সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
ফেনীতে স্কুল পিয়নকে টাকার জন্য খুনের দায় স্বীকার করেছে রাব্বি
Published : Wednesday, 12 June, 2019 at 8:16 PM

ফেনীতে স্কুল পিয়নকে টাকার জন্য খুনের দায় স্বীকার করেছে রাব্বি ফেনী প্রতিনিধি ॥  
ফেনী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পিয়ন মো: সফি উল্যাহ (৬০) কে টাকা ছিনতাই করতে হত্যা করেছে বলে দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধী দিয়েছে মেহেদী হাসান রাব্বি। মঙ্গলবার বিকালে সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্ধী দেয় রাব্বি। পরে রাব্বিকে আদালত জেল-হাজতে প্রেরণ করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইন উদ্দিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একাডেমী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোমবার রাতে বনানী পাড়া এলাকা থেকে রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল বিকালে সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে হাজির করলে হত্যার দায় স্বীকার রাব্বি ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দেয়। জবানবন্ধীতে রাব্বি বলে, ৩০ মে ইফতারের আদা ঘন্টা আগে তার বন্ধু রনি তাকে ফোন করে বলে বাড়ির সামনে আসতে। তখন রনি তার ভাই সোহেল আমাকে নিয়ে গাজীক্রস রোডের হক ম্যানশনের ভিতরে প্রবেশ করি। ঘরে ডুকে বাহিরের লাইটটি সোহেল বন্ধ করে দেয়। একজন বয়স্ক লোক খাটের উপর শোয়া ছিলো। তখন সোহেল ডুকে তাকে ঝাপটিয়ে ধরে গামছা পা ভেধে পেলে ও রনি হাত ভেধে পেলে। তখন লোকটি চিৎকারের চেষ্টা করলে সোহেল চোখ, মুখ, নাক গামছা দিয়ে ভেধে পেলে। ধস্তা-ধস্তির এক পর্যায়ে লোকটি খাট থেকে নিচে পড়ে যায়। এসময় সোহেল চায়ের চামুছ দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতে থাকে। রনি দা দিয়ে আঘাত করে। লোকটির নড়া-ছড়া বন্ধ হয়ে গেলে আলমীরা ভেঙ্গে সোহেল ১ লাখ টাকা ও স্বর্ণ, ১টি ওয়াল্টন মোবাইল সেট নিয়ে ইফতারের ১০-১৫ মিনিট আগে বের হয়ে চলে যায়। পরবর্তীতে রক্তাক্ত অবস্থায় সফি উল্যাহকে লোকজন দেখে চোরচিৎকার শুরু করলে আমি সোহেল ও রনিসহ ঘটনাস্থলে যাই। ওখান থেকে পুলিশ সোহেলকে গ্রেফতার করলে আমরা কৌশলে সরে যাই। ওই রাত ১০টার দিকে রনি আমাকে ১০ হাজার টাকা দেয় বাকী টাকা পরে দিবে বলে সে চলে যায়। ফেনী মডেল থানার ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান জানান, রাব্বি হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্ধী দিয়েছে। টাকার লোভে তারা এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। সে ১০ হাজার টাকা ভাগে পেয়েছে। রাব্বি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার মো: জয়নাল আবেদীনের ছেলে। ২ জুন ফারুক হোটেলের সামনে থেকে জাহিদুল ইসলাম হৃদয় (২১) ও সোহেল হাওলাদার (২০) কে গ্রেফতার করা হয়। এ হত্যাকান্ডে ৩ জন অংশ নেয়। সোহেলের ভাই রনিসহ ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত; বৃহস্পতিবার রাতে শহরের বারাহীপুর গাজীক্রস রোডের হাসান আলী ভূঁঞা বাড়ির পাশে হক ম্যানশন থেকে রাত ১০টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি