http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - শিশু তুহিন হত্যা, বাবার পক্ষে কোনো আইনজীবী লড়বেন না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83929 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235171_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235171_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পরিবারের লোকজন জড়িত জেনে হতভম্ব সবাই। বিষয়টি নিয়ে চলছে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনা।<br>প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে কোনো বাবা তার আদরের সন্তানকে এমন নৃশংসভাবে খুন করতে পারেন বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। সেই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না সুশীল সমাজ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষার্থীরা। স্থানীয়দের দাবি, এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সুনামগঞ্জে প্রথম। বাবার কোলে ঘুমন্ত সন্তানকে গলা কেটে হত্যার বিষয়টি জানার পর থেকে পৃথিবীর কার কাছে শিশুরা নিরাপদ সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না কেউ।<br>এদিকে, শিশু তুহিনকে বাবা ও চাচা মিলেই খুন করেছেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার পর আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী আদালতে লড়বেন না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আইনজীবীরা। সুনামগঞ্জের আইনজীবী, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিশু তুহিনের মতো নৃশংস হত্যার শিকার আর কেউ হয়নি। শিশু তুহিনকে যারা হত্যা করেছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মিতা তালুকদার বলেন, পাঁচ বছরের শিশুকে তার বাবা কিভাবে হত্যা করতে পারলেন তা ভেবেই পাচ্ছি না। সন্তানের জন্য বাবা ছাতার মতো। সবসময় সন্তানকে বুকে বুকে আগলে রাখেন বাবা। সন্তানের কোনো ক্ষতি হোক তা কোনো বাবাই চান না। অথচ বাবার কোলেই শিশু তুহিনকে জবাই করা হয়। বিষয়টি সবার জন্য মর্মান্তিক ও হতাশাজনক। এমন বাবার ফাঁসি হোক। সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা বলছেন, সামাজিক অবক্ষয?ের কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। শিশু তুহিন হত্যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে আজ বাবার কোলেও শিশুরা নিরাপদ নয়। আজকে আমার সন্তান এসে যদি প্রশ্ন করে বাবা আমি তোমার কোলে কতটা নিরাপদ তার উত্তর আমার জানা নেই। রঙ্গালয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, তুহিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা শুধু সুনামগঞ্জের নয়, সারাদেশের মানুষের মনে আঘাত লেগেছে। ইতিহাসে এমন হত্যাকাণ্ডের নজির নেই। বাবা ও চাচা কিভাবে পাঁচ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যার পর পেটে ছুরি ঢুকিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন, ভাবতেই আঁতকে ও শিউরে উঠেছেন সবাই। খুন করেই ক্ষান্ত হয়নি; শিশুটির কান ও লিঙ্গ কেটে দেয় তারা। এমন ভয়ঙ্কর হত্যার শাস্তি দৃষ্টান্তমূলক হওয়া জরুরি। জেলা খেলাঘরের সভাপতি বিজন সেন রায় বলেন, তুহিন হত্যার ঘটনায় প্রমাণিত হলো পরিবারেও এখন শিশুদের নিরাপত্তা নেই। এমন ধরনের ঘটনা অতীতে হয়নি, আমরা শুনিনি এবং দেখিনি। তুহিন হত্যায় বাবা ও চাচাদের এমন শাস্তি হোক যে শাস্তি সমাজে দৃষ্টান্ত তৈরি করে, খুনিদের বুক কেঁপে ওঠে।<br>সুনামগঞ্জের আইনজীবী স্বপন কুমার দাস বলেন, শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ড খুবই মর্মান্তিক এবং ভয়ঙ্কর। বাবার কোলে সন্তানকে জবাই করে হত্যার এমন নৃশংস ঘটনা কোথাও ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী দাঁড়াবে না। জেলা আইজীবী সমিতির সভাপতি মো. চাঁন মিয়া বলেন, ঘুমন্ত শিশু তুহিনকে কোলে করে নিয়ে যায় তার বাবা, খুন করে চাচা। এমন ঘটনা বাংলাদেশের প্রথম নৃশংস হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই আমরা। এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য আমাদের সমাজকে পরিবর্তন করতে হবে। সমাজে যেসব সংঘাত, হিংসা এবং প্রতিপক্ষের প্রতি প্রতিহিংসা চলছে এসব থেকে আমাদের সরে আসতে হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তুহিন হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী লড়বে না। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, শিশু তুহিন হত্যায় যারা জড়িত আমরা তাদের আইনের আওতায় এনেছি। আমরা চেষ্টা করব দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করার। এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য আমাদের যা যা করা প্রয়োজন তাই করব। এর আগে রোববার রাতে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় শিশু তুহিনকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়। সোমবার ভোরে গাছের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তুহিনের পেটে দুটি ধারালো ছুরি বিদ্ধ ছিল। তার পুরো শরীর রক্তাক্ত, কান ও লিঙ্গ কর্তন অবস্থায় ছিল। তুহিন ওই গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে। সোমবার রাতে এ ঘটনায় তুহিনের মা মনিরা বেগম অজ্ঞাত ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুর মুছাব্বির এবং প্রতিবেশী জমশেদ আলীকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। <br>একই সময় হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তুহিনের আরেক চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। জবানবন্দিতে তারা জানিয়েছেন ঘটনার দিন শিশু তুহিনকে ঘুমন্ত অবস্থায় তার বাবা আব্দুল বাছির ঘর থেকে বের করে বাইরে নিয়ে যান। এরপর ঘুমন্ত তুহিনকে গলা কেটে হত্যা করেন চাচা ও চাচাতো ভাই। পরে তুহিনের পেটে দুটি ছুরি বিদ্ধ করে গাছে ঝুলিয়ে দেন তারা। তুহিনকে হত্যায় বাবার সঙ্গে অংশ নেন চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। </body></HTML> 2019-10-16 20:12:33 1970-01-01 00:00:00 গলায় ছুরি ঢুকিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83928 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235134_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235134_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জাহিদুল ইসলাম (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকালে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। জাহিদুল ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকার দত্তপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। পৌর এলাকার শিমুলতলী এলাকার প্রতিশ্রুতি মডেল হাই স্কুল থেকে এ বছর তার এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।<br>এদিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মশিউর রহমান কাঞ্চন নামের স্থানীয় এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে টেস্ট পরীক্ষা দেয়ার জন্য স্কুলে যাওয়ার পথে ঈশ্বরগঞ্জ আইডিয়াল কলেজের সামনে থেকে জাহিদুলকে বহনকারী রিকশাকে ধাওয়া করে মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত। ধাওয়া খেয়ে রিকশা থেকে নেমে দৌড়ে স্কুলে যেতে চাইলে অন্তত সাতজন দুর্বৃত্ত তাকে ধরে ফেলে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা তার গলায় ছুরি ঢুকিয়ে দেয়।<br>পরে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসলে দুবৃর্ত্তরা পালিয়ে যায়। জাহিদুলকে উদ্ধার করে প্রথমে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে জাহিদুল মারা যায়। জাহিদুলের প্রতিবেশী আহসানুল হক সামি বলেন, ফুটবল খেলার মাঠে জাহিদুলের সঙ্গে কয়েকজনের কথা কাটাকাটির জেরে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।<br>ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহম্মেদ কবীর হোসেন জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান কাঞ্চনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। </body></HTML> 2019-10-16 20:11:58 1970-01-01 00:00:00 স্বামীর বাড়িতে ফেরার পরদিনই লাশ হলেন অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83927 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235095_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235095_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>কিশোরগঞ্জে মোছা. জুয়েনা আক্তার নামের চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সুমন মিয়ার বিরুদ্ধে। বুধবার ভোরে সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের চংশোলাকিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুমন মিয়া পলাতক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাত্র ছয় মাস আগে উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের কাসুরারচর গ্রামের ওয়ালি নেওয়াজের মেয়ে জুয়েনার বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী চংশোলাকিয়া গ্রামের আ. রহিমের ছেলে অটোরিকশা চালক সুমন মিয়ার সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে মারধর করতো মাদকাসক্ত সুমন। মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে দুজনই রাতের খাবারের পর ঘুমিয়ে পড়ে। ভোরে পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা বাইরে থেকে দড়ি দিয়ে বাঁধা দেখতে পায়। পরে ভেতরে ঢুকে বিছানার ওপর জুয়েনার মদেহ পড়ে থাকতে দেখে।<br>জুয়েনার বাবা ওয়ালী নেওয়াজ বলেন, ‘আমার মেয়ের বিয়ে হয়েছে মাত্র ছয় মাস আগে। বিয়ের পর জানতে পারি ছেলেটি নেশা করে। প্রায়ই গভীর রাতে বড়ি ফিরে সে আমার মেয়েকে মারধর করতো। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে কিছু দিন আগে জুয়েনা আমার বাড়ি চলে আসে। গত পরশু সুমনের বাবা আমাদের বাড়ি থেকে জুয়েনাকে নিয়ে যায়। এর একদিন পরই আমার মেয়েটাকে হত্যা করা হলো। আমি এর বিচার চাই।’ কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুবকর সিদ্দিক জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে জুয়েনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। </body></HTML> 2019-10-16 20:11:20 1970-01-01 00:00:00 ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় পানি-বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিল আসামিরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83926 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235062_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571235062_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>গাজীপুরের শ্রীপুরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে গণধর্ষণের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। তারা হলেন শ্রীপুর পৌর এলাকার বহেরারচালা গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন, একই গ্রামের হিরন মাঝির ছেলে নাজমুল মাঝি, বিল্লাল মাঝির ছেলে কায়েশ মাঝি ও মামুন নামের এক যুবক।<br>গত ১২ অক্টোবর শ্রীপুর থানায় এ মামলা করা হয়। আসামিরা সবাই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং এলাকায় প্রভাবশালী। মামলার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিনই ধর্ষিতার বাড়ির বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং এলাকা থেকে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই গৃহবধূ।<br>তিনি অভিযোগ করেন, মামলার পর আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরলেও তাদের গ্রেফতার করছে না পুলিশ।<br>তিনি জানান, গত ৪ অক্টোবর বাড়ির পাশে একটি পানির পাম্প চালু করতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে মারধর করলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে জ্ঞান ফেরার পর ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন। ওইদিনই থানায় অভিযোগ করতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে দ্বিতীয় দফায় গত ১০ অক্টোবর ফের অভিযোগ দিতে সক্ষম হন। অভিযোগটি ১২ অক্টোবর থানায় মামলা হিসেবে গ্রহণ হয়।<br>তিনি আরও জানান, থানায় অভিযোগ করার কারণে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওইদিন দুপুরে তার বাড়ির পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এতে তিনি আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এ বিষয়ে শ্রীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমজাদ হোসেন জানান, ধর্ষণের অভিযোগের পর এক গৃহবধূর বাড়ির বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা খুবই অমানবিক। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করবেন।<br>শ্রীপুর থানার পরিদর্শক আকতার হোসেন জানান, মামলার পর পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। বাদীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে মামলার পর নির্যাতিতার বাড়ির বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার কথা কেউ পুলিশকে জানায়নি। এমন হয়ে থাকলে মানবিক কারণে পুনঃসংযোগের ব্যবস্থা করা হবে। </body></HTML> 2019-10-16 20:10:44 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে দোকানলুট : গ্রেপ্তার ২ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83925 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234995_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234995_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে পূর্ববিরোধের জের ধরে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ২জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ। উপজেলার বিপুলাসার ইউনিয়নের সাইকচাইল বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবলীগ নেতা আকতারুজ্জামান সুমন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোবারক উল্লাহর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সম্পাদক ও সাইকচাইল বাজারের ‘মায়ের দোয়া ভ্যারাইটিজ ষ্টোর’ এর সত্ত¡াধিকারী। এ ঘটনায় আহত সুমনের ভাই ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।<br>অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে গত রোববার রাত ৮টায় সাইকচাইল গ্রামের মোঃ সাদেক আলীর ছেলে রবিউল হোসেন (৩৩), মৃত শামসুল হক মেম্বারের ছেলে কামরুজ্জামান সুজন (৩০), হেদায়েত উল্লাহর ছেলে শাহজাহান সাজু (৪২) ও মৃত নুরুল হকের ছেলে মোঃ সেলিম (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজনকে নিয়ে আক্তারুজ্জামান সুমনের দোকানে হামলা চালায়। দলবদ্ধ ভাবে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষির এক পর্যায়ে সুমনের মাথা লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রবিউল হোসেন। আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সুমনের বাম হাতের কব্জি ৯০ শতাংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এসময় কামরুজ্জামান সুজনের অস্ত্রের আঘাতে সুমনের ডান হাতের বাহুতে মারাত্মক জখম হয়। সুমনের চিৎকার শুনে বাজারের ব্যবসায়ীরা জড়ো হতে শুরু করলে হামলাকারীরা দোকানের ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ২ লাখ ৩৭ হাজার টাকা, ৮০ হাজার টাকা সমমূল্যের রিচার্জ/এমবি কার্ড এবং প্রায় ৪০ হাজার টাকা সমমূল্যের দু’টি স্যামসাং এন্ড্রয়েড মোবাইল ফোন হাতিয়ে নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।<br><br>গুরুতর আহত অবস্থায় আক্তারুজ্জামান সুমনকে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে আহত সুমনের ভাই, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন (অভিযোগকারী) বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ভাইয়ের উপর হামলা করা হয়েছে। হামলাকারীরা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জড়িত। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।<br><br>অভিযুক্ত শাহজাহান সাজু বলেন, ‘সুমনের সাথে আমার কোনো পূর্ববিরোধ নেই। আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত নেই। ওইদিন আমি ঔষধ কিনতে সাইকচাইল বাজারে গিয়ে দেখি কিরিজ (অস্ত্র) হাতে নিয়ে রবিউল হোসেন চিৎকার-চেঁচামেচি করতেছে। বাজারের ব্যবসায়ীরাসহ আমরা তাকে থামানোর চেষ্টাও করেছি। এর কিছুক্ষণ পরই শুনতে পাই রবিউল সুমনকে কুপিয়েছে। আমি তাৎক্ষণিক সুমনকে দেখতেও গেছি। এখন শুনতেছি আমাকেও নাকি আসামী করা হয়েছে।<br><br>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিৎ করে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, আহত সুমনের ভাই, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।<br><br>এদিকে যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী আকতারুজ্জামান সুমনের উপর নৃশংসা হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে প্রতিবাদ সভা করেছে সাইকচাইল বাজার ব্যবসায়ী সমিতি। প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি চেয়ারম্যান সায়েদুর রহমান দুলাল, প্যানেল চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহফুজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ভেন্ডার, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আলম হিরণ, ব্যবসায়ী মোবারক উল্লাহ কালা মিয়া, সিরাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, আবু নওশাদ প্রমুখ। </body></HTML> 2019-10-16 20:09:14 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানকে পানি দেবে না ভারত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83924 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234877_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234877_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>পাকিস্তানকে পানি দেওয়া বন্ধ করে দেবে ভারত। হরিয়ানা রাজ্যে বিধানসভার ভোটের প্রচারণায় গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমন মন্তব্য করেছেন। মোদি বলেন, পাকিস্তানকে পানি না দিয়ে তা হরিয়ানার কৃষকদের দেওয়া হবে। কংগ্রেসকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ৭০ বছর ধরে হরিয়ানার কৃষকদের ভাগের পানি চলে গেছে পাকিস্তানে। কিন্তু এবার তা বন্ধ করা হবে। আপনাদের ঘরে পৌঁছাবে পানি। ওই পানি হরিয়ানা ও ভারতের কৃষকদের। আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি আমরা। ভারতের নদীর পানি পাকিস্তানে যাওয়া বন্ধ করতে ইতোমধ্যেই পরিকল্পনা শুরু করেছে কেন্দ্র। পাকিস্তানকে পানি না দিয়ে সিন্ধুর অতিরিক্ত পানি আটকে রাখা হবে। অতিরিক্ত এই পানি রাভি নদীতে ফেলে স্থানীয় পানির সমস্যা মেটানোর কথা ভাবা হচ্ছে। কংগ্রেসের ওপর অভিযোগ এনে মোদি বলেন, বিরোধী দল ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের বিষয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি বলেন, পুরো দেশের মানুষ যখন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের প্রশংসা করছে তখন কয়েকজন কংগ্রেস নেতা এর বিরোধিতা করে গুজব রটাচ্ছেন। আগামী ২১ অক্টোবর হরিয়ানায় বিধানসভার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ২৪ অক্টোবর। and nbsp; </body></HTML> 2019-10-16 20:07:40 1970-01-01 00:00:00 কাশ্মীরে নারীদের বিক্ষোভ এসএমএস পরিষেবা বন্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83923 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234841_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234841_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা বাতিল করার পর থেকে কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর। দুই মাসেরও বেশি সময় পার হলেও অবস্থা খুব একটা বদলায়নি। রাজ্যজুড়ে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে আস্তে আস্তে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে প্রশাসন। এমন অবস্থায় মঙ্গলবার কাশ্মীরের রাস্তায় বিক্ষোভে নামেন কাশ্মীরী নারীরা। রাজ্যের মর্যাদা বাতিল করে কেন্দ্রের শাসনে রাজ্যকে ভাগ করার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন তারা।<br>শ্রীরগরের প্রতাপ সিংহ পার্ক এলাকায় হওয়া এই বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন রাজ্যের অন্যতম রাজনৈতিক নেতা ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আব্দুল্লাহর বোন সুরাইয়া ও মেয়ে সাফিয়া। বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে এই প্রথম পথে নেমে বিক্ষোভ দেখালেন নারীরা। বিক্ষোভের পর কাশ্মীরে এসএমএস পরিষেবা বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এছাড়া একাধিক বিক্ষোভকারী নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের সাবেক প্রধান মুসলিম জান ও লেখিকা কুরাত উল ইনের মতো বিশিষ্টজনরাও। অটলবিহারী বাজপেয়ী জমানার মন্ত্রী যশবন্ত সিনহার নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর সদস্য যশোদা ভারতীও হাজির ছিলেন। and nbsp; প্ল্যাকার্ডের পাশাপাশি হাতে কালো ব্যান্ডও পরে বিক্ষোভ করেন তারা। কিন্তু তাদের দাঁড়াতেই দেয়নি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, কাশ্মীরে এখনও ১৪৪ ধারা কার্যকর আছে। তা ভেঙে জমায়েত করায় বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপিকা মুসলিম জান বলেন, ‘বিশেষ মর্যাদা লোপ ও রাজ্য ভাগের একতরফা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে কাশ্মীরি মহিলারা পথে নেমেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে কাশ্মীরিদের চূড়ান্ত অপমান করা হয়েছে’।<br>তার কথায়, ‘কাশ্মীর কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের চেহারা নিয়েছে। রোজ নতুন বাঙ্কার আর শিবির তৈরি করছে বাহিনী। বাসিন্দাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার আর কিছুই অবশিষ্ট নেই’।<br>লেখিকা কুরাত উল ইনের দাবি, ‘এখনই বন্দিদের মুক্তি দিতে হবে। প্রতিদিন বিনা প্ররোচনায় যুবকদের জন সুরক্ষা আইনে বন্দি করা হচ্ছে’। বিক্ষোভকারীদের দাবি, জাতীয় সংবাদমাধ্যমের একাংশেও কাশ্মীরের সঠিক ছবি তুলে ধরা হচ্ছে না। </body></HTML> 2019-10-16 20:07:03 1970-01-01 00:00:00 কাশ্মীরে গোলাগুলি ৩ সন্ত্রাসী নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83922 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234756_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234756_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় বুধবার সকালে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি বিনিময় হয়। প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দু'পক্ষের গোলাগুলিতে এক সেনা আহত হয়েছেন। অনন্তনাগের পাজালপোরা জেলায় সন্ত্রাসীরা লুকিয়ে আছে এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী।<br>অভিযান শুরুর পর সন্ত্রাসীরাও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এতে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং এক সেনা আহত হয়েছেন।<br>মাত্র একদিন আগেই উপত্যকায় পোস্ট পেইড মোবাইল সেবা পুণরায় চালু করা হয়েছে। তারপরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।<br>গত ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়া হয়। তারপর থেকেই সেখানে কারফিউ জারি ছিল এবং মোবাইল, ল্যান্ড লাইন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে সম্প্রতি ল্যান্ডফোন ও পোস্টপেইড মোবাইল সেবা আবারও চালু করা হলেও ইন্টারনেট সেবা এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে। </body></HTML> 2019-10-16 20:05:42 1970-01-01 00:00:00 বহু আগেই প্রাণের অস্তিত্ব মিলেছে মঙ্গলে, দাবি নাসার বিজ্ঞানীর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83921 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234726_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234726_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মঙ্গলে ৪০ বছর আগেই প্রাণের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার এক প্রাক্তন বিজ্ঞানী।<br>গিলবার্ট ভি লেভিন নামে ওই বিজ্ঞানীর দাবি, ১৯৭৬ সালে মঙ্গলে একটি বাইকিং ল্যান্ডার পাঠিয়েছিল নাসা। সেই সময় প্রধান তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি জার্নালে লেভিন ওই অভিযান-সংক্রান্ত একটি প্রবন্ধ লেখেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, তখনই মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল।<br>ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেভিনের ওই পরীক্ষার নাম ছিল ‘লেবেলড রিলিজ।’ মঙ্গলের মাটি পরীক্ষা করার জন্য ওই ল্যান্ডার পাঠানো হয়েছিল। তখনই সব প্রশ্নের উত্তর মোটামুটিভাবে পাওয়া গিয়েছিল বলে এই বিজ্ঞানীর দাবি।<br>জানা গেছে, ওই পরীক্ষায় মঙ্গলের মাটিতে কিছু পৌষ্টিক উপাদান পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলে যদি প্রাণ থাকত তাহলে তারা খাবার খেয়ে বায়বীয় পদার্থ বর্জন করত, যা তাদের পরিপাক ক্রিয়ার প্রমাণ দিত। সেই প্রমাণ তখন ওই ল্যান্ডারের রেডিওঅ্যাকটিভ মনিটরে পাওয়া যায় বলে লেভেন জানিয়েছেন।<br>তার দাবি, ওই মাটি নিয়ে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করে দেখেছিল নাসা। দুই বারই প্রাণের প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু নাসা ওই পরীক্ষার ফলাফলের প্রতিলিপি তাদের ল্যাবরেটরিতে বের করতে পারেনি। তাই সঠিক ফলাফল আর সামনে আসেনি।<br>লেভিন তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেছেন, ল্যান্ডারটি আসল প্রাণের প্রমাণ না পেলেও প্রাণের মতো কিছু একটার সন্ধান পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে নাসা আর কখনও প্রাণ পরীক্ষা করার কোনো যন্ত্র মঙ্গলে পাঠায়নি।<br>তবে কয়েক দশক পর আজ আরও উল্লেখযোগ্য কিছু চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নাসার ‘কিউরিওসিটি’ অরগ্যানিক জিনিসের চিহ্ন পেয়েছে মঙ্গলে। এমনকি এক সময় লবণহ্রদ ছিল বলেও প্রমাণ পেয়েছে নাসা। গহ্বরের গায়ে লবণের পুরু ওই আস্তরণ দেখেই গবেষকরা মনে করছেন, মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে।<br>আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই নাসার ‘মার্স ২০২০’ রোভার যাত্রা শুরু করবে। এটা মঙ্গলে পৌঁছাবে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এতে এমন একটি যন্ত্র থাকবে যাতে অতীতে থাকা যেকোনো প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ উঠে আসবে বলে বিজ্ঞানীদের আশা। </body></HTML> 2019-10-16 20:05:11 1970-01-01 00:00:00 কবর থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া শিশুটির বাঁচার লড়াই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83920 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234686_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234686_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>গত বৃহস্পতিবার ভারতের উত্তর প্রদেশে কবর থেকে এক নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ওই কন্যাশিশুটি এখন হাসপাতালে বেঁচে থাকার লড়াই করে যাচ্ছে। উত্তর প্রদেশে বরেলি জেলায় একটি মাটির পাত্রে জীবিত কবর দেয়া হয়েছিল শিশুটিকে।<br>নিজের মৃত শিশুকে দাফন করতে কবর খুঁড়তে গিয়ে তিন ফুট মাটির ভেতর থেকে জীবিত শিশুটিকে উদ্ধার করেন উত্তরপ্রদেশের এক ব্যবসায়ী। কিছুদূর খোঁড়ার পরই মাটির পাত্রে কোদালের আঘাত লাগার পর মাটি সরিয়ে জীবিত ওই নবজাতকের খোঁজ পান তিনি। কবর থেকে ওই কন্যাশিশুকে উদ্ধারের পর পুলিশকে খবর দিলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।<br>বুধবার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির অবস্থা গুরুতর। তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাঁচ থেকে সাতদিন পরেই নিশ্চিতভাবে এ বিষয়ে জানানো যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।<br>এই ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে এবং জানিয়েছে যে, তারা এই কন্যাশিশুটির বাবা-মাকে খুঁজছে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা ধারণা করছেন কন্যা শিশু হওয়ায় তাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছে। আর এ কাজে শিশুটির বাবা-মায়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শিশুটির বাবা-মায়ের খোঁজ করা হচ্ছে। তীব্র লিঙ্গ বৈষম্যের দিক থেকে বিশ্বের প্রথম সারিতে রয়েছে ভারত। নারীদের প্রায়ই সামাজিকভাবে বৈষম্যের শিকার হতে হয়। সেখানে মেয়েদের বোঝা হিসাবে দেখা হয়, বিশেষ করে দরিদ্র সম্প্রদায়ে মেয়ে হলে তারা খুশি হতে পারেন না। স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের প্রধান শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ সৌরভ অঞ্জন বারেইলি বলেন, আমার মনে হয় যখন শিশুটিকে হাসপাতালে আনা হয় তখন তার বয়স প্রায় এক সপ্তাহ ছিল। শিশুটি সময়ের আগেই জন্ম নিয়েছিল। সম্ভবত ৩০ সপ্তাহে জন্ম হয়েছে শিশুটির। তার ওজন মাত্র ১.১ কেজি। জন্মের সময় শিশুর আদর্শ ওজনের হিসেবে এটা খুবই কম। ডাঃ অঞ্জন আরও বলেন, শিশুটির হাইপোথেরমিকও ছিল অর্থাৎ তার দেহের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের চেয়ে কম ছিল এবং হাইপোগ্লাইকেমিয়া ছিল। শিশুটির রক্তে শর্করার পরিমাণ ছিল ৩৫ যা কমপক্ষে ৪৫ হওয়া জরুরি।<br>তিনি আরও বলেন, শিশুটি খুব ছোট আর দুর্বল ছিল। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে অক্সিজেন দিয়েছিলাম এবং হাইপোথার্মিয়ার চিকিৎসাও শুরু করি। উন্নত সুবিধা থাকায় রোববার শিশুটিকে ডাঃ রবি খান্নার পেডিয়াট্রিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। </body></HTML> 2019-10-16 20:04:05 1970-01-01 00:00:00 তুর্কি-সিরীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ আটকাবে রাশিয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83919 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234623_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234623_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর থেকেই সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করেছে তুরস্ক। এর মধ্যেই উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করেছে সিরীয় সেনাবাহিনী। এতে করে তুর্কি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সঙ্গে তাদের বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।<br>তবে রাশিয়ার তরফ থেকে বলা হয়েছে যে, তারা তুর্কি এবং সিরীয় বাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে দেবে না। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে এখনও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক।<br>সিরিয়ায় মস্কোর বিশেষ দূত আলেকজান্ডার ল্যাভরেন্টিভ বলেন, এটা কোনো ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এটা অবশ্যই মেনে নেব না। গত সপ্তাহেই সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। সমালোচকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে তুরস্ককে সামরিক অভিযানের সবুজ সংকেত দিয়েছে। সে কারণেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার পর পরই সেখানে সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্ক।<br>সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক জোট রাশিয়া। ২০১৫ সালে আসাদ বাহিনীকে সহায়তার জন্য সিরিয়ায় সেনা মোতায়েন করে রাশিয়া।<br>এদিকে, কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সঙ্গে সিরীয় সেনাবাহিনীর একটি চুক্তি হয়েছে। কুর্দিরা বলছে, সরকার দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্তে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে কুর্দিদের বিরুদ্ধে তুরস্কের চালানো আগ্রাসন প্রতিহত করার চেষ্টা করবে। গত সপ্তাহ পর্যন্তও কুর্দিরা মার্কিন জোটের সঙ্গেই ছিল।<br>তুরস্কের তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারা সিরিয়ার ভেতরে অন্তত ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত কুর্দিদের হটিয়ে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ তৈরি করতে চায়। তুরস্কে থাকা ৩০ লাখের বেশি সিরীয় শরণার্থীকে ওই অঞ্চলে পুনর্বাসিত করার পরিকল্পনার কথাও বলেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ। সমালোচকরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এর ফলে ওই অঞ্চলে বসবাসরত কুর্দিরা জাতিগত নিধনের শিকার হতে পারে। </body></HTML> 2019-10-16 20:03:24 1970-01-01 00:00:00 ঢাকায় ভারতকে হারাবোই : জামাল ভূঁইয়া http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83918 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234544_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234544_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>জয়টা হাতছাড়া হয়েছে দুই মিনিট বাকি থাকতে। ভারতের বিরুদ্ধে তাদের মাটিতে এমন একটি জয়ের সুযোগ আর কবে আসবে বাংলাদেশের? মঙ্গলবার কলকাতার সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ৪২ মিনিটে গোল দিয়ে ৮৮ মিনিটে গোল খেয়ে ভারতকে হারানোর সুযোগ খুইয়েছে বাংলাদেশ।<br>লাল-সবুজ জার্সিধারী সমর্থকরা হতাশ হয়েছে শেষ মুহুর্তে গোল খেয়ে দুই পয়েন্ট হারানোয়। বাংলাদেশের খেলোয়াড়ও আপসোসে পুড়েছেন ম্যাচের পর। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোচ জেমি ডে একা এসেছিলেন। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার প্রতিক্রিয়া তাই তাৎক্ষণিকভাবে নেয়া যায়নি।<br>আজ (বুধবার) টিম হোটেলে সকালের নাস্তা করতে করতেই অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলছিলেন সেই আপসোসের কথা, ’আমাদের সবার মন খারাপ। খুব কস্ট পেয়েছি। জয়ের এত কাছে গিয়েও ফিরে আসতে হলো।’<br>দুই মিনিট বাকি থাকতে গোল। ওই সময়ে কি খেলোয়াড়রা ক্লান্ত ছিল? নাকি নার্ভাস? জামাল ভূঁইয়ার উত্তর, ‘কোনটাই না। সময় যখন শেষ হয়ে আসছিল তখন ভারত তাদের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছিল ম্যাচে ফিরতে। তারা সফল হয়েছে। ফুটবলে এমন তো হয়ই। আমরা ভালো খেলেছি, জেতার মতো খেলেছি। জয়টা পাইনি।’<br>দর্শক দেখে বাংলাদেশের ফুটবলাররা ভয় পাবেন, নার্ভাস হবেন-ম্যাচের আগে এমন ধারণা ছিল কলকাতার মানুষের। কিন্তু বাস্তবে কি তেমন কিছু হয়েছে? ’আমাদের পারফরম্যান্সই প্রমান করে দর্শকরা আমাদের কোনো চাপে ফেলতে পেরেছিল কি পারেনি। ফুটবল বেশি দর্শকের সামনে খেলে আনন্দও আছে’- বলছিলেন অধিনায়ক। ভারতের ফুটবল অনেক এগিয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে এখন অনেক পার্থক্য। র‌্যাংকিংও তাই বলছে। আসলেই কি তাই? জামাল ভূইয়া বলেন, ‘৯০ মিনিটের ম্যাচে ৪৬ মিনিট আমরা এগিয়েছিলাম। আমাদের সব কিছুই ঠিক ছিল। গোল আরেকটা হয়ে গেলে কিন্তু ভারত আর ম্যাচে ফিরতে পারতো না।’ কলকাতায় ম্যাচ খেলে এখন ঢাকার ম্যাচ নিয়ে কি ভাবনা? ‘ঢাকায় আমরা জিতবো, হান্ড্রেড পার্সেন্ট। আগামী বছর ৪ জুন ম্যাচটি হবে। তার আগে আমরা আরো তিনটি ম্যাচ খেলবো। আগামী মাসেই আমাদের ম্যাচ আছে ওমানে। তাদের মাঠে গিয়ে আমাদের খেলতে হবে’- বলেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। </body></HTML> 2019-10-16 20:02:09 1970-01-01 00:00:00 আসন্ন ক্রিকেট বিশ্বকাপে সহ-আয়োজক বাংলাদেশ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83917 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234512_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234512_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>এশিয়ার ক্রিকেট খেলুড়ে কোনো দেশই এখন পর্যন্ত এককভাবে কোনো বিশ্বকাপ আয়োজন করতে পারেনি। উপমহাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া ১৯৮৭, ১৯৯৬ ও ২০১১ সালের আইসিসি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করা হয়।<br>এই অঞ্চলে প্রথমবার অনুষ্ঠিত হওয়া ১৯৮৭ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করে ভারত-পাকিস্তান। এরপর ১৯৯৬ বিশ্বকাপ ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা এই তিন দেশ মিলেই আয়োজিত হয়। আর সবশেষ ২০১১ বিশ্বকাপে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশও ছিল। বিশ্বকাপের পরবর্তী আসর ২০২৩ বিশ্বকাপ ভারত এককভাবেই আয়োজন করবে বলে এবারের আইসিসির সূচিতে লেখা হয়েছে। কিন্তু উপমহাদেশে আয়োজিত কোনো দেশ এখন পর্যন্ত এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন না করায় সে সুযোগটা নিতে চাইছে বাংলাদেশ। ২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের সহ-আয়োজক হতে চেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুবাইয়ে আইসিসি সভা শেষে দেশে ফিরে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিসিবি প্রধান বলেন, ‘চেষ্টা করছি সহ-আয়োজক হতে। যদি আমাদের পূর্বাচলের নতুন স্টেডিয়ামটি সম্পন্ন করতে পারি তাহলে বিষয়টি বলতে আমাদের সহজ হবে। কারণ কিছু ম্যাচ এখানে করার কথা বলতে পারব আইসিসিকে।’ ‘আগামী বিশ্বকাপের কয়েকটি ম্যাচ বাংলাদেশে করতে অনুরোধ জানাবে। সফল হওয়ার সম্ভাবনা আছে, একেবারে যে নেই, তা নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে ভারতের কারও সঙ্গে কথা হয়নি এখনো। আমরা চেষ্টা করছি।’ যুক্ত করেন বিসিবি বস। and nbsp; </body></HTML> 2019-10-16 20:01:32 1970-01-01 00:00:00 ক্যারিবীয় দলে সুযোগ পেলেন ওয়ালশ-কিং http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83916 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234475_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234475_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় ক্রিকেট দলে সদ্য সমাপ্ত ক্যারিবীয়ান প্রিমিয়ার লিগের (সিপিএল) প্রভাব পড়তে একদমই সময় লাগলো না। সিপিএলের চ্যাম্পিয়ন দল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের কোচ ফিল সিমন্সকে জাতীয় দলের হেড কোচ করার পর এবার নিজেদের স্কোয়াডে সিপিএলের পারফরমারদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।<br>আগামী মাসে ভারতের দেহরাদুনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ দুই সিরিজের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে ডাকা হয়েছে সবশেষ সিপিএলের দুই সুপারস্টার ব্রেন্ডন কিং ও হেইডেন ওয়ালশকে।<br>এবারের সিপিএলে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের রেকর্ড টানা ১১ জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন কিং। পুরো টুর্নামেন্টের ১২ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটিতে করেছেন আসরের সর্বোচ্চ ৪৯৬ রান। অন্যদিকে প্রথম ৪ ম্যাচ না খেলা হেইডেন ওয়ালশ পরের ৯ ম্যাচে শিকার করেছেন আসরের সর্বোচ্চ ২২টি উইকেট। এ দুজনকেই নিজেদের পারফরম্যান্সের পুরষ্কার দিয়েছে উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। মজার ব্যাপার হলো ২০১৮ সালেই নিজ জন্মভূমি যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলা শুরু করে দিয়েছিলেন হেইডেন ওয়ালশ। এমনকি চলতি বছরের শুরুতে হয়ে গেছে তার আন্তর্জাতিক অভিষেকও। এরই মধ্যে খেলেছেন ১টি ওয়ানডে ও ৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তবে দুই দেশেরই বৈধ পাসপোর্ট রয়েছে তার। এছাড়া সিপিএলে দারুণ বোলিং করা বাঁহাতি স্পিনার খ্যারি পিয়েরেকেও দুই ফরম্যাটের স্কোয়াডে রাখা হয়েছে।<br> and nbsp;এখনও পর্যন্ত ৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলেছেন পিয়েরে। বছর তিনেক আগে সবশেষ ওয়ানডে খেলা কাইরন পোলার্ডের নেতৃত্বেই এ দুই সিরিজ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।<br>টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:<br>কাইরন পোলার্ড (অধিনায়ক), নিকলাস পুরান, এভিন লুইস, শিমরন হেটমায়ার, শেরফান রাদারফোর্ড, ব্রেন্ডন কিং, ফাবিয়ান এলেন, জেসন হোল্ডার, হেইডেন ওয়ালশ, লিন্ডল সিমন্স, খ্যারি পিয়েরে, শেলডন কটরেল, দীনেশ রামদিন, কেসরিক উইলিয়ামস ও আলঝারি জোসেফ।<br>ওয়ানডে স্কোয়াড:<br>কাইরন পোলার্ড (অধিনায়ক), শাই হোপ, এভিন লুইস, শিমরন হেটমায়ার, সুনিল অ্যামব্রিস, নিকলাস পুরান, ব্রেন্ডন কিং, রস্টোন চেজ, জেসন হোল্ডার, হেইডেন ওয়ালশ, খ্যারি পিয়েরে, শেলডন কটরেল, কেমো পল, আলঝারি জোসেফ এবং রোমারিও শেফার্ড।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 20:01:00 1970-01-01 00:00:00 নতুন টি-টোয়েন্টি লিগে খেলবেন শচিন লারা মুরালিরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83915 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234435_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234435_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বিশ্বব্যাপী ক্রিকেট ফ্যানদের জন্য সুখবরই নিয়ে এলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। দিয়েছে ক্রিকেট নস্টালজিকদের স্মৃতির পাতায় ঘুরে আসার অসাধারণ এক সুযোগ। আগামী বছরেই আবার ক্রিকেট মাঠে খেলতে যাবে অবসর নেয়া নামীদামী তারকা ক্রিকেটারদের। সড়কে নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ‘ওয়ার্ল্ড রোড সিরিজ’ নামক এক নতুন টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলবেন শচিন টেন্ডুলকার, ব্রায়ান লারা, মুত্তিয়াহ মুরালিধরন, জ্যাক ক্যালিসদের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী এ নতুন লিগটি হবে আগামী বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে।<br>যেখানে প্রাথমিকভাবে অংশ নেবে পাঁচটি দল- ভারত লিজেন্ডস, অস্ট্রেলিয়া লিজেন্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকা লিজেন্ডস, শ্রীলঙ্কা লিজেন্ডস এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ লিজেন্ডস। এ টুর্নামেন্টে শচিন, লারা, মুরালি, ক্যালিস ছাড়াও দেখা মিলবে ব্রেট লি, শিবনারায়ন চন্দরপল, ভিরেন্দর শেবাগদের মতো তারকা ক্রিকেটারদের।<br>জানা গেছে, এরই মধ্যে এ টুর্নামেন্টে খেলার কথা নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়া ১১০ জন ক্রিকেটার। সারা বিশ্বব্যাপী যেভাবে হয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, একইভাবে হবে এই ওয়ার্ল্ড রোড সিরিজ। প্রথম আসরের জন্য শুধু টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকেই খেলোয়াড়দের রাখা হয়েছে।<br>এ টুর্নামেন্টটি মূলত পরিচালিত হবে মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারের পেশাদার ব্যবস্থাপনা গ্রুপ ও সড়ক নিরাপত্তা ইউনিটের মাধ্যমে। প্রাথমিকভাবে আগামী ১০ বছর এই টুর্নামেন্ট চালানোর কথা ভাবছে আয়োজকরা। গত বছরের আগস্টেই বিসিসিআইয়ের কাছ থেকে এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্মতি পেয়েছে আয়োজকরা। </body></HTML> 2019-10-16 20:00:17 1970-01-01 00:00:00 ১৭ বছরে ডাবল সেঞ্চুরি রেকর্ডবুকে ঝড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83914 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234400_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234400_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>চলতি সপ্তাহের শুরুতে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরি করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার সাঞ্জু স্যামসন। সেই ঘটনার ৪ দিনের মাথায় আরও একটি ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন আরেক ভারতীয় ক্রিকেটার, এবারও ঝড় উঠেছে রেকর্ডবুকে।<br>তার বয়সটা মাত্র ১৭ বছর ২৯২ দিন। এখনও খেলছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দলে। যুবদলের ইনিংস সূচনার দায়িত্ব থাকে তারই কাঁধে। এবার একই দায়িত্ব নিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে গড়েছেন ইতিহাস। খেলেছেন ১৫৪ বলে ২০৩ রানের রেকর্ডগড়া এক ইনিংস। ভারতের একদিনের ক্রিকেটের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট বিজয় হাজারে ট্রফিতে মুম্বাইয়ের হয়ে নিজের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমে এ কীর্তি গড়েছেন ১৭ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার যশবি জয়সওয়াল। এর আগে দ্বিতীয় ম্যাচেই হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি।<br>ব্যাঙ্গালুরুতে ঝাড়খণ্ডের বিপক্ষে ম্যাচে যশবির ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে ৩৫৮ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে মুম্বাই। অল্পের জন্য পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেননি যশবি। আউট হয়েছেন ৫০তম ওভারের চতুর্থ বলে। তার আগেই অবশ্য ১৭ চার ও ১২ ছয়ের মারে খেলেছেন ২০৩ রানের ইনিংস। এ ইনিংসের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম টিনএজার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন যশবি। তার চেয়ে কম বয়সে আর কেউ লিস্ট এ ক্রিকেটে দ্বিশতক করতে পারেননি। এছাড়া চলতি শতকে জন্ম নেয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনিই প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান। এ ইনিংস খেলার পথে ১২টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন যশবি যা কি না বিজয় হাজারে ট্রফিতে সর্বোচ্চ ছয়ের রেকর্ড। এছাড়া বিজয় হাজারে ট্রফিতে ডাবল সেঞ্চুরি করা তৃতীয় ব্যাটসম্যান তিনি। তার আগে কেভি কৌশল ও সাঞ্জু স্যামসন দেখিয়েছেন এ কৃতিত্ব। আর সবমিলিয়ে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা সপ্তম ভারতীয় ক্রিকেটার তিনি। তার আগে এই রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন শচিন টেন্ডুলকার, বীরেন্দ্রর শেবাগ, রোহিত শর্মা (তিনবার), শিখর ধাওয়ান, কেভি কৌশল এবং সাঞ্জু স্যামসন। এর মধ্যে শচিন, শেবাগ আর রোহিতের ডাবল সেঞ্চুরিগুলো এসেছে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচে। আর ২০১৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষ প্রস্তুতি ম্যাচে ২৪৮ করেছিলেন শিখর ধাওয়ান। </body></HTML> 2019-10-16 19:59:47 1970-01-01 00:00:00 সিদ্দিকের বিরুদ্ধে স্ত্রীর পরকীয়ার অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83913 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234361_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571234361_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>রম্য অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন তার স্ত্রী মারিয়া মিম। অভিনেতার একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি নতুন তথ্য প্রকাশ করেছেন। তাকে মাঝেমধ্যে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন। এও বলেছেন, তিনি যদি সবকিছু প্রকাশ করে দেন, তবে সিদ্দিক পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হবেন। মিমের কথায়, ‘ওর একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক। আমার কাছে প্রমাণ আছে। সারারাত বাইরে থাকে। নাটকের শুটিং কয়টা পর্যন্ত থাকে? ৮টা ১০টা ১২টা? তাহলে এত রাতে বাইরে থাকে কেন? মধ্যরাতে বা ভোরে এসে বাচ্চার ঘুম ভাঙায়। সে আমাকে মোটেও সময় দেয় না। বাইরে ঘুরতে নিয়ে যায় না। এতই যখন ব্যস্ত, তাহলে স্ত্রীর দরকার কী?’<br>তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ের পর এক বছর আমাদের সম্পর্ক ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু সন্তান হওয়ার পর থেকেই ওর মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাই। নানা রকম কথা শুনতে পাই। সব জেনে বুঝেও আমি মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছিলাম, সংশোধন করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কিছুই হয়নি।’ স্ত্রীর অভিযোগের বিপরীতে অভিনেতা সিদ্দিক বলেন, ‘আগে অভিযোগ ছিল, মডেলিং করতে না দেয়ায় সে আমাকে ডিভোর্স দিতে চায়। এখন চরিত্র নিয়ে কথা বলছে। এখন এসব আসছে কোথা থেকে? সবাই জানে আমি কেমন। বিয়ের আট বছরের মাথায় হুট করে তার মাথায় মডেলিং করার ভুত চাপল কেন, সেটা পরে বলব। আমি মানুষ হাসাই। সারাজীবন মানুষের মুখে হাসিই ফুটিয়ে যেতে চাই।’ and nbsp; and nbsp; কমেডি অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন। and nbsp; পরের বছরই তাদের সংসার আলো করে আসে পুত্র সন্তান। নতুন সদস্যকে নিয়ে ভালোই চলছিল সংসার। তবে তাদের সংসারে সম্প্রতি নেমে এসেছে অন্ধকার। সিদ্দিককে ডিভোর্স দিতে চাইছেন তার স্ত্রী মিম। গত তিন মাস ধরে তিনি সিদ্দিকের কাছ থেকে আলাদা থাকছেন। and nbsp; and nbsp; কারণ হিসেবে দুদিন আগে মিম জানান, কিছুদিন আগে তার একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা ছিল। সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।কিন্তু হঠাৎই জানতে পারেন, ওই বিজ্ঞাপনে তাকে বাদ দিয়ে অন্য মডেল নিয়ে কাজ করা হয়ে গেছে।<br> and nbsp;সিদ্দিকই নাকি তাকে বাদ দিয়ে অন্য মডেল দিয়ে কাজ করানোর জন্য নির্মাতাকে প্রভাবিত করেন। এ জন্য তিনি বিস্ময়ও প্রকাশ করেন। এবার তুললেন পরকীয়ার অভিযোগ। </body></HTML> 2019-10-16 19:58:03 1970-01-01 00:00:00 ফেনীর সোনাগাজীতে ডিবি পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত সর্দার ইকবাল নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83912 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571230498_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571230498_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥<br>ফেনীর সোনাগাজীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গোয়েন্দা পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সর্দার ইকবাল হোসেন (৩৫) ওরফে ইকবাল ডাকাত নিহত হয়েছে।এসময় আহত হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্য। মঙ্গলবার ভোরে উপজেলা সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের পাঠান বাড়ি সংলগ্ন আজম খান মার্কেটের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি এক নলা বন্দুক ও তিন রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়,একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ ছাড়াইতকান্দি গ্রামে যৌথ অভিযান চালায়।এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। একপর্যায় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ডাকাত সর্দার ইকবাল গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।এসময় তার সহযোগিরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক ও তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে।মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহত ডাকাত ইকবাল পূর্ব ছাড়াইতকান্দি গ্রামের মৃত আবদুর রব এর ছেলে। তার বিরুদ্ধে and nbsp; ফেনী, নোয়াখালী ও চট্রগ্রাম জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা ডাকাতির মোট ৩৭ টি মামলা রয়েছে।ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রনজিত বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৫ জুলাই রাত ২টার দিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. সিএস করিমের ছাড়াইতকান্দি গ্রামের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ইকবালের নাম উঠে আসে। গ্রেফতারকৃত চারজন ডাকাত তার নেতৃত্বে ডাকাতি করেছে মর্মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ইকবাল গ্রেফতারের জন্য হন্য হয়ে খুঁজতে থাকে পুলিশ। ইকবার ফেনী জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন জসিমের সৎ ভাই। গত ৬ মাস আগে ৪১ মাস সাজা খেটে জেলখানা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি ইকবাল। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে তিনি ডাকাতদলের সদস্যদের সংগঠিত করে ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যাসহ ৩৭টি মামলা রয়েছে। এর আগে একাধিক ঘটনায় তার বাড়ি থেকে ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা হয়েছিল। তার বাবা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে সম্প্রতি মৃতুবরণ করেন। </body></HTML> 2019-10-16 18:54:13 1970-01-01 00:00:00 নাঙ্গলকোটে পিআইও অফিসে দরপত্র বিক্রির শেষ দিনে কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83911 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222417_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222417_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা প্রতিনিধি ॥<br>কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন র্কমকর্তা (পিঅাইও) শামীমা অাক্তার দরপত্র সিডিউল বিক্রির শেষ দিন হওয়া সত্ত্বেও গতকাল মঙ্গলবার সারাদিন কার্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকার্তা লামিয়া সাইফুলের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। <br>অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ওই অফিসে গতকাল ছিলো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ২০১৯/২০ অর্থ বছরে গ্রামীণ মাটির রাস্তা সমূহ টেকসই করণের লক্ষে হেরিংবন্ড (এইচবিবি) করণ (২য় পর্যায়) কাজের ১৫টি প্যাকেজ ভুক্ত প্রকল্পের দরপত্র বিক্রির শেষ দিন। ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দরপত্র বিক্রি না করে সারা দিন অফিসের বাহিরে ছিলেন।<br>ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ বলেন, পিঅাইও শামীমা অাক্তার সারাদিন অফিসে ছিলেননা। উনাকে অামরা বারবার ফোন করেও পাইনি। এই দিনে উনি উপস্থিত না থাকা ও ফোন না ধরার মধ্যে অবশ্যই কোন বড় ধরনের দুর্নীতি লুকায়িত, তাই অামরা তার বিরুদ্ধে অাইনানুগ ব্যবস্থা ও and nbsp; এ টেন্ডার সিডিউল বাতিল করে পূণ:দরপত্র আহবানের দাবী জানাই।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 16:39:52 1970-01-01 00:00:00 ছাত্রলীগের উদ্যোগে নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ কর্মশালা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83910 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222312_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><div><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222312_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রায়হান ॥</div>তৈরি হও এখনই এগিয়ে যাও আগামীর জন্য। সুপরিকল্পিত শ্রম কখনো বৃথা যায় না। তাই সময় ও শ্রম সুপরিকল্পিত বিন্যাসের মাধ্যমে তুমি হয়ে ওঠো আগামীর সম্পদ, কারণ আগামীর বাংলাদেশ তোমারই হাতে।<br><br>প্রশিক্ষিত কর্মী তৈরির মাধ্যমে সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে, গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এই কর্মশালার মাধ্যমে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা হবে।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সারাদেশব্যাপী উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে কোনো নেতাকর্মীর ভুলের কারণে যেন সে কর্মকাণ্ড ব্যাহত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই কর্মশালা। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশিক্ষণ এর কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন আয়োজক বৃন্দ। আয়োজক বৃন্দ এর একজনের সাথে কথা বল্লে তিনি জানান, প্রশিক্ষিত কর্মী ছাড়া দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।বর্তমান বিভিন্ন অপরাজনীতি ও গুজবের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালনের জন্য প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। প্রতিটি প্রশিক্ষিত কর্মী দলের দুর্দিনের সম্পদ। সংগঠনে নেতৃত্ব দিতে হলে সংগঠনে কার কি দায়িত্ব সেটা আগে জানা প্রয়োজন। কারণ দায়িত্বশীল জায়গা থেকে অসাংগঠনিক আচরণ সংগঠনকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয় আমি মনে করি। সারা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা উচিত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে তারা আমাদের এই কর্মশালা কে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।<br>এছাড়াও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এই কর্মশালায় সার্বিক সহযোগিতা করছেন। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ছাত্রলীগের ইতিহাস, বক্তব্য প্রশিক্ষণ, স্লোগান প্রশিক্ষণ, অনলাইনে রাজনৈতিক প্রচারণা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, রাজনৈতিক শিষ্টাচার প্রশিক্ষণ, মাদকবিরোধী প্রশিক্ষণ নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক and nbsp; প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।<br>সাবেক ছাত্রনেতা ও দক্ষ প্রশিক্ষক দের সমন্বয়ে এই কর্মশালা পরিচালিত হবে। ১৮/১৯ অক্টোবর প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলবে।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 16:38:17 1970-01-01 00:00:00 ক্ষুধা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পেছনে ভারত-পাকিস্তান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83909 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222149_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222149_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিরিখে ভারত ও পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। চলতি বছরের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (জিএইচআই) এ তথ্য উঠে এসেছে। আয়ারল্যান্ডের ‘কনসার্ন ওয়ার্ল্ড ওয়াইড’ ও জার্মানির ‘ওয়েলথ হাঙ্গার লাইফ’ নামের দুটি প্রতিষ্ঠান জিএইচআই বা বিশ্ব ক্ষুধা সূচক অনুসারে এই বার্ষিক রিপোর্ট তৈরি করে। সেখানে দেখা যায়, ২৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮। ১১৭টি দেশকে নিয়ে করা এই সূচকে পাকিস্তান ও ভারতের অবস্থান যথাক্রমে ৯৪ ও ১০২। তবে ভারত ও পাকিস্তানকে পেছনে ফেললে ওই সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। সূচকে দেশ দুটির অবস্থান যথাক্রমে ৬৬ ও ৭৩।<br>অপুষ্টি, শিশুমৃত্যু, পাঁচ বছরের চেয়ে কম বয়সি শিশুর উচ্চতার তুলনায় কম ওজনের মতো কয়েকটি মাপকাঠিতে বিভিন্ন দেশকে বিচার করে এই বিশ্ব ক্ষুধা সূচক তৈরি করা হয়। সূচকে শূন্য থেকে ১০০ পর্যন্ত পয়েন্ট রয়েছে। চার মাপকাঠিতে যে দেশের পয়েন্ট যত বেশি হবে সেই দেশ তালিকায় ততো পিছিয়ে থাকবে। and nbsp; চলতি বছরের সূচক অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুর উচ্চতার তুলনায় কম ওজনের বিষয়টি (চাইল্ড ওয়েস্টিং) সবচেয়ে বেশি প্রকট ভারত, ইয়েমেন ও জিবুতিতে। ভারতে এই ধরনের ঘটনার হার ২০.৮ শতাংশ। </body></HTML> 2019-10-16 16:35:25 1970-01-01 00:00:00 নিজে বাঁচতে তুহিনের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে হত্যা করেন বাবা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83908 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222076_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571222076_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নিজেকে বাঁচাতে এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু তুহিনকে পেটে দুটি ছুরি ঢুকিয়ে হত্যা করেছেন বাবা আব্দুল বাছির। বর্বরতার এখানেই শেষ নয়। তার দুই কান ও গোপনাঙ্গ কেটে নেওয়া হয়। পরে পাঁচ বছর বয়সী ও শিশুর নিথর দেহ ঝুলিয়ে রাখা হয় কদম গাছের ডালে। এছাড়া পেটে ঢোকানো ছুরিতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দুজনের নাম লেখা হয়। তুহিনকে হত্যায় বাবার সঙ্গে অংশ নেন চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। ঘটনার দিন শিশু তুহিনকে ঘুমন্ত অবস্থায় তার বাবা আব্দুল বাছির ঘর থেকে বের করে নিয়ে যান। এরপর তুহিনের বাবা, চাচা ও চাচাতো ভাই মিলে হত্যা করেন। এরপর তুহিনের পেটে দুটি ছুরি বিদ্ধ করে গাছে ঝুলিয়ে দেন।<br><br>মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শিশু তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ। তুহিন হত্যায় অংশ নেয়া বাবা-চাচা এবং চাচাতো ভাই আগে থেকেই হত্যা মামলার আসামি। তুহিনের বাবা একটি হত্যা মামলার পাশাপাশি আরও দুটি মামলার আসামি। এ এলাকায় আরও দুটি খুনের ঘটনা ঘটে। ওসব মামলার আসামি তুহিনের বাবা-চাচা এবং চাচাতো ভাইসহ অন্যরা। তবে তুহিন হত্যায় জড়িত মূলত তিনজন। তারা হলেন বাবা আব্দুল বাছির, চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। মূলত প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।<br><br>তবে স্থানীয়রা বলছেন, পারিবারিক বিরোধ ও হত্যা মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে সন্তান তুহিনকে বলি দিয়েছেন বাবা আব্দুল বাছির। আগে থেকেই আব্দুল বাছির প্রতিপক্ষের করা হত্যা মামলার আসামি। ওই মামলা থেকে নিজেকে বাঁচাতে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তুহিনের বাবা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে শিশু তুহিনের পরিবারের বিরোধ দীর্ঘদিনের। and nbsp; ২০০৫ সালে ওই গ্রামে মুজিব নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। নিহত মুজিব আনোয়ার মেম্বারের আত্মীয়। এরপর ২০১৫ সালে নিলুফা নামে এক নারীকে হত্যা করা হয়। নিহত নিলুফা তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আত্মীয়। তবে দুটি হত্যা মামলার আসামি হন তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির।<br><br>এ নিয়ে গ্রামে বিরোধ দেখা দেয়। নিলুফা হত্যা মামলার আসামি হওয়ার বিরোধকে কেন্দ্র করে আব্দুল বাছিরের সঙ্গে আনোয়ার মেম্বারের পরিবার বিভক্ত হয়ে যায়। সেইসঙ্গে গ্রামে শুরু হয় আধিপত্য বিস্তারের লড়াই। মধ্যে দীর্ঘদিন তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে না এলেও শিশু তুহিন হত্যাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ পায় দীর্ঘদিনের ক্ষোভ। এদিকে, তুহিন হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিতে ছালাতুল ও সোলেমান নামে দুজনের নাম লেখা রয়েছে। তারা মূলত আনোয়ার মেম্বারের লোক। ছুরিতে প্রতিপক্ষ দুজনের নাম লেখা দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে তুহিন হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।<br>এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ছুরিতে যে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে তারা মূলত আনোয়ার মেম্বারের লোক এবং তুহিনের পরিবারের প্রতিপক্ষ। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দুজনের নাম ছুরিতে লেখা রয়েছে। তুহিনের পরিবারের সঙ্গে তাদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। তবে দুটি ছুরির ওপর থেকে হাতের ছাপ ও যে নামগুলো লেখা আছে তা হ্যান্ড রাইটিং বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসার পরই আদালত চার্জশিট দেওয়া হবে।<br>এর আগে বিকেলে তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মুছাব্বির এবং প্রতিবেশী জমশেদ আলীকে তিনদিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। একই সময় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তুহিনের আরেক চাচা নাছির উদ্দিন ও চাচাতো ভাই শাহরিয়ার। তারা পাঁচজন পুলিশ হেফাজতে। </body></HTML> 2019-10-16 16:33:56 1970-01-01 00:00:00 বুয়েটে সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতা রুখতে ছাত্র-শিক্ষকদের গণশপথ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83907 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221961_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221961_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ও শিক্ষকেরা ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দেওয়ার প্রতিজ্ঞায় গণশপথ নিয়েছেন। গণশপথের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদুর রহমান সায়েম এই ঘোষণা দেন। বুয়েট কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বুধবার দুপুর সোয়া একটার দিকে এই কর্মসূচি পালন করেন ছাত্র ও শিক্ষকেরা।<br>শপথে অংশ নেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের ডিন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের (ডিএসডব্লিউ) ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. আব্দুল বাসিত, বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। শপথবাক্য পাঠ করান বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিয়া রিজওয়ানা। শপথ পাঠের আগে আবরার ফাহাদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।<br><br>শপথবাক্যে বলা হয়, ‘আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের কল্যাণ ও নিরাপত্তার নিমিত্তে আমার ওপর অর্পিত ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক নৈতিক ও মানবিক সকল প্রকার দায়িত্ব সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করবো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় আমার জ্ঞাতসারে হওয়া প্রত্যেক অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমি সর্বদা সোচ্চার থাকবো।’ আমি আরও প্রতিজ্ঞা করছি, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল প্রকার সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থানকে আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেবো। নৈতিকতার সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সব ধরনের বৈষম্যমূলক অপসংস্কৃতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার আমরা সকলে উৎপাটিত করবো। এই আঙিনায় যেন আর কোনো নিষ্পাপ প্রাণ ঝড়ে না যায়; আর কোনো নিরপরাধ যেন অত্যাচারের শিকার না হয়। তা আমরা সবাই মিলে নিশ্চিত করবো।’<br><br>উল্লেখ্য, গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর থেকে ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের মুখে এরইমধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বুয়েট প্রশাসন। </body></HTML> 2019-10-16 16:32:14 1970-01-01 00:00:00 গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83906 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221832_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221832_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পরম যত্নে সন্তানদের লালন-পালন করা বৃদ্ধা মায়ের ঠিকানা হয়েছে এখন গোয়ালঘরে। এমনকি মানসিক রোগী আখ্যা দিয়ে কোমড়ে শিকল পরিয়ে বেঁধেও রেখেছেন ছেলেরা। এমন অমানবিক ঘটনা ঘটেছে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের চরধুপতি এলাকায়।<br>স্থানীয়রা জানান, গত ৫ মাস ধরে মা খবিরুন্নেসাকে (৭৫) গোয়ালঘরে বিছনা পেতে গরু বাঁধার রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন তার দুই ছেলে। একদিন রশি খুলে তিনি মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে ফের তাকে ছেলেরা ধরে এনে একই স্থানে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। শিকল বাঁধা অবস্থায় প্রায় ৫ মাস তিনি গোয়ালঘরেই জীবন-যাপন করছেন। বয়সের কারণে কানে একটু কম শুনলেও খবিরুন্নেসাকে তারা স্বাভাবিক হিসেবেই জানেন। মূলত জমি-জমা ভাগ হওয়ায় পর ছেলেদের কেউ বৃদ্ধা মায়ের যত্ন নিতে রাজি নন। যে কারণে তাকে অযত্ন অবহেলায় গোয়ালঘরে ফেলে রাখা হয়েছে। যাতে কোথাও যেতে না পারেন সে কারণে কোমড়ে লোহার শিকল পরিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ওই গোয়ালঘরেই দিনে একবার তাকে খাবার দেয়া হয়।<br><br>প্রতিবেশী হুমায়ুন কবীর জানান, খবিরুন্নেসা দুই ছেলে ও তিন মেয়ের জননী। দুই বছর আগে স্বামী আবদুল হামিদ খান মারা যাওয়ার পর তার সহায়-সম্পত্তি ছেলেমেয়েরা ভাগ করে নেন। মা খবিরুন্নেসার ভরণপোষণ নিয়ে ছেলেদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে বৈঠকে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের সহায়তায় উভয়ে অর্ধেক ভরণপোষণের ভার বহন করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ছেলেদের কেউই ঠিকমত মায়ের যত্ন নেননি। ছেলেদের অযত্ন অবহেলার শিকার হয়ে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এছাড়াও রোগে শোকে কাতর খবিরুন্নেসার শারীরিক অবস্থারও অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে ছেলেরা মাকে গোয়ালঘরে বিছানা পেতে সেখানে ফেলে রেখে মাত্র এক বেলা খাবার দিচ্ছেন।<br><br>গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ওই বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধা খবিরুন্নেসাকে অন্ধকারাচ্ছন্ন একটি গোয়াল ঘরের বিছানায় শিকলে বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়। স্যাঁতস্যাঁতে ও নোংরা একটি বিছানায় বসে তিনি নাতি-নাতনিদের ডাকছিলেন। শিকলে বাঁধা থাকায় তিনি বিছানা ছেড়ে নামতেও পারছিলেন না। এমনকি মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে মশারীরও কোনো ব্যবস্থা নেই। এ সময় ছেলেদের ব্যাপারে জানতে চাইলে খবিরুন্নেসা বলেন, ‘আপনারা কারা বাবা, মোর পোলারা ভালো, হ্যারা মোরো ঠিকমতো খাওন-দাওন দেয়। মোর পোলাগো যেন কোনো সমস্যা না অয় বাবা।’<br><br>নানাভাবে জানতে চাইলেও ছেলেদের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ করেননি তিনি। খবিরুন্নেসা বারবারই বলছিলেন, ‘আমার পোলারা আপনাগো দোয়ায় মোরে ঠিকমতো খাওন-দাওন দেয়, হ্যারা অনেক ভালো।’ ছোট ছেলে বাচ্চুকে এ সময় ঘরে পাওয়া যায়। বাচ্চু জানান, তিনি মায়ের ঠিকমতোই ভরণপোষণ দিচ্ছেন। গোয়ালঘরে কেন রাখলেন- জানতে চাইলে বাচ্চু বলেন, ‘মায়ের মাথায় সমস্যা, আমি বাহিরে কাজে ব্যস্ত থাকি। মা কোথায় কখন চলে যায় তাই বেঁধে রেখেছি।’ বড় ছেলে বাদলের ঘরে গিয়ে দেখা যায়, দামি সব আসবাবপত্র। বাদলকে বাড়িতে না পেলেও তার স্ত্রী বেবির সঙ্গে কথা হয়। বেবি বলেন, শাশুড়ি মানসিক রোগী। সে কারণে তাকে ছেলেরা বেঁধে রেখেছেন।<br><br>নির্মম এ ঘটনার খবর পেয়ে বুধবার সকালে বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ওই বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন। এ সময় তাকে পরিধেয় বস্ত্র ও নগদ অর্থ প্রদান করে মেয়ে তাসলিমার জিম্মায় দেয়া হয়। এ বিষয়ে গৌরিচন্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তানভীর হোসেন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে বৃদ্ধা খবিরুন্নেসাকে যথাসাধ্য সহায়তা দেয়া হবে। এছাড়াও তার ভরণপোষণ যাতে নিশ্চিত করা হয় সে ব্যাপারে ছেলেদের ডেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি ওই বৃদ্ধাকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছেন বলেও জানান। এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি চরম অমানবিক। এটি সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ছাড়া কিছু না। আমরা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃদ্ধা খবিরুন্নেসাকে উদ্ধার করে মেয়ে তাসলিমার জিম্মায় দিয়ে ছেলেদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছি। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-10-16 16:29:58 1970-01-01 00:00:00 বান্দরবানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পীর আত্মহত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83905 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221720_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221720_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বান্দরবানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজ দেবনাথ (২৯) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জেলা শহরের বালাঘাটা এলাকার নিজ বাসায় তিনি আত্মহত্যা করেন। বান্দরবান সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, সম্ভবত রাতেই পঙ্কজ আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি তদন্ত টিম পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।<br><br>বান্দরবান জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও পঙ্কজের বন্ধু আশীষ বড়ুয়া জানান, রাতেই পঙ্কজকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে. দীর্ঘদিন ধরে মার্মা সম্প্রদায়ের এক মেয়ের সঙ্গে পঙ্কজের প্রেমের সর্ম্পক ছিল। কিছুদিন ধরে প্রেমিকার সঙ্গে বনিবনা হচ্ছিল না তার। পঙ্কজের বন্ধুরা জানান, আত্মহত্যার আগে পঙ্কজ তাদের কাছে ফেসবুকের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বার্তা পাঠান। ওই বার্তার ভিত্তিতে তার কয়েকজন বন্ধু দ্রুত তার বাসায় যান। বাসায় গিয়ে তাদের ছাদের বিমের সঙ্গে পঙ্কজের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে তাকে সেখান থেকে দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।<br>উল্লেখ্য, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টিভির সংগীতবিষয়ক প্রতিযোগিতামূলক রিয়েলিটি শো বাংলাদেশি আইডলে বান্দরবানের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজ দেবনাথ সেরা ৮ এর মধ্যে ছিলেন। </body></HTML> 2019-10-16 16:28:10 1970-01-01 00:00:00 সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83904 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221624_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221624_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যশোরে একটি স্কুলে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে চাকরির প্রলোভনে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকরে বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সদর উপজেলার রুপদিয়া ওয়েলফেয়ার একাডেমির সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন ও প্রধান শিক্ষক বিএম জহিরুল পারভেজ ওই পদে অন্যকে নিয়োগ দিলেও টাকা ফেরত দেননি। দীর্ঘদিন ঘুরেও টাকা ফেরত না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ভুক্তভোগী চাকরি প্রার্থী নূর ইসলাম। টাকার অভাবে প্রতিবন্ধী সন্তান ও অসুস্থ বাবার চিকিৎসা করাতে পারছেন না। গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।<br><br>অভিযোগ প্রসঙ্গে স্কুলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বলেন, চাকরির নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ বানোয়াট। প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের বাসিন্দা নূর ইসলাম বলেন, ২০১৫ সালের ৬ মার্চ সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে প্রথম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর চাকরি দেয়ার কথা বলে বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন ও প্রধান শিক্ষক বিএম জহিরুল পারভেজ আমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা নেন। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবেই তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ বোর্ড গঠন করেননি। পরবর্তীতে একই বছরের ১০ অক্টোবর দ্বিতীয়বারের মতো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। সেইবারও নিয়োগ বোর্ড গঠন করেননি।<br><br>তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ ২০১৬ সালের ২০ জুন তৃতীয়বারের মতো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। নিয়োগ বোর্ড গঠন করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হয়েছিল। পরীক্ষায় আমি প্রথম হয়েছিলাম। কিন্তু সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফল প্রকাশ করতে গড়িমসি করেছিলেন। তারা আমাকে বলেছিলেন, আপনার চাকরি হবে। তবে রেজ্যুলেশন করতে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা লাগবে। শিক্ষা অফিসার ও নিয়োগ বোর্ডের কর্মকর্তারা টাকা ছাড়া রেজ্যুলেশনে স্বাক্ষর করবেন না। টাকা দেয়ার কিছুদিন পর জানতে পেরেছিলাম ওই পদে চিন্তা সেন নাম একজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।<br><br>নূর ইসলাম বলেন, সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক দুই দফায় আমার কাছ থেকে সাড়ে আট লাখ টাকা নিলেও চাকরি দেননি। তাদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তালবাহানা করতে থাকেন। সর্বশেষ তারা টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করছেন। কিন্তু চাকরির জন্য টাকা দেয়ার সময় স্বাক্ষী ছিলেন সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেনের ছোট ভাই ফেরদৌস, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বর মোমিন উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, এলাকার আনোয়ার হোসেন ও মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, জমিজমা বিক্রি করে চাকরির আশায় সাড়ে আট লাখ টাকা দিয়ে এখন অসহায় জীবন-যাপন করছি। বর্তমানে আমার বাবা ও ছেলে প্রচণ্ড অসুস্থ। তাদের চিকিৎসা করাতে পারছি না। টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।<br>সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এসএম আকরাম হোসেন, সদর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অশোক কুমার বোস, যুগ্ম আহ্বাায়ক মাযহারুল ইসলাম, সদস্য ফারুক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। </body></HTML> 2019-10-16 16:26:31 1970-01-01 00:00:00 আ.লীগ কর্মী হত্যায় যুবলীগ নেতা গ্রেফতার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83903 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221518_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221518_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তিনি আওয়ামী লীগ কর্মী রেজাউল করিম মোল্লা ওরফে আবু ডাক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। ফরিদপুর র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর আবদুল্লাহ আল মঈন হাসান রাত ১০টায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে নজরুল ইসলাম মন্ডলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে সোমবার বিকেলে দেবগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আতর আলী ও বর্তমান চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে রেজাউল করিম মোল্লা ওরফে আবু ডাক্তার (৪৫) খুন হন। স্যাটেলাইট স্কুল প্রাঙ্গণে দেবগ্রাম ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা করেন নিহত আবু ডাক্তারের বাবা দেবগ্রাম ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের মোবারক মোল্লা। এতে গোয়ালন্দ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মন্ডলকে প্রধান করে ৩৭ জনকে আসামি করা হয়। নিহত আবু ডাক্তার একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। </body></HTML> 2019-10-16 16:24:51 1970-01-01 00:00:00 সাভারে জঙ্গি সংগঠক আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83902 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221421_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221421_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সাভারে হাফেজ মাহফুজুর রহমান (৩৭) নামে এক জঙ্গি সংগঠককে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার আরএফ টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই, সিডি, একটি ল্যাপটপ ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে র‌্যাব। আটক হাফেজ মাহফুজুর রহমান মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার আব্দুর রহমানের ছেলে। র‌্যাব-২ এর এরিয়া কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, হাফেজ মাহফুজুর রহমানকে আমরা দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিলাম। তার কাছে একে-৪৭ রাইফেল রয়েছে- এমন তথ্য পেয়ে অভিযান শুরু হয়। তার মোবাইল নাম্বার ট্র‍্যাক করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে সাভার থেকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, তাকে নিয়ে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান করা হবে। এছাড়া একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধারে সাভারের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। </body></HTML> 2019-10-16 16:23:18 1970-01-01 00:00:00 প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদিত এমপিওভুক্তির তালিকা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83901 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221272_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221272_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকা অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ তালিকা বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী দেশে ফিরলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, নতুন এমপিও নীতিমালা অনুসারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তৈরি করা তালিকা অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত সোমবার এ তালিকা অনুমোদন দেয়া হয়। এক্ষেত্রে চরাঞ্চল ও হাওর অঞ্চলের প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পেয়েছে বলেও জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতির বয়স, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাসের হার বিবেচনা করে এমপিওভুক্তির খসড়া তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়।<br><br>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) জাভেদ আহমেদ জানান, গত সোমবার এমপিওভুক্তির তালিকা অনুমোদনের পর বুধবার সকালে তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ও সচিব আসার পর এ সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা হবে। জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ভারত গেছেন। অন্যদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। মন্ত্রী ও সচিব দেশে ফেরার পর এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশ করে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এদিকে নতুন এমপিও নীতিমালা অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তালিকায় অনুমোদন দেয়া হলেও গত মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) থেকে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ফুটপাতের ওপর অবস্থান নিয়ে এমপিভুক্তি নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তারা আমরণ অনশন পালন করবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন। </body></HTML> 2019-10-16 16:20:43 1970-01-01 00:00:00 আপন বোনের পাঁচ বছরের মেয়েকে অপহরণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83900 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মাহিমা আক্তার লামিয়া, বয়স পাঁচ। রাজধানীর ডেমরা থানার নূর মসজিদ সংলগ্ন বাঁশেরপুল এলাকায় নানা বাড়িতে মায়ের সঙ্গেই থাকে। প্রতিদিন মা লাকি আক্তারের আঁচল ধরে স্থানীয় একটি মাদরাসায় প্লে-গ্রুপে পড়তে যায় সে। গত ৭ অক্টোবর একইভাবে লামিয়াকে মাদরাসায় রেখে বাসায় ফেরেন মা। তবে কিছুক্ষণ পর খবর পান, এক নারী নিজেকে লামিয়ার খালা পরিচয় দিয়ে মাদরাসায় ঢুকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে চলে গেছেন। পরে লামিয়ার মুক্তির জন্য ৬০ লাখ টাকা দাবি করে অপহরণকারীরা। একপর্যায়ে লাকি আক্তার ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠান এবং ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।<br><br>এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, জিডি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় ডিবি ডেমরা জোনের পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) মো. সাখাওয়াৎ হোসেনকে। গত সোমবার তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বরগুনা সদরের ফুলঝুড়ি গ্রাম থেকে শিশু লামিয়াকে উদ্ধার করা হয়। সেই সঙ্গে অপহরণকারী মোছা. শাহিনুর আক্তার (২৬) ও মো. শাহীন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়। ডিএমপি জানায়, আসামিদের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় অপহরণকারী নারী শাহিনুর লামিয়ার আপন খালা। এই দুজনকে গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার আদালতে পাঠালে তাদেরেএকদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আদালতের সব কার্যক্রম শেষে বুধবার ভোরে লামিয়াকে তার মা লাকি আক্তারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিন সকালে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে লাকি আক্তার বলেন, লামিয়ার বাবা বাহরাইন প্রবাসী। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার তিতাস থানার হরিপুর গ্রামে। মেয়েকে নিয়ে বাবার বাসা ডেমরা থানার নূর মসজিদ সংলগ্ন বাঁশেরপুল এলাকায় থাকেন। গ্রেফতার দুজনের মধ্যে তার নিজের বোন রয়েছে, যিনি টাকার জন্য লামিয়াকে অপহরণ করেছিলেন। </body></HTML> 2019-10-16 16:18:20 1970-01-01 00:00:00 হান্ড্রেড বল ক্রিকেটের চূড়ান্ত তালিকায় বাংলাদেশের ১১ জন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83899 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221045_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571221045_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একশ বলের ক্রিকেট ‘দ্য হান্ড্রেড’। আগামী বছরের জুলাই-আগস্টে মাঠে গড়াবে এই টুর্নামেন্ট। যেখানে বিশ্বের প্রায় তিন শতাধিক ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে গঠন করা হবে ৮ দলের স্কোয়াড। সে লক্ষ্যে টুর্নামেন্টের পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় তালিকা প্রকাশ করেছে আয়োজকরা। যেখানে ইংল্যান্ডের স্থানীয় ও বিদেশি মিলে মোট ৩৩০ জন ক্রিকেটারকে তালিকাবদ্ধ করা হয়েছে। যাদেরকে আগামী রোববার ড্রাফটের মাধ্যমে নেয়া হবে দলে। প্রথমে জানা গিয়েছিল হান্ড্রেড বল ক্রিকেটে সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালসহ মোট ৬ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার থাকবেন ড্রাফটে। তবে চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ থেকে রয়েছেন ১১ জন।<br><br>তারা হলেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইমরুল কায়েস, লিটন কুমার দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবু হায়দার রনি ও তাসকিন আহমেদ। ইংল্যান্ডের সাত শহরের আট দল নিয়ে হবে এই টুর্নামেন্ট। লন্ডন থেকে থাকছে ২টি দল। দলগুলো হলো- বার্মিংহাম ফিনিক্স (এজবাস্টন), লন্ডন স্পিরিট (লর্ডস), ম্যানচেস্টার অরিজিনালস (ওল্ড ট্র্যাফোর্ড), নর্দার্ন সুপারচার্জার্স, ওভাল ইনভিনসিবলস (দ্য ওভাল), সাউদার্ন ব্রেভ (আগাস বোল), ট্রেন্ট রকেটস (ট্রেন্ট ব্রিজ) এবং ওয়েলস ফায়ার (কার্ডিফ)। এই ৮ দলের কোচ হলেন অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড (বার্মিংহাম ফিনিক্স), শেন ওয়ার্ন (লন্ডন স্পিরিট), সাইমন ক্যাটিচ (ম্যানচেস্টার অরিজিনালস), ড্যারেন লেহম্যান (নর্দার্ন সুপারচার্জার্স), টম মুডি (ওভাল ইনভিনসিবলস), মাহেলা জয়াবর্ধনে (সাউদার্ন ব্রেভ), স্টিফেন ফ্লেমিং (ট্রেন্ট রকেটস) এবং গ্যারি কারস্টেন (ওয়েলস ফায়ার)। </body></HTML> 2019-10-16 16:16:54 1970-01-01 00:00:00 ৪ জন মিলে স্বামীকে হত্যা, রায় শুনে কাঁদলেন আসামির স্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83898 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571220922_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571220922_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় কৃষক হানিফ আলী হত্যা মামলায় তার দ্বিতীয় স্ত্রীসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। এ সময় রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত হানিফ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নিহত হানিফ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী দোলনা বেগম (৪২), ভেড়ামারা উপজেলার আরকান্দি গ্রামের লরু প্রমাণিকের ছেলে শ্যামল প্রামাণিক (২৭), একই গ্রামের মৃত বাদশা আলী মন্ডলের ছেলে আসমত আলী মন্ডল (৪৭) ও মৃত মিরাজ উদ্দিনের ছেলে মুকুল হোসেন (২৬)।<br><br>আদালত সূত্র জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৬ জানুয়ারি আধিপত্য নিয়ে উপজেলার আরকান্দি মন্ডলপাড়া গ্রামে মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষ ইয়াসিন আলী প্রামাণিক ও তার ছেলে ময়নুল প্রামাণিক গুরুতর আহত হন। ঘটনার সাতদিন পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইয়াসিন আলীর মৃত্যু হয়। এতে আসামি মুকুলের ভাইসহ প্রায় ১৫ জনের নামে ভেড়ামারা থানায় মামলা করা হয়।<br>আসামি মুকুল তার ভাইকে হত্যা মামলা থেকে বাঁচাতে এবং ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হানিফ আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। তাছাড়া সম্পর্কে চাচা হওয়ায় হানিফ আলীর সঙ্গে আসামি মুকুলের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল।<br><br>এদিকে অপর আসামি আসমতের সঙ্গে হানিফ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী দোলনার অনৈতিক সম্পর্ক থাকায় সেই সুযোগে তাদেরকেও হাত করে মুকুল। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে আরেক আসামি শ্যামলকে সঙ্গে নেয়। এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল রাতে হানিফ আলী বাড়ি থেকে বাইরে বের হলে পূর্বপরিকল্পনানুযায়ী আসামি মুকুল, শ্যামল, আসমত ও স্ত্রী দোলনা তাকে পার্শ্ববর্তী মাঠে গলা কেটে হত্যা করে। ঘটনার পরের দিন নিহতের ১ম পক্ষের ছেলে আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে রহস্য উদ্ঘাটন করে চার আসামির বিরুদ্ধে ভেড়ামারা থানা পুলিশ ২০১৭ সালের ১৫ জুন আদালতে চার্জশিট দেয়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার নন্দী জানান, দীর্ঘ সাক্ষ্য ও শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আজ এই রায় দেন। মামলাটি পর্যবেক্ষণ মন্তব্যে বিজ্ঞ আদালত বলেন, সম্পত্তি ও পারিবারিক দ্বন্দ্ব কলহের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। </body></HTML> 2019-10-16 16:14:46 1970-01-01 00:00:00 হাজারীর দাতভাঙ্গা জবাব। http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83897 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571204033_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571204033_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;চিকিৎসা শেষে আজ দুদিন হয় আমি দেশে ফিরেছি। এরমধ্যে আমার উপদেষ্টা হওয়া নিয়ে কেউ কোন কথা বলেনি এক ব্যক্তি যে কিনা আওয়ামী লীগের দু আনা দামের সদস্য নয়, সে এ ব্যাপারে বিভ্রান্তি ছড়াবার চেষ্টা করছে একরাম হত্যার মূল হোতা এই ব্যক্তি কে নেত্রী নিজে কমিটির মিটিংয়ে ঘোষণা দিয়ে সদস্যপদ বাতিল করেছিল। এই ব্যক্তি কয়দিন আগেও বলেছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জয়নাল হাজারী প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ,আওয়ামী লীগ নেত্রী যখন নির্যাতিত ও ত্যাগী I ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন শুরু করেছেন ।তারি ধারাবাহিকতায় আমাকেও প্রথমে চিকিৎসার জন্য চল্লিশ লক্ষ টাকা প্রদান ও উপদেষ্টা কমিটিতে স্থান দিয়েছেন ।তখনই ওই ব্যক্তিটি হঠাৎ করেই বিমর্ষ হয়ে পড়েছে এখন সে সিন্ডিকেটের প্রিয় হওয়ার জন্য প্রতিদিন অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে ।একদিন সিন্ডিকেট তার বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল তার ছবিতে কালি লেপন করেছিল আর তখনই সে ফেনীর রাজনীতিতে এতিম হয়ে গিয়েছিল ।ফেনীর তৃণমূলে তার সামান্যতম অবস্থান নাই তখনই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সিন্ডিকেটের লেজুড়বৃত্তি শুরু করেছে। এখন তার অবগতির জন্য বলছি আমাকে উপদেষ্টা করা হয়েছে ,এই খবরটি বাংলাদেশের সকল জাতীয় পত্রিকা এবং এবং টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়া এই খবরটির দখলে ছিল তাহলে মিডিয়া কোথায় খবরটি পেয়েছে সেটি নিশ্চিত করলেই তো বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। ইতিমধ্যেই এই সকল মিডিয়া কিছু লোকের কাছে তাদের উত্তর দিতে গিয়ে বলেছে আমাদেরকে আওয়ামীলীগ অফিস থেকে আওয়ামী লীগের ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অফিস থেকে যেই তথ্যটি দিয়েছে সেটা তো কেবল আওয়ামীলীগই বলবে ।ওই একরাম হত্যাকারী সেটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে কেন? যদি আওয়ামী লীগ থেকে ওই তথ্যটি দেয়া না হতো তাহলে তো তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে ।আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করা হয়েছে কিনা সেটা তো আওয়ামী লীগ নেতারাই বলবে এবং শেখ হাসিনা ।অন্য এক ব্যক্তি এটা নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি আপ্রাণ চেষ্টা করছে ,এরাই বিগত বছরগুলোতে অনবরত বলেছে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে অথচ নেত্রী নিজের মুখে পরিষ্কার করে দিয়ে বলেছেন জয়নাল হাজারী কে কখনোই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় নাই। আমি তাকে বহিষ্কার করি নাই বরং তিনি লক্ষ লোকের সামনে বলেছিলেন জয়নাল হাজারী আছে এবং জয়নাল হাজারী থাকবে। যেভাবে আওয়ামী লীগ প্রেস রিলিজ দিয়ে বলেছিল জয়নাল হাজারী কে উপদেষ্টা করা হয়েছে সেভাবে আওয়ামী লীগ আবার বলে দিক উপদেষ্টা করা হয় নাই ,তাহলেই তো বিষয়টি সমাধান হয়ে যায় ।যেখানে দলের সাধারণ সম্পাদক নিজেও বলেন নাই হাজারীকে উপদেষ্টা করা হয় নাই ,সেখানে যে ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দু আনা দামের সদস্য নয়, সে কেন এসমস্ত বিষয় নিয়ে আগের মত আমাকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। এখন যদি শিবিররা বলে হাজারীকে আওয়ামী লীগের সদস্য করা হয় নাই সেটি জাতি মানবে না। আমি তো বলেছি নেত্রীর নির্দেশ ছাড়া আমি ফেনীতে যাবনা তবুও ওরা ভয় পাচ্ছ কেন? আমি জানিনা তবে আমার খবরটি প্রচারিত হওয়ার পর সমগ্র ফেনী জেলা তথা সারাদেশে যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে তা এক বিষ্ময়কর অনুভূতির নিদর্শন।<br>এখানে উল্লেখযোগ্য যে এই ব্যক্তটি আমার উপদেষ্টা হওয়ার খবরটি প্রচারিত হলে সর্বপ্রথম সে আমাকে অভিনন্দিত করেছিল। পড়ে আবার অন্য একটিতে বলেছে সবকিছু নেত্রীর একতেয়ার।<br>শেষ বয়সে আমার জন্য এর চাইতে বড় পুরস্কার আর কিছু নেই। এই নিয়োগ টি কোন ক্ষমতার নয় কোন দায়িত্বেরও নয় এটি শুধুমাত্র সম্মানের এই সম্মান নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারলেই সার্থক জনম আমার। যিনি নিয়োগ দিয়েছেন তিনি<br><br>আবার যদি বলেন নিয়োগ বাতিল আমি অবশ্যই সানন্দ চিত্তে সঙ্গে সঙ্গে সেই নির্দেশ মাথা পেতে নেব। আওয়ামী লীগের যেসব নেতার অধিকার আছে তারা বলুক আমি সেটি গ্রহণ করব কিন্তু যে আওয়ামী লীগের কিছুই নয় যে ব্যক্তি সিন্ডিকেটের দ্বারা নিগৃহীত হয়ে এতিম হয়ে গিয়েছে এবং যে ব্যক্তি একরাম কে হত্যা করার মাধ্যমে ফেনীর রাজনীতিতে ভয়াবহ খুনের রাজনীতি শুরু করেছে তার কথাতে আমি বিচলিত নই।<br><br>গতকালই এই লোকটি একটি বিতর্কিত স্ট্যাটাস দিয়ে চাপের মুখে আবার তা প্রত্যাহার করেছে। একবার সকলের আগে অভিনন্দন জানাচ্ছে আর একবার স্ট্যাটাস দিয়ে তা প্রত্যাহার করছে তার এটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা ছাড়া মনে হয় আর কোন কাজ নেই। আমি দেশের বাইরে থাকতে যেসব ষড়যন্ত্র করে তারা সফল হয়েছিল এখন তারা তাতে সফল হবে না। এটা ওদের বুঝতে হবে।<br><br>পরেরটা পরে দেখা যাবে ঠিকই কিন্তু এখন কি তা তো বলতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে আজকে আমি উপদেষ্টা কালকেই তো নেত্রী আমাকে বাদ দিতে পারে সুতরাং আপনাদের যখন এতই মাথা খারাপ হয়ে গেছে বলুন নেত্রীকে আমাকে বাদ দেয়ার জন্য তাহলে তো আর আমি সেটা বলতে পারবো না ।<br><br>আমি ওমরাহ শেষ করার আগে এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইনা ।আমি দুঃখিত আমাকে সকালবেলাতেই ঘুম থেকে উঠে এই বিষয়টির অবতারণা করতে হলো ।আমি দেশবাসীকে বলি আমি কখনোই মানুষকে বিভ্রান্ত করিনি ,বিভ্রান্ত করব না ,আমি শুধু বলতে চাই নেত্রী আমাকে নিয়োগ দিয়েছে ।সেজন্য তাকে আবারো অন্তরের অন্তস্থল থেকে অভিনন্দন জানাই জয়নাল হাজারী। </body></HTML> 2019-10-16 11:29:37 1970-01-01 00:00:00 বুয়েটের আন্দোলন শেষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83896 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152758_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152758_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার পর শিক্ষার্থীদের দেওয়া ১০ দফা দাবির অধিকাংশ পূরণ হওয়ায় বুধবার (১৬ অক্টোবর) থেকে মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন স্থগিত করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।<br>তবে হত্যার অভিযোগপত্র দাখিলের পর আসামিদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের আগ পর্যন্ত কোনো ধরনের একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না শিক্ষার্থীরা।<br>মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে বুয়েট ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আন্দোলনরত বুয়েট শিক্ষার্থীরা।<br>তারা জানান, অধিকাংশ দাবি পূরণ হওয়ায় বুধবার থেকে মাঠ পর্যায়ের আন্দোলনের ইতি টানা হলেও বুয়েটের কোনো একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না শিক্ষার্থীরা। চার্জশিটের পর আসামিদের বুয়েট থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার আগ পর্যন্ত তারা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন না। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ১০ দাবি তুলে ধরেছিলাম। এসব দাবির অধিকাংশই পূরণ হয়েছে বলে আমাদের কাছে নোটিশ এসেছে। তবে এখনও বেশকিছু দাবি পূরণের অপেক্ষায় আছে। আমরা সবকিছু পর্যবেক্ষণ করবো। খুনিদের এখনও স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়নি। এখনও মামলার তদন্ত চলছে, ফলে চার্জশিট তৈরি হয়নি। মাঠের আন্দোলন আজ থেকে বন্ধ থাকবে। তবে আবরার হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা একটি গণসফর কর্মসূচি পালন করবে।<br>বুয়েট শিক্ষার্থীরা বলেন, বাইরে অনেকেই আবরার হত্যা নিয়ে স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আন্দোলন ভিন্নভাবে প্রবাহের সুযোগ আমরা দিতে চাই না। এসব নিয়ে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:19:00 1970-01-01 00:00:00 বাড়ি-ঘরে গ্যাস সংযোগের দিন শেষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83895 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152733_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152733_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ গ্যাস সংযোগের দিন শেষের ইঙ্গিত দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন বাড়ি ঘর এমনকি সরকারি আবাসিক ভবনেও গ্যাস সংযোগ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সাথে ধীরে ধীরে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহারে মানুষকে অভ্যস্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br>প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বাড়ি-ঘর করবে, কিন্তু গ্যাস সংযোগের জন্য বসে আছে, ইটস নট রাইট (এটা ঠিক নয়)। গ্যাস সংযোগ আপনারা আগামীতে পাবেন না, এটা ধরে নেন। আমরা সিলিন্ডারে যাচ্ছি, এখান থেকে আর বোধহয় ফেরার পথ নেই। আমরা সিলিন্ডারে যাবই যাব। সুতরাং সিলিন্ডার ব্যবহারে যাতে লোকজন উৎসাহী হয়, এটা আমাদের দেখতে হবে।<br>মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।<br>সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা গণমাধ্যমকর্মীদের জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।<br>সরকারি বাসভবনবরাদ্দ পাওয়ার পরও কেউ বাসায় না উঠলে একটা নির্দিষ্ট সময় পরে তার বরাদ্দই বাতিল করে দেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যদি কেউ বাসায় এলটমেন্ট পেয়ে না ওঠেন, - একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে তার বরাদ্দই আমরা বাতিল করে দেব।’<br>নতুন সরকারি ভবন নির্মাণের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সব সরকারি ভবন যত হবে, তাতে নেট বা মশারি দিতে হবে। এটা নতুন আইডিয়া। ডেঙ্গু ও অন্য সবকিছুর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য এটা করতে হবে।’<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:18:00 1970-01-01 00:00:00 ১০ দিনের রিমান্ডে সম্রাট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83894 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152705_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152705_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>অস্ত্র ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।<br>মঙ্গলবার সম্রাটকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার পুলিশ। তাকে গ্রেপ্তার দেখানোপূর্বক ২০ দিনের রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন সম্রাটের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিন ও মাদক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখান। রিমান্ড শুনানির জন্য এর আগে তাকে আদালতে নেওয়া হয়। এছাড়া আদালতে নেওয়া হয় সম্রাটের সহযোগী দক্ষিণ যুবলীগের সহসভাপতি এনামুল হক আরমানকেও। কিছুক্ষণ পর তাদের রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি শুরু হবে।<br>সম্রাটকে আদালতে আনার খবরে সকাল থেকেই পুরান ঢাকার আদালত পাড়ায় ভিড় করেছেন সম্রাটের কর্মী ও সমর্থকরা। সম্রাটের মুক্তির দাবিতে তারা বিক্ষোভ করেন। সম্রাটের আনাকে কেন্দ্র করে আদালত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ।<br>সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনের পৃথক দুই মামলায় ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের এবং আরমানের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ১০ দিন রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর। একই সঙ্গে এসব মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের ওপরও শুনানি ছিল। কিন্তু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় ওই দিন সম্রাটকে আদালতে হাজির করা হয়নি। ফলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো ও রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়নি।<br>আরমানকে অবশ্য মাদকদ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তবে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। দুজনের রিমান্ড শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী।<br>গত ৭ অক্টোবর রাতে রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় সম্রাটকে গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি ১০ দিন করে ২০ দিন রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। আরমানকেও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো ও দশ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়।<br>কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানকে গত ৬ অক্টোবর ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়। আরমান মদ্যপ অবস্থায় থাকায় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়। আর সম্রাটকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এরপর ওই দিনই সম্রাটের কার্যালয় রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে অভিযান চালায় র‌্যাব। উদ্ধার করা হয় এক হাজার পিস ইয়াবা ও সংরক্ষণের আড়াই হাজার জিপার প্যাকেট।<br>সম্রাটের কক্ষে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল মদ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং পাঁচ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়।<br>র‌্যাব-১-এর ডিএডি আবদুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:18:00 1970-01-01 00:00:00 সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৪ বনদস্যু নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83893 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152669_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152669_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>খুলনার কয়রা উপজেলায় সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বনদস্যু বাহিনী প্রধান আমিনুলসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এতে দুই র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে সুন্দরবনের গহীনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বনদস্যুরা হলেন- আমিনুল বাহিনীর প্রধান আমিনুল ইসলাম, সেকেন্ড ইন কমান্ড রফিকুল ইসলামসহ চারজন। র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সৈয়দ মোহাম্মদ নূরুস সালেহীন ইউসুফ জানান, জলদস্যু আমিনুল বাহিনীর সঙ্গে সুন্দরবনের কয়রা এলাকায় র‌্যাবের ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। এতে আমিনুল বাহিনীর প্রধান আমিনুল ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড রফিকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। <br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:17:00 1970-01-01 00:00:00 ৪৫০ কোটি টাকা ভারতে পাচার করেছেন শ্রেষ্ঠ সম্মাননাপ্রাপ্ত ওসি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83892 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152635_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152635_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>দেশ থেকে অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে ৪৫০ কোটি টাকা ভারতে পাচার, ঘুষ আদায় ও চোরাই গবাদিপশুর অবৈধ হাট বসিয়ে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে সিলেটের আলোচিত ওসি আহাদ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ-ছাত্রদল নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সিলেটের সিনিয়র স্পেশাল জজ এবং জেলা ও দায়রা জজ বজলুর রহমান মামলা আমলে নিয়ে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে দুর্নীতি দমন কমিশন, সিলেটকে নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১০ অক্টোবর আইনজীবী এম মঈনুল হক বুলবুলের দায়ের করা মামলা আমলে নিয়ে বিচারক এ রায় দিয়েছেন।<br>আদালতসূত্র জানায়, ১০ ও ১৩ অক্টোবর মামলার দুদফা শুনানি শেষে সোমবার সিনিয়র স্পেশাল জজ এবং সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ মো. বজলুর রহমান এ মামলা আমলে নিয়ে দুদক সিলেটের উপপরিচালককে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।<br>মামলার আসামিরা হলেন- কানাইঘাটের দীঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল, দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের তাজিম উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম জহির, মো. আবু রায়হান পাভেল, মুসলিম উদ্দিন, মাছুগ্রাম গ্রামের এম মামুন উদ্দিন, দক্ষিণ কুয়রেরমাটি গ্রামের শাহাব উদ্দিন এবং কানাইঘাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ ও গোয়াইনঘাট থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল আহাদ।<br>এছাড়া মামলার অন্যতম আসামি পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল আহাদ দুই মাস আগে সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় যোগদান করেন। রোববার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সম্মাননা দেন পুলিশ সুপার মো. ফরিদ উদ্দিন। সম্মাননা পাওয়ার একদিন পরই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হলো। এর আগে তিনি কানাইঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। সেখানেই আবদুল আহাদ দুর্নীতি করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।<br>মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজারে আবদুল গফুর ওয়াকফ স্টেটের ভূমি ব্যবহার করে কানাইঘাট থানার তৎকালীন ওসি মো. আবদুল আহাদের প্রত্যক্ষ মদদে দীঘিরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল ও সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি এম মামুন উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে দীঘিরপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো আবু রায়হান পাভেলকে বাজারের হাসিল আদায়কারী সাজিয়ে অবৈধ পশুর হাট বসিয়ে পুলিশ ও বিজিবির নামে ঘুষের টাকা আদায় করেন।<br>এ বাজারে ভারত থেকে গবাদিপশু চোরাইভাবে আনতে বাংলাদেশি ৪৫০ কোটি টাকা আলী হোসেন কাজল ও তাজিম উদ্দিন তাদের নিযুক্ত লোকজন দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার করেন। টাকা পাচার ও চোরাচালানের পশুর হাট পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নামে সাড়ে ৪ কোটি টাকা এ অবৈধ বাজার থেকে আদায় করা হয়।<br>মামলার বাদী এম মঈনুল হক বুলবুল জানান, গত ১ আগস্ট এ বাজারে কোরবানির পশু কিনতে গেলে তার কাছেও আসামিরা পুলিশের লাইনের (ঘুষ) নামে ৮০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে বিষয়টি ওসি মো. আবদুল আহাদকে জানালে তিনি এর কোনো প্রতিকার না করে ম্যানেজ করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এর পরই বিশাল দুর্নীতির বিষয়টি তার নজরে এলে তিনি ১৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আদালতে মামলা করেন।<br>বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব হুসাইন জানান, এটি একটি বড় দুর্নীতির মামলা। এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চোরাচালনের গরুর হাট এটি। প্রতিদিন শত শত ট্রাকে এ বাজার থেকে সিলেট ও দেশের বিভিন্ন স্থানে চোরাচালানের গরু সরবরাহ করা হয়।<br>অভিযোগের বিষয়ে ওসি আবদুল আহাদ বলেন, আদালত কী আদেশ দিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তি কী তা আপনাদের যাচাই করে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি। বাদীর সঙ্গে আমার একটু দূরত্ব রয়েছে।আমি যদি ৪৫০ কোটি টাকা পাচার করে থাকি, তা হলে এখনই আমাকে নজরবন্দি করা উচিত।<br>তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। and nbsp;<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:17:00 1970-01-01 00:00:00 মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় পাস ৪৯ হাজার ৪১৩ জন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83891 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152607_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152607_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>চলতি বছর সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সের প্রথম বর্ষে (২০১৯-২০) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। ৪৯ হাজার ৪১৩ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় পাস করেছেন। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারিতে নেয়া হবে চার হাজার ৬৮ জন আর বেসরকারিতে নেয়া হবে ছয় হাজার ৩৩৯ জন। মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন সংস্থাটির মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।<br>১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে পাস করা পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছেলে পরীক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৮২ এবং মেয়ে পরীক্ষার্থী ২৬ হাজার ৫৩১। অর্থাৎ পাসের হার বিবেচনায় পুরুষ ৪৬.৩১% ও নারী ৫৩.৬৯%।<br>১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন একজন ছেলে শিক্ষার্থী, তার প্রাপ্ত নম্বর ৯০ দশমিক ৫। মেয়েদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছেন ৮৯।<br>গত শুক্রবার রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ ভর্তি পরীক্ষা হয়। ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিদ্যায় ২০, রসায়নে ২৫, জীববিজ্ঞানে ৩০, ইংরেজিতে ১৫ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বর ছিল।<br>এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় সরকারি চার হাজার ৬৮টি ও বেসরকারি ছয় হাজার ৩৩৬টিসহ ১০ হাজার ৪০৪টি আসনের বিপরীতে ৭২ হাজার ৯২৮ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত সাড়ে তিন হাজার পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:16:00 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে ৪১ মাদকসেবী ও বিক্রেতার কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83890 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152572_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152572_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪১ জন মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।<br>সোমবার র‌্যাব-২ রাতভর রাজধানীর তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগর, মোহাম্মদপুর এবং কলাবাগান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।<br>মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র?্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, রাতভর অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ৪১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৭ জন মাদকসেবী ও বিক্রেতা। আর বাকি চারজন ছিনতাইকারী। পরে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন র?্যাব-২ এর ভ্রাম্যমাণ আদালত।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:16:00 1970-01-01 00:00:00 পাঁচ যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির আদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83889 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152547_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152547_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গাইবান্ধার পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। and nbsp; আসামিরা হলেন মো. রঞ্জু মিয়া, রাজাকার কমান্ডার আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল (৬২) ও মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮) এ মামলায় মোট আসামি ছয়জন। তাদের মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকিরা পলাতক। এদের মধ্যে আজগর হোসেন খান নামে এক আসামি মারা গেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত চার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। গত ২১ জুলাই এ মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল সোমবার (১৪ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। সঙ্গে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবুল হাসান। আসামিদের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।<br>আসামিরা গাইবান্ধা সদরের নান্দিনা ও ফুলবাড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামিদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৯৭২ সালে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি। খোকার বর্তমান ঠিকানা রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন বলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার অভিযোগে বলা হয়েছে। <br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:15:00 1970-01-01 00:00:00 বেরিয়ে আসছে পাগলা মিজানের অবৈধ সম্পদের পাহাড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83888 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152513_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152513_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজানের অবৈধ সম্পদের তথ্য একে একে বেরিয়ে আসছে।<br>১৯৯৬ সালে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ার ‘বি’ ব্লকে পাগলা মিজান সরকারি জমি দখল করে স্বপ্নপুরী হাউজিং কমপ্লেক্স গড়ে তোলেন। তিনটি প্লটে নির্মিত ছয়তলা তিনটি ভবনের মধ্যে দুটির মালিক তিনি। দুটি ভবনে তার ২৫টি ফ্ল্যাট রয়েছে।<br>অন্যগুলো তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। কমপ্লেক্সের অপর ভবনের মালিক লুৎফর রহমান। মিজানের কাছ থেকে প্লট কিনে তিনি ভবন নির্মাণ করেছেন।<br>মোহাম্মদপুরে সরকারি জমিতে তিনি দুটি ভবন নির্মাণ করেছেন। ভবন দুটিতে তার ২৫টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এছাড়া নয়াপল্টনে মিজানের মালিকানাধীন ছয়তলা বাড়ি, মোহাম্মদপুরে ১০ কাঠা ও গাজীপুরে ৩৫ কাঠার প্লট রয়েছে। শুক্রবার গ্রেফতারের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব তথ্য জানান।<br>মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পাগলা মিজানকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়েছে। সোমবার ছিল রিমান্ডের দ্বিতীয় দিন।<br>এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, মিজানকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে তিনি অনেক তথ্য দিয়েছেন। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। জানা গেছে, মোহাম্মদপুর এলাকায় পাগলা মিজান একজন দখলবাজ হিসেবে পরিচিত। স্বপ্নপুরীর হাউজিং কমপ্লেক্সের সামনের মাঠটিও তিনি দখলে নিয়েছেন। মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধের পাশে ৩০ কাঠার একটি প্লট দখল করে গড়ে তুলেছেন মার্কেট। এছাড়া মোহাম্মদপুর সমবায় মার্কেট ও জেনেভা ক্যাম্পের টোল মার্কেটও তার দখলে। সিটি কর্পোরেশনের নাম করে এসব মার্কেট থেকে তিনি মোটা অঙ্কের চাঁদা তোলেন।<br>র‌্যাব বলছে, ১৫ বছর ধরে মিজানের কোনো বৈধ আয়ের উৎস নেই। অথচ এ সময় তিনি অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসেও তিনি বাড়ি কিনেছেন। বিভিন্ন মার্কেট দখল করে চাঁদাবাজি এবং ফুটপাতে চাঁদাবাজি করতেন মিজান।<br>৩২ নম্বর ওয়ার্ডে কোনো নির্মাণ কাজ করতে হলে তাকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হতো। জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।<br>মানি লন্ডারিং আইনের মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি বলছে, মিজান জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পদের আংশিক তথ্য দিয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে তার দেয়া তথ্যের মিল নেই।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:15:00 1970-01-01 00:00:00 জামিন পাবেন আশা খালেদার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83887 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152470_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152470_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥ বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়া জামিন পাবেন বলে আশা করছেন। সম্প্রতি তার সঙ্গে পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও দলীয় সাংসদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে দেখা করতে যান। তাদের সঙ্গে জামিনের বিষয়ে কথা হয়েছে বিএনপিনেত্রীর। তিনি আশা করছেন তার জামিন মিলবে। খালেদার জামিন পাওয়ার আশা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করছেন তার আইনজীবীরাও। তাদের মতে, সাজা হওয়া দুটি মামলায় জামিন পেলেই কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন বিএনপিপ্রধান। দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা নিয়ে দুইবছর ধরে কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়া। বিচার চলছে আরো কয়েকটি মামলার। শুরু থেকে আইনজীবীরা দ্রুত তার মুক্তির কথা বলে এলেও এখনো তেমন কোনো লক্ষণ নেই। আর দলের নেতারা আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তির হুঁশিয়ারি দিলেও তেমন কোনো কর্মসূচিও নেই দলটির।<br>নিয়মিত খালেদা জিয়ার খোঁজ রক্ষাকারী একটি সূত্রে জানা যায়, নেত্রীর মুক্তিতে দলের শীর্ষ নেতারা এবং আইনজীবীরা হতাশায় থাকলেও জামিনের আশা ছাড়ছেন না খোদ বেগম খালেদা জিয়া। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক অঙ্গণে আলোচনা চললেও প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে মোটেও আগ্রহী নন তিনি। বরং এ নিয়ে কথা বলে তার তোপের মুখে পড়েছেন একজন সাংসদ।<br>সম্প্রতি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন তার পরিবারের এমন কয়েকজনের বরাতে জানা যায়, খালেদা জিয়া তার জামিন হবে বলেই বিশ^াসের কথা জানিয়েছেন। তারা বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে খালেদার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন। ওই সময় খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।<br>চলতি মাসের শুরুর দিকে দলের সাতজন বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। এছাড়া তার বোন, ভাই এবং স্বজনরা দুই দফা সম্প্রতি দেখা করেছেন।<br>দলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলাপে খালেদা জিয়া জামিনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। একজন সাংসদ বলেন, “জামিনের বিষয়ে কথা এলে তিনি বলেন ‘জামিন হবে। ওরা (সরকার) আমাকে কতদিন আর আটকে রাখবে।’ আইনি প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে দেখা করতে যাওয়া সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে আইনজীবীদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।”<br>এদিকে তবে ক্রমেই অবনতি হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা সবাইকে চিন্তায় ফেলেছে। যে কোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। পরিবারের সদস্য ও সংসদ সদস্যরা যারা হাসপাতালে দেখে এসেছেন সবারই ভাষ্য, মোটেও ভালো নেই খালেদা জিয়া। তার দুই হাত অনেকটা অবশ হয়ে গেছে। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারেন না। এমনকি নিজের খাবারও নিজ হাতে খেতে পারেন না তিনি। চেহারা দেখে তাকে চেনাও কষ্টকর।<br>নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক একজন সাংসদ বলেন, ‘সত্যি বলতে কি মস্তিষ্কটাই নেত্রীর (খালেদা জিয়ার) ঠিক আছে। শরীরের বাকি অঙ্গপ্রতঙ্গ স্বাভাবিক নেই। শুধুমাত্র মানসিক জোরে বেঁচে আছেন। হঠাৎ করে তার চেহারা দেখলে চিনবেন না।’<br>জানা গেছে, নাইকো, গ্যাটকো, বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিসহ সুপ্রিম কোর্ট ও নি¤œ আদালত মিলে খালেদার বিরুদ্ধে যেসব মামলা বিচারাধীন তার মধ্যে দ- হওয়া জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট ও জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিনের অপেক্ষায় তার আইনজীবীরা। এ দুটোতে জামিন হলেই মুক্তি পেতে পারেন তিনি। গতকালও জিয়া চ্যারিটাবল ট্রাস্ট মামলায় জামিন আবেদন করা হয়েছে উচ্চ আদালতে।<br>গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাবন্দি ৭৫ বছর বয়সী খালেদা। চিকিৎসার জন্য গত এপ্রিল থেকে তিনি রয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে। এখানেই গেল ১১ অক্টোবর সাক্ষাত শেষে খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম জানান, ‘তার (খালেদা) শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় অনেক বেশি খারাপ। নিজ হাতে খাবারও তুলে খেতে পারছেন না। অন্যের সাহায্য ছাড়া দাঁড়াতেও পারেন না।’<br>নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সাংসদ বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) কেমন আছেন তা স্বচক্ষে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। চলতে পারেন না, খেতে পারেন না। সামনে কি হবে আল্লাহ জানেন। দোয়া করা ছাড়া উপায় নেই। মুক্তির তো কোনো লক্ষণ নেই।’<br>আর জিএম সিরাজ এ বিষয়ে বলেন, ‘নেত্রীর মতো আমরাও আশাবাদী তার মুক্তি হবে। কিন্তু সেটা যত আগে তার জন্য তত ভালো হবে।’<br>উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি আছেন। পুরান ঢাকায় পুরনো কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি এই হাসপাতালের কেবিন ব্লকের ৬২১ নং কেবিনে চিকিৎসাধীন।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:14:00 1970-01-01 00:00:00 দলে ‘দালালের’ কথা স্বীকার করলেন গয়েশ্বর! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83886 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152441_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152441_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>একশ্রেণির ‘সুবিধাবাদী’ নেতারা নিরাপদে থাকতে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে চলে বলে বিএনপি নেতাকর্মীদের একটি অংশ অনেক আগে থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন। দীর্ঘদিন এমন কথা আলোচনায় ছিল রাজনৈতিক অঙ্গণেও। এবার দলটির শীর্ষ নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘একথা মিথ্য নয়, বিএনপিতে এক শ্রেণীর দালাল আছে।’ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের স্মরণে আয়োজিত সভায় গয়েশ্বর বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তি নিয়ে খালেদা জিয়া বের হবেন কেন? আজকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) প্যারোল নিয়ে দেশ থেকে কিভাবে বের হবেন মানুষ সেই চিন্তা করছে। প্যারোলে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে সমঝোতা, আমাদের মধ্যেও এরকম একটা দালাল শ্রেণি আছে। এটা মিথ্যা না।’<br>ছাত্র রাজনীতি বন্ধ প্রসঙ্গে গয়েশ্বর বলেন, ছাত্র রাজনীতি নয় ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা আত্মহত্যার শামিল। দেশে ছাত্র রাজনীতি নেই বলেই ছাত্র রাজনীতি বন্ধের কথা হচ্ছে। যদি ছাত্র রাজনীতি থাকতো তবে তা বন্ধের কথা উঠতো না। বরং ছাত্র রাজনীতির নামে যে অপরাজনীতি হচ্ছে সেটা বন্ধ করা উচিত।<br>বিএনপির এই নেতা বলেন, দেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি ছাত্ররাই দেশের প্রত্যেকটা পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। ছাত্ররাই আগামী প্রজন্মের সব প্রয়োজনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তাই ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না করে ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করা উচিত।<br>বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘আজকে এ দেশের ইতিহাসের দিকে তাকালে আমরা দেখি ছাত্ররাই দেশের প্রত্যেকটা পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং আগামী প্রজন্মের ছাত্ররাই দেশের সকল প্রয়োজনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। তাই আমি বলবো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ না করে ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করা উচিত।’<br>গয়েশ্বর বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেসব ভিসিরা আছেন আমাদের ছাত্ররা তাদের পদত্যাগ চায়, কিন্তু তারা দেহত্যাগ করলেও পদত্যাগ করবেন না।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘পদত্যাগ করলে যে আয় হয় বরকত হয় সেটা তো আর পাওয়া যাবে না। সুতরাং বরকতের দিকে যাদের নজর বেশি তাদের একটু লাজ-লজ্জা কম। তারা দেহত্যাগ করলেও পদত্যাগ করবে না।’<br><br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:14:00 1970-01-01 00:00:00 অভিযানের পরও খাদ্যে ভেজাল বন্ধ হচ্ছে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83885 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152392_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152392_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন ফুডকোর্ট, খাবার হোটেল ও রেস্টুরেন্টে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থা। তারপরও বন্ধ হচ্ছে না পঁচা-বাসি-ভেজাল খাবার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন খাবার নাগরিকদের আশঙ্কাজনকভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আর ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’ বলছে, সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব।<br>রাজধানীর খাবার হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফুডকোর্টগুলোতে প্রায়ই সরকারের বিভিন্ন সংস্থা অভিযান চালায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ভেজাল খাবার তৈরির জন্য জরিমানাও গুনতে হয় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানকে।<br>এতোকিছুর পরও অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। কয়েকবার জরিমানা গোনার পরও, শোধরানোর বালাই নেই। কর্মজীবী মানুষের খাবারের যোগানকে পুঁজি করে মুনাফায় ব্যস্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর ‘সীমান্ত স্কয়ার ফুডকোর্ট’। পচা-বাসি ও ভেজাল খাবারের অভিযোগে এর আগেও এখানে বেশ কয়েকবার অভিযান চলেছে। অভিযুক্ত হয়ে জরিমানাও গুনেছেন, অনেক দোকান মালিক। তারপরও মন-মানসিকতায় তেমন পরিবর্তন আসেনি।<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মতে, অনেকে না জেনে করলেও কেউ কেউ আবার জরিমানা দিয়েই দায় সারতে চান।<br>নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বলছে অভিযান চালিয়ে যেতে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এজন্য জেলা প্রশাসকদের চিঠিও দেয়া হয়েছে।<br>চিকিৎসকরা বলছেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বাইরের মুখরোচক খাবার যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। <br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:13:00 1970-01-01 00:00:00 বেসিকের টাকার হদিস না পাওয়ায় অভিযোগপত্রে দেরি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83884 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152364_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152364_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার॥<br>নয় বছর ধরেও রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের লোপাট হওয়া অর্থের একটা বড় অংশ কোথায় গেছে অনুসন্ধান চালিয়েও বের করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফলে ব্যাংকটির সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ কেলেংকারির ঘটনায় দায়ের হওয়া ৫৬ মামলায় অভিযোগপত্রও দিতে পারছে না সংস্থাটি।<br>মঙ্গলবার দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত সাংবাদিকদের একথা বলেন। বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ার‌্যম্যান আবদুল হাই বাচ্চুর বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন দুদক সচিব। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধান ও তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় সোমবার দুদকের সমালোচনা করেছেন ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস। বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ব্যর্থ হলে দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের পদত্যাগ করা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।<br>তাপসের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সচিব বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের কথায় দুদক চেয়ারম্যানের পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।’<br>আবদুল হাই বাচ্চুকে কেন আসামি করা হচ্ছে না- প্রশ্নের জবাবে দিলোয়াত বখত বলেন, ‘বেসিক ব্যাংক থেকে আত্মসাৎকৃত সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা কোথায় ব্যবহার হয়েছে, কিংবা জমা হয়েছে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।’ ২০১০ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার তদন্তের দায়িত্ব নেয় দুদক। নিজেদের করা মামলার দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় নয় বছর শেষ হতে চলল। কিন্তু কমিশন এখন পর্যন্ত এই কেলেঙ্কারির কোনো অগ্রগতির খবর দিতে পারছে না।<br>দুদক সচিব বলেন, ‘অর্থের উৎস, অর্থ কোন জায়গায় ব্যবহার হয়েছে, কোথায় সম্পদ হিসেবে কনভার্ট হয়েছে, সেগুলো নিষ্পত্তি শেষে যাকে আইনের আওতায় আনার তথ্য উপাত্ত পাওয়া যাবে তাকেই চার্জশিটভুক্ত করা হবে।’<br>এ বিষয়ে ২০১০ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। প্রায় চার বছর অনুসন্ধান শেষে ২০১৫ সালে রাজধানীর তিনটি থানায় ১৫৬ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে কমিশন। সেসব মামলার আসামির তালিকায় ২৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তা থাকলেও বাচ্চু বা পরিচালনা পর্ষদের কাউকে সেখানে না রাখায় প্রশ্ন ওঠে সে সময়।<br>এরপর বিভিন্ন মহলের সমালোচনা এবং উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাঁচ দফা বাচ্চুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এরপর এই ইস্যুতে দুদকের কর্মকর্তারাও অনেকটা নীরব ভূমিকা পালন করছেন।<br>তাপসের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দুদক সচিব বলেন, ‘আমরা কালকের সংবাদে দেখেছি যে কমিশন শপথ ভঙ্গ করেছে এমন বক্তব্য এসেছে। আমাদের কোনো কমিশনার বা চেয়ারম্যান শপথ গ্রহণ করে দায়িত্ব গ্রহণ করে নাই। এগুলো আমাদের তদন্ত কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। এর দায়দায়িত্ব কমিশন বা চেয়ারম্যানের ওপর বর্তায় না। সুতরাং এক্ষেত্রে পদত্যাগের প্রশ্ন কেন আসছে বুঝতে পারছি না।’<br>বেসিক ব্যাংকের তদন্তে বিলম্ব প্রশ্নে সচিব বলেন, ‘এ টাকাটা যখন চেকে নিয়েছে, উত্তোলন করার পরে টাকা যদি ব্যাংকে রাখা হতো তাহলে উৎস পাওয়া যেত। টাকা নিয়ে একেকজন একেক কাজে ব্যবহার করেছে। সেখানে মানিলন্ডারিং হয়েছে। কাজেই অর্থের উৎস খুঁজতে গিয়ে অনেক সময় বিলম্ব হয়ে থাকে। আপনারা যে মামলার কথা বলেছেন, সেগুলো জটিল প্রকৃতির মামলা।’<br>‘সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার মধ্যে বেশিরভাগ টাকাই নগদে উত্তোলন হয়েছে। এ টাকাগুলি কোথায় ব্যবহার কিংবা জমা হয়েছে আমাদের কর্মকর্তারা বের করতে পারেন নাই। তদন্ত কর্মকর্তারা টাকার লিঙ্ক খুজেঁ বের করার চেষ্টা করছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত টাকা কোথায় গিয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়েছে বের করা সম্ভব না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।’<br>দুদক আইনে প্রতিটি মামলার তদন্ত সর্বোচ্চ ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে তদন্তের ব্যাপকতা ও জটিলতা বিবেচনায় বাড়তি সময় দেওয়ারও রীতি রয়েছে। গত চার বছরে ৫৬টি মামলায় একাধিক বাদীও পরিবর্তন করা হয়েছে। তাতেও কোনো ফল মেলেনি। যে কারণে কমিশন বাচ্চুকে বাঁচানোর চেষ্টা েেকরছ কি না সে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে।<br>আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে মামলাগুলোর তদন্ত শেষ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে গত বছর ২৩ মে এই কেলেঙ্কারি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন উচ্চ আদালত। আর সেদিন আদালত ৩০ মে বেসিক ব্যাংকে ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়। ধার্য তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাদের মামলার নথিপত্র, সিডিসহ আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।<br>বাচ্চুকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর আরেকটি মামলা করে দুদক। রাজধানীর বংশাল থানায় দায়ের করা ওই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাত কোটি ৮৫ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। ২০১০ সালের ২৯ মার্চ থেকে ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবরের মধ্যে এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটলেও সেখানেও বাচ্চুকে আসামি করা হয়নি।<br><br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:12:00 1970-01-01 00:00:00 জঙ্গিদের সাহায্য বন্ধ করাতে পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিতে চলেছে এফএটিএফ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83883 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152335_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/15/1571152335_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক॥<br>সন্ত্রাসবাদীদের অর্থসাহায্য বন্ধ করার জন্য আরও চাপের মুখে পড়তে চলেছে পাকিস্তান। এ ব্যাপারে যারা নজরদারি চালায়, সেই আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফাইনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)’ এ বার চরম হুঁশিয়ারি দিতে চলেছে ইসলামাবাদকে। এটাই পাকিস্তানের শেষ সুযোগ শুধরে নেওয়ার। না পারলে, ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জারি হবে অর্থনৈতিক অবরোধ, আন্তর্জাতিক ভাবে।<br>নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জঙ্গিদের অর্থসাহায্য বন্ধের ব্যাপারে ইসলামাবাদ কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ দাখিল করতে পারেনি বলে এফএটিএফ এ বার পাকিস্তানকে ‘আরও বেশি ধূসর’ দেশগুলির তালিকাভুক্ত করতে পারে। তা ঘোষণা করা হতে পারে আগামী ১৮ অক্টোবরই। এফএটিএফ-এর এক পদস্থ কর্তা এই খবর দিয়েছেন।<br>এফএটিএফ-এর প্লেনারি চলছে এখন প্যারিসে। সেখানেই আন্তর্জাতিক সংগঠনটির এক কর্তা জানিয়েছেন, ইসলামাবাদকে একটি সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল পাকিস্তান যে সন্ত্রাসবাদীদের অর্থসাহায্য দেওয়া বন্ধ করেছে, তার যাবতীয় সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ওই সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হবে। তা না হলে, কড?া অর্থনৈতিক অবরোধ জারি হবে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সরকার এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। ফলে, পাকিস্তানকে শেষ হুঁশিয়ারি দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।<br>গত বছরের জুন থেকেই পাকিস্তানকে ‘ধূসর তালিকা’য় রেখেছে এফএটিএফ। প্রমাণ দাখিলের জন্য এফএটিএফ-এর তরফে ২৭টি শর্ত দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তানকে।<br>১৯৮৯ সালে গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থার ওই কর্তা জানিয়েছেন, ইমরান খানের সরকার তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৬টি শর্ত পূরণ করেছে।<br>এফএটিএফ কোনও দেশকে ‘কালো তালিকা’য় ঢোকানোর আগে দু’টি পর্যায়ের মধ্যে দিয়ে যায়। একটি ‘ধূসর’। অন্যটি ‘আরও বেশি ধূসর’। এই দু’টি তালিকাভুক্ত করে এফএটিএফ-এর তরফে সংশ্লিষ্ট দেশকে দু’বার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ইঙ্গিত, পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও এফএটিএফ সেই দিকেই এগচ্ছে।<br><br> </body></HTML> 2019-10-16 21:12:00 1970-01-01 00:00:00 আন্দোলন প্রত্যাহার, বহিষ্কারের পর ক্লাসে ফেরার ঘোষণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83882 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571147438_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571147438_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর শুরু হওয়া আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে এখনই তারা ক্লাসে ফিরছেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ মিনার চত্বরে আন্দোলনকারীরা এ ঘোষণা দেন। আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়ে শিক্ষার্থীরা বলছেন, বুধবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিলে নতুনভাবে চলার পথ শুরু করতে গণশপথ নেয়া হবে। তবে খুনিদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার আগ পর্যন্ত ক্লাসে ফিরে যাবেন না বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের ১০ দাবির মধ্যে তিনটি দাবি ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর। আমরা দেখেছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুততার সাথে আসামিদের গ্রেফতার ও তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। আমরা তাদের ওপর সন্তুষ্ট ও ধন্যবাদ প্রকাশ করছি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ প্রকাশ করছি, তিনি এ বিষয়ে সজাগ না থাকলে এত দ্রুততার সাথে ব্যবস্থা নেয়া হতো না। তারা বলেন, বুয়েট প্রশাসনের কাছে আমাদের পাঁচটি দাবি ছিল। সেসব দাবির অধিকাংশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কারণে আমরা বুয়েট প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমাদের মাঠ পর্যায়ের আন্দোলন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে আগামীকাল বুধবার থেকে আমাদের সব আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে। সেদিন সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা মিলে বুয়েট ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়ে শপথ পাঠ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।<br><br>আন্দোলনকারীরা বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বলেন, আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেয়া হলেও আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আবরার হত্যার চার্জশিট দেয়ার পর বুয়েট প্রশাসন অপরাধীদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার পর তারা ক্লাসে ফিরবেন বলেও ঘোষণা দেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুনভাবে শিক্ষকদের সঙ্গে পথচলার পথ তৈরি করতে বুয়েট শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গণশপথ পাঠ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে যদি অসন্তোষ তৈরি হয় তবে সেটির লাঘব হবে বলে আমরা মনে করি। তবে কাল কখন গণশপথ পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে সে বিষয়ে শিক্ষকদের সাথে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তারা। এরপর তারা বুয়েট শহীদ মিনার চত্বর ছেড়ে ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান।<br>উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।<br><br>পরদিন সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।<br>এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ। </body></HTML> 2019-10-15 19:49:26 1970-01-01 00:00:00 গরু চুরি করে পালানোর সময় পিকআপের তেল শেষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83881 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571145968_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571145968_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ধোপাডাঙ্গা এলাকায় গরু চুরি করতে এসে ধরা পড়েছেন পাঁচ চোর। বুধবার ভোরে উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় চোরাই গরু, একটি পিকআপ, দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন দেবহাটার ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর ছেলে আলা উদ্দীন, আব্দুল গফফার গাজীর ছেলে জাহাঙ্গীর, কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা পশ্চিম পাইকাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে রাজু, সাতক্ষীরা সদরের বকচরা গ্রামের আব্দুল গফফার গাজীর ছেলে পিকআপচালক জহুরুল ও হেলপার একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাইফুল ইসলাম।<br>ধোপাডাঙ্গা গ্রামের কেশব সরকার বলেন, সংঘবদ্ধ চোরেরা আমার গোয়াল ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। গরুটি তারা পিকআপে করে পালিয়ে যাওয়ার সময় পিকআপের জ্বালানি তেল ফুরিয়ে যায়। পরবর্তীতে গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে বুঝতে পেরে এলাকার লোকজনদের সঙ্গে নিয়ে চুরি হওয়া গরুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় পিকআপ, দুটি মোটর সাইকেলসহ পাঁচ চোরকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়া হয়। দেবহাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা বলেন, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরি করে আসছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটক চোরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-10-15 19:25:51 1970-01-01 00:00:00 ভ্যানচালকের নামে বরাদ্দ টিন লাগল চেয়ারম্যানের বাড়িতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=83880 http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571145934_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2019/10/14/1571145934_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি ত্রাণের ঢেউটিন আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দেড়বছর পরও বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে টিন বুঝিয়ে দেননি তিনি। উপজেলার পলাশী ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটেছে।<br>পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে উপজেলা ত্রাণ অফিস থেকে দেড় বছর আগে পলাশী ইউনিয়নের নামুড়ি গ্রামের মৃত সামছুল ইসলামের ছেলে ভ্যানচালক একরামুল হকের নামে ত্রাণের ১৬টি ঢেউটিন বরাদ্দ হয়। সেই টিন একরামুলকে না দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী নিজের বাড়িতে ব্যবহার করেন।<br>এছাড়া একরামুলের নামে একটি সোলার প্যানেল বরাদ্দ নিয়ে সেটিও নিজের কাজে ব্যবহার করেন চেয়ারম্যান। একরামুল সেই টিন ও সোলার চাইতে গেলে আজ দেব, কাল দেব বলে টালবাহনা করতে থাকেন ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী।<br>এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে টিন ও সোলার প্যানেল উদ্ধারে একরামুল গত ৯ অক্টোবর জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেন। বিষয়টি জানতে পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী গত রোববার (১৩ অক্টোবর) কৌশলে একরামুলকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে ব্যবহৃত ১২টি ঢেউটিন ফেরত দেন। তবে সেগুলো ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সরবরাহকৃত ৪৪ মিলিমিটার নয়, ৩২ মিলিমিটারের। নেই ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিলমেহারও। এ ঘটনায় ত্রাণের প্রকৃত টিন ও সোলার প্যানেল পাওয়ার জন্য এবং স্বাক্ষর নেয়া সাদা কাগজ উদ্ধারে রোববার রাতেই আদিতমারী থানায় অভিযোগ দেন একরামুল।<br>ভ্যানচালক একরামুল হক বলেন, টিন দেয়ার কথা বলে দেড় বছর আগে স্বাক্ষর নেন চেয়ারম্যান, কিন্তু পাইনি। দেই, দিচ্ছি বলে দেড় বছর পার হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দেই। এরপর বাড়িতে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান ১২টি টিন দিয়ে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেন। আদিতমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মজিদুল ইসলাম বলেন, ত্রাণ শাখার সরবরাহ করা ঢেউটিনে ত্রাণের সিলমোহর দেয়া রয়েছে এবং টিনগুলো ৪৪ মিলি গ্রামের।<br>ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী ত্রাণের টিন আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, দেড় বছর আগেই প্রাপ্তি স্বীকারপত্র নিয়ে ত্রাণের ঢেউটিন একরামুলকে দেয়া হয়েছে। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই সে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।<br>আদিতমারী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সত্যতা মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2019-10-15 19:25:12 1970-01-01 00:00:00