শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
বাল্যবিয়ে রোধে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে
আহমদ রফিক
Published : Friday, 10 November, 2017 at 7:18 PM

 বাল্যবিয়ে রোধে সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবেএ দেশে বাল্যবিয়ের ঘটনা আজকের নয়। এটি সমাজে শাস্ত্রশাসিত রক্ষণশীলতার একটি বড় উদাহরণ।
উদাহরণ পুরুষশাসিত সমাজের আধিপত্যবাদী অনাচারেরও। হিন্দু সমাজে একদা প্রচলিত ‘গৌরীদান এর নিকৃষ্টতম প্রতিফলন। শিশুকন্যাকে সমাজে যে অবহেলার সঙ্গে দেখা হতো তা-ই নয়, অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিতও মনে করার রেওয়াজ দেখা গেছে। যেমন—গঙ্গাসাগরে কন্যাসন্তান বিসর্জন।

বঙ্গীয় মুসলমান সমাজে বিসর্জনের রেওয়াজ না থাকলেও কন্যাসন্তানের সামাজিক অবস্থান ও মূল্যমান ভিন্ন রকম ছিল না। সম্ভবত প্রতিবেশী হিন্দু সমাজের প্রচলিত রীতি-প্রথার প্রভাব এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট মাত্রায় পড়ে। উদাহরণ, বিশ শতকে পৌঁছেও প্রচলিত আইন ভেঙে সমাজে আট থেকে দশ বছরের বালিকা বিয়ের ঘটনা অনেক ঘটেছে। এবং আশ্চর্য যে মেয়েটির মা-বাবা অপরিণত দেহের কন্যাসন্তানের ওপর বিয়ের পরিণাম জেনেও দিব্যি এসব অনাচারের হোতা। মেয়ের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের কোনো ভাবনা ছিল না।

একটু ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে কন্যাসন্তানের প্রতি পরিবারের আপত্তিকর অবহেলার বিস্তৃত বিবরণ মিলবে। অবহেলাই নয়, এসব ঘটনা একধরনের মানসিক নিষ্ঠুরতারও প্রতিফলন, যা অমানবিক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার যোগ্য। উনিশ শতকে বঙ্গীয় উচ্চবর্ণ সমাজে যে নবজাগরণ (রেনেসাঁস), মূলত পাশ্চাত্য রেনেসাঁসের বৌদ্ধিক প্রভাবে তার সুপ্রভাবটুকু সমাজের সর্বস্তরে বিস্তার লাভ করেনি। রামমোহন-বিদ্যাসাগরদের সমাজ সংস্কারের এজাতীয় চেষ্টা প্রবল সামাজিক বাধার সম্মুখীন হয়েছে।

চমকপ্রদ উদাহরণ, উপনিবেশবাদী বিদেশি শাসকের সহযোগিতায় ‘বিবাহ সম্মতি আইন’ পাস এবং বিয়ের বয়স সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণের পরও সমাজের বৃহত্তম অংশ তা গ্রহণ করতে চায়নি, মূলত অশিক্ষা, সংস্কার ইত্যাদির প্রভাবে। বিয়েসংক্রান্ত একটি ভালো আইনের বিরুদ্ধে রক্ষণশীল সমাজপতিদের আহ্বানে দেশজুড়ে বিরাট প্রতিবাদী হরতাল পালিত হয়েছিল। এবং সে উপলক্ষে ব্যাপক হারে গণবাল্যবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সে এক অদ্ভুত উন্মাদনা!

সমাজে তখন বাল্যবিয়ে বিষয়ক গোঁড়ামি ও সংস্কারের এতটাই প্রভাব যে আইন অমান্য করে তা চুইয়ে পড়েছে বিশ শতকের বাঙালি সমাজে। সেই ধারায় এর বিস্তার একুশ শতকেরও বাংলাদেশি মুসলমান সমাজে। তাই প্রতিদিন এ দেশের সংবাদপত্রের পাতায় বাল্যবিয়ের খবর প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি বিবাহ আইনের কিছুটা পিছুটান সত্ত্বেও বাল্যবিয়ে বন্ধের কিছু ঘটনা দেখা যাচ্ছে। কখনো তা কিশোরী বান্ধবীদের (স্কুলছাত্রী) চেষ্টায়, কখনো আধুনিক চেতনার প্রশাসনিক কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে। যেমন—উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার। তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। সমাজচেতনার এই শুভ দিকটির আলোকবৃত্ত অবশ্য খুবই ছোট, সীমিত আকারের। তবু তা আশা জাগায় এই মর্মে যে সমাজে যুক্তিবাদী চেতনার স্ফুলিঙ্গপাত ঘটছে। পরিবেশের আনুকূল্যে এর বিকাশ ঘটবে। তবে তার প্রকাশ বড় দেরিতে, বড় ধীরে-সুস্থে। তুলনায় প্রতিবেশী হিন্দু সমাজ তাদের শিক্ষা-সংস্কৃতির অগ্রযাত্রার কারণে এ বিষয়ে সচেতনতার প্রকাশ ঘটিয়েছে অনেক আগেই।

 

দুই.

ইদানীং সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনার সুবাদে এসব কথা লেখার মূল কারণ এখনো আমাদের অশিক্ষিত শহুরে সমাজে অনাধুনিকতা ও সংস্কারের অন্ধকার দূর হয়নি। তাই অবাধে চলছে বাল্যবিয়ে। প্রায়ই কনের বয়স ৯-১০-এর কোঠায়। কদাচিৎ ১২-১৩ বছর। এর পেছনে রয়েছে সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণ। গ্রামে অর্থনৈতিক কারণটি অবশ্য প্রধান।

গ্রামের দরিদ্র পরিবারে এক বা একাধিক কন্যাসন্তানের জন্ম পরিবারের জন্য আর্থিক ভার বা বোঝা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এজাতীয় বিবেচনার কারণ যেমন দারিদ্র্য, তেমনি অশিক্ষা ও আধুনিক চেতনার অভাব। সেই সঙ্গে কিছু বাস্তববুদ্ধি কাজ করে। যেমন—পুত্রসন্তান একটু বড় হলেই তাকে ক্ষেত-খামারের কাজে লাগানো যায়। আর পড়াশোনার ব্যবস্থা সম্ভব হলে ভবিষ্যৎ আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত হয়। কন্যাসন্তানের বেলায় তেমন পারিবারিক সহায়তার সুযোগ নেই। তদুপরি বিয়ের পর কন্যাকে নিজ পরিবার ছেড়ে অন্য পরিবারে চলে যেতে হয়। এখানেই বাস্তববুদ্ধির হিসাব-নিকাশ। এ পরিস্থিতি মূলত গ্রামে এখনো বিরাজমান।

এর মূল কারণ বলা বাহুল্য, গ্রামে ব্যাপক অশিক্ষা ও দারিদ্র্য। এ অবস্থার দায় অবশ্যই রাষ্ট্রযন্ত্রের, তাদের শ্রেণিস্বার্থের। তাই স্বাধীনতার পর গত সাড়ে চার দশকেও গোটা জাতিকে শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টা চলেনি। শাসকগোষ্ঠী সাক্ষরতা অভিযান চালিয়েই খুশি। সাক্ষরতা ও শিক্ষায় আকাশ-পাতাল প্রভেদ। ব্যাপক শিক্ষার সঙ্গে সমাজে আধুনিক চেতনার প্রভাব সংস্কার-গোঁড়ামি দূরে ঠেলে দেয়।

সে ক্ষেত্রে পরিবারে পুত্র-কন্যার তুলনামূলক বিভেদ-বিচারও কমে আসে কিংবা দূর হয়। কন্যার বাল্যবিয়ের পরিবর্তে তাকে শিক্ষাদানের চিন্তা মাথায় আসে। আসতে পারে কন্যাসন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে এমন ভাবনাও যে দাম্পত্যজীবনে অসুবিধার সম্মুখীন হলে শিক্ষিত মেয়েটি আর্থিক উপার্জনের ক্ষেত্রে নিজের পায়ে দাঁড়াতে অর্থাৎ স্বনির্ভর হতে পারবে। এ সুবুদ্ধি গোঁড়ামিমুক্ত শিক্ষিত মা-বাবার পক্ষেই সম্ভব।

তাই বলতে হয়, বাংলাদেশি সমাজে কন্যাসন্তানের বাল্যবিয়ের পেছনে মূলত অশিক্ষা, সামাজিক-ধর্মীয় সাংস্কৃতিক  গোঁড়ামির প্রভাব, দারিদ্র্য ও কিছু বাস্তব পরিস্থিতি সক্রিয় হয়ে থাকে। লক্ষ করার বিষয় যে রাজধানীর মহানাগরিক শিক্ষিত সমাজে কন্যাসন্তানের বাল্যবিয়ে বড় একটা দেখা যায় না। রাজধানী ঢাকা থেকে জেলা শহর হয়ে দূর ছোট শহর এবং যত প্রান্তিক গ্রামাঞ্চলে যাওয়া যাবে, অপরিণত বয়সী কন্যাসন্তানের অযৌক্তিক বিয়ের হার ততই বেশি দেখা যাবে। এতে শিক্ষা ও সামাজিক পরিস্থিতির বাস্তব চিত্র ধরা পড়বে। বুঝতে কষ্ট হবে না রাষ্ট্রযন্ত্রের সামাজিক দায় পালনের ব্যর্থতার বিষয়টি।

তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই, যদি জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ‘ইউনিসেফ’-এর প্রতিবেদনে এমন তথ্য পরিবেশন করা হয়, বিশ্বের যেসব দেশে বাল্যবিয়ের হার সর্বাধিক, বাংলাদেশ তার অন্যতম। ইউনিসেফের অর্থায়নে বাংলাদেশে পরিচালিত বাল্যবিয়ে বিষয়ক জরিপে (২০১৫) দেখা যায়, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৫২ শতাংশ নারীর বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে। এর অর্থ—জাতিসংঘ নির্ধারিত শিশু বয়সেই এদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

এ অবস্থার খুব একটা যে পরিবর্তন ঘটছে তা নয়। কারণ শিক্ষার হার বাড়ছে না, সমাজে আধুনিক চেতনার প্রকাশও তুলনামূলক বিচারে বৃদ্ধি পাচ্ছে না। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ এদিক থেকে পিছিয়ে আছে। তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়ে যত কথাই বলা হোক, সে সুপ্রভাব দেশের প্রান্তিক এলাকায়, বিশেষ করে নিম্নবর্গীয় সমাজে পড়ছে না। গ্রাম সম্ভবত এখনো শিক্ষা-সংস্কৃতির বিচারে রবীন্দ্রনাথ কথিত ‘মধ্যযুগেই পড়ে আছে। ’ নগর বা মহানগর ও গ্রামের মধ্যে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবধান বাড়ছে বৈ কমছে না।

বাল্যবিয়ের প্রবণতা এখনো বৃহত্তর বাংলাদেশি সমাজে, পরিবারে কতটা বেশি তার প্রমাণ মেলে যেমন সচেতন নাগরিকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, তেমনি মেলে একাধিক স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা বা মহিলা পরিষদের পরিচালিত জরিপে। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতামতও এ বিষয়ে ভিন্ন নয়। এমন এক পরিস্থিতিতে শ্রাসকশ্রেণি যদি ধর্মীয় সংস্থার চাপে বা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থের টানে বিয়ের বয়স কমিয়ে আনার চিন্তা করে, তাহলে তা জাতীয় বিচারে আত্মঘাতী ও অনাধুনিক চেতনার প্রকাশ হিসেবেই বিবেচনার যোগ্য।

তাঁরা বিবেচনায় রাখেন না অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের দাম্পত্যজীবনের সমস্যার কথা। ভেবে দেখেন না অপরিণত দেহে সন্তান ধারণের সমস্যাগুলোর কথা, যা আসলে অনেক ক্ষেত্রে প্রসূতি ও শিশুমৃত্যুর হার বৃদ্ধির কারণ। শুধু তা-ই নয়, প্রসূতিবিজ্ঞানের মতে, অপরিণত বয়সে সন্তান ধারণ ও প্রসব জরায়ুসংক্রান্ত নানা সমস্যার জন্ম দেয় অধিক মাত্রায়। অনেক ক্ষেত্রে তা নারীর ব্যক্তিকজীবন ও যৌনজীবন দুর্বিষহ করে তোলে।

এসব তথ্যের বাইরেও মেয়েদের বাল্যবিয়ের অন্যতম প্রধান সামাজিক কুফল জনসংখ্যার অযৌক্তিক বৃদ্ধি। অল্প বয়সে বিয়ের কারণে সন্তান প্রজননের বয়সসীমা বৃদ্ধি পায়, সে ক্ষেত্রে বাড়ে পরিবারে সন্তানসংখ্যা, যা জাতীয় বিপর্যয়ের তুল্য। বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় অভাবে, সেই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পানর আধুনিক চেতনার স্বল্পতার কারণে ঘটে চলেছে সমাজে সমস্যা জড়িত জন্মহার বৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা বিস্ফোরণ। এর ফলাফল যে জাতীয় পর্যায়ে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেতিবাচক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তিন.

সব দিক বিচারে বাল্যবিয়ে, বিশেষ করে বালিকা-বিবাহ যে সমাজ, জাতি ও রাষ্ট্রের জন্য নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করছে, তা নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই। তাতে যে পরিবারে কন্যাসন্তানের শিক্ষার মাত্রা ব্যাহত হয় এবং তা ব্যক্তিক ও সামাজিক সমস্যা তৈরি করে থাকে তা-ও অনস্বীকার্য। তাতে কন্যাসন্তানের ব্যক্তিক অধিকারেও হস্তক্ষেপ করা হয়, যা আধুনিক চেতনার পরিপন্থী।

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলব, অন্যদিকে সমাজজীবনে নারীকে তার ইচ্ছার প্রকাশ ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করব—এ দুই বিপরীত চিন্তা ও পদক্ষেপ পাশাপাশি চলতে পারে না। যদি চলে, তবে তা সামাজিক অন্যায় ও অবিচারের সমতুল্য। আধুনিক চেতনার বাংলাদেশে তবু এমনটাই ঘটে চলেছে। যেমন—শাসন কর্তৃপক্ষের দিক থেকে, তেমনি সমাজের পক্ষ থেকে। সমাজ এ ক্ষেত্রে রক্ষণশীলতার ও অনাধুনিকতার পরিচয় দিচ্ছে।

পরিশেষে বলতে হয়, বাল্যবিয়ে এক রকম সামাজিক ব্যাধি। এর বিরুদ্ধে শাসক শ্রেণি, সমাজ, সাংস্কৃতিক সংগঠন, এমনকি ব্যক্তিক পর্যায়েও সর্বাত্মক লড়াই অব্যাহত রাখা দরকার। শুভ সংকেত যে এ সম্পর্কে সমাজে, এমনকি প্রশাসনেও কিঞ্চিৎ সচেতনতার আভাস দেখা যাচ্ছে, যে সম্পর্কে আলোচনার শুরুতে কিছু বলা হয়েছে। সংবাদপত্র থেকে এ সম্পর্কে বেশ কিছু ইতিবাচক উদাহরণ তুলে ধরা যেতে পারে।

বড় কথা হলো, এ চেতনার ব্যাপক প্রসার ঘটাতে হবে যেমন রাজনৈতিক শাসনতান্ত্রিক ক্ষেত্রে, তেমনি সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিসরে। দেশের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলোকে বাল্যবিয়ের কুফল প্রচারে তৎপর হতে হবে। লেখকদেরও সামাজিক দায় রয়েছে এ সম্পর্কে যুক্তি-তথ্য দিয়ে মননশীল রচনার প্রসার ঘটানো এবং তা বিভিন্ন মাধ্যমে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলো এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং রাখা উচিত। সংবাদপত্র অবশ্য তা রাখছে।

এককথায় বাল্যবিয়ে, বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ে রোধে ব্যাপক ভিত্তিতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এ দায় যেমন শাসন কর্তৃপক্ষের, তেমনি আমার-আপনার সবার। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাতীয় পর্যায়ে সর্বজনীন শিক্ষাদানের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ‘সবার জন্য শিক্ষা চাই’—এ স্লোগান এই সঙ্গে উচ্চারিত হওয়া দরকার, যাতে সরকার এ দুটি দিকেই নজর দিতে, পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়।

লেখক : কবি, গবেষক ও ভাষাসংগ্রামী


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট এম. সাইফুল আলম। আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : hazarikabd@gmail.com, Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি