বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
চমক দেখাতে গিয়ে উন্নয়নে চির সিডিএর
হাজারিকা অনলাইন ডেস্ক
Published : Saturday, 12 August, 2017 at 4:25 PM


চমক দেখাতে গিয়ে উন্নয়নে চির সিডিএরচট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) শুধুমাত্র নগরবাসীর প্রশংসা পেতেই র‌্যাম্প নির্মাণ অসম্পূর্ণ রেখেই মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার ফ্লাইওভার পর্যন্ত নির্মিত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারটির একপাশ খুলে দেয়া হয়। তারপর বাকি র‌্যাম্প নির্মাণের কথা বলে আবার তা বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু র‌্যাম্প নির্মাণ শেষ না হওয়ায় ফ্লাইওভারটি চালু করতে দেরি করায় আবারো প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে সিডিএর। কিন্তু জানা গেছে, মূল কাঠামোর চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি ব্যয় হয়েছে র‌্যাম্প নির্মাণে।

সিডিএ সূত্রে জানা গেছে, এ ফ্লাইওভারের মূল কাঠামো তৈরিতে কিলোমিটার প্রতি  ব্যয় হয়েছে ৮৮ কোটি টাকা। অথচ র‌্যাম্প নির্মাণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে কিলোমিটার প্রতি ১৪৬ কোটি টাকা। বাড়তি এ ব্যয়কে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নগর পরিকল্পনাবিদ জেরিনা হোসেন এ বিষয়ে বলেন, বন্দর নগরীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বেশ আন্তরিক। তাই চাওয়া মাত্রই বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এ উন্নয়ন এবং অর্থ ব্যয়ে কোনো সামঞ্জস্য নেই। প্রকল্পগুলো সাধারণ জনগণের বেশি কাজে আসছে না। তাছাড়া মূল কাঠামোর চেয়ে র‌্যাম্পে কিলোমিটার প্রতি ৫৮ কোটি টাকা বাড়তি ব্যয় অস্বাভাবিক। তারপরও এতো টাকা ব্যয়ে ফ্লাইওভারটি খুলে দিতে দেরি করায় চমক দেখাতে গিয়ে সিডিএর উন্নয়নে চির ধরেছে।

জানা গেছে,  আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ও স্ট্রাকচারে কিছুটা পরিবর্তন হওয়ার কারণে এর ব্যয় বেড়েছে ২৩৫ কোটি টাকা। গতবছরের জাতীয় ও অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২৩ শে নভেম্বরের বৈঠকে ফ্লাইওভারের জন্য নতুন বাজেট ২৩৫ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছে। ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৫৪ ফুট চওড়া ফ্লাইওভারটির নির্মাণে প্রথম পর্যায়ে এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ২১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল চলতি বছরের জুন পর্যন্ত।

২০১৩ সালে সরকার থেকে দরপত্র আহ্বান করা হলে ম্যাক্স-র‌্যাঙ্কিন (জেভি) নামের যৌথ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৮ কোটি টাকা কম দর দিয়ে এই ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায়।

নতুন এই বাজেট অনুযায়ী পূর্বের নকশার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নগরীর জিইসি মোড়ে ৪টি লুব নির্মাণ, ষোলশহর দুই নম্বর গেটের লুব আরসিসি স্ট্রাকচারের পরিবর্তে স্টিল স্ট্রাকচারে করা, রাস্তা সংস্কার  এবং পুননির্মাণের  কারণে দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। তাছাড়া ফ্লাইওভারের সৌন্দর্য বর্ধনেও এই টাকা ব্যয় করা হবে বলে জানা গেছে।

সিডিএ সূত্রে জানা যায়, পূর্বের মাষ্টার প্ল্যান অনুযায়ী, মুরাদপুর থেকে লালখানবাজার আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারটির মধ্যবর্তী স্থানে প্রধান ৪টি সংযোগস্থল রয়েছে। এর মধ্যে ষোলশহর ২ নম্বর গেট এবং জিইসি মোড়। তবে জিইসি মোড় ও ২ নম্বর গেইট এলাকায় প্রয়োজনীয় সংযোগস্থল নির্মাণ করে সেটি ফ্লাইওভারে সংযুক্ত করা হবে। মূলত এর মাধ্যমে এই দুই এলাকার যানবাহন সহজেই মুরাদপুর ফ্লাইওভারে উঠা ও নামা করতে পারবে। মুরাদপুর থেকে ওয়াসা জংশন পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার ফ্লাইওভারে ৪টি লেইন থাকবে। এছাড়া ২ নাম্বার গেইট থেকে বায়েজিদ পর্যন্ত ২ লেনের দশমিক শূন্য ৭ কিলোমিটার (নিম্নমুখী) র‌্যাম্প ও অক্সিজেন থেকে জিইসিমুখী ২ লেইনের ১ কিলোমিটার (ঊর্ধ্বমুখী) র‌্যাম্প থাকবে।

এদিকে নতুন ডিজাইন অনুযায়ী ফ্লাইওভারটির জিইসি মোড়ে ৪টি র‌্যাম্প তৈরি রাখা হয়েছে। এতে মুরাদপুরের দিক থেকে আসা ফ্লাইওভার থেকে একটি র‌্যাম্প জিইসি মোড়ের একটু আগে এলিট প্রিন্টের অফিসের সামনে এসে নামবে। আবার জিইসি মোড় থেকে ফ্লাইওভারটিতে উঠার জন্য পেনিনসুলা হোটেলের পর থেকে র‌্যাম্প শুরু হবে। অন্য পাশে লালখান বাজার থেকে জিইসি যাওয়ার পথে জিইসি কনভেনশনের গেটের কাছেই র‌্যাম্প নামবে এবং জিইসি থেকে মুরাদপুর যাওয়ার জন্য বাটা গলির কাছ থেকে র‌্যাম্প উঠা শুরু হবে।

এই ৪টি লুব তৈরির পাশাপাশি প্রকল্পটিতে ষোলশহর দুই নম্বর গেটের লুব আরসিসি স্ট্রাকচারের পরিবর্তে স্টিল স্টাকচারের করা হচ্ছে। মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিলোমিটার রাস্তার পুরোটাই নতুন করে সংস্কার এবং পুননির্মাণ করে দেয়া হবে। ফ্লাইওভারের জয়েন্টেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অত্যাধুনিক জয়েন্ট দিয়ে ফ্লাইওভারের স্প্যানগুলো জোড়া দেয়া হবে। ফ্লাইওভারে এলইডি লাইট লাগানো এবং সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হবে।

বাংলাদেশী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স এবং চায়না কোম্পানি র‌্যাঙ্কিন জেবির সমন্বিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনির হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, পূর্বের নকশা অনুযায়ী ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ। তবে নতুন নকশা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে ২০১৭ সালের শেষ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম অবশ্য বলেন, নতুন নকশা ফ্লাইওভারের কাজ অনেক বেড়েছে। ফ্লাইওভারটির দৈর্ঘ্য ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৬ দশমিক ৮ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। জিইসি মোড়ে ৪টি লুব নির্মাণের ফলে এই দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রসঙ্গত,  চট্টগ্রামের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরীর নামে মুরাদপুর-লালখান বাজার ফ্লাইওভারের নামকরণ করা হয় আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার।

এদিকে পূর্বের নকশা অনুযায়ী, নগরীর ২ নম্বর গেটে একটি লুপ ও র‌্যাম্পসহ মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য ছিল ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার। এটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৬২ কোটি ২১ লাখ টাকা। সে হিসাবে একটি লুপসহ ৫৪ ফুট প্রস্থের ফ্লাইওভারটি নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হয়েছে ৮৮ দশমিক ৮৮ কোটি টাকা।

তবে ২০১৫ সালের সংশোধিত নকশায় নগরীর জিইসির মোড়ে ফ্লাইওভারটিতে আরো চারটি র‌্যাম্প যুক্ত করা হয়। নতুন করে যোগ হওয়া চারটি র‌্যাম্পের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার ও প্রস্থ মাত্র ২০ ফুট। অথচ ২০ ফুট প্রস্থের এ চার র‌্যাম্প নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। সে হিসাবে র‌্যাম্প চারটি নির্মাণে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৬ দশমিক ৪৬ কোটি টাকা।

র‌্যাম্প নির্মাণে বাড়তি ব্যয়ের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, চারটি র‌্যাম্প সংযুক্তির জন্য এ বরাদ্দ চাওয়া হলেও মূলত এ অর্থ পুরো উড়াল সড়কের কাজেও কিছুটা ব্যয় হবে। এর মধ্যে চারটি র‌্যাম্প নির্মাণ, ২ নম্বর গেটের লুপ আরসিসি স্ট্রাকচারের পরিবর্তে স্টিল স্ট্রাকচারে করা, রাস্তা সংস্কার এবং সৌন্দর্য বর্ধনে এ ২৩৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

সংশোধিত নকশা অনুযায়ী, মুরাদপুরের দিক থেকে আসা গাড়ি জিইসি মোড়ে নামতে এলিট পেইন্টের সামনে একটি র‌্যাম্প নির্মাণ করা হবে। জিইসি থেকে মুরাদপুরমুখী গাড়ি ফ্লাইওভারে উঠতে র‌্যাম্প সংযুক্ত হবে বোনানজা রেস্টুরেন্টের সামনে। একইভাবে জিইসি থেকে বিমানবন্দরের দিকে যেতে ব্লুজম গার্ডেনের সামনে র‌্যাম্প দিয়ে ফ্লাইওভারে উঠবে গাড়ি। আর বিমানবন্দরের দিক থেকে আসা গাড়ি জিইসিতে নামতে জিইসি কনভেনশনের সামনের র‌্যাম্প ব্যবহার করবে।

ফ্লাইওভারের মূল কাঠামোর চেয়ে র‌্যাম্পে ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে সিডিএর চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, র‌্যাম্পের জন্য ২৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও এ অর্থ পুরো প্রকল্পের অন্যান্য কাজেও ব্যয় হবে। তাছাড়া ২০১৩ সালের অনুমোদিত প্রকল্প ২০১৭তে বাস্তবায়ন হওয়ায় পুরো প্রকল্পের ব্যয়ও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে চলতি বছরের ১৬ জুন শুক্রবার নগরীর মুরাদপুর-লালখানবাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার র‌্যাম্প নির্মান শেষ না করেই একপাশ চালু করা হয়।

রমজানের ঈদে যানজট কমাতে প্রকল্পের  মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই প্রশাসনের অনুরোধে ফ্লাইওভারটি চালু করে দেয়া হয় বলে জানান সিডিএর চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। ঈদের  আগে  র‌্যাম্প ছাড়াই  ছাড়াই ফ্লাইওভার উদ্বোধনের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি  তখন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ফ্লাইওভারের নির্মাণ কাজের মেয়াদ ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত। মূলত রমজানে এবং ঈদের সময়ে নগরীতে যানজট কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  তিনি তখন আরো জানান,  ঈদের পরপরই র‌্যাস্প  নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলবে এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই মুরাদপুর-লালখানবাজার ফ্লাইওভার চালু করা হবে বলেও জানান আবদুচ ছালাম।

এর একমাস পর আবার তা চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ফ্লাইওভারের প্রকল্প  পরিচালক সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান জানান, নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকায় ২টি র‌্যাম্পের কাজ চলমান রয়েছে। রমজানের পরেই জিইসি মোড়ে ৪টি র‌্যাম্পের  নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকল্পের কাজ শেষ করা হবে বলে জানান তিনি। ওই সময় ফ্লাইওভারের জয়েন্টের কিছু কাজ বাকি ছিল। পাশাপাশি কার্পেটিংয়ের কাজও বাকি ছিল। এখন এসব কাজের জন্য ফ্লাইওভার বন্ধ রাখা হয়েছে। কাজ শেষ হলে আবার চালু করা হবে।

তিনি আরো জানান,  বহদ্দারহাট মোড়ের সঙ্গে যুক্ত নির্মাণাধীন র‌্যাম্পের কাজ শেষ করার সময় আরও দুই মাস পেছানো হয়েছে। জুনে চালু করার কথা থাকলেও সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এটি চালু হবে। র‌্যাম্প নির্মাণের কারণে টার্মিনালগামী সড়কের একপাশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অন্যপথ দিয়ে ঘুরে বহদ্দারহাটে আসছে কালুরঘাট থেকে আসা যানবাহনগুলোকে। র‌্যাম্প নির্মাণের কারণে পুরো এলাকার সড়কগুলো ভেঙেছিল আগেই। জলাবদ্ধতায় আরও নাজুক অবস্থায় পড়েছে।

এদিকে কয়েকদিন আগে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, সমন্বয়হীনতা, দায়িত্বজ্ঞানহীন সিদ্ধান্ত ও অপরিকল্পিতভাবে ফ্লাইওভার নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি  নগরীর কোতোয়ালি থানার স্টেশন রোডের ফলমন্ডি পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

সিটি মেয়র বলেন, বহদ্দারহাট ও স্টেশন রোডসহ নানা জায়গায় নালার ওপর ফ্লাইওভারের পিলার স্থাপন করায় পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। নগরীর সব সেবা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় ছাড়া শতভাগ নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা দুরূহ। নীতিনির্ধারকদের দায়িত্বশীল আচরণ, সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে জনদুর্ভোগ লাঘব করা সম্ভব।



সর্বশেষ সংবাদ
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট এম. সাইফুল আলম। সৈয়দ রেফাত সিদ্দিকী (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মোঃ যোবায়ের (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৯২২৭৮৭২৭৮।
বার্তা বিভাগ: ৮১১৯২৮০, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০২-৮১৫৭৯৩৯ ই-মেইল : news.hazarika@gmail.com, বিন : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি