মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
ফেসবুক লাইভে হাজারীর ভাষণ (o৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭)
Published : Wednesday, 30 November, -0001 at 12:00 AM, Update: 09.09.2017 11:16:10 PM

ফেসবুক লাইভে হাজারীর ভাষণ (o৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭)আসসালামু আলাইকুম। আজকে আমার লাইভ ভাষণটি শুরু করছি এবং আমি আগেই ঘোষণা দিয়েছিলাম এবারেটা চেষ্টা করব আপ্রাণ যাতে গতবারেরটার চাইতে অনেক কম কথা হয়। আমি শুরুতেই রহিঙ্গাদের নিয়ে আলোচনা করব এই জন্য এটা এখন খুবই চাঞ্চল্যকর বিষয়। রহিঙ্গাদের যে অবর্ণনীয় দুরদশা। তাদের প্রতি যে নৃশংস আচারণ হচ্ছে এটা পৃথিবীর ইতিহাসে কোন নজির নাই।  ইদানিং মিডিয়ার কারণে সব কিছু প্রকাশ হয় হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ নারী শিশুর উপর এটা অসহ্য, চোখে দেখলে সহ্য করা যায় না।  আমার বিষয়টা অত্যচার নির্যাতন নিয়ে নয়। আমি বলব অন্য দুটি কথা। একটা হচ্ছে রহিঙ্গারা যখন জান বাচানোর জন্য আমাদের দেশে ঢুকতে চায় তখন তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি এটাকে কিন্তু হত্যা করা বলব। তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হলে তাদেরকে তো মেরে ফেলবে। যতোই আমাদের কষ্ট হোক তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়াটা যারা পালিয়ে আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়ে বাচতে চেয়েছে তাদেরকে নিষ্ঠুরভাবে ফিরিয়ে দেয়াটা আমি সমর্থন করি না। দেশে অনেক জায়গা আছে , তাদেরকে শুধু পা টা রাখার জায়গাটা করে দেন। খাওয়া দাওয়া পানি ইত্যাদি আস্তে ধিরে যা হবে তা কিন্তু কষ্ট তো হবেই। খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে ওদের।  সরকার চাইলেতো তরিঘড়ি করে লক্ষ রহিঙ্গার স্থান করে দিতে পারবে না। কিন্তু ওদেরকে ফেলে দেয়াটাকে আমি সমর্থন করি না। সে জন্য অনুরোধ করব যারা জান বাচানোর জন্য আমাদের দেশে আশ্রয় নিতে চাইছে ওদেরকে দয়া করে আশ্রয় দিন।  আরেকটি বিষয় আমার অন্তরকে বিধৃর্ণ করেছে। কত আশা ভরসা নিয়ে অনেকেই শেষ বয়সে হজ পালন করবে। সেজন্য সব আয়োজন শেষ। শুধু টিকেটের জন্য কিছু প্রতারক টিকেটের টাকা আত্মসাধ করার জন্য, মেরে দেয়ার জন্য পালিয়েছে। ওদের জন্য বেশ কিছু মানুষ হজ পালন করতে পারেনি। যদিও আমি এক হাদিসে দেখেছি হজ পালন করার চেষ্টা করে বাধাগ্রস্ত হয়ে হজে যেতে না পারলেও তাদের হজ আল্লাহ কবুল করবেন। এক্ষেত্রে তারা যদি আগামীতে চেষ্টাও করেন অনেকে তো মারাও যেতে পারেন। যারা মারা যাবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস তাদের হজ কবুল হয়ে যাবে কিন্তু এই হাজীদের যাদের প্রতারণায় হজে যেতে পারল না আমি বলি তাদেরকে ডিজিএফাই এনএসআই র‌্যাবের ইন্টালিজেন্ট দিয়ে বাংলাদেশের যেখানেই থাকুক ওদেরকে ধরে এনে ওই সৌদি আরবে যেভাবে প্রকাশ্যে মানুষের সামনে কতল করা হয় এদেরকেও সেভাবে কতল বরা হোক। আমি এই এজেন্সিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আহ্বান করব। আবারো সেই নিজ দলীয় নেতা খুন। আমাদের সোনাগাজীর আমিরাবাদের যুবলীগ সভাপতি এনামুল হককে হত্যা করা হয়েছে। সে শুধু যুবলীগ সভাপতি নয় ইউনিয়নের মেম্বারও। একরাম যেরকম শুধু আ.লীগ সভাপতি ছিল না সে উপজেলা চেয়ারম্যানও। সেভাবে এনামুল হকও ওখানকার মেম্বারও ছিল আবার যুবলীগের সভাপতি ছিল। তাকে ও নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়েছে গত সপ্তাহে। সে এর আগের দিন থানায় জিডি করেছে বলেছে আমার জীবনের নিরাপত্তা নাই। আমাকে নিরাপত্তা দেয়ার ব্যবস্থা করুন। এতে কি প্রমাণ করে তাকে পরের দিন হত্যা করা হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এই হত্যা দলীয় লোকদের নিজেরা এই প্রবনতা এই উদ্দ্যেগ এই বিষয়টি কবে শুরাহা হবে। যতই আমি বলছি কোন লাভ তো হচ্ছে না। ধর্মপুরে একজন, বালিগাওয়ে একজন, একরামতো আছেই। ২৬শে মার্চ আমি সমাবেশ ডাক দিয়েছিলাম সেদিন একজন অনবরত প্রতিমাসে একটি রাজনৈতিক চিহ্নিত লোক হত্যা হচ্ছে।
একই সঙ্গে আজকে দুপুরের দিকে শুভ নামে একটি ছেলে ও তার বন্ধু সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে আল্লাহ জানে এটা হত্যা কাণ্ড কিনা। কারণ ওরটাও বাস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এরাও দুজন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। আমি এদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। আমি শুনেছি বক্তারমুনসি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় এই ছেলেদের জন্য অবরোধ করে রাখা হয়েছে সোনাগাজীর দিকে যাওয়া আসার রাস্তাটা বন্ধ। রাস্তা বন্ধ করে সমাধান আছে কিনা আমি জানা না কিন্তু এভাবে সড়ক দুর্ঘটনা যাতে না হয় এ ব্যাপারে সকলকে আমি মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানাব। আমি আগেই বলতে ছিলাম আজকে ঘোষণাই দিয়েছিলাম এবারের ভাষণটি সংক্ষিপ্ত হবে, সাদামাটা। এখন দেখেন আমার ফেনীর রাজনীতির কি করুন অবস্থা কল্পনা করা যায় না। বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যার জন্য আমরা শোক দিবস পালন করি সারাদিন । বলা যায় অনেকটা পুরো মাস। এই শোক দিবসে রাজনৈতিকভাবে যেভাবে পালন করা  হয় সেভাবে ফেনীতে পালন করা হয় না। তার কারণ হচ্ছে আমাদের মধ্যে রাজনীতি নাই, রাজনীতিটা অবশ হয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু বোধহয় আমাদের পালনের অবস্থা দেখে কষ্ট পাচ্ছে। কারণ আমাদের শোক দিবসের অনুষ্ঠান উদ্ধোধন করা হয়েছে বেলুন উড়িয়ে। বেলুন উড়ানো হয় খেলার মাঠে, মেলার মাঠে। আর বেলুন উড়িয়ে উদ্ধোধন হলো শোক দিবস রহমান বিকম আকরামুজ্জামান আজিজচত্রী তারও দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছে এর অর্থই হচ্ছে ফেনীর রাজনীতির কবর হয়ে গেছে। ডুবন্ত রাজনীতিকে তোলাও তো মুশকিল হবে। কোন রাজনীতি নেই। এই একটি জিনিস থেকে প্রমাণ হচ্ছে যে রাজনীতির কবর হয়ে গেছে ফেনীতে। ডোঙ্গাবাহার ব্যবসায়ীদের দোকানে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। কোন বলা না কিছু না । রাতে তালা লাগিয়ে দিয়েছে সকালে ব্যবসায়ীরা এসে দেখে তার দোকানে তালা।  কেন তালা কে লাগিয়েছে তালা কেহ জানে না। এই যে অরাজক অবস্থা কবে অবসান হবে আল্লাহ ছাড়া আমাদের  পক্ষে বলা তো  আর সম্ভাব হচ্ছে না। আমি ভাবছি নতুন যে এবার ব্যবসায়ী সমিতি হলো আমাদের পারভেজ মিঞা আর দুলালের ভাই মোশাররফকে দিয়ে তারা কোথায়। তারা যদি কোন কিছু প্রতিকার করার চেষ্টাও না করে তাহলে নতুন কমিটির দরকার কি। আরেকটি জিনিস এবার বলি আমার ৩ বছর আগের আমার বিরুদ্ধে একটা মানহানি মামলা ছিল। এই মানহানির মামলাটা ৩ বছর ধরে চলছে আমার পত্রিকায় খবর দেয়ায় কারও নাকি মানহানি হয়েছে। হতেই পারে স্বাভাবিক। সেই মামলা ৩ বছরে আমার কাছে কোন শ্রমণ আসে নায়। তবুও কোর্টে কতৃক বাদি ১৫ বার আসে নাই। ২৭ বা ২৫ বারের মধ্যে ১৫ বারই আসে নাই। সর্বশেষ গতমাসের ১৩ তারিখে শেষ ডেট ছিল সেদিনও বাদি নাই। দিনের ৫টা পর্যন্ত হাকিম অপেক্ষা করেছে।  সেদিনই মামলা খারিজ করে দিয়েছে। মামলায় আমরা ৪ জন ছিলাম। যতন মজুমদার ছিল আমার এক নাতি ছিল খারিজ শেষ আমার কাছে টেলিফোনে জানানো হলো ওই মামলাটি শেষ হয়ে গেছে। বিকেল ৫টার সময় আবার বাদিকে এনে হাকিমকে বাধ্য করল- বলে আমরা ছিলাম, বাধরুমে ছিলাম। উনি বললেন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কাউকে খুজে পাইলাম না এ রকমতো আর দেখি নাই। তার পরে তাদের প্রভাবশালী লোকজন এসে ফোনের পর ফোন ইত্যাদি। পরে সেই খারিজ হওয়া মামলার জন্য একটা শুনানি ব্যবস্থা হলো। এটা ছিল অবৈধ সিদ্ধান্ত। কোর্টের সিদ্ধান্তটি না যদি খারিজ হওয়া তারা না মানেন তাদের তো আপিল করার সুযোগ আছে আপিল করবে কিন্তু না এখানেই থাকতে হবে আইনকে কিভাবে জবরদস্তি করে জিম্মি করা হচ্ছে দেখেন।  আমার যখন এই অবস্থা সাধারণ মানুষের কি হবে।ে  এটার ২৯ তারিখ ডেট দিলেন হাকিম ২৯ তারিখে আবারও বাদি নাই, উকিলও নাই, কেউ নাই। ফলে আবার শুধু একটা দরখাস্ত দিয়েছেন আমরা সময় চাই। এটার সময় চাওয়ার কিছু নাই এটা সাধারণ মামলা তখন হাকিম আবার এটাকে খারিজ করে দিয়েছে। যাক এখন বোধহয় কোন কিছু হচ্ছে না হবে না। এই যে একটা হয়রানিমূলক ব্যবস্থা এটা একটা অনিয়ম। এখন ছোটখাট সাধারণ হালকা কিছু বিষয় মিয়াজীর ছবি ওবায়দুল কাদেরের সাথে দিচ্ছি কেন এটা ওবায়দুল কাদেরকে সার্কিট হাউজে গতপরশু দিন কিছু লোক বলে দেখেন আপনাকে হেয় করার জন্য আপনার সঙ্গে মিয়াজীর ছবি দিছে। আসলে তো হেয় করার জন্য নয়। বিষয়টা হচ্ছে আমি বুঝাতে চাইছিলাম যে মিয়াজীর আমাদের সাধারণ সম্পাদক যোগাযোগ মন্ত্রীর সঙ্গে খুবই সম্পর্ক ভাল । মিয়াজীকে কেউ টাচ করার চেষ্টা করবে না। তার বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা কেউ করবেন না কেননা যার পেছনে ওবায়দুল কাদের আছে তার বিরুদ্ধে কিছু করতে গেলে সে সমস্যায় পড়বে। সেটা বুঝানোর কিছু কারণ আছে। তবে আমি জানি আমার বক্তরা আমার অনুসারীরা বিরক্ত হবে  অনেক দিন ধরে রাজনীতিতে ঢুকতে পারছিলাম না বিভিন্ন কারণে তবুও কিছু কিছু রয়ে গেছে এখন ও আছে। তারা দুঃখ পাক তবুও আমি বলব মিয়াজীকে ভবিষ্যত রাজনীতিতে আমি যদি সুযোগ পাই তুলে দিব। মিয়াজী এমন একটা উপকার করেছে সেই উপকার বা সেই কাজটি যদি না করত আজকে আমি আপনাদের সামনে দিচ্ছি ভাষণ আমি দিতে পারতাম না এবং আমি আগামী ভাষণে সেটা একেবারে পরিষ্কার করব। তবে যদি আমি নাও বাচি আমি বালিগাওয়ের বাহারকে অনুরোধ করে রাখছি তুমি সেটা জনগণকে জানিও। আমি বেঈমান নই আমাকে যে ১টা দিবে তাকে আমি ৩টা দিতে চাই। এখন মিয়াজীর ভবিষ্যত রাজনীতি উজাড় করার জন্য যেটা করতে হবে তাকে চাঁদাবাজী বন্ধ করতে হবে তাকে ট্রান্সপোর্টের কিছু লোকজনের উপর সিএনজির উপর অতিরিক্ত চাঁদা তোলে বিভিন্ন জায়গা জমি বিক্রির সময় দালালি করে এগুলো পরিষ্কারভাবে বন্ধ করতে হবে।  সে যাই হোক আমার পরিষ্কার কথা আমি দেখেছি কাদের সাহেবকে বিশেষ বিশেষ কারণে অন্য লোককে সমর্থন করতে। আমি রাজনীতি করি বা না করি মিয়াজীকে আমি সারাজীবন তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব কারণ এমন একটি ঘটনা এমন একটি কাজ এমন একটি উপকার সে করছে যার জন্য আজকে আপনাদের সামনে আসতে পেরেছি। নয়তে একরামের মত গাড়ীর মধ্যেই মরে যেতাম।
এখন আমি সেন্ডিকেটের বিরুদ্ধে বলি ভালটা বলি না এটা সেন্ডিকেট নিজেই বক্তৃতায় বলে । আমি ভাল করলে বলে না শুধু সমালোচনা করে কাছাকাছি বিষয়টা। কি ভাল করেন কি খারাপ করেন মানুষ দেখছেন। এখন যেটা হচ্ছে ড. দ্বীন মোহাম্মাদ বড় ডাক্তার দেশে বিদেশে নাম এক এক জন রোগী এলে ৩-৪ মাস সময় লাগে তার সঙ্গে দেখা করতে। সে দিন আমি নিউরো হসপিটালে গেলাম দ্বীন মোহাম্মাদ সাহেবের সাথে দেখা করতে। সেজন্য আগেই বলছিলাম এই মূহুর্তে নিজামের পক্ষে বলব দ্বীন মোহাম্মদ সাহেব বলছিলেন হাজারী সাহেব কয়দিন আগে আপনার চাচাতো ভাই এসেছিল।  আমি বললাম কি ব্যাপার বলে রোগটা বেশি বড় নয় আমাকে ফেনী নিতে খুব টানাটানি করছে খুব চেষ্টা চালাইতাছে বার বার অনুরোধ করতেছিল এখন যাব কি না আমি বললাম না এটার ব্যাপারে আমি কোন  মন্তব্য দিব না আপনি গেলে আমার ফেনীর কোন ক্ষতি হবে আমি মনে করি না। আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন যদি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন যাওয়ার আগে দু-একটা কথা বলব আমি ফোন করলে ধরে ওনাকে আমি ফোন করি সেও করে সেজন্য একটা পর্যায়ে উনি বললেন যে নিজাম কি আপনার ড্রাইভার ছিল?  লোকে বলে আমি কিন্তু বলি না। যে গাড়ি চালায় সেই তো ড্রাইভার সে মাঝে মধ্যে আমার গাড়ি চালতো কিন্তু সে আমার নিয়োগ প্রাপ্ত ড্রাইভার ছিল না। ড্রাইভার কোন ছোট কিছু নয়। মোদিওতো অনেক নিচে থেকে এসেছে। অনেকেই নিচে থেকে উপরে আসে।
