http://www.hazarikapratidin.com RSS feed from hazarikapratidin.com en http://www.hazarikapratidin.com - জি কে শামীমের বিচার শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89012 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232288_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232288_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার : যুবলীগের কথিত নেতা ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় চার্জগঠন করে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছে আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারকাজ শুরু হলো।<br>মঙ্গলবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রবিউল আলম এ আদেশ দিয়েছেন।<br>মামলাটিতে অপর সাত আসামি হলেন- মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৯), মো. মুরাদ হোসেন (৫২), মো. জাহিদুল ইসালাম (৪১), মো. শহিদুল ইসলাম (৩৬), মো. কামাল হোসেন (৪৯), মো. সামসাদ হোসেন (৩৫) ও and nbsp; মো. আমিনুল ইসলাম (৩৪)।<br>মামলায় আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট ফারুক আহমেদ ও শওকত ওসমান অব্যাহতির আবেদন করলে আদালত তা নাকচ করে। একই সঙ্গে আসামিদের জামিনের আবেদন করলে আদালত তাও নাকচ করে।<br>ওই আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মাদ সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, আসামিদের মধ্যে আমিনুলের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে অস্ত্র আইনের ১৯ (ক) ধারায় এবং শামীমসহ অপর সাত জনের বিরুদ্ধে বৈধ অস্ত্র অবৈধ উপায়ে ব্যবহার এবং অস্ত্র ব্যবহারের লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ এবং অস্ত্র আইনের বিধি ভঙ্গের অভিযোগে অস্ত্র আইনের ১৯(ঙ)/২১/২৩ ধারায় চার্জগঠন করা হয়েছে।<br>মামলার শুনানিকালে শামীমসহ আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানির পর তাদের আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।<br>এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখর চন্দ্র মল্লিক গত বছর ২৭ অক্টোবর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।<br>মামলার চার্জশিটে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্স পেয়েছেন বলে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই তার অস্ত্রটি অবৈধ। তিনি ওই অবৈধ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি আসামি জিকে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় কিনে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। তাই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ১৯(ক)/২১/২৩ ধারার অভিযোগসহ প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৮ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৮ ধারার তার বিরুদ্ধে পৃথক একটি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ১৯(ঙ)/২১/২৩ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।<br>গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিকেতনে জিকে শামীমের নিজ কার্যালয় একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতে একটি বিশেষ অভিযানে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় আসামি শামীমের ৩২ বোরের কাঠের বাটযুক্ত ৩৭ রাউন্ড গুলি ও তিনটি গুলির খোসা পাওয়া যায় এবং পাঁচ বোতল বিদেশি মাদ পাওয়া যায়। অপর আসামিদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১২ বোরের শর্টগান পাওয়া যায়।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:25:00 1970-01-01 00:00:00 ‘রাষ্ট্রদূতরা ইভিএমে সন্তুষ্ট, বিএনপি না এলে কী করব’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89011 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232260_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232260_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবদেক : ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে কোনো ধরনের জালিয়াতির সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতেরা ইভিএম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে বিএনপি নেতারা ইভিএম নিয়ে অভিযোগ তুললেও তারা তা দেখতে আসেন না। তারা না এলে কী করার আছে বলে প্রশ্ন তুলেন ইসি সচিব।<br>মঙ্গলবার বিকালে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।<br>ইসি সচিব জানান, আজ নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। শূন্য হওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসন নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হলেও তফসিল নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। and nbsp; আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন নিয়ে আবারো বসবে কমিশন।<br>আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন উপলেক্ষে কেন্দ্রগুলোতে সিসি টিভির আওতায় আসবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত যেসব প্রতিষ্ঠানে আগে থেকে সিসি ক্যামেরা আছে সেগুলোকে সচল রাখার জন্য বলা হয়েছে। যাতে করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেইসব ক্যামেরার মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করা যায়। তবে কেন্দ্রগুলো বুথে কোনোভাবেই যাতে কোনো সিসি ক্যামেরা না থাকে সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে।’<br>আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সচিব বলেন, ‘বড় ধরনের কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে তা নয়। উত্তর-দক্ষিণে দুটি ঘটনা ঘটেছে। এই দুটি ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। মূলত ২৪ ঘণ্টা আগে এই ধরনের কর্মসূচি সম্পর্কে জানানোর যে নিয়ম রয়েছে সেটি না মানার কারণেই এমনটি হয়েছে।’<br>ইভিএম নিয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘ইভিএমে জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। যদি কারো আঙুল না থাকে তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ওই ব্যক্তি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন। এ ধরনের ঘটনায় মাত্র ১ শতাংশ ভোটারকে শনাক্ত করতে পারবেন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা। ১ শতাংশের বেশির প্রয়োজন হলে রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিতে হবে। আরও বেশি লাগলে কমিশনের অনুমতি লাগবে।’<br>সচিব বলেন, ‘পরবর্তী সময়ে চাইলে ইভিএমের তথ্য জানা যাবে। ভোটের তথ্য আমাদের কাছে ডিজিটালি সংরক্ষণ করা থাকে। মামলা করারও সুযোগ রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলে এ নিয়ে আদালতেও যেতে পারেন। কেউ মামলা করলে আমরা দেখাতে পারব।’<br>সচিব জানান, ইভিএম মেশিন আমেরিকা, ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশের রাষ্টদূতেরা দেখে গেছেন। তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।<br>সবচেয়ে বড় অংশীজন বিএনপিই ইভিএম নিয়ে সন্তুষ্ট নয়- এই প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘তারা তো আসে না। আমরা তো ওপেন রেখেছি। আপনারা এসে দেখেন। যদি তারা না আসেন আমরা কীভাবে আনতে পারি!’<br>বিদ্যমান আচরণবিধি সংশোধন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি ২০০৯ সালে করা হয়েছিল। তখন কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতায় ছিল। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে কী করা হয়? তারা সাধারণ জনগণ ও রাজনীতিকদের সঙ্গে খুব একটা কথা বলে আচরণ বিধিমালা করেনি। তখন সংলাপ হলেও সেটা অনেকটা রেসট্রিকটেট (নিয়ন্ত্রণ) হয়। অনেকের ভেতর ভয়ভীতি থাকে। তারা আচরণ বিধিমালাসহ অনেক কিছু চাপিয়ে দেয়। ২০০৯ এবং এখনকার পরিস্থিতি তো এক নয়। এখন ডেমোক্রেটিক গর্ভমেন্ট, ডেমোক্রেটিক সিশোয়েশন, স্বাধীনভাবে মানুষ কথা বলতে পারে। এখন টক শে করছেন এত টেলিভিশন, এত পত্রিকা, তখন কি এগুলো পারতেন করতে? এত কিছু বলতে পারতেন ‘ আলমগীর বলেন, ‘২০০৯ সালে সাংবাদিকেদের উপরও অনেক বিধি-নিষেধ ছিল। আপনারা কি সেই আচরণ বিধিমালা চান? মানুষের সচেতনতা বেড়েছে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পরিবর্তন হয়েছে। সেই সাথে আচরণ বিধিমালা আধুনিকায়ন করতে হবে। তার মানে এই নয় কাউকে অন্যায় কোনো সুবিধা দেয়া হবে। এটি হালনাগাদ করতে হবে।’<br>সিটি নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের ব্যাপারে বিএনপি যে অভিযোগ করেছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘পর্যবেক্ষকদের কোনো কার্ড দেয়ার ব্যাপারে কমিশন থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা পাইনি বা দিইনি। যে নীতিমালা আছে সেই অনুযায়ী দিচ্ছি। যারা ইসিতে নিবন্ধিত তাদেরকেই কার্ড দেয়া হবে।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:24:00 1970-01-01 00:00:00 শুক্রবার থেকে ঢাকায় যান চলাচল বন্ধ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89010 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232221_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232221_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন উপলক্ষে সব ধরনের যান চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।<br>মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি (শুক্রবার) দিনগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বেবি ট্যাক্সি/অটো রিকশা, ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক, টেম্পু, অন্যান্য যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।<br>এছাড়া ৩০ জানুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।<br>তবে রিটার্নিং অফিসারের অনুমতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলযোগ্য। এক্ষেত্রে পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র থাকতে হবে।<br>একই সঙ্গে নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং জরুরি কাজে বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক ও টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।<br>তাছাড়া জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।<br>ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মহাসড়ক ছাড়াও আন্তঃজেলা ও মহাসড়ক থেকে বের বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক ও প্রধান প্রধান রাস্তার সংযোগ সড়ক বা এমন সব রাস্তায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হবে।<br>প্রতিবন্ধী ভোটারদের সহায়তায় নিয়োজিত গাড়ির উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। বিদেশ বা দেশের বিভিন্ন স্থানে গমন বা বিদেশ বা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা যাত্রীদের বিমান/নৌবন্দর বা বাস স্টেশন/টার্মিনালে যাওয়ার জন্য বা বন্দর/স্টেশন থেকে বাসস্থানে যাওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে চলাচলের জন্য নিয়োজিত যানবাহন ক্ষেত্রবিশেষ মোটরসাইকেল চলাচল নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।<br>এতে আরও বলা হয়েছে, এসব যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।<br>১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।<br><br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:24:00 1970-01-01 00:00:00 মৌলভীবাজারে পুড়ে অঙ্গার একই পরিবারের পাঁচজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89009 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232172_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232172_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারে সদর উপজেলায় জুতার দোকান থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।<br>মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সেন্ট্রাল রোডে পিংকি স্টোর নামে একটি দোকান থেকে লাগা আগুনে এই প্রাণহাণির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।<br>স্থানীয়রা জানান, পিংকি স্টোরের পেছনে দোকান মালিক স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। সকাল ১১টার দিকে দোকানটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় নারী ও শিশুরা ঘরের মধ্যে ছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই পরিবারের দুই শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।<br>মৌলভীবাজার ফায়ার স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, আগুনে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:23:00 1970-01-01 00:00:00 আজীবন বহিষ্কার ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89008 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232095_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232095_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার : পরীক্ষায় জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া ৬৩ জন শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ও মাদক সম্পৃক্ততার দায়ে চার শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।<br>এদের পাশাপাশি ভর্তি জালিয়াতিতে আরও নয়জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের পাশাপাশি তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, সাত দিনের মধ্যে তা জানাতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে।<br>মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।<br>এই শিক্ষার্থীরা ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির মামলায় সিআইডির অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি তারা।<br>২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে শহীদুল্লাহ হল থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মহিউদ্দিন রানা ও আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।<br>তাদের কাছ থেকে এটিএম কার্ডের মতো দেখতে ইলেকট্রনিক ডিভাইস উদ্ধার করা হয়, যা দিয়ে পরীক্ষা চলাকালে কানে আরেকটি ডিভাইস রাখা পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছিল।<br>ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৬৩ ধারা এবং ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৯ (খ) ধারায় মামলা করে সিআইডি। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রশ্ন ফাঁস চক্রের অন্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।<br><br>প্রশ্ন ফাঁসের দুই চক্র ভাঙার দাবি সিআইডির : and nbsp; প্রায় দেড় বছর তদন্তের পর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড?িত থাকার অভিযোগে গত বছর ২৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ শিক্ষার্থীসহ মোট ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।<br>সিআইডির তৎকালীন প্রধান শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল তদন্তের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াত চক্রকে চিহ্নিত করে। এই চক্রের মাস্টারমাইন্ড মূলত দুইজন; নাটোর জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান এছামী এবং বিকেএসপির সহকারী পরিচালক অলিপ কুমার বিশ্বাস। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।<br>এই চক্র দুইভাবে পরীক্ষায় অসদুপায়ে জড়িত ছিল জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, “একটি চক্র প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তা চড়া দামে বিক্রি করে। অন্যটি ক্ষুদ্র ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষার হল থেকে প্রশ্নপত্র বাইরে পাঠানো ও ভেতরে পরীক্ষার্থীকে উত্তর বলে দেওয়ার কাজ করত।<br>“যে চক্রটি ছাপানো প্রশ্ন ফাঁস করেছিল, তারা মূলত এ প্রশ্ন দিয়ে সাভারের একটি বাসায় খুব অল্প সময়ে কোচিং করিয়েছিল। এখানে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করে দেওয়ার কথা বলে মোটা অংকের টাকাও নিয়েছিল। এর মূল হোতা ছিল ক্রীড়া কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান।”<br>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদেরও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশক্রমে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।<br>এছাড়া গত ২৫ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে সাংবাদিকদের পেটানোর ঘটনায় দুইজন শিক্ষার্থীকে ছয়মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।<br>সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় অসদুপায় অবলম্বনের জন্য ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।<br>এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:21:00 1970-01-01 00:00:00 ফখরুলের কাছে ভোট চাইলেন আতিকুল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89007 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232053_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232053_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে ভোট চাইলেন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।<br>মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ফখরুলের সঙ্গে দেখা হলে তিনি কুশলাদি বিনিময় করেন। একপর্যায়ে ফখরুলের কাছে ভোট চান আওয়ামী লীগ প্রার্থী।<br>ফখরুলকে আতিকুল বলেন, ‘আপনি তো উত্তরার ৪নং সেক্টরের বাসিন্দা। আপনার ভোট চাই।’ পরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি তো ঢাকায় ভোটার না।’<br>মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বিএনপির অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাদের কাছেও ভোট চান উত্তরের মেয়র প্রার্থী আতিক।<br>আগামী শনিবার ঢাকার দুই সিটিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ঢাকা উত্তরের মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন আতিকুল ইসলাম। তার বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন তাবিথ আউয়াল। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে নৌকার টিকিট পেয়েছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। তার সঙ্গে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন অবিভক্ত ঢাকা সিটির শেষ মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:21:00 1970-01-01 00:00:00 মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আজহারের বিচার শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89006 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232009_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580232009_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: নাশকতার একটি মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনালের এটিএম আজহারুল ইসলামসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আগামী ১০ মে সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেছে আদালত।<br>মঙ্গলবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন।<br>ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগের একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে জামায়াতের শীর্ষ নেতা নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩৩২/৩৫৩/৫০৬ ধারায় ওইদিনই শাহবাগ থানার এসআই এমদাদুল হক দায়ের করেন।<br>মামলাটি তদন্তের পর ২০১২ সালের ১৫ মার্চ আদালতে এটিএম আজহারসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন একই থানার এসআই আব্দুর রশিদ। চার্জশিটে উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে এটিএম আজহার ছাড়াও ছিলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৫ সালের ১১ এপ্রিল মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনালের মুহাম্মাদ কামারুজ্জামান, জামায়াত নেতা and nbsp; মকবুল আহমদ, অধ্যাপক মজিবুর রহমান, অধ্যাপক তসলিম আলম, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন ও শিবির নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। মামলাটিতে আট বছর আগে চার্জশিট দাখিল হলেও এটিএম আজহারের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার চলায় এবং পরবর্তী সময়ে ফাঁসির দণ্ডের আদেশ হওয়ায় এতদিন তাকে এই আদালতে নিরাপত্তার জন্য হাজির না করায় মামলাটির বিচার বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার হাজির করায় চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হলো। আর মামলার আসামি মুহাম্মাদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যক্রর হওয়ায় আদালত তাকে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।<br>মঙ্গলবার মামলার শুনানিকালে আসামি আজহারের পক্ষে অ্যাডভোকেট এসএম কামাল উদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক অব্যাহতির আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তা নামঞ্জুর করেন দণ্ডবিধির ১৪৩/৩৩২/৩৫৩ ধারায় চার্জগঠন করেন। শুনানিকালে এটিএম আজহারকে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অপর আসামিরা জামিনে থেকে আদালতে হাজির হন।<br>প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২২ আগস্ট এটিএম আজহারুল ইসলাম মগবাজারের বাসা থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। ওই মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তার ফাঁসির রায় দেয়। ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ এই রায় বহাল রাখে।<br><br> and nbsp;<br><br><br> and nbsp;</body></HTML> 2020-01-29 23:20:00 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানের কাছে ‘হোয়াইটওয়াশ’ নিয়ে সংসদে ক্ষোভ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89005 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231803_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231803_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে হতাশা প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্যরা। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন যারা দেশের সম্মান বয়ে আনতে পারছে না তাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি না করে যারা সম্মান বয়ে আনছেন তাদের দিকে নজর দেয়া উচিত।<br>সোমবার পাকিস্তানের মাটিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টিতে ২-০ তে সিরিজ হারের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ক্রীড়াঙ্গন খুব একটা ভালো নেই। জানি না কী বিপর্যয় আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে।<br>মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিল-২০২০ এর ওপর জনমত যাচাই-বাছাই করার প্রস্তাব দিয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা।<br>বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিলে উল্লেখযোগ্য বিশেষ কোনো দিক নেই। কিছুদিন আগে দেখলাম ক্রীড়াঙ্গনগুলোতে ক্যাসিনো বিপ্লব চলছে। সেই ক্যাসিনো বিপ্লবে বেশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অভিযোগ আনা হয়েছে- এটুকুই শেষ।<br>তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনের অবস্থা খুব একটা ভালো নাই। যে কারণে এই বিলটি যে উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে তা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক শক্তিশালীকরণ, দৃঢ় এবং মজবুত করার জন্য জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নত মানের ক্রীড়াবিদ তৈরি করতে পারি এরকম বিল আনেন।<br>হারুন আরও বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলাধুলা করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে, এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক। ভারতেও হোয়াইটওয়াশ। জানি না কি বিপর্যয় আমাদের ওপর দিয়ে যাচ্ছে। যে কারণে আমি মনে করি, বিকেএসপিতে আরও নজর দেন। অহেতুক উল্লেখযোগ্য উদ্দেশ্যে কারণ ছাড়াই বিল নিয়ে আসছেন।<br>জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, অনেকেই বলেছেন মাঠের অভাবে ক্রীড়াঙ্গনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি নেই। তাদের জানাতে চাই মাঠের অভাব মেটাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিটি জেলা পর্যায়ে ৪৯২টি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এরইমধ্যে ১২৫টি নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৬৭টি স্টেডিয়াম নির্মাণ করতে যাচ্ছি। অচিরেই সেই কাজ শুরু করতে পারব।<br>তিনি বলেন, ভারতে হোয়াইটওয়াশ হয়নি। সেখানে টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে আমরা ভারতকে পরাজিত করেছি। এছাড়া গত বছর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করে দ্বিপাক্ষিক ট্রফি ছিনিয়ে এনেছি। আমাদের খেলোয়ারেরা অলিম্পিকে ১৯টি গোল্ডসহ ১৪২টি পদক ছিনিয়ে এনেছে। কাজেই অগ্রগতি নেই কথাটি সঠিক না।<br>আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, যুব ফুটবল টিম সম্মান কুড়িয়ে আনছে। সাম্প্রতিক সময়ে অলিম্পিকে বেশ কয়েকটা আইটেমে ছেলেমেয়েরা স্বর্ণপদক জয় করে এনেছে। যেগুলো আমাদের সম্মান আনছে, যে সমস্ত ছেলেমেয়েরা পুরস্কার আনছে তাদেরকে পেট্রোনাইস করা হোক। সময় এসেছে যারা কিছু আনতে পারে বা যারা কিছু দিতে পারে, যারা সম্মান বয়ে আনতে পারে তাদের গুরুত্ব দেয়া হোক। যারা সম্মান আনতে পারে না তাদের এত গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।<br>এরপর সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, আমাদের জন্য দুঃসংবাদ। আমাদের বিসিবির প্রভাবশালী সভাপতি পারলেন না আমাদের সাকিবকে ফেরাতে। সাকিব এক বছর খেলার বাইরে থাকল এটা আমাদের বোধগম্য নয়, এর আগেও দেখেছি সভাপতি যারা ছিলেন দক্ষতার সঙ্গে চালিয়েছেন। আশা করি, এটার শাস্তির কমানোর ব্যাপারে আরেকটু পদক্ষেপ নেয়া উচিত হবে।<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-28 23:16:00 1970-01-01 00:00:00 চীনে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফেরাতে বিমান প্রস্তুত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89004 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231769_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231769_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার : চীনে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফেরাতে বিমান প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে এম আব্দুল মোমেন। এজন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।<br>মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ইমপ্লিমেন্টেশন অব দ্য থার্ড পেরিওডিক রিভিউ অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ কথা বলেন তিনি।<br>পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চীন সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা দুই সপ্তাহ অর্থাৎ ১৪ দিন তাদের পর্যবেক্ষণ করবে। এই সময়ের মধ্যে এই প্রদেশে কোনো বিদেশিকে প্রবেশ ও বেরোতে দেবে না তারা।<br>পর্যবেক্ষণ শেষে চীন সরকারের সিদ্ধান্ত জানালে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।<br>চীনের উহান শহরে প্রথমে দেখা দেওয়া নিউমোনিয়া সদৃশ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা একশ ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।<br>করোনাভাইরাস রোধে বাংলাদেশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘উহান প্রদেশে থাকা বাংলাদেশি পাঁচশ শিক্ষার্থী ফিরতে চাইলে বিমান প্রস্তুত রয়েছে। আমরা চীনে বাংলাদেশিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।’<br>আব্দুল মোমেন বলেন, ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি ওয়েব পেইজও খুলেছে। আমরা চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে কেউ এলে পর্যবেক্ষণ রাখবো। বিমানবন্দরে আমরা তাদের ঠিকানা নেবো। কোথায় অবস্থান করবে, সে তথ্যও নেওয়া হবে।<br>বিমানবন্দরে স্ক্যান চালু করা হবে কিনা জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনও ভ্রমণ সতর্কতা দেয়নি। আমরা কোনও আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা চলাচলে কোনও রেস্ট্রিকশন দেইনি, শুধু বলেছি আমরা সতর্ক থাকবো।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:16:00 1970-01-01 00:00:00 আইপিএলে বাজি খেলতে ব্যাংকের সাড়ে ৩ কোটি টাকা সরিয়েছেন কর্মকর্তা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89003 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231690_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231690_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">আইপিএল খেলায় অনলাইনে বাজি ধরতেই ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের রাজশাহী শাখার এক কর্মকর্তা। টাকাগুলো বাজিতে হেরেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। <br>ওই কর্মকর্তার নাম শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল। তিনি নগরীর সাগরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ক্যাশ ইনচার্জ পদে তিনি দায়িত্বে ছিলেন।<br>গত ২৪ জানুয়ারি রাত ১২টার পরে এঘটনায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের জোনাল ম্যানেজার সেলিম রেজা খান বাদী হয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানায় টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন। ওই মামলায় পুলিশ সোমবার তাকে তিন দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।<br>পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল জানিয়েছেন, ব্যাংকটিতে সব সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকা থাকতো। গত দুই বছর ধরে তিনি টাকাগুলো ব্যাংক থেকে সরাতে থাকেন। এই টাকায় তিনি আইপিএলের বিভিন্ন খেলায় অনলাইনে বাজি ধরতেন। এতে কখনো কখনো জিতলেও প্রায়ই হারতেন। এভাবেই টাকাগুলো তিনি বাজিতে হেরেছেন।<br>পুলিশ জানায়, টাকা রাখার ভল্টের সামনের লাইন ঠিক রেখে পেছনের লাইন থেকে তিনি টাকাগুলো সরাতেন। এতে করে ব্যাংকের কোন কর্মকর্তার সন্দেহ হতো না। গত বৃহস্পতিবার সমস্ত টাকা গণনার পর ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা কম পাওয়া যায়। এসময় তিনি টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন। পরে গভীর রাতে তাকে থানায় নেওয়া হয়। তখনো টাকা ফেরত না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। and nbsp;<br>বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, শামসুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে টাকা নিয়ে অনলাইনে আইপিএলে জুয়া খেলে হেরেছেন বলে দাবি করেছেন। তবে টাকাগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। পুলিশ রিমান্ডে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।<br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:15:00 1970-01-01 00:00:00 সব রেলস্টেশনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি স্থাপনের সুপারিশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89002 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231616_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231616_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">নিজস্ব প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে চলতি বছরের মধ্যেই দেশের প্রত্যেকটি রেলস্টেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পোর্ট্রেট (প্রতিকৃতি) স্থাপনের সুপারিশ করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।<br>মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির নবম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।<br>ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, ‘দেশের প্রত্যেকটি রেলস্টেশনে বঙ্গবন্ধুর প্রোর্ট্রেট স্থাপনের পাশাপাশি সোলার স্থাপনের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ওয়ার্কশপগুলোতে ডেমু ট্রেন মেরামতের জন্য ইউনিট স্থাপনের সুপারিশ করা হয়।’<br>এ-সংক্রান্ত বিষয়ে শিগগির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে জানিয়ে সংদীয় কমিটির সভাপতি বলেন, ‘বৈঠকে নতুন রেললাইন নির্মাণসহ পুরোনো রেললাইনসমূহ ত্রুটিমুক্ত রাখার বিষয়ে আলোচনা হয় এবং রেলওয়ে ব্রিজ, স্টেশন ভবন, প্ল্যাটফর্ম সংস্কারের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে সেসব বিষয় নিয়েও কথা হয়।’<br>বৈঠকে বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতির স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবটি সংরক্ষণের বিষয়ে আলোচনা হয় বলেও জানান সভাপতি।<br>কমিটির সদস্য ও রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন, আসাদুজ্জামান নূর, মো. সাইফুজ্জামান, এইচ এম ইব্রাহিম ও গাজী মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ ছাড়াও রেলওয়ের মহাপরিচালক ও রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সচিব বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।<br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:13:00 1970-01-01 00:00:00 ‘বাধ্যবাধকতা না থাকলে তাপসের পক্ষে নামতাম’ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89001 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231578_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231578_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার : দলীয় মনোনয়ন চেয়েও বঞ্চিত হওয়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের পক্ষে প্রচারণায় নামতেন। তাপসকে ‘ভাই’ উল্লেখ করে ঢাকাবাসীর জন্য একসঙ্গে কাজ করে যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।<br>মঙ্গলবার দুপুরে সদরঘাটে সিটি করপোরেশনের জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আওয়ামী লীগ প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ওই এলাকায় গণসংযোগে গেলে দুজনের সঙ্গে সেখানে কুশল বিনিময় হয়।<br>পরে গণমাধ্যম কর্মীদের সাঈদ খোকন বলেন, ‘আজ আমাদের প্রাণপ্রিয় প্রার্থী এই এলাকায় গণসংযোগ করতে এসেছেন। আমি এখানে এসেছি আমোদের প্রকল্প পরিদর্শন করতে। দক্ষিণ সিটি এলাকায় যেসব পথবাসী থাকে তাদেরকে এখানে সরিয়ে এনে পুনর্বাসন করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের সুন্দর জীবন নিশ্চিত করার জন্য এই প্রকল্প গ্রহণ করেছি।’<br>নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে সাঈদ খোকন আরও বলেন, ‘আজকে আমরা দুই ভাই এখানে উপস্থিত হয়েছি। আজ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে একথা বলতে চাই— আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে আমি নৌকা মার্কায় ভোট দেবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি জানি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাপস জয়যুক্ত হলে আমরা যে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে সক্ষম হয়েছি তার হাতেই একমাত্র সম্ভব সেই ধারা অব্যাহত রাখা। এর মাধ্যমে ঢাকাবাসীকে একটি কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের একটি সুন্দর ঢাকা উপহার দেওয়া। যদি নির্বাচনী আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা না থাকতো তাহলে আমি আমার ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানাতাম— ফজলে নূর তাপসকে নৌকা মার্কায় ভোট দিন। তার পক্ষেই সম্ভব এই শহরের অগ্রগতি অব্যাহত রাখা। তাই আপনার তাপসকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। প্রিয় ঢাকাবাসী আপনাদের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।’<br>এসময় ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমি এখানে গণসংযোগ করতে এসে দেখেছি মেয়র মহোদয় খুবই ভালো একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এখানে সদরঘাটে জলবায়ু উদ্ধাস্তুদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এখানে ছিন্নমূল ও বিভিন্ন বয়সের নারী ও শিশুদেরকে এখানে পুনর্বাসন করা হবে।’<br>তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র আমার ভাই। আমাদের প্রয়াত নেতা মেয়র হানিফের সুযোগ্য সন্তান। আজ এখানে এসেছি তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে। আমার ভাই যেসব উন্নয়ন কাজ হাতে নিয়েছেন ইনশাআল্লাহ ঢাকাবাসীর সমর্থনে নির্বাচিত হলে আমরা সেসব উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুতগতিতে শেষ করবো। আমাদের যে লক্ষ্য আমরা দিয়েছে সেই ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সাঈদ খোকন এরই মধ্যে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। সেগুলো সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ে তুলবো।’<br>তাপস আরও বলেন, ‘আমরা দুই ভাই। আমরা সব সময় এক সাথে আছি এবং থাকবো। আজ যেহেতু উনার আচরণবিধি লঙ্গন হবে, তাই তিনি গণসংযোগে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। আজ আমি গণসংযোগে অংশ নিয়ে যখন দেখেছি তিনি এখানে সিটি করপোরেশনের ?একটি উদ্যোগকে উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। আমি এ সুযোগে এখানে একটু কুশল বিনিময় করতে এসেছি। আমি উদ্ধাস্তু কেন্দ্রটি ঘুরে ঘুরে দেখেছি। এখানে পথশিশু ও বৃদ্ধ নারীদের জন্য অত্যন্ত সুন্দর আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের ঢাকাকে সাজিয়ে তুলে নেওয়ার জন্য আমরা এ ধরনের আরও উদ্যোগ নেবো।’<br>তাপস বলেন, ‘মেয়র সাঈদ খোকন এরই মধ্যে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন আমি নির্বাচিত হলে সেগুলো সামনের দিকে এগিয়ে নেব। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেগুলো বাস্তবায়ন করবো।’<br><br><br><br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:13:00 1970-01-01 00:00:00 ঢাকার দুই সিটির ভোটকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় থাকবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=89000 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231541_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231541_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরার আওতায় আনছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের দিন, ভোটের আগের দিন এবং মক ভোটের দিন অর্থাৎ তিনদিন কেন্দ্রের চিত্র ধারণ করা হবে।<br>এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম ও দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।<br>ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মো. আশরাফ হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে- 'ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভােটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য ভােট কেন্দ্র হিসেবে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সিসি ক্যামেরা মক ভোটিং এর দিন, নির্বাচনের পূর্বের দিন ও নির্বাচনের দিন ব্যবহার করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।' 'তবে শর্ত থাকে যে, ভােট গ্রহণের দিন গোপন কক্ষের কোন দৃশ্য সিসি ক্যামেরার আওতায় আসবে না।'<br>সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে সার্বিক সমন্বয় ও সহায়তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে।<br>এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন এক-এগারো সরকারের সময়কার নির্বাচন কমিশন দেশে প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্র সিটি টিভির আওতায় এনেছিল। সীমিত আকারে সিটি নির্বাচনসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে এর ব্যবহারে সুফল পেয়েছিল কমিশন। এক্ষেত্রে বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা কিনে নিয়েছিল ইসি। এছাড়াও ওই কমিশন স্কাইপির মাধ্যমে সরাসরি অনলাইনে ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করার উদ্যাগও নিয়েছিল।<br>এরপর ২০১২ সালের কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেত্বাতাধীন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব উদ্যোগ আর ধারাবাহিক রাখতে পারেনি। লোকবলের অভাব দেখিয়ে তারা উদ্যোগ দুটি থেকে সরে আসে।<br>দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় পর কেএম নূরুল হুদা কমিশন ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণে পুনরায় সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে।<br>১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মক ভোট হবে ৩০ জানুয়ারি। সে অনুযায়ী, ৩০ জানুয়ারি থেকে ০১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিসি টিভির আওতায় থাকবে ভোটকেন্দ্র।<br>উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৩১৮টি। ভোটকক্ষের সংখ্যা সাত হাজার ৮৪৬টি। এ সিটিতে ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।<br>দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র এক হাজার ১৫০টি। ভোটকক্ষ ছয় ৫৮৮টি। এ সিটিতে ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:12:00 1970-01-01 00:00:00 আজহারীসহ কিছু ধর্মীয় বক্তা জামায়াতের প্রচারণা চালাচ্ছে: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88999 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231502_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/28/1580231502_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" align="left" border="0px">স্টাফ রিপোর্টার: ওয়াজ মাহফিলে মিজানুর রহমান আজহারীসহ কিছু ধর্মীয় বক্তা অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে জামায়াতের প্রচারণা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো: আব্দুল্লাহ।<br>মঙ্গলবার (২৮জানুয়ারি) দুপুরে, জামালপুরের গৌরিপুর কাচারী এলাকায় নির্মাণাধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মডেল মসজিদের কাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।<br>ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রকাশ্যে জামায়াতের রাজনীতির সুযোগ না থাকায় কৌশলে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে এসব বক্তা জামায়াতের পক্ষে কথাবার্তা বলছেন। তারা কোরআন-হাদিসের যেসব ব্যাখ্যা দেয় তার অধিকাংশই মিথ্যা কথার আশ্রয় নিয়ে আজেবাজে কথা বলে।<br>তিনি জানান, ফেসবুক-ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পাড়া ধর্মীয় বিষয়ে বিতর্কিত বক্তব্যগুলো সরকারের নজরে এসেছে। এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সরকার ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। মন্ত্রী এসব বক্তাদের সামাজিকভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।<br>এ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।<br><br> </body></HTML> 2020-01-29 23:12:00 1970-01-01 00:00:00 সারাদেশে সড়কে ঝরলো ১৫ প্রাণ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88998 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580229758_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580229758_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, যশোর, সিলেট ও ফেনীতে পৃথক দুর্ঘটনায় মঙ্গলবার ১৫ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: and nbsp; <br><br><span style="font-weight: bold;">মৌলভীবাজার: </span>সদর উপজেলার বাউরভাগ এলাকায় সকালে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অটোরিকশা চালকসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।<br><br>নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার বাউরভাগ গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মুজাহিদুর রহমান (৩৪) ও পাবনার ইশ্বরদী গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে আল আমিন (২৫)।<br><br>সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক ইব্রাহীম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘন কুয়াশাজনিত কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।<br><br><span style="font-weight: bold;">হবিগঞ্জ: </span>ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বাহুবল উপজেলার দৌলতপুরে অজ্ঞাত এক গাড়ি চাপায় ভোরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।<br><br>নিহতরা হলেন- ওই উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের মঙ্গলকাপন গ্রামের আবদুর রকিব (৩৫) এবং পার্শ্ববর্তী নোয়াপাড়া গ্রামের আক্তার মিয়া (৪৫)।<br><br>বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, ভোর সাড়ে ৩টার দিকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি গাড়ি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।<br><br><span style="font-weight: bold;">চট্টগ্রাম: </span>চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের রাউজান উপজেলার পাহাড়তলীতে মঙ্গলবার যাত্রীবাহী বাস উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে গেলে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চুয়েটের ছাত্র-শিক্ষকসহ প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।<br><br>নিহতরা হলেন- রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক এলাকার বাসিন্দ জাহানারা বেগম (৫৫) ও বাসের সহকারী ইমাম হোসেন (৪৫)।<br><br>রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ বলেন, চট্টগ্রাম নগরী থেকে চন্দ্রঘোনাগামী বাসটি বেলা পৌনে ১১টার দিকে চাকা পাংচার হয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাহড়তলীতে খাদে পড়ে উল্টে যায়। এতে দুইজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">গোপালগঞ্জ:</span> গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রেল ক্রসিং পার হতে গিয়ে মঙ্গলবার ট্রেনের ধাক্কায় তিন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও এক শিক্ষার্থী। দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।<br><br>নিহতরা হলেন- উপজেলার জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ও নাওরা দোলা গ্রামের মো. ফরিদ শরীফের ছেলে মো. ইয়াসিন শরীফ (১৬), একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিরোন্যকান্দি গ্রামের আশরাফ আলী মিয়ার ছেলে মো. রায়হান রুহিন (১৫) এবং দশম শ্রেণির ছাত্র একই গ্রামের মো. লাবু খন্দকারের ছেলে আল আমিন খন্দকার (১৫)।<br><br>দুর্ঘটনায় আহত দশম শ্রেণির ছাত্র হিরোন্যকান্দি গ্রামের মো. আহাদ তালুকদারের ছেলে মো. সোহানকে (১৫) মুমূর্ষু অবস্থায় কাশিয়ানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থাও আশংকাজনক বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন।<br><br>কাশিয়ানী থানার এএসআই রতন বৈরাগী জানান, উপজেলার জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা দেখতে যায় চার বন্ধু। পরে তারা একটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। বিশ্বনাথপুর রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ভাটিয়াপাড়া থেকে ছেড়ে যাওয়া কালুখালীগামী ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।<br><br>এদিকে বিকাল ৫টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বেদগ্রাম নামক স্থানে দুর্ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন।<br><br>নিহতরা হলেন- মোটরসাইকেল চালক সদর উপজেলার ভেন্নবাড়ি গ্রামের টিপু শেখের ছেলে মিজানুর রহমান রাজিব (২২) ও পথচারী শহরতলীর বেদগ্রামের ছোকন মোল্লার ছেলে জিন্নাত মোল্লা (৬৫)।<br><br>গোপালগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক মো. তানভির আহমেদ জানান, রাজিব মোটরসাইকেলযোগে পুলিশ লাইন্স থেকে গ্রামের বাড়ি ভেন্নাবাড়ি যাচ্ছিলেন। বেদগ্রাম নামক স্থানে জিন্নাত রাস্তা পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলের নিচে চাপা পড়ে এবং মোটরসাইকেলটি রাস্তার ওপর ছিটকে পড়লে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।<br><br><span style="font-weight: bold;">কুড়িগ্রাম: </span>রৌমারীতে দুপুর ১টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রলির হেলপার হাসান আলী (১৮) নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও তিনজন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে নাজমুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।<br><br>নিহত হাসান মিয়া উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের যাদুরচর নতুন গ্রামের লাল চাঁনের ছেলে।<br><br>ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক অনুপ কুমার বলেন, আহত তিনজনের মধ্যে নাজমুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।<br><br><span style="font-weight: bold;">যশোর: </span>চৌগাছায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় রাহুল হোসেন নান্নু (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। সে চৌগাছা পৌর এলাকার মডেল প্রাইমারি স্কুলপাড়ার মালয়েশিয়া প্রবাসী শাহ জামালের ছেলে ও হাজী মর্ত্তোজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।<br><br>পরিবারের বরাত দিয়ে চৌগাছা থানার ওসি রিফাত খান রাজীব জানান, হাজী মর্ত্তোজ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে নান্নু তার বন্ধু দীঘলসিংহা গ্রামের নিলয়ের কাছ থেকে মোটরসাইকেল চেয়ে নেয়। বেলা ২টার দিকে নান্নু তার আরেক বন্ধু একই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র জীবনকে (১৫) সাথে নিয়ে উপজেলার বেড়গোবিন্দপুর গ্রামে যাচ্ছিল।<br><br>বেড়গোবিন্দপুর বাঁওড়ের কাছে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ব্রিজের রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে আহত হয় তারা। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক নান্নুকে মৃত ঘোষণা করেন।<br><br>আহত জীবন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে উপজেলার দীঘলসিংহা গ্রামের মিল্টন হোসেনের ছেলে।<br><br><span style="font-weight: bold;">সিলেট:</span> সিলেটের কানাইঘাটের লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের কালিজুরী ধনবন খালে সকাল ৮টার দিকে একটি ট্রাক্টর উল্টে ঘটনাস্থলেই এর চালক নিহত হয়েছেন।<br><br>নিহত দবিরুল ইসলাম ডব্লিউ (৩৫) দিনাজপুরের মিরপুরের আজহার আলীর ছেলে।<br><br>কানাইঘাট থানার এসআই আবু কাওছার জানান, দবিরুল ইসলাম ডব্লিউ গত কয়েক মাস ধরে সাউদগ্রাম এলাকার ইয়া উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির ট্রাক্টর চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।<br><br><span style="font-weight: bold;">ফেনী: </span>সকালে ফেনী-পরশুরাম সড়কের বন্দুয়া হাজী স্টোর এলাকায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক বেলাল হোসেনসহ (২২) অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত বেলাল হোসেন ছাগলনাইয়া উপজেলার বাতানিয়ার করম উল্লাহর ছেলে।<br>ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কুতুব উদ্দীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-28 22:38:47 1970-01-01 00:00:00 ব্যাংকের ভল্ট থেকে টাকা নিয়ে আইপিএলে বাজি ধরেন এ ব্যাংক কর্মকর্তা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88997 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225656_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225656_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">প্রায় দুই বছর ধরে অনলাইন বাজিতে ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা হেরেছেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের রাজশাহী শাখার এক কর্মকর্তা। বিভিন্ন সময় এ টাকা তিনি সরিয়েছেন ব্যাংকের ভল্ট থেকেই। শেষ পর্যন্ত ধরাও পড়েছেন তিনি। অভিযুক্ত ওই ব্যাংক কর্মকর্তা হলেন, নগরীর সাগরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল। তিনি ব্যাংকের রাজশাহী শাখার ক্যাশ ইনচার্জ ছিলেন। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৪ জানুয়ারি দিবাগত রাতে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় মামলা করেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের জোনাল ম্যানেজার সেলিম রেজা খান। গ্রেফতারের পর ওই মামলায় তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। রিমান্ড শেষে বুধবার তাকে আদালতে তোলার কথা।<br><br>পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত শামসুল ইসলাম ওরফে ফয়সাল জানিয়েছেন, ব্যাংকটিতে সব সময় প্রায় ১৫ কোটি টাকা থাকতো। দুই বছর ধরে তিনি টাকাগুলো ব্যাংক থেকে সরাতে থাকেন। ওই টাকা তিনি আইপিএলের বিভিন্ন খেলায় অনলাইনে বাজিতে লগ্নি করতেন। এতে কখনও কখনও জিতলেও প্রায়ই হারতেন। টাকা রাখার ভল্টের সামনের লাইন ঠিক রেখে পেছনের লাইন থেকে তিনি টাকাগুলো সরাতেন। এতে ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তার সন্দেহ হতো না। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার ভল্টে রাখা টাকা গণনার পর ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা কম পাওয়া যায়। এ সময় তিনি টাকা সরানোর কথা স্বীকার করেন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে লেনদেন শেষে ক্যাশ মেলাতে গিয়ে তারা পৌনে তিন কোটি টাকার হিসাবে মেলাতে পারেননি। তখনই ক্যাশ ইনচার্জ শামসুল ইসলামকে তারা ধরে বসেন। রাত ১২টার দিকে তারা ওই কর্মকর্তাকে থানায় নিয়ে যান।<br><br>নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ বলেন, তারা রাত ১২টার দিকে শামসুল ইসলামকে থানায় নিয়ে আসেন। কথাবার্তা বলে মামলা করতে রাত দেড়টা বেজে যায়। থানায় আনার পর তিনি টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেন।<br>তিনি দাবি করেন, ব্যাংক থেকে ২ কোটি টাকা দুই বন্ধুকে দিয়েছেন। ১ কোটি টাকা নিজের একটি প্রকল্পের কিস্তি দিয়েছেন। তবে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদকালে তিনি জানান, পুরো টাকা তিনি অনলাইন জুয়ায় হেরেছেন। এখন সেই টাকা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। রিমান্ড শেষে তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে। </body></HTML> 2020-01-28 21:33:31 1970-01-01 00:00:00 জি কে শামীমের বিচার শুরু http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88996 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225515_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225515_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রাজধানীর গুলশান থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় জি কে শামীমসহ তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। আদালতের পেশকার জুয়েল আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ২৭ অক্টোবর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক এ চার্জশিট জমা দেন।<br><br>জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষী হলেন দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। গত ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জি কে শামীম। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচার আইনে তিনটি মামলা হয়। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।<br>গ্রেফতারের পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর অস্ত্র ও মাদক মামলায় পাঁচদিন করে শামীমের মোট ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। একই সঙ্গে অস্ত্র আইনের মামলায় তার সাত দেহরক্ষীর চারদিন করে রিমান্ড আদালত মঞ্জুর করেন। ২৭ সেপ্টেম্বর অস্ত্র মামলায় রিমান্ড শেষে জি কে শামীমকে মাদক আইনের মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে করা মামলা র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) তদন্ত শুরু করে। </body></HTML> 2020-01-28 21:30:48 2020-01-28 22:30:34 মিন্নি-নয়ন বন্ডের বিয়ের কাবিন আদালতে পেশ করলেন কাজী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88995 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225387_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580225387_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজী মো. আনিচুর রহমান।<br>মঙ্গলবার (২৮জানুয়ারি) জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তারা বিয়ের কাবিন আদালতে পেশ করেন। একই দিনে আদালতে মামলার অপর দুই সাক্ষী মো. কামাল হোসেন এবং মিনারা বেগম সাক্ষ্য দিয়েছেন । এ নিয়ে মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিরুদ্ধে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান মঙ্গলবার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।<br><br>কাজি আনিচুর রহমান আদালতে বলেছেন, ‘২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে আমি সম্পন্ন করি। ওই দিন নয়ন বন্ডের কয়েকজন বন্ধু আমাকে নয়ন বন্ডের বাসায় নিয়ে যায়। তখন বাসায় নয়ন বন্ডের মা এবং মিন্নিসহ অনেক লোক উপস্থিত ছিলেন। নয়ন বন্ডের বাসায় বসেই পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ে দেই আমি।’ আদালতে আনিচুর রহমান আরও বলেছেন, ‘বিয়ে সম্পন্ন করার পর আমি জানতে পারি মিন্নি বরগুনা পৌরসভার আবু সালেহ কমিশনারের ভাইয়ের মেয়ে। তখন আমি সালেহ কমিশনারকে আমার মোবাইল থেকে কল দিয়ে মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের খবর জানাই। তখন তিনি আমাকে বিয়ের কথা গোপন রাখতে বলেন। এরপর মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরও আমাকে ফোন করে বিবাহের বিষয়টি গোপন রাখতে অনুরোধ করেন।’<br><br>কাজি আনিচুর রহমান আদালতে আরও বলেছেন, ‘এরপর আমি জানতে পারি কুমারী পরিচয়ে রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির বিয়ে হয়েছে। রিফাত শরীফের সঙ্গে বিয়ের পরের দিন মিন্নির বাবা আমাকে ফোনে বলেন মিন্নি ও নয়ন বন্ড আগামীকাল আপনার কাছে যাবে। আপনি তাদের ডিভোর্স করিয়ে দিয়েন। কিন্তু মিন্নির বাবার কথা অনুযায়ী ওই দিন তারা আমার কাছে আসেনি। এর পরের দিন ফোন করে আবারও আমাকে একই কথা বলেন মিন্নির বাবা কিশোর। ওই দিনও ডিভোর্সের জন্য মিন্নি ও নয়ন বন্ড আমার কাছে না আসায় মিন্নির বাবাকে ফোন দেই। তখন মিন্নির বাবা আমাকে বলেন, ওরা দুজনে কমিটমেন্ট করেছে বিয়ের কথা কাউকে জানাবে না। গোপন রাখবে। আপাতত থাক।’<br><br>আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, সাক্ষ্য দেয়ার সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের কাজি মো. আনিচুর রহমান আদালতে বিয়ের রেজিস্টার বালাম উপস্থাপন করেছেন। এটি গ্রহণ করেছেন আদালত। গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত‌্যু হয়। এ ঘটনায় করা মামলায় ১ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। সম্প্রতি রিফাত হত্যা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক; দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. মুসা এখনও পলাতক। পাশাপাশি রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি এবং মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছয়জন আসামি জামিনে রয়েছেন। বাকিরা কারাগারে।<br><br>গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনার শিশু আদালত। রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন। </body></HTML> 2020-01-28 21:29:06 1970-01-01 00:00:00 ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88994 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224834_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224834_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত এবং অস্ত্র ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৬৭ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ। এদের মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির জন্য ৬৩ জন এবং অস্ত্র ও মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার দায়ে চারজনকে বহিষ্কার করা হয়। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া সভায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও ৯ জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়। তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- এই মর্মে সাত কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।<br><br>বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ইতিপূর্বে কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশক্রমে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে গত ২৫ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় বিভিন্ন সময়ে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। </body></HTML> 2020-01-28 21:19:35 1970-01-01 00:00:00 ছেলে হত্যার দায়ে সৎ মায়ের ২০ বছরের কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88993 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224220_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224220_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ বছর বয়সী ছেলে রেদুয়ানকে গলাটিপে হত্যার দায়ে সৎ মা রোজিনা খাতুন ওরফে খাদিজাকে (৩০) ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই সাথে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ শওকত আলী একমাত্র আসামির উপস্থিতিতে দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। নিহত রেদুয়ান চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হরিপুর মিয়াপাড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের (৩৩) ছেলে ও দণ্ডিত রোজিনা আব্দুর রহিমের দ্বিতীয় স্ত্রী। মামলার বরাত দিয়ে সরকার পক্ষের আইনজীবী আঞ্জুমান আরা জানান, ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাড়ির নিকটেই দ্বিথীয় শ্রেণির ছাত্র সৎ ছেলে রেদুয়ানকে গলাটিপে স্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রাখে রোজিনা। পারিবারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কারণে সে এ কাজ করে। ওইদিন রাত ১২টার দিকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে ওইদিন বিকেল ৩টায় রেদুয়ান নিখোঁজ হলে তার পিতা রাতে থানায় ডায়েরি করে ও মাইকিং করে ছেলের খোঁজ করে। এদিকে ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা পরদিন ৮ অক্টোবর অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তে সৎ মা রোজিনার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে ওইদিনই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর আদালতে রোজিনা হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সদর থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) ইদ্রিস আলী ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর রোজিনাকে একমাত্র আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্যশিট দাখিল করেন। ১৩ জনের সাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানির পর আদালত রোজিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন। আসামী আইনজীবী নিয়োগ না করায় তার পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে মামলা পরিচালনা করেন এড. সাদরুল আমীন।<br><br> </body></HTML> 2020-01-28 21:10:01 1970-01-01 00:00:00 বিয়েতে এসে বাড়ি ফেরা হলো না মা-মেয়ের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88992 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224181_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224181_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না দিপা রায়ের। ভয়াবহ আগুন মা-মেয়ের জীবন কেড়ে নেবে এটা হয়তো ভাবেননি দিপা রায়ের স্বামী সজল রায় এবং তার ছেলে। আত্মীয়ের বিয়েতে হবিগঞ্জ থেকে সপরিবারে মৌলভীবাজারে এসেছিলেন দিপা রায় (৩৫)। ২২ জানুয়ারি বিয়ে শেষ হলেও সোমবার ছিল বিয়ের বৌভাত। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের সঙ্গেই হবিগঞ্জে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল আজ কালকের মধ্যেই। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হলো না আর। and nbsp;<br>আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে পিংকি সু-স্টোরে লাগা আগুনে পুড়ে অন্যান্য স্বজনদের সঙ্গে মারা গেছেন মা-মেয়ে দুজনই। বিয়ের আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাদের এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না স্বজনদের কেউই।<br>পিংকি স্টোর নামের যে দোকানটি থেকে ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয় সেই দোকানের উপরের বাসাতেই আত্মীয়দের সঙ্গে তার এক ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে অবস্থান করছিলেন দিপা রায়। আগুন লাগার পর বাসার অন্যান্য সদস্যদের মতো দিপা রায়ও ছেলে মেয়েদের নিয়ে ওই বাসায় আটকা পড়েন। প্রাণ বাঁচাতে আরও অনেকের সঙ্গে তার ছেলে বাসার বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও ছোট মেয়ে বৈশাখীকে নিয়ে বের হতে পারেন নি মা দিপা রায়। ফলে অন্য ৩ জনের সঙ্গে মারা যান তারাও।<br>দিপা রায়ের আত্মীয় কল্প রায় জানান, কয়েকদিন আগেই আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে সপরিবারে মৌলভীবাজারে আসেন দিপা রায়। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার উমেদনগরে। তার স্বামী সজল রায়। দিপা রায়ের আরও একজন ছেলে রয়েছে।<br>প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের সাইফুর রহমান রোডের পিংকি সু-স্টোরে গ্যাসের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দোকানের পেছনে বাসায় এ সময় আটকা পরে কয়েকজন। </body></HTML> 2020-01-28 21:09:20 1970-01-01 00:00:00 কর্মকর্তার মাথায় আঘাত করে গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা লুট http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88991 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224103_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224103_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তার ওপর হামলা চালিয়ে অর্ধলাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে ছিনতাইকারীরা। এ সময় ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের মাওনা শাখার দ্বিতীয় কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান। আহত অবস্থায় আব্দুল মান্নানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে এ ঘটনা ঘটে।<br>গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপক সাবিনা ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যাংকের সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে মোটরসাইকেলযোগে গ্রামীণ ব্যাংকের শ্রীপুরের মাওনা শাখায় ফিরছিলেন আব্দুল মান্নান। দক্ষিণ বারতোপা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ছিনতাইকারী ওই ব্যাংক কর্মকর্তাকে থামতে বলে।<br>এ সময় মোটরসাইকেলের গতি কমালে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পেছন থেকে ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে ছিনতাইকারীরা। এতে তার মাথায় গভীর ক্ষত হয়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক।<br>সাবিনা ইসলাম আরও বলেন, ছিনতাইকৃত টাকার পরিমাণ ৬০-৭০ হাজার টাকা হবে। আব্দুল মান্নানের বাড়ি ঢাকার ধামরাই এলাকায়। তিনি এই শাখায় গত বছরের জুলাইয়ে যোগদান করেছেন। ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।<br>গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা থানায় জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর থানা পুলিশের ওসি মো. লিয়াকত আলী। </body></HTML> 2020-01-28 21:08:10 1970-01-01 00:00:00 থানার সামনে বিকাশ এজেন্টকে ছুরিকাঘাত করে ২ লাখ টাকা ছিনতাই http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88990 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224056_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224056_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশ চেকপোস্টের সামনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কাভার্ডভ্যানের হেলপার নিহতের পর এবার থানার সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এক বিকাশ এজেন্টকে ছুরিকাঘাত করে দুটি মোবাইল, স্বর্ণের চেইন এবং নগদ দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১১টার দিকে সোনারগাঁ থানার সামনে সেতুর ওপারে ভবনাথপুর এলাকায় ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে। বিকাশ এজেন্ট জুলহাসকে (২৮) আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জুলহাস উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকার মো. শহীদুল্লাহর ছেলে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোনারগাঁ থানার সামনে রাকিব টেলিকম নামে বিকাশ এজেন্ট ও ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকান দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছেন জুলহাস। সোমবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাচ্ছিলেন তিনি। থানাসংলগ্ন ভবনাথপুর এলাকায় ৪-৫ জনের সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর দল জুলহাসের ওপর হামলা চালায়। এ সময় জুলহাসের পেটে, পিঠে ও হাতে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। তার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে দুই লাখ টাকা, দুটি মোবাইল ও গলার স্বর্ণের চেইন নিয়ে পালায় তারা। পরে আহত অবস্থায় জুলহাসকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকাশ এজেন্ট জুলহাস বলেন, সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে আমার টাকা ছিনিয়ে নিতে চায় ছিনতাইকারীরা। এতে বাধা দিলে ছুরিকাঘাত করে আমার দুই লাখ টাকা, দুটি মোবাইল ও একটি স্বর্ণের চেইন ছিনতাই করে নিয়ে যায় তারা। আমি তাদের কাউকে চিনি না। সোনারগাঁ থানা পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি রাতেই শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। তবে আমার মনে হয় পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এর আগে শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে সোনারগাঁয়ের আষাঢ়িয়ারচর এলাকায় পুলিশ চেকপোস্টের সামনে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কাভার্ডভ্যানের হেলপার সাগর (৩০) নিহত হন। <br>এ সময় ছুরিকাঘাতে চালক গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় থানায় ডাকাতি মামলা হয়েছে।<br><br><br> </body></HTML> 2020-01-28 21:07:19 1970-01-01 00:00:00 নিপাহ ভাইরাস কী জানেন না সাতক্ষীরার গাছিরা, নেই প্রচারণা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88989 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224003_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580224003_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥<br>চলছে শীতের মৌসুম। খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা। গ্রামাঞ্চলে খেজুর গাছের কাঁচা রস খাওয়ার প্রবণতাও কম নয়। তবে এই খেজুরের কাঁচা রসেই ছড়িয়ে থাকে নিপাহ নামক ভাইরাস। যে ভাইরাসে আক্রান্ত হলে অধিকাংশ মানুষেরই মৃত্যু ঘটে। সাতক্ষীরা জেলায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিপাহ ভাইরাসের বিষয়ে তেমন কোনো দৃশ্যমান সতর্কতামূলক প্রচার-প্রচারণা নেই। ভয়াবহ এ ভাইরাসের খবর জানেন না গাছিরা। জানা নেই সাধারণ মানুষদেরও। নিপাহ ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করা স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ড. মিরজাদী সেবরিনা ফ্লোরা গত বছরের ১৮ নভেম্বর নিপাহ ভাইরাস নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০০১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩১৩ জন মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ২১৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরে আক্রান্ত হয়েছেন আটজন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন পাঁচজন।<br>সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা গাছি আব্দুল কাদের (৩৮)। ১৬ বছর ধরে প্রতি বছরই শীত মৌসুমে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করেন। রস বিক্রি ও রস থেকে গুড় তৈরি করে বিক্রি করেন হাট-বাজারে। শীত মৌসুমে ৪৫-৫০ হাজার টাকা রোজগার করেন তিনি। তবে তিনি জানেন না, খেজুর রসের ভয়াবহ নিপাহ ভাইরাসের খবর। গাছি আব্দুল কাদের বলেন, শীত মৌসুমে খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করেই শীত মৌসুমে রোজগার করি। উপার্জনের সেই অর্থ দিয়েই চলে সংসার। এ বছর আমি ৭০-৮০টা খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছি। খেজুর গাছে বিভিন্ন পাখিসহ রাতে বাদুড় মুখ দেয়। সেই রসই আমি বিক্রি করি। তবে নিপাহ ভাইরাস বলে কিছু আছে সেটি আমার জানা নেই। একই গ্রামের ওই গাছির প্রতিবেশী আবু সাঈদ সরদার বলেন, খেজুরের কাঁচা রস আমরা প্রতিনিয়তই খাই। শুধু আমি নই এলাকার বহু মানুষ কাঁচা রস খেয়ে থাকেন। বিকেলে বা সন্ধ্যায় হাট-বাজারে গাছিরা কাঁচা রস বিক্রি করেন। অনেকেই কাঁচা রস খেতে পছন্দ করেন।<br>কাঁচা রসে নিপাহ ভাইরাস ছড়ায়, আক্রান্ত হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে- এ বিষয়টি জানেন কি না? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খেজুরের রস খাওয়ার ব্যাপারে এখন থেকে সতর্ক থাকব। জেলার তালা উপজেলা সদরের শিবপুর গ্রামের গাছি আবু বক্কার হোসেন বলেন, আমি ৩০টা খেজুর গাছ থেকে এ বছর রস সংগ্রহ করছি। সকাল থেকে খেজুর গাছে ভাড় (মাটির মাত্র) ঝুলাতে ঝুলাতে দুপুর হয়ে যায়। এরপর বিকেলে গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে বিক্রি করি। প্রতি ভাড় খেজুরের কাঁচা রস ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া রস জ্বালিয়ে উৎপাদিত গুড় বিক্রি হয় প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায়। কাঁচা রসে নিপাহ ভাইরাস ছড়ায় এ ঘটনা আমাকে কেউ বলেনি।<br>ওই এলাকার মাঝিয়াড়া বাজারের ব্যবসায়ী রুবেল মোল্লা বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই কাঁচা খেজুরের রস খায়। নিপাহ ভাইরাসের সতর্কতামূলক স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো প্রচারণা আজও চোখে পড়েনি।<br>সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার (মেডিসিন বিশেষজ্ঞ) চিকিৎসক কাজী আরিফ বলেন, চলতি বছর পাঁচজন রোগী সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরে পাঠিয়েছি। এখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই। তবে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ফলাফল আমরা পায়নি। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, এখন পর্যন্ত নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী আমার কাছে আসেনি। নিপাহ ভাইরাসসহ ১০-১২টি ভাইরাস নিয়ে কাজ করা সরকারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের স্টাফ ও সাতক্ষীরা ফিল্ড রিসার্চ অ্যাসিট্যান্ট হাসানুর রহমান বলেন, সাতক্ষীরায় চলতি বছর বা তার আগে কতজন নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তার সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। আমরা নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার হেড অফিসে প্রেরণ করি। সেখান থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো ফলাফল সাতক্ষীরায় পাঠানো হয় না। যার কারণে তথ্যটি আমাদের কাছে নেই। তবে সম্প্রতিও চলতি বছর বেশ কয়েকজনকে সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর খামারবাড়ীর অফিস সহকারী শেখ হাফিজুর রহমান জানান, বর্তমান শীত মৌসুমে জেলাব্যাপী ৪০ হাজার খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করছেন গাছিরা।<br> and nbsp;কোনো কৃষক খেজুর গাছের বাড়তি চাষ করেন না। পতিত জমিতে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এসব গাছ। যার কারণে গাছের সংখ্যা কমে গেছে। ২০১৮ সালে জেলায় খেজুরের গুড় উৎপাদন হয়েছিল ৮২২ মেট্রিকটন। আশা করছি, চলতি বছর ৮০০ মেট্রিকটন ছাড়িয়ে যাবে।<br>নিপাহ ভাইরাসের ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক রয়েছে জানিয়ে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. মো. হুসাইন সাফায়েত জানান, এটি একটি সংক্রামক রোগ। একবার আক্রান্ত হলে পরিত্রাণ পাওয়া কঠিন, মৃত্যু হতে পারে। শীতকালে গ্রামে এ ভাইরাসটি বেশি ছড়ায়। মূলত খেজুরের কাঁচা রস থেকে এ ভাইরাসটি বেশি ছড়িয়ে থাকে। কোনো অবস্থাতেই খেজুরের কাঁচা রস খাওয়া যাবে না। তবে ফুটানো খেজুরের রস খাওয়া নিরাপদ। তিনি বলেন, জেলাব্যাপী সকল স্বাস্থ্যকর্মীকে নিপাহ ভাইরাসের ব্যাপারে সতর্কতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী উঠান বৈঠকেও এ ব্যাপারে জনসাধারণকে সতর্ক করা হয়েছে।<br>গ্রামপর্যায়ে নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অবগত নয় এ বিষয়ে তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষদের সতর্ক করার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছেন। </body></HTML> 2020-01-28 21:06:28 1970-01-01 00:00:00 ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ভ্রুণ হত্যা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88988 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223964_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223964_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;জেলা প্রতিনিধি ॥ <br>ভোলায় স্বামীর বিরুদ্ধে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ভ্রুণ হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য এ হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্ত্রী ও তার পরিবারের দাবি করেন। ইতিপূর্বে স্ত্রী বাদি হয়ে স্বামীসহ তিনজনকে আসামি করে ভোলা সদর থানায় গত ১৯ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। ভ্রণ হত্যার অভিযোগে আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্ত্রী বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ধর্ষণ মামলার একনম্বর আসামি শরীফুল ইসলামকে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাতেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।<br>মামলা সূত্রে জানা যায়, ভোলার সদর উপজেলার পূর্ব-ইলিশা ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের জংশন গ্রামের সিরাজুল ইসলাম ফরাজীর ছোট ছেলে মো. শরীফুল ইসলাম (১৭) একই ইউনিয়নের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু শরীফুল ইসলাম বিয়ে করতে রাজি হয় না। তাই বাধ্য হয়ে ছাত্রী ভোলা সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। ছাত্রী ও তার স্বজনরা সোমবার রাতে জানান, মামলার পরে দুই পরিবারের সিদ্ধান্তে ছাত্রীর সঙ্গে শরীফুল ইসলামের দুই লাখ টাকা দেনমোহরে ২ জানুয়ারি বিবাহ সম্পন্ন হয়। সোমবার শরীফুল ইসলাম পিকনিকে নেওয়ার নাম করে ছাত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে ভোলা শহরে নিয়ে আসে। সেখানে মেরী স্টোপস নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে ছাত্রীর পেটের পাঁচ মাসের বাচ্চা (এ্যাবরোশন) নষ্ট করার জন্য ইনজেকশন দেয়। এ সময় ছাত্রী প্রতিবাদ করলেও শরীফুল তা মানেনি। ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক, শরীফুলের বোন ও শরীফুল জোর করে ইনজেকশন নিতে বাধ্য করে। ছাত্রী আরও জানায়, ইনজেকশন দেওয়ার পরে সে বাড়িতে ফিরে আসলে কিছুক্ষণ পরে পেট ব্যথা শুরু হয়। পরে ব্যথা তীব্র হলে ছাত্রীকে ভোলা সদর হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তি করে। ভর্তির পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে একটি জীবিত বাচ্চা প্রসব হয়; পরক্ষণেই যার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার পরিবারে শোকের ছায়া নামে। ছাত্রী জানায়, তার পেটের ৫ মাসের বাচ্চা (ভ্রুণ) হত্যা ও বিয়ে ভাঙার উদ্দেশ্যেই স্বামী শরীফুল ইসলাম তাকে জোর করে ইনজেকশন দিয়েছে। ছাত্রীর বাবা বলেন, তার পাঁচ মাসের অন্তঃস্বত্তা মেয়ের পেটের ভ্রুণ হত্যার ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হাসপাতালে উপস্থিত স্বামী, মামলার আসামি শরীফুল ইসলাম বলেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। দুজনের সম্মতিতেই মেরী স্টোপস ক্লিনিকে গিয়ে তার পেটের বাচ্চা নষ্ট করা হয়েছে। মেরী স্টোপস ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক মাইনউদ্দীন বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তারা সাধারণত দেড়-দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা ভ্রুণ নষ্ট করে থাকে। এ ভ্রুণের বয়স পাঁচ মাস হয়েছে, সে তথ্য হয়তো গোপন করা হয়েছে। ভোলা সদর থানার আওতাধীন ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার শীল বলেন, পুলিশ সোমবার রাতেই ধর্ষণ মামলার আসামি শরীফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে। and nbsp; ভ্রুণহত্যার ঘটনা ওই এজাহারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে।<br></body></HTML> 2020-01-28 21:05:44 1970-01-01 00:00:00 রুশ-মার্কিন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ নতুন যুদ্ধের শঙ্কা সিরিয়ায় http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88987 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223130_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223130_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় হাসাকা প্রদেশের তাল আমর এলাকায় রাশিয়া এবং মার্কিন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এর ফলে নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণ মূলত কুর্দি গেরিলাদের হাতে এবং সেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে।<br>রাশিয়ার মস্কো টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাল আমর এলাকার তেল খনি থেকে মার্কিন সেনারা তেল চুরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাল আমর শহরের প্রবেশ মুখে দু'দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তেল ক্ষেত্রে যাওয়ার মহাসড়কে কৌশলগত এই শহরের অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর তাদের সামরিক যানগুলো দু'দিকে চলে যায়। তবে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় রাশিয়ার হেলিকপ্টার এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে।<br>২০১১ সাল থেকে সিরিয়ায় সহিংসতা চলছে। দেশটিতে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সিরিয়ার সরকারি সেনাদের সহযোগিতা করে আসছে রুশ বাহিনী। অন্যদিকে ২০১৪ সাল থেকে সিরীয় সরকার কিংবা জাতিসংঘের কোনো অনুমতি না নিয়েই সিরিয়ায় কথিত সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের নামে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।<br>সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে, সিরিয়া তেল সম্পদ রক্ষার জন্যই মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখা হচ্ছে। তবে প্রকৃত পক্ষে মার্কিন সেনারা সিরিয়ার তেল চুরির কাজে জড়িত রয়েছে।<br>-পার্স ট্যুডে </body></HTML> 2020-01-28 20:51:57 1970-01-01 00:00:00 সোলেইমানি হত্যার নীল নকশাকারী বিমান দুর্ঘটনায় নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88986 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223098_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223098_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥</span><br>ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যাকাণ্ডের নীল নকশাকারী মার্কিন কেন্দ্রীয? গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর ইরাক, ইরান এবং আফগান মিশনের প্রধান মাইকেল ডি আন্দ্রিয়া আফগানিস্তানে বিমান বিধ্বস্তে নিহত হয়েছেন। জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানের গুলিতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে আন্দ্রিয়া নিহত হন বলে রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নিশ্চিত করেছে।<br>রুশ গোয়েন্দারা বলছেন, সোমবার আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলীয় গজনী প্রদেশের দেহ ইয়াক জেলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিধ্বস্ত নজরদারি বিমানে ছিলেন সিআইএর ইরাক, ইরান এবং আফগান মিশনের প্রধান মাইকেল ডি আন্দ্রিয়া।<br>তারা বলেন, বিধ্বস্ত বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর কমান্ড প্রধান মাইকেল ডি আন্দ্রিয়ার ভ্রাম্যমাণ ইউনিটের অংশ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত গোয়েন্দা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত এই ভ্রাম্যমান কমান্ডের সব ধরনের সরঞ্জাম এবং নথি এখন তালেবানের কাছে। গত ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর সশস্ত্র বিদেশি শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি হত্যার নিখুঁত নীল নকশা সিআইএর ইরাক, ইরান এবং আফগান মিশনের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ডি আন্দ্রিয়া-ই করেছিলেন। নজরদারি ওই বিমানটিতে আন্দ্রিয়া ছাড়াও সিআইএর আরও বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন বলে জানিয়েছে রুশ গোয়েন্দারা। মধ্যপ্রাচ্যে সিআইএর সর্বাধিক পরিচিত কর্মকর্তা ডি আন্দ্রিয়া আয়াতুল্লাহ মাইক নামেও পরিচিত। ২০১৭ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন পতাকা ব্যবহার করে বেশকিছু গুপ্তহত্যায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। সোলেইমানি ছাড়াও ইরাকের অন্তত ৩০০ বিক্ষোভকারীকে তার নেতৃত্বে সিআইএর অ্যাজেন্টরা হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বোমারু/নর্থরোপ গ্রাম্মান ই-১১এ বিমান নিখোঁজ হয়েছে বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আফগানিস্তানে নিয়োজিত মার্কিন সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র সনি লিগেট এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিমানটির বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ জানতে তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে শত্রুর গোলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কোনও আলামত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আরও তথ্য পেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। একই সঙ্গে আফগানিস্তানে মার্কিন আরও একটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে বলে তালেবান যে দাবি করেছে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সনি লিগেট। মঙ্গলবার তালেবানের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দেহ ইয়াক জেলায় মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত করার পরপরই আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অপর একটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কোনও তথ্য দেয়নি তালেবান। ৩ জানুয়ারি ড্রোন হামলা চালিয়ে বাগদাদে কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানি ও ইরাকের আধা সামরিক বাহিনী পিএমইউর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহানদিসসহ অন্তত ১০ জনকে হত্যা করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ইরানের সামরিক বাহিনীর এই কমান্ডার হত্যাকাণ্ডের জবাবে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে তেহরান এক ডজনের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অন্তত ৩০ সদস্য মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন খবর দিয়েছে।<br>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে ছয় বিশ্ব শক্তির সঙ্গে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির শর্ত উপেক্ষা করে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা বাড়ানোর ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা হয়েছিল, বর্তমানে তার চেয়ে আরও বেশি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করবে ইরান। </body></HTML> 2020-01-28 20:50:35 1970-01-01 00:00:00 অস্ত্র উৎপাদনে রাশিয়াকে টপকে দ্বিতীয় চীন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88985 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223016_th.JPG <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580223016_th.JPG" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিশ্বজুড়ে আমরা যে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখছি তার বেশিরভাগের কারিগর পশ্চিমা দেশগুলো। কিন্তু এশিয়ার দেশ চীনও বিগত শতাব্দী থেকে অস্ত্র উৎপাদনে টেক্কা দেয়ার মতো অবস্থান তৈরি করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান বলছে, রাশিয়াকে টপকে বিশ্বের মোট অস্ত্র উৎপাদনের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশীদার এখন চীন। সুইডেনের স্টকহোমভিত্তিক সমরাস্ত্র গবেষণা সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) সোমবার বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানি-রফতানি নিয়ে প্রতিবেদনে বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন বিশ্বে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র উৎপাদন করে চীন। আর এই অবস্থানে যেতে তারা পেছনে ফেলেছে রাশিয়াকে। সংস্থাটি তাদের ওই গবেষণা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিদেশি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ওপর চীনের নির্ভরশীলতা এখন আগের চেয়ে অনেক কম। দেশটির অস্ত্র বিক্রির বাজার মূল্য এখন ৮০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৭ সালে যা ছিল ৭০ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের এই বাজার এখন ২২৬ দশমিক ৬ এবং রাশিয়ার ৩৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের। সুইডেনভিত্তিক ওই থিঙ্কট্যাঙ্ক বিশ্বের শীর্ষ ১০০ অস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানির তথ্যের ভিত্তিতে তালিকাটি তৈরি করেছে। তথ্যের স্বচ্ছতা না থাকার কারণে বিগত বছরগুলোতে সংস্থাটি তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে চীনা কোম্পানিগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করতো না। কিন্ত এবারের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, প্রথম ২০ কোম্পানির চারটিই চীনের। বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শাসনামলে চীন তাদের অস্ত্র উৎপাদন শিল্পকে ব্যাপক সম্প্রসারিত করার সঙ্গে সঙ্গে সামরিক বাহিনীকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে বেইজিং তার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিকায়ন করতে চায়। দেশটি বলছে, এর মাধ্যমে ২০৪৯ সালের মধ্যে তাদের সামরিক বাহিনী হবে বিশ্বমানের। এসআইপিআরআই এর দেয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭ সালে চীন তার সামরিক খাতে ব্যয় করেছে ২২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা বাজেট ১৫১ বিলিয়নের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিবেদনে তুলে ধরা পরিসংখ্যান বলছে, চীনের চার কোম্পানি মিলে ওই বছর ৫৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে। সেগুলো হচ্ছে বৃহত্তম বিমান নির্মাণ সংস্থা অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়না (এভিআইসি), নেতৃস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্যসামগ্রী তৈরির প্রতিষ্ঠান চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনলোজিস গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি), চায়না নর্থ ইন্ডাস্ট্রিস গ্রুপ করপোরেশন (নরিনকো) এবং চায়না সাউথ ইন্ডাস্ট্রিস গ্রুপ করপোরেশন (সিএসজিসি)।<br>এসআইপিআরআই বলছে, চীন বিদেশ থেকে অস্ত্র আমদানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়েছে। বিদেশ থেকে আমদানি বন্ধ্য করে নিজের দেশে অস্ত্র উৎপাদনকে কৌশল হিসেবে গ্রহণ করায় দেশটির অস্ত্র উৎপাদন শিল্প এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, অন্যান্য দেশের চাহিদা পূরণের জন্য দিন দিন তাদের এই শিল্পকে সম্প্রসারিত করতে হচ্ছে।<br>সংস্থাটি ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ এবং ২০১৪ থেকে ২০১৮ এই দুই মেয়াদে চীনের অস্ত্র আমদানির পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানিয়েছে, এই দুই সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে দেশটি তাদের অস্ত্র আমদানির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। ঠিক একই সময়ে প্রচলিত অস্ত্র সরবরাহেও চীনের অবস্থান বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম। </body></HTML> 2020-01-28 20:49:59 1970-01-01 00:00:00 ভারতে নাগরিকত্বের আবেদনকারীকে ধর্মেরও প্রমাণ দিতে হবে http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88984 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222974_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222974_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে (সিএএ) পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের অমুসলিমদের ভারতের নাগরিকত্ব পেতে ‘ধর্মের প্রমাণ’ দিতে হবে। পাশাপাশি প্রমাণ করতে হবে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগেই তারা সেখানে গিয়েছেন। মঙ্গলবার ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।<br>তিনি বলেছেন, নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকারীদের ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে পাওয়া ভারত সরকারের অনুমোদিত যেকোনও পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে। এর সঙ্গে ধর্মের বিষয়টিও উল্লেখ করতে হবে। ওই কর্মকর্তা বলেন, সন্তানদের সরকারি স্কুলে ভর্তি করতে হলে অভিভাবকদের ধর্ম উল্লেখ করতে হয়। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে তৈরি আধার কার্ডেও ধর্মের উল্লেখ রয়েছে। ফলে সেখান থেকেই সিএএ-তে উল্লেখ ছয়টি ধর্মের প্রমাণ মিলবে। এছাড়া যেসব সরকারি নথিতে ধর্মের উল্লেখ রয়েছে তাও বিবেচনায় আনা হবে। গত ১১ ডিসেম্বর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সংশোধিত নাগরিকত্ব বিল পাস করে ভারতের সংসদ। পরে রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিলে তা আইনে পরিণত হয়। গত ১০ জানুয়ারি ‘গেজেট অব ইন্ডিয়া’তে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মধ্য দিয়ে ভারতজুড?ে এই আইন কার্যকর হয়েছে।<br>নতুন আইন অনুসারে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান থেকে যেসব অমুসলিম (হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, খ্রিস্টান, পার্সি, শিখ) ভারতে প্রবেশ করেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেয়া হবে। শুরু থেকেই এই আইনের বিরোধিতা করছে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, কেরালাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্য।<br>সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তবে যত আন্দোলনই হোক, এই আইন থেকে সরবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।<br>সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। </body></HTML> 2020-01-28 20:49:18 1970-01-01 00:00:00 কাতারের নতুন প্রধানমন্ত্রী খালিদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88983 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222934_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222934_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি পদত্যাগ করেছেন। নতুন উত্তরসূরি হিসেবে শেখ খালিদ বিন খলিফা বিন আব্দুল আজিজ আল থানির নাম ঘোষণা করেছেন কাতারের আমির শেখ তামিম হামাদ আল থানি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, মঙ্গলবার দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানির পদত্যাগের কোনও কারণ এখনও জানা যায়নি। শেখ খালিদ বিন খলিফা বিন আব্দুল আজিজ আল থানি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও দেখভাল করবেন। and nbsp; মঙ্গলবার দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে নতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ খালিদ শপথ গ্রহণ করেছেন। এ সময় দেশটির ডেপুটি আমির শেখ আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল থানি উপস্থিত ছিলেন।<br>২০১৩ সালের ২৬ জুন কাতারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। </body></HTML> 2020-01-28 20:44:05 1970-01-01 00:00:00 সোলেইমানি হত্যায় মধ্যপ্রাচ্য নিরাপদ হয়েছে : সৌদি মন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88982 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222583_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222583_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ বলেছেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার মধ্যদিয়ে মধ্যপ্রাচ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ হয়ে উঠেছে।<br>ফয়সাল বিন ফারহানের অভিযোগ সিরিয়া এবং ইরাকে যে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে লেলিয়ে দেয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধেই মূলত লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন জেনারেল কাসেম সোলেইমানি। মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সোমবার সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিজেদের আত্মরক্ষার জন্যই বৈধভাবে জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যা করেছে। তিনি আরও বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও যে কথা বলেছেন তার সঙ্গে তিনি একমত। পম্পেও বলেছেন, জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যার মধ্যদিয়ে মধ্যপ্রাচ্য অনেক বেশি নিরাপদ হয়ে উঠেছে। সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জেনারেল সোলেইমানিকে হত্যার পরেও ইরানের আচরণে তিনি কোনো পরিবর্তন দেখছেন না। ইরানের পক্ষ থেকে যে সব বক্তব্য আসছে সেগুলো ইতিবাচক তবে আমি তাদের প্রতি আবারও আহ্বান জানাবো যে, তারা এমন আচরণ করবেন যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে।<br>এর আগে গত বৃহস্পতিবার সৌদির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের বলেন, ইরানের সঙ্গে তখনই সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে যখন তারা স্বাভাবিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তার ওই বক্তব্যের জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ বলেন, কোনো স্বাভাবিক দেশ তার কনস্যুলেটকে কসাইখানায় রূপান্তর করে না এবং নিজের প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালায় না।<br>একথার মধ্য দিয়ে জাভেদ জারিফ তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের সৌদি কন্স্যুলেটে ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা এবং ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসনের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। </body></HTML> 2020-01-28 20:42:11 1970-01-01 00:00:00 টেস্ট দলে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন আশরাফুল http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88981 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222400_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222400_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়েছেন অনেক আগেই, তবে আবারো ফেরার আশা ছাড়েননি মোহাম্মদ আশরাফুল। সাদা পোশাকে টাইগারদের অফফর্মের সময়ে টেস্ট দলে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। গত প্রায় দুই মাসে ফিটনেস নিয়েও কঠোর পরিশ্রম করেছেন এই ব্যাটসম্যান।<br>সর্বশেষ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দল পাননি আশরাফুল, তার আগের আসরে চট্টগ্রাম ভাইকিংসে থাকলেও খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ মেলেনি তার। এত পরিশ্রম জলে যাচ্ছে বলে বসে থাকেননি আশরাফুল, স্বপ্ন দেখছেন আবারো সাদা পোশাকে বাংলাদেশের হয়ে মাঠে নামার। পরিশ্রমের ফল হিসেবে বিসিএলে ঠিকই দল পেয়েছেন আশরাফুল।<br>গত ৫০ দিনে বাংলাদেশের এই তারকা ব্যাটসম্যান ওজন কমিয়েছেন ১২ কেজি। গত বছরের নভেম্বরের ২ তারিখে কাজ শুরু করেছিলেন ফিটনেস নিয়ে। প্রায় দুই মাসের পরিশ্রমে ৭৩ কেজি থেকে ৬১ কেজিতে নামিয়ে এনেছেন ওজন। ওজন কমাতে পরিমিত খাওয়া-দাওয়া করতে হয়েছে তাকে।<br>বিপিএলে দল না পাওয়ার পরে টেস্ট দলে ফেরার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন নিজের কাছেই। বিসিএলে দল পেয়ে সে ধাপের শুরুটা দেখছেন এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান। বকাংলাদেশের টেস্ট দলে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটসম্যানদের ফর্মহীনতাতে আরও বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন আশরাফুল। শতক হাঁকানোর ক্ষমতা, ফিটনেসের ব্যাপারে কঠোর পন্থা অবলম্বন করা এবং দক্ষতার সুবাদে জাতীয় দলে ফেরার প্রত্যাশা করছেন তিনি। </body></HTML> 2020-01-28 20:39:41 1970-01-01 00:00:00 বিসিএলে দল পাননি সাব্বির-রনি-রানা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88980 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222365_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222365_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>আগামী ৩১ জানুয়ারি শুরু হবে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)। গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠিত হয়েছে এই টুর্নামেন্টের প্লেয়ার্স ড্রাফট। এখান থেকে দলগুলো নিজেদের পছন্দ মতো ক্রিকেটারদের বেছে নিয়ে দল গঠন করেছেন। জাতীয় দলের খেলোয়াড়সহ মোট ৫৪ জন ক্রিকেটার এবারের বিসিএলে দল পেয়েছেন। এই টুর্নামেন্টে খেলবেন সিনিয়র ক্রিকেটার তামিম, মুশফিক, রিয়াদ, ইমরুলরা। সেই সঙ্গে জাতীয় দলে খেলা বেশ কিছু তরুণ ক্রিকেটারও দল পেয়েছেন।<br>তবে, দল পাননি প্রতিভাবান তিন তরুণ ক্রিকেটার সাব্বির রহমান, আবু হায়দার রনি ও মেহেদী হাসান রানা। সাব্বির-রনির সাম্প্রতিক ফর্ম ভালো ছিল না। তবে, মেহেদী হাসান রানার দল না পাওয়াটা অবাক করার মতো। কারণ, সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন রানা। ১৮টি উইকেট শিকার করেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছিল পাকিস্তান সফরে দলে জায়গা পাবেন তিনি। কিন্তু পাননি। বিসিএলেও দল পাননি এই পেসার। বিসিএলে দল না পেয়ে তাই হতাশা প্রকাশ করেছেন রানা।<br>মেহেদী হাসান রানা বলেছেন, ‘জাতীয় লিগ ও বিপিএলে ভালো করলাম। কিন্তু দল পেলাম। স্বাভাবিকভাবে একটু খারাপ তো লাগেই। এখন দলে না নিলে তো আমার কিছু করার নেই।<br><br> </body></HTML> 2020-01-28 20:39:13 1970-01-01 00:00:00 পাকিস্তানকে ‘নিশ্বাস’ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88979 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222338_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222338_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>ভালো কিছুর আশায় সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হককে প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচক- একসঙ্গে দুই দায়িত্বই দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। কিন্তু নতুন দায়িত্বে শুরুটা একদমই ভালো ছিল না মিসবাহর।<br>যে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে রীতিমতো রাজা বলা চলে পাকিস্তানকে, সে ফরম্যাটে ঘরের মাঠে দ্বিতীয় সারির শ্রীলঙ্কার কাছে ০-৩ ও পরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়ে ০-২ ব্যবধানে হেরেছিল মিসবাহর দল। যার ফলে একপ্রকার কোণঠাসা অবস্থায় পড়ে গিয়েছিল তারা।<br>সবকিছু স্বাভাবিক করতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল জয়। দেরিতে হলেও কাঙ্ক্ষিত জয় তারা পেয়েছে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে ২-০ ব্যবধানে। এ সিরিজ জয়ের সুবাদে অবশেষে নিশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন মিসবাহ উল হক। বাংলাদেশকে সিরিজ হারানোর পর সংবাদ মাধ্যমে মিসবাহ বলেন, ‘অবশ্য আপনি জয়ের জন্য খেলেন এবং এজন্য সবসময় চেষ্টা করতে থাকেন। এ (সিরিজ) জয় আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল কারণ এতে আমরা এখন নিশ্বাস নেয়ার জায়গা পেলাম। এখন আমরা বসে দেখতে পারবো কোথায় আমাদের ঘাটতি রয়েছে। সেগুলো শুধরে নিজেদের আরও শক্তিশালী করতে পারবো।’ পাকিস্তানের হেড কোচ আরও বলেন, ‘অন্যথায় চাপের মাঝে আপনি সবসময় কিছু না কিছুর পেছনে ছুটতে থাকেন এবং প্রায়ই সবকিছু এক করে সামাল দেয়া সম্ভব হয় না। তাই এটা আমার জন্য, দলের জন্য এবং তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য অনেক ভালো হলো। কারণ এখন আমরা স্থির হয়ে বসতে পারবো এবং সামনের চ্যালেঞ্জের দিকে আরও মনোযোগ দিতে পারবো।’ টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে বর্তমানে শীর্ষেই অবস্থান করছে পাকিস্তান। কিন্তু তারাই ২০১৯ সালে ৯ ম্যাচ খেলে জিতেছিল মাত্র ১টিতে। সেই দুঃসময় কাঁটিয়ে পাওয়া জয়ে স্বস্তির নিশ্বাস পাকিস্তান কোচের কণ্ঠে। তার মতে সিরিজ জয়ের মূল কৃতিত্ব বোলারদের।<br>তিনি বলেন, ‘আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল জয়। কারণ পরপর কিছু ম্যাচ হারার কারণে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়াটা অনেক বেশি দরকারি ছিল। এর পেছনে মূল কৃতিত্ব অবশ্যই বোলারদের। আমাদের তরুণ পেসাররা যেভাবে বোলিং করেছে, বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ভালো করার কোনো সুযোগই পায়নি। সবমিলিয়ে এটি পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্যই ভালো। <br>যেহেতু সামনেই বিশ্বকাপ।’<br><br> </body></HTML> 2020-01-28 20:38:43 1970-01-01 00:00:00 সাকিবের আবেগঘন বার্তা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88978 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222304_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222304_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্টের মৃত্যুতে কাঁদছে ক্রীড়াঙ্গন। বাস্কেটবল তো বটেই, ফুটবল, টেনিস, ক্রিকেট সবখানেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মাত্র ৪১ বছর বয়সে এই লিজেন্ড ও তার ১৩ বছর বয়সী মেয়ে জিয়ান্নার বিদায় যেন মেনে নিতে পারছেন না ক্রীড়াবিদরা। বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও মর্মাহত ব্রায়ান্টের অকাল মৃত্যুতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসুবকে ব্রায়ান্টকে নিয়ে সোমবার এক আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন সাকিব। ব্রায়ান্টের ছবি পোস্ট করে সাকিব ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘যতই প্রতিভা থাকুক না কেন, সেরাদের সেরা হওয়ার জন্য চাই অধ্যবসায়, কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ়তা। কোবি ব্রায়ান্ট এর মতো কিংবদন্তিরা তাই কখনোই হারিয়ে যান না। তারা নিজেদের কাজের মধ্যে দিয়ে বেঁচে থাকেন লাখো মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে।<br> and nbsp;তার অকাল মৃত্যুতে আমি প্রচণ্ড শোকাহত। সেই সঙ্গে তার পরিবারের প্রতি রইলো আমার আন্তরিক সমবেদনা এবং প্রার্থনা।’<br>প্রসঙ্গত, রোববার (২৬ জানুয়ারি) বাস্কেটবল খেলায় অংশ নিতে মেয়ে জিয়ানা মারিয়া ব্রায়ান্ট জি জির (১৩) সঙ্গে থাউজেন্ড ওকসের উদ্দেশে হেলিকপ্টারযোগে যাচ্ছিলেন কোবি ব্রায়ান্ট। লস এঞ্জেলেস শহর থেকে প্রায় ৩০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে কালাবাসাস শহরের লাস ভার্জিনেস ও সাউথ এলেভেন সড়কের কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এতে নিহত হন ১৮ বারের অল স্টার ও ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন্সশিপ জয়ী কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্ট। একই দুর্ঘটনায় মারা যান তার মেয়ে জিয়ানা সহ আরও ৮ জন। ৪১ বছর বয়সে এ কিংবদন্তির মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, সাবেক প্রেসিডেন্টসহ ক্রীড়াঙ্গন, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গরা শোক জানিয়েছেন। </body></HTML> 2020-01-28 20:38:11 1970-01-01 00:00:00 নিরাপদে দেশে ফিরেছে টাইগাররা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88977 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222270_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222270_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥<br>বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের যেকোনো বিদেশ সফরের সময়ই দেশত্যাগ ও দেশে ফেরা- দুই সময়েই বিমানবন্দরে দেখা যায় ভক্ত-সমর্থক ও সংবাদকর্মীদের ভিড়। প্রিয় দলের প্রতি শুভকামনা জানাতেই হাজির হন ভক্ত-সমর্থকরা আর নিত্য দায়িত্বের কারণে থাকেন সংবাদকর্মীরাও। কিন্তু ব্যতিক্রম এবারের পাকিস্তান সফর। গত ২২ জানুয়ারি দেশত্যাগ ও ২৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে দেশে ফেরার বিষয়টা যেনো বেশ নীরবেই সেরেছে বাংলাদেশ দল। তাও যাওয়ার দিন বিমানবন্দরে ছিলো সংবাদ মাধ্যমের উপস্থিতি। কিন্তু ফেরার দিন (সোমবার রাতে) ছিলো না তেমন কিছু। এর পেছনে অবশ্য মাঠে ভরাডুবি ছাড়াও রয়েছে ভিন্ন কারণ। কেননা বাংলাদেশ দল দেশে ফিরে গভীর রাতে, স্থানীয় সময় রাত আড়াইটার দিকে। মধ্য রাতে সংবাদকর্মী কিংবা ভক্ত-সমর্থকদের দেখাও মেলেনি তাই।<br>পাকিস্তানে কড়া নিরাপত্তায় অস্থির হয়ে পড়ায়, সোমবার সিরিজের শেষ ম্যাচের পর রাতেই দেশে ফিরে এসেছে বাংলাদেশ। সোমবার পাকিস্তান সময় রাত সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ১১টা) বিসিবির ভাড়া করে বিশেষ বিমানে দেশে ফিরে এসেছে টি-টোয়েন্টি দল। যেখানে দলের সঙ্গী ছিলেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।<br> and nbsp;এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের মিডিয়া ম্যানেজার রাবিদ ইমাম। তিনি জানিয়েছেন, পাকিস্তান সফরে কোনো সমস্যা হয়নি বাংলাদেশ দলের। পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও আতিথেয়তায় সফরের প্রায় সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বলা জানান রাবিদ।<br>উল্লেখ্য, নিরাপত্তা কিংবা আতিথেয়তা যত ভালোই হোক- মাঠের খেলায় বাংলাদেশকে এক বিন্দুও ছাড় দেয়নি পাকিস্তান। সোমবার শেষ ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার আগে প্রথম ম্যাচে ৫ ও দ্বিতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটের ব্যবধানে জিতে সিরিজের ট্রফিটি নিজেদের কাছেই রেখে দিয়েছে স্বাগতিকরা। </body></HTML> 2020-01-28 20:37:29 1970-01-01 00:00:00 সালমান খানের সঙ্গে ক্যাটরিনার প্রতারণা! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88976 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222217_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580222217_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">বিনোদন ডেস্ক ॥<br>সালমান-ক্যাটরিনার প্রেমের কথা আবার তাদের ব্রেকআপের কথা অনেকেরই জানা। তবে ব্রেকআপের পরে ভক্তদের মনে আবারও আশার আলো জ্বেলেছিলেন তারা। সর্বশেষ তাদের একসঙ্গে দেখা গেছে গত বছরের ‘ভারত’ সিনেমায়। সালমান-ক্যাটরিনা জুটির ‘ভারত’ সিনেমাটিতে তাদের রসায়ন দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দর্শক। অনেকেই ভাবছিলেন আবারও জোড়া লেগেছে তাদের ভালোবাসা। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয?ার লিগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও এক সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলেন তারা। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, বর্তমানে নাকি বলিউড তারকা ভিকি কুশলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন ক্যাটরিনা। তারা বিয়ে করেছেন এমন গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। ভিকির সঙ্গে কয়েকটি ছবিতে বৌয়ের সাজেও দেখা যায় ক্যাটরিনাকে। সালমানের এক ভক্ত ক্যাটরিনার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সালমানের সঙ্গে প্রতারণা করে আপনি কি লজ্জিত?’ যদিও ওই প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি ক্যাট। তবে অন্যেএকটি গণমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, ভিকিকে বিয়ে করেননি ক্যাট। একটি ব্রাইডাল শুটের জন্য বর কনে সেজেছিলেন তারা। অমিতাভ বচ্চন ও তার স্ত্রী জয়া বচ্চনকেও দেখা যায় এই ফটোশুটের আয়োজনে। সম্প্রতি অমিতাভের দিওয়ালি পার্টিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল ক্যাটরিনা ও ভিকিকে। এ ছাড়া পরিচালক আলি আব্বাস জাফরের জন্মদিনের পার্টিতেও ক্যাটকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন কুশল। তাদের একসঙ্গে চলাফেরার বিষয়টি নিয়ে বলিউডে চলছে আলোচনা সমালোচনা। আসল বিষয় কী? তা এখনো গোপন।<br>ভিকিকে সর্বশেষ ‘উরি : দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এ অভিনয় করতে দেখা গেছে। আগামীতে তাঁকে করণ জোহরের ‘তাখত’ ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে। অন্যদিকে ক্যাটকে আগামীতে ‘সূর্যবংশী’ ছবিতে বলিউড সুপারস্টার অক্ষয় কুমারের বিপরীতে অভিনয় করতে দেখা যাবে।<br>এদিকে ‘এক থা টাইগার’ ও ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’সব বেশ বেশ কিছু ছবিতে সালমান-ক্যাটরিনার রসায়ন দর্শকদের মন কেড?েছিল। কিন্তু আদৌ তারা কখনো বিয়ে করবেন কী তা এখনো সবার অজানা। আর ভিকির সঙ্গে ক্যাটরিনার প্রেমের বিষয়টিও এখনো ধোঁয়াশার মধ্যেই। </body></HTML> 2020-01-28 20:36:31 1970-01-01 00:00:00 কেবল যন্ত্রপাতি কিনেই হবে না, দরকার দক্ষ লোক: প্রধানমন্ত্রী http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88975 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207579_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207579_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১১৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতিও কেনা হবে। এ প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রকল্পে শুধু যন্ত্রপাতি কিনলেই হবে না, এগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবলও থাকতে হবে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভার সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৬ হাজার ২৭৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ২ হাজার ৯৬২ কোটি ৩২ লাখ। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ ব্রিফিংয়ে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।<br><br>সভায় অনুমোদন পাওয়া অন্যতম প্রকল্প হলো রংপুর সিটি কর্পোরেশনের জন্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি কেনা। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু যন্ত্রপাতি কিনলেই হবে না, এগুলো পরিচালনার জন্য দক্ষ জনবল থাকতে হবে। যন্ত্রপাতি কিনে ফেলে রাখা যাবে না। সভায় রংপুর সিটি করপোরেশনের নব-নির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়নে শিগগিরই একজন প্রকৌশলীর নেতৃত্বে একটি টিম রাজশাহী সিটি করপোরেশনে প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছে। এ প্রকল্পে যেসব যন্ত্রপাতি কেনা হবে সেগুলো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আছে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের। সে সব ব্যাপারেই তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। <br><br>মেয়র মোস্তাফিজুর রহমানের আশ্বাসের পর একনেক সভায় প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন শুধু যন্ত্রপাতি কিনলেই হবে না, সেসব পরিচালনায় দক্ষ জনবল থাকতে হবে। টাকা দিয়ে যন্ত্রপাতি কিনে যত্রতত্র ফেলে রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর সংশয় ছিল- আধুনিক যন্ত্রপাতি কিনে ব্যবহারের লোক পাওয়া যায় কি না এ নিয়ে। and nbsp; প্রকল্পের আওতায় রংপুর সিটিতে একটি অ্যাসফল্ট মিক্সিং প্ল্যান্ট, একটি পেভার ফিনিশার মেশিন, দুটি লোডার, একটি ভ্যাকুয়াম সেপটিক ট্যাঙ্ক ক্লিনার, তিনটি ভাইব্রেটরি সয়েল কম্পেক্টর, দুটি টায়ার রোড রোলার, ১০টি গারবেজ কমপেক্টার, একটি ড্রেন ক্লিনিং জেট অ্যান্ড সাকার মেশিন, একটি লংবুম এক্সভেটরসহ আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র কেনা হবে।অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সভার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। </body></HTML> 2020-01-28 16:32:27 1970-01-01 00:00:00 ১৩ দফা ইশতেহারে ১৪৪ প্রতিশ্রুতি ইশরাকের http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88974 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207402_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207402_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে তিনি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। ‘ঐতিহ্যের সাথে আধুনিকায়নের পথে বাসযোগ্য ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ে’১৩ দফা ইশতেহারে রয়েছে ১৪৪টি প্রতিশ্রুতি। প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে দুনীতিমুক্ত প্রাতিষ্ঠানিক সেবা, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ার জন্য কাজ করা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানবাধিকার রক্ষা এবং ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সম্মিলনে মাদকমুক্ত, যানজট ও দূষণমুক্ত, মশা ও জলাবদ্ধতামুক্ত, ভারসাম্যমূলক ও পরিবেশসম্মত বিশ্বমানের বাসযোগ্য অত্যাধুনিক ঢাকা গড়ে তোলা। এসব প্রতিশ্রুতি রক্ষার প্রত্যয় ঘোষণা করেন প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।<br><br>এসময় ইশরাক হোসেন বলেন, নির্বাচিত হলে সিটিকে ঢেলে সাজানো হবে। আমি ঢাকার ছেলে তাই আমি জানি এখানে কি সমস্যা আর কি করতে হবে। নির্বাচিত হলে ঢাকাকে বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হোক, সেই প্রতাশ্যা করছি। গতকালের হামলার ঘটনায় অনেক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা দুঃখজনক। বিএনপির নেতকর্মীদের গ্রেপ্তার করে মাঠ খালি করে দেয়া হচ্ছে। আমরা চাই সবার জন্য প্রচারণার সমান সুযোগ দেয়া হোক। ঢাকাকে বাসযোগ্য ও বিশ্বমানের অত্যাধুনিক মহনগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।<br><br>তিনি বলেন, গণশুনানির মাধ্যমে নগরবাসির সঙ্গে আলোচনা করে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ করা হবে। ঢাকা ওয়াসাসহ সেবা প্রদানকারী সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় করে সুপেয় পানি জলবদ্ধতা দূরীকরণ, ড্রেন পরিষ্কারসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। রাতের ঢাকার উজ্জলতা বাড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাগরিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ওয়ার্ড পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। বুড়িগঙ্গা দূষণমুক্ত করা, নদীর তীর রক্ষা ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ, নদীভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। পর্যটকদের জন্য পুরান ঢাকাকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা এবং সিটি করপোরেশেনর যেসব উন্মুক্ত উদ্যান, নদী ও খাল বেদখল আছে সেগুলো দখলমুক্ত করা হবে। এছাড়া ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ, ওয়ানস্টপ বাস সার্ভিস চালু, মুক্তযোদ্ধা, বয়স্ক, অন্ধ, প্রতিবন্ধী, নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান ইশরাক। এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব-উন নবী খান সোহেল, মহিলা দল সভাপতি আফরোজা আব্বাস, নগর বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন, নবীউল্লাহ নবী, অধ্যাপক ড. এ বিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। </body></HTML> 2020-01-28 16:28:57 1970-01-01 00:00:00 হকার থেকে হঠাৎ পীর আসেদ চাঁন! http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88973 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207268_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207268_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">দশ বছর আগেও রিকশা চালিয়ে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন and nbsp; শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের সফি কাজির মোড় মেহের আলী মাদবরকান্দি গ্রামের মরু মোল্লার ছেলে আসেদ চাঁন মোল্লা (৩০)। পরে ঢাকার দোহার নূরুল্লাহ্পুর পাক দরবার শরিফে মুরিদ হয়ে নাম পরিবর্তন করে নিজে পীর সেজে এখন নাম রেখেছেন ফকির হযরত শাহ্ আসেদ চাঁন ফকির পাগলা। এক সময় তিনি দোচালা টিনের ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। এখন পীর হয়ে চিকিৎসা দেয়ার নামে তাবিজ-কবজ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাজ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল দুটি মাজার শরিফ। সেই মাজারে বিভিন্ন জেলা থেকে মুরিদানরা ও এলাকার কিছু খেটে খাওয়া স্বল্প শিক্ষিত সাধারণ লোকজন এসে আসেদ চাঁন ফকিরের পায়ে সেজদা দেয়। শুধু তাই নয় পীর হয়ে নারী-পুরুষদের নিয়ে রাত জেগে মাদক ও বিভিন্ন নেশাজাত দ্রব্য সেবন করে এবং নাচগান করে থাকে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আসেদ চাঁন ফকিরের এসব কার্যকলাপের বেশকিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।<br><br>এ ঘটনায় জাজিরা বিলাসপুর এলাকাবাসী গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জাজিরা উপজেলা শহীদ মিনার চত্বরে পীর আসেদ চাঁন ফকিরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে।<br>মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, তথাকথিত ভণ্ড পীর আসেদ চাঁন ফকির। তিনি কয়েক বছর আগে এলাকায় রিকশা চালিয়ে হকারি করে কাঁচামালের ব্যবসা করত। কিছু ভণ্ড লোকের প্ররোচণায় প্রথমে ফকিরের বেশ, পরে ভণ্ড পীর হয়েছেন তিনি। আস্তানা করে কিছু সহজ-সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে টাকা আদায় করছেন। ওরশের নামে নারী-পুরুষদের দিয়ে রাতভর নাচানাচি করায়। শুধু তাই নয় তার আস্তানায় মাদকসেবন ও মাদক বিক্রি হচ্ছে। and nbsp; এই কারণে সমাজের যুবকরা কুসংস্কার ও ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তাই ভণ্ড পীর আসেদ চাঁন ফকিরের আস্তানা উচ্ছেদ ও তার কার্যকলাপ বন্ধ করার দাবি জানান।<br><br>তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আসেদ চাঁন ফকির পাগলার বড় ভাই খোরশেদ আলম বলেন, আমরা মুসলমান। ইসলামবিরোধী কোনও কাজ করি না। এলাকার এক শ্রেণির লোক আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমাদের মাজার শরিফে সেজদা দেয়া নিষেধ। তাছাড়া এখানে খারাপ কোনও কার্যকলাপ হয় না। জাজিরা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল সরকার and nbsp; বলেন, আসেদ চাঁন ফকির পালিয়েছে। ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ যেই করুক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। </body></HTML> 2020-01-28 16:27:23 1970-01-01 00:00:00 ডেসটিনির এমডি রফিকুলের ৩ বছরের কারাদণ্ড http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88972 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207089_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580207089_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা না দেওয়ায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মাদ রফিকুল আমীনের তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তার ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শামীম আহাম্মদ এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাটি করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।<br>প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর কারাগারে যান রফিকুল আমীন। তখন থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন।<br>কারাগারে থাকাবস্থায় দুদক অনুসন্ধানে রফিকুল আমিনের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত ১৮ কোটি ২ লাখ ২৯ হাজার ৩২৩ টাকার সম্পদের তথ্য পায়। তাই ২০১৬ সালের ১৬ জুন তাকে সাত দিনের মধ্যে কারাগার থেকে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। কারাবন্দি রফিকুল আমীন সময়ের আবেদন করলে তাকে আরও সাত দিন সময় দেওয়া হয়। এরপরও সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় দুদক এই মামলা করে।<br>মামলার পর ২০১৭ সালের ৬ জুন রফিকুল আমীনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। পরের বছরের ১২ মার্চ আদালত এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন।<br><br>পরবর্তীতে অব্যাহতির নাকচ আদেশের বিরুদ্ধে রফিকুল আমীন উচ্চ আদালতে গেলেও তা ২০১৮ সালের ১৮ আগস্ট খারিজ হয়ে যায়। এরপর মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলায় দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর মাহমুদ হাসান জাহাঙ্গীর জানান, বিচারকালে তারা দুদকের পক্ষে পাঁচজনের সাক্ষ্য দিয়েছেন।<br><br>তবে আসামি রফিকুল আমীনের আইনজীবী সিনিয়র এহসানুল হক সমাজী বলেন, রফিকুল আমীন কারাগারে থাকাবস্থায় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের জন্য দুদক নোটিশ দেয়। তাই তিনি হিসাব বিবরণী দিতে পারেননি। </body></HTML> 2020-01-28 16:23:56 1970-01-01 00:00:00 কেক ভাগাভাগি নিয়ে তর্কে বড় ভাই খুন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88971 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206966_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206966_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঝালকাঠির রাজাপুরে ছোট ভাই আব্দুল্লাহর দায়ের কোপে আব্দুর রহমান (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কেওতা গ্রামের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহমান উপজেলার কেওতা গ্রামের প্রবাসী আবুবকর সিদ্দিকের ছেলে। তিনি ঝালকাঠির হেমায়েত উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। ছোট ভাই আব্দুল্লাহ রাজাপুরের কেওতা ঘিগড়া ফাজিল মাদ্রাসার দাখিল পরিক্ষার্থী। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দোকান থেকে আনা কেক ভাগ করাকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে আব্দুল্লাহ দা দিয়ে তার বড় ভাই আব্দুর রহমানের মাথায় কোপ দেয়। এতে তিনি মারাত্মক যখম হন। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।<br>রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন জানান, ‘নিহতের দাদা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে আব্দুল্লাহকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারে সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ and nbsp; and nbsp; and nbsp; </body></HTML> 2020-01-28 16:22:25 1970-01-01 00:00:00 মৌলভীবাজারে পুড়ে অঙ্গার একই পরিবারের পাঁচজন http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88970 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206906_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206906_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">মৌলভীবাজারে সদর উপজেলায় জুতার দোকান থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে সেন্ট্রাল রোডে পিংকি স্টোর নামে একটি দোকান থেকে লাগা আগুনে এই প্রাণহাণির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়রা জানান, পিংকি স্টোরের পেছনে দোকান মালিক স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে থাকতেন। সকাল ১১টার দিকে দোকানটিতে আগুন ধরে যায়। এ সময় নারী ও শিশুরা ঘরের মধ্যে ছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই পরিবারের দুই শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। মৌলভীবাজার ফায়ার স্টেশনের ব্যবস্থাপক জানান, আগুনে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। </body></HTML> 2020-01-28 16:21:25 1970-01-01 00:00:00 তাপসের নির্বাচনী ক‌্যাম্প পুড়িয়ে দিলো দুর্বৃত্তরা http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88969 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206808_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206808_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসের নির্বাচনী ক্যাম্প পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ভোর রাতে ৬১ নাম্বার ওয়ার্ডের ধনিয়ে বাজারে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মেয়রপ্রার্থী তাপস এবং স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং মহিলা কাউন্সিলরের অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্প হিসেবে এগুলো ব্যবহার করা হচ্ছিল। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তাপস এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরের ক্যাম্প হিসেবে এখানে সব সময় নেতাকর্মীদের ভিড় থাকত। সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত অবধিও নেতাকর্মীদের পদচারণা ছিল। কিন্তু সকালে এসে তারা দেখতে পান ক‌্যাম্প পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তারা মনে করছেন গভীর রাতে অথবা ভোর রাতের দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। ধনিয়া এলাকায় অবস্থিত একে উচ্চ বিদ্যালয়ে তাপসের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আহ্সান বিন বাশার রাইজিংবিডিকে বলেন, ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত। শেখ ফজলে নূর তাপসের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষ এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আশঙ্কা করছি। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। আশা করছি, প্রশাসন দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেবে। </body></HTML> 2020-01-28 16:19:46 1970-01-01 00:00:00 সিসিটিভির আওতায় থাকবে দুই সিটির ভোটকেন্দ্র http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88968 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206501_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206501_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের আগের দিন ও ভোটের দিন ছাড়াও মক ভোটের দিনসহ মোট তিনদিন সিসিটিভি ক্যামেরায় প্রত্যেক কেন্দ্রের চিত্র ধারণ করা হবে।<br>জরুরি ভিত্তিতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম ও দক্ষিণ সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইসির সিস্টেম ম্যানেজার মো. আশরাফ হোসেন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভােটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার জন্য ভােটকেন্দ্র হিসেবে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারণ করা হয়েছে সে সকল প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সিসিটিভি ক্যামেরা মক ভোটিংয়ের দিন, নির্বাচনের পূর্বের দিন ও নির্বাচনের দিন ব্যবহার করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। তবে শর্ত থাকে যে, ভােটগ্রহণের দিন গোপন কক্ষের কোনো দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আসবে না।<br><br>নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যাসহ বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে বিদ্যমান সিসিটিভি ক্যামেরা মক ভােটিংয়ের দিন, নির্বাচনের পূর্বের দিন ও নির্বাচনের দিন ব্যবহার করার প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।<br>সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়ে সার্বিক সমন্বয় ও সহায়তার জন্য ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঢাকা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঢাকার দুই সিটিতে ১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) মক ভোট হবে। সে অনুযায়ী, ৩০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট তিনদিন সিসিটিভির আওতায় থাকবে ভোটকেন্দ্র। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র এক হাজার ৩১৮টি। ভোটকক্ষের সংখ্যা সাত হাজার ৮৪৬টি। এ সিটিতে ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র এক হাজার ১৫০টি। ভোটকক্ষ ছয় ৫৮৮টি। এ সিটিতে ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন। </body></HTML> 2020-01-28 16:14:16 1970-01-01 00:00:00 আবদুল্লাহর পদত্যাগ, কাতারের নতুন প্রধানমন্ত্রী খালিদ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88967 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206393_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580206393_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left"> and nbsp;আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br> and nbsp;মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর পরবর্তী উত্তরসূরি হিসেবে শেখ খালিদ বিন খলিফা বিন আব্দুল আজিজ আল থানির নাম ঘোষণা করেছেন দেশটির আমির।<br><br>কাতারের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শেখ খালিদ বিন খলিফা বিন আব্দুল আজিজ আল থানি নতুন প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানির পদত্যাগের কোনও কারণ এখনও জানা যায়নি। মঙ্গলবার দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে নতুন প্রধানমন্ত্রী শেখ খালিদ শপথ গ্রহণ করেছেন। এ সময় দেশটির ডেপুটি আমির শেখ আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল থানি উপস্থিত ছিলেন।<br>২০১৩ সালের ২৬ জুন কাতারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন শেখ আবদুল্লাহ বিন নাসের বিন খলিফা আল থানি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। </body></HTML> 2020-01-28 16:12:46 1970-01-01 00:00:00 আমরা অবরুদ্ধ, দেশে ফিরতে চাই: চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আকুতি http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88966 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185347_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185347_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">আন্তর্জাতিক ডেস্ক ॥<br>চীনের যে শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়, সেই উহান শহরে তিন শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আটকে পড়েছেন। তারা সবাই যার যার ছাত্রাবাসের রুমের ভেতরে প্রায় বন্দি অবস্থায় আছেন। বাইরে বের হতে পারছেন না, খাবার ফুরিয়ে আসছে, আতঙ্কিত উহান নগরীতে এখন তাদের দিন কাটছে দেশে ফেরার প্রতীক্ষায়। আটকে পড়া শিক্ষার্থীরা বলেছেন, আমরা দেশে ফিরতে চাই। বিবিসি বাংলার সঙ্গে স্কাইপে কথা বলেছেন উহানে এমন দুজন বাংলাদেশি।<br><br>উহানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী তাহকিম আনজুম মৃদুলা। তিনি বলেন, আমাদের ইউনিভার্সিটিতে আমরা ১২৭ জনের মতো বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রী আছি। আমাদের যেন এখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। কারণ উহানই এখন সবচেয়ে বেশি এই ভাইরাসের শিকার হয়েছে। মৃদুলা বলেন, আমাদের ডরমিটরির বাইরে একেবারেই যাওয়া নিষেধ। আমরা টোটাল লকডাউনের (পুরোপুরি অবরুদ্ধ) মধ্যে আছি। আমাদের খাবারের সংগ্রহ খুবই সীমিত। মাস্ক না পরে, এমনকি রুমের বাইরে পর্যন্ত যেতে নিষেধ করা হয়েছে। একটা আতঙ্ক কাজ করছে আমাদের মধ্যে। বাতাসে বেরিয়ে আমরা না আবার এই ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হই।<br><br>বাংলাদেশে এই ছাত্রী আরও বলেন, দেশে বাবা-মা খুবই চিন্তিত। তারা চাইছেন আমরা দেশে ফিরে যাই। আমরা দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছি। অপেক্ষায় আছি কখন একটা পদক্ষেপ নেয়া হয়। আমরা সবাই দেশে ফিরে যেতে চাই। যত দ্রুত সম্ভব। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।<br>উহানে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাকিবিল হাফিজ। তিনি বলেন, আজ কয়েকদিন ধরে এই ডরমিটরিতে আমরা অবরুদ্ধ। শুয়ে-বসে দিন কাটাচ্ছি। এটা একটা ইন্টারন্যাশনাল হোস্টেলের মতো। ৫০০-র মতো বিদেশি ছাত্র-ছাত্রী আছে এখানে। আমরা বাংলাদেশিরা ছাড়াও আছে রাশিয়া, কাজাখাস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত, পাকিস্তান থেকে শুরু করে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ছেলে-মেয়েরা আছে এখানে।<br><br>রাকিবিল বলেন, মাঝখানে আমাদের খাবার পর্যন্ত ফুরিয়ে গিয়েছিল। এখন আবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করেছেন। ইউনিভার্সিটি এই মুহূর্তে বন্ধ, চাইনিজ লুনার ইয়ারের ছুটি। ফেব্রুয়ারির ১৬ তারিখে খোলার কথা, কিন্তু শোনা যাচ্ছে এটি পিছিয়ে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা সব তথ্য নিয়ে আমাদের তালিকাভুক্ত করছেন। এখানে যারা মাস্টার্সের ছাত্র, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাস যোগাযোগ করছে। তাদের কাছে আমাদের টোটাল সংখ্যা জানতে চেয়েছে। কত ছাত্র-ছাত্রী এখন আমরা এখানে আছি। </body></HTML> 2020-01-28 10:21:55 1970-01-01 00:00:00 আইপিএল শুরু ২৯ মার্চ http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88965 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185190_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><span style="font-weight: bold;"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185190_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">ক্রীড়া ডেস্ক ॥</span><br>খেলোয়াড় নিলাম শেষ, ক্ষণ গণনা চলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৩তম আসর শুরুর। এই আসরের ফাইনাল নিয়ে গুঞ্জন উঠেছিল গুজরাটের সর্দার প্যাটেল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হবে ফাইনাল ম্যাচ। তবে সেটি আর হচ্ছে না। মুম্বাইয়ের ওয়াঙ্খেড়ে স্টেডিয়ামেই হবে আইপিএল ফাইনাল। বলা হচ্ছিল, আইপিএলের ফাইনাল ম্যাচ দিয়ে সর্দার প্যাটেল স্টেডিয়াম উদ্বোধন করা হতে পারে। এ নিয়ে গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন প্রস্তাবও দেয় আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে। তবে স্টেডিয়াম তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি পুরোপুরি, বাকি আছে আরও কিছু কাজ। তাই ওয়াঙ্খেড়েতেই ১৩ তম আসরের ফাইনাল ম্যাচ হবার ভেন্যু স্থির করা হয়েছে চূড়ান্তভাবে।<br><br>সোমবার দিল্লিতে আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে ফাইনাল ভেন্যুর কথা নিশ্চিত করেন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। বিসিসিআই প্রধান আরও নিশ্চিত করেন, ম্যাচের সময়েরও কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। আরও নিশ্চিত করেন, ম্যাচের সময়েরও কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।<br>প্রতিদিন দু'টি করে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ম্যাচটি বিকেল ৪টা থেকে এবং দ্বিতীয় ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টা থেকে।<br>আগামী ২৯ মার্চ থেকে শুরু হবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের এই মেগা আসর, চলবে আগামী ২৪ মে পর্যন্ত। ফাইনাল ম্যাচের মতো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও হবে মুম্বাইয়ের ওয়াঙ্খেড়ে স্টেডিয়ামে। </body></HTML> 2020-01-28 10:18:58 2020-01-28 21:05:12 সেনবাগে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১২ মামলার আসামি নিহত http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88964 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185008_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580185008_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ার হোসেন প্রকাশ ইউসুফ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার দিনগত রাত পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোর্ট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি, চারটি তাজা কার্টুজ, সাত রাউন্ড গুলির খোসা, তিনটি রামদা, একটি টর্চলাইট ও একটি গ্যাস লাইটার। নিহত আনোয়ার হোসেন ইউসুফ বেগমগঞ্জ উপজেলার পূর্ব লাউতলী গ্রামের আবু তাহের প্রকাশ ওলি উল্যার ছেলে। তিনি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য এবং তার নামে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।<br><br>বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তারা হলেন- উপ-পরিদর্শক জসিম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক লোকেন মহাজন ও কনস্টেবল আব্দুর রহমান। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে ডাকাতি ও সিঁধেল চুরির কথা স্বীকার করে। এও জানায় তাদের দল রাতে ডাকাতি করবে।<br><br>ইউসুফের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত পৌনে তিনটার দিকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দলের সহযোগিতায় বীরকোর্ট এলাকায় অভিযান চালায় সেনবাগ থানা পুলিশ। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইউসুফের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় ইউসুফ দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তারই সহযোগীর গুলিতে আহত হয়। পরে সহযোগীরা পালিয়ে গেলে ইউসুফকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেন জানান, ‘নিহত ইউসুফ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের একজন সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি ডাকাতি ও একটি অস্ত্র মামলাসহ মোট ১২টি মামলা রয়েছে। পালানোর সময় সহযোগীদের গুলিতে সে নিহত হয়েছে।’ </body></HTML> 2020-01-28 10:15:40 1970-01-01 00:00:00 ১৪ দিনের মধ্যে কাউকে দেশে ফেরানো যাবে না http://www.hazarikapratidin.com/details.php?id=88963 http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580184851_th.jpg <HTML><head></head><body style="font-family: SolaimanLipi; font-size: 16px"><img src="http://www.hazarikapratidin.com/2020/01/27/1580184851_th.jpg" alt="" style="margin-right: 7px;" border="0px" align="left">১৪ দিনের মধ্যে কাউকেই উহান ছাড়তে দেবে না স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে বাংলাদেশিসহ উহানে থাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য অভিন্ন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেইজিং ও উহান কর্তৃপক্ষ। চীনের পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাত দিয়ে ঢাকায় এমনটাই জানিয়েছে বেইজিংস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। ঢাকায় পাঠানো এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ছোঁয়াচে ব্যাধি করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে। নতুন করে ২৭০০ জন সোমবার (২৭ জানুয়ারি) আক্রান্ত হয়েছেন মর্মে নথি রেকর্ডভুক্ত হয়েছে। তবে এদের সবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা পুরোপুরি শেষ হয়নি। যেটা ধারণা দেয়া হয়েছে তা হলো এর মধ্যে ৫০ ভাগের বেশি করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। বাকিরা হয়তো ভয়ে রিপোর্ট করেছেন। তবে ওই তালিকায় কোনো বাংলাদেশি এখনো নেই।<br><br>ঢাকায় পাঠানো বেইজিং মিশনের রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে সেগুনবাগিচার দায়িত্বশীল একটি সূত্র বলছে, আতঙ্কে চীন থেকে ফিরতে চায় এমন বাংলাদেশিদের ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরফে জরুরি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দূতাবাস সেই নির্দেশনার আলোকে কাজ শুরু করেছে। বাংলাদেশি যারা ফিরতে চান তাদের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে বলা হয়- দূতাবাস তাদের একটি তালিকা করছে। ওই তালিকা ধরে পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মতে দ্রুত তাদের ফেরানো হবে। স্মরণ করা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান উহানে আটকে পড়া তাদের নাগরিকদের ফেরাতে বিশেষ বিমান পাঠানোর জন্য চীনা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন চেয়েছে। এ সিদ্ধান্তের কারণে দেশ দু'টির আবেদনও ঝুলে গেলো।<br><br>প্রসঙ্গত, চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ মিশনসহ উদ্বিগ্ন কূটনৈতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে। তারা এ নিয়ে নিয়মিত পরিস্থিতি আপডেট করছে। এদিকে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল উহান পরিদর্শন করেছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। জরুরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার বিষয়টি জানান দিতেই চীন সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তির ওই পরিদর্শন। তিনি ভিডিও কনফারেন্সে কন্টেইন করে রাখা ভাইরাস আক্রান্ত একজন রোগী এবং তার সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক টিমের সঙ্গে কথা বলেছেন। করোনা ভাইরাস ধরা পড়লেও সেই তথ্য প্রকাশ করতে দেরি করার কড়া সমালোচনার মুখে উহান সিটি মেয়র এবং স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টির সেক্রেটারি দায় স্বীকার করে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। </body></HTML> 2020-01-28 10:13:42 1970-01-01 00:00:00