http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - গণস্বাস্থ্যের ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93989 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590419195_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590419195_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। রোববার (২৪ মে) গণস্বাস্থ্যের ল্যাবে নিজেদের উদ্ভাবিত কিটে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমি বাসায় আইসোলেশনে আছি। আমার থুথু পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে এই সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া যায়।’ উনি পিসিআর মেশিনে করোনা টেস্ট করাননি বলেও জানিয়েছেন। আর করার প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেন ডা. জাফরুল্লাহ।<br>এদিকে সরকারের অনুরোধক্রমে গণস্বাস্থ্যের কিটের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর আগে সোমবার দুপুরে দিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিটের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্রতিদিন ৫০ জন ব্যক্তির ওপর এই ট্রায়াল চালানো হবে। জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লোট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিভিন্ন মিডিয়াতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র তাদের জি আর কোভিড ১৯ র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের পরীক্ষা শুরু করবে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি।’<br><br>‘আমাদের বক্তব্য হলো- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) অনুমোদিত জিআর কোভিড-১৯ র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের অভ্যন্তরীণ গুণগত মান পরীক্ষার (ইন্টারনাল ভ্যালিডেশন) জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে ২৬ মে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টার মধ্যে কোভিড-১৯ এর লক্ষণ আছে এরকম ৫০ জন রোগীর কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে’— বলেন ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দরকার। তিনি বলেন, ‘বিএমআরসি অনুমোদিত নিয়মে, আগে আসলে আগে নেওয়া হবে। এই ভিত্তিতে লালা এবং রক্ত উভয় বা যেকোনো একটি নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এই নমুনা সংগ্রহ গবেষণার অংশ, কোনো সেবা বা রোগ নির্ণয় নয়।’ and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 21:06:11 1970-01-01 00:00:00 গণস্বাস্থ্যের ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93988 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418988_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418988_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। রোববার (২৪ মে) গণস্বাস্থ্যের ল্যাবে নিজেদের উদ্ভাবিত কিটে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (২৪ মে) সন্ধ্যায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমি বাসায় আইসোলেশনে আছি। আমার থুথু পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানে এই সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া যায়।’ উনি পিসিআর মেশিনে করোনা টেস্ট করাননি বলেও জানিয়েছেন। আর করার প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেন ডা. জাফরুল্লাহ।<br>এদিকে সরকারের অনুরোধক্রমে গণস্বাস্থ্যের কিটের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এর আগে সোমবার দুপুরে দিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত কিটের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হবে। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্রতিদিন ৫০ জন ব্যক্তির ওপর এই ট্রায়াল চালানো হবে। জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লোট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকারের সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বিভিন্ন মিডিয়াতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র তাদের জি আর কোভিড ১৯ র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের পরীক্ষা শুরু করবে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি।’<br><br>‘আমাদের বক্তব্য হলো- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) অনুমোদিত জিআর কোভিড-১৯ র‌্যাপিড ডট ব্লট কিটের অভ্যন্তরীণ গুণগত মান পরীক্ষার (ইন্টারনাল ভ্যালিডেশন) জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ হিসেবে ২৬ মে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ টার মধ্যে কোভিড-১৯ এর লক্ষণ আছে এরকম ৫০ জন রোগীর কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে’— বলেন ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দরকার। তিনি বলেন, ‘বিএমআরসি অনুমোদিত নিয়মে, আগে আসলে আগে নেওয়া হবে। এই ভিত্তিতে লালা এবং রক্ত উভয় বা যেকোনো একটি নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এই নমুনা সংগ্রহ গবেষণার অংশ, কোনো সেবা বা রোগ নির্ণয় নয়।’ </body></HTML> 2020-05-25 21:01:28 1970-01-01 00:00:00 গণস্বাস্থ্যের ডা. জাফরুল্লাহর করোনা পজিটিভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93987 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418777_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418777_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) করোনা পজিটিভ হওয়ার এ খবর তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন। ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ল্যাবে রোববার (২৪ মে) নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। <br>তিনি বলেন, রোববার ইফতার করার পর মনে হলো শরীরে জ্বর জ্বর লাগছে। এরপর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল ধানমন্ডিতে করোনা টেস্ট করিয়েছি। এতে অ্যান্টিজেন পজিটিভ এসেছে। এরপর থেকে বাসায় আইসোলেশনে আছি। এখন শরীরে জ্বর ছাড়া করোনার অন্য কোনো উপসর্গ নেই। </body></HTML> 2020-05-25 20:56:47 2020-05-25 21:25:52 সেজদারত অবস্থায় দেশের শীর্ষ আলেম আল্লামা শাহ তৈয়বের ইন্তেকাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93986 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418495_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590418495_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">জায়নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম, চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া জিরির মুহতামিম আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) তার বয়স হয়েছেন ৭৯ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, পাঁচ মেয়ে, নাতি-নাতনি, অসংখ্য ছাত্র ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে এ বর্ষীয়ান আলেম ইন্তেকাল করেন বলে জানিয়েছেন তার ছেলে মাওলানা খুবাইব।<br><br>তিনি বলেন, রমজান মাসের শেষ দশকে ইতেকাফ শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব। তাকে রোববার রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ শরীর নিয়েই ঈদের দিনের আগের তাৎপর্যপূর্ণ রাতের নফল নামাজ পড়ছিলেন তিনি। নামাজের এক সময় সেজদারত অবস্থা আল্লাহ তাকে কবুল করে নেন। মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব ৩৬ বছর ধরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করেছেন। জিরি মাদরাসার মাঠে ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৯টায় হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রবীণ মুহাদ্দিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর ইমামতিতে মরহুমের জানাজা হয়। এরপর মাদ্রাসাসংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।<br>তার মৃত্যুতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শীর্ষ এই আলেমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির, জামিয়ায় দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক ও শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ আহমদ শফী। শোক জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম, চরমোনাই ও নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, চরমোনাই। </body></HTML> 2020-05-25 20:50:17 1970-01-01 00:00:00 চার হাজারের ঘরে করোনা সংক্রমিত পুলিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93985 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590415707_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590415707_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাস তথা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন পুলিশ সদস্যরাও। ছোঁয়াচে এই রোগের বিস্তার ঠেকাতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ‘সতর্ক’থেকেও সংক্রমণ এড়াতে পারছেন না তারা। পুলিশে এই পর্যন্ত সারাদেশে ৩ হাজার ৯১৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৬ জন পুলিশ সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মোট আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার আটজন। মারা গেছেন ১৪ পুলিশ সদস্য। পুলিশ সদরদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে কেবল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশেই (ডিএমপি)রয়েছেন এক হাজার ৩৯৪ সদস্য।<br><br>পুলিশ সদরদপ্তরের তথ্য অনুসারে করোনার সংক্রমণ রোধে সম্মুখবহরে থেকে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি একটি হাসপাতাল ভাড়া নেওয়া হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে মাঠপর্যায়ের সদস্যই বেশি। এছাড়া অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার একজন, পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার আটজন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ১৯ জন, সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ২০ জন, ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার ৯৮ জনসহ বাকিরা এসআই, এএসআই এবং কনস্টেবল আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে সোমবার ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের কর্মরত পরিদর্শক রাজু আহম্মেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় হাসপাতালে মারা যান। তারই কয়েকঘন্টা পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত আরেক সদস্যের মো. নিকবার হোসেন মারা যান। বাহিনীতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সুরক্ষা সরঞ্জামের পাশাপাশি চিকিৎসা উন্নত করা হয়েছে। প্রতিদিন করোনা আক্রান্ত সদস্যদের দেখতে উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে ‘বিশেষ টিম’। যারা নিরাপদ দূরুত্বে থেকে সদস্যদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান করছেন। </body></HTML> 2020-05-25 20:05:42 1970-01-01 00:00:00 দাফনে চেয়ারম্যানের বাধায় লাশ ভাসানো হলো নদীতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93984 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414507_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414507_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গ্রামের বাড়িতে মেয়ের লাশ দাফন করতে দিচ্ছেন না ইউপি চেয়ারম্যান, এ জন্য এক অ্যাম্বুলেন্স চালকের সঙ্গ পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তি করেছিলেন মেয়ের মৃতদেহ দাফনের। কিন্তু মেয়ের লাশ ওই অ্যাম্বুলেন্স চালক দাফন না করেই ফেলে দেয় তিস্তা নদীতে। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ লালমনিরহাটের তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর সেই হতভাগ্য বাবা জানতে পারেন তার মেয়ের লাশ দাফন হয়নি। সব ঘটনা জানতে পেরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে শেষ পর্যন্ত লাশ দাফন হয়। এমন মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায়। যার শিকার মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের হতভাগ্য বাবা গোলাম মোস্তফা।<br><br>আদিতমারী থানা পুলিশ জানায়, পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের (২২) মরদেহ রোববার সন্ধ্যায় তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার বিকেলে মরদেহের জানাজা শেষে মৃতের নিজ গ্রামে দাফন করে যৌথভাবে আদিতমারী ও পাটগ্রাম থানা পুলিশ। জানা গেছে, মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। তিনি একই উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার স্বামী নিগৃহীতা মিজানুর রহমানের স্ত্রী।<br>পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমানের সঙ্গে ছয় মাস আগে বিয়ে হয় পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে একাই গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন মৌসুমী। বৃহস্পতিবার অসুস্থতা অনুভব করলে একটি ট্রাকে পাটগ্রামে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। পথিমধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকচালক তাকে মৃত দেখে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান। অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে তাজহাট থানা পুলিশ মৌসুমীর মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। পরদিন শুক্রবার খবর পেয়ে মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা তাজহাট থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।<br><br>তিনি বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি অবগত করে নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহী গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন বাবা গোলাম মোস্তফা।<br>নিরুপায় হয়ে হতভাগ্য বাবা মেয়ের মরদেহ দাফন করতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার একজন লাশবাহী গাড়ি চালকের সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা চুক্তি করেন লাশ দাফনের। চালক মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে গোলাম মোস্তফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন। দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে রবিবার রাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারী ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ।<br><br>সোমবার ঈদের নামাজ শেষে আদিতমারী থানা পুলিশ জানাজা শেষে আদিতমারী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিতেই খবর পেয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তায় পাটগ্রামের নিজ গ্রামে সোমবার বিকেলে মৌসুমীকে দাফন করেন।<br>মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে আদিতমারী থানায় কথা হলে তিনি বলেন, হাতে পায়ে ধরতে চেয়েও লাশ গ্রামে নিতে দেয়নি আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাত চেয়ারম্যান। বাধ্য হয়ে একজন ড্রাইভারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি লাশ দাফন করতে। তারাও দাফন না করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। অবশেষে আবারো মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করতে হলো আদিতমারী থানায়। পুলিশের পাহারায় মেয়ের মরদেহ দাফনের জন্য বাড়ি যাচ্ছি। মেয়ের মরদেহ নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে তাদের বিচার চাই।<br><br>বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।<br>আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও দুঃখজনক। সরকারী ব্যাগে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার বাবার আকুতি জেনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবতির্তে পদক্ষেপ নেয়া হবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:47:58 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ১৯৭৫ ও মৃত্যু ২১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93983 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414408_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414408_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯৭৫ জন। আর এ সময় মারা গেছেন আরও ২১ জন। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৮৫ জন। আর মারা গেছেন ৫০১ জন। আজ সোমবার (২৫ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুমা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ৪৫১টি। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪টি। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৩৩ জন। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৩৩৪ জন। and nbsp;<br><br>ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৮ জন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮০ জন। আর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৩ লাখ ২ হাজার ১০ জন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:45:45 1970-01-01 00:00:00 ‌নিজে ভালো থাকি, অন্যকে ভালো রাখি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93982 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414282_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414282_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবাইকে কোভিড-১৯ সঙ্কটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে ঘরে থেকে এবারের ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সোমবার (২৫মে) ঈদের সকালে বঙ্গভবন থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে ঈদের নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ টেলিভিশিনের (বিটিভি) মাধ্যমে এই বার্তা দেন। সকাল সাড়ে ৯টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে পরিবারের সদস্য এবং ‘অতিপ্রয়োজনীয়’ কর্মকর্তাদের নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েন রাষ্ট্রপতি হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে আমরা যেন এমন কিছু না করি যা নিজের ও অপরের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই আসুন ঘরে বসেই আমরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করি এবং আমাদের চারপাশে যেসব অসহায় মানুষ আছে, তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসি। নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি এবং অন্যকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উৎসাহিত করি। নিজে ভালো থাকি, অন্যকে ভালো রাখি- এটাই হোক এবারের ঈদে সকলের অঙ্গীকার।<br><br>ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বারতা নিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দিনটি বড়ই আনন্দের, খুশির। ঈদের এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে, সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। তিনি বলেন, এবার এমন একটা সময়ে আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি যখন সারাবিশ্ব করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত। বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছে। এ সময়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ সামাজিক দায়িত্ব পালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসময় কোভিড-১৯ ও ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণক্ষয়ে ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মৃতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি এবং আক্রান্ত ও আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন। দুর্যোগের এ সময়ে দেশের বিত্তবান ও স্বচ্ছল ব্যক্তিদেরও সামর্থ্য অনুযায়ী দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।<br><br>আবদুল হামিদ বলেন, ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ- এ প্রত্যাশা করি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করুন। এদিকে এবার ঈদে বঙ্গভবনে সবধরণের আনুষ্ঠানিকতাও বাদ দেয়া হয়েছে। ঈদে চিরচেনা সেই পরিবেশ নেই রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে।প্রতি বছর ঈদের দিন নানা শ্রেণিপেশার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে বঙ্গভবন, তবে করোনাভাইরাস সঙ্কটে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:43:59 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রে দেড় লাখ পিপিই রফতানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93981 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414581_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414581_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী বা পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে দেশটির কাছ থেকে ৬৫ লাখ পিপিইর অর্ডারও পেয়েছে বাংলাদেশ। এর প্রথম অংশ আজ সোমবার ঈদের দিনই হস্তান্তর করা হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ আজ ১.৫ লাখ (৬৫ লাখের মধ্যে) পিপিই রফতানি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এদিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওই রফতানি আদেশের প্রথম অংশটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তর অনুষ্ঠানের ছবি পোস্ট করে নিজের ভালো লাগার কথাও জানিয়েছেন শাহরিয়ার আলম।প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনাভাইরাস। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১ লাখের কাছাকাছি। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৯ জন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। একইসঙ্গে দেশটিতে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীরও সংকট দেখা দিয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:42:25 2020-05-25 19:49:44 নেই সেই ঈদের আনন্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93980 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414096_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590414096_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নাড়ির টানে শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরে লাখ লাখ মানুষ। খোলা মাঠের ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায় করে কোলাকুলি করে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে এবার তা দেখা যায়নি। কোনও মুসলিম পরম আন্তরিকতায় আরেকজন মুসলিমের সাথে কোলাকুলি করতে পারছে না। পারছে খুব কাছে গিয়ে আন্তরিকতা দিয়ে ঈদ মোবারক বলতে।<br>সব নির্দেশনা মেনে সোমবার (২৫ মে) সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে নামাজ শেষে এবার আর কাউকে কোলাকুলি বা হাত মেলাতে দেখা যায়নি। সবার মাঝেই একটা আতঙ্ক লক্ষ্য করা গেছে। শুধু রাজধানী নয় এ চিত্র গোটা দেশেরই। রামপুরা সালামবাগ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা ইয়ানুর বলেন, ঈদের দিন এমন হবে কোনোদিন ভাবিনি। রোজার শেষে ঈদ এসেছে, কিন্তু ঈদের সেই আমেজ কোথাও নেই। ঈদের নামাজ পড়েছি আতঙ্ক আর দুশ্চিন্তা নিয়ে।<br><br>তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস আমাদের সব আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। কবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাব তার কোনো ঠিক নেই। সিফাত নামের একজন বলেন, অন্যবার ঈদের দিন বন্ধুরা মিলে কত হইহুল্লোড় করে বেড়িয়েছি। এবার আর কোনো কিছু নেই। একবন্ধু আরেক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত খেতে যাব তার সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতির ঈদ খুশির বদলে বেদনা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জীবনে আর কখনো ইমন ঈদের দিন আসবে কি-না জানি না। তবে যতদিন বেঁচে থাকব এই ঈদের দিনের কথা মনে থাকবে। এ কথা কখনো ভুলব না।<br><br>ষাটোর্ধ্ব মমিনুল ইসলাম বলেন, বয়স আমার কম হয়নি। যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ সবই দেখেছি। কিন্তু এমন দৃশ্য কখনও দেখিনি। কোনও যুদ্ধ নেই, হানাহানি নেই তারপরও মানুষের মনে কোনও আনন্দ নেই। এক কঠিন মুহূর্ত। তিনি বলেন, প্রতিবছরই ঈদের দিন প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ করেছি। বন্ধু, বড় ভাই, পরিচিতজনদের ঈদের নামাজ শেষে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেছে। এবার কারো সঙ্গে কোলাকুলি করার কোনো সুযোগ হয়নি। দূরে দাঁড়িয়ে একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। কোলাকুলি করতে না পারার বেদনায় বুক ফেটে যাওয়ার মতো অবস্থা। কিন্তু কিছু করার নেই। এ পরিস্থিতি আমাদের সবাইকে মেনে নিতে হবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:40:07 1970-01-01 00:00:00 কারাগারে বন্দিদের যেমন কাটছে ঈদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93979 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590413955_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590413955_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কারাগারের ঈদেও পড়েছে করোনার প্রভাব। এবার কোনো কারাগারেই খোলা জায়গায় ঈদের জামাত হয়নি। কারাবন্দিদের জন্য ঈদে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের সকল কারাগারে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারা অধিদপ্তরের হিসাব মতে সারাদেশে ৭৫ হাজার ৬১৭ জন বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে পুরুষ বন্দি ৭২ হাজার ৬৩৯ জন আর মহিলা বন্দি দুই হাজার ৯৭৮ জন। মোট হাজতি রয়েছে ৬০ হাজার ৯৯৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ বন্দি ৫৮ হাজার ৫৭৪ জন আর মহিলা বন্দি দুই হাজার ৪২১ জন। কয়েদি রয়েছেন ১২ হাজার ৬৩১ জন। এদের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ১২ হাজার ১২৬ জন আর মহিলা রয়েছেন ৫০৫ জন। সারাদেশে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন এক হাজার ৮৯৮ জন। এদের মধ্যে পুরুষ রয়েছে এক হাজার ৮৫০ জন আর মহিলা ৪৮ জন। বিদেশি বন্দি রয়েছে ৫৬২ জন। এদের মধ্যে হাজতি ৪১২ জন। তার মধ্যে পুরুষ ৩৯৮ জন আর মহিলা ১৪ জন। কয়েদি ৫৭ জন।<br><br>এছাড়া আরপি বন্দি রয়েছে ৯৩ জন। পুরুষ ৮৯ জন আর মহিলা চারজন। মায়ের সাথে শিশু রয়েছে ৩৬৭ জন। এদের মধ্যে ছেলে ১৬৫ জন আর মেয়ে ২০২ জন। সাজাপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য ৭৮৯ জন। জঙ্গি রয়েছেন ৭৮২ জন। এর মধ্যে জেএমবি ৫০০ জন এবং অন্যান্য ২৮২ জন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রায় আট হাজার সাতশ জন বন্দি রয়েছেন। তাদেরকে সকাল বেলায় সেমাই আর মুড়ি নাস্তা খেতে দেওয়া হয়। দুপুরে তারা খাবার পাবেন পোলাও, গরু বা খাশির মাংস, সালাদ, একটি করে মিষ্টি পান সুপারি, রাতে তারা খাবার পাবেন সাদাভাতা, রুই মাছ, আলুরদম। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই দেশের সকল কারাগারে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। তবুও কারাগারে একজন বন্দির করোনা সংক্রমণের তথ্য মিলেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে স্বজনদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। এবার করোনার মধ্যে সারা দেশেই ঈদের আনন্দে ছড়িয়েছে বিষাদ। মানুষ ঘরে থেকে উদযাপন করছে মুসলমানদের বড় এই উৎসব। এবার ঈদের জামাত কোনো ঈদগাহে হয়নি। মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আদায় করা হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 19:38:28 1970-01-01 00:00:00 দাফনে চেয়ারম্যানের বাধায় লাশ ভাসানো হলো নদীতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93978 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590413290_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590413290_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গ্রামের বাড়িতে মেয়ের লাশ দাফন করতে দিচ্ছেন না ইউপি চেয়ারম্যান, এ জন্য এক অ্যাম্বুলেন্স চালকের সঙ্গ পাঁচ হাজার টাকায় চুক্তি করেছিলেন মেয়ের মৃতদেহ দাফনের। কিন্তু মেয়ের লাশ ওই অ্যাম্বুলেন্স চালক দাফন না করেই ফেলে দেয় তিস্তা নদীতে। দুই দিন পর সেই মৃতদেহ লালমনিরহাটের তিস্তার পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। আদিতমারী থানা পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর সেই হতভাগ্য বাবা জানতে পারেন তার মেয়ের লাশ দাফন হয়নি। সব ঘটনা জানতে পেরে পুলিশের তত্ত্বাবধানে শেষ পর্যন্ত লাশ দাফন হয়। এমন মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায়। যার শিকার মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের হতভাগ্য বাবা গোলাম মোস্তফা।<br><br>আদিতমারী থানা পুলিশ জানায়, পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের (২২) মরদেহ রোববার সন্ধ্যায় তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার বিকেলে মরদেহের জানাজা শেষে মৃতের নিজ গ্রামে দাফন করে যৌথভাবে আদিতমারী ও পাটগ্রাম থানা পুলিশ। জানা গেছে, মৃত পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে। তিনি একই উপজেলার বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার স্বামী নিগৃহীতা মিজানুর রহমানের স্ত্রী।<br>পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, বাউড়া ইউনিয়নের সরকারের হাট এলাকার আবুল কালামের ছেলে মিজানুর রহমানের সঙ্গে ছয় মাস আগে বিয়ে হয় পোশাক শ্রমিক মৌসুমী আক্তারের। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে একাই গাজীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন মৌসুমী। বৃহস্পতিবার অসুস্থতা অনুভব করলে একটি ট্রাকে পাটগ্রামে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি। পথিমধ্যে রংপুরের তাজহাট এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকচালক তাকে মৃত দেখে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যান। অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে তাজহাট থানা পুলিশ মৌসুমীর মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান। পরদিন শুক্রবার খবর পেয়ে মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা তাজহাট থানায় গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।<br><br>তিনি বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতকে মোবাইলে বিষয়টি অবগত করে নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি চান। কিন্তু চেয়ারম্যান ওই মরদেহ করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে তার পরিবার ও মরদেহবাহী গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন বাবা গোলাম মোস্তফা।<br>নিরুপায় হয়ে হতভাগ্য বাবা মেয়ের মরদেহ দাফন করতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকার একজন লাশবাহী গাড়ি চালকের সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা চুক্তি করেন লাশ দাফনের। চালক মরদেহ দাফনের আশ্বাস দিয়ে গোলাম মোস্তফাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে মরদেহটি তিস্তা নদীতে ফেলে দেন। দুই দিন পরে স্থানীয়দের খবরে রবিবার রাতে উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্দ্ধন গ্রামে তিস্তা নদী থেকে সরকারী ব্যাগে মোড়ানো অজ্ঞাত মরদেহটি উদ্ধার করে আদিতমারী থানা পুলিশ।<br><br>সোমবার ঈদের নামাজ শেষে আদিতমারী থানা পুলিশ জানাজা শেষে আদিতমারী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নিতেই খবর পেয়ে পরিচয় শনাক্ত করেন মৃতের বাবা গোলাম মোস্তফা। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আদিতমারী থানা পুলিশ পাটগ্রাম থানা পুলিশের সহায়তায় পাটগ্রামের নিজ গ্রামে সোমবার বিকেলে মৌসুমীকে দাফন করেন।<br>মৌসুমীর বাবা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে আদিতমারী থানায় কথা হলে তিনি বলেন, হাতে পায়ে ধরতে চেয়েও লাশ গ্রামে নিতে দেয়নি আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাত চেয়ারম্যান। বাধ্য হয়ে একজন ড্রাইভারকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি লাশ দাফন করতে। তারাও দাফন না করে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছে। অবশেষে আবারো মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করতে হলো আদিতমারী থানায়। পুলিশের পাহারায় মেয়ের মরদেহ দাফনের জন্য বাড়ি যাচ্ছি। মেয়ের মরদেহ নিয়ে যারা ব্যবসা করেছে তাদের বিচার চাই।<br><br>বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবু সাঈদ নেওয়াজ নিশাতের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।<br>আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও দুঃখজনক। সরকারী ব্যাগে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। মৃতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তার বাবার আকুতি জেনে পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুই থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে মরদেহ তার গ্রামে দাফন করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবতির্তে পদক্ষেপ নেয়া হবে। </body></HTML> 2020-05-25 19:27:24 1970-01-01 00:00:00 ঈদের দিনে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ হারালো দুই বন্ধু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93976 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590412161_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590412161_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কিশোরগঞ্জে ঈদের দিনে মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে গিয়ে প্রাণ হারালো অনিক (১৬) ও রিয়াদ (১৮) নামে দুই বন্ধু। আজ সোমবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলার পাগলা থানার অন্তর্গত টাঙ্গাব ইউনিয়নের ডাকবাংলা সংলগ্ন স্থানে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তারা দুজন মারা যায়। এসময় গুরুতর আহত হন সঙ্গে আসা অপর বন্ধু and nbsp; and nbsp; আশিক (১৭)। তারা সবাই কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদি ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা। নিহতদের মধ্যে অনিক ওই গ্রামের হুমায়ুন মিয়ার ছেলে এবং রিয়াদ একই গ্রামের মোস্তফা মিয়ার ছেলে। অনিক মির্জাপুর শহীদ আলাউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ও রিয়াদ পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজে অধ্যয়নরত ছিল। গুরুতর আহত আশিক (১৪) ওই গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে।<br><br>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সোমবার পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ শেষে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় ওই তিন বন্ধু। ঘুরতে ঘুরতে তারা পার্শ্ববর্তী পাগলা থানার অন্তর্গত টাঙাব ইউনিয়নের ডাকবাংলা এলাকায় গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়। মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় অনিক ও রিয়াদ।<br><br>গুরুতর আহত হয় আশিক। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। <br><br>পাগলা থানার ওসি মো.শাহিনুজ্জামান খান দুর্ঘটনায় দুজন মারা যাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-25 19:07:15 1970-01-01 00:00:00 আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93975 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590411934_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590411934_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কুমিল্লার তিতাসে হাজি নবীর হোসেন নবী (৬০) নামে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার জগতপুর ইউনিয়নের জগতপুর কৈয়ারপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নবীর হোসেন নবী ওই গ্রামের মৃত তালেব আলীর ছেলে এবং জগতপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিতাস থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আহসানুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। </body></HTML> 2020-05-25 19:04:59 1970-01-01 00:00:00 সন্তানদের সঙ্গে থেকেই করোনাযুদ্ধে চিকিৎসক দম্পতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93974 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590411102_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590411102_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">তিন বছর বয়সী সুমাইলা ইবরাতের সার্বক্ষণিক সঙ্গী এখন বড়ভাই পাঁচ বছর বয়সী ইসমাইল ইসমাম। তাদের বাবা ডা. আবু ইউসুফ ও মা ডা. শামীমা নাসরিন। এই চিকিৎসক দম্পতি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার। দুজনই সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে লড়ছেন করোনাযুদ্ধে।<br>কিন্তু শিশু সন্তানদের জন্য তারা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে যেতে পারেননি। দিন শেষে ফিরতে হচ্ছে বাসায়। এ কারণে পুরো পরিবারই করোনার ঝুঁকিতে রয়েছে। তবুও চিকিৎসাসেবা থেকে দূরে সরে যাননি এই চিকিৎসক দম্পতি। রামেক হাসপাতাল সংলগ্ন সেপাইপাড়া এলাকায় এই চিকিৎসক দম্পতির বসবাস। তাদের স্থায়ী নিবাস ঢাকার ডেমরায়। ডা. আবু ইউসুফ জানান, বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্য কেউ নেই। তিনি বাবা-মাকে এনে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকার করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, এ জন্য আর আনতে পারেননি। আয়া এখন একমাত্র ভরসা। ফলে দিন শেষে তাদের যে কাউকে বাসায় ফিরতেই হচ্ছে।<br><br>ডা. আবু ইউসুফ এখন দায়িত্ব পালন করছেন রামেক হাসপাতালের করোনা পর্যবেক্ষণ ওয়ার্ড ৪৯-৪০ নম্বরে। রামেক হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় আলাদা ওয়ার্ড চালুর পর গত ২৫ মার্চ থেকে সেখানে যোগ দেন তিনি। অন্যদিকে করোনার নমুনা পরীক্ষায় রামেকে করোনা ল্যাব চালুর পর থেকেই গবেষক হিসেবে সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন ডা. শামীমা নাসরিন। সম্প্রতি তিনি রামেক হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগ দেন।<br><br>আগামী ২৬ মে থেকে রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিট খ্রিস্টিয়ান মিশন হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করবেন ডা. শামীমা নাসরিন। ঈদেও তার ছুটি নেই। সেখানে টানা ১০ দিন করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় অংশ নেবেন। এরপর ১৪ দিন চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত পর্যটন মোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন। এরপর ছয়দিন পারিবারের সঙ্গে সময় কাটাবেন। ওই সময়টা বাচ্চাদের দেখভালের পুরো দায়িত্ব ডা. আবু ইউসুফের।<br><br>ডা. আবু ইউসুফ আরও জানান, গত ১১ এপ্রিল তিনি রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিট রাজশাহী সংক্রামক ব্যাধি (আইডি) হাসপাতালে যোগ দেন। শুরুর দিকে করোনা শনাক্ত হয়নি কারোরই। ফলে বাসায় ফিরে মোটামুটি আলাদা থাকতেন। ওই সময়টা বাচ্চাদের সঙ্গেও সময় কাটাতেন। কিন্তু ১৯ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত এক রোগী আসেন আইডি হাসপাতালে। তার সরাসরি সংস্পর্শে আসেন তিনি। এরপর থেকেই বাসায় ফিরে তিনি একেবারেই আইসোলেশনে থাকতেন। বাচ্চাদের সঙ্গেও মিশতেন না।<br><br>গত ২৬ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইডি হাসপাতালে মারা যান ওই রোগী। এরপর আইডি হাসপাতালে আর করোনা রোগী ভর্তি করেনি কর্তৃপক্ষ। মাঝে দুই দফা নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ আসে চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মীদের। কয়েকদিন বিরতির পর আবারও করোনা চিকিৎসায় রামেক হাসপাতলে ফেরেন ডা. আবু ইউসুফ।<br><br>তিনি বলেন, বাসায় ফেরা মাত্রই সচরাচর বাচ্চারা প্রথমেই জড়িয়ে ধরে। কিন্তু আইসোলেশনের দিনগুলোতে আমি একেবারেই আলাদা থাকার চেষ্টা করেছি। সারাক্ষণ বাচ্চারা দরজার সামনে বসে অপেক্ষা করতো। দরজা খুলে ভেতরে ঢোকার চেষ্টাও করতো। মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করতো, ভাইরাস চলে গেছে কি-না? </body></HTML> 2020-05-25 18:50:59 1970-01-01 00:00:00 ঈদের দিন সকালের ঝড়ে তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93973 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410705_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410705_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে প্রায় তিন শতাধিক বসতঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় নারী-শিশুসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে বোরো ফসলসহ গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে আটটায় শুরু হয়ে এ ঝড়। আহতদের মধ্যে মল্লিকপুর গ্রামের মৃত জয়নাব আলীর স্ত্রী কাঞ্চনের মা (৬৫) ও একই গ্রামের স্বপন মিয়ার পাঁচ বছরের শিশু ছেলে কাইয়ুমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে আটটায় হঠাৎ করে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ১০ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে সাতটি ইউনিয়নের সুনই, গোয়াতলা, বরতলি, মুনসুরপুর, নারায়ণপুর, বানিয়াজান, আটিকান্দা, নুনেশ্বর, মল্লিকপুর, দেওগাঁও, পোখলগাঁও, অভয়পাশা, সীতারামপুর, পাহাড়পুর, স্বমুশিয়াসহ অন্তত ২৫টি গ্রামের প্রায় তিন শতাধিক কাঁচা ঘর বিধ্বস্ত ও অনেক গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে পল্লীবিদ্যুতের বেশ কিছু তারের উপর গাছের ডালপালা পড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।<br><br>এছাড়া বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে থাকায় ওইসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি ঝড়ে বোরো ফসল ও গাছের আম-কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।<br>আটপাড়া ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক ও পুখলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মো. মনিরুজ্জামান বাবুল বলেন, সকাল সাড়ে আটটায় গোসল করে ঈদের নামাজের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছিল। হঠাৎ প্রচণ্ড বেগে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। ১০ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে উপজেলার ২৫টি গ্রামে প্রায় তিন শতাধিক ঘর বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। আহত হয়েছেন ১০ জনের মতো।<br>তিনি জানান, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নুনেশ্বর, স্বমুশিয়া, বানিয়াজান ও সুনই ইউনিয়নে। এ ছাড়া উপজেলার অন্য তিনটি ইউনিয়নেও আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।<br><br>এ বিষয়ে আটপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক শিশু ও এক বৃদ্ধ নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি জানান, ঝড়ে ঘর-বাড়ির পাশাপাশি উঠতি বোরো ফসল ও ফলন্ত আম-কাঁঠাল গাছেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অসংখ্য গাছপালা উপড়ে পড়ায় নেত্রকোনা-আটপাড়া সড়কসহ বেশকিছু গ্রামীণ রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। বেশ কিছু বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়সহ এসব বিভিন্ন বিষয় সমাধানে কাজ চলছে।’আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজা সুলতানা বলেন, ঝড়ে কয়েকজন আহত ও বেশ কিছু এলাকায় ঘর-বাড়িসহ গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ বিবরণ এখনও পাইনি। এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, উপজেলায় এর আগে গত ১৫ মে দুপুরে ঝড়ে প্রায় দুই শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। </body></HTML> 2020-05-25 18:42:50 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মারা গেলেন এলজিইডি কর্মকর্তা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93972 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410481_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410481_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মরণঘাতী করোনা ভাইরাসে প্রাণ গেল এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অ্যাকাউন্স অফিসার কাজী আলতাফ হোসেন ফিরোজের। তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। সোমবার ভোরে সরকারি নিয়ম মেনে তাকে পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা-মজিদপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়। মরহুমের ভাগিনা গোলাম মোস্তফা রাজ জানান, এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের অ্যাকাউন্স অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন কাজী আলতাফ হোসেন ফিরোজ। পাঁচ দিন আগে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজিটিভ আসে। এরপর তাকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আইসিইউতে নেয়ার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক মিরপুর ১২ নম্বরে রিজেন্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ইফতারের আগ মুহূর্তে তিনি মারা যান। পারিবারিক সূত্র আরও জানায়, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম লাশের দাফন কাফনের অনুমতি নিয়ে সোমবার ভোরে সরকারি নিয়ম মেনে তাকে পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা-মজিদপুর গোরস্থানে দাফন করে। </body></HTML> 2020-05-25 18:40:41 2020-05-25 18:46:40 ঈদের দিন থানায় নারী পুলিশের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93971 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410113_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410113_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় দায়িত্বরত অবস্থায় সামিয়ারা খাতুন (২৭) নামের এক নারী কনস্টেবলের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) ঈদের দিন সকালে থানায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত সামিয়ারা খাতুন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের বাসিন্দা। পুঠিয়া থানার পাশেই ভাড়াবাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি। দুপুরে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়। রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ইফতেখায়ের আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে থানায় হঠাৎ বুকব্যাথা অনুভব করেন ওই নারী কনস্টেবল। এ সময় কয়েকবার তিনি বমিও করেছেন। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেয়া হয়। এ সময় সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ইফতেখায়ের আলম বলেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা গেছেন। তবে আগে থেকেই তার এমন কোনো অসুস্থতা ছিল না। রোববারও তিনি দায়িত্বপালন করেছেন। </body></HTML> 2020-05-25 18:34:33 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতাকে ধরতে ৫ দিন ধরে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93970 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410005_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590410005_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঝালকাঠির রাজাপুরের ইউপি সদস্য যুবলীগ নেতা মো. কুদ্দুস হোসেনের স্ত্রী আত্মহত্যার ঘটনায় ৫ দিন অতিবাহিত হলেও সোমবার দুপুর পর্যন্ত লাশ দাফন করেনি পরিবার। ঘটনাটি শুক্তাগড় ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের। ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে দু’সন্তানের জননী রুনা লায়লাকে নির্যাতন করে আত্মহত্যায় বাধ্য করার অভিযোগে শনিবার রাতে রাজাপুর থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে ইউপি সদস্যের নিজ বাড়ির একটি কক্ষ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার প্রধান আসামি ইউপি সদস্য মো. কুদ্দুস হোসেনসহ আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং ওই গৃহবধূর দুই শিশুকে উদ্ধার করে শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখানোর দাবি জানান মৃতের পরিবার।<br><br>লাশ দাফন না দিয়ে ৫ দিন ধরে লাশ নিয়ে প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে মৃতের স্বজনরা। রোববার দুপুরে উপজেলার ডহরশংকর গ্রামের নাপিতেরহাট এলাকায় ওই গৃহবধূর বাবার বাড়িতে পুলিশের একটি দল গেলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় বিক্ষোভকারীরা আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার ও দু’সন্তানকে তার মায়ের মুখ শেষ বারের মতো দেখানোর দাবি জানায়। এর আগে শুক্রবার দুপুরে ঝালকাঠি মর্গে ময়নাতদন্তের পর লাশ বাড়িতে নিলে গোসলের সময় তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের দাগ দেখতে পায়। এতে স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ করে স্বজনরা ও এলাকাবাসী। হত্যার অভিযোগের মামলা না নেয়ার প্রতিবাদ ও আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানান।<br><br>এসময় ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. হাবিবুল্লাহ ইউপি সদস্যকে গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ কর্মসূচি তাৎক্ষণিক স্থগিত করে। এরপর থেকে পুলিশ তৎপর হয়ে ইউপি সদস্যসহ আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালায়। মামলা রেকর্ড না হওয়ায় গৃহবধূর বাবার বাড়িতে লাশ ঘরের সামনে রেখে বিক্ষোভ করে। শনিবার গভীররাতে নিহতের বাবা আমির হোসেন গাজি বাদী হয়ে ইউপি সদস্য কুদ্দুস হোসেনসহ ৫ জনের নামে রাজাপুর থানায় মামলা করেন। রুনা লায়লা উপজেলার নাপিতেরহাট গ্রামের আমির হোসেন গাজির মেয়ে এবং ইউপি সদস্য মো. কুদ্দুস হোসেন নারিকেল বাড়িয়া গ্রামের মজিবর হোসেনের ছেলে।<br><br>গত ২১ মে (বৃহস্পতিবার) ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে পুলিশ ওই গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। সেই থেকেই নিহতের স্বজনদের অভিযোগ তাকে নির্যাতন পর হত্যা করে তার লাশ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে ইউপি সদস্যের পরিবার। রুনা লায়লার বাবা আমির হোসেন গাজি অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর থেকেই নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতো জামাই কুদ্দুস। তার মেয়েকে মারধর ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।<br>কিন্তু ওই ইউপি সদস্যের স্বজনরা জানান, রুনা লায়লা কিছুটা মানসিক বিকারগ্রস্ত ছিল। এ কারণে ঘরে আগুন দেয়া এবং স্বামীসহ শ্বশুর-শাশুড়ির সাথে যা ইচ্ছে তাই ব্যবহার করছিল। এর প্রতিবাদ করলে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করারও হুমকি দেয় একাধিকবার। ঘটনার দিন দুপুরে রুনা লায়লা তার বাবার বাড়িতে যাবার আবদার করে। এসময় তার স্বামী ইউপি সদস্য কুদ্দুস হোসেন ঈদের পরে যেতে বলে। কারণ হিসেবে তারা জানায়, এখন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন বাড়িতে আসবে। মহামারি করোনা দুর্যোগের সময় কয়েকদিন পরে গেলেই ভালো হবে বলে গরু নিয়ে বাইরে যায়। পরে কুদ্দুসের বড় ভাই সিদ্দিক হোসেন দরজা বন্ধ দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়া না পাওয়া দরজা ভেঙে লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।<br><br>কুদ্দুস হোসেনকে জানালে তিনি ঘরে এসে ঝুলন্ত দেখে নিজেই থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে।<br>রুনা লায়লার ৫ বছর বয়সী বড় মেয়ে উর্মি আক্তার পুলিশের কাছে দেয়া জবানবন্দিতে জানায়, মা দুপুরের পরে আমাকে বল নিয়ে বাইরে গিয়ে খেলতে বলে। ছোট ভাই রাইয়ানকে দুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়। এরপর ঘরের দরজা আটকায়। বড় কাকা (সিদ্দিক হোসেন) ডাক দিয়ে না পেয়ে দরজা ভাঙলে আমিও কাকার পাশে দাঁড়াই। তখন মাকে ঘরের তক্তার (আড়ার) সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলতে দেখি। মা’র জিহ্বা বেরিয়ে চোখ অমন করেছিল (নিজ ভঙ্গিতে বলে শিশু উর্মি)।<br><br>মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজাপুর থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনায় মমলা রেকর্ড করা হয়েছে।শিশুদের উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতারের পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। তবে আসামিরা আত্মগোপনে থাকায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। </body></HTML> 2020-05-25 18:32:23 1970-01-01 00:00:00 তোরণ নিয়ে এমপি ও মেয়র পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93969 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590409792_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590409792_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">পটুয়াখালীর বাউফলে এমপি ও মেয়র গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত ও আহত হয়েছেন প্রায় ১৫ জন। রোববার (২৪ মে) দুপুরে পৌর শহরে থানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১টায় পৌর শহরের জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর সামনে বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েলের পক্ষে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে প্রচারের জন্য একটি তোরণ নির্মাণ করা হচ্ছিল। এসময় এমপি আ স ম ফিরোজ গ্রুপের পৌর শাখার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নাজিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক তার দলবল নিয়ে তোরণ নির্মাণে বাধা দেন।<br><br>খবর পেয়ে মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় জুয়েল এবং ফারুকের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এতে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা মারমুখী হয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হয়। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে খবর পেয়ে ওই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন, বাউফল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের মধ্যস্থতায় জুয়েল ও ফারুককে নিয়ে ওসির রুমে সমজোতার সভা চলছিল।<br>এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির মোল্লা আড়াই কিলোমিটার দূরে কালাইয়া থেকে আসেন। তিনি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন অনুগত লোকজন নিয়ে ফারুকের পক্ষে থানার সামনে এসে জড়ো হন এবং স্লোগান দেন।<br><br>একপর্যায়ে তারা নির্মাণাধীন তোরণের বাঁশ ও খুঁটি উপরে ফেলেন। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে মেয়র গ্রুপের কর্মীরা এমপি গ্রুপকে ধাওয়া করলে তারা ডাকবাংলোর মধ্যে আশ্রয় নেয়। এ সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এসময় এমপি গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মী তাপস দাস ছুরিকাহত হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে বাউফল এবং পরে শেবাচিমে পাঠানো হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মারা যান। কয়েক দফার সংর্ঘষে দু’পক্ষের ১৫ জন আহত হন। বর্তমানে দু’গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এমপি সমর্থিত পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নাজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।<br><br>বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েল বলেন, শহরের পরিবেশ অশান্ত করতেই ইব্রাহিম ফারুকের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সম্বলিত করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে তোরণ নির্মাণকালে বাধা দেয়া হয় এবং তোরণের মালামাল ভাঙচুর করা হয়। পুরো ঘটনার জন্য এমপি আ স ম ফিরোজ সাহেবের অসুস্থ এবং অশান্ত রাজনীতি দায়ী। আমি ঘটনা তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীর শাস্তি দাবি করছি।<br>বাউফল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মারা গেছেন। ইতোমধ্যে আাসমি গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তৎপর। </body></HTML> 2020-05-25 18:29:12 1970-01-01 00:00:00 ব্যবসায় লাভের ৪শ’ টাকার জন্য চাচাকে খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93968 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590409219_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590409219_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ঈদ উপলক্ষে সেমাইয়ের ব্যবসায় লাভের মাত্র ৪০০ টাকা কম দেয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন চাচা শামীম হোসেন (৩৫)। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (২৪ মে) রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জের বিহারপুর গ্রামে। নিহত শামীম হোসেন বিহারপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় পুলিশ ভাতিজা রনি মিয়া (২২) ও তার বাবা শাহিনুর মিয়াকে (৪৫) আটক করেছে। জানা গেছে, শামীম ও তার বড় ভাই শাহিনুর মিলে ঈদ উপলক্ষে কাঁচামালের ব্যবসার পাশাপাশি সেমাই ও নারিকেল বিক্রির ব্যবসা শুরু করে। রোববার বেচাকেনা শেষে বাড়িতে বসে লাভের টাকার ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। এতে শামীমের ভাগে ৪০০ টাকা কম হয়। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া ও কথা কাটাকাটি শুরু হয়।<br><br>এ সময় শাহিনুরের ছেলে রনি মিয়া বাবার পক্ষ নিয়ে চাচা শামীমের পেটে ছুরিকাঘাত করেন। পরে প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত শামীমকে ঠেঙ্গামারা টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, সেমাইয়ের ব্যবসার লাভের ৪০০ টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে রনি তার চাচাকে ছুরিকাঘাত করে খুন করেছেন। ঘটনার পর পরই রনি ও তার বাবা শাহিনুরকে আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার (২৫ মে) বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 18:19:38 1970-01-01 00:00:00 ফসলের পর এমপির উপহারও বিলিয়ে দিলেন সেই কৃষক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93967 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590408865_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590408865_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনা পরিস্থিতিতে এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে নিজের ক্ষেতে উৎপাদিত সব ফসল ও খাদ্য সামগ্রী আগেই বিতরণ করে দিয়েছিলেন মাগুরার শ্রীপুর গ্রামের সাধারণ কৃষক মঞ্জু শেখ। এবার তাকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া ঈদ উপহারও অসহায় দরিদ্র মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিলেন এই কৃষক।<br>গত ৫ মে বিকেলে নিজ বাড়িতে দুইশ’ দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে নিজের ক্ষেতের ফসল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন কৃষক মঞ্জু শেখ। পরদিন এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়, যা মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের নজরে আসে। একজন সাধারণ কৃষকের এ ধরনের মানবিক কাজে খুশি হয়ে এমপি শিখর রোববার দুপুরে তাকে তার নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে গোপনে ঈদ উপহার হিসেবে বেশ কিছু নগদ টাকা প্রদান করেন। তবে মনঞ্জু শেখ রোববার (২৪ মে) বিকেলেই এমপির দেওয়া ঈদ উপহারের টাকায় সেমাই, টিনি, তেল, ডাল, গুঁড়ো দুধ, সাবান কিনে এলাকার শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেন।<br>এ বিষয়ে মঞ্জু শেখ বলেন, তিনি কোনো নেতা বা জনপ্রতিনিধি নন। তিনি একজন সাধারণ কৃষক। নিজের জমিতে চাষাবাদ করে যে ফসল উৎপাদন হয়, তা দিয়ে সারাবছর পরিবার নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে জমিতে ভালো উৎপাদন হলে কোনো-কোনো বছর পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে অনেক সময় কিছু ফসল উদ্বৃত্ত থেকে যায়। কিন্তু তার এলাকায় অনেক শ্রমজীবী মানুষ আছেন, যাদের কোন ফসলি জমি বা ব্যবসা -বাণিজ্য নেই। করোনাভাইরাসের কারণে বেকার হয়ে পড়া এসব মানুষ আর্থিক সংকটে পড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। যে কারণে তিনি এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।<br><br>তিনি জানান, তার ক্ষেতে উৎপাদিত সব ধান, গম ও অন্যান্য ফসল বিক্রি করে ডাল, তেল ও আলু কিনে এলাকার ৩০০ অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করেন। বিষয়টি নিয়ে সমকালে সংবাদ প্রকাশ হয়, যা স্থানীয় এমপি সাইফুজ্জামান শিখরের নজরে আসে। পরে এমপি তার মানবিক কাজে খুশি হয়ে ঈদের আগের দিন রোববার দুপুরে তাকে বেশ কিছু নগদ টাকা উপহার হিসেবে প্রদান করেন। এই টাকা পেয়ে তিনি মানবিক কাজের জন্য আরো অনুপ্রাণিত হন। এই কারণেই এমপির দেওয়া উপহারের টাকা দিয়ে ওইদিন বিকেলেই তিনি এলাকায় ১০০ দরিদ্র মানুষের মাঝে সেমাই, চিনি, ডাল, তেল ও সাবন কিনে বিতরণ করেন।<br><br>মঞ্জু শেখ বলেন, সামান্য এক ভাইরাসের কাছে অর্থবিত্ত , ক্ষমতা সবকিছুই মূল্যহীন। যে কারণে তিনি মনে করেন, মহামারি করোনার সময়ে যার যতটুকু ক্ষমতা আছে তাই নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো উচিত। এলাকার একাধিক নারী-পুরুষ জানান, মঞ্জু শেখ শুধু করোনার মধ্যে ৩০০ অসাহায় মানুষের মাঝে ক্ষেতের ফসল ও এমপির উপহারের টাকায় কেনা ঈদ সমগ্রী বিতরণ করেছেন তাই নয়, বরাবরই তিনি একজন পরোপোকারী, মানবিক গুণাবলী সম্পন্ন ও দানশীল ব্যক্তি। কোনো মানুষ বিপদে পড়ে তার কাছে গিয়ে খালি হাতে আসনি। মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর বলেন, 'সাধারণ একজন কৃষক হয়ে তিনি যে মানবিকতা দেখিয়েছেন তা অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। সমাজের ভালো কাজের জন্য বর্তমান সময়ে তার মত মানুষের খুব প্রয়োজন। যে কারণে তাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য ঈদ উপহার হিসেবে কিছু নগদ অর্থ দিয়েছিলাম। শুনেছি, সেটাও তিনি মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন।' </body></HTML> 2020-05-25 18:13:49 1970-01-01 00:00:00 আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষ দশে উঠে এলো ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93966 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407212_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407212_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> <br>ঈদের দিনেও করোনাভাইরাস নিয়ে খুশির খবর নেই ভারতে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে আরও ৬ হাজার ৯৭৭ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে টানা চার দিন দৈনিক সর্বোচ্চ রোগী শনাক্তের রেকর্ড গড়ল ভারত। সোমবার ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৫৪ জন। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২১ জন। ভারতে এখনও ৭৭ হাজার ১০৩ জন করোনা রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে সেখানে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৪১ দশমিক ৫৭, যেটি ইতিবাচক বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।<br><br>ভারতে গত কয়েকদিনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। দেশটিতে প্রথম ১০ হাজার রোগী হতে যেখানে ৪৩ দিন লেগেছিল, সেখানে শেষ ১০ হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছেন মাত্র দুইদিনে। ভারতে বর্তমানে ১৩ দশমিক ১ দিনে দ্বিগুণ হচ্ছে রোগীর সংখ্যা। এদিকে, বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যায় দশম স্থানে উঠে এসেছে ভারত। সোমবার আক্রান্তের সংখ্যায় ইরানকে পেছনে ফেলেছে তারা। দেশটিতে করোনা সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল এখনও মহারাষ্ট্র। শুধু এই একটি রাজ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি। এছাড়া ১০ হাজারের বেশি রোগী রয়েছে তামিলনাড়ু, দিল্লি, গুজরাটে।<br><br>সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস <br></body></HTML> 2020-05-25 17:46:14 1970-01-01 00:00:00 বিশ্বের গভীরতম সোনা খনিতে করোনার হানা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93965 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407129_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407129_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত বিশ্বের গভীরতম সোনার খনিতে এবার হানা দিয়েছে করোনাভাইরাস। জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমের এমপোনেং সোনা খনির ১৬৪ জন শ্রমিকের দেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বিশ্বের গভীরতম এই খনির শ্রমিকরা করোনা সংক্রমিত হওয়ার পর সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটিতে লকডাউন ঘোষণা করার পর গত মার্চ থেকে এই খনির কার্যক্রম বন্ধ ছিল। কয়েকদিন আগে লকডাউনে শিথিলতা আনায় খনির কাজ পুনরায় শুরু হয়।<br><br>খনির ৫০ শতাংশ শ্রমিককে কাজে ফেরানো হলেও নিজেদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন শ্রমিকরা। এই খনির ১৬৪ জন শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হলেও তাদের কোনও লক্ষণ ছিল না। খনির মালিক অ্যাঙ্গলো গোল্ড অশান্তি বলছে, বর্তমানে করোনা সংক্রমিত শ্রমিকদের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো একজনের শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর ৬৫০ জন শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত এখন সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ আফ্রিকায়। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৩৪৩ এবং মারা গেছেন ৪০৭ জন। এমপোনেং স্বর্ণ খনি জোহানেসবার্গ শহর থেকে ৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার গভীরে এই স্বর্ণখনির অবস্থান।<br><br>অ্যাঙ্গলো গোল্ড অশান্তি এক বিবৃতিতে বলেছে, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিংয়ের জন্য খনির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া কর্মক্ষেত্রে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে।<br>বিবিসির দক্ষিণ আফ্রিকা সম্পাদক উইল রস বলেছেন, দেশটির একটি প্ল্যাটিনাম খনিতে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর স্বর্ণের খনিতেও তা পৌঁছে গেল। অন্যান্য কোম্পানির পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। </body></HTML> 2020-05-25 17:45:02 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মধ্যেই ভেনেজুয়েলা পৌঁছাল ইরানি ট্যাংকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93964 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407040_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590407040_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> <br>যুক্তরাষ্ট্রের নানা হুমকি-ধামকির মধ্যেই ভেনেজুয়েলা পৌঁছেছে ইরানের তেলবাহী প্রথম ট্যাংকারটি। জাহাজের গতিবিধি নির্ণায়ক ওয়েবসাইট ট্যাংকারট্রাকারের তথ্যমতে, শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভেনেজুয়েলার বিশেষ অর্থনৈতিক জোনে (ইইজেড) প্রবেশ করেছে ইরানি ট্যাংকার ‘ফরচুন’। এছাড়া, ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত ইরান দূতাবাসের পক্ষ থেকেও টুইটারে বলা হয়েছে, প্রথম ইরানি ট্যাংকারটি ভেনেজুয়েলা উপকূলে পৌঁছেছে। জাহাজটিকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য ভেনেজুয়েলার বলিভারিয়ান আর্মড ফোর্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ। ইরানের বাকি চারটি ট্যাংকার- ফরেস্ট, পেতুনিয়া, ফ্যাক্সন ও ক্ল্যাভেলও শিগগিরই ভেনেজুয়েলার তেল সংকট কাটাতে শিগগিরই সেখানে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।<br><br>ভেনেজুয়েলা-ইরানের মধ্যে এই তেল বাণিজ্য নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বেশ অবনতি হয়েছে। দু’দেশের ওপরই অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। এরপরও বাণিজ্য চালিয়ে গেলে এর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইরান বিষয়ক প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক বলেছেন, ‘ইরানের শাসকরা কীভাবে ইরানি জনগণের সম্পদ লুটে নিচ্ছে ও ভেনেজুয়েলায় অপচয় করছে, এটাই তার উদাহরণ হতে পারে।’ কিছুদিন আগেই ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে নৌসেনা বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও তাদের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযানের জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে ইরানকে চাপে ফেলতেই মার্কিন প্রশাসন ওই অঞ্চলে নৌ-টহল জোরদার করেছে বলে বিশ্বাস বিশ্লেষকদের।<br>এদিকে, ভেনেজুয়েলায় পাঠানো তেলবাহী ট্যাংকার আটকালে এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। গত সপ্তাহে দেশটির রাজকীয় বিপ্লবী বাহিনী আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা নুর বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি জলদস্যুদের মতো আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করতে চায় তবে তারা অনেক বড় ঝুঁকি নেবে। আর সেটি অবশ্যই প্রতিক্রিয়াবিহীন হবে না।’<br><br>সূত্র: আল জাজিরা <br></body></HTML> 2020-05-25 17:43:28 1970-01-01 00:00:00 ভারতে ঢুকে পড়েছে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পঙ্গপালের ঝাঁক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93963 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406895_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406895_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥ </span>ভারতের উত্তরাঞ্চলে আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পঙ্গপালের ঝাঁক ঢুকে পড়ার পর নড়েচড়ে বসেছে সেখানকার প্রশাসন। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি জেলা প্রশাসন পঙ্গপাল ধ্বংসে দমকল বাহিনীকে রাসায়নিক নিয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এই জেলায় পঙ্গপাল ধেয়ে আসায় এই প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। শস্য ও শাক-সবজি মুহূর্তের মধ্যেই ধ্বংস করে দিতে পারে এই পঙ্গপাল। সম্প্রতি ঝাঁসি জেলার ম্যাজিস্ট্রেট অন্দ্র ভামসি পঙ্গপালের ঝাঁক ধেয়ে আসা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে বৈঠকের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘পঙ্গপালের গতিবিধি সম্পর্কে কন্ট্রোল রুমে খবর দেয়ার জন্য গ্রামের সাধারণ মানুষকে বলা হয়েছে। যেখানে সবুজ ঘাস ও সবুজ ফসল বেশি রয়েছে পঙ্গপাল সেখানেই হানা দেয়। এ ধরনের স্থানে পঙ্গপালের গতিবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলেই তা জানিয়ে দেয়া হবে।<br><br>ঝাঁসি জেলার কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কামাল কাটিয়ার বলেন, এগিয়ে আসা পঙ্গপালের ঝাঁকটি আকারে ছোট। আমরা খবর পেয়েছি, দেশে আড়াই থেকে ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ পঙ্গপালের ঝাঁক ঢুকে পড়েছে। পঙ্গপাল মোকাবিলায় সহায়তা করতে রাজস্থানের কোটা থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল আসছে। বর্তমানে পঙ্গপালের ঝাঁকটি ঝাঁসির বাঙ্গরা মগরপুরে অবস্থান করছে। তিনি বলেন, রাতে পঙ্গপালের ঝাঁকে কীটনাশক স্প্রে করা হবে। তবে কোন দেশ থেকে এই পঙ্গপালের ঝাঁক ভারতে প্রবেশ করেছে সে ব্যাপারে কোনও তথ্য দেননি এই কর্মকর্তা।<br><br>সূত্র: এনডিটিভি। </body></HTML> 2020-05-25 17:41:05 1970-01-01 00:00:00 মাথায় কাঁঠাল পড়ায় হাসপাতালে, গিয়ে শুনলেন করোনা পজিটিভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93962 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406742_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406742_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>গাছ থেকে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে আহত হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিলে বলা হয়, অস্ত্রোপচার লাগবে। এজন্য রক্ত পরীক্ষা করাতেই ধরা পড়ল, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের কেরালায়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, কাসরগোড় জেলার এক অটোরিকশাচালক কিছুদিন আগে গাছে উঠেছিলেন কাঁঠাল পাড়তে। হঠাৎ তার মাথায় একটি কাঁঠাল ছিড়ে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কান্নুরের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষার পর জানা যায়, মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন ওই ব্যক্তি। এ জন্য শিগগিরই তার অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। এসময় হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী ওই অটোচালকের করোনা টেস্ট করানো হয়। সেখান থেকেই জানা যায়, তিনি ভাইরাস-আক্রান্ত। তবে ওই ব্যক্তি কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা এখনও জানা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, অটোর কোনও যাত্রীর মাধ্যমেই ভাইরাস ঢুকেছে তার শরীরে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ওই অটোচালকের পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, তার সংস্পর্শে আসা লোকজনেরও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।<br><br>সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা </body></HTML> 2020-05-25 17:38:39 1970-01-01 00:00:00 করোনা নিয়ন্ত্রণে সফল জাপানে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93961 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406614_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406614_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>প্রায় দুই মাসের চেষ্টায় করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আসায় দীর্ঘদিনের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো অ্যাবে। সোমবার জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের এই ঘোষণা দেন তিনি। অ্যাবে বলেন, জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার জন্য আমাদের কঠোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করে দেখেছি- এসব মানদণ্ড পূরণ হয়েছে। জাপানের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৭ এপ্রিল প্রথমবারের মতো কিছু কিছু অঞ্চলে জরুরি অবস্থা জারির পর কোভিড-১৯ এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে তার দেশ। যদিও পরবর্তীতে দেশজুড়ে দফায় দফায় এই জরুরি অবস্থার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।<br><br>করোনাভাইরাস মহামারি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগে সরকারের সমালোচনা শুরু হলে ৭ এপ্রিল জরুরি অবস্থা জারি করেন শিনজো অ্যাবে। জাপান করোনার প্রকোপ কমে আসায় চলতি মাসের মাঝের দিকেই বিধি-নিষেধে শিথিলতা আনতে শুরু করে। তবে করোনার বিস্তারে লাগাম টানতে রাজধানী টোকিওসহ দেশটির বেশ কিছু অঞ্চলে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। বিশ্বের প্রধান প্রধান অর্থনীতির দেশগুলোর তুলনায় জাপানে করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার অনেক কম। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি এবং মারা গেছেন ৮৩৯ জন।<br><br>সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স। </body></HTML> 2020-05-25 17:36:23 1970-01-01 00:00:00 কাশ্মিরের মুক্তি সংগ্রাম স্তব্ধ করা যাবে না: পাক সেনাপ্রধান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93960 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406537_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590406537_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span> <br>পাকিস্তানের সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাওজয়া বলেছেন, ভারত সরকার কাশ্মিরী জনগণের মুক্তির সংগ্রামকে স্তব্ধ করতে পারবে না। কারণ এটি এমন কোনো বিষয় নয় যে তা সামরিক শাসন জারি ও স্বাধীনতাকামীদেরকে হত্যার মাধ্যমে থামিয়ে দেয়া যাবে। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, কাশ্মির ইস্যুতে কাউকে একতরফা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেয়া হবে না। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে দাবি করে তিনি বলেন, কাশ্মিরীদের দূরাবস্থা থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে ঘুরিয়ে দিতে ভারতীয় বাহিনী যৌথ সীমান্তে এবং আজাদ কাশ্মিরে অনবরত হামলা চালাচ্ছে। গত আগস্টে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরকে স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা দেয়া ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারাটি বাতিল করে দেশটির সরকার। ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ এক প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে মুসলিম-অধ্যুষিত রাজ্যটির বিশেষ সুবিধা দেওয়া সাংবিধানিক আইনটি বাতিল করে দেন। এরপর থেকে দীর্ঘদিন সেখানে কারফিউ জারি রাখা হয়। পার্সট্যুডে। <br></body></HTML> 2020-05-25 17:35:09 1970-01-01 00:00:00 ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত ১৯৭৫ ও মৃত্যু ২১ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93959 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590405125_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590405125_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৯৭৫ জন। আর এ সময় মারা গেছেন আরও ২১ জন। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৮৫ জন। আর মারা গেছেন ৫০১ জন। আজ সোমবার (২৫ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুমা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজার ৪৫১টি। এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪টি। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৩৩ জন। আর মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ হাজার ৩৩৪ জন। and nbsp;<br><br>ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৮ জন। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ লাখ ৯৮ হাজার ৫৮০ জন। আর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২৩ লাখ ২ হাজার ১০ জন। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্তের ঘোষণা আসে। আর গত ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। </body></HTML> 2020-05-25 17:10:45 1970-01-01 00:00:00 যুক্তরাষ্ট্রে দেড় লাখ পিপিই রফতানি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93958 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404977_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404977_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী বা পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) আমদানি করছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে দেশটির কাছ থেকে ৬৫ লাখ পিপিইর অর্ডারও পেয়েছে বাংলাদেশ। এর প্রথম অংশ আজ সোমবার ঈদের দিনই হস্তান্তর করা হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশ আজ ১.৫ লাখ (৬৫ লাখের মধ্যে) পিপিই রফতানি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এদিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ওই রফতানি আদেশের প্রথম অংশটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। হস্তান্তর অনুষ্ঠানের ছবি পোস্ট করে নিজের ভালো লাগার কথাও জানিয়েছেন শাহরিয়ার আলম।প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে করোনাভাইরাস। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১ লাখের কাছাকাছি। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৯ জন। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। একইসঙ্গে দেশটিতে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রীরও সংকট দেখা দিয়েছে। </body></HTML> 2020-05-25 17:08:28 1970-01-01 00:00:00 কারাগারে বন্দিদের যেমন কাটছে ঈদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93957 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404502_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404502_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কারাগারের ঈদেও পড়েছে করোনার প্রভাব। এবার কোনো কারাগারেই খোলা জায়গায় ঈদের জামাত হয়নি। কারাবন্দিদের জন্য ঈদে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকলেও স্বজনদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ নেই। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশের সকল কারাগারে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কারা অধিদপ্তরের হিসাব মতে সারাদেশে ৭৫ হাজার ৬১৭ জন বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে পুরুষ বন্দি ৭২ হাজার ৬৩৯ জন আর মহিলা বন্দি দুই হাজার ৯৭৮ জন। মোট হাজতি রয়েছে ৬০ হাজার ৯৯৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ বন্দি ৫৮ হাজার ৫৭৪ জন আর মহিলা বন্দি দুই হাজার ৪২১ জন। কয়েদি রয়েছেন ১২ হাজার ৬৩১ জন। এদের মধ্যে পুরুষ রয়েছেন ১২ হাজার ১২৬ জন আর মহিলা রয়েছেন ৫০৫ জন। সারাদেশে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছেন এক হাজার ৮৯৮ জন। এদের মধ্যে পুরুষ রয়েছে এক হাজার ৮৫০ জন আর মহিলা ৪৮ জন। বিদেশি বন্দি রয়েছে ৫৬২ জন। এদের মধ্যে হাজতি ৪১২ জন। তার মধ্যে পুরুষ ৩৯৮ জন আর মহিলা ১৪ জন। কয়েদি ৫৭ জন।<br><br>এছাড়া আরপি বন্দি রয়েছে ৯৩ জন। পুরুষ ৮৯ জন আর মহিলা চারজন। মায়ের সাথে শিশু রয়েছে ৩৬৭ জন। এদের মধ্যে ছেলে ১৬৫ জন আর মেয়ে ২০২ জন। সাজাপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য ৭৮৯ জন। জঙ্গি রয়েছেন ৭৮২ জন। এর মধ্যে জেএমবি ৫০০ জন এবং অন্যান্য ২৮২ জন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রায় আট হাজার সাতশ জন বন্দি রয়েছেন। তাদেরকে সকাল বেলায় সেমাই আর মুড়ি নাস্তা খেতে দেওয়া হয়। দুপুরে তারা খাবার পাবেন পোলাও, গরু বা খাশির মাংস, সালাদ, একটি করে মিষ্টি পান সুপারি, রাতে তারা খাবার পাবেন সাদাভাতা, রুই মাছ, আলুরদম। দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকেই দেশের সকল কারাগারে নেওয়া হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। তবুও কারাগারে একজন বন্দির করোনা সংক্রমণের তথ্য মিলেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। বাইরের কারো সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে স্বজনদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। এবার করোনার মধ্যে সারা দেশেই ঈদের আনন্দে ছড়িয়েছে বিষাদ। মানুষ ঘরে থেকে উদযাপন করছে মুসলমানদের বড় এই উৎসব। এবার ঈদের জামাত কোনো ঈদগাহে হয়নি। মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আদায় করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-25 17:01:00 1970-01-01 00:00:00 নেই সেই ঈদের আনন্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93956 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404278_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404278_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নাড়ির টানে শহর ছেড়ে গ্রামে ফেরে লাখ লাখ মানুষ। খোলা মাঠের ঈদগাহে গিয়ে নামাজ আদায় করে কোলাকুলি করে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। তবে এবার তা দেখা যায়নি। কোনও মুসলিম পরম আন্তরিকতায় আরেকজন মুসলিমের সাথে কোলাকুলি করতে পারছে না। পারছে খুব কাছে গিয়ে আন্তরিকতা দিয়ে ঈদ মোবারক বলতে।<br>সব নির্দেশনা মেনে সোমবার (২৫ মে) সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। তবে নামাজ শেষে এবার আর কাউকে কোলাকুলি বা হাত মেলাতে দেখা যায়নি। সবার মাঝেই একটা আতঙ্ক লক্ষ্য করা গেছে। শুধু রাজধানী নয় এ চিত্র গোটা দেশেরই। রামপুরা সালামবাগ মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা ইয়ানুর বলেন, ঈদের দিন এমন হবে কোনোদিন ভাবিনি। রোজার শেষে ঈদ এসেছে, কিন্তু ঈদের সেই আমেজ কোথাও নেই। ঈদের নামাজ পড়েছি আতঙ্ক আর দুশ্চিন্তা নিয়ে।<br><br>তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস আমাদের সব আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। কবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাব তার কোনো ঠিক নেই। সিফাত নামের একজন বলেন, অন্যবার ঈদের দিন বন্ধুরা মিলে কত হইহুল্লোড় করে বেড়িয়েছি। এবার আর কোনো কিছু নেই। একবন্ধু আরেক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত খেতে যাব তার সুযোগ নেই। এমন পরিস্থিতির ঈদ খুশির বদলে বেদনা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জীবনে আর কখনো ইমন ঈদের দিন আসবে কি-না জানি না। তবে যতদিন বেঁচে থাকব এই ঈদের দিনের কথা মনে থাকবে। এ কথা কখনো ভুলব না।<br><br>ষাটোর্ধ্ব মমিনুল ইসলাম বলেন, বয়স আমার কম হয়নি। যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ সবই দেখেছি। কিন্তু এমন দৃশ্য কখনও দেখিনি। কোনও যুদ্ধ নেই, হানাহানি নেই তারপরও মানুষের মনে কোনও আনন্দ নেই। এক কঠিন মুহূর্ত। তিনি বলেন, প্রতিবছরই ঈদের দিন প্রতিবেশীদের সঙ্গে আনন্দ করেছি। বন্ধু, বড় ভাই, পরিচিতজনদের ঈদের নামাজ শেষে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেছে। এবার কারো সঙ্গে কোলাকুলি করার কোনো সুযোগ হয়নি। দূরে দাঁড়িয়ে একজন আরেকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। কোলাকুলি করতে না পারার বেদনায় বুক ফেটে যাওয়ার মতো অবস্থা। কিন্তু কিছু করার নেই। এ পরিস্থিতি আমাদের সবাইকে মেনে নিতে হবে। </body></HTML> 2020-05-25 16:57:27 1970-01-01 00:00:00 ঈদে অসহায়ের পাশে থাকুন, অমানিশা কেটে আসবে নতুন সূর্য: তথ্যমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93955 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404177_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404177_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা অসহায়, ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনা, তাদের পাশে সামর্থ্যবানদের দাঁড়ানোর মধ্যেই ঈদের সার্থকতা। সোমবার (২৫ মে) ঈদের দিন সকালে রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে ঘরোয়াভাবে আয়োজিত জামাত শেষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এই অমানিশার অন্ধকার কেটে গিয়ে নতুন সূর্য উদিত হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই দুর্যোগ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো এবং দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। এবারের ঈদের প্রেক্ষাপটের ভিন্নতা তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, গত ২০ বছরে প্রথম আমি ঢাকায় ঈদের নামাজ আদায় করছি। প্রতিবছরই আমি আমাদের গ্রামের মানুষের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করি। করোনাভাইরাসের কারণে এবারের এই ব্যতিক্রম। করোনার কারণে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চিরাচরিত প্রথা ভেঙে, কোলাকুলি-করমর্দন না করে মানুষকে ঈদ উদযাপন করতে হচ্ছে, আমিও বাসায় ঘরোয়াভাবে ঈদ জামাত আয়োজন করেছি।