http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - ফেনীতে করোনা আতংকের মধ্যেও থেমে নেই জায়গা দখল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91863 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585753190_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585753190_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধিঃ</span><br>বাংলাদেশে চলমান করোনা ভাইরাস আতঙ্ক'র মধ্যেও থেমে নেই জায়গা দখল।ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগরে জায়গা দখল করতে গেলে বাধা দেয়ায় প্রতিপক্ষরা শাহ আলম (৬০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেছে।সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে দক্ষিণ ফরহাদ নগর মুকিম পাঠোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।গুরুতর আহত আবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এলাকার স্থানীয়রা জানায়,ওই সময় দক্ষিন ফরহাদ নগর গ্রামের মুকিম পাঠোয়ারী বাড়ির <br>মৃত অলি আহম্মদের স্ত্রী আয়েশা আক্তার, ছেলে আলাউদ্দিন, মহিউদ্দিন, মিলন ও আবুল খায়ের ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ জোরপূর্বকভাবে বাড়ির চলা-চলের রাস্তায় মাঠি পেলে ভরাট করে জায়গা দখলের চেষ্টা চালায়।এতে বাধা দেয়ায় একই বাড়ির মৃত দলিলুর রহমানের ছেলে আওয়ামীলীগ নেতা শাহ আলমকে লোহার রড ও কাঠের লাঠি দ্বারা পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।এসময় শাহ আলমকে and nbsp; উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন শাহ আলমের চাচি বয়োবৃদ্ধা তাহেরা বেগম।তাদের শৌর-চিৎকারে এলাকাবাসীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শাহ আলমকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।<br>বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন টিপু জানান,স্থানীয় ইউপি সদস্য বছির আহম্মদের মাধ্যমে আমি হামলার কথা জানতে পারি।জায়গা নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু করোনার মত পরিস্থিতিতেও এমন ঘটনা সত্যি নিন্দনীয়। ফেনী মডেল থানার ওসি মোঃ and nbsp; আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। </body></HTML> 2020-04-01 20:58:16 1970-01-01 00:00:00 করোনায় ভারতে চাকরি যেতে পারে ১৩ কোটি মানুষের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91862 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585751702_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585751702_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>পুরো ভারত লকডাউন। ফলে গোটা বিশ্বের মতো ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ক্ষতির মুখে দেশটি। এ কারণে দেশটিতে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের চাকরি যেতে পারে বলে এক গবেষণায় বলা হয়েছে। নয়াদিল্লিতে অবস্থিত জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সেন্টার ফর ইনফরমাল সেক্টর অ্যান্ড লেবার স্টাডিজ’ বিভাগের অধ্যাপক সন্তোষ মেহোত্রা ও পাঞ্জাব সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক যযাতি কে পরিদার যৌথভাবে ওই গবেষণা করেন। ভারতীয় গণমাধ্যমে এ গবেষণার তথ্য দিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছে। খবরে বলা হয়, অধ্যাপক সন্তোষ মেহোত্রা দাবি করছেন, গবেষণা অনুসারে ভারতে শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটির মতো। ইনফরমাল সেক্টরে দেশে প্রায় ২৬ কোটি মানুষ কাজ করেন। বিভিন্ন উৎপাদন সংস্থা ও অন্য সংস্থায় তারা কাজ করে থাকেন। এই কোম্পানিগুলোর ওপরেও তৈরি হয়েছে বিপুল চাপ।<br><span style="font-weight: bold;"><br>যাদের চাকরি যাবে কোনো নোটিশ ছাড়াই</span><br><br>গবেষণায় বলা হয়, ২০১৭–১৮ সালে ৩ কোটি বেকার ছিল, যা হিসাব করলে দাঁড়ায় ৪৭ কোটি মানুষ বিভিন্ন কাজ করছে। এর প্রায় অর্ধেক, অর্থাৎ ১৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষ কৃষিভিত্তিক নানা কাজ করেন। অর্থাৎ ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ কৃষির বাইরে কাজ করেন, আর তাদেরই চাকরির নিশ্চয়তা সবচেয়ে কম। কোনও নোটিশ ছাড়াই তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যেতে পারে। তাদের বেশিরবাগই নির্মাণ কাজে যুক্ত। </body></HTML> 2020-04-01 20:34:01 1970-01-01 00:00:00 বাজারে করোনাভাইরাসের ওষুধ আনছে ফুজি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91861 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585750222_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold; font-style: italic;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585750222_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) চিকিৎসায় একটি ওষুধের ব্যবহারে চূড়ান্ত পর্যায়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে জাপানি কোম্পানি ফুজিফিল্ম। দুটি পর্যায়ে সফলভাবে পরীক্ষা শেষে এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পরীক্ষার অংশ হিসেব মানবদেহে এর প্রয়োগের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। মঙ্গলবার তারা এ ঘোষণা দিয়েছে। ওই ওষুধটির নাম অ্যাভিগান। ফুজিফিল্মের ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি টয়ামা কেমিক্যাল কোং লিমিটেড ওষুধটি তৈরি করেছে। দেহে ফ্লু ভাইরাস প্রতিরোধে জাপানে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে অ্যাভিগান।<br><br>অ্যাভিগানের জেনেটিক নেম ফ্যাভিপিরাভির। ফুজিফিল্ম বলেছে, তারা আশা করছেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধেও কার্যকরী প্রমাণিত হবে অ্যাভিগান। জাপানি কোম্পানিটি জানিয়েছে, অ্যাভিগান এক ধরনের অ্যান্টি-ভাইরার ড্রাগ। এ ধরনের ওষুধ মানবদেহে ভাইরাসের বংশবিস্তার রোধে দারুণ কার্যকর। এরা এক ধরনের এনজাইম খেয়ে ফেলে যা ভাইরাসের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। সে হিসাবে অ্যাভিগানও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।<br><br>এর আগে ইবোলা ভাইরাস চিকিৎসায় অ্যাভিগানের জেনেটিক গোত্রীয় ফ্যাভিপিরাভির’র প্রয়োগ ঘটান গবেষকরা। ইঁদুরের ওপর এর পরীক্ষা চালিয়ে ফলও পেয়েছিলেন তারা। তবে মানবদেহে এর কার্যকারিতা ঠিক কেমন-তা এখনও প্রমাণিত নয়। তবে গবেষকদের দাবি, মানবদেহে অ্যাভিগানের প্রয়োগে অপেক্ষাকৃত ভালো ফলাফল পাওয়া গেছে। ফুজিফিল্ম বলেছে, করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের অংশ হিসেবে প্রথম দুই ধাপ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় নিরাপদ প্রমাণিত হয়েছে অ্যাভিগান। এখন তারা আশা করছেন, মানবদেহে প্রয়োগেও এর আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।<br>এদিকে মানবদেহে অ্যাভিগানের প্রয়োগে ফলাফল ইতিবাচক ধরে সামনের দিকে এগোচ্ছে ফুজিফিল্ম। ইতোমধ্যে উৎপাদনও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।<br><br>জাপানি এই কোম্পানিটি জানিয়েছে, এটি কার্যকরী প্রমাণিত হলে শুধু জাপান নয়, সারাবিশ্ব জুড়ে সরবরাহ করা হবে অ্যাভিগান।<br>প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এ পর্যন্ত বিশ্বের ৪২ হাজার জনের প্রাণ নিয়েছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে ৮ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। তবে মৃত্যু সংখ্যাতেও চীনকে ছাড়িয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ মানুষ মারা যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. টনি ফৌসি। করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ইতালিতে, ১২ হাজার ৪২৮ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৫ হাজার ৭৯২। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মারা গেছেন স্পেনে, ৮ হাজার ৪৬৪। তবে চীনে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা (সরকারি হিসাব ৩ হাজার ৩০৫ জন) নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।<br>বর্তমান করোনাভাইরাস মহামারি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই মহামারি কঠিন অর্থনৈতিক মন্দা এনে দিতে পারে, যার সমকক্ষ সম্ভবত বিগত অতীতে দেখা যায়নি।<br><br>সূত্র : ডেইলি মেইল </body></HTML> 2020-04-01 20:09:35 1970-01-01 00:00:00 তিন হাজার হাজতিকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91860 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585750137_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585750137_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন মামলায় বিচারাধীন প্রায় তিন হাজার হাজতিকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। ইতিমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে হাজতিদের একটি তালিকা তৈরি করে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে কারা-কর্তৃপক্ষ।<br> and nbsp;বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্যোগে কারা কর্তৃপক্ষকে ওই তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। এরই মধ্যে একটি চিঠি মন্ত্রণালয়ে এসেছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সকল কাজ শেষে এটা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেটা আদালত হয়ে, এরপর সিদ্ধান্ত।’<br>এদিকে কারা-অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. আবরার হোসেন বুধবার গণমাধ্যমে বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।<br><br>কাদের নাম এখানে আছে জানতে চাইলে আবরার হোসেন বলেন, যাদের মামলা এখনো বিচারাধীন, জামিনযোগ্য অপরাধ হলে এদের জামিন দেওয়া যায় কি না, জামিনযোগ্য ছোট-খাটো অপরাধে যারা কারাগারে রয়েছেন, এরকম তিন হাজারের সামান্য বেশি হাজতির নাম প্রস্তাবের রাখা হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণায় এবং আইন মন্ত্রণালয়ের পর শেষ পর্যন্ত বিচারকই সিদ্ধান্ত নেবেন জামিন দেওয়া যায় কি না। মুক্তির বিষয়টা সম্পূর্ণ বিচারকদের হাতে বলে জানান এই কর্মকর্তা। এদিকে বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, নতুন করে আরও তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ায় বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪ জনে দাঁড়ালো। ভাইরাসটি থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও একজন। ফলে মোট সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন। এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে অচেনা ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ছয়জনে। </body></HTML> 2020-04-01 20:08:31 1970-01-01 00:00:00 বাংলাদেশকে ৩ হাজার কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91859 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749957_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749957_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য ইতোমধ্যেই এ অনুদান অনুমোদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে বাংলাদশি মুদ্রায় প্রায় তিন হাজার ১০ কোটি টাকা অনুদান অনুমোদন করে বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী সংস্থাটি। তিন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে। বুধবার (০১ এপ্রিল) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানায়। এই অনুদান স্বাস্থ্যসেবা, লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতার প্রতিক্রিয়া, সামাজিক সুরক্ষা, মৌলিক পরিষেবা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে কক্সবাজার জেলায় ব্যবহার করা হবে।<br><br>বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ প্রায় ১.১ মিলিয়ন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বিশাল উদারতা দেখিয়েছে। আশ্রয় পাওয়া এই জনগোষ্ঠী টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি। স্বাভাবিকভাবেই এটি বিদ্যমান অবকাঠামো এবং সমাজসেবা সরবরাহের ওপর প্রচুর পরিমাণে চাপ সৃষ্টি করছে। এবং স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, এই অনুদান দেশের পরিষেবা সরবরাহের ক্ষমতা আরও জোরদার করবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও স্থিতি বাড়িয়ে তুলবে।<br><br>কক্সবাজার জেলার জন্য ১৫ কোটি ডলারের হেলথ এবং জেন্ডার সহায়তা প্রকল্পটি রোহিঙ্গাসহ তিন দশমিক ছয় মিলিয়ন মানুষকে স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা পরিষেবায় অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করবে এবং প্রতিরোধমূলক ও প্রতিক্রিয়াশীল পরিষেবার মাধ্যমে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা মোকাবিলা করতে সক্ষম করবে। প্রকল্পটি উন্নত পাবলিক অবকাঠামোতে স্থানীয় লোকসহ প্রায় সাত লাখ ৮০ হাজার ৮০০ মানুষকে উপকৃত করবে। এরমধ্যে রয়েছে তিন লাখ ৬৫ হাজার ৮০০ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা। এক লাখ ৭১ হাজার ৮০০ জনের জন্য আরও ভালো স্যানিটেশন।<br>এছাড়া জেলাটির দরিদ্র মোকাবিলায় আরেকটি প্রকল্পের আওতায় খরচ করা হবে ১০ কোটি ডলার। দারিদ্র্য নিরসন কর্মসংস্থান জেনারেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করে হোস্ট সম্প্রদায়ের দরিদ্র ও দুর্বল পরিবারগুলোকে জীবিকা এবং আয়ের সহায়তা দেওয়া হবে। </body></HTML> 2020-04-01 20:05:24 1970-01-01 00:00:00 ঢামেক হাসপাতাল আইসোলেশনে দুইজনের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91858 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749808_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749808_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে থাকা দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে একজনের বয়স ৬৫ বছর। আরেকজনের ৩২। তারা করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে এখানে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন। বুধবার (০১ এপ্রিল) ঢামেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গতকালই (মঙ্গলবার ৩১ মার্চ) তারা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের নতুন ভবনের নিচে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। এরপর রাত সাড়ে ১০টার দিকে একজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আরেকজন বুধবার ভোর ৫টার দিকে মারা যান। নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল হোসেন বলেন, মৃত দুই ব্যক্তি জ্বর ও ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে ভর্তি ছিলেন। তাদের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। <br><br>ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ আরও বলেন, তাদের দুইজনের মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। রক্তের নমুনা রোগতত্ত্ব রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসলেই তারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন কি-না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ভাইরাস পজেটিভ আসলে যথাযথ পদ্ধতিতে দাফন করা হবে। আর নেগেটিভ আসলে স্বজনদের কাছে দিয়ে দেওয়া হবে মরদেহ। </body></HTML> 2020-04-01 20:03:04 1970-01-01 00:00:00 বাস-রেল পর্যায়ক্রমে চালু হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91857 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749473_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749473_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ছুটি বাড়লেও মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। বুধবার (১ এপ্রিল) সাধারণ ছুটি আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (বিধি-৪) সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে একথা জানায়। এতে বলা হয়েছে, জরুরি প্রয়োজনের অফিসসমূহ খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পকলকারখানা চালু রাখতে পারবে। মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তবে ঠিক কবে গণপরিবহন চালু হবে তা প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়নি।<br><br>জানতে চাইলে জনপ্রশাসনের সংশ্লিষ্ট একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, জনপ্রশাসনের দায়িত্ব প্রজ্ঞাপন জারি করা। এখন সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে গণপরিবহণ চালুর তারিখ নির্ধারণ করবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ঘোষিত সাধারণ ছুটির ধারাবাহিকতায় আগামী ৫ এপ্রিল হতে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো। ১০ এবং ১১ এপ্রিলের সাপ্তাহিক ছুটিও এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।<br>প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জরুরি পরিসেবা-বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না। কৃষি পণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহণ এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুদের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবর্হিভূত থাকবে। এ ছাড়া জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। </body></HTML> 2020-04-01 19:57:25 1970-01-01 00:00:00 জ্বরে আক্রান্ত পাপিয়া, রিমান্ডের মাঝপথে কারাগারে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91856 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749341_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749341_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আলোচিত যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে তৃতীয় দিনের রিমান্ড স্থগিত করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাই পাপিয়াকে আপাতত আর জিজ্ঞাসাবাদ করছে না র‌্যাব। বর্তমানে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শাফি উল্লাহ বুলবুল বলেন, পরিস্থিতি ভালো হলে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। করোনাভাইরাসের মধ্যেই তার দ্বিতীয় দফার রিমান্ড চলছিল। কিন্তু তার জ্বর থাকায় আপাতত জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে না। এই কর্মকর্তা বলেন, তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা সেটা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে পরীক্ষায় নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। তার রিমান্ডের তৃতীয় দিন থেকেই জ্বর। এ জন্য তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে। পরিপস্থিতি ভালো হলে তাকে পরে আবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হবে।<br><br>জানা যায়, আদালতে র‌্যাবের পক্ষ থেকে কয়েকদিন আগে পাপিয়াকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছিল। বিচারক আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত ২০ মার্চ তাকে কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ আসে বলে জানা গেছে। এরপর তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এরআগে তিন মামলায় গত ১১ মার্চ পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে ৫ দিন করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পায় র‌্যাব। তার আগে প্রথম দফায় পুলিশ ১৫ দিন করে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পায়।<br><br>পাপিয়া এবং তার স্বামী মফিজুর রহমান গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিমানবন্দরে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় দুই সহযোগীসহ র‌্যাবের হাতে আটক হন। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান রুপি ও সাতটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। এর আগে একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বুকিং দেওয়া বিলাসবহুল প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট রুম এবং রাজধানীর ফার্মগেটে ইন্দিরা রোডে গত ২২ ফেব্রুয়ারি পাপিয়ার বাসায় র‌্যাবের অভিযানে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন, ২০ রাউন্ড গুলি, ৫ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ৫টি পাসপোর্ট, ৩টি চেক, বেশকিছু বিদেশি মুদ্রা ও বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি এটিএম কার্ডসহ গ্রেপ্তার করা হয়। </body></HTML> 2020-04-01 19:54:41 1970-01-01 00:00:00 ঢাকা ছাড়ছেন জাপানি নাগরিকরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91855 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749226_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585749226_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাস আতঙ্কে এবার ঢাকা ছাড়ছেন প্রায় ৩২৫ জাপানি কূটনীতিক ও নাগরিক। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়বেন। বুধবার (১ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ (ক্যাব)। জাপান দূতাবাসের মাধ্যমে দেশটির নাগরিকদের নিজ দেশে ফিরে যেতে এ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ। গত ৩০ মার্চ একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা ছেড়েছেন ৩৫৬ মার্কিন নাগরিক ও কূটনীতিক। </body></HTML> 2020-04-01 19:53:22 1970-01-01 00:00:00 করোনা উপসর্গ নিয়ে ফেনীতে যুবকের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91854 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585747983_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585747983_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br> and nbsp;ফেনী সদর উপজেলায় করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে এক যুবকের (৩০) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম ছনুয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন and nbsp; জানান, ফেনীর ছনুয়া গ্রামে মৃত যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিশেষায়িত হাসপাতাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ওই যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত চার থেকে পাঁচ দিন আগে ওই যুবকের জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। পরে সোমবার (৩০ মার্চ) তার স্বজনরা ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে অবস্থানের পরামর্শ দেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত থেকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে দুপুরের দিকে তার মৃত্যু হয়।<br><br>মৃত যুবকের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর উদ্দিন জানান, ছোট বেলা থেকেই ওই যুবকের শ্বাসকষ্ট ছিল। গত কয়েকদিন ধরে জ্বরের সঙ্গে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন ওই যুবক। বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওমর হায়দার জানান, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঠিক কি কারণে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানা যাবে। তবে তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট ছিল বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। </body></HTML> 2020-04-01 19:31:16 1970-01-01 00:00:00 আরো একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত তিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91853 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585738159_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585738159_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। এদের মধ্যে নতুন করে আরও একজন মারা গেছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। ভাইরাসটি থেকে মোট সুস্থ হয়েছেন ২৬ জন।<br>রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) অনলাইন সংবাদ ব্রিফিংয়ে বুধবার দুপুরে যুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানান।<br>ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস আছে বলে শনাক্ত হয়েছে। ফলে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪ জনে। আর আগে থেকে যারা আক্রান্ত ছিলেন, তাদের মধ্যে আরও একজন মারা গেছেন। ফলে মোট মারা গেছেন ছয়জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন আরও একজন। এ নিয়ে মোট ২৬ জন সুস্থ হলেন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয়জনকে আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আইসোলেশনে আছেন ৭৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার জনগণকে অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে নিষেধ করলেও অনেকে এ নির্দেশনা মানছেন না। রাজধানীসহ সারাদেশে অনেকেই রাস্তায় বের হচ্ছেন। বাজারে ঘোরাফেরা করছেন। চায়ের স্টলে আড্ডা মারছেন। বিশেষ করে ঢাকা থেকে যারা গেছেন তারাই ঘোরা-ফেরা বেশি করছেন। দেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন।<br><br>রাজধানীসহ সারাদেশে করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চাই না কেউ পরীক্ষার বাইরে থাকুক। কারও মধ্যে করোনার উপসর্গ থাকলে নমুনা পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করুন। নিজে সুস্থ থাকুন, পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।<br><br></body></HTML> 2020-04-01 16:48:54 2020-04-01 18:11:38 করোনা এড়াতে ভুল মাস্কে ক্ষতির আশঙ্কা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91852 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737833_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737833_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চীন থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর মাস্কের চাহিদা অস্বাভাবিক বেড়ে যায় বিশ্বজুড়ে। বাংলাদেশে প্রথম দিকে খুব বেশি সচেতন নাগরিক ছাড়া অন্যদের এটা নিয়ে খুব একটা আগ্রহ ছিল না। কিন্তু দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্কের ব্যবহার বাড়তে শুরু করে। এরপর দেশে অঘোষিত ‘লকডাউন’ শুরু হলে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়াকড়িতে গত কয়েক দিনে বহুগুণে বেড়ে যায় মাস্কের ব্যবহার। কিন্তু যে উদ্দেশ্যে ব্যবহার বেড়েছে, নিম্নমানের মাস্কের কারণে সেটা খুব একটা কাজে আসছে না বলে অভিমত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, দেশে বর্তমানে প্রচলিত মাস্কগুলোর বেশির ভাগই অস্বাস্থ্যকর এবং করোনাভাইরাস প্রোটেকটিভ নয়। দূষণ ও ধুলাবালি থেকে রক্ষা ছাড়া আর কোনো কাজেই আসছে না এসব মাস্ক। বরং ক্ষতির আশঙ্কা আছে।<br><br>মূলত করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষা পেতে এন-৯৫ মাস্কের বিকল্প নেই। তবে এই বিশেষ মাস্কটি ব্যয়বহুল ও সহজলভ্য নয় বলে পাতলা সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। মঙ্গলবার সরেজমিনে রাজধানীর গ্রিন রোড ও কলাবাগান এলাকার বেশ কয়েকটি ফার্মেসি ঘুরে সার্জিক্যাল মাস্কের সংকট দেখা যায়। কয়েকটি ফার্মেসিতে সার্জিক্যাল মাস্কের দেখা মিললেও সেগুলো বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা যায়। একবার ব্যবহারযোগ্য মাস্ক আগে প্রতিটি এক থেকে পাঁচ টাকা বিক্রি হতো, সেগুলো এখন ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।<br><br>জানা যায়, দেশে মোট আমদানি করা ও উৎপাদিত মাস্কের বেশির ভাগই হচ্ছে প্রচলিত নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক শপিং ব্যাগের কাপড় দিয়ে তৈরি। আর এসব নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক কাপড় খুব সস্তা মানের প্লাস্টিক। and nbsp; পর্যবেক্ষণ বলছে, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে ঢাকায় ১০ থেকে ১২টির মতো মাস্ক তৈরির কারখানা চলে আসছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাস্কের সংকট তৈরির পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অতি মুনাফার আশায় ব্যক্তি উদ্যোগে মাস্ক তৈরির ধুম লেগে যায়। আর এসব মাস্কের বেশির ভাগই তৈরি হচ্ছে নন-উভেন থার্মোপ্লাস্টিক প্লাস্টিক কাপড় দিয়ে।<br>রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ব্যক্তি উদ্যোগে কয়েকটি মেশিন বসিয়ে মাস্ক তৈরি করছেন একজন উদ্যোক্তা। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে তিনি বলেন, ‘দেশে মাস্ক সংকটের পর আমি কয়েকটা মেশিন বসিয়ে মাস্ক তৈরি করা শুরু করি। আমার তৈরি মাস্ক খুব সস্তাতেই বাজারে দিচ্ছি। যেসব মাস্ক তৈরি করছি এগুলো খুব সস্তা কাপড় দিয়েই। কিন্তু প্রচুর চাহিদা রয়েছে।’<br><br>ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী পরিচালক ড. আরমান হোসেন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের একটা বৈশিষ্ট হলো এটা বাতাসের মাধ্যমে খুব একটা ছড়ায় না। তবে আশপাশে করোনা সংক্রমিত কারও হাঁচি-কাশি বিপদের কারণ হতে পারে। তাই মাস্ক পরে থাকলে ভালো। কিন্তু বাজারে যে মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে সেগুলো উপকারী না্। এসব সুদৃশ্য মাস্ক কেবল ধুলাবালি থেকে রক্ষা করে আমাদের।’<br>ড. আরমান হোসেন আরও বলেন, ‘করোনাভাইরাস থেকে প্রটেকশনের জন্য দরকার এন-৯৫ মাস্ক। কিন্তু খুব ব্যয়বহুল হওয়ায় এটা ব্যবহার করা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। কার‌্যকর ও সাশ্রয়ী হলো সার্জিক্যাল মাস্ক। এটা সাইয়েন্টিফিক এবং করোনা সুরক্ষায় সক্ষম।’<br>দেশের বজারে সরবরাহ বাড়াতে গত ৩০ জানুয়ারি এক জরুরি নোটিশে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবন দোকান মালিক সমিতি সার্জিক্যাল মাস্ক রপ্তানি বন্ধ করে। বিএমএ এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশের মাস্ক তৈরির কারখানাগুলোকে কোনো অবস্থায় মাস্ক মজুত এবং বেশি মূল্যে বিক্রি না করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়।<br><br>বস্ত্র প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে দেশে মাস্কের চাহিদা বেড়ে যায়। এতে যেসব কারখানা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি মেনে মাস্ক তৈরি করে, তারা প্রয়োজনীয় মাস্ক বাজারে সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। এই সুযোগে একশ্রেণির মুনাফালোভী সস্তা প্লাস্টিকের কাপড় দিয়ে মাস্ক বিক্রি শুরু করে, যেগুলো মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এগুলো ব্যবহারে মানুষের উপকারের বদলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।’<br>বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংবাদ আসে। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে মোট ৫১ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। আর মারা গেছেন পাঁচজন। </body></HTML> 2020-04-01 16:43:20 1970-01-01 00:00:00 ডাক্তার নার্সদের ঝুঁকিভাতার প্রস্তাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91851 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737669_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737669_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাস সংক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য কর্মরত ডাক্তার নার্সদের বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ঝুঁকিভাতার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। গত ২৫ মার্চ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রস্তাবটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। তবে এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি মন্ত্রণালয়ে। বিভিন্ন মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণ দিয়ে জীবন বাজি রেখে কাজ করেন চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বিশ্বের অনেক দেশেই ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য ভাতার ব্যবস্থা থাকলে বাংলাদেশে সেরকমটা হয় না বলে জানা গেছে।<br>বাংলাদেশ নার্স অ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি কামাল হোসেন পাটোয়ারী বলেন, কোন ঝুঁকি ভাতার খবর শুনি নাই। তবে নার্সদের সুরক্ষার জন্য সব ধরনের পিপিই পেয়ে গেছি। আমাদের এখানে ২২০০ নার্সই পিপিই পেয়েছেন।<br><br>স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির বলেন, ঝুঁকভাতা দেওয়া হবে বলেছিল। তবে কবে দেবে, কত টাকা দেবে সেটা নিশ্চত নয়। শুনেছি একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে তার আপডেট তথ্য জানি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে মেনে করি শুধু ডাক্তার নার্স নয় সব পেশার মানুষ যেমন পুলিশ সাংবাদিক বা যে কোন মানুষদের ঝুঁকিভাতার ব্যবস্থা রাষ্টের করা উচিৎ। রাষ্ট্র যদি এসব ক্ষেত্রে জন প্রতি এক থেকে দুই কোটি টাকা ১৮ বছরের এফডিআর করে দেয়। আহলে ওই পরিবারটি আর্থিক নিশ্চয়তা পেল। এতে করে যে কোন মানুষের কাজের প্রতি আন্তরিকতা বাড়বে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এ.কে.এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা এখনও পর্যন্ত কোনো ঝুঁকি ভাতার কথা আমি শুনি নাই। তবে আমাদের এখানে কেরোনা সংক্রান্ত যত রোগী আসছে আমরা তাদেরকে কিছু পরীক্ষা নীরিক্ষা করি দেখি। যদি করোনায় আক্রান্ত মনে হয় তবে দ্রুত ওই রোগীকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছি।<br><br>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. আমিনুল হাসান বলেন, ঝুঁকি ভাতার কথা দেওয়ার আলোচনা করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত ২৭ মার্চ বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পর্যন্ত রাজধানীতে কোভিড-১৯ এর চিকিৎসা দেয়ার জন্য ১০টি হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলেছেন। এসব হাসপাতালগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট, যাত্রাবাড়ীতে সাজেদা ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, আমিনবাজার ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, কামরাঙ্গীরচর ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, মিরপুর মেটারনিটি হাসপাতাল, নয়াবাজারে মহানগর জেনারেল হাসপাতাল, কমলাপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ে হাসপাতাল, উত্তরায় কুয়েত মৈত্রী ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল। এ ছাড়া কেরানীগঞ্জে জিনজিরা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল এবং শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।<br><br>এ ব্যপারে যাত্রাবাড়ী ফাউন্ডেশন হাসপাতালের ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, যাত্রাবাড়ী ফাউন্ডেশন হাসপাতালে কোনো রোগীকে শনাক্ত করা হলে আমরা তাৎক্ষণিক আইইডিসিআরে ফোন করে জানাই। পরে তারা ওইসব রোগীদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেন। তবে আমরা এখনও পর্যন্ত কোনো ঝুঁকি ভাতার খবর শুনি নাই। বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ঝুঁকি ভাতার ব্যাপারে আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বলেছি। শুনেছি ওনারা একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। তবে সেটা আপডেট তথ্য জানি না।<br><br>১০ হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া কথা বলা হলেও সবাই কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো কথা বলছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ফ্লোরা বলেন, সব জায়গায় না ছড়িয়ে আমরা এক জায়গায় রাখার চেষ্টা করছি। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আমরা ২০০ বিছানা প্রস্তুত রেখেছি চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আমাদের দেশে ২০০ রোগী নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) ডা. মানজরুর রহমান বলেন, ঝুঁকিভাতা, বিশেষ ভাতার নাম করে একটি প্রস্তবনা আমরা গত ২৫ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেটা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে পরবর্তী কাজ করবেন। কত টাকা ঝুঁকি ভাতা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. মানজরুর রহমান বলেন, বেসিকের সমপরিমাণ টাকা দেওয়ার কথা আমরা প্রস্তবনায় বলেছি।<br><br>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, এটার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। দেশের এখন ক্রান্তিকালে সময়ে তাঁরা সবাইকে কাজ করছে। এটাকে টাকা দিয়ে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। মোটিভাইট করে কাজটা করিয়ে নেওয়া। তবে এটা দেওয়া উচিৎ কারণ সবারই তো পরিবার আছে নিজের জীবনের মায়া আছে। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-01 16:40:34 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মারা গেলেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞ গীতা রামজি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91850 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737503_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737503_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রখ্যাত ভাইরাস বিশেষজ্ঞ গীতা রামজি মারা গেছেন। এক সপ্তাহ আগে লন্ডন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় ফেরেন ৬৪ বছর বয়সী গীতা।<br>মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দক্ষিণ আফ্রিকার একটি হাসপাতলে তিনি মারা যান। গীতা রামজি ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিার মেডিকেল রিচার্স কাউন্সিলের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালাস ইউনিটের প্রধান গবেষক ছিলেন। দেশটির এইচআইভি প্রতিরোধ ও গবেষণা ইউনিটের প্রধানও ছিলেন তিনি।<br>সংক্রামক রোগ এইচআইভি প্রতিরোধে গবেষণার জন্য ২০১৮ সালে সেরা নারী বিজ্ঞানীর পুরস্কার পান গীতা রামজি। লিসবনে ইউরোপীয়ান ডেভেলপমেন্ট ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালস পার্টনারশিপ তাকে ওই পুরস্কারে ভূষিত করে। এইচআইভি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা আবিষ্কারে তিনি সারা জীবন কাজ করেছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার নারীরা এইচআইভির কারণে প্রতিনিয়ত যে ঝুঁকির মুখোমুখি হন তা প্রতিরোধে তিনি কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। and nbsp; </body></HTML> 2020-04-01 16:37:50 1970-01-01 00:00:00 চীনে লুকিয়ে গণহারে পোড়ানো হচ্ছে মৃতদেহ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91849 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737421_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737421_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস।চীন থেকে উৎপত্তি হলেও সারা বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) শুধু মার্চ মাসেই প্রায় ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ১ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় বিশ্বব্যাপী প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ১৫১ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৯ জন। এ ভাইরাস ইতোমধ্যে ২ শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রতিনিয়তই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। চীনের স্থানীয়রা মনে করছেন, কম করে ৪২ হাজার মানুষ মারা গিয়েছেন কেবল উহানেই। কিন্তু চীনের প্রশাসন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের সঠিক সংখ্যা জানায়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে চীনের বিরুদ্ধে মহামারি গোপন করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছে। তাদের দাবি, চীন সঠিক সময়ে ভাইরাসের কথা জানালে সারা বিশ্বে হয়তো এত মানুষ মারা যেতেন না।<br>এবার চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা এখনও করোনা মহামারি গোপন করছে। চীনের ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যুর যে সংখ্যা দেখিয়েছে, তার থেকেও অনেক বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।<br><br>চীনে লকডাউন ওঠার পরও বহু জায়গায় মৃতদেহ পোড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। রেডিও ফ্রি এশিয়ার (আরএফএ) সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, প্রায় প্রতিদিন পাঁচ হাজার শবদেহ সৎকার করানো হয়েছে। গণহারে মৃতদেহ পোড়ানো হয়েছে চীনে। প্রশাসন লুকিয়ে মৃতদেহ পুড়িয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও প্রমাণভিত্তিক তথ্য হাজির করতে পারেনি আরএফএ। তবে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট পেশ করেছে তারা।<br>শুধুমাত্র উহান শহরেই ৪২ হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছিল ডেইলি মেইল।<br>যদিও চীন এই তথ্য উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, তিন হাজার তিনশ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যদিও উহানের স্থানীয় অনেকের দাবি, গত ১২ দিনে অন্তত ৪২ হাজার মৃতদেহ সৎকার হয়েছে। ৫ এপ্রিল কিং মিং উৎসব চীনে। তার আগে সেখানে শ্মশানের নিস্তব্ধতা। তার আগে প্রশাসনের দিকে তোপ দাগতে শুরু করেছে উহানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। </body></HTML> 2020-04-01 16:36:32 1970-01-01 00:00:00 ভারতের মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে মামলা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91848 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737117_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585737117_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তাবলিগ জামাতের নেতা মাওলানা সাদ ও নিজামুদ্দিন মারকাজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার মহামারি আইনে এই মামলা করা হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে বলা হয়। কোলকাতা২৪-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজামুদ্দিন মারকাজের সমাবেশে এসেছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। সেখান থেকে শতাধিক মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এখন পর্যন্ত ওই জমায়েতে ছিলেন এমন ২৪ জনের শরীরে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। পুলিশের পিআরও মান্দিপ সিং রান্দাওয়ি বলেন, অপরাধ শাখা থেকে এ ঘটনার তদন্ত করা হবে।<br>দেশটির ১৮৯৭ সালের এপিডেমিক ডিজিস অ্যাক্ট ও ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্য ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।<br><br>নিজামুদ্দিন মসজিদে তাবলিগ জামাতে যোগ দেয়া তেলেঙ্গানার ছয়জন ও শ্রীনগরের একজন নিয়ে মোট সাতজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তা ছাড়া ওই জমায়েতে অংশ নেয়া তামিলনাড়ুর আরও অন্তত ৫০ জনের করোনাভাইরাস পজিটিভ এসেছে।<br>দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদটিতে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রায় ২০০০ লোকের জমায়েত হয়েছিল। তাদের মধ্যে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়া তিন শতাধিক মানুষকে সোমবার হাসপাতালে নেয়া হয়। মঙ্গলবার মসজিদটি সিল করে দেয়া হয়েছে। আর সেখান থেকে ৭০০-এর বেশি মানুষকে বের করে শহরের বিভিন্ন জায়গায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। যেসব রাজ্যের মানুষ ওই জমায়েতে যোগ দিয়েছিলেন তাদের খোঁজ করা হচ্ছে রাজ্য প্রশাসন থেকে। </body></HTML> 2020-04-01 16:31:19 1970-01-01 00:00:00 যত প্রয়োজন, তত সেনাসদস্য দেয়া হবে : সেনাপ্রধান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91847 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585736964_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585736964_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যত প্রয়োজন, তত সেনাসদস্য দেয়া হবে।<br>বুধবার সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্যসংখ্যা আরও বাড়ানো হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘যত প্রয়োজন, তত সেনাবাহিনী সদস্য দেয়া হবে। তবে অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টিরও প্রয়োজন নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী এ করোনাভাইরাসকে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমরা সৈনিক, আমরা সবসময় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। সবাইকে সহযোগিতা করব বলে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে আছি।’ </body></HTML> 2020-04-01 16:28:32 1970-01-01 00:00:00 গুজবের ফেরিওয়ালারা সাবধান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91846 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585730664_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585730664_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জয়নাল হাজারী ॥</span><br>এই মুহুর্তে জাতি একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময়ে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নাই। জাতীয় ঐক্যের স্বার্থেই সরকার দ্রুত খালেদা জিয়াকেও মুক্তি দিয়েছে কিন্তু এ শ্রেণীর লোক তারা পৃথিবী উচ্ছেন্নে গেলেও তাদের স্বভাব পাল্টাতে পারছেনা। তাই তারা করোনার মহাসংকটকালেও সে বিষয়ে চিন্তা না করে ব্যক্তি ও দলীও স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে চায়। এ সপ্তাহে আমাদের সেতুমন্ত্রী এবং আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মন্ত্রী সভার সাপ্তাহিক মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মঙ্গলবারের নেত্রী যে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন তাতেও উপস্থিত ছিলেন না। এতে আপাত দৃষ্টিতে বিষয়টিকে অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। কারণ গতবার যখন তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন কেবল ঐ সময়ে বেশ কিছুদিন সাপ্তাহিক মন্ত্রী সভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। এ ছাড়া কোন বৈঠকেই কোন দিন অনউপস্থিত ছিলেন না। এবারের অনুপস্থিতির মূল কারণই হচ্ছে জননেত্রী সরাসরি টেলিফোন করে সেতুমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন কোন অবস্থাতেই তিনি যেন ঘরের বাইরে না যান। হৃদরোগে আক্রান্ত হবার পর থেকেই সেতুমন্ত্রীর শরীরটা দুর্বল তাই তিনি সেতুমন্ত্রীকে ঐ নির্দেশটি দিয়েছেন। এ ব্যাপারে কোন ভাবইে জনগনকে বিভ্রান্ত করার কোন সুযোগ নাই। নেত্রীর নির্দেশ পালন করতে গিয়েই তিনি মন্ত্রী সভার বৈঠকে এবং ভিডিও কনফারেন্সে যাননি। যদিও ভিডিও কনফারেন্সে ৬জন মন্ত্রীকে ডাকা হয়েছিল । তবে নেত্রী মূলত কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্য শুনেছেন এবং তাকে ভবিষ্যতের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। জাতি এখন যুদ্ধের মধ্যে আছে। এই যুদ্ধে আমাদের সর্বাধি নায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যেমন জয়লাভ করেছি তেমনি তার কন্যার নেতৃত্বে চলমান যুদ্ধেও জয়লাভ করবো। সকল যুদ্ধেই কিছু সৈনিকে জীবন দিতে হয়। জনগনকে রক্ত দিতে হয়। এখনও তাই হচ্ছে। গুজব রটনাকারীরা সেতুমন্ত্রীর ব্যাপারে করোনাকে পর্যন্ত টেনে এনেছে। এই গুজব রটনাকারীরা মাহবুব আলম হানিফ,নানক, বাহউদ্দিন নাসিম কিংবা আমার ভক্তরা নয়। এরা হচ্ছে সেই মৌলবাদি শক্তি যারা আমাদের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল। আমি তাদের সকল ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই এবং বলতে চাই সাধু সাবধান।<br><br> </body></HTML> 2020-04-01 14:43:33 1970-01-01 00:00:00 শরীয়তপু‌রে আইসোলেশনে থাকা যুব‌কের মৃত্যু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91845 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712631_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712631_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে ভর্তি থাকা ৩৪ বছ‌রের এক যুব‌কের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ৯টার দি‌কে তার মৃত্যু হয়। ওই যুব‌কের বা‌ড়ি ন‌ড়িয়া উপ‌জেলায়। তি‌নি পেশায় শ্রমিক ছিলেন। শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চি‌কিৎসকরা জানান, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও কাশি থাকায় ওই যুবককে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতা‌লের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। রাত ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে ১৯ মার্চ কাশি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তি‌নি। পরীক্ষায় তার যক্ষ্মা ধরা পড়ায় তাকে চি‌কিৎসা দেয়া হয়। চিকিৎসা শে‌ষে ২৩ মার্চ তিনি সদর হাসপাতাল থেকে বা‌ড়ি‌তে চ‌লে যান।<br><br>শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহমেদ খান বলেন, তিনি নড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে আসেন। শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল তার। শ্বাসকষ্ট থাকায় তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। চিকিৎসা দেয়া অবস্থায় তিনি মারা যান।<br>শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডা. এস.এম. আবদুল্লাহ আল মুরাদ বলেন, ওই ব্য‌ক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর’এ পাঠানো হবে। আইইডিসিআর থেকে ফলাফল পেতে দুই দিন সময় লাগতে পারে। তার পরিবার যে জায়গায় দাফন করতে চায়, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে সেখানেই ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মীরা লাশ দাফন করে আসবেন। এদিকে ওই ব্যক্তির আশপা‌শের পাঁচ‌টি বাড়ি লকডাউন ক‌রে‌ছে উপ‌জেলা প্রশাসন। এ ব্যাপা‌রে ন‌ড়িয়া উপ‌জেলা সহকারী ক‌মিশনার (ভূ‌মি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ওই যুব‌ক ন‌ড়িয়া উপ‌জেলার মোক্তা‌রের চর ইউনিয়‌নের ৯ নম্বর ওয়া‌র্ডের এক‌টি বা‌ড়ি‌তে ভাড়া থাক‌তেন। তি‌নি একজন শ্রমিক। দীর্ঘ‌দিন যাবত যক্ষ্মা রো‌গে ভুগ‌ছি‌লেন। বর্তমান প‌রি‌স্থি‌তি চিন্তা ক‌রে তার বাড়ির আশপা‌শের পাঁচ‌টি বাড়ি লকডাউন ক‌রা হ‌য়ে‌ছে। </body></HTML> 2020-04-01 09:42:52 1970-01-01 00:00:00 কেয়ামতের পৃথিবী যেন হাশরের ময়দান http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91844 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712383_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712383_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনার ভয়াবহ অভিশাপ থেকে পৃথিবী কবে মুক্ত হবে? কবে নিথর নিস্তব্ধ পৃথিবীজুড়ে করোনাভাইরাসের তান্ডব থামবে? লাশের মিছিল থামবে দেশে দেশে? কী এক ভয়ঙ্কর ছোট্ট জীবাণুর আঘাতে পৃথিবীতে মহাবিপর্যয়ের নীরব ধ্বংসলীলা? প্রতাপশালী রাষ্ট্র থেকে সব নেতৃত্ব, বিজ্ঞানী, গবেষক আর তাদের গবেষণাগারই নয়; গোটা মানবজাতিই অসহায়! কবে বের হবে এ মরণঘাতী জীবাণুর ওষুধ, ভ্যাকসিন? কবে দেশে দেশে মানুষের সেবায় দোরগোড়ায় যাবে? তার আগে এ মহাপ্রলয় আর কতটা দুমড়ে-মুচড়ে দেবে পৃথিবীকে? কত প্রাণহানির পর থামবে তার তান্ডবলীলা? সবাই বলছেন প্রতি ১০০ বছর পর বা যখন-তখন পৃথিবীতে যত মহামারী এসেছে অতীতের সবকটির চেয়ে এবারের মহামারীতে মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম!<br><br>সবচেয়ে কম মৃত্যুহার নিয়ে আসা করোনাভাইরাসে আজ পৃথিবীর ১৯৯টি দেশ আক্রান্ত। এর মধ্যে মহাশক্তিধর চীনের উহান শহর থেকে যার অশুভ সূচনা সে দেশের অর্থনীতি জীবনযাত্রাকে তছনছ করে দিয়ে নিয়ন্ত্রণে এলেও একেবারে মুক্তি দিয়ে যায়নি। সবচেয়ে ভয়াবহ আঘাত হেনেছে ইউরোপে। ইতালিকে লাশের পাহাড়ে দাঁড় করিয়ে ফ্রান্স, স্পেনে লাশের মিছিল নামিয়ে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে। পৃথিবীজুড়ে লকডাউন এক কথায় অচল-নিস্তব্ধ করেছে। সব নগর শহর পথে পথে ভীতিকর নীরবতা নামিয়ে এনে কার্যত জনমানবশূন্য ভুতুড়ে জনপদে পরিণত করেছে।<br><br>পৃথিবী যেন আজ এক হাশরের ময়দান। যেন কেয়ামতের আজাব নামিয়ে করোনাভাইরাস শেষ বিচারের ময়দানে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। কেউ কারও নয়, কেউ কাউকে চিনতে পারবে না! যার যার ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি অবস্থা। কারবালার ট্র্যাজেডিকেও হার মানানো এক মর্মান্তিক পরিণতি নেমে এসেছে মানবজাতির জীবনে। বাঁচতে হলে তুমি স্বার্থান্ধ হও। নিজের কথা ভাব। চিকিৎসাবিহীন পৃথিবীর সব দম্ভ-অহংকারের পতন ঘটিয়ে মানবজাতিকে কঠিন বেদনাবহ পরীক্ষায় অবতীর্ণ করেছে। কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গরোধ অথবা গৃহবন্দী বা আইসোলেশন বা নিঃসঙ্গ জীবনের মুখোমুখি হয়ে করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচার এক অভিনব অসহায় পন্থা। যেখানে একজন আক্রান্ত হলে গোটা বাড়ি বা এলাকা লকডাউন হচ্ছে। স্বামী আক্রান্ত হলে স্ত্রী-সন্তান পাশেই যেতে পারছে না। স্ত্রী আক্রান্ত হলে একই অবস্থা। এমনকি সন্তানের মৃত্যুশয্যায় মা স্পর্শ করা দূরে থাক পাশেই দাঁড়াতে পারছেন না! করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণে লাশের গোসল ছাড়াই দাফন বা পুড়িয়ে দেওয়া! এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মানুষ কখনো চরম শত্রুর জন্যও চায়নি। অথচ বিষাক্ত ও ছোঁয়াচে করোনার মৃত্যু আপনজনদের জীবন কেড়ে নিয়ে সেই ট্র্যাজিক যন্ত্রণাই এনে দিয়েছে আজ মানুষের জীবনে। আজ বিষাদগ্রস্ত পৃথিবীতে পিতা -মাতা একখানে সন্তান আরেক দেশে। ভাই এক দেশে তো স্নেহের বোন আরেক জায়গায়। স্বামী-স্ত্রীও কোথাও কোথাও আলাদা আছেন। নিজের জন্য, সন্তান, পরিবার, পরিজন কার জন্য কার টেনশন। স্তম্ভিত মানুষ, যতই বলা হোক আতঙ্কিত হবেন না, সচেতনতাই একমাত্র পথ, ততই মানুষ সচেতন হয়েও আতঙ্কিত ভীতসন্ত্রস্ত।<br><br>ব্রিটেনের রাজপুত্র প্রিন্স চার্লস করোনা থেকে উঠে এসেছেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে। তার আক্রান্ত হওয়ার খবরে জনগণ বিচলিত হবে কি তার আগেই শোনামাত্র পেছনের দরজা দিয়ে উপদেষ্টা পালিয়েছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুুডোর স্ত্রী সোফিও সুস্থ হয়েছেন। স্পেনের রাজকন্যার জীবনাবসান ঘটেছে। ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী এখনো শয্যায়।<br><br>বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৮০ হাজার ১৭৪, মৃতের সংখ্যা এখন ৩৭ হাজার ৫৪০।<br><br>আক্রান্তের শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৮৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৯৫১ জনের। মৃতের হিসাবে শীর্ষে রয়েছে ইতালি। দেশটিতে মৃতের সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯১, মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩৯-এ। স্পেনে মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ৭১৬, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৭ হাজার ৯৫৬। করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। জার্মানিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬ হাজার ১২৫; মৃত্যু হয়েছে ৬১৬ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত ৪৪ হাজার ৫৫০ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৬ জনের। ইরানে আক্রান্ত ৪১ হাজার ৪৯৫ জন, মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৭৫৭। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যায় পাকিস্তান শীর্ষে। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৭১৭, মৃতের সংখ্যা ২১। দক্ষিণ এশিয়ায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যায় এগিয়ে ভারত। প্রতিবেশী দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের, আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২৫১।<br><br>নিউইয়র্কেই করোনাভাইরাসে ২৩ বাংলাদেশির অকালমৃত্যু ঘটেছে। যশোরের আইটি বিশেষজ্ঞ সোহাগ ব্যবসায়ও সফল ছিলেন। ছোট দুটি সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিরনিদ্রা নিয়েছেন। কতটা মর্মান্তিক! মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার আমিনা ইন্দ্রালিব তৃশার (৩৯) মৃত্যু হয়েছে গত ২৩ মার্চ। সুন্দরী মিষ্টি তরুণী দুটি শিশুকে মাতৃহারা করে রেখে গেছেন! মৃত আলমের স্ত্রীর হৃদয়ভাঙা কথা মানবতার বক্ষ বিদীর্ণ করেছে। দেশে বিদেশে সবখানে কি হৃদয়বিদারক একেকটি মৃত্যু। একেকটি পরিবারের জীবনে বয়ে যাওয়া কি নির্মম মৃত্যুযন্ত্রণা। ঢাকার ফটোসাংবাদিক আবদুল হাই স্বপন পরিশ্রমী ভদ্র বিনয়ী ছিলেন। হঠাৎ দেখি নিউইয়র্কে হাসপাতালে কিডনি রোগে আক্রান্ত। সহকর্মীরা সাহায্যেরর হাত বাড়িয়েছেন। এ লেখার আগে শুনি করোনা তাকেও করুণা করেনি! শেষ! বাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সিলেটের শাহাব উদ্দিন এখন করোনা আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কের হাসপাতালে।<br><br>নিউইয়র্কের মেয়রই নন, প্রকৃতির এমন আঘাতে আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ বিশ্বের রাষ্ট্রনায়করা লড়াই করলেও ভিতরে কত অসহায়বোধ করছেন বোঝা যাচ্ছে! নিয়তির হাতেই যেন আজ গোটা পৃথিবীর ভাগ্য। মার্কিন চিকিৎসক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। প্রেসিডেন্ট সেখানে লড়ছেন যেন ২ লাখের মধ্যেই থাকে। কে চিন্তা করেছিল পৃথিবীর ক্ষমতাধর উন্নত রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালিসহ ইউরোপের চিকিৎসাব্যবস্থা এমন অসহায়ত্বের বিষাদের চাদরে ঢেকে দেবে হতাশ পৃথিবীর মুখ! আজ এ বিপর্যয়ে তাদের কিট নেই, আইসিইউ নেই, শয্যা নেই, ভেনটিলেশনও নেই। চিকিৎসক কর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম নেই! তৃতীয় বিশ্বের যারা সর্বস্ব খুইয়ে হলেও দৌড়াতেন উন্নত চিকিৎসায় তাদের চোখ আজ ছানাবড়া।<br><br>বাংলাদেশে ৮ মার্চ করোনা আক্রান্তের খবর ঘোষিত হয় প্রথম। আগাম প্রস্তুতি না নেওয়াসহ বিদেশ থেকে আসাদের ব্যাপকহারে পরীক্ষা ছাড়া প্রবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নিতে না পারায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। চিকিৎসাব্যবস্থা পরীক্ষা প্রস্তুতি নিয়েও সমালোচনা করি আমরা। কিন্তু সব দেশের মতো আমাদের রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদক্ষেপ, রাষ্ট্রনায়কোচিত ভাষণে জাতি এক মুহূর্তে কার্যত অঘোষিত লকডাউনেই যায়নি গোটা প্রশাসনসহ জনগণ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। চীনের কিট অনেক দেশে অকার্যকর বলেও মেয়াদোত্তীর্ণগুলো ফেরত দিয়েছে। আমাদের পাশে তারা দাঁড়িয়েছে। আলিবাবার জ্যাকমার সাহায্য এসেছে। দেশের সেনাবাহিনী নেমেছে। পুলিশ সদস্যরা নেমেছেন আগেই। ক্রিকেটাররা অর্থ দান করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে। দুঃসময়ে মাঠ প্রশাসনও আন্তরিক পরিশ্রম করেছে। একজন এসিল্যান্ড সায়েমা ভুলের ক্ষমা চেয়ে অনুতপ্ত। অনেক ডিসি বাড়ি বাড়ি খাবার নিয়ে গেছেন। অনেক পুলিশ সদস্য কোয়ারেন্টাইনে খাবার দিয়ে আসছেন। নারায়ণগঞ্জের ইউএনও নাহিদা বারিক এক মাসের বেতনের টাকায় খাবার কিনে গরিবের বাড়ি ছুটেছেন।<br><br>জনগণের পাশে থেকে সর্বদা গণভবন থেকে মনিটরিং করে মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা সারা দেশে গরিবের ঘরে খাবার পাঠাচ্ছেন। সেনাবাহিনী এক মাসের বেতনের ২৫ কোটি টাকাই প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়নি, বাড়ি বাড়ি সড়কে সড়কে তারা রোদে পুড়ে মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে। গোটা জাতি যুদ্ধে। চিকিৎসাব্যবস্থাও সংগঠিত হচ্ছে। জীবনের ঝুঁঁকি নিয়েই চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করছেন। তবু আতঙ্ক, লাশ দাফন থেকে আক্রান্ত এমনকি যে কোনো রোগীর চিকিৎসা সেবাদান না দেওয়ার ঘটনা ঘটছে দেশে। পরীক্ষা হচ্ছে না। ৪৯ জন আক্রান্ত, পাঁচজন মৃত, ১৯ জন সুস্থ। শেষ পরিণতি কী হয় জানি না।<br><br>জাতিসংঘের বক্তব্য ২০ লাখ মারা যাবে। আমরা বিশ্বাস করতেই চাই না। প্রতিরোধের লড়াই জোরালো হয়েছে। ছুটি বা অঘোষিত লকডাউন আরও বাড়বে। প্রয়োজনে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মতো শিক্ষার্থীদের এক ক্লাস অটোপ্রমোশন সব মিডিয়ামেই দিতে হবে। ব্রিটেনেও দিয়েছে। সব চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মী যারা কাজ করবেন তাদের সুরক্ষা দিতে হবে। যুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে যিনি মারা যাবেন তাকে বীরের মর্যাদায় পরিবারের দায় রাষ্ট্রকে নিতে হবে।<br><br>বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ৫ হাজার শয্যার করোনা হাসপাতাল সাত দিনে করার যে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিয়েছিলেন তা গৃহীত হয়েছে। কাজও শুরু হয়েছে। রবিবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে গ্রুপের ১০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করে তার পিতার চিঠি বা লিখিত প্রস্তাব দেন। ভয়াবহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বিষণ্ন পৃথিবীর মানুষ যখন লড়ছে, দেশের মানুষ যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যুদ্ধে নেমেছে তখন বসুন্ধরা গ্রুপের এ উদ্যোগ মানবিক শক্তিকে উৎসাহই দেয়নি, মানুষকেও সাহস জুগিয়েছে। আকিজ গ্রুপও তেজগাঁওয়ে হাসপাতাল করছে। দেশের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, সিভিল প্রশাসন, আনসার ও ভিডিপি সদস্য- সবাই দেশের এ সংকটময় মুহূর্তে মানুষের জীবন বাঁচাতে এক দিনের বেতনই দেননি যুদ্ধও করছেন। সেনাবাহিনী, পুলিশ, ডাক্তার, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীরাও জীবনের ঝুঁঁকি নিয়ে কাজ করছেন।<br><br>আরও কিছু ব্যবসায়ী গ্রুপ অর্থ প্রদান করেছে। সব ব্যবসায়ীকে বড় মন নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। যারা সরকারের ১১ বছরে অনেক বাণিজ্য করেছেন তাদের কাছে মানুষ আশা করে বেশি। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান আইনজীবী পিতার সন্তান হয়ে এ দেশে গভীর দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চেতনায় বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রধানই নন, দেশে ব্যাপক বিনিয়োগে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনন্যসাধারণ ভূমিকা রাখছেন। সব দুর্যোগে মানবতার পাশে, মানুষ ও দেশের সঙ্গে। মন তাঁর সমুদ্রের মতো। কত হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করেছেন। কত শিল্পকারখানাই বিভিন্ন খাতে নয়, আবাসন খাতে হাজার হাজার পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে মাইলফলক করেছেন। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহৎ মিডিয়া হাউস গড়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের মহান চেতনায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশকে অর্থনীতির উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই তাঁর লক্ষ্য। কত মানুষকে হজে পাঠান, কত সহস্র মানুষের বিপদে গোপন সহায়তা দেন। কত মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে নীরবে দাঁড় করিয়েছেন। এমন মানবিক বিত্তবানরাই বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান।<br><br>ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সারা জীবনের অর্জন মানবতার জন্য উজাড় করে দিয়েছেন। সিকদার গ্রুপের জয়নুল হক সিকদার বীর মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ স্বজন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গরু জবাই করে শোক দিবসে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিলেন। আসাম থেকে মওলানা ভাসানীর সান্নিধ্য লাভ করেন। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে গণতন্ত্রের সংগ্রামেই নয়, কত মানুষের চিকিৎসায়, ব্যবসায় ও রাজনীতিবিদদের দুঃসময়ে সহায়তা করেছেন। স্কয়ারের স্যামসন এইচ চৌধুরী মানবিক ব্যবসায়ীর ইমেজ গড়েছিলেন। তাঁর সন্তানরাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপ আজ সংকটে কতটা হাত বাড়ান জাতি দেখতে চায়।<br><br>সব রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, মন্ত্রী, এমপি, সরকারি কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ নন। কিন্তু যারা দুর্নীতি করে সবখানে অঢেল অর্থবিত্ত গড়েছেন, তাদের আত্মোপলব্ধি করা উচিত এ অর্থ জনগণের। একাংশ জনগণের বিপদে দান করা উচিত। মানসিক দরিদ্ররা কখনো দিতে জানে না, নিতে জানে। দেওয়ার আনন্দ উপভোগ করার হৃদয় তাদের নেই। আজ দেশ কঠিন যুদ্ধে। প্রশ্ন তাই সেই লুটেরারা কোথায়? যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে জনগণের? ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে ব্যাংকিং খাতকে দুর্বল করেছে। যারা শেয়ারবাজার লুটতে লুটতে কবর দিয়েছে। রিক্ত-নিঃস্ব করেছে বিনিয়োগকারীদের তারা আজ কই? বিদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা যারা পাচার করেছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো সেই গণশত্রুরা আজ কোথায়? বিদেশের সেকেন্ড হোম সম্পদ কি করোনা আক্রান্ত পৃথিবীতে অনিশ্চিত মনে হয় না? এদের ধরে এনে আদায় করার সময়।<br><br>সারা দেশে ১১ বছরে যারা রাজনৈতিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রাতারাতি বিপুল অবৈধ অর্থসম্পদ গড়েছেন তাদের এখন দুই হাত ভরে মানুষকে সাহায্য করার সময়। স্থানীয় প্রশাসন, মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যানদের হাতে নগদ অর্থ ও খাবার তুলে দিন। এ অর্থ তো আপনাদের কষ্টে অর্জিত নয়, ঘুষ দুর্নীতির টাকা। জনগণের টাকা। মানুষের টাকার একটা অংশ মানুষকে তার দুঃসময়ে ফিরিয়ে দেবেন না কেন? একদিন তো চড়া মাশুল গুনতেই হবে। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দিন। জেলা প্রশাসকের হাতে দিন। ইউএনওর হাতে দিন। ইউপি চেয়ারম্যানদের হাতে দিন। সৎ সাধারণ মানুষ মানবিক হাত বাড়িয়েছে। সৎ মানুষরা কষ্টের এক দিনের বেতন দিচ্ছেন। পরিশ্রম করছেন তাপদাহে। আপনি চুরি-ডাকাতির টাকা এখন না দিলে কবে দেবেন? এখনই জনগণের টাকার একাংশ ফিরিয়ে দিন।<br><br>ভারতে করোনা মোকাবিলায় ১ হাজার ৫০০ কোটি রুপি সহায়তা দিয়েছে টাটা গ্রুপের দাতব্য সংস্থা টাটা ট্রাস্ট এবং টাটা গ্রুপের হোল্ডিং কোম্পানি টাটা সানস। এশিয়ার শীর্ষ ধনী এবং চীনা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে ১০ লাখ ফেস্ক মাস্ক এবং করোনা শনাক্তকরণে ৫ লাখ কিট অনুদান দিয়েছেন। ইউরোপে বিতরণের জন্য ২০ লাখ মাস্ক দান করছেন। জ্যাক মা ফাউন্ডেশনের দেওয়া ৩ লাখ মাস্ক ঢাকায় পৌঁছেছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ১০০ মিলিয়ন ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮০০ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন বিল গেটস দম্পতি। উদার হস্তে অনুদান দিতে ভারতীয় ব্যবসায়ী আদম প্রেমজির জুড়ি নেই। মুক্তহস্তে দান করার কারণে এর আগেও তিনি শিরোনামে এসেছেন। সুবিধাবঞ্চিত ও সুশিক্ষার জন্য তিনি অনুদান করে থাকেন। আর এবার দান করলেন ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৫০ হাজার কোটি রুপি। সালমান খান ২৫ হাজার মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। আমাদের তারকারা কই? গানে-সিনেমায়-নাটকে কম পারিশ্রমিক-সম্মানী তো নেন না!<br><br>সবাই লুটেরা কৃপণ মানসিক দারিদ্র্যগ্রস্ত নন। হৃদয়বান মানুষের সংখ্যাই বেশি। আমাদের দেশে করোনার বিরুদ্ধে মানুষের জীবন রক্ষার লড়াইয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে লড়াই, সেখানে আজ দেশের সবাইকে এগিয়ে আসার সময়। যার যা কিছু আছে, বঙ্গবন্ধুর সেই অমোঘ ডাক হৃদয়ে নিয়ে আজ দাঁড়ানোর সময়। বিশ্বমানবতাকেও পাশে নিতে হবে। আমাদের লোক বেশি, সামর্থ্য কম। সবাইকে নিয়েই জয়ী হতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা পরিবারের আবেগ-অনুভূতির কদর করে বিএনপি নেত্রীকেও মুক্তি দিয়েছেন। প্রয়োজনে আরও কিছু ছোটখাটো অপরাধে সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তি দিন। এ বিপর্যয়ের পর কঠিন অর্থনৈতিক লড়াই। আমরা অর্থনীতিতে অনেক দূর গিয়ে হোঁচট খেয়েছি। আবার ঐক্যের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। দোষারোপের রাজনীতি বিরক্তিকর। পৃথিবীর কোথাও নেই। আমাদের দেশেও গুজব, মিথ্যাচার, বিকৃতি পরিহার করতে হবে। আইইডিসিআরের মুখপাত্র স্মার্ট মেধাবী জাতির সন্তান মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা। সামর্থ্য অনেক থাকলেও সিম্পল, বলেন চমৎকার। পরীক্ষার ভিত্তিতে সরকারি তথ্যের বাইরে কীভাবে বলবেন? তাই বলে তার সাধারণ শাড়ি নিয়ে অসভ্য ট্রল জঘন্য বিকৃতি। সারা দেশে রোজ মৃত্যুর খবর আসছে। করোনার পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া বলবেন কীভাবে? সহনশীল হোন। ভুলত্রুটি যা হয়েছে বাদ দিন। লড়াই করুন। পশ্চিমাদের অবস্থা দেখুন। এত প্রশংসা, এত শক্তি, বলে কয়ে না আসা আকস্মিক এক জীবাণু করোনার আঘাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে লাশের পাহাড়ে। আমরাও কেউ প্রস্তুত নই। নিশ্চয় এ বিপর্যয়ে রক্ষা হলে পৃথিবী নতুন চিন্তার দরজা খুলে পথ হাঁটবে। সামরিক শক্তির চেয়ে নিজেদের পরাশক্তি আর যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা না ভেবে মানুষ হত্যার পথে না গিয়ে মানবজাতির জীবনের নিরাপত্তায় গবেষণা চিকিৎসায় মন দেবে। আমরাও বুঝলাম নিজেদের চিকিৎসা গবেষণার উন্নয়ন না হলে মহাবিপর্যয়ে বিদেশে চিকিৎসার পথও কত নির্মমভাবে বন্ধ হয়। এ কঠিন শিক্ষা। পরিবেশকে দূষণ ও তেজস্ক্রিয়তা থেকেই রক্ষা নয়, সমীহ করা। সেও ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ নিতে জানে। আর দেশের সবকিছুর সঙ্গে নিজেদেরও পরিচ্ছন্ন থাকা, সচেতনতা বাড়ানোর এক তাগিদ। এখন লড়াই বিজয়ী হওয়া ও নতুন চেতনায় জাগ্রত হয়ে নতুন স্বপ্নের পথে হাঁটা।<br><br>লেখক : নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন </body></HTML> 2020-04-01 09:39:16 1970-01-01 00:00:00 এপ্রিল সর্বোচ্চ সতর্কতার মাস http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91843 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712311_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712311_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের গতি-প্রকৃতি বিশ্লেষণে বাংলাদেশে এপ্রিল মাসকে ‘পিক টাইম’ (সর্বোচ্চ ব্যাপ্তির সময়) মনে করা হচ্ছে। দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং বিদেশফেরতদের দেশে আসার সময়ের ওপর নির্ভর করে এ আশঙ্কা করছেন করছেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা।। প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের বিস্তার রোধে এপ্রিলে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।<br>গবেষণাগারের প্রাপ্ত তথ্য উল্লেখ করে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এক প্রতিবেদন জানিয়েছে , করোনাভাইরাসের বংশবিস্তারে সময় লাগে ৫ দশমিক ৫ দিন। আক্রান্ত হওয়ার ১২ দিনের মধ্যে মানুষের শরীরে এর লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। লক্ষণ দেখা যাক বা না যাক আক্রান্ত মানুষ ভাইরাসটির বিস্তার ঘটাতে সক্ষম। এর অর্থ হলো আক্রান্ত হওয়া থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি সংক্রমণের বিস্তার ঘটাতে পারে। দেশে ১৮ মার্চ থেকে রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। এ সময়ের পর আক্রান্ত ব্যক্তিদের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে মার্চের শেষ সপ্তাহ থেকে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। এর মধ্যে তাদের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে অনেকে। এই চক্রকে যদি ঠেকানো না যায় তাহলে এপ্রিলের মধ্যে দেশে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস।<br><br>বিষয়টি ব্যখ্যা করে স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞ ডা. মালিহা মান্নান আহমেদ বলেন, প্রথম আক্রান্ত শনাক্ত থেকে ভাইরাসের সংক্রমণের সংখ্যা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছতে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগে। বাংলাদেশে এপ্রিলের মাঝামাঝি অথবা শেষের দিকে অনেক বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করছি। আমরা একটি সীমিত সম্পদের দেশ। তাই অল্প কয়েক হাজার আক্রান্ত রোগীও স্বাস্থ্যসেবার চূড়ান্ত পরীক্ষায় ফেলতে পারে। করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুবার নেগেটিভ এলেই কেবল আক্রান্তরা বিচ্ছিন্নতা থেকে ছাড়া পেতে পারেন।<br>তিনি আরও বলেন,স্বেচ্ছায় বিচ্ছিন্ন থাকা কোনো ব্যক্তির লক্ষণ প্রকাশ পেলে তাদের পরিবারের সদস্যদেরও কোয়ারেন্টাইনে রাখতে হবে। তাই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের সময়সীমা মানা না হলে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কোনো মহামারীতে একজন আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে সরাসরি কতজন আক্রান্ত হতে পারে তা বেসিক রিপ্রোডাকশন নম্বর বা আর.ও নামে পরিচিত। কভিড-১৯ এর মতো সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে এই আর.ও. বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এ নতুন ধারার সংক্রামক রোগ সবাইকে সন্দেহভাজনের তালিকায় ফেলেছে।<br><br>জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল মেডিসিনে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কভিড-১৯ এর আর.ও ২ দশমিক ৪৯ থেকে ২ দশমিক ৬৩ পর্যন্ত হতে পারে। এর অর্থ হলো একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ২ দশমিক ৫ জনেরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি ১০ জন বা ১০০ জনের মধ্যেও রোগটি ছড়িয়ে দিতে পারে। তাদের চরম সংক্রামক বলা হয়ে থাকে। চীন, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রে এরকম চরম সংক্রামক থাকার প্রমাণ মিলেছে। তাই সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে ঘরে থাকাই হচ্ছে ভাইরাসের বিস্তার ঠেকানোর মহৌষধ।<br><br> </body></HTML> 2020-04-01 09:38:02 1970-01-01 00:00:00 করোনার ঝুঁকিতে মুক্তি পাচ্ছে তিন হাজার বন্দি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91842 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712207_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712207_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বৈশ্বিক মহামারি করোনা সংক্রমণ এড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতোই কারাবন্দিদের মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। দেশের কারাগারগুলোকে করোনামুক্ত রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি বন্দির সংখ্যা কমানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জামিনযোগ্য ধারায় মুক্তি পেতে পারে, এমন বন্দিদের একটি তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এতে প্রায় তিন হাজার বন্দির মুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে কারাগারগুলোতে বন্দির সংখ্যাধিক্যের কথা উল্লেখ করে কারাকতৃপক্ষের তিন হাজার বন্দি মুক্তির প্রস্তাব সম্বলিত তালিকাটি এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়ে এসে পৌছেছে। স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে এই তালিকাটি সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হবে। বিচারক জামিন দিলেই তারা ‍মুক্তি পাবেন। সূত্র জানায়, আইনের আরেকটি ভিন্ন ধারার আওতায় আরও দেড় হাজার বন্দিকে মুক্তির কথাও ভাবছে সরকার। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে যারা ২০ বছরের বেশি কারাগারে রয়েছে তাদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে আইনগত বৈধতার যাচাই বাছাই চলছে।<br><br>সরকারের নির্দেশনার তিন হাজার বন্দির একটি তালিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করে মঙ্গলবার কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল আবরার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রতিটি কারাগারে বন্দি সংখ্যা ধারণক্ষমতা বেশি। এক্ষেত্রে ভাইরাস সংক্রমন ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এর মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশ কারাবন্দিদের মুক্তি দিয়েছে। পরিস্থিতির কারণে তাই জামিনযোগ্য ধারায় কিছু বন্দির মুক্তির বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। আমাদের পাঠানো তালিকা খতিয়ে দেখছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর এটি আইন ও বিচার বিভাগে যাবে। জামিনযোগ্য ধারায় বিচারক তাদের জামিন দিলেই কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তি দিতে পারবে। দেশের কোনো কারাগারে কোনো কারাবন্দির মধ্যে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি জানিয়ে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, সকল কারাবন্দিকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষ করা হয়। কারো মধ্যেই করোনার লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তবুও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে করোনাভাইরাস রোধে সচেতনতামূলক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। এই সতর্কতার অংশ হিসেবেই বন্দি কমানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, দেশের ৬৮টি কারাগারের ৯০ হাজারের মতো বন্দি রয়েছে।যা কারাগারগুলো ধারণক্ষমতার প্রায় তিনগুণ। প্রতিটি কারাগারেই এক জায়গায় অনেক বন্দি থাকেন। তাদের অন্যত্র যাওয়ার সুযোগও থাকে না। তাই এ ধরনের আবদ্ধ জায়গায় করোনার সংক্রমণ ঘটলে তা বিপজ্জনক হতে পারে। এই বিবেচনাতেই জামিনযোগ্য ধারার বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। </body></HTML> 2020-04-01 09:36:14 1970-01-01 00:00:00 চারজন হাত-পা-মাথা চেপে ধরে, বাবাকে গলা কেটে হত্যা করে ছেলে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91841 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712077_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585712077_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">চার সহযোগীকে সাথে নিয়ে বাবার গলা কাটার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চারজনকেই আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাটের সুন্দরপুর এলাকায়। জানা গেছে, চার সহযোগীর মধ্যে বাবু শক্ত করে পা ধরে, মিজান বুকের উপড়ে ওঠে, দুলাল মাথা ও গলা ধরে আর ছেলে মাহবুব ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে বাবাকে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর মাহবুব ও মিজান লাশ দুলালের কাঁধে তুলে দেয়। দুলাল সামান্য দূরে গিয়ে লাশ ঝোপের মধ্যে ফেলে দেয়। এ সময় লিটন তার বাবার ব্যবহার করা ব্যাটারি চালিত ভ্যানটি ব্রিজের নিকট দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল। এরপর তারা যে যার মতো করে বাড়ি চলে যায়। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে এমন লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাটের আমদই ইউনিয়নের সুন্দরপুর নয়া পাড়া গ্রামে। তবে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত প্রত্যেককেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।<br><br>জয়পুরহাট সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান মামলা সূত্রে জানান, সুন্দরপুর নয়া পাড়া গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র ভ্যান চালক আব্দুল জলিল মাত্র আড়াই শতক জমির উপর একটি বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। কিন্তু অভাবের তাড়নায় অনেক আগেই বাড়িটি প্রতিবেশী মোজাম হাজির নিকট রেজিস্ট্রি ছাড়াই বিক্রি করে দেন। এ নিয়ে মোজাম হাজির ছেলের সাথে আব্দুল জলিলের ছেলে মাহবুর রহমানের প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। এরই জের ধরে ইসমাইল নামে এক পরিচিত মানুষের বুদ্ধি শুনে বাবার হত্যার পরিকল্পনা করে মাহবুব। বিনিময়ে ওই বাড়িটি তার হাত ছাড়া হবে না, উল্টো হত্যার দায়ে মোজাম হাজীর উপর মামলা করে ১০ লাখ টাকা আদায় করা যাবে। যেমন চিন্তা, তেমন কাজ। মাহবুবব ঠিক করে ওই গ্রামেরই আব্দুর রশিদের ছেলে মিজানুর রহমান (২৫), মৃত. তহির উদ্দীনের ছেলে দুলাল হোসেন (৪০), আব্দুল মজিদের ছেলে লিটন মন্ডল (২৩) ও আব্দুল মজিদের ছেলে বাবু মন্ডলকে (২৮)। মাহবুব চুক্তির ১লাখ টাকার মধ্যে ৫ হাজার টাকা অগ্রিম বাবুকে দিয়ে মোট ৪ জনকে ঠিক করে তার বাবাকে হত্যা করার জন্য। সর্বশেষ ২৭ মার্চ রাত টার দিকে আব্দুল জলিল ভ্যান নিয়ে জয়পুরহাট থেকে নিজ গ্রামের ত্রিমোহনী ব্রিজের কাছে পৌঁছলে তার ছেলে মাহবুবসহ ৫জন তাকে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় অনেক খোঁজাখুজির পর পরের দিন দুপুরে ত্রিমোহনী ব্রিজের নিচে আব্দুল জলিলের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়।<br><br>এ বিষয়ে জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মরত (ওসি) শাহরিয়ার খাঁন জানান, পুলিশের সন্দেহ অনুযায়ী প্রথমে নিহতের ছেলেকে আটক করা হলে সে তার বাবাকে হত্যার দায় স্বীকার করে। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত একই এলাকার ওই ৪ জনকে সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের প্রত্যেককে মঙ্গলবার দুপুরে জয়পুরহাটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে বিচারক গোলাম মাহফুজের কাছে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দেয় তারা। এদের মধ্যে আদালত দুলাল ও মিজানুরের ১ দিন করে রিমান্ড মঞ্জর করেন । </body></HTML> 2020-04-01 09:34:05 1970-01-01 00:00:00 ৫০০০ কোটি টাকার করোনা তহবিল থেকে শ্রমিকদের ৩ মাসের বেতন-ভাতা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91840 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585711972_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold; font-style: italic; color: rgb(255, 0, 0);"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585711972_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and gt; and gt; বাংলাদেশ ব্যাংককে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রস্তুতের সুপারিশ<br> and gt; and gt; সুবিধা পেতে ৮০ শতাংশ পণ্য রফতানির বাধ্যবাধকতা</span><br><br>করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত রফতানি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠনের বিষয়ে কিছু গাইডলাইন দিয়ে নীতিমালা প্রস্তুত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বলা হয়েছে। উৎপাদিত পণ্যের অন্তত ৮০ শতাংশ রফতানি হয় এসব প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে অর্থ নেওয়ার যোগ্য হবে। পাশাপাশি সংকট চলাকালীন সময় তথা এপ্রিল, মে ও জুন এ তিন মাসের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা এ তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এমন কিছু গাইডলাইন দেয়া হয়েছে। এসব গাইডলাইন দিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।<br><br>এদিকে তহবিল থেকে শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মালিকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংকগুলো তহবিল থেকে ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে। এই ঋণ নেওয়ার পর প্রথম ছয় মাস কিস্তি দিতে হবে না, যা গ্রেস পিরিয়ড নামে পরিচিত। ঋণ নেওয়ার দুই বছরের মধ্যে তা পরিশোধ করতে হবে।<br>যেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য অন্তত ৮০ শতাংশ রফতানি হয় তারাই এ তহবিল থেকে অর্থ নিতে পারবে। বাজেট থেকে টাকা না দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিকারকদের ঋণ দেবে।<br><br>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে গত সোমবার অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত তহবিল গঠনের সবকিছু চূড়ান্ত করেও সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেনি অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশেই আজ মঙ্গলবারও প্রজ্ঞাপন জারি না করে আরও যাচাই-বাছাই করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংককেই নীতিমালা করার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা কিছু গাইডলাইন দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে একটা নির্দেশনা দিয়েছি। ওরা এ গাইডলাইনের আলোকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে একটা নীতিমালা করবে।’<br><br>অর্থ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নামে ৫ হাজার কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে। তার বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে দেশের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কাছে ক্ষতিগ্রস্ত রফতানিকারকরা এই তহবিল থেকে ঋণের জন্য আবেদন করবেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে শিল্প মালিকদের নামে ঋণ হিসেবে তহবিল থেকে অর্থ দেওয়া হবে। এই ঋণের মেয়াদ হবে দুই বছর। এর মধ্যে ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। সরকার কোনো ধরনের সুদ নেবে না। যে ২ শতাংশ সুদ শিল্প মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া হবে, তা ঋণ বিতরণকারী ব্যাংক সার্ভিজ চার্জ হিসেবে নেবে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো গাইডলাইনে আরও বলা হয় যে, যেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য অন্তত ৮০ শতাংশ রফতানি হয় তারাই এ তহবিল থেকে অর্থ নিতে পারবে। সংকটকালীন সময় তথা এপ্রিল, মে ও জুন এ তিন মাসের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা এ তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান রফতানির সাথে যুক্ত নয় তারা এ তহবিল থেকে ঋণ নেয়ার জন্য যোগ্য হবে না।<br><br>গত ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রী এ তহবিল গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পমালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, পোশাক খাতে এক মাসে বেতন দিতেই দরকার হয় ৪ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের জোগানদাতা এক্সেসরিজ শিল্পমালিকরাও এ তহবিল থেকে সহায়তা চেয়েছেন। </body></HTML> 2020-04-01 09:29:24 1970-01-01 00:00:00 নির্ধারিত সময়ের আগেই পদ্মা সেতুর পিয়ারের কাজ শেষ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91839 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585664957_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585664957_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পদ্মা সেতুর অন্যতম চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল প্রমত্তা পদ্মা নদীতে পিয়ার তৈরি করা। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই চলছে পদ্মা সেতুর কাজ।<br>সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৪২টি পিয়ারের মধ্যে সর্বশেষটির কাজ শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টায়। পদ্মা সেতুর একাধিক প্রকৌশলী এ খবর নিশ্চিত করেছেন। পদ্মা সেতুর সহকারী প্রকৌশলী আহসান উল্লাহ মজুমদার শাওন বলেন, মঙ্গলবার সর্বশেষ পিয়ারের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে দেখে অসম্ভব ভালো লাগছে। কারণ সাব-স্ট্রাকচার অংশের এই কাজটা অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। একসময় পদ্মা সেতুর পিয়ার তৈরিতে নদীর মাটির জটিলতার কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। পরে নকশায় কিছু পরিবর্তন এনে সেই সমস্যা দূর করা হয়। তবে, আমি সবসময় বিশ্বাস করেছি সমস্যার কোনও না কোনও সমাধান পাওয়া যাবেই। তিনি আরও বলেন, পিয়ারে বেইজড গ্রাউটিং, স্কিন গ্রাউটিং ও ফুললেন্থ স্টিল পাইলিং করা হয়েছে। আমাদের দেশে সাধারণত যেমন ব্যবহৃত হয় তার থেকে পদ্মা সেতুর বিয়ারিং প্যাডে ভিন্নতা আছে।<br>পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, পদ্মা সেতুর সর্বশেষ ৪২তম পিয়ার, যার আইডি নম্বর পি-২৬, এর কংক্রিটিংয়ের কাজ দুপুর ১২টায় শুরু হয়েছে। কংক্রিটিংয়ের কাজ শেষ হতে ১০ ঘণ্টার মতো সময় লাগবে। আজ রাত ১০টার দিকে শেষ হয়ে যাবে সেতুর সব পিয়ারের কাজ।<br>তিনি আরও বলেন, মূল সেতুর ৪২টি পিয়ার ছাড়াও মাওয়াপ্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪৪টি পিয়ার ও জাজিরা প্রান্তের ভায়াডাক্টে ৪৭টি পিয়ার আছে। সব মিলিয়ে ১৩৩টি পিয়ারের কাজ শেষ হতে যাচ্ছে আজ। সংশোধিত প্রোগাম অনুযায়ী সেতুর শেষ পিয়ার করার লক্ষ্য ছিল ২০২০ সালের ৩০ এপ্রিল। তার আগেই কাজ শেষ হয়ে গেল আমাদের।<br>দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, এসব পিয়ার সম্পূর্ণ করতে বেশ কিছু নতুন টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়েছে, যা আগে কখনও বাংলাদেশে হয়নি। সার কথা, পদ্মা সেতু একটি মজবুত সেতু হবে এবং কমপক্ষে ১০০ বছর টিকবে।<br>এর আগে গত শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৭তম স্প্যান বসানো হয়। ফলে দৃশ্যমান হয় সেতুর ৪০৫০ মিটার। বর্তমানে ৩৯টি স্প্যান আছে প্রকল্প এলাকায়।<br>২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।<br>স্থানীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশের অন্য সব চলমান প্রকল্পের মতো পদ্মা সেতুতেও করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে সেতুতে কাজ করছেন দেশি-বিদেশি প্রায় ১৫০০ কর্মী। যদিও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের আগে সেতুতে কর্মরত ছিলেন প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী।<br>প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মীর মধ্যে তিন হাজার কর্মী কাজে আসতে পারছেন না। বর্তমানে কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে রয়েছেন দেড় হাজারের মতো কর্মী।<br><br> </body></HTML> 2020-03-31 20:28:47 1970-01-01 00:00:00 মালয়েশিয়ায় খাদ্য সংকটে প্রবাসীরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91837 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585664815_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585664815_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"></span>প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ক্রমশই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। মালয়েশিয়ায় এ পর্যন্ত ৪৩ জন মৃত্যুর হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৭৭৬৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩৭ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ঠেকাতে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পর্যটন নগরি মালয়েশিয়ায় চলচে লকডাউন। ঘোষিত লকডাউনের আজ ১৪তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে। ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ বেঁধে দেয়া এ আদেশ বাড়িয়ে চলবে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রাণঘাতি করোনার কারণে সর্বসাধারণের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে আনতে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। বিনা কারণে ঘর থেকে বের হলেই করা হচ্ছে জেল জরিমানা। সরকারের দেয়া নিয়ন্ত্রণ অমান্য করায় আটক করা হয়েছে প্রায় ৮২৮ জনকে। এ অবস্থায় বাংলাদেশিসহ সকল প্রবাসী চরম দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তায় দিনাতিপাত করছেন। খাদ্য সংকটে ভুগছেন অনেক প্রবাসী। বেশিরভাগ শ্রমিকদের কাছে নগদ অর্থ নেই। কোম্পানিগুলোর কাজ বন্ধ।<br>সরকার ঘোষিত লকডাউনের সময় বেতন পরিশোধের ঘোষণা দিলেও বেতন পাবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই বলছেন অনেকে। বেশিরভাগ কোম্পানিই চায়না লকডাউন সময়কালের বেতন শ্রমিকদের বুঝিয়ে দিতে। এ নিয়ে শ্রমিকদের মধ্য উদ্বেগ ও উৎকন্ঠার জন্ম নিয়েছে। অবৈধ অভিবাসী যারা রয়েছেন তারা সমস্যার সম্মুখীন বেশি। এই লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত বৈধ অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন প্রবাসীরা। এমন পরিস্থিতিতে হাইকমিশন বলছে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। মিশনের ফোন, ইমেইলে বা মেসেঞ্জারের মাধ্যমে হাইকমিশনে যোগাযোগ করার জন্য প্রবাসীদের আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।<br>হাইকমিশনার মহ. শহিদুল ইসলাম বলছেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই মহামারি থেকে আমরা উত্তরণ করব। মালয়েশিয়া সরকারের আদেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে লকডাউন চলছে। সেখানে বা মালয়েশিয়ার অন্য কোনো স্থানে বাংলাদেশি কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের খবর নেই। ইতিমধ্যে ঢাকায় জানানো হয়েছে এখানকার পরিস্থিতি। দূতাবাস থকে ২৪ ঘণ্টা হটলাইন সেবা দেয়া হচ্ছে। কর্মকর্তারা পালাক্রমে ডিউটি দিচ্ছেন। আমরা রাজধানিসহ অন্যান্য শহরে অবস্থানরত সবার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছি। যেই সমস্যা নিয়ে ফোন করছেন তাদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।<br>এ ছাড়া করোনাভাইরাস জনিত অসুস্থতায় স্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরি পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি সাময়িক পরামর্শ কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পহেলা এপ্রিল ২০২০ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই সেবা অব্যাহত থাকবে। পরামর্শ প্রদান করবেন বাংলাদেশি চিকিৎসকবৃন্দ। আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের সময়সূচি অনুযায়ী দূরালাপনীর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ক্লিনিক এন কেয়ার ডিজিটাল স্বাস্থ্য সেবা সকল ইমিগ্রান্ট নাগরিকদের চিকিৎসা বিষয়ক ফ্রি পরামর্শ দেয়া হবে বলে জানালেন আয়োজকরা।<br> </body></HTML> 2020-03-31 20:26:16 2020-03-31 20:27:26 ফেনীতে নিম্নআয়ের মানুষ ও প্রকৃত ক্ষতি গ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন র‌্যাবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91836 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663989_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663989_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ফেনী প্রতিনিধি ॥</span><br>ত্রাণ সহায়তা দেয়ার কথা শুনলেই কিছু মানুষের অভ্যাস হয়ে and nbsp; গেছে হাত পাতার। করোনা সংকটে ফেনীতে নিম্নআয়ের মানুষ ও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন র‌্যাবে ফেনী ক্যাম্পের সদস্যরা। ৩১ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর থেকে ফেনী শহর ও ফুলগাজীর বেশ কয়েকটি স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর, ভাসমান হকার, রিকশাচালকদের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করেন ফেনী ক্যাম্প ভারপ্রাপ্ত মো: নুরুজ্জামান।এ বিষয়য়ে র‌্যাব ক্যাম্প ফেনীর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মো. নুরুজ্জামান and nbsp; বলেন, যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত আমরা তাদের খোঁজ করে এসব নিত্যপণ্য দেয়া হচ্ছে। <br><br>প্রাথমিক ধাপে ৩শ পরিবারকে বিতরণ করা হবে। প্রতি প্যাকেটে ৩ কেজি চাল, ১ কেজি করে ডাল, আলু, and nbsp; ১ লিটার তেল, ৫শ গ্রাম লবণ রয়েছে। তিনি আরো বলেন, যাতে করে মানুষ ঘরে বসে কিছুদিন খেতে পারে। অনেকে এসব খাবার সংগ্রহ করে আবার বিক্রি করে দেয়। এই মুহুর্তে খাবার দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখা। সামাজিক দূরুত্ব বজায় রাখতে গিয়ে যারা না খেয়ে আছে অথবা যারা একদই অসচ্ছল জীবন-জীবিকার ত্যাগিদে বের না হওয়া ছাড়া উপায় তাদের হাতে খাবার পৌঁছে দেয়া। এ ছাড়া জনগণকে সচেতনতা ও সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করতে ফেনীতে পুলিশ স্বশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও মাইকিং করে জেলার সর্বত্রই প্রচারণা চালাচ্ছেন। </body></HTML> 2020-03-31 20:12:35 1970-01-01 00:00:00 করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর জানাল মিয়ানমার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91835 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663773_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663773_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নাগরিকের মৃত্যুর খবর দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটিতে ভয়াবহ এ ভাইরাসের সংক্রমণে এই প্রথম কারও মৃত্যু হলো।<br>সদ্য অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর ভ্রমণ করে আসা ৬৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি রাজধানী ইয়াঙ্গুনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মঙ্গলবার মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র করোনাভাইরাসে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর এ খবর নিশ্চিত করেছেন।<br><br>মিয়ানমারের স্বাস্থ্য বিভাগের মুখপাত্র খিন খিন গাই রয়টার্সকে বলেন, ‘মৃত ওই ব্যক্তি ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার পথে তিনি কিছু সময় সিঙ্গাপুরেও ছিলেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে সাতটায় তার মৃত্যু হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারে অবাধ তথ্য আদানপ্রদানে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। এমনকি দেশটির সংবাদমাধ্যমও অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। ফলে বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে দেশটির প্রকৃত অবস্থা কি জানাও যায় না।<br><br>তবে মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রতিবেশি দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিয়ানমারে করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত ১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এদের প্রায় সবাই বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তি। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা কম হলেও এ সংখ্যা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মিয়ানমারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা খুব নাজুক বলে জানিয়েছে রয়টার্স। </body></HTML> 2020-03-31 20:09:01 1970-01-01 00:00:00 এশিয়ার প্রায় আড়াই কোটি লোককে দরিদ্র করবে করোনা : বিশ্বব্যাংক http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91834 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663531_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663531_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br> and nbsp; বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক আঘাত হানবে মহামারি করোনাভাইরাস। এর প্রভাব পড়বে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর। বিশ্ব ব্যাংকের একটি তথ্য বলছে, করোনার কারণে অর্থনৈতিক মন্দা থেকে নিষ্কৃতি পাবে না এই অঞ্চলের প্রায় ২৪ মিলিয়ন (দুই কোটি ৪০ লাখ) মানুষ। তারা দরিদ্রতার শিকার হবে। বিশ্ব ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক তার রিপোর্টে বলেছে, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির ওপর যে প্রভাব পড়েছে, তাতে করে সব দেশই তাৎপর্যপূর্ণভাবে আক্রান্ত হবে। এতে করে যেসব পরিবারের জীবিকা শিল্প-কারখানার ওপর নির্ভরশীল, তারা রয়েছে চরম ঝুঁকিতে। এটা তাদের জন্য অশনিসঙ্কেত।<br><br>বিশ্ব ব্যাংক নির্দিষ্ট করে দিয়েছে বলেছে, থাইল্যান্ডের পর্যটনখাত এবং ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোতে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়বে। বিশ্বের শীর্ষ এই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংজ্ঞানুযায়ী, তাদের দৈনিক আয় সাড়ে পাঁচ মার্কিন ডলারের নিচে তারাই দরিদ্র। করোনার করুণ দৃশ্যপট তুলে ধরে বিশ্ব ব্যাংকের আশঙ্কা, বিশ্বের প্রায় ৩৫ মিলিয়ন (সাড়ে তিন কোটি) মানুষ দরিদ্রতায় পতিত হবে। করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে এ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ২৫ মিলিয়নে।<br>বিশ্ব ব্যাংকের অনুমান, করোনাভাইরাসের কারণে পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবদ্ধি ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে যাবে।<br><br>এই অবস্থায় এই অঞ্চলের দেশগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাসমাগ্রী তৈরি কারখানা বর্ধিত করে তাতে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। একই সঙ্গে, অসুস্থ থাকাকালীন কর্মীদের ভর্তুকি দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়েই চলেছে। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এ পর্যন্ত গোটা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৭১২ জন। মারা গেছেন ৩৭ হাজার ৮১৪ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ৬০৬ জন। বর্তমানে বিশ্বের দুইশোর অধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।<br> </body></HTML> 2020-03-31 20:03:51 1970-01-01 00:00:00 করোনাভাইরাস প্রতিরোধ গ্রাম লকডাউন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91833 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585662885_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585662885_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥<br>ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ৩টি গ্রাম লকডাউন করেছেন গ্রামবাসী। গ্রামে কেউ এখনও আক্রান্ত হয়নি। গ্রামবাসী জানান, সোমবার থেকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার আনন্দ বাগ, আড়পাড়া, ও নিশ্চন্তপুর গ্রাম লকডাউন করা হয়েছে। and nbsp; সরকারি ঘোষণার পাশাপাশি করোনার কবল থেকে সকলকে বাঁচাতে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন আনন্দবাগ, আড়পাড়া ও নিশ্চিন্তপুর গ্রামবাসী নিজেরাই লকডাউন ঘোষণার মাধ্যমে করছেন ব্যতিক্রমী কাজ। এ গ্রামের যুবকেরা নিজেদের গ্রামটিকে বাঁচাতে নিয়েছেন নানা উদ্যোগ। তারা গ্রামটিতে প্রবেশের প্রধান সড়কে করোনা সম্পর্কে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছে। রাস্তার মোড়েই বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি। এমন অবস্থায় গ্রামবাসীরা কেউ ঘর থেকে বাইরে যাচ্ছেন না বললেই চলে। একান্তই জরুরি প্রয়োজনে কেউ বাইরে গেলে তাকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছেন অথবা হাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করে দিচ্ছেন। আবার বাইরে থেকে ফিরে আসলেও একইভাবে হাত পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া গ্রামের বাইরের সকলকে এ গ্রামে আপাতত না আসার জন্য অনুরোধ করেছেন গ্রামবাসী। এভাবে সম্মিলিত সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য গ্রামবাসীকেও সচেতন করছেন এ গ্রামটি।<br>এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুবর্ণা রাণী সাহা জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। ওই গ্রামের বাসিন্দা কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সুলতান আহমেদ বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন। যেহেতু সারা দেশে লকডাউন চলছে, সেখানে গ্রামবাসীর এই উদ্যোগ অবশ্যই ভালো। তবে সতর্ক থাকতে হবে কোনোভাবেই যেন জরুরি প্রয়োজন বাঁধাগ্রস্ত না হয়। </body></HTML> 2020-03-31 19:54:28 1970-01-01 00:00:00 করোনাভাইরাস নিয়ে গুজব ছড়ানোয় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91832 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585662847_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585662847_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জেলা প্রতিনিধি ॥ </span><br>করোনাভাইরাস নিয়ে রাশিয়ার নাগরিকসহ বিদেশিদের তিনটি ভাড়া বাড়ি ঝুঁকিতে এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগে ঈশ্বরদী পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা করা হয়েছে।<br>গতকাল সোমবার রাতে ঈশ্বরদী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আতিকুর ইসলাম বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে এই মামলাটি করেন। তিনি উপজেলার মশুড়িয়া পাড়া এলাকার আব্দুল করিম মোল্লার ছেলে। and nbsp; তার দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেছেন পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম লিটন।<br>ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দীন ফারুকী বলেন, সম্প্রতি ফেসবুকে এক মিনিট ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে সালাম মোল্লা নামে এক ব্যক্তি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নির্মাণকাজে নিয়োজিত রাশিয়ার নাগরিকদের উদ্দেশ্য করে কিছু মিথ্যা তথ্য দেন। রাশিয়ানদের কারণে অনেক লোক ঝুঁকিতে এবং এসব তথ্য গোপন করছে বলে মিথ্যা তথ্য দেন তিনি। <br> and nbsp;এরপর অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।<br>তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ঈশ্বরদীতে নভেল করোনাভাইরাস-২০২০ এ কেউ আক্রান্ত হয়েছে বা মারা গেছে এমন কোনও খবর পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সরকার ও দেশের জনগণ অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবেই এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কাজ করছে। অনেকেই এ বিষয়ে অতি উৎসাহী হয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। যারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের মাধ্যমে এ ধরনের খবর প্রচার করবে তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।<br><br></body></HTML> 2020-03-31 19:53:35 1970-01-01 00:00:00 ঘর পুড়ে ছাই : সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির ত্রাণ বিতরণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91831 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663411_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585663411_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চরসাহাভীকারী, মৌলবীপাড়ার ছোট পণ্ডিত বাড়ীর অরুণ চন্দ্র দাসের ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত ৩০ শে মার্চ সোমবার রাত ৯টায়। ঘর সহ আসবাবপত্র ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পুড়ে যাওয়ায় অসহায় হয়ে পড়ে অরুণ চন্দ্র দাস ও তার পরিবার।<br>এমতাবস্থায়, ৩১শে মার্চ মঙ্গলবার সকালে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে ছুড়ে আসেন সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবদুল্লাহ রিয়েল, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মাদ ইকবাল হোসাঈনসহ প্রমুখ।<br><br>সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির এমন মহতি উদ্যোগকে স্বাগতম জানিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। সোনাগাজী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবদুল্লাহ্ রিয়েল, বর্তমানে বাংলাদেশে করোনা সমস্যায় অসহায়, দুস্থ ও হতদরিদ্রদের পাশে দাড়ানোর জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান। </body></HTML> 2020-03-31 18:49:02 2020-03-31 20:25:46 হাসপাতাল মানে কি একটি বিল্ডিং? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91830 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653813_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653813_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"><span style="font-weight: bold;">জয়নাল হাজারী ॥</span><br>সম্প্রতি শীর্ষ ধণাঢ্য ব্যক্তিরা ঘোষণা দিয়েছেন তারা এক সপ্তাহের মধ্যে চীনের মত হাসপাতাল তৈরি করে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিবেন। ধণাঢ্য ব্যক্তিরা বিচক্ষণ তাতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু দেশের সকল মানুষকে বোকা মনে করার কোনই কারণ নাই। কারণ হাসপাতাল কাকে বলে মানুষ তা জানে। হাসপাতালের প্রাণ হচ্ছে ডাক্তার-ঔষধ এবং যন্ত্রপাতি। সপ্তাহ দশদিনের মধ্যে একটি মাঝারি ধরনের দুই-তিন তলা ইমারত তৈরি করাও সম্ভব নয়। কারণ একটি ছাদ পিটিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিতে হয়। সেটা বাদ দিলাম আসল কথা হচ্ছে হাসপাতালের জন্য যে ডাক্তার প্রয়োজন প্রথমে সেটা কোথায় পাবেন। আকিজ ও বসুন্ধরা গ্রুপের কাছে কত টাকা আছে তারা নিজেরাও জানে না। তাদের টাকার কথাটি অংকে লেখা কঠিন। যেখানে কয়েকযুগ পুরানো হাসপাতাল থেকে ডাক্তারেরা পালিয়েছে সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে সত্যিকারের ডাক্তার আনা সম্ভব? মোট কথা হাসপাতাল যারা করতে চান তাদেরকে আগে ডাক্তার নিয়োগ করতে হবে। তারপর ঔষধ ও সরনজাম আনতে হবে। আসল কথা হচ্ছে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ঔষধই আবিষ্কার হয়নি। and nbsp; আমি বলি হাসপাতাল তৈরি করার চেষ্টা না করে টাকাটা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণতহবিলে দিয়ে দিন। অনেকেই সেখানেই টাকা দিচ্ছে এবং এই টাকাটা সঠিকভাবে কাজে লাগবে।<br><br>সেখানে হাসপাতালগুলো করবেটা কি? টাকা আছে এটা জানান দেয়ার জন্য হাসপাতাল করবো ঘোষণা না দিয়ে হেলিকাপ্টারে করে গরিব and nbsp; এলাকায় টাকা ছিটিয়ে দিলেই ব্যাপক প্রচার হবে। অবশ্য হাসপাতালগুলোকে পশু হাসপাতালে রূপান্তর করলে খারাপ হবে না। আমি ভাবছিলাম আমিও একটি হাসপাতাল বানাবো, তবে তা ইমারতের নয় কাগজের। কাগজ দিয়ে হাসপাতাল বানালে হাসপাতালটি একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিতে সুবিধা হবে। করোনরোগী দেখলে পুরো হাসপাতালটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়া যাবে। <br><br><br> </body></HTML> 2020-03-31 17:23:04 2020-03-31 17:42:56 গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২ জন, সুস্থ ৬ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91829 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653645_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653645_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আরও দুইজন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে কোভিড-১৯ মহামারির সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরার সময় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ কথা জানান। and nbsp; মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দু’জনই পুরুষ। এদের মধ্যে একজন সৌদিআরব থেকে এসেছেন। তার বয়স ৫৭ বছর। তিনি ডায়াবেটিসে ভুগছেন। অন্য জনের বয়স ৫৫ বছর। তিনি বিদেশফেরত নয়। তার আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস জানা যায়নি। তিনি জানান, এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ জনের। এছাড়া আগে থেকে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ছয়জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থ ছয়জনের মধ্যে চারজন পুরুষ দুইজন নারী। এদের মধ্যে একজন নার্সও রয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন।<br>ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমআইএস বিভাগের পরিচালক মো. হাবিবুর রহমান। এদিকে করোনা আক্রান্ত নতুন করে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। দেশে করোনা আক্রান্ত মোট মৃতের সংখ্যা ৫ জনই রয়েছে। </body></HTML> 2020-03-31 17:20:02 1970-01-01 00:00:00 ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91828 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653544_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653544_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সরকারঘোষিত ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। and nbsp; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৯ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন। এরপর শুক্র ও শনিবার দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসাবে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা হচ্ছে বলে জানান কর্মকর্তারা। <br>এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছুটির বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন থেকে সার্কুলার জারি হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আপনারা তো জানেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছুটির বিষয়ে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে শিগগিরই জানতে পারবেন। </body></HTML> 2020-03-31 17:18:36 1970-01-01 00:00:00 ঢাকার বাজারে কমেছে নিত্যপণ্যের দাম http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91827 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653394_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653394_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দেশে করোনাভাইরাস আতঙ্কে আকাশ ছুতে যাওয়া সবজির দাম এখন নাগালে এসেছে। একশ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন ২৫ টাকা। ৪০ থেকে ৬০ টাকা হালি দরে বিক্রি হওয়া লেবুর দাম নেমে এসেছে ২০ টাকায়। সাধারণ ছুটিতে অধিকাংশ নগরবাসী ঢাকা ছেড়ে যাওয়ায় রাজধানীর বাজারে ক্রেতাস্বল্পতা দেখা দিয়েছে। আর ক্রেতা কম থাকায় কমেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। চার দিনের ব্যবধানে অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে অনেক ভোগ্যপণ্যের দর। কিছু পণ্যের দাম নেমে এসেছে চার ভাগের এক ভাগে। সবজি থেকে শুরু করে কমেছে পেঁয়াজ, রসুনের দামও। মঙ্গলবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর নতুন কাঁচাবাজার, নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজার ও ঢাকা উদ্যান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।<br><br>বাজার ঘুরে দেখা যায়, তিন থেকে চার দিন আগে এসব বাজারে এক হালি এলাচি ও কলম্ব লেবু বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। কয়েক দিনের ব্যবধানে সে দাম নেমে এসেছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়। ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া শসা এখন বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে। বাজারের বাইরে ভ্যানগাড়িত প্রতি কেজি শসা বিক্রি হতে দেখা গেছে মাত্র ১৫ টাকায়। এছাড়া অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমে এসেছে। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে, সিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। একই দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে ঢেঁড়স, করলা, বরবটি, বেগুন ও পটল। ৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে। একই দাম গাজরের। মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে।<br><br>সবজির পাশাপাশি কমেছে পেঁয়াজ, রসুন, আলুর দাম। ২৬ মার্চ সাধারণ ছুটি ঘোষণার আগে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ। বর্তমানে সে দাম নেমে এসেছে অর্ধেকে। পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। সেঞ্চুরির ঘর থেকে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় নেমে এসেছে রসুন। ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া গোল আলু এখন ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পণ্যের দাম কমার কারণ হিসেবে বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে পণ্য সরবরাহ বেশি। তবে কারো কারো মতে, জনবহুল নগরী এখন অনেকটাই জনশূন্য। ফলে বাজারে ক্রেতা আনাগোনা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। যারা এখনো ঢাকায় অবস্থান করছেন তাদের বেশির ভাগই আগে থেকে অনেক খাদ্যসামগ্রী মজুদ করে রেখেছেন। ফলে বাজারে ক্রেতার দেখা নেই। </body></HTML> 2020-03-31 17:16:05 1970-01-01 00:00:00 নিউইয়র্কে পৌঁছেছে হাজার শয্যাবিশিষ্ট ভাসমান হাসপাতাল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91826 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653292_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653292_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে গুরুত্ব না দিলেও এখন তিনি নিজেকে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন। করোনায় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি নিহত ও আক্রান্ত নিউইয়র্কে। সেখানে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট ভাসমান হাসপাতাল পাঠিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। মার্কিন নৌবাহিনীর ১ হাজার শয্যাবিশিষ্ট ইউএসএনএস কমফোর্ট জাহাজ ম্যানহাটনের একটি জেটিতে ভিড়েছে। ৮৯৪ ফুট দীর্ঘ এ জাহাজ শনিবার ভার্জিনিয়ার নরফক ছেড়ে আসার সময় জনতা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানায়। জাহাজটিতে ১২ টি অপারেটিং কক্ষ রয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।<br><br>তবে মার্কিন নৌবাহিনীর এই ভাসমান হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে না। বরং করোনা রোগী ছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবা দেয়া হবে। যেমন- সার্জারি বা মারাত্মক অবস্থার কোনো রোগীকে এই জাহাজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে।<br>এরই মধ্যে নিউইয়র্কের বিভিন্ন পার্কে অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে করোনা রোগীদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে।<br>নিউইয়র্ক সিটি মেয়র বিল ডে ব্লাসিও জানিয়েছেন, এখানে যুদ্ধকালীন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সবাই মিলে টেনে তোলার চেষ্টা করছি। </body></HTML> 2020-03-31 17:14:28 1970-01-01 00:00:00 শ্রমিকদের বাড়ি ভাড়া সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91825 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653161_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653161_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">শ্রমিকদের বাড়ি ভাড়া সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাড়ির মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসজনিত সংকটের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্পখাত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এ সকল শিল্পের শ্রমিকরা সমস্যায় পরেছেন। এ অবস্থায়, শ্রমিক ভাই-বোনদের সমস্যার কথা চিন্তা করে বাড়ি ভাড়া সহানুভূতির সাথে বিবেচনার জন্য বাড়ি মালিকদের প্রতি অনুরোধ করছি। মন্ত্রী বলেন, আমরা সহানুভূতিশীল হলে খেটে খাওয়া শ্রমিক ভাই-বোনরা কিছুটা স্বস্তিতে বর্তমান সংকট উত্তরণে সক্ষম হবেন এবং আগামীতে রপ্তানি খাতে বেশি অবদান রাখবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।<br>বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার পর্যন্ত বিশ্বে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৮১৫ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, নভেল করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৭৭৪ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ৫ লাখ ৮২ হাজার ৩৫৩ জন চিকিৎসাধীন এবং ২৯ হাজার ৪৮৮ জন (৫ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।<br><br>এছাড়া করোনাভাইরাস আক্রান্ত ২ লাখ ৩ হাজার ৪২১ জনের মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০৬ জন (৮১ শতাংশ) সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং ৩৭ হাজার ৮১৫ জন (১৯ শতাংশ) রোগী মারা গেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসবাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশে মোট ৫১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। মোট সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৫ জন। এছাড়া পাঁচজন মারা গেছেন। </body></HTML> 2020-03-31 17:12:14 1970-01-01 00:00:00 মৃত শ্বশুরকে দেখতে যাওয়ার পথে জামাই-মেয়েসহ নিহত ৩ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91824 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653036_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585653036_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">কুমিল্লার মুরাদনগরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেটকার রাস্তার পাশের খালে পড়ে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মাধবপুর-দৌলতপুর সড়কের কোরবানপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের দোলাইপার গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সাদ্দাম হোসেন, তার স্ত্রী পারভীন আক্তার ও প্রাইভেটকার চালক নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সোনাদিয়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে আবদুর রহমান। স্থানীয়রা জানান, সাদ্দাম হোসেন তার শ্বশুর আবু বকরের মৃত্যুর খবর শুনে সকালে স্ত্রী পারভিন আক্তারকে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার বাগাউড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন। দুপুরে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মাধবপুর-দৌলতপুর সড়কের কোরবানপুর বাজার এলাকার মোড়ে এসে প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই দম্পতিসহ তিনজন নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে।<br>বাঙ্গরাবাজার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। </body></HTML> 2020-03-31 17:08:20 1970-01-01 00:00:00 বিন্দু পরিমাণ অনিয়ম সহ্য করা হবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91823 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585652820_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585652820_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাসের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ বিন্দু পরিমাণ অনিয়ম করলেও সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।<br>মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) গণভবন থেকে ৬৪ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী এ হুঁশিয়ারি দেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে দরিদ্রদের সহযোগিতায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিত্তবানদের সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলাম। অনেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে তা হবে দুঃখজনক। এটা আমরা সহ্য করব না। তিনি বলেন, ছুটি ঘোষণার কারণে দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের সমস্যা হচ্ছে। কৃষক, চা শ্রমিক, হিজড়া, বেদে সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি কষ্ট পাচ্ছে। তারা দৈনন্দিন কাজে যেতে পারছে না। তাদের বাঁচিয়ে রাখা আমাদের সামাজিক কর্তব্য। সেখানে ১০ টাকা কেজি চালসহ নানা সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের কাছে সাহায্য ও খাদ্যদ্রব্য পাঠাতে হবে।<br><br>‘আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি সবাইকে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড অনুযায়ী তালিকা করতে হবে। সেই অনুযায়ী সবাই যেন সাহায্য পায়। কেউ যেন বাদ না পড়ে।’ তিনি বলেন, সাহায্য পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। কোনো রকম দুর্নীতি হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। দুঃসময়ে কেউ সুযোগ নিলে, কোনো অভিযোগ পেলে আমি কিন্তু তাকে ছাড়ব না। বিন্দু পরিমাণ অনিয়ম সহ্য করা হবে না। করোনা মোকাবেলায় দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা জরুরি উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের দেশটা ছোট কিন্তু জনসংখ্যা বিশাল। এরপরও আমরা মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছি। সেজন্য বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ পর্যায়ে রয়েছে।<br><br>সবাইকে ঘরে অবস্থানের পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা প্রতিরোধে মানুষের করণীয় বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আপনারা এসব নির্দেশনা মেনে চলুন। কারণ নিজেদের সুরক্ষা নিজেদেরই করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনার থাবা রয়ে গেছে। আমরা বিশ্ব থেকে দূরে নই। আমাদের আরও সচেতন থাকা দরকার। আমরা আমাদের দেশের মানুষের সুরক্ষার জন্য অনেক আগে থেকেই কাজ করেছি। ভবিষ্যতে যেন করোনা না ছড়ায় সেদিকেও দৃষ্টি রাখতে হবে। করোনার উপসর্গ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে কোনো লুকোচুরি করার সুযোগ নেই। লুকোচুরি করার অর্থ নিজের জীবনকেই ঝুঁকিতে ফেলে দেয়া। জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। জনকল্যাণে যেসব কাজ তা করতে হবে যথাযথভাবে নিয়ম মেনে। </body></HTML> 2020-03-31 17:05:42 1970-01-01 00:00:00 হাসপাতাল মানে কি একটি বিল্ডিং? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91822 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585640129_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585640129_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">জয়নাল হাজারী ॥</span><br>সম্প্রতি শীর্ষ ধণাঢ্য ব্যক্তিরা ঘোষণা দিয়েছেন তারা এক সপ্তাহের মধ্যে চীনের মত হাসপাতাল তৈরি করে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিবেন। ধণাঢ্য ব্যক্তিরা বিচক্ষণ তাতে কোন সন্দেহ নাই কিন্তু দেশের সকল মানুষকে বোকা মনে করার কোনই কারণ নাই। কারণ হাসপাতাল কাকে বলে মানুষ তা জানে। হাসপাতালের প্রাণ হচ্ছে ডাক্তার-ঔষধ এবং যন্ত্রপাতি। সপ্তাহ দশদিনের মধ্যে একটি মাঝারি ধরনের দুই-তিন তলা ইমারত তৈরি করাও সম্ভব নয়। কারণ একটি ছাদ পিটিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় দিতে হয়। সেটা বাদ দিলাম আসল কথা হচ্ছে হাসপাতালের জন্য যে ডাক্তার প্রয়োজন প্রথমে সেটা কোথায় পাবেন। আকিজ ও বসুন্ধরা গ্রুপের কাছে কত টাকা আছে তারা নিজেরাও জানে না। তাদের টাকার কথাটি অংকে লেখা কঠিন। যেখানে কয়েকযুগ পুরানো হাসপাতাল থেকে ডাক্তারেরা পালিয়েছে সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে সত্যিকারের ডাক্তার আনা সম্ভব? মোট কথা হাসপাতাল যারা করতে চান তাদেরকে আগে ডাক্তার নিয়োগ করতে হবে। তারপর ঔষধ ও সরনজাম আনতে হবে। আসল কথা হচ্ছে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসের ঔষধই আবিষ্কার হয়নি। সেখানে হাসপাতালগুলো করবেটা কি? টাকা আছে এটা জানান দেয়ার জন্য হাসপাতাল করবো ঘোষণা না দিয়ে হেলিকাপ্টারে করে গরিব and nbsp; এলাকায় টাকা ছিটিয়ে দিলেই ব্যাপক প্রচার হবে। অবশ্য হাসপাতালগুলোকে পশু হাসপাতালে রূপান্তর করলে খারাপ হবে না। আমি ভাবছিলাম আমিও একটি হাসপাতাল বানাবো, তবে তা ইমারতের নয় কাগজের। কাগজ দিয়ে হাসপাতাল বানালে হাসপাতালটি একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিতে সুবিধা হবে। করোনরোগী দেখলে পুরো হাসপাতালটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়া যাবে। <br><br> </body></HTML> 2020-03-31 13:34:36 1970-01-01 00:00:00 আকিজের সেই করোনা হাসপাতাল হচ্ছে না ? http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91821 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585626087_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585626087_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় চীনের উহানের স্টাইলে রাতারাতি একটি হাসপাতাল করার উদ্যোগ নেয় আকিজ গ্রুপ। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজস্ব জায়গায় হাসপাতালের কাজ শুরুও করে গ্রুপটি। তবে স্থানীয়দের বাধার মুখে দুই দিন ধরে বন্ধ আছে হাসপাতালের কাজ। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে উদ্যোগটি। জানা যায়, এলাকায় করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কায় গত শনিবার কাজ বন্ধ করে দেয় এলাকাবাসী। হামলা চালিয়ে পেটানো হয় সিকিউরিটি গার্ড ও শ্রমিকদের। স্থানীয় কাউন্সিলর শফিউল্লাহ শফি'র ইন্ধনে কয়েকশ মানুষ জড়ো হয়ে এই ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে পুলিশ, র‌্যাব ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এসময় কাজ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।<br><br>ওইদিন রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন আকিজ গ্রুপের কর্তাব্যক্তিরা। পরদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাজ শুরু হবে বলে গণমাধ্যমকে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার সকালে হাসপাতাল তৈরির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর এটি আবেদন করে আকিজ গ্রুপ। আবেদনপত্রে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য তেজগাঁওয়ে আকিজ গ্রুপের নিজস্ব জায়গায় একটি অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে দেশের সর্বোচ্চ করদাতা প্রতিষ্ঠানটি। বলা হয়, দেশে করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা এখন তুলনামূলক কম। আইইসিডিআর এবং কয়েকটি হাসপাতালে রোগটি নির্ণয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদি রোগীর সংখ্যা বাড়ে তাহলে সরকারি হাসপাতাল চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাবে। এজন্য আকিজ গ্রুপ ৩০০ শয্যার একটি হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। যেখানে ১৬টি আইসিইউ, ২৫টি আইসোলেশন বেডসহ চারটি ওয়ার্ডে পুরুষ-মহিলাদের ২৫৯টি বেডের ব্যবস্থা করা থাকবে।<br><br>সূত্র জানায়, আবেদনপত্রটি জমা দিতে গেলে মন্ত্রণালয় সেটা রিসিভ করেনি। বলা হয় অনলাইনে আবেদন করতে। কিন্তু দুই দিনেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কিছু জানানো হয়নি। এবিষয়ে কথা বলতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য সচিবকে মোবাইলফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি সূত্র জানিয়েছে, দেশের করোনা রোগী আক্রান্তের সংখ্যা তিন দিন ধরে কম। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের বেশির ভাগই ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন। সরকারি যেসব হাসপাতালে করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে সেখানেই রোগী পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানে নতুন করে বেসরকারি কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সরকার প্রত্যাশা করছে, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হবে না।<br><br>তবে কোনো কারণে পরিস্থিতি জটিলতার দিকে গেলে দ্রুতগতিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে হাসপাতালটি হতেও পারে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।<br>যদিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, 'কাজ বন্ধ আছে বা তারা আমাদের এখানে আবেদন করেছে এমনটি আমার জানা নেই। পত্রপত্রিকাতে দেখলাম স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে আবার কাজ চলবে। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো, তাদের আবেদনের অগ্রগতি কতটুকু এবং আমি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবো।' আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ নাসির উদ্দিন এখনো হাসপাতালটি হবে বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, 'কাজ বন্ধ আছে। দোয়া করেন দ্রুত যেন হাসপাতালটির কাজ শুরু করতে পারি।' এর আগে তেজগাঁওয়ে নিজেদের সবচেয়ে বড় ওয়্যার হাউজটি বন্ধ করে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল তৈরির ঘোষণা দেয় আকিজ গ্রুপ। সেখানে থাকা বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মালামাল সরিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করা হয়। প্রস্তুতি চলছিল চীনের উহান শহরের মতো অস্থায়ী আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের কাজ। দেশের গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল থেকে করোনা পরীক্ষার কিট সংগ্রহের পরিকল্পনা ছিল তাদের। কারণ, দেশেই যখন সরকার কিট তৈরির অনুমতি দিয়েছে, তাই গণস্বাস্থ্যের কাছ থেকে কিট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। যাতে সহজেই যে কেউ বিনামূল্যে হাসপাতালটিতে এসে করোনা পরীক্ষা করাতে পারে।<br><br>হাসপাতালে করোনা আক্রান্তরা চিকিৎসা নিলে স্থানীয়দের মধ্যে করোনা সংক্রমণ হবে এমন গুজবে হামলা করা হয় অস্থায়ী এই হাসপাতালে। কিন্তু স্থানীয়দের এমন শঙ্কা ভুল ছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। সেজন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে মতামতও নিয়েছিল আকিজ কর্তৃপক্ষ। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (উইচ) নিয়ম মেনেই সেখানে আধুনিক মানের হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছিল বলে জানিয়েছিল তারা। </body></HTML> 2020-03-31 09:40:55 1970-01-01 00:00:00 ‘পেপারওয়ালার’ খবর রাখে না কেউ! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91820 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625935_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625935_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">পত্রিকা ও পত্রিকার খবরের গুরুত্ব থাকলেও নাগরিকদের হাতে হাতে এসব পত্রিকা পৌঁছে দেওয়া হকারদের গুরুত্ব তেমন নেই। তাদের খোঁজ কেউ রাখে না। এই খেদ খোদ হকারদের। করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবে কার্যত অচল ঢাকা। কমে গেছে পত্রিকার বিকিকিনিও। এই বাস্তবতায় দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে তাদের। আয় কমে এসেছে প্রায় আশিভাগ। দুশ্চিন্তায় কপালে ভাজ পড়েছে তাদের।<br>প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার আগে দুয়ারে আসে খবরের কাগজ। ধল প্রহরে শান্তির ঘুম বিসর্জন দিয়ে একটি সাইকেলে চেপে বাড়ি বাড়ি খবর কাগজ পৌঁছে দেন হকাররা। লোকে তাদের চেনে ‘পেপারওয়ালা’ বলে। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাব পড়েছে এসব হকারদের ওপর। পত্রিকা বিক্রি প্রায় বন্ধের পথে।<br><br>পত্রিকার হকারদের এমন করুণ পরিস্থিতির কথা জানালেন আব্দুল মজিদ। তিনি মোহাম্মদপুর-২ হকার পয়েন্ট থেকে ওই এলাকার দুটি সড়কের বাড়িতে বাড়িতে পত্রিকা বিতরণ করেন। তিনি জানান, প্রতিদিন তিনশ ত্রিশ কপি পত্রিকা বিক্রি হতো তার। বর্তমানে সে সংখ্যা পঞ্চাশে নেমে এসেছে। বিক্রি কমে গেছে প্রায় আশি শতাংশের বেশি। মজিদের মতো অন্যদের অবস্থাও একই। মজিদ বলেন, ‘আমার লাইনে মাসে তিনশো ত্রিশটার বেশি পত্রিকা বিক্রি হইতো। মাসে ২৫ থেকে ২৬ হাজার টাকার মতো ইনকাম থাকত। কিন্তু এই মাসে ১৭ হাজার টাকাই নাই। বাকিদেরও একই অবস্থা।’<br><br>বড় এই আর্থিক ক্ষতিতে আগামী মাসের বাসা-ভাড়া, খাওয়া-দাওয়াসহ জীবনযাপনের ব্যয়ের বাকি সব কিছু অনিশ্চয়তা ডুবে আছে বলে জানান আব্দুল মজিদ। বলেন, ‘আগামী মাস চলমু কেমনে আল্লাহ জানে!’ ‘পত্রিকার হকারদের খবর কেউ রাখে না’ বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।<br>আইয়ুব আলী নামে বাড্ডা এলাকার একজন হকার বলেন, ‘মানুষ পত্রিকায় খবর দেখে। সবার কাছে পত্রিকা, খবরের গুরুত্ব আছে। কিন্তু আমরা পেপারওয়ালা তো, আমাদের কোনো গুরুত্ব নাই। করোনাভাইরাস আসার পর থেকে কেউ বাসায় ঢুকতে দেয় না। আমরাও পত্রিকা দিতে পারি না।’<br>পত্রিকার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় না, বিষয়টি আরো আগেভাগে গণমাধ্যমে প্রচার করা দরকার ছিল বলে মনে করেন তিনি। বলেন, ‘পত্রিকায় লেখা হয়েছে, পত্রিকার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায় না। কিন্তু তাও অনেকের মধ্যে সন্দেহ আছে। ভয় আছে। এই লেখাটা আরও আগে লেখা উচিত ছিল। তাইলে আমাদের এতো ক্ষতি হইতো না।’ </body></HTML> 2020-03-31 09:36:53 1970-01-01 00:00:00 করোনায় মৃত্যু ৩৮ হাজার ছুঁই ছুঁই, আক্রান্ত প্রায় ৮ লাখ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91819 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625573_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625573_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। সোমবার সকাল পর্যন্ত করোনায় নিহতের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৮১৪ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৭১২ জন। অপরদিকে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬০৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।<br>গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে এই মহামারি শুরু হলেও এখন ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে করোনাভাইরাস। আক্রান্তের সংখ্যায় সবার ওপরে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ৬৪ হাজার ২৪৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ১৬৪ জনের মৃত্যুর দিক দিয়ে সবার ওপরে রয়েছে ইতালি। দেশটি যেন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। ইতালিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৭৩৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১১ হাজার ৫৯১ জনের। এরপরই রয়েছে স্পেন। সেখানে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৭৭১৬ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৮৭ হাজার ৯৫৬ জন। এ তথ্য জানিয়েছে করোনাভাইরাস নিয়ে লাইভ আপডেট দেয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডমিটার।<br><br>চীনের উহান থেকে বিস্তার শুরু করে গত আড়াই মাসে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। চীনে করোনার প্রভাব কমলেও বিশ্বের অন্য কয়েকটি দেশে মহামারি রূপ নিয়েছে। এই ভাইরাসে চীনের মূল ভূখণ্ডে আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ হাজার ৫১৮ জন। আর মারা গেছেন ৩ হাজার ৩০৫ জন। তবে এখন চীনে এই হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। গত কয়েকদিনে দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। যে উহান থেকে এই ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছে সেখানের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। শীঘ্রই উঠবে লকডাউনও। ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। নিউমোনিয়ার মত লক্ষণ নিয়ে নতুন এ রোগ ছড়াতে দেখে চীনা কর্তৃপক্ষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সতর্ক করে। এরপর ১১ জানুয়ারি প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ঠিক কীভাবে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছিল- সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তবে ধারণা করা হচ্ছে, উহানের একটি সি ফুড মার্কেটে কোনো প্রাণী থেকে এ ভাইরাস প্রথম মানুষের দেহে আসে। তারপর মানুষ থেকে ছড়াতে থাকে মানুষে।<br><br>করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু। </body></HTML> 2020-03-31 09:32:23 1970-01-01 00:00:00 ‘এখন শুধুই মৃত্যুর অপেক্ষা’ কান্নাভেজা কন্ঠে বললেন যুবলীগ নেতার স্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91818 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625335_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625335_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">তিন মাসের শিশু সন্তান, বিধবা মা ও এক বোনকে নিয়ে এক প্রকার অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবন যাপন করছেন নারায়ণগঞ্জের যুবলীগ নেতা শাহ ফয়েজউল্লাহ ফয়েজের স্ত্রী আরোহী হাওলাদার । ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছেন না। তার উপর সারাক্ষণ আশপাশে ঘোরাঘুরি করছে বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যাওয়া একদল বখাটে যুবক। পিস্তলের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে এবং তারপর যৌতুকের দাবিতে ঘরে তালাবদ্ধ করে প্রতিনিয়ত চলতে থাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে র‌্যাব পুলিশের সহায়তায় তাৎক্ষণিক রক্ষা পেলেও কারাগারে থাকা স্বামীর নিজস্ব বাহিনীর হুমকিতে জীবনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ।<br><br>আরোহীর অভিযোগ, তার স্বামী যুবলীগ নেতা হওয়ায় কারাগারে থেকেও নানাভাবে প্রভাব খাটাচ্ছেন। মামলা তুলে নিতে তার নিজস্ব লোকজন বাড়িতে এসে মেরে ফেলাসহ নানা ধরনের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় পরিবারর নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এবং যে কোনো সময় বাসায় হামলার আশঙ্কা করছেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ শহরের আল্লামা ইকবাল রোডে ৩৬/১ হোল্ডিংয়ের ইলিয়াসের ১০ তলা বাড়ির ৭ম তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগে চতুর্থ সেমিস্টারে পর্যন্ত পড়াশুনা করেও স্বামী ফয়েজের চাপের মুখে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।<br><br>আরোহী বলেন, আমার স্বপ্ন ছিলো জীবনে বড় কিছু হবো। সেই আশা নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আকাশ বাংলা, রিজেন্ট এয়ারলাইনস এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েও চাকরিতে যোগদান করতে পারিনি। মৌখিক পরীক্ষার দিন ফয়েজ রাস্তা থেকে আমাকে তুলে নিয়ে আটকে রেখেছে যাতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না পারি। কান্নাভেজা কন্ঠে আক্ষেপ করে তিনি বলেন, আমার সুন্দর জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে সে। বিমানে চাকরি করা হলো না আমার। আমি আমার ক্যারিয়ার হারিয়েছি, সমাজে অপমানিত হয়েছি। আমার হারানোর আর কিছু নেই। এখন শুধু মৃত্যুর অপেক্ষায় আছি। অন্যদিকে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফয়েজ এর আগে তার দুলাভাই সন্ত্রাসী নুরুল আমিন মাকসুদের ভাগ্নি সোনিয়া ফারজানা সোমাকে বিয়ে করেন। ওই সংসারে ফয়েজের তিনটি মেয়ে। জামতলা এলাকায় রূপায়ন টাউনের ১৩ তলায় একটি ফ্ল্যাটে ফয়েজের এই পরিবার বসবাস করে।<br><br>আরোহী হাওলাদার জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার পাশাপাশি স্বাবলম্বী হতে তিনি মেয়েদের রেডিমেট পোশাকের ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৮ সালে শহরের চাষাঢ়ায় বেইলি টাওয়ারের নীচতলায় আরোহী প্লাস নামে একটি ফ্যাশন হাউসের শো রুমের মধ্য দিয়ে তার ব্যবসার যাত্রা শুরু হয়। তবে ওই ভবনের ৬ তলায় স্ত্রী সোমা ও তিন মেয়েকে নিয়ে থাকতেন যুবলীগ নেতা ফয়েজ। সেই সুবাদে ফয়েজ স্ত্রী ও মেয়েদের পোশাক কিনতে আরোহীর শো রুমে নিয়মিত আসতেন এবং আরোহীর প্রতি নজর দেন। কয়েকবার কুপ্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে শেষে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, আমার সমবয়সী মেয়ে আছে যার সেই লোককে বিয়ে করা প্রশ্নই আসে না। তবে ফয়েজ আমার পিছু লেগে থাকেন। অপ্রয়োজনে আমার শো-রুমে বসে থাকতেন এবং বিয়ে না করেও আমকে তার স্ত্রী হিসেবে পরিচিত সবাইকে বলে বেড়াতেন। পরে আমার বাবা-মায়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে পিস্তল দেখিয়ে আমাদের পুরো পরিবারকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারাসহ নারায়ণগঞ্জ থেকে বিতাড়িত করার হুমকি দেন। সে সময় তার এই হুমকির বিষয়ে ফতুল্লা থানায় জিডি করেও আমি কোন আইনি সহায়তা পাই নি। তখন আরোহীর পরিবার থাকতেন জামতলা ধোপাপট্টি এলাকায়। ফয়েজদের পৈর্তৃক বাড়ির খুব কাছে। বাইরে আসা যাওয়ার পথেও আরোহীকে নানাভাবে উত্যক্ত করতো এবং কয়েকদিন রাস্তায় চড় থাপ্পড় দিয়েছে বলেও আরোহীর অভিযোগ।<br><br>এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারিখে অস্ত্রের মুখে জম্মি করে তুলে নিয়ে কাজী অফিসে জোর করে তাকে বিয়ে করেন ফয়েজ। এরপর আরোহীর লেখাপড়া বন্ধ করে দেন। আল্লামা ইকবাল রোডে ইলিয়াসের ১০ তলা বাড়ির ৭ম তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ফয়েজ সেখানে আরোহীকে নিয়ে রাখেন। মাঝেমধ্যে আসা যাওয়া করেন। বেশিরবাগ সময়ই রাতে থাকেন অন্যখানে।<br><br>বিয়ের পর ১০ লাখ টাকা যৗতুক দাবি করে আরোহীর উপর ফয়েজের নতুন করে অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন আরোহী। টাকার দাবিতে প্রতিনিয়ত চলতে থাকে মারধর ও মানসিক নির্যাতন।<br><br>প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতাল এলাকা থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণের সময় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ নারায়ণগঞ্জের যুবলীগ নেতা শাহ ফয়েজউল্লাহ ফয়েজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। and nbsp; </body></HTML> 2020-03-31 09:28:20 1970-01-01 00:00:00 জেলেদের ২০ টন চাল এখন পুকুরে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91817 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625165_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585625165_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভোলার দৌলতখান উপজেলার জেলেদের নামে বরাদ্দকৃত ২০ টন চালের ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে পড়ে গেছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার দলিল উদ্দিন খায়েরহাট এলাকার আলী আশরাফ কলেজের রাস্তার পশ্চিম পাশে একটি পুকুরে ট্রাকটি পড়ে যায়। দুপুর পৌনে ৩টা পর্যন্ত ট্রাকটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জীতেন্দ্র কুমার নাথ তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জেলেদের নামে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ২০ টন চাল নিয়ে দুপুরে ট্রাকটি ভোলা থেকে দৌলতখান উপজেলার খাদ্য গুদামের উদ্দ্যেশে রওনা হয়। এরপর উপজেলার আলী আশরাফ কলেজের রাস্তার পাশে পুকুরে পরে যায়। তবে এ ঘটনায় ট্রাকের কোনো লোক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।<br><br>তিনি আরও জানান, ট্রাকটি উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার কাজ করছেন। ওই চাল আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জেলেদের মধ্যে বিতরণ করার কথা ছিলে এবং এটি দৌলতখান উপজেলার দ্বিতীয় ধাপের বরাদ্দকৃত চাল বলে তিনি জানান। দৌলখান উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর হাসনাইন জানান, ইলিশের অভয়াশ্রম হওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলার সাত উপজেলার ১৯০ কিলোমিটার নদীতে সব ধরনের মাছ শিকার, বিক্রি, বাজার জাত ও পরিবহনের উপর নিষেধাজ্ঞা করে সরকার। যার ফলে দৌলতখান উপজেলার জেলেরাও বেকার হয়ে পড়ে। এসব জেলেদের নামে সারাদেশের মতো দৌলতখানের ২১ হাজার ২৯৩ জন সরকারি জেলেদের মধ্যে ১১ হাজার ৮৮৬ জনের নামে চাল বরাদ্দ হয়। </body></HTML> 2020-03-31 09:24:26 1970-01-01 00:00:00 নোয়াখালীতে দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91816 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585624995_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp;<img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585624995_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ইব্রাহিম খলিল সুমন (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। এ ঘটনায় পুলিশ স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ ১২ জনকে আটক করেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে ওই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত সুমন উপজেলার দক্ষিণ পোরকরা গ্রামের খাশের বাড়ীর নজরুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা গ্রামের সিএনজি চালক শাকিল যাত্রী নিয়ে পার্শ্ববর্তী ভোগই গ্রামে যাওয়ার পথে একই ইউনিয়নের কাবিলপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এক পথচারীকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান। সিএনজি চালক শাকিল রাতে যাত্রী নামিয়ে ফেরার সময় কাবিলপুর উত্তরপাড়ার লোকজন তাকে আটক করে রাখে। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ পোরকরা গ্রাম থেকে কয়েকজন সিএনজি চালকসহ একদল যুবক কাবিলপুর উত্তর পাড়ায় গিয়ে আটক ওই চালককে উদ্ধার করে।<br><br>এরই জের ধরে রোববার (২৯ মার্চ) মাগরিবের নামাজের পূর্বে দক্ষিণ পোরকার গ্রাম থেকে ইব্রাহিম খলিল সুমনসহ একদল যুবক পুনরায় কাবিলপুর উত্তরপাড়া গিয়ে স্থানীয়দের ওপর হামলা করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় স্থানীয় মসজিদে ডাকাত বলে মাইকিং করা হলে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে গেলেও সুমনকে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মসজিদ সংলগ্ন সড়কের পাশে অচেতন অবস্থায় সুমনকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা নেয়ার পথে সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম তার নিরপরাধ ছেলের হত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন। সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সামাদ জানান, সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। </body></HTML> 2020-03-31 09:19:55 1970-01-01 00:00:00 http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91815 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580980_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580980_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> </body></HTML> 2020-03-30 21:09:20 1970-01-01 00:00:00 গোপনে করোনা মোকাবিলার ‘অস্ত্র’ আবিষ্কার করেছে চীন! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91814 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580582_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"> and nbsp; <img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580582_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br> and nbsp; সারাবিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে নভেল করোনাভাইরাস। এখন পর্যন্ত এর উৎপত্তি, বিস্তারের মাধ্যম, ওষুধ, প্রতিষেধক কোনোটাই আবিষ্কার হয়নি। তারপরও করোনার উৎস চীনে আশ্চর্যজনকভাবে মৃত্যুহার যথেষ্ট কম। ইতালি-যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো যেখানে ভাইরাস ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই মহামারি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে চীন। এ কারণে অনেকেরই সন্দেহ, চীনারা গোপনে করোনাভাইরাস মোকাবিলার পথ বের করে ফেলেছে। এ ধারণা যে একেবারে অমূলক নয়, সম্প্রতি তা নিশ্চিত চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস।<br><br>গত রোববার সংবাদমাধ্যমটি এক টুইটবার্তায় জানিয়েছে, করোনাভাইরাস ঠেকাতে কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক নয়, বরং নতুন একধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল আবিষ্কার করেছেন চীনা গবেষকরা। এটি যেকোনও ভাইরাস মোকাবিলায় ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকরী হতে পারে।<br>তারা জানিয়েছেন, নতুন ন্যানোম্যাটেরিয়ালটি যেকোনও ভাইরাস শুষে নিতে বা অকার্যকর করে দিতে পারে। সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি, প্রস্তুতকরণ প্রক্রিয়া, রঙ, ফিল্টার, লুব্রিকেন্টসহ স্বাস্থ্যসেবায়ও ন্যানোম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয়। স্বাস্থ্যখাতে ব্যবহৃত ন্যানোজাইমস একপ্রকার ন্যানোম্যাটেরিয়াল, যা অনেকটা এনজাইমের মতো আচরণ করে।<br><br>চীনা সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইতোমধ্যেই ওই গবেষক দল দেশটির বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছে এবং এই ন্যানোম্যাটেরিয়াল দিয়ে মাস্ক ও পিপিই (পারসোনাল প্রটেকটিভ ইক্যুয়িপমেন্ট) বানানোর পরামর্শ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) মতে, বিজ্ঞানীরা এখনও ন্যানোম্যাটেরিয়ালের প্রকৃত সংজ্ঞা নির্ধারণ করেননি। তবে এটিকে ন্যানোমিটারে পরিমাপ করে এর আংশিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে একমত হয়েছেন তারা। ক্যান্সার কোষ ধ্বংস বা এর থেরাপির কার্যকারিতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে বিশ্বাস তাদের। এনআইএইচ জানিয়েছে, যদিও ন্যানোম্যাটেরিয়ালের যথেষ্ট উপকারিতা আছে, তবে মানবদেহ এবং পরিবেশের ওপর এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী সে বিষয়ে এখনও খুব বেশি কিছু জানা যায়নি। উদাহরণস্বরূপ তারা বলছে, রুপার মতো পরিচিত ধাতব কণাও ন্যানো-আকারে নিয়ে গেলে সেটি ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।<br><br>সূত্র: খালিজ টাইমস </body></HTML> 2020-03-30 21:02:19 1970-01-01 00:00:00 ভারতে আটকা বাংলাদেশিদের আনতে চ্যালেঞ্জে সরকার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=91813 http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580232_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/03/24/1585580232_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে পুরো ভারত ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণার পর সেখানে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। কিন্তু কয়েকটি কারণে সরকারের এই প্রচেষ্টা চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ছে। বিশেষ করে সেখানে যারা আটকা পড়েছেন, তাদের বর্তমান অবস্থান বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, কর্ণাটক, দিল্লি, কলকাতাসহ বিভিন্ন রাজ্য ও শহরে। অবরুদ্ধ দেশে তাদের সবাইকে একত্র করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ভারতীয় বিশেষ বিমান ঢাকায় আসতে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করছে। আর এই অর্থ যাত্রীদের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে না নিয়ে পুরো অর্থ সরকার কাছ থেকে বুঝে পেতে চাইছে তারা।<br><br>এর মধ্যেই সরকার উপায় খুঁজছে বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে। এ নিয়ে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে আজ বৈঠকে বসছেন হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের প্রথম দেশে ফেরত আনার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় বিমান বেশি অর্থ দাবি করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজ সেখানে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।<br>পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘ভারতে আটকে পড়াদের মধ্যে বেশিসংখ্যক হচ্ছে বেঙ্গালুরু ও চেন্নাই এলাকায়। কেউ ওখানে ট্রিটমেন্ট (চিকিৎসা) করাতে গেছে। আবার কেউ পরিবার নিয়ে ঘুরতে গেছে। শিক্ষার্থীও কিছু আছেন।’<br><br>‘ওখানে (ভারত) সব বন্ধ, তারা চলাফেরা করতে পারছেন না। তারা হোটেলের বাইরে বের হতে পারছেন না। তারা দেশে আসতে চান। তারা বলছেন, তাদের পয়সা কমে যাচ্ছে। আমরা বলছি, যদি কেউ আসতে চায় তারা যেন মিশনে রেজিস্ট্রেশন করে। কিছু কিছু মিশনে রেজিস্ট্রেশন করেছে।’ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৪ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সারা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন। এতে দেশটির বিভিন্ন শহরে আটকা পড়েছেন কয়েক শ বাংলাদেশি।<br><br>ভারতে লকডাউনে আটকে পড়াদের মধ্যে অনেকেই অর্থ সংকটে পড়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ আসে। ভারতে অবস্থান করা তাদের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার তাদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, ‘যেহেতু ভারতীয় বিমান বেশি অর্থ দাবি করছে, আমরা অন্য উপায় খুঁজছি। ভারত সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা বাংলাদেশ বিমানকেও তাদের ফিরিয়ে আনতে রাজি করানোর চেষ্টা করছি।’ কিন্তু সমস্যা হলো, আটকা রপড়া বাংলাদেশিরা একেকজন একেক জায়গায়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এদের সবাইকে একসাথে করটা বড় চ্যালেঞ্জ। এক জায়গায় হলে আমরা পাঠাতে পারতাম। তাদের বলেছি, একটা জায়গায় একসাথে হতে, কিন্তু তারা বলছে এই আয়োজনও আমাদেরই (সরকার) করতে হবে।’<br><br>ভারতে কী পরিমাণ লোক আটকা পড়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ৬০০ বা তার চেয়ে বেশি বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে আটকা পড়েছে। তাদের দেশে ফেরাতে সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতীয় সরকার একটা প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বলেছে, কলকাতায় যারা আছে তাদের বিমানে না নিয়ে বাসে দেশে নিয়ে আসতে। পয়সা আমাদের দিতে হবে। আমরা বিভিন্ন উপায়ে তাদের দেশে ফেরানোর চেষ্টা করছি। মিশন এটা নিয়ে কাজ করছে। তবে এখনো ফাইনাল কিছু হয়নি। আমি জানব আজকে। কালকের মধ্যে আপনাদের জানাব।’ এদিকে গতকাল পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক বার্তায় ভারতে আটকা বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে লিখেন, ‘ভারতে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ। আমরা শুনতে পাচ্ছি চিকিৎসা নিতে গিয়ে সেখানে কিছু বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন এবং তাদের থাকতে অসুবিধা হচ্ছে।<br><br>‘আমাদের দূতাবাস ইতিমধ্যে একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে। যাঁরা এখনো যোগাযোগ করেননি, আপনারা একসঙ্গে কতজন, কোথায় আছেন, নাম, বয়স, পাসপোর্ট নম্বর, যোগাযোগের জন্য মুঠোফোন নম্বর আমাদের দিল্লিতে অবস্থিত দূতাবাসে জানান। আমাদের দিল্লিতে দূতাবাসের টেলিফোন নম্বর ৮৫৯৫৫-৫২৪৯৪ (অথবা মুম্বাই কনস্যুলেট ৯৮৩৩১-৫৯৯৩০)।’ দেশে ফেরত এলে তাদের ১৪ দিন আশকোনা হজ ক্যাম্পে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে মনে করিয়ে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, ‘পূর্ণ তালিকা পেলে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সুবিধা হবে। আপনাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে না পারা পর্যন্ত অন্তত আমরা চেষ্টা করব স্থানীয় কর্তৃপক্ষ যেন আপনাদের চাহিদার বিষয়গুলো দেখভাল করে। আর যাঁরা ফিরে আসতে চান, তাঁদের আশকোনা হজ ক্যাম্পে এবং যাঁরা চিকিৎসাধীন তাঁরা কুর্মিটোলা বা অন্য হাসপাতালে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার সম্মতি দিতে হবে।’ </body></HTML> 2020-03-30 20:56:25 1970-01-01 00:00:00