেতাদের সঙ্গেও সম্পর্ক বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের নাম উল্লেখযোগ্য। তিনি গত এক দশক ধরে নিজ দেশের আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, গণমাধ্যমের ওপর প্রভাব বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হাঙ্গেরিয়ান প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের তদন্ত করছে ইইউ।<br>এরপরও গত বছর অরবান যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলে তার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘অরবান বিভিন্ন উপায়ে অনেক ভালো কাজ করছেন। তিনি ইউরোপজুড়ে খুবই সম্মানিত। সম্ভবত আমার মতো কিছুটা বিতর্কিত। তবে, সেটা ঠিকই আছে।’<br>এসব বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘ইইউ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক কী আর আছে? সরকারের রাজনৈতিক রেখায় পার্থক্য যা-ই হোক না কেন, সেটি আমাদের একত্রিত করবে। কিন্তু এখন যদি ঠিকভাবে দেখেন, তাহলে শুধু বিভাজনই দেখা যাবে।’<br>তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের অধীনে দেখা যাচ্ছে, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) ইইউর ক্ষতি করার চেষ্টা কখনো হাতছাড়া করে না। যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আগে আমাদের সঙ্গে কখনও পরামর্শ করে না; যেমন- ইরানের বিষয়, জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরানো। এখন একটা চিন্তাই বাড়ছে, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর আগের মতো ভরসা করতে পারব না।’<br>সূত্র: সিএনএন<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:29:00 1970-01-01 00:00:00 ভ্যাকসিন আসার আগেই মৃত্যু হতে পারে ২০ লাখ মানুষের : ডব্লিউএইচও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98636 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126940_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126940_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>বিশ্বে কার্যকর কোনো ভ্যাকসিনের ব্যবহার সহজলভ্য হওয়ার আগেই প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। খবর বিবিসির।<br>ডব্লিউএইচওর জরুরি বিভাগের প্রধান মাইক রায়ান বলেছেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা জোরদার না হলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।<br>গত বছরের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়ে। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাসের প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এর মধ্যেই প্রায় ১০ লাখ মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে করোনাভাইরাস।<br>সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার ২০৪।<br>এর মধ্যে মারা গেছে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪৬৩ জন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২ কোটি ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ৩৪৬ জন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই ইতোমধ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে গেছে। এ নিয়েও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।<br>এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং ব্রাজিলেই। এ তিন দেশেই সংক্রমণ প্রায় দেড় কোটির বেশি।<br>সম্প্রতি ইউরোপে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে অনেক দেশই নতুন করে আবারও লকডাউন আরোপের বিষয়ে চিন্তা করছে। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু পর বেশিরভাগ দেশেই লকডাউন জারি হলেও মাঝখানে বেশ কিছুদিন অনেক দেশেই কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছিল।<br>ইউরোপের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ড. রায়ান বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বিশাল এলাকায় করোনো ভয়ঙ্করভাবে বেড়েই চলেছে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br>ভ্যাকসিন সহজলভ্য হওয়ার আগে ২০ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে কিনা এ বিষয়ে ডা. রায়ানকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা অসম্ভব নয়। তবে তিনি বলছেন যে, করোনার চিকিৎসা অনেকটাই উন্নতির দিকে থাকায় মৃত্যুহার অনেকটাই কমে গেছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:29:00 1970-01-01 00:00:00 নজিরবিহীন তেল রফতানি বেড়েছে ইরানের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98635 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126907_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126907_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ইরানের তেল রফতানি উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়েছে। ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার্স-সহ আন্তর্জাতিক তেল ট্যাংকার চলাচল পর্যবেক্ষণকারী তিনটি সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<br>ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার্স জানিয়েছে, আগস্ট মাসের চেয়ে ইরান সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিগুণ তেল রফতানি করেছে। ২০১৮ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল।<br>ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি সম্প্রতি বলেছেন, তার দেশ গত আড়াই বছর ধরে অর্থনৈতিক যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে এবং এটি ঠাট্টা করার মতো কোনো বিষয় নয়।<br>তবে একের পর এক নিষেধাজ্ঞার পরেও ইরানের তেল রফতানি কমেনি বরং, উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বেড়ে গেছে। এমনকি দেশটি দৈনিক তেল রফতানি প্রায় ১৫ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করেছে। গত দেড় বছরে এই পরিমাণ তেল রফতানির ঘটনা নজিরবিহীন।<br>ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের কর্মকর্তা মাদানি গত জানুয়ারি মাসে বলেছিলেন, ওই মাসে ইরানের তেল রফতানি তার আগের মাসের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। এসব তেলের শতকরা ৭ থেকে ১০ ভাগ সুয়েজ খালের মাধ্যমে সিরিয়ায় পৌঁছেছে এবং বাকি তেল দূরপ্রাচ্যসহ অন্যান্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।<br>ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের মোট রফতানি করা তেলের অর্ধেক কোথায় যায় তা পরিষ্কার নয়। কারণ, এসব তেল বিদেশি তেল ট্যাংকার বহন করে এবং গভীর সমুদ্রে এসব তেল জাহাজ থেকে জাহাজে স্থানান্তর করা হয়।<br>ইরানের তেল মন্ত্রণালয় সাধারণত তাদের তেল উত্তোলন ও রফতানির পরিমাণ ঘোষণা করে না। ইরানের অভিজ্ঞ তেলমন্ত্রী বিজান নামদার জাঙ্গানেকে সেদেশের তেল রফতানি বৃদ্ধির প্রধান কারিগর বলে মনে করা হয়। সম্প্রতি তিনি বলেছিলেন, ‘আমার কথা শুধু দেশের জনগণ শোনে না বরং শত্রুদের কানেও পৌঁছে যায়।’ তিনি আরও বলেন, তেল মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে কেউ যেন পরিসংখ্যান আশা না করে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:28:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মৃত্যুর ঝুঁকি ৫২ শতাংশ কমাতে সক্ষম ভিটামিন ডি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98634 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126881_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126881_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>যাদের ভিটামিন ডি'র ঘাটতি রয়েছে তাদের তুলনায় যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে এই ভিটামিন গ্রহণ করেন তাদের কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি ৫২ শতাংশ কম। নতুন এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ডেইলি মেইলের।<br>আমাদের ইমিউন সিস্টেম অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ডি। এমনকি এটি শরীরে বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের ক্ষেত্রেও বেশ কার্যকরী। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভিটামিন ডি'র বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য মানুষের দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।<br>করোনাভাইরাসের কারণে যাদেরকে বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে, তাদের দেহে ভিটামিন ডি'র ঘাটতি অনেক বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাদের দেহে ভিটামিন ডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।<br>বোস্টন ইউনিভার্সিটির ড. মাইকেল হোলিক তার আগের একটি গবেষণায় দেখেছেন, যারা পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন তাদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা ৫৪ শতাংশ কম।<br>ওই গবেষণায় তিনি এবং তার টিম দেখতে পেয়েছেন যে, যাদের দেহে ভিটামিন ডির ঘাটতি রয়েছে তাদের অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, বিভিন্ন ধরনের জটিলতায় বেশি ভোগেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন।<br>অন্যান্য রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেহে ভিটামিন ডি'র অভাব করোনায় আক্রান্তের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। ভিটামিন ডি'র প্রধান উৎস সূর্যের আলো। যারা প্রতিদিন এই ভিটামিন গ্রহণ করছেন তাদের মধ্যে ঠিক কী পরিমাণ মানুষ করোনা থেকে প্রাণে বেঁচে যাচ্ছেন তা এখনও পরিষ্কার নয়।<br>তবে আমরা জানি যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষের দেহেই ভিটামিন ডি'র ঘাটতি রয়েছে। যদি এই তথ্য সত্যি হয়ে থাকে তবে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এতো বেশি মৃত্যুর জন্য ভিটামিন ডি'র ঘাটতি অন্যতম।<br>ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪০ জন। হয়তো ভিটামিন ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে এতো বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটত না।<br>করোনাভাইরাসের ঝঁকি কমাতে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত কীনা তা নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েই গেছে। তবে এ বিষয়ে সবাই একমত যে, এই ভিটামিন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং দেহে প্রদাহের মাত্রা কমিয়ে আনতে সক্ষম।<br>ড. হলিক বলছেন, নতুন গবেষণা সরাসরি প্রমাণ করছে যে, ভিটামিন ডির ঘাটতি রোগের জটিলতাকে কমাতে সক্ষম। বিশেষ করে সাইটোকিন স্টর্ম এবং কোভিড-১৯ সংক্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো।<br>তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কোভিড-১৯ আক্রান্ত ২৩৫ রোগীর দেহ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন ড. হলিক এবং তার সহকর্মীরা। এদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ রোগীর দেহে ভিটামিন ডি ছিল ৩০ ন্যানোগ্রামের নিচে।<br>ভিটামিন ডি'র আদর্শ মাত্রা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে ৩০ ন্যানোগ্রাম পর্যন্ত পর্যাপ্ত বিবেচনা করা হয়। এর কম হলেই অপর্যাপ্ত ধরা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নার্সিং হোমে থাকা প্রায় ৬০ শতাংশ বয়স্ক লোকের দেহে ভিটামিন ডি'র ঘাটতি রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।<br>এর প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় যে, তারা বাড়ির বাইরে কম সময় কাটান। ফলে সূর্যের আলো তেমন একটা পান না। যার কারণে প্রাকৃতিকভাবে তারা ভিটামিন ডি পাচ্ছেন না।<br> and nbsp;<br><br> and nbsp;</body></HTML> 2020-09-27 19:28:00 1970-01-01 00:00:00 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সক্ষম জনসনের ভ্যাকসিন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98633 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126854_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126854_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করেছে বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন। যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরে ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর দেহে তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল চালাচ্ছে সংস্থাটি। এদিকে, জনসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রয়োগে জনসনের এই ভ্যাকসিন শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। খবর রয়টার্সের।<br>শুক্রবার সংস্থাটির একটি অন্তবর্তীকালীন ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ফলাফল অনুযায়ী, করোনার এই সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের প্রথম এবং দ্বিতীয় দুই ধাপেই আশানুরূপ ফলাফল এসেছে। দু'টি ধাপেই দেখা গেছে যে, এই ভ্যাকসিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে কার্যকর।<br>করোনা সংক্রমণ থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করতে বিশ্বজুড়ে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। শুক্রবার প্রকাশিত জনসনের ভ্যাকসিনের ফলাফল সম্পর্কে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এডি২৬.কোভ২.এস নামের এই ভ্যাকসিনের দুটি আলাদা ডোজ দেওয়া হয়েছে। এতে ভালো ফল পাওয়া গেছে।<br>ভ্যাকসিনে একটি ডোজ বা দুটি ডোজের মধ্যে কী ধরনের পার্থক্য হচ্ছে তা পরীক্ষা করে দেখছে মডার্না ও ফাইজার নামের দুটি কোম্পানি। জনসন অ্যান্ড জনসনের এই ভ্যাকসিন অল্প বয়স্কদের শরীরে যতটা কার্যকর হবে ততটাই বয়স্কদের শরীরেও হবে কিনা সে বিষয়টি এখনও পরিষ্কার নয়।<br>গত জুলাই মাসে জনসন অ্যান্ড জনসন তাদের তৈরি করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন সামনে আনে। প্রথমে বানরের দেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। ওই পরীক্ষায় ভাল ফল পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক হাজার প্রাপ্ত বয়স্কের দেহে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়।প্রাথমিক ট্রায়ালে ফলাফল ভালো পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে জনসন। এই ফলাফলের উপর নির্ভর করে বুধবার থেকেই ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর ওপর ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে জনসন। এই ট্রায়ালকে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের শুরুতেই এই ট্রায়ালের ফল পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।<br>জনসনের ভ্যাকসিন গ্রুপের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার পল স্টোফেলস জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপের এই পরীক্ষা থেকে এই ভ্যাকসিনটি কতটা কার্যকরী ও নিরাপদ তা জানা যাবে। আগামী বছর এই ভ্যাকসিনের ১ বিলিয়ন ডোজ উৎপাদন করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।<br>যুক্তরাষ্ট্রে আরও তিনটি ভ্যাকসিন চলতি গ্রীষ্মের শুরুতেই তাদের ট্রায়াল শুরু করেছে। তবে জনসনের তৈরি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি অন্যদের চেয়ে আলাদা। এর বেশ কয়েকটি সুবিধা রয়েছে যা এটি নিরাপদ এবং কার্যকর প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক পরিচালনা এবং বিতরণ করা আরও সহজ করে তুলতে পারে।<br>জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের কাজে নিযুক্ত গবেষকরা জানিয়েছেন, ৯৮ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবীর দেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এই অ্যান্টিবডি ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। ভ্যাকসিন দেওয়ার ২৯ দিন পর এই অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষদের মধ্যে মাত্র ১৫ জনের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। তরুণদের তুলনায় এই সংখ্যা অনেকটাই কম।<br>এই ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে দেখা গেছে, ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের মধ্যে ৩৬ শতাংশ স্বেচ্ছাসেবীর দেহে ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন মাথা ধরা ও পেশিতে ব্যথা দেখা গেছে। তবে অল্প বয়স্কদের মধ্যে সেটা ৬৪ শতাংশের শরীরে দেখা গেছে। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ভ্যাকসিনের প্রভাব অল্প বয়স্কদের শরীরে বেশি হচ্ছে। অবশ্য এখনও এই ট্রায়াল শেষ হয়নি। সব ফলাফল হাতে এলেই এ বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।<br>এদিকে, করোনার এই সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের একটি শটেই রোগ প্রতিরোধ শক্তি তৈরি হবে বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানী পল। তিনি বলছেন, জনসনের বানানো ভ্যাকসিনের একটি ডোজই দেওয়া হবে স্বেচ্ছাসেবীদের।<br>আর এই ডোজের মাত্রা এমনভাবেই ঠিক করা হয়েছে যাতে একটি শটেই শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। তিনি বলেন, এই ডোজে রক্তের টি-লিম্ফোসেইট কোষও সক্রিয় হবে। এই টি-কোষ সংক্রামিত কোষকে নষ্ট করে দিতে পারে। টি-কোষ অ্যাকটিভ হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।<br>বায়োমেডিক্যাল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিএ আরডিএ) যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাকসিন তৈরি করছে জনসন অ্যান্ড জনসনের রিসার্চ উইং জনসেন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:27:00 1970-01-01 00:00:00 লিবিয়ায় বাংলাদেশিসহ শরণার্থী নৌকা ডুবে ১৬ জনের মৃত্যুর শঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98632 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126822_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/26/1601126822_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>লিবিয়া উপকূলে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের শরণার্থী ও অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। ওই দুর্ঘটনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অরগ্যানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)। খবর আল জাজিরার।<br>সংস্থাটি জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় ২২ জন বেঁচে আছেন। যে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে তাদের মধ্যে দু'জন সিরিয়ার এবং একজন ঘানার নাগরিক।<br>লিবিয়ার উপকূলরক্ষী বাহিনীর সহায়তায় বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এরা মিসর, বাংলাদেশ, ইথিওপিয়া, নাইজার, সোমালিয়া, সিরিয়া এবং ঘানার নাগরিক।<br>আইওএম-এর মুখপাত্র সাফা মেহলি বলেন, উদ্ধার হওয়া লোকজনকে জিটেন বন্দি শিবিরে পাঠানো হয়েছে। লিবিয়ার উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উদ্ধারকর্মীরা ওই এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।<br>এ নিয়ে এক মাসে দু'বার শরণার্থী বহনকারী নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটল। এর আগে আইওএম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর লিবিয়া উপকূলে একটি নৌকাডুবে যাওয়ার ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।<br>বিভিন্ন দেশ থেকে শরণার্থীরা উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে পাড়ি দিচ্ছে। আর ইউরোপে পাড়ি দিতে লিবিয়া উপকূলই যেন শরণার্থীদের কাছে প্রধান গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।<br>আইওএম-এর হিসাব অনুযায়ী, লিবিয়ায় বর্তমানে ৬ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি শরণার্থী ও অভিবাসী রয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে গিয়ে ৬২০-এর বেশি শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছে।<br><br>২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত এই বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিতে গয়ে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মেহলি আল জাজিরাকে বলেন, এতো মানুষের মৃত্যুর ঘটনা কেমন যেন স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে যা সত্যিই খুব ভয়ানক। এসব মৃত্যুকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না এবং কোনো ধরনের পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে না।<br><br> </body></HTML> 2020-09-27 19:27:00 1970-01-01 00:00:00 তিন হাজারি ক্লাবে দুই নারী, নেই কোনো পুরুষ ক্রিকেটার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98631 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126614_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126614_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের মালিক কোন ক্রিকেটার? ক্রিকেটের টুকটাক খোঁজখবর রাখা যে কেউ একবাক্যে বলে দেবেন রোহিত শর্মা কিংবা বিরাট কোহলির নাম। কেননা সাম্প্রতিক সময়ের এ দুজনের মধ্যেই চলছে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, উত্তরটা আসলে ভুল হবে। কেননা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কোহলি-রোহিতের চেয়েও বেশি রান রয়েছে আরও দুই ক্রিকেটারের। তারা হলেন নিউজিল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক সুজি বেটস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক স্টেফানি টেলর। শুধু পুরুষদের ক্রিকেট বিবেচনা করলে নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক বিরাট কোহলি। তারপরেই রয়েছেন রোহিত শর্মা। তবে সবমিলিয়ে হিসেব করলে কোহলি ও রোহিতের অবস্থান যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম। অর্থাৎ বেটস-টেলর ছাড়াও কোহলির-রোহিতের চেয়ে বেশি রান রয়েছে আরও এক নারী ক্রিকেটারের।<br>ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম এই সংস্করণে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিন হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটস। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ৩০০০ রান করেছেন স্টেফানি টেলরও। তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে এই ক্লাবে নাম লেখানোর অপেক্ষায় অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ম্যাগ ল্যানিং। ইংল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের বিপক্ষে চলতি সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৮ রান করার পথে নিজের ক্যারিয়ারের ৩০০০ রান পূরণ করেছেন টেলর। বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার সংগ্রহ ১০৫ ম্যাচে ৩০২০ রান। কোনো সেঞ্চুরি হাঁকাতে না পারলেও, করেছেন ২১টি হাফসেঞ্চুরি। সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ৯০ রানের।<br>বিশ্বের কোনো পুরুষ ক্রিকেটার এখনও পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৩০০০ রানের ক্লাবে প্রবেশ করতে পারেননি। সেখানে টেলর ছাড়াও এই ক্লাবে আগে থেকেই রয়েছেন সুজি বেটস।<br>যার নামের পাশে রয়েছে ১২০ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ২১ হাফসেঞ্চুরিতে ৩২৪৩ রান। এছাড়া ম্যাগ ল্যানিংয়ের ক্যারিয়ার সংগ্রহ ২৮১২ রান।<br><span style="font-weight: bold;">আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক:</span><br>১/ সুজি বেটস (নিউজিল্যান্ড) : ১২০ ম্যাচে ৩২৪৩ রান, সর্বোচ্চ ১২৪*<br>২/ স্টেফানি টেলর (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) : ১০৫ ম্যাচে ৩০২০ রান, সর্বোচ্চ ৯০<br>৩/ ম্যাগ ল্যানিং (অস্ট্রেলিয়া) : ১০৫ ম্যাচে ২৮১২ রান, সর্বোচ্চ ১৩৩*<br>৪/ বিরাট কোহলি (ভারত) : ৮২ ম্যাচে ২৭৯৪ রান, সর্বোচ্চ ৯৪*<br>৫/ রোহিত শর্মা (ভারত) : ১০৮ ম্যাচে ২৭৭৩ রান, সর্বোচ্চ ১১৮ </body></HTML> 2020-09-26 19:23:09 1970-01-01 00:00:00 স্বর্ণের চেয়েও বেশি খরুচে উমেশের বোলিং http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98630 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126568_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126568_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ভারতের অভিজ্ঞ পেসার হিসেবে উমেশ যাদবের ওপর বাড়তি প্রত্যাশা রয়েছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর। কিন্তু তা পূরণে এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি ব্যর্থ ডানহাতি এ পেসার। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে খরচ করেছেন ৪৮ রান। কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ৩ ওভারে দিয়েছেন ৩৫ রান।<br>দুই ম্যাচ মিলে ৭ ওভারে ওভারপ্রতি প্রায় ১২ করে ৮৩ রান খরচ করলেও, উইকেটের দেখা পাননি উমেশ। তার এমন খরুচে বোলিংকে রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমান ক্রিকেট বিশ্লেষক আকাশ চোপড়া। তার মতে, স্বর্ণের চেয়েও বেশি খরুচে উমেশ যাদবের বোলিং। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে আকাশ বলেছেন, ‘উমেশ যাদব এবার খুব খরুচে প্রমাণিত হচ্ছে। উমেশের ওভারগুলো এখন স্বর্ণের চেয়েও বেশি খরুচে হয়ে যাচ্ছে। সে খুবই সাদামাটা বোলিং করছে। সে যতগুলো ডেলিভারি পায়ের মধ্যে করেছে, অতগুলো উপহার দিওয়ালিতেও পাওয়া যায় না। ভারতীয় বোলার হিসেবে উমেশের কাছে চাওয়া আরও বেশি।’ উমেশ হতাশ করলেও, আকাশ চোপড়াকে মুগ্ধ করেছেন পাঞ্জাব অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ৬৯ বলে ১৩২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন রাহুল, গড়েছেন এক জোড়া রেকর্ড, নিজ দলকে এনে দিয়েছেন ৯৭ রানের বিশাল ব্যবধানের জয়।<br> and nbsp;এমন পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশংসায় ভেসে যাচ্ছেন রাহুল।<br>তার ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে আকাশের মূল্যায়ন, ‘আমরা যদি লোকেশ রাহুলের ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে কথা বলি, সে পুরোপুরি ভিন্ন এক স্টাইলে ব্যাটিং করছে। তার ১৩২ রানের ইনিংসটি আইপিএল ইতিহাসে অধিনায়কদের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। সে সত্যিই অসাধারণ ছিল। তার খেলার ধরনে একইসঙ্গে পুলকিত হবেন আবার চমকে যাবেন। সে আমার হৃদয়ের খুব কাছের।’<br>এসময় পাঞ্জাবের তরুণ লেগস্পিনার রবি বিষ্ণুইর ব্যাপারে আকাশ বলেছেন, ‘রবি বিষ্ণুই পাঞ্জাবের অন্যতম সেরা পারফরমার হয়ে গেছে। সে প্রথম ম্যাচেও ভালো করেছে আবার ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে দারুণ করেছে। প্রথম ওভারে অ্যারন ফিঞ্চের কাছে মার খেলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং উইকেট নিয়েছে। সে খুবই ধারাবাহিক বোলার।’<br><br> </body></HTML> 2020-09-26 19:22:26 1970-01-01 00:00:00 খেপেছেন আনুশকা, জবাবে যা বললেন গাভাস্কার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98629 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126523_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126523_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিরাট কোহলির পারফরম্যান্স নিয়ে সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সুনিল গাভাস্কারের মন্তব্যে নিজের নাম আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোহলির স্ত্রী এবং বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গাভাস্কারের বিতর্কিত ওই মন্তব্যকে বিরক্তিকর অভিহিত করে এর? তীব্র সমালোচনা করেছেন আনুশকা।<br>পরে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন গাভাস্কার। তিনি জানান, তার মন্তব্য অন্যভাবে নেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই বিরাটের ব্যর্থতার জন্য তিনি আনুশকাকে দায়ী করেননি বলে জানান গাভাস্কার। and nbsp; বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আইপিএলের কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের মধ্যকার ম্যাচে ধারাভাষ্যের সময় কোহলির অনুশীলনের ঘাটতি নিয়ে কথা বলেন গাভাস্কার। তিনি বলেন, ‘কোহলি জানে, সে যত বেশি অনুশীলন করবে তত ভালো করতে পারবে। এত দিন লকডাউন ছিল, এই সময়ে সে কেবল আনুশকার বোলিংয়ে অনুশীলন করেছে, যা তার খুব বেশি কাজে আসবে না।’ লকডাউন চলাকালীন বাড়ির ছাদে আনুশকার থ্রোডাউনের বিপক্ষে কোহলির ব্যাটিং অনুশীলনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। গাভাস্কার সেই ভিডিও ক্লিপের দিকে ইঙ্গিত করে এমন মন্তব্য করে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। and nbsp; গাভাস্কারের ওই মন্তব্যের পরই ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আনুশকা লেখেন, ‘মিস্টার গাভাস্কার, আপনার মন্তব্যটি বিরক্তিকর। একজন স্বামীর পারফরম্যান্সের পেছনে তার স্ত্রীর দায় আছে, কি ভেবে আপনি এমন মন্তব্য করলেন, এর কারণ ব্যাখ্যা করলে খুশি হবো। আমি নিশ্চিত, ক্রিকেটে ধারাভাষ্য দেয়ার সময় এত বছর আপনি সব ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত জীবনকে সম্মান করেছেন। আপনার কি মনে হয় না যে একই রকম সম্মান আমার ও আমাদের প্রতি আপনার থাকা উচিত?’ “আমি এটাও নিশ্চিত, আমার স্বামীর গত ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে বলতে গিয়ে আপনি অন্য শব্দও ব্যবহার করতে পারতেন, অন্যভাবেও বলতে পারতেন। নাকি এখানে কেবল আমার নাম ব্যবহার করলেই আপনার কথাগুলো প্রাসঙ্গিক হতো?” ‘২০২০ সালে এসেও আমাকে ঘিরে এই বিষয়গুলোর পরিবর্তন হয়নি। আর কবে ক্রিকেটের সাথে আমাকে জড়ানো বন্ধ হবে, এমন মন্তব্য বন্ধ হবে। মিস্টার গাভাস্কার, আপনি একজন কিংবদন্তি যার নাম ভদ্রলোকের এই খেলায় সবসময় ওপরের সারিতে থাকবে। আমি কেবল বোঝাতে চেয়েছি, আপনার কথাগুলো শুনে আমার কেমন লেগেছে,’ লেখেন আনুশকা।<br>আনুশকার প্রতিক্রিয়ার পর ইন্ডিয়া টুডের কাছে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন গাভাস্কার। তিনি বলেন, ‘আকাশ ও আমি হিন্দি চ্যানেলে ধারাভাষ্য করছিলাম। তখন আকাশ বলছিল যে, এত দিন যথাযথ অনুশীলনের জন্য সবার কাছে খুবই কম সুযোগ ছিল। কিছু ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে মরচে পড়ার বিষয়টি প্রথম ম্যাচে মূলত ফুটে উঠেছিল। প্রথম ম্যাচে রোহিত ভালোভাবে বল মারতে পারছিল না, ধোনিও পারছিল না, কোহলিও না।<br> and nbsp;বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানের এটা হয়েছে অনুশীলনের ঘাটতির কারণে। এটাই ছিল মূল পয়েন্ট। বিরাটও কোনো অনুশীলন করতে পারেনি, কেবল আনুশকার বোলিংয়ের বিপক্ষে বাসার ছাদের ওইটুকুই। আমি এটাই বলেছি। শুধু বোলিং, আমি অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করিনি। সে তাকে বল করেছিল, এটাই। কোথায় আমি তাকে দোষারোপ করলাম? এখানে যৌনবিদ্বেষমূলক কোন কথাটা বললাম আমি?’<br>গাভাস্কার আরো বলেন, ‘আমি বোঝাতে চেয়েছি, লকডাউনে বিরাটসহ কেউই অনুশীলন করতে পারেনি। আমি সেক্সিস্ট (যৌনবিদ্বেষমূলক) কোনো কথা বলিনি। যদি কেউ এটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করে, আমি কী করতে পারি? আমি কেবল বলেছি, ভিডিওতে দেখাচ্ছে সে বিরাটকে বল করছে। লকডাউনে ওই বোলিংটাই কেবল খেলেছে বিরাট। এটা ছিল মজার ছলে খেলা, যেটা এই লকডাউনে লোকে সময় কাটাতে করেছে। এটাই। বিরাটের ব্যর্থতার জন্য তাকে (আনুশকা) আমি দায় দিলাম কোথায়?’<br><br> </body></HTML> 2020-09-26 19:21:42 1970-01-01 00:00:00 জমি লিখে নিয়ে মাকে বের করে দিলেন সন্তানরা, রাত কাটছে নৌকায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98628 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126009_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601126009_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>নড়াইলে ৮৫ বছর বয়সী এক মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন তার সন্তান ও পুত্রবধূ। ঘটনাটি দেড় বছর আগের। এ ঘটনার পর ওই বৃদ্ধা মা এ বাড়ি, ও বাড়িতে অবস্থানের পর সর্বশেষ গত ১২ দিন আগে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস.এম সুলতান কমপ্লেক্স সংলগ্ন সুলতান ঘাটের উপর রাখা শিল্পী সুলতানের নৌকার নিচে মানবেতন জীবন-যাপন করছেন। সেখানে স্থানীয়দের দেয়া খাবারে চলছে তার জীবন। জানা গেছে, নড়াইল শহরের কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মৃত কালিপদ কুন্ডুর স্ত্রী মায়া রাণী কুন্ডু (৮৫)। তার দুই ছেলে হলেন, দেব কুন্ডু (৫০) এবং উত্তম কুন্ডু (৪০)। কয়েক বছর আগে উত্তম বিয়ে করে অন্য জায়গায় বসবাস করায় আরেক ভাই ব্যবসায়ী মাকে দেখভাল করছিলেন। তিনি শহরের রূপগঞ্জ বাজারের বাঁধাঘাট এলাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে দেব তার মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার শুরু করে। পাশাপাশি তার খেতে-পরতে এবং থাকতে দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ সময় স্থানীয় অমিত সাহা নামে এক ব্যক্তি মায়া রাণী কুন্ডু নামের ওই বৃদ্ধা মাকে কয়েক মাস তার নিজ বাড়িতে রাখেন। মায়া রাণী কুন্ডু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ছেলে ও ছেলের বউ তাকে খেতে পরতে ও থাকতে দেয় না। তার ৫ শতকের একটি জায়গা ছিল। সেই জায়গা কয়েক লাখ টাকায় বিক্রি করেছে বড় ছেলে দেব কুন্ডু। এরপর থেকে তারা খুব দুর্ব্যবহার করে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। কিছুদিন এখানে, ওখানে ছিলাম। এখন আর কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। স্থানীয়রা যা খেতে দেয় তাই খাই। এ ব্যাপারে মায়া রাণীর ছেলে দেব কুন্ডু বলেন, বউয়ের সঙ্গে বনিবনা হয় না তাই চলে গেছে।<br>এ বিষয়ে নড়াইলের জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। আমরা এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি। </body></HTML> 2020-09-26 19:13:05 1970-01-01 00:00:00 এক বছর ধরে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ২ ভাসুরের বিরুদ্ধে মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98627 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125967_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125967_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>বছর খানেক আগে প্রেম করেই তারা বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর একা পেয়ে গৃহবধূকে (১৯) ধর্ষণ করে বড় ভাসুর। এর কিছুদিন পর তার মেজো ভাসুরও ওই গৃহবধূকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। এমন অভিযোগে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে তার দুই ভাসুরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন হাসান (২৭) ও রুবেল (২৪)। ওই গৃহবধূর নানা জানান, এক বছর আগে মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়নের এক গ্রামে তার নাতনির বিয়ে হয়। বিয়ের কয়েক দিন পরই দুই ভাসুরের হাতে ধর্ষণের শিকার হন তার নাতনি। বিষয়টি লোকলজ্জার ভয়ে তার নাতনি গোপন রাখে। গ্রামবাসী জানায়, সোহেলের (২২) সঙ্গে বছর খানেক আগে ওই মেয়ের বিয়ে হয়। দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেম করে ছোট ভাই বিয়ে করে। তার বড় দুই ভাই অবিবাহিত। ওই ভিকটিম জানান, লোকলজ্জার ভয়ে তিনি এতদিন কাউকে কিছু জানাননি। কিন্তু নিপীড়নের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় ওই মেয়ে তার নানাকে বিষয়টি জানান। এরপর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার সিদ্ধান্ত নেন। মামলা হওয়ার পর ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়েছে। এ কারণে তাদের বক্তব্য নেয়া যায়নি। এমনকি তাদের গ্রামের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ. জ. মো. মাসুদুজ্জামান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই গৃহবধূ পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। রোববার তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে। </body></HTML> 2020-09-26 19:12:09 1970-01-01 00:00:00 প্রেমিকার বিয়ের খবরে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98626 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125909_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125909_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় নিজের গলায় ফাঁস লাগিয়ে রাকিব (২১) নামে এক কলেজছাত্র আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি দক্ষিণপাড়া এলাকায় মৃত কবির চেয়ারম্যানের ভাড়া বাসায় এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মহত্যার আগে সুইসাইড নোট লিখে গেছেন ওই কলেজছাত্র। আত্মহত্যাকারী রাকিব সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের হাবিবুল্লার বড় ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রাকিব বড় ছিলেন। পরিবার নিয়ে তারা মিজমিজি দক্ষিণপাড়া এলাকায় মৃত কবির চেয়ারম্যানের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রাকিব ঢাকা কবি নজরুল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ওই রাকিবের বোন রাকিকা জানান, একই এলাকার তিন্নি ইসলাম নূর নামের একটি মেয়ের সাথে দীর্ঘদিন ধরে আমার ভাইয়ের (রাকিব) সম্পর্ক ছিল। শুক্রবার ওই মেয়ের অন্যত্র বিয়ে হওয়ার ক্ষোভে ও কষ্টে আমার ভাই আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।<br>ঘটনাস্থলে আসা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক কাজল মজুমদার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা থেকে রাত ৩টার মধ্যে নিজের ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় গামছা পেচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রাকিব।<br>সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, রাকিবের ঘরে একটি চিঠি পাওয়া গেছে। মা ও দুই বোনের কাছে লেখা চিঠিতে রাকিব বলেন- মা আমাকে মাফ করে দিও। বোন তোরা মাকে দেখে রাখিস। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, প্রেমের সূত্র ধরেই এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। তারপরও বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। রাকিবের একাধিক বন্ধু জানান, রাকিবের সঙ্গে একটি মেয়ের তিন থেকে চার বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। রাকিব তাদের সম্পর্কের কথা তার পরিবারকে জানায়। কিন্তু রাকিবের সাথে ওই মেয়ের সম্পর্ক তার পরিবার মেনে নেয়নি। সম্প্রতি ওই মেয়ের অভিভাবকরা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন রাকিব। রাকিব ওই মেয়েটিকে খুব ভালোবাসতেন। প্রেমিকাকে কাছে না পাওয়ার বেদনায় আত্মহত্যা করেছে রাকিব। </body></HTML> 2020-09-26 19:11:29 1970-01-01 00:00:00 ওমানে ভাগনের হাতে খুন চট্টগ্রামের দুই সহোদর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98625 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125864_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125864_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে ভাগনের হাতে খুন হয়েছেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দুই সহোদর। ঘুমন্ত অবস্থায় তাদের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওমান পুলিশ। তারা হলেন- মো. জানে আলম (৪০) ও মো. হাবিব (৩৮)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ওমানের ইবরি প্রদেশে এ রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। এ খবর শুক্রবার দেশে পৌঁছলে পরিবারের সদস্যদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত দুই ভাই বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদ-ী মনুপাড়ার সামশুল আলমের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতদের ভাগনে মো. জাবেদকে আটক করেছে ওমান রয়্যাল পুলিশ। নিহতদের চাচাতো ভাই পেয়ার মুহাম্মদ বলেন, জানে আলম ও হাবিব ওমানের ইবরি প্রদেশে গ্রিল ওয়ার্কশপের ব্যবসা করতেন। দোকানে কর্মচারী হিসেবে খালাতো বোনের ছেলে শাকপুরার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরপাড়ার জহির আহমদের ছেলে মো. জাবেদকে ওমানে নিয়ে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় জাবেদ হাবিবকে গলা কেটে হত্যা করে। তার পাশে ঘুমিয়ে থাকা জানে আলম জেগে গেলে তাকেও হত্যা করা হয়। এ সময় রুমে থাকা পাঁচ-ছয়জন আহত হন। খবর পেয়ে ওমান রয়্যাল পুলিশ রুমে থাকা তিন কর্মচারী ও ঘাতক জাবেদকে আটক করে। নিহত জানে আলম তিন মেয়ে এবং হাবিব এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। পুত্রশোকে জানে আলম ও হাবিবের মা রূপা আকতার দুই সন্তানকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন।<br>তাদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। </body></HTML> 2020-09-26 19:10:46 1970-01-01 00:00:00 গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রী গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98624 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125827_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601125827_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে এক আওয়ামী লীগ নেতার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আহসান হাবিব শাকিলের স্ত্রী রুমানা জামান ঝুমুরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিত গৃহকর্মী সাদিয়া পারভীনকে (১০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। শ্রীবরদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জুলফিকার সাইফ বলেন, শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে মাথা, কপাল ও যৌনাঙ্গে গুরুতর আঘাত রয়েছে। শিশুটিকে তাই শেরপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় শিশুটির বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।<br>শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন তালুকদার জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব শাকিল তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শহরের বীথি টাওয়ারের ছয় তলায় ভাড়া থাকতেন। পৌর শহরের মুন্সীপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের শিশুকন্যা সাদিয়া পারভীন দেড় বছর ধরে তাদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতো। শাকিলের স্ত্রী ও শাকিল মিলে প্রায়ই সাদিয়ার ওপর নানা অজুহাতে নির্যাতন চালাতেন।<br> and nbsp;বিভিন্ন সময় নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পরলে সাদিয়াকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা করানো হয়। কিন্তু গতকাল শুক্রবারের নির্যাতনের মাত্রা বেশি হলে শিশু সাদিয়া মারাত্মক আহত হয়। এ অবস্থায় খবর পেয়ে পুলিশ সাদিয়াকে উদ্ধার করে। এ সময় শাকিলের স্ত্রী ঝুমুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। </body></HTML> 2020-09-26 19:09:42 1970-01-01 00:00:00 এক মাসের মাথায় লেবাননের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98623 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601117546_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601117546_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>লেবাননে নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে কোনো সুরাহা না করেই ২৬ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা আদিব। লেবাননের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে শনিবার তিনি এই ঘোষণা দেন। খবর আল জাজিরা। সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি মাইকেল আউনের সঙ্গে আলোচনার পরপরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন মোস্তাফা আদিব।<br><br>গেল ৩১ আগস্ট দেশটির পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতাদের সমর্থন পান তিনি। ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং সৌদি আরবের সমর্থন পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী সাদ হারিরির দলসহ ছোট ছোট দলের বেশ কয়েকটি জোটই তাকে সমর্থন দেন। লেবাননের ক্যাবিনেটে মন্ত্রিত্ব নিয়ে শিয়া মতাবলম্বী দুই দল আমাল মুভমেন্ট ও ইরান সমর্থিত হেজবুল্লাহর সঙ্গে মতের মিল না হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছে সরকার গঠনে জটিলতা। </body></HTML> 2020-09-26 16:47:26 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু , শনাক্ত ১১০৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98622 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116541_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116541_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে করোনাভাইরাসে গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১০৬ জন। দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৭ হাজার ৮৭৩ জনে। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ১২৯ জনে। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনাবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।<br><br>বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৪টি পরীক্ষাগারে ১০ হাজার ৬৮০টি নমুনা সংগ্রহ হয়। পরীক্ষা হয়েছে ১০ হাজার ৭৬৫টি। নতুন মৃতদের মধ্যে পুরুষ ২৫ ও নারী ১১ জন। ৩৬ জনের মধ্যে হাসপাতালে ৩৫ জন ও বা‌ড়ি‌তে একজনের মৃত্যু হয়। </body></HTML> 2020-09-26 16:34:02 1970-01-01 00:00:00 করোনা থেকেও ভয়ঙ্কর রূপ নিতে পারে ব্রুসেলোসিস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98621 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116316_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116316_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সারা বিশ্বের নজর করোনাভাইরাসের দিকে। করোনার রেশ না কাটতেই আরেক নতুন ভাইরাসের আবির্ভাব। ব্যাকটিরিয়াজনিত সংক্রামক ভাইরাস ক্রমশ ডানা বিস্তার শুরু করেছে। নতুন এই ভাইরাসটি নাম ব্রুসেলোসিস। অনেকেরই হয়তো জানা নেই করোনার থেকে অনেক বেশি ভয়ানক ব্রুসেলোসিস। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন পৃথিবী আরও এক মহামারীর দিকে এগিয়ে যাবে। যদি একবার মহামারীর আকার নেয় তা হবে করোনাভাইরাসের থেকে কয়েক গুণ ভয়ানক। চীন, ভারতসহ কয়েকটি দেশে এই নতুন সংক্রামক ব্যাকটেরিয়া ইতিমধ্যে ঢুকে পড়েছে। গোড়ায় সতর্ক না-হলে পরিণতি কী হতে পারে, করোনাভাইরাস সে শিক্ষা আমাদের দিয়েছি।<br><br>চীনের উহান আমাদের করোনাভাইরাস দিয়েছে। চীনের সীমানা ছাড়িয়ে করোনা যে বহির্বিশ্বে কতটা ভয়ংকর প্রাণঘাতী, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই ব্রুসেলোসিস ব্যাকটেরিয়াও কিন্তু চীনে সদ্য সদ্য ধরা পড়েছে। উত্তরপশ্চিম চীনে নতুন ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। কয়েক হাজার চীনার টেস্ট রিপোর্ট এরই মধ্যে পজিটিভ এসেছে। চীনের গানসু প্রদেশের রাজধানী শহর লানজুর জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৩,২৪৫ জন ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পজিটিভ এসেছে আরও ১,৪০১ জনের রিপোর্ট। তবে, সৌভাগ্যবশত চিনে এখনও পর্যন্ত একজনও কেউ এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে মারা যাননি। শুধু চীনের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকলে, তা-ও না হয় কিছুদিনের জন্য স্বস্তির শ্বাস ফেলা যেত। সূত্রের খবর, ভারতেও এই নতুন ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ এরই মধ্যে ধরা পড়েছে। মানুষের পাশাপাশি পশুদের মধ্যেও এর প্রভাব পড়ে।<br><br>ব্রুসেলা জেনাসের অন্তর্ভুক্ত একদল ব্যাকটেরিয়াই ব্রুসেলোসিসের কারণ। মানুষ থেকে পশু-- কাউকেই ছাড়ে না এই ব্যাকটেরিয়া। আক্রান্ত পশুর ফ্লুইড থেকেই সরাসরি মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভয়ংকর ব্যাকটেরিয়া। আনপাস্তুরাইজড ডেয়ারি পণ্য, দূষিত বায়ু থেকেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণের সম্ভাবনা অত্যন্ত বিরল। দূষিত খাবার থেকে শুরু করে ব্যাকটেরিয়া রয়েছে এমন জায়গায় শ্বাসপ্রশ্বাস—সব জায়গায় সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সন্তানকে ব্রেস্টফিডিং এমনকী যৌন সম্পর্ক থেকেও ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কেটে-ছড়ে গেলেও সেখান থেকে এই নতুন ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে।<br><br>ঝংমু লানজুর বায়োলজিক্যাল ওষুধ কারখানা থেকেই চীনে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়েছে বলে প্রাথমিক একটা ধারণা রয়েছে। মানুষের পাশাপাশি ভেড়া, গরু, ছাগল, শুয়োর, কুকুর আক্রান্ত হতে পারে। শরীরে উপসর্গ প্রকাশ পেতে পারে সংক্রমণ হওয়ার পর কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত। জ্বর, গাঁটে ব্যথা, দুর্বলতা, খাবারে অরুচি, মাথাব্যথা, ঘাম হল এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের সাধারণ উপসর্গ। করোনাভাইরাস ও ফ্লুয়ের উপসর্গের সঙ্গে এর মিল রয়েছে। আবার স্পনডিলাইটিস, আর্থরাইটিস, অণ্ডকোষের ফোলাভাবের মতো লক্ষণও দেখা দিতে পারে।<br><br>করোনাভাইরাসের কোনও চিকিত্‍‌সা না-থাকলেও ব্রুসেলোসিসের চিকিত্‍‌সায় একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক রয়েছে। তবে করোনার মতো এরও কোনও ভ্যাকসিন নেই। অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে এর চিকিত্‍‌সা করা যাবে। সেরে উঠতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। তার পরেও ফিরে সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। সংক্রমণ থেকে দূরে থাকার সেরা উপায় হল, কাঁচা ডেয়ার পণ্য থেকে দূরে থাকা। পশুদের নিয়ে কাজ করলে সাবধানে থাকতে হবে। </body></HTML> 2020-09-26 16:31:18 1970-01-01 00:00:00 এখনো ভেন্টিলেটর সাপোর্টে অ্যাটর্নি জেনারেল, দোয়া চেয়েছে পরিবার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98620 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116127_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116127_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এখনো ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন। তার সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার। মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তার জামাতা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ মো. রিয়াজুল হক শনিবার জানান, তাকে সিএমএইচে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।<br><br>অ্যাটর্নি জেনারেলের সুস্থতায় পরিবারের পক্ষ থেকে জামাতা অ্যাডভোকেট রিয়াজুল দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। করোনামুক্ত হলেও তার শারীরিক অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয়। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এখনো নিবিড় পরিচর্যায় তার চিকিৎসা চলছে।<br><br>গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল জ্বর অনুভব করেন। জ্বর ও গলা ব্যাথা নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ওই দিনই করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। ১৯ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। </body></HTML> 2020-09-26 16:28:23 1970-01-01 00:00:00 ভেঙেই গেলো ড. কামালের গণফোরাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98619 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116034_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601116034_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রতিষ্ঠার ২৭ বছর পর ভেঙে দুই ভাগ হয়ে গেলো ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরাম। বর্ধিত সভার মাধ্যমে গণফোরাম থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া, কেন্দ্রীয় নেতা মহসীন রশিদ, আহমেদ শফিকুল্লাহ ও মুসতাক আহমদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া দলটির প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেনকে রাখা হবে কি না সে বিষয়ে আগামী ২৬ ডিসেম্বর নেতাকর্মীরা কাউন্সিলের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। বেরিয়ে যাওয়া অংশের নেতৃত্বে দিচ্ছেন দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুসহ তিন জন নেতা। এই তৎপরতার মধ্য দিয়ে দলটির ভাঙন স্পষ্ট হলো। গণফোরামের একাংশের বর্ধিত সভা শেষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলন করেন গণফোরামের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা মহসিন মন্টু। তিনি বলেন, ‘আগামী ২৬ ডিসেম্বর দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিল সম্পন্ন করার জন্য ২০১ সদস্যের প্রস্তুতি কমিটি করা হয়েছে।’<br><br>মোস্তফা মহসিন এই প্রস্তুতি কমিটির প্রধান ও আহ্বায়ক। জাতীয় প্রেস ক্লা্বের তৃতীয় তলায় আবদুস সালাম হলে তাদের সভার টানানো ব্যানারে লেখা ছিল ‘অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে চাই জাতীয় ঐক্য : বর্ধিত সভা: গণফোরাম’। আজকের সভার মধ্যে দিয়ে গণফোরামার নামের আরেকটি দল গঠন করতে যাচ্ছেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মোস্তফা মহসিন মন্টু বলেন, ‘২৬ ডিসেম্বরের কাউন্সিলে উপস্থিত ডেলিগেটদের মতামত নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে নতুন দলের বিষয়ে।’<br><br>ড. কামাল হোসেনের বিষয়ে তাদের কী সিদ্ধান্ত- জানতে চাইলে মন্টু বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন সংবিধান প্রণেতা। তাকে আমরা সম্মান করি। আমরা এখনও বিশ্বাস করি, ড. কামাল হোসেন আমাদের সঙ্গে আসবেন। বির্তকিত লোকদের পরিহার করবেন। মাঠের পোড় খাওয়া লোকদের নিয়ে এগিয়ে যাবেন। আর তিনি না আসলে তার বহিষ্কারের বিষয়ে আমাদের সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেবো। সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা আসবে। তাদের মতামত সাপেক্ষে তার বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।’<br><br>মোস্তফা মহসিন মন্টু এ সময় দাবি করেন ড. কামাল হোসেন স্মৃতিবিভ্রমে ভুগছেন। তার কথাবার্তায় এমনটি মনে হয়। ড. কামাল হোসেনকে একটি অশুভ শক্তি ঘিরে ধরেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গণফোরাম তো বিএনপির নেতৃত্বধীন ঐক্যফ্রন্টে আছে, আপনারা কি তাহলে ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন- জানতে চাইলে মন্টু বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের বিষয়ে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেবো না। সামনে আমাদের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির মিটিং আছে। সেখানে সিদ্ধান্ত নেবো।’ মন্টু আরো বলেন, ‘গণফোরামে যারা স্বাধীনতা বিরোধী, গণতন্ত্র বিরোধী তাদের বহিষ্কার প্রস্তাব তোলা হবে। অতীতে যে ভুলভ্রান্তি ছিল তা জলাঞ্জলি দিয়ে গণতন্ত্রের স্বার্থে আমাদের জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে দেশে বিপর্যয় আসবে।’<br><br>ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ এবং জোটে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত দল জামায়াতের প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্টু বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টে জামায়াত ছিল না। আর আমি একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবো বলেছিলাম কামাল হোসেনকে। কিন্তু তিনি যেহেতু দলের সভাপতি ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার নির্দেশে আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কারণ আমি তার আদেশ অমান্য করতে পারি না সাধারণ সম্পাদক হিসেবে। আর সেই নির্বাচন কীভাবে আগের রাতে হয়ে গেছে আমরা সবাই জানেন।’<br><br>অর্থবহ পরিবর্তনের লক্ষ্যে গণফোরাম জাতীয় ঐক্য চায় বলেও মন্তব্য করেন মন্টু। বর্ধিত সভার ঘোষণাপত্রে ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলোর মধ্যে আছে- মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা সংশোধন ও কার্য্করীভাবে প্রয়োগ করা, দুর্নীতিবাজ, ঋণখেলাপী ও অর্থ পাচারকারীদের দ্রুত শাস্তির বিধান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরাজমান সর্বনাশা দলীয়করণ উচ্ছেদ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আইনের দ্বারা জনস্বার্থে পরিচালনা প্রভৃতি।<br><br>আজকের বর্ধিত সভায় গণফোরামের কত জেলার প্রতিনিধি আছেন- জানতে চাইলে দলটির সাবেক নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে গণফোরামের ৫২ জেলার ২৮৩ জন প্রতিনিধি উপস্থিত আছেন।’ সুব্রত চৌধুরী আরো বলেন, ‘আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। গণফোরামকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলি, গণজাগরণ সৃষ্টি করে স্বৈরাচার, দুঃশাসন, দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’<br><br>বর্ধিত সভায় গণফোরামের সাবেক নির্বাহী সভাপতি আবু সাইয়িদ বলেন, ‘বর্ধিত সভায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সংগঠনকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও গণমুখী করার লক্ষ্যে আগামী ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় কাউন্সিলকে সফল করার লক্ষ্যে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুকে আহ্বায়ক করে ২০১ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ বর্ধিত সভার মূল মঞ্চে ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, সাবেক নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা জগলুল হায়দার আফ্রিক, আসাদুজ্জামান, খান সিদ্দিকুর রহমান, আবদুর রায়হান, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, ফজলুল হক সরকার, এম এ মতিন।<br><br>প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণফোরামের বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া বলেন, ২৬ সেপ্টেম্বরে বর্ধিত সভার সঙ্গে গণফোরামের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সেই অনুযায়ী আজকের বর্ধিত সভায় তারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। ২৭ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আদর্শ ও নীতি নিয়ে প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন ও যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করে গণফোরাম। দীর্ঘ ২৭ বছরে রাজনৈতিকভাবে খুব বেশি অর্জন না থাকলেও ড. কামালের নেতৃত্বে গণফোরাম একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসেবেই পরিচিত ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে। প্রায় তিন দশক পর এসে ভাঙনের মুখোমুখি সেই দলটি। এরই মধ্যে দলের একাংশ বর্ধিত সভা করেছে।<br><br>এর আগে, গত বছরের মে মাসে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের পর থেকেই মূলত গণফোরামের অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দিতে থাকে। এই কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌঁছায় এ বছরের মার্চের শুরুর দিকে। গত ২ মার্চ দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোশতাক আহমেদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দুই সাংগঠনিক সম্পাদকসহ চার কেন্দ্রীয় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। এই চার নেতা হলেন— সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন ও লতিফুল বারী হামিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খান সিদ্দিকুর রহমান এবং প্রবাসীকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল হাছিব চৌধুরী। পরদিন ৩ মার্চ ওই বহিষ্কৃত চার নেতা বহিষ্কার করেন দলের সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়া, সহ-সভাপতি মহসীন রশীদ ও সহ-সভাপতি শফিকউল্লাহ এবং যুগ্ম সাধারণ মোস্তাককে।<br><br>পাল্টাপাল্টি এই বহিষ্কারের পর ৪ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে গণফোরামের চেয়ারম্যান ড. কামাল হোসেন কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। নিজেকে আহ্বায়ক ও আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজা কিবরিয়াকে সম্পাদক রেখে ওই বিজ্ঞপ্তিতে দুই সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন তিনি। পরে ১২ মার্চ পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটিও ঘোষণা করেন তিনি। ওই সময়ও দলের একাংশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, অগণতান্ত্রিকভাবে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ড. কামাল হোসেনকে ২ সপ্তাহের আল্টিমেটাম দেন। পরে অবশ্য দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর সাধারণ ছুটি ঘোষণা হলে গণফোরামের উভয় পক্ষের রাজনৈতিক তৎপরতাও স্থবির হয়ে পড়ে। </body></HTML> 2020-09-26 16:26:27 1970-01-01 00:00:00 কক্সবাজারের ৮ থানায় নতুন ওসি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98618 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601115861_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601115861_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পুলিশের গুলিতে মেজর (অব) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের ঘটনায় আলোচিত টেকনাফ থানাসহ কক্সবাজারের আট থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের এক অফিস আদেশে এ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশের জায়গায় টেকনাফ থানায় ওসির দায়িত্ব পেয়েছেন পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান। কক্সবাজার সদর থানায় শেখ মুনীর উল পীয়াস, উখিয়া থানায় আহাম্মদ মঞ্জুর মোরশেদ, মহেশখালী থানায় মো. আবদুল হাই, চকরিয়া থানায় শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের, রামু থানায় কে এম আজমিরুজ্জামান, পেকুয়া থানায় মো. সাইফুর রহমান মজুমদার এবং কুতুবদিয়া থানায় মো. জালাল উদ্দিনকে ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।<br><br>গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ রোডে বাহারছড়া চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহতের ঘটনার পর গোটা কক্সবাজার জেলা পুলিশকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এ জন্য কক্সবাজারে দায়িত্ব পালন করা শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত সবাকেই বদলি করা হচ্ছে। কক্সবাজার জেলা পুলিশের সূত্রমতে, শুক্রবার পর্যন্ত এই বদলির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৪৭ জনে। এর মধ্যে রয়েছেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৮ জন শীর্ষ কর্মকর্তা, ৮ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)সহ ৩৪ জন পরিদর্শক, ১৫৮ জন উপ-পরিদর্শক (এসআই), ৯২ জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১ হাজার ৫৫ জন নায়েক ও কনস্টেবল। সবাইকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের বাইরে ভিন্ন রেঞ্জে বদলি করা হচ্ছে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-26 16:23:54 1970-01-01 00:00:00 চাকরি হারাচ্ছেন ডোপ টেস্টে পজিটিভ ২৬ পুলিশ সদস্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98617 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601115744_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601115744_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, মাদকের বিষয়ে আমরা সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করিয়েছি। এর মধ্যে ২৬ সদস্যের পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছি। তাদের চাকরিচ্যুতের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শনিবার সকালে মিরপুরে ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।<br><br>ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, এভাবে ব্যবস্থা নিতে পারলে বাকিদের জন্য সুস্পষ্ট মেসেজ যাবে যে, আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। আমাদের এই উদ্যোগের ফলে অনেকে ভালো হয়েছে এবং এ রাস্তা থেকে ফিরে এসেছে। পুলিশের যেসব সদস্য মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বা মাদক ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা নিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো রকম শিথিলতা দেখানো হচ্ছে না।’<br><br>একজন সাধারণ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যেভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ঠিক একইভাবে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। </body></HTML> 2020-09-26 16:21:57 1970-01-01 00:00:00 এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণে অভিযুক্তরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98616 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601095320_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601095320_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সাতজনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করা হয়েছে। and nbsp; বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এ গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন - এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ও কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, এমসি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুর রহমান মাছুম, and nbsp; এম সাইফুর রহমান, অর্জুন, রাজন আহমদ এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ নেতা রবিউল এবং তারেক আহমদ।<br><br>তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বাসিন্দা।<br> and nbsp;শুক্রবার দিনগত রাত ৩টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে ধরা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানান মহানগরের শাহ পরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।<br> and nbsp;<br>সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জোর্তিময় সরকার বলেন, গণধর্ষণের শিকার নারীর স্বামীর বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা এলাকায়। ওই নারীর স্বামী অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার বিকেলে স্ত্রীসহ টিলাগড় এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। এসময় চার/পাঁচজন তরুণ তাদের জিম্মি করে ছাত্রাবাসের ভেতরে নিয়ে যান। পরে ছাত্রাবাসের ভেতরের একটি রাস্তায় তারা তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই ছাত্রাবাসে গিয়ে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে। ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়।<br> and nbsp;<br>এদিকে, স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে টিলাগড় এলাকার একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা ও কয়েকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। and nbsp; ধর্ষণের ঘটনাটি প্রথম দিকে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা ধাপাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তারা আপোষ মীমাংসারও চেষ্টা চালান। পুলিশও প্রথম দিকে ঘটনাটি গণমাধ্যমের কাছে এড়িয়ে যায়। ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় দীর্ঘ and nbsp; সময় ক্ষেপণের কারণে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দিতে সক্ষম হন। অবশ্য পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ধাপাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা থেকে সরে দাঁড়ান আওয়ামী লীগ নেতারা। and nbsp;<br> and nbsp;<br>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ সুরমার নবদম্পতি শুক্রবার বিকেলে প্রাইভেটকারে করে এমসি কলেজে বেড়াতে যান। বিকেলে এমসি কলেজ ছাত্রলীগের ছয়জন নেতাকর্মী স্বামী-স্ত্রীকে ধরে ছাত্রাবাসে নিয়ে প্রথমে মারধর করেন। পরে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করেন। ওই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা প্রত্যেকেই ছাত্রাবাসে থাকেন। তারা টিলাগড় কেন্দ্রীক রণজিৎ গ্রুপের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে। সিলেট মহানগরের শাহ পরান থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী আপোষ মীমাংসার চেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, খবর পেয়েই আমরা এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গিয়ে তাদের উদ্ধার করি। পরে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। </body></HTML> 2020-09-26 10:41:22 1970-01-01 00:00:00 জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকিতে সব কারাগারে স্ট্রাইকিং ফোর্স http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98615 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601095070_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601095070_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কারাবন্দি জঙ্গিদের ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়ে সম্প্রতি লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও কারাগারে চিঠি পাঠানোর ঘটনায় সারা দেশের কারাগারে স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে, যার সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা অস্ত্র নিয়ে কারাগারের চারদিকে পাহারায় থাকছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি প্রিজনস কর্নেল আবরার হোসেন বলেন, সারা দেশের কারাগারে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।<br><br>অন্যদিকে যে চিঠিতে ওই হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই চিঠি কারা পাঠিয়েছে, সেটা অনুসন্ধান করছেন গোয়েন্দারা। জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকির চিঠি দেওয়া ও ফোন করার বিষয়ে গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ধরনের উড়োচিঠি ও কাগজ আমাদের কাছে সব সময়ই আসে এবং বিভিন্ন জায়গায় যেয়ে থাকে। এ বিষয়ে আমরা কখনো মনোযোগ দিই না। তবে আমরা সব সময় তথ্যভিত্তিক কাজ করে থাকি। আমাদের কাছে যখন গোয়েন্দা তথ্য আসে তখনই আমরা ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। উড়োচিঠি যেগুলো আসছে সেগুলো গোয়েন্দাদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। তাঁরা যদি মনে করেন এগুলোর কোনো ভিত্তি আছে, তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’<br><br>কারা সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে লালমনিরহাট কারাগার ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে জঙ্গিদের ছিনিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চিঠি ও ফোন আসে। গত রবিবার কারা অধিদপ্তর থেকে কারাগারগুলোতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ১৮টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনাও রয়েছে। এ নির্দেশনার পর গত মঙ্গলবারের মধ্যে দেশের সব কারাগারে স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়। দেশের সবচেয়ে বড় কারাগার কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। এই কারাগারে স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে। তিনটি স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যরা আট ঘণ্টা করে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। এ ফোর্সের প্রধান হিসেবে রয়েছেন জেলার। এ ছাড়া প্রতি টিমে একজন করে ডেপুটি জেলার, প্রধান কারারক্ষীসহ পাঁচজন করে সশস্ত্র কারারক্ষী রয়েছেন।<br><br>এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহাবুবুল ইসলাম বলেন, ‘নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স আগেও ছিল। তাতে সদস্যসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করছে।’<br>চিঠির তদন্ত : সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও কারাগারে জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার যে চিঠি পাঠানো হয়েছে সেটি কোথা থেকে কারা পাঠিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে চিঠিটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার পরামর্শ পাওয়ার পর বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কেও অবহিত করে।<br><br>একটি সূত্রের দাবি, এ চিঠির পেছনে কারাগারের অভ্যন্তরীণ কোনো কোন্দল রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কেউ কাউকে ফাঁসানোর জন্য অথবা অস্থিরতা তৈরির জন্য এমন চিঠি দিয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এক কারা কর্মকর্তা জানান, চিঠিটি যদি ভুয়াও হয় তাতেও কারা কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সারা দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তার ফাঁকফোকরগুলো চিহ্নিত করার সুযোগ পাচ্ছে।<br>অন্যদিকে গত মঙ্গলবার সাত জেল সুপারকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহানারা বেগমকে পদাবনতি দিয়ে জামালপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।<br><br>এ ছাড়া জামালপুরের জেল সুপারকে বদলি করা হয়েছে মেহেরপুর জেলা কারাগারে, বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. গোলাম দস্তগীরকে চাঁদপুরে, চাঁদপুরের জেল সুপার মো. মাইন উদ্দিন ভূঁইয়াকে কারা অধিদপ্তরে, চুয়াডাঙ্গার জেল সুপার মো. নজরুল ইসলামকে গাইবান্ধায়, মেহেরপুরের জেল সুপার এ এস এম কামরুল হুদাকে বাগেরহাট কারগারে এবং নড়াইল জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কারাগারে বদলি করা হয়েছে।<br><br>এক কারা কর্মকর্তা জানান, কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে কিছুদিন আগে আবু বকর ছিদ্দিক নামের এক কয়েদি পালিয়ে গেছে। ওই ঘটনায় সিনিয়র জেল সুপার জাহানারা বেগমের অবহেলা পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁকে সেখান থেকে বদলি করা হয়েছে। অন্য ছয়জনকে রুটিনমাফিক বদলি করা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-09-26 10:37:13 1970-01-01 00:00:00 ১৫ বছর ধরে নিখোঁজ মায়ের খোঁজ মিলল বিয়ে বাড়িতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98614 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094852_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094852_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিয়ে বাড়িতে চলছিল আনন্দ উৎসব। আত্মীয়তার সুবাদে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসলেও হারিয়ে যাওয়া মায়ের স্মৃতি মন থেকে থেকে মুছে যায়নি সন্তানদের। তাই সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে এসেও আশপাশের বাজারে একটু খুঁজে দেখা। হারিয়ে যাওয়া মায়ের যদি দেখা পাওয়া যায়। এর মধ্যেই সন্তান পাশের চাঁদনীমুখা বাজারে যেয়ে লোকমুখে জানতে পারেন গত দুই বছর ধরে বাজারে এক পাগলি মহিলা থাকেন। বাজারের মানুষ যা ভিক্ষা দেয় তা দিয়েই চলে দিন।<br><br>এমন খবরে কাল বিলম্ব না করে সন্তানরা ছুটে গিয়ে ঠিকই খুঁজে পেল হারিয়ে যাওয়া মাকে। সন্তান কাছে যেতেই পরিচয় দেয়ার দরকার হলো না। প্রিয় সন্তানের মুখ দেখেই চোখ দিয়ে অঝোরে গড়িয়ে পড়লো পানি। স্নেহমাখা হাতে সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে নাম ধরে ডাকল বাজারে থাকা পাগল মা। ১৫ বছর পর হারিয়ে যাওয়া মাকে খুঁজে পেয়ে সন্তানও হাও মাও করে কেঁদে উঠল।<br><br>বাগেরহাট জেলার মংলা থানার জিরোধারাবাজি এলাকার ঘরখোল গ্রামের আলামিন জানান, তারা চার ভাই ও দুই বোন। তাদের মা গত ১৫ বছর আগে ব্রেনের সমস্যা নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সব কিছু মনে রাখতে পারেন না। বৃষ্টির এক রাতে তাদের মা আবেদা বেগম (৬৯) বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে এলাকায় মাইকিং, থানায় জিডি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তিসহ বহু স্থানে মাকে খোঁজা হলেও কোথাও পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্বাস ছিল মা মরেননি, তিনি বেঁচে আছেন। তাই কোথাও গেলে কাজের ফাঁকে মাকে একটু খুঁজে দেখাটা যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল।<br><br>আলামিন আরও বলেন, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সে তার প্রতিবেশীর সঙ্গে এক আত্মীয়ের বিয়েতে গাবুরায় আসেন। সেখানে জানতে পারে গত দুই বছর ধরে বাজারে এক পাগলি থাকেন। তার ঠিকানা কেউ জানে না। বিষয়টি শুনেই বিকেলে বিয়ে বাড়ির কোলাহল ছেড়ে বাজারে যান তিনি। বাজারে খোঁজার পর গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের পাশের একটি দোকান ঘরের চালের নিচে বসে থাকা অবস্থায় ১৫ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া মাকে শনাক্ত করেন।<br><br>গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম জানান, পথ ভুলে এলাকায় আসা পাগলকে তার সন্তানেরা খুঁজে পেয়েছে। সন্তানদের কাছে পেয়ে মাও যেমন খুশি তেমনি গাবুরাবাসিও খুশি। প্রিয় সন্তানের সঙ্গে মাকে তার নিজ ঠিকানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। </body></HTML> 2020-09-26 10:33:46 1970-01-01 00:00:00 চেন্নাইকে হারিয়ে দুইয়ে দুই দিল্লির http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98613 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094735_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094735_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>আগের ম্যাচে ভাগ্য সহায় ছিল। টাইয়ের পর সুপার ওভারে শেষ হাসি হাসে দিল্লি ক্যাপিটালস। এবার অবশ্য ভাগ্যের দরকার হয়নি। গতবারের রানার্সআপ ও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসকে হেসে খেলেই হারিয়েছে শ্রেয়াস আয়ারের দল। দুবাইয়ে একতরফা ম্যাচে চেন্নাইকে ৪৪ রানে হারিয়েছে দিল্লি। চলতি আইপিএলে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই পূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার এক নম্বরে উঠে এসেছে দলটি। অপরদিকে তিন ম্যাচে এটি টানা দ্বিতীয় হার মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের।<br><br>১৭৬ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি তাড়া করতে নেমে দিল্লি বোলারদের তোপে শুরু থেকেই ধুঁকেছে চেন্নাই। ৯ ওভার পার হওয়ার পর মাত্র ৪৪ রান তুলতে পারে তারা, হারায় ৩ উইকেট। এক ফাফ ডু প্লেসিস ছাড়া বলার মত কিছু করতে পারেননি কেউ। তিন নম্বরে নেমে একটা প্রান্ত আগলে রাখা ডু প্লেসিস ইনিংসের ১৮তম ওভারে আউট হন ৩৫ বলে ৪৩ রান করে। চেন্নাইয়ের রান তখন ৫ উইকেটে ১১৩। ম্যাচটা কার্যত শেষ তখন। ১৬ বলে দরকার ছিল ৬৩ রান। ওই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ধোনি ১২ বলে আউট হন ১৫ রানে। জাদেজা ৯ বলে করেন ১২। ৭ উইকেটে ১৩১ রানে থামে চেন্নাই।<br><br>দুর্দান্ত বোলিং দিল্লির চার বোলারের৷ রাবাদা, নর্টজে, অক্ষর ও অমিত মিশ্র কোনও সময় চেন্নাই ব্যাটসম্যানদের মাথার চড়তে দেননি৷ সবচেয়ে সফল রাবাদা, ২৬ রানে নেন ৩ উইকেট। এর আগে পৃথ্বি শয়ের হাফসেঞ্চুরিতে ভর হরে ৩ উইকেটে ১৭৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় দিল্লি। পৃথ্বি ৪৩ বলে খেলেন ৬৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। আরেক ওপেনার শিখর ধাওয়ান করেন ২৭ বলে ৩৫।<br><br>রান পেয়েছেন দিল্লির পরের দুই ব্যাটসম্যানও। রিশাভ পান্তের উইলো ছুঁয়ে আসে ২৫ বলে ৫ চারে হার না মানা ৩৭ রান। অধিনায়ক শ্রেয়াস আয়ার ২২ বলে করেন ২৬, বাউন্ডারি মেরেছেন একটি। দুই ইনিংস মিলিয়ে ছক্কা হয়েছে মাত্র ৩টি। বোঝাই যাচ্ছে উইকেট শট খেলার জন্য খুব একটা উপযোগী ছিল না। দিল্লির ১৭৫ রানও তাই চেন্নাইয়ের কাছে পাহাড়সমান ঠেকেছে। পুরো ওভার ব্যাটিং করেও কাছাকাছি যেতে পারেনি তারা।</body></HTML> 2020-09-26 10:30:35 1970-01-01 00:00:00 ভ্যাকসিন নিয়ে কাড়াকাড়ি, কী হবে বাংলাদেশের? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98612 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094487_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094487_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাস মহামারি থেকে মুক্তি পেতে ভ্যাকসিনের দিকেই তাকিয়ে আছে সারাবিশ্ব। এখন পর্যন্ত কোনো টিকা অনুমোদন না পেলেও ধনী দেশগুলোর মাঝে অগ্রিম টিকা কেনার প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। এ অসম প্রতিযোগিতা দরিদ্র এবং মধ্যম আয়ের দেশের সব মানুষের টিকার প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। করোনাভাইরাসের কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন এখনো আসেনি কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যায়েই অগ্রীম কোটি কোটি ডোজ কিনে রাখছে ধনী দেশগুলো। দাতব্য সংস্থা অক্সফামের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধনী দেশগুলো সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের উৎপাদন সক্ষমতার ৫১ শতাংশই কিনে ফেলেছে। কিন্তু ওই দেশগুলোতে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষের বসবাস।<br><br>ধনী দেশের এই কাড়াকাড়ির কারণে আবিষ্কারে এগিয়ে থাকা পাঁচটি ভ্যাকসিনও যদি সফল হয় তবু ২০২২ সালের আগে বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ বা ৬১ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিন নিতে পারবে না বলে সতর্ক করেছে অক্সফাম। আবিষ্কারে এগিয়ে থাকা পাঁচটি ভ্যাকসিনও যদি নিরাপদ প্রমাণিত এবং সফল হয় তারপরেও এ অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে সতর্ক করে অক্সফাম।<br><br>চলমান জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের শুরুতে দেয়া বক্তব্যে ভ্যাকসিনের আলাদা চুক্তিকে ভ্যাকসিন জাতীয়তাবাদ উল্লেখ করে একে অন্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন মহাসচিব। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেছেন, সকলে নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে কেউ নিরাপদ নয়।<br>বিশ্বে এই মুহূর্তে ল্যাবে শত শত ভ্যাকসিন গবেষণা হচ্ছে তবে ৪০টি ভ্যাকসিন আছে হিউম্যান ট্রায়াল পর্যায়ে। ১০টি ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপে বড় জনগোষ্ঠীর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে যার মধ্যে চীন ও রাশিয়া পাঁচটি ভ্যাকসিন সীমিত আকারে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে। আইসিডিডিআরবি'র এমিরেটাস বিজ্ঞানী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন বিষয়ক বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. ফেরদৌসী কাদরী এক সাক্ষাৎকারে বিবিসিকে বলেছেন, ‘ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য কিন্তু অনেক প্রতিযোগিতা হবে। গ্যাভি, সেপি, ডব্লিউএইচও এই প্রতিযোগিতার আশঙ্কা করেই কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি তৈরি করেছে।’<br><br>এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘আমরা যদি চিন্তা করি এইচওয়ান এনওয়ান যেটা হয়েছিল প্যানডেমিক দশ বছর আগে। সেখানে কিন্তু আমরা ভ্যাকসিন পাই নাই। কারণ সেখানে যেটা তৈরি হয়েছিল ভ্যাকসিন উন্নত দেশে চলে গিয়েছিল। আমরা অনেক পরে কিছু ডোজ পেয়েছিলাম তখন আর দরকার ছিল না।’ ‘তার জন্য আমি মনে করি যে, যদিও অনেক চেষ্টা হচ্ছে বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতার মধ্যেই থাকবে। কারণ ভ্যাকসিনের উৎপাদনতো শতভাগ হবে না।’<br><br>করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলো কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির দিকে তাদিকে আছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে প্রচেষ্টা চলছে ২০২১ সালের মধ্যে দুই বিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার। এর মধ্যে এক বিলিয়ন ডোজ বরাদ্দ থাকবে ৯২টি নিম্ন আয়ের দেশের মানুষের জন্য। এ দেশগুলোয় পৃথীবির মোট জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বসবাস। বাংলাদেশও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির অধীনে প্রতিটা দেশের ঝুকিপূর্ণ ২০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর জন্য ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা দেয়ার পরিকল্পনা আছে।<br><br>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত ১৫৬টি দেশ কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটিতে ভ্যাকসিন সহযোগিতায় অংশীদার হয়েছে। কিন্তু এ কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি কতটা সফল হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। বাংলাদেশ চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সমীর কুমার সাহা বলেন, ‘এখানে কিছু চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। চ্যালেঞ্জটা হলো এখানে সমতা আনাটা খুব কঠিন হবে। কারণ চীন জয়েন করেনি, আমেরিকাও কিন্তু জয়েন করেনি। যদি চীন এবং আমেরিকা জয়েন করতো যেহেতু তারা গ্রেটেস্ট ইকোনমি, বড় দুটি দেশ, অর্থ তাদের আছে এবং তার থেকে বড় এই দুটি দেশেই কিন্তু বেশিরভাগ ভ্যাকসিন উৎপাদন হচ্ছে।’<br><br>‘তো সেইখানেও কিন্তু আমরা আরেকটা বিপদের মধ্যে পড়ছি। নিম্ন আয়ের দেশগুলো কীভাবে এটাকে ম্যানেজ করবে সেটার একটা চিন্তা এবং এর বিতরণটা কিন্তু নিম্ন আয়ের দেশের জন্য আরো জটিল হয়ে যাবে বলে আমার কাছে মনে হয়।’ বিজ্ঞান সাময়িকী ন্যাচার-এর রিপোর্টে দেখা যায় তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে থাকা একাধিক ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের কাছ থেকে ব্রিটেন নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য মাথাপিছু পাঁচ ডোজ ভ্যাকসিন অগ্রিম বুকিং দিয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন জাপান অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ সম্ভাবনাময়ী ভ্যাকসিন মাথাপিছু একের অধিক ডোজ নিশ্চিত করতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ন্যূনতম এক ডোজ নিশ্চিত করতে উদ্যোগী ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনামের মতো দেশও।<br><br><span style="font-weight: bold;">ভ্যাকসিন পেতে কী করছে বাংলাদেশ?</span><br><br>করোনাভাইরাস মহামারি মোকবেলায় কার্যকর এবং নিরাপদ ভ্যাকসিনকেই শেষ ভরসা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ অবস্থায় ভ্যাকসিন পেতে বাংলাদেশ কী করছে এমন জিজ্ঞাসা অনেকের। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, একাধিক ভ্যাকসিন পেতে বাংলাদেশ তৎপর রয়েছে। এর জন্য অর্থ বরাদ্দও রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এখানে ট্রায়াল হবে। আরও ট্রায়ালের জন্য যোগাযোগ করেছে। তিন-চারটি আছে পাইপলাইনে। সরকার অনুমোদন দিলে হবে। সরকার বসে নেই। উই আর ট্রাইং আওয়ার বেস্ট।’ যদিও বাংলাদেশ প্রস্তুতির কথা বলছে, অনেক দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কিন্তু ভ্যাকসিন ট্রায়াল নিয়ে দৃশ্যত অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে।<br><br>অনেক দেশই দ্রুত নিজদেশে ভ্যাকসিন ট্রায়াল শুরু করেছে। বাংলাদেশে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব করায় চীনের ভ্যাকসিন যথাসময়ে ট্রায়াল শুরু করতে পারেনি। তাই যেকোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর ওপর তার ট্রায়াল করা জরুরি বলে মনে করছেন ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞরা। আর এতদ্রুত আর কোন ভ্যাকসিন পৃথিবীতে এর আগে আসেনি।<br><br>কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য এবং বিএসএমএমইউ এর সাবেক উপাচার্য ডা. নজরুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবেও মনে করেন যেকোনো ভ্যাকসিন প্রয়োগের আগে বাংলাদেশের মানুষের ওপর এর ট্রায়াল হওয়া দরকার।<br>অন্যদিকে ভ্যাকসিন ট্রায়ালে যুক্ত হলেও টিকা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার থাকে। আইসিডিডিআরবি চীনের ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের প্রস্তুতি নিচ্ছে।<br><br>তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় থাকা অন্য আর কোনো ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের কোরেনা চেষ্টা আছে কি না জানতে চাইলে আইসিডিডিআরবি'র এমিরেটাস বিজ্ঞানী ও ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ ফেরদৌসী কাদরী জানিয়েছেন, সারা পৃথিবীতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ট্রায়ালের ব্যাপারে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতার মধ্যে পড়ে গেছে। তিনি বলেন. ‘আমরা চাইলে যেকোনো ভ্যাকসিন আমরা ট্রায়াল করতে পারি।’<br><br>‘আমাদের ক্ষমতা আছে, আমাদের লোকবল আাছে, আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে, অভিজ্ঞতা আছে সবটাই আছে আমরা সবটাই করতে পারবো। অক্সফোর্ডেরটাও করা উচিত।’ ‘কিন্তু আমরা একা চাইলেতো হবে না। এটা যারা গবেষণা করছে তাদেরও আগ্রহ থাকতে হবে।’<br>ফেরদৌসী কাদরী বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের একটু পার্থক্য হচ্ছে এটা সবজায়গায় ছড়িয়ে গেছে। এটা শুধু এরকম ঝুঁকি না যে বাংলাদেশে আছে, যেমন রোটা ভাইরাস, কলেরা, টাইফয়েডেরও অনেক বেশি ঝুঁকি আছে যেটা অন্যান্য দেশে নাই।’<br><br>‘তার জন্য একটা ভ্যাকসিন যখন তৈরি হয় তখন তারা আমাদের দেশে করতে চায়, আমাদের মতো দেশে করতে চায়। কিন্তু এখনতো ফিল্ড অনেক বেশি আছে।’ তিনি বলছেন, ‘এখন ব্রাজিলে চলে যেতে পারছে, সাউথ আফ্রিকায় চলে যেতে পারছে। তো আমাদের কিন্তু প্রতিযোগিতা অনেক বেশি।’<br>ভ্যাকসিনের এ প্রতিযোগিতার কারণে বাংলাদেশ সরকারকে ভ্যাকসিন বুকিং দেয়ার সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কমিটি সরকারকে ভ্যাকসিন সংগ্রহ নিয়ে এক ধরনের প্রতিযোগিতার কথা জানিয়েছে।<br>গ্যাভির ভ্যাকসিন পেতে বেশ দেরি হওয়ার আশংকা থেকে বাংলাদেশেরও ভ্যাকসিন বুকিং করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেছে কারিগরি পরামর্শক কমিটি। </body></HTML> 2020-09-26 10:27:01 1970-01-01 00:00:00 নীলা হত্যা: অবশেষে প্রধান আসামি মিজান গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98611 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094327_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094327_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাভারে দশম শ্রেণির ছাত্রী নীলা রায় (১৪) হত্যা মামলার প্রধান আসামি কিশোর গ্যাং সদস্য মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নির্মল কুমার দাস গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শুক্রবার মিজানুর রহমানের (২০) বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।<br><br>তারা দুজনই এজাহারভুক্ত আসামি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। ২০ সেপ্টেম্বর রাতে নীলা রায়কে তুলে নিয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মিজান। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা নারায়ণ রায় মিজানুর রহমান, তার বাবা আবদুর রহমান ও মা নাজমুন নাহার সিদ্দিকাসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। নীলা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিজানুর রহমান সাভারের ব্যবসায়ী আবদুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় একটি কলেজের বাণিজ্য বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সে। এর আগে একবার টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি মিজান। </body></HTML> 2020-09-26 10:24:52 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ : ছাত্রলীগ কর্মীর রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98610 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094186_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601094186_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রুম থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টার দিকে নগরীর শাহপরাণ থানা পুলিশ এমসি কলেজের নতুন ছাত্রাবাসে অভিযান চালায়। এ সময় সাইফুরের রুম থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, চারটি লম্বা দা, একটি ছুরি ও দুটি জিআই পাইপ উদ্ধার করা হয়। এদিকে ঘটনার পরপরই পুলিশের একাধিক দল গৃহবধূকে গণধর্ষণে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযানে নেমেছে। তবে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্তও এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।<br><br>সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণের খবর সাধারণ শিক্ষার্থীসহ সচেতন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জঘন্য এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ধর্ষকদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। কলেজ সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে কলেজ ও ছাত্রাবাস বন্ধ থাকলেও সাইফুর অবৈধভাবে ছাত্রাবাসে অবস্থান করছিলেন। তিনি সহযোগীদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাস, টিলাগড় ও বালুচর এলাকায় ছিনতাই, অপহরণ ও মাদক ব্যবসা করতেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাতে বন্ধ ছাত্রাবাসে নিয়মিত জুয়া ও মাদকের আসর বসাতেন এমন অভিযোগও রয়েছে সাইফুরের বিরুদ্ধে।<br><br>শাহপরাণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, গণধর্ষনের ঘটনার পর রাতেই এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সাইফুর রহমানের রুম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও ছুরি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।<br>এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে আসেন দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকার এক দম্পতি। এ সময় স্বামীসহ ওই গৃহবধূকে সাইফুর ও তার সহযোগী ছাত্রলীগ কর্মীরা পার্শ্ববর্তী ছাত্রাবাসে তুলে নিয়ে যান। পরে স্বামীকে আটকে রেখে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল, তারেক, রনি, সাইফুর, মাহফুজ এবং অর্জুন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১০টার দিকে স্বামীসহ ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-09-26 10:21:23 1970-01-01 00:00:00 দলীয় এমপিদের ক্ষমতা কমাচ্ছে আওয়ামী লীগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98609 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601039222_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601039222_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্টাফ রিপোর্টার ॥<br>তৃণমূলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। এতোদিন মহামারি করোনার কারণে রাজনীতি ঘরে বন্ধ থাকলেও ফের মাঠে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে দলটি। এরইমধ্যে আসন্ন স্থানীয় ইউপি নির্বাচনসহ কয়েকটি উপনির্বাচনকে ঘিরে দলটি করোনার প্রভাব কাটিয়ে কিছুটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। যার কারণে তৃণমূলে পুরোপুরি নজর দিচ্ছে কেন্দ্র। এর আগের কমিটিহগুলোকে কেন্দ্র করে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সংসদ সদস্য ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা নিজস্ব বলয় ও শক্তি বৃদ্ধিতে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে তাদের অনুগত ও ম্যাসলম্যানদের জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূলের কমিটিতে স্থান দিয়েছে। এই সুযোগে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীরা ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের হটিয়ে আওয়ামী লীগে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছে। অনেক ক্ষেত্রেই স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোনসহ আত্মীয়-স্বজনদের তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে দেখা গেছে। এতে ক্ষোভ-দুঃখ-হতাশায় তৃণমূলের অনেক পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতারা সংগঠন বিমূখ হয়ে পড়েছেন। অপরদিকে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের নানা বিতর্কিত কর্মকা-ে দল ও সরকারকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। এদিকে, মন্ত্রী-এমপি-নেতাদের নিজ এলাকায় নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে ত্যাগী-পরীক্ষিতদের বাদ দিয়ে ‘একক নিয়ন্ত্রণের কোন কমিটিকে’ অনুমোদন দেবে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এবার তৃণমূলের কোথাও কাউকে কথিত ‘পকেট কমিটি’ করতে দেবে না দলটি। তৃণমূলে কমিটি গঠনে স্থানীয় এমপি ও জেলার প্রভাবশালী নেতাদের নিজস্ব বলয় ভাঙতে এবং সুযোগসন্ধানী ও বিতর্কিতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার আগে থেকেই সতর্ক দলটির নীতিনির্ধারকরা। দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগে সম্মেলন হওয়া জেলাগুলোর মধ্যে অধিকাংশই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে তালিকা জমা দিয়েছে। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও দুঃসময়ের নেতাদের স্থান করে দিতে কেন্দ্রে জমা পড়া জেলা কমিটিগুলো এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এজন্য ৮ বিভাগের জন্য ৮টি শক্তিশালী পৃথক কমিটির মাধ্যমে জেলা কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করেই কমিটিগুলো অনুমোদন দেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। যেসব জেলা এখনও কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়নি, তাদের এ মাসের মধ্যেই জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে জমা পড়া জেলা কমিটিগুলো অতীতের মতো ঢালাও অনুমোদন না দিয়ে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিগত সময়ের মতো নিজ এলাকায় নিজস্ব বলয় বা পকেট কমিটি যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য এবার অধিক সতর্ক আওয়ামী লীগ। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ সারাদেশের সম্মেলন হওয়া অধিকাংশ জেলা-মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা পড়েছে।<br>দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে জমাকৃত কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। সেখানে কোন কমিটিতে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ কিংবা অনুপ্রবেশকারী থাকে তাদের বাদ দিয়ে এবং বাদ পড়া ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে কিনা, সেসব যাচাই-বাছাই করেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জেলা ও মহানগরের কমিটির তালিকা দলের সভাপতির (শেখ হাসিনা) জমা দেবেন। এরপরই জমাকৃত কমিটিগুলো অনুমোদন পাবে। এজন্য কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে।<br>দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে জমা পড়া জেলা-মহানগর কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগী স্থান করে দিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে আট বিভাগের আটটি টিম গঠন করা হচ্ছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে কমিটিগুলো অনুমোদনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। জানা গেছে, এবার আওয়ামী লীগের নীতিগত অবস্থানই হচ্ছে, জমা পড়া কমিটিগুলো থেকে সুযোগ-সন্ধানী, অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের জায়গা করে দেয়া। এক্ষেত্রে যেসব জেলার সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আসবে, তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তাভাবনা রয়েছে দলটির নীতিনির্ধারক মহলের।<br>সূত্র জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সভায় জেলা কমিটি অনুমোদন এবং কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভায় দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন, বিতর্কিতদের দলে স্থান দেয়া যাবে না। দুঃসময়ের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের দলের নেতৃত্বে আনতে হবে। এ সময় তিনি জমা পড়া কমিটিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কথাও বলেন।<br>ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা কেন্দ্রে জমা পড়া জেলা-মহানগর কমিটি এবং সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। মন্ত্রী-এমপি ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে ‘মাইম্যানদের’ নিয়ে পকেট কমিটি কোনভাবেই করতে না পারে সেজন্য দলের পাঁচ সদস্যের প্রভাবশালী নেতাদের নিয়ে একেকটি টিম গঠন করা হচ্ছে।<br>জানা গেছে, ৮ বিভাগে পৃথক পাঁচ সদস্যর ৮টি পৃথক টিমে নেতৃত্ব দেবেন ৮ সিনিয়র সভাপতিম-লীর সদস্য। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে একজন সভাপতিম-লীর সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দুই জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থাকবেন। এই আট কমিটি ৮ বিভাগভুক্ত যেসব জেলা-মহানগর কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিয়েছে, সেগুলো ভাল করে যাচাই-বাছাই করবেন। প্রয়োজনে অনুপ্রবেশকারী, বিতর্কিতদের চিহ্নিত করতে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে কমিটিতে স্থান পাওয়া সন্দেহভাজনদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেবেন। আবার কোন জেলা বা মহানগরে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে সুযোগ-সন্ধানীদের স্থান দেয়ার অভিযোগ উঠে, সেগুলোও যাচাই করে বিতর্কিতদের বাদ দেয়া হবে।<br>দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে তৃণমূলের নেতৃত্বে দেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবার অধিক সতর্কতা অবলম্বন করছে। যাচাই-বাছাই করছে কেন্দ্রে জমা পড়া তৃণমূলের কমিটিগুলো। পর্যালোচনা চলছে কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য এবং সহযোগী সংগঠনের নতুন কমিটির তালিকাও। দলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কমিটি যাচাই-বাছাই করা হবে। পাঁচ সদস্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা ছাড়াও দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যাদের বাড়ি যে এলাকায়, তারাও নিজ নিজ এলাকার কমিটিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজে সহযোগিতা করবেন।<br>জেলা সম্মেলনগুলোতে এবং সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনেও পকেট কমিটি না করতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছিলেন, ‘এবার পকেট কমিটি চলবে না। ঘরের মধ্যে ঘর, মশারির মধ্যে মশারি, ত্যাগীদের বাদ দিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে পকেট কমিটি করার চেষ্টা করবেন না। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, কমিটি করতে গিয়ে দল ভারি করার জন্য খারাপ লোক টেনে আনবেন, এটা চলবে না। বসন্তের কোকিল আমরা চাই না, দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।’<br><br> </body></HTML> 2020-09-25 19:06:46 1970-01-01 00:00:00 ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: বাংলাদেশিসহ উদ্ধার ২২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98608 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601039081_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601039081_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে বিভিন্ন দেশের ৩৫ জনকে নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। ২২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কতজন বাংলাদেশি রয়েছি সে বিষয়ে এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জন। ওই নৌকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের অভিবাসীরা ছিলেন বলে শুক্রবার জানিয়েছে জাতিসংঘ।<br><br>এপি এবং ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়ার জেলেরা বৃহস্পতিবার নৌকাটিকে দেখতে পান। তারা ২২ জনকে উদ্ধার করতে পারলেও ১৩ জনের কোনো খোঁজ পাননি। যারা উদ্ধার হয়েছেন তাদের মধ্যে পাঁচ দেশের নাগরিক রয়েছে; বাংলাদেশ, মিশর, সিরিয়া, সোমালিয়া এবং ঘানা। নিখোঁজ ১৩ জনের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।<br><br>ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি লাশ পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এক পুরুষ এবং এক নারীর বাড়ি সিরিয়ায়। ত্রিপোলির পূর্বাঞ্চলের এলাকা জিলটেন থেকে গত বুধবার সন্ধ্যায় নৌকাটি যাত্রা শুরু করে। দেশটির কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, তারা উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। ‘এই দিনগুলোতে অনেক নৌকা লিবিয়া ছেড়ে যাচ্ছে,’ জানিয়ে লিবিয়ার নৌ-কর্মকর্তা মাসউদ আবদাল সামাদ বলেন, ‘শরৎ খুব কঠিন মৌসুম। বাতাস শুরু হলে নদীতে প্রাণঘাতী অবস্থার সৃষ্টি হয়’।<br><br>লিবিয়ার সাবেক শাসক গাদ্দাফির পতনের পর এই দেশ দিয়ে অনেক অভিবাসী ইউরোপে যাওয়া শুরু করেন। পাচারকারীরা প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় মানুষদের সাগরে ভাসায়। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার মানুষ মারা গেছে এই অঞ্চলে। </body></HTML> 2020-09-25 19:04:15 1970-01-01 00:00:00 কুমিল্লায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বালু খেকোরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98607 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601038215_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601038215_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা জেলায় বালু খেকোরা অনেক বেশি ‘বেপরোয়া’ হয়ে উঠেছেন। জেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও একই অবস্থা। জেলার ১৭টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নদী, খাল-বিল ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছেন তারা। এরপর ট্রাক করে এসব বালু বিক্রি করছেন বিভিন্ন স্থানে। জেলা ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনগুলো একাধিকবার এসবের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বরং প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বালু খেকোরা প্রকাশ্যেই এসব অপকর্ম করে যাচ্ছেন। যদিও জেলা প্রশাসন বলছে, এসব অপকমর্রে বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযান চলমান রয়েছে।<br>এদিকে, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে একের পর এক পুকুর ও জলাশয় ভরাট করা হচ্ছে। এছাড়া অবাধে কৃষিজমি থেকে বালু-মাটি উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমি। অনেক এলকায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে কৃষিজমি। অনেক সময় ভুক্তভোগীরা বালু উত্তোলন বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলেও দৌরাত্ম্য কমছে না তাদের।<br><br>সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত গোমতী নদীর আদর্শ সদর উপজেলার অংশেই অন্তত ৩০টি এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর চরের কৃষিজমিগুলোও ছাড় দিচ্ছেন না বালু খেকোরা। অপরিকল্পিতভাবে নদী এবং চরের কৃষি জমিগুলো থেকে বালু উত্তোলনের ফলে গোমতী নদীর শহর রক্ষা বাঁধও হুমকির মুখে রয়েছে। গত রোববার গোমতীর চরের সদর উপজেলার শাহপুর ও গোলাবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত। তিনি এ সময় অবৈধভাবে কৃষিজমির উপর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন ও কৃষিজমি নষ্ট করার অপরাধে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বরও একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন মৌখিকভাবে সতর্ক করেন তিনি। ওইদিনও কৃষিজমির উপর ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে এক ব্যক্তিকে ৫০ টাকা জরিমানা করেন তিনি।<br>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই গোমতী নদীর বালুমহাল নিয়ে বর্তমানে দু’টি পক্ষ সরাসরি বিরোধে জড়িয়েছে। নদীর সদর উপজেলার ৫টি বালুমহালের বর্তমান ইজারাদার মেসার্স এম.রহমান নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মালিক মাহবুবুর রহমান দাবি, সাবেক ইজারাদার আরফানুল হক রিফাত ও তার লোকজন অবৈধ দখলের মাধ্যমে গোমতী নদীর ১৩ টি ঘাট এবং সাথে ২৫টি স্থানে নৌকায় ড্রেজার বসিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন করছেন। আর মেসার্স রিফাত কনস্ট্রাকশনের মালিক আরফানুল হক রিফাতের দাবি, মাহবুবুর রহমান অবৈধ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ৫টি বালুমহাল ইজারা নিয়ে নদীর মোট ২৯টি অংশ দখল করেছেন এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। নদীর বালু উত্তোলন নিয়ে দুই পক্ষের এই বিরোধ কুমিল্লার আদালত এবং উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।<br>সরেজমিনে জেলার মনোহরগঞ্জে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার শাকতলা গ্রামে ফসলি জমিতে কয়েকটি ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে মোট দু’টি গ্রামের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। একই উপজেলার ডাকাতিয়া নদীর হাওরা সেতুর কয়েক গজ দূরেই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন প্রভাবশালীরা। একই নদীর পোমগাঁও এলাকাতেও বসানো হয়েছে বেশ কয়েকটি ড্রেজার।<br><br>জেলার ব্রাহ্মণপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমি থেকে অবাধে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বাণিজ্যিক বালু-মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে দিন দিন উজাড় হচ্ছে ফসলি জমি। উপজেলার ধান্যদৌল এলাকায় ফসলি জমি থেকে বেশ কয়েটি ড্রেজার মেশিন দিয়ে মাটি-বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। কল্পবাস গ্রামেও একই অবস্থা। এ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলনের ফলে কমে গেছে ফসলি জমির পরিমান।<br>এদিকে, জেলার চান্দিনা উপজেলা সদরেই চলতি বছরে ৩টি বড় বড় পুকুর অবৈধভাবে ভরাট করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলা সদরের সাহাপাড়া এলাকার বিশাল আরও একটি পুকুর ভরাট করেছেন প্রভাবশালীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই পুকুরটি ভরাট করার ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ভোগে পড়েছেন অন্তত অর্ধশত পরিবার।<br>জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর ও কালিকাপুর ইউনিয়নে গিয়ে কমপক্ষে ১০টি স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা গেছে। শুধুমাত্র এই কয়েকটি উপজেলাই নয়, জেলার ১৭টি উপজেলারই প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে এখন হিড়িক পড়েছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ।<br>জেলার মনোহরগঞ্জে কৃষক আলী আকবর, ব্রাহ্মণপাড়ার কৃষক সামছুল আলমসহ বেশ অন্তত ১০ জন জানান, অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলনের কারণে কৃষিজমি এখন হুমকির মুখে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম এলেই বেপরোয়া হয়ে উঠেন বালু খেকোরা। তারা প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের ম্যানেজ করেই এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এখনই এসব বালু খেকোদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এক সময় কৃষিজমির অস্তিত্ব থাকবে না বলে জানান তারা।<br><br>এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো.আবুল ফজল মীর সমকালকে বলেন, আমরা যেখানেই এমন অভিযোগ পাচ্ছি, সেখানেই অভিযান চালাচ্ছি। আর এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা গ্রহণ সারাবছরই চলমান থাকে। এ কাজে পুলিশ ও র‌্যাবও বর্তমানে আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি। </body></HTML> 2020-09-25 18:49:53 1970-01-01 00:00:00 দলীয় এমপিদের ক্ষমতা কমাচ্ছে আওয়ামী লীগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98606 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601034439_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601034439_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তৃণমূলকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার। এতোদিন মহামারি করোনার কারণে রাজনীতি ঘরে বন্ধ থাকলেও ফের মাঠে সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করেছে দলটি। এরইমধ্যে আসন্ন স্থানীয় ইউপি নির্বাচনসহ কয়েকটি উপনির্বাচনকে ঘিরে দলটি করোনার প্রভাব কাটিয়ে কিছুটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। যার কারণে তৃণমূলে পুরোপুরি নজর দিচ্ছে কেন্দ্র। এর আগের কমিটিহগুলোকে কেন্দ্র করে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সংসদ সদস্য ও জেলার প্রভাবশালী নেতারা নিজস্ব বলয় ও শক্তি বৃদ্ধিতে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে তাদের অনুগত ও ম্যাসলম্যানদের জেলা-উপজেলাসহ তৃণমূলের কমিটিতে স্থান দিয়েছে। এই সুযোগে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীরা ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের হটিয়ে আওয়ামী লীগে নিজেদের অবস্থান পোক্ত করেছে। অনেক ক্ষেত্রেই স্ত্রী-সন্তান, ভাই-বোনসহ আত্মীয়-স্বজনদের তৃণমূল আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে দেখা গেছে। এতে ক্ষোভ-দুঃখ-হতাশায় তৃণমূলের অনেক পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতারা সংগঠন বিমূখ হয়ে পড়েছেন।<br><br>অপরদিকে বিতর্কিত ও অনুপ্রবেশকারীদের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দল ও সরকারকে বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। এদিকে, মন্ত্রী-এমপি-নেতাদের নিজ এলাকায় নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে ত্যাগী-পরীক্ষিতদের বাদ দিয়ে ‘একক নিয়ন্ত্রণের কোন কমিটিকে’ অনুমোদন দেবে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এবার তৃণমূলের কোথাও কাউকে কথিত ‘পকেট কমিটি’ করতে দেবে না দলটি। তৃণমূলে কমিটি গঠনে স্থানীয় এমপি ও জেলার প্রভাবশালী নেতাদের নিজস্ব বলয় ভাঙতে এবং সুযোগসন্ধানী ও বিতর্কিতদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবার আগে থেকেই সতর্ক দলটির নীতিনির্ধারকরা।<br><br>দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের আগে সম্মেলন হওয়া জেলাগুলোর মধ্যে অধিকাংশই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রে তালিকা জমা দিয়েছে। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও দুঃসময়ের নেতাদের স্থান করে দিতে কেন্দ্রে জমা পড়া জেলা কমিটিগুলো এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এজন্য ৮ বিভাগের জন্য ৮টি শক্তিশালী পৃথক কমিটির মাধ্যমে জেলা কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করেই কমিটিগুলো অনুমোদন দেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ। যেসব জেলা এখনও কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়নি, তাদের এ মাসের মধ্যেই জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে জমা পড়া জেলা কমিটিগুলো অতীতের মতো ঢালাও অনুমোদন না দিয়ে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বিগত সময়ের মতো নিজ এলাকায় নিজস্ব বলয় বা পকেট কমিটি যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য এবার অধিক সতর্ক আওয়ামী লীগ।<br><br>এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ সারাদেশের সম্মেলন হওয়া অধিকাংশ জেলা-মহানগরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা পড়েছে। দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে জমাকৃত কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। সেখানে কোন কমিটিতে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ কিংবা অনুপ্রবেশকারী থাকে তাদের বাদ দিয়ে এবং বাদ পড়া ত্যাগী-পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হয়েছে কিনা, সেসব যাচাই-বাছাই করেই দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জেলা ও মহানগরের কমিটির তালিকা দলের সভাপতির (শেখ হাসিনা) জমা দেবেন। এরপরই জমাকৃত কমিটিগুলো অনুমোদন পাবে। এজন্য কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে।<br><br>দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার নির্দেশে জমা পড়া জেলা-মহানগর কমিটিগুলো ভালভাবে যাচাই-বাছাই করে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগী স্থান করে দিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে আট বিভাগের আটটি টিম গঠন করা হচ্ছে। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে কমিটিগুলো অনুমোদনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে। জানা গেছে, এবার আওয়ামী লীগের নীতিগত অবস্থানই হচ্ছে, জমা পড়া কমিটিগুলো থেকে সুযোগ-সন্ধানী, অনুপ্রবেশকারী ও বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের জায়গা করে দেয়া। এক্ষেত্রে যেসব জেলার সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আসবে, তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের চিন্তাভাবনা রয়েছে দলটির নীতিনির্ধারক মহলের।<br><br>সূত্র জানায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সভায় জেলা কমিটি অনুমোদন এবং কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য মনোনয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ওই সভায় দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন, বিতর্কিতদের দলে স্থান দেয়া যাবে না। দুঃসময়ের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের দলের নেতৃত্বে আনতে হবে। এ সময় তিনি জমা পড়া কমিটিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কথাও বলেন।<br><br>ওই সভায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা কেন্দ্রে জমা পড়া জেলা-মহানগর কমিটি এবং সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। মন্ত্রী-এমপি ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে ‘মাইম্যানদের’ নিয়ে পকেট কমিটি কোনভাবেই করতে না পারে সেজন্য দলের পাঁচ সদস্যের প্রভাবশালী নেতাদের নিয়ে একেকটি টিম গঠন করা হচ্ছে।<br><br>জানা গেছে, ৮ বিভাগে পৃথক পাঁচ সদস্যর ৮টি পৃথক টিমে নেতৃত্ব দেবেন ৮ সিনিয়র সভাপতিম-লীর সদস্য। পাঁচ সদস্যের এই কমিটিতে একজন সভাপতিম-লীর সদস্য, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং দুই জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য থাকবেন। এই আট কমিটি ৮ বিভাগভুক্ত যেসব জেলা-মহানগর কেন্দ্রে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিয়েছে, সেগুলো ভাল করে যাচাই-বাছাই করবেন। প্রয়োজনে অনুপ্রবেশকারী, বিতর্কিতদের চিহ্নিত করতে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে কমিটিতে স্থান পাওয়া সন্দেহভাজনদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেবেন। আবার কোন জেলা বা মহানগরে ত্যাগীদের বাদ দিয়ে নিজস্ব বলয় সৃষ্টিতে সুযোগ-সন্ধানীদের স্থান দেয়ার অভিযোগ উঠে, সেগুলোও যাচাই করে বিতর্কিতদের বাদ দেয়া হবে।<br><br>দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে তৃণমূলের নেতৃত্বে দেয়ার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এবার অধিক সতর্কতা অবলম্বন করছে। যাচাই-বাছাই করছে কেন্দ্রে জমা পড়া তৃণমূলের কমিটিগুলো। পর্যালোচনা চলছে কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য এবং সহযোগী সংগঠনের নতুন কমিটির তালিকাও। দলের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় এসব কমিটি যাচাই-বাছাই করা হবে। পাঁচ সদস্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা ছাড়াও দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যাদের বাড়ি যে এলাকায়, তারাও নিজ নিজ এলাকার কমিটিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজে সহযোগিতা করবেন।<br><br>জেলা সম্মেলনগুলোতে এবং সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনেও পকেট কমিটি না করতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছিলেন, ‘এবার পকেট কমিটি চলবে না। ঘরের মধ্যে ঘর, মশারির মধ্যে মশারি, ত্যাগীদের বাদ দিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে পকেট কমিটি করার চেষ্টা করবেন না। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই, কমিটি করতে গিয়ে দল ভারি করার জন্য খারাপ লোক টেনে আনবেন, এটা চলবে না। বসন্তের কোকিল আমরা চাই না, দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।’<br><br> </body></HTML> 2020-09-25 17:43:29 1970-01-01 00:00:00 স্কুলছাত্রীকে অপহরণ, গ্রেপ্তার ১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=98605 http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601033099_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/09/24/1601033099_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পটুয়াখালীর দশমিনায় নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রী (১৫) অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভাড়াটে মোটরসাইকেল চালক তারেক আলাউদ্দিনকে (২৩)। উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃতা স্কুলছাত্রীকে। বুধবার রাতে উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের মীর মর্দন এলাকার মনির হোসেনের বাড়ি থেকে তারেক আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার ও স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তারেক আলাউদ্দিন একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক মৃধার ছেলে।<br><br>পুলিশ জানায়, গেলো ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে ওই স্কুলছাত্রীকে আলাউদ্দিন ও তার তিন সহযোগী অপহরণ করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে থাকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে দশমিনা পুলিশ বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের মীর মর্দন এলাকার মনির হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অপহরণে জড়িত তারেক আলাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যাপারে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম জানান, স্কুলছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার আসামি তারেক আলাউদ্দিনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। তারেকের অন্যান্য সহযোগীদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। </body></HTML> 2020-09-25 17:24:24 1970-01-01 00:00:00