 একবার পরশুরামের ফকির কাসেম মারা গেলে আমাদের দলীয় লোকজন জানাযার নামাজে অংশ নেয়ার জন্য পরশুরাম গিয়েছিল। ফিরবার পথে তাদেরকে নিজাম ডাকাত তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে টেকনিক্যালোর কাছে আক্রমণ করে। সেই আক্রমণের সময় অনেক আহত অবস্থায় ফিরে আসে একরাম গুলি খেয়েছে সবাই দেখেছে সে আর ফিরে আসতে পারেনি।

পরশুরামের ফকির কাসেম কয়দিন আগে মারা গেছে সেদিন বিএনপি নিজাম ডাকাতরা সবাই মনে করল আমিও যাব। ফলে তারা পথে বসেছিল আমাদেরকে মেরে ফেলবে আমি যাই নাই ফারুক আলমগীর আমাদের আরজু আমাদের সোনাগাজীর ছেলে সে আরও অনেক ৩-৪টা মাইক্রো করে গেল । সেখান থেকে আসার সময় হঠাৎ এই নিজাম ডাকাতরা আক্রমণ করল সবাই তো ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল অনেকে আহত হল কেউ পালিয়ে এলো কেউ আটকা পড়ে গেল। একরামকে উদ্ধারের জন্য আমরা চেষ্টা চালাতে লাগলাম এদিকে আলাউদ্দিন নাসিম প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয় থেকে ফোন করে বিডিআর পাঠিয়েছে কিন্তু তারা কোন কাজ করতে পারল না। তখন আমি নিজেই যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলাম তখন নিজামসহ কয়েকজন শক্ত বাধা দেয় ওদের কথা আমরা থাকতে আপনি কেন যাবেন। তখন আমি উপস্থিত সকলকে জিজ্ঞেস করলাম কারা কারা একরামকে উদ্ধার করতে যাবে। সেই মূহুর্তে তেমন কোন সাড়া  পেলাম না । তবে শুধু নিজাম সামনে এসে বলে আমি যাব তখন আমি আমার লাইসেন্স করা সাটারগানটি ওর হাতে দিয়ে পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিলাম তারপর ঘন্টা খানিকের মধ্যেই ওরা একরামকে উদ্ধার করে আমার বাড়ির সামনে হাজির করে।

আজকে নেটে একটু ডিস্টাব হচ্ছে সেজন্য ক্ষমা চাই আমার কিছু করার নাই।
ঈদের দিন নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম আমি সামনে যেতেই নেত্রীকে খুব উৎফুল্ল দেখলাম নেত্রী বললেন খুব সুন্দর ড্রেস পরেছেন  আবার সেই লাল, আগের টুপিটা কোথায়? আমি বলি এখন বয়স হয়ে গেছে তাই ওটা বাদ দিয়েছি। তবে আজকে হেডটা পরেছি নেত্রীর কথার কারণেই । মনে এলেই সব কথা বলা উচিত নয়। তবু বলছি- সেন্ডিকেটরা কাদের সাহেবকে নিয়ে ঈদের দিন খুব বাড়াবড়ি করেছে আমি মনেকরি এটা তাদের জন্য শুভ হয়নি। কারণ যেই নাসিম তাদেরকে স্বর্গের রাজা বানিয়েছে সেই নাসিমকে আড়াল করে কাদেরকে নিয়ে লাফালাফি করা শুভ হতে পারে না। গত মাসে কাদের সাহেব চট্টগ্রামে নাসিমের ৪জন ছাত্রকে বহিস্কার করেছে। এটা সহজে নাসিম হজম করবে না। যে তুলতে পারে সে নামাতেও পারে । আমি শুধু বলি নাসিমকে যদি অবজ্ঞা করে তোমাদের কপালে দুঃখ আছে। নাসিম সম্পর্ক নিজাম নিজেই বলেছে নাসিম রহস্য পুরুষ। আমি এতে একমত। আমি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আমাদের দেশের শত শত মিডিয়া অসংখ্য দল এদের কেহই আজ পর্যন্ত কোথাও নাসিমের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেনি। অথচ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে হামেসাই বলা হয়। সুতরাং কোন জাদুর বলে এমটি হয় সেটি একটু চিন্তা করতে থাকুন। আমি আগামী মাসের ভাষণে বিষয়টি আরও একটু খোলসা করার চেষ্টা করব।



এখন নেত্রীর ওখানে গেলাম আমাকে দেখেই খুব উৎফুল্ল হাসাহাসি বেশ খুব সুন্দর আজকে দেখি সেই লালটা বলল টুপিটা কই না টুপিটা তো অনেক দিন ধরে বাদ দিছি আমি ছোট বেলায় যখন বয়স কম ছিল হাফপ্যান্ড পরতাম এখনতো আর হাফপ্যান্ড পরতে পারব না। এক সময় পরেছি এখন বয়স ৭২-৭৩ বছর এখন তো হেড পরাটা মনে হয় সেই হেড পড়াটার কথা যখন জিজ্ঞেস করল ভাবছিলাম আজকে আমার লাইভ ভাষণে  হেডটাকে আবার দেখাই। সেজন্য হেড নিয়েই বসেছি। যাইহোক কাজ সব ঠিকই আছে এর মধ্যে কোন খারাপ আমি দেখি না এবং আমি শুধু আমার মনে যেটা আসে সেটা বলা উচিত নয় তবুও বলছি এই যে কাদের সাহেবকে নিয়ে সেন্ডিকেট বাড়াবাড়ি করছে এটা কিন্তু বুমেরাং হচ্ছে এটা তাদের জন্য শুভ হচ্ছে না। স্বাভাবিক যেটা যেভাবে করা দু-একটা উল্লেখ করব আগামীতে তবুও বলি শক্তি আছে তার এবং এই শক্তির উৎস কোথায় এত চাকচিক কেন সেগুলো একটু পরিস্কার করব। তাকে প্রশংসা করছি না মোটেই না। কারণ সে তার শক্তিকে সৎকাজে ব্যবহার না করে সে কিছু অসৎ কাজে খারাপ কাজে এই যে ভাল মানুষটু ছিল আমাকে হটানোর জন্য কত সুন্দর মানুষ ছিল তাদেরকে তুলে দিতে পারত। যাদেরকে আজকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এদের জন্যই তার মাথা হেড হবে ইতিহাসে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে এবং একবার যারা বেঈমানি করে বার বার বেঈমানি করছে । যারা আমার সাথে বেঈমানি করেছে যারা ইকবাল সোবাহানের সাথে বেঈমানি করেছে আমি আজকে ভবিষ্যবাণী করে যাচ্ছি তারাই আবার আলাউদ্দিন নাসিমের সঙ্গে বেঈমানি করবে করা শুরু করেছে। কেননা আজকে সেন্ডিকেটের ছেলে-পেলেরা রাস্তায় রাস্তায় বলে আলাউদ্দিন নাসিমের আর সহযোগিতার দরকার নাই। নিজাম এখন অনেক উচ্চতায় উঠে গেছে। সে নিজেই তার মামলা মকরদমা সামাল দিতে পারবে। সে সব নিজেই করতে পারে। তার আর কারও সহযোগিতার দরকার নাই।  আমি বলি না এটা বড় ধরনের ভুল। আজকে যদি নাসিম ঘোষণা করে আমি আর নিজাম বা সেন্ডিকেটের সঙ্গে নাই। এক সপ্তাহ লাগবে না আবার ধস নামবে আবার সেই ইতিহাসের আস্তা কুরে দিবে । কারণ আমি জানি আলাউদ্দিন নাসিমের শক্তি কত। আরেকটা শুধু বলি এই কয়দিন আগে কি কৌশলে কিভাবে তার ভাইকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নিয়ে ঢুকিয়ে দিল। একই সঙ্গে আবার স্বরাষ্ট্রসচিবকে ছয় মাসেরও আগে ওখান থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এটা আলাউদ্দিন নাসিম পেরেছে। ৫-৭ মন্ত্রীও এটা পারবে না। একজনকে ঢুকিয়েছে একজনকে বের করে দিয়েছে।  কি জাদু কি কৌশল তার মধ্যে আছে চিন্তা করে দেখেন। আল্লাহ অনেক দিয়েছেন এত বয়স পর্যন্ত জিন্দা দেখেছেন কথা বলার শক্তি রেখেছে হাটা চলার শক্তি রেখেছে আল্লাহর কাছে শোকর তিন বারে এমপি বানিয়েছে অনেক দিয়েছে আর কত। আমি আ.লীগ থেকে অনেক পেয়েছি মানুষ বলে এইভাবে আপনি এইরকমভাবে আছেন আমি বলি পাওয়ার ও আছে আ.লীগ নমিনেশন দিছে বলে আমি ৩বার এমপি হয়েছি। রাজার মত চলেছি সব জায়গাতে দেশে-বিদেশে নাম হয়েছে। আমাকে জেলখানায় নেয়ার পরে আমার নেত্রী আমার নেতারা যে ভূমিকা রেখেছে তা পৃথিবীতে নজির নাই। সেজন্য আমি বলি আজকে যারা সেন্ডিকেটরা এত দূর আসছে তারা বোধ হয় ভুল একটা করছে। আমাকে সবাই বলল যে আপনার কি হয়েছে হেতারা ভুল করছে ওদের ধ্বংস তো আপনি চান।
আামদের সেন্ডিকেটের নেতারা খাল দখল করে ফেনী পানি নিস্কাসন বন্ধ করে দিয়ে একটি মার্কেট করেছে বিষয়টি ওবায়দুল কাদেরের দৃষ্টিতে এলে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে এটি ভেঙে ফেলা হবে কিন্তু হয় নি উল্টো  ফেনী থেকে বসুর হাট পর্যন্ত কাদের সাহেবের যত পোস্টার ব্যানার ও গেট ছিল সব তারা ছিন্ন ভিন্ন করে দিয়েছে। তদের ভায়ে কাদেরে আপন ভাই বসুরহাটের মেয়র ১৫ দিন বাড়িতেই ছিল না। ওদের কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করে হাতপা বেধে জমিতে ফেলে রেখেছিল। এগুলোকে তিনি এত সকালেই ভুলে যাবেন। কাদের সাহেবের বিরুদ্ধে বলার কোন সুযোগ নাই। কারণ তিনি আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক।
নির্বাচনও আসছে । নির্বাচনের ঢাক-ডোল যত বাজতে থাকবে তত বোধহয় আন্দোলনের আলাপ-আলোচনাটা কমতে থাকে।  নির্বাচনে আমি সোনাগাজীর দাগনভূঞার সিটে একটা প্রার্থীর নাম ঘোষণা দিব বলেছিলাম দুঃখিত দিতে পারছিনা এই জন্য ঘোষণার পরেই অনেকে বলেছে কি দরকার, কি দরকারটা কি। একজনার কথা বলবে সেখানে ১০ জন প্রার্থী সবাই মনে কষ্ট নিবে কোন দরকার নাই। আমি তাদের কথাকে মেনে নিয়েছি। আমি মনে করেছিলাম যে আগে-ভাগে বলে দিলে আমাদের লোকগুলো একদিকে গিয়ে কাজটাজ শুরু করবে এটা আমার ভুল ধারণা ছিল। তবে আমার অনুসারীরা আমাকে সংশোধন করে দিয়ে বলেছে কোন দরকার নাই কোন প্রশ্ন আসে না আপনি কারো নাম বলবেন না সেজন্য আমি বলতে পারছিনা। আর কত বলব আমি সবাইকে শুধু বলি প্রস্তুত হন ডিসেম্বর মাসে আমরা স্বাধীন হয়েছি আগামী ডিসেম্বর মাসে ফেনী স্বাধীন করতে চাই।
শুধু সেজন্যই বলি,
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ-
ছিঁড়িয়াছে পাল কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মত।
কে আছো জোয়ান, হও আগুয়ান, হাঁকিছে ভবিষ্যত,
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।
 




সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট এম. সাইফুল আলম। আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : hazarikabd@gmail.com, Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি