http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - মাস্ক না পরলে ‘জেল’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101114 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747464_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747464_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সর্বোচ্চ জরিমানায় কাজ না হলে মাস্ক না পরার অপরাধে জেল দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ কথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগেই আমরা বলেছি, এই সপ্তাহ থেকে (যারা মাস্ক পরছে না তাদের বিরুদ্ধে) আরেকটু স্ট্রং অ্যাকশনে যাব। আমার মনে হয়, ঢাকার বাইরে পজিটিভ; ডিসিরা বলছেন, জেলা সদরে মানুষ মোটামুটি কেয়ারফুল (সচেতন) হচ্ছে। ঢাকা শহরে বোধহয় এখনও পুরোপুরি কেয়ারফুল হয়নি; তবে মোটামুটি একটা বার্তা যাচ্ছে যে, (মাস্ক না পরলে) ফাইন হয়ে যাবে, ফাইন (জরিমানা) দিতে হবে ৫০০ টাকা। বলেছি এখন থেকে ম্যাক্সিমাম ফাইন করো, না হলে আমরা আরও ইনস্ট্রাকশন দেব। বলেছি সর্বোচ্চ জরিমানা করতে।’ তিনি বলেন, ‘আস্তে আস্তে আমরা...তারপর জেলে যেতে হবে। কী করবে, না যদি শোনে, আমরা তো উই ক্যান নট টেক রিক্স (ঝুঁকি নিতে পারি না), আমাদের যতটুকু সম্ভব করতে হবে, আমরা বলে দিয়েছি। আমরা আর সাত থেকে ১০ দিন দেখব, তারপর ইনস্ট্রাকশন দিয়ে দেব- আরও কঠোর পানিশমেন্টে (শাস্তি) যাও। যথাসম্ভব বেশি করে ফাইন করা হবে এবং স্ট্রং পানিশমেন্ট দেয়া হবে।’ এদিকে মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া অক্সফোর্ডের তৈরি করোনাভাইরাসের তিন কোটি ভ্যাকসিন বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।<br>তিনি বলেন, ‘অক্সফোর্ডের তৈরি করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে সিরাম ইনস্টিটিউট।’ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘গত ১৪ অক্টোবর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য অক্সফোর্ডের তৈরি ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত ভ্যাকসিন বাংলাদেশ সরকারের কাছে তিন কোটি ডোজ বিক্রির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাথে সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই হয়। এরপর ১৬ নভেম্বর অর্থবিভাগ ভ্যাকসিন কেনার জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থনৈতিক ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে প্রস্তাব পাঠাবে। এ প্রস্তাব চলে এসেছে।’]<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:44:00 1970-01-01 00:00:00 ৯৯৯-এ ফোন করে মিথ্যা তথ্য দিলে শাস্তি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101113 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747430_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747430_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা, ২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী, জরুরি সেবার হটলাইন নম্বর ৯৯৯- এ ফোন করে মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে নীতিমালাটি অনুমোদন দেয়া হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।<br>বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।<br>তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ দমন, জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। জনজীবনের সফলতা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনান্তে ইমার্জেন্সি সার্ভিস পলিসি ৯৯৯ তথা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।’<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা (৯৯৯ এর মাধ্যমে জরুরি সেবা দেয়া) এখন আরও অর্গানাইজড ওয়েতে (সুসংগঠিতভাবে) হবে। এনটিএমসি, বিটিআরসি- সবার সঙ্গে ইন্সট্যান্ট একটা কমিউনিকেশন সিস্টেম থাকবে।’<br>‘এর (নীতিমালা করার) উদ্দেশ্য হচ্ছে- নিরাপদ জীবন ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংকটাপন্ন মানুষকে যাতে সহায়তা করা যায়, দুর্ঘটনা ও অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়। অপরাধের শিকার কোনো ব্যক্তি বা সম্পদ উদ্ধার করা যেন সহজ হয়। দুর্ঘটনায় নিপতিত মানুষকে উদ্ধার করে যাতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা এবং জানমাল উদ্ধারসহ দ্রুততম সময়ে দুর্গতদের যাতে হাসপাতালে প্রেরণ ও সেবা প্রদান করা যায়।’<br>নীতিমালা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগে একটি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নামে একটি ইউনিট গঠিত হবে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কমপক্ষে ডিআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হবেন।’<br>তিনি বলেন, ‘নীতিমালায় বলা হয়েছে, মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যদি দেয় তবে সেটাও দেখা হবে। দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে অভিহিত হবে। বাচ্চা ছেলে বা কেউ যদি না বুঝে করে দ্যাট উইল বি কনসিডার। তবে যদি চিট করতে চায়, ইচ্ছা করে যদি কেউ কিছু করতে চায় দ্যাট উইল বি পানিশ্যাবল। সেজন্য রেসপেক্টিভ আইন প্রযোজ্য হবে। মিথ্যা তথ্য দেয়ার শাস্তি পেনাল কোডে আছে।’<br>‘কে কোথা থেকে ফোন করতেছে, সেটা টোটালি ডিটেক্টের ব্যবস্থা থাকবে। সুতরাং কেউ সহজে ফলস রিং করতে যাবে না।’<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আরেকটি জিনিস হবে, আরও যে নম্বরগুলো আছে যেমন- ৩৩৩, ১০৯- এগুলো সব ইন্টারঅপারেটিভিটি (আন্তঃসংযোগ) হয়ে যাবে। যে কোনোটায় ফোন করে যদি কেউ বলে এখানে ডাকাত পড়েছে, ওখানে অটোম্যাটিক্যালি কানেক্টেড হয়ে যাবে।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজকে নির্দেশনা দিয়েছেন, এটা খুবই ইফেকটিভ করে দিতে হবে। মেইনলি তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের গাইডলাইনে এটা (জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কার্যক্রম) হয়েছে।’<br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 প্রবাসীরা ফ্রিতে পাচ্ছেন এনআইডি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101112 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747384_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747384_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি ধরে রেখেছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। তারা হচ্ছেন এদেশের রেমিটেন্স যোদ্ধা। কিন্তু এসব রেমিটেন্স যোদ্ধাদের উন্নতমানের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহে ‘ফি’ নির্ধারণের চিন্তাভাবনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে শেষমেষ সেই চিন্তাভাবনা থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। এখন সব প্রবাসী ফ্রিতে এনআইডি পাবেন। জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি এখন প্রবাস জীবনযাপন করছেন। দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন তারা। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ। রেমিটেন্স যোদ্ধাদের এনআইডি ফ্রিতে বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। <br>আজ রোববার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের ৭৩তম সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেন, প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার নিবন্ধন দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হবে না। এর আগে গত বৃহস্পতিবার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদর জন্য এনআইডি সেবা কার্যক্রম শুরুর পর ইতোমধ্যে চারটি দেশে and nbsp; প্রায় সাড়ে সাতশটি আবেদন পেয়েছে এনআইডি উইং।<br>নভেম্বরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনলাইনে ভোটার করার কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পর পরই করোনাভাইরাস মহামারী দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে ৪৮ জন, সৌদি আরব থেকে ৩৯ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৫৩০ জন এবং যুক্তরাজ্য থেকে ১২১ জন প্রবাসী বাংলাদেশি অনলাইনে ভোটার হতে আবেদন করেছেন। দেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিনা ফিতে বিতরণ করা হচ্ছে। তবে হারানো, সংশোধন বা ডুপ্লিকেট এনআইডি সংগ্রহে ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।<br>২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি সেবা চালু করা হয়। সর্বশেষ এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে এ সেবা কাজ উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। প্রবাসীরা অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনে জন্য ংবৎারপবং.হরফ.িমড়া.নফ and nbsp; ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এ যুগান্তকারী পদক্ষেপ চালুর পর মহামারী শুরু হওয়ায় দূতাবাসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক নেওয়ার কাজ ‘থমকে’ যায়।<br>ইসি সচিব বলেন, আজ রোববার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, প্রবাসী ভোটারদের কাছ থেকে ফি নেয়া হবে না। কারণ বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার জন্য যে আইন ও বিধি আছে, সেখানে ফি নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কমিশন বিশ্লেষণ করে দেখেছে, যেহেতু নাগরিক সুবিধা হিসেবে এটা দেশের মধ্যে ফ্রি দেয়া হয়, বিদেশেও ফ্রি দেয়া উচিৎ। এই চিন্তা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসীদের কাছ থেকে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ফি নেয়া হবে না। আলোচনা সভায় উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, প্রবাসীদের মধ্যে যারা এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন তাদের পরিচয়পত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:43:00 1970-01-01 00:00:00 যুবলীগ মাঠে নামলে দৌড়াইয়া কূল পাবেন না, মামুনুল হককে নিক্সন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101111 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747354_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747354_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:<br>হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের উদ্দেশে আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেছেন, সারাদেশে যুবলীগের সঙ্গে লইড়া দেখেন। আসেন, দেখেন খেলা হবে। এই যুবলীগের সঙ্গে এক মিনিট লড়ার ক্ষমতা আপনার নেই।<br>সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের পুরোনো রেলস্টেশন চত্বরে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে যুবলীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলমকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।<br>মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, মামুনুল হক কারে চ্যালেঞ্জ করে? শেখ হাসিনারে চ্যালেঞ্জ করে! ব্যাডা কী পাগল? মাথায় কি বুদ্ধি কম? আরে শেখ হাসিনা তো অনেক উপরের বিষয়।<br>তিনি বলেন, আমাদের সাথে ফাঁপরবাজি কইরেন না। কোন দেশের টাকা খাইছেন, হঠাৎ কইরা চাঙা দিয়া উঠছেন। ওইসব দেশের দালালি বন্ধ করেন, এটা বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলাদেশ।<br>ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য বলেন, যুবলীগ যদি মাঠে নামে ওস্তাদ দৌড়াইয়া কূল পাবেন না। তাই আমার নেত্রীরে চ্যালেঞ্জ জানানোর আগে নেত্রীর সন্তানদের সঙ্গে একটু বুইঝা নেন। তাই এমন ধমক দিয়েন না। দালালি করেন অন্য দেশের। দালালি কইরা মাল খাইছেন, হেই মাল খাইয়া এহন ভাব নেন, চ্যালেঞ্জ করেন।<br>মামুনুল হককে তেলাপোকার সাথে তুলনা করে তিনি বলেন, আরে মিয়া তেলাপোকাও পাখি, আর আপনিও মানুষ। যদি সাহস থাকে তাহলে আসেন মাঠে আসেন। মাঠে খেলা হবে। আমাদের ভয় দেখাবে না। আমাদের মাথা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত পুরাটাই কইলজা।<br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ২৩ পৌরসভায় বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়ন পেলেন যারা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101110 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747323_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747323_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>আসন্ন প্রথম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে ২৩ জনকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেছে বিএনপি। ২৮ ডিসেম্বর হতে যাওয়া পৌর নির্বাচনে তারা ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন।<br>সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন। শায়রুল বলেন, সোমবার চেয়ারপারসেনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং ভারপ্রাপ্ত তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজুদ্দিন নসু দলের মহাসচিব স্বাক্ষরিত প্রত্যায়নপত্র প্রার্থীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। <br>মনোনয়ন পেয়েছেন যারা-<br>পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় পৌরসভায় মো. তৌহিদুল ইসলাম; ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ মো. রেজাউল করিম (রাজা); দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মো. শাহাদাৎ আলী; রংপুরের বদরগঞ্জে মো. ফিরোজ শাহ; কুড়িগ্রাম জেলার কুড়িগ্রাম পৌরসভায় মো. শফিকুল ইসলাম; রাজশাহীর পুঠিয়ায় মো. আল মামুন, কাটাখালীতে আধ্যাপক মো. সিরাজুল হক; সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে মো. মাহমুদুল হাসান; কুষ্টিয়ার খোকসায় রাজু আহমেদ; চুয়াডাঙ্গা জেলার চুয়াডাঙ্গায় মো. সিরাজুল ইসলাম (মনি); খুলনার চালনায় মো. আবুল খায়ের খান মনোনয়ন পেয়েছেন।<br>বরগুনার বেতাগীতে মো. হুমায়ুন কবির; পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মো. আবদুল আজিজ; বরিশালের উজিরপুরে মো. শহিদুল ইসলাম খান; বরিশালের বাকেরগঞ্জে এস এম মনিরুজ্জামান; ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শাহ আব্দুল্লাহ আল-মামুন; নেত্রকোনার মদনে মো. এনামুল হক; মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ পৌরসভায় মো. আতাউর রহমান আতা; গাজীপুরের শ্রীপুরে মো. শহিদুল্লাহ শহিদ; সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী; মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আনোয়ারুল ইসলাম; হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে এম এফ আহমেদ অলি এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মো. আবুল মুনছুর বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।<br>উল্লেখ্য, প্রথম ধাপে ২৫ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ২৫ পৌরসভার ভোটগ্রহণ করা হবে। ২৫ পৌরসভায় নির্বাচন হলেও ২৩ পৌরসভায় মেয়র পদে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বাকি দুটির বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।<br>এছাড়া এই নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ সময় ৩ ডিসেম্বর এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১০ ডিসেম্বর।<br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:42:00 1970-01-01 00:00:00 ডিআরইউর নতুন সভাপতি নোমানী, সম্পাদক মসিউর http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101109 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747295_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747295_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মুরসালীন নোমানী এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সমকালের মসিউর রহমান খান।<br>সভাপতি পদে মুরসালিন নোমানী পেয়েছেন ৫২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাহনেওয়াজ দুলাল পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট। আর সাধারণ সম্পাদক পদে মসিউর রহমান পেয়েছেন ৬৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তোফাজ্জল হোসেন পেয়েছেন ৪২৬ ভোট।<br>বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত রিপোর্টারদের সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন-২০২০ সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ ভোটগ্রহণ চলে।<br>দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় এক বছর মেয়াদি এই কমিটির নির্বাচনের ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।<br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 সোয়াইব হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101108 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747267_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747267_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার আলোচিত শিশু সোয়াইব হোসেন (৫) হত্যা মামলার দীর্ঘ সাত বছর পর রায় হয়েছে। রায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর ছয়জনকে খালাস দেয়া হয়েছে।<br>সোমবার (৩০ নভেস্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতদের আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জসিম উদ্দিন, রাজু মিয়া ও ফজল হক। আসামি নাছির উদ্দিনকে ১০ বছরের সাজা দেয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- রিনা আক্তার, ইকবাল, এমদাদ, আলী আহম্মদ, মোশরফ হোসেন ও সিরাজ।<br>রায়ের বিষয়ে আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) আব্দুর রহিম বলেন, ‘২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সোনারগাঁ উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও এলাকার নামজুল হোসেন মাসুমের ছেলে সোয়াইব হোসেন নিখোঁজ হয়। সে শান্তিনগর দারুন নাজাত নুরানি মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্র। নিখোঁজের ছয়দিন পর একই এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশ থেকে গলাকাটা, শরীর ঝলসে দেয়া ক্ষতবিক্ষত সোয়াইব হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘সোয়াইব অপহরণের পর তার বাবা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে একই এলাকার ১৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এ মামলার রায়ে আদালত যাদের খালাস দিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ আপিল করবেন। আর যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তাদের রায় যাতে বহাল থাকে সে চেষ্টা করা হবে।’<br>মামলার বাদী নাজমুল হোসেন মাসুম বলেন, ‘যারা সাজা ও খালাস পেয়েছেন তারা সবাই আমার সন্তানকে নির্মমভাবে খুন করেছেন। আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে আসামিরা জবানবন্দি দিয়েছেন। আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট না।’<br><br><br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:41:00 1970-01-01 00:00:00 বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবে সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101107 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747237_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747237_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনার টিকা দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিড-১৯-এর যে তিন কোটি ডোজ টিকা সরকার কিনতে যাচ্ছে, তা জনগণের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে কারা আগে পাবে, তা ঠিক হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী।<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল এই বৈঠক হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এই টিকার জন্য ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার, সেরাম ইনস্টিটিউট ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এই টিকা কেনার জন্য ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিন কোটি টিকা সরকার কিনবে; কিন্তু মানুষ বিনামূল্যে পাবে।<br>সরকারের পক্ষ থেকে কয়েক দিন আগে জানানো হয়েছিল, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিড-১৯-এর তিন কোটি ডোজ টিকা কিনবে বাংলাদেশ।<br>অক্সফোর্ড উদ্ভাবিত এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণযোগ্য, যা বাংলাদেশে বিদ্যমান। <br>প্রথম ডোজ নেয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ করা হবে। টিকার পর্যায়ভিত্তিক প্রাপ্যতা বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী, তথা কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখসারির কর্মী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠী, বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী, শিক্ষাকর্মী এবং গণপরিবহনকর্মীরা টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। <br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় প্রাণ গেল আরও ৩৫ জনের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101106 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747207_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747207_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ৩৫ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ ও ১১ জন নারী। ৩৫ জনের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৬৪৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ৫৬৫টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৫ হাজার ৩৭২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ লাখ ৭২ হাজার ৭০১টি। এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও দুই হাজার ৫২৫ জন। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩২ জনে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৫৩৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার ৭১১ জন।<br>সোমবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১৬ দশমিক শূন্য ৪৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ৮৯ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ও ১৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয়।<br>এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু ৬ হাজার ৬৪৪ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৯৯ জন (৭৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৫৪৫ জন(২৩ দশমিক শূন্য ২৫ শতাংশ)।<br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৫ জনের মধ্যে শূন্য থেকে ১০ বছরের একজন, দশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব ৫ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৮ জন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ২০ জন রয়েছেন।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রামে এক, রাজশাহীতে চার, খুলনায় দুই, সিলেটে এক রংপুর একজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের একজন রয়েছেন।<br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 জামিন পেলেন কারাগারে বিয়ে করা সেই আসামি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101105 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747173_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747173_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>ফেনীতে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে কারাগারেই ভুক্তভোগীকে বিয়ে করা ধর্ষণ মামলার আসামি জহিরুল ইসলাম জিয়াকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।<br>হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেন। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী।<br>গত ২৭ মে জেলার সোনাগাজীর এক তরুণী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যের ছেলে জহিরুল ইসলাম জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ২৯ মে জহিরুলকে গ্রেপ্তার করে সোনাগাজী মডেল থানা-পুলিশ। পরে তার পরিবার তরুণীর পরিবারের সঙ্গে আপস-মীমাংসা করেন। জহিরুল ওই তরুণীকে বিয়ে করবেন- এমন কথা জানিয়ে তার পক্ষে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হয়।<br>হাইকোর্টের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের আদালত জহিরুলকে জামিন না দিয়ে কারাফটকে জহিরুল ও ভুক্তভোগী তরুণীর বিয়ের আয়োজন করার জন্য ফেনী কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে বিয়ের বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন।<br>এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ নভেম্বর ফেনী জেলা কারাগারে দুই পক্ষের পরিবারের ২০ থেকে ৩০ সদস্যের উপস্থিতিতে ৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী কাজী আবদুর রহিম জহিরুল ইসলাম জিয়ার সঙ্গে ওই তরুণীর বিয়ে সম্পন্ন করেন। ওই সময় মিষ্টিমুখ করে দুই পরিবারের সদস্যরা কোলাকুলি করেন।<br>গতকাল রবিবার বিয়ের বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করেন আসামি পক্ষের আইনজীবী। পরে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 বিকাশ প্রতারকের সাথে প্রেম জমিয়ে টাকা উদ্ধার করলেন কলেজছাত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101104 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747146_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747146_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>বিকাশে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন রাজশাহীর এক কলেজছাত্রী। প্রতারকরা তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নিয়েছিল ৫১ হাজার টাকা। পরে পুলিশের পরামর্শে তিনি ওই প্রতারকের সঙ্গেই শুরু করেন প্রেমের অভিনয়। প্রেম জমে উঠলে ওই প্রতারক কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে আসে। আর তখনই এক সহযোগীসহ ওই প্রতারককে আটক করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।<br>আটক দুইজন হলো- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার জাঙ্গালপাশা মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল খানের ছেলে হাসান খান (১৯) ও জাঙ্গালপাশা পূর্বপাড়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মাহমুদ হাসান ওরফে বায়েজিদ (১৯)।<br>পুলিশ বলছে, এরা পেশাদার প্রতারক। মুঠোফোনে কল দিয়ে তারা কৌশলে বিকাশের পিন নম্বর হাতিয়ে নেয়। এরপর সরিয়ে ফেলে বিকাশের টাকা।<br>প্রেমের ফাঁদে ফেলা কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে রবিবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় থেকে এদের আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৭৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।<br>আরএমপির ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) আবু আহাম্মদ আল মামুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।<br>তিনি জানান, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৬ নভেম্বর তার মুঠোফোনে অচেনা একটি নম্বর থেকে কল আসে। ওই ব্যক্তি ছিল প্রতারক হাসান। তবে সে নিজেকে ওই শিক্ষার্থীর কলেজের শিক্ষক পরিচয় দেয়। সে বলে, করোনাকালে বিকাশের মাধ্যমে সরকার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে। কিন্তু যে নম্বরে বৃত্তি পাঠানো হবে সেই বিকাশে অন্তত ৫০ হাজার টাকা থাকতে হবে। তাহলেই এই নম্বরে সরকার টাকা পাঠাবে।<br>বিষয়টি আঁচ করতে না পেরে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা তোলেন। আর তার বিকাশে আগে থেকেই কিছু টাকা ছিল। ওই ছাত্রী বিকাশে টাকা তোলার পর প্রতারক হাসান কৌশলে তার পিন নম্বরটি জেনে নেয়। এরপর সে ওই ছাত্রীর বিকাশ থেকে ৫১ হাজার টাকা সরিয়ে নেয়। পরে প্রতারণার বিষয়টি টের পেয়ে ওই ছাত্রী ডিবি পুলিশের শরণাপন্ন হন।<br>আরএমপির ডিবি পুলিশের ডিসি আবু আহাম্মদ আল মামুন বলেন, ‘সবকিছু শোনার পর আমি ওই ছাত্রীকে পরামর্শ দিলাম যে অন্য একটি নম্বর থেকে ওই প্রতারকের সঙ্গে তুমি কথাবার্তা বলতে থাক। যেহেতু আগে খুব বেশি কথা হয়নি, সে হয়তো বুঝতে পারবে না। এই কৌশলটাই কাজে দিয়েছে। পরদিন থেকেই মেয়েটি অন্য একটি নম্বর থেকে তার সঙ্গে কথা শুরু করে। প্রতারক মেয়েটিকে চিনতে পারেনি। মেয়েটির চেয়ে প্রতারকই বেশি কথা বলতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে রাজিও হয়ে যায়। তারপর প্রেমের অভিনয় করতে থাকে এবং এসবের আপডেট আমাদের জানাতে থাকে। এই ১২ দিনেই প্রেম জমে ওঠে।’<br>ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তাদের পরামর্শে ওই ছাত্রী প্রতারককে দেখা করার জন্য ডাকে। এই ডাকে সাড়া দিয়ে হাসান তার সহযোগী আরেক প্রতারককে নিয়ে রবিবার রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে আসে। সাদাপোশাকে এখানে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিলেন ডিবি পুলিশের সদস্যরা। ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা হতেই তারা দুই প্রতারককে ধরে ফেলেন।<br>তিনি আরও জানান, আটকের সময় দুইজনের কাছে ৭৬ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। এদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা নগরীর রাজপাড়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 রাজধানীতে নারীকে কুপিয়ে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101103 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747117_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747117_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক, <br>পারিবারিক কলহের জের ধরে রাজধানীর কাফরুলে এক নারীকে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামীর আগের সংসারের ছেলে পলাতক রয়েছে। রবিবার দুপুরে কাফরুলের ইমাননগর সমিতির বাইশটেকি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।<br>লাশ উদ্ধারের পর রবিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসে পুলিশ।<br>কাফরুল থানার এসআই আবু বকর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই নারীর নাম সীমা আক্তার। স্বামী শাজাহান সিকদার। ৮ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। কাফরুলের ওই ফ্ল্যাটে স্বামীর সঙ্গে থাকতেন সীমা। খবর পেয়ে রবিবার বিকালে সীমার অগ্নিদগ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়।<br>তার শরীরের পেছনের দিকটা পোড়ানো, পিঠে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে তার সৎ ছেলে নাহিদ পলাতক রয়েছে। পারিবারিক বিরোধেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন।<br>সীমার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়। সীমার স্বামী শাজাহান শিকদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নাহিদ পলাতক। তবে ঘটনার সময় শাজাহান বাসায় ছিলেন না।<br>পুলিশ জানায়, শাজাহান শিকদার একটি কার্টন ফ্যাক্টরির কর্ণধার। ইমাননগর সমিতি এলাকায় একটি ১০তলা ভবনের সাততলায় দ্বিতীয় স্ত্রী সীমা বেগমকে (৩৩) নিয়ে থাকতেন। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই শাজাহান শিকদারের ছেলে নাহিদ তার স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধৃত করে পুলিশ জানাচ্ছে, দুই পরিবারের ঝগড়াঝাটি হয়েছিল। তাদের আশঙ্কা, সে কারণেই সীমাকে খুন করা হয়।<br>পুলিশ আরও জানায়, সীমা আক্তারের লাশ বিছানায় উপুড় অবস্থায় পড়েছিল। তার পিঠে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের পেছনের দিকে পোড়া ছিল। মৃতদেহের পাশেই একটি লুঙ্গি ছিল। কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার আগে তাকে গলায় লুঙ্গি বেঁধে শ্বাসরোধ করা হয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা তাদের।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 ডেঙ্গু আক্রান্ত ৯০ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101102 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747084_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747084_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>এডিস মশার কামড় থেকে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯০ রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের মধ্যে ৭৬ রোগী ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এবং বাকিরা রাজধানীর বাইরে ভর্তি আছেন বলে সোমবার (৩০ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৭ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ঢাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন। ঢাকার বাইরে একজন রোগী ভর্তির খবর পাওয়া গেছে।<br>সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ১৭৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৭৭ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।<br>রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ডেঙ্গু সন্দেহে এখন পর্যন্ত সাতটি মৃত্যুর তথ্য প্রেরিত হয়েছে। আইইডিসিআর চারটি ঘটনার পর্যালোচনা সমাপ্ত করে তিনটি মৃত্যু ডেঙ্গুজনিত বলে নিশ্চিত করেছে।<br>গত বছর দেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় এবং সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে মশাবাহিত এ রোগে তখন ১৭৯ জন মারা যান।<br>ডেঙ্গু ছড়ায় এডিস মশার কারণে। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এবার এ আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটিও ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে।<br>ডেঙ্গুতে সাধারণত তীব্র জ্বর এবং সেই সাথে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। গায়ে রেশ হতে পারে। এর সাথে বমি বমি ভাব হতে পারে। </body></HTML> 2020-12-01 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 এমসি কলেজে গণধর্ষণের আসামিদের ডিএনএ মিলেছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101101 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747054_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/30/1606747054_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি) ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনার দুই মাস পর আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছেছে। ডিএনএ প্রতিবেদনে তাদের সংশ্লিষ্টতার মিল পাওয়া গেছে। তবে আট আসামির ডিএনএ নমুনার মধ্যে পরীক্ষায় কতজনের নমুনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। রোববার (২৯ নভেম্বর) শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্রাচার্যের হাতে ডিএনএ প্রতিবেদন পৌঁছেছে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের গনমাধ্যকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, ডিএনএ প্রতিবেদন শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্রাচার্যের হাতে এসে পৌঁছেছে। এখন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয়া হবে।<br>আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, আলোচিত এ ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ডিএনএ প্রতিবেদন না আসায় চার্জশিট দেয়া সম্ভব হয়নি। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে আসায় দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দেয়া হবে এবং বিস্তারিত তথ্য সবাইকে জানানো হবে।<br>এর আগে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর দুই দিনে এ মামলায় গ্রেফতার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের ডিএনএ ল্যাবে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ প্রতিবেদন রোববার তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসে পৌঁছেছে।<br>গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ভেতরে একটি রাস্তায় প্রাইভেট কারের মধ্যেই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে ওইদিন রাতেই মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় নির্যাতিতা নারীর স্বামী বাদি হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। <br><br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-12-01 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 নিজেদের মাঠেই পাত্তা পেল না দক্ষিণ আফ্রিকা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101100 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745819_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745819_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদেরই নাকাল করে ছাড়ল ইংল্যান্ড। তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে তারা স্বাগতিকদের সহজেই হারিয়েছে, এক ম্যাচ হাতে রেখেই। রোববার পার্লে ইংলিশরা জিতেছে ৪ উইকেটে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৫ উইকেট আর ৪ বল হাতে রেখে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচটিতেই একইরকম পরিণতি হলো স্বাগতিকদের। এবার অবশ্য কিছুটা লড়াই করেছিল তারা, তবে এক বল বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় ইংলিশরা।<br>বোলান্ড পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৪৬ রানেই আটকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক ছাড়া টি-টোয়েন্টি ধারার ব্যাটিং করতে পারেননি আর কেউই। ডি কক ১৮ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় করেন ৩০ রান। বাকি ব্যাটসম্যানদের কেউ ত্রিশও করতে পারেননি। ৯৫ রানে ৫ উইকেট হারানো প্রোটিয়ারা যে কোনোমতে একটা লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল, তার পেছনে মূল অবদান রসি ভ্যান ডার ডাসেন আর জর্জ লিন্ডের। তবে ডাসেন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেও তার ইনিংসটি মোটেই টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ছিল না। ২৯ বলে এই ব্যাটসম্যান করেন ২৫ রান। ২০ বলে ২৯ আসে লিন্ডের ব্যাট থেকে। জবাব দিতে নেমে বিপদে পড়েছিল ইংল্যান্ডও। ৮৩ রানের মধ্যে শীর্ষ ৪ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসে তারা, সবে তখন ১৩ ওভার পেরিয়েছে। তবে ডেভিড মালান দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে। দলীয় ১৩৪ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন তিনি। ইংলিশদের জয় তখন অনেকটাই নাগালে চলে এসেছে। ৪০ বলে ৭ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় মালান করেন ৫৫ রান। বাকি কাজটা সেরেছেন অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। ১৭ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। প্রোটিয়া বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন তাবরেজ শামসি। ১৯ রানে ৩টি উইকেট নেন এই স্পিনার। ২ উইকেট শিকার লুঙ্গি এনগিদির।</body></HTML> 2020-11-30 20:16:47 1970-01-01 00:00:00 টুর্নামেন্টের মাঝে ফিরতে পারেন সাইফউদ্দিন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101099 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745772_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745772_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ শুরুর আগে ওয়ার্ম আপের সময় ফুটবল খেলতে গিয়ে পায়ে চোট পান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তখন আশা করা হয়েছিল, দলের তিন ম্যাচ পরই মাঠে ফিরতে পারেন সাইফউদ্দিন। দুই জয় ও এক পরাজয়ে দল তিনটি ম্যাচ শেষ করেছে। তবে বাড়ছে সাইফউদ্দিনকে পাওয়ার অপেক্ষা। গত ২২ নভেম্বর মিরপুর একাডেমি মাঠে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর হয়ে অনুশীলনের সময় ওয়ার্ম আপের সময় চোট পান সাইফউদ্দিন। মাঠেই নিয়েছিলেন প্রাথমিক চিকিৎসা। তবে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল ক্রাচে ভর দিয়ে। চোটের অবস্থা জানতে স্ক্যান করানোর কথা থাকলেও বায়ো বাবল ভাঙতে হবে বলে স্ক্যান করাননি, ছিলেন পর্যবেক্ষণে। রবিবার (২৯ নভেম্বর) মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর ম্যানেজার হান্নান সরকার জানিয়েছেন সাইফউদ্দিনের চোটের সর্বশেষ অবস্থা। হান্নান জানান, সাইফউদ্দিন এখনো পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছেন। বিসিবির আঙ্কেল ইনজুরি পুনর্বাসন প্রটোকল অনুযায়ী দলের ফিজিও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারকি করছেন, খোঁজখবর নিচ্ছেন বিসিবির ফিজিও, ফিজিশিয়ান ও ট্রেনাররা। সাইফউদ্দিন তাহলে কবে ফিরছেন? সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা না গেলেও হান্নান জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে মাঠে ফিরতে পারেন এই অলরাউন্ডার। সেক্ষেত্রে আরও একটি বা দুটি ম্যাচে তাকে পাবে না রাজশাহী। বিসিবির ফিটনেস প্রটোকল অনুযায়ী যখন উত্তীর্ণ হবে তার ফিটনেস, ঠিক তখনই শুরু করবেন খেলা।</body></HTML> 2020-11-30 20:15:58 1970-01-01 00:00:00 হোয়াটমোরের সেরা টেস্ট একাদশে সাকিব http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101098 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745739_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606745739_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>সাবেক ক্রিকেটার ও প্রখ্যাত কোচ ডেভ হোয়াটমোরের বাছাইকৃত সেরা টেস্ট একাদশে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। যেসব দলের হয়ে খেলেছেন বা কোচিং করিয়েছেন সেই দলগুলো থেকে নিজের সেরা একাদশটি সাজিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ।<br>অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা হোয়াটমোর কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের সাথে। ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কাকে বিশ্বকাপ জেতানো হোয়াটমোর বাংলাদেশের উত্থানে রেখেছেন বড় অবদান। দ্য ক্রিকেট মন্থলি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক আর্টিকেলে হোয়াটমোর নিজের একাদশ প্রকাশ করেন। একাদশের অধিনায়ক অ্যালান বর্ডার।<br>২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে কোচিং করিয়েছেন হোয়াটমোর। তার সময়কালেই অভিষেক হয় সাকিবের। সাকিবের প্রসঙ্গে হোয়াটমোর বলেন, ‘সে যেভাবে শুরু করেছিল, আমি জানতাম দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রতিনিধিত্ব করবে। সময়ের সাথে সাথে সে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে এবং বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডারে পরিণত হয়েছে।’<br>একনজরে হোয়াটমোরের বাছাইকৃত সেরা টেস্ট একাদশ:<br>সানাথ জয়সুরিয়া, আজহার আলী, কুমার সাঙ্গাকারা (উইকেটরক্ষক), অরবিন্দ ডি সিলভা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, অ্যালান বর্ডার (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, চামিন্দা ভাস, রডনি হগ, মুত্তিয়া মুরালিধরন ও উমর গুল।</body></HTML> 2020-11-30 20:15:21 1970-01-01 00:00:00 শচিনের রেকর্ড ভেঙে সবার ওপরে কোহলি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101097 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744991_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744991_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>পূর্বসূরী শচিন টেন্ডুলকারের রেকর্ডগুলো একের পর এক মুড়ি-মুড়কির মতো ভেঙে চলেছেন বিরাট কোহলি। রোববার সিডনিতে ইতিহাসের দ্রুততম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২২ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক। এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ২২ হাজার রানের রেকর্ডটি ছিল শচিনের দখলে। ভারতের কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যান ৪৯৩ ইনিংস নিয়েছিলেন ২২ হাজার রানে পৌঁছতে। কোহলি তাকে ছাড়িয়েছেন ৩১ ইনিংস কম খেলে, তার লাগল ৪৬২ ইনিংস। কোহলি আর শচিনের পরে এই তালিকায় রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা। তার লেগেছে ৫১১ ইনিংস। পরের অবস্থানটি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের। ৫১৪ ইনিংসে ২২ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন তিনি।রোববার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৮৩ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। এই ইনিংসের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ২২,০১১। টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তার রান যথাক্রমে ৭২৪০, ১২৮৩৪ ও ২৭৯৪। সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মোট রান সংগ্রহকারীর তালিকায় এখন আটে রয়েছেন কোহলি। এখানে শীর্ষে রয়েছেন তার স্বদেশি শচিনই। ৩৪,৩৫৭ রান নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ভারতের সাবেক মাস্টার ব্লাস্টার ব্যাটসম্যানের। শচিনের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় সেরা পাাঁচে আছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা (২৮,০১৬ রান), অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং (২৭,৪৮৩ রান), শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়াবর্ধনে (২৫,৯৫৭ রান) এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস (২৫,৫৩৪ রান)।</body></HTML> 2020-11-30 20:02:44 1970-01-01 00:00:00 চোটাগ্রস্ত হয়ে মাঠের বাইরে ওয়ার্নার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101096 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744724_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744724_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>কুঁচকিতে চোট পেয়ে ভারতের বিরুদ্ধে বাকি এক দিনের সিরিজ এবং টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ডেভিড ওয়ার্নার। অ্যাডিলেডে প্রথম টেস্টেও তাকে পাওয়া যাবে কি না, তা-ও নিশ্চিত নয়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানিয়েছে, প্রথম টেস্টের আগে ওয়ার্নারকে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে। রবিবার সিডনিতে ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গিয়ে চোট পান ওয়ার্নার। তার পরই তাকে শেষ এক দিনের ম্যাচ এবং টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ড। প্যাট কামিন্সকেও সাদা বলের বাকি সিরিজ থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এক দিনের সিরিজ পকেটে পোরার পর অস্ট্রেলিয়ার এখন লক্ষ্য টেস্ট সিরিজ। সেই কারণেই কামিন্সকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত। কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার বলেন, ‘টেস্ট সিরিজে আমাদের টিমের দু’জন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার প্যাট এবং ডেভিড। ডেভিডকে চোটের জন্য পুনর্বাসনে পাঠানো হয়েছে। এই গরমে মানসিক এবং শারীরিক ভাবে তরতাজা রাখার জন্য প্যাটকেও তুলে নেওয়ার হল।’ ওয়ার্নারের জায়গায় টিমে এলেন ডি’আর্চি শর্ট। কিন্তু কামিন্সের পরিবর্তে এখনও কোনও ক্রিকেটারের নাম জানানো হয়নি। ৩ ম্যাচের এক দিনের সিরিজের প্রথম ২ ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যেই সিরিজ পকেটে পুরে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। <br>২ ডিসেম্বর ক্যানবেরায় তৃতীয় এক দিনের ম্যাচ। ৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ৩ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ। ১৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে প্রথম টেস্ট।<br><br><br></body></HTML> 2020-11-30 19:58:32 1970-01-01 00:00:00 টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকছে মিয়ানমারের স্বর্ণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101095 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744656_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744656_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>ইয়াবার সঙ্গে এবার স্বর্ণের চালানও আসছে মিয়ানমার থেকে। উখিয়া-টেকনাফ সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে সোনাগুলো দেশের অভ্যন্তরে ঢুকছে। অঞ্চলটিতে দায়িত্বরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা সপ্তাহব্যাপী কয়েকটি অভিযানে কোটি কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বারসহ কয়েকজন পাচারকারীকে আটক করেছে।<br><br>টেকনাফ-২ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার হোয়াইক্যং বিজিবি সদস্যরা মো. বাবুল নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ৮৫ ভরি ৬ আনা ওজনের ৬টি স্বর্ণের বার জব্দ করে। কিছুদিন আগে যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯৯ ভরি ১১ আনা ওজনের সাতটি স্বর্ণের বারসহ আব্দুল গনি নামে এক পাচারকারীকে আটক করে বিজিবি।<br><br>গনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া আফজাল নগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে টেকনাফ পৌরসভা লামার বাজারে বসবাসরত।<br><br>হোয়াইক্যং বালুখালীগামী একটি ইজিবাইকে তল্লাশি চালিয়েও ৫৬ ভরি ১৪ আনা ৩ রতি ওজনের চারটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। এ সময় আটক করা হয় হোয়াইক্যং উত্তর পাড়ার আব্দুল মজিদের ছেলে মো. শাহ আলমকে (৩১)। তিনি জুতার ভেতরে সোনা বহন করছিলেন।<br><br>গত ১ নভেম্বর রাতে উখিয়া উপজেলা সীমান্ত সংলগ্ন ঘুমধুম সীমান্তে বিওপিতে কর্মরত ৩৪ বিজিবির সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ফালংখালী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে পাচার হয়ে আসা ৪৭১ ভরি ৯ আনা ৪ রতি ওজনের বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ জব্দ করে। এ সময় এক রোহিঙ্গা স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করে সদস্যরা। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ৩ কোটি ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা সমপরিমান বলে জানায় বিজিবি।<br><br>অনুসন্ধানে জানা যায়, মিয়ানমার থেকে স্বর্ণ পাচারে যারা জড়িত তারা আবার মাদক পাচারেও জড়িত। এ ধরনের অপরাধ কর্মে জড়িতরা বেশিরভাগই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বৈধ ব্যবসার আড়ালে মাদক ও স্বর্ণ পাচারে সক্রিয় ভুমিকা পালন করছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, আমিরাবাদ এলাকা থেকে গিয়ে টেকনাফে বসবাসরত একটি সিন্ডিকেট।<br><br>টেকনাফ-২ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) জানান, মাদক কারবারে জড়িত অপরাধীরা ইয়াবা পাচারের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে পাচার করে স্বর্ণের চালান নিয়ে আসছে। তাদের সেই অপচেষ্টা প্রতিরোধ করার জন্য চেকপোস্ট ও সীমান্তে বিজিবি টহল জোরদার করা হয়েছে। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যরা সদা প্রস্তুত রয়েছে।<br><br><br><br></body></HTML> 2020-11-30 19:56:52 1970-01-01 00:00:00 র‌্যাবের জালে ১৭ মাদক কারবারি ৪৯০৫ লিটার চোলাই জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101094 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744406_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744406_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ১৭ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৯০৫ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদ- দেয়। সোমবার র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্প জানায়, রবিবার রাতে পৌর শহরের রেলকলোনিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও দ- দেওয়া হয়।<br>আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রুস্তম, মাইনু মিয়া, রাজীব বয়ান, আলামিন, মিজানুর রহমান, শাহ আলম, হযরত আলী, নুর চাঁন, জামান মিয়াকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদ- ও ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। আর সাত মাসের বিনাশ্রম কারাদ- ও ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয় সোহেল, বিল্লাল মিয়া, সুমন মিয়া, বাদল মিয়া, মাসুম সিকদার, শরিফ মিয়া, সাইফুল, মইনদ্দিনকে।<br>ভৈরব ক্যাম্প সূত্র জানায়, পৌর শহরের রেলওয়ে কলোনিতে কিছু মাদক ব্যবসায়ী অবৈধভাবে নিয়মিত মাদক ব্যবসা করে আসছে বলে তথ্য ছিল র‌্যাবের কাছে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে ভৈরব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের, স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এবং ভৈরব উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিমাদ্রী খিসার নেতৃত্বে র‌্যাব রবিবার রাতে অভিযান চালায়। প্রায় তিন ঘণ্টার অভিযানে ১৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।<br>ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট হিম্রাদী খীসা জানান, এ অভিযানে ১৭ মাদক ব্যবসায়ী আটকসহ তাদের কাছ থেকে চার হাজার ৯০৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।<br>জব্দ করা চোলাই মদ র‌্যাব ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ের পাশে ধ্বংস করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।</body></HTML> 2020-11-30 19:53:01 1970-01-01 00:00:00 পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ইউপি সদস্য আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101093 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744312_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744312_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে নৌ-পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি পারভেজ গাজী ওরফে রনি মেম্বারকে আটক করেছে নৌ-পুলিশ। গতকাল রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে চাঁদপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কস্থ হাকিম প্লাজা মার্কেটের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। and nbsp; চাঁদপুর নৌ-থানা পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নৌ থানা পুলিশের ওসি জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে and nbsp; চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মো. পারভেজ গাজী রনিকে আটক করা হয়েছে। আটক করে শহরের ট্রাকঘাটস্থ নৌ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।<br>সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ওই রাতেই চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশের কাছে দেয়া।<br> and nbsp;চাঁদপুর নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, নৌ পুলিশের ওপর হামলার মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে।<br>আটক পারভেজ গাজী রণি and nbsp; এজাহারভুক্ত ও হুকুমের আসামি। সেই মামলায় তাকে আটক করা হয়। তাকে and nbsp; আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।</body></HTML> 2020-11-30 19:50:44 1970-01-01 00:00:00 ৪-৫ জন মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ, দুলাভাই-শ্যালিকা গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101092 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744176_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744176_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>গাইবান্ধায় কিশোরীকে গণধর্ষণের মামলায় দুলাভাই-শ্যালিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ নভেম্বর) গণধর্ষণের শিকার কিশোরী গোবিন্দগঞ্জ থানায় অভিযোগ করলে রাতেই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন জানান, ভুক্তভোগী কিশোরী নারায়ণগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকতেন। and nbsp; সেখানে উল্লেখিত অভিযুক্তরাও থাকতেন। and nbsp; সেই সুবাধে কিশোরীর সঙ্গে গোবিন্দগঞ্জের কিশোরী আদুরীর পরিচয় হয়। and nbsp; তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৭ অক্টোবর আদুরীর সঙ্গে তাদের গোবিন্দগঞ্জের বাড়িতে বেড়াতে আসেন নির্যাতিতা কিশোরী। শুক্রবার আদুরী তার দুলাভাই সোহেল মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীকে ঢাকায় পাঠান। শুক্রবার সকালে ওই কিশোরীকে নিয়ে মোটরসাইকেলে রওনা হন সোহেল।<br>রাতে অপরিচিত স্থানে নিয়ে গিয়ে অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জন মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন সোহেল। পরে গভীর রাতে তাকে বালুয়াবাজারে বাংলালিংক টাওয়ারের সামনে ফেলে রেখে চলে যান। খবর পেয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে নির্যাতনের শিকার কিশোরী বাদী হয়ে অভিযুক্ত সোহেলসহ অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। এরপর অভিযান চালিয়ে আদুরী ও অভিযুক্ত সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলে জানায় পুলিশ। শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নির্যাতিত কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।<br><br></body></HTML> 2020-11-30 19:49:05 1970-01-01 00:00:00 ৫ কোটি টাকা নিয়ে এনজিও কর্মকর্তা উধাও http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101091 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744081_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606744081_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥</span><br>জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে গ্রাহকদেরর পাঁচ কোটিরও বেশি টাকা নিয়ে গ্রামীণ সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড নামের এনজিও কর্মকর্তা চন্দ্রলাল রবিদাস উধাও হয়েছেন। ফলে বিপাকে পড়েছে শত শত গ্রাহক। স্থানীয়রা জানান, এনজিওটি ২০১৩ সালে উপজেলা সমবায় কর্তৃক নিবন্ধন নিয়ে উপজেলার কৃষি ব্যাংক মোড় সংলগ্ন ভবনের দ্বিতীয় তলায় অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। চারজন আদায়কারী নিয়োগ করে এলাকায় ডিপিএসে ১৫ শতাংশ এবং এফডিআরে দ্বিগুণ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ শুরু করে।<br>তাদের বিশ্বাস করে এলাকার অনেক মানুষ ডিপিএস, এফডিআর ও সঞ্চয় করেন। এরই মধ্যে কিছু গ্রাহক সঞ্চয় ফেরত চাইলে এনজিও কর্মকর্তা চন্দ্রলাল রবিদাস টালবাহানা করতে থাকেন।<br>উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের নাফিজুর রহমান নাহিদ বলেন, আমার মায়ের পেনশনের ১২ লাখ টাকা এফডিআর হিসাবে জমা রাখি। মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা লভ্যাংশ দেয়ার কথা থাকলেও এক টাকাও পাইনি। এখন দেখছি সমিতি উধাও। আমার মা এই চিন্তায় শয্যাশায়ী। গনেশপুর গ্রামের আদিবাসী সাঙ্গাল উড়াও বলেন, জমি বিক্রির চার লাখ টাকা জমা করি। এখন অফিসে দেখছি তালা। আমি এখন কী করে খাব? শিমুলতলী গ্রামের রুনা মার্জিয়া বানু জানান, লাভের আশায় সমিতিতে চার লাখ টাকা জমা রাখি। অফিস উধাওয়ের খবরে সংসার এখন ভাঙনের মুখে। সমিতির মাঠ কর্মকর্তা রাশেদ ম-ল বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী ১০ লাখ টাকা জামানত দিয়ে ২২ হাজার টাকা মাসিক বেতনে চাকরি নিই। নিজের নামে চার লাখ এবং স্ত্রীর নামেও তিন লাখ টাকা সঞ্চয় রাখি। তবে অনেক দিন থেকে সেখানে বেতন দেয় না। এখন ছেলেমেয়ে নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছি।<br>পাঁচবিবি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সমাজকর্মী এস কে হক, ব্যবসায়ী আহসানুল হক বিপ্লবসহ এলাকাবাসী বলেন, গ্রামীণ সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড শত শত গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। আশা করি সমবায় অফিস এ সমিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।<br>এ বিষয়ে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা লুৎফুল কবীর বলেন, গ্রামীণ সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড নামের একটি সমিতি বন্ধের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।</body></HTML> 2020-11-30 19:46:11 1970-01-01 00:00:00 ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানি ছড়ালে সরকার বসে থাকবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101090 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732706_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732706_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানিমূলক বক্তব্য যদি চলতেই থাকে তাহলে সরকার নিশ্চয় বসে থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।<br>তিনি বলেন, “আসলে এসব কথা বলে তারা সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আমি আশা করবো, এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য তারা পরিহার করবে। এটি কখনো জনগণ মেনে নেয়নি, নেবেও না। বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদের, জঙ্গিবাদের স্থান নেই। ” সোমবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষ সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।<br><br>সরকারের বক্তব্য জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা শুরু থেকেই বলে আসছি ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভাস্কর্যকে মূর্তির সঙ্গে তুলনা করে সমাজকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ” তিনি বলেন, “আমরা ইসলামী দেশগুলোর দিকে তাকালে দেখতে পাই, ইরানে ইসলামী বিপ্লবের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্র গড়ে তোলা হয়েছে, সেখানে আয়াতুল্লাহ খোমেনির ভাস্কর্য আছে। ইরাকে রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে, তুরস্কে এরদোয়ানের ভাস্কর্য আছে। পৃথিবীর ইসলামিক দেশ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে যদি তাকাই, সেখানে রাস্তায় রাস্তায় ভাস্কর্য আছে। জেদ্দাসহ বিভিন্ন শহরে ঘোড়া, উটসহ সৌদি প্রশাসকদের ছবি সম্বলিত ভাস্কর্য আছে। এছাড়া জেদ্দায় পৃথিবীর বিখ্যাত ভাস্কর্য দিয়ে জাদুঘর বানানো হয়েছে, যেখানে নারী-পুরুষ, জীবজন্তুসহ বহু কিছুর ভাস্কর্য আছে। মাওলানা রুমিসহ বহু স্কলারের ভাস্কর্য আছে। ”<br><br>তথ্যমন্ত্রী বলেন, “ভাস্কর্য একটি দেশের ইতিহাস, কৃষ্টি কালচারের অংশ। এসব দেশে এমনকি সৌদি আরবেও এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি। যারা পাকিস্তানি ভাবধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের অতীত ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, তাদের পূর্ব-পুরুষরা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের জন্য লড়াই করেছিলেন বা পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। তাদের সেই সাধের পাকিস্তানে কায়েদে আজমের ভাস্কর্য আছে, লিয়াকত আলীসহ বহুজনের ভাস্কর্য আছে। সেখানেও কেউ প্রশ্ন তোলেনি। ”<br><br>তিনি বলেন, “আমাদের দেশের বহু ভাস্কর্য বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছে, তখন কিন্তু কেউ প্রশ্ন তোলেনি। and nbsp; এখন এটি নিয়ে প্রশ্ন করা মানে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা। আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাই, ভারতবর্ষে ইংরেজরা আসার আগে সরকারি ভাষা ছিলো ফার্সি এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে উর্দু ভাষা চালু করা হয়েছিলো। ইংরেজরা এসে ইংরেজি চালু করলো। তখন এই ভারতবর্ষে আজকে যারা ভাস্কর্য নিয়ে কথা বলছে, তাদের মধ্যে অনেকে ইংরেজি শিক্ষা হারাম ফতোয়া দিয়েছিলো। ”<br><br>তিনি বলেন, “মানুষ যখন চাঁদে গেলো তখন ফতোয়া দিয়েছিলো বিশ্বাস করলে হারাম, শিরক হবে। আবার যখন টেলিভিশন চালু হলো তখন দেখা হারাম বলেছিলো। অনেকেই হজে যাওয়ার সময় ছবি দিয়ে দরখাস্ত করা বা ছবি দেওয়া যাবে না এটা নিয়ে বিতর্ক তুলেছিলো। এখন যারা এসব কথা বলেছিলো তারা টেলিভিশনে বক্তব্য দেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গেলে খুশি হন। আসলে এসব কথা বলে তারা সমাজকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আমি আশা করবো এ ধরনের বিভ্রান্তমূলক ও উস্কানিমূলক বক্তব্য তারা পরিহার করবে। এটি কখনো জনগণ মেনে নেয়নি নেবেও না। বাংলাদেশে কোনো মৌলবাদের, জঙ্গিবাদের স্থান নেই। ”</body></HTML> 2020-11-30 16:35:50 1970-01-01 00:00:00 বিকাশ প্রতারকের সঙ্গে প্রেম করে টাকা উদ্ধার করলেন কলেজছাত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101089 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732394_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732394_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন- রাজশাহীর এক কলেজছাত্রী। প্রতারকরা তার বিকাশ থেকে কৌশলে হাতিয়ে নিয়েছিল প্রায় ৫০ হাজার টাকা। পরে পুলিশের পরামর্শে তিনি ওই প্রতারকের সঙ্গেই প্রেমের অভিনয় শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের প্রেম জমে ওঠে এবং ওই বিকাশ প্রতারক কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ফরিদপুর থেকে রাজশাহী যান। আর তখনই এক সহযোগীসহ ওই প্রতারককে আটক করে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।<br><br>আটক দুজন হলেন- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার জাঙ্গালপাশা মধ্যপাড়া গ্রামের আবদুল খানের ছেলে হাসান খান (১৯) এবং জাঙ্গালপাশা পূর্বপাড়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মাহমুদ হাসান ওরফে বায়েজিদ (১৯)। আটকের পর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পুলিশ বলছে- এরা পেশাদার প্রতারক। মুঠোফোনে কল দিয়ে তারা কৌশলে বিকাশের পিন নম্বর হাতিয়ে নেয়। এরপর ওই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ছয় সংখ্যার পিন দিয়ে সরিয়ে ফেলে বিকাশের টাকা। অভিযোগ পাওয়ার পরে টাকা উদ্ধারে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাঠে নামে ডিবি পুলিশ।<br><br>এর পর প্রেমের ফাঁদে ফেলা কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এলে রোববার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় থেকে এদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) আবু আহাম্মদ আল মামুন সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। গত ১৬ নভেম্বর তার মুঠোফোনে অচেনা একটি নম্বর থেকে কল আসে। ওই ব্যক্তি ছিল বিকাশ প্রতারক হাসান। তবে সে নিজেকে ওই শিক্ষার্থীর কলেজের শিক্ষক পরিচয় দেয়। সে বলে, করোনাকালে বিকাশের মাধ্যমে সরকার শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে। কিন্তু যে নম্বরে বৃত্তি পাঠানো হবে সেই বিকাশে অন্তত ৫০ হাজার টাকা থাকতে হবে। তাহলেই এই নম্বরে সরকার টাকা পাঠাবে।<br><br>বিষয়টি আঁচ করতে না পেরে ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা ক্যাশ ইন করেন। আর তার বিকাশে আগে থেকেই কিছু টাকা ছিল। ওই ছাত্রী বিকাশে টাকা ঢোকানোর পর প্রতারক হাসান কৌশলে তার পিন নম্বরটি জেনে নেয়। এরপর সে ওই ছাত্রীর বিকাশ থেকে ৫১ হাজার টাকা সরিয়ে নেয়। পরে বিকাশে প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি টের পেয়ে ওই ছাত্রী ডিবি পুলিশের সাহায্য চান।<br><br>মহানগর ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার আবু আহাম্মদ আল মামুন আরও বলেন, ‘সবকিছু শোনার পর তিনি ওই ছাত্রীকে পরামর্শ দেন যে অন্য একটি নম্বর থেকে ওই প্রতারকের সঙ্গে কথাবার্তা বলার। যেহেতু আগে খুব বেশি কথা হয়নি, সে হয়তো বুঝতে পারবে না। এই কৌশলেই ধরা পড়ে যায় ওই প্রতারক। পরদিন থেকেই মেয়েটি অন্য একটি নম্বর থেকে তার সঙ্গে কথা শুরু করে। প্রতারক মেয়েটিকে চিনতে পারেনি। তবে কথোপকথন শুরুর পর মেয়েটির চেয়ে প্রতারকটাই বেশি কথা বলতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে রাজিও হয়ে যায়। তারপর প্রেমের অভিনয় করতে থাকে এবং এসবের আপডেট আমাদের জানাতে থাকে। এই ১২ দিনেই তাদের প্রেম জমে ওঠে।<br><br>ডিবি পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, তাদের পরামর্শে ওই ছাত্রী প্রতারককে দেখা করার জন্য ডাকে। এই ডাকে সাড়া দিয়ে হাসান তার সহযোগী আরেক প্রতারককে নিয়ে রোববার রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর মোড়ে আসে। এ সময় সাদা পোশাকে সেখানে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিলেন ডিবি পুলিশের সদস্যরা। ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরপরই তারা দুই প্রতারককে ধরে ফেলেন। আটকের সময় দুইজনের কাছে মোট ৭৬ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। and nbsp; এদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা মহানগরীর রাজপাড়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন। and nbsp;<br>ওই মামলায় সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। <br></body></HTML> 2020-11-30 16:31:56 1970-01-01 00:00:00 সোয়াইবকে খুনের দায়ে তিনজনের ফাঁসির আদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101088 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732083_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606732083_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পাঁচ বছর বয়সী শিশু সোয়াইব হোসেনকে হত্যার দায়ে তিনজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই মামলাটিতে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানা এই দণ্ডাদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া তিন আসামি হলেন- ফজর মুন্সী, রাজু ও জসিম।<br><br>কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান রায়ের তিনজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুর আদেশের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সোয়াইব। নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে শিশুটির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর সোয়াইবের বাবা তার ছেলেকে অপহরণের পর হত্যার বিষয়ে থানায় একটি মামলা করেন। দীর্ঘ সাত বছর পর ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করেন।</body></HTML> 2020-11-30 16:27:29 1970-01-01 00:00:00 করোনার টিকা বিনামূল্যে দেবে সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101087 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731971_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731971_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনার টিকা দেশের মানুষকে বিনামূল্যে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিড-১৯-এর যে তিন কোটি ডোজ টিকা সরকার কিনতে যাচ্ছে, তা জনগণের মাঝে বিতরণ করা হবে। তবে কারা আগে পাবে, তা ঠিক হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী।<br>মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল এই বৈঠক হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।<br><br>এই টিকার জন্য ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সরকার, সেরাম ইনস্টিটিউট ইন্ডিয়া ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, এই টিকা কেনার জন্য ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিন কোটি টিকা সরকার কিনবে; কিন্তু মানুষ বিনামূল্যে পাবে।<br>সরকারের পক্ষ থেকে কয়েক দিন আগে জানানো হয়েছিল, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিড-১৯-এর তিন কোটি ডোজ টিকা কিনবে বাংলাদেশ। অক্সফোর্ড উদ্ভাবিত এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংরক্ষণযোগ্য, যা বাংলাদেশে বিদ্যমান। প্রথম ডোজ নেয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ করা হবে। টিকার পর্যায়ভিত্তিক প্রাপ্যতা বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠী, তথা কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখসারির কর্মী, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠী, বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী, শিক্ষাকর্মী এবং গণপরিবহনকর্মীরা টিকাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। <br></body></HTML> 2020-11-30 16:25:39 1970-01-01 00:00:00 ‘মৃত’ ব্যক্তির চিৎকারে ভয়ে মর্গের কর্মীদের পলায়ন! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101086 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731900_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731900_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পেটের পীড়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি এক ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা দিয়ে মর্গে পাঠান চিকিৎসকরা। নার্সের কাছে খবর পেয়ে ওই ব্যক্তির ভাই মর্গে যান মরদেহ নিতে। মরদেহ সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু হতেই জেগে ওঠেন ‘মৃত’ ব্যক্তি। নিজেকে মর্গে দেখতে পেয়ে তিনি তারস্বরে চিৎকার শুরু করলে ভয়ে পালিয়ে যান মর্গের কর্মীরা। আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার একটি হাসপাতালে গত মঙ্গলবার ভযঙ্কর এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন মর্গের কর্মচারীরা।<br><br>দ্য সান এক প্রতিবেদনে বলেছে, পিটার কিগেন নামের ওই ব্যক্তি পেটে প্রচণ্ড ব্যথা নিয়ে কেনিয়ার কেইরিচোর কাপলাটেট হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির কয়েকদিন পর তার পরিবারের লোকের কাছে খবর যায় ৩২ বছর বয়সী পিটার মারা গেছেন। এক নার্সের মাধ্যমে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে মরদেহ আনতে মর্গে যান পিটারের ভাই। তিনি জানান, হাসপাতালের এক নার্স তাকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেন। মর্গ থেকে মরদেহ নেয়ার জন্য তাকে কাগজপত্রও দেন নার্স।<br><br>তিনি বলেন, কিন্তু যখনই পিটারের মরদেহ সংরক্ষণের প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখনই জেগে ওঠে নিজেকে মর্গে দেখেই চিৎকার করতে শুরু করেন পিটার। তার চিৎকার শুনে ভয়ে পালিয়ে যান মর্গের কর্মীরা। একজন জীবিত ব্যক্তিকে কীভাবে মর্গে নিয়ে যাওয়া হলো আমরা সেটা বুঝতে পারছি না।<br>জীবিত অবস্থায় মর্গে পৌঁছে যাওয়া পিটার বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে পারছি না তারা আমাকে কেন মর্গে পাঠালো। তারা বুঝল কী করে আমি মৃত? স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানাই আমার জীবন বাঁচিয়ে দেয়ার জন্য।’</body></HTML> 2020-11-30 16:24:32 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরো ৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫২৫ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101085 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731752_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-size: 18px;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731752_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ছয় হাজার ৬৪৪ জন।</span><span style="font-size: 18px; font-weight: bold;"> </span><span style="font-size:18px">এছাড়া নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৫২৫ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৬৪ হাজার ৯৩২ জন </span>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও দুই হাজার ৫৩৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৭১১ জন হয়েছে।<br><br>দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। তা সাড়ে ৪ লাখ পেরিয়ে যায় ২৪ নভেম্বর। এর মধ্যে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৪ নভেম্বর তা ছয় হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।<br><br>বৈশ্বিক এ মহামারিতে এখন পর্যন্ত সংক্রমণ ও মৃত্যুতে শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৪০৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৭২ জনের। সংক্রমণে দ্বিতীয় এবং মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ লাখ ৩২ হাজার ৭৫ জন এবং মারা গেছে এক লাখ ৩৭ হাজার ১৭৭ জন। সংক্রমণে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৬৩ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৮ জনের।<br><br>সংক্রমণে চতুর্থ অবস্থানে থাকা রাশিয়ায় করোনায় সংক্রমণের সংখ্যা ২২ লাখ ৬৯ হাজার ৩১৬ জন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ হাজার ৫২৭ জনের।<br><br>সংক্রমণে পঞ্চম স্থানে থাকা ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২২ লাখ ১৮ হাজার ৪৮৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫৩ হাজার ৩২৫ জন। </body></HTML> 2020-11-30 16:19:51 2020-11-30 16:30:30 ডোপ টেস্টের পর কুষ্টিয়ায় ৮ পুলিশ চাকরিচ্যুত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101084 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731528_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606731528_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় কুষ্টিয়া জেলায় কর্মরত আট পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মাদক সেবন করে সন্দেহভাজন এমন ১২ জন পুলিশকে ডোপ টেস্ট করা হয়েছে। চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই হামিদুর রহমান, এসআই নাজিম উদ্দিন, এএসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই নাঈম মাহমুদ, কনস্টেবল বিপ্লব হোসেন, কনস্টেবল সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল নাহিদ হাসান, কনস্টেবল মাজহারুল ইসলাম। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত সোমবার সকালে পুলিশ লাইনে এক প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।<br><br>পরীক্ষায় ও অধিকতর তদন্তে নিয়মিত মাদক সেবন প্রমাণিত হলে পুলিশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তে ওই আটজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এদের মধ্যে দুজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও বাকিরা কনস্টেবল। এছাড়াও মাদক সেবনে পজিটিভ রিপোর্ট আসা আরো দুইজনের চাকরিচ্যুত করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। আর ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্ট সৈয়দ আরাফাত আলীসহ অন্য দু’জনের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। পুলিশ সুপার বলেন, আইজিপির নির্দেশে মাদক ব্যবসায়ীদের ধরার অভিযান জোরদারের পাশাপাশি পুলিশেও শুরু হয় শুদ্ধি অভিযান। ২০১৯ সালের মে মাস থেকে কুষ্টিয়ায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই সময় সহেন্দভাজন ও গোয়েন্দা দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করানো হয়। গত দেড় বছরে পর্যায়ক্রমে ১২ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষায় ১০ জন নিয়মিত মাদক সেবন করেন বলে রিপোর্ট (পজিটিভ) আসে। তারপর এসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত শেষে আটজনকে চাকরিচ্যুত করেছে পুলিশ অধিদপ্তর। এদের মধ্যে দুজন এসআই ও দুজন এএসআই ও চারজন কনস্টেবল রয়েছে। মাদক সেবনকারী এসব পুলিশ সদস্য বিভিন্ন থানা ও ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। বাকি দুইজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আরও দুই জনের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। <br><br>কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত বলেন, মাদকের বিষয়টি ধরা পড়ার পর ওইসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি প্রথমদিকে অন্য জেলায় বদলি করা হয়। এর মধ্যে এক এসআইকে রাঙামাটিতে বদলি করা হয়। মাদক সেবনের বিষয়টি ধরা পড়া অন্য সবাইকে বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়। আর যে দুজনের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে তাদের মধ্যে ট্র্যাফিক পুলিশের এক সার্জেন্টকে কুষ্টিয়া পুলিশলাইনে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। <br><br>পুলিশ সুপার আরও বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপোস নয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপিও মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই পুলিশে শুদ্ধি অভিযান চলছে। চলবে। আমরা কুষ্টিয়া থেকে মাদক নির্মূলের পাশাপাশি পুলিশ থেকেও চিরতরে মাদকাসক্তদের বাড়িতে পাঠাতে চাই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কোনো মাদক সেবনকারী থাকতে পারবে না।</body></HTML> 2020-11-30 16:17:03 1970-01-01 00:00:00 দ্বিতীয় ধাপে পৌরসভার ভোট মধ্য জানুয়ারিতে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101083 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606709007_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606709007_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রথম ধাপে পৌরসভার ভোট হচ্ছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় ধাপে অন্তত ৬০টি পৌরসভায় ভোট নেওয়া হবে মধ্য জানুয়ারিতে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক পৌরসভায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে। আজ রোববার ৭৩তম নির্বাচন কমিশন সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর। এর আগে সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে এ সভা হয়। সন্ধ্যায় কমিশন সভার সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন ইসি সচিব।<br><br>এবার চার ধাপে পৌরসভা নির্বাচন করতে চায় নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে প্রথম ধাপে আগামী ২৮ ডিসেম্বর ২৫টি পৌরসভায় ইভিএমে ভোটের তফসিল দেওয়া হয়েছে। তিন শতাধিক পৌরসভার মধ্যে আরো প্রায় ১৭০ পৌরসভা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন উপযোগী রয়েছে। আজকের কমিশন সভায় এ বিষয়ে সার্বিক আলোচনা হয়েছে।<br><br>কমিশনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, ‘তিনটি ধাপে ১৬৯ পৌরসভায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট মধ্য জানুয়ারি, তৃতীয় ধাপের ভোট জানুয়ারির শেষের দিকে, আর চতুর্থ ধাপের ভোট হবে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে।‘ দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভাগুলোর ভোটের তফসিল চলতি সপ্তাহে দেওয়া হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন ইসি সচিব। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ধাপে ইভিএমে ভোট হবে ৩০টির মতো পৌরসভায়। বাকিগুলোয় ব্যালটে ভোট হবে। শীতকাল হওয়ায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। দ্বিতীয় ধাপের তফসিল খুব তাড়াতাড়ি হবে। কর্মপরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন করলেই তফসিল দেওয়া হবে।<br><br>দেশে পৌরসভা রয়েছে মোট ৩২৯টি। আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যেই পৌরসভার ভোট করতে হয়। স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর ২০১৫ সালে প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট হয় পৌরসভায়। সেবার ২০টি দল ভোটে অংশ নেয়। সর্বশেষ ২০১৫ সালে ২৪ নভেম্বর পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ৩৬ দিন সময় দিয়ে ভোটের তারিখ দেওয়া হয় ৩০ ডিসেম্বর। একদিনে ভোট হয় ২৩৪টি পৌরসভায়। বাকিগুলোয় মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বিবেচনায় ও বিভিন্ন জটিলতা সেরে ভোট হয়।<br><br></body></HTML> 2020-11-30 10:02:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আত্মহত্যা করছে জাপানিরা, এগিয়ে নারীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101082 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606705016_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606705016_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনাকালের লকডাউনের মধ্যে জাপানে আত্মহত্যায় নতুন রেকর্ড হয়েছে। দেশটিতে এমনিতেই আত্মহত্যার হার বেশি। কিন্তু এই মহামারীর মধ্যে সেই প্রবণতা অনেকখানি বেড়েছে বলেই সরকারি পরিসংখ্যানে স্পষ্ট হয়েছে। দেখা গেছে, শুধু গত অক্টোবর মাসে যতো মানুষ আত্মহত্যা করেছেন, তা এ পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় মারা যাওয়া লোকসংখ্যার বেশি। এর মধ্যে আবার নারীদের সংখ্যা বেশি। জাপানের ন্যাশনাল পলিসি এজেন্সির দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অক্টোবরে মাসভিত্তিক আত্মহত্যার হার বেড়ে ২ হাজার ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে। যেখানে শুক্রবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জাপানে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৮৭ জন।<br><br>চিকিৎসকরা মনে করছে, করোনাকালের মানসিক চাপ ও অসুস্থতাই এর একমাত্র কারণ। এই মানসিক অসুস্থতার উৎস কী? চিকিৎসকরা বলছেন, এই করোনাকালে লিঙ্গ, শ্রেণির ভিন্নতায় আলাদা আলাদা রকমের মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে। কারো চাকরি নেই, কেউ স্বামী-সন্তানকে নিয়ে চিন্তিত, কেউ ব্যবসায়িক কারণে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত, কেউ আবার নিজের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে এতটাই চিন্তিত হয়ে পড়ছেন যে তাদের মধ্যে মানসিক অবসাদ দেখা দিচ্ছে। আর সেই অবসাদই ঠেলে দিচ্ছে আত্মত্যার দিকে।<br><br>জাপান পৃথিবীর একমাত্র দেশ, যারা নিয়মিত আত্মহত্যার পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে শেষ আত্মহত্যার পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, সেখানে জাপান প্রায় ধারাবাহিকভাবে এই সংখ্যা প্রকাশ করে চলেছে। সর্বশেষ পরিসংখ্যান দেখা যাচ্ছে, নারীরা বেশি আত্মহত্যা করছেন। এ নিয়ে আলাদা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছে, নারীদের আত্মহত্যার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। আগের থেকে অনেক বেশি সংখ্যায় নারী আত্মহত্যা করছেন। <br><br>জাপানে হোটেল, ফুড সার্ভিস ও রিটেল বাণিজ্যে বিপুল সংখ্যক নারী কাজ করেন। সাধারণত সেখানে খণ্ডকালীন কাজ করেন তারা। মহামারীর সময়ে কর্মহীন হয়েছেন অনেকে। জাপানের কর্মজীবী নারীরা বলছেন, করোনার অজুহাতে অনেকেরই চাকরি গেছে। এক কথায়, জাপান সরকার নারীদের যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন তারা। এছাড়া, যেসব নারী সদ্য সন্তান জন্ম দিয়েছেন তাদের মধ্যেও দুঃশ্চিন্তা বাড়ছে। কারণ ছুটি শেষে কাজ জুটবে কিনা তা নিয়ে তাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়দা বিরাজ করছে। সে কারণে মানসিক অবসাদের পরিমাণ বাড়ছে। <br><br>একটি গবেষণায় দেখা গেছে, মহামারীর মধ্যে ২৭ শতাংশ নারীর মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি দেখা দিয়েছে। সেই তুলনায় পুরুষের সংখ্যা অনেকটাই কম, মাত্র ১০ শতাংশ। এদিকে সমস্যা বাড়ছে শিশু, কিশোরদেরও। যাদের বয়স ২০ বছরের নিচে, তাদের মধ্যে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সামাজিক জীবন থেকে সরে আসা, স্কুল কলেজ বন্ধ থাকার কারণে শিশু-কিশোরদের জীবনে চাপ বাড়ছে। অনেক সময়ে বাড়িতে হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে শিশুদেরও। সমীক্ষায় দেখা গেছে, অতিমারীর সময় জাপানের শিশুদের ৭৫ শতাংশ মানসিক সমস্যা ও চাপে ভুগছে।<br><br>কয়েক দিন আগেই, হানা কিমুরা নামে জাপানের একজন ক্রীড়াবিদ ও রিয়্যালিটি শো স্টার আত্মহত্যা করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক নেতিবাচক বার্তা আসার কারণে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়। মহামারীতে প্রভাব পড়েছে বিখ্যাত মানুষদের জীবনেও। সিনেমা, কনসার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের আয়ে প্রভাব পড়েছে। এই আত্মহত্যার প্রবণতা কবে কমবে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না জাপানের চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, জাপানে শীত পড়ার সময়েই নতুন করে করোনা সংক্রমণের ভয় রয়েছে। করোনার তৃতীয় ঢেউ জাপানে শুরু হয়ে যেতে পারে। ফলে মহামারীর প্রভাবে ধুঁকতে থাকা জাপানের অর্থনীতি আরো অনেক বড় ধাক্কার সামনে পড়তে পারে। এতে অবসাদ যে বাড়বে, সেটা প্রায় নিশ্চিত।<br><br></body></HTML> 2020-11-30 08:55:52 1970-01-01 00:00:00 এমসি কলেজে গণধর্ষণের আসামিদের ডিএনএ মিলেছে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101081 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606705041_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606705041_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি) ছাত্রাবাসে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনার দুই মাস পর আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছেছে। ডিএনএ প্রতিবেদনে তাদের সংশ্লিষ্টতার মিল পাওয়া গেছে। তবে আট আসামির ডিএনএ নমুনার মধ্যে পরীক্ষায় কতজনের নমুনায় সংশ্লিষ্টতা রয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। রোববার (২৯ নভেম্বর) শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্রাচার্যের হাতে ডিএনএ প্রতিবেদন পৌঁছেছে। সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের গনমাধ্যকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। <br><br>সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, ডিএনএ প্রতিবেদন শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক ও তদন্ত কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্রাচার্যের হাতে এসে পৌঁছেছে। এখন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয়া হবে।<br>আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, আলোচিত এ ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও ডিএনএ প্রতিবেদন না আসায় চার্জশিট দেয়া সম্ভব হয়নি। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে আসায় দ্রুত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দেয়া হবে এবং বিস্তারিত তথ্য সবাইকে জানানো হবে।<br><br>এর আগে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর দুই দিনে এ মামলায় গ্রেফতার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের ডিএনএ ল্যাবে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ প্রতিবেদন রোববার তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসে পৌঁছেছে।<br><br>গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ভেতরে একটি রাস্তায় প্রাইভেট কারের মধ্যেই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে ওইদিন রাতেই মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় নির্যাতিতা নারীর স্বামী বাদি হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। </body></HTML> 2020-11-30 08:53:34 2020-11-30 08:57:24 কোটি টাকার হেরোইনসহ ৭ জন আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101080 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606704674_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606704674_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যশোরে এক কেজি ২০০ গ্রাম হেরোইনসহ ৭ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। রবিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের পুলেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করে। আটকৃতদের বাড়ি রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলায়। রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রওশনুল ফিরোজ বলেন, খবর আসে একটি মাইক্রোবাসে বেনাপোল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলেরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় গাড়ির ছিটের নিচ থেকে এক কেজি দুই শ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। যার বাজারমূল্য এক কোটি বিশ লাখ টাকা। আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।<br><br></body></HTML> 2020-11-30 08:50:19 1970-01-01 00:00:00 হাজী সেলিমের স্ত্রী মারা গেছেন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101079 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606704368_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606704368_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মো. সেলিমের স্ত্রী ও মদিনা গ্রুপের চেয়ারম্যান গুলশান আরা বেগম মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। রোববার (২৯ নভেম্বর) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপতালে মারা যান৷ হাজী সেলিমের ব্যক্তিগত সচিব মহিউদ্দিন বিল্লাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৷<br><br> and nbsp;হাজী সেলিমও বর্তমানে ল্যাবএইড হাসপাতালে রয়েছেন বলে জানা গেছে। অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কমিশনার (বর্তমানে কাউন্সিলর) ছিলেন গুলশান আরা। and nbsp; গুলশান আরা বেগম ২০১৬ সাল থেকে কিডনি, ডায়াবেটিকসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন৷ তিনি ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন৷ গত আগস্ট মাস থেকে তিনি ল্যাবএইডে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৷মৃত্যুকালে গুলশান আরার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর। সোমবার (৩০ নভেম্বর) বাদ আছর চকবাজার জামে মসজিদে তার অনুষ্ঠিত হবে। <br></body></HTML> 2020-11-30 08:42:32 1970-01-01 00:00:00 প্রবাসীরা ফ্রিতে পাচ্ছেন এনআইডি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101078 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606703902_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606703902_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি ধরে রেখেছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। তারা হচ্ছেন এদেশের রেমিটেন্স যোদ্ধা। কিন্তু এসব রেমিটেন্স যোদ্ধাদের উন্নতমানের স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহে ‘ফি’ নির্ধারণের চিন্তাভাবনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে শেষমেষ সেই চিন্তাভাবনা থেকে সরে এসেছে নির্বাচন কমিশন। এখন সব প্রবাসী ফ্রিতে এনআইডি পাবেন। জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ বাংলাদেশি এখন প্রবাস জীবনযাপন করছেন। দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছেন তারা। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ। রেমিটেন্স যোদ্ধাদের এনআইডি ফ্রিতে বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। and nbsp; <br><br>আজ রোববার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের ৭৩তম সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেন, প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা ভোটার নিবন্ধন দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হবে না। এর আগে গত বৃহস্পতিবার জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদর জন্য এনআইডি সেবা কার্যক্রম শুরুর পর ইতোমধ্যে চারটি দেশে and nbsp; প্রায় সাড়ে সাতশটি আবেদন পেয়েছে এনআইডি উইং।<br><br>নভেম্বরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনলাইনে ভোটার করার কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পর পরই করোনাভাইরাস মহামারী দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে ৪৮ জন, সৌদি আরব থেকে ৩৯ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৫৩০ জন এবং যুক্তরাজ্য থেকে ১২১ জন প্রবাসী বাংলাদেশি অনলাইনে ভোটার হতে আবেদন করেছেন। দেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিনা ফিতে বিতরণ করা হচ্ছে। তবে হারানো, সংশোধন বা ডুপ্লিকেট এনআইডি সংগ্রহে ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।<br><br>২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি সেবা চালু করা হয়। সর্বশেষ এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যে এ সেবা কাজ উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। প্রবাসীরা অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনে জন্য services.nidw.gov.bd and nbsp; ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। এ যুগান্তকারী পদক্ষেপ চালুর পর মহামারী শুরু হওয়ায় দূতাবাসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক নেওয়ার কাজ ‘থমকে’ যায়।<br><br>ইসি সচিব বলেন, আজ রোববার (২৯ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, প্রবাসী ভোটারদের কাছ থেকে ফি নেয়া হবে না। কারণ বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার জন্য যে আইন ও বিধি আছে, সেখানে ফি নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কমিশন বিশ্লেষণ করে দেখেছে, যেহেতু নাগরিক সুবিধা হিসেবে এটা দেশের মধ্যে ফ্রি দেয়া হয়, বিদেশেও ফ্রি দেয়া উচিৎ। এই চিন্তা করে কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসীদের কাছ থেকে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের জন্য ফি নেয়া হবে না। আলোচনা সভায় উপস্থিত কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, প্রবাসীদের মধ্যে যারা এনআইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন তাদের পরিচয়পত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।</body></HTML> 2020-11-30 08:35:43 1970-01-01 00:00:00 নিখোঁজ তিন জুয়াড়ির লাশ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101077 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606703442_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px">জামালপুরের সরিষাবাড়িতে যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজের তিন দিন পর তিন জুয়াড়ির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের চরবাশুরিয়া এলাকায় দুর্গম চরে বৃহস্পতিবার রাতে জুয়া খেলার সময় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয় কয়েকজন জুয়াড়ি। এসময় আত্মরক্ষার্থে যমুনা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হন তারা। টানা তিন দিনের উদ্ধার অভিযানে রবিবার দুপুরে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।<br><br>মৃত তিনজন হলেন- সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে ছানোয়ার হোসেন ছানু, পার্শ্ববর্তী টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া গ্রামের মৃত জমসের খাঁনের ছেলে হাফিজুর রহমান খাঁন ও ভুয়াপুর উপজেলার গোবিন্দাসী গ্রামের ফজল মিয়া। এর মধ্যে ছানু ও ফজলের মরদেহ সরিষাবাড়ির সোনাইমুড়ি এবং হাফিজের মরদেহ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর থেকে উদ্ধার করা হয়।<br><br>তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) আরও জানান, মরদেহ সরিষাবাড়ী থানায় এসেছে। ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে এসআই ইউনুস আলী ও কনস্টেবল মনির উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা। <img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606703442_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জানা যায়, সরিষাবাড়ী উপজেলার দুর্গম চর বাসুরিয়ার যমুনা নদীর তীরে জুয়াড়ি আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে ‘ওয়ান টেন’ নামে জুয়ার আসর চলে আসছিল। স্থানীয় অপর একটি গ্রুপের সঙ্গে জুয়ার আসরের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিরোধ বাধে। একপর্যায়ে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।</body></HTML> 2020-11-30 08:29:51 1970-01-01 00:00:00 ৯ মাস ধরে ইয়েমেনে বন্দি ৫ বাংলাদেশিসহ ২০ নাবিক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101076 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660820_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660820_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ইয়েমেনের রাজধানী সানায় প্রায় ৯ মাস ধরে পাঁচ বাংলাদেশিসহ ২০ নাবিক বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে তারা সেখানে বন্দি রয়েছেন। এদের মধ্যে একজন মুর্শিদাবাদের একটি জাহাজের সহযোগী ক্রু। তিনি সেখানে বন্দি হওয়ার তিন মাস পর তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন।<br>তার পরিবারের লোকজন রাজস্থানের ভারতপুরের তালগ্রামে বাস করেন। তিনি তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই ওই নাগরিকদের বন্দি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। গত বছরের ডিসেম্বরে বেঙ্গালুরুভিত্তিক একটি জাহাজ কোম্পানিতে যোগ দেন হিরন শেখ সিদ্দিকি। তিনিসহ ২০ জন ফেব্রুয়ারিতে ইয়েমেনে আটকা পড়েন। পরবর্তীতে গত মে মাসে তিনি তার বাড়িতে ফোন করেন। হিরন শেখ জানান, তিনি ছাড়াও বন্দিদের মধ্যে আরও ১৩ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের পাঁচজন এবং মিসরের একজন নাবিকও তাদের সঙ্গে বন্দি জীবন-যাপন করছেন। তারা গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওমান থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা করেছিলেন। যাত্রা করার কিছুদিন পর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তারা ইয়েমেন বন্দরে নোঙ্গর ফেলতে বাধ্য হন। তারা সে সময় এটা ভুলে গিয়েছিলেন যে, এটা একটি যুদ্ধ-বিধ্বস্ত এলাকা। সামগ্রিক বিপদের কথা সে সময় তাদের মাথায়ই ছিল না।<br>গত ১২ ফেব্রুয়ারি ইয়েমেনের উপকূলরক্ষী বাহিনীর পরিচয়ে বেশ কয়েকজন ওই নাবিকদের বন্দি করে নিয়ে যায়। তাদের সেখান থেকে সানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং তখন থেকেই একটি হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়। তাদের কাছ থেকে তাদের পাসপোর্ট এবং জাহাজের সব কাগজপত্র নিয়ে যাওয়া হয়।<br>হিরন শেখের বাবা-মা জানিয়েছেন, এতদিন ধরে তাদের ছেলে কেমন আছে সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণাই নেই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বন্দিদের মধ্যে ভারতের কেরালার দুজন, মহারাষ্ট্রের সাতজন, তামিলনাড়ুর দুজন, একজন উত্তরপ্রদেশের, একজন রাজস্থানের এবং একজন পুদুচেরির। কর্ন সুবর্ন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা বলছে, তারা এ বিষয়টি জানতে পেরেছে এবং গত ১৬ নভেম্বর এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ওই এনজিওর সেক্রেটারি মতিউর রহমান বলেন, ‘আমরা নাবিকদের দুরাবস্থার কথা জানতে পেরেছি। আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ওই ক্রু সদস্যদের মুক্তির জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আমাদের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।’<br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:40:00 1970-01-01 00:00:00 বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101075 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660788_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660788_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।<br>সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসন সম্মেলনকক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু রেলসেতু হবে বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরাল ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাকসহ প্রায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার। সেতুর উভয়পাশে প্রায় দশমিক শূন্য ৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, প্রায় ৭ দশমিক ৬৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে অ্যাপ্রোচ এমব্যাংকমেন্ট অ্যান্ড এবং লুক ও সাইডিংসহ মোট প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে।<br>বঙ্গবন্ধু রেলসেতু ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাক হওয়ায় পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে চলাচলকারী সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোর ক্রসিংজনিত কারণে আগের মতো স্টেশনগুলোতে অপেক্ষা করতে হবে না। ফলে সংশ্লিষ্ট ট্রেনগুলোর রানিং টাইম আনুমানিক ২০ মিনিট কমবে, পরিচালন ব্যয় কমবে এবং রেলওয়ের আয় বাড়বে। এ সেতুতে গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন স্থাপন করা হবে।<br>২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এ রেলসেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে। ওই বছরই সেতুটি ট্রেন চলাচলের জন্য চালু করা হবে বলে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আশা প্রকাশ করেন রেলপথমন্ত্রী।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরও ২৯ জনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101074 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660745_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660745_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ২৯ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। ২৯ জনই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ হাজার ৬০৯ জনে।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৮টি ল্যাবরেটরিতে ১৩ হাজার ৮৬৪টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৩ হাজার ৭৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ লাখ ৫৭ হাজার ৩২৯টি।<br>এ সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ৭৮৮ জন। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪০৭ জনে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ২৮৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৭৮ হাজার ১৭২ জন।<br>রোববার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার হার ১৩ দশমিক শূন্য ০২ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ৭৮ শতাংশ শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৩ শতাংশ।<br>গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ও ১৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৬০৯ জনের। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৭৫ জন (৭৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ) ও নারী এক হাজার ৫৩৪ জন(২৩ দশমিক শূন্য ২১ শতাংশ)।<br>মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৯ জনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব দুজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৮ জন এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে ১৯ জন রয়েছেন।<br>গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২৯ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ২৩ জন, চট্টগ্রামের ২, রাজশাহীর ১, খুলনার ১ এবং রংপুর বিভাগের ২ জন রয়েছেন।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:39:00 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে অপহরণের পর কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101073 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660721_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660721_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">ফেনী প্রতিনিধি: <br>ফেনীতে অপহরণের পর সামিউল আলম সামি (১৯) নামে এক কলেজছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।<br>শুক্রবার রাতে পৌর শহরের বিসিক শিল্প নগরী সেন্ট্রাল হসপিটাল সংলগ্ন স্থানে তাকে পিটিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরদিন শনিবার রাতে ঢাকার কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।<br>পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় দাগনভূঞা সরকারি ইকবাল মেমরিয়াল ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ও উপজেলার হীরাপুর গ্রামের মুজিব মুন্সী বাড়ির আফ্রিকাপ্রবাসী মো. ইলিয়াছের ছেলে সামিউল আলম সামিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গাড়ীযোগে ফেনীর বিসিকে নিয়ে যায়। সেখানে দুর্বৃত্তরা সামিকে এলোপাথারি মারধর করে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে মহিপাল হাইওয়ে পুলিশের একটি দল গুরুতর আহতবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠান। পরে শনিবার রাতে চিকিসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।<br>নিহতের খালাতো ভাই দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীর জানান, ওইদিন সন্ধ্যায় প্রেমঘটিত কারণে সামিকে দাগনভূঞা পৌর শহরের আমান উল্লাপুরের ছকিনা ম্যানশনের সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।<br>ফেনী মডেল থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 কালিতে লেপটে দেয়া হলো জিয়ার নামে থাকা সেই স্কুলের নতুন নাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101072 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660699_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660699_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>পুরান ঢাকার বংশাল এলাকার মোগলটুলীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের নেতৃত্বে এ মিছিল করা হয়। রোববার (২৯ নভেম্বর) বংশাল মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন নেতাকর্মীরা। সেখান থেকে মোগলটুলী এলাকায় বিদ্যালয়টির সামনে যান তারা। বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করতে থাকেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ কর্মীরা বিদ্যালয়ের পরিবর্তিত নামফলক ‘পুরান মোগলটুলী উচ্চ বিদ্যালয়’ কালি দিয়ে লেপটে দেন।<br>পরে বিএনপি নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন নেতাকর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। পরে নবাবপুর সড়কে পথসভা করেন তারা। এ সময় ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার বাবা অবিভক্ত ঢাকার শেষ মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ২০০৬ সালের ২৫ মার্চ জিয়াউর রহমানের নামে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক উদ্দেশে সম্প্রতি বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে মোগলটুলী উচ্চ বিদ্যালয় করা হয়েছে।’ এলাকাবাসী বা কারও চাহিদা না থাকলেও সিটি করপোরেশন থেকে বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তন করায় ক্ষোভ জানান তিনি।<br>বিএনপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, ‘বিদ্যালয় থেকে নাম পরিবর্তন করলেই জিয়াউর রহমানের নাম মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা যাবে না। এ ধরনের ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ড দেশের সাধারণ মানুষ মেনে নেবে না।’ যে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে তা চলবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা।<br>এদিকে মোগলটুলী এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কর্তৃক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।<br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও পাস! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101071 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660675_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660675_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বিএফআরআই) বৈজ্ঞানিক কর্মকতা (অস্থায়ী রাজস্ব) পদের and nbsp; লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও উত্তীর্ণের তালিকায় নাম এসেছে এক শিক্ষার্থীর। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর অন্য কেউ অংশ নিয়ে পূরণ করেছিল; যার কারণে ভুলভাবে ওই পরীক্ষার্থীর নাম পাসের তালিকায় চলে এসেছে। শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ৪২টি পদের বিপরীতে ৬০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। পরে দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে ১২৭ জনের মৌখিক পরীক্ষার জন্য তালিকা প্রকাশ করা হয়।<br>তালিকায় রোল নং ২১৯০ নাম্বারের পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ না করলেও তার রোল উত্তীর্ণের তালিকায় আসে। তার বাড়ি বগুড়ায়। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-১৪ সেশনের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ছাত্রী।<br>ওই পরীক্ষার্থী সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি বগুড়ায় অবস্থান করছেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি।<br>তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা দিতে আসিনি। পরে এ ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে আমাকে বিএফআরআই থেকে সাইফ নামে এক কর্মকর্তা ফোন দিয়ে রোববার হুমকি দিয়েছেন- যেহেতু আমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিনি, তাই যেন ভাইভা দিতে না আসি।’<br>জানা যায়, মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৮২০ কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১২১৪ জন।<br>বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে বলেন, বিএফআরআইয়ে ভালো পরীক্ষা দিয়েও লাভ হয় না। পরীক্ষা এখানে শুধু আইওয়াশ। হয় ঘুষ, না হয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে তদবির ছাড়া চাকরি হয় না। গত কয়েকটি নিয়োগে এমনই হয়েছে। তাই আমরা পরীক্ষা দিতে যাই না।<br>এক পরীক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করে বলেন, তারা ভালো পরীক্ষা দিয়েও পরীক্ষার ফলাফলে তাদের নাম নেই। এখানে অনেক দুর্নীতি হয়। যাদের নেয়া হবে আগে থেকেই ঠিক থাকে, পরীক্ষায় তাদের অসদুপায়ে তালিকাভুক্ত করা হয় টাকার বিনিময়ে। বিএফআরআইয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির কথা ওপেন সিক্রেট।<br>পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পরীক্ষার খাতায় কোডিং করা হয়। কাজেই খাতা মূল্যায়নের সময় মূল্যায়নকারকরা এটা বুঝতে পারেন না খাতাটি কার। <br>তবে তারা বলেন, চাইলে যারা কোডিংয়ের সঙ্গে জড়িত শুধু তারাই পছন্দের প্রার্থীকে শনাক্ত করতে পারেন। সেক্ষেত্রে যাদের পরীক্ষায় ঠেকানো হবে তাদের খাতাগুলো আলাদা করে পছন্দের অথবা অনুগত মূল্যায়নকারীকে দিয়ে খাতাগুলো মূল্যায়ন করিয়ে লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর দিয়ে দেন; অথবা যারা ভালো পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের খাতার কভার পৃষ্ঠা ছিঁড়ে পছন্দের প্রার্থীদের খাতায় লাগিয়ে দেন। ফলে অনেকে অনেক ভালো পরীক্ষা দিয়েও চান্স পান না। আবার অনেক অযোগ্য প্রার্থী টিকে যান। আর এ কাজগুলো করা হয় গভীর রাতে যখন মন্ত্রণালয়ের পরীক্ষা পরিচালনা টিম চলে যান।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:38:00 1970-01-01 00:00:00 ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেছি, বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101070 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660646_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660646_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক,<br>বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে চলমান বিতর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলছি, আমাদের বক্তব্য ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে, কোনোভাবেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান নেতা ও স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন মরহুম মুসলিম নেতা হিসেবে পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা করি এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি। কখনো কোনোভাবে এমন একজন প্রয়াত মরহুম জাতীয় নেতার বিরুদ্ধাচারণ করি না এবং করাকে সমীচীনও মনে করি না।’<br>রবিবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।<br>লিখিত বক্তব্যে মামুনুল হক বলেন, ‘আমার বাবা উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ এবং বাংলাদেশের একজন বর্ষীয়ান জাতীয় নেতা মরহুম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক। তিনি চারদলীয় জোটের শীর্ষ চার নেতার অন্যতম একজন ছিলেন এবং তার দেয়া আদর্শিক পাঁচ দফা দাবির সঙ্গে একমত হয়ে ২০০৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। তিনি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক যুগপৎ একটি ঐতিহাসিক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে গেছেন, যা উপমহাদেশে দেওবন্দি ধারা হিসেবে সুপরিচিত। আমি সেই ধারারই একজন রাজনৈতিক কর্মী। বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসলামের বিজয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মানবতার কল্যাণ সাধনই আমার রাজনৈতিক লক্ষ্য। কোরআন-সুন্নাহর আলোকে পূর্বসূরিদের অনুসৃত পথে স্বচ্ছ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চালানোই আমার ব্রত। কোনো ষড়যন্ত্র অথবা গোপন আঁতাতের মাধ্যমে দেশ-রাষ্ট্র কিংবা সরকারবিরোধী কোনো কর্মসূচি আমাদের নেই।’<br>মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জোটবদ্ধ রাজনীতিতে ভূমিকা রাখলেও বর্তমানে আমাদের সংগঠন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ব্যক্তিগতভাবে আমি কোনো রাজনৈতিক জোটে যুক্ত নই। আমাদের এমন স্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এজন্য জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অমূলক ও কল্পিত অভিযোগ আমার ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে, আমি এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।’<br>বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ প্রসঙ্গে হেফাজত নেতা বলেন, ‘কিছুদিন ধরে ঢাকার ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের ইস্যু নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে শান্তিপ্রিয় ইসলামপ্রেমী তওহিদি জনতা। ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষ কিংবা যেকোনো প্রাণীর ভাস্কর্য নির্মাণ অনৈসলামিক সংস্কৃতি হওয়ায় আলেমসমাজ এর প্রতিবাদ করছে। সেই সূত্রে আমিও ভাস্কর্য নির্মাণের বিরুদ্ধাচরণ করে বক্তব্য তুলে ধরেছি। কিন্তু সুকৌশলে একটি মহল ভাস্কর্য নির্মাণের এই বিরোধিতাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরোধিতা বলে আখ্যায?িত করার চেষ্টা করছে, এ বিষয়ে আমার বক্তব্য দ্ব্যর্থহীন, - বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান নেতা ও স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন মরহুম মুসলিম নেতা হিসেবে পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা করি এবং তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি। আমাদের বক্তব্য ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে কোনোভাবেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়।’<br>মামুনুল হক বলেন, ‘আমি নানামুখী ষড়যন্ত্রের শিকার। আমি আশা করব, এই অনভিপ্রেত অপতৎপরতা বন্ধ হবে। সেইসঙ্গে শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক ও সৈয়দ ফজলুল করিম পীরসাহেব চরমোনাইয়ের বিরুদ্ধে কৃত কটূক্তি ও বিষোদগারের বিষয়ে প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।’<br>এ সময় তিনি শুক্রবার স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদে নেমে আসা বিক্ষুব্ধ জনতার মিছিল থেকে আটক বন্দিদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।<br>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা কোরবান আলী কাসেমি, অফিস ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মাহবুবুল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, মহানগর সভাপতি মাওলানা রুহুল আমীন খান, সহ-সভাপতি মুফতি নূর মোহাম্মদ আজিজী, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মুমিন প্রমুখ।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101069 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660620_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660620_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে ইসলামি দলগুলোর বাধার মধ্যে নতুন দায়িত্ব নিয়ে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, ‘মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়।’ একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের আশাবাদও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।<br>দায়িত্ব পাওয়ার পর রোববার (২৯ নভেম্বর) প্রথম অফিসে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপন নিয়ে ইসলামি দলগুলোর বাধা দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু না কিছু লোক কিছু না কিছু সময় শুধু বাংলাদেশে না সারা বিশ্বের দরবারে বিভিন্ন সময় কিছু না কিছু অঘটন ঘটায়, যখন কোনো সমস্যার দৃষ্টি হয় তখন তা সমাধান করারও ব্যবস্থা হয়।’<br>তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়গুলো চিন্তা করব, ভাববো ও পরামর্শ করব- কীভাবে এটা করলে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। সার্বিক দিক থেকে এ সব আর যেন পরবর্তীতে কেউ না করতে পারে, করার সুযোগ না পায়। সেগুলো আমাদের চিন্তায় রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অবশ্যই আমি চেষ্টা করব। সবার কাছে আন্তরিক সহযোগিতা চাই।’ ‘মূর্তি ও ভাস্কর্য কিন্তু এক নয়, আজকে পাকিস্তান যান, ভারতে যান। বিশ্বের যেকোনো রাষ্ট্রে যান না কেন- সব জায়গায় ভাস্কর্য আছে। ভাস্কর্যই যদি মূর্তি হয় তবে টাকার ভেতরে বঙ্গবন্ধুর ছবি আছে। এর আগে যারা ছিলেন তাদের ছবি ছিল। সেগুলো কীভাবে থাকল। সেগুলো সবাই পকেটে নিয়ে ঘোরে, কয়েনের মধ্যেও আছে। সারাবিশ্বে সব জায়গায় যান, কয়েনের ভেতরে সবকিছু আছে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এগুলো হলো আমাদের নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি। আজকে যদি বিশ্বের সব জায়গায় চলে, ইসলামিক কান্ট্রিগুলোর কথা, আমি মিসরে গিয়েছি সেখানে দেখেছি, সৌদি আরবে যান সেখানেও আছে। সেটা যদি হয়, আজকে বাংলাদেশে যারা এটা নিয়ে আলোচনা করছে তাদের চিন্তা করতে হবে, মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয়। এই জিনিসটা যখন আপনারা আমরা বুঝাতে সক্ষম হবো, তখন সবকিছুতে একটা সমাধান পেয়ে যাব বলে আমার বিশ্বাস।’<br>যারা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে তাদের জন্য আপনার কী মেসেজ- এ বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কথাটি পরিষ্কার করেই বলেছি কিন্তু। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি বসব, চিন্তা করব। পরে কী করা যায়, এর একটি চিন্তা আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে আসবে, ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তার বক্তব্য দিয়েছেন।’ ‘আপনারা একটু ধৈর্য ধরুন, আমরা অবশ্যই এগুলোর সমাধানের জন্য যে কাজ করা প্রয়োজন সেটা আলোচনা সাপেক্ষে করব ইনশাআল্লাহ। আমরা প্রত্যেকটি জিনিসকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে নিজেদের বিবেক দিয়ে বিবেচনা করে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে কাজ করব ইনশাআল্লাহ’ বলেন ফরিদুল হক খান।<br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:37:00 1970-01-01 00:00:00 বিএনপির নেতৃত্বের অন্দরে কী ঘটছে? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101068 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660587_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660587_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব-সংঘাতে যেন জর্জরিত হয়ে পড়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির নেতৃত্ব। একটি অংশ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে তো আরেকটি অংশ কোণঠাসা হয়ে মেতে থাকছে দলেরই সমালোচনায়। কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। অবিশ্বাস এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কারও কারও কপালে ‘সরকারের দালাল’ তকমাও জুটে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের অনুসারী পরিচয়ে দুটি অংশই এ দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে বলে আলোচনা দলীয় মহলে। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলটির পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন লন্ডনে বসবাসরত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের হাতে। তিনি দল পরিচালনায় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন বলে পরিচিত জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকটাই উপেক্ষা করছেন বলে অভিযোগ শোনা যায়। এরই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের অনুসারী পরিচয়ধারী নেতাদের কাছে খালেদার অনুসারী নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে গত ১৩ অক্টোবর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অসুস্থ হয়ে পড়লে ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক হিসেবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায?িত্ব দেয়া হয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে। তিনি ১/১১ এর সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত হওয়ায় এ নিয়েও নানা মুখরোচক আলোচনা ছড়ায় রাজনৈতিক মহলে। রিজভী আহমেদ দফতরের দায়িত্বে থাকাবস্থায় ‘লন্ডনের ক্ষমতাবলে’ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতেন বিধায় এ পদে প্রিন্সকে বসানোর ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ নেতাদের একাংশের প্রভাবের কথা ছড়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে। এমনকি রিজভী আর দফতরে ফিরতে পারবেন কি-না, সে আলোচনাও ছড়িয়ে দেয়া হয়।<br>বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেন, দুর্নীতি মামলায় কারাদণ্ডিত খালেদা জিয়া গত মার্চে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর দুই ঈদের দুদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, চিকিৎসক ও আইনজীবী ছাড়া কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। যে নেতাদের সাক্ষাৎ দিয়েছেন, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অভিমত তুলে ধরেছেন তিনি। দল পরিচালনায় কিছু ভুল পদক্ষেপ চিহ্নিত করে তা সমাধানেরও নির্দেশ দেন খালেদা জিয়া। কিন্তু নানা অজুহাতে এবং তারেক রহমানের প্রভাবের কারণে সেই নির্দেশ বাস্তবায়ন হচ্ছে না।<br>বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাদের দাবি, খালেদা জিয়ার মতামত উপেক্ষা করেই বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। তাছাড়া নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হচ্ছে দলের বেশির ভাগ জ্যেষ্ঠ নেতাকে। বিএনপির সব সিদ্ধান্ত এখন একাই নিচ্ছেন তারেক রহমান। তার বাইরে কিছু বলতে বা করতে পারছেন না মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও।<br>লধমড়হবংি২৪বাঁ থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে তারেক রহমান সবার সঙ্গে কথা বলেন প্রচার থাকলেও কার্যত একাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তিনি। এক্ষেত্রে তার পছন্দের দু-একজন নেতার পরামর্শকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যে নেতাদের কোনো সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। পুরোনো নেতাদের এড়িয়ে নব্বইয়ের দশকের ছাত্রদল নেতাদের দিয়ে দল পুনর্গঠনে মনোযোগ দিয়েছেন তারেক। এ সুযোগে তাকে সামনে রেখে নিজস্ব বলয় গড়ে তুলছেন দলের দু-তিনজন কেন্দ্রীয় নেতা।<br>দলের আরেকটি সূত্র জানায়, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে যে হাওয়া ভবন তৈরি হয়েছিল, যেটিকে কেন্দ্র করে এখনো রয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা, সেই ভবনের কর্মচারীরাও এখন দলের অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। হাস্যোজ্জ্বলে অনেকে বলেন, হাওয়া ভবনের কর্মচারীদের যে ক্ষমতা, তার সিকিভাগও নেই দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যদের।<br>খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার আগে সাংগঠনিক নানা ধরনের কাজ করাতেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের মাধ্যমে। খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত এ নেতা দলীয় অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে রাখতেন চেয়ারপারসনের চাহিদা অনুযায়ী। প্রচার আছে, দল গোছানোর ক্ষেত্রে তিনি সব বলয়ের প্রভাবমুক্ত থেকে খালেদা জিয়ার আস্থা অর্জন করেছিলেন। তারেক রহমানের প্রভাবের কারণে এখন আর তিনি সে অবস্থানে নেই।<br>কিছু নেতার অভিযোগ, অনেক জ্যেষ্ঠ নেতাকে বাদ রেখে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দলের স্থায়ী কমিটিতে স্থান দিয়েছেন তারেক রহমান। কারণ এ দুজনই তার আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে তাদের চেয়ে সিনিয়র ও ত্যাগী নেতারা অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ ও মেজর (অব.) ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর দলের অনেক বিষয়েই বিভিন্ন মিডিয়ায় কথা বলেছেন। আবার আবদুল্লাহ আল নোমানসহ অনেকে কোনো কথা না বলে একেবারেই চুপ করে আছেন। রাজনীতিতেও সক্রিয় হচ্ছেন না। তারা যেন অনেকটাই রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছেন।<br>এর সুবাদে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছেন তারেক রহমানের অনুসারী পরিচয়ধারীরা। তারা অনেক সময়ই জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারের সঙ্গে আঁতাতের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসেন। ফলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি গঠনে জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতামতের কোনো তোয়াক্কাই করা হয় না। এমনকি জ্যেষ্ঠ নেতাদের জেলাগুলোতে দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের কমিটি হচ্ছে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ও মতামতের তোয়াক্কা না করে। এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে অঙ্গ সংগঠনের নেতারা তারেক রহমানের নির্দেশে কাজ করছেন বলে জানান।লধমড়হবংি২৪বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ দফতরের দায়িত্বে ফিরতে পারবেন কি-না, এ নিয়ে আলোচনা চলছে দলের শীর্ষ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘তারেক সাহেব এখন আর জ্যেষ্ঠদের এবং খালেদা জিয়ার আস্থাভাজনদের গুরুত্ব দিচ্ছেন না। তিনি তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। বরং তিনি ১/১১ এর সংস্কারপন্থী ও হাওয়া ভবনের দুর্নীতিবাজদের নিয়ে দল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। তিনি অবশ্য তারুণ্যকেও প্রাধান্য দিচ্ছেন। তবে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বগুণ এবং নেতা নির্বাচন পদ্ধতিতে কোনো পক্ষই বেশি বিক্ষুব্ধ থাকত না। সবাইকে ম্যানেজ করেই দল পরিচালনায় গুরুত্ব দিতেন চেয়ারপারসন। কিন্তু তারেক রহমানের ‘ড্যাম কেয়ার’ নীতি বিএনপিকে খাদের কিনারে দাঁড় করাবে।’<br>উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান তার নিজ জেলা বগুড়ায় তিন দফা কমিটি ঘোষণা করেও বিক্ষোভ এড়াতে পারেননি। বগুড়ার সবক’টি কমিটি গঠনের পর পার্টি অফিসে তালা মারার ঘটনা ঘটেছে। এখন যিনি দফতরের দায়িত্বে আছেন তিনিও একজন সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত। তারেক রহমান মনে করেন, জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে মেনে রাজনীতি করবেন না। সুতরাং তাদের গুরুত্ব দেয়ার কিছু নেই। বরং কৌশলে তাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলতে যা করার দরকার তাই করা হচ্ছে। ফলে তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেই তার সমর্থকরা সমালোচককে ‘সরকারের দালাল’সহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করতে কুণ্ঠিত হন না।<br>বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে বিভক্তির কথা স্পষ্ট হয় দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্যে। তিনি সম্প্রতি বলেন, খালেদা জিয়া তার আশপাশে ‘সিনসিয়ার’ ও ‘রেসপন্সিবল’ নেতা তৈরি করতে পারেননি।<br>বিএনপি এখন খণ্ড-বিখণ্ড দল বলেও দাবি করেন তিনি।<br>যদিও এর জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, খালেদা জিয়া তার আশপাশে ‘সিনসিয়ার’ ও ‘রেসপন্সিবল’ নেতা তৈরি করতে পারেননি, এটা একদম মিথ্যা কথা। এর কোনো ভিত্তি নেই। বরং বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।<br>রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করেন, এভাবে অবিশ্বাস-দ্বন্দ্ব চলতে থাকলে বিএনপি আর কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে না। </body></HTML> 2020-11-30 20:36:00 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা সফরে আসছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী: কাঠমান্ডু পোস্ট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101067 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660550_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660550_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আন্তর্জাতিক ডেস্ক:<br>ঢাকায় আসছেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গি। একদিনের ঝটিকা সফরে ওয়েই এখন নেপালে অবস্থান করছেন। ওই সফর শেষে তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সফর করবেন বলে জানিয়েছে কাঠমান্ডু পোস্ট। কাঠমান্ডু পোস্টের এক অনলাইন প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও দেশটির প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তিনি।<br>চীন-ভারত সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই দুদিনের নেপাল সফর শেষে গত শুক্রবার দেশে ফিরেছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এর পরই ঝটিকা কাঠমান্ডু সফর করেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েই ফেঙ্গি। সূত্রের বরাতে নেপালের এই দৈনিক তাদের অনলাইন প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে, চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী নেপাল সফর শেষে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সফর করবেন। তাতে সূত্রের নাম উল্লেখ করা হয়নি।<br>গত বছরের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুদিনের নেপাল সফরের পর এই প্রথম চীন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কেউ জরুরি প্রয়োজনে কাঠমান্ডু সফর করছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। শনিবার নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রী ওলি এবং প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ছাড়াও সেনাপ্রধান জেনারেল পূর্ণ চন্দ্র থাপার সঙ্গে আলোচনা করবেন চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ওয়েই ফেঙ্গি।<br>প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী পুষ্প কমল দহল ওরফে প্রচণ্ডের বৈঠকের পর ক্ষমতাসীন নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির (এনসিপি) চলমান রাজনৈতিক কোন্দলের মধ্যেই দেশটি সফর করছেন চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী।<br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:35:00 1970-01-01 00:00:00 ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আরও ১ জনের সাক্ষ্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101066 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660526_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660526_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার সাক্ষ্য দিয়েছেন বরিশাল বাগেরগঞ্জের নকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের উপসহকারী কর্মকর্তা (ভূমি) মো. রকুনুজ্জামান মুরাদ। রোববার (২৯ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে ২০ অক্টোবর ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আসিফুজ্জামান তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এটি ঢাকার বিশেষ জজ-৬ আদালতে বদলির আদেশ দেন।<br>ওইদিন মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রতœা ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান পলাতক থাকায় তা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কপি আদালতে উপস্থাপন করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর আইন অনুযায়ী আদালত মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মিজানের স্ত্রী ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। গত ৩০ জানুয়ারি দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এ চার্জশিট দাখিল করেন।<br>মিজান ছাড়া চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রতœা ওরফে রতœা রহমান, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান এবং ভাগনে মাহমুদুল হাসান। মাহমুদুল হাসান রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।<br>গত ১ জুলাই হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য গেলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। এ সময় মিজানকে তাৎক্ষণিক হাইকোর্ট পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেফতারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়।<br>পরদিন ডিআইজি মিজানের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।<br>মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়।<br>নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।<br>এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ২৫ জুন মিজানুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।<br>অপরদিকে ১৮ মার্চ অবৈধভাবে তথ্যপাচার ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:35:00 1970-01-01 00:00:00 ইউপি ভবনে আটকে রাখা যুবকের মরদেহ উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=101065 http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660500_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/11/29/1606660500_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার:<br>রাজশাহীতে ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে আটকে রাখা মোফাজ্জল হোসেন (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে নগরীর উপকণ্ঠ পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কমপ্লেক্স থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়।<br>পেশায় ভ্যানচালক মোফাজ্জল রাজশাহীর তানোর উপজেলার চান্দুড়িয়া ইউনিয়নের যুগলপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। ১০-১২ দিন আগে হরিপুর ইউনিয়নের নলপুকুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।<br>ইউপি চেয়ারম্যান বজলে রেজবী আল হাসান মুঞ্জিলের দাবি, ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন। মাত্র কয়েকদিন বিয়ে হলেও নববধূ শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে আসেন বাবার বাড়িতে। কিছুতেই তিনি স্বামীর সংসারে ফিরতে চাচ্ছিলেন না।<br>দুদিন আগে মোফাজ্জল স্ত্রীকে নিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন। শনিবার মদ্যপ অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে চেয়ারম্যানের কাছে রেখে যান। এজন্য রাতে তাকে ইউপি ভবনের একটি কক্ষেই রাখা হয়। রোববার দু’পক্ষের লোকজনদের নিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহের বিষয়ে মিমাংসায় বসার কথা ছিল।<br>চেয়ারম্যান আরও জানান, রোববার ভোরে দায়িত্বরত গ্রাম পুলিশ জানালা দিয়ে মোফাজ্জলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে তাকে খবর দেন। পরে তিনি বিষয়টি থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।<br>রাজশাহী মহানগর পুলিশের দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, জানালার সঙ্গে লেপের একটি ছেঁড়া অংশ গলায় পেঁচানো অবস্থায় মোফাজ্জলের মরদেহ ঝুলছিল। তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও লাশ নামাননি।<br>পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এসে আলামত নিয়েছে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।<br>ওসি আরও বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া বলা যাবে না। তবে মোফাজ্জলের পরিবার যেভাবে চায় সেভাবেই আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।<br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-11-30 20:35:00 1970-01-01 00:00:00