<br><br>পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের কথা উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণান্তকর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দেশ তথা সমগ্র বিশ্বের মানুষের করোনা মহামারি থেকে দ্রুত মুক্তি, অসুস্থদের সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-25 16:55:45 1970-01-01 00:00:00 আমফানে সব লণ্ডভণ্ড, খুলনায় হাঁটু পানিতে ঈদের নামাজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93954 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404081_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590404081_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">সুপার সাইক্লোন আমফানের আঘাতে লণ্ডভণ্ড খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা। বাঁধ ভেঙেছে। ঘর ভেঙেছে। থাকার কোনো জায়গা নেই মানুষের। ঘরে পানি ঢুকে গেছে। এবার ঈদের আনন্দ নেই কয়রাবাসীর মাঝে। হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়েছে ঈদের নামাজ। তবে এসবে অনেকটা অভ্যস্ত এই উপজেলার মানুষ। আইলায় বছরের পর বছর যখন ডুবে ছিল প্রায় গোটা এলাকা, তখনও ঈদের নামাজ পড়তে হয়েছে নৌকায় অথবা বাঁশের ঝাপির ওপরে। কয়রার দক্ষিণ বেদকাশী এলাকার বাসিন্দা সিরাজুদ্দৌলা লিংকন, আইয়ুব আলী সানা, সদর উদ্দিন ও আব্দুল খালেক জানান, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে আর্থিক অসচ্ছলতার মধ্যে পড়া উপকূলবাসীর এবারের ঈদ উৎসব কেড়ে নিয়েছে আমফান। গত ২০ মে রাতে ঘূর্ণিঝড় আমফানের ভয়াল থাবায় খুলনার উপকূলীয় কয়রা উপজেলা ছিন্নভিন্ন। ২৩টি বাঁধ ভেঙে সমুদ্রময় চারটি ইউনিয়ন।<br><br>লোনা পানি থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছে হাজার হাজার মানুষ। প্রতিদিনের মতো সোমবার ঈদের দিনও সদর ইউনিয়ের ২ নং কয়রা গ্রামের ক্লোজারে কোদাল হাতে বাঁধ মেরামতে হাজারও মানুষ অংশ নেন। কাজের মধ্যেই তাদের হাঁটু পানিতে ঈদের নামাজ পড়তে দেখা গেছে। সদর ইউনিয়নে ২নং কয়রা গ্রামের ১৩/১৪-২ নম্বর পোল্ডারের কাজ শেষে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করতে আসা প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ ক্লোজারে হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়ে ঈদের জামাত আদায় করেন। ঈদের জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আ খ ম তমেজ উদ্দীন। </body></HTML> 2020-05-25 16:54:13 1970-01-01 00:00:00 করোনা উপসর্গ নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলীর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93953 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403941_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403941_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মাদারীপুরের শিবচরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে সিনহা খসরু (৪৮) নামে এক প্রকৌশলীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) রাত ১০টার দিকে ঢাকা নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার মরদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য তার নমুনা নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, সিনহা খসরু শিবচর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জুনিয়র প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত কয়েকদিন ধরে জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে রোববার রাতে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলায়। এদিকে সিনহা খসরুর স্ত্রী ও সন্তানেরও সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে। সোমবার (২৫ মে) ভোরে তাদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।<br>এ ব্যাপারে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বলেন, করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। ওই ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার জন্য নেয়া হয়েছে। রিপোর্ট আসলে তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন কি-না জানা যাবে। ওই ব্যক্তির স্ত্রী ও সন্তানের শরীরে করোনার লক্ষণ দেখা দেয়ায় তাদেরকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-25 16:51:53 1970-01-01 00:00:00 ঘরে শিশুকে রেখে করোনা যুদ্ধে লড়ছেন ইউএনও প্রণতি বিশ্বাস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93952 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403850_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403850_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">বরিশালের উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণতি বিশ্বাস। মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইউএনও’র পরিচয় ছাপিয়ে তিনি এখন প্রকৃত এক মানবতার ফেরিওয়ালা। তার প্রশংসা বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে এখন গোটা জেলা জুড়ে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তৃণমুলে সম্মুখ সমরের এক যোদ্ধা হিসেবে নিজের ৫ বছরের শিশু পুত্রকে মায়ের স্নেহ-মায়া-মমতা থেকে বঞ্চিত করে নিরলসভাবে মাঠে লড়াই করে যাচ্ছেন। তিনি প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টানে রাখা, বাজার নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা ও লকডাউনের ফলে কর্মহীন মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে প্রাণন্তকর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। উপজেলার যেখানেই করোনা রোগীর সংবাদ পান সেখানেই তিনি ছুটে গিয়ে লকডাউন করাসহ এলাকাবাসীকে সচেতন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও রোগির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছেন।এ ছাড়া তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের দাফন ও সৎকারের জন্য তৈরি করেছেন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ওই সংগঠনের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ৩ জন আক্রান্ত ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের দাফন কার্য সম্পাদন করেছেন। ইতোমধ্যে এ উপজেলায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. শাহে আলমের সঙ্গে থেকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ হাজার পরিবারের ঘরে ঘরে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।<br><br>এ প্রসঙ্গে উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রণতি বিশ্বাস বলেন, দেশের এ মহাদূর্যোগ মুহূর্তে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারা গৌরব ও আনন্দের। জীবনের ঝুঁকি তো রয়েছেই কিন্তু মানুষের এ বিপদসংকুল মুহূর্তে ইচ্ছা করলেই স্বামী, সন্তান ও পরিবারের সান্নিধ্যে আশা করা সমীচীন নয়। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, ইউপি চেয়ারম্যান- মেম্বর, চৌকিদার, দফাদার ও আনসার ভিডিপি সদস্যসহ সকলের সহযোগিতায় এই যুদ্ধে এগিয়ে যাচ্ছি এবং করোনা নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ লড়াই অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, মানুষ মানুষের জন্য' মানবতার এ মহান ব্রতি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণ ও উন্নয়নে আমৃত্যু কাজ করে যাবো। </body></HTML> 2020-05-25 16:50:15 1970-01-01 00:00:00 ‌নিজে ভালো থাকি, অন্যকে ভালো রাখি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93951 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403733_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590403733_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">দেশবাসীকে পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবাইকে কোভিড-১৯ সঙ্কটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে ঘরে থেকে এবারের ঈদ উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সোমবার (২৫মে) ঈদের সকালে বঙ্গভবন থেকে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে ঈদের নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ টেলিভিশিনের (বিটিভি) মাধ্যমে এই বার্তা দেন। সকাল সাড়ে ৯টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে পরিবারের সদস্য এবং ‘অতিপ্রয়োজনীয়’ কর্মকর্তাদের নিয়ে ঈদের নামাজ পড়েন রাষ্ট্রপতি হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদের আনন্দ করতে গিয়ে আমরা যেন এমন কিছু না করি যা নিজের ও অপরের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই আসুন ঘরে বসেই আমরা ঈদের আনন্দ উপভোগ করি এবং আমাদের চারপাশে যেসব অসহায় মানুষ আছে, তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসি। নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি এবং অন্যকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উৎসাহিত করি। নিজে ভালো থাকি, অন্যকে ভালো রাখি- এটাই হোক এবারের ঈদে সকলের অঙ্গীকার।<br><br>ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বারতা নিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দিনটি বড়ই আনন্দের, খুশির। ঈদের এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে, সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। তিনি বলেন, এবার এমন একটা সময়ে আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করছি যখন সারাবিশ্ব করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিপর্যস্ত। বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলছে। এ সময়ে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথাযথ সামাজিক দায়িত্ব পালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসময় কোভিড-১৯ ও ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণক্ষয়ে ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মৃতদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি এবং আক্রান্ত ও আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন। দুর্যোগের এ সময়ে দেশের বিত্তবান ও স্বচ্ছল ব্যক্তিদেরও সামর্থ্য অনুযায়ী দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপ্রধান।<br><br>আবদুল হামিদ বলেন, ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তুলুক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ- এ প্রত্যাশা করি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে করোনার ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করুন। এদিকে এবার ঈদে বঙ্গভবনে সবধরণের আনুষ্ঠানিকতাও বাদ দেয়া হয়েছে। ঈদে চিরচেনা সেই পরিবেশ নেই রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে।প্রতি বছর ঈদের দিন নানা শ্রেণিপেশার মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে বঙ্গভবন, তবে করোনাভাইরাস সঙ্কটে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। </body></HTML> 2020-05-25 16:48:02 1970-01-01 00:00:00 করোনাকে সঙ্গী করেই জীবিকার জন্য অর্থনৈতিক কাজ চালু করতে হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93950 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590328930_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590328930_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাস মহামারি সহসা মানবসভ্যতাকে রেহাই দিচ্ছে না ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, করোনাভাইরাসের এই মহামারি সহসা দূর হবে না। কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না। যতদিন না কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হচ্ছে, ততদিন করোনাভাইরাসকে সঙ্গী করেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে। জীবন-জীবিকার স্বার্থে চালু করতে হবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।<br>সরকারপ্রধান বলেন, {করোনাভাইরাসের} কারণে ঘোষিত লকডাউন বিশ্বের প্রায় সকল দেশই ইতোমধ্যে শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। কারণ অনির্দিষ্টকালের জন্য মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ করে রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে তো নয়ই।<br><br>‘রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য বিশেষ তহবিল বাবদ ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে। যারা কাজে যোগ দিতে পারেননি, তারাও শতকরা ৬০ ভাগ বেতন পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে এ প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে বেতনভাতা পরিশোধ করা শুরু হয়েছে। দোকান-পাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় একদিকে মালিকদের আয় যেমন বন্ধ হয়েছে, তেমনি কর্মচারীরাও বিপাকে পড়েছেন। বেশিরভাগ দোকান মালিকের কর্মচারীদের বেতন দেয়ার সামর্থ্য নেই। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।’<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ঈদের আগে স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য নিয়ম-কানুন মেনে কিছু কিছু দোকানপাট খুলে দেয়ার অনুমোদন দিয়েছি। যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলেছেন এবং যারা দোকানে কেনাকাটা করতে যাচ্ছেন, আপনারা অবশ্যই নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন। ভিড় এড়িয়ে চলবেন। ‘আপনার সুরক্ষা আপনার হাতে। মনে রাখবেন আপনি সুরক্ষিত থাকলে আপনার পরিবার সুরক্ষিত থাকবে, প্রতিবেশী সুরক্ষিত থাকবে, দেশ সুরক্ষিত থাকবে’— বলেন প্রধানমন্ত্রী। </body></HTML> 2020-05-24 20:01:41 1970-01-01 00:00:00 নাঙ্গলকোট জেনারেল হসপিটালের মালিকের ক্ষমতার অপব্যবহার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93949 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590327666_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590327666_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">একটি হাসপাতালের প্রধান উদ্দেশ্য মানব সেবা। তার সেবার আড়ালে যদি থাকে হীন মনমানসিকতা তাহলে তো- প্রশ্নবিদ্ধ থেকেই যায়। তাও আবার নিজ কর্মচারীর সাথে। যাদের কে দিয়ে সেবা প্রদান করবে, তাদের কেই যদি সেবা না দিতে পারে, তাহলে- অন্যদের কে কি সেবা দিবে, তা আর বলার অবকাশ রাখে না।<br>এমনই এক লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিলো “নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল”।<br>বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস সর্বোস্তরের মানুষের জীবনে প্রভাব বিস্তার করে। তাই বলে কারো অধিকার হরণ করা কিন্তু কোন সভ্য মানুষের কাজ নয়।<br><br>নিয়ম অনুযায়ী কোন কর্মচারীকে চাকুরীচ্যুত করলে তার পাওনা বুঝিয়ে দিতে হয়। কিন্তু ক্ষমতা বলে- নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালের মালিক “কামরুল হাসান সপন” বেতনের টাকা পরিশোধ না করেই তাদের কে বিতাড়িত করে।<br>মুশফিকুর রহমান ও মনির হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ হাসপাতালে চাকরি করে। প্রতিমাসের বেতনও ঠকমত পেতেন না। দু’জনেরই বাড়ি ভোলা। সে সুবাদে কিছু বলতেন না। যাওয়ার সময় দু’জনে ৫৫,৫০০/= পাওনা হয়। কিন্তু দেরকে এক টাকাও না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। দু’জন মানুষের ধারে ধারে গিয়েও কোন বিচার পেলেন না। শেষমেশ তাতা অশ্রুভরা চোখে চলে যেতে বাধ্য হয়। এসকল তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে পেয়ে আমরা তাদের সাথে যোগাযোগ করলে ঘটনা নিশ্চিত করেন।<br><br>যাওয়ার সময় হাসপাতাল থেকে একটা চিকিৎসা সরঞ্জামও নিয়ে যায় বলে স্বীকারোক্তি করেন।<br>স্থানীয় লোকজনের সাথে বিষয় টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যি বলে অবহিত করেন এবং এরকম আরো ৮/১০ জন কর্মচারী বেতনের টাকা না পেয়ে চলে যেতে তারা দেখেছেন।<br><br>এবিষয়ে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালের মালিক কামরুল হাসান সপনকে জিজ্ঞেস তিনি স্বীকার করেন।<br>কুমিল্লা সিভিল সিভিল সার্জন অফিস এই বিষয়টি সম্পর্কে কথা বললে বলেন, এটা আমাদের জানা নেই। তদন্ত সাপেক্ষে আমরা ব্যবস্তা নেব। </body></HTML> 2020-05-24 19:40:33 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93948 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590324055_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590324055_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আরিফ হোসেন জয় ॥</span><br>সোনাগাজীতে পুকুরের পানিতে ডুবে মো: ইমরান হোসেন(৬) ও মো:নাহিদ(৭) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ভাদাদিয়া গ্রামের আলী আহম্মদ মাষ্টার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমরান ওই বাড়ীর ইলিয়াসের ছেলে অপরজন নাহিদ ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের আব্দুল লতিফের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বাড়ীর পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ওই দুই শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি করে না পেলে পুকুরে নেমে খুঁজতে শুরু করলে ডুবন্ত অবস্থায় দুজনকে পানির নিচে খুঁজে পায়। পরে তাৎক্ষণিক তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।একই দিন বিকেলে নামাজে জানাজা শেষে তাদেরকে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশু মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি অবগত হয়েছেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-24 18:40:22 1970-01-01 00:00:00 সোনাগাজীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93947 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590324011_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590324011_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>সোনাগাজীতে পুকুরের পানিতে ডুবে মো: ইমরান হোসেন(৬) ও মো:নাহিদ(৭) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ভাদাদিয়া গ্রামের আলী আহম্মদ মাষ্টার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমরান ওই বাড়ীর ইলিয়াসের ছেলে অপরজন নাহিদ ফেনী সদর উপজেলার গোবিন্দপুরের আব্দুল লতিফের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, বাড়ীর পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ওই দুই শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাদের খোঁজাখুঁজি করে না পেলে পুকুরে নেমে খুঁজতে শুরু করলে ডুবন্ত অবস্থায় দুজনকে পানির নিচে খুঁজে পায়। পরে তাৎক্ষণিক তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।একই দিন বিকেলে নামাজে জানাজা শেষে তাদেরকে পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়েছে। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম জানান, পানিতে ডুবে দুই শিশু মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি অবগত হয়েছেন। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-24 18:39:35 1970-01-01 00:00:00 ঢাকাবাসী গ্রামেও করোনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93946 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322567_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322567_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গ্রামে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ঢাকাবাসী। বিষয়টি অবাস্তব মনে হলেও তাই ঘটছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যারা ঢাকা ছেড়ে গ্রামে গেছেন, যাচ্ছেন তারাই সংক্রমণের ঝুঁকি বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি। শুরুতে সংক্রমণ ঠেকাতে ঈদে ঢাকা থেকে গ্রামে যাওয়া কিংবা গ্রাম থেকে ঢাকায় আসাকে নিরুৎসাহিত করা হলেও গত দুদিনে চিত্র বদলে গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত পরিবহনে ঢাকার বাইরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে। এই সুযোগে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। প্রতিবারই ঈদের আগে গ্রামে ফেরে মানুষ। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ফেরি ঘাটে লাখো মানুষের ভিড় চোখে পড়ে। এবার রেল ও গণপরিবহন বন্ধ থাকায় স্টেশনগুলোতে সেই চিত্র চোখে পড়েনি। তবে বিকল্প হিসেবে পায়ে হেঁটে বিপুল সংখ্যক লোকের ঢাকা ছাড়ার ছবি প্রতিনিয়তই সামনে আসছে। মানুষকে কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না। কিছুতেই বারণ শুনছেন তারা। যে করেই হোক বাড়ি যেতে পথে নেমেছেন কর্মজীবী মানুষেরা।<br><br>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা থেকে গ্রামে যাওয়া এসব মানুষের কেউ যে করোনার জীবাণু শরীরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন না, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তারা গ্রামে গেলে মানুষের সাথে মিশবেন। সেই থেকে ভাইরাসটির সংক্রমণ বাড়ার ভয় আছে গ্রামে। তাই তাদের পরামর্শ গ্রামে গেলেও তারা যেন নিজ নিজ বাড়িতে থাকেন। এড়িয়ে চলেন জনসমাগম।<br>চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড–১৯ বা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশে দ্রুতই বাড়ছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পরীক্ষার বিপরীতে আক্রান্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। আর ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাটাও। শনাক্ত যেভাবে বাড়েছে তাতে পরিস্থিতি খারাপের শঙ্কা জাগাচ্ছে। গত চারদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হয়েছে। নতুন পরীক্ষাও হয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক।<br><br>এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই খুলে দেওয়া হয় প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তি গাড়ি। এর ফলে রাজধানী ছেড়ে ঈদ উদযাপন করতে গ্রামে ছুঁটছে সাধারণ মানুষ। অনেকে ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি সিএনজি, ট্যাম্পু, অটোরিকশা, নছিমনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বাড়ি ফিরছে। তবে পাবলিক পরিবহণ বা বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। আট বিশেষজ্ঞ নিয়ে গঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শক দল এর আগে সরকারকে একটি পূর্বাভাস দিয়ে বলেছিলেন, ‘১৬ থেকে ১৮ মের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণের পর্যায় শুরু হবে। চলবে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। ঈদের পর সংক্রমণ কোনো দিন বাড়বে আবার কোনো দিন কমবে।’সেই অবস্থা এখন চলছে। তবে প্রবণতা কমার দিকে থাকবে বলেও মত দিয়েছিল বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টগুলো ঘুরে দেখা গেছে- ঢাকা ছাড়তে গ্রামমুখী মানুষ গাবতলী বাস টার্মিনালে আসছে। সেখান থেকে লেগুনা কিংবা সিএনজি চালিত অটোরিকশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছাচ্ছে। সেখান থেকে ফেরি পার হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে। একই দৃশ্য রাজধানী থেকে বের হওয়ার আরেকটি পথ যাত্রাবাড়ীতেও।<br><br>৮ মার্চ দেশে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পর সাত দফায় ৩০মে পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হয়েছে। একইদিন পর্যন্ত সড়ক-মহাসড়কে বাস কিংবা পাবলিক পরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। গাদাগাদি করে ছোট ছোট পরিবহনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। সামাজিক দূরত্ব কিংবা কোন ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। ফেরিতেও একসঙ্গে গাদাগাদি করে পার হচ্ছে। এতে করোনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে মত চিকিৎসকদের। দলবেধে মানুষ ঢাকা ছাড়লেও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোন নির্দেশনা দিতে দেখা যায়নি। তাছাড়া চেকপোস্টগুলোতেও কমানো হয়েছে সদস্য সংখ্যা।<br><br>এদিকে গত সপ্তাহের শুরুতে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে এবং ঈদের ছুঁটি কাটাতে ঢাকার বাইরে কাউকে যেতে কিংবা ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিলো না। মঙ্গলবার পুলিশ প্রধান ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা থেকে কাউকে বের হতে কিংবা বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। কেউ বের হবার চেষ্টা করলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ডিএমপির পক্ষ থেকেও কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তারপরও অনেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে চেষ্টা করেন। তবে আমিনবাজার এবং যাত্রাবাড়িতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে গিয়ে তা দমন করে। জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া কাউকে ঢাকায় ঢুকতে কিংবা বের হতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তারপরও অনেকে পায়ে হেটে বাড়ির পথে রওনা হয়।<br><br>তবে সেই অবস্থা অনেকটা শিথিল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ঈদে বাড়ি ফিরতে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে আসা-যাওয়া করা যাবে। কিন্তু পাবলিক পরিবহন চলবে না। এরই মধ্যে ঢাকার দুই প্রবেশ পথ খুলে দেওয়া হয়েছে। ঈদের দুদিন বাকি থাকতে হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।<br>জানা গেছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় রাজধানীর গাবতলী এবং যাত্রাবাড়ী এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এরই মধ্যে গাবতলী ও যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের চেকপোস্ট 'ইন' ও 'আউট' তুলে নেওয়া হয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-24 18:15:23 2020-05-24 18:16:10 ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৮ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১৫৩২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93945 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322489_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322489_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে নতুন করে আরও ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, করোনা শনাক্তের পর বাংলাদেশে যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮০ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৩২ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হলো ৩৩ হাজার ৬১০ জনে। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৪১৫ জন। রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে যুক্ত হয়ে করোনাভাইরাস সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭টি ল্যাবে ৮৯০৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৫৩২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া এই সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৮ জন, যা একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ২২ মে একদিনে সর্বোচ্চ ২৪ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে মোট ৪৮০ জনের মৃত্যু হলো।<br><br>নাসিমা সুলতানা জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪১৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ছয় হাজার ৯০১ জন। শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ২৫৩ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৪ জন। এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ২১৬৩ জন। মোট আইসোলেশনে আছেন চার হাজার ৪৪৬ জন। তিনি আরও বলেন, সারাদেশে আইসোলেশন শয্যা রয়েছে ১৩ হাজার ২৬৪টি। ঢাকার ভেতরে রয়েছে সাত হাজার ২৫০টি। ঢাকা সিটির বাইরে শয্যা রয়েছে ছয় হাজার ৩৪টি। আইসিইউ সংখ্যা আছে ৩৯৯টি, ডায়ালাসিস ইউনিট আছে ১০৬টি।<br><br>গত ২৪ ঘণ্টায় কোয়ারেন্টিইনে এসেছেন ৩০৬৩ জন। মোট কোয়ারেন্টিইনে আছেন ৫৫ হাজার ১৫৩ জন। ছাড় পেয়েছেন ৩০৮৭ জন। মোট কোয়ারেন্টিইনে আছেন ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ জন। আর মোট ছাড় পেয়েছেন ২ লাখ ৮ হাজার ৩৪৬ জন। ব্রিফিংয়ে করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন অধ্যাপক নাসিমা। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায়ের পাশাপাশি কাউকে কোলাকুলি না করার পরামর্শ দেয়া হয়। চীনের উহান থেকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর।<br><br>এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়ানো হয় সেই ছুটি, যা এখনও অব্যাহত আছে। ৭ম দফায় বাড়ানো ছুটি চলবে ৩০ মে পর্যন্ত। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার তথ্যানুযায়ী রবিবার সকাল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ জনে এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৫ জন। <br><br><br> </body></HTML> 2020-05-24 18:14:33 1970-01-01 00:00:00 ঢাকাবাসী গ্রামেও করোনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93944 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322295_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590322295_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">গ্রামে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ঢাকাবাসী। বিষয়টি অবাস্তব মনে হলেও তাই ঘটছে। ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যারা ঢাকা ছেড়ে গ্রামে গেছেন, যাচ্ছেন তারাই সংক্রমণের ঝুঁকি বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি। শুরুতে সংক্রমণ ঠেকাতে ঈদে ঢাকা থেকে গ্রামে যাওয়া কিংবা গ্রাম থেকে ঢাকায় আসাকে নিরুৎসাহিত করা হলেও গত দুদিনে চিত্র বদলে গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ব্যক্তিগত পরিবহনে ঢাকার বাইরে যাওয়ার অনুমতি মিলেছে। এই সুযোগে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। প্রতিবারই ঈদের আগে গ্রামে ফেরে মানুষ। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, ফেরি ঘাটে লাখো মানুষের ভিড় চোখে পড়ে। এবার রেল ও গণপরিবহন বন্ধ থাকায় স্টেশনগুলোতে সেই চিত্র চোখে পড়েনি। তবে বিকল্প হিসেবে পায়ে হেঁটে বিপুল সংখ্যক লোকের ঢাকা ছাড়ার ছবি প্রতিনিয়তই সামনে আসছে। মানুষকে কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না। কিছুতেই বারণ শুনছেন তারা। যে করেই হোক বাড়ি যেতে পথে নেমেছেন কর্মজীবী মানুষেরা।<br><br>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা থেকে গ্রামে যাওয়া এসব মানুষের কেউ যে করোনার জীবাণু শরীরে বয়ে নিয়ে যাচ্ছেন না, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তারা গ্রামে গেলে মানুষের সাথে মিশবেন। সেই থেকে ভাইরাসটির সংক্রমণ বাড়ার ভয় আছে গ্রামে। তাই তাদের পরামর্শ গ্রামে গেলেও তারা যেন নিজ নিজ বাড়িতে থাকেন। এড়িয়ে চলেন জনসমাগম।<br>চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড–১৯ বা করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশে দ্রুতই বাড়ছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পরীক্ষার বিপরীতে আক্রান্তের হারও ঊর্ধ্বমুখী। আর ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাটাও। শনাক্ত যেভাবে বাড়েছে তাতে পরিস্থিতি খারাপের শঙ্কা জাগাচ্ছে। গত চারদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর নতুন রেকর্ড হয়েছে। নতুন পরীক্ষাও হয়েছে সর্বোচ্চ সংখ্যক।<br><br>এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই খুলে দেওয়া হয় প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তি গাড়ি। এর ফলে রাজধানী ছেড়ে ঈদ উদযাপন করতে গ্রামে ছুঁটছে সাধারণ মানুষ। অনেকে ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি সিএনজি, ট্যাম্পু, অটোরিকশা, নছিমনসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বাড়ি ফিরছে। তবে পাবলিক পরিবহণ বা বাস চলাচল এখনও বন্ধ রয়েছে। আট বিশেষজ্ঞ নিয়ে গঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শক দল এর আগে সরকারকে একটি পূর্বাভাস দিয়ে বলেছিলেন, ‘১৬ থেকে ১৮ মের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণের পর্যায় শুরু হবে। চলবে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। ঈদের পর সংক্রমণ কোনো দিন বাড়বে আবার কোনো দিন কমবে।’সেই অবস্থা এখন চলছে। তবে প্রবণতা কমার দিকে থাকবে বলেও মত দিয়েছিল বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টগুলো ঘুরে দেখা গেছে- ঢাকা ছাড়তে গ্রামমুখী মানুষ গাবতলী বাস টার্মিনালে আসছে। সেখান থেকে লেগুনা কিংবা সিএনজি চালিত অটোরিকশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ঘাটে পৌঁছাচ্ছে। সেখান থেকে ফেরি পার হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে। একই দৃশ্য রাজধানী থেকে বের হওয়ার আরেকটি পথ যাত্রাবাড়ীতেও।<br><br>৮ মার্চ দেশে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ার পর সাত দফায় ৩০মে পর্যন্ত ছুটি বর্ধিত করা হয়েছে। একইদিন পর্যন্ত সড়ক-মহাসড়কে বাস কিংবা পাবলিক পরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। গাদাগাদি করে ছোট ছোট পরিবহনে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। সামাজিক দূরত্ব কিংবা কোন ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ। ফেরিতেও একসঙ্গে গাদাগাদি করে পার হচ্ছে। এতে করোনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে মত চিকিৎসকদের। দলবেধে মানুষ ঢাকা ছাড়লেও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোন নির্দেশনা দিতে দেখা যায়নি। তাছাড়া চেকপোস্টগুলোতেও কমানো হয়েছে সদস্য সংখ্যা।<br><br>এদিকে গত সপ্তাহের শুরুতে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে এবং ঈদের ছুঁটি কাটাতে ঢাকার বাইরে কাউকে যেতে কিংবা ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিলো না। মঙ্গলবার পুলিশ প্রধান ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা থেকে কাউকে বের হতে কিংবা বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। কেউ বের হবার চেষ্টা করলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ডিএমপির পক্ষ থেকেও কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তারপরও অনেকে ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে চেষ্টা করেন। তবে আমিনবাজার এবং যাত্রাবাড়িতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে গিয়ে তা দমন করে। জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া কাউকে ঢাকায় ঢুকতে কিংবা বের হতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু তারপরও অনেকে পায়ে হেটে বাড়ির পথে রওনা হয়।<br><br>তবে সেই অবস্থা অনেকটা শিথিল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ঈদে বাড়ি ফিরতে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসসহ ব্যক্তিগত যানবাহনে আসা-যাওয়া করা যাবে। কিন্তু পাবলিক পরিবহন চলবে না। এরই মধ্যে ঢাকার দুই প্রবেশ পথ খুলে দেওয়া হয়েছে। ঈদের দুদিন বাকি থাকতে হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।<br>জানা গেছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনায় রাজধানীর গাবতলী এবং যাত্রাবাড়ী এলাকায় গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। এরই মধ্যে গাবতলী ও যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের চেকপোস্ট 'ইন' ও 'আউট' তুলে নেওয়া হয়েছে। </body></HTML> 2020-05-24 18:09:21 1970-01-01 00:00:00 পথের মানুষের নিরানন্দ ঈদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93943 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321852_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321852_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">‘স্যার, ঈদের সেমাই কিনুম, পোলা মাইয়্যার জন্য কিছু টেকা দেন স্যার। পোলা মাইয়ার জন্য একখান জামা কিনুম।’ এই কথাগুলো বিগত বছরের রমজানের শেষ দিকের পথের মানুষের। হাত পাতলেই মিলত নতুন নোট। ৫০-১০০ টাকা। এসময় ঈদ সামনে রেখে কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকেন সব শ্রেণির মানুষ। কিন্তু এবারের চিত্র একদম আলাদা।<br>মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বড় বড় মার্কেটগুলো বন্ধ। ফুটপথেও বসতে দেওয়া হচ্ছে না ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের। ঘর থেকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না মানুষ। পথের মানুষের ভাগ্যে জুটছে না কিছু। এ জন্য পথের ধারে ভাসমান ছিন্নমূল মানুষের ঈদে নেই আনন্দ।<br><br>গতবছরের ঈদের আগে চলার পথে দেখা যেত কেনাকাটার ভিড়। দেখা যেত রাস্তার পাসে বসবাস করা মানুষের দান খয়রাত করতে। পথের মানুষের যেতে হত না চাইতে। ধনিক শ্রেণি রাস্তার মানুষের জন্য কাপড়-চোপড়, খাদ্য সামগ্রী নিজেরাই বিতরণ করে যেতেন। লাল টুকটুকে জামা পরে, ঠোটে লাল লিপিস্টি, হাতে লাল চুড়ি পরে আনন্দ করে, হই হুল্লোড় করে বেড়ানো আর সেমাই খাওয়া যাদের ইদের একমাত্র আনন্দ। এবার তার ছিটে ফোটাও নেই পথের পাশে জীবনধারণ করা ভাসমান মানুষের।<br>আমার নিজের দেখা, ফার্মগেট এলাকায় গাড়ি ভর্তি খাবারের প্যাকেট সবার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। ইফতারি আইটেম থেকে শুরু করে সেমাই, চিনি ইত্যাদি দিতে দেখেছি।<br><br>কিন্তু এবার চিত্র একেবারে উলটা। রাস্তায় নেই কোনো গাড়ি। খুব প্রয়োজনে মানুষ বাইরে এসে নিজের কাজ মিটিয়ে আবার ঘরে ফিরছেন। অথচ রাস্তার পাশে আগে যারা বসবাস করত। তারা এখনো বসবাস করছে। মলিন মুখে বসে আছে এবার। কেউ কোথাও নেই। সুনসান রাস্তা। দোকান পাট বন্ধ। অথচ এই ফার্মগেট এলাকায় ঈদের আগে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ে হাটা চলায় দায় হয়ে দাঁড়াত। ফার্মগেট এলাকায় ফুটপাথে রইজ উদ্দিনের বউ ও তিন পোলা মাইয়া নিয়ে বসবাস। রইজ উদ্দিন সর্বনাশা পদ্মার ভাঙনে সর্বশান্ত একজন মানুষ। নদীর করাল গ্রাসে সব হারিয়ে তিনি এখন ফার্মেগেটে ফুটপথে বসবাস করেন।<br><br>যার আয়ের একমাত্র উৎস বোতল টোকানো। বাচ্চা দুইটা ও মা ভিক্ষা করেন। মানুষের দান ক্ষয়রাত ও ভিক্ষায় চলে এই পাঁচ জনের জীবন সংসার। তখন এখন না পাচ্ছেন কারো থেকে ভিক্ষা বা পথের বোতল টোকানো। কোনো ভাবেই হাতে আসছে না টাকা-পয়সা। খেয়ে না খেয়ে অনাহারে অর্ধাহারে দিনানিপাত করছে তারা। এবারের ঈদে তাদের নেই কোনো আনন্দ। মূলত পথের পাশে বসবাস করা মানুষেরও স্বপ্ন থাকে ঈদকে কেন্দ্র করে। দান খয়রাতের টাকা নিয়ে বাচ্চাদের জন্য রঙ বেরঙের শার্ট-প্যান্ট, ফ্রগ, কামিজ, লাল পাঞ্জাবি, টিপ, চুড়ি, লাল ফিতা ইত্যাদি কেনা। সকালে সন্তানদের মুখে সেমাই তুলে দেওয়া। একটু ভালো খাবার খাওয়া। এসব তারা প্রতি বছর করে থাকে।<br>কিন্তু এবার সব অধরায় থেকে যাচ্ছে। শহরের বড় বড় দালানে মানুষের বসবাস। গলির দুইপাশে উঁচু উঁচু দালানের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে সাহায্য চাইছেন অনেকে। দালানের উপর থেকে কেউ কেউ পাঁচ টাকার কয়েন বা দশ বিশ টাকার নোট ফেলে দিচ্ছেন। অনেকের কানে পৌঁছাচ্ছে না তাদের আর্ত চিৎকার।<br><br>এভাবেই ফিরে যাচ্ছে খালি হাতে আমার আপনার দুয়ার থেকে। অথচ মানুষ রমজান মাসে বেশি বেশি দান খয়রাত করে সওয়াবের আশায়। সব অফিস আদালত বন্ধ। কর্মক্ষেত্র বন্ধ। উপার্জনের পথ বন্ধ। সবাই এক প্রকারে বেকার অবস্থায় জীবন যাপন করছে।<br><br>যাদের দান খয়রাত করার সক্ষমতা আছে। তারাও ঘরে থাকার কারণে দিতে পারছেন না। কখন কিভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যায়। এই চিন্তায় সবাই ঘরে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখছে। আর এসব কারণেই পথের ধারের মানুষের ঈদ নিরানন্দের। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-24 18:02:17 1970-01-01 00:00:00 ঈদে বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ নয়, মোবাইলে কথা বলার সুযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93942 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321661_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321661_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবার ঈদের দিন বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিচ্ছে না কারা কর্তৃপক্ষ। একই সাথে পরিবার থেকে ঈদের দিন খাবার পাঠানোর সুযোগও এবার থাকছে না। তবে বন্দিরা তাদের পরিবারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন। কারা কর্মকর্তারা জাানান, দেশে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্দিদের সঙ্গে তাদের স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ থাকবে। তবে দেশের কারাগারগুলো থেকে বিশেষ প্রয়োজনে বন্দিকে মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। সারা দেশের মতো কারাগারেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কর্মকর্তা জানান, বন্দিদের পাঁচ মিনিট করে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। বন্দিরা যখন কথা বলেন তখন কী বলেন শোনা হয়। তারা যাতে পরিবারের খোঁজখবরের বাইরে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলতে পারে সে বিষয়ে খেয়াল রাখা হয়। কথা বলার সময় বন্দিরা তাদের পরিবারের লোকদের কারাগারে না আসার জন্য বলছেন। এমনকি করোনার এই সময়ে যাতে ঘর থেকে বের না হয় সে বিষয়েও পরামর্শ দিচ্ছেন। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, বন্দিদের পরিবারের খাবার দেয়া না হলেও ঈদের দিন অন্যান্য বছরের মতোই ঈদের বিশেষ খাবার দেয়া হবে। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিলে সারা দেশের ৬৮ কারাগারে বন্দিদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশের ছয়টি কারাগারে বন্দি ও কারারক্ষী মিলে ৪৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে আছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ২৩ জন কারারক্ষী। গত শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জন সুস্থ হয়েছেন বলে জানান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহাবুবুল ইসলাম। and nbsp; </body></HTML> 2020-05-24 18:00:27 1970-01-01 00:00:00 ‘আমার তো মোবাইল-ইন্টারনেট নাই, ক্যামনে সিরিয়াল দিমু?’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93941 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321014_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590321014_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মাথার ওপর কড়কড়ে রোদ। শাহবাগের বেতার ভবনের প্রধান ফটকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পক্ষ থেকে হ্যান্ডমাইকে একজন নিরাপত্তা প্রহরী ঘোষণা দিয়ে ওঠেন, ‘যারা অনলাইনে টোকেন সংগ্রহ করেছেন তারা কাগজ জমা দিয়ে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সিরিয়াল ধরে লাইনে থাকেন। সময় হলে আপনাদের ভেতরে ডেকে নেয়া হবে।’ এ সময় ছোট্ট এক শিশুকে নিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর সামনে গিয়ে দাঁড়ান একজন নারী। তিনি বলেন, ‘আমার ও আমার মেয়েটার খুব জ্বর। আমার তো মোবাইল-ইন্টারনেট নাই। এগুলি কেমনে চালায় তাও জানি না। আমার কি পরীক্ষা হইবো না?’<br><br>নিরাপত্তারক্ষী তার কথা শুনে ওই নারীকে মূল ভবনে ‘বড় স্যারদের’ সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। ঈদুল ফিতরের আগের দিন রোববার (২৪ মে) দুপুরে এমন দৃশ্য দেখা যায় বেতার ভবনে স্থাপিত ফিভার ক্লিনিক ও করোনাভাইরাস ল্যাবরেটরির সামনে। সকাল পেরিয়ে দুপুর গড়ালেও তখনো রাস্তায় করোনা পরীক্ষা করতে আসা জনাবিশেক রোগীর ভিড়। পরীক্ষা করতে আসা রোগীদের মধ্যে ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধও রয়েছেন। রাস্তায় সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকেই গরমে হাঁসফাঁস করছিলেন। এক তরুণকে এ সময় দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে পড়তে দেখা যায়।<br><br>আলাপ করে জানা যায়, ভিড়ে রোগীদের কষ্ট লাঘবে ফিভার ক্লিনিক ও করোনা ল্যাবরেটরির জন্য অনলাইনে সিরিয়াল দেয়ার নিয়ম চালু হলেও বিপাকে পড়েছেন হতদরিদ্র রোগীরা। তাদের অনেকে এখানে এসে ফিভার ক্লিনিকে সেবা পেলেও পরীক্ষা করাতে পারছেন না। গত ২১ মার্চ শাহবাগের এ বেতার ভবনে ফিভার ক্লিনিক চালু হয়। প্রতিদিন এখানে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী চিকিৎসা দেয়া হয়। এ পর্যন্ত ১২ হাজারেরও বেশি রোগী ক্লিনিকে চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া গত ১ এপ্রিল একই ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্থাপিত হয় করোনাভাইরাসের ল্যাবরেটরি। ল্যাবরেটরিতে এ পর্যন্ত ১১ হাজারেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। অনলাইন পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষার সিরিয়াল দেয়ার নতুন নিয়ম চালু হওয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে যারা দক্ষ, তাদের সুবিধা হলেও সমস্যা পড়েছেন নিরক্ষর ও দরিদ্র রোগীরা। </body></HTML> 2020-05-24 17:49:41 1970-01-01 00:00:00 কিট সংকটে নোবিপ্রবিতে করোনা পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93940 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590320714_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590320714_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। কিট সংকট থাকায় পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ এবং কিট পেলে আবার চালু হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। রবিবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে নমুনা পরীক্ষা। এর আগে শনিবার সবশেষ ২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।<br>নোবিপ্রবির প্রক্টর ও করোনা পরীক্ষা কমিটির সমন্বয়ক প্রফেসর ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, গত ১২ মে আনুষ্ঠানিকভাবে নোবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবে করোনাভাইরাসের নমুনার পরীক্ষা শুরু হয়। ১৪৮০টি কিট নিয়ে শুরু হয় নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রম। এ ল্যাবে প্রতিদিন ২০০ করে কিটের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত কিট না পাওয়ায় আশানুরূপ পরীক্ষা করা যাচ্ছে না। বর্তমানে ল্যাবে ২৫০টি নমুনা জমা আছে। কিটের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কিট স্টক না থাকায় তা আনা সম্ভব হয়নি। তবে ২-৩ দিনের মধ্যে কিট পাবেন বলে আশা করেন তিনি।<br><br>তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ল্যাবে কর্মরত কাউকেই ঈদের ছুটি দেওয়া হয়নি। বর্তমানে তারা সবাই বেকার বসে আছেন। কিট পেলে আমরা ঈদের দিনও পরীক্ষা করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. মোমিনুর রহমান কিট সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, কিটের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে রিকুইজিশন (চাহিদাপত্র) পাঠানো হয়েছে। কিট আসলে নোবিপ্রবির ল্যাবে আবার নমুনা পরীক্ষা চালু করা হবে।<br><br> </body></HTML> 2020-05-24 17:44:52 1970-01-01 00:00:00 দুই বছরের ভাতিজিকে নৃশংসভাবে হত্যার বর্ণনা দিলেন চাচা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=93939 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590320543_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1590320543_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">কিশোরগঞ্জের ইটনায় দুই বছর বয়সী ভাতিজি স্মৃতি আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ছোট চাচা মোহন মিয়া (৩২)। শনিবার (২৩ মে) বিকেলে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাদ্দাম হোসেনের খাস কামরায় মোহন মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইটনা থানার পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আহসান হাবীব আদালতে মোহন মিয়ার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মোহন মিয়া ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের জয়সিদ্ধি হাটি গ্রামের মর্তুজা আলীর ছেলে। অন্যদিকে শিশু স্মৃতি আক্তার মোহন মিয়ার ভাই জালাল মিয়ার মেয়ে।<br><br>ইটনা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আহসান হাবীব জানান, জয়সিদ্ধি হাটি গ্রামের মর্তুজা আলীর চার ছেলে যথাক্রমে নান্নু মিয়া, দুলাল মিয়া, জালাল মিয়া ও মোহন মিয়া। তাদের সঙ্গে বাড়ির রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী আব্দুর রহিমের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ রকম পরিস্থিতিতে সম্প্রতি জালাল মিয়া নিজের পুরোনো বসতঘর ভেঙে নতুন করে একটি ঘর নির্মাণ করার উদ্যোগ নেন। ঘরের কাজ শুরু করার পর গত বুধবার (২০ মে) দুপুরে আব্দুর রহিম ও তার পক্ষের লোকজন ঘর নির্মাণে বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয় লোকজন উভয়পক্ষকে নিবৃত্ত করে এবং বিষয়টি বসে মীমাংসা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনার পর জালাল মিয়া তার হাঁসের খামারে চলে যান। অন্যদিকে বড় ভাই নান্নু মিয়া কাজের জন্য অন্যত্র চলে যাওয়ায় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে থাকা দুই ভাই দুলাল মিয়া (৪০) ও মোহন মিয়া (৩২) প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে ফন্দি আঁটেন। একপর্যায়ে তারা সিদ্ধান্ত নেন বাড়ির শিশুদের মধ্যে থেকে কাউকে খুন করে এর দায় প্রতিপক্ষ আব্দুর রহিমদের ওপর চাপানো হবে।<br><br>পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওইদিনই সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির একটি ঘরে ঘুমিয়ে থাকা দুই বছর বয়সী ভাতিজি স্মৃতি আক্তারকে মোহন মিয়া তুলে এনে মাটিতে সজোরে আছড়ে ফেলে। এতে শিশুটি চিৎকার দিয়ে ওঠলে দুলাল মিয়া ইট দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করে। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে মোহন শিশুটির বুকের ডান পাশে সজোরে টেঁটাবিদ্ধ করে। এরপর পরই দুই ভাই দুলাল ও মোহন সাজানো নাটকের মতো প্রতিপক্ষের লোকজন চড়াও হয়ে শিশুটিকে টেঁটাবিদ্ধ করে মেরে ফেলেছে বলে চিৎকার ও শোরগোল শুরু করেন। স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে টেঁটাবিদ্ধ শিশুটির মরদেহ দেখে হতবাক হয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পরদিন বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আহসান হাবীব আরও জানান, দুই ভাই মিলে এ রকম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়ে এর দায় প্রতিপক্ষ আব্দুর রহিমদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতিও নেন দুলাল-মোহনরা। কিন্তু পুলিশের কৌশলী তদন্তে বেরিয়ে আসে প্রকৃত ঘটনা। শুক্রবার (২২ মে) রাত পৌনে ১২টার দিকে মৃগা ইউনিয়নের লাইমপাশা বাজারে অভিযান চালিয়ে মোহন মিয়াকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর পুলিশের জেরার মুখে পড়ে সত্য প্রকাশ করেন মোহন মিয়া। মোহন জানান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই তারা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ছক কষেছিলেন। পরে শনিবার (২৩ মে) দুপুরে মোহন মিয়াকে কিশোরগঞ্জের আদালতে পাঠানোর পর বিকেলে হত্যাকাণ্ডের বিবরণ দিয়ে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ইটনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এমন অমানবিক নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির মা ডলি আক্তার বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে ঘাতক দুলাল মিয়া ও মোহন মিয়াকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। </body></HTML> 2020-05-24 17:41:51 1970-01-01 00:00:00