মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৭
উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে কিভাবে?
আবুল কাসেম ফজলুল হক
Published : Monday, 17 July, 2017 at 8:21 PM

 উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে কিভাবে?বিভিন্ন ভূভাগে বিভিন্ন জাতির অবস্থা বিভিন্ন রকম। পশ্চিম ইউরোপে শিল্পবিপ্লব সূচিত হওয়ার (আঠারো শতকের মাঝামাঝি) পর থেকে ক্রমে সব জাতির মধ্যে যাতায়াত, যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক বিকশিত হতে থাকে। এতে দ্রুত অবস্থার পরিবর্তন ঘটে চলে। পরিবর্তনের মধ্যে কিছু জাতি অত্যন্ত শক্তিশালী হয় এবং বহু জাতি দুর্বল থাকে। জাতিগুলোর অবস্থার মধ্যে দেখা যায় প্রবল ও দুর্বল।
বৈষম্যের কারণ প্রাকৃতিক ও মানবিক দুই-ই। ভৌগোলিক পরিবেশ, নৃ-তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদির দিক দিয়ে যে বৈষম্য, তা প্রাকৃতিক। আর রাষ্ট্রীয় ও আর্থ-সামাজিক আইন-কানুন, বিধিবিধান ও প্রথা-পদ্ধতির দিক দিয়ে যে বৈষম্য, তা মানবসৃষ্ট। প্রাকৃতিক বৈষম্যের ফলে সৃষ্ট দুঃখ-দুর্দশার সমাধান বিজ্ঞানের আবিষ্কার-উদ্ভাবন দ্বারা অত্যন্ত মন্থরগতিতে সম্ভব হয়। সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞানের কল্যাণে জীবপ্রযুক্তি ও তথ্য-প্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে কিছু প্রকৃতিসৃষ্ট সমস্যার সমাধান অবশ্যই হয়েছে। উৎপাদন ও সম্পদ দ্রুত বেড়েছে ও বাড়ছে। কিন্তু তাতে মানবসৃষ্ট বৈষম্য ও অন্যায় কমেনি, বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বা আন্তরাষ্ট্রিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বৈষম্য আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে ও বেড়ে চলছে। আর প্রতিটি জাতির বা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ধনী-গরিবের বৈষম্যও আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে ও বেড়ে চলেছে। সব ক্ষেত্রেই রাজনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদরা ঘটনাপ্রবাহের পরিচালক। আধুনিক যুগে যেসব মহান সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলোকে বানচাল করে দিয়েছে প্রবলরা। মধ্যযুগ ভিন্ন চেহারা নিয়ে সামনে এসে গেছে। বলা হচ্ছে যে ইতিহাসের চাকা পেছন দিকে ঘুরছে। পুরনো সংস্কার-বিশ্বাস পুনরুজ্জীবিত হয়ে চলছে, ধর্মের অপব্যবহার বেড়ে চলছে। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও তার সম্পূরক আন্তর্জাতিকতাবাদকে এই পুনরুজ্জীবনের কালে বানচাল করা হয়েছে। অত্যুন্নত নতুন প্রযুক্তি নিয়ে মানবজাতি সম্পূর্ণ আদর্শহীন হয়ে পড়েছে, প্রায় সব রাষ্ট্রে অপশক্তি ক্ষমতায় এসেছে, প্রায় সর্বত্র অশুভবুদ্ধির কর্তৃত্ব চলছে, শুভবুদ্ধি মার খাচ্ছে। বিশ্বায়ন নামে যে বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, তার কর্তৃপক্ষ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, জি-সেভেনের কর্তৃপক্ষ, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল, বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা, ন্যাটো কর্তৃপক্ষ, জাতিসংঘ, ইউনিসেফ, ইউনেসকো ইত্যাদি। জাতিসংঘ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোরই সংঘ। বিশ্বায়নের কর্তৃপক্ষ কি শুভশক্তি ও শুভবুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত? নাকি অশুভশক্তি ও অশুভবুদ্ধি দ্বারা পরিচালিত? আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া ও সিরিয়ায় যে যুদ্ধ ও হত্যাকাণ্ড চলছে, তাতে বিশ্বায়নের কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী? জাতিসংঘের ভূমিকা কী? বাংলাদেশের এনজিও ও সিএসওগুলোর কর্তাব্যক্তিরাই বা মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলি নিয়ে কী ভাবছেন? মধ্যপ্রাচ্যে ইঙ্গ-মার্কিন শক্তির ও ন্যাটোর সামরিক আক্রমণ, যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিক্রিয়ায় আত্মপ্রকাশ করেছে তালেবান, আল-কায়েদা, আইএস ইত্যাদি জঙ্গিবাদী সংগঠন। জঙ্গিবাদীরা জাতীয় স্বাধীনতা চায়। জঙ্গিবাদীরা তাদের দেশ থেকে বিদেশি সৈন্যের অপসারণ চায়। তারা মুক্তির উপায় জানে না। জঙ্গিবাদীদের নির্মূল করার জন্য ১০-১৫টি রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। এ কাজে নিজ নিজ দেশে তারা আইন-আদালত ও পুলিশিব্যবস্থাকে ভীষণভাবে সক্রিয় ও তত্পর রাখছে। সেনাবাহিনীও ব্যবহার করছে। বৈষম্য বৃদ্ধির ফলেও অনেক রাষ্ট্রেই জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও অসহিষ্ণুতা দেখা যাচ্ছে। যেসব রাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ও সামরিক আক্রমণের পক্ষে সক্রিয়, সেসব রাষ্ট্রেই জঙ্গিবাদীরা সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে। সব দেশে তারা যাচ্ছে না। পৃথিবীর প্রায় ২০০ রাষ্ট্রের মধ্যে ১৫-২০টি রাষ্ট্র আক্রান্ত হচ্ছে কিংবা আক্রমণের ভয়ের মধ্যে আছে। মুসলমানদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নীতি কি ঠিক? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও তার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডের ফলে পৃথিবীর সব জাতি ও রাষ্ট্রই নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে। অথচ আগ্রাসী এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নেই। উদার গণতন্ত্রের নামে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপান গণতন্ত্রের যে রূপ ও প্রকৃতি সামনে এনেছে তাকে বলা যায় ধনিক-বণিকদের নির্বাচনতন্ত্র—গণতন্ত্র নয়। শুধু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনকেই তারা গণতন্ত্র বলছে। গণতন্ত্রের নির্বাচনসর্বস্ব ধারণা নিয়ে যে শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়েছে তা গণতন্ত্রবিরোধী, গণবিরোধী। বাংলাদেশও এই গণতন্ত্র নিয়ে চলছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন করার সামর্থ্যও রাখে না। এই পথে এগিয়ে বাংলাদেশ উঠতে পারবে না। উদার গণতন্ত্র নিয়ে জনগণের গণতন্ত্রের সম্ভাবনাকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। সমাজতন্ত্রও শেষ হয়ে গেছে। গণতন্ত্রী ও সমাজতন্ত্রীরা নিজেদের আদর্শ ভুলে গিয়ে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা পরিচালিত হতে গিয়ে সম্পূর্ণ আদর্শগত শূন্যতায় পড়ে গেছে। বাংলাদেশে মৌলবাদবিরোধী আন্দোলন, নারীবাদী আন্দোলন ইত্যাদিতে মত্ত হয়ে বামপন্থীরা সম্পূর্ণ সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে শেষ হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়েছে একদিকে সম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা, অন্যদিকে ভারত দ্বারা। জনগণ এসবের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক দিয়ে মানবজাতি আজ যে উন্নত অবস্থায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাতে পৃথিবীব্যাপী সব রাষ্ট্রের সব মানুষ খেয়ে-পরে সম্মানজনক জীবন যাপনের অধিকারী হতে পারে। তার জন্য দরকার ন্যায় বাড়ানো ও অন্যায় কমানো। বিষয়টি শুধু নীতিকথায় সীমাবদ্ধ থাকলে কোনো সুফল হবে না, নীতিকে কার্যকর করতে হবে আইন-কানুন পরিবর্তন করে, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার পুনর্গঠনের মাধ্যমে। এ নিয়ে পৃথিবীর সর্বত্র প্রতিটি জাতির মধ্যে বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিদের চিন্তা করা দরকার—মতবিনিময় দরকার। নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে তার অনুকূলে জনমত গঠনের জন্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন সৃষ্টি করতে হবে। নিজ নিজ জাতি ও সব জাতির শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদদের চিন্তা অবলম্বন করে সংস্কৃতির ধারণাকে নবায়িত করতে হবে। রাষ্ট্রব্যবস্থার সব স্তরে সবার ও জনসাধারণের নৈতিক উন্নতির জন্য স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি ও কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। এ নিয়ে পর্যায়ক্রমে কর্মসূচির পর কর্মসূচি ও কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নতির জন্য সাংবিধানিকব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় পরিকল্পনা সংস্থা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অবলম্বন করতে হবে। প্রচলিত ‘উদার’ গণতন্ত্রের ধারণা ও কার্যক্রম পরিহার করে সর্বজনীন গণতন্ত্রের ধারণা উদ্ভাবন ও অবলম্বন করতে হবে। তার জন্য জাতীয় রাজনীতির মূল অবলম্বন হবে রাজনৈতিক দল। সর্বজনীন গণতন্ত্রের জন্য দল গঠনের ব্যাপারটিতে পরিপূর্ণ গুরুত্ব দিতে হবে। দলের থাকবে লিখিত সংবিধান। দলের সদস্য ও কর্মীরা দলের সংবিধান অবলম্বন করে জনগণের মধ্যে কাজ করবেন। দলের সংবিধানে জাতির আর্থ-সামাজিক-রাষ্ট্রিক উন্নতির উপায় সম্পর্কে কাজের রূপরেখা থাকবে। জাতীয় ইতিহাস-ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের যথার্থ প্রতিফলন থাকবে দলের সংবিধানে।
সরকার গঠনে অবলম্বন করতে হবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের পদ্ধতি। নির্বাচনের আগে প্রতিটি রাজনৈতিক দল দলীয় প্রার্থীদের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রার্থী তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দেবে। জাতীয় সংসদে প্রতিটি উপজেলা থেকে একজন প্রার্থী থাকবেন। যেসব উপজেলায় জনসংখ্যা অনেক বেশি সেগুলো থেকে দুজন করে প্রার্থী হতে পারেন। তাতে প্রার্থীসংখ্যা ৫০০ কিংবা তার সামান্য বেশি হতে পারে। ভোটাভুটি হবে দলভিত্তিক—প্রার্থীভিত্তিক নয়। দলের প্রাপ্ত মোট ভোটের অনুপাতে প্রতিটি দল জাতীয় সংসদে সদস্যসংখ্যা লাভ করবে। দলের প্রার্থী-তালিকায় প্রদত্ত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সদস্যরা জাতীয় সংসদে আসবেন। মন্ত্রিপরিষদও গঠিত হবে ভোটের দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের দ্বারা। জাতীয় সংসদে যেসব দলের সদস্যসংখ্যা ২০ জনের কম হবে যেসব দল থেকে কোনো মন্ত্রী হবেন না। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা সর্বাধিক ৬০ জন হতে পারে। জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ যে রূপ লাভ করবে, তাতে সংসদে কোনো গতানুগতিক বিরোধী দল থাকবে না। সংসদে প্রত্যেক সদস্যের আলোচনা-সমালোচনার অধিকার থাকবে। প্রতিটি দল তার কর্মসূচি প্রচার করে জনপ্রিয় হওয়ার ও নির্বাচনে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করবে। রাজনীতি নির্বাচনকেন্দ্রিক না হয়ে উন্নয়ন কর্মসূচিভিত্তিক হবে। সর্বজনীন কল্যাণ হবে গণতন্ত্রের লক্ষ্য। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যাতে মনোপলি গড়ে না ওঠে তার জন্য অর্থনৈতিকব্যবস্থার আমূল পুনর্গঠন লাগবে। শিক্ষাব্যবস্থা, প্রশাসনব্যবস্থা ও বিচারব্যবস্থার আমূল পুনর্গঠন লাগবে। সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ, প্রশাসনব্যবস্থা ও বিচারব্যবস্থার কার্যপ্রণালী যাতে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও পরস্পর সম্পূরক হয় তার ব্যবস্থা সংবিধানে নিশ্চিত করতে হবে। মত প্রকাশের স্বাধীন সংগঠন করার স্বাধীনতা, ব্যক্তির স্বাতন্ত্র্য ইত্যাদি নিশ্চিত করতে হবে। সর্বজনীন গণতন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনর্গঠন নিয়ে প্রতিটি জাতির মধ্যে গভীর চিন্তাভাবনা, মতবিনিময় ও আলোচনা-সমালোচনা দরকার। বর্তমান উদার গণতন্ত্রের নামে নির্বাচন ও নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ব্যাপারাদি নিয়ে যে আলোচনা ও তর্কবিতর্ক হয়, তা নিতান্তই কিছু লোকের ক্ষমতার ও শোষণ-পীড়নের স্বার্থে—জনস্বার্থে নয়। রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আমূল পুনর্গঠিত করতে হবে। উন্নত ব্যক্তি, উন্নত সমাজ, উন্নত জাতি ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনকে অবশ্যম্ভাবী করে তুলতে হবে। জাতিসংঘকে ভিন্ন রূপ ও প্রকৃতি দিতে হবে। জাতিসংঘকে পরিণত করতে হবে আন্তরাষ্ট্রিক ফেডারেল বিশ্বসরকারে। বিশ্বসরকার গঠন করে শুধু বিশ্বসরকারের কাছে একটি সেনাবাহিনী রেখে সব রাষ্ট্রের সেনাবাহিনী বিলুপ্ত করতে হবে। জাতি-রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের জন্য চিন্তা ও কাজের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফেডারেল বিশ্বসরকার গঠনের জন্য চিন্তা ও কাজ করে যেতে হবে। দুই ধরনের কাজই সব জাতির মধ্যে দরকার।এই কর্মসূচি ও কার্যক্রমের মধ্যে নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি ও কার্যক্রম, ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীগুলোর উন্নতির কর্মসূচি ও কার্যক্রম পশ্চাত্বর্তী অঞ্চলগুলোর উন্নয়ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম ইত্যাদি রাখতে হবে। প্রবলদের ও অপরাধীদের দৌরাত্ম্য কমানোর কঠোর ব্যবস্থা করতে হবে। মানবজাতি এখন যে সভ্যতার সংকটে পড়েছে, তা থেকে উদ্ধার লাভের জন্য বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রব্যবস্থা ও বিশ্বব্যবস্থার পুনর্গঠন অপরিহার্য।
 বাংলাদেশে রাজনীতি-চিন্তাকে নির্বাচনে কেন্দ্রীভূত রেখে যেভাবে আমরা চলছি, তা দ্বারা সুফল হচ্ছে না—হবে না। উজ্জ্বল নতুন ভবিষ্যৎ সৃষ্টির চিন্তায় ও কাজে অগ্রসর হলে আমরা ঠিক কাজটি আরম্ভ করব। মানবজাতির সামনে আছে উজ্জ্বল নতুন ভবিষ্যৎ।
 তার জন্য কাজ করতে হবে। আশা ও সাহস দরকার।
 লেখক : চিন্তাবিদ


সম্পাদক : জয়নাল হাজারী। ফোন : ০২-৯১২২৬৪৯, ০১৭৫৬৯৩৮৩৩৮
মোঃ ইব্রাহিম পাটোয়ারী কর্তৃক ফ্যাট নং- এস-১, জেএমসি টাওয়ার, বাড়ি নং-১৮, রোড নং-১৩ (নতুন), সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
এবং সিটি প্রেস, ইত্তেফাক ভবন, ১/আর কে মিশন রোড, ঢাকা-১২০৩ থেকে মুদ্রিত।
আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট এম. সাইফুল আলম। আবু রায়হান (বার্তা সম্পাদক) মোবাইল : ০১৯৬০৪৯৫৯৭০ মোবাইল : ০১৯২৮-১৯১২৯১। মো: জসিম উদ্দিন (চীফ রিপোর্টার) মোবাইল : ০১৭২৪১২৭৫১৬।
বার্তা বিভাগ: ৯১২২৪৬৯, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ০১৯৭৬৭০৯৯৭০ ই-মেইল : hazarikabd@gmail.com, Web : www.hazarikapratidin.com
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি