http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - এবার ডিএসসিসি'র লাইসেন্স সুপারভাইজার বরখাস্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95770 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594568208_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594568208_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">এবার and nbsp; অনিয়মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) রাজস্ব বিভাগের লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার ইকবাল আহমেদকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। আজ রোববার (১২ জুলাই) ডিএসসিসি'র সচিব আকরামুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়। ডিএসসিসি'র চাকুরি বিধিমালা ২০১৯ এর বিধি ৬৪(২) মোতাবেক জনস্বার্থে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্বার্থ রক্ষার্থে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে অফিস আদেশ উল্লেখ করা হয়।<br><br>ইকবাল আহমেদ প্রকৌশল বিভাগ, বাজার (বিদ্যুৎ) বিল সরকারি হিসেবে ডিএসসিসিতে কর্মরত হলেও বর্তমানে তিনি সংযুক্তিতে অঞ্চল-৫ এর রাজস্ব বিভাগে লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি বিধি মোতাবেক ৯০ দিনের বেতন নগদ পাবেন এবং এজন্য তাকে কর্পোরেশন হিসাব বিভাগের সাথে অতিসত্বর যোগাযোগ করে সকল দেনা পাওনা বুঝে নিতেও অফিস আদেশে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।<br>জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশ উল্লেখ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, তার ব্যক্তিগত নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি ২৩/০৪/২০০৮ তারিখে মাদকদ্রব্য বহনের অপরাধে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন এবং পরবর্তীতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। এছাড়া দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ, তহবিল তছরুপ ও প্রতারণার দায়ে ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে ১৬/১১/২০১৬ , and nbsp; ১৩/০৪/২০১৭ and nbsp; ও ০৪/১১/২০১৮ and nbsp; তারিখে and nbsp; বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং and nbsp; হয়রানি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তাকে ডিএসসিসি'র ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড এর তৎকালীন কাউন্সিলর হাজী মোহাম্মদ মাসুদ ( বর্তমান কাউন্সিলরও) ৩১/০৫/২০১৮ তারিখে কর্পোরেশন বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। </body></HTML> 2020-07-12 21:36:21 1970-01-01 00:00:00 রিজেন্টকাণ্ডে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজিকে শোকজ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95769 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594568029_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594568029_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে করোনা ডেডিকেটেডের চুক্তি করা হয় বলে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকে শোকজ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। রোববার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শারমিন আকতার জাহান স্বাক্ষরিত এই অফিস আদেশে তাকে শোকজ করা হয়। ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ বলতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কী বোঝাতে চেয়েছেন সে বিষয়ে তার কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।<br><br>আদেশে বলা হয়, বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির প্রতি মন্ত্রণালয়ে দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করেছে। প্রসঙ্গত, যেকোনও হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তির আগে তা সরেজমিন পরিদর্শন, হাসপাতাল পরিচালনার অনুমতি পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি, জনবল ও ল্যাব ফ্যাসিলিটি বিশ্লেষণ করে বিবেচিত হলেই চুক্তি করার সুযোগ রয়েছে। রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তির আগে কী কী বিষয় বিবেচনা করা হয়েছিল, চুক্তি করার শর্তগুলো প্রতিপালনে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলতে কী বোঝানো হয়েছে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রদান করার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।<br><br>এর আগে শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জেকেজি তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জেকেজি ওভাল গ্রুপ অব লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। তারা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য সেবা সপ্তাহ উদযাপনের কাজ পায়। এমনকি পেশাজীবী চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) বিভিন্ন অনুষ্ঠানেরও টাকার বিনিময়ে আয়োজন করতো।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, মার্চ মাসে যখন কোনও হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি নিচ্ছিল না, তখন রিজেন্ট হাসপাতাল কোভিড ডেডিকেটেড হিসেবে চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদফতর সে সময় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আগে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে চিনতেন না, পরিচয় থাকা তো দূরের কথা। </body></HTML> 2020-07-12 21:33:25 1970-01-01 00:00:00 ঈদুল আজহার জামাতও হবে মসজিদে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95768 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594561584_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594561584_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাতের মতো এবারের ঈদুল আজহার জামাতও ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় না করে মসজিদে করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। and nbsp; and nbsp; সরকারের দেয়া স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মেনেই মসজিদে ঈদের নামাজের জামাত আদায় করতে হবে। একই সঙ্গে ঈদের নামাজ শেষে কোলাকুলি করা যাবে না। আজ রোববার (১২ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম সচিব মো. নূরুল ইসলাম। সভায় দেশের বরেণ্য ওলামায়ে কেরামরা উপস্থিত ছিলেন।<br>ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। </body></HTML> 2020-07-12 19:44:03 1970-01-01 00:00:00 রঙ-ফ্লেভারে তৈরি হচ্ছিল স্যানিটাইজার! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95767 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594561347_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594561347_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কেবল নীল রঙ, লেমন ফ্লেভার, স্পিরিট আর জেল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল স্যানিটাইজার। করোনাকালে এসব পণ্যের বিপুল চাহিদা থাকায় একটি চক্র এগুলো তৈরি করে বাজারে ছাড়ছে। স্যানিটাইজার তৈরিতে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা হয় তার কোনোটিই এখানে উপস্থিত নেই। সেই সঙ্গে নেই সরকারি কোনো অনুমোদন। রাজধানীর মহাখালীতে বিক্রি হচ্ছিল এমন নকল হ্যান্ডসেনিটাইজার ও জীবাণুনাশক। রবিবার দুপুরে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। জব্দ করা হয় হ্যান্ডসেনিটাইজার, হেক্সিসলসহ বিভিন্ন জীবাণুনাশক। পরে বিকালে রাজধানীর আদাবরে প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় অভিযান শুরু করে র‌্যাব। সেখানেই মূলত তৈরি হচ্ছিল করোনাকালে জীবাণুমুক্ত থাকতে অতি প্রয়োজনীয় এসব পণ্য। হাজার হাজার বোতল নকল এসব পণ্য তৈরি করে বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি চলছিল।<br><br>র‌্যাব-১ এর এএসপি জামান বলেন, 'দুপুরে মহাখালীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল এসব সামগ্রী জব্দ করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে অভিযান এসে চক্ষুচড়ক অবস্থা। বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি হচ্ছে স্যানিটাইজার, হ্যান্ডবার, স্যাভলনসহ বিভিন্ন সামগ্রী। যার সরকারি কোনো লাইসেন্স কিংবা অনুমোদন নেই। করোনায় জীবাণুনাশক এসব জিনিসের চাহিদা থাকায় তারা এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। বিভিন্ন সময় নকল এসব পন্য তারা বাজারে ছেড়ে।' অভিযান এখনো চলছে বিস্তারিত পরে জানানো সম্ভব হবে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।<br>এদিকে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে জীবাণুনাশক পণ্যের চাহিদা বাড়ায় অতি মুনাফার জন্য অনেকে নকলভাবে এসব তৈরি করছে। এসব ব্যবহারে করোনা ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের লক্ষণ তৈরি হচ্ছে। </body></HTML> 2020-07-12 19:41:02 1970-01-01 00:00:00 চাকরি থেকে বরখাস্ত হলেন ডা. সাবরিনা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95766 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594560506_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594560506_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনার নমুনা পরীক্ষার ভুল রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারে পর এবার সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইনকে। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্টারের দায়িত্বে ছিলেন। রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে সাময়িক বরখাস্তের কথা জানানো হয়। এর আগে দুপুরে করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ফেলে দিয়ে পড়ে মনগড়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে কথিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও তার দাবি এই প্রতিষ্ঠানের তিনি চেয়ারম্যান নন। জেকেজির প্রতারণার বিষয়টি জানার পর থেকে তিনি তাদের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততাও নেই। করোনাকালে তিনি এদের কিছু পরামর্শ দিতেন।<br><br>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, যেহেতু ডা. সাবরিনা শারমিন হুসাইন সরকারি চাকরিতে কর্মরত অবস্থায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং করোনার টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট প্রদান ও অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন বিধায় আজ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এতে বলা হয়, সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সরকারের অনুমতি ছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত থাকা ও অর্থ আত্মসাত সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ তাই তাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮র বিধি ১২ (১) অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।<br><br>সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালে বিধি মোতাবেক তিনি খোরপোষ ভাতা পাবেন বলেও জানানো হয়েছে। রবিবার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এদিকে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানিয়েছেন, তদন্তে জেকেজির প্রতারণার সঙ্গে ডা. সাবরিনা আরিফের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আগামীকাল তাকে রিমান্ডে পেতে আদালতে আবেদন করবে পুলিশ। সম্প্রতি ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে জেকেজির সিইও ও ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে তার প্রমাণ মিলেছে। </body></HTML> 2020-07-12 19:27:45 1970-01-01 00:00:00 জেকেজির প্রতারণা: ডা. সাবরিনা গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95765 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594558253_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594558253_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অনুমোদন ছাড়াই টাকার বিনিময়ে করোনার নমুনা সংগ্রহের পর টেস্ট না করেই ভুয়া রেজাল্ট দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার ঘটনায় জেকেজি’র চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে রেজিস্ট্রার চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে পুলিশের তেজগাঁও ডিসি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। করোনার রিপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এরইমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ডা. সাবরিনার চতুর্থ স্বামী জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন। তাদের এক ল্যাপটপেই পাওয়া গেছে ১৫ হাজারেরও বেশি করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট।<br><br>ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, করোনা টেস্ট নিয়ে জেকেজি হাসপাতালের জালিয়াতির ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ডা. সাবরিনাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে তাকে তেজগাঁও ডিসির কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হয়।জিজ্ঞাসাবাদে ডা. সাবরিনা জেকেজির সঙ্গে অনেক আগেই সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেন। তিনি জানান গত ৪ জুন জেকেজি সিইও এবং স্বামী আরিফুলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে সাবরিনা তেজগাঁও বিভাগের একটি থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন। এর অন্তত দুই মাস আগে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সাবরিনা জানান।<br><br>করোনা মহামারিতে ভাইরাস শনাক্ত নিয়ে এই স্পর্শকাতর প্রতারণায় শুরু থেকেই জড়িত প্রতিষ্ঠানটিতে সম্পৃক্ত ছিলেন ডা. সাবরিনা। তার আবেদনেই জেকেজি হেলথকেয়ার করোনার নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপনের কাজ পায়। তিনি নিজে জেকেজির কর্মীদের তিতুমীর কলেজে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। অথচ তারই প্রতিষ্ঠান করোনা টেস্টের নামে দিনের পর দিন মানুষকে ঠকিয়ে আসছিল তার প্রতিষ্ঠান।<br><br>বর্তমানে ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেও তিনি ছিলেন জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। এই পরিচয়ে তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং কথা বলতেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। এটি সরকারি চাকরি বিধিমালার সুষ্পষ্ট লংঘন। কিভাবে, কার মাধ্যমে তিনি এ কাজ হাতিয়েছেন, সে ব্যাপারে চলছে অনুসন্ধান। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হবে। প্রতারণার দায়ে স্বামী আরিফ চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর জেকেজির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার দাবি করেছেন, তিনি এক মাস আগেই পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আবার বলছেন যে তিনি কখনওই চেয়ারম্যান ছিলেন না, সবাই নাকি মুখে মুখে ডাকতো।<br><br>জেকেজির এই প্রতারক চক্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সব প্রভাব প্রতিপত্তির উৎস ছিলেন ডা, সাবরিনা চৌধুরী বলে অভিযোগ আছে।<br>জেকেজির সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে অনুনোমদিতভাবে টাকার বিনিময়ে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত। এ বিষয়ে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২২ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের সাবেক গ্রাফিক ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফকেও গ্রেফতার করা হয়।<br><br>ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনার পর ২৪ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের নমুনা সংগ্রহের যে অনুমোদন ছিল তা বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।<br>করোনাকালের এই প্রতারণার ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে তেজগাঁও থানায়। এসব মামলার কোনোটিতে এখন পর্যন্ত ডা. সাবরিনার নাম যুক্ত করা হয়নি। কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এবং কাদের কারসাজিতে তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। ডা. সাবরিনার অপকর্মে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ ও সোশাল মিডিয়া তুমুল আলোচনার মুখে জিজ্ঞাসবাদের জন্য তাকে ডেকে পাঠায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে জেকেজির প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে ডা. সাবরিনার সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:49:16 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরো ৪৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95764 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557972_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557972_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে দেশে শনিবার থেকে রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৩৫২ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো দুই হাজার ৬৬৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। দেশে মোট এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আরো পাঁচ হাজার ৫৮০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৬১৪ জন। রোববার (১২ জুলাই) বেলা আড়াইটায় করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।<br><br>তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১ হাজার ২১০টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯টি। এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৪০ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬৬৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫০ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৮ শতাংশ।<br>নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১১ জন নারী। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৮৬০ জন এবং নারী ৪৯২ জন।<br><br>২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।মৃত্যুবরণকারী ৪৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪ জন, খুলনা বিভাগে ৬ জন, বরিশাল বিভাগে ২ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন এবং বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ জন।<br><br>করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি পালনের আহ্বান জানানো হয় বুলেটিনে। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট (www.corona.gov.bd) চালু রেখেছে সরকার। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে বেড়েই চলেছে মৃত্যু।<br>এদিকে, করোনার পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা পর্যন্ত বৈশ্বিক এ মহামারিতে সারা বিশ্বে ১ কোটি ২৮ লাখ ৪৯ হাজার ৪৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৮০ জন সেরে উঠলেও প্রাণ গেছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৩ জনের। বাকী ৪৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৭২ জন মৃদু বা মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন।<br><br>কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সংখ্যায় সবার ওপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৬ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করেছে দেশটি। এ শনাক্তের জন্য তারা ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টেস্ট করে। শনাক্তের দিক থেকে দ্বিতীয়তে আছে ব্রাজিল। দেশটির ১৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৮ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। তিন নম্বরে রয়েছে ভারত যাদের শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২২ হাজার ৬৭৪।<br><br>সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে যেসব দেশে: যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৩ জন, ব্রাজিলে ৭১ হাজার ৪৯২ জন, যুক্তরাজ্যে ৪৪ হাজার ৬৫০ জন, ইতালিতে ৩৪ হাজার ৯৩৮ জন, মেক্সিকোয় ৩৪ হাজার ৭৩০ জন, ফ্রান্সে ৩০ হাজার ৪ জন, স্পেনে ২৮ হাজার ৪০৩ জন, ভারতে ২২ হাজার ৬৯৬ জন, ইরানে ১২ হাজার ৬৩৫ জন ও পেরুতে: ১১ হাজার ৬৮২ জন।<br>গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:45:37 1970-01-01 00:00:00 চমেকে ছাত্রলীগের নাসির ও নওফেল গ্রুপের সংঘর্ষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95763 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557895_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557895_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে (চমেক) ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রুপ এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল নিয়ন্ত্রিত গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এক পক্ষ মেডিকেল গোল চত্বরে, আরেক পক্ষ মেডিকেল কলেজের বাইরে অবস্থান করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br><br>তিনি জানান, জহিরুল হক ভূঁইয়া জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংর্ঘষ হয়েছে। এখন মেডিকেল কলেজের চারপাশে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। জানা গেছে, সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল। তিনি মেডিকেল থেকে বের হওয়ার পর সিটি মেয়র আ জ ম নাছির ও নওফেল গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। </body></HTML> 2020-07-12 18:44:41 1970-01-01 00:00:00 দুবাইয়ে সহস্রাধিক তরুণীকে যৌনপেশায় বাধ্য করে আজম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95762 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557424_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557424_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুবাই ড্যান্স ক্লাবে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী চক্রের হোতা মোহাম্মদ আজম খান এবং তার দুই সহযোগী আনোয়ার হোসেন ময়না ও আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ডকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার একটি টিম অভিযান চালিয়ে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন এ বিষয়ে জানান।<br><br>তিনি বলেন, আজম খান গত আট বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে অল্প বয়সী তরুণীদের দুবাইয়ের হোটেলে মোটা অংকের বেতনে লোভ দেখিয়ে নিয়ে যেতো। দুবাইয়ে আজম খানের চারটি হোটেল রয়েছে। ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আজম খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, সে ওই সব হোটেলে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে সহস্রাধিক তরুণীকে নিয়ে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেছে। ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, বাংলাদেশে এই চক্রের অন্তত ৫০ জন রয়েছে যারা বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণীদের সংগ্রহ করতো। সম্প্রতি দুবাই সরকার আজম খানকে দেহব্যবসা করানোর অপরাধে আটক করে। সেখানে এক মাস জেল খেটে বের হওয়ার পর দুবাইয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আজম খানের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়।<br><br>তিনি বলেন, দেশে এসে আজম খান নতুন পাসপোর্ট করে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানান ইমতিয়াজ আহমেদ।<br>তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সী তরুণীদের হোটেলে ৫০ হাজার টাকা বেতনে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনা খরচে তাদের দুবাই নিয়ে যেতো আজম খান। দুবাই যাওয়ার পর প্রথমে তাদের ডান্স বারে নাচতে বাধ্য করতো। পরবর্তীতে জোর করে দেহব্যবসা করাতো।<br>সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজম খানের মোবাইলে এমন অনেক ভুক্তভোগী তরুণীর কান্নাকাটি ও আহাজারির অডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে যা খুবই মর্মস্পর্শী। আজম খানের দুই ভাই এখনো দুবাইয়ে রয়েছে। তারা তার এই অবৈধ ব্যবসার সহযোগী। বিষয়টি সিআইডি তদন্ত করছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।<br><br>ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, রাজধানীর লালবাগ থানায় গত ২ জুলাই সিআইডি বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। দেশের বিভিন্ন থানায় আজম খানের বিরুদ্ধে ছয়টি হত্যা মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:36:47 1970-01-01 00:00:00 আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেয়ায় বাংলাদেশি রায়হানের ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95761 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557361_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557361_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেওয়ায় বাংলাদেশি রায়হান কবিরের ভিসা বাতিল করেছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে ভিসা বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছেন দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শক তান শ্রী আবদুল হামিদ বদর। দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শক জানান, মোঃ রায়হান কবিরের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। সুতরাং তাকে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর আগে আত্মসমর্পণ করতে হবে।<br>এর আগে মোঃ রায়হান কবির নামে বাংলাদেশিকে খুঁজে বের করার জন্য জনসাধারণের সহায়তা চেয়ে একটি নোটিশ জারি করেছিল দেশটির অভিবাসন বিভাগ।<br><br>গত ৩ জুলাই আল জাজিরার এক ডকুমেন্টারি তে দাবি করা হয়েছিল মালয়েশিয়ায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। সেখানে রায়হান কবির সাক্ষাৎকার দেন। লকড আপ ইন মালয়েশিয়া'স লকডাউন- শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দেশটিতে শ্রমিকদের সঙ্গে বাজে আচরণ নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় কর্তৃপক্ষ। আল জাজিরায় প্রচারিত ২৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ওই প্রতিবেদনে করোনা মহামারিতে মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের সঙ্গে সরকারের আচরণ নিয়ে কথা বলেছিলেন রায়হান কবির। সংবাদমাধ্যমটির ইউটিউব চ্যানেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশটির সরকার এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:35:45 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে পাঁচটি পশুর হাট চূড়ান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95760 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557278_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557278_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে পাঁচটি পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। রোববার এক সভায় ডিএসসিসি এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন বলেন, আজকের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিএসসিসি এলাকায় এবার পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকিগুলোর দরপত্র অনুযায়ী ১৯ তারিখ শেষ সময়। এরপর বাকি হাটগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাকি হাটগুলো বসার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম, তবে এ বিষয়ে পরে সভা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।<br><br>ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অনলাইন হাট চালু করেছে, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এমন কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি-না, এ প্রশ্নের জবাবে রাসেল সাবরিন বলেন, অনলাইন হাট বিষয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানই আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। সব কিছু বিবেচনা করে আমরাও পরে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারি। তবে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সভা সূত্রে জানা গেছে, ডিএসসিসি এলাকায় চূড়ান্ত হওয়া পাঁচটি হাটের মধ্যে রয়েছে- কমলাপুর লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, আফতাবনগর ব্লক-ই, এফ, জি এর সেকশন ১ ও ২ নম্বর এলাকা, হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘের মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা এবং পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা।<br><br>ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএসসিসি এলাকায় ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি হাট ইজারা নিতে কেউ দরপত্র জমা দেয়নি। এছাড়া দুটিতে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে, যে কারণে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। গত ২৯ জুন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে দরপত্রগুলো খোলেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন। সেখানে দেখা যায়, ১৪টি হাটের মধ্যে ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গায় নির্ধারিত অস্থায়ী পশুর হাটে, শ্যামপুর বালুর মাঠ এবং দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।<br><br>ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল ৪৬ লাখ ৮১ হাজার ৩৩৪ টাকা, দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং শ্যামপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি দুই লাখ ১১ হাজার ৩৩৫ টাকা। কিন্তু এই তিনটি হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।<br><br>এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী দুটি কোরবানির পশুর হাটে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে। এই দুটি হচ্ছে মেরাদিয়া বাজার ও আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে ৯০ লাখ তিন হাজার টাকা। তবে সরকারি দর ছিল এক কোটি ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে এক কোটি ১৫ লাখ টাকা, যার সরকারি দর ছিল এক কোটি ৬৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৪ টাকা। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:34:23 1970-01-01 00:00:00 আইসোলেশন থেকে পালাতক বাংলাদেশিদের খুঁজছে মালদ্বীপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95759 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557118_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594557118_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>মালদ্বীপে আইসোলেশনে থাকা আট বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।<br>শনিবার (১১ জুলাই) মালদ্বীপের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘আভাস’এই খবর দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসোলেশনের নীতিমালা না মেনে যেসব প্রবাসী নিজের অবস্থান গোপন করছেন তাদের বিষয়ে তথ্য পেতে একটি অনলাইন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।মালদ্বীপ অভিবাসন দপ্তর বিবৃতিতে বলেছে, প্রবাসীরা যাদের স্পন্সরে অথবা যে কোম্পানির অধীনে মালদ্বীপে আছেন তারা তথ্য দিয়ে সরকারকে সহায়তা করতে পারেন। এ জন্য একটি ইমেইল নম্বর দেয়া হয়েছে।<br><br>মালদ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন। দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে ওই শ্রমিকদের ফেরত আনা হয়। মালদ্বীপে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬১৭ জন নতুন এই রোগটিতে পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। ২ হাজার ২৩৮ জন সুস্থ হলেও মারা গেছেন ১৩ জন। এর মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 18:31:41 1970-01-01 00:00:00 স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া, বাড়িতে ঢুকে মেম্বারকে খুন করলেন কৃষক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95758 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556796_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556796_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আব্দুল খালেক (৫৫) নামে এক ইউপি সদস্যকে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত আব্দুল খালেক উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়ন পরিষদের এক নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। তিনি চকমেহেদী গ্রামের কেসমত আলীর ছেলে।<br>শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে ইউপি সদস্যের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম (৪২) নামে এক কৃষককে আটক করেছে পুলিশ। আটক রফিকুল ইসলাম একই গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।<br><br>জানা গেছে, আব্দুল খালেক দুপুরের খাবার খেয়ে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় ঘরের জানালা খোলা ছিল। এ সুযোগে প্রতিবেশী রফিকুল ইসলাম জানালা দিয়ে বিছানায় ঘুমানো আব্দুল খালেকের মাথায় শাবল দিয়ে কয়েকটি আঘাত করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে আব্দুল খালেক মারা যান।<br><br>স্থানীয়রা জানায়, রফিকুল ইসলামের স্ত্রীর সঙ্গে আব্দুল খালেকের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েক দফা বৈঠক করে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও কৃষক রফিকুলের মনের ক্ষোভ শেষ হয়নি। এ ঘটনার জের ধরে রফিকুল ইসলাম ক্ষুব্ধ হয়ে আব্দুল খালেককে খুন করেছেন। ধুনট থানা পুলিশের ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, এই খুনের নেপথ্যে নারীঘটিত বিষয় রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে এক কৃষককে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। </body></HTML> 2020-07-12 18:26:14 1970-01-01 00:00:00 সৈকতে ভেসে আসছে শত টন প্লাস্টিক বর্জ্য http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95757 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556712_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556712_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসছে প্লাস্টিক বর্জ্য, ছেঁড়া জাল ও জালের সঙ্গে সামুদ্রিক কাছিম। তবে এত বিপুল পরিমাণ জাল ও বর্জ্য কোথা থেকে আসছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। কাছিমগুলোকে উদ্ধার করে আবার সমুদ্রে অবমুক্ত করতে কাজ করছেন ‘সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ’ কক্সবাজার জেলা কমিটির সদস্যরা। সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল থেকে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলের দিকে ভেসে আসতে থাকে প্লাস্টিক বর্জ্য। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তীরে ভেসে আসতে থাকে টন টন প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ছেঁড়া জাল। এসব জালে পেঁচানো অবস্থায় সামুদ্রিক কাছিমও ভেসে আসে সৈকতে। ইতোমধ্যে সেখান থেকে দশটির বেশি সামুদ্রিক কাছিম উদ্ধার করে সাগরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।<br><br>উদ্ধার কাজে থাকা সেভ দ্যা ন্যাচর অব বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমেদ জানান, দড়িয়া নগর পার্ক থেকে হিমছড়ি পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শত শত টন হবে প্লাস্টিক বর্জ্য। যদিও এটা শধু ধারণা করে বলা। শত শত মানুষ প্ল্যাস্টিক সংগ্রহ করছে। সঙ্গে আছে জাল, গাছের গুড়িসহ নানা বর্জ্য। আমরা কাছিমগুলোকে অবমুক্ত করছি। মূলত এদের রক্ষা করার জন্য আমরা স্পটে আছি। তবে প্রশাসনের কেউ নেই। সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এত বর্জ্য কোথা থেকে এসেছে তা আমাদের জানা নেই। আমাদের সংগঠনের সদস্যরা এসব বর্জ্যের সঙ্গে বিশেষ করে জালের সঙ্গে আটকা পড়া কাছিম উদ্ধার করে অবমুক্ত করছে। প্রচুর মানুষ এসব বর্জ্যের মধ্যে মূল্যবান বা প্রয়োজনীয় জিনিস খুঁজতে ভিড় করছে। অনেকে তা সংগ্রহ করছে।<br><br>তিনি আরও বলেন, আমাদের ২০০ নটিক্যাল সমুদ্র সীমায় পর্যাপ্ত নজরদারি নেই। বিদেশি জাহাজ থেকে আমাদের জলসীমায় বর্জ্য ফেলার অভিযোগ থাকলেও সরকার কখনও তাদের শনাক্ত বা শাস্তির আওতায় আনতে পারেনি। সমুদ্র দূষণ ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (আইএমও) কনভেনশনের লঙ্ঘন। তাই আমাদের এখন সমুদ্র কমিশন গঠন করে সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা উচিৎ। </body></HTML> 2020-07-12 18:23:43 1970-01-01 00:00:00 আগাম বন্যায় নৌকা বিক্রির ধুম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95756 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556475_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594556475_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">যমুনা নদী বিধৌত সিরাজগঞ্জ জেলার নদী তীরবর্তী উপজেলা শাহজাদপুর। যমুনায় পানি বাড়ায় উপজেলার কৈজুরীতে জমে উঠেছে নৌকা কেনাবেচার হাট। আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষাকাল হলেও শাহজাদপুরের নদী পাড়ের মানুষের বর্ষার পরও অনেক দিন নৌকায় চড়েই চলাফেরা করতে হয়। বন্যা কবলিত মানুষের সহজে পারাপারে ব্যবহার হয়ে থাকে নৌকা। শুক্রবার দিনভর যমুনা নদী ও নদী তীরবর্তী উপজেলার কৈজুরী মাদরাসা মাঠে দেখা মেলে এ নৌকার হাটের। ছোট, বড় ও মাঝারি নৌকা সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। নৌকা ছাড়াও নৌকার লগি বৈঠা নিয়ে বসে থাকতে দেখা গেছে বিক্রেতাদের। এ নৌকা এবং লগি বৈঠা ক্রয় করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছেন ক্রেতারা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ নৌকা বেচাকেনা।<br><br>৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা মূল্যের নৌকা বেচাকেনা হচ্ছে এ হাটে। বন্যা এলেই প্রতি বছর সপ্তাহে একদিন বসে এ নৌকার হাট। নিত্যনতুন নৌকা তৈরি করে বেচাকেনা হয় এ হাটে। যমুনা, করতোয়া, বড়াল, হুড়াসাগর আর গোহালা নদীর মতো বেশ ক’টি নদী শাহজাদপুর উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহমান থাকায় অনেক বছর আগে থেকেই কৈজুরীতে নৌকার হাট বসে আসছে। কালের বিবর্তনে কোষা, বজরা, গয়নার নৌকার বিলুপ্তি ঘটলেও কৈজুরীতে ডিঙি নৌকার হাট এখনও টিকে আছে। শাহজাদপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার পূর্ব দিকে যমুনা নদীর তীরে কৈজুরীতে নৌকার পসরা সাজিয়ে হাট বসছে এখনও। কৈজুরীতে সপ্তাহের সোমবার ও শুক্রবার হাট বসলেও নৌকার হাট বসে শুক্রবার। হাটে বিক্রির জন্য প্রায় কয়েক শতাধিক ডিঙি নৌকা আনা হয়।<br><br>বানতিয়ার চর হতে হাটে আসা নৌকা ক্রেতা আবু সামা জানান, যমুনা তীরবর্তী হওয়ায় আষাঢ়ের প্রথমেই বাড়ির চারপাশে বন্যার পানিতে থই থই করে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে যেতে নৌকাই একমাত্র বাহন। আরও আগেই নৌকা কেনা লাগতো সময়ের অভাবে দেরি হয়ে গেলো।<br>চর কৈজুরী গ্রামের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর জানান, বর্তমানে গ্রামগঞ্জে রাস্তাঘাট হওয়ায় এবং বর্ষার পর নদী পথ কমে যাওয়ায় শুধু বর্ষা মৌসুমে নৌকা বিক্রি ভালো হয়। বছরের অন্য সময় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। নৌকার ব্যবসা এখন অনেকটাই মৌসুমী ব্যবসা হয়ে গেছে।<br><br>নৌকা বিক্রেতা গুপিয়াখালী নতুন পাড়া গ্রামের কোরবান আলী জানান, নৌকা বিক্রি তাদের পৈত্রিক ব্যবসা। বাড়িতেই তাদের কারখানা রয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ থেকেই কিশোর বয়সে বাবার সঙ্গে নৌকা বিক্রি করতে তিনি কৈজুরী হাটে আসতেন। তখন ১২ হাত লম্বা একটি ডিঙি নৌকা ৬শ থেকে সাড়ে ৬শ টাকায় বিক্রি হতো। এখন সেটি বিক্রি হচ্ছে প্রায় সাত হাজার টাকায়। বর্ষায় আগের দিনে ডিঙি নৌকার কদর বেশি ছিল। এখন সড়ক পথে যাতায়াত বেড়ে যাওয়ায় নৌকার কদর কমে গেছে। আগের দিনে সারা বছর নৌকার চাহিদা থাকত। তাই বিক্রি ভালো হত। বর্তমানে ব্যবসা খুবই মন্দা। মিস্ত্রির মজুরি অনেক বেশি। পৈত্রিক ব্যবসা ছাড়তেও পারছি না। লাভ কম হলেও ব্যবসা ধরে রেখেছি।<br><br>ডায়া বাজারের নৌকা তৈরির কাঠ কারখানার মালিক আব্দুর রাজ্জাক জানান, কাঠমিস্ত্রিদের মজুরি ও কাঠের দাম বেড়ে যাওয়ায় নৌকার দাম বেড়েছে। প্রতিটি ডিঙি নৌকার জন্য একজন মিস্ত্রিকে ৫০০ টাকা মজুরি দিতে হচ্ছে। তারপরও এ বছর আগাম বন্যায় নৌকার অডার্র ভালোই পাওয়া যাচ্ছে।<br>কৈজুরী হাটের ইজারাদার জানান, পাবনার বেড়া, প্যাচাকোলা, শৈলজানার চর এবং সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী, চরকৈজুরী, পাঁচিল, জামিরতা, গুদিবাড়ি রতনদিয়া ধীতপুর থেকে বহু মহাজন ডিঙি নৌকা বিক্রির জন্য এ হাটে নিয়ে এসেছেন।<br><br>কৈজুরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার কৈজুরীতে নৌকার হাট বসে। হাটে বিক্রির জন্য শতাধিক ডিঙি নৌকা আনা হয়। তবে নৌকার হাট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নদীর নাব্য সংকটের কারণে বর্ষার পরপরই নদী পথ হারিয়ে যাচ্ছে। এ সমস্যা সমাধান করা দরকার।</body></HTML> 2020-07-12 18:16:26 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে আরও ১৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95755 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555551_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555551_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>ফেনীতে আরও ১৪ জনের দেহে প্রাণঘাতী করোনা শনাক্ত হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ফেনী সদরে ৮ জন, ছাগলনাইয়ায় ২ জন, পরশুরামে ৩ জন ও ফুলগাজীতে একজনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ১৮ জনের মধ্যে করোনা ধরা পড়েছে। এদের মধ্যে ৬৭৬ জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে ও ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পরিসংখ্যানবিদ মো. ইউসুফ জানান, রোববার নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজের ল্যাব থেকে ৬৯ জনের প্রতিবেদন আসে। এর মধ্যে ১৫ জনের করোনা পজেটিভ আসে। এর মধ্যে পরশুরামের একজনের দ্বিতীয়বারের নমুনায়ও করোনা শনাক্ত হয়।<br><br>তিনি জানান, রোববার পর্যন্ত ৫ হাজার ৭৪৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং নোয়াখালী আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজের ল্যাবে পাঠানো হয়। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। রোববার নতুন করে আরও ৯১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ফেনী সদর উপজেলায় ৩৯৭ জন, সোনাগাজীতে ১৭৩ জন, দাগনভূঞায় ২১১ জন, ছাগলনাইয়ায় ১১৯ জন, ফুলগাজী ৫২ জন ও পরশুরামে ৫১ জন এবং ফেনীর বাইরে অন্য জেলার ১৫ জন রোগী রয়েছে। </body></HTML> 2020-07-12 18:04:58 1970-01-01 00:00:00 ফেনীতে ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের ধর্ষণ করতেন মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95754 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555433_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555433_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের এক মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন এলাকার মানুষ। এর আগেও ওই হুজুর ঝাড়ফুঁকের নামে একাধিক নারীর সঙ্গে এমন আচরণ করলেও লোকলজ্জার ভয়ে তারা ছিলেন নীরব। তবে এবারের ঘটনা প্রকাশ পেলে একে একে মুখ খুলতে শুরু করেছেন অনেকেই। কঠোর শাস্তির দাবি তাদের।<br><br>স্থানীয়দের অভিযোগ, এই মাদ্রাসার দোতালার একটি কক্ষ ব্যবহার করে ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউসুফ সিদ্দিকী দীর্ঘদিন ধরে তাবিজ-কবজ আর ঝাড়ফুঁকের নামে নারীদের তার লালসার শিকার বানিয়ে আসছেন। গত ৪ জুলাই এক নারী ইউসুফ সিদ্দিকীর কাছে তাবিজের জন্য গেলে কৌশলে তার শ্বশুর-শাশুড়িকে আরেক কক্ষে পাঠিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালান তিনি। সেখান থেকে বের হয়ে ভুক্তভোগী নারী বিষয়টি তার স্বজনদের জানালে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান তারা। বিষয়টি জানাজানির পর এ হুজুরের কাছে গিয়ে বিভিন্ন সময় যে সব নারী এমন আচরণের শিকার হয়ে লোকলজ্জায় বলেননি তারা এখন মুখ খুলতে শুরু করেছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী।<br><br>অবস্থা বেগতিক দেখে দোষ স্বীকার এবং ক্ষমা চেয়ে এ হুজুর স্থানীয় কিছু প্রভাবশালীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায়ভার প্রতিষ্ঠান নেবে না বলে জানান দাগনভূঞা ইছাহাকীয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল আমিন।<br>এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি ১৯৩৬ সালে গড়া এ ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। </body></HTML> 2020-07-12 18:03:21 1970-01-01 00:00:00 প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায়, তিন নারী আটক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95753 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594555137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরিশালে প্রতারণার মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তিন নারীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. খায়রুল আলম। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গত ১০ জুলাই বরিশাল নগরের কাউনিয়া থানাধীন ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা ও ফল ব্যবসায়ি হাসান খানের নিকট থেকে মাহিনুর বেগম (৪৫) নামে এক নারী ১ কেজি আম ক্রয় করেন। ওই নারী বরিশাল সদরের চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামছড়ি এলাকার বাসিন্দা হলেও ভাটাখানা এলাকার কবির মঞ্জিলের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে অপর সহযোগীদের নিয়ে বসবাস করতেন।<br><br>ফল ক্রয়ের পরে ওই নারী হাসান খানকে ফোনে জানায়, তার ক্রয়কৃত আম পঁচা এবং তার আরও তিন কেজি আমের প্রয়োজন। এরপর ওই নারী তিন কেজি আম ক্রয় করেন এবং টাকা না থাকার কথা না জানিয়ে ফল ব্যবসায়িকে বাসায় নিয়ে যান। এরপর মাহিনুর বেগম তার ফ্ল্যাটের অপর বাসিন্দা এবং সহযোগী স্বর্ণা হালদার (২৮), ফেরদৌসি আক্তার রুমার (৩৩) যোগসাজেশে ফল ব্যবসায়ি হাসানকে ফাঁদে ফেলেন। তারা বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই এলাকার চরহোগলা গ্রামের নাদিম হাওলাদার নামে ২২ বছরের এক যুবকের সহায়তায় ব্যবসায়ির জামা-কাপড় খুলে মোবাইলফোনে অশালীন ছবি ধারণের কথা জানিয়ে জিম্মি করে।<br><br>পরবর্তীতে তার কাছে চক্রটি ২ লাখ টাকা দাবি করে। অন্যথায় অশালীন ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখায়। এর প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ি ১১ হাজার টাকা দিয়ে জিম্মি দশা থেকে মুক্তি পায়। বিষয়টি থানা পুলিশ জানতে পেরে কৌশলে অভিযান চালিয়ে তিন নারীকে আটক করে। তবে নাদিম নামের অপর যুবক পালিয়ে যায়।<br><br>এ ঘটনায় যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার মো. খায়রুল আলম বলেন, এরা একটি চক্র। এর আগে আরও অনেকের সঙ্গে এ রকম করার বিষয়টি তারা প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। তাদের সঙ্গে যারা যারা জড়িত রয়েছেন সকলকে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাকারিয়া হাওলাদার, সহকারী পুলিশ কমিশনার আ. হালিমসহ কাউনিয়া থানা পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।<br><br>উল্লেখ্য, আটককৃতদের মধ্যে স্বর্ণা হাওলাদার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া এলাকার বাসিন্দা এবং ফেরদৌসি আক্তার রুমা বরিশাল নগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভাটিখানা এলাকার বাসিন্দা। </body></HTML> 2020-07-12 17:58:19 1970-01-01 00:00:00 লাকসামে স্কুল ছাত্রকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95752 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554944_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554944_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লা প্রতিনিধি ॥</span><br>কুমিল্লার লাকসামে সিয়াম (১২) নামের ৫ম শ্রেণি পড়–য়া এক স্কুলছাত্রকে ৩ তলা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার লাকসাম পৌর শহরের নশরতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সিয়াম ওই এলাকার ভাড়াটিয়া আব্দুল হাকিমের ছেলে।<br><div>পারিবারিক সূত্র জানায়, চাকরির সুবাদে লাকসাম পৌর শহরের নশরতপুর এলাকায় সপরিবারে বসবাস করেন আব্দুল হাকিম। ওই এলাকার আবুল খায়ের তোতা মিয়ার ছেলে রিয়াদ হোসেন (২০) বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে সিয়ামকে মারধর করতো। বিষয়টি বেশ কয়েকবার রিয়াদের পরিবারকে জানিয়েছেন সিয়ামের পিতা আব্দুল হাকিম।</div><div><br></div><div> গত ৭ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে পাখি ধরার লোভ দেখিয়ে সিয়ামকে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের চাঁদপুর রেলগেইট সংলগ্ন গালফ হোটেলের ছাদে নিয়ে যায় রিয়াদ ও তার বন্ধু সুজন। এক পর্যায়ে তারা সিয়ামকে ধাক্কা দিয়ে ছাদ থেকে ফেলে দেয়। আশপাশের কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনাটি রেকর্ড রয়েছে। আহত সিয়ামকে তাৎক্ষণিক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে অবস্থা আশংকাজনক দেখে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।</div>সিয়ামের পিতা আব্দুল হাকিম জানান, ‘আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তারা ৩ তলা ছাদ থেকে ফেলে দিয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’ এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।<br>এদিকে এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুজন আত্মগোপনে রয়েছে। একাধিকবার চেষ্টা করেও অভিযুক্ত রিয়াদ ও তার অভিভাবকদের বক্তব্য নেয়া যায়নি।<br>লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ </body></HTML> 2020-07-12 17:54:05 1970-01-01 00:00:00 নতুন করে ভারতে আক্রান্ত আরও প্রায় ২৯ হাজার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95751 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554777_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554777_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br> and nbsp;হু হু করে and nbsp; ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। দেশটিতে একদিনেই নতুন করে প্রায় ২৯ হাজার মানুষ প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রোববার সকালে জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ২৮ হাজার ৬৩৭ জন। ফলে এখন পর্যন্ত দেশটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা গেছে ৫৫১ জন। এখন পর্যন্ত ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে মোট ২২ হাজার ৬৭৪ জন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৯ হাজার ২৩৫ জন। ফলে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ জন। অর্থাৎ সুস্থতার হার ৬২ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বর্তমানে দেশটিতে করোনার অ্যাকটিভ কেস ২ লাখ ৯২ হাজার ২৫৮টি।<br><br>ভারতের মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি, কর্নাটক এবং অন্ধ্র প্রদেশে একদিনে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ভারতের মোট সংক্রমণ ও মৃত্যুর বেশিরভাগই এই পাঁচ রাজ্যে। তবে প্রথম থেকে মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মহারাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা মোট ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬শ। করোনার সংক্রমণে সেখানে ১০ হাজার ১১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮৫ জন। বর্তমানে মহারাষ্ট্রে করোনার অ্যাকটিভ কেস ৯৯ হাজার ৪৯৯টি।<br><br>মহারাষ্ট্রের পরেই রয়েছে দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ু। সেখানে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩৪ হাজার ২২৬। করোনার সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৮৯৮ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছে ৮৫ হাজার ৯১৫ জন। তামিলনাড়ুতে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৪১৩টি। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-12 17:52:32 1970-01-01 00:00:00 করোনা নিয়ে অজানা এক তথ্য দিলেন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আসা ভাইরোলজিস্ট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95750 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554577_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554577_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>চীন প্রথম থেকেই করোনাভাইরাস সম্পর্কে জানতো বলে দাবি করেছে হংকং থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে আসা ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান। তিনি বলছেন, গত বছর ডিসেম্বরের আগেই চীনে সার্স-১ এর মতো ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এই ভাইরাসের চরিত্র ছিল সার্সের থেকে আলাদা এবং আরও সংক্রামক। শুক্রবার ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাতকারে হংকং স্কুল অব পাবলিক হেলথের ভাইরোলজিস্ট ও ইমিউনোলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ লি জানান, ২০২০ সালের প্রথমে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববাসীকে সতর্ক করা দরকার ছিলো চীনের। তিনি বলেন, চীন সরকার হংকংয়ের লোকজনসহ বিদেশী বিশেষজ্ঞকে চীনে গবেষণা করতে দেয়নি।<br><br>ভাইরোলজিস্টের কথায়, উহান থেকে ভাইরাসের সংক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ার অনেক আগেই করোনা নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন তিনি। লি বলেছেন, হংকংয়ের বিশেষ বায়োসেফটি ল্যাবে এই নতুন ভাইরাস নিয়ে তিনি পরীক্ষা করতে শুরু করেন। বুঝতে পেরেছিলেন এই ভাইরাল স্ট্রেন অনেক বেশি প্রাণঘাতী। কীভাবে এই ভাইরাসের মোকাবেলা করা যায় তার উপায় খুঁজতে শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু গবেষণার কাজ বেশিদূর যাওয়ার আগেই তার কাছে হুমকি ফোন আসতে শুরু করে। তার কম্পিউটার হ্যাক করা হয়। ব্যক্তিগত তথ্যেও নজরদারি শুরু হয়।<br><br>চীনের সরকারি কর্মকর্তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে জানিয়েছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রামক ভাইরাল স্ট্রেন সার্স-কভ-২ এর কথা চেপে গিয়েছিল তারা। তার বক্তব্য, চীন জানত নতুন এক ধরনের সংক্রামক ভাইরাস মহামারী হতে শুরু করেছে। কিন্তু এই তথ্যই তারা গোপন করেছিল। বিজ্ঞানীদের এই ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করতে দেওয়া হয়নি।<br><br>লি বলেছেন, তিনি তার সুপারভাইজারকে এই ভাইরাসের ব্যাপারে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি গুরুত্ব না দেওয়ায় নিজেই গবেষণা শুরু করেন লি। ভাইরোলজিস্টের অভিযোগ, চীনের যেসব ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা এই ভাইরাস নিয়ে চর্চা করছিলেন তারা হঠ্যাৎ গায়েব হতে শুরু করেন। অনেকের মৃত্যুর খবরও আসে। ভয়ে মুখ বন্ধ রাখেন চিকিৎসকরা।রোগীদের পরামর্শ দেওয়া হয় মাস্ক ব্যবহার করার। কিন্তু এই ভাইরাসের সংক্রমণ যে মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে অর্থাৎ হিউম্যান ট্রান্সমিশন হতে পারে সেই ব্যাপারে কিছুই জানাননি ডাক্তাররা। সকলেই মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন।<br><br>লি জানান, গবেষণা বন্ধ করার জন্য লাগাতার হুমকি আসছিল। এই ভাইরাস যে মহামারীর পর্যায়ে যেতে পারে সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। জানতাম চীনে দাড়িয়ে এ কথা বললে আমাকেও বাকিদের মতো খুন করে ফেলা হত। এর জের ধরে গেল ২৮ এপ্রিল হংকং থেকে ফ্লাইট ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। সঙ্গে করে নিজের গবেষণার রিপোর্ট, ল্যাবের গোপন ক্যামেরা ও সেন্সরও নিয়ে যান। বিশ্ববাসীকে করোনার সঠিক তথ্য দিতেই তিনি যুক্তরাষ্ট্র পালিয়ে এসেছেন বলে জানান।<br><br>সবশেষে লি বলেন, আমার জীবন এখনও সঙ্কটে। হংকংয়ে নিজের বাড়ি ফিরে যেতে পারব কিনা জানি না। এদিকে, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ও তার পেইজটি সরিয়ে নিয়েছে এবং তার অনলাইন পোর্টাল এবং ই-মেইলে অ্যাক্সেস প্রত্যাখ্যান করেছে, যদিও তিনি বলেছেন যে তিনি অনুমোদিত বার্ষিক ছুটিতে ছিলেন। </body></HTML> 2020-07-12 17:49:13 1970-01-01 00:00:00 প্যাংগংয়ে এখনও রয়েছে চীনা সেনাদের উপস্থিতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95749 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554287_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554287_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>প্যাংগং হ্রদ থেকে এখনও সব সেনা সরিয়ে নেয়নি চীন। লাদাখের ফিঙ্গার ৪ এলাকা থেকে কিছু সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্যাংগং হ্রদ থেকে তাদের কিছু নৌকাও সরে গেছে। তবে প্যাংগং এলাকায় এখনও চীনা সেনাদের আংশিক উপস্থিতি রয়েছে বলে ভারতীয় সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে। <br>গালওয়ান উপত্যকায় দুপক্ষ যে শর্তে সেনাদের পিছিয়ে নিয়েছে তাতে এক কিলোমিটার অঞ্চল চীনের দখলে চলে গেছে বলে অভিযোগ করেছে ভারত। ভারত চায় চীন ফিঙ্গার ৮-এ তাদের ছাউনিতে ফিরে যাক। সিরিজাপ ১ ও ২ এ তাদের পাকা ঘাঁটিতে চলে যাক। কিন্তু চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি ফিঙ্গার-২ পর্যন্ত দখল নিতে চায়।<br><br>ফিঙ্গার রিজিয়নের আটটি ফিঙ্গার ভারতের অন্তর্গত বলে বরাবরই দাবি করে আসছে নয়াদিল্লি। এই আট ফিঙ্গার যেখানে শেষ হচ্ছে সেখানেই ভারত-চীন সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা। এ বিষয়ে চিনের দাবি কিছুটা আলাদা। চীন বলছে, চার নম্বর ফিঙ্গার পর্যন্ত ভারতের এলাকা এবং বাকি চারটি ফিঙ্গার চীন সীমান্তের মধ্যে পড়েছে। চলতি বছরের মে মাসে আট নম্বর ফিঙ্গারের দিকে টহল দিতে যাওয়ার পথে ভারতীয় বাহিনীর পথ আটকে ছিল চীনা সেনারা।<br>এর আগে স্যাটেলাইট চিত্রে ফিঙ্গার চার অঞ্চলে চীনের বিভিন্ন নির্মাণকাজের ছবি ধরা পড়েছিল।<br><br>উল্লেখ্য, লাদাখে প্যাংগং লেকের ধারে আটটি পরপর সরু অঞ্চল রয়েছে। এর মধ্যে ফিঙ্গার চার অঞ্চলে চীনা আগ্রাসন রুখতে গিয়ে চীনের সঙ্গে সংঘাতে কমপক্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনা নিহত হয়। এখন পর্যন্ত দুই দেশের কমান্ডার পর্যায়ে তিনটি বৈঠক হয়েছে। গালওয়ান, হটস্প্রিং এবং গোগরা থেকে চীনা সেনারা সরে গেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী বলছে, প্যাংগংয়ের মোট আটটি ‘ফিঙ্গার’ এলাকা রয়েছে। এর মধ্যে ফিঙ্গার-৪ এ চীনা সেনাদের উপস্থিতি কমে এসেছে ঠিকই। কিন্তু এখনও ফিঙ্গার এলাকায় চীনা সেনাদেরই আধিপত্য রয়েছে। একাধিক ঝর্নার কাছে চীনের তাঁবু এখনও রয়েছে। </body></HTML> 2020-07-12 17:43:18 1970-01-01 00:00:00 গভর্নর গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে রাশিয়ায় গণবিক্ষোভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95748 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554118_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554118_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>আঞ্চলিক এক নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় রাশিয়ার একেবারে উত্তরাঞ্চলের কিছু শহরে হাজার হাজার মানুষ এর প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। খাবারোভস্ক আঞ্চলের বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভের সময় পুতিনবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন বলে বিবিসির এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।<br>আজ থেকে ১৫ বছর আগে বেশ কিছু ব্যবসায়ী হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে খাবারোভস্ক আঞ্চলিক গভর্নর সের্গেই ফুরগালকে গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করে রাজধানী মস্কোতে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই বছর আগের নির্বাচনে পুতিনের ইউনাইটেড রাশিয়ার পার্টির প্রার্থীকে হারিয়েছিলেন সের্গেই ফুরগাল।<br><br>বিবিসি তার প্রতিবেদকের বরাতে জানিয়েছে, ফুরগোলেও ওই বিজয়ে অঞ্চলটিতে পুতিনের দলের ক্ষমতা হ্রাস পায়। এছাড়া খাবারোভস্কের গভর্নর ফুরগাল দেশটির একেবারে উত্তরাঞ্চলের একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। মূলত রাজনৈতিক কারণেই এত বছরে আগের মামলায় পুতিন প্রশাসন তাকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবি অনেকের। আঞ্চলিক গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, আনুমানিক সর্বোচ্চ প্রায় ৪০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে গভর্নরকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদ জানান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এর প্রতিবেদন অনুযায়ী এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘এটা আমাদের জন্মভূমি’ ‘পুতিনকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে’ এরকম স্লোগান দেন।<br><br>এছাড়া তারা ‘স্বাধীনতা চাই’ এবং ‘পুতিন একটা চোর’—এরকম নানা স্লোগান দিচ্ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত গভর্নর সের্গেই ফুরগালের মুক্তি দাবি করেছেন। খাবারোভস্ক শহর ছাড়াও অঞ্চলটির আরও অনেক শহরে ছোট আকারে বিক্ষোভ দেখা গেছে। তবে পুলিশ কাউকে বাধা কিংবা গ্রেফতার করেনি বলে জানাচ্ছে বিবিসি। </body></HTML> 2020-07-12 17:41:33 1970-01-01 00:00:00 ব্রাজিলে আক্রান্ত ১৮ লাখ পার, একদিনে আরও সহস্রাধিক মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95747 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554037_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594554037_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করোনা সংক্রমিত দেশ ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ৭১ হাজারেরও বেশি। দেশটিতে করোনার ভয়াবহ তাণ্ডব খুব শিগগিরই শেষ হবে না বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার দেশটিতে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৭১ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৪৬৯।<br>ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্যমতে, ব্রাজিলে শেষ একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ হাজার ৪৭৪ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৪০ হাজার ৮১২ জনে।<br><br>লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশটিতে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২ লাখ ১৩ হাজার ৫১২ জন। এখনও চিকিৎসাধীন ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৮০৮ জন। এদের মধ্যে অন্তত আট হাজার রোগীর অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বোলসোনারোও। গত মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন তিনি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, প্রবল জ্বরে ভুগছেন ৬৫ বছর বয়সী এ নেতা।<br><br>তবে, করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বোলসোনারো বলেছেন, তিনি এরইমধ্যে বেশ ভালো অনুভব করছেন এবং হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের তৃতীয় ডোজ নিয়েছেন। মহামারি মোকাবিলায় ব্যর্থতার জন্য বোলসোনারো সরকারের সমালোচনা হচ্ছে সারাবিশ্বেই। বরাবরই জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষার চেয়ে দেশের অর্থনীতির গতি ধরে রাখাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে তার কাছে। লকডাউন দিয়ে করোনার বিস্তার রোধের পক্ষে মত দেয়ায় দুইজন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বরখাস্তও করেছেন তিনি। ফলে, প্রায় দুই মাস কোনও স্থায়ী স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াই করোনার বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে ব্রাজিলের সাধারণ মানুষদের।<br><br>সূত্র: রয়টার্স, ওয়ার্ল্ডোমিটারস </body></HTML> 2020-07-12 17:39:27 1970-01-01 00:00:00 ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95746 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594553908_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594553908_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>নতুন করে আবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ইরানে বিয়েসহ সব ধরনের অনুষ্ঠান এবং জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। তবে দেশটির অর্থনৈতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখনও চালু আছে। টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানে নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে।<br><br>গত এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই ইরানে লকডাউনে ধীরে ধীরে শিথিলতা আনা হয়। এর ফল স্বরুপ সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে নতুন করে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত ইরানেই আক্রান্ত ও মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। এখন পর্যন্ত ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫৫ হাজার ১১৭। এর মধ্যে মারা গেছে ১২ হাজার ৬৩৫ জন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৬ জন। এদিকে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সিমা সাদাত লারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, দেশজুড়ে আমাদের সব ধরনের অনুষ্ঠান এবং জনসমাগম বন্ধ করতে হবে।<br>তিনি বলেন, এখন উৎসব বা সেমিনার করার সময় নয়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা বাতিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।<br><br>এদিকে, নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার পেছনে বিয়ের পার্টি, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য জনসমাগমকেই দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা। ইরানের করোনাভাইরাস টাস্কফোর্সের এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, যদি সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তবে এই করোনা মহামারিতে দেশটিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজারের মতো মানুষ মারা যাবে। করোনার দ্বিতীয় স্রোত আরও ভয়াবহ হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-07-12 17:37:21 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে পাঁচটি পশুর হাট চূড়ান্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95745 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594552518_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594552518_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে পাঁচটি পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। রোববার এক সভায় ডিএসসিসি এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন বলেন, আজকের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিএসসিসি এলাকায় এবার পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকিগুলোর দরপত্র অনুযায়ী ১৯ তারিখ শেষ সময়। এরপর বাকি হাটগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাকি হাটগুলো বসার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম, তবে এ বিষয়ে পরে সভা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।<br><br>ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অনলাইন হাট চালু করেছে, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এমন কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি-না, এ প্রশ্নের জবাবে রাসেল সাবরিন বলেন, অনলাইন হাট বিষয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানই আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। সব কিছু বিবেচনা করে আমরাও পরে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারি। তবে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সভা সূত্রে জানা গেছে, ডিএসসিসি এলাকায় চূড়ান্ত হওয়া পাঁচটি হাটের মধ্যে রয়েছে- কমলাপুর লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, আফতাবনগর ব্লক-ই, এফ, জি এর সেকশন ১ ও ২ নম্বর এলাকা, হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘের মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা এবং পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা।<br><br>ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএসসিসি এলাকায় ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি হাট ইজারা নিতে কেউ দরপত্র জমা দেয়নি। এছাড়া দুটিতে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে, যে কারণে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়। গত ২৯ জুন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে দরপত্রগুলো খোলেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন। সেখানে দেখা যায়, ১৪টি হাটের মধ্যে ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গায় নির্ধারিত অস্থায়ী পশুর হাটে, শ্যামপুর বালুর মাঠ এবং দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।<br><br>ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল ৪৬ লাখ ৮১ হাজার ৩৩৪ টাকা, দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং শ্যামপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি দুই লাখ ১১ হাজার ৩৩৫ টাকা। কিন্তু এই তিনটি হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।<br><br>এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী দুটি কোরবানির পশুর হাটে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে। এই দুটি হচ্ছে মেরাদিয়া বাজার ও আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে ৯০ লাখ তিন হাজার টাকা। তবে সরকারি দর ছিল এক কোটি ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে এক কোটি ১৫ লাখ টাকা, যার সরকারি দর ছিল এক কোটি ৬৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৪ টাকা। </body></HTML> 2020-07-12 17:14:24 1970-01-01 00:00:00 আল-জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেয়ায় বাংলাদেশি রায়হানের ভিসা বাতিল মালয়েশিয়ার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95744 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551893_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551893_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরায় সাক্ষাৎকার দেওয়ায় বাংলাদেশি রায়হান কবিরের ভিসা বাতিল করেছে মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনে ভিসা বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছেন দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শক তান শ্রী আবদুল হামিদ বদর। দেশটির পুলিশ মহাপরিদর্শক জানান, মোঃ রায়হান কবিরের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। সুতরাং তাকে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর আগে আত্মসমর্পণ করতে হবে।<br>এর আগে মোঃ রায়হান কবির নামে বাংলাদেশিকে খুঁজে বের করার জন্য জনসাধারণের সহায়তা চেয়ে একটি নোটিশ জারি করেছিল দেশটির অভিবাসন বিভাগ।<br><br>গত ৩ জুলাই আল জাজিরার এক ডকুমেন্টারি তে দাবি করা হয়েছিল মালয়েশিয়ায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদেশিদের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। সেখানে রায়হান কবির সাক্ষাৎকার দেন। লকড আপ ইন মালয়েশিয়া'স লকডাউন- শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে দেশটিতে শ্রমিকদের সঙ্গে বাজে আচরণ নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয় কর্তৃপক্ষ। আল জাজিরায় প্রচারিত ২৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের ওই প্রতিবেদনে করোনা মহামারিতে মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের সঙ্গে সরকারের আচরণ নিয়ে কথা বলেছিলেন রায়হান কবির। সংবাদমাধ্যমটির ইউটিউব চ্যানেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর দেশটির সরকার এমন অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। </body></HTML> 2020-07-12 17:04:28 1970-01-01 00:00:00 করোনায় আরো ৪৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95743 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551769_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551769_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে দেশে শনিবার থেকে রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৩৫২ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো দুই হাজার ৬৬৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। দেশে মোট এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আরো পাঁচ হাজার ৫৮০ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৯৩ হাজার ৬১৪ জন। রোববার (১২ জুলাই) বেলা আড়াইটায় করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।<br><br>তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১ হাজার ২১০টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯টি। এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৪০ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৬৬৬ জন। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ১১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫০ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৮ শতাংশ।<br>নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩৬ জন পুরুষ এবং ১১ জন নারী। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৮৬০ জন এবং নারী ৪৯২ জন।<br><br>২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২ জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।মৃত্যুবরণকারী ৪৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪ জন, খুলনা বিভাগে ৬ জন, বরিশাল বিভাগে ২ জন, রংপুর বিভাগে ২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন এবং বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ৪ জন।<br><br>করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি পালনের আহ্বান জানানো হয় বুলেটিনে। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট (www.corona.gov.bd) চালু রেখেছে সরকার। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে বেড়েই চলেছে মৃত্যু।<br>এদিকে, করোনার পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা পর্যন্ত বৈশ্বিক এ মহামারিতে সারা বিশ্বে ১ কোটি ২৮ লাখ ৪৯ হাজার ৪৩৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭৪ লাখ ৮৪ হাজার ২৮০ জন সেরে উঠলেও প্রাণ গেছে ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৩ জনের। বাকী ৪৭ লাখ ৯৭ হাজার ৩৭২ জন মৃদু বা মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন।<br><br>কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সংখ্যায় সবার ওপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৬ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করেছে দেশটি। এ শনাক্তের জন্য তারা ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টেস্ট করে। শনাক্তের দিক থেকে দ্বিতীয়তে আছে ব্রাজিল। দেশটির ১৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৮ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। তিন নম্বরে রয়েছে ভারত যাদের শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২২ হাজার ৬৭৪।<br><span style="font-weight: bold;"><br>সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে যেসব দেশে</span>: যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪০৩ জন, ব্রাজিলে ৭১ হাজার ৪৯২ জন, যুক্তরাজ্যে ৪৪ হাজার ৬৫০ জন, ইতালিতে ৩৪ হাজার ৯৩৮ জন, মেক্সিকোয় ৩৪ হাজার ৭৩০ জন, ফ্রান্সে ৩০ হাজার ৪ জন, স্পেনে ২৮ হাজার ৪০৩ জন, ভারতে ২২ হাজার ৬৯৬ জন, ইরানে ১২ হাজার ৬৩৫ জন ও পেরুতে: ১১ হাজার ৬৮২ জন। <br>গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। </body></HTML> 2020-07-12 17:00:59 1970-01-01 00:00:00 চমেকে ছাত্রলীগের নাসির ও নওফেল গ্রুপের সংঘর্ষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95742 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551574_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551574_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে (চমেক) ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রুপ এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল নিয়ন্ত্রিত গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এক পক্ষ মেডিকেল গোল চত্বরে, আরেক পক্ষ মেডিকেল কলেজের বাইরে অবস্থান করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br><br>তিনি জানান, জহিরুল হক ভূঁইয়া জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংর্ঘষ হয়েছে। এখন মেডিকেল কলেজের চারপাশে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে। জানা গেছে, সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান নওফেল। তিনি মেডিকেল থেকে বের হওয়ার পর সিটি মেয়র আ জ ম নাছির ও নওফেল গ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।<br><br> </body></HTML> 2020-07-12 16:59:09 1970-01-01 00:00:00 আইসোলেশন থেকে পালাতক বাংলাদেশিদের খুঁজছে মালদ্বীপ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95741 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551436_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551436_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>মালদ্বীপে আইসোলেশনে থাকা আট বাংলাদেশি করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।<br>শনিবার (১১ জুলাই) মালদ্বীপের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘আভাস’এই খবর দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসোলেশনের নীতিমালা না মেনে যেসব প্রবাসী নিজের অবস্থান গোপন করছেন তাদের বিষয়ে তথ্য পেতে একটি অনলাইন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।মালদ্বীপ অভিবাসন দপ্তর বিবৃতিতে বলেছে, প্রবাসীরা যাদের স্পন্সরে অথবা যে কোম্পানির অধীনে মালদ্বীপে আছেন তারা তথ্য দিয়ে সরকারকে সহায়তা করতে পারেন। এ জন্য একটি ইমেইল নম্বর দেয়া হয়েছে।<br><br>মালদ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছেন। দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে ওই শ্রমিকদের ফেরত আনা হয়। মালদ্বীপে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬১৭ জন নতুন এই রোগটিতে পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। ২ হাজার ২৩৮ জন সুস্থ হলেও মারা গেছেন ১৩ জন। এর মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক। </body></HTML> 2020-07-12 16:56:47 1970-01-01 00:00:00 দুবাইয়ে সহস্রাধিক তরুণীকে যৌনপেশায় বাধ্য করে আজম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95740 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551347_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551347_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দুবাই ড্যান্স ক্লাবে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী চক্রের হোতা মোহাম্মদ আজম খান এবং তার দুই সহযোগী আনোয়ার হোসেন ময়না ও আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ডকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার একটি টিম অভিযান চালিয়ে রাজধানী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। সিআইডির অরগানাইজড ক্রাইম শাখার ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন এ বিষয়ে জানান।<br><br>তিনি বলেন, আজম খান গত আট বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে অল্প বয়সী তরুণীদের দুবাইয়ের হোটেলে মোটা অংকের বেতনে লোভ দেখিয়ে নিয়ে যেতো। দুবাইয়ে আজম খানের চারটি হোটেল রয়েছে। ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আজম খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, সে ওই সব হোটেলে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে সহস্রাধিক তরুণীকে নিয়ে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেছে। ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, বাংলাদেশে এই চক্রের অন্তত ৫০ জন রয়েছে যারা বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণীদের সংগ্রহ করতো। সম্প্রতি দুবাই সরকার আজম খানকে দেহব্যবসা করানোর অপরাধে আটক করে। সেখানে এক মাস জেল খেটে বের হওয়ার পর দুবাইয়ের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আজম খানের পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করে তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়।<br><br>তিনি বলেন, দেশে এসে আজম খান নতুন পাসপোর্ট করে অন্য কোনো দেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানান ইমতিয়াজ আহমেদ।<br>তিনি আরও বলেন, অল্প বয়সী তরুণীদের হোটেলে ৫০ হাজার টাকা বেতনে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনা খরচে তাদের দুবাই নিয়ে যেতো আজম খান। দুবাই যাওয়ার পর প্রথমে তাদের ডান্স বারে নাচতে বাধ্য করতো। পরবর্তীতে জোর করে দেহব্যবসা করাতো।<br>সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আজম খানের মোবাইলে এমন অনেক ভুক্তভোগী তরুণীর কান্নাকাটি ও আহাজারির অডিও রেকর্ড পাওয়া গেছে যা খুবই মর্মস্পর্শী। আজম খানের দুই ভাই এখনো দুবাইয়ে রয়েছে। তারা তার এই অবৈধ ব্যবসার সহযোগী। বিষয়টি সিআইডি তদন্ত করছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।<br><br>ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, রাজধানীর লালবাগ থানায় গত ২ জুলাই সিআইডি বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। দেশের বিভিন্ন থানায় আজম খানের বিরুদ্ধে ছয়টি হত্যা মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। </body></HTML> 2020-07-12 16:55:14 1970-01-01 00:00:00 ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95739 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551254_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594551254_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">অনুমোদন ছাড়াই টাকার বিনিময়ে করোনার নমুনা সংগ্রহের পর টেস্ট না করেই ভুয়া রেজাল্ট দিয়ে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার ঘটনায় জেকেজি’র চেয়ারম্যান ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে রেজিস্ট্রার চিকিৎসক ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে পুলিশের তেজগাঁও ডিসি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। করোনার রিপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এরইমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন ডা. সাবরিনার চতুর্থ স্বামী জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন। তাদের এক ল্যাপটপেই পাওয়া গেছে ১৫ হাজারেরও বেশি করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট।<br><br>ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, করোনা টেস্ট নিয়ে জেকেজি হাসপাতালের জালিয়াতির ঘটনায় তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর তদন্তের স্বার্থে ডা. সাবরিনাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে তাকে তেজগাঁও ডিসির কার্যালয়ে ডেকে নেয়া হয়।জিজ্ঞাসাবাদে ডা. সাবরিনা জেকেজির সঙ্গে অনেক আগেই সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে পুলিশের কাছে দাবি করেন। তিনি জানান গত ৪ জুন জেকেজি সিইও এবং স্বামী আরিফুলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে সাবরিনা তেজগাঁও বিভাগের একটি থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন। এর অন্তত দুই মাস আগে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সাবরিনা জানান।<br><br>করোনা মহামারিতে ভাইরাস শনাক্ত নিয়ে এই স্পর্শকাতর প্রতারণায় শুরু থেকেই জড়িত প্রতিষ্ঠানটিতে সম্পৃক্ত ছিলেন ডা. সাবরিনা। তার আবেদনেই জেকেজি হেলথকেয়ার করোনার নমুনা সংগ্রহের বুথ স্থাপনের কাজ পায়। তিনি নিজে জেকেজির কর্মীদের তিতুমীর কলেজে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। অথচ তারই প্রতিষ্ঠান করোনা টেস্টের নামে দিনের পর দিন মানুষকে ঠকিয়ে আসছিল তার প্রতিষ্ঠান।<br><br>বর্তমানে ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেজিস্ট্রার চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন । সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেও তিনি ছিলেন জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান। এই পরিচয়ে তিনি স্বাস্থ্য অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন এবং কথা বলতেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। এটি সরকারি চাকরি বিধিমালার সুষ্পষ্ট লংঘন। কিভাবে, কার মাধ্যমে তিনি এ কাজ হাতিয়েছেন, সে ব্যাপারে চলছে অনুসন্ধান। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সাবরিনাকে গ্রেফতার করা হবে। প্রতারণার দায়ে স্বামী আরিফ চৌধুরী গ্রেফতার হওয়ার পর জেকেজির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার দাবি করেছেন, তিনি এক মাস আগেই পদ ছেড়ে দিয়েছেন। আবার বলছেন যে তিনি কখনওই চেয়ারম্যান ছিলেন না, সবাই নাকি মুখে মুখে ডাকতো।<br><br>জেকেজির এই প্রতারক চক্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সব প্রভাব প্রতিপত্তির উৎস ছিলেন ডা, সাবরিনা চৌধুরী বলে অভিযোগ আছে।<br>জেকেজির সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে অনুনোমদিতভাবে টাকার বিনিময়ে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত। এ বিষয়ে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২২ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের সাবেক গ্রাফিক ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফকেও গ্রেফতার করা হয়।<br><br>ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনার পর ২৪ জুন জেকেজি হেলথ কেয়ারের নমুনা সংগ্রহের যে অনুমোদন ছিল তা বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।<br>করোনাকালের এই প্রতারণার ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে তেজগাঁও থানায়। এসব মামলার কোনোটিতে এখন পর্যন্ত ডা. সাবরিনার নাম যুক্ত করা হয়নি। কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এবং কাদের কারসাজিতে তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। ডা. সাবরিনার অপকর্মে নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ ও সোশাল মিডিয়া তুমুল আলোচনার মুখে জিজ্ঞাসবাদের জন্য তাকে ডেকে পাঠায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে জেকেজির প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে ডা. সাবরিনার সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। </body></HTML> 2020-07-12 16:53:36 1970-01-01 00:00:00 বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা কারবারি নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95738 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594527157_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594527157_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সৈয়দ আলম নামে এক ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। অভিযানের সময় ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, শনিবার and nbsp; রাতে দমদমিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ টেকনাফ স্থল বন্দর সংলগ্ন ১৪ নম্বর ব্রিজের নিকটবর্তী কেয়ারী খাল এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পাচার হতে পারে- এ সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) টহলদল ওই এলাকায় গিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে। রাত ১২টার দিকে and nbsp; টহলদল দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তিকে উক্ত খালের পাড়ে ঘুরাঘুরি করতে দেখে। কিছুক্ষণ পর টহলদলটি এক জনকে সাতঁরিয়ে (মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে) নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। তিনি খালের মুখে আসার সাথে সাথে অপেক্ষমান দুজন তার দিকে এগিয়ে যায়। ওই সময়ে টহলদল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবির উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই তারা খালের আঁড় ব্যবহার করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণিকভাবে টহলদল তাদের ধাওয়া করলে সশস্ত্র ইয়াবা কারবারীরা বিজিবি সদস্যদের উপর অতর্কিতভাবে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। ফলে দুই জন বিজিবি সদস্য আহত হন।<br><br>বিজিবি জানিয়েছে, এ সময় বিজিবির টহলদলটি সরকারী সম্পদ এবং নিজেদের জান ও মাল রক্ষার্থে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় তিন-চার মিনিট গুলি বিনিময় হয়। এ সময় স্থানীয় কিছু কৌতুহলী জনসাধারণ ওই এলাকায় জমায়েত হতে শুরু করলে তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিজিবি’র টহলদলটি গুলি করা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। এই সময়ে কতিপয় ইয়াবা কারবারীরা গুলি করতে করতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে খালের আঁড় ব্যবহার করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি।<br><br>বিজিবি জানিয়েছে, গোলাগুলির শব্দ থামার পর টহলদলের সদস্যরা ওই এলাকা হতে একজন ইয়াবা কারবারীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। গুরুতর আহত ব্যক্তিকে দ্রুত টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রদান করার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আহত ব্যক্তিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে অবস্থানরত কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এলাকাটি তল্লাশী করে এক কোটি ২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নিকট থেকে একটি দেশীয় তৈরী অস্ত্র এবং এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।<br><br>আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিজিবি জানতে পেরেছে, তিনি মূলত মিয়ানমারের নাগরিক। বিগত ১০ বৎসর পূর্বে সৌদি আরব হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করে টেকনাফ পৌরসভার এক নং ওয়ার্ড-এর নেট্যংপাড়াতে ব্যক্তি বসবাস করতে শুরু করেন।<br>এ ঘটনায় আহত বিজিবি সদস্যদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।<br><br> </body></HTML> 2020-07-12 10:11:39 1970-01-01 00:00:00 পাপুলকাণ্ডে কুয়েতের সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95737 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526996_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526996_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে কুয়েতে আটক বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সহযোগী দেশটির বহুল আলোচিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল শেখ মাজান আল-জারাহকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। কুয়েতের আরবি দৈনিক আল-কাবাস জানিয়েছে, শুক্রবার দেশটির পাবলিক প্রসিকিউশন শেখ মাজানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার আদেশ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে পাপুলের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুবিধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।<br><br>পাপুল ২৩ হাজারের বেশি কর্মীর এন্ট্রি ভিসার অনুমোদনের জন্য যাদের ঘুষ দেওয়ার কথা রিমান্ডে বলেছিলেন, তাদের মধ্যে মাজেন আল-জারাহ একজন। ওই অভিযোগ আসার পর জুনের শেষ দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিসট্যান্ট আন্ডার সেক্রেটারির পদে থাকা মেজর জেনারেল মাজেন আল-জারাহকে বরখাস্তের আদেশ দেন কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী আনাস আল-সালেহ। এরপর ওই জেনারেলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তে পাপুলের কাছ থেকে অবৈধভাবে অর্থ নেয়ার অভিযোগের সত্যতা মেলায় গত বৃহস্পতিবার এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো।<br><br>লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পাপুলকে গত ৬ জুন রাতে কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির অন্যতম মালিক পাপুলের সেখানে বসবাসের অনুমতি রয়েছে। পাচারের শিকার ৫ বাংলাদেশির অভিযোগের ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ এনেছে কুয়েতি প্রসিকিউশন। ১৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে কুয়েতের কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-07-12 10:09:31 1970-01-01 00:00:00 মিরপুরে বিকেল হলেই বসে চোরাই মোবাইলের বাজার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95736 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526836_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526836_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই ফুটপাতে কীসের ভিড়। কাছে গেলেই চোখে পড়ে, পসরা সাজিয়ে বসা সারি সারি মোবাইল দোকান। আরেকটু বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যেই সেই নয়, এগুলো সব চোরাই মোবাইল। আর তাই নিয়ে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বরের লালমাইটা এলাকার সড়ক-ফুটপাত দখল করে বসেছে দোকানিরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইলগুলোর একটা অংশ বিক্রি হয় এখানে। আর এসব দোকানে বেশি দামের মোবাইল অল্প দামে কিনতে এসে উটকো ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অনেক মানুষ। হতে হচ্ছে প্রতারণার শিকার। <br><br>জানা যায়, আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি) নম্বর বদলে দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল অর্ধেক দামে বিক্রি হয় এসব বাজারে। আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনে তাদের রয়েছে নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ার ও সফটওয়্যার। আইএমইআই বদলে ফেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও মোবাইল চোরকে শনাক্ত করতে পারছে না।<br><br>শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পল্লবী থানার আওতাধীন পলাশ নগর এলাকার গেটের সামনে বসছে চোরাই মোবাইলের মার্কেট। এখানে মোবাইল ছাড়াও বিক্রি হয় ল্যাপটপ, চার্জার লাইট, মোবাইল চার্জার, হেডফোনসহ বিভিন্ন জিনিস। লালমাইটা টেম্পুস্ট্যান্ডের চারপাশে মূল সড়কের ৭০ ভাগ ও ফুটপাত দখল করে বসেছে এ মার্কেট। এসব দোকান ছাড়াও এখানে প্রতিদিন শার্ট, গেঞ্জি, জুতা, স্যান্ডেল, চুড়ি, নারীদের প্রসাধনী, কাঁচা বাজার থেকে শুরু করে হরেক রকমের আরও ২শ’ দোকান বসে। <br><br>সড়ক দখল করে বসা এই বাজারের কারণে এলাকাবাসীর ভোগান্তির কথা তুলে ধরে লালমাইটা এলাকার মো. শামীম বলেন, এ বাজারের কারণে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। পথচারীদের হাঁটা-চলায় বিঘ্ন ঘটে। প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা হয়। দেশে করোনা সংক্রমণের মধ্যেও স্থানীয় নেতা ও প্রভাবশালী মহলের লোকজনেরা এ বাজার বসিয়েছে। প্রশাসন চাইলে যে কোনো সময় এই বাজার উচ্ছেদ করতে পারে, কিন্তু করছে না। চোরাই মোবাইল বিক্রি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মো. নাছির নামের এক দোকানদার বলেন, আমি এখানে বেশিদিন ধইরা দোকানদারি করি না। এখানে অনেক পুরাতন দোকানদার আছে। করোনা ভাইরাসের আগে এখানে অনেক দোকান বসতো, এখন কম বসে। এখন তেমন বেচা-কেনা নাই। কেনার থাইকা দেখতেই আসে বেশি মানুষ। এখানের সব মোবাইল চোরাই না। কিছু আছে পুরাতন, ভালো ব্রান্ডের মোবাইল। ভালো-খারাপ মিলায়া বিক্রি হয়। <br><br>এক পর্যায়ে এই দোকানি প্রতিবেদককেই উল্টো প্রশ্ন করেন, ‘আপনে এত কিছু জানতে চাইতাছেন ক্যান? এত জানিনা কী করবেন?’ আরেক দোকানি মো. গুল্লু (ছদ্মনাম) বলেন, এই মার্কেট প্রতিদিন বিকাল ৪টা থাইকা রাত ১০টা পর্যন্ত বসে। এখানে অনেক আগের থাইকাই চোরাই মোবাইল বেচা-কেনা হয়। প্রায়ই পুলিশ রেট মারে (অভিযান চালায়)। দোকানদার আর মোবাইল ধইরা থানায় নিয়া যায়। অভিযানের পরে কয়েক দিন দোকান বসে না। পরে আবার আগের দোকান নিয়া বসতে শুরু করে সবাই। এইভাবেই চলতাছে আমাদের ব্যবসা।<br><br>এদিকে সড়ক দখল করে বসা অবৈধ এ বাজার সম্পর্কে জানতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রউফ নান্নুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার দুটি মোবাইল নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পল্লবী থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবদুল মাবুদ বলেন, চোরাই মোবাইলের বিষয়ে আমাদের অভিযান চলমান আছে। ইতোমধ্যে পল্লবী থানায় এ সংক্রান্ত চার থেকে পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখনো যে এই চোরাই মোবাইল মার্কেট বসছে আমি জানতাম না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। দ্রুত অভিযান পরিচালনা করবো। প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনবো। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মোবাইল কোর্টও চলমান। আগামীকাল থেকে এই চোরাই মার্কেট আর থাকবে না। </body></HTML> 2020-07-12 10:05:59 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় নতুন শঙ্কায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95735 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526381_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526381_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মালয়েশিয়ায় ডিটেনশন সেন্টারে প্রবাসীদের ওপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন৷ ডয়চে ভেলেকে সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন সেখান থেকে ফিরে আসা একজন৷ এখন নতুন করে আবার বিপদে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা৷ সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচার মাধ্যম আল জাজিরায়৷ যা নিয়ে এখন মালয়েশিয়ায় তোলপাড় চলছে৷ তথ্যচিত্রটিতে সেখানকার প্রবাসীদের ওপর নির্যাতনের চিত্র উঠে এসেছে৷ দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রায়হান কবির সেখানে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন৷ এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে মরিয়া দেশটির পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগ৷ তাকে না পেয়ে তার সঙ্গীদের আটকে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে৷<br><br>মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা অন্তত দুজন বাংলাদেশি শনিবার টেলিফোনে ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, চরম আতঙ্কে তাদের দিন কাটছে৷ রায়হান কবিরের তিনজন বন্ধুকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে৷ এর মধ্যে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিলেও দুজনকে এখনো ছাড়েনি৷ রায়হান কবিরের সন্ধান দিতে তাদের ওপর চাপ দেয়া হচ্ছে৷ শুধু রায়হান কবিরের বন্ধুদেরই নয়, তার পরিচিত বাংলাদেশিদেরও ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে৷ হয়রানির ভয়ে টেলিফোনে কথা বলা ওই দুই জন নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন৷<br><span style="font-weight: bold;"><br>নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন সোহেল</span><br><br>চার বছর মালয়েশিয়ায় থাকার পর কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন নূর মোহাম্মদ আকন্দ সোহেল৷ দেশে ফেরার আগে তিনি সেখানে চার মাস বন্দি ছিলেন৷ ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপকালে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার বাসিন্দা সোহেল দেশটির ‘ডিটেনশন ক্যাম্পের’ বর্ণনা দেন৷ বলেন, ‘আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবেদন করি৷ এরমধ্যেই অভিযানে আমাকে ধরে নিয়ে যায়৷ ক্যাম্পে কোনো দিন দুই বেলা, কোনো দিন এক বেলাও খাবার দিয়েছে৷ আমাদের অভিভাবক হাইকমিশনের কেউ কোনোদিন খোঁজ নেয়নি৷ আমার মতো বহু বাংলাদেশি সেখানে ডিটেনশনে আছেন৷ আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না, এই আমলেও পৃথিবীতে এমন কোন আইন আছে যে, এক-দেড়শ' মানুষকে উলঙ্গ করে একসঙ্গে দাঁড় করিয়ে কানধরে উঠবস করায়৷ মালয়েশিয়াতে সেটা করায়৷ সবচেয়ে বড় নির্যাতনের নাম রতান (বেত মারা)৷ আমাদের দেশে গ্রামে গরুকে যেভাবে চার পা ও মুখ বেঁধে ইনজেকশন দেওয়া হয় মালয়েশিয়ায় একইভাবে হাত পা বেধে রতান মারা হয়৷ তিন চার ফুট লম্বা, চিকন বেত দিয়ে পেছনে যখন আঘাত করে তখন চামড়া ছিড়ে ভেতরে ঢুকে যায়৷ পরে মাংসসহ উঠে আসে৷’ সোহেলের দাবি, এমন নির্যাতন বাংলাদেশিদের ওপরই বেশি হয়৷ অন্য দেশের শ্রমিকদের উপর এত নির্যাতন করে না দেশটির কর্তৃপক্ষ৷<br><br><span style="font-weight: bold;">আল জাজিরার তথ্যচিত্রে যা আছে</span><br><br>সোহেল নির্যাতনের যে বর্ণনা দিয়েছেন তার সঙ্গে আল জাজিরার তথ্যচিত্রেরও মিল পাওয়া যায়৷ প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর মালয়েশিয়ার নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র উঠে এসেছে সেখানে৷ দেখানো হয়েছে, কর্মহীন ও খাবার সংকটে থাকা অভিবাসী শ্রমিকদেরকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে৷ অভিবাসী নারীদের ছোট ছোট শিশুদের থেকে আলাদা করে মারধর করা হচ্ছে৷<br><br>তথ্যচিত্রটিতে রায়হান কবির তার পরিচিতদের ওপর চালানো হয়রানি ও নিপীড়নের তথ্য তুলে ধরেছেন৷ এ কারণে এখন তাকে খুঁজছে পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগ৷ তার ভিসাও বাতিল করা হয়েছে৷ এমনকি তার সম্পর্কে তথ্য দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে৷ সেখানে তিনি এখন অনেকটাই ‘ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল'৷ তার সুরক্ষার জন্য আল জাজিরা বিবৃতি দিলেও মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ আছে৷ বরং ওই রিপোর্ট প্রকাশের পর বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে মালয়েশিয়া সরকারের প্রশংসা করে বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে৷<br><br><span style="font-weight: bold;">হাইকমিশনার যা বললেন</span><br><br>দেশটিতে অবস্থান করা বাংলাদেশিদের উদ্বেগের বিষয়ে ঢাকা থেকে টেলিফোনে জানতে চাইলে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘উদ্বেগের কোনো কারণ নেই৷ যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাদের ভিসা রিনিউ করা হবে৷ এমনকি যারা ডিটেনশন ক্যাম্পে আছেন তাদেরও নতুন কোম্পানিতে চাকরি দেওয়া হবে৷ আবার যারা করোনার কারণে বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন তারাও যেতে পারবেন৷ মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে৷’ রায়হান কবিরের সুরক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক রীতি-নীতির আওতায় যা করা দরকার দূতাবাস তা করবে৷’<br><br>মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে কিছু তথ্য পাঠিয়েছেন৷ সেখানে বলা হয়েছে, ইতিমধ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের কোম্পানি পরিবর্তন করার কাজ শুরু হয়েছে৷ এই সুযোগ আগে ছিল না৷ করোনার মধ্যেও কোনো কর্মীকে মালয়েশিয়া ফেরত পাঠায়নি৷ বরং যারা ইমিগ্রেশন ‘ডিটেনশন ক্যাম্পে' আটক আছে তাদের বিভিন্ন কোম্পানিতে নিয়োগ করা হবে৷ এই প্রক্রিয়া শিগগির শুরু হবে৷ অবৈধদের বৈধতা দিয়ে কাজে নিয়োগের বিষয়টিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে৷ যারা ছুটিতে দেশে গিয়ে ফিরে আসতে পারছে না তাদের আসারও সুযোগ দেবে মালয়েশিয়ান সরকার৷<br><span style="font-weight: bold;"><br>রায়হান কবিরকে নিয়ে উদ্বেগ</span><br><br>আল জাজিরার তথ্যচিত্র প্রকাশের পর মালয়েশিয়া প্রবাসীরা কী ধরনের সংকটে পড়ছেন তা জানতে চাইলে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আল জাজিরার রিপোর্টটিতে অভিবাসী শ্রমিকদের আসল চিত্র উঠে এসেছে৷ আমাদের শ্রমিকরা সেখানে কী অবস্থায় আছে, তার কিছু চিত্র এই রিপোর্ট দেখলে বোঝা যায়৷ সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সাক্ষাৎকার দেওয়ার কারণে রায়হান কবিরকে যেভাবে খোঁজা হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে তিনি একজন ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল৷ তার সুরক্ষার জন্য আল জাজিরা বিবৃতি দিলেও আমাদের দূতাবাস একেবারেই নীরব৷ অথচ দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া তাদের কর্তৃব্য৷ রায়হান কবিরতো সাক্ষাৎকার দিয়ে কোন অন্যায় করেননি৷ তাহলে আমাদের হাইকমিশন মালয়েশিয়ার সরকারের পক্ষে বিবৃতি দিল, কিন্তু রায়হান কবিরের কথা একটি বারের জন্যেও উল্লেখ করেনি৷ আমরা আসলে রায়হানকে নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন৷’<br><br>নূর মোহাম্মদ আকন্দ সোহেল জানিয়েছে, গত শুক্রবার মালয়েশিয়ায় এক বন্ধুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় তারা৷ বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে তিনি একজন কর্মকর্তার কাছে রায়হান কবিরের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন৷ জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, রায়হান যেটা বলেছে, সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়৷ তার এসব বক্তব্যের দায়দায়িত্ব হাইকমিশন নেবে না৷ বাংলাদেশিরা দেশটিতে এখন নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও সোহেলকে জানিয়েছেন তার বন্ধু৷<br><span style="font-weight: bold;"><br>কিছুই জানে না বিএমইটি</span><br><br>মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের কী খোঁজ খবর রাখছে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষন ব্যুরো (বিএমইটি)? জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক শামসুল আলম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘আসলে আমাদের পক্ষে তেমন একটা খোঁজ খবর রাখা সম্ভব না৷ কারণ সেখানকার হাইকমিশন কোন তথ্য থাকলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়৷ সেখান থেকে প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়৷ মন্ত্রণালয় চাইলে তখন আমাদের জানায়৷ প্রক্রিয়াটা অনেক লম্বা৷ তাই আমরা খুব একটা খোঁজ খবর রাখতে পারি না৷’ আর আল জাজিরার রিপোর্ট বা রায়হান কবিরের ব্যাপারে বিএমইটি কিছুই জানে না বলে স্বীকার করেন তিনি৷-ডয়চে ভেলে </body></HTML> 2020-07-12 09:58:42 1970-01-01 00:00:00 জেকেজির প্রতারণা হেলথের ডিজিকে জানিয়েছিলেন সাবরিনা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95734 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526207_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526207_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নমুনা পরীক্ষা না করেও জেকেজি হেলথ কেয়ারের করোনার ভুয়া রিপোর্টের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন কথিত ‘স্বেচ্ছাসেবী’ সংগঠনটির চেয়ারম্যান সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। ভয়াবহ এই অপকর্মে তার স্বামী জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী কারাগারে যাওয়ার ২০ দিন পর সাবরিনা একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের কাছে এমন দাবি করেছেন।<br><br>নমুনা ফেলে দিয়ে হাজারো মনগড়া করোনা রিপোর্ট দেওয়ার প্রতারণা ফাঁসের পর সাবরিনা নিজেকে জেকেজির চেয়ারম্যান নন বলেও দাবি করছেন এখন। তবে পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র মতে, গ্রেপ্তার হওয়ার পর স্বামী আরিফুল জেকেজিতে সাবরিনার সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। শিগগিরই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নিয়ে আসা হবে। মহামারী করোনাভাইরাসের সন্দেহভাজন রোগীদের পরীক্ষার মনগড়া রিপোর্ট দেওয়া নিয়ে এখন আলোচনায় ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। জঘন্য এই অপকর্মের অভিযোগে তার প্রতিষ্ঠানের সিইও ও স্বামী আরিফ চৌধুরীসহ ৬ জন কারাগারে।<br><br>কিন্তু স্বামী আরিফ গ্রেপ্তারের পর থেকে প্রায় ২০ দিন ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে রয়েছেন ডা. সাবরিনা। সবশেষ শনিবার সময় টিভির প্রতিবেদককে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এমনকি জেকেজির চেয়ারম্যান নন বলেও দাবি করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন সাবরিনা। ডা. সাবরিনা বলেন, জেকেজির চেয়ারম্যান হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। বরং এটা ওভাল কোম্পানির একটি অঙ্গসংগঠন। ওভাল গ্রুপ ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এটির মালিক হচ্ছেন আরিফুর রহমান।<br><br>দেশে করোনা মহামারীর প্রকোপ শুরুর পর প্রায় ৩ মাস ধরে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার নামে প্রতারণা জেকেজি করে আসছিল সে কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নিতে দেখা গেছে সাবরিনাকে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নিজেকে চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। তবে এখন কেন পদ-পদবীর কথা অস্বীকার করছেন প্রশ্নে ডা. সাবরিনা সময় টিভিকে বলেন, ‘আমি ওনাকে (আরিফ) কাজ পাইয়ে দিয়েছি, দিতাম এটা পুরোপুরি মিথ্যে কথা। এখন অভিযোগ প্রমাণ হোক।’ তবে পুলিশ বলছে, জেকেজির প্রতারণা থেকে সাবরিনার কোনোভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। কারণ তার স্বামী আরিফ চৌধুরী জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাবরিনার সক্রিয় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।<br><br>এদিকে সাবরিনা বলছেন, জেকেজির করোনা রিপোর্ট প্রতারণার বিষয়ে তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকেও জানিয়েছিলেন। সাবরিনা বলেন, ‘আমি ডিজি ও এডিজিকে এ বিষয়ে জানিয়েছিলাম।’ তবে তার এমন দাবির বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বক্তব্য নিতে পারেনি। একাধিকবার তার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।<br>এদিকে রিজেন্ট হাসপাতাল ও জোবেদা খাতুন হেলথ কেয়ারের (জেকেজি) প্রতারণার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সমন্বয়) ডা. মো. জাহাঙ্গীর কবির স্বাক্ষরিত শনিবার সন্ধ্যায় পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর দাবি করেছে, হাসপাতাল দুটি তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং এটা তারা ধারণাও করতে পারেননি। </body></HTML> 2020-07-12 09:55:35 1970-01-01 00:00:00 অমিতাভের পর করোনায় আক্রান্ত অভিষেক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95733 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526045_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594526045_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥</span><br>কিংবদন্তী অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের পর এবার কোভিড-১৯ পজিটিভ হলেন তার পুত্র অভিষেক বচ্চন। বাবার সঙ্গে তিনিও মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। টুইটে অভিষেক জানান, করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ায় পরীক্ষা করিয়েছিলেন পিতা-পুত্র। প্রথমে অমিতাভ বচ্চনের ফল পজিটিভ আসায় শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যার পর দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। এর কিছুক্ষণ পরই নিজেও করোনা আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট পান।<br><br>এ অবস্থায় টুইটে অভিষেক বচ্চন ভয় না পেয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জানিয়েছেন যে, তার পরিবারের অন্য সদস্যদেরও করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শিগগির তাদের বিষয়ে রিপোর্ট জানা যাবে। এদিন সন্ধ্যার পর প্রথমে অমিতাভ বচ্চন তার অফিশিয়াল টুইটে নিজের করোনা পজিটিভ হওয়ার সংবাদটি জানান। তিনি সবার কাছে অনুরোধ করে বলেন, গত ১০ দিনে যারা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন সবাইকে করোনা টেস্ট করানোর অনুরোধ করছি। করোনার মধ্যেই সম্প্রতি অনলাইন প্লাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ছবি ‘গুলাবো সিতাবো’। যে ছবিতে তার অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে গেছে। এদিকে অভিষেক অভিনীত ‘ব্রেথ’ নামের একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে ১০ জুলাই। </body></HTML> 2020-07-12 09:52:59 1970-01-01 00:00:00 দ. আফ্রিকায় চার্চে হামলায় নিহত ৫, জিম্মিদের উদ্ধার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95732 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525892_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525892_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম বড় শহর জোহানেসবার্গের পশ্চিমাঞ্চলে একটি চার্চে বিপুল সংখ্যক অস্ত্র, গোলাবারুদ নিয়ে হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত পাঁচজন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত হামলাকারীদের আটক করায় আরও ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, শনিবার সকালের দিকে জুরবেকম এলাকার ইন্টারন্যাশনাল পেন্টেকোস্ট হোলিনেস চার্চে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় প্রায় অর্ধশত হামলাকারী। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ এবং তথাকথিত সবচেয়ে ধনী চার্চ বলে জানা গেছে।<br><br>পুলিশের মুখপাত্র বিষ্ণু নাইদু স্থানীয় টেলিভশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, অন্তত ৪০ হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ৪০টি রাইফেল, শটগান, হ্যান্ডগান ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হামলাকারীদের হাতে জিম্মি হওয়া নারী, পুরুষ, শিশুদের উদ্ধার করা হয়েছে। তারা ওই চার্চটিতেই বসবাস করতেন বলে জানা গেছে। তবে মোট কতজনকে উদ্ধার করা হয়েছে তা নিশ্চিত করেননি এ কর্মকর্তা।<br><br>পুলিশ বলছে, চার্চের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে এই হামলা চালানো হতে পারে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। স্থানীয় পুলিশের এক টুইটে শেয়ার করা ছবিতে ডজনখানেক মানুষকে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। অন্য ছবিতে উদ্ধার করা বেশ কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ রাস্তায় সাজিয়ে রাখতে দেখা যায়।<br><br>সূত্র: আল জাজিরা </body></HTML> 2020-07-12 09:50:42 1970-01-01 00:00:00 সাহেদের পাসপোর্ট-ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক জব্দ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95731 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525789_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525789_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা ও আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার নামে প্রতারণা করা রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করেছে তদন্তকারী দল। হদিস মিলেছে তার বিরুদ্ধে আরও ২৩ মামলার। সর্বমোট ৫৬টি মামলার আসামি প্রতারক সাহেদ। রিজেন্ট হাসপাতালে র‍্যাবের অভিযানের পর গ্রেফতারদের মধ্যে রিমান্ডে থাকা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (১১ জুলাই) হাসপাতালটিতে ও রিজেন্ট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করে তদন্তকারী দল। অভিযানকালে গুরুত্বপূর্ণ আলামতসহ পাসপোর্ট জব্দ করে তারা।<br><br>তদন্তকারী দলের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সাহেদ দেশত্যাগ করতে পারে, এমন শঙ্কা ছিল। রিমান্ডে থাকা আসামিদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আজ আবারও অভিযান পরিচালনা করা হয় রিজেন্ট হাসপাতালে। সেখান থেকে সাহেদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। এখন অন্তত সাহেদ কোনো এয়ারপোর্ট বা বন্দর হয়ে দেশত্যাগ করতে পারবেন না।’ তিনি বলেন, ‘অভিযানকালে আমরা রিজেন্ট কার্যালয়ের রান্নাঘর থেকে কম্পিউটারের তিনটি হার্ডডিস্ক জব্দ করেছি। এর মধ্যে সাহেদের ল্যাপটপের হার্ডডিস্কও রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধরা পড়ার শঙ্কায় এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি গায়েব করার উদ্দেশে হার্ডডিস্কগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। আমরা হার্ডডিস্ক বিশ্লেষণ করব, ফাইল ডিলিট করা হলে সেগুলো উদ্ধার করে খতিয়ে দেখা হবে।’<br><br>তদন্তকারী এ দলের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক অভিযান পরিচালনাকারী র‍্যাব সদর দফতরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। তিনি সিলগালা করা কার্যালয় খুলে দেন। আজকের অভিযান শেষে তিনি বলেন, ‘আগে আমরা জানতাম, সাহেদের নামে ৩২ মামলা রয়েছে। অভিযানের পর তার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে এরপর নানা দিক থেকে তথ্য ও অভিযোগ আসতে থাকে। ভুক্তভোগীরা র‍্যাব ও থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। সর্বশেষ আমরা আরও ২৩টি মামলার হদিস পেয়েছি। সবমিলিয়ে, সাহেদের বিরুদ্ধে ৫৬টি মামলা রয়েছে। এর অধিকাংশ মামলাই প্রতারণা ও ব্যবসায়িক জালিয়াতি সংক্রান্ত।’<br><br>নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ ও করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও গ্রেফতার হয়নি চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মো. শাহেদ। র‍্যাবের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের পর সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পুলিশের পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগকে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়। সাহেদ যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সেজন্য সম্ভাব্য সকল বিমানবন্দর, স্থল ও নৌবন্দরে সতর্কাবস্থায় রয়েছে পুলিশ ও র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায়ও সতর্ক রয়েছে বিজিবি।<br><br>র‍্যাব সদর দফতরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের নবনিযুক্ত পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা সাহেদকে গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। র‍্যাব তার (সাহেদ) স্ত্রী রিমিসহ ঘনিষ্ঠ সকলের ওপর নজর রাখছে।’ তদন্ত সংশ্লিষ্ট আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘করোনা মহামারির মধ্যে প্রতারক সাহেদ চক্রের অনুমোদিত মেডিকেল স্বাস্থ্য সামগ্রী ইক্যুইপমেন্ট জব্দ করা হয়েছে, জব্দ করা হয়েছে টেস্টিং কিট। ধারণা করা হচ্ছে- তিনি এসবের ব্যবসার পরিকল্পনা করছিলেন।’<br><br>তিনি বলেন, ‘বালু-পাথরের ব্যবসা করতে গিয়েও প্রতারণা করেছেন সাহেদ। সেই অর্থ প্রতারণার দায়ে মামলাও হয়েছে তার বিরুদ্ধে। সিলেটের জৈন্তাপুরের ব্যবসায়ী শামসুল মাওলার কাছ থেকে ৩২ লাখ টাকার মালামাল নেয়ার পর পরিশোধ করেন মাত্র ২ লাখ। বাকি ৩০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য চেক দেন। কিন্তু ব্যাংকে চেক বাউন্স হওয়ার পর ওই ব্যবসায়ী মামলা দায়ের করেছেন। সেটিও তদন্ত চলছিল। এরকম অর্ধশত ভুক্তভোগী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ আমরা আমলে নিচ্ছি।’<br><br>এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। অভিযানে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট, করোনা চিকিৎসার নামে রোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়সহ নানা অনিয়ম উঠে আসে। পরে সেখান থেকে আটজনকে আটক করে র‌্যাব হেফাজতে নেয়া হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়। এতে সোমবার রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখা থেকে আটক আটজনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ ৯ জনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।<br><br>অভিযানের বিষয়ে সারোয়ার আলম বলেন, ‘রিজেন্টকে কোভিড-১৯ হাসপাতালের অনুমতি দেয়ার আগে শর্ত ছিল, এখানে যারা ভর্তি হবেন, তাদের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর, জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট থেকে ফ্রি অব কস্ট (বিনামূল্যে) পরীক্ষা করাবে। আর রিজেন্ট বাসায় বাসায় গিয়ে ১০ হাজারের বেশি নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ২৬৪ জনের আইইডিসিআরসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান থেকে টেস্ট করিয়েছে। বাকি নমুনাগুলো টেস্ট না করে ভুয়া রিপোর্ট করেছে। আমরা আইইডিসিআরের রিপোর্ট ক্রস চেক করে দেখেছি, রিজেন্ট এগুলো তাদের পাঠায়নি। ভুয়া রিপোর্টের জন্য ৩ হাজার ৫০০ করে টাকা নিয়েছে। আমরা দেখলাম, এ পর্যন্ত সে ৩ কোটি টাকার মতো হাতিয়ে নিয়েছে। বিষয়গুলো চেয়ারম্যান নিজে ডিল করেছে, অন্যান্য কয়েকজন কর্মীও ছিল।’<br><br>অন্যদিকে, মঙ্গলবার ভর্তি থাকা রোগীদের স্থানান্তরের পর সিলগালা করে দেয়া হয়েছে রিজেন্টের উত্তরা ও মিরপুরের হাসপাতাল শাখা। তিনি বলেন, ‘এর আগে সোমবার রাতেই মো. সাহেদের মালিকানাধীন হাসপাতাল থেকে অননুমোদিত র‌্যাপিড টেস্টিং কিট ও একটি গাড়ি জব্দ করা হয়। ওই গাড়িতে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্টিকার লাগানো ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজনের চোখে ধুলো দিতেই ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড ও স্বাস্থ্য অধিদফরের স্টিকার ব্যবহার করতেন।’ অন্যদিকে রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে বেসরকারি রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের কার্যক্রম ‘অবিলম্বে বন্ধের’ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। </body></HTML> 2020-07-12 09:48:45 1970-01-01 00:00:00 হাত-পা বেঁধে প্রবাসীদের ভয়াবহ নির্যাতনের তথ্যচিত্র নিয়ে তোলপাড় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95730 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525593_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594525593_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মালয়েশিয়ায় ডিটেনশন সেন্টারে প্রবাসীদের ওপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন। সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন সেখান থেকে ফিরে আসা একজন। এখন নতুন করে আবার বিপদে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সম্প্রচার মাধ্যম আল জাজিরায়। যা নিয়ে এখন মালয়েশিয়ায় তোলপাড় চলছে। তথ্যচিত্রটিতে সেখানকার প্রবাসীদের ওপর নির্যাতনের চিত্র উঠে এসেছে। দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রায়হান কবির সেখানে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এরপর থেকেই তাকে গ্রেফতারে মরিয়া দেশটির পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগ। তাকে না পেয়ে তার সঙ্গীদের আটকে রাখার অভিযোগও পাওয়া গেছে।<br><br>মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা অন্তত দুই জন বাংলাদেশি শনিবার টেলিফোনে বলেছেন, চরম আতঙ্কে তাদের দিন কাটছে। রায়হান কবিরের তিনজন বন্ধুকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। এর মধ্যে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দিলেও দুইজনকে এখনো ছাড়েনি। রায়হান কবিরের সন্ধান দিতে তাদের উপর চাপ দেওয়া হচ্ছে। শুধু রায়হান কবিরের বন্ধুদেরই নয়, তার পরিচিত বাংলাদেশিদেরও ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হয়রানির ভয়ে টেলিফোনে কথা বলা ওই দুই জন নাম-পরিচয় প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন। চার বছর মালয়েশিয়ায় থাকার পর কিছুদিন আগে দেশে ফিরেছেন নূর মোহাম্মদ আকন্দ সোহেল। দেশে ফেরার আগে তিনি সেখানে চার মাস বন্দি ছিলেন। ডয়চে ভেলের সঙ্গে আলাপকালে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার বাসিন্দা সোহেল দেশটির ‘ডিটেনশন ক্যাম্পের’ বর্ণনা দেন।<br><br>বলেন, ‘আমার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবেদন করি। এরমধ্যেই অভিযানে আমাকে ধরে নিয়ে যায়। ক্যাম্পে কোন দিন দুই বেলা, কোন দিন এক বেলাও খাবার দিয়েছে। আমাদের অভিভাবক হাইকমিশনের কেউ কোনদিন খোঁজ নেয়নি। আমার মতো বহু বাংলাদেশি সেখানে ডিটেনশনে আছেন। আপনি বিশ্বাস করতে পারবেন না, এই আমলেও পৃথিবীতে এমন কোন আইন আছে যে, এক-দেড়শ' মানুষকে উলঙ্গ করে একসঙ্গে দাঁড় করিয়ে কানধরে উঠবস করায়। মালয়েশিয়াতে সেটা করায়। সবচেয়ে বড় নির্যাতনের নাম রতান (বেত মারা)। আমাদের দেশে গ্রামে গরুকে যেভাবে চার পা ও মুখ বেঁধে ইনজেকশন দেওয়া হয় মালয়েশিয়ায় একইভাবে হাত পা বেঁধে রতান মারা হয়। তিন চার ফুট লম্বা, চিকন বেত দিয়ে পেছনে যখন আঘাত করে তখন চামড়া ছিড়ে ভেতরে ঢুকে যায়। পরে মাংসসহ উঠে আসে।’ সোহেলের দাবি এমন নির্যাতন বাংলাদেশিদের উপরই বেশি হয়। অন্য দেশের শ্রমিকদের উপর এত নির্যাতন করে না দেশটির কর্তৃপক্ষ ।<br><br><span style="font-weight: bold;">আল জাজিরার তথ্যচিত্রে যা আছে</span><br><br>সোহেল নির্যাতনের যে বর্ণনা দিয়েছেন তার সঙ্গে আল জাজিরার তথ্যচিত্রেরও মিল পাওয়া যায়। প্রবাসী শ্রমিকদের উপর মালয়েশিয়ার নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্র উঠে এসেছে সেখানে। দেখানো হয়েছে, কর্মহীন ও খাবার সংকটে থাকা অভিবাসী শ্রমিকদেরকে ঘর থেকে টেনে-হিঁচড়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অভিবাসী নারীদের ছোট ছোট শিশুদের থেকে আলাদা করে মারধর করা হচ্ছে।<br><br>তথ্যচিত্রটিতে রায়হান কবির তার পরিচিতদের উপর চালানো হয়রানি ও নিপীড়নের তথ্য তুলে ধরেছেন। এ কারণে এখন তাকে খুঁজছে পুলিশ ও ইমিগ্রেশন বিভাগ। তার ভিসাও বাতিল করা হয়েছে। এমনকি তার সম্পর্কে তথ্য দিতে জনগনের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। সেখানে তিনি এখন অনেকটাই ‘ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল'। তার সুরক্ষার জন্য আল জাজিরা বিবৃতি দিলেও মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন কোন উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ আছে। বরং ওই রিপোর্ট প্রকাশের পর বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে মালয়েশিয়া সরকারের প্রশংসা করে বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">হাইকমিশনার যা বললেন</span><br><br>দেশটিতে অবস্থান করা বাংলাদেশিদের উদ্বেগের বিষয়ে ঢাকা থেকে টেলিফোনে জানতে চাইলে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘উদ্বেগের কোন কারণ নেই। যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হচ্ছে, তাদের ভিসা রিনিউ করা হবে। এমনকি যারা ডিটেনশন ক্যাম্পে আছেন তাদেরও নতুন কোম্পানিতে চাকরি দেওয়া হবে। আবার যারা করোনার কারণে বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন তারাও যেতে পারবেন। মালয়েশিয়ার সরকারের সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে।’ রায়হান কবিরের সুরক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কূটনৈতিক রীতি-নীতির আওতায় যা করা দরকার দূতাবাস তা করবে।’<br><br>মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে কিছু তথ্য পাঠিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে বাংলাদেশি কর্মীদের কোম্পানি পরিবর্তন করার কাজ শুরু হয়েছে। এই সুযোগ আগে ছিল না। করোনার মধ্যেও কোন কর্মীকে মালয়েশিয়া ফেরত পাঠায়নি। বরং যারা ইমিগ্রেশন ‘ডিটেনশন ক্যাম্পে' আটক আছে তাদের বিভিন্ন কোম্পানিতে নিয়োগ করা হবে। এই প্রক্রিয়া শিঘ্রই শুরু হবে। অবৈধদের বৈধতা দিয়ে কাজে নিয়োগের বিষয়টিও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যারা ছুটিতে দেশে গিয়ে ফিরে আসতে পারছে না তাদের আসারও সুযোগ দেবে মালয়েশিয়ান সরকার।<br><br><span style="font-weight: bold;">রায়হান কবিরকে নিয়ে উদ্বেগ</span><br><br>আল জাজিরার তথ্যচিত্র প্রকাশের পর মালয়েশিয়া প্রবাসীরা কী ধরনের সংকটে পড়ছেন তা জানতে চাইলে বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ‘আল জাজিরার রিপোর্টটিতে অভিবাসী শ্রমিকদের আসল চিত্র উঠে এসেছে। আমাদের শ্রমিকরা সেখানে কী অবস্থায় আছে, তার কিছু চিত্র এই রিপোর্ট দেখলে বোঝা যায়। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সাক্ষাৎকার দেওয়ার কারণে রায়হান কবিরকে যেভাবে খোঁজা হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে তিনি একজন ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল। তার সুরক্ষার জন্য আল জাজিরা বিবৃতি দিলেও আমাদের দূতাবাস একেবারেই নিরব। অথচ দেশের নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া তাদের কর্তৃব্য। রায়হান কবিরতো সাক্ষাৎকার দিয়ে কোন অন্যায় করেননি। তাহলে আমাদের হাইকমিশন মালয়েশিয়ার সরকারের পক্ষে বিবৃতি দিলো, কিন্তু রায়হান কবিরের কথা একটি বারের জন্যেও উল্লেখ করেনি। আমরা আসলে রায়হানকে নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।’<br><br>নূর মোহাম্মদ আকন্দ সোহেল জানিয়েছে, গত শুক্রবার মালয়েশিয়ায় এক বন্ধুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় তারা। বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে তিনি একজন কর্মকর্তার কাছে রায়হান কবিরের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, রায়হান যেটা বলেছে, সেটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। তার এসব বক্তব্যের দায়দায়িত্ব হাইকমিশন নেবে না। বাংলাদেশিরা দেশটিতে এখন নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও সোহেলকে জানিয়েছেন তার বন্ধু।<br><br><span style="font-weight: bold;">কিছুই জানে না বিএমইটি</span><br><br>মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের কি খোঁজ খবর রাখছে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)? জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক শামসুল আলম বলেন, ‘‘আসলে আমাদের পক্ষে তেমন একটা খোঁজ খবর রাখা সম্ভব না। কারণ সেখানকার হাইকমিশন কোন তথ্য থাকলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেখান থেকে প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় চাইলে তখন আমাদের জানায়। প্রক্রিয়াটা অনেক লম্বা। তাই আমরা খুব একটা খোঁজ খবর রাখতে পারি না।’<br><br>আর আল জাজিরার রিপোর্ট বা রায়হান কবিরের ব্যাপারে বিএমইটি কিছুই জানে না বলে স্বীকার করেন তিন।<br><br>সূত্র: ডয়চে ভেলে। </body></HTML> 2020-07-12 09:45:13 1970-01-01 00:00:00 দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে করোনা থেকে মুক্তি মিলবে: ডা. বিজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95729 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594480668_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594480668_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ডা. বিজন কুমার শীল বলেছেন, বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের পিক-টাইম চলছে। দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। সেটা অত্যন্ত আনন্দের খবর। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে করোনা থেকে আমাদের মুক্তি হবে।<br>নিজেদের একটি জরিপের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যে পরিবারের একজন মানুষের ইনফেকশন হয়েছে, তিনি করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন, সে পরিবারের সব সদস্যের ভেতরে ভেতরে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে বলে আমাদের এক জরিপে পাওয়া গেছে। করোনার এই মহামারির সময়ে যেটি অত্যন্ত ভালো সংবাদ। আমরা দেখেছি, যেই পরিবারে একজন আক্রান্ত হয়েছেন, সেই পরিবারের অন্য সদস্যের ভেতরে লক্ষণ-উপসর্গ মারাত্মক আকার ধারণ করেনি। মৃদু লক্ষণের ভেতর দিয়ে গিয়েছেন তারা এবং এর ভেতর দিয়েই তাদের শরীরে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। এই চিত্র আমাকে আশান্বিত করেছে। আমাদের দেশে যত মানুষ করোনাতে আক্রান্ত হয়েছেন, তার ১০ গুণ বেশি মানুষের মধ্যে এন্টিবডি ফিরে এসেছে।<br><br>এই চিকিৎসক বলেন, দেশে ১৬ কোটি মানুষ, সেই হিসাবে একজন করে সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা মানুষের হিসাব করলে সেটা অনেক। যদিও সংখ্যাটা সার্ভে না করে নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না। এন্টিবডি টেস্টের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার এবং এটি খুবই ভালো খবর। ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি, এন্টিবডি টেস্ট হয়তো শুরু হবে। যদি সরকার পদক্ষেপ নেয়, কেবল রাজধানী ঢাকাতেও যদি এটা সার্ভে করা হয়, তাহলেও বোঝা যাবে কত মানুষের মধ্যে এন্টিবডি তৈরি হয়েছে। এটা খুবই আনন্দের কথা। আমার ধারণা, ঢাকা শহরের অনেকের ভেতরেই এন্টিবডি রয়েছে। তবে এটা জানা দরকার। তাহলে মানুষ ভয় থেকে মুক্ত হতেন। আর তখন দেশের অর্থনৈতিক চাকাও ঘোরা শুরু করবে। যেসব এলাকায় লকডাউন বা কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে, সেখানে যদি সার্ভে করা যায়, তাহলে কত মানুষের মধ্যে এন্টিবডি গ্রো করেছে সেটাও দেখা যাবে। আমার ধারণা সেটা কম হবে না, তারা আমাদের জন্য আশীর্বাদ।<br><br>বিজন কুমার বলেন, বাংলাদেশে এখন করোনাভাইরাসের পিক টাইম চলছে। পিক যত দ্রুত হবে, তত দ্রুত আমরা সেখান থেকে নেমে আসবো এবং তত দ্রুত ইনফেকশন চলে যাবে। সাধারণত কোথাও ব্যাপক এন্টিবডি গ্রো না হওয়া পর্যন্ত সেখানে পিক চলতে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত সে ভার্জিন হোস্ট পাবে, ততক্ষণ সে ইনফেক্ট করবে। আর যখন এন্টিবডি গ্রো সম্পন্ন একটা জনগোষ্ঠীকে সামনে পাবে, তখন সেটা ধীরে ধীরে স্থিমিত হয়ে আসবে, কমতে থাকবে, এটাই নিয়ম, এটাই রীতি। আবার যদি একবার চলে যায়, তাহলে সেটা ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। অনেক মানুষের মধ্যে এন্টিবডি তৈরি হবে, অনেক মানুষ ইমিউন তৈরি করবে যার কারণে খুব সহজে এটা ইনফেক্ট করতে পারবে না।<br><br>তিনি বলেন, ভাইরাস যত দ্রুত ওঠে, তার চেয়েও বেশি দ্রুত নেমে যায়। কারণ যখন সে কোথাও আক্রমণ করে তখন সে একটা ভার্জিন পপুলেশন পায়, যেখানে ভাইরাসের বিপক্ষে কোনও এন্টিবডি ছিল না। কিন্তু, যতই সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয়, ততই তার সামনে অসংখ্য এন্টিবডি সৃষ্টি হয়। ইমিউন সিস্টেমবাহী মানুষের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হয় তাকে। আর এন্টিবডি তৈরি হওয়া মানুষের সঙ্গে মোকাবিলা করে ভাইরাস এগোতে পারে না। আমাদের দেশেও সেটা হচ্ছে। এভাবেই ভাইরাসকে বিতাড়ন করা হয়। আমি মনে করি, খুব বেশি হলে আর দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে করোনা থেকে আমাদের মুক্তি হবে। তবে আসন্ন ঈদে এটি আরও সংক্রমিত হতে পারে। তাপমাত্রাসহ অন্যান্য পরিবেশগত কারণে দেশের আবহাওয়া করোনারভাইরাসের উপযোগী নয়।<br><br>আবহাওয়ার সঙ্গে করোনাভাইরাসের সম্পর্ক রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অবশ্যই রয়েছে। তাপমাত্রার সঙ্গে মানুষ, গাছপালা, পরিবেশ সবকিছুর সম্পর্ক রয়েছে। এটা থাকবেই। বাতাসে যদি হিউমিডিটি বেশি হয় তাহলে সে বেশিক্ষণ থাকতে পারে না, দ্রুত মারা যায়। অপরদিকে, ঠান্ডা তাপমাত্রায় ভাইরাস দীর্ঘসময় থাকতে পারে যেটা আমাদের জন্য অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট। </body></HTML> 2020-07-11 21:14:40 1970-01-01 00:00:00 প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াবে না আমিরাত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95728 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471933_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471933_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ভিসা সমস্যায় পড়া প্রবাসীদের সুবিধার্থে নেয়া বেশ কিছু পূর্বসিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তাদের ভিসার মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। এর আগে, গত ১ মার্চ থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে আমিরাতে বসবাসকারী যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদের ভিসার মেয়াদ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। পরে সেই সময়সীমা কমিয়ে তিন মাসে আনা হয়। এবার সেই সুবিধাটুকুও বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমিরাতের মন্ত্রিসভা।<br><br>এছাড়া, ৩১ মার্চ মেয়াদ শেষ হওয়া পরিচয়পত্রগুলো আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সচল রাখার সিদ্ধান্তও বাতিল করা হয়েছে। তবে, আমিরাতের বাইরে থাকা যেসব প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ১ মার্চের পর শেষ হয়েছে বা যারা দেশটির বাইরে ছয় মাসের বেশি সময় কাটিয়েছেন, তাদের ভিসা নবায়নের সুযোগ বহাল রয়েছে। শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিসভার নেয়া নতুন এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুসারে, দেশটির পরিচয়পত্র এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক ফেডারেল কর্তৃপক্ষ ১২ জুলাই থেকে তাদের পরিষেবার জন্য ফি নেয়া শুরু করবে।<br><br>সূত্র: আরব নিউজ </body></HTML> 2020-07-11 18:51:24 1970-01-01 00:00:00 অক্টোবরের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95727 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471799_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471799_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বে সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়া করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও তা বাজারে আনতে গত কয়েকমাস ধরেই নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন গবেষকরা। ইতিমধ্যে ভ্যাকসিনের অনেকগুলো ট্রায়ালও হয়েছে। ভ্যাকসিন তৈরিতে এগিয়ে থাকা জার্মান, আমেরিকা ও বৃটিশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই ভ্যাকসিন সরবরাহ করা যাবে বলে তারা আশাবাদী। এখন শেষ ট্রায়াল দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।<br><br>জার্মান জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বায়ো এন টেক নিউইয়র্কের ওষুধ উৎপাদনকারী ফাইজার ইনকরপোরেশনের সঙ্গে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠান দুটি এ বছরের শেষ নাগাদ মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ) পদ্ধতিতে প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন বিস্তৃত আকারে সরবরাহের জন্য নিয়ন্ত্রকদের অনুমোদন পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এমনটাই বলেছেন বায়ো এন টেকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউগুর শাহিন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালও এখন বলছে, এ বছরের মধ্যেই ভ্যাকসিন বাজারে আনার ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তা অর্জনযোগ্য বলে মনে হচ্ছে।<br><br>বায়ো এন টেক বলেছে, তাদের ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত ধাপ বা তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা এ মাসের শেষেই শুরু হচ্ছে। এ পরীক্ষায় ৩০ হাজার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এ পরীক্ষার ফল চলতি বছরের মধ্যেই জানা যাবে। এরপর প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিনটির অনুমোদন চাওয়া হবে। ফাইজারের সিইও অ্যালবার্ট বোরলা টাইম অনলাইনকে জানিয়েছেন, এর আগে কোনো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে এমআরএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন অনুমোদন পায়নি। চলতি মাসের শেষ দিকে বড় আকারে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এতে বিশ্বের ১৫০টি স্থানে ৩০ হাজার মানুষকে ভ্যাকসিনটি দেয়া হবে। তারা আশা করছেন আগামী অক্টোবর মাস নাগাদ তাদের ভ্যাকসিনের জন্য ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাছ থেকে অনুমোদন পেয়ে যাবেন।<br><br>মার্কিন ফাইজার ও জার্মান বায়ো এন টেক ছাড়াও ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে ক্যানসিনো (চীন), মডার্না (যুক্তরাষ্ট্র), উহান ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস (চীন), বেইজিং ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস (চীন), সিনোভ্যাক্স (চীন), নোভাভ্যাক্স (যুক্তরাষ্ট্র), ইনোভিও (যুক্তরাষ্ট্র), অক্সফোর্ড (যুক্তরাজ্য)। এসব প্রতিষ্ঠান কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদের ভ্যাকসিনের ফল জানাতে পারে।<br>যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ-সুইডিশ ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার জোটও ভ্যাকসিন তৈরিতে এগিয়ে রয়েছে। অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিনের তৃতীয় ধাপের ফলাফল বা কার্যকারিতার বিষয়টি আগস্ট মাসের শেষ নাগাদ জানা যাবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট।<br><br>অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রধান নির্বাহী প্যাসকল সারিওট জানিয়েছেন, তাদের ভ্যাকসিন এক বছর পর্যন্ত কোভিড-১৯–এর বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সক্ষম হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্ট বা সেপ্টেম্বরে এর ফল জানা যাবে। ভ্যাকসিনের ফলের জন্য অপেক্ষার পাশাপাশি ভ্যাকসিন উৎপাদন চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে অক্টোবরেই ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু করা যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মিলকেন ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসের জন্য ১৯০টি ভ্যাকসিন ও ২৬৩ ধরনের চিকিৎসাপদ্ধতি উন্নয়নে কাজ চলছে।<br><br>এদিকে, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশেই টিকা আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইতোমধ্যে তারা প্রাণীর শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে সফলতা পেয়েছে এবং একইভাবে মানবদেহেও এর সফলতা পাওয়া সম্ভব। </body></HTML> 2020-07-11 18:48:57 1970-01-01 00:00:00 করোনায় ৩০ জন মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ২৬৮৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95726 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471682_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471682_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ৩০৫ জনের মৃত্যু হলো। এ ছাড়া দেশে নতুন করে আরো দুই হাজার ৬৮৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। দেশে মোট এক লাখ ৮১ হাজার ১২৯ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন আরো এক হাজার ৮২৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৪ জন।<br>শনিবার (১১ জুলাই) বেলা আড়াইটায় করোনাভাইরাস সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।<br>তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১ হাজার ৪৭৫টি, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ১৯৩টি। এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ২৯ হাজার ৪৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৮৬ জন।<br><br>পরীক্ষার তুলনায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪৮ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। নাসিমা সুলতানা জানান, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ এবং ৫ জন নারী। এখন পর্যন্ত মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৮২৪ জন এবং নারী ৪৮১ জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৩ জন রয়েছেন।<br><br>২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৮ জন, বাসায় মৃত্যুবরণ করেছেন ১১ জন এবং মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে। করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে ও পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি পালনের আহ্বান জানানো হয় বুলেটিনে।<br>করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য একটি বিশেষ ওয়েবসাইট (www.corona.gov.bd) চালু রেখেছে সরকার। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে বেড়েই চলেছে মৃত্যু।<br><span style="max-width:100%; font-weight: bold;"><br>বিশ্ব পরিস্থিতি:</span><br><br>এদিকে, করোনার পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা পর্যন্ত বৈশ্বিক এ মহামারিতে সারা বিশ্বে ১ কোটি ২৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৮৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭৩ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৭ জন সেরে উঠলেও প্রাণ গেছে ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১৩৭ জনের। বাকী ৪৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭২৯ জন মৃদু বা মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন।<br><br>কোভিড-১৯ রোগী শনাক্তের সংখ্যায় সবার ওপরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত ৩২ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৬ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করেছে দেশটি। এ শনাক্তের জন্য তারা ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার টেস্ট করে। শনাক্তের দিক থেকে দ্বিতীয়তে আছে ব্রাজিল। দেশটির ১৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৮ জনের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। তিন নম্বরে রয়েছে ভারত যাদের শনাক্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২২ হাজার ৬৭৪।<br><br><span style="max-width:100%; font-weight: bold;">সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে যেসব দেশে:</span><br><br>যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৭১ জন, ব্রাজিলে: ৭০ হাজার ৫২৪ জন, যুক্তরাজ্যে: ৪৪ হাজার ৬৫০ জন, ইতালিতে: ৩৪ হাজার ৯৩৮ জন, মেক্সিকোয়: ৩৪ হাজার ১৯১ জন, ফ্রান্সে: ৩০ হাজার ৪ জন, স্পেনে: ২৮ হাজার ৪০৩ জন, ভারতে: ২২ হাজার ১৫২ জন, ইরানে: ১২ হাজার ৪৪৭ জন ও পেরুতে ১১ হাজার ৫০০ জন। গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। <br> </body></HTML> 2020-07-11 18:47:35 1970-01-01 00:00:00 মায়ের কবরেই সমাহিত হলেন সাহারা খাতুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95725 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471625_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471625_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। শনিবার (১১ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার সহকারী সামরিক সচিব কর্নেল রাজু আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকীব আহমেদ, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে সকাল ১০টার দিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।<br><br>নানা জটিলতা নিয়ে অসুস্থ সাহারা খাতুনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে নেয়া হয়েছিল। ভর্তি করা হয় সেখানকার বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার (১০ জুলাই) মধ্যরাতে মরদেহ ব্যাংকক থেকে ঢাকা পৌঁছায়। রাতে বিমানবন্দরে সাহারা খাতুনের মরদেহ গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আওয়ামী লীগ নেতারা বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। শনিবার বেলা ১১টার আগে বনানী কবরস্থানে জাতীয় পতাকা ও আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা মোড়ানো সাহারা খাতুনের মরদেহ আনা হয়। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আওয়ামী লীগ, ১৪ দল, জাসদ ছাড়াও আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপতিম সংগঠন যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের তরফ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় সাহারা খাতুনের কফিনে। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে মায়ের কবরে দাফন করা হয়।<br><br>৭৭ বছর বয়সী সাহারা খাতুন জ্বর, অ্যালার্জির সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন। গত ৩ জুন ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শ্বাসকষ্ট নিয়ে তিনি রাজধানীর ইউনাইডেট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। ব্যাংক যাওয়ার আগ পর্যন্ত সেখানেই তার চিকিৎসা চলছিল। ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন সাহারা খাতুন। তার বাবার নাম আব্দুল আজিজ ও মাতার নাম টুরজান নেসা। সাহারা খাতুন তিন মেয়াদ ধরে ঢাকা-১৮ আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য। ২০০৮ সালে মহাজোট ক্ষমতায় এলে প্রথমে তাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়। পরে সেখান থেকে সরিয়ে পাঠানো হয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে।<br><br>সাহারা খাতুন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। আওয়ামী লীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-11 18:46:49 1970-01-01 00:00:00 বাবার করোনা নিয়েও প্রতারণা করেন সাহেদ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95724 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471542_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471542_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনার নমুনা পরীক্ষার নামে প্রতারণার অভিযোগে দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে আছেন। নানা শ্রেণিপেশার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা সাহেদ প্রতারণা করেছেন বাবার অসুস্থতা নিয়েও। করোনা আক্রান্ত বাবাকে নেগেটিভ সনদ দেখিয়ে ভর্তি করান নিজের হাসপাতাল রেখে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে তার বাবার করোনা পজিটিভ আসে। এক পর্যায়ে মারা যান সাহেদের বাবা। জন্মদাতা বাবার অসুস্থতা নিয়ে এমন প্রতারণার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করছেন অনেকে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে সাহেদের বাবা গত বৃহস্পতিবার রাতে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেলে মারা যান।<br><br>জানা গেছে, শুরুতে বাবার খোঁজ নিলেও রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযানের পর সিলগালা করে দেয়ার পর আর বাবার খোঁজ নেয়নি সাহেদ। শুধু তাই নয়, খোঁজ নেননি মারা যাওয়ার পরও। পরে অবশ্য তার ভাড়া বাসার কেয়ারটেকার ও গাড়ি চালককে পাঠিয়ে বাবার মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। বাবা সিরাজুল করিমকে ভর্তি করাতে গিয়ে সাহেদের প্রতারণার কথা নিশ্চিত করেছেন মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, গত ৪ জুলাই সিরাজুল করিমকে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করেন সাহেদ। সিরাজুল করিমের বয়স ছিল প্রায় ৭০ বছর। ভর্তি করার সময় সাহেদ জানান তার বাবার কোভিড-১৯ সংক্রমণ নেই।<br><br>বাবার করোনা পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেয়ার কথা জানিয়ে ডা. আশীষ জানান, ‘আমাদের বলা হয়েছিল, এর আগে তিনটি পরীক্ষায় সিরাজুল করিমের কোভিড-১৯ নেগেটিভ আসে। তিনটি সনদও দেখানো হয়। কিন্তু তার লক্ষণ দেখেই মনে হয়েছে কোভিড-১৯ আক্রান্ত। আমাদের এখানে পরীক্ষায় তার কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে।’ হাসপাতালটির চিকিৎসক আজিজুর রহমান জানান, সাহেদের বাবার করোনা পজেটিভ আসলে তাকে আমরা ফোন দেই। আমাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, যেহেতু আপনার হাসপাতাল কোভিড রোগীদের জন্য সেখানে আপনার বাবাকে নিয়ে যান। কিন্তু সাহেদ অপারগতা প্রকাশ করেন। বলেন তার ওখানে চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই।<br><br>ভর্তির দুই দিন পর সিরাজুল করিমকে আইসিইউতে নেওয়া হয় জানিয়ে ডা. আশীষ বলেন, ‘তার ফুসফুসে সংক্রমণ ছিল। অবস্থা খারাপ হলে দুই দিন আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি।’ ভর্তির পর প্রথম দুই দিন সাহেদ তার বাবাকে দেখতে এসেছিলেন। তবে ৬ জুলাইয়ের পর থেকে এখানে তাদের আর কেউ আসেননি বলেও জানান ইউনিভার্সেলের এমডি। জানা গেছে, সাহেদ বাবাকে দেখতে আসা বন্ধ করলেও তার সঙ্গে আসা লোকজন পরেও হাসাপাতালে এসেছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তার বাবা মারা যাওয়ার পরে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি ইউনিভার্সেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে থানায় জিডি করে তারা। সাহেদের ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়ায় পরে তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের লোকজন। পরে শুক্রবার সকালে সাহেদের কেয়ারটেকার এসে লাশ বুঝে নেয়। সকালেই আজিমপুর কবরস্থানে সাহেদের বাবাকে দাফন করা হয়।<br><br>গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আসছিল তারা। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত অন্তত ছয় হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ পাওয়ার প্রমাণ পায়। একদিন পর গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। তবে প্রধান আসামি সাহেদ এখনও পলাতক রয়েছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-11 18:45:25 1970-01-01 00:00:00 সক্রিয় জালনোট প্রতারক চক্র, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95723 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471456_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471456_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আসছে ঈদুল আজহা। ধর্মীয় এ উৎসবকে সামনে রেখে রাজধানীসহ সারাদেশে কোরবানির পশুহাটের আয়োজন চলছে। প্রস্তুত হচ্ছেন ব্যাপারীরা। অন্যদিকে সক্রিয় এক শ্রেণির প্রতারক চক্র। বাজারে জালনোট ছড়িয়ে হরিলুট করতে যেন সক্রিয় হয়ে উঠছে বেশকিছু চক্রের সদস্যরা।<br>লোভ দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে লোপাট চালাতে পশুরহাটের ব্যাপারীরা এই চক্রের প্রধান টার্গেট। দেশব্যাপী এই চক্রের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। জালনোট বাজারে ছড়িয়ে দিতে বেছে নিচ্ছেন নানা কৌশল। তবে এসব চক্রের অপতৎপরতা নিষ্ক্রিয় করতে ইতোমধ্যেই গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।<br><br>আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্মকর্তারা জানায়, অতীতেও জালনোট প্রস্তুতকারী চক্রের মূলহোতাসহ অসংখ্য সদস্যকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ৭-৮ মাস বা বছর খানেক পর তারা কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে পুরনো পেশায় ফিরে যাচ্ছেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার পরপর পুরোনা সব সঙ্গী ও সহযোগীদের নিয়ে স্থান পাল্টে আবার শুরু করছে জালনোট তৈরির কারবার। বিভিন্ন উৎসবকে তারা টার্গেট করে বাজারে জালনোট ছাড়তে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তবে জালনোট চক্রের যেসব সদস্য জামিনে বের হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে জালনোট প্রস্তুতের অভিযোগ বা তথ্য রয়েছে তাদের নররদারিতে রাখা হয়েছে। এছাড়াও দেশব্যাপী পশুরহাটগুলোতে জালনোট বিস্তাররোধে এবং বাজার থেকে জালনোট উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে। সেই সঙ্গে পশুরহাটগুলোতে ব্যাপারী ও ক্রেতা-বিক্রেতা এবং অন্য ব্যবসায়ীদের লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে অনুরোধ জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।<br><br>ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার (জেসি) অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাহবুব আলম বলেন, প্রতিবছরই ঈদকে কেন্দ্র করে সারাদেশেই জালনোট কারবারি চক্রের সদস্যরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। আর তাদের টার্গেট থাকে পশুরহাটে আসা ব্যাপারীরা। তিনি বলেন, আমরা এখন নজরদারি করছি, চক্রের সদস্যদের বিষয়ে আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। বেশকিছু চক্রের মুভমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে। কিছুকিছু ঘটনা ঢাকার বাইরে ঘটছে। ঢাকায়ও তারা তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করবে। তবে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। জালনোট তৈরি কারবারিদের গ্রেফতারে যেকোনো সময় অভিযান পরিচালনা করা হবে।<br><br>চলতি বছরের ২৮ জুন দিনগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর থানাধীন ১২/ই ব্লকের ৬২ নম্বর বাসায় এবং ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ কোটি টাকা সমমানের জালনোট (১০০০ টাকার নোট) এবং ৪০ লাখ টাকা সমমানের (৫০০ ও ২০০০ রুপির নোট) ভারতীয় রুপিসহ একটি চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করে র‌্যাব-২। অভিযানে জালনোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামাদি (ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ডাইস, কাটার) উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও প্রায় ২৫-৩০ কোটি টাকার সমপরিমাণ জালনোট প্রস্তুতের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল (কাগজ, কালি, জলছাপ দেওয়ার সমাগ্রী) উদ্ধার করে র‌্যাব। গ্রেফতার মো. সেলিম (৪০), মনির (৪৫), মঈন (৪০), মোছো. রমিজা বেগম (৪০), খাদেজা বেগম (৪০), ও শাহীনুর ইসলাম (১৫) বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।<br><br>একই বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুর হাইস্কুল রোডে সুফিয়া মঞ্জিলে অভিযান চালিয়ে ৪৫ লাখ টাকা সমমানের জালনোটসহ কাওসার হামিদ খান (৪৫), হেলাল উদ্দিন (৫০) এবং বাবু শেখ (৩৬) নামের একটি চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সিরিয়াস ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। অভিযানে গ্রেফতার আসামিদের কাছ থেকে জালনোট তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম, একটি ল্যাপটপ, একটি প্রিন্টার, একটি পেনড্রাইভ এবং চার বান্ডিল কাগজ জব্দ করে গেয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।<br><br>র‌্যারের তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি মিরপুরের পল্লবী ও ভাটারা এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে আটক হওয়া আসামিরা খুব নিখুঁতভাবে জালনোট তৈরি করে আসছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। চক্রের সদস্যরা ১০০ টাকার নোট পানিতে সেদ্ধ করে টাকার রং তুলে ফেলতো। এরপর শুকিয়ে গেলে ওই টাকার কাগজের উপর ৫০০ টাকার ছাপ দিতো। এতে টাকার গোপন নকশা, জলছাপ ও নিরাপত্তার সুতা অক্ষুণ্ন থাকতো। এই চক্রটির মূল হোতা সেলিম মিয়া ২০১৮ সালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় রুপি ও জালনোটসহ র‌্যাবের and nbsp; হাতে আটক হয়েছিল। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে জামিনে বের হয়ে তিনি একই কাজে পুনরায় লিপ্ত হন।<br><br>র‌্যাব সদর দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী-বাহিনীর প্রতিষ্ঠালগ্ন (২০০৪ সাল) থেকে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান এক হাজার ১৫১টি অভিযানে ১ হাজার ৮৮৮ জন দেশি-বিদেশি জালনোট প্রস্তুতকারী ও কারবারি গ্রেফতার হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে এক হাজার ১০০টি মামলা দায়ের করে র‌্যাব। এসব অভিযানে ১১ কোটি ২০ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৪ টাকা সমমানের জালনোট (দেশি) জব্দ করে। এছাড়াও অভিযানে বিদেশি জালনোট ৪৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯১৭ টাকা, ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৭৫ হাজার ৬০০ ভারতীয় রুপি, ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ২৯২ ইউএস ডলার, ৪৭ হাজার ইউরো, ১৫ হাজার ১৮০ সৌদি রিয়াল, ৮ হাজার ৫৬০ ইরাকি দিনার, ১৪ হাজার ২৭ ইউএই, ২ লাখ মিয়ানমারের কোয়াট, ৩ হাজার ৪০০ মায়লশিয়ান রিংগিত, ৫১ হাজার ৫০ পাকিস্তানি রুপি, ২ লাখ ৫০ হাজার তুরস্কের টাকার জালনোট/মুদ্রা জব্দ করা হয়। and nbsp; এছাড়াও পুলিশের বিভিন্ন থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে অসংখ্য জালনোট তৈরির কারবারি গ্রেফতার হয়েছে।<br><br>র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, জাল টাকার বিস্তাররোধ র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এরআগেও আমরা অভিযান চালিয়ে অনেকগুলো চক্রের সদস্যকে আইনের আওতা আনা হয়েছে। আগামীতেও আমরা মাঠে যথেষ্ট তৎপর থাকবো। and nbsp; </body></HTML> 2020-07-11 18:43:58 1970-01-01 00:00:00 সাগরপথে দুইদিনে ইতালি উপকূলে ভিড়লেন ৩৬২ বাংলাদেশি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95722 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471327_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471327_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>অবৈধপথে সাগর পাড়ি দিয়ে গত দুইদিনে ইতালির মাটিতে পা রেখেছেন পাঁচ শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী, এদের মধ্যে ৩৬২ জন বাংলাদেশের নাগরিক। শুক্রবার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বাতা সংস্থা এএফপি। ইতালীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গ্রীষ্মকালে সমুদ্র শান্ত থাকার সুযোগে চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই অবৈধপথে ইতালি যাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। গত বছরের তুলনায় সেখানে অবৈধ অভিবাসী প্রবেশের হার বেড়েছে কয়েকগুণ। আইওএম জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার তিউনিশিয়া থেকে ১১৬ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে ইতালির লাম্পেদুসা দ্বীপে পৌঁছেছে নয়টি নৌকা। শুক্রবার তিউনিশিয়া থেকে সাতটি ছোট নৌকা ও লিবিয়া থেকে দু’টি বড় নৌকায় ইতালি পৌঁছেছেন আরও ৪৩৪ জন।<br><br>জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থাটির তথ্যমতে, লিবিয়া থেকে যাওয়া একটি নৌকায় ৯৫ জন এবং অপর নৌকার ২৬৭ জন, মোট ৩৬২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী বাংলাদেশের নাগরিক। ইতালির মাটিতে পা রাখা অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কীভাবে দেশটিতে পৌঁছেছেন সে বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি ইতালীয় কোস্ট গার্ড। জানা গেছে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত আট হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী অবৈধপথে ইতালি পৌঁছেছেন। গত বছর একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল মাত্র তিন হাজারের মতো। তবে ২০১৮ সালে একই সময়ে ইতালি গিয়েছিলেন প্রায় ১৭ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী।<br><br>এদিকে, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর গত সপ্তাহে ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার ১৮০ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জাহাজ থেকে নামার অনুমতি দিয়েছিল ইতালি। এদের মধ্যেও অনেক বাংলাদেশি ছিলেন বলে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া এসব অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সিসিলি উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে সবাইকে।<br><br>সূত্র: দ্য লোকাল and nbsp; </body></HTML> 2020-07-11 18:41:33 2020-07-11 18:42:18 করোনায় বগুড়ার আরডিএ মহাপরিচালকের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=95721 http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471239_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/04/08/1594471239_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সকালে আরডিএ’র পরিচালক (প্রকল্প পরিকল্পনা ও পরিবীক্ষণ বিভাগ) সুফিয়া নাজিম মহাপরিচালকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।<br>বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা সুফিয়া শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, গত ২৩ জুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন আমিনুল। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২৯ জুন থেকে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।<br><br>শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্তের পর কিছুদিন আরডিএ-তে নিজের বাংলোতে আইসোলেশনে ছিলেন তিনি। এরপর তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমিনুলের স্ত্রী ও দুই ছেলে রাজশাহী থাকেন। তার দুই ছেলের শরীরেও করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানান সুফিয়া।<br>বিসিএস ৮ম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আমিনুল নাটোর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক এবং রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন। </body></HTML> 2020-07-11 18:40:24 1970-01-01 00:00:00