মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
হাজারীর দাতভাঙ্গা জবাব।
Published : Wednesday, 16 October, 2019 at 11:29 AM

হাজারীর দাতভাঙ্গা জবাব। চিকিৎসা শেষে আজ দুদিন হয় আমি দেশে ফিরেছি। এরমধ্যে আমার উপদেষ্টা হওয়া নিয়ে কেউ কোন কথা বলেনি এক ব্যক্তি যে কিনা আওয়ামী লীগের দু আনা দামের সদস্য নয়, সে এ ব্যাপারে বিভ্রান্তি ছড়াবার চেষ্টা করছে একরাম হত্যার মূল হোতা এই ব্যক্তি কে নেত্রী নিজে কমিটির মিটিংয়ে ঘোষণা দিয়ে সদস্যপদ বাতিল করেছিল। এই ব্যক্তি কয়দিন আগেও বলেছিল বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জয়নাল হাজারী প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ,আওয়ামী লীগ নেত্রী যখন নির্যাতিত ও ত্যাগী I ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন শুরু করেছেন ।তারি ধারাবাহিকতায় আমাকেও প্রথমে চিকিৎসার জন্য চল্লিশ লক্ষ টাকা প্রদান ও উপদেষ্টা কমিটিতে স্থান দিয়েছেন ।তখনই ওই ব্যক্তিটি হঠাৎ করেই বিমর্ষ হয়ে পড়েছে এখন সে সিন্ডিকেটের প্রিয় হওয়ার জন্য প্রতিদিন অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে ।একদিন সিন্ডিকেট তার বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছিল তার ছবিতে কালি লেপন করেছিল আর তখনই সে ফেনীর রাজনীতিতে এতিম হয়ে গিয়েছিল ।ফেনীর তৃণমূলে তার সামান্যতম অবস্থান নাই তখনই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য সিন্ডিকেটের লেজুড়বৃত্তি শুরু করেছে। এখন তার অবগতির জন্য বলছি আমাকে উপদেষ্টা করা হয়েছে ,এই খবরটি বাংলাদেশের সকল জাতীয় পত্রিকা এবং এবং টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে। কয়েকদিন সোশ্যাল মিডিয়া এই খবরটির দখলে ছিল তাহলে মিডিয়া কোথায় খবরটি পেয়েছে সেটি নিশ্চিত করলেই তো বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। ইতিমধ্যেই এই সকল মিডিয়া কিছু লোকের কাছে তাদের উত্তর দিতে গিয়ে বলেছে আমাদেরকে আওয়ামীলীগ অফিস থেকে আওয়ামী লীগের ইমেইলের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। যদি তাই হয় তাহলে আওয়ামী লীগের অফিস থেকে যেই তথ্যটি দিয়েছে সেটা তো কেবল আওয়ামীলীগই বলবে ।ওই একরাম হত্যাকারী সেটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে কেন? যদি আওয়ামী লীগ থেকে ওই তথ্যটি দেয়া না হতো তাহলে তো তাদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে ।আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করা হয়েছে কিনা সেটা তো আওয়ামী লীগ নেতারাই বলবে এবং শেখ হাসিনা ।অন্য এক ব্যক্তি এটা নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি আপ্রাণ চেষ্টা করছে ,এরাই বিগত বছরগুলোতে অনবরত বলেছে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে অথচ নেত্রী নিজের মুখে পরিষ্কার করে দিয়ে বলেছেন জয়নাল হাজারী কে কখনোই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় নাই। আমি তাকে বহিষ্কার করি নাই বরং তিনি লক্ষ লোকের সামনে বলেছিলেন জয়নাল হাজারী আছে এবং জয়নাল হাজারী থাকবে। যেভাবে আওয়ামী লীগ প্রেস রিলিজ দিয়ে বলেছিল জয়নাল হাজারী কে উপদেষ্টা করা হয়েছে সেভাবে আওয়ামী লীগ আবার বলে দিক উপদেষ্টা করা হয় নাই ,তাহলেই তো বিষয়টি সমাধান হয়ে যায় ।যেখানে দলের সাধারণ সম্পাদক নিজেও বলেন নাই হাজারীকে উপদেষ্টা করা হয় নাই ,সেখানে যে ব্যক্তি আওয়ামী লীগের দু আনা দামের সদস্য নয়, সে কেন এসমস্ত বিষয় নিয়ে আগের মত আমাকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। এখন যদি শিবিররা বলে হাজারীকে আওয়ামী লীগের সদস্য করা হয় নাই সেটি জাতি মানবে না। আমি তো বলেছি নেত্রীর নির্দেশ ছাড়া আমি ফেনীতে যাবনা তবুও ওরা ভয় পাচ্ছ কেন? আমি জানিনা তবে আমার খবরটি প্রচারিত হওয়ার পর সমগ্র ফেনী জেলা তথা সারাদেশে যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে তা এক বিষ্ময়কর অনুভূতির নিদর্শন।
এখানে উল্লেখযোগ্য যে এই ব্যক্তটি আমার উপদেষ্টা হওয়ার খবরটি প্রচারিত হলে সর্বপ্রথম সে আমাকে অভিনন্দিত করেছিল। পড়ে আবার অন্য একটিতে বলেছে সবকিছু নেত্রীর একতেয়ার।
শেষ বয়সে আমার জন্য এর চাইতে বড় পুরস্কার আর কিছু নেই। এই নিয়োগ টি কোন ক্ষমতার নয় কোন দায়িত্বেরও নয় এটি শুধুমাত্র সম্মানের এই সম্মান নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারলেই সার্থক জনম আমার। যিনি নিয়োগ দিয়েছেন তিনি

আবার যদি বলেন নিয়োগ বাতিল আমি অবশ্যই সানন্দ চিত্তে সঙ্গে সঙ্গে সেই নির্দেশ মাথা পেতে নেব। আওয়ামী লীগের যেসব নেতার অধিকার আছে তারা বলুক আমি সেটি গ্রহণ করব কিন্তু যে আওয়ামী লীগের কিছুই নয় যে ব্যক্তি সিন্ডিকেটের দ্বারা নিগৃহীত হয়ে এতিম হয়ে গিয়েছে এবং যে ব্যক্তি একরাম কে হত্যা করার মাধ্যমে ফেনীর রাজনীতিতে ভয়াবহ খুনের রাজনীতি শুরু করেছে তার কথাতে আমি বিচলিত নই।

গতকালই এই লোকটি একটি বিতর্কিত স্ট্যাটাস দিয়ে চাপের মুখে আবার তা প্রত্যাহার করেছে। একবার সকলের আগে অভিনন্দন জানাচ্ছে আর একবার স্ট্যাটাস দিয়ে তা প্রত্যাহার করছে তার এটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা ছাড়া মনে হয় আর কোন কাজ নেই। আমি দেশের বাইরে থাকতে যেসব ষড়যন্ত্র করে তারা সফল হয়েছিল এখন তারা তাতে সফল হবে না। এটা ওদের বুঝতে হবে।

পরেরটা পরে দেখা যাবে ঠিকই কিন্তু এখন কি তা তো বলতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে আজকে আমি উপদেষ্টা কালকেই তো নেত্রী আমাকে বাদ দিতে পারে সুতরাং আপনাদের যখন এতই মাথা খারাপ হয়ে গেছে বলুন নেত্রীকে আমাকে বাদ দেয়ার জন্য তাহলে তো আর আমি সেটা বলতে পারবো না ।

আমি ওমরাহ শেষ করার আগে এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইনা ।আমি দুঃখিত আমাকে সকালবেলাতেই ঘুম থেকে উঠে এই বিষয়টির অবতারণা করতে হলো ।আমি দেশবাসীকে বলি আমি কখনোই মানুষকে বিভ্রান্ত করিনি ,বিভ্রান্ত করব না ,আমি শুধু বলতে চাই নেত্রী আমাকে নিয়োগ দিয়েছে ।সেজন্য তাকে আবারো অন্তরের অন্তস্থল থেকে অভিনন্দন জানাই জয়নাল হাজারী।


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি