মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯
মনোনয়ন বঞ্চিত হাজারীর মধ্যে হতাশা নেই!
Published : Monday, 26 November, 2018 at 11:15 PM

মনোনয়ন বঞ্চিত হাজারীর মধ্যে হতাশা নেই!#গাফফার চৌধুরীর কথা সত্যি হয়েছে....!!
গফফার চৌধুরী একবার জনকণ্ঠে লিখেছিলেন, সাদ্দামের সঙ্গে হাজারীর অনেক মিল। একজন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার, অন্যজন আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসের শিকার।

একদিন যে নেত্রী নির্বাচনের আগে লাখো জনতার সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন- হাজারী আছে , হাজারী থাকবে, ওর নির্বাচনের সব দায়িত্ব আমি নিলাম। সেই নেত্রী কোন পরিস্থিতিতে এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিলেন- তাতে তো চিন্তার বিষয় আছেই। তবে এই সিদ্ধান্তের পরে সারাদেশে নেতাকর্মীদের কাছে একটি ভুল বার্তা চলে যাবে। তা হচ্ছে সুদিনের নেতারা কাউকে কিছু করে না। বিপদের দিনে পাশে না থেকে উল্টো ক্ষতি করতে চায়। দলটি রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে বলে বলছি দলটির মধ্যে দূরদর্শী লোকের বড়ই অভাব।

আমি এই মুহূর্তে খুব হতাশ নই। কেননা জীবনের অনেক উত্থান-পতন হয়েছে। এ ব্যাপারে আমার ভালো হলো কি খারাপ হলো এখনই বলা যাবে না।
এখন তাই আমার মনে হচ্ছে বিগত দিনে যারা থাকবে তারাই নেত্রীকে বিভ্রান্ত করে দেবে। কোনোদিন যদি পরীক্ষা হয় সেদিন আবার প্রমাণ হবে কারা আসল নকল। আমার মনে আছে এই প্রজন্মের জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণকে আমি বঙ্গবন্ধুর কাছে প্রথম নিয়ে যাই। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার গভীর হৃদ্যতা দেখে কবি তার স্মৃতিকথায় লিখেছিল ‘জাতির শীর্ষ নেতা মফস্বলের একজন ছাত্র নেতাকে এত গুরুত্ব দিল কেন? লিখলেন, পরে বুঝেছিলাম জহুরী জহুর চেনে। কিন্তু সে জহুর এখন ভাঙা পাথর। তাই তারই কন্যা ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন

নেত্রীর রক্তের সম্পর্কের কাছেরও আত্মীয়রা ব্যতীত নেত্রীর অতি নিকটতম হালের নেতারা সবাই আমার বিরুদ্ধে। ধারণা ছিল নেত্রীকে কেউ টলাতে পারবে না। আমারই ভুল হলো তাই ওদের জয় হলো। ওরা ওদের জয়ে থাক পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়ে আর খেলতে চাই না। কিন্তু ওদের এই বিজয় ওদের গলার কাঁটা হবে কিনা সেটা এখন থেকে ভাবতে হবে। কেউ যদি তার ঘরে আশ্রয় দিতে না চায় জোর করে সেই ঘরে থাকা কঠিন। যে ঘরে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে ঢুকেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর সেই কন্যাই যদি সেই ঘর থেকে বের করে দেয়, সেখানে থাকার চেষ্টা করা বৃথা। বাঁচার জন্য একঘরে আশ্রয় না পেলে সবাই অন্য ঘরে ঢুকতেই চায়। কিন্তু শেষ বয়সে ঐতিহ্য নষ্ট করে অন্য ঘরে যেতে চাই না। পথেই কাটিয়ে দেব।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আইনত রাষ্ট্রীয় সম্মানটি ভাগ্যক্রমে যদি পেয়ে যাই তাহলে জনম সার্থক মানবো। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এভাবেই ধ্বংস হবে। মৌলবাদীদের কিছু করতে হবে না। এই মুহূর্তে নেত্রীর উদ্দেশ্য বলতে চাই, আমার জানা মতে, আপনার কোনো নির্দেশ আমি অমান্য করিনি। এখন তো আর নির্দেশ মানা না-মানার প্রশ্ন রইল না।

এখন যদি কেউ প্রশ্ন করেন, এবার কি করবেন- উত্তরে বলব যারা বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা নেই , তাদের বলব রাজনীতিতে সব কথা আছে। আর প্রমাণ করে যাব, আল্লাহ যা করে ভালোর জন্যই করে।
সংগ্রহীত ... fb. Joynal Abedin Hazari.

---------------- জয়নাল হাজারী।
সাবেক সংসদ সদস্য ফেনী।



সম্পাদক : জয়নাল হাজারী।  ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : [email protected], Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি