সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভাষা ও আচরণে হিংস্রতা ঢোকাল কারা
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
Published : Saturday, 18 May, 2019 at 8:18 PM

গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভাষা ও আচরণে হিংস্রতা ঢোকাল কারাগণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিরোধিতা আছে, শত্রুতা নেই-কথাটা বলেছিলেন এক ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন কথাটি বলেছিলেন আরও স্পষ্ট করে। তার দ্বিতীয় দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি যখন লড়ছেন, তখন তার প্রতিপক্ষ রিপাবলিকান পার্টি থেকে তার বিরুদ্ধে খিস্তিখেউড় শুরু করা হয়। ক্ষুব্ধ ক্লিনটন তাদের উদ্দেশে বলেছিলেন, 'আমি আপনাদের প্রতিপক্ষ, শত্রু নই।' আমাদের উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের এই সত্যটি একেবারেই উপেক্ষিত, যার প্রমাণ প্রায় প্রতিদিনই পাওয়া যায়।

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হচ্ছে- বহুদল, বহু মতের সহাবস্থান। সেখানে বিতর্ক থাকবে, বিরোধিতা থাকবে। শত্রুতা থাকবে না। ব্রিটিশ ভারতেই রাজনৈতিক দল গঠন ও রাজনীতি চর্চার শুরু। তার প্রাথমিক পর্যায়ে এই রাজনীতিতে সুস্থতা ছিল। শালীনতা ছিল। প্রতিপক্ষ দলগুলোর মধ্যে মত ও পথ নিয়ে বিতর্ক ছিল, বিরোধিতা ছিল, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল, প্রতিবাদ ছিল। ছিল না অশ্নীল গালাগালি, চক্রান্ত ও খুনোখুনি।

আমাদের কৈশোরে সেই ব্রিটিশ আমলে দেখেছি, সরকারি দলের নেতাদের সভায় বিরোধী দল বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। তা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রীতিসম্মত। একে বলা হতো কালো পতাকা প্রদর্শনের বিক্ষোভ। কোনো সভায় চারপাশে বিরোধী দলের লোকেরা কালো পতাকা নিয়ে সমবেত হতো এবং স্লোগান দিয়ে তাদের প্রতিবাদ জানাত। সেই স্লোগানও জিন্দাবাদ-মুর্দাবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

গত শতকের ত্রিশের দশকে অবিভক্ত ভারতের, বিশেষ করে অবিভক্ত বাংলার স্বাধীনতাকামী যুবক সম্প্রদায়ের কয়েকটি গোষ্ঠী সশস্ত্র পন্থায় ব্রিটিশ বিতাড়নের কর্মসূচি গ্রহণ করে। তাদের টেররিস্ট বলা হলেও তারা ছিলেন মুক্তিসেনানী। তাদের অনেকে শহীদ হয়েছেন। তারা গণতান্ত্রিক রাজনীতি দ্বারা স্বাধীনতা অর্জিত হবে, তাতে বিশ্বাস করতেন না। তারা সশস্ত্র পন্থায় ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। কিন্তু উপমহাদেশের মানুষ এই সশস্ত্র পন্থার বিপরীতে গান্ধী-জিন্নাহর নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিই অধিক আস্থা জানায়।

ডিবেট ও ডেমোক্রেসি অবিচ্ছেদ্য। পার্লামেন্টে ডিবেট চলাকালে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির নজির আছে। অশ্নীল গালাগালির নজির ইউরোপের কোনো পার্লামেন্টে বিরল। টেররিজমে যারা বিশ্বাস করে, তাদের কথা আলাদা। কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে ভায়োলেন্স সর্বতোভাবে নিষিদ্ধ। তথাপি ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে সেই ব্রিটিশ আমলের শেষ দিক থেকেই ভায়োলেন্সের আধিক্য দেখা যায়।

এই ভায়োলেন্সের প্রবর্তক চাঁদতারা মার্কা এবং গেরুয়াধারী দলগুলো। সাম্প্রদায়িকতার সঙ্গে সহিংসতার যোগ যেন চিরকালের। অবিভক্ত ভারতে প্রধান রাজনৈতিক দল ছিল দুটি- কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ। প্রথম দিকে দুই দলের মধ্যে সম্পর্ক ভালো ছিল। তারা একসঙ্গে দলীয় সম্মেলনও করেছে। কিন্তু মুসলিম লীগ লাহোর সম্মেলনে ভারত-ভাগের প্রস্তাব গ্রহণ করার পর দু'দলের মধ্যে রেষারেষি শুরু হয়।

দু'দলের নেতা গান্ধী ও জিন্নাহর মধ্যে প্রথম দিকে বন্ধুত্ব ছিল। গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এলে তার যে সংবর্ধনা সভা হয়, তাতে সভাপতিত্ব করেন জিন্নাহ। জানা যায়, দু'জনের মধ্যে আইনের ব্যবসায়ে পার্টনারশিপও ছিল। আহমেদাবাদে কংগ্রেসের অধিবেশনে গান্ধীকে মহাত্মা বলতে অস্বীকার করায় সভার জনতার বিক্ষোভের মুখে জিন্নাহ সভাস্থল ত্যাগ করেন। তিনি কংগ্রেসে আর ফিরে আসেননি। তার পরই শুরু হয় গান্ধী-জিন্নাহ রাজনৈতিক বিরোধ।

গান্ধীর রাজনৈতিক সহিষ্ণুতা ছিল। জিন্নাহর ছিল রাজনৈতিক সংকীর্ণতা। গান্ধীই জিন্নাহকে 'কায়েদে আজম' খেতাব দিয়েছিলেন। গান্ধীর মৃত্যুর পরও তাকে মহাত্মা বলতে জিন্নাহ রাজি হননি। বলতেন, 'এ গ্রেট হিন্দু লিডার।' গান্ধী অহিংস রাজনীতির কথা বলতেন। জিন্নাহর মুসলিম লীগের স্লোগান ছিল- 'লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান।' এ লড়াইটা মুসলিম লীগ ইংরেজের বিরুদ্ধে করেনি। করেছে কংগ্রেস ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে।

১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট জিন্নাহ ভারতব্যাপী 'ডাইরেক্ট অ্যাকসন ডে' পালনের ডাক দেন। সবাই মনে করেছিল, এটা বুঝি পাকিস্তানের দাবি আদায়ের জন্য ব্রিটিশরাজের ওপর চাপ প্রয়োগের আন্দোলন। কিন্তু আগের দিন কলকাতার ময়দানে বিশাল জনসভা ডেকে খাজা নাজিমুদ্দিন প্রকাশ্যেই বললেন, 'ডাইরেক্ট অ্যাকশন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে নয়, এটা পাকিস্তান- দাবি মানতে রাজি নয় সেই হিন্দুদের বিরুদ্ধে।' সেই রাতেই কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়, হাজার হাজার নিরীহ নারী-পুরুষ-শিশু নিহত হয়। এই দাঙ্গা 'গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং' নামে পরিচিত। এই দাঙ্গা বিহারে, গুজরাটে ছড়িয়ে পড়ে। এই দাঙ্গা থামানোর জন্য গান্ধীকে আমরণ অনশন শুরু করতে হয়েছিল।

উপমহাদেশের রাজনীতিতে ভালোলেন্স প্রবর্তনে হিন্দু মহাসভার অবদান কম নয়। ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর গান্ধী হত্যার জন্য হিন্দু মহাসভা নিষিদ্ধ হলে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি উত্তরাধিকার গ্রহণ করে গেরুয়াধারী বজরং পরিবার তথা শিবসেনা, আরএসএস, বিশ্ব হিন্দুসভা প্রভৃতি দল-উপদল। স্বাধীন বাংলাদেশে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতা ও সহিংস রাজনীতির উত্তরাধিকার গ্রহণ করে বিএনপি, জামায়াত প্রভৃতি দল এবং তাদের উপদলগুলো। পরে ইসলামী জঙ্গি দলগুলোর আবির্ভাব হয়।

উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি ব্যাপার লক্ষণীয়। সাম্প্রদায়িক হিন্দু মহাসভা যেমন বিলুপ্ত হওয়ার পর বিজেপি এই অসাম্প্রদায়িক নামের আড়ালে উগ্র হিন্দুত্ববাদ ছড়াচ্ছে, স্বাধীন বাংলাদেশেও তেমনি মুসলিম লীগ '৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত ও প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পর বিএনপি এই অসাম্প্রদায়িক নামের আড়ালে রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তারাও সেক্যুলারিজমের বিরোধী। উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদের সহায়ক শক্তি।

ব্রিটিশ আমলের শেষ দিকে এবং পাকিস্তান আমলেও মুসলিম লীগ তার রাজনীতিতে বাক্যে ও আচরণে যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার আশ্রয় নিয়েছে, তার আরও উদগ্র অনুসরণ করেছে বিএনপি। ব্রিটিশ আমল থেকেই সাম্প্রদায়িক দলগুলোর, বিশেষ করে মুসলিম লীগ ও তার উত্তরসূরি বিএনপির বাক্যে ও আচরণে ভায়োলেন্স অনুসরণের দু'একটা দৃষ্টান্ত দিই। পাকিস্তান আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখনও পাঞ্জাবে ও সিন্ধুতে জিন্নাহর জনপ্রিয়তা ছিল না। সিন্ধুতে আল্লাবখ্‌সের দল এবং অবিভক্ত পাঞ্জাবে মালিক খিজির হায়াত খানের ইউনিয়নিস্ট দল ১৯৪৬ সালের নির্বাচনেও মুসলিম লীগকে বিপুলভাবে পরাজিত করে সরকার গঠন করে।

আল্লাবখ্‌স ছিলেন মুসলিম লীগের ঘোর বিরোধী এবং সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী। তিনি গুপ্তহত্যার শিকার হন। তদন্তকারীরা বলেছিলেন, এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের সন্দেহের তীর ছিল মুসলিম লীগের দিকে। ১৯৪৬ সালের নির্বাচনে শেরেবাংলা ফজলুল হক (তখন মুসলিম লীগ ছেড়েছেন) নির্বাচনী প্রচারণায় ভোলায় গেলে তার সভায় তাকে লক্ষ্য করে জুতাবৃষ্টি নিক্ষেপ করা হয়। তার নিজের নির্বাচন কেন্দ্রের পরমহল্লায় ছোট লঞ্চযোগে গেলে নদীর তীর থেকে পাথর মেরে লঞ্চ ডুবিয়ে তাকে মারার চেষ্টা হয়।

শুধু আচরণে নয়, মুসলিম লীগের নেতাদের কথাবার্তাও অশোভন ও হিংসাত্মক। পাকিস্তান হওয়ার এক বছরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান অশ্নীল ভাষায় শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে 'ভারতের লেলিয়ে দেওয়া পাগলা কুকুর'  (Mad dog let loose by India)  বলে প্রকাশ্য জনসভায় গালি দিয়েছিলেন। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মুসলিম লীগ নেতা কাইয়ুম খান ঢাকায় এসে পল্টন ময়দানের সভায় আওয়ামী নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, 'শির কুচল দেঙ্গে'। অর্থাৎ মাথা কেটে ফেলব।

মুসলিম লীগ নেতা জিন্নাহ পোশাকে-আশাকে ছিলেন কেতাদুরস্ত সাহেব। কিন্তু তার রাজনীতির ভাষা শ্নীল ও শিষ্ট ছিল না। তিনি সবার শ্রদ্ধাভাজন কংগ্রেস নেতা ও বিখ্যাত আলেম মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে ব্যঙ্গ করতেন, 'শোবয় অব হিন্দু কংগ্রেস'। নেহরুকে বলতেন পিটার প্যান। কংগ্রেসকে বলতেন গ্র্যান্ড ফ্যামিস্ট অ্যাসেমব্লি। ফজলুল হককে মুসলিম লীগ নেতারা আখ্যা দিয়েছিলেন 'ট্রেইটর'। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আখ্যা দিয়েছেন 'ক্রিমিনাল'।

মুসলিম লীগের ঔরসেই জন্ম নিয়ে বাংলাদেশের বিএনপি গুরু মারা বিদ্যা শিখেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় বসেছেন হিংসাত্মক পন্থায় মুক্তিযুদ্ধের নায়ক ও শত শত মুক্তিযোদ্ধার রক্ত মাড়িয়ে। ক্ষমতায় বসেই হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, 'রাজনীতিকদের জন্য রাজনীতি করা আমি হারাম করে দেব।'

মুসলিম লীগ সিন্ধুর আল্লাবখ্‌সকে হত্যা করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা নিজে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে কর্নেল তাহেরসহ শত শত মুক্তিযোদ্ধা হত্যা করেছেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৬ সালের নৃশংস গ্রেট ক্যালকাটা কিলিংয়ে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুকে পটভূমি হিসেবে রেখে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতার ক্ষমতায় আরোহণ ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসের ভয়াবহ রক্তপাত, জেলহত্যা, জেলে দেড় হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসি দিয়ে হত্যার পটভূমিতে বিএনপির জন্ম ও শাসনকালও রক্তপাতপূর্ণ। বিএনপি নেতাদের বাক্য ও আচরণও সন্ত্রাসপূর্ণ। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে প্রতিপক্ষ বিবেচনা না করে শত্রুর স্থানে তারা বসিয়েছে এবং শুধু শেখ হাসিনাকে নয়, গ্রেনেড হামলায় গোটা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। ক্ষমতায় থাকাকালে করেছে গুপ্তহত্যার রাজনীতি। ক্ষমতার বাইরে থাকাকালে পথে-ঘাটে বোমা হামলা, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা দ্বারা দেশময় ভয়ের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল।

স্বয়ং বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া হুমকি ছাড়া কথা বলতে শেখেননি। 'আওয়ামী লীগ আগামী ৫০ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না;' 'হাসিনাকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়তে হবে' (হেফাজতের আন্দোলনের সময়), 'কাদের মোল্লা, গোলাম আযম, নিজামীদের বিচার ও ফাঁসি দেওয়া চলবে না', 'দেশে আগুন জ্বালাব'। এগুলো হলো খালেদা জিয়ার বক্তৃতা-বিবৃতির কিছু নমুনা। আর দলটির ক্যাডারদের স্লোগান ছিল- 'পঁচাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠবে আরেকবার', 'হাসিনার চামড়া, তুলে নেব আমরা', 'বাপের পথে যাবি, গদি না আর পাবি' ইত্যাদি।

শেখ মুজিব, ফজলুল হক, সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী অর্থাৎ বাঙালির জাতীয় নেতাদের কেউ মুসলিম লীগ ও বিএনপির আক্রোশ থেকে রক্ষা পাননি। অশোভনভাবে তাদের বলা হয়েছে 'ভারতের দালাল, হিন্দুর দালাল'। বঙ্গবন্ধুসহ মুক্তিযুদ্ধের নেতাদের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে শুধু গণতন্ত্র নয়, গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভাষা এবং আচার-আচরণকে পর্যন্ত উৎখাতের চেষ্টা করেছে বিএনপি।

এখন মুসলিম লীগের মতোই বিএনপি পতনের খাদে পড়েছে। এখন তাদের মুখে গণতন্ত্রের ভাষা ও রাজনীতি নিয়ে অবিরাম মায়াকান্না। নিজেরা জনগণের কাছে অতিপরিচিত। তাদের গণতন্ত্রের ভাষা জনগণ শুনেছে এবং তাদের গণতন্ত্রের আচরণ জনগণ দেখেছে। তাই অপর দলের একজন বর্ষীয়ান নেতাকে ভাড়া করে এনে গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্নায় শামিল করতে হয়েছে। বাংলায় একটা কথা আছে, 'আপনি আচরি ধর্ম অপরে শেখাবে।' বিএনপি ও তার মিত্রদের এখন এ কথাটা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়।
"সূত্র সমকাল"


সